Author: pranabjyoti

  • US Iran War: “উই গট হিম”, নিখোঁজ যুদ্ধবিমানের ক্রু-সদস্যকে উদ্ধারের পর মন্তব্য ট্রাম্পের

    US Iran War: “উই গট হিম”, নিখোঁজ যুদ্ধবিমানের ক্রু-সদস্যকে উদ্ধারের পর মন্তব্য ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উই গট হিম।” রবিবার এমনই মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (US Iran War)। “দুঃসাহসিক” অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে নিখোঁজ এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের এক ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ট্রাম্পের মতে, এই উদ্ধার সম্ভব হয়েছে, কারণ মার্কিন সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রে সজ্জিত ডজনখানেক বিমান মোতায়েন করেছিল (Donald Trump)। শুক্রবার ইরান একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান—দুই আসনের এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল—ভূপাতিত করে, যাতে একজন পাইলট এবং একজন অস্ত্রব্যবস্থা আধিকারিক ছিলেন। পাইলটকে উদ্ধার করা গেলেও, ওই আধিকারিক নিখোঁজ ছিলেন।

    ট্রাম্পের পোস্ট (US Iran War)

    নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে এক দীর্ঘ পোস্টে ট্রাম্প জানান, নিখোঁজ হওয়ার দুদিন পর ওই বিমানসেনাকে উদ্ধার করা হয়েছে। ওই পোস্টে তিনি লেখেন, “আমার নির্দেশে, মার্কিন সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী অস্ত্রে সজ্জিত ডজনখানেক বিমান পাঠায় তাঁকে উদ্ধার করতে। তিনি জখম হয়েছেন। তবে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।” আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শতাধিক বিশেষ অভিযান বাহিনীর সদস্য এই উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন। তাঁরা ইরানের গভীরে প্রবেশ করে বিমানসেনাকে উদ্ধার করে এবং তাঁকে নিরাপদে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে (US Iran War)।

    “অলৌকিক” অভিযান

    এই নাটকীয় অভিযানটি অন্ধকারে শুরু হয়ে দিনের আলোয় শেষ হয়, তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী পুরোপুরি এগোয়নি। মাঝপথে গোলাগুলি শুরু হয়, আর সেই সংঘর্ষের মধ্যেই মার্কিন বাহিনী ওই বিমানসেনাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, দুদিনব্যাপী এই অভিযানে শতাধিক বিশেষ বাহিনী অংশ নিয়েছিল। মার্কিন বিমানগুলি বোমা বর্ষণ ও গুলি চালিয়ে ইরানি বাহিনীকে দূরে রেখে দিয়েছিল (Donald Trump)। এই উদ্ধার অভিযানটিকে ট্রাম্প “অলৌকিক” আখ্যা দিয়েছেন। এটি ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা অঞ্চলের গভীরে, ক্ষেপণাস্ত্র ও রাডার হুমকির মধ্যে পরিচালিত হয়। এদিন মার্কিন বাহিনী ব্যবহার করেছিল এইচএইচ-৬০ ডাব্লু জলি গ্রিন ২ উদ্ধার হেলিকপ্টার, এ-১০ ওয়ারথগ আক্রমণ বিমান, এইচসি-১৩০ মাঝ-আকাশ ট্যাঙ্কার, এফ-৩৫ স্টেলথ যুদ্ধবিমান, বিশেষ বাহিনী, কমব্যাট সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ ইউনিট। এর মধ্যে জলি গ্রিন-২ কপ্টারটি এই অভিযানের প্রধান শক্তি হিসেবে পরিচিত। এটি আধুনিক সেন্সর, দীর্ঘ পাল্লা, এবং যুদ্ধক্ষেত্রে দ্রুত উদ্ধার সক্ষমতা নিয়ে তৈরি (US Iran War)।

    সিআইএর কৌশল

    এক্সিয়সের (Axios) তথ্য অনুযায়ী, পাইলটকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার করা হয়। তবে ওই সময় ইরান একটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারে আঘাত হানে, যার জেরে কিছু ক্রু সদস্য জখম হন। অস্ত্রব্যবস্থা আধিকারিককে খুঁজে পেতে এক দিনেরও বেশি সময় লাগে (Donald Trump)। জানা গিয়েছে, ওই আধিকারিককে খুঁজে পাওয়ার আগে সিআইএ একটি বিভ্রান্তিমূলক প্রচার চালায়। তারা জানিয়ে দেয়, ওই আধিকারিককে ইতিমধ্যেই খুঁজে পাওয়া গিয়েছে এবং স্থলপথে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সিআইএ উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁকে খুঁজে বের করেছে এবং তাঁর সঠিক অবস্থান হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের সঙ্গে শেয়ার করে। এরপর দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

    কেমন আছেন উদ্ধার হওয়া ক্রু সদস্য

    ট্রাম্প বলেন, “উদ্ধার হওয়া ক্রু সদস্য একজন অত্যন্ত সম্মানিত কর্নেল। তিনি এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ। এই সাহসী যোদ্ধা শত্রু এলাকার বিপজ্জনক পাহাড়ে ছিলেন, শত্রুরা তাঁকে খুঁজছিল, কিন্তু তিনি কখনও একা ছিলেন না। ২৪ ঘণ্টা তাঁর অবস্থান নজরদারিতে ছিল এবং তাকে উদ্ধারের পরিকল্পনা চলছিল (US Iran War)।” তিনি আরও জানান, শনিবার আর একজন পাইলটকেও উদ্ধার করা হয়েছে।  এটি প্রথমে গোপন রাখা হয়েছিল। ট্রাম্পের দাবি, ইতিহাসে প্রথমবার দুজন মার্কিন পাইলটকে শত্রু অঞ্চলের কোর এলাকা থেকে আলাদা আলাদাভাবে উদ্ধার করা হয়েছে। কোনও মার্কিন সেনা নিহত বা গুরুতর জখম হননি। এটি মার্কিন আকাশ আধিপত্যের প্রমাণ। এদিকে, ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিখোঁজ বিমানসেনাকে জীবিত ধরিয়ে দিলে প্রায় ৬৬,০০০ মার্কিন ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে (Donald Trump)।

    ইরানের রেভলিউশনারি গার্ডের দাবি, একটি মার্কিন অনুসন্ধান বিমান ধ্বংস করা হয়েছে, ইসফাহানের দক্ষিণে সি-১৩০ পরিবহণ বিমান ও দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ভূপাতিত হয়েছে, ধ্বংস করা হয়েছে একটি ইজরায়েলি ড্রোনও। তাদের আরও দাবি, উদ্ধার অভিযান ব্যর্থ হয়েছে এবং অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন (US Iran War)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একটি গণহত্যার রূপ নিচ্ছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ঘটছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে। অথচ এটি উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা (Roundup Week) পরিচালিত।

