Author: pranabjyoti

  • PM Modi: সেশেলসের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান ‘গার্ডিয়ান অব দ্য ব্লু হরাইজন’ পেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    PM Modi: সেশেলসের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান ‘গার্ডিয়ান অব দ্য ব্লু হরাইজন’ পেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেশেলসের সর্বোচ্চ পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়নবিষয়ক সম্মান ‘গার্ডিয়ান অফ দ্য ব্লু হোরাইজনে’ (Guardian of the Blue Horizon) ভূষিত হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেশেলসে (Seychelles) তাঁর তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই দ্বীপরাষ্ট্রের তরফে এই সম্মান দেওয়া হয় তাঁকে। এই পুরস্কার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর টেকসই উন্নয়ন, সবুজ অর্থনীতি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং সমুদ্রসম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহারে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেওয়া হয়েছে। সেশেলসের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেশেলসের প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির আমন্ত্রণে সে দেশে গিয়েছেন তিনি।

    মোদির নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা (PM Modi)

    সেশেলসের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক শংসাপত্রে প্রধানমন্ত্রী মোদির টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা, ব্লু ইকোনমি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে তাঁর নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রগুলির (Small Island Developing States) উন্নয়ন-আকাঙ্ক্ষার প্রতি ভারতের সমর্থন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ, উদ্ভাবন, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমুদ্রসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় তাঁর উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ভারত এবং সেশেলসের মধ্যে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং শান্তি-সমৃদ্ধির অভিন্ন অঙ্গীকার আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানেরও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

    আরও একটি আন্তর্জাতিক সম্মান পেলেন মোদি

    এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঝুলিতে যুক্ত হওয়া আরও একটি আন্তর্জাতিক সম্মান। গত মে মাসে খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি সংস্কার এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে অবদানের জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) তাঁকে এগ্রিকোলা মেডেল (Agricola Medal) দেয়। ২০১৮ সালে তিনি সিওল পিস প্রাইজ (Seoul Peace Prize) পান। ওই বছরই রাষ্ট্রসঙ্ঘের সর্বোচ্চ পরিবেশ সম্মান চ্যাম্পিয়নস অফ দ্য আর্থ অ্যাওয়ার্ডে (Champions of the Earth Award) ভূষিত হন। প্রসঙ্গত, ২৭ থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত চলা এই রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী ভারত ও সেশেলসের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্যে একাধিক বৈঠক করছেন। বিশেষ করে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা এবং ভারতের ‘ভিশন সাগর’ (Vision SAGAR) উদ্যোগ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি (Seychelles) আলোচনার ফোকাসে রয়েছে।

    সেশেলসকে উপহার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    চলতি সফরে প্রধানমন্ত্রী সেশেলসের প্রেসিডেন্টের হাতে ভারতের তৈরি অত্যাধুনিক ফাস্ট প্যাট্রোল ভেসেল পিএস লেপসওয়্যার (Fast Patrol Vessel PS Lespwar), ছ’টি ফোর্স অ্যাম্বুলেন্স, ১০টি ইউটিলিটি গাড়ি এবং পাঁচটি লেজার রেডিয়াল নৌকা তুলে দেন। এই উদ্যোগকে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত অংশীদারিত্বের প্রতীক হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এদিকে, সেশেলসের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপনে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর একটি কুচকাওয়াজ দল (Seychelles) এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর দু’টি যুদ্ধজাহাজও অংশগ্রহণ করছে (PM Modi)।

     

  • Bharat Taxi: ড্রাইভারদের মালিকানায় নয়া রাইড-হেলিং প্ল্যাটফর্ম ‘ভারত ট্যাক্সি’ চালু, জানুন বিশদে

    Bharat Taxi: ড্রাইভারদের মালিকানায় নয়া রাইড-হেলিং প্ল্যাটফর্ম ‘ভারত ট্যাক্সি’ চালু, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের দ্রুত বিকাশমান মোবিলিটি সেক্টরে নয়া অধ্যায়ের সূচনা করল কেন্দ্রীয় সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহ ২৭ জুন গুজরাটের (Gujarat) গান্ধীনগরের মহাত্মা মন্দিরে উদ্বোধন করলেন ‘ভারত ট্যাক্সি’র (Bharat Taxi)। এটি সমবায় ভিত্তিক একটি রাইড-হেলিং প্ল্যাটফর্ম। সরকারের দাবি, এটি দেশের প্রথম বৃহৎ সমবায়ভিত্তিক ক্যাব পরিষেবা, যেখানে ড্রাইভাররাই হবেন প্ল্যাটফর্মের অংশীদার এবং মালিক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, বিভিন্ন সমবায় সংস্থার প্রতিনিধিরা এবং ৪ হাজারেরও বেশি চালক। প্রাথমিকভাবে গুজরাটের ১৪টি বড় শহরে পরিষেবা চালু হয়েছে।

    বেসরকারি অ্যাপের সমালোচনায় শাহ (Bharat Taxi)

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, এটি শুধু একটি নতুন ট্যাক্সি পরিষেবা নয়, বরং এমন একটি অর্থনৈতিক মডেল যেখানে চালকেরাই প্রতিষ্ঠানের মালিকানা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশীদার হবেন। তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে অধিকাংশ বেসরকারি রাইড-হেলিং সংস্থা চড়া হারে কমিশন কেটে নেয়, পেমেন্টে দেরি করে এবং অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগের ভিত্তিতে চালকদের পর্যাপ্ত শুনানি ছাড়াই অ্যাকাউন্ট স্থগিত করে দেয়। ফলে চালকদের দরকষাকষির ক্ষমতা কমে যায়। শাহ বলেন, “অন্য অ্যাপগুলি চালকদের শোষণ করেছে। আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি, ভারত ট্যাক্সিতে এমনটা হবে না।” তিনি জানান, তিনি ‘ড্রাইভার’ শব্দের বদলে ‘সারথি’ শব্দটি ব্যবহার করতেই পছন্দ করেন। কারণ এই পেশার সঙ্গে সম্মান, নিরাপত্তা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা জড়িত।

    কীভাবে কাজ করবে ভারত ট্যাক্সি?

