Author: ishika-banerjee

  • Road Tunnel Beneath Hooghly: হুগলির তলদেশে দেশের প্রথম পণ্যবাহী সড়ক টানেল, খরচ প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা

    Road Tunnel Beneath Hooghly: হুগলির তলদেশে দেশের প্রথম পণ্যবাহী সড়ক টানেল, খরচ প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গার তলদেশ দিয়ে মেট্রোর সফল চলাচলের পর এবার দেশের পরিবহণ পরিকাঠামোয় আরও এক নতুন মাইলফলক গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হুগলি নদীর তলদেশ দিয়ে ভারতের প্রথম পণ্যবাহী সড়ক টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য কলকাতা বন্দরকে জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে যুক্ত করা। সম্প্রতি নবান্নে কেন্দ্রীয় জাহাজমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়ালের সঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনা হয়। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে নীতিগত অনুমোদনের পর প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (এনএইচএআই)-এর যৌথ উদ্যোগে এই টানেল নির্মিত হবে।

    কেন এই টানেল?

    বর্তমানে কলকাতা বন্দরে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে পণ্যবাহী ট্রাকগুলিকে প্রায়শই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। নতুন টানেল চালু হলে ২৪ ঘণ্টাই নির্বিঘ্নে যান চলাচল সম্ভব হবে। ফলে বন্দরের সঙ্গে জাতীয় সড়কের সংযোগ আরও দ্রুত হবে এবং পণ্য পরিবহণে সময় ও খরচ—দুই-ই কমবে।

    প্রকল্পের মূল বৈশিষ্ট্য

    প্রস্তাবিত সড়কপথের মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ১৫.৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে হুগলি নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত জোড়া টিউব টানেলের দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৮.৫ কিলোমিটার। নদীর তলদেশ থেকে প্রায় ৩৮ মিটার গভীরে এই টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    কলকাতা প্রান্তে সংযোগ

    কলকাতা অংশে টানেলে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য দু’টি পৃথক র‌্যাম্প তৈরি হবে। একটি র‌্যাম্প থাকবে এনএসডি-র ৮ নম্বর গেট ও গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স সংলগ্ন এলাকায়।
    অন্য র‌্যাম্পটি শুরু হবে তারাতলা রোডের জিঞ্জিরা বাজার সংলগ্ন অঞ্চল থেকে। এই সংযোগস্থলে তারাতলা রোড, বজবজ রোড, হাইড রোড এবং উপেন ব্যানার্জি রোড মিলিত হওয়ায় এটি পণ্য পরিবহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।

    হাওড়া প্রান্তে সংযোগ

    নদী পার হওয়ার পর টানেলটি হাওড়ার সাঁকরাইল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় মাটির উপরে উঠে আসবে। সাঁকরাইল গুডস ইয়ার্ডের কাছেও দু’টি র‌্যাম্প নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে একটি র‌্যাম্প সরাসরি ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে। অন্যটি কলকাতামুখী যান চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হবে। এর ফলে কলকাতা বন্দর থেকে জাতীয় সড়কে দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি হবে।

    ১০ হাজার ট্রাকের জন্য পার্কিং ব্যবস্থা

    প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল বৃহৎ ট্রাক পার্কিং অবকাঠামো। হাওড়া প্রান্তে টোল প্লাজার কাছে দু’টি বিশাল পার্কিং লট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে একসঙ্গে প্রায় ১০ হাজার ট্রাক ও অন্যান্য পণ্যবাহী যান রাখা যাবে। টোল প্লাজা অতিক্রম করার পর সংযোগকারী রাস্তা সরাসরি আলমপুরে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে।

    কমবে যানজট, বাড়বে বন্দরের ক্ষমতা

    বর্তমানে কলকাতা ও হাওড়ার মধ্যে যোগাযোগের প্রধান ভরসা হাওড়া ব্রিজ, বিদ্যাসাগর সেতু এবং বালি এলাকার সেতুগুলি। কিন্তু ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপে এই রুটগুলিতে প্রায়শই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন টানেল চালু হলে একদিকে যেমন সড়ক পরিবহণের গতি বাড়বে, অন্যদিকে কলকাতা বন্দরের পণ্য পরিবহণ ক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

    পূর্ব ভারতের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত

    শিল্প ও বাণিজ্য মহলের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পূর্ব ভারতের লজিস্টিকস ও বাণিজ্যিক পরিকাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসবে। যানজট হ্রাস, পরিবহণ ব্যয় কমানো এবং নতুন শিল্প বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে এই টানেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে, হুগলি নদীর তলদেশের এই পণ্যবাহী সড়ক টানেল শুধু দেশের প্রথম প্রকল্প হিসেবেই নয়, পূর্ব ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন চালিকাশক্তি হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করতে পারে।

  • Monsoon Rain Update: বর্ষা ঢুকে গেছে দেশে, কিন্তু ঝেঁপে বৃষ্টি কই? কবে থেকে ভারী বর্ষণ, জানাল হাওয়া অফিস