    খুন-জখম-রাহাজানি (Hindus Under Attack)

    খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack), মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছে, শিকার হচ্ছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষের। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ২৯ মার্চ থেকে ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ছবিটা। বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই এই প্রচেষ্টা।

    খবরে কর্নাটক

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। ফের বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। দিন কয়েক আগে তিনি প্রকাশ্যে বলেন, তিনি উগাদি এবং মহাশিবরাত্রির মতো পবিত্র হিন্দু উৎসবের দিনেও আমিষ খাবার খান। বিধানসভায় বাজেট আলোচনার জবাবে দেওয়া এই বক্তব্য শাসক দলের হিন্দু প্রথার প্রতি অবহেলার বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপাল থেকে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে।  সেখানে এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি ভুয়ো হিন্দু পরিচয়ে ইনস্টাগ্রামে তার সঙ্গে পরিচয় করে, তাকে ধর্ষণ করে, ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে। শুধু তা-ই নয়, পরে তাঁকে ধর্মান্তরিত হয়ে নমাজ আদায়ের জন্য চাপ দেয়। অভিযুক্ত শাদাব ‘আদিত্য’ নাম নিয়ে করে প্রতারণা করেছিল (Hindus Under Attack)।

    উদ্বেগজনক ঘটনা

    ধারওয়াড়ের মারাঠা কলোনিতে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে একজন ইসলামপন্থী জিম প্রশিক্ষক মোহাম্মদ সাবিরের বিরুদ্ধে হিন্দু মহিলাদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং বজরং দল কর্মীরা প্রতিবাদ হিসেবে জিমটি বন্ধ করে দেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে (Roundup Week)। উত্তরপ্রদেশের হাপুরে মেঘালয় থেকে আসা এক তরুণীর অভিযোগ, স্থানীয় এক মুসলিম যুবক তাকে ধর্ষণ করেছে, ব্ল্যাকমেল করেছে এবং অশ্লীল ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুনে জেলার মাঞ্চারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে একটি ঐতিহাসিক ‘বারাভ’ (ধাপ কূপ, যা স্থানীয়দের মতে পাণ্ডব যুগের এবং ১২শ শতকে পুনর্নির্মিত) তা ওয়াকফ বোর্ডের নথি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। চলছে পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশ থেকে ধীরে ধীরে মুছে ফেলার প্রয়াস (Roundup Week)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যবস্থাগত নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগ তুলে হামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণাসূচক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হিন্দুর দেহ

    চট্টগ্রামের বাঁশখালি উপজেলায় একটি মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় বছর পঞ্চাশের স্বপন দাসের মৃতদেহ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে মিলল তাঁর দেহ। তিনি পটিয়া উপজেলার পূর্ব ডেঙ্গা পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ২৭ মার্চ সকাল ১০টার দিকে নিখোঁজ হন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ২৮ মার্চ বিকেলে তাঁর দেহের হদিশ মেলে (Hindus Under Attack)। বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা চালিত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলি প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব রয়েছে, যা হিন্দুবিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধকে উৎসাহিত করে (Roundup Week)।

    এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি একটি উদাহরণ। আপাতদৃষ্টিতে এটি পরিবেশগত মনে হলেও, আদতে এটি বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় হিন্দু উৎসবগুলির ওপর একতরফা বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্তে (Hindus Under Attack)।

     

  • Rahul Gandhi: রাজনৈতিক বিরোধিতা ও জাতীয় ঐকমত্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা যায় কীভাবে? দোটানায় কংগ্রেস

    Rahul Gandhi: রাজনৈতিক বিরোধিতা ও জাতীয় ঐকমত্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা যায় কীভাবে? দোটানায় কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে ভারত। দেশের অভ্যন্তরে জঙ্গি-বিরোধী অভিযান থেকে শুরু করে (Modi Govt) পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মোকাবিলা করতে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেশকে। এমতাবস্থায় বিরোধী দল (Rahul Gandhi) কংগ্রেস এক অভ্যন্তরীণ দ্বিধার সম্মুখীন। রাজনৈতিক বিরোধিতা ও জাতীয় ঐকমত্যের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য রক্ষা করা যায়, নিরন্তর তা-ই ভেবে চলেছেন শতাব্দী-প্রাচীন দল কংগ্রেসের মাথারা।

    কংগ্রেসে ফাটল (Rahul Gandhi)

    ইরান-ইজরায়েল-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এবং দেশে জ্বালানি সরবরাহ সংক্রান্ত উদ্বেগের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি এই দ্বন্দ্বকে ফের একবার সামনে নিয়ে এসেছে। এই মুহূর্তটিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে শুধু কংগ্রেস সরকারের সমালোচনা নয়, বরং দলের অভ্যন্তর থেকেই উঠে আসা তীব্র মতপার্থক্য। এই বিভেদের কেন্দ্রে রয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিদেশনীতির কড়া সমালোচনা করেন। তবে এই সমালোচনার জবাব শুধু শাসকদলই দেয়নি, কংগ্রেসেরই বহু প্রবীণ নেতাও এর বিরোধিতা করেছেন।

    রাহুলের বেফাঁস মন্তব্য

    রাহুল মোদি সরকারের বিদেশনীতিকে “সমঝোতাপূর্ণ” এবং “ক্ষতিগ্রস্ত” বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি এহেন মন্তব্যটি করেন ইরান, ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের প্রেক্ষিতে। তিনি আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, দাবি তুলেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনির হত্যার ঘটনার নিন্দে করার। তবে এই অবস্থান দলের ভেতরেই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। প্রবীণ নেতা শশী থারুর সম্পূর্ণ ভিন্ন মত প্রকাশ করে বলেন, “ভারতের অবস্থান একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রনীতির উদাহরণ।” তাঁর বক্তব্যে কূটনীতির একটি সূক্ষ্ম ও বাস্তববাদী বোঝাপড়া ফুটে ওঠে, যেখানে বৈশ্বিক স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষা করাটা ভীষণভাবে জরুরি (Rahul Gandhi)।

    দ্বিধা বিভক্ত কংগ্রেস

    এই মতপার্থক্য শুধু কথার লড়াই নয়, এটি কংগ্রেসের ভেতরে দুটি আলাদা দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত—একটি রাজনৈতিক বিরোধিতার ভিত্তি, অন্যটি কৌশলগত বাস্তববাদ (Modi Govt)। থারুর একা নন। প্রবীণ নেতা আনন্দ শর্মা সরকারের কূটনৈতিক পদক্ষেপকে “পরিপক্ব ও দক্ষ” বলে প্রশংসা করেছেন। শুধু তা-ই নয়, আন্তর্জাতিক সঙ্কটকালে জাতীয় ঐক্যের ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, বিদেশনীতি দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত। কংগ্রেস নেতা মনীশ তেওয়ারিও বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি সামলাতে সরকার সম্ভবত সঠিক কাজই করছে।” বস্তুত, এটি বিরোধী শিবিরের এক নেতার বিরল স্বীকারোক্তি।

