Author: ishika-banerjee

  • India vs England: ‘সিরাজ-কৃষ্ণা জুটিতে ধরাশায়ী ইংল্যান্ড! ‘কখনওই আশা ছাড়িনি’’, বললেন অধিনায়ক গিল

    India vs England: ‘সিরাজ-কৃষ্ণা জুটিতে ধরাশায়ী ইংল্যান্ড! ‘কখনওই আশা ছাড়িনি’’, বললেন অধিনায়ক গিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ টেস্ট জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল ৪ উইকেট। ইংল্যান্ডের (India vs England) প্রয়োজন ছিল ৩৫ রান। সোমবার দিনের শুরুতেই পর পর দুটি ৪ মেরে ভারতীয় সমর্থকদের মনোবল দুর্বল করে দেন ওভারটন। কিন্তু নাটকের তখন অনেকটা বাকি। নায়কের নাম মহম্মদ সিরাজ। ইংল্যান্ডের মুখের গ্রাস কেড়ে নিলেন সিরাজ। ওভালের ঐতিহ্য বজায় থাকল। পরিসংখ্যান বলছে, ওভালে কখনও ২৫৩-এর বেশি স্কোর তাড়া করে জেতার রেকর্ড নেই। এদিনও হল না। তীরে এসে ডুবল ব্রিটিশ আর্মাডা। ৬ রানে জিতল ভারত। এই টেস্ট ম্যাচই ভারতের সবথেকে কম রানের ব্যবধানে জেতা টেস্ট ম্যাচ। মাত্র ৬ রানে জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। এর আগে ২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১৩ রানে জিতেছিল ভারত। ১৯৭২ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২৮ রানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল ভারতীয় দল এবং ২০১৮ সালে অ্যাডিলেডে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৩১ রানে জয় পেয়েছিল ভারত।

    ‘খলনায়ক’ থেকে নায়ক সিরাজ

    রবিবার যেন হঠাৎ করেই ‘খলনায়ক’ হয়ে গিয়েছিলেন। তারও আগে লর্ডসে (India vs England) আউট হয়েও ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয় ভেঙে দিয়েছিলেন। সোমবার এক ঘণ্টায় ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডের স্বপ্নভঙ্গ করে সিরিজ শেষে সেই সিরাজই নায়ক। লর্ডস টেস্টে ভারত হেরে গিয়েছিল ২২ রানে। সিরাজ আউট হওয়ায় শেষ হয়ে গিয়েছিল রবীন্দ্র জাদেজা এবং জসপ্রীত বুমরার নাছোড় লড়াই। সিরাজ নিজেও ৩০ বলের ইনিংসে ঠেকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন ইংল্যান্ডের জয়। পারেননি। পারেননি সেই হারের পর দু’রাত ঘুমোতে। সেই লন্ডনের মাটিতেই পারলেন। পারলেন ওভালে। ইংল্যান্ডের প্রতিরোধ ভাঙলেন বল হাতে। শেষ দিন ৩ উইকেট নিয়ে রুদ্ধশ্বাস জয় এনেদিলেন ভারতকে। চাপে থাকা দলকে জেতানোর লক্ষ্য নিয়েই সোমবার মাঠে নেমেছিলেন সিরাজ। খেলার শেষ হওয়ার পর দীনেশ কার্তিককে বলেছেন, ‘‘খুব সাধারণ পরিকল্পনা ছিল। আলাদা কিছু ভাবিনি। লক্ষ্য ছিল শুধু সঠিক জায়গায় বল রাখার। তাতে আউট হলে হবে। ছয় হলে হবে। ঠিক জায়গায় বল রেখেই সাফল্য এসেছে।’’

    ‘আশা ছাড়িনি, তাই সাফল্য’ 

    গোটা সিরিজে ভারতীয় দল (India vs England) লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। অপেক্ষাকৃত নতুন একটা দল নিয়ে এবার ইংল্যান্ডে এসেছিলেন শুভমান গিল। অধিনায়ক হিসেবেও তিনি নতুন। সেই দল কিন্তু ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডকে রীতিমতো বেগ দিয়েছে। ম্যাচ শেষে গর্বিত অধিনায়ক তথা সিরিজের সেরা প্লেয়ার শুভমানের কথাতেই পরিষ্কার নব ভারতের মনোভাব। সিরাজ বললেন, ‘‘আমরা কখনওই আশা ছাড়িনি। তাই সাফল্য এসেছে।’’ বুমরাহ না থাকলে সিরাজই ভারতের রক্ষাকর্তা। ওভালে আরও একবার তা প্রমাণিত হল। ওভালে সিরাজ নিলেন চার-চারটি উইকেট। বুমরাহ ছাড়া ভারতের বোলিং লাইন আপ অনভিজ্ঞ। অনভিজ্ঞতায় মোড়া এই বোলিং শক্তির নেতা মহম্মদ সিরাজই। অধিনায়কও বললেন, ‘‘যে কোনও দলের জন্যই সিরাজ সম্পদ।’’

    দুরন্ত জয় ভারতের

    এই সিরিজে (India vs England) একমাত্র সিরাজ কিন্তু টানা পাঁচটি টেস্ট ম্যাচই খেলছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী এতদিন ছিলেন ক্রিস ওকস। ইংল্যান্ডের সেই বোলারও পঞ্চম টেস্টে ছিটকে যান ওভাল টেস্ট থেকে। ফলে দু’দলের মধ্যে সিরাজ একাই পাঁচটি টেস্ট ম্যাচ খেলছেন। অনেকেই মনে করেন সিরাজ নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার ফলে খুব তাড়াতাড়ি ক্ষয়ে যাচ্ছেন, শেষ হয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি তো মহম্মদ সিরাজ। বাইরের কথায় তিনি কর্ণপাত করেন না। তিনি তাঁর কাজ করে চলেন। তাঁর ও প্রসিধ কৃষ্ণার দৌলতেই ইংল্যান্ডের মাটিতে শেষ টেস্টে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নিল ভারত। এই জয়ের ফলে সিরিজে ২-২ ব্যবধানে ড্র করল ভারত। পঞ্চম দিনে সিরাজ একাই ৩ উইকেট নেন। ১টি উইকেট পান প্রসিধ কৃষ্ণা। ইংল্যান্ডের জেমি স্মিথ, ওভারটন এবং গাস অ্যাটকিনসন আউট হন সিরাজের বলে। জশ টাং-র উইকেট নেন কৃষ্ণা। শেষ টেস্টে সিরাজ ৫টি এবং প্রসিধ কৃষ্ণা ৪টি উইকেট নেন। ১টি উইকেট পান আকাশ দীপ। এই সিরিজে সর্বাধিক উইকেটের মালিকও হলেন সিরাজ। তিনি মোট ২৩টি উইকেট নিয়েছেন।

