Yasin Malik: ইয়াসিনকে সাজা দেওয়ার সময় মহাত্মা গান্ধীর তুলনা টানেন বিচারক, কেন জানেন?

yasin_malik

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের (jklf) প্রধান ইয়াসিন মালিককে (Yasin malik) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছে পাতিয়ালার এনআইএ-র (nia) বিশেষ আদালত। সন্ত্রাসবাদে অর্থ (terror funding) সাহায্য এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলেন (separatist movement) মদত জোগানোর দায়ে চলতি মাসের ১৯ তারিখে দোষী সাব্যস্ত করা হয় ইয়াসিন মালিককে। বুধবার শোনানো হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা। বিশেষ এনআইএ বিচারক প্রবীণ সিংয়ের আদালতে ওই মামলার শুনানি হয়। এই প্রবীণ সিং-ই বছর ছাপান্নর ইয়াসিনকে পাকাপাকিভাবে গারদে পাঠালেন। ইয়াসিনকে সাজা দেওয়ার সময় বিচারক কী কী মন্তব্য করেছিলেন, আসুন জেনে নেওয়া যাক।

আরও পড়ুন : যাবজ্জীবন ইয়াসিন মালিকের, অশান্তি এড়াতে জম্মু-কাশ্মীরে বাড়ানো হল নিরাপত্তা

বিচারক প্রবীণ সিং বলেন, দোষী ব্যক্তি ১৯৯৪ সালে বন্দুক ছেড়ে দিয়ে থাকতে পারে, কিন্তু তার আগে সংঘটিত হিংসার জন্য কখনওই সে কোনও অনুশোচনা প্রকাশ করেনি। এখনও সে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। দোষী ব্যক্তি গান্ধীর অহিংস নীতি অনুসরণ করছে বলে আদালতে দাবি করেছে। বিচারক বলেন, সে মাহাত্মা গান্ধীর নাম মুখে আনতে পারে না। কারণ চৌরিচৌরার ঘটনার পর গান্ধীজি সহিংস আন্দোলনের পথ ছেড়ে অহিংস আন্দোলেনের রাস্তায় হাঁটেন। ইয়াসিন সে পথে হাঁটেনি। বিচারকের মতে, ইয়াসিনের সংঘটিত অপরাধগুলি অত্যন্ত গুরুতর প্রকৃতির। তিনি বলেন, সংঘটিত অপরাধগুলি অত্যন্ত গুরুতর প্রকৃতির ছিল। ভারতের ধারণার কেন্দ্রবিন্দুতে আঘাত করার এবং ভারত থেকে জম্মু ও কাশ্মীরকে জোরপূর্বক আলাদা করার উদ্দেশ্যও তার ছিল।

আরও পড়ুন : ইয়াসিন মালিকের যাবজ্জীবন সাজা, কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদের কফিনে শেষ পেরেক?

বিচারক বলেন, ইয়াসিনের অপরাধের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ এগুলি সংঘটিত হয়েছিল বিদেশি শক্তি ও মনোনীত সন্ত্রাসবাদীদের সাহায্যে। সব শেষে সিদ্ধান্তে আসেন বিচারক। বলেন, অপরাধ সংঘটনের পদ্ধতি ও ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্রের কারণে এগুলি বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি এদিন আদালত মালিককে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানাও করেছে। এদিন মালিকের সাজার খবরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় ভূস্বর্গের একাংশে। নিরাপত্তা কর্মীদের লক্ষ্য করে ছোড়া হয় পাথরও। পরে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। উপত্যকায় শান্তি বজায় রাখতে ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তারও।   

 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share