    ‘ভারত ট্যাক্সি’ তৈরি হয়েছে সাহকার ট্যাক্সি কো-অপারেটিভ লিমিটেডের মাধ্যমে। এই প্রকল্পে সহযোগিতা করেছে দেশের শীর্ষ সমবায় সংস্থা আমূল, আইএফএফসিও (IFFCO) এবং নাবার্ড (NABARD)। এই প্ল্যাটফর্মের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল জিরো কমিশন মডেল। অর্থাৎ, যাত্রার ভাড়া থেকে কোনও কমিশন কাটা হবে না। ফলে আয়ের বড় অংশ সরাসরি চালকদের কাছেই থাকবে। সরকারের দাবি, এই মডেলটি আমূলের সফল সমবায় কাঠামো থেকে প্রাণিত। যেমন দুধ উৎপাদকরা আমূলের অংশীদার, তেমনই ভারত ট্যাক্সিতে চালকরাও প্রতিষ্ঠানের মালিকানা পাবেন। শাহ জানান, ইতিমধ্যেই প্রায় ৭ লাখ চালক এই সমবায় কাঠামোর শেয়ারহোল্ডার হয়েছেন।

    ১৪টি শহরে পরিষেবা শুরু

    প্রথম পর্যায়ে আমেদাবাদ, সুরাট, ভাদোদরা, রাজকোট, ভাবনগর, জামনগর-সহ গুজরাটের (Gujarat) ১৪টি শহরে পরিষেবা চালু হয়েছে।দুচাকা, অটো-রিকশা এবং চার চাকার গাড়ি—সব ধরনের পরিষেবাই এই প্ল্যাটফর্মে থাকবে। আগামী এক মাসের মধ্যে গোটা গুজরাটে পরিষেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই আহমেদাবাদ বিমানবন্দর এবং একাধিক পুরসভা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মউ (MoU) সই করেছে ভারত ট্যাক্সি, যা পরিষেবার সম্প্রসারণে সহায়ক হবে বলেই আশা ওয়াকিবহাল মহলের (Bharat Taxi)।

    ইতিমধ্যেই ৭ লাখ গ্রাহক

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে পরিষেবা শুরু হওয়ার পর থেকে প্ল্যাটফর্মে ১.৫ লাখেরও বেশি চালক এবং প্রায় ৭ লাখ গ্রাহক নথিভুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৩,৫০০টি ট্রিপ দেওয়া হচ্ছে। যদিও এই সংখ্যা এখনও দেশের বড় রাইড-হেলিং সংস্থাগুলির তুলনায় অনেক কম, তবুও সরকারের দাবি, সমবায় মডেলের কার্যকারিতা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হচ্ছে।

    কম ভাড়া নিয়ে প্রতিযোগিতা

    শাহের অভিযোগ, বেসরকারি সংস্থাগুলি ইচ্ছাকৃতভাবে সাময়িকভাবে ভাড়া কমিয়ে ভারত ট্যাক্সিকে বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তাঁর কথায়, “বড় কর্পোরেট সংস্থাগুলি প্রথমে কম দামে প্রতিযোগীদের দুর্বল করে দেয়। পরে বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে ভাড়া বাড়িয়ে দেয়। তবে ভারত ট্যাক্সি বাজারে টিকে থাকবে, এবং সফল হবেই।”

    কেন প্রয়োজন হল ভারত ট্যাক্সির?

    ভারতে অ্যাপ-ভিত্তিক ট্যাক্সি পরিষেবা জনপ্রিয় হলেও, দীর্ঘদিন ধরেই চালকদের মধ্যে কমিশনের হার, সার্জ প্রাইসিং, আয়ের অনিশ্চয়তা, অ্যালগরিদম-নির্ভর অ্যাকাউন্ট সাসপেনশন-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। সরকারের মতে, সমবায় মডেলের মাধ্যমে চালকদের আয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ এবং লাভের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে গিগ-ওয়ার্কারদের আর্থিক নিরাপত্তাও বাড়বে।

    আমূলের মডেলেই প্রাণিত সরকার

    বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বারবার আমূলের সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “একসময় অনেকেই বিশ্বাস করেননি যে কৃষকদের মালিকানাধীন একটি সমবায় সংস্থা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে। অথচ আজ আমূল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ দুগ্ধ সমবায় সংস্থা। সরকারের আশা, একইভাবে ভারত ট্যাক্সিও ভবিষ্যতে দেশের পরিবহণ খাতে সফল সমবায় মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে (Bharat Taxi)।”

    সামনে কী চ্যালেঞ্জ?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ট্যাক্সির সাফল্য নির্ভর করবে গ্রাহক আকর্ষণ, পরিষেবার মান, প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো (Gujarat) এবং প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতার ওপর। তবে ড্রাইভারদের মালিকানা, জিরো কমিশন নীতি এবং সমবায় কাঠামো যদি ঠিকঠাকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে এটি ভারতের গিগ ইকোনমিতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করতে (Bharat Taxi)।

     

  • West Bengal: পশ্চিমবঙ্গে আসছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল, সোমেই পেশ বিধানসভায়?

    West Bengal: পশ্চিমবঙ্গে আসছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল, সোমেই পেশ বিধানসভায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তুষ্টিকরণের রাজনীতির কারবারিদের হটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) ক্ষমতায় এসেছে প্রথম বিজেপি সরকার। সোমবার তারাই বিধানসভায় পেশ করতে পারে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল (UCC Bill)। নির্বাচনের আগে ‘সঙ্কল্পপত্রে’ (বিজেপির ইস্তেহারের নাম) দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই বিল আনতে উদ্যোগী হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন পদ্ম-সরকার। বিলটি পাস হলে ধর্ম নির্বিশেষে রাজ্যের সমস্ত নাগরিকের জন্য বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, সম্পত্তির অধিকার, দত্তক গ্রহণ এবং পারিবারিক আইন সংক্রান্ত একক আইন কার্যকর হবে।

    কী রয়েছে সম্ভাব্য ইউসিসি বিলে? (West Bengal)

    বিজেপি সূত্রে খবর, সম্প্রতি বিধানসভার বিজনেস অ্যাডভাইজরি কমিটি (BAC)-র বৈঠকে বিলটি পেশের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। শুভেন্দুর নেতৃত্বাধীন সরকার এই বিলকে তাদের অন্যতম বড় আদর্শগত পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছে। কী রয়েছে সম্ভাব্য ইউসিসি বিলে? যদিও বিলের চূড়ান্ত খসড়া এখনও প্রকাশ করা হয়নি, তবে সরকার ও দলীয় সূত্রে খবর, চারটি মূল বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সব ধর্মের মানুষের জন্য একই ন্যূনতম বৈধ বিয়ের বয়স নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি, ধর্ম নির্বিশেষে বিবাহের বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকারের মতে, এতে দাম্পত্য সম্পর্কের আইনি স্বীকৃতি নিশ্চিত হবে এবং ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা কমবে।

