Kaliaganj Rape Case: কালিয়াগঞ্জে জাতীয় শিশু অধিকার কমিশন, ফের প্রকাশ্য বিরোধিতায় রাজ্য কমিশন

priyank_kanungo

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জে নাবালিকা ধর্ষণের (Kaliaganj Rape Case) ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্যে। ওই এলাকার একাংশে ইতিমধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। দুদিন ধরে দফায় দফায় বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এই ইস্যুতে রাজ্যে পা রাখেন জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান প্রিয়ঙ্ক কানুনগো। রবিবার তিনি যান নির্যাতিতার (Kaliaganj Rape Case) বাড়ি। এই আবহে  সকাল থেকে একের পর এক ট্যুইট করে জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনকে কটাক্ষ করা হয়েছে রাজ্য শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে। বিরোধী মহলের একাংশের বলছে, জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনকে সহযোগিতার বদলে বিরোধিতা কেন করছে রাজ্য? কোনও কিছু ধামাচাপা দিতেই কী?

রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের ওই ট্য়ুইটে কী লেখা হয়েছে

ট্যুইটে লেখা হয়েছে, “১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করে কালিয়াগঞ্জে গিয়েছে জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের দল। জাতীয় শিশু সুরক্ষা অধিকার কমিশনের এই ভূমিকা লজ্জাজনক। যেভাবে NCPCR-এর চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো রাজ্যের শিশু ও মহিলাদের সম্পর্কে মন্তব্য করছেন, তা দুর্ভাগ্যজনক। তথ্য যাচাই না করেই তিনি উস্কানিমূলক মন্তব্য করছেন তিনি। তাঁর এই ধরনের মন্তব্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। যাদের শিশুদের অধিকার রক্ষার কথা, তাঁরাই শিশুর মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি করছে। আইন ভেঙে রাজ্যের কমিশনকে অগ্রাহ্য করে রাজ্যকে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে।”

 

কী বললেন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো

কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুনের ইস্যুতে এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করলেন জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়াংক কানুনগো। এদিন তিনি বলেন, “একজন অযোগ্য মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য অযোগ্য সরকারের আচরণ নিয়ে কাজ করা কোনও অযোগ্য সংস্থার বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না।” রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই তিনি এই মন্তব্য করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি আরও বলেন, “আজ সকালে গিয়ে মৃতার বাড়ির লোক, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও আশেপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি ও রেকর্ড করেছি। দুদিন আগেই এই কেসের যিনি ইনভেস্টিগেটিং অফিসার ছিলেন ও যে ডাক্তার পোস্টমর্টেম করেছে, পাশাপাশি এই কেসের সঙ্গে যারা যুক্ত আছেন তাদের দেখা করার কথা জানিয়েছিলাম। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তারা কেউ দেখা করেননি। অপেক্ষা করছি। তাদের সঙ্গে কথা বলে তারপরেই আপনাদের বাকি সব জানাতে পারব।” পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁর মন্তব্য, “পুলিশ এখনও মৃতার পরিবারের লোকের বয়ান নেয়নি। সেটা পরিবারের লোকেরাই আমাকে জানিয়েছেন। পরিবারের লোকজনের বয়ান না নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো প্রশাসনের পক্ষে ঠিক না।”
 

কী বলছে প্রশাসন

ইতিমধ্যে কালিয়াগঞ্জ পৌঁছেছেন জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো। রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার সানা আখতার জানিয়েছেন, নিয়ম মেনে চার প্রতিনিধি যেতে চাইলে প্রশাসনের কোনও আপত্তি নেই। শনিবারের পর থেকেই এলাকা সুনসান। রবিবার সকাল থেকে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা।

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share