    Monsoon Rain Update: বর্ষা ঢুকে গেছে দেশে, কিন্তু ঝেঁপে বৃষ্টি কই? কবে থেকে ভারী বর্ষণ, জানাল হাওয়া অফিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি নেমেছে শহরে। কিন্তু গরম কমেনি। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণও বেশি। ক্যালেন্ডারের পাতায় বর্ষা (Monsoon Rain Update) এসে গেলেও বাস্তবে বৃষ্টির দেখা খুবই কম। দেশের বিস্তীর্ণ অংশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবেশও করে গিয়েছে। কিন্তু গরমে এখনও হাঁসফাঁস করছে দেশের একটা বড় অংশ। এর মধ্যেই আরও দুঃসংবাদ শোনাল আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী অন্তত এক সপ্তাহ দেশজুড়ে ব্যাপক বা ভারী বৃষ্টির (Rain in Bengal) কোনও সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়ার মডেলগুলি বলছে, ২৩ জুনের আগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা খুবই ক্ষীণ।

    দুর্বল মৌসুমি বায়ু

    আবহাওয়াবিদদের মতে, মধ্য ও পূর্ব ভারতের বেশ কিছু এলাকায় বর্ষা প্রবেশ করলেও বর্তমান আবহাওয়া ব্যবস্থা (Weather System) অস্বাভাবিক রকমের দুর্বল। স্যাটেলাইট চিত্রেও বৃষ্টির অনুকূল মেঘের সেভাবে দেখা মিলছে না। যার জেরে ১৫ থেকে ২১ জুনের মধ্যে দেশের এক বিশাল অংশে কার্যত বৃষ্টিহীন পরিস্থিতি থাকবে। ফলে আগামী দিনে দেশে সার্বিক বৃষ্টির ঘাটতি আরও অনেকটাই বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দেশে বর্ষা বা মৌসুমি বায়ু এবার বিলম্বিতই। তার উপর চলছে বেশ ধীরগতিতে। এতদিনে দক্ষিণ ভারত, পূর্ব ও মধ্য ভারত স্বাভাবিক ছন্দে পার করে পুরোপুরি উত্তর ভারতের কিছু অংশে বর্ষা ঢুকে পড়ার কথা। কিন্তু এখনো পর্যন্ত মধ্য ও উত্তর ভারতে বর্ষা প্রবেশ করেনি। এমনকি শুরু হয়নি দক্ষিণ ভারতের সমগ্র অংশেও। আপাতত কেরল ও তামিলনাড়ু, গোয়া এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে বর্ষা পুরোপুরি প্রবেশ করেছে। পূর্ব ভারতের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গে, প্রায় গোটা রাজ্যে বর্ষাকাল শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করলেও শুধু উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও লাগোয়া এলাকায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি আছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। রাজ্যের বাকি অংশে যেখানে বজ্রগর্ভ মেঘ সৃষ্টি হচ্ছে সেখানেই কিছুটা বৃষ্টি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিই আপাতত থাকবে।

    কবে থেকে ভারী বৃষ্টি?

    আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, ২২ জুন থেকে ২৮ জুনের মধ্যে বাড়তে পারে বৃষ্টির সম্ভাবনা। বিশেষত, অভ্যন্তরীণ অঞ্চল, আন্ধ্রপ্রদেশ-কর্নাটক সীমান্ত, দক্ষিণ তামিলনাড়ু এবং কেরলের পশ্চিমঘাট এলাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলীয় কেরল ও কর্নাটক, পাশাপাশি মুম্বই পর্যন্ত বিস্তৃত পশ্চিমঘাট অঞ্চলেও বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে। ২৯ জুন থেকে ৫ জুলাই, মাসের একেবারে শেষলগ্নে গিয়ে বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে। আবহাওয়ার বিভিন্ন মডেল ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এই সময়পর্বে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ফের সক্রিয় হয়ে উঠবে এবং দেশজুড়ে বৃষ্টির ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করবে। আপাতত জুনের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত বৃষ্টির এই লুকোচুরি খেলা চলবে বলেই মনে করছে হাওয়া অফিস। উল্লেখ্য, চলতি মাসের প্রথম ১৬ দিনে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গেও বেশকিছু অংশে বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।

  • Abhishek Banerjee: ভবানী ভবনে জেরা, কালীঘাটে বাড়ি মাপছে পুরসভা— জোড়া চাপে অভিষেক

    Abhishek Banerjee: ভবানী ভবনে জেরা, কালীঘাটে বাড়ি মাপছে পুরসভা— জোড়া চাপে অভিষেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়ি মাপল কলকাতা পুরসভার কর্মীরা। মঙ্গলবার দুপুর ১টা নাগাদ কালীঘাটের পটুয়াপাড়ায় অবস্থিত অভিষেকের ওই বাড়ির সামনে পুরসভার একটি দল পৌঁছে ফিতে দিয়ে বিভিন্ন অংশ পরিমাপ করতে শুরু করে। এদিন সকালেই ডিজে মামলায় সিআইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি যখন দফতরে, তখনই ১২১ নম্বর কালীঘাটে এসে পৌঁছলেন কলকাতা পৌরনিগমের আধিকারিকরা। পুরসভা সূত্রে খবর, বাড়ির আউটসাইড মাপ, লেন , ফুটপাত ঠিকমতো ছাড় দেওয়া হয়েছে কিনা, ফুটপাতের কোনও অংশ দখল করা রয়েছে কিনা , সেইসব মাপ নিচ্ছেন আধিকারিকরা।