    বহুবিবাহে নিষেধাজ্ঞা

    প্রস্তাবিত বিলে বহুবিবাহ (Polygamy) সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা রয়েছে। বিজেপির দাবি, এই পদক্ষেপ আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিককে সমান মর্যাদা দেবে, এবং বিশেষ করে নারীদের আরও বেশি সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। উত্তরাধিকার, সম্পত্তির মালিকানা ও সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে সব ধর্মের নারীর সমান আইনি অধিকার দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। সরকারের দাবি, বিভিন্ন ব্যক্তিগত আইনের কারণে যে বৈষম্য তৈরি হয়, এই বিল তা দূর করতে সাহায্য করবে।

    লিভ-ইন সম্পর্কের বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন

    সবচেয়ে আলোচিত প্রস্তাবগুলির মধ্যে রয়েছে লিভ-ইন সম্পর্কের বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন। শুধু সম্পর্ক শুরু নয়, সম্পর্ক শেষ হলেও তা নথিভুক্ত করতে হতে পারে। সরকারের মতে, এতে ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাবকত্ব, উত্তরাধিকার বা ডিভোর্সের মতো মামলায় আইনি স্বচ্ছতা আসবে (West Bengal)। বর্তমানে বিভিন্ন ধর্মের জন্য আলাদা বিবাহবিচ্ছেদ আইন রয়েছে। নতুন বিলে ধর্মভিত্তিক নিয়মের পরিবর্তে সবার জন্য একক ডিভোর্স আইন চালুর প্রস্তাব রয়েছে, যাতে স্বামী-স্ত্রী উভয়েই সমান আইনি অধিকার পান (UCC Bill)।

    এই বিলের প্রয়োজনীয়তা

    পশ্চিমবঙ্গের মালদা, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুর-সহ একাধিক জেলায় উল্লেখযোগ্যভাবে বসবাস করেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন। তাই ব্যক্তিগত আইন সম্পর্কিত এই বিল রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই ধারণা সংশ্লিষ্টমহলের। সরকারের দাবি, এই আইন ধর্মকে লক্ষ্য করে নয়, বরং আইনের সমতা ও প্রশাসনিক একরূপতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির মতে, বিভিন্ন ধর্মের জন্য আলাদা ব্যক্তিগত আইন থাকায় নাগরিকদের মধ্যে আইনি বৈষম্য তৈরি হয়। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর হলে সংবিধানের সমতার নীতি আরও শক্তিশালী হবে। দলের দাবি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশের মহিলারাও এই আইনের পক্ষে সহমত প্রকাশ করেছেন, কারণ এতে বিবাহ, সম্পত্তি ও বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে তাঁদের আইনি অধিকার আরও সুদৃঢ় হবে। যদিও এই দাবির সত্যতা আলাদা করে যাচাই করা হয়নি।

    কী বলছেন সমালোচকরা

    সমালোচকদের মতে, ব্যক্তিগত আইন বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত। তাই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার আগে সব সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা এবং মতামত নেওয়া জরুরি। তাঁদের আশঙ্কা, এই আইন ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রশ্নে জন্ম দিতে পারে নয়া বিতর্কের (West Bengal)।

    জাতীয় প্রেক্ষাপট

    পশ্চিমবঙ্গ প্রথম নয়, এর আগে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করেছে উত্তরাখণ্ডের সরকার। অসম, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাট-সহ একাধিক বিজেপি-শাসিত রাজ্যও এই একই ধরনের আইন আনার উদ্যোগ নিয়েছে (UCC Bill)। সোমবার বিধানসভায় বিলটি পেশ হওয়ার পর তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। এরপর সংশোধনী ও ভোটাভুটির মাধ্যমে বিলের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বিল শুধু আইনগত নয়, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি, সামাজিক কাঠামো এবং ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে (West Bengal)।

     

  • Hindus Under Attack: ভারতজুড়ে অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, বাংলাদেশি হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    Hindus Under Attack: ভারতজুড়ে অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, বাংলাদেশি হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, ধর্মীয় স্থাপনায় চুরি এবং বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week)। ২১ জুন থেকে ২৭ জুন, ২০২৬ পর্যন্ত  সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার (Hindus Under Attack)

    কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনীর (CISF) এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে বিধাননগর পুলিশ। অভিযোগ, তিনি এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ, সেই দৃশ্য মোবাইলবন্দি করা এবং ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করে দীর্ঘদিন যৌন নির্যাতন করেছেন।  অভিযুক্তের নাম মহম্মদ পারুল আহমেদ। তিনি অসমের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে।তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লি জেলার নান্নিমঙ্গলম গ্রামের প্রায় এক হাজার বছরের প্রাচীন মীনাক্ষী সুন্দরেশ্বরর মন্দির থেকে একটি ব্রোঞ্জের উৎসব বিগ্রহ চুরির ঘটনা সামনে এসেছে। মন্দিরের প্রধান ও অভ্যন্তরীণ কক্ষের তালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায় এবং প্রক্রিয়াবিহারীর বিগ্রহটিও নিখোঁজ বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    সাম্প্রদায়িক হিংসা মামলা

    কর্নাটকে আলন্দ সাম্প্রদায়িক হিংসা মামলায় প্রায় ৪৫০ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা মন্ত্রিসভার সাবকমিটির বিবেচনার জন্য পাঠানোর সুপারিশ করে রাজ্যের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গের একটি চিঠিকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। বিরোধী দল এবং বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ভিন্ন ব্যাখ্যাও প্রকাশ্যে এসেছে (Roundup Week)। দিল্লির যন্তর মন্তরে নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আয়োজিত এক বিক্ষোভে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের এক নেত্রীর বক্তব্য নিয়েও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, ওই সভায় পরীক্ষা সংক্রান্ত দাবির পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকভাবে বিতর্কিত মন্তব্য এবং স্লোগান দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

