Author: pranabjyoti

  • Jammu Kashmir: স্কুল শিক্ষা দফতরের ৮ আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ জম্মু-কাশ্মীরের উপরাজ্যপালের, কারণ জানেন?

    Jammu Kashmir: স্কুল শিক্ষা দফতরের ৮ আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ জম্মু-কাশ্মীরের উপরাজ্যপালের, কারণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল শিক্ষা দফতরের আট আধিকারিককে অবিলম্বে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহা। অভিযোগ, সরকারি বিদ্যালয়ের লাইব্রেরির জন্য (LG Manoj Sinha) নির্বাচিত দু’টি বইয়ে সন্ত্রাসবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদকে মহিমান্বিত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিতর্কের জেরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    বিতর্কের কেন্দ্রে যে দু’টি বই (Jammu Kashmir)

    সরকারি নির্দেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের শৃঙ্খলাবিধির সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিতর্কিত বই দু’টি হল ‘পার্সোনালিটিজ অ্যান্ড লেজেন্ডস অব জম্মু ও কাশ্মীর (সিরিজ-৪)’ এবং ‘গ্রেট পার্সোনালিটিজ অব জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর’। বই দু’টি বিশেষজ্ঞ সাবকমিটির অনুমোদনের পর সমগ্র শিক্ষা কর্মসূচির আওতায় জম্মু, রামবান, উধমপুর ও বারামুলা-সহ কয়েকটি জেলার সরকারি বিদ্যালয়ে সীমিত সংখ্যায় পাঠানো হয়েছিল। ৩ জুলাই সেগুলি তুলে নেওয়া হয়।

    তরুণ মনে বিষ ঢালার চেষ্টা!

    অভিযোগ অনুযায়ী, বই দু’টিতে জেকেএলএফ প্রতিষ্ঠাতা মকবুল ভাট, লস্কর-ই-তৈবার প্রধান হাফিজ সইদ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানি, শব্বির শাহ, মিরওয়াইজ উমর ফারুক ও মাসারত আলম ভাটকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি “ভারত অধিকৃত কাশ্মীর” শব্দবন্ধ ব্যবহার করে বিচ্ছিন্নতাবাদ-সমর্থক বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছে বলে অভিযোগ। শাসক দলের নেতাদের দাবি, “বইগুলিতে অত্যন্ত আপত্তিকর বিষয়বস্তু রয়েছে, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে।” তাঁদের আরও অভিযোগ, “এটি শিক্ষার মোড়কে তরুণ প্রজন্মের মনে বিষ ঢেলে দেওয়ার পরিকল্পিত প্রচেষ্টা।”

    আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

    সরকারের বক্তব্য, বই নির্বাচন, মূল্যায়ন ও সংগ্রহের ক্ষেত্রে যথাযথ সতর্কতা না নেওয়া, গুরুতর গাফিলতি এবং দায়িত্বে অবহেলার কারণেই সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা (Jammu Kashmir) নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পুরো নির্বাচন ও সংগ্রহ প্রক্রিয়ার উচ্চপর্যায়ের বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রবীণ প্রশাসনিক আধিকারিক অশ্বিনী কুমারকে, এবং ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। এর (LG Manoj Sinha) পাশাপাশি দুই লেখক ও দুই প্রকাশককে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলজুড়ে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের লেখা বা প্রকাশিত সমস্ত মুদ্রিত বই প্রত্যাহারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে (Jammu Kashmir)।

     

  • Toyota Kirloskar: দূষিত জ্বালানির কারণেই সমস্যা হয়েছিল গাড়িতে, মালিকের অভিযোগ নস্যাৎ করে জানিয়ে দিল টোয়োটা কির্লোস্কার মোটর

    Toyota Kirloskar: দূষিত জ্বালানির কারণেই সমস্যা হয়েছিল গাড়িতে, মালিকের অভিযোগ নস্যাৎ করে জানিয়ে দিল টোয়োটা কির্লোস্কার মোটর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি ব্যবহারের কারণে গাড়িতে সমস্যা হয়েছে। সম্প্রতি এমনই দাবি করেছিলেন এক টয়োটা হাইক্রস গাড়ির মালিক। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেটি ব্যাপক ভাইরাল হয়। তার পরেই নড়েচড়ে বসেন টোয়োটা কির্লোস্কার (Toyota Kirloskar) মোটর কর্তৃপক্ষ। শনিবার তাঁরা জানিয়ে দেন, ওই অভিযোগ মোটেই ঠিক নয়। সংস্থার দাবি, সমস্যার মূল কারণ ছিল দূষিত জ্বালানি (Contaminated Petrol), ইথানল মিশ্রিত পেট্রল নয়।

    টোয়োটা কির্লোস্কার মোটরের অভিযোগ (Toyota Kirloskar)

    সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টয়োটা হাইক্রস এমনভাবে তৈরি, পরীক্ষা এবং অনুমোদিত হয়েছে যাতে ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি নিরাপদে ব্যবহার করা যায়। এই বিষয়ে সংস্থা বলেছে, “গাড়িটির বিস্তারিত কারিগরি পরীক্ষা করে আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে সমস্যার কারণ ছিল দূষিত জ্বালানি। আমাদের পরীক্ষায় গাড়ির কোনও যন্ত্রাংশ বা জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার কোনও ক্ষতির খোঁজ মেলেনি।” টোয়োটা আরও জানিয়েছে, নিয়মিত পরিষেবা পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রথমে গাড়ির জ্বালানির ট্যাঙ্ক এবং জ্বালানি বহনের নল সম্পূর্ণ খালি করে পরিষ্কার করা হয়। এরপর নির্ধারিত মানের ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ভরে গাড়িটি ফের পরীক্ষা করা হয়। সংস্থার দাবি, পরীক্ষায় গাড়িটি স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে বলে নিশ্চিত হওয়ার পর সেটি মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে (Toyota Kirloskar)।

    গাড়ি খারাপের কারণ ভেজাল জ্বালানি

    ওই গাড়ির মালিকের অভিযোগ প্রসঙ্গে সংস্থা সাফ স্পষ্ট জানিয়েছে, “এই ঘটনাটি সম্পূর্ণভাবে দূষিত ও নিম্নমানের জ্বালানির কারণে ঘটেছে। এর সঙ্গে ইথানল মিশ্রিত পেট্রলের কোনও সম্পর্ক নেই।” গাড়ি চালকদের উদ্দেশে টয়োটা কির্লোস্কার মোটরের পরামর্শ, জ্বালানিতে ভেজাল বা দূষণের ঝুঁকি কমাতে শুধুমাত্র অনুমোদিত ও বিশ্বস্ত জ্বালানি বিক্রয়কেন্দ্র থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করা উচিত। এর পাশাপাশি, এই ধরনের বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্যের পরিবর্তে সরকারি বা সংস্থার বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই করা তথ্যের ওপর নির্ভর করার আহ্বানও জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে সংস্থার অনুমোদিত বিক্রয়কেন্দ্র বা গ্রাহক সহায়তা (Contaminated Petrol) পরিষেবার সঙ্গে যোগাযোগ করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে টয়োটা কির্লোস্কার মোটরের তরফে (Toyota Kirloskar)।

     

  • Weather Alert: সপ্তাহজুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণে, কলকাতায় জারি হলুদ সতর্কতা, উত্তরের আবহাওয়া কেমন?

    Weather Alert: সপ্তাহজুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণে, কলকাতায় জারি হলুদ সতর্কতা, উত্তরের আবহাওয়া কেমন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আগামী এক সপ্তাহজুড়ে বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার প্রকাশিত আবহাওয়া দফতরের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল সংলগ্ন এলাকায় থাকা সুস্পষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে এই আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে। কলকাতার আঞ্চলিক আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়ই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ৫ জুলাই হতে পারে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি।

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Alert)

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পুরুলিয়ায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এর সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঘণ্টায় প্রায় ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের এক আধিকারিক সংবাদ সংস্থাকে জানান, নিম্নচাপটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর এটি পশ্চিমবঙ্গ-ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোবে। এর প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টিপাত হবে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎ ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

    চলতে পারে ভারী বৃষ্টি

    জানা গিয়েছে, ৬ জুলাইও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টি চলতে পারে। এরপর বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেওস বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা পুরো পূর্বাভাসের সময়জুড়েই থাকবে। কলকাতার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেখানে ভারী বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঘণ্টায় প্রায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও আগামী সপ্তাহজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ৬ জুলাই থেকে ভারী বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। ৭ থেকে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

     

  • PM Modi: ছ’দিনে তিন দেশ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী, ইন্দোনেশিয়া দিয়ে শুরু, আর কোথায় যাবেন?

    PM Modi: ছ’দিনে তিন দেশ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী, ইন্দোনেশিয়া দিয়ে শুরু, আর কোথায় যাবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আগামী ৬ থেকে ১১ জুলাই—ছ’দিনের সফরে (Six Day Tour) যাচ্ছেন ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে। এই সফরকে ভারতের পূর্বমুখী নীতির অংশ হিসেবে কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও সামুদ্রিক সহযোগিতা আরও জোরদারের উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করাই এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    ইন্দোনেশিয়া দিয়ে শুরু সফর (PM Modi)

    সফরের প্রথম গন্তব্য ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। ৬ থেকে ৮ জুলাই সেখানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, ডিজিটাল সংযোগ-সহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পাবে। এর পাশাপাশি ব্রহ্মোস অতিধ্বনিত গতির ক্ষেপণাস্ত্র রফতানি এবং সাবমেরিন প্রযুক্তি সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে একাধিক সূত্রের খবর। ২০১৮ সালে ভারত ও ইন্দোনেশিয়া সম্পর্ককে সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারত্বের পর্যায়ে উন্নীত করার পর এটি মোদির (PM Modi) প্রথম ইন্দোনেশিয়া সফর। একই সঙ্গে এটি ইন্দোনেশিয়ায় তাঁর চতুর্থ সফর। সফরকালে তিনি জাকার্তায় অবস্থিত ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী প্রামবানান মন্দির দর্শন করবেন। প্রবাসী ভারতীয়দের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী।