  • Pahalgam Attack: পকেটে পাক ভোটার কার্ড, চকোলেট! কীভাবে পহেলগাঁওয়ে প্রবেশ করেছিল জঙ্গিরা, জানাল কেন্দ্র

    Pahalgam Attack: পকেটে পাক ভোটার কার্ড, চকোলেট! কীভাবে পহেলগাঁওয়ে প্রবেশ করেছিল জঙ্গিরা, জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরের দাচিগামে ‘অপারেশন মহাদেব’-এর (Operation Mahadev) সময়ে নিহত তিন জঙ্গিই পহেলগাঁও হামলায় (Pahalgam Attack) জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। অভিযানের পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ এবং সেনা যে তথ্য পেয়েছে, তা থেকে প্রমাণিত যে ওই তিন জন পাকিস্তানের নাগরিক। তাদের কাছ থেকে পাকিস্তানের ভোটার পরিচয়পত্র, করাচিতে তৈরি চকোলেট এবং একটি মেমারি কার্ড মিলেছে, যাতে তাদের আঙুলের বায়োমেট্রিক ছাপ রয়েছে বলে সূত্রের খবর। বিরোধীদের প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদে আগেই জানিয়েছিলেন, ‘অপারেশন মহাদেবে’ নিকেশ হওয়া তিন জঙ্গির থেকে পাকিস্তানি ভোটার কার্ড মিলেছে। এবার গোয়েন্দা সংস্থাগুলির প্রকাশ করা রিপোর্টেও উঠে এল সেই তথ্য। শুধু তাই নয়, কবে কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকল তিন জঙ্গি, সেই নিয়েও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

    তিন জঙ্গির কবে -কীভাবে ভারতে প্রবেশ

    ‘অপারেশন মহাদেব’-এ (Operation Mahadev)  নিহত হয় তিন জঙ্গি। তারা হল সুলেমান শাহ ওরফে ফয়জল জাট, আবু হামজা ওরফে আফগান এবং ইয়াসির ওরফে জিবরান। সুলেমান লস্করের এক জন এ প্লাস প্লাস কমান্ডার ছিল। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সুলেমানই পহেলগাঁও হামলার মূলচক্রী। হামলার অন্যতম প্রধান বন্দুকবাজও ছিল। হামজা এবং ইয়াসির এ-গ্রেড লস্কর কমান্ডার ছিল। পহেলগাঁওয়ের হামলায় হামজা দ্বিতীয় এবং ইয়াসির তৃতীয় বন্দুকবাজ ছিল। গোয়েন্দা সূত্রে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের মে মাসে গুরেজ সেক্টর থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকেছিল এই তিন জঙ্গি। হামলার আগের দিন বৈসরন থেকে ২ কিমি দূরত্বে একটি কুঠুরিতে আশ্রয় নেয় তারা। হামলার দিন সকালে ট্রেকিং করে বৈসরনে যায় তিনজন। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া শেল কেসিং মিলে গিয়েছে ‘অপারেশন মহাদেবে’র পর উদ্ধার হওয়া একে-১০৩ রাইফেলের সঙ্গে। জঙ্গিদের স্যাটেলাইট ফোন থেকে মিলেছে একটি মাইক্রো এসডি কার্ড-ও। জঙ্গিদের পকেটে ছিল পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুজফ্ফরবাদে তৈরি চকলেটের মোড়কও।

    তিন জঙ্গিই পাকিস্তানের বাসিন্দা

    এএনআইয়ের তরফে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে ভুল জঙ্গিদের স্কেচ প্রকাশ করেছিল কাশ্মীর পুলিশ। তবে শেষ পর্যন্ত ২৮ জুলাই পহেলগাঁও হামলার জঙ্গিদের নিকেশ করা হয় ‘অপারেশন মহাদেবে’র (Operation Mahadev) মাধ্যমে। তাদের থেকে পাকিস্তানি ভোটার কার্ড, চকলেট এবং বায়োমেট্রিক ডেটাবোঝাই মাইক্রো এসডি চিপ মিলেছে। সুলেমান এবং আফগানের পকেট থেকে পাওয়া ল্যামিনেট করা ভোটার কার্ডে লেখা রয়েছে, তারা যথাক্রমে লাহোর এবং গুজরানওয়ালার বাসিন্দা। জঙ্গিদের স্যাটেলাইট ফোন থেকে একটি মেমরি কার্ড মিলেছে। ফোনটি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। ওই মেমরি কার্ডে রয়েছে এনএডিআরএ-র (ন্যাশনাল ডেটাবেস অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন অথরিটি) তথ্য। তা থেকে তিন জঙ্গির বায়োমেট্রিক তথ্যও মিলেছে। কী রয়েছে সেখানে? জঙ্গিদের আঙুলের ছাপ, মুখের অবয়ব, পরিবারের বিষয়ে তথ্য, যা থেকে স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে যে, তিন জনেই পাকিস্তানের বাসিন্দা। দু’টি ঠিকানাও মিলেছে সেই মেমারি কার্ড থেকে। একটি ঠিকানা কাসুর জেলার চাঙ্গা মাঙ্গার, দ্বিতীয়টি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের রাওয়ালকোটের কোইয়ান গ্রামের। এছাড়াও এসডি চিপ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেও তিন জঙ্গির পাক নাগরিকত্ব প্রমাণ হয়েছে। তারা সকলেই লস্কর-এর সদস্য, তার প্রমাণও মিলেছে। এতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পিছনে পাকিস্তানেরই হাত ছিল। তিনজনের কেউই স্থানীয় কাশ্মিরি জঙ্গি নয়।

  • West Bengal Trade: ৬,৬৮৮টি সংস্থার রাজ্যছাড়া! বাণিজ্যে বেহাল বাংলা, রাজ্যে শাসনব্যবস্থার কী বার্তা দেয় এই ট্রেন্ড?

