UP Tourism: আগ্রা নয়, উত্তরপ্রদেশের পর্যটন নীতির মূল আকর্ষণ কৃষ্ণ এবং রামায়ণ সার্কিট

UP_Tourism_Policy

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগের বারের মতো এবারও, আগ্রার স্মৃতিসৌধগুলিকে এড়িয়ে গিয়ে, ‘কৃষ্ণ সার্কিট’ মথুরা জেলাকে মূল আকর্ষণ করা হল উত্তরপ্রদেশের সদ্য ঘোষিত পর্যটন নীতিতে (UP Tourism)। 

কী বলা হয়েছে ইউপি পর্যটন নীতিতে?

রামায়ণ অনুসারে চিত্রকূট, বিথুর এবং অন্যান্য ধর্মীয় স্থানগুলি, যেগুলি ভগবান রাম এবং দেবী সীতার প্রতীক হিসাবে দেখা হয়, সেগুলি ‘রামায়ণ সার্কিট’- এর অন্তর্ভুক্ত থাকবে। একইভাবে মথুরা, বৃন্দাবন, গোকুল, গোবর্ধন, বরসানা, নন্দগাঁও, বলদেব এবং অন্যান্য ধর্মীয় স্থানগুলিকে কৃষ্ণ সার্কিটের অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং কপিলবাস্তু, সারনাথ, কুশিনগর, কৌশাম্বী, শ্রাবস্তী, রামগ্রাম এবং অন্যান্য স্থানগুলি ‘বৌদ্ধ সার্কিট’- এর অন্তর্ভুক্ত হবে।

আরও পড়ুন: কুয়েটের সঙ্গে জেইই এবং নীট সংযুক্তিকরণের পথে ইউজিসি? জানুন বিস্তারিত 

নতুন নীতিতে মহাভারত সার্কিট এবং শক্তিপীঠ সার্কিটের কথাও বলা হয়েছে, যেখানে হস্তিনাপুর, কাম্পিল্য, এছত্রা, বারনাওয়া, মথুরা, কৌশাম্বী, গোন্ডা, লক্ষগৃহের মতো স্থানগুলিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। শক্তিপীঠ সার্কিটের অধীনে, বিন্ধ্যবাসিনী দেবী, অষ্টভুজা থেকে দেবীপতন, নৈমিষারণ্য, মা ললিত দেবী, মা জ্বলা দেবী, সাহারানপুরের শাকুম্ভরী দেবী থেকে শিবানী দেবী চিত্রকূট এবং শীতলা মাতা মৌ পর্যন্ত প্রসারিত করা হবে।

এবিষয়ে সমাজকর্মী সমীর বলেন, “পর্যটন নীতিতে নতুন বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও বন সংরক্ষণের সঙ্গে ইকো-ট্যুরিজমের প্রচারের দিকেও নজর দেওয়া উচিৎ।”

আগ্রা পর্যটন

আগ্রা ট্যুরিজম ওয়েলফেয়ার চেম্বারের সেক্রেটারি বিশাল শর্মা নতুন পর্যটন নীতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “হোটেল শিল্পের জন্য বিনিয়োগ-ভিত্তিক ভর্তুকি দেওয়ার জন্য নীতিতে যে বিধানগুলি রয়েছে, তাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হোটেলগুলিকে ‘শিল্পের’ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। যার অর্থ হল জলের হার এবং বিদ্যুৎ, সম্পত্তি কর এবং পয়ঃনিষ্কাশন করও বাণিজ্যিকের পরিবর্তে শিল্প হবে।”

তিনি আরও বলেন, “চম্বলের গিরিখাতগুলি সহজেই অ্যাডভেঞ্চার পর্যটনের প্রচারের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। কিথাম এবং চম্বল অভয়ারণ্যগুলি ইকো-ট্যুরিজম প্রচারের জন্য অসাধারণ সাইট হতে পারে।”  

আগ্রাও বটেশ্বর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি একটি ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থান। ১০১টি শিব মন্দির রয়েছে সেখানে। আগ্রা কেবল ঐতিহাসিক স্থান নয়। তার চেয়ে অনেক বেশি। পর্যটন নীতিতে আগ্রার ওপর আরও গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ ছিল।”

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share