    ভারত দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতির দেশ

    ইন্দোনেশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী যাবেন অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে। সেখানে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের সঙ্গে বার্ষিক শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি। ২০২২ সালের পর দুই নেতার এটি হবে ষষ্ঠ বৈঠক। ২০২৫ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত বিশের জোট শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে তাঁদের সাক্ষাৎ হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি (Six Day Tour) হবে মোদির তৃতীয় অস্ট্রেলিয়া সফর। এর আগে তিনি ২০১৪ ও ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিলেন। ২০২০ সালে দুই দেশ তাদের সম্পর্ককে সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করে। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে ভারতকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম এবং দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

    আপ্লুত অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী

    মোদির সফরের কথা ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে অস্ট্রেলিয়ায় স্বাগত জানাতে পেরে আমি সম্মানিত।” তিনি এও বলেন, “দুই দেশের সম্পর্ক এখন আগের যে কোনও সময়ের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই অংশীদারিত্ব ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখছে।” দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, স্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থা, বাণিজ্য, শিক্ষা এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হবে (Six Day Tour)। পাশাপাশি ভারত-অস্ট্রেলিয়া প্রধান নির্বাহীদের ফোরামের যৌথ অধিবেশনে অংশ নিয়ে দুই দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে উৎপাদন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর সফর সূচি

    অস্ট্রেলিয়া সফরকালে তিনি দেশটির গভর্নর-জেনারেল স্যাম মোস্টিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া প্রবাসী ভারতীয়দের এক বড় সমাবেশেও ভাষণ দেবেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মতে, প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায় দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি। অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ায় প্রচুর ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের বসবাস। ৯ জুলাই মেলবোর্নের মার্ভেল স্টেডিয়ামে “মেলবোর্ন মিটস মোদি” নামে একটি বড় কমিউনিটি অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে (PM Modi)। সফরের শেষ ধাপে ১০ থেকে ১১ জুলাই নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড সফর করবেন নরেন্দ্র মোদি। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সনের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত এই রাষ্ট্রীয় সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। প্রায় চার দশক পর কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নিউজিল্যান্ড সফরে যাচ্ছেন। এর আগে ১৯৮৬ সালে রাজীব গান্ধী পা রেখেছিলেন এই দ্বীপরাষ্ট্রে।

    মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি

    অকল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি কৃষি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হবে। ভারতের শীর্ষকর্তাদের মতে, এই তিন দেশের সফর পূর্ব ভারত মহাসাগর এবং বৃহত্তর ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বের প্রতিফলন। সাম্প্রতিক সময়ে দ্বীপরাষ্ট্রগুলি এবং জাপানের সঙ্গে ধারাবাহিক কূটনৈতিক তৎপরতার পর এই সফরকে সেই প্রচেষ্টারই ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানকে নিয়ে গঠিত (Six Day Tour) চার দেশের নিরাপত্তাভিত্তিক জোটও আঞ্চলিক নিরাপত্তা আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উঠে আসবে বলেই (PM Modi) অনুমান আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

     

  • TMC Posts Loyalty Row: চন্দ্রিমার ইস্তফায় কালীঘাটে জোর ধাক্কা, তৃণমূলের সব সাংগঠনিক পদ ছাড়লেন মমতার ‘ছায়াসঙ্গী’, কারণ জানেন?

    TMC Posts Loyalty Row: চন্দ্রিমার ইস্তফায় কালীঘাটে জোর ধাক্কা, তৃণমূলের সব সাংগঠনিক পদ ছাড়লেন মমতার ‘ছায়াসঙ্গী’, কারণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হারের পরে পরেই তৃণমূলের (TMC Posts Loyalty Row) অন্দরে শুরু হয়ে যায় ভাঙন। তার জেরে একের পর এক নেতা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে বেরিয়ে গিয়ে তৈরি করে ফেলেন তৃণমূলেরই আরও একটি (Chandrima Bhattacharya) গোষ্ঠী। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের এই গোষ্ঠীই আপাতত নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করছে। তৃণমূলে ‘ভাতিজা’র উত্থানের যে ক্ষোভ সঞ্চিত হচ্ছিল, দল হারতেই তা উগরে দেয় গলিত লাভা। তার জেরে একের পর তৃণমূল নেতা বদলাতে থাকেন শিবির। এবং সেই কারণেই কালীঘাটে শুরু হয় ক্ষয়, আর ফুলে ফেঁপে উঠতে শুরু করে ঋতব্রতর শিবির।

    মমতা শিবিরে চন্দ্রিমা-ধাক্কা (TMC Posts Loyalty Row)

    এহেন আবহে ফের একবার বড় ধাক্কা খেল মমতা শিবির। দলের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মমতার দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মাত্র এক মাস আগে তাঁকে দলের রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। দায়িত্ব নিয়েওছিলেন। তার পর এদিন সেই পদ-সহ দলের সমস্ত দায়িত্ব ছেড়ে দিলেন তিনি। মমতাকে পাঠানো পদত্যাগপত্রে চন্দ্রিমা শুধু রাজ্য সভানেত্রীর পদ থেকেই নয়, দলের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক হিসেবের অনুমোদিত স্বাক্ষরকারীর দায়িত্ব এবং নির্বাচন কমিশনে দলের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি চেয়েছেন। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, চিঠিতে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের চেয়ারপার্সন হিসেবে নয়, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, চন্দ্রিমার এহেন পদক্ষেপের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।

    বিশ্বাসের বুকে ছুরি!

    সোমবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনে মমতা ও ঋতব্রতর নেতৃত্বাধীন দু’পক্ষের মধ্যে আসল তৃণমূল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনি লড়াই রয়েছে। তার ঠিক আগে চন্দ্রিমার ইস্তফা মমতার শিবিরের পক্ষে বড় অস্বস্তির কারণ। বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর দলের যখন ছন্নছাড়া দশা, ঠিক তখনই মমতা নয়া সাংগঠনিক কমিটি গঠন করে তার দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বৃত্তে থাকা ‘অতি-বিশ্বস্ত’ চন্দ্রিমার ওপর।  পরাজয়ের পরেও দলের প্রায় প্রতিটি কর্মসূচিতে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তাই তাঁর এই সিদ্ধান্তে আরও চড়েছে রাজনৈতিক জল্পনার পারদ। চন্দ্রিমার পদত্যাগের নেপথ্যে তাঁর ছেলে সৌরভ বসুর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থানও অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি ঋতব্রতর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন সৌরভ। তারপর থেকেই দলের অন্দরে শুরু হয় নানা জল্পনা। অভিযোগ ওঠে, চন্দ্রিমা বাইরে থেকে মমতা-ঘনিষ্ঠ থাকলেও ভেতরে ভেতরে তিনি সাহায্য করছেন বিদ্রোহী শিবিরকে। যদিও এই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছেন চন্দ্রিমা (TMC Posts Loyalty Row)।

    ক্ষোভ উগরে দিলেন চন্দ্রিমা

    ইস্তফা দেওয়ার পর নিজের ক্ষোভ ও অভিমানের কথা (Chandrima Bhattacharya) প্রকাশ্যে তুলে ধরেছেন চন্দ্রিমা। তাঁর বিরুদ্ধে প্রচার করা হচ্ছিল যে তিনি নাকি তৃণমূল ভবনের চাবি ঋতব্রতদের হাতে তুলে দিয়েছেন। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন চন্দ্রিমা। তিনি বলেন, ‘‘আমি চাবি তুলে দেওয়ার কে? এই অধিকার তো নির্বাচন কমিশন বা আদালতের। যখন আমার আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তখন এই পদে আর না থাকাই শ্রেয়। সবাই সঙ্গ ছেড়ে গেলেও আমি মমতাদির সঙ্গ ছাড়িনি। কিন্তু ওঁর মনে প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করে আমি ওঁর মনকে ভারাক্রান্ত করতে চাই না।’’

    তৃণমূল ভবনের দখল

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ঋতব্রতপন্থী নেতারা তপসিয়ায় অবস্থিত তৃণমূল ভবনের দখল নেওয়ার পর থেকেই এই বিতর্ক তৈরি হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই চন্দ্রিমাকে ঘিরে নানা অভিযোগ ওঠে। শেষ পর্যন্ত সেই অপবাদই তাঁর পদত্যাগের অন্যতম কারণ বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। শুধু সাংগঠনিক ক্ষোভ নয়, দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন চন্দ্রিমা। অর্থ ও স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিমন্ত্রী থাকলেও, আদতে পুরো দায়িত্ব পাননি বলেও আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি। চন্দ্রিমার কথায়, ‘‘আমি ছিলাম হাফপ্যান্ট বা বারমুডা মন্ত্রী। রাজ্যবাসী যে বাজেট একটু পরে জেনেছে, আমি তা জেনেছি (TMC Posts Loyalty Row) একটু আগে। সরকারি আধিকারিকরাই সব জানতেন।’’ এই মন্তব্যে প্রাক্তন মন্ত্রীর দীর্ঘদিনের ক্ষোভ প্রকাশ্যে এসেছে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের (Chandrima Bhattacharya)।

    চন্দ্রিমার রাজনৈতিক জীবন

    দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে চন্দ্রিমা মমতার অন্যতম বিশ্বস্ত মুখ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। স্বাস্থ্য, অর্থ ও আইন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বস্তুত চোখ বুজে তুলে দিয়েছিলেন চন্দ্রিমার ওপর। ২০১৭ সালে উপনির্বাচনে দক্ষিণ কাঁথি কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর ২০২১ সালে দক্ষিণ দমদম কেন্দ্র থেকেও জয়ী হন তিনি। যদিও তীরে এসে তরী ডোবে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে। দক্ষিণ দমদম কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর কাছে গোহারা হারেন মমতার ‘কাছের লোক’ চন্দ্রিমা।