    West Bengal Trade: ৬,৬৮৮টি সংস্থার রাজ্যছাড়া! বাণিজ্যে বেহাল বাংলা, রাজ্যে শাসনব্যবস্থার কী বার্তা দেয় এই ট্রেন্ড?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় শিল্প ও উদ্যোগের ক্ষেত্রে দেশের অগ্রগামী রাজ্য (West Bengal Trade) ছিল পশ্চিমবঙ্গ। কিন্তু গত এক দশকে রাজ্য থেকে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলির ধারাবাহিক প্রস্থান (Companies exit from Bengal) এখন এক গভীর সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত দশ বছরে ৬,৬৮৮টি সংস্থা তাদের রেজিস্টার্ড অফিস পশ্চিমবঙ্গ থেকে অন্য রাজ্যে সরিয়ে নিয়েছে। চুপচাপ বড় বড় সংস্থা নিজেদের অফিস সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় কোনও প্রতিবাদও হয়নি তৃণমূল-শাসিত বাংলায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সংস্থাগুলি নিজেদের অফিস সরে নিয়ে গিয়েছে মহারাষ্ট্র, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশের মতো বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে। উদ্যোগপতিদের কথায়, ওই রাজ্যগুলিতে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ এবং নীতির স্থিতিশীলতা স্পষ্ট।

    ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো

    রাজ্যে (West Bengal Trade) পালা বদলের পর ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রহ সরকারের ক্ষমতায় আসার সময় থেকে শুরু হয় শিল্পপতির ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি। কিন্তু ২০১৫–১৬ থেকে ২০১৭–১৮ পর্যন্ত সময়টা হল সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ। এই তিন বছরে ২,৮১৪টি কোম্পানি রাজ্য ছেড়েছে। যা রাজ্য ত্যাগের মোট সংস্থার প্রায় ৪২ শতাংশ। ২০১৭–১৮ সালে সর্বাধিক ১,০২৭টি কোম্পানি রাজ্যছাড়া হয়, যা ছিল ইঙ্গিতবহ। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক দিক হল, ১০০-রও বেশি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি, যারা স্টক এক্সচেঞ্জে লিস্টেড, তারাও পশ্চিমবঙ্গ ছাড়ে। এরা কেবলমাত্র আর্থিক দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, বহু মানুষের চাকরি এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে জড়িত। এই সরে যাওয়া দেশের বিনিয়োগ-বাজারে পশ্চিমবঙ্গের ভাবমূর্তি নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তোলে।

    বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিই ‘প্রেফার্ড ডেস্টিনেশন’

    পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে যে সব সংস্থা (Companies exit from Bengal) চলে গিয়েছে, দেখা যায় তাদের সবচেয়ে পছন্দের গন্তব্য হয়ে উঠেছে বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিই। মহারাষ্ট্র (১,৩০৮টি), দিল্লি (১,২৯৭টি) ও উত্তরপ্রদেশে(৮৭৯টি) সরে যায় সংস্থাগুলি। মোট ৩,৪৮৪টি কোম্পানি, প্রায় ৫২ শতাংশ, এই তিন রাজ্যেই সরে গিয়েছে। ছত্তিশগড়, গুজরাট, রাজস্থান, অসমের মতো রাজ্যগুলিও তালিকায় রয়েছে। এই রাজ্যগুলিতে শিল্পনীতির মধ্যে স্পষ্টতা, স্থায়িত্ব এবং বাস্তবায়নের ইচ্ছা রয়েছে। বিপরীতে, কংগ্রেস বা তৃণমূল-শাসিত রাজ্যগুলি বিনিয়োগের পক্ষে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে ব্যর্থ, বলেই মনে করছেন উদ্যোগপতিরা।

    প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতা

    বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি আসে। কিন্তু রিপোর্ট বলছে, যেখানে পশ্চিমবঙ্গ ₹৩৯,১৩৩ কোটির বিনিয়োগে চতুর্থ স্থানে ছিল (IEM Part A), সেখানে বাস্তবায়িত বিনিয়োগে (IEM Part B) মাত্র ₹৩,৭৩৫ কোটি টাকা রাজ্যে এসেছে। এক বছরে আরও কমেছে—২০২৩ সালে যা ছিল ₹৪,৯৩০ কোটি। এই ব্যাপক ফারাক বিনিয়োগকারীদের (Companies exit from Bengal) আস্থাহীনতার স্পষ্ট প্রতিফলন। কথা আর কাজে বিরাট ব্যবধান শিল্পপতিদের দ্বিধাগ্রস্ত করছে।

    শিল্পোন্নয়ন-পরিকাঠামোয় পিছিয়ে পড়া রাজ্য

    পশ্চিমবঙ্গ এখনও ইন্ডিয়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল ল্যান্ড ব্যাঙ্কের (India Industrial Land Bank) অংশ নয়, যেখানে দেশের ২,৮৮৪টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের তথ্য রয়েছে। এটা রাজ্যের প্রশাসনিক অনীহা ও স্বচ্ছতার অভাবকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখায়। এমনকি এফডিআই (বিদেশি বিনিয়োগ) ক্ষেত্রেও পশ্চিমবঙ্গ ভারতের চতুর্থ বৃহত্তম রাজ্য হয়েও ১১তম স্থানে রয়েছে, যা এক অদ্ভুত বৈপরীত্য তুলে ধরে।

    নীতির অস্পষ্টতা মূল সমস্যা

    শিল্পোন্নয়ন ব্যর্থতার অন্যতম প্রধান উদাহরণ হল সিঙ্গুর আন্দোলনের উত্তরাধিকার। টাটার ন্যানো কারখানা আটকে যাওয়ার পরে, তৃণমূল সরকার ‘হ্যান্ডস-অফ’ ভূমি নীতি গ্রহণ করে। ফলে রাজ্য (West Bengal Trade) শিল্পের জন্য জমি দিতে অস্বীকার করে এবং কোম্পানিগুলিকে হাজার হাজার জমির মালিকের সঙ্গে নিজেরা চুক্তি করতে হয়—যা বড় শিল্পপ্রকল্পের ক্ষেত্রে অসম্ভব হয়ে ওঠে। সম্প্রতি, ২০২৫ সালের এপ্রিলে, রাজ্য সরকার হঠাৎ করেই ১৯৯৩ সাল থেকে চালু থাকা আটটি শিল্প ভর্তুকি প্রকল্প বন্ধ করে দেয়। ডালমিয়া ভারত ও বিরলা কর্পোরেশনের মতো কোম্পানি এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ৪৩০ কোটি টাকার বেশি দাবি আটকে গেছে।