    কেন অভিষেকের বাড়িতে পুর আধিকারিকরা

    আগেই কলকাতা পৌরনিগমের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অভিষেকের বাড়ির অন্দরমহলের নতুন স্কেচ-সহ এলিভিশন কপি জমা দিতে হবে। অভিষেকের সম্পত্তিতে নির্মাণ নকশা নিয়ে নির্দেশ দিয়েছে পুর প্রশাসন। জানা যাচ্ছে, বর্তমানে বাড়ির ভিতরে নতুন করে কী কী অংশ তৈরি হয়েছে, সেটা এলিভিশন কপিতে এঁকে জমা করতে হবে, সে নির্দেশ আগেই দেওয়া হয়েছিল। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সমস্ত মাপ করে একটি রিপোর্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জমা দিতে হবে। তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই ১৮৮ এ হরিশ মুখার্জি রোডে শান্তিনিকেতনে মাপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি পুরসভার পক্ষ থেকে অভিষেকের কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডে অবস্থিত অভিষেক ও তাঁর সংস্থার একাধিক সম্পত্তিতে ৪০১ ধারায় নোটিস পাঠানো হয়। সেখানে অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান ও নির্মাণ সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। অভিষেকের আত্মীয়দের মিলিয়ে মোট ১৭টি সম্পত্তিতে এই নোটিস পাঠানো হয় বলে সূত্রের খবর। পুরসভার অভিযোগ, অনুমোদিত নকশার বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত নির্মাণ করা হয়েছে। সেই বিষয়টিই এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    অভিষেক বাড়িতে ছিলেন না

    তবে পুরসভার এই পরিদর্শনের সময় অভিষেক বাড়িতে ছিলেন না। সকাল প্রায় ১১টা ৪৫ মিনিটে তিনি ভবানী ভবনের উদ্দেশে রওনা দেন। ‘ডিজে বাজানো’ সংক্রান্ত উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিল সিআইডি। একদিকে যখন ভবানী ভবনে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হচ্ছিলেন তিনি, অন্যদিকে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে শুরু হয় পুরসভার এই মাপজোক। অভিষেকের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে দাবি করেছেন, ২৯-সি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িটি সম্পূর্ণ বৈধ অনুমোদন নিয়েই নির্মিত হয়েছে।

  • Bangladesh: ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’— বাংলাদেশে রামমূর্তি অবমাননার অভিযোগে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি হিন্দু শিক্ষার্থীদের

    Bangladesh: ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’— বাংলাদেশে রামমূর্তি অবমাননার অভিযোগে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি হিন্দু শিক্ষার্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের গাইবান্ধা জেলায় ভগবান রামের মূর্তির অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করেন। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তাঁরা। ‘সচেতন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে জগন্নাথ হলের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন ছাত্রীনিবাসের বাসিন্দারাও অংশ নেন। পরে মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে শাহবাগ মোড়ে পৌঁছয়। এরপর তাঁরা রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ জানান।

    বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক

    সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জগন্নাথ হল ছাত্র সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক রাম প্রসাদ সাহা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। তাঁর অভিযোগ, কিছু উগ্রপন্থী গোষ্ঠী ভগবান রামকে নিয়ে গুজব ছড়িয়ে ধর্মীয় উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “শ্রী রামচন্দ্র আমাদের কাছে অবতার। তাঁর প্রতিকৃতিতে জুতা নিক্ষেপের ঘটনা সনাতন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে গভীর আঘাত হেনেছে। আমরা ধর্ম, বর্ণ বা সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চাই। কিন্তু কিছু গোষ্ঠী বিভেদ ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।” সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী নেতা দীপজয় সরকার দীপ্ত ও সুদীপ্ত প্রামাণিক। তাঁরা অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে বারবার বৈষম্য দেখা যায়। একই সঙ্গে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিও তোলেন তাঁরা। সুদীপ্ত প্রামাণিক বলেন, “নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু পরে সেগুলোর অনেকটাই বাস্তবায়িত হয় না। আমরা চাই, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক।” তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আগামী শুক্রবার আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    বিক্ষোভকারীদের দাবি

    বিক্ষোভকারীরা সমাবেশ থেকে কয়েকটি দাবি উত্থাপন করেন। এর মধ্যে রয়েছে—গাইবান্ধার ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকারের আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ, উগ্রবাদী কার্যকলাপ দমনে কার্যকর উদ্যোগ এবং গাইবান্ধায় প্রস্তাবিত ভগবান রামের বৃহত্তম মূর্তি নির্মাণের কাজ পুনরায় শুরু করা। ঘটনাটি নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

  • India-Slovakia Relation: ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ক ‘পূর্ণাঙ্গ অংশীদারিত্ব’-এ উন্নীত, স্বাক্ষরিত ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি

    India-Slovakia Relation: ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ক ‘পূর্ণাঙ্গ অংশীদারিত্ব’-এ উন্নীত, স্বাক্ষরিত ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্লোভাকিয়া (PM Modi in Slovakia) সফরে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছল। সোমবার স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে বৈঠকের পর ভারত ও স্লোভাকিয়া (India-Slovakia Relation) তাদের সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ’ বা পূর্ণাঙ্গ অংশীদারিত্বে উন্নীত করার কথা ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি শ্রম অভিবাসন, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, উচ্চশিক্ষা ও কোয়ান্টাম যোগাযোগ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে ১১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ। সোমবার স্লোভাকিয়ার রাষ্ট্রপতি পিটার পেলেগ্রিনির সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    অভিন্ন বিশ্বাস, অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যতের প্রতীক

    ইউরোপ সফরের অংশ হিসেবে ব্রাতিস্লাভায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এটি স্লোভাকিয়ায় কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে মোদি বলেন, “আমরা আমাদের সম্পর্ককে কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপের মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটি আমাদের অভিন্ন বিশ্বাস, অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যতের প্রতীক।” ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তকরণে সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদি ফিকো-রও প্রশংসা করেন। দুদিনের এই সফরে স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি (President Peter Pellegrini) এবং প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর (Prime Minister Robert Fico) সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্য জগতের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গেও তাঁর আলোচনা হয়। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অটোমোবাইল শিল্প, রেল উৎপাদন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম মেধা ও উদ্ভাবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির দ্রুত বাস্তবায়নে জোর

    দুই নেতার বৈঠকে ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)-র দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, এই চুক্তি কার্যকর হলে দুই দেশের শিল্প, স্টার্টআপ ও ব্যবসায়ীরা উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত হবে। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোও এই চুক্তিকে বিশ্বের অন্যতম উচ্চাকাঙ্ক্ষী বাণিজ্য চুক্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে তাঁর দেশ।

    জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা

    দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশেষ করে পারমাণবিক শক্তি ও ভূ-তাপীয় শক্তি ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “অটোমোবাইল, রেলওয়ে, উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি এবং সবুজ প্রযুক্তি আমাদের সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।” প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে দুই দেশ একটি লেটার অফ ইনটেন্ট (LOI) চূড়ান্ত করেছে। মোদির মতে, এটি দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের মধ্যে সহযোগিতায় নতুন গতি আনবে এবং পারস্পরিক আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে।

    ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার

    যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে ভারত ও স্লোভাকিয়া আঞ্চলিক সংযোগ, মুক্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা এবং বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানে একসঙ্গে কাজ করবে।

    দক্ষ কর্মীদের চলাচল সহজ করতে সমঝোতা

    দুই দেশ দক্ষ পেশাজীবীদের নিরাপদ ও বৈধ চলাচলকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে শ্রম অভিবাসন সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে। পাশাপাশি কর্মরত পেশাজীবীদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত একটি সোশ্যাল সিকিউরিটি অ্যাগ্রিমেন্ট চূড়ান্ত করার বিষয়েও একমত হয়েছে উভয় পক্ষ।

    রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের সমর্থন

    বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলির সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে দুই নেতা রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারকে সমর্থন করেছেন। এই প্রেক্ষিতে, সংস্কারিত ও সম্প্রসারিত নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিতে স্লোভাকিয়ার ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য ভারত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যৌথ অবস্থান

    মোদি ও ফিকো সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের, বিশেষ করে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা করেন। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলারও কড়া নিন্দা জানান ফিকো। সন্ত্রাস দমনে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশ একটি যৌথ সন্ত্রাসবিরোধী কর্মগোষ্ঠী (Joint Working Group on Counter-Terrorism) গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রসংঘের কাঠামোর আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছে দুই দেশ। দুই নেতা সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা ও মদতদাতাদের জবাবদিহির আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

    ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ক

    ভারত-স্লোভাকিয়া বৈঠকের এই সিদ্ধান্তগুলি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দেওয়ার পাশাপাশি ইউরোপে ভারতের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল। বিদেশ মন্ত্রকের (Ministry of External Affairs) মতে, গত কয়েক বছরে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ যে নতুন গতি পেয়েছে, মোদির এই সফর সেই সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুসংহত করার দিকেই বড় পদক্ষেপ। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Droupadi Murmu) স্লোভাকিয়া সফর এবং এবছর স্লোভাকিয়ার রাষ্ট্রপতি পেলেগ্রিনির ভারত সফরের পর মোদির এই সফর দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্রা যোগ করল। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল সহ শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ভারত ও স্লোভাকিয়ার সম্পর্কের (India-Slovakia relations) ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

  • FIFA World Cup 2026: প্রাণবন্ত ফুটবল ইরানের, মিশরের কাছে আটকে গেল বেলজিয়াম, সৌদির বিপক্ষে জয়য় পেল না উরুগুয়েও