    ব্ল্যাক ম্যাজিক বিরোধী আইনে মামলা

    মহারাষ্ট্রের পুনেতে কেনেথ সিলওয়ে মিনিস্ট্রিজের প্রধান পাস্টর কেনেথ সিলওয়ের বিরুদ্ধে ব্ল্যাক ম্যাজিক বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেছে কন্ডওয়া পুলিশ। অভিযোগ, তিনি প্রার্থনার মাধ্যমে ক্যানসার-সহ গুরুতর রোগ অলৌকিকভাবে নিরাময়ের দাবি করেছিলেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অযোধ্যার রাম মন্দিরকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য নাশকতার ছক নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও কর্নাটক পুলিশ। যৌথ অভিযানে কর্নাটকের দাভানাগেরে জেলা থেকে উত্তরপ্রদেশের বছর কুড়ির এক তরুণকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি পরিচয় গোপন করে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন (Hindus Under Attack)। গুজরাটের রাজকোটে বছর একুশের নন্দিনী আনন্দভাই বসামিয়ার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় নয়া মোড়। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করলেও, মৃতার পরিবারের অভিযোগ এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, এবং ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করছে পুলিশ।

    বাংলাদেশের ছবি

    এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও পর্যবেক্ষকদের মতে, মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন, নারী নির্যাতন ও ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক ঘটনার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই উঠে আসছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের বৃহত্তম ভগবান শ্রী রামের মূর্তি ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে (Hindus Under Attack)। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ধর্মীয় বিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধ কেবল প্রত্যক্ষ হামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিভিন্ন দেশে (Roundup Week) সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্তরেও বৈষম্যের অভিযোগ ওঠে।

     

  • Muharram Procession: মুম্বইয়ে মহরমের শোভাযাত্রায় বিষ মেশানো ক্যাপসুল বিলি, গ্রেফতার যুবক

    Muharram Procession: মুম্বইয়ে মহরমের শোভাযাত্রায় বিষ মেশানো ক্যাপসুল বিলি, গ্রেফতার যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে মহরমের আশুরা শোভাযাত্রায় (Muharram Procession) হাজার হাজার মানুষের মধ্যে বিষ মেশানো ক্যাপসুল বিলির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশি তৎপরতায় বড়সড় প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গিয়েছে (Poisonous Tablets) বলে দাবি তদন্তকারীদের।

    বিষ মেশানো ক্যাপসুল বিলি (Muharram Procession)

    অভিযুক্তের নাম ফৈয়াজ প্রেমজি। শুক্রবার বাইকুল্লা এলাকার রেহমতাবাদ কবরস্থানের কাছে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ওষুধ বিলি করছিলেন বলে অভিযোগ। তিনি নিজেকে ওষুধ বিতরণকারী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। ওই ক্যাপসুলকে কখনও ‘ব্যথার ওষুধ’, আবার কখনও ‘ইমিউনিটি বুস্টার’ বলে দাবিও করছিলেন তিনি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত ১১ জন ওই ক্যাপসুল খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের বমি, পেটব্যথা-সহ একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করায় আপাতত সকলেই বিপন্মুক্ত।তদন্তে জানা গিয়েছে, ক্যাপসুলগুলির মধ্যে মেশানো ছিল জিঙ্ক ফসফাইড (Zinc Phosphide), যা সাধারণত ইঁদুর মারার বিষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মুম্বই পুলিশের ডেপুটি কমিশনার জয়ন্ত মীনা জানান, অভিযুক্তের কাছে এই ধরনের রাসায়নিক রাখার বা বিলি করার কোনও অনুমতি ছিল না। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১৪,৯০০টি ক্যাপসুল উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এর আগেই প্রচুর ক্যাপসুল মানুষের মধ্যে বিলি করা হয়েছিল। এছাড়াও, অভিযুক্ত ৩০ হাজার খালি ক্যাপসুল এবং প্রায় ৫০ কেজি ফসফরাস অর্ডার করেছিলেন বলেও দাবি পুলিশের।

    অপরাধ কবুল অভিযুক্তের!

    এই ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিন মহিলা স্বেচ্ছাসেবী। তাঁদের মধ্যে একজন অভিযুক্তের সন্দেহজনক আচরণ লক্ষ্য করে তাঁকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। পরে লাউডস্পিকারে মানুষকে ওই ক্যাপসুল না খেতে সতর্ক করে দেন। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্ত কবুল করেছে, তার উদ্দেশ্য ছিল শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া হাজার হাজার মানুষের মধ্যে বিষপ্রয়োগ করা। অসমর্থিত সূত্রের খবর (Muharram Procession), অভিযুক্ত বলেছে, “আমি অন্তত ১৫ হাজার মানুষকে হত্যা করতে চেয়েছিলাম।” জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত বিবিএ (BBA) স্নাতক। তদন্তে তাঁর ইরান ও ইরাক সফরের তথ্যও সামনে এসেছে। ঘটনার পেছনে কোনও জঙ্গি যোগ বা বড়সড় ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    জিঙ্ক ফসফাইড কতটা বিপজ্জনক?

    অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ১২৩ ধারায় বিষ প্রয়োগ করে ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে অপরাধের মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত তাঁকে দু’দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জিঙ্ক ফসফাইড অত্যন্ত বিষাক্ত রাসায়নিক। এটি শরীরে প্রবেশ করার পর পাকস্থলীর অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ফসফিন গ্যাস তৈরি করে, যা হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার, কিডনি এবং মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। এই (Poisonous Tablets) বিষের কোনও নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। তাই আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়াই একমাত্র উপায় (Muharram Procession)।

  • PM Modi: সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু প্রধানমন্ত্রীর, নিজে হাতে খাওয়ালেন ‘জোনাথন’কে

    PM Modi: সেশেলসে রাষ্ট্রীয় সফর শুরু প্রধানমন্ত্রীর, নিজে হাতে খাওয়ালেন ‘জোনাথন’কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শনিবার সেশেলসে পৌঁছেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেশেলসের (Seychelles) প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে রাজধানী ভিক্টোরিয়ার ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেন পরিদর্শন করেন তিনি।

    ‘জোনাথন’কে খাওয়ালেন নিজে হাতে (PM Modi)