    রাজনৈতিক ভাষণ দিয়ে উন্নয়ন হয় না

    রাজ্যজুড়ে কর্মসংস্থানের (Companies exit from Bengal) ঘাটতি বাড়ছে। দক্ষ পেশাজীবীরা রাজ্য ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন। পশ্চিমবঙ্গের জিএসডিপি (GSDP)-তে জাতীয় জিডিপি (GDP)-র অংশীদারিত্ব ১৯৬০–৬১ সালের ১০.৫% থেকে কমে ২০২৩–২৪ অর্থবর্ষে ৫.৬ শতাংশে নেমে এসেছে। এই পতন কেবলমাত্র পরিসংখ্যান নয়, একটি বড় আঞ্চলিক অসাম্যের চিত্র। ৬,৬৮৮টি কোম্পানির রাজ্য ছেড়ে চলে যাওয়া কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি। আজকের বিশ্বে শুধুমাত্র রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা দিয়ে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় না। বিনিয়োগের জন্য চাই স্থিতিশীল নীতি, জমির স্বচ্ছতা, এবং প্রশাসনিক সদিচ্ছা। পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal Trade) অবস্থা থেকে বোঝা যায়, শাসনব্যবস্থা উন্নয়নবান্ধব না হলে, শিল্প আসবে না, কর্মসংস্থান হবে না, আর রাজ্য দীর্ঘমেয়াদে কেন্দ্রনির্ভর হয়ে পড়বে।

  • PIB Fact Check: ট্যারিফ-কাণ্ডের জেরে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি স্থগিত করেছে ভারত! ‘ভুয়ো খবর’ বলল পিআইবি

    PIB Fact Check: ট্যারিফ-কাণ্ডের জেরে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি স্থগিত করেছে ভারত! ‘ভুয়ো খবর’ বলল পিআইবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যিক উত্তেজনার আবহে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভুয়ো খবরকে খণ্ডন করল ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (PIB)। ওই খবরে বলা হয়েছিল, ভারত সরকার নাকি আমেরিকার (India-US Tariff) সঙ্গে থাকা দ্বিপাক্ষিক চুক্তিগুলি পর্যালোচনা বা স্থগিত করার পরিকল্পনা করছে। এ প্রসঙ্গে পিআইবি-র (PIB Fact Check) ফ্যাক্ট চেক ইউনিট এক স্পষ্ট বিবৃতিতে জানায়, “বিদেশ মন্ত্রক এমন কোনও বিবৃতি দেয়নি। বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকুন এবং সরকারের বিশ্বাসযোগ্য সূত্র ছাড়া কোনও খবর শেয়ার করবেন না।”

    ভুয়ো খবর থেকে সাবধান

    ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য নিয়ে গুজব (PIB Fact Check) ছড়িয়ে পড়েছিল একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে। যেখানে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য নিয়ে বিদেশ মন্ত্রক উদ্বিগ্ন বলে প্রচার করা হয়। এতে বলা হয়, ভারতের বিরুদ্ধে আমেরিকার ‘চড়া শুল্ক, নয়া অর্থনৈতিক নীতি’র প্রতিক্রিয়ায় দিল্লি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্থগিত করতে চলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ৩০ জুলাই ঘোষণা করেন যে ভারতের রফতানি পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে, যা ১ অগাস্ট থেকে কার্যকর হয়েছে। মূলত ভারতীয় বস্ত্র, রত্ন ও গয়না, ইলেকট্রনিক্স ও পোশাক খাত এই শুল্কের আওতায় পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ভারত “অন্যায্য বাণিজ্যনীতি” অনুসরণ করছে এবং রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি চুক্তি বজায় রাখার ফলেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

    ভারতীয় ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ

    এই শুল্কবৃদ্ধির ফলে ভারতীয় ব্যবসায়ী (India-US Tariff) মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষত ভারতীয় দ্রব্য রফতানি ও আমেরিকায় চাকরির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে জল্পনা চলছে। কিন্তু বিদেশ মন্ত্রকের একজন মুখপাত্র ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, “ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক বিষয়ে আলোচনা চলছে। কোনও দ্বিপাক্ষিক চুক্তি পর্যালোচনা বা স্থগিত করার প্রশ্নই ওঠে না। আমরা একটি সুষম বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বের লক্ষ্যে একযোগে কাজ করে চলেছি।” সাউথ ব্লক সূত্রে খবর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চান, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৃষি এবং দুগ্ধজাত পণ্যের বাজার খুলে দিক নয়াদিল্লি। কিন্তু, কেন্দ্রের মোদি সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, এ দেশের কৃষক এবং দুগ্ধশিল্পের সঙ্গে জড়িতদের লোকসান করে কোনও সমঝোতা সম্ভব নয়। তাই বিকল্প পথের সন্ধানেই দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে।

  • Election Commission: সমাজবাদী সাংসদের সঙ্গে বাগদান, নির্বাচন কমিশনের কোপে পদ খোয়ালেন রিঙ্কু সিং

    Election Commission: সমাজবাদী সাংসদের সঙ্গে বাগদান, নির্বাচন কমিশনের কোপে পদ খোয়ালেন রিঙ্কু সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ভোটার সচেতনতা অভিযান থেকে ক্রিকেটার রিঙ্কু সিংকে (Rinku Singh) সরানো হলো। সমাজবাদী পার্টির সাংসদ প্রিয়া সরোজের সঙ্গে তাঁর বাগদান সম্পন্ন হয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ব্যক্তি ভোটার সচেতনতা কার্যক্রমে যুক্ত থাকতে পারেন না। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, সমস্ত প্রচারমূলক উপকরণ—পোস্টার, ব্যানার, ভিডিও এবং ওয়েবসাইটের কনটেন্ট থেকে রিঙ্কু সিংকে—তাৎক্ষণিকভাবে সরিয়ে ফেলতে হবে।