    দেশীয় ইস্যুতেও বিভাজন

    দেশীয় ইস্যুতেও বিভাজন দেখা গিয়েছে। এলপিজি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের ক্ষেত্রে কমল নাথ ঘাটতির দাবি নাকচ করে দেন, যা দলের বৃহত্তর অবস্থানের সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি বলেন, “সঙ্কটের একটি ধারণা কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হচ্ছে। এতে আদতে উপকৃত হচ্ছে বিজেপি। কারণ এটি শাসক বিজেপিকে রাজনৈতিক সুবিধা এনে দিচ্ছি।” রাহুলের দলের এই বিরোধিতা নতুন কিছু নয়। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পরে চালু হওয়া অপারেশন সিঁদুরের পরেও একই ছবি দেখা গিয়েছিল (Rahul Gandhi)। রাহুল সরকারের “রাজনৈতিক সদিচ্ছা” নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, কংগ্রেসেরই থারুর এবং তেওয়ারি প্রকাশ্যে অভিযানকে সমর্থন করেন, প্রশংসা করেন সেনাবাহিনীর। তাঁদের এই অবস্থানকে দলীয় সীমার বাইরে গিয়ে জাতীয় নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে (Modi Govt)।

    থারুর ও তেওয়ারির অন্তর্ভুক্তি

    সরকার যখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভারতের অবস্থান তুলে ধরতে সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল গঠন করে, সেখানে থারুর ও তেওয়ারির অন্তর্ভুক্তি কংগ্রেস নেতৃত্বকে অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে। তাঁদের দাবি, এ বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়নি। থারুরকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও লাতিন আমেরিকায় একটি প্রতিনিধিদলের প্রধান করা হলে এই অস্বস্তি আরও প্রকট হয় (Rahul Gandhi)। সংসদে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিতর্কেও থারুর এবং তেওয়ারিকে বক্তব্য রাখার সুযোগ না দেওয়াও কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের ইঙ্গিত বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান সংঘাত আবারও এই অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন সামনে নিয়ে এসেছে। ভারতের পরিমিত ও কৌশলী কূটনৈতিক অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলেও উচ্চ প্রশংসিত হয়েছে। আনন্দ জানান, এই নীতি ভারতকে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে সাহায্য করেছে। তিনি পারস্য (আধুনিক ইরান)-এর সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও জ্বালানি নিরাপত্তার গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন। (Rahul Gandhi)

    এলপিজি সংক্রান্ত মন্তব্য

    কমল নাথের এলপিজি সংক্রান্ত মন্তব্যও দেখায় যে দলের সব নেতা কেন্দ্রীয় অবস্থানের সঙ্গে একমত নন। এই পরিস্থিতিতে দলে রাহুলের নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও বড় প্রশ্ন উঠেছে। এটি আর কোনও বিচ্ছিন্ন মতভেদ নয়, বরং এমন একটি প্রবণতা, যেখানে অভিজ্ঞ নেতারা তাঁর অবস্থানের সঙ্গে নিঃশর্তভাবে একমত হতে অনিচ্ছুক, বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তা ও বিদেশনীতির ক্ষেত্রে। থারুর, আনন্দ, কমল নাথ ও তেওয়ারির মতো অভিজ্ঞ নেতাদের প্রকাশ্য মতবিরোধ কংগ্রেসের অভ্যন্তরে ঐকমত্যের কঙ্কালসার চেহারাটাই তুলে ধরে (Modi Govt)।ফলে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে কংগ্রেস যেন নিজেদের নেতৃত্বকেই যাচাই করছে। এতে দলের সমালোচনার বিশ্বাসযোগ্যতা ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে।

    বড় চ্যালেঞ্জ

    রাজনৈতিক যোগাযোগের দৃষ্টিকোণ থেকে এই অসঙ্গতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। একটি বিরোধী দলের শক্তি আসে সুসংহত ও পরিষ্কার বার্তা থেকে। কিন্তু যখন দলের প্রবীণ নেতারা ভিন্ন বা পরিমিত মতামত দেন, তখন দলের অবস্থান বিভক্ত হয়ে যায়। কংগ্রেসের এই সমস্যার কেন্দ্রে রয়েছে একটি মৌলিক প্রশ্ন। সেটি হল, জাতীয় স্বার্থকে ক্ষুণ্ণ না করে কীভাবে সরকারের সমালোচনা করা যায় (Rahul Gandhi)? থারুর ও শর্মার মতো নেতারা দ্বিদলীয় (bipartisan) দৃষ্টিভঙ্গির পক্ষে, যেখানে ধারাবাহিকতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে, রাহুলের অবস্থান বেশি আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক একটি কৌশলের প্রতিফলন, যা কখনও বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হতে পারে। কংগ্রেসের ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার—নেহরুর নিরপেক্ষ আন্দোলন থেকে নরসিমা রাওয়ের অর্থনৈতিক সংস্কার—এই প্রেক্ষাপটে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

    সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস

    বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রশ্ন ওঠে, দল কি তার কৌশলগত ঐতিহ্যকে আধুনিক ভূ-রাজনীতির সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারবে? অপারেশন সিঁদুর থেকে ইরানের সংঘাত—সব মিলিয়ে কংগ্রেস এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে এক সন্ধিক্ষণে (Modi Govt)। একদিকে আক্রমণাত্মক বিরোধিতা, অন্যদিকে অভিজ্ঞ নেতাদের সংযত ও বাস্তববাদী অবস্থানের ঘূর্ণিপাকেই ঘুরপাক খাচ্ছে কংগ্রেস (Rahul Gandhi)। এই মতপার্থক্য যদি গঠনমূলক আলোচনার রূপ নেয়, তবে তা ইতিবাচক হতে পারে। কিন্তু যদি এটি গভীর বিভাজনে পরিণত হয়, তবে তা কংগ্রেস ও ভারতের বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যতের ওপর বড় প্রভাব ফেলবে। বর্তমান সময়ে যখন ভূ-রাজনীতি ও দেশীয় রাজনীতি ক্রমশ জড়িয়ে যাচ্ছে, তখন সুসংহত ও বিশ্বাসযোগ্য অবস্থান উপস্থাপন করার ক্ষমতাই নির্ধারণ করবে কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ প্রাসঙ্গিকতা।

     

