Amit Shah: সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ রাখতে ডেটাবেস তৈরি করবে ভারত সরকার

Ffms2REagAE41bn

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ইন্টারপোলের সাধারণ সভার ৯০ তম অধিবেশনের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, কেন্দ্র সরকার খুব শীঘ্রই মাদক,সন্ত্রাস ও অর্থনৈতিক প্রতারণা মূলক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস (Data Base) তৈরি করবে। তিনি বলেন, বিগত কয়েক বছরে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি ইতিবাচক পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সীমান্ত জুড়ে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে অমিত শাহ বলেছেন, আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য ইন্টারপোল (Interpol) অপরিহার্য।

[tw]


[/tw]

তিনি আরও বলেন বর্তমানে অপরাধী ও অপরাধের কোন নিদিষ্ট ভৌগোলিক সীমা নেই। তাই অপরাধীদের এই সিন্ডিকেটগুলি ধরতে দেশগুলির এক অপরের সাহায্য করা উচিত। আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ছাড়া সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে প্রতিটি রাষ্ট্রকে সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যমত গড়ে তোলা প্রয়োজন।

ইন্টারপোলের সভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারত সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান রয়েছে বলে জানান। তিনি জানান, ‘ভারত যে কোনও প্রকার সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে ও প্রযুক্তিগত সাহায্য করতে তৈরি। প্রয়োজনে ভারত দেশের কর্মীদেরও পাঠাতে রাজি রয়েছে।’ তিনি বলেন ইন্টারপোলের সঙ্গে একজোট হয়ে কাজ করার বিষয়ে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বিশ্বে সব সন্ত্রাসবাদী সংস্থাগুলিকে একজোট হয়ে লড়াই করতে হবে।এজেন্সি ও কাউন্টার টেররিজম এজেন্সিগুলি অনেক দেশে আলাদা। সেই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে অমিত শাহ বলেন এগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা প্রয়োজন। 

অমিত শাহ ইন্টারপোলের কাছে আবেদন করেন সদস্যদেশগুলি যাতে নিজেদের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য আদানপ্রদান করতে পারে। শাহ বলেন গত ১০০ বছর ইন্টারপোল ১১৯৫টি দেশের মধ্যে সমন্বয় প্রদান করে একটি বড় ও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে পেরেছে। কিন্তু বর্তমান বিশ্বেসন্ত্রাসবাদ একটি বড় সমস্যা। আর এই সমস্যা সমাধানে ইন্টারপোলের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

[tw]


[/tw] 

অমিত শাহ (Amit Shah) বিশ্বজুড়ে মাদক পাচার ও তার সঙ্গে সন্ত্রাসবাদীগের সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন। বলেন এই বিষয়টি বন্ধ করার জন্য সমস্ত রকম তথ্য ও গোয়েন্দাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। পাশাপাশি আঞ্চলিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও সুষ্ঠ হওয়া প্রয়োজন।

প্রসঙ্গত, দিল্লির প্রগতি ময়দানে এই অধিবেশন গত ১৮ অক্টোবর শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৪ দিনের এই অধিবেশনের সূচনা করেন। ১৯৫ টি সদস্য দেশের মন্ত্রী, পুলিশ প্রধান, নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান এবং প্রবীণ পুলিশ আধিকারিকরা এতে অংশ নেন। এই অধিবেশন ভারতের আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার সর্বশ্রেষ্ঠ দিকগুলি সমগ্র বিশ্বের কাছে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করেছে।

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

 
 
Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share