    সেখানে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের প্রবীণতম জীবিত স্থলচরপ্রাণী হিসেবে স্বীকৃত ১৯৪ বছর বয়সী বিশালাকার কচ্ছপ ‘জোনাথন’-সহ একাধিক দৈত্যাকার কচ্ছপকে নিজের হাতে খাবার খাওয়ান। এই মুহূর্তের ছবি এবং ভিডিও ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বোটানিক্যাল গার্ডেন সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রেসিডেন্ট হারমিনি একটি স্মারক চারা গাছও রোপণ করেন। উদ্যানের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে সেখানকার বিরল উদ্ভিদ ও প্রাণিজগত সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। শনিবার বিকেলে সেশেলসের রাজধানী ভিক্টোরিয়ায় পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। দ্বীপরাষ্ট্রটির স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭৬ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছিল সেশেলস। ভারত-সেশেলসের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্কের নিদর্শন হিসেবে প্রেসিডেন্ট হারমিনি নিজে মন্ত্রিসভার সদস্য ও শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানান (PM Modi)।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বিমানবন্দরে মোদির অভ্যর্থনায় ছিল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিশেষ আকর্ষণ ছিল গুজরাটের কচ্ছ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনা। এই সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার প্রশংসা করে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “অসাধারণ সাংস্কৃতিক যোগসূত্র! সেশেলস বিমানবন্দরে কচ্ছের নৃত্য পরিবেশিত হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের সংস্কৃতিকে যেভাবে প্রবাসী ভারতীয়রা সংরক্ষণ ও উদ্‌যাপন করছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।” উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য প্রবাসী ভারতীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন (Seychelles) প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “সেশেলসে পৌঁছেছি। বিমানবন্দরে প্রেসিডেন্ট ড. প্যাট্রিক হারমিনির আন্তরিক অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞ। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সেশেলস ভারতের এক গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক অংশীদার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নতুন (PM Modi) উচ্চতায় পৌঁছবে বলেই আশা করছি।” পরে প্রেসিডেন্ট হারমিনির সঙ্গে বোটানিক্যাল গার্ডেনে যাওয়ার পথে তোলা একটি (Seychelles) ছবি শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “প্রেসিডেন্ট ড. প্যাট্রিক হারমিনির সঙ্গে সেশেলস ন্যাশনাল বোটানিক্যাল গার্ডেনের পথে (PM Modi)।”

     

  • Pakistan: শোয়েব আখতারের ভাইয়ের জানাজায় লস্কর জঙ্গিদের উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক

    Pakistan: শোয়েব আখতারের ভাইয়ের জানাজায় লস্কর জঙ্গিদের উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) জঙ্গি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির প্রভাব এবং তাদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক মহলে (Terror Network Connections) নানা অভিযোগ রয়েছে। এবার পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকা পেসার শোয়েব আখতারের (Shoaib Akhtar) পরিবারের একটি শোকানুষ্ঠান ঘিরে নতুন করে উসকে দিয়েছে সেই বিতর্ক। শোয়েবের বড় ভাই শাহিদ আখতারের (Shahid Akhtar) জানাজায় লস্কর-ই-তৈবার (LeT)-র একাধিক শীর্ষ নেতার উপস্থিতির ভিডিও এবং ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে জোরদার চর্চা।

    শোয়েব আখতারের ভাইয়ের মৃত্যু

    গত ২৪ জুন শাহিদ প্রয়াত হন। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর জানান শোয়েব। তিনি “Returned to Allah” লিখে শোকপ্রকাশ করেন এবং জানাজার সময় এবং জায়গা সম্পর্কেও তথ্য ভাগ করে নেন। ইসলামাবাদে আয়োজিত ওই জানাজায় বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

    জানাজায় লস্কর নেতারা!

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ভিডিও এবং ছবিতে দাবি করা হয়েছে, জানাজায় উপস্থিত ছিলেন লস্কর-ই-তৈবার (LeT) ডেপুটি প্রধান সইফুল্লাহ কাসুরি (Saifullah Kasuri)। সূত্রের দাবি, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও (Pahalgam) জঙ্গি হামলার অন্যতম মূল ষড়যন্ত্রী তিনি। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান মার্কাজি মুসলিম লিগ (Pakistan Markazi Muslim League)-এর সভাপতি ইনাম-উর-রহমান কাম্বোহ (Inam-ur-Rehman Kamboh)-কে-ও। উল্লেখ্য, পাকিস্তান মার্কাজি মুসলিম লিগকে লস্কর-ই-তৈবার রাজনৈতিক শাখা হিসেবে দেখা হয়। সংগঠনটি গঠিত হয় জামাত-উদ-দাওয়া (JuD) এবং মিল্লি মুসলিম লিগের (MML) ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পর। এই দুই সংগঠনের সঙ্গেই রাষ্ট্রসঙ্ঘ ঘোষিত জঙ্গি হাফিজ সইদের (Hafiz Saeed) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ। ভিডিওতে আরও যাঁদের উপস্থিতির দাবি করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন লস্করের ডেপুটি জেনারেল সেক্রেটারি আবদুল্লাহ তুর (Abdullah Toor), PMML-এর জোনাল জেনারেল সেক্রেটারি হাফিজ উমর (Hafiz Umar) এবং খিদমত কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ ভাট্টি (Amjad Bhatti)।

    পহেলগাঁও হামলার প্রসঙ্গ

    ভারতের দাবি মতো, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল (Pakistan) জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে সংঘটিত জঙ্গি হামলায় ২৫ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছিল। হামলার দায় কবুল করেছিল ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (The Resistance Front বা TRF), যাকে ভারত লস্কর-ই-তৈবার প্রক্সি সংগঠন হিসেবেই চিহ্নিত করে। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির অভিযোগ, সইফুল্লাহ কাসুরি এই (Terror Network Connections) হামলার অন্যতম মূল চক্রী। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাক সরকার।

    নতুন করে উঠছে প্রশ্ন

    জানাজায় লস্কর নেতাদের প্রকাশ্য উপস্থিতির ভিডিও সামনে আসার পর পাকিস্তানে জঙ্গি সংগঠনগুলির কার্যকলাপ এবং তাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে উঠছে মেলা প্রশ্ন। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, এই ধরনের ঘটনা পাকিস্তানে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনগুলির প্রভাব এবং তাদের স্বাধীনভাবে সক্রিয় থাকার বিষয়টিকেই সামনে তুলে ধরছে। এদিকে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া আর একটি ভিডিওয় সইফুল্লাহ কাসুরিকে দাবি করতে শোনা যায়, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী তাঁকে বিভিন্ন সরকারি বৈঠক ও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানায় এবং সেনা সদস্যদের জানাজায় ইমামতি করার অনুরোধও করে। তবে এই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভারত দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে যে, পাকিস্তানের মাটিতে একাধিক জঙ্গি সংগঠন নিরাপদ আশ্রয় ও কার্যকলাপের সুযোগ পেয়ে থাকে। পাকিস্তান অবশ্য (Terror Network Connections) বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, তারা সব (Pakistan) ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরোধী এবং জঙ্গি সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে।