  • ISRO: মহাকাশচারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় লাদাখে মিশন চালুর ঘোষণা ইসরোর

    ISRO: মহাকাশচারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় লাদাখে মিশন চালুর ঘোষণা ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখে মিশন চালুর ঘোষণা ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর (ISRO)। এর লক্ষ্য হল উচ্চ-উচ্চতার পরিবেশে কাজ করা মহাকাশচারী (Astronauts) এবং গ্রাউন্ড টিমের শারীরবৃত্তীয়, মানসিক ও কার্যকরী গতিশীলতা পরীক্ষা করা। ক্রু-দের কর্মক্ষমতা ও মানব-সম্পর্কিত বিভিন্ন উপাদান নিয়ে সংগৃহীত বৈজ্ঞানিক তথ্য সরাসরি গগনযান প্রোগ্রাম এবং ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ মিশনে সাহায্য করবে।

    ‘মিশন মিত্র’ (ISRO)

    ‘মিশন মিত্র’ (Mission MITRA) নামে পরিচিত এই গবেষণাটি ৯ এপ্রিল পর্যন্ত লেহ শহরে প্রায় ৩,৫০০ মিটার উচ্চতায় পরিচালিত হবে। এখানে হাইপোক্সিয়া (অক্সিজেনের ঘাটতি), নিম্ন তাপমাত্রা এবং বিচ্ছিন্নতার মতো পরিবেশগত অবস্থা তৈরি করা হবে, যা মহাকাশ অভিযানের একটি প্রাকৃতিক অনুকরণ হিসেবে কাজ করবে। শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬-এ ইসরোর তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “এই গবেষণার লক্ষ্য হল ক্রু (গগনযাত্রী) এবং গ্রাউন্ড কন্ট্রোল টিমের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় এবং পরিবেশগত ও কার্যগত চাপের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা তৈরি করা।”

    প্রোটোকলের দায়িত্বে যারা

    প্রসঙ্গত, এই মিশনটি ইসরো এবং ইনস্টিটিউট অফ অ্যারোস্পেস মেডিসিন যৌথভাবে পরিকল্পনা করেছে, এবং বেঙ্গালুরু-ভিত্তিক স্টার্টআপ প্রোটোপ্ল্যানেটের পরিকাঠামো ব্যবস্থাপনা ও আনুষ্ঠানিক প্রোটোকলের দায়িত্বে রয়েছে (ISRO)। বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, “মানব মহাকাশ অভিযানের ক্ষেত্রে ক্রু-দের নিরাপত্তা এবং কর্মক্ষমতা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কার্যকর যোগাযোগ, চাপের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, মানসিক দৃঢ়তা বজায় রাখা এবং একে অপরকে সাহায্য করার ক্ষমতাই যে কোনও মিশনের সাফল্য ও নিরাপত্তা নির্ধারণ করে।” এতে আরও বলা হয়, “নিয়ন্ত্রিত কিন্তু বাস্তবসম্মত পরিবেশে পরিচালিত ‘অ্যানালগ মিশন’গুলির মাধ্যমে কঠিন পরিস্থিতিতে (Astronauts) ক্রু-রা কেমন (ISRO) পারফর্ম করেন, তা বোঝা যায়।”

     

  • Hina Baloch: “পাকিস্তানের বহু মানুষই নিজেদের যৌন পরিচয় লুকিয়ে রাখে”,  বিস্ফোরক দাবি পাকিস্তানের হিনা বালোচের

    Hina Baloch: “পাকিস্তানের বহু মানুষই নিজেদের যৌন পরিচয় লুকিয়ে রাখে”, বিস্ফোরক দাবি পাকিস্তানের হিনা বালোচের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) অনেক মানুষই সামাজিক চাপ, ধর্মীয় বিধিনিষেধ এবং পারিবারিক প্রত্যাশার কারণে নিজেদের যৌন পরিচয় লুকিয়ে রাখেন। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন পাকিস্তানের ট্রান্সজেন্ডার অধিকারকর্মী হিনা বালোচ (Hina Baloch)। তাঁর একটি ভাইরাল ভিডিও অনলাইনে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এই ভিডিওতে পাকিস্তানে যৌনতা নিয়ে সাহসী মন্তব্য করেছেন তিনি। ১ এপ্রিল ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বালোচ বলেন, “দেশের অনেক মানুষ সামাজিক চাপ, ধর্মীয় বিধিনিষেধ এবং পারিবারিক প্রত্যাশার কারণে নিজেদের যৌন পরিচয় লুকিয়ে রাখেন।”

    অর্ধেকেরও বেশি মানুষ সমকামী (Hina Baloch)

    ওই সাক্ষাৎকারে বালোচ এমন এক বাস্তবতার কথা তুলে ধরেন, যা মানুষ প্রকাশ্যে আলোচনা করতে চায় না। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় পাকিস্তানের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ আসলে সমকামী। তারা এটা প্রকাশ্যে বলতে চায় না, কিন্তু আমি মনে করি ৮০ শতাংশ মানুষ সমকামী এবং বাকি ২০ শতাংশ উভকামী।” তিনি এও বলেন, “যৌনতার দিক থেকে পাকিস্তানে কেউই পুরোপুরি ‘স্ট্রেইট’ নয় বলে আমি মনে করি (Pakistan)।” তাঁর মতে, অনেক মানুষ প্রতিক্রিয়ার ভয়ে নিজেদের পরিচয় দমন করে বা অস্বীকার করে। হিনা বলেন, “তারা এটা অস্বীকার করবে, ধর্মের কথা তুলবে, সংস্কৃতির কথা বলবে—কিন্তু এটা এক ওপেন-সিক্রেট বিষয়। পাকিস্তানে কেউই স্ট্রেইট নয়।”

    বালোচের নিজের মুখে ‘কিশোরী বেলা’র কথা

    বালোচ নিজের জীবনের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, বড় হওয়ার সময় তাঁর সবচেয়ে বড় চিন্তা ছিল না যৌনতা, বরং নিজের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা। বালোচ (Hina Baloch) বলেন, “আমি ভাবতাম কীভাবে লিপস্টিক লাগাবো, অথচ পরিবারের কাছে গালাগাল খাবো না। কীভাবে মহিলাদের মতো পোশাক পরব, গয়না পরব, আর মারধরের শিকার হব না?” বালোচ পাকিস্তানের খাওয়াজা সরা (ট্রান্সজেন্ডার) সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, সুযোগের অভাবে অনেককে ভিক্ষা, নাচ বা যৌনকর্মের মতো সীমিত ও প্রায়ই শোষণমূলক কাজে ঠেলে দেওয়া হয় (Hina Baloch)। এই সীমাবদ্ধতা অস্বীকার করে তিনি আন্দোলনের পথ বেছে নেন এবং সিন্ধ মুরাত মার্চের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হন। তিনি পাকিস্তানের ‘আওরাত মার্চ’-এও অংশ নেন এবং ট্রান্সজেন্ডার ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে সোচ্চার হন (Pakistan)।

    অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার বালোচ

    বালোচ আগে দাবি করেছিলেন যে, তাঁর আন্দোলনের কারণে তিনি হিংসার শিকার হন—প্রাইড পতাকা উত্তোলনের পর তাঁকে আক্রমণ করা হয়, এমনকি অপহরণ ও নির্যাতনেরও শিকার হন তিনি। এসব ঘটনার ফলে তাঁকে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ছাড়তে বাধ্য হতে হয় (Hina Baloch)। পরে তিনি চলে যান ব্রিটেনে। সেখানে তিনি এসওএএস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনে পড়াশোনা করেন, আবেদন করেন শরণার্থী মর্যাদার জন্য

     

  • CBSE: সংশোধিত পাঠ্যক্রম প্রকাশ সিবিএসইর, নয়া পরিবর্তন কী হল জানেন?

    CBSE: সংশোধিত পাঠ্যক্রম প্রকাশ সিবিএসইর, নয়া পরিবর্তন কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য সংশোধিত পাঠ্যক্রম প্রকাশ করল সিবিএসই (CBSE) বোর্ড। জাতীয় নীতির লক্ষ্যের সঙ্গে স্কুল শিক্ষাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতেই চালু করা হচ্ছে এই ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে (Three Language Rule)।

    উল্লেখযোগ্য সংস্কার (CBSE)

    সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সংস্কারের মধ্যে রয়েছে ধাপে ধাপে একটি বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা চালু করা। ২০৩১ সালের মধ্যে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার অংশ হয়ে উঠবে এটি। জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ অনুযায়ী, বহুভাষিকতা ও সাংস্কৃতিক সংহতি বাড়াতে তিন-ভাষা সূত্র প্রয়োগ করা হবে। নতুন পাঠক্রম কাঠামোর অধীনে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমানে যে দুটি ভাষা শেখানো হয়, তার পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা পড়াও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এটি মাধ্যমিক স্তরে পূর্ণাঙ্গ তিন-ভাষা ব্যবস্থার দিকে ধাপে ধাপে রূপান্তরের সূচনা। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা সাধারণত ইংরেজি ও একটি ভারতীয় ভাষা পড়ে। তৃতীয় ভাষা (R3) যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবনের শুরুতেই আরও বিস্তৃত ভাষাগত ভিত্তি লাভ করবে।

    তৃতীয় ভাষার পাঠ্যপুস্তক

    সিবিএসই আধিকরিকদের মতে, তৃতীয় ভাষার পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাসামগ্রী জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদ (NCERT)-এর সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা হচ্ছে। এই উপকরণগুলি শীঘ্রই সিবিএসইর অ্যাকাডেমিক পোর্টালে উপলব্ধ হবে। যদিও মধ্যম স্তরে তৃতীয় ভাষা চালু হয়েছে, তবে এটি অবিলম্বে বোর্ড পরীক্ষায় প্রভাব ফেলবে না। বর্তমান ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ২০৩১ সালে দশম শ্রেণিতে পৌঁছলে নীতিটি পুরোপুরি কার্যকর হবে (CBSE)। প্রসঙ্গত, ত্রি-ভাষা সূত্রের ব্যাখ্যা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ রয়েছে। বাস্তবে, অনেক শিক্ষার্থী ইংরেজি পড়ে। তবে এনইপি ২০২০ অনুযায়ী ইংরেজিকে প্রায়ই বিদেশি ভাষা হিসেবে বিবেচনা করা হয় (Three Language Rule)। তাই প্রশ্ন উঠছে, ইংরেজির পাশাপাশি কি শিক্ষার্থীদের আরও দুটি ভারতীয় ভাষা শিখতে হবে? এতে পড়াশোনার চাপ বাড়তে পারে।

    দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করতেও একাধিক পরিবর্তন

    বিদেশে অবস্থিত সিবিএসই-সংযুক্ত স্কুলগুলির বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনা করে বোর্ড কিছুটা শিথিলতা দিয়েছে। ভারতের বাইরে অবস্থিত স্কুলগুলিতে দুটি ভারতীয় ভাষা পড়ানো বাধ্যতামূলক নয়। তারা একটি ভারতীয় ভাষাকে বাধ্যতামূলক রেখে অন্যান্য ভাষা আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক প্রাসঙ্গিকতার প্রেক্ষিতে নির্বাচন করতে পারবে (CBSE)। ভাষা সংস্কারের পাশাপাশি সিবিএসই সামগ্রিক ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে একাধিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। নবম ও দশম শ্রেণিতে শিল্প শিক্ষা, বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং শারীরিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আপাতত শিল্প ও শারীরিক শিক্ষা স্কুলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে, বোর্ড পরীক্ষার অংশ হবে না। তবে ২০২৭–২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে বৃত্তিমূলক শিক্ষা বাধ্যতামূলক বিষয় হিসেবে চালু হবে।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

    নয়া পাঠ্যক্রমের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল নবম ও দশম শ্রেণিতে কম্পিউটেশনাল থিংকিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বাধ্যতামূলক করা। শুরুতে এগুলি মডিউল আকারে থাকবে এবং অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন হবে। তবে ২০২৯ সালের মধ্যে এগুলি পূর্ণাঙ্গ বোর্ড পরীক্ষার বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে (Three Language Rule)। সিবিএসই নবম শ্রেণিতে গণিত ও বিজ্ঞানের জন্য দুই-স্তরের ব্যবস্থা চালু করেছে। শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতা ও আগ্রহ অনুযায়ী স্ট্যান্ডার্ড বা অ্যাডভান্সড স্তর বেছে নিতে পারবে। অ্যাডভান্সড স্তরের শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত এক ঘণ্টার ২৫ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে, যেখানে সাধারণ সিলেবাসের বাইরে প্রশ্ন থাকবে। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তবেই ফল অন্তর্ভুক্ত হবে মার্কশিটে।

    সিবিএসইর অ্যাকাডেমিক ডিরেক্টরের বক্তব্য

    সিবিএসইর অ্যাকাডেমিক ডিরেক্টর প্রজ্ঞা সিংয়ের মতে, এনসিইআরটির সঙ্গে যৌথভাবে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক তৈরি করা হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য একরূপ ও উচ্চমানের শিক্ষাসামগ্রী নিশ্চিত করবে (CBSE)। বিদেশে পরিচালিত সিবিএসই-সংযুক্ত স্কুলগুলির জন্য নমনীয়তা রাখা হয়েছে। যেখানে দেশের ভেতরের স্কুলগুলিকে দুটি ভারতীয় ভাষা পড়াতে হয়, সেখানে আন্তর্জাতিক স্কুলগুলিতে একটি ভারতীয় ভাষাই বাধ্যতামূলক থাকবে। গত বছরের সিবিএসই সার্কুলারের নির্দেশনাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছিল প্রস্তুতিমূলক স্তর থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অন্তত একটি ভারতীয় ভাষাকে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