    কেন সরানো হল রিঙ্কুকে

    উত্তর প্রদেশ সরকারের তরফ থেকে রিঙ্কু সিংকে এসভিইইপি (সিস্টেম্যাটিক ভোটার এডুকেশন অ্যান্ড ইলেক্টোরাল পার্টিসিপেশন) অভিযানের মুখপাত্র হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল। তিনি রাজ্যজুড়ে সরকারি বিজ্ঞাপন, স্টেডিয়ামের হোর্ডিং, সোশ্যাল মিডিয়া প্রচার এবং ভিডিও বার্তায় অংশ নিয়েছিলেন। রাজ্যের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তার দফতর জানিয়েছে, রিঙ্কু সিং (Rinku Singh) রাজ্যের একজন পরিচিত মুখ এবং তার অংশগ্রহণে ভোটার সচেতনতা প্রচারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। তবে, কোনো ব্যক্তি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হলে বা তার পক্ষপাতিত্বের সম্ভাবনা দেখা দিলে তাকে এই ধরনের উদ্যোগ থেকে বিরত রাখা হয়। এতে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে এবং নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।জানপুর জেলার নির্বাচন অফিসার এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (আর্থিক ও রাজস্ব) জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ পাওয়ার পর জেলা ও উপজেলা স্তরের সব এসডিএম, নির্বাচন কর্মকর্তাদের এবং এসভিইইপি টিমকে এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    জুনে বাগদান সম্পন্ন

    গত জুন মাসের ৮ তারিখ জীবনের এক নয়া অধ্যায়ের সূচনা করেছেন ক্রিকেট তারকা রিঙ্কু সিং (Rinku Singh)। লক্ষ্ণৌ’র অভিজাত সেন্ট্রাম হোটেলে তিনি সেরেছেন বাগদান। রিঙ্কু’র হবু স্ত্রী প্রিয়া সরোজ একজন আইনজীবী। এছাড়াও অন্য একটি পরিচয় রয়েছে তাঁর। দেশের দ্বিতীয় কনিষ্ঠতম সাংসদ তিনি। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে সমাজবাদী পার্টির টিকিটে জিতেছেন উত্তরপ্রদেশের মছলিনগর কেন্দ্র থেকে। প্রিয়া’র বাবা তুফান সরোজ’ও সমাজবাদী পার্টির বড় মাপের নেতা। দীর্ঘদিন সাংসদ ছিলেন। বর্তমানে কেরাকাট জৌনপুরের বিধায়ক পদে রয়েছেন তিনি। তাই নির্বাচন কমিশন মনে করছে, ভোটার সচেতনতা অভিযান উদ্যোগে রাজনৈতিক প্রভাব পড়লে তা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে। তাই সতর্কতার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

     

     

     

     

  • India vs England: সিরাজ-প্রসিধের আগুন বোলিংয়ের সামনে স্তব্ধ ব্রিটিশরা, ওভাল টেস্টে এবার ব্যাটারদের পালা

    India vs England: সিরাজ-প্রসিধের আগুন বোলিংয়ের সামনে স্তব্ধ ব্রিটিশরা, ওভাল টেস্টে এবার ব্যাটারদের পালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়াল টিম ইন্ডিয়া (India vs England)। সৌজন্যে মহম্মদ সিরাজ ও প্রসিধ কৃষ্ণ। প্রথম ইনিংসে শুভমন গিলরা মাত্র ২২৪ রানে অল আউট হওয়ার পর, জবাবে ব্যাট করতে নেমে একটা সময় ইংল্যান্ডের স্কোর ছিল ১ উইকেটে ১২৯। সেখান থেকে ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ২৪৭ রানে। মহম্মদ সিরাজ ৮৬ রান দিয়ে ৪টি ও প্রসিধ কৃষ্ণ ৮০ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন। টেস্ট সিরিজে পিছিয়ে থাকা ভারত যদি এই ম্যাচ জেতে, তাহলেই সিরিজে সমতা আসবে। সেই লক্ষ্যেই দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করছে ভারত। উইকেটে রয়েছেন দুই ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল এবং কেএল রাহুল।

    অবিশ্বাস্য বোলিং সিরাজ-কৃষ্ণার

    ওভালের পিচে একটানা বৃষ্টির পর দ্বিতীয় দিনের খেলা যত এগিয়েছে, ততই জমে উঠেছিল ভারত-ইংল্যান্ডের (India vs England) পঞ্চম টেস্ট। ভারতীয় দল প্রথম ইনিংসে ২২৪ রানে শেষ হওয়ার পর, অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন ইংল্যান্ড হয়ত ব্যাটে দাপট দেখিয়ে বড় লিড তুলে নেবে। কিন্তু সেটা হতে দিল না ভারতের দুই পেসার মহম্মদ সিরাজ এবং প্রসিধ কৃষ্ণ। ইংল্যান্ড তাদের প্রথম ইনিংস শেষ করল মাত্র ২৪৭ রানে। ভারতকে টপকে মাত্র ২৩ রানে এগিয়ে থেকে। দ্বিতীয় দিনে লাঞ্চের পর অবিশ্বাস্য বোলিং করে টিম ইন্ডিয়া। লাঞ্চে যাওয়ার সময় মনে হচ্ছিল, ওভালে ভরাডুবি হতে চলেছে শুভমন গিলদের। এদিন মাত্র ২০ রান যোগ করেই ভারতের শেষ ৪টি উইকেট পড়ে যায়। করুণ নায়ার ৫৭ রানে আউট হন। ব্রিটিশ পেসার গাস অ্যাটকিনসন ৩৩ রান দিয়ে নেন ৫টি উইকেট, জোস টাঙ তিনটি উইকেট নেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুণ করেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জ্যাক ক্রাউলি ও বেন ডাকেট। কিন্তু ইনিংসের মাঝামাঝি হঠাৎই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন ভারতের দুই পেসার। দুজনেই পেয়েছেন চারটি করে উইকেট। ইংল্যান্ডের হয়ে হ্যারি ব্রুক করেন সর্বোচ্চ ৫৩ রান, কিন্তু বৃষ্টির পরে খেলা শুরু হতেই তাঁকে ফিরিয়ে দেন সিরাজ। এই সময়েই দ্রুত কয়েকটি উইকেট পড়ে যায় এবং ভারত ম্যাচে ফিরে আসে।

    কার হাতে ম্যাচের রাশ

    এই মুহূর্তে ম্যাচের রাশ পুরোপুরি কোনও দলের হাতে নেই। ভারতীয় পেসাররা যেমন ম্যাচে ফিরে এসেছেন, তেমনি ইংল্যান্ডের পেসাররাও দ্বিতীয় ইনিংসে প্রতিশোধ নিতে প্রস্তুত। সিরিজ বাঁচাতে হলে ওভালে চলতি পঞ্চম টেস্টে জিততেই হবে শুভমন গিলদের। এই ম্য়াচ ড্র হলে, সিরিজ জিতবে ইংল্যান্ড। তবে দ্বিতীয় দিনের শেষে যে জায়গায় ম্য়াচ দাঁড়িয়ে, তাতে অসম্ভব বৃষ্টি ছাড়া ড্রয়ের সম্ভাবনা প্রায় নেই।

