Author: pranabjyoti

  • India GDP Ranking: বিশ্বের দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতিগুলির একটি ভারত, বলছে আইএমএফ

    India GDP Ranking: বিশ্বের দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতিগুলির একটি ভারত, বলছে আইএমএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অল্প সময়ের জন্য বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছিল ভারত। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের (IMF) ২০২৫–২৬ সালের সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী ফের ষষ্ঠ স্থানে নেমে এসেছে ভারত। যদিও (India GDP Ranking) দেশটি এখনও বিশ্বের দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতিগুলির একটি। তবে এই অবস্থান পতনের পেছনে বড় কোনও অর্থনৈতিক কারণ নেই, এটি মূলত পরিসংখ্যানগত।

    আইএমএফের হিসেব (India GDP Ranking)

    আইএমএফের এপ্রিল ২০২৬ সালের ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক আউটলুক (World Economic Outlook) অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ভারতের অর্থনীতি প্রায় ৩.৯২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যেখানে ব্রিটেনের অর্থনীতি প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন ডলার এবং জাপানের ৪.৪৪ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালে ভারতের জিডিপি ছিল ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ব্রিটেনের ৩.৪ ট্রিলিয়ন ডলারের চেয়ে বেশি ছিল। তাহলে ভারতের অবস্থান কমল কেন? যদিও ভারতের জিডিপি টাকার হিসেবে ২০২৪ সালে ছিল ৩১৮ ট্রিলিয়ন। ২০২৫ সালে এটাই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪৬.৫ ট্রিলিয়নে। ডলারের নিরিখে হিসেব করলে তাকে তুলনামূলকভাবে ছোট দেখায়।

    অবমূল্যায়নের পূর্বাভাসও রয়েছে

    এই পতন ঘটেছে যদিও টাকার হিসেবে নামমাত্র বৃদ্ধির হার ছিল প্রায় ৯ শতাংশ। পার্থক্যটি মূলত জিডিপি গণনার পদ্ধতিতে।আইএমএফ দেশগুলির জিডিপি ডলারের ভিত্তিতে র‍্যাঙ্ক (India GDP Ranking)করে। অর্থাৎ স্থানীয় মুদ্রার জিডিপিকে ডলারের বিনিময় হারের ভিত্তিতে রূপান্তর করা হয়। এই সময়ে টাকার মান ২০২৪ সালে প্রতি ডলারে ৮৪.৬ থেকে ২০২৫ সালে ৮৮.৫-এ নেমে এসেছে। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে আরও অবমূল্যায়নের পূর্বাভাসও রয়েছে। পরিসংখ্যান মন্ত্রক ২০২২–২৩ থেকে ২০২৩–২৪ পর্যন্ত চার বছরে নামমাত্র জিডিপি ২.৮ শতাংশ থেকে ৩.৮ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে সংশোধন করেছে, যা অর্থনীতির আকারকে তুলনামূলকভাবে ছোট দেখিয়েছে (IMF)।

    আইএমএফের পূর্বাভাস

    বিনিময় হার পরিবর্তনের ফলে র‍্যাঙ্কিং প্রভাবিত হয়েছে। সম্প্রতি টাকা দুর্বল অবস্থায় ছিল, ডলারের মূল্যমানের প্রেক্ষিতে লেনদেন হয়েছে ৯৪–৯৫ টাকার মধ্যে। পরে ৯৩.৩৯-এ স্থিতিশীল হয়েছে। এর কারণ হল পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি। বিদেশি পুঁজির বহিঃপ্রবাহ এবং হেজিং খরচ বৃদ্ধিও টাকার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। এর ফলে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক হস্তক্ষেপ করেছে। অন্যদিকে, ব্রিটিশ পাউন্ড তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকায় ব্রিটেন তার অবস্থান ধরে রেখেছে (India GDP Ranking)। আইএমএফের (IMF) পূর্বাভাস, এই অবস্থান দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে। ২০২৬ সালে ভারত ষষ্ঠ স্থানে থাকবে (প্রায় ৪.১৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার), যা ব্রিটেনের ৪.২৬ মার্কিন ডলার ট্রিলিয়নের নীচে। তবে ২০২৭ সালে ভারত আবার চতুর্থ স্থানে উঠবে (৪.৫৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার), টপকে যাবে ব্রিটেনকে।