    FIFA World Cup 2026: প্রাণবন্ত ফুটবল ইরানের, মিশরের কাছে আটকে গেল বেলজিয়াম, সৌদির বিপক্ষে জয়য় পেল না উরুগুয়েও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইরান। আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ঠিক মতো বিশ্বকাপের প্রস্ততি নিতে পারেননি ইরানের ফুটবলাররা। তা-ও নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে বেশ উজ্জীবিত ফুটবল খেলল এশিয়ার সেরা দল। দু’বার পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েননি মহম্মদ মোহেবিরা। খেলা শেষ হল ২-২ গোলে। ফুটবল বিশ্বযুদ্ধে (FIFA World Cup 2026) সোমবারের কোনও ম্যাচেই ফয়সালা হয়নি। বেলজিয়াম-মিশর ম্যাচও অমীমাংসিত থাকে ১-১ গোলে। অপর ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে আটকে যায় উরুগুয়েও।

    ইরানের প্রাণবন্ত ফুটবল

    পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানকে নিয়ে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। মাঠও নিজেদের খেলার ঝাঁঝ বজায় রাখল ইরানিরা। ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় নিউ জিল্যান্ড। ৭ মিনিটে গোল করেন ইলিজা জাস্ট। ৩২ মিনিটে সমতা ফেরান রামিন রেজাইন। পিছিয়ে পড়ার পরও হতাশ দেখায়নি ইরানের ফুটবলারদের। সমানে নিউ জিল্যান্ডের অর্ধে চাপ বজায় রেখেছিলেন তাঁরা। ছোট ছোট পাসে আক্রমণ তৈরি করেছেন, সময় মতো জায়গা নিয়েছেন ইরানের ফুটবলারেরা। মাঠ জুড়ে ফুটবল খেলেছেন। বেশ কয়েক বার কিউয়ি বক্সে চাপ তৈরি হয়েছিল। দূর পাল্লার শটেও ইরানের ফুটলারেরা প্রতিপক্ষকে চমকে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। প্রথমার্ধের খেলা ১-১ গোলে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায় নিউ জিল্যান্ড। ইরানের ডিফেন্স কিছুটা চাপে পড়ে যায়। সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৫৫ মিনিটে দলকে দ্বিতীয় বার এগিয়ে দেন জাস্ট। পদ্বিতীয় বার পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি ইরান। ১০ মিনিটের মধ্যে সমতা ফেরায় তারা। মাঝ মাঠ এবং আক্রমণের সুন্দর বোঝাপড়ায় ৬৪ মিনিটে দলের হয়ে দ্বিতীয় গোল করেন মহম্মদ মোহেবি।

    বেলজিয়াম-মিশর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

    সিয়াটলের তীব্র গরমে বেলজিয়াম-মিশর খেলা দেখতে এসেছিলেন প্রায় ৬৬ হাজার ফুটবলপ্রেমী। অধিকাংশেরই প্রত্যাশা ছিল বেলজিয়ামের জয়। মহম্মদ সালাহরাও প্রস্তুত হয়েই মাঠে নেমেছিলেন। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। শুরুতে বেলজিয়ামের আধিপত্য থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে দাপট বাড়াতে থাকে মিশর। ২০ মিনিটে সালাহ ডান দিকে বল পেয়ে দুর্দান্ত পাস বাড়ান এমাম আশুরকে। ‘ডি’ বক্স থেকে নেওয়া আশুরের শক্তিশালী শট জালে জড়িয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়ায় বেলজিয়াম। চাপে পড়ে যায় মিশর। ৬৬ মিনিটে মহম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম।

    আটকে গেল উরুগুয়ে

    বিশ্বকাপের শুরুটা ভাল করতে পারল না উরুগুয়েও। প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে আটকে গেল প্রথম দু’বারের বিশ্বজয়ীরা। বেলজিয়ামের মতোই পিছিয়ে পড়ে ড্র করেছেন ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাহুরা। ৪১ মিনিটে আব্দুল্লা আল আমরির গোলে এগিয়ে যায় সৌদি। ৮০ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থেকেই জিততে পারল না সৌদি। চাপের মুখে উরুগুয়েকে ৮০ মিনিটে সমতায় ফেরেন আরাহু। গত বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে চমকে দিয়েছিল সৌদি। এ বার লিয়োনেল মেসিদের প্রতিবেশী দেশকেও আটকে দিল।

    মাঠে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফুটবলার

    মঙ্গলবার বিশ্বকাপে অভিষেক হল আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফুটবলারের। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে খেললেন সরপ্রীত সিং। ৯০ মিনিট পর্যন্ত মাঠে ছিলেন ২৭ বছরের মিডফিল্ডার। সরপ্রীতের পারফরম্যান্স যথেষ্ট ভাল। পঞ্জাবি পরিবারের সন্তান সরপ্রীত। নিউ জিল্যান্ডেই জন্ম তাঁর। কাজের সন্ধানে তাঁর বাবা-মা অকল্যান্ডে চলে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি মুদিখানার দোকান রয়েছে সরপ্রীতের বাবার। গ্রামের আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে রায়ার্ন মিউনিখের হয়ে খেলা ফুটবলারের। ২০১৯ সালে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ খেলতে ভারতে এসেছিলেন। উল্লেখ্য, দু’দিন আগেই অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মাঠে নেমেছিলেন আর এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফুটবলার নিশান ভেলুপিল্লাই।