    চন্দ্রিমার পরবর্তী পদক্ষেপ

    নিজের বাহান্ন বছরের রাজনৈতিক জীবনের এই মোড়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট করেননি চন্দ্রিমা। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর মনে অভিযোগের চেয়ে অভিমানই বেশি। যদিও তৃণমূলের এই ক্রান্তিকালে চন্দ্রিমার মতো একজন হেভিওয়েট নেত্রী দলের সব সাংগঠনিক পদ ছেড়ে দেওয়ার রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে নির্বাচন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ শুনানির ঠিক আগে তাঁর এই (Chandrima Bhattacharya) ইস্তফা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে আরও বেআব্রু করে দিল বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের (TMC Posts Loyalty Row)।

     

  • UNESCO: তক্ষশিলার প্রাচীন নিদর্শনে আধুনিক নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, পাকিস্তানকে সতর্ক করে দিল ইউনেস্কো

    UNESCO: তক্ষশিলার প্রাচীন নিদর্শনে আধুনিক নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, পাকিস্তানকে সতর্ক করে দিল ইউনেস্কো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘আমরা গর্বের সঙ্গে বিদেশে সবাইকে বলি, আমরা সিন্ধু সভ্যতার সন্তান।’’ সম্প্রতি ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এ কথাই বললেন পাকিস্তানের (Pakistan) তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আত্তাউল্লাহ তারার। তাঁর এহেন বক্তব্যের কারণেই জন্ম হয়েছে নয়া বিতর্কের। কারণ, রাষ্ট্রসঙ্ঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কো (UNESCO) পাকিস্তানকে তক্ষশিলার দু’টি প্রাচীন প্রত্নস্থলে সংরক্ষণের নামে অনুপযুক্ত কাজ করার অভিযোগে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে।

    ইউনেস্কোর অভিযোগ (UNESCO)

    ইউনেস্কোর অভিযোগ, পাকিস্তানের প্রত্নতত্ত্ব ও জাদুঘর বিভাগ তক্ষশিলার মহরা মরাদু বৌদ্ধ বিহার ও স্তূপ এবং সিরকাপ প্রাচীন নগরীর সংরক্ষণকাজে সিমেন্ট ও আধুনিক গাঁথুনি ব্যবহার করেছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রত্নসংরক্ষণ নীতির পরিপন্থী এই পদক্ষেপের ফলে ঐতিহাসিক কাঠামোগুলির মৌলিক বৈশিষ্ট্য এবং ঐতিহাসিক সত্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেই মনে করছে ইউনেস্কো। সম্প্রতি ইউনেস্কোর প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে জানানো হয়, অবিলম্বে এই পরিবর্তন প্রত্যাহার করে যথাযথ সংশোধনমূলক ব্যবস্থা না নিলে তক্ষশিলাকে বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

    প্রত্ন নিদর্শনে আধুনিকতার ছোঁয়া

    জানা গিয়েছে, চলতি বছরের মার্চ মাসে এক দর্শনার্থী তক্ষশিলার বিভিন্ন জায়গার ছবি এবং ভিডিও ইউনেস্কোর কাছে পাঠান। তাতে দেখা যায়, প্রাচীন ইটের দেওয়াল ভেঙে নতুন গাঁথুনি তৈরি করা হয়েছে এবং কোথাও কোথাও দেওয়ালের উচ্চতাও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর গত ১২ জুন ইউনেস্কোর বিশেষজ্ঞ দল পাক প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে যৌথভাবে প্রত্নস্থল পরিদর্শন করে (UNESCO)। তক্ষশিলা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন নগরী। বৈদিক সাহিত্য, মহাভারত এবং বৌদ্ধ জাতক কাহিনিতে এই নগরীর উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তীকালে এটি গান্ধার শিল্প, বৌদ্ধ সংস্কৃতি এবং বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন বিদ্যাপীঠ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করে।

    অবহেলার শিকার

    সমালোচকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান তার প্রাক-ইসলাম পর্বের ইতিহাসকে গুরুত্ব না দিলেও, সাম্প্রতিক সময়ে সিন্ধু সভ্যতা ও তক্ষশিলাকে পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। যদিও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যথাযথ নীতি অনুসরণ না করায় তাদের এই উদ্যোগ প্রশ্নের মুখে পড়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মহেঞ্জোদারো, হরপ্পা, তক্ষশিলা এবং সোয়াট উপত্যকার বহু বৌদ্ধ প্রত্নস্থল বছরের পর বছর অবহেলার শিকার (Pakistan)। অর্থাভাবের অজুহাতে এসব জায়গার সংরক্ষণে পর্যাপ্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ ইসলামি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানগুলির রক্ষণাবেক্ষণে তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেই (UNESCO) অভিযোগ। ২০০৯ সালে সোয়াট উপত্যকায় সপ্তম শতাব্দীর একটি পাহাড় খোদাই করা বুদ্ধমূর্তি বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দেয় জঙ্গিরা। ওই অঞ্চলের বহু বৌদ্ধ স্তূপ এবং প্রত্নস্থলও হামলার শিকার হয়। বিভিন্ন সময়ে প্রত্নবস্তু চুরি ও অবৈধ খননের ঘটনাও ঘটেছে।