    অর্থনীতিবিদদের অভিমত

    অর্থনীতিবিদদের মতে, ২০২৮ সালে ভারত জাপানকে ছাড়িয়ে যেতে পারে (৫.০৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার বনাম ৪.৭৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার)। ২০৩১ সালের মধ্যে ভারত দৃঢ়ভাবে তৃতীয় স্থানে পৌঁছতে পারে (৬.৭৯  ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার), সেই সময় জাপান থাকবে ৫.১৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে। তবে এই ব্যবধান খুবই কম (ব্রিটেনের ক্ষেত্রে প্রায় ১১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, জাপানের ক্ষেত্রে মাত্র ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার), ফলে ফল অনেকটাই নির্ভর করবে প্রবৃদ্ধি এবং মুদ্রার ওঠানামার ওপর।
    তবে র‍্যাঙ্কিংয়ে পরিবর্তন হলেও, আইএমএফের মতে, ভারত এখনও বিশ্বের দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া বড় অর্থনীতির দেশ হিসেবেই থাকবে। ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের জিডিপি ৬.১৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে এবং তৃতীয় স্থানে (IMF) থাকা জার্মানির সঙ্গে ব্যবধান কমবে (India GDP Ranking)।

    জিডিপির বেস ইয়ারে পরিবর্তন

    জানা গিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিন যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে থাকবে (৩৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২৭.৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার)। এ বছর ফেব্রুয়ারিতে জিডিপির বেস ইয়ার ২০১১–১২ থেকে ২০২২–২৩-এ পরিবর্তন করা হয়েছে। এর ফলে নতুন হিসেব অনুযায়ী অর্থনীতির আকার আগের তুলনায় ছোট দেখা যাচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ’২৬ অর্থবর্ষের জিডিপি পুরানো সিরিজে ৩৫৭ ট্রিলিয়ন টাকা থেকে নতুন সিরিজে ৩৪৫.৫ ট্রিলিয়ন টাকায় নেমে এসেছে। আইএমএফও তাদের পূর্বাভাস কমিয়েছে, ২০২৭ সালের জিডিপি অনুমান ৪.৯৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে কমিয়ে ৪.৫৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার করা হয়েছে।

     

  • Noida Protests: ধৃতদের অনেকে শ্রমিকই নন! নয়ডার অশান্তি শ্রমিক আন্দোলন নয়, ‘সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’?

    Noida Protests: ধৃতদের অনেকে শ্রমিকই নন! নয়ডার অশান্তি শ্রমিক আন্দোলন নয়, ‘সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ডার অশান্তি কোনও শ্রমিক আন্দোলন (Noida Protests) নয়। এটি একটি “সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র” (Well Planned Conspiracy)। অন্তত, এমনই মনে করছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিক তদন্তে উল্লেখযোগ্যভাবে বহিরাগতদের জড়িত থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হওয়া ৬৬ জনের মধ্যে ৪৫ জনই শ্রমিক নন। অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১৭ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে ১১ জনকে। এদের মধ্যে আবার ৮ জনই শ্রমিক নন।

    হিংসায় উসকানি (Noida Protests)

    এদিকে, হিংসায় উসকানি দেওয়ার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে ৩২ জনকে। এদের মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে ১৯ জনকে। এছাড়াও, শ্রমিক নন, এমন ৩৪ জনকেও আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, অশান্তি সৃষ্টি করতে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল তারা। তদন্তকারীরা আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছে। এদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে, সম্ভাবনা রয়েছে সংগঠিত নেটওয়ার্কের সঙ্গে এদের যোগাযোগ থাকারও। তদন্তকারীরা কিছু গোষ্ঠী এবং বহিরাগত লোকজনের জড়িত থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। এর মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হিংসায় ইন্ধন জোগানো হয়েছে, চেষ্টা করা হয়েছে আতঙ্ক ছড়ানোরও। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই হিংসা — যার মধ্যে অগ্নিসংযোগ এবং পাথর ছোড়াও রয়েছে, শুধুমাত্র শ্রমিক  অসন্তোষের কারণে নয়, বরং নয়ডার অর্থনৈতিক পরিবেশকে বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ (Well Planned Conspiracy)। পরিস্থিতি সাময়িকভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে পুলিশ-প্রশাসনের যৌথ হস্তক্ষেপে।