  • B-52 Bomber Crashes: ক্যালিফোর্নিয়ায় ভেঙে পড়ল মার্কিন বোমারু বিমান! মুহূর্তে পরিণত ধ্বংসস্তূপে, নিহত ৮ বিমানকর্মী

    B-52 Bomber Crashes: ক্যালিফোর্নিয়ায় ভেঙে পড়ল মার্কিন বোমারু বিমান! মুহূর্তে পরিণত ধ্বংসস্তূপে, নিহত ৮ বিমানকর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে (US Air Force) ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা (California Plane Crash)। ক্যালিফোর্নিয়ার মোহাভি মরুভূমিতে অবস্থিত এডওয়ার্ডস এয়ার ফোর্স বেসে পরীক্ষামূলক উড়ানের সময় ভেঙে পড়ে একটি বি-৫২ (B-52) স্ট্র্যাটোফরট্রেস বোমারু বিমান। ঘটনাস্থল থেকে যে ছবি এবং ভিডিও সামনে এসেছে, তা ভয়াবহ। বোমারু বিমানটির (B-52 Bomber Crashes) কিছুই অবশিষ্ট নেই। শুধু কালো ছাই মিশে রয়েছে মাটিতে। ধোঁয়া বেরোচ্ছে ছাইয়ের রাশি থেকে। বিমানে থাকা আটজনেরই মৃত্যু হয়েছে। জানা গিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার বেলা প্রায় ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    কীভাবে ঘটে দুর্ঘটনা, শুরু তদন্ত

    এডওয়ার্ডস এয়ার ফোর্স বেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানে মোট আটজন আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনার মাত্রা এতটাই ভয়াবহ যে কারও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জরুরি পরিষেবা ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। প্রাথমিকভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু হলেও পরে তা মৃতদেহ উদ্ধারের অভিযানে রূপান্তরিত হয়। এডওয়ার্ডস এয়ার ফোর্স বেসের ৪১২তম টেস্ট উইংয়ের ডেপুটি কমান্ডার কর্নেল জেমস হেইস জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনার পর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হয়েছে যে বিমানের কেউই বেঁচে থাকার সুযোগ পাননি। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তও শুরু হয়েছে। বায়ুসেনা সূত্রে জানা গেছে, বিমানটিকে ঘোরানোর সময় কোনও ধরনের প্রযুক্তিগত বা নিয়ন্ত্রণজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। যদিও সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তকারীদের মতে, প্রকৃত কারণ জানতে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। মার্কিন বিমানবাহিনী জানিয়েছে, বিমানটি একটি রাডার আধুনিকীকরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরীক্ষামূলক উড়ান পরিচালনা করছিল।

    আমেরিকার সামরিক বিমান নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশের আকাশপথে সাময়িকভাবে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, দুর্ঘটনার পর বহু দূর থেকে আকাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছিল। আগুন দ্রুত পুরো বিমানটিকে গ্রাস করে নেয়। ফলে বিশাল এই বোমারু বিমানটির প্রায় কিছুই অবশিষ্ট নেই। উল্লেখ্য, বোয়িং নির্মিত B-52 স্ট্র্যাটোফরট্রেস বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘদিনের সক্রিয় সামরিক বিমান। ১৯৫৫ সালে প্রথম পরিষেবায় যুক্ত হওয়া এই দূরপাল্লার ভারী বোমারু বিমানটি প্রচলিত ও পারমাণবিক—দুই ধরনের অস্ত্র বহনে সক্ষম। ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে শুরু করে ইরাক অভিযান পর্যন্ত একাধিক সামরিক অভিযানে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সম্প্রতি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধেও ওই বোমারু বিমানটি ব্যবহার করে আমেরিকা। বড় আকারের বিমানটি থেকে একাধিক অস্ত্রশস্ত্র নিক্ষেপ করা যায়, যার মধ্যে রয়েছে বোমা, ক্রুজ মিসাইল। নিউক্লিয়ার পেলোডও বহন করতে সক্ষম। এই দুর্ঘটনা আমেরিকার সামরিক বিমান নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

  • Divyanshi Singh: দেশের সামরিক ইতিহাসে নজির দিব্যাংশীর! এনডিএ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বায়ুসেনায় যোগ

    Divyanshi Singh: দেশের সামরিক ইতিহাসে নজির দিব্যাংশীর! এনডিএ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বায়ুসেনায় যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সামরিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন ফ্লাইট ক্যাডেট দিব্যাংশী সিং (Divyanshi Singh)। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি (NDA) থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রথম মহিলা ক্যাডেট হিসেবে ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রাউন্ড ডিউটি শাখায় কমিশন লাভ করলেন। হায়দ্রাবাদের ডুন্ডিগালে অবস্থিত এয়ার ফোর্স অ্যাকাডেমিতে (এএফএ) অনুষ্ঠিত ২১৭তম কোর্সের কম্বাইন্ড গ্র্যাজুয়েশন প্যারেডে দিব্যাংশীর হাতে প্রেসিডেন্টস কমিশন তুলে দেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে আরও ২৩১ জন ফ্লাইট ক্যাডেট কমিশন পান, যাঁদের মধ্যে ছিলেন ১৯৪ জন পুরুষ এবং ৩৬ জন মহিলা ক্যাডেট।