    ভাষাগত বৈচিত্র্য

    ভাষাগত বৈচিত্র্য বাড়াতে সিবিএসই ভাষার তালিকাও সম্প্রসারণ করেছে (Three Language Rule)। নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এখন ডোগরি, মৈথিলি, কোকনি ও সাঁওতালি ভাষা পড়ার সুযোগ পাবে। এর ফলে ভারতীয় সংবিধানের অষ্টম তফশিলে অন্তর্ভুক্ত ২২টি ভাষাই এখন এই বোর্ডের আওতায় এসেছে। এই সংস্কারগুলি সিবিএসইর মূল্যায়ন পদ্ধতিতে ধীরে ধীরে কিন্তু ব্যাপক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন, মডিউলার বিষয় এবং উন্নত স্তরের বিকল্প চালুর মাধ্যমে বোর্ড একমাত্রিক পদ্ধতি থেকে সরে এসে আরও নমনীয় ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে (CBSE)।

     

  • POK: “খুব শীঘ্রই পাক অধিকৃত কাশ্মীর যুক্ত হবে ভারতের সঙ্গে”, বললেন ইমাম ইলিয়াসি

    POK: “খুব শীঘ্রই পাক অধিকৃত কাশ্মীর যুক্ত হবে ভারতের সঙ্গে”, বললেন ইমাম ইলিয়াসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “খুব শীঘ্রই পাক অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) যুক্ত হবে ভারতের সঙ্গে।” জম্মু-কাশ্মীর সফরে গিয়ে এক বিবৃতিতে এই (POK) ঘোষণা করেন ইমাম উমের আহমেদ ইলিয়াসি (Imam Umer Ahmed Ilyasi)। সাংবাদিক সম্মেলনে ইলিয়াসি বলেন, “পিওকে, যেটি ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, অবশ্যই ভারতের সঙ্গে ফের যুক্ত হবে, কারণ পিওকের মানুষ সেখানে গণভোট চায়।” তাঁর এহেন মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, ওই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ভারতের সঙ্গে একীভূত হওয়ার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে।

    ইলিয়াসির বক্তব্য (POK)

    তিনি বলেন, “এই পুনর্মিলনের আকাঙ্ক্ষা শুধুমাত্র রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বরং স্থানীয় মানুষের বাস্তব ইচ্ছের ওপর ভিত্তি করেই জানা গিয়েছে পুনর্মিলনের এই আকাঙ্খার কথা। আল্লার ইচ্ছেয় তাদের ‘ঘর ওয়াপসি’ শিগগিরই হবে। এটি সেখানকার মানুষেরই ইচ্ছে।” জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলুপ্ত হওয়ার পর ভূস্বর্গে যে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে, তার উল্লেখ করে ইলিয়াসি অঞ্চলটিকে “নয়া কাশ্মীর” বলে বর্ণনা করেন। এই নয়া কাশ্মীর শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতির। তিনি বলেন, “উপত্যকার পরিবেশে উল্লেখ্যযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। আজকের কাশ্মীর অসাধারণ হয়ে উঠেছে। সর্বত্র উন্নয়ন হয়েছে, হাল ফিরেছে পর্যটন শিল্পের।”

    শিশু-তরুণদের হাতে কলম

    অতীতের সঙ্গে তুলনা করে ইলিয়াসি বলেন, “এক সময় এখানে তরুণ ও শিশুরা পাথর ছুড়ত। আজ তাদের হাতে কলম, তারা পড়াশোনা করছে।” ইলিয়াসির মতে, এই পরিবর্তনগুলি পিওকের বাসিন্দারাও লক্ষ্য করছে। তারা নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণও করছে। তিনি মনে করেন, এই উন্নয়নই পিওকেতে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার দাবি জোরলো করছে (POK)। ইলিয়াসের বক্তব্যে উঠে এসেছে জম্মু ও কাশ্মীরে পর্যটনের পুনরুজ্জীবনের প্রসঙ্গও। তাঁর মতে, স্থিতিশীলতা ও স্বাভাবিক অবস্থার প্রত্যাবর্তনের এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ (Imam Umer Ahmed Ilyasi)।

    ভূস্বর্গে আসুন, আহ্বান ইলিয়াসির

    ২০২৫ সালে দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় সংঘটিত জঙ্গি হামলার প্রসঙ্গ টেনে ইলিয়াসি বলেন, “যদিও ওই ঘটনার ফলে পর্যটন শিল্পে সাময়িক প্রভাব পড়েছিল, পরিস্থিতি এখন উন্নত হয়েছে।” তিনি বলেন, “আমি সবাইকে বলতে চাই, কাশ্মীর ভ্রমণ করুন। এখন আর ভয়ের পরিবেশ নেই।” তিনি দেশ-বিদেশের মানুষকে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সংস্কৃতি উপভোগ করার আহ্বানও জানান (POK)। ইলিয়াসির এই আহ্বান কাশ্মীরকে একটি নিরাপদ ও আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্যস্থল হিসেবে তুলে ধরার প্রচেষ্টার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও জীবিকায় সহায়তা করছে (Imam Umer Ahmed Ilyasi)। ইলিয়াসি এও বলেন, “পিওকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি ভারতের দীর্ঘদিনের অবস্থান। বিভিন্ন সরকার ধারাবাহিকভাবে এই অবস্থান বজায় রেখেছে।” তিনি এই বিষয়টিকে শুধুমাত্র ভূরাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বরং মানুষের ইচ্ছে ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন হিসেবেও তুলে ধরেন।

    যুদ্ধ সবার ক্ষতি করে

    এদিন ইলিয়াসি পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত নিয়েও মন্তব্য করেন। তুলে ধরেন যুদ্ধের ধ্বংসাত্মক প্রভাবের কথা। বলেন, “যুদ্ধ সবার ক্ষতি করে। এটি ধ্বংসের প্রতীক।” তাই শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানান ইলিয়াসি। ভারতের বৈশ্বিক ভূমিকা নিয়েও আশাবাদী ইলিয়াসি। তিনি বলেন, “নরেন্দ্র মোদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির প্রতি আমার আস্থা আছে—আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি মধ্যস্থতা করবেন এবং যুদ্ধ শেষ হবে… শান্তি ফিরে আসবে (POK)।” ইলিয়াসির বক্তব্য এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে উন্নয়ন, পরিকাঠামো ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনা ভারতের নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ স্থান (Imam Umer Ahmed Ilyasi) দখল করে রয়েছে।