  • PoK Anti-Terrorism Sentiment: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পরিবর্তনের ছবি! গ্রামবাসীদের রোষে পালাতে বাধ্য হল লস্কর কমান্ডার

    PoK Anti-Terrorism Sentiment: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পরিবর্তনের ছবি! গ্রামবাসীদের রোষে পালাতে বাধ্য হল লস্কর কমান্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পরিবর্তনের (PoK Anti-Terrorism Sentiment) হাওয়া। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা। পিওকে-তে কুইয়ান গ্রামের মানুষরা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেন। গ্রামবাসীদের রোষের জেরে শেষমেশ সশস্ত্র দলবল নিয়ে পালাতে বাধ্য হল লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গিদলের কমান্ডার রিজওয়ান হানিফ। যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। সম্প্রতি ভারতের অপারেশন মহাদেব-এ শ্রীনগরের হারওয়ানে খতম করা হয়েছে জঙ্গি হাবিব তাহিরকে। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় হাবিব যুক্ত ছিল বলে জানিয়েছে ভারত। ওই জঙ্গির অন্ত্যেষ্টিতে হানিফ ও তার দলবল হাজির হয়। যা ঘিরেই গোলমালের সূত্রপাত। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে জঙ্গিদলগুলির সংঘাতের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের প্রতিবাদের ছবি সে অঞ্চলে পরিবর্তনের হাওয়া বলে মনে করছেন অনেকে।

    কী ঘটেছিল

    পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর (PoK Anti-Terrorism Sentiment) -এর কুইয়ান গ্রামে জঙ্গিবাদ বিরোধী নজিরবিহীন গণআন্দোলনের চিত্র সামনে এসেছে। সম্প্রতি ‘অপারেশন মহাদেব’-এর সময় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত লস্কর-ই-তৈইবার প্রশিক্ষিত জঙ্গি হাবিব তাহির ওরফে ছোট্টুর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় ঘটে নাটকীয় পরিবর্তন। গ্রামের মানুষ প্রথমে শোক প্রকাশ করলেও, লস্কর ও যুক্ত জেকেএউএম (JKUM) জঙ্গিরা যখন অস্ত্রসহ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত হয়, তখন পরিস্থিতি ঘোরতর পাল্টে যায়। গ্রামবাসীরা সোজাসুজি প্রতিবাদ জানান। সূত্রের খবর, গ্রামের বাসিন্দারা স্পষ্ট জানান, তাদের সন্তানদের ব্রেনওয়াশ করে কাশ্মীরে জঙ্গি হিসেবে আর পাঠাতে নারাজ তাঁরা। এর বিরুদ্ধে তারা আর চুপ থাকবেন না। লস্করের স্থানীয় কমান্ডাররা, পাক নিরাপত্তারক্ষীদের নিয়ে সাধারণ মানুষকে হুমকিও দেয়। সাধারণ মানুষ ও জঙ্গিদের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। কিন্তু সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে গ্রামের সাধারণ মানুষ ওই জঙ্গিদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া থেকে তাড়িয়ে দেন।

    ‘জিগরা’ জনসভার মাধ্যমে সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থান

    এই ঘটনায় উৎসাহিত হয়ে পিওকে-র (PoK Anti-Terrorism Sentiment) একাধিক গ্রামে এখন ‘জিগরা’ ডাকা হচ্ছে। ‘জিগরা’ হল জনসভা। এই জনসভাগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো—সন্ত্রাসে শিশু-কিশোরদের নিয়োগ, ধর্মের নামে জিহাদের অপব্যবহার এবং জঙ্গি তৎপরতার বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ জানানো। এক ভিডিও-বার্তায়, ‘ছোট্টুর শিক্ষক’ লিয়াকত আলি বলেন, “ওরা আমাদের শিশুদের জঙ্গি বানায়, নিজেদের সন্তানদের পাঠায় ইংল্যান্ড-আমেরিকায়।” লিয়াকত আলি একটি ৮ মিনিটের ভিডিও বার্তায় স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কারা আমাদের শিশুদের কাশ্মীরে পাঠাচ্ছে? ওরা ব্রেনওয়াশ করে আমাদের গরিব ছেলেদের ভারতের মতো শক্তিশালী সেনাবাহিনীর সামনে ঠেলে দিচ্ছে।” তিনি জঙ্গি সংগঠনগুলোর উদ্দেশে আহ্বান জানান—“নিজেদের সন্তানদের বাঁচাও, আমাদের সন্তানদের মরতে দিও না।” তিনি আরও বলেন, “ধনী জিহাদিদের সন্তানরা ইংল্যান্ড-আমেরিকায় পড়াশোনা করছে, আর আমাদের মতো গরিবদের সন্তানদের মরতে হচ্ছে তথাকথিত জিহাদের নামে।” এই ভিডিওটি পিওকে জুড়ে ভাইরাল হয়।

    পাকিস্তানের ভেতরেই ভাঙনের সুর

    পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK Anti-Terrorism Sentiment) স্থানীয় প্রশাসনিক স্তরেও বিরোধিতা চোখে পড়েছে। পিওকে-র বাঘ জেলায় এক সম্মেলনের আয়োজন করতে চেয়েছিল জঙ্গিদের ঘনিষ্ঠ একটি গোষ্ঠী। কিন্তু প্রশাসন জননিরাপত্তার খাতিরে তাতে অনুমতি দেয়নি। ওই সম্মেলনে অস্ত্রধারীদের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা ছিল বলে জানা গিয়েছে। উপস্থিত থাকার কথা ছিল পিওকে-র পরিচিত মুখ নওমান শেহজাদেরও। প্রশাসনের মতে, এমন সম্মেলনের আড়ালে জঙ্গিবাদ ও ধর্মীয় উগ্রতার বার্তা ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছিল। পিওকে-র গ্রামবাসী, শিক্ষক, এবং স্থানীয় প্রশাসন যেভাবে পাকিস্তানের ‘ডিপ স্টেট’ ও সন্ত্রাস-সাপোর্টিং কাঠামোর বিরুদ্ধে মুখ খুলছে, তা পাকিস্তানের জন্য গভীর সংকেত। বালোচিস্তান থেকে পিওকে—দেশজুড়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিক দুরবস্থা, সেই সঙ্গে জনগণের প্রতিরোধ—পাকিস্তানের অবৈধ দখল ও জঙ্গি-সমর্থন নীতিকে টলিয়ে দিচ্ছে। সম্প্রতি কুইয়ান গ্রামের বাসিন্দারা একজোট হয়ে সন্ত্রাসবাদ বিরোধিতায় গর্জে উঠেছেন। ওই এলাকায় জঙ্গি কার্যকলাপ রুখতে গ্রামবাসীদের এহেন পদক্ষেপ উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