    এনডিএ-তে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রথম মহিলা অফিসার

    বিশেষ তাৎপর্যের বিষয় হল, এই ব্যাচেই ছিলেন এনডিএ-তে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রথম মহিলা অফিসারদের দল। ২০২১ সালে সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের পর ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো মহিলাদের জন্য এনডিএ-র দরজা খুলে দেওয়া হয়। সেই প্রথম ব্যাচের অন্যতম সদস্য ছিলেন দিব্যাংশী সিং। পুনের খড়গওয়াসলায় অবস্থিত ত্রি-সেনা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এনডিএ-তে তিন বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর তিনি বিশেষ প্রশিক্ষণের জন্য ডুন্ডিগালের এয়ার ফোর্স অ্যাকাডেমিতে যোগ দেন। এনডিএ-তে প্রশিক্ষণকালীন সময়েই দিব্যাংশী ‘ক্যাডেট কোয়ার্টার মাস্টার সার্জেন্ট’-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেন। সামরিক শৃঙ্খলা, শারীরিক সক্ষমতা, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দলগত কাজের মতো বিষয়গুলিতে তিনি পুরুষ সহপাঠীদের সমানভাবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

    নারীশক্তির ক্রমবর্ধমান ভূমিকা

    ২০২৫ সালের মার্চ মাসে এনডিএ-র প্রথম মহিলা ক্যাডেট ব্যাচ প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করে। এরপর তাঁরা নিজ নিজ বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগ দেন এবং চূড়ান্ত প্রশিক্ষণ শেষে কমিশন লাভ করেন। এদিনের প্যারেড পরিদর্শন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি স্নাতক ক্যাডেটদের হাতে প্রেসিডেন্টস কমিশন তুলে দেন। দিব্যাংশী সিংয়ের এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং ভারতীয় সেনাবাহিনীতে নারীশক্তির ক্রমবর্ধমান ভূমিকার এক শক্তিশালী প্রতীক। তাঁর এই কৃতিত্ব দেশের অসংখ্য তরুণীকে ইউনিফর্ম পরে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগের স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে।

  • Abhishek Banerjee: ‘১৫ কোটি না দিলে জয়েনিং আটকে যাবে’! প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে অভিষেককে জেরা ইডির

    Abhishek Banerjee: ‘১৫ কোটি না দিলে জয়েনিং আটকে যাবে’! প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে অভিষেককে জেরা ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিজিও কমপ্লেক্সে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। রক্ষাকবচ ছাড়াই ইডি দফতরে হাজির হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির (Primary Recruitment Case) মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সোমবার তলব করেছে ইডি। এই মামলায় সিবিআইয়ের দেওয়া তৃতীয় অতিরিক্ত চার্জশিটের সূত্র ধরেই অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, বলে খবর। সেখানে ১৫ মিনিটের একটি কথোপকথনের উল্লেখ রয়েছে। তাতে একাধিক বার জনৈক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম এসেছে। চাকরি বিক্রি, ঘুষের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের কথা শোনা গিয়েছে সেই কথোপকথনে। সে বিষয়ে অভিষেককে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

    কেন ইডির তলব অভিষেককে?

    ২০১৭ সালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডানহাত বলে পরিচিত ছিলেন। সিবিআই সূত্রে খবর, তাঁর বাড়িতেই একটা বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়রা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ওই বৈঠকে একাধিক বিস্ফোরক বিষয় আলোচনা করা হয়েছিল, তারই উল্লেখ রয়েছে চার্জশিটে। বৈঠকে কী কী আলোচনা হয়েছিল? চার্জশিট সূত্রে খবর, সুজয় বৈঠকে কুন্তল, শান্তনুদের জানিয়েছিলেন, অভিষেক জানতে পেরেছেন যে প্রাথমিক নিয়োগে পার্থ চট্টোপাধ্যায় মোটা টাকা নিচ্ছেন। পার্থ যে টাকা নিয়েছেন, তার ভাগ তিনি কেন পাননি, সেই বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন অভিষেক। এমনকী, টাকা ভাগাভাগি নিয়ে পার্থ ও অভিষেকের মধ্যে দ্বন্দ্ব বেঁধে গিয়েছিল। সিবিআই চার্জশিট সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই যে বেআইনি নিয়োগ হয়ে গিয়েছিল, তার জন্য ১৫ কোটি টাকা চেয়েছিলেন অভিষেক। টাকা না পেলে প্রত্যেক চাকরিপ্রার্থীকে গ্রেফতারির হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এমনকী, জয়েনিং আটকানোরও হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।

     অভিষেকের আর্থিক লেনদেন ইডির নজরে?