     

  • Ram Mandir: রামমন্দিরে দানসামগ্রী আত্মসাত করার অভিযোগে গ্রেফতার ৮, পাঠানো হল হেফাজতে

    Ram Mandir: রামমন্দিরে দানসামগ্রী আত্মসাত করার অভিযোগে গ্রেফতার ৮, পাঠানো হল হেফাজতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রামমন্দিরে (Ram Mandir) ভক্তদের দান আত্মসাত করার অভিযোগে চলা তদন্তে (Donation Embezzlement Case) বড় পদক্ষেপ উত্তরপ্রদেশ পুলিশের। শুক্রবার সকালে এই মামলায় এফআইআরে নাম থাকা আট অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতেরা হলেন অবিনাশ শুক্লা, অনুকল্প মিশ্র, লবকুশ মিশ্র, মনীশ কুমার যাদব, করুণেশ পান্ডে, রামশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব এবং রামশঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নু যাদব। আদালত বন্ধ থাকায় তাঁদের সোমবার পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। ওই দিনই দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের বিশেষ আদালতে তোলা হবে তাঁদের।

    ভারতীয় ন্যায় সংহিতার যেসব ধারায় মামলা (Ram Mandir)

    পুলিশ ও প্রসিকিউশনের দাবি, সুভাষ ছাড়া বাকি সাত অভিযুক্তের কাছ থেকে মোট ৭৯ লক্ষ ৮৫ হাজার ৪৯৩ টাকা উদ্ধার হয়েছে। এঁরা সকলেই মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী গণনা, বাছাই এবং বান্ডিল তৈরির কাজে যুক্ত ছিলেন। উত্তরপ্রদেশ সরকারের নির্দেশে গঠিত তিন সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দলের (SIT) প্রাথমিক রিপোর্ট এবং শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের এক সদস্যের অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ৩০৬, ৩১৬(৫), ৩১৭(৪), ৩১৭(৫), ৬১ ও ৩(৫) ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়।এদিকে, তদন্তের মধ্যেই নৈতিক দায় স্বীকার করে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই এবং ট্রাস্টি অনিল মিশ্র পদত্যাগ করেছেন। যদিও তাঁদের কারও নাম এফআইআরে নেই। প্রথমে চম্পত দান চুরির অভিযোগ অস্বীকার করলেও, পরে সিটের তদন্তকে স্বাগত জানান তিনি। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় তাঁদের।

    ৫০ কোটিরও বেশি টাকার সম্পত্তি অটোচালকের!

    ধৃতদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিন্নু। একসময় তিনি অযোধ্যায় অটোরিকশা চালাতেন। পরে বিশ্ব হিন্দু পরিষদে (VHP) যোগ দিয়ে চম্পতের ব্যক্তিগত চালক হন এবং করসেবকপুরমের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, মন্দিরের দানবাক্সের চাবি তাঁর কাছেই থাকত এবং দানের নিরাপত্তা, গণনা ও ব্যাঙ্কে পৌঁছে দেওয়ার পুরো ব্যবস্থার ওপর তাঁর ব্যাপক প্রভাব ছিল। অভিযোগ, নগদ অর্থ, সোনা, রুপো ও হিরের অলঙ্কার আত্মসাৎ করে তিনি ৫০ কোটিরও বেশি টাকার সম্পত্তি করেছেন। যদিও টিন্নুর দাবি, তিনি দান পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, এবং ২০০৮ সালেই অটো চালিয়ে উপার্জিত অর্থে (Ram Mandir) ওই সম্পত্তি কিনেছিলেন। টিন্নুর ভাইপো মনীশও দান গণনার কাজে যুক্ত ছিলেন। তাঁর বাড়ি থেকেও চুরি হওয়া অর্থ উদ্ধার হয়েছে। রামশঙ্কর মিশ্র ওরফে রবি দীর্ঘদিন ধরে দান আত্মসাতের চক্রে সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি নিয়ম ভেঙে আর্থিক প্রক্রিয়া পরিচালনা করতেন এবং তাঁর ছেলে অনুকল্প এবং জামাই লবকুশ মিশ্রকেও এই কাজে যুক্ত করেন। সিসিটিভি ফুটেজে তাঁকে নগদ অর্থ বাছাই করতে দেখা গিয়েছে (Donation Embezzlement Case)।

    উদ্ধার লাখ লাখ টাকা

    অনুকল্প রামশঙ্করের ছেলে এবং ট্রাস্টি অনিল মিশ্রের আত্মীয়। তিনি অযোধ্যার মিল্কিপুর এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাড়ি থেকেও নগদ অর্থ উদ্ধার হয়েছে। লবকুশও দানসামগ্রী গণনার কাজে যুক্ত ছিলেন। তদন্তে দাবি, অনুকল্পের সঙ্গে মিলে তিনি অর্থ আত্মসাতে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন। সিসিটিভিতে তাঁর কর্মকাণ্ড ধরা পড়েছে এবং তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১২ লাখ টাকা। মন্দিরের পরিচারক হিসেবে দানের নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী গণনার দলে ছিলেন অবিনাশ। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে উদ্ধার হয়েছে ৫ লাখ টাকা। প্রাক্তন ব্যাঙ্ককর্মী সুভাষ পুরো নগদ গণনা ব্যবস্থার তদারকির দায়িত্বে ছিলেন। এদিকে, করুণেশের বিরুদ্ধে দানের আর্থিক নথিতে কারচুপি করার অভিযোগ উঠেছে। আট অভিযুক্তের মধ্যে পাঁচজনের সরাসরি যোগ রয়েছে ট্রাস্টের সদ্য পদত্যাগী দুই পদাধিকারীর সঙ্গে। টিন্নু ছিলেন চম্পতের চালক এবং মনীশ তাঁর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। আবার, রামশঙ্কর, তাঁর ছেলে অনুকল্প এবং জামাই লবকুশ ট্রাস্টি অনিলের সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত (Ram Mandir)।

    কী বলছে সিসিটিভির ফুটেজ?