    ইলিয়াসির নয়া দৃষ্টিভঙ্গি

    কাশ্মীরের উন্নয়নের সঙ্গে পিওকের আকাঙ্ক্ষাকে যুক্ত করে ইলিয়াসি একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন—যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। যদিও পিওকে-সংক্রান্ত ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা জটিল, তবুও এই ধরনের বক্তব্য উন্নয়নকেন্দ্রিক বয়ানের গুরুত্বকেই তুলে ধরে বলে ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। ইলিয়াসির এই বক্তব্যে রাজনৈতিক অবস্থান, উন্নয়ন নিয়ে আশাবাদ এবং শান্তির আহ্বান—এই তিনটির সমন্বয় দেখা যায়। পিওকের ভারতের সঙ্গে পুনর্মিলনের বিষয়ে তাঁর আত্মবিশ্বাস এবং কাশ্মীরের উন্নয়নের প্রশংসা একটি অগ্রগতি-নির্ভর বিষয়কে আরও জোরালো করে (POK)। একই সঙ্গে সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তির আহ্বান এবং ভারতের নেতৃত্বের ওপর তাঁর আস্থা দেশের অভ্যন্তরে ও আন্তর্জাতিক (Imam Umer Ahmed Ilyasi) পরিসরে স্থিতিশীলতার একটি বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে।

     

  • West Bengal Assembly Election: রাজ্যে বাড়ছে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা, অনুমতি দিল নির্বাচন কমিশন

    West Bengal Assembly Election: রাজ্যে বাড়ছে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা, অনুমতি দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বাড়ছে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা। আরও ৪,৬৬০টি অতিরিক্ত বুথ (Auxiliary Polling Stations) তৈরির অনুমতি দিল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার (West Bengal Assembly Election) আসনসংখ্যা ২৯৪টি, বুথের সংখ্যা ৮০৬৮১। অতিরিক্ত বুথ তৈরি হয়ে গেলে সংখ্যাটা বেড়ে হবে ৮৫৩৭৯। কিছু বুথের স্থান পরিবর্তন হবে বলেও কমিশন সূত্রে খবর।

    অতিরিক্ত সহায়ক বুথ (West Bengal Assembly Election)

    জানা গিয়েছে, যেসব বুথে ভোটারের সংখ্যা ১২০০-এর বেশি, সেসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সহায়ক বুথ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। ৪৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির অনুমতিও দিয়েছে কমিশন। ভোটদাতাদের সুবিধার্থে অন্যত্র সরানো হচ্ছে ৩২১টি বুথকে। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করার অনুমতি দিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে শুক্রবারই চিঠি দিয়েছে দিল্লির নির্বাচন কমিশন। বলা হয়েছে, নতুন বুথ তৈরির ক্ষেত্রে কমিশনের যে সব নিয়মকানুন রয়েছে, তা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। ২০২০ সালের নিয়মাবলী মেনে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। যেসব ভোটকেন্দ্রের ঠিকানা বদলাচ্ছে, সেখানে সংশ্লিষ্ট বুথের প্রত্যেক ভোটারকে এই পরিবর্তনের কথা ব্যক্তিগতভাবে জানাতে হবে কমিশনের আধিকারিকদের। কমিশনের নির্দেশ, একজনের ক্ষেত্রেও যেন এর অন্যথা না হয় (Auxiliary Polling Stations)।

    নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, অতিরিক্ত বুথ তৈরির কথা এবং বুথের ঠিকানা পরিবর্তন করার কথা সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভালভাবে প্রচার করতে হবে। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলকে লিখিতভাবে বুথ সংক্রান্ত নতুন তথ্য জানিয়ে দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদেরও বিষয়টি সম্বন্ধে অবগত করতে হবে সিইও দফতরকে (West Bengal Assembly Election)। প্রসঙ্গত, ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দু’দফায় নির্বাচন হবে পশ্চিমবঙ্গের মোট ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে। ভোটের ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল শনিবার থেকেই জেলা সফর শুরু করছেন। ভোটের প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে জেলায় জেলায় ঘুরবেন তিনি। মনে রাখতে হবে, ভোটের নিয়ম এবার আগের চেয়েও কঠোর। কোনও ভোটকেন্দ্রেই মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। থাকবে সিসি ক্যামেরার নজরদারি এবং ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থাও (West Bengal Assembly Election)।

     

  • LPG: ৪৬,০০০ টন এলপিজি নিয়ে হরমুজ পেরলো আরও একটি ট্যাঙ্কার, আসছে ভারতে

    LPG: ৪৬,০০০ টন এলপিজি নিয়ে হরমুজ পেরলো আরও একটি ট্যাঙ্কার, আসছে ভারতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪৬,০০০ মেট্রিক টনেরও বেশি এলপিজি (LPG) বহনকারী একটি ট্যাঙ্কার শনিবার সকালে পার হল হরমুজ প্রণালী। ৬ এপ্রিলের মধ্যে মুম্বই বন্দরে পৌঁছবে বলেই আশা। ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ শিপিংয়ের তরফে (Hormuz Strait) জানানো হয়েছে, এলপিজি বহনকারী জাহাজ গ্রিন সানভি বর্তমানে প্রণালী পার হয়ে গিয়েছে। জাহাজ মন্ত্রকের কর্তারা জানান, জাহাজটি ৪৬,৬৫৫ মেট্রিক টন এলপিজি বহন করছে।

    ভারতীয় বন্দরে দুই জাহাজ (LPG)

    দিন কয়েক আগেই হরমুজ প্রণালী পার হয়ে ভারতীয় বন্দরে পৌঁছেছে দুটি এলপিজি ভর্তি ট্যাঙ্কার। এর মধ্যে জাগ বসন্ত (Jag Vasant) কাণ্ডলায় পৌঁছেছে ৪৭,৬১২ মেট্রিক টন এলপিজি, আর পাইন গ্যাস (Pine Gas) নিউ মাঙ্গালোর বন্দরে ৪৫,০০০ মেট্রিক টন এলপিজি পৌঁছে দিয়েছে। আরও দুটি এলপিজি জাহাজ গ্রিন আশা (Green Asha)  এবং জাগ বিক্রম (Jag Vikram) বর্তমানে হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের জন্য ভারতীয় নৌবাহিনীর নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে। পদস্থ এক নৌ-আধিকারিক জানান, ওই অঞ্চলে আটকে থাকা সব জাহাজের চলাচল নিশ্চিত করতে চেষ্টা করা হচ্ছে।

    শিপিং কর্তার বক্তব্য

    এদিকে, বিডাব্লু টিওয়াইআর নামের এলপিজি ট্যাঙ্কার ইতিমধ্যেই মুম্বই পৌঁছে গিয়েছে। মুম্বই আউটার পোর্ট লিমিটসে জাহাজ-থেকে-জাহাজ পদ্ধতিতে পণ্য খালাস করা হয়েছে। আর একটি জাহাজ বিডাব্লু ইএলএমকে এন্নোর বন্দরের দিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ৪ এপ্রিল ভারতে পৌঁছানোর কথা এই জাহাজটির (Hormuz Strait)। শিপিং-কর্তা জানান, বর্তমানে ১৭টি ভারতীয় জাহাজ পারস্য উপসাগরে, ২টি ওমান উপসাগরে, ২টি এডেন উপসাগরে এবং ১টি লোহিত সাগরে অবস্থান করছে। এর মধ্যে ৫টি জাহাজ শিপিং কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার মালিকানাধীন।

    ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করাই লক্ষ্য!

    পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রায় ২০,৫০০ জন ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। এদের মধ্যে ৫০৪ জন ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে কর্মরত, এবং ৩ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন শিপিং কোম্পানি ১,১৩০ জন নাবিককে সরিয়ে নিয়েছে (LPG)। ভারতীয় নৌবাহিনী এবং শিপিং কর্তৃপক্ষের মধ্যে চলমান সমন্বয় এই অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপদ ও সময় মতো চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই করা হচ্ছে। আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ভারতীয় বন্দরে এলপিজির সরবরাহ অব্যাহত রাখতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Hormuz Strait)। এই ঘটনাপ্রবাহ উপসাগরীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা এবং নাবিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টাকে তুলে ধরে, যাতে নির্বিঘ্নে ভারতে পৌঁছতে পারে জ্বালানি ভর্তি ট্যাঙ্কার (LPG)।

     

  • Russia: সরকারি সফরে ভারতে এসেছেন রাশিয়ার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী, কী নিয়ে আলোচনা হবে?

    Russia: সরকারি সফরে ভারতে এসেছেন রাশিয়ার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী, কী নিয়ে আলোচনা হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিনের সরকারি সফরে ভারতে এসেছেন রাশিয়ার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ডেনিস মান্তুরভ (Deputy PM Manturov)। আজ, ২ এপ্রিল ভারত সফরে এসেছেন তিনি, যা দুই দিনের একটি সরকারি সফর। এই সফরের উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা। তিনি ভারত–রাশিয়া আন্তঃসরকার কমিশনের সহ-সভাপতিত্ব করবেন, যা আদতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা পরিচালনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে এক্স-এ (X) একটি পোস্টে জানায়, “রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রথম উপ-চেয়ারম্যান এবং ভারত–রাশিয়া আন্তঃসরকার কমিশনের সহ-সভাপতি ডেনিস মান্তুরভকে নয়াদিল্লিতে আন্তরিক স্বাগত। সফরের সময় তিনি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করবেন। অংশ নেবেন অন্যান্য দ্বিপাক্ষিক আলোচনায়ও।”

    দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা (Russia)

    ভারতে রাশিয়ার দূতাবাসের তরফেও তাঁর আসার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, চলতি সফরে রুশ নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে একাধিক আলোচনা হবে। সফরের আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে মান্তুরভ বলেন, “এই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য হল দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের সামগ্রিক সম্প্রসারণ (Deputy PM Manturov)।” তিনি এও বলেন, “পারস্পরিক অর্থপ্রদান ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা, লজিস্টিক চেন শক্তিশালী করা, বাজারে প্রবেশের সুযোগ উন্নত করা এবং নতুন বিনিয়োগ ও যৌথ প্রকল্পকে উৎসাহিত করা—এই বিষয়গুলি আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে গৃহীত ২০৩০ পর্যন্ত অর্থনৈতিক সহযোগিতা কর্মসূচি বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হবে।”

    সফরের বহুমুখী গুরুত্ব

    নয়াদিল্লতে থাকার সময় মান্তুরভ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন, যা এই সফরের বহুমুখী গুরুত্বকে তুলে ধরে। এই সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয়। ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বর্তমান বাণিজ্যে বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা রয়েছে (Deputy PM Manturov)। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দুই দেশের বাণিজ্য প্রায় ৬৮.৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গিয়েছিল। এর মধ্যে রাশিয়ার রফতানি ছিল ৬৩.৮ বিলিয়নেরও বেশি, আর ভারতের রফতানির পরিমাণ ছিল ৫ বিলিয়নের কম। এই ভারসাম্যহীনতার প্রধান কারণ ভারতীয় বাজারে সস্তা রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের আমদানি বৃদ্ধি।

    ভারতের তেল আমদানির পরিমাণ

    ইউক্রেন যুদ্ধের আগে ভারতের তেল আমদানির মাত্র ২.৫ শতাংশ আসত রাশিয়া থেকে। ২০২৪–২৫ সালে তা বেড়ে প্রায় ৩৫.৮ শতাংশ হয়েছে। এটি পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা মোকাবিলা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতের একটি কৌশলের অংশ (Deputy PM Manturov)। ভারত ও রাশিয়া এখন জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা ছাড়াও নতুন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে। এর মধ্যে রয়েছে শিল্প প্রযুক্তি, ডিজিটাল ফাইন্যান্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং উন্নত উৎপাদন ব্যবস্থা। এছাড়া বাণিজ্যের কাঠামোগত বাধা দূর করা এবং ইউরেশীয় অর্থনৈতিক ইউনিয়নের (EAEU) সঙ্গে সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। ভারত একই সঙ্গে তার জ্বালানি আমদানির উৎস ২৭ দেশ থেকে বাড়িয়ে ৪১ দেশে সম্প্রসারণ করেছে, যাতে নির্ভরতা কমে।

    ব্রিকস সম্মেলন

    রাশিয়ার উপ-বিদেশমন্ত্রী আন্দ্রে রুডেনকো জানান, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেপ্টেম্বর মাসে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে পারেন। তিনি জানান, মস্কো এই সম্মেলনে ঐকমত্য গঠনে ভারতের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করবে। তিনি আরও জানান, রাশিয়া ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে পেট্রোল রফতানি নিষিদ্ধ করলেও বর্তমানে যে তেল চুক্তি রয়েছে, তাকেও সম্মান করবে (Deputy PM Manturov)। রুডেনকো বলেন, “ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে নিয়মিত এবং ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীও সুবিধাজনক সময়ে রাশিয়া সফর করবেন। এর আগে প্রেসিডেন্ট পুতিন ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতে এসেছিলেন। এবার পরবর্তী সম্মেলন মস্কোয় হবে। সেখানেই ফের একবার মুখোমুখি হতে পারেন পুতিন-মোদির (Deputy PM Manturov)।

     

LinkedIn
Share