    কারখানাগুলিতে দ্রুত শুরু উৎপাদন

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে আধিকারিকরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন, উদ্যোগী হন শ্রমিকদের সমস্যার সমাধানেও (Noida Protests)। এদিকে, মজুরি সংশোধনের ঘোষণা হওয়ার পর শ্রমিক এবং শিল্প প্রতিষ্ঠান উভয় পক্ষই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই কারখানাগুলিতে দ্রুত শুরু হয়েছে স্বাভাবিক কার্যকলাপ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শিল্পক্ষেত্রে কাজকর্ম পুরোদমে ফের শুরু হয়েছে, স্বাভাবিকভাবেই চলছে উৎপাদনও (Noida Protests)। জানা গিয়েছে, সরকার “জিরো টলারেন্স” নীতির অধীনে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এও জানিয়ে দিয়েছে, হিংসায় উসকানি দেওয়া বা শিল্প পরিবেশ অস্থিতিশীল করার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Well Planned Conspiracy)।

     

  • Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিলিমিটেশন, জনগণনা এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন (Religion Based Reservation)। তর্ক-বিতর্কের জেরে এদিন কার্যত উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। কারণ লোকসভায় বিরোধী দল ডিলিমিটেশন বিলের তীব্র বিরোধিতা করে। তারা বিলটিকে ‘সংবিধানবিরোধী’ আখ্যা দেয়, যদিও (Amit Shah) তারা মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করে।

    তিন বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাজবাদী পার্টির (Religion Based Reservation) 

    এদিন, সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ধর্মেন্দ্র যাদব জানান, তাঁর দল এই তিনটি বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। কারণ ডিলিমিটেশনকে জনগণনা থেকে আলাদা করা হচ্ছে। আজমগড় কেন্দ্রের সাংসদ যাদব বলেন, “অনগ্রসর শ্রেণি এবং মুসলিম মহিলাদেরও মহিলা সংরক্ষণ আইনের আওতায় আনা উচিত।” তাঁকে সমর্থন করে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলেন, “আমি বিধানসভায় মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করি।” তাঁর প্রশ্ন, কেন জনগণনা করা হচ্ছে না? এর জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “২০২৭ সালের জনগণনার কাজ চলছে এবং সরকার জাতিগত গণনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তিনি এও বলেন, “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ ‘সংবিধান-বিরোধী’।” শাহ বলেন, “পুরো দেশ সংসদের কার্যাবলী দেখছে। অখিলেশ যাদব জিজ্ঞাসা করেছেন কেন আমরা জনগণনা করছি না। আমি পুরো দেশকে আশ্বস্ত করতে চাই এই বলে যে জনগণনা করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জাতিগত জনগণনার বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যেই (Amit Shah) কাজ করছে… আমি নিশ্চিত করতে চাই যে এটি একটি জাতিগত জনগণনা হবে।”

    মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ধর্মেন্দ্র যাদব যা বলেছেন, তা সংবিধান-বিরোধী। আমাদের সংবিধান কখনও ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের অনুমতি দেয় না। মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী… সমাজবাদী পার্টি চাইলে তাদের সব টিকিট মুসলিমদের দিতে পারে (Religion Based Reservation)।” এই বিতর্ক চলাকালীনই অখিলেশ যাদব জানান, শাহের মন্তব্য গণতন্ত্র-বিরোধী। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছেন, তা অগণতান্ত্রিক। তাহলে কি আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেক মুসলিম মহিলা অন্তর্ভুক্ত নন?” এই সময় লোকসভার স্পিকার বলেন, “উভয় সদস্যকেই তাঁদের মতামত প্রকাশের জন্য সময় দেওয়া হবে (Amit Shah)।” সংসদের বিশেষ অধিবেশনে শাহ এবং কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল মহিলাদের সংরক্ষণ আইন সংশোধন এবং ডিলিমিটেশন কমিশন গঠনের জন্য তিনটি বিল পেশ করেন। বিরোধীরা এর প্রতিবাদ করেন। যদিও বিরোধীদের সাফ কথা, তাঁরা মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধী নন। তবে তাঁরা সংবিধান সংশোধনী বিলে ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত বিধানের বিরোধী (Religion Based Reservation)।

     