    তদন্তে জানা গিয়েছে, দানবাক্সে জমা পড়া অর্থ এবং ব্যাঙ্কে জমা হওয়া অর্থের মধ্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ার পর মন্দির কর্তৃপক্ষ গোপন ক্যামেরা বসায় (Donation Embezzlement Case)। সেই ফুটেজে দেখা যায়, অভিযুক্তরা সিসিটিভির সামনে দাঁড়িয়েই গোপনে কিছু টাকা পকেটে পুরে ফেলছেন। কখনও বান্ডিলে অতিরিক্ত নোট ঢুকিয়ে পরে ব্যাঙ্কে যাওয়ার পথে সেই নোট বের করে নেওয়া হত। নগদের পাশাপাশি ভক্তদের দেওয়া কিছু গয়নাও আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তবে মন্দিরে দান করা (Donation Embezzlement Case) ২০০ কেজি রুপো চুরির দাবি তদন্তে ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে (Ram Mandir)।

     

  • Canadian CSIS: কনিষ্কে বিস্ফোরক বসিয়েছিল কানাডাভিত্তিক খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা, কবুল করল কানাডা

    Canadian CSIS: কনিষ্কে বিস্ফোরক বসিয়েছিল কানাডাভিত্তিক খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা, কবুল করল কানাডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার গোয়েন্দা সংস্থা কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (Canadian CSIS) প্রথমবারের মতো কবুল করল যে, ১৯৮৫ সালের ২৩ জুন এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৮২ (কনিষ্ক)-এ বিস্ফোরক বসিয়েছিল কানাডাভিত্তিক খালিস্তানপন্থী (Khalistani) জঙ্গিরা। হামলার ৪০তম বর্ষপূর্তিতে জারি করা এক স্মারক বার্তায় সংস্থাটি জানিয়েছে, সেদিন বিমানটিতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে ৩২৯ জন যাত্রী সবাই নিহত হন, যাঁদের অধিকাংশই ছিলেন কানাডার নাগরিক। এটি এখনও পর্যন্ত কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা।

    ভারতের দাবিতে মান্যতা (Canadian CSIS) 

    সিএসআইএস জানিয়েছে, হামলার সময় সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার এক বছরেরও কম সময় পেরিয়েছিল এবং এই মর্মান্তিক ঘটনা তাদের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল। গত চার দশক ধরে রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও মতাদর্শগত হিংসা থেকে কানাডাবাসীকে সুরক্ষিত রাখার প্রতিশ্রুতিও জানিয়ে দিয়েছে সংস্থাটি। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এতদিন কানাডা সরকার বা সরকারি স্মরণবার্তায় খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হত না। তবে ভারত দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছিল, এটি ছিল খালিস্তানি জঙ্গিদের সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। সম্প্রতি কানাডার গোয়েন্দা সংস্থার বার্তায় সেই অবস্থানেই কার্যত সিলমোহর পড়ল।

    খালিস্তানপন্থী উগ্রপন্থীই বড় হুমকি

    এদিকে, সাম্প্রতিক এক নিরাপত্তা মূল্যায়ন প্রতিবেদনে কানাডাভিত্তিক খালিস্তানপন্থী উগ্রপন্থী সংগঠনগুলিকেও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব সংগঠন কানাডার মাটি ব্যবহার করে সহিংস জঙ্গি কার্যকলাপের প্রচার, অর্থ সংগ্রহ এবং হামলার পরিকল্পনা চালিয়ে যাচ্ছে (Canadian CSIS)। খালিস্তান ইস্যু দীর্ঘদিন ধরেই ভারত-কানাডা সম্পর্কের অন্যতম বিতর্কিত বিষয়। বিশেষ করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমলে এই বিরোধ তীব্র হয়, যখন তিনি খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের বিরুদ্ধে ‘বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগে’র কথা বলেছিলেন। তবে তাঁর ক্ষমতাচ্যুতির পর কানাডার অবস্থানে পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে (Khalistani)। উল্লেখ্য, বাব্বর খালসা জঙ্গি সংগঠনকে এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৮২ বিস্ফোরণের জন্য দায়ী করা হয় এবং ২০০৫ সালে ২৩ জুনকে কানাডা জাতীয় সন্ত্রাসবাদে নিহতদের স্মরণ দিবস হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করে (Canadian CSIS)।

     

  • Bankim Chandra Chattopadhyay: ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে ‘বন্দে মাতরমে’র প্রভাব, জাতীয় চেতনার অমর পথপ্রদর্শক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    Bankim Chandra Chattopadhyay: ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে ‘বন্দে মাতরমে’র প্রভাব, জাতীয় চেতনার অমর পথপ্রদর্শক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসংখ্য আত্মত্যাগ, সংগ্রাম এবং প্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্বের অবদানে সমৃদ্ধ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস। সেই সব মহাপুরুষদের মধ্যে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অনন্য। তাঁর অমর সৃষ্টি ‘বন্দে মাতরম’ শুধু একটি গান নয়, বরং স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম শক্তিশালী মন্ত্রে পরিণত হয়েছিল। সশস্ত্র বিপ্লবী থেকে শুরু করে অহিংস জাতীয় আন্দোলনের কর্মী—সবার কণ্ঠেই ধ্বনিত হয়েছে এই গান, যা ভারতবাসীর মধ্যে দেশপ্রেম, আত্মমর্যাদা এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে নতুন করে শক্তি জুগিয়েছিল।

    বঙ্কিমচন্দ্রের দেশপ্রেম (Bankim Chandra Chattopadhyay)