    পরিবর্তনের ছবি স্পষ্ট

    বহু দশক ধরে পাক অধিকৃত কাশ্মীর (PoK Anti-Terrorism Sentiment) সন্ত্রাসবাদীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে এসেছে। লস্কর-ই-তৈইবা ও জইশ-ই-মহম্মদের মতো সংগঠনগুলি এখানে পাকিস্তানি সামরিক এবং গোয়েন্দা সংস্থার নীরব মদতে তাদের কার্যকলাপ চালিয়ে এসেছে। ভারতীয় ভূখণ্ডে একাধিক বড়সড় হামলার পিছনে এদের হাত রয়েছে বলেই আন্তর্জাতিক মহলের অভিযোগ। এই পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়ান জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের প্রধান মাসুদ আজহার। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পালিত হয় ‘কাশ্মীর সংহতি দিবস’। অভিযোগ, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সশস্ত্র সংগঠনের উপস্থিতিতে সেখানে ‘ভারত-বিরোধী’ সন্ত্রাসী সম্মেলনেরও আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, সম্মেলনে জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ (জেইএম) এবং লস্কর-ই-তৈবা (এলইটি)-র নেতাদের পাশাপাশি উপস্থিত থাকে প্যালেস্টাইনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের প্রবীণ নেতারাও! কিন্তু কুইয়ানের মতো ঘটনা এই পুরনো বাস্তবতায় ধাক্কা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি পিওকে-তে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা এক নতুন জনচেতনার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আরও বিস্তার লাভ করতে পারে।

  • Kolkata Matrimony Fraud: ম্যাট্রিমনি সাইটে বাংলাদেশি ফাঁদ! হোটেলে ডেকে কলকাতার যুবকের সব কিছু লুট তরুণীর

    Kolkata Matrimony Fraud: ম্যাট্রিমনি সাইটে বাংলাদেশি ফাঁদ! হোটেলে ডেকে কলকাতার যুবকের সব কিছু লুট তরুণীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ও ভিনরাজ্যে বাংলাভাষী মানুষের হেনস্থা নিয়ে তরজার মধ্যেই এবার ম্য়াট্রিমনি সাইটে (Kolkata Matrimony Fraud) ফাঁদ পেতে ঠকানোর অভিযোগ উঠল এক তরুণীর বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই তরুণীর কাজ-কারবার বাংলাদেশের এক যুবকের সঙ্গে হাত মিলিয়েই। বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ম্যাট্রিমনি সাইটে নিজের ছবি আপলোড করেন এক যুবক। আলাপ হয় এক তরুণীর সঙ্গে। কথাবার্তা বলার পর মুখোমুখি দেখা করার পালা। এয়ারপোর্ট আড়াই নম্বর গেট এলাকার একটি হোটেলে দেখা করার পরিকল্পনা করেন দু’জনে। ওই হোটেলে গিয়ে বিপত্তি। সর্বস্ব খুইয়ে পুলিশের দ্বারস্থ যুবক। প্রতারণার অভিযোগে ওই তরুণী এবং তার সঙ্গী বাংলাদেশি যুবককে গ্রেফতার করেছে এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ।

    ফাঁদ পেতে গ্রেফতার তরুণী

    গত ২৭ জুলাই দায়ের হওয়া এক জালিয়াতির মামলার সূত্র ধরে ফের এপারে ঘাঁটি গেড়ে থাকা এক বাংলাদেশি নাগরিকের সন্ধান পেল পুলিশ। অভিযোগ ছিল, ম্যাট্রিমনি সাইট-সূত্রে আলাপ হওয়া ওই তরুণী কফিতে কিছু মিশিয়ে খাইয়ে দেন ওই যুবককে। তারপর, তন্দ্রাচ্ছন্ন করে যুবকের সর্বস্ব লুট করে চম্পট দেয়। কয়েক ঘণ্টা পর ঘুম ভাঙে যুবকের। দেখেন তাঁর সঙ্গে থাকা মোবাইল, টাকা, ব্যাগ কিছুই নেই। তরুণীও উধাও। এরপর হোটেল কর্তৃপক্ষের সাহায্যে এয়ারপোর্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন যুবক। তদন্তে নেমে হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ। যুবকের থেকে ফোন নম্বর নিয়ে তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন পুলিশ আধিকারিকরা। নিজেদের পাত্র হিসাবে পরিচয় দেন তাঁরা। এরপর মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে তরুণীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২৭ জুলাই রাতেই এয়ারপোর্ট লাগোয়া হোটেল থেকে অভিযুক্ত তরুণীকে গ্রেফতার করা হয়।

    চুরির মাল চলে যেত বাংলাদেশে

    পুলিশ সূত্রে দাবি, ধৃত তরুণী জেরায় জানান, তিনি এক যুবকের কাছে চুরির মালপত্তর বিক্রি করেন। এরপর দমদম ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে তরুণীর চুরির পার্টনার ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তদন্ত করে পুলিশ জানতে পারে, চোরাই মালের রিসিভার ওই যুবক আদতে বাংলাদেশি। তার কাছ থেকে বাংলাদেশের (Bangladeshi Matrimony Fraud) পাসপোর্ট, ভিসা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তরুণীর দাবি, লুটের জিনিসপত্র তরুণী ওই বাংলাদেশি যুবকের হাতে তুলে দিত। তারপর যুবক সেগুলি নিয়ে বাংলাদেশি চলে যেত। এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে আরও কারও যোগসূত্র রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক প্রতারণা চক্রের জড়িত থাকার সম্ভাবনা দেখছেন তদন্তকারীরা।

  • Lionel Messi: কোহলি-ধোনিদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলবেন? ডিসেম্বরে ভারতে আসছেন মেসি

    Lionel Messi: কোহলি-ধোনিদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলবেন? ডিসেম্বরে ভারতে আসছেন মেসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রীড়ামোদীদের জন্য বড় খবর। ভারতে আসেছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসি। শুধু আসছেনই না শোনা যাচ্ছে আগামী ডিসেম্বরে ভারতে এসে বিরাট কোহলি, মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে ওয়াংখেড়েতে ক্রিকেট খেলবেন ফুটবলের রাজপুত্র মেসি। সূত্রের খবর, আগামী ১৩ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে মেসি কলকাতা, দিল্লি ও মুম্বাই; এই তিন শহরে একাধিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। কলকাতায় ইডেন গার্ডেন্সে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    ক্রিকেট কী খেলবেন?