  • PM Modi: “মহিলা ক্ষমতায়নের দিকে ভারত একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “মহিলা ক্ষমতায়নের দিকে ভারত একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংসদের বিশেষ অধিবেশন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলা ক্ষমতায়নের দিকে ভারত একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে।” বৃহস্পতিবার (Womens Reservation Bill) সাত সকালে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “আমাদের মা ও বোনদের প্রতি সম্মানই জাতির প্রতি সম্মান।” বৃহস্পতিবার সংসদে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন শুরুর আগে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে প্রশাসনে নারীদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    সংসদে শুরু বিশেষ অধিবেশন (PM Modi)

    বস্তুত, এই মন্তব্যটি এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন সংসদে ১৬ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত তিন দিনের একটি বিশেষ অধিবেশন বসছে, যার লক্ষ্য মহিলা সংরক্ষণ আইন দ্রুত বাস্তবায়িত করা। প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় ৫৪৩টি আসন বিশিষ্ট লোকসভার সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৮৫০ আসনে উন্নীত করার কথাও বলা হয়েছে। মহিলাদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা।

    সীমানা নির্ধারণ কমিশন

    সূত্রের খবর, রাজ্যগুলির জন্য প্রায় ৮১৫টি আসন এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য বরাদ্দ করা হতে পারে ৩৫টি। তবে চূড়ান্ত সংখ্যাটি নির্ধারণ করবে আসন পুনর্বিন্যাস কমিশন (Delimitation Commission)। এই কমিশন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনগুলির বণ্টনও নির্ধারণ করবে। প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকে কার্যকর হতে পারে (Womens Reservation Bill)। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আসন বণ্টন হবে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের (PM Modi) ভিত্তিতে, যেখানে ২০১১ সালের জনগণনা ব্যবহৃত হবে ভিত্তি হিসেবে। সূত্রের খবর, উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির তুলনায় কম। তাই দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে তুলনামূলক সুবিধা পেতে পারে (PM Modi)। এদিকে, এদিন কেন্দ্রের তরফে তিনটি বিল পেশ করা হবে। এগুলি হল, ডিলিমিটেশন বিল, সংবিধান সংশোধন বিল এবং ইউনিয়ন টেরিটরিজ বিল।

  • Chadha Z Security: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    Chadha Z Security: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা (Chadha Z Security) দিল কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, এই নিরাপত্তা দিল্লি ও পাঞ্জাব – দুই রাজ্যেই প্রযোজ্য হবে (AAP)। তাঁর সুরক্ষায় মোতায়েন করা হবে আধাসামরিক বাহিনী। সূত্রের খবর, আপাতত দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগে পর্যন্ত চাড্ডাকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তটি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর তৈরি করা হুমকি মূল্যায়ন রিপোর্টের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল।

    চাড্ডার জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা প্রত্যাহার (Chadha Z Security)

    পাঞ্জাবের আম আদমি পার্টি সরকারের পক্ষ থেকে তাঁর আগের জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দুদিনের মধ্যেই চাড্ডাকে নিরাপত্তা প্রদানের ঘোষণা করল কেন্দ্র। রাজ্য পুলিশের দেওয়া এই নিরাপত্তা তুলে নেওয়া রাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। কারণ চাড্ডা ও দলের নেতৃত্বের মধ্যে চলা বর্তমান দ্বন্দ্ব। চাড্ডা পাঞ্জাব থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত একজন গুরুত্বপূর্ণ আপ নেতা। এতদিন রাজ্য সরকারের তরফে তাঁকে দেওয়া হচ্ছিল জেড প্লাস নিরাপত্তা। গত সপ্তাহে এই নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়, যখন দলের ভেতরের বিরোধ আরও তীব্র হয়। কেন্দ্রের তরফে দ্রুত জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    চাড্ডার প্রতিক্রিয়া

    চাড্ডাকে রাজ্যসভায় আপের ডেপুটি লিডারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও এই নিরাপত্তা পরিবর্তনের সঙ্গে মিলে গিয়েছে, যার জেরে দলের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ আরও তীব্র হয়েছে (AAP)। এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় চাড্ডা জানান, তিনি পরাজিত নন, বরং তাঁকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে—যা দলের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তাঁর স্পষ্ট প্রতিবাদ। আপ নেতাদের অভিযোগ, চাড্ডা সংসদে পাঞ্জাবের সমস্যাগুলি যথেষ্ট জোর দিয়ে তোলেননি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে নরম অবস্থান নিয়েছেন তিনি। রাঘব গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী কার্যকলাপে অংশ নেননি, যেমন ওয়াকআউট বা সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নোটিশে সই করা। চাড্ডা এই অভিযোগগুলি মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর সাফ কথা, একজন সাংসদ হিসেবে তাঁর কাজ হল গঠনমূলকভাবে জনস্বার্থের বিষয় তুলে ধরা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা নয়। তিনি দাবি করেন, তাঁর সংসদীয় কাজই তার প্রমাণ (Chadha Z Security)।