    ১৮৩৮ সালের ২৭ জুন (কিছু ঐতিহাসিক সূত্রে অবশ্য ২৬ জুন উল্লেখ রয়েছে) বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটির কাঁঠালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন বঙ্কিমচন্দ্র। তাঁর পিতা যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন সমৃদ্ধ ও সংস্কৃতিমনস্ক পরিবারের সদস্য। মা দুর্গাদেবী ছিলেন ভারতীয় ঐতিহ্য ও মূল্যবোধে গভীরভাবে আস্থাশীল। শৈশব থেকেই বঙ্কিমচন্দ্রের মনে রোপিত হয় দেশপ্রেম, আত্মসম্মান ও সাংস্কৃতিক চেতনার বীজ। প্রথমে হুগলি কলেজ এবং পরে প্রেসিডেন্সি কলেজে শিক্ষালাভ করেন বঙ্কিমচন্দ্র। ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের সময় তিনি স্নাতক স্তরের ছাত্র ছিলেন। ব্রিটিশদের নির্মম দমননীতি এবং গণহত্যার খবর তাঁকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছিল। বিদ্রোহের কারণ ও ব্যর্থতার পেছনের বাস্তবতা তিনি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করেছিলেন। একই বছরে তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রথম ভারতীয় স্নাতক হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেন এবং ব্রিটিশ সরকারের অধীনে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পদে যোগ দেন। পরে বঙ্গ সরকারের সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৮৬৯ সালে আইনশাস্ত্রে উত্তীর্ণ হওয়ার পর তিনি সরকারি চাকরি ছেড়ে সমাজের বৌদ্ধিক ও সাংস্কৃতিক জাগরণে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিবেদিত করেন।

    ‘বঙ্গদর্শন’

    ভারতের গৌরবময় অতীত এবং ঔপনিবেশিক শাসনের কাছে অনেক ভারতীয়ের আত্মসমর্পণের মানসিকতা তাঁকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছিল। তাই সাহিত্যকে তিনি জাতীয় চেতনা জাগরণের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা ‘Rajmohan’s Wife’ ইংরেজিতে লেখা হলেও, সেখানে ঔপনিবেশিক সমাজের বাস্তব চিত্র উঠে আসে। ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ ভারতীয় সভ্যতার অন্তর্নিহিত শক্তিকে তুলে ধরে পাঠকদের নতুনভাবে প্রাণিত করে। এরপর প্রকাশিত হয় ‘কপালকুণ্ডলা’। ১৮৭২ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন প্রভাবশালী মাসিক পত্রিকা ‘বঙ্গদর্শন’, যা দ্রুতই জাতীয়তাবাদী সাংবাদিকতার এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়। ‘বঙ্গদর্শনে’ নিয়মিতভাবে বাংলার গৌরবময় ইতিহাস ও ভারতের প্রাচীন সভ্যতা নিয়ে প্রবন্ধ প্রকাশিত হত। এখানেই ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় ‘বিষবৃক্ষ’, যেখানে সমাজের দুর্বলতা ও সংকীর্ণতার প্রতীকী বিশ্লেষণ করা হয়। একইভাবে ‘কৃষ্ণকান্তের উইলে’ ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গও ফুটে ওঠে।

    কালজয়ী সঙ্গীত ‘বন্দে মাতরম’

    ১৮৭৬ সালের ৭ নভেম্বর কাঁঠালপাড়ায় তিনি রচনা করেন কালজয়ী সঙ্গীত ‘বন্দে মাতরম’। ১৮৮২ সালে প্রকাশিত তাঁর শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ‘আনন্দমঠে’ গানটি অন্তর্ভুক্ত হয়। ‘বন্দে মাতরমে’র প্রথম দু’টি স্তবক সংস্কৃত ভাষায় এবং পরবর্তী অংশ বাংলা ভাষায় রচিত। শ্রীঅরবিন্দ এই গানের প্রথম ইংরেজি অনুবাদ করেন। সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত ‘আনন্দমঠ’ শুধু একটি সাহিত্যকর্ম নয়, বরং জাতীয়তাবাদ, আত্মত্যাগ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক হয়ে ওঠে। প্রকাশের পর থেকেই ‘বন্দে মাতরম’ দেশজুড়ে জনসভা, আন্দোলন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রধান স্লোগানে পরিণত হয়।

    বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের প্রভাব

    বঙ্কিমচন্দ্রের শেষ উপন্যাস ‘সীতারামে’ (১৮৮৬) মধ্যযুগীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চিত্র ফুটে ওঠে। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘মৃণালিনী’, ‘ইন্দিরা’, ‘রাধারাণী’, ‘দেবী চৌধুরাণী’, ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ এবং ‘মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত’। ধর্ম, সমাজ, রাজনীতি ও সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে তিনি অসংখ্য প্রবন্ধ এবং কবিতাও লিখেছিলেন। তাঁর সাহিত্যকর্ম ভারতের প্রাচীন সংস্কৃতি, আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার মূল্যবোধকে নতুনভাবে তুলে ধরে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। ‘কৃষ্ণচরিত্র’ গ্রন্থে তিনি আদর্শ সমাজ গঠনের নৈতিক ভিত্তি ব্যাখ্যা করেন। ‘ধর্মশাস্ত্রে’ দেশপ্রেমকে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে স্থান দেন। ‘লোক রহস্যে’  পরনির্ভরশীল রাজনীতির সমালোচনা করে আত্মনির্ভরতার আহ্বান জানান। ‘আমার দুর্গোৎসবে’ বিধবা বিবাহ, নারীর স্বাধীনতা এবং অন্ধ পাশ্চাত্য অনুকরণের বিরোধিতা করেন। তাঁর মতে, মাতৃভূমি কেবল একটি ভূখণ্ড নয়, বরং পূজার যোগ্য এক জীবন্ত জননী।

    হিন্দু সমাজের সমালোচনা

    হিন্দু সমাজের সাংস্কৃতিক বিভ্রান্তি নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর বিখ্যাত মন্তব্য—“হিন্দু সমাজ কুমারসম্ভব ছেড়ে সুইনবার্ন পড়ে, ভগবদ্গীতা ছেড়ে মিল পড়ে, আর ওড়িশার পাথরের ভাস্কর্য উপেক্ষা করে ইংরেজদের পোর্সেলিন পুতুলের প্রশংসা করে”—আজও সাংস্কৃতিক আত্মমর্যাদা ও বৌদ্ধিক স্বাধীনতার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। ১৮৯৪ সালের ৮ এপ্রিল প্রয়াত হন বঙ্কিমচন্দ্র। তাঁর মৃত্যু কেবল একটি জীবনের সমাপ্তি, যদিও তাঁর চিন্তা, সাহিত্য, আদর্শ এবং ‘বন্দে মাতরম’ আজও ভারতের জাতীয় চেতনা, সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ ও স্বাধীনতার ইতিহাসে চির অম্লান হয়ে রয়েছে।

     

LinkedIn
Share