Adenovirus: হু-হু করে বাড়ছে অ্যাডিনো! ইন্টারনেট দেখে শিশুর চিকিৎসা করাচ্ছেন কি? সতর্কবার্তা পুরসভার

Adenovirus

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাডিনো ভাইরাস আতঙ্কে কাঁপছে গোটা রাজ্য। কোভিডের পর এবার নয়া আতঙ্কের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস। ইতিমধ্যেই রাজ্যের একাধিক জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। জানা গিয়েছে, বাংলায় একাধিক শিশু এই ভাইরাসের বলি হয়েছে। শহর থেকে জেলা, হাসপাতালগুলিতে ভিড় বাড়ছে শিশুদের। এই পরিস্থিতিতে এবার নয়া নির্দেশিকা জারি করল কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ। চিকিৎসক থেকে নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, কাকে কোন দায়িত্ব পালন করতে হবে তা বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।

পুরসভা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যাচ্ছে, আলাদা আলাদা করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সকলকেই। মেডিক্যাল অফিসার থেকে শুরু করে ‘আশা’ কর্মীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে দায়িত্ব। এমনকী স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির পক্ষ থেকেও সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুরসভার পক্ষ থেকে।

মেডিক্যাল অফিসারদের জন্য কী কী নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে?

শিশুদের অভিভাবকের কথা শুনে পরীক্ষা করতে হবে। বাড়িতেই চিকিৎসা সম্ভব নাকি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে, তা জানাতে হবে। শিশুর শারীরিক অবস্থা কেমন থাকছে সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে। বাড়িতে রাখলে অভিভাবকদের বুঝিয়ে দিতে হবে, কী দেখে তাঁরা সতর্ক হবেন।

নার্সদের কী করতে হবে?

কোনও শিশু জ্বর, কাশি নিয়ে পুরসভার স্বাস্থ‌্যকেন্দ্রে এলেই অভিভাবককে জিজ্ঞেস করতে হবে, কতদিন ধরে জ্বর আসছে। অপ্রয়োজনে গুচ্ছ গুচ্ছ অ‌্যান্টিবায়োটিক নয়। জানতে হবে, জ্বর কেমন থাকছে, খেতে অনীহা দেখা যাচ্ছে কি না, প্রস্রাবে কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না। বিপদ বুঝলেই দেরি না করে মেডিক্যাল অফিসারের কাছে পাঠাতে হবে।

অন্যদিকে, স্বেচ্ছাসেবক স্বাস্থ্যকর্মী এবং ‘আশা’ কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে জানবেন শিশুদের অসুস্থতা প্রসঙ্গে। কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র তথা স্বাস্থ‌্যবিভাগের মেয়র পারিষদ অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, ৭০০ আশাকর্মী রয়েছেন কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডে। এছাড়াও রয়েছেন ১০০ দিনের স্বাস্থ‌্যকর্মীরা। আজ থেকে এদের প্রত্যেকে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে শিশুদের স্বাস্থ‌্য পরীক্ষা করবেন।

ফার্মাসিস্টদের নির্দেশিকা

ফার্মাসিস্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া যেন কোনও রকম ওষুধ কাউকে না দেওয়া হয়। মেডিক্যাল অফিসারদের দেওয়া প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ দিতে হবে। কোন ওষুধ কখন খেতে হবে, তা অভিভাবকদের ভাল ভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে। শিশুরা অসুস্থ হলে কোনো ভাবেই ফেলে রাখা রাখা যাবে না বাড়িতে, এমনই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে পুরসভা কর্তৃপক্ষের তরফে।

আমজনতার জন্যেও পুরসভার নির্দেশিকা

অন্যদিকে অভিভাবকদের উদ্দেশ্যেও বলা হয়েছে, ইন্টারনেট দেখে কোনও রকমের চিকিৎসা করা যাবে না। তাই কলকাতা পুরসভার নির্দেশিকা, “শিশুর তুমুল জ্বর, কাশিতে নিজেরা ইচ্ছেমত চিকিৎসা করবেন না। পরামর্শ নিন রেজিস্টার্ড মেডিক‌্যাল প্র্যাকটিশনারের।”

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share