    রাঘবের নিশানায় কে

    এদিকে, সম্প্রতি চাড্ডা সোশ্যাল মিডিয়ায়ও সক্রিয় হয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি সংসদে তাঁর বক্তব্যের ভিডিও শেয়ার করেছেন, যার একটির শিরোনাম ছিল “ভয়েস রেজড, প্রাইস পেড (Voice Raised Price Paid)।” একটি পোস্টে রাঘব বলেন, “আমার কাজই আমার হয়ে কথা বলবে (AAP)।” বস্তুত, রাজনৈতিক জল্পনা আরও বাড়িয়েছে রাঘবের একটি মন্তব্য, যেখানে তাঁকে নিজের দল গঠনের পরামর্শ দেওয়া একটি ভিডিওতে তিনি লিখেছিলেন “ইন্টারেস্টিং থট”। তিনি “নেভার আউটসাইন দ্য মাস্টার (Never Outshine the Master)” বাক্যটির উল্লেখ করে একটি ছবি শেয়ার করেন, যা দেখে অনেকেরই ধারণা দলনেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের উদ্দেশ্যেই এই ইঙ্গিত। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলীয় দ্বন্দ্ব যত গভীর হচ্ছে, ততই রাঘবের ওপর থেকে রাজ্য নিরাপত্তা প্রত্যাহার এবং কেন্দ্রের দ্রুত নতুন নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা—উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে (Chadha Z Security)।

  • Indias Nuclear Leap: ভারতের পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর পৌঁছেছে স্বয়ংসম্পূর্ণ স্তরে, বিশ্ব কাঁপাবে মোদির দেশ!

    Indias Nuclear Leap: ভারতের পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর পৌঁছেছে স্বয়ংসম্পূর্ণ স্তরে, বিশ্ব কাঁপাবে মোদির দেশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যাহত ভারতের উন্নতির জয়যাত্রা (Reactor Success)। এবার ভারতের সবচেয়ে উন্নত পারমাণবিক রিয়্যাক্টর (Indias Nuclear Leap) একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্তরে পৌঁছেছে, যা দেশের পারমাণবিক শক্তি কর্মসূচির জন্য একটি বড় অগ্রগতি। শুধু তা-ই নয়, ইউরেনিয়ামের ওপর নির্ভরতা কমানোর দিকে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর (Indias Nuclear Leap)

    দক্ষিণ ভারতের কালপক্কমে অবস্থিত প্রোটোটাইপ ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর (PFBR) সম্প্রতি ‘ক্রিটিক্যালিটি’ অর্জন করেছে। এটি হল সেই স্তর, যেখানে পারমাণবিক চেন বিক্রিয়া নিজে থেকেই চলতে পারে। এই রিয়্যাক্টর সম্পূর্ণরূপে চালু হলে, ভারত হবে রাশিয়ার পর দ্বিতীয় দেশ, যার একটি কর্মাশিয়াল ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর থাকবে। প্রশ্ন হল, ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর কী? জানা গিয়েছে, ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর হল এমন একটি উন্নত রিয়্যাক্টর (পরমাণু চুল্লি) যা যতটা ফিসাইল মেটিরিয়্যাল (fissile material) বা পরমাণু জ্বালানি ব্যবহার করে, উৎপন্ন করে তার চেয়েও বেশি। এই রিঅ্যাক্টরটি তৈরি করেছে ইন্দিরা গান্ধী সেন্টার ফর অ্যাটোমিক রিসার্চ (IGCAR), যা ভারতের ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যাটমিক এনার্জির অধীনস্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এই রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা ৫০০ এমডাব্লুই (megawatt electrical), সাধারণ রিয়্যাক্টর ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে এবং প্লুটোনিয়াম তৈরি করে বর্জ্য হিসেবে। সেই প্লুটোনিয়ামকেই আবার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। এর ফলে লাগে কম ইউরেনিয়াম, যদিও উৎপন্ন করতে পারে এর ঢের বেশি শক্তি।