    ইউনেস্কোর সতর্কবার্তা

    বিশ্লেষকদের অভিযোগ, পাকিস্তানে বহু প্রাচীন হিন্দু মন্দির, শিখ গুরুদ্বার এবং অন্যান্য ইসলাম-পূর্ব ঐতিহাসিক কাঠামো ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্থাপনাও নানা সময়ে পড়েছে হামলার মুখে। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তান বর্তমানে সিন্ধু সভ্যতাকে নিজেদের জাতীয় পরিচয়ের অংশ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বৃদ্ধি, পর্যটন খাতের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক অনুদান অর্জন এবং নিজেকে সিন্ধু সভ্যতার প্রধান উত্তরাধিকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার কৌশল নেওয়া হয়েছে (UNESCO)। সংশ্লিষ্টমহলের দাবি, বাস্তবে প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণে ধারাবাহিক অবহেলা এবং ইউনেস্কোর সাম্প্রতিক সতর্কবার্তা পাকিস্তানের এই অবস্থানকেই ফেলেছে প্রশ্নের মুখে (Pakistan)।

     

  • BJP: বাংলায় শিল্প ফেরাতে মুম্বইয়ে শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক শমীকের, বিনিয়োগে আগ্রহের দাবি

    BJP: বাংলায় শিল্প ফেরাতে মুম্বইয়ে শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক শমীকের, বিনিয়োগে আগ্রহের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা ছেড়ে চলে যাওয়া শিল্পপতিদের ফের রাজ্যে ফিরিয়ে এনে নতুন করে শিল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যে সক্রিয় হয়েছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি (BJP) সরকার। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই মুম্বইয়ে শিল্পপতি ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। বৈঠক শেষে তিনি দাবি করেন, বহু শিল্পপতি পশ্চিমবঙ্গে ফিরে এসে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    কী বললেন শমীক? (BJP)

    শমীক জানান, গত চার দশকে বাম ও তৃণমূল সরকারের আমলে যাঁরা বাংলা ছেড়ে অন্য রাজ্যে গিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন, তাঁদের সঙ্গে তাঁর ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘নতুন শিল্পনীতি ও নতুন জমিনীতি নিয়ে আমাদের সরকার কাজ করছে। যাঁরা বাংলা ছেড়ে চলে গিয়েছেন, কিন্তু যাঁদের সঙ্গে বাংলার নাড়ির যোগ রয়েছে, তাঁরা আবার বাংলায় ফিরে আসতে আগ্রহী। আমি সরকার নই, আমি দলের প্রতিনিধি। আমি তাঁদের জানিয়েছি, সরকার শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরির কাজ করছে। খুব দ্রুত পশ্চিমবঙ্গের মানুষ শিল্পায়নের সুফল দেখতে পাবেন।’’

    শিল্পপতিদের আশ্বাস শমীকের

    মুম্বই সফরে বস্ত্র, ইস্পাত, কাচ, অর্ধপরিবাহী যন্ত্রাংশ-সহ বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রের উদ্যোগপতিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শমীক। এর পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমে বিনিয়োগকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়নে কাজ করা একাধিক নয়া উদ্যোগের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলাদা করে আলোচনা করেন তিনি। তাঁদের সামনে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পবান্ধব পরিবেশ, দক্ষ মানবসম্পদ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন শমীক। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, শিল্পপতিদের আর কোনও রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়তে হবে না। সরাসরি রাজ্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেই তাঁরা বিনিয়োগের বিষয়ে এগোতে পারবেন। তাঁর কথায়, ‘‘মুম্বইয়ের শিল্পপতিদের বলেছি, পশ্চিমবঙ্গ সরকার শিল্প গড়ে তুলতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। খুব দ্রুত তাঁরা সেই পরিবর্তন অনুভব করবেন।’’ তিনি এও (BJP) বলেন, ‘‘শুধু শিল্পের কথা বললেই শিল্পায়ন হয় না। শিল্প গড়ে তুলতে সুস্পষ্ট শিল্পনীতির প্রয়োজন। আমাদের সরকার সেই নীতির ওপর কাজ করছে।’’

    শিল্পায়ন নিয়ে যা বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    শিল্পায়নকে রাজ্য সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা সম্মেলন কেন্দ্রে নবনির্বাচিত বিধায়কদের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির উদ্বোধনের পর তিনি জানান, রাজ্যে একটি হোসিয়ারি কারখানা এবং একটি ইস্পাত কারখানা স্থাপনের প্রস্তাব রয়েছে। সরকার দ্রুত সেই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে (Samik Bhattacharya)। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ইঙ্গিত দেন, খুব শিগগিরই পশ্চিমবঙ্গে প্রায় দু’হাজার একশো কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগ আসতে চলেছে। সেপ্টেম্বর মাসে রাজ্যে একটি শিল্প সম্মেলনের আয়োজনেরও পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে দেশ-বিদেশের বহু শিল্পপতি এবং বিনিয়োগকারীর উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন

    মুম্বই সফর প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় শমীক লেখেন, ‘‘মুম্বইয়ের বিভিন্ন শিল্প ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ ও শিল্পোন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত শিল্পপতিরা পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।’’ তিনি (Samik Bhattacharya) আরও লেখেন, ‘‘শিল্প, কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে সরকার, শিল্পমহল ও বিনিয়োগকারীদের পারস্পরিক সহযোগিতাই পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি (BJP)।’’

     

  • Khamenei: খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ভারতের শ্রদ্ধাঞ্জলি, ইরানে গিয়ে কী লিখলেন ভারতের প্রতিনিধিরা?