    ইডি সূত্রে খবর, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির (Primary Recruitment Case) ১৫ মিনিটের ওই অডিও ক্লিপে যে অভিষেকের কথা বলা হচ্ছে, সেই অভিষেকই তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কি না, স্পষ্ট নয়। ইডি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এ ছাড়া, কথোপকথনে এসেছে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে অন্যতম অভিযুক্ত প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নামও। অভিষেকের সংস্থা লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডসের কর্মচারী ছিলেন সুজয়কৃষ্ণ। সেই সংস্থার আর্থিক লেনদেনও ইডির নজরে রয়েছে। তা নিয়ে এর আগে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেকের অন্য সংস্থাগুলিকেও ইডি এ বার তদন্তের আওতায় আনতে চাইছে। সোমবার তা নিয়েও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

  • FIFA World Cup 2026: জার্মানির ৭, সুইডেনের ৫! ঐতিহাসিক, বিশ্বকাপে এক দিনে চার ম্যাচে ১৯ গোল

    FIFA World Cup 2026: জার্মানির ৭, সুইডেনের ৫! ঐতিহাসিক, বিশ্বকাপে এক দিনে চার ম্যাচে ১৯ গোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক দিনে চার ম্যাচে ১৯ গোল। এত গোল বিশ্বকাপে আগে কবে হয়েছে, তা ভেবে দেখতে হবে। ভারতীয় সময় রবিবার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত চার ম্যাচে মোট ১৯ গোল হল। বড় জয় পেল জার্মানি, সুইডেন। ড্র হল নেদারল্যান্ডস বনাম জাপান ম্যাচ। জিতল আইভরি কোস্টও।

    কুরাসাওকে ৭ গোল জার্মানির

    শেষ বার বিশ্বকাপে জার্মানি ৭-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতেছিল ১২ বছর আগে। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আয়োজক ব্রাজিলকে এই ব্যবধানেই হারিয়েছিল তারা। একই ফলাফল ফিরল এ বারের বিশ্বকাপে। হিউস্টনে কুরাসাওকে ৭-১ গোলে হারাল জার্মানি। ১২ বছর পর ‘বন্ধু’ পেল ব্রাজিল। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বর এবং চার বারের বিশ্বজয়ী জার্মানির বিরুদ্ধে ম্যাচ যে সহজ হবে না এটা অতি বড় কুরাসাও সমর্থকও বুঝতে পেরেছিলেন। তবে সাত গোল খেতে হবে এটা অনেকেই ভাবতে পারেননি। ম্যাচের শুরুতেই গোল করে এগিয়ে যায় জার্মানি। ২১ মিনিটে গোল শোধ করে দেয় কুরাসাও। ওই একটা গোল হজম জার্মানির খেলার মেজাজটাই বদলে দেয়। বাকি যে সময়টা খেলা হল, তাতে দাপট শুধু জার্মানির। বল নিয়ন্ত্রণ, শট, আগ্রাসন— সবেতেই এগিয়ে থেকেছে তারা। সাতটি গোলের মধ্যে ছ’জন আলাদা স্কোরার। এতেই বোঝা গিয়েছে জার্মানি কতটা দলগত খেলা উপহার দিয়েছে।

    নেদারল্যান্ডসকে রুখল জাপান

    রবিবার নেদারল্যান্ডস বনাম জাপান ম্যাচের প্রথমার্ধে ঘুমপাড়ানি ফুটবল চলছিল। দুই দলের খেলায় না ছিল তাগিদ, না ছিল আগ্রাসন। দ্বিতীয়ার্ধে সেই দুই দলের খেলাই আমূল বদলে গেল। খেলায় গতি এল, প্রাণ ফিরে পেল ম্যাচ। দেখা গেল লড়াকু, আগ্রাসী জাপানকে। এশিয়ার দল রুখে দিল নেদারল্যান্ডসকে। শেষ মুহূ্র্তের করা গোলে ২-২ ড্র হল ম্যাচ। সাম্প্রতিক অতীতে ইংল্যান্ড, ব্রাজ়িলের মতো দেশকে হারিয়েছে জাপান। গত বারের বিশ্বকাপে হারিয়েছে জার্মানির মতো দলকে।

    টিউনিশিয়াকে হারাল সুইডেন

    সুইডেনের খেলা দেখে মনে হল, এ বারের বিশ্বকাপের কালো ঘোড়া তারা। গত বার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি পোল্যান্ডের কাছে হেরে। এ বার সেই পোল্যান্ডকে হারিয়েই বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে তারা। প্রথম ম্যাচেই সুইডেন বুঝিয়ে দিল, তাদেরকে হালকা ভাবে নিলে ভুগতে হবে। এদিন পাঁচ গোল করলেও অন্তত সাত গোল করার সুযোগ পেয়েছিল সুইডেন। জাপান ও নেদারল্যান্ডস ড্র করায় এই গ্রুপ থেকে আপাতত শীর্ষে সুইডেন। তারা যে খেলাটা দেখাল, তাতে জাপান ও নেদারল্যান্ডসের সামনেও কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে।

    ইকুয়েডরকে হারাল আইভরি কোস্ট

    বাকি তিন ম্যাচে ১৮ গোল হলেও এই ম্যাচে মাত্র এক গোল হল। তা-ও একেবারে শেষ মুহূর্তে। দেখে মনে হচ্ছিল, ড্র হবে খেলা। কিন্তু ৯০ মিনিটের মাথায় আমাদ দিয়ালোর গোলে জেতে আইভরি কোস্ট। হারতে হল লাতিন আমেরিকার দল ইকুয়েডরকে।

LinkedIn
Share