    ভারতের পারমাণবিক কর্মসূচির ৩টি ধাপ

    ভারতের পারমাণবিক কর্মসূচি ৩টি ধাপে বিভক্ত। প্রথম ধাপে রয়েছে প্রেসারাইজড হেভি ওয়াটার রিঅ্যাক্টর, জ্বালানি ইউরেনিয়াম, বর্জ্য হিসেবে উৎপন্ন করে প্লুটোনিয়াম। দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর, জ্বালানি ইউরোনিয়াম এবং প্লুটোনিয়াম, এতে উৎপন্ন হবে আরও প্লুটোনিয়াম এবং ইউরেনিয়াম-২৩৩ (Indias Nuclear Leap)। আর তৃতীয় তথা শেষ স্তরে থাকছে থোরিয়াম-ভিত্তিক রিঅ্যাক্টর, জ্বালানি থোরিয়াম+ইউরেনিয়াম-২৩৩। বিশ্বে থোরিয়ামের মজুদের পরিমাণ ইউরেনিয়ামের ৪ গুণ। এর মধ্যে ভারতেই রয়েছে ইউরেনিয়াম আনুমানিক ১–২ শতাংশ, থোরিয়াম  ২৫ শতাংশের বেশি। তাই ভবিষ্যতে থোরিয়ামই ভারতের জন্য হয়ে উঠবে বড় সম্পদ (Reactor Success)। প্রশ্ন হল, কীভাবে কাজ করে এফবিআর? প্রথমে ইউরেনিয়াম রূপান্তরিত হয় প্লুটোনিয়ামে। সেই প্লুটোনিয়াম আবার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ফলে একধরনের সেল্ফ-সাসটেনিং সাইকেল তৈরি হয় (Indias Nuclear Leap)।

    কী বললেন অধ্যাপক এমভি রামানা?

    ইউনিভার্সিটি অফ কলম্বিয়ার অধ্যাপক এমভি রামানা বলেন, পিএফবিআরের খরচ প্রাথমিক অনুমানের দ্বিগুণের বেশি, উৎপাদিত বিদ্যুৎ সাধারণ রিয়্যাক্টরের তুলনায় ~৮০ শতাংশ বেশি ব্যয়বহুল এবং সৌর শক্তির তুলনায়ও বেশি খরচ। নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের অধ্যাপক পল নরম্যান বলেন, এটি তাত্ত্বিকভাবে সব ইউরেনিয়াম ব্যবহার করতে পারে, থোরিয়াম ব্যবস্থায়ও রূপান্তর সম্ভব। বিজ্ঞানী কোরাউস শিবম বলেন, ভারতকে আরও দ্রুত উন্নয়ন করতে হবে, এই একই ধরনের রিয়্যাক্টর মাত্র ৬ বছরে তৈরি করেছে চিন। জানা গিয়েছে, ভারত বিশ্বের ৩য় বৃহত্তম শক্তি ব্যবহারকারী। বর্তমানে নিউক্লিয়ার এনার্জি হল ~৩ শতাংশ। বস্তুত, ২০২৪ সালে ৮,১৮০ মেগাওয়াট শক্তি মিলত। ২০৪৭ সালে এটাই বেড়ে হবে ১০০জিডাব্লু। বর্তমানে তামাম বিশ্বে পারমানবিক শক্তির প্রবণতা হল, ১৯৯৬: ১৭.৫ শতাংশ, ২০২৪ সালে হয় ৯ শতাংশ। এদিকে, রিনিউয়েবল এনার্জির পরিমাণ হবে  ~১৭.৩ শতাংশ। প্রাথমিক জ্বালানি হতে পারে মিক্সড অস্কাইড ফুয়েল, ইউরেনিয়াম-২৩৮, নিউট্রন গ্রহণ করে প্লুটোনিয়ামে রূপান্তরিত হয়, কম তৈরি হয় নিউক্লিয়ার ওয়েস্ট (Indias Nuclear Leap)।

    রিঅ্যাক্টরের গুরুত্ব

    এই রিঅ্যাক্টর (Reactor Success) ভারতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এতে একদিকে যেমন কমবে ইউরেনিয়ামের ওপর নির্ভরতা, থোরিয়াম ব্যবহার সম্ভব করবে, বাড়াবে শক্তি উৎপাদনও। তবে এতে খরচ হবে বেশি, প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জও রয়েছে, রিনিউয়েবল এনার্জির একটি শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। ভারত সরকার বলেছে যে এই রিঅ্যাক্টরটি এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যাতে “ভারত তার সীমিত ইউরেনিয়াম মজুদ থেকে আরও বেশি শক্তি আহরণ করতে পারে এবং একই সঙ্গে থোরিয়াম-ভিত্তিক (Reactor Success) রিঅ্যাক্টরের বৃহৎ পরিসরে ব্যবহার করার পথ তৈরি করে (Indias Nuclear Leap)।”

     

  • Vanishing Lakes of Kashmir: বিপন্ন ভূস্বর্গের জীববৈচিত্র্য, লুপ্ত হয়ে গিয়েছে ৫১৮টি হ্রদ!