    মেসি ১৪ ডিসেম্বর একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আসছেন। অনুষ্ঠানটি টিকিট কেটে দেখা যাবে বলে জানা গিয়েছে। এর জন্য আয়োজক সংস্থা অনুমতি চেয়েছে। মুম্বাই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সাম্প্রতিক এক সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় এবং অনুমতি প্রদান করা হয়, বলে খবর। এই অনুষ্ঠানে কয়েকজন সুপারস্টার ক্রিকেটারও উপস্থিত থাকতে পারেন। ভারতীয় ক্রিকেটারদের ভক্ত বিশ্বজুড়েই রয়েছে। দেশে ক্রিকেট নিয়ে ভক্ত-সমর্থকদের কী পরিমাণ আবেগ, তা হয়তো কারোরই অজানা নয়। মেসি ১৪ ডিসেম্বর ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে থাকবেন। তিনি প্রাক্তন ও বর্তমান ক্রিকেটারদের সঙ্গে একটি প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচেও অংশ নিতে পারেন। সবকিছু চূড়ান্ত হলে আয়োজকরা সম্পূর্ণ সূচি প্রকাশ করবে, বলে খবর।

    কলকাতায় মেসি

    আগামী ১৩ ডিসেম্বর মাসে নাকি ‘ঈশ্বরের বরপুত্র’ কলকাতায় পা রাখতে চলেছেন। তবে এখানে রয়েছে একটি ‘ছোট্ট টুইস্ট’। মেসি নাকি ভারতীয় ফুটবলের মক্কা কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আসবেন না। তিনি আসবেন ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেন গার্ডেন্সে। শোনা যাচ্ছে, মেসির আগমন উপলক্ষ্যে একটি প্রীতি ম্য়াচের আয়োজন করা হতে পারে। নাম দেওয়া হয়েছে ‘গোট কাপ’। দুই দলে ৭ জন করে ফুটবলার খেলবেন। যদিও সেই ম্য়াচে মেসি খেলবেন না। তিনি শুধুমাত্র বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এর আগে ২০১১ সালে প্রথমবার কলকাতায় এসেছিলেন লিওনেল মেসি। সেইসময় ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে একটি প্রীতি ম্য়াচ খেলেছিলেন তিনি। সেই ম্য়াচে মেসি গোল করতে না পারলেও, তাঁকে একটাবার স্বচক্ষে দেখার জন্য গোটা ভারতবর্ষ কার্যত কলকাতায় ভিড় জমিয়েছিল।

  • PM Modi: স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে কী বলা যেতে পারে? দেশবাসীর কাছে পরামর্শ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে কী বলা যেতে পারে? দেশবাসীর কাছে পরামর্শ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসে (Independence Day speech 2025) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণে ধরা দেবে সাধারণ ভারতবাসীর চিন্তাধারা। মোদির মুখে ফুটে উঠবে আম-জনতার কথা। ১৫ অগাস্ট  ভারতের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানালেন, তাঁরা যেন স্বাধীনতা দিবসের ভাষণের জন্য তাঁদের মতামত, চিন্তা ও পরামর্শ জানান। তাঁদের মতামত ও চিন্তাই ১৫ অগাস্ট ভোরে লালকেল্লায় দাঁড়িয়ে বলবেন প্রধানমন্ত্রী।

    সাধারণের প্রতি আর্জি

    প্রধানমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে শুক্রবার লেখেন— “স্বাধীনতা দিবস যত এগিয়ে আসছে, আমি আমার প্রিয় ভারতবাসীর মতামত শুনতে আগ্রহী! এবারের ভাষণে কী কী থিম বা ভাবনা উঠে আসা উচিত বলে মনে করেন? মাই গভ (MyGov)-এ অথবা নমো অ্যাপে (NaMo App) ওপেন ফোরামে শেয়ার করুন আপনার মূল্যবান মতামত…” । প্রতি বছরই এই বার্তা দিয়ে থাকেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী ভাষণের আগে সাধারণ মানুষের চিন্তা-ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তাঁর কথায়, এটাই গণতন্ত্রের প্রাণ— অংশীদারিত্ব। ২০১৪ সালে চালু হওয়া মাই গভ (MyGov) প্ল্যাটফর্ম এবং নমো অ্যাপে (NaMo App)-এর মাধ্যমে নাগরিকরা সরাসরি সরকারের সঙ্গে যুক্ত থাকার সুযোগ পান। এই মাধ্যমগুলোতে সাধারণ মানুষ তাঁদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা, নতুন চিন্তা এবং প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দিতে পারেন।

    স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে দেশ গঠনের বার্তা

    প্রধানমন্ত্রী মোদির স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day speech 2025) ভাষণে বরাবরই উঠে আসে দেশের নানান প্রান্তের সাফল্যগাথা, উদ্ভাবনী উদ্যোগ, যুব সমাজের কীর্তি এবং নীতিগত পরামর্শ। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী এমন ভাষণের দিকেই এগোচ্ছেন, যা ভবিষ্যতের ভারত গঠনের স্বপ্নকে সামনে রেখে প্রযুক্তি, ঐক্য এবং অগ্রগতির বার্তা বহন করবে। সেই ভাষণের জন্যই দেশের সাধারণ মানুষকে নিজের নিজের চিন্তাধারা ও পছন্দের বিষয় জানানোর আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই টুইটের মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষের জীবন, উন্নয়ন, প্রযুক্তি, যুবসমাজ, কৃষি, পরিবেশ, আত্মনির্ভর ভারত এরকম যেকোনও একটি বিষয় নিয়ে মতামত জানাতে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।হ

LinkedIn
Share