    Khamenei: খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ভারতের শ্রদ্ধাঞ্জলি, ইরানে গিয়ে কী লিখলেন ভারতের প্রতিনিধিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের (Iran) প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ সৈয়দ আলি খামেনেইয়ের (Khamenei) শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ভারতের তরফে শ্রদ্ধা জানালেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্গেরিটা এবং বিহারের রাজ্যপাল অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আতা হাসনাইন। তেহরানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তাঁরা ভারত সরকার ও দেশের জনগণের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় মার্গেরিটা জানান, বিহারের রাজ্যপালের সঙ্গে তিনি তেহরানে খামেনেইয়ের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন। ভারত সরকার ও দেশের জনগণের পক্ষ থেকে তাঁরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি (Khamenei)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি ভারত ও ইরানের দীর্ঘদিনের সভ্যতাগত সম্পর্ক এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে। পাশাপাশি, দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। বিদেশমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের ইমাম খোমেনির মোসাল্লা নমাজ প্রাঙ্গণে আজ, ৪ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে বিদায়ী অনুষ্ঠান। চলবে ৫ জুলাই পর্যন্ত। ৬ জুলাই তেহরানে বের হবে শোকযাত্রা।

    শোকবইয়ে স্বাক্ষর ভারতের

    ৭ জুলাই ইরানের কোম শহরে আর একটি শোকযাত্রা হবে। ৯ জুলাই মাশহাদে হবে চূড়ান্ত শেষকৃত্য। পরে ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে খামেনেইকে সমাহিত করা হবে বলে জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম (Khamenei)। এর আগে, ৫ মার্চ নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসে গিয়ে ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন। তিনি ভারতের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে খামেনেইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাতালির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানান। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি ভারতের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ইরানের (Iran) দূতাবাসে গিয়ে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেছেন এবং খামেনেইয়ের মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন (Khamenei)।

     

  • VB G RAM G: ভারতের গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা, ১০ শতাংশের বেশি বাড়ল মজুরি, কত হল জানেন?

    VB G RAM G: ভারতের গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা, ১০ শতাংশের বেশি বাড়ল মজুরি, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে ‘বিকশিত ভারত–রোজগার ও আজীবিকা গ্যারান্টি মিশন (গ্রামীণ) আইন, ২০২৫’। নয়া আইনের আওতায় সারা (VB G RAM G) দেশে গ্রামীণ শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে (Minimum Wage)। পাশাপাশি যোগ্য গ্রামীণ পরিবারগুলিকে বছরে ১২৫ দিনের নিশ্চিত মজুরিভিত্তিক কর্মসংস্থানের আইনি অধিকার দেওয়া হয়েছে।

    বাড়ল গড় দৈনিক মজুরি (VB G RAM G)

    নয়া ব্যবস্থায় জাতীয় স্তরে ঘোষিত গড় দৈনিক মজুরি ২৯৮.৮ টাকা থেকে বেড়ে ৩২৭.৪ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ গড়ে ১০ শতাংশেরও বেশি মজুরি বেড়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, দেশের কোনও এলাকায়ই ঘোষিত ন্যূনতম দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকার নীচে থাকবে না। সমস্ত রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং নির্ধারিত মজুরি অঞ্চলের জন্য সংশোধিত মজুরির হার ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, অসম, অরুণাচল প্রদেশ এবং হিমাচল প্রদেশে দৈনিক মজুরি ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নতুন আইনে গ্রামীণ পরিবারগুলির জন্য নিশ্চিত কর্মসংস্থানের সীমা ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, এই উদ্যোগের ফলে গ্রামীণ কর্মসংস্থান আরও স্বচ্ছ, কার্যকর এবং ফলপ্রসূ হবে।

    মন্ত্রীর বক্তব্য

    সরকারের মতে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী গ্রামীণ সম্পদ গড়ে তোলা, প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং গ্রামে মহিলাদের নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। নতুন আইন নির্বিঘ্নে কার্যকর করতে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য অন্তর্বর্তী বরাদ্দ হিসেবে ৯৫ হাজার ৬৯২ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা দিয়ে দিয়েছে। এই অর্থ কর্মসংস্থান অব্যাহত রাখা, সময়মতো মজুরি দেওয়া এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের কাজে ব্যয় করা হবে। কেন্দ্রীয় গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, “বিকশিত ভারত–রোজগার ও আজীবিকা গ্যারান্টি মিশন (গ্রামীণ) আইন, ২০২৫ গ্রামীণ ভারতের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এই আইন গ্রামীণ শ্রমিকদের আরও বেশি জীবিকা সুরক্ষা, মর্যাদা এবং আত্মবিশ্বাস জোগাবে (VB G RAM G)।”

    সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন

    তিনি বলেন, “১০০ দিনের পরিবর্তে ১২৫ দিনের কর্মসংস্থানের আইনি নিশ্চয়তা গ্রামীণ পরিবারের পাশে থাকার সরকারের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। সরকারের অগ্রাধিকার হল, প্রত্যেক যোগ্য শ্রমিক যাতে প্রয়োজনের সময় কাজ পান, তা নিশ্চিত করা (Minimum Wage)।” মন্ত্রী জানান, নয়া আইন কার্যকর করার জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার প্রশাসনিক, আর্থিক ও কারিগরি সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। তাঁর আশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, দীর্ঘস্থায়ী গ্রামীণ সম্পদ গড়ে উঠবে, মহিলাদের ক্ষমতায়ন আরও জোরদার হবে এবং আত্মনির্ভর ও উন্নত গ্রামীণ ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্য পূরণে গতি আসবে। একই সঙ্গে তিনি দেশের নাগরিকদের শক্তিশালী ও আত্মনির্ভর গ্রাম গড়ে তোলার কাজে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান (VB G RAM G)।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন যাঁরা

    এই আইনের জাতীয় সূচনা অনুষ্ঠান হয় বৃহস্পতিবার অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি জেলার ওবুলভারিপল্লে মণ্ডলের মুক্কাভারিপল্লে গ্রামে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু, উপমুখ্যমন্ত্রী কোনিদেলা পবন কল্যাণ, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী চন্দ্র শেখর পেম্মাসানি, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কমলেশ পাসওয়ান-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। অনুষ্ঠানে নতুন কর্মসূচির সূচনা, উপভোক্তাদের গ্রামীণ কর্মসংস্থান গ্যারান্টি কার্ড বিতরণ, নতুন সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম চালু, বিভিন্ন (Minimum Wage) প্রকাশনা প্রকাশ, উপভোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং আইন কার্যকর করতে একাধিক উদ্যোগেরও সূচনা করা হয় (VB G RAM G)।

     

  • RG Kar: আরজি করকাণ্ডে বদলে ফেলা হয়েছিল তিলোত্তমার সংরক্ষিত ভিসেরা নমুনা!

    RG Kar: আরজি করকাণ্ডে বদলে ফেলা হয়েছিল তিলোত্তমার সংরক্ষিত ভিসেরা নমুনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নয়া বিতর্ক তিলোত্তমা ধর্ষণ ও খুন মামলায়। রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে সংরক্ষিত ভিসেরা নমুনা ইচ্ছাকৃতভাবে নষ্ট বা বদলে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে আরজি করকাণ্ডে (RG Kar) নির্যাতিতার পরিবার। প্রাক্তন এক ফরেনসিক আধিকারিকের পাঠানো চিঠির ভিত্তিতেই এই অভিযোগ (Rape Murder Case) প্রকাশ্যে এসেছে। পরিবারের দাবি, চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, রাজ্য ফরেনসিক বিভাগের তিন আধিকারিক গুরুত্বপূর্ণ নমুনা পরিবর্তন বা নষ্ট করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

    বদলে ফেলা হয়েছিল ভিসেরা নমুনা! (RG Kar)

    পরিবারের বক্তব্য, কয়েক দিন আগে নির্যাতিতার বাবার নামে ওই চিঠি পৌঁছয়। সেখানে দাবি করা হয়েছে, ময়নাতদন্তের সময় সংগ্রহ করা লিভার, কিডনি ও পাকস্থলীর ভিসেরা নমুনা পরে বদলে ফেলা হয়। সাধারণত মৃত্যুর আগে কোনও বিষাক্ত পদার্থ বা ঘুমের ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছিল কি না, তা জানতে এই নমুনাগুলি পরীক্ষার জন্য সংরক্ষণ করা হয়। অভিযোগ, সেই গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রমাণই পরে বদলে দেওয়া হয়েছে। পরিবারের আরও অভিযোগ, শুধু রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারেই নয়, সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর সময়ও নমুনা বদল করা হয়েছে। তাই মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রমাণের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। যদিও এই অভিযোগের সমর্থনে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি নথি বা স্বাধীন তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসেনি।

    সিবিআই তদন্তের দাবি

    এই পরিস্থিতিতে প্রাপ্ত চিঠিটি শিয়ালদহ আদালতে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিলোত্তমার পরিবার। আদালতের কাছে তাদের আবেদন, অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে পৃথক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হোক। পরিবারের দাবি, “এত গুরুতর অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া প্রকৃত সত্য সামনে আসবে না এবং (RG Kar) বিচারপ্রক্রিয়াও প্রশ্নের মুখে পড়বে।” চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, তৃণমূল সরকারের আমলে রাজনৈতিক হিংসায় নিহত বিজেপি এবং সিপিএম কর্মীদের একাধিক মামলায়ও ওই তিন ফরেনসিক কর্মী ভিসেরা নমুনা নষ্ট করেছিলেন। যদিও এই দাবির পক্ষেও এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ পেশ করা হয়নি। এদিকে, তিলোত্তমার পরিবারের করা অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীরা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুললেও, সংশ্লিষ্ট ফরেনসিক বিভাগ বা রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এ (Rape Murder Case) বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এখন রাজ্যবাসী তাকিয়ে আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে (RG Kar)।

     

LinkedIn
Share