    Vanishing Lakes of Kashmir: বিপন্ন ভূস্বর্গের জীববৈচিত্র্য, লুপ্ত হয়ে গিয়েছে ৫১৮টি হ্রদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৬৭ সাল থেকে ৬৯৭টি প্রাকৃতিক হ্রদের মধ্যে ৫১৮টি হয় সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে অথবা আয়তনে কমে গিয়েছে (CAG)। ফলে পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ক্ষতি হয়েছে জীববৈচিত্র্যেরও (Vanishing Lakes of Kashmir)। ক্যাগের রিপোর্টেই উঠে এসেছে ভূস্বর্গের চাঞ্চল্যকর এই ছবি। ক্যাগের আধিকারিকরা ওপর থেকে নীচ পর্যন্ত নথিপত্র যাচাই করার ক্ষেত্রে তাঁদের সূক্ষ্মতা এবং কঠোর পর্যবেক্ষণের জন্য পরিচিত। বিভিন্ন মন্ত্রক ও দফতরের উল্লেখ করে ক্যাগের প্রতিবেদনগুলিতে ত্রুটি, ভুলভ্রান্তি এবং ঘাটতিগুলি তুলে ধরা হয়। এসব বিশদ মন্তব্য ও সুপারিশ প্রায়ই সংশোধনের পথ দেখায়। চলতি বছরের জম্মু-কাশ্মীরের ওপর ক্যাগের রিপোর্টে বহু সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, বিশেষ করে হ্রদগুলিকে উদ্বেগের বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

    লোপ পাচ্ছে একের পর এক হ্রদ (Vanishing Lakes of Kashmir)

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, জলজ এলাকা থেকে জলাভূমি, তারপর দ্বীপ এবং শেষে মানুষের বসবাসযোগ্য জমিতে রূপান্তর একটি প্রায় অপরিবর্তনীয় প্রক্রিয়া। ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সংরক্ষণ সংক্রান্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, মোট ২৮,৯৯০ হেক্টর এলাকাজুড়ে থাকা ৬৯৭টি হ্রদের মধ্যে ৩১৫টি হ্রদ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়েছে এবং ২০৩টি হ্রদের আয়তন ১,৩১৪.১৯ হেক্টর কমেছে। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দখলদারিত্ব বা দুর্গম এলাকায় অনুপ্রবেশ—উভয়ই একই ফল দেয়, ক্রমেই সংকুচিত হয় উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল। মোট ৫১৮টি হ্রদের ২,৮৫১.২৬ হেক্টর এলাকা হ্রাস পেয়েছে কিংবা বিলুপ্ত হয়েছে। এশিয়ার বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ উলার হ্রদ (Wular Lake)-এর অবস্থাও একই রকম উদ্বেগজনক (Vanishing Lakes of Kashmir)। এই তালিকায়ই রয়েছে ডাল লেক এবং শ্রীনগরের অন্যান্য হ্রদগুলিও।

    ক্যাগের সুপারিশ

    কার্যকর সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য সময়সীমাবদ্ধ ও কাঠামোবদ্ধ পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেছে ক্যাগ। আয়তনে লেকের এই কমে যাওয়া আকার পরিবেশগত পরিষেবা ব্যাহত করেছে এবং জল, খাদ্য ও জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। হ্রদের আয়তন কমে যাওয়াও জলবায়ু নিরাপত্তাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ২০১৪ সালের কাশ্মীরে বন্যার  অন্যতম কারণ ছিল উলার হ্রদের অবক্ষয়, যা স্বাভাবিকভাবে বন্যা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (CAG)। জানা গিয়েছে, ২০৩টি সংকুচিত হ্রদের মধ্যে ৬৩টি ৫০ শতাংশেরও বেশি আয়তন খুইয়েছে, যা তাদের বিলুপ্তির ঝুঁকিতে ফেলেছে। ক্যাগের মতে, ভূমি ব্যবহারের পরিবর্তন, বন উজাড়, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নিয়ন্ত্রণহীন মানবিক কার্যকলাপই এই অবক্ষয়ের প্রধান কারণ (Vanishing Lakes of Kashmir)।

    সমস্যায় ডাল লেকও

    ডাল লেকের ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। ২০০৭ সালে ১৫.৪০ বর্গকিমি থেকে ২০২০ সালে ১২.৯১ বর্গকিমিতে নেমে এসেছে। গত ১৩ বছরে ১০.১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। একই সময়ে ভাসমান উদ্ভিদ, কৃষিজমি এবং বসতিস্থানের পরিমাণ বেড়েছে। ক্যাগের রিপোর্টেই  লক্ষ্য করা গিয়েছে যে লেকস কনজারভেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (Lakes Conservation and Management Authority ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়া সিউয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (STP) সঠিকভাবে কাজ না করা, দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা, এবং দুর্বল নজরদারি পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে। জাতীয় হ্রদ সংরক্ষণ কর্মসূচি (NLCP) এবং প্রধানমন্ত্রীর পুনর্গঠন কর্মসূচি (PMRP)-এর বাস্তবায়নেও গুরুতর ঘাটতি দেখা গিয়েছে। STP-তে ৪৫ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করা সত্ত্বেও বর্জ্য যথাযথভাবে শোধন করা হয়নি। ওই প্রতিবেদনই জানায় যে পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং পর্যবেক্ষণে ঘাটতি (CAG) থাকলে ডাল লেকের (Vanishing Lakes of Kashmir) পুনরুদ্ধার কঠিন হয়ে পড়বে।

     

  • Iran: ৪৭তম দিনে পড়ল ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, ক্ষোভ

    Iran: ৪৭তম দিনে পড়ল ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবস্থা থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে ইরান (Iran)। ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ সংস্থা নেটব্লকসের মতে, ইরানে ইন্টারনেটের প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট (Digital Blackout) এখন ৪৭তম দিনে পড়ল, যেখানে সাধারণ জনগণ ১,১০৪ ঘণ্টা ধরে আন্তর্জাতিক সংযোগ ছাড়াই রয়েছেন। চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতেই নতুন করে শুরু হওয়া দেশীয় বিক্ষোভের পর ডিজিটাল অ্যাক্সেস ভেঙে পড়তে শুরু করে। ফেব্রুয়ারির শেষদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞাগুলি আরও কঠোর ও তীব্র হয়ে ওঠে।

    বিশাল তথ্যশূন্যতা (Iran)

    পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলি জানিয়েছে, এই দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন লাখ লাখ মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছে এবং একটি বিশাল তথ্যশূন্যতা তৈরি করেছে। যদিও অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক আংশিকভাবে চালু রয়েছে, তবে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের বাধা দেশটিকে একটি ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক সংঘাত ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার সময় কার্যত বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধ অবস্থা সাম্প্রতিক ইতিহাসে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত ডিজিটাল সেন্সরশিপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে, যেখানে ১,১০৪ ঘণ্টার মাইলফলক সংযোগ সঙ্কটের তীব্রতা নির্দেশ করছে। এই অভ্যন্তরীণ ডিজিটাল নীরবতা একই সঙ্গে একটি গভীরতর কূটনৈতিক ও সামরিক সংঘাতের সঙ্গে মিলে গিয়েছে। বুধবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বিদেশি চাপ ও সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “ইসলামিক রিপাবলিকের ওপর বলপ্রয়োগের যে কোনও চেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে।” এহেন মন্তব্যটি এসেছে যখন একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি এবং পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত সম্পূর্ণ বন্ধ করার লক্ষ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে (Iran)।

    ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবর

    ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ-এর মতে, পেজেশকিয়ান জোর দিয়ে বলেন, “ইরান গঠনমূলক আলোচনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও জোরজবরদস্তির কাছে নতি স্বীকার করবে না।” ইসলামাবাদে প্রাথমিক আলোচনার অচলাবস্থার পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা আলোচনার খবরের প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্যটি আসে। তিনি বলেন, “আমরা গঠনমূলক আলোচনার ওপর জোর দিচ্ছি, কিন্তু আত্মসমর্পণে বাধ্য হব না। ইরানের ওপর নিজের ইচ্ছা চাপিয়ে দেওয়ার যে কোনও