Covid-19: করোনার কোন ভ্যারিয়েন্ট বেশি ভয়ঙ্কর, এক্সবিবি.১.৫ নাকি বিএফ.৭?

omicron

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে নতুন করে তাণ্ডব শুরু করেছে করোনা ভাইরাস। ওমিক্রনের সাব-ভ্যারিয়েন্ট বিএফ.৭ নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে চিনে। পিছিয়ে নেই আমেরিকাও। সেখানেও করোনার অন্য এক ভ্যারিয়েন্ট নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করছে। সেটি হল এক্সবিবি.১.৫। চিনে যখন ওমিক্রনের বিএফ.৭ সাব ভ্যারিয়েন্ট ত্রাসের রূপ নিয়েছে, তখন আমেরিকায় এই সংক্রমণ ছড়ানোর নেপথ্যে রয়েছে ওমিক্রন এক্সবিবি.১.৫। আমেরিকার এই এক্সবিবি ভ্যারিয়েন্টটি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বেশ উদ্বিগ্ন। তবে সবথেকে আতঙ্কের বিষয় হল, এই দুই ভ্যারিয়েন্টে ভারতের কিছু মানুষও আক্রান্ত হয়েছেন। তবে সবারই প্রশ্ন, কোন ভ্যারিয়েন্ট বেশি ক্ষতিকারক?

বিএফ.৭ না এক্সবিবি.১.৫, কোনটি বেশি ভয়ঙ্কর?

আমেরিকা এক্সবিবি.১.৫-এর জন্য বেশি উদ্বিগ্ন। কারণ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, করোনার এই ভ্যারিয়েন্ট বেশি সংক্রামক। এটি বিএ.২.৭৫ এবং বিএ.২.১০.১-এর  মিলিত প্রজাতি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই ভ্যারিয়েন্টের ফলে আমেরিকার প্রায় ৪০.৫ শতাংশ আক্রান্ত হয়েছেন। তথ্য বলছে, এক্সবিবি.১.৫ এর গতি বিকিউ.১ এর থেকে ১২০ শতাংশ বেশি। এক্সবিবি.১.৫ আগের এক্সবিবি ভ্যারিয়েন্টগুলির থেকে ৯৫ শতাংশ দ্রুত বলেও জানানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে, কোভিড ভ্যারিয়েন্ট এক্সবিবি.১.৫ এমন একটি ভ্যারিয়েন্ট যা শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সহজেই ভেঙে দিতে পারে। আর সংক্রমণ ছড়িয়ে ফেলার দ্রুত ক্ষমতা ধরে রাখে।

আরও পড়ুন: সামনেই চিনা নববর্ষ, করোনার মধ্যেই ভ্রমণ সংক্রান্ত একাধিক বিধিনিষেধ তুলে নিল জিনপিং সরকার

অন্যদিকে ওমিক্রনের উপপ্রজাতি বিএ.৫ ও বিএ.৫.২.১৭ এর পরিবর্তিত রূপ হল ওমিক্রন বিএফ.৭। যেটির ফলে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন চিনের নাগরিকরা। এটিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিএফ.৭ এর থেকেও বেশি সংক্রামক এক্সবিবি.১.৫ ভাইরাস। ৫৬ শতাংশ বেশি রোগ ছড়াতে পারে। বিএফ.৭ এর চেয়ে এর সংক্রমণের হার প্রায় ১২০ শতাংশ বেশি। খুব তাড়াতাড়ি মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। মানুষের শরীরে এর সংক্রমণ হলে অ্যান্টিবডিগুলোকে দুর্বল করে দিতে পারে, ফলে খুব সহজেই রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কমিয়ে দেয়। হু-এর তরফে বলা হয়েছে, এটি আজ পর্যন্ত ওমিক্রনের সবথেকে সংক্রামক ভাইরাস।

দুই ভ্যারিয়েন্টের সাধারণ উপসর্গ কী কী?

করোনার এই দুই ভ্যারিয়েন্টেই যে যে উপসর্গ দেখা যায় সেগুলো হল- গলা ব্যথা, সর্দি, নাক বন্ধ, হাঁচি, কফ ছাড়া কাশি, মাথাব্যথা, কফ সহ কাশি, কর্কশ কণ্ঠস্বর, পেশী ব্যথা এবং ব্যথা ইত্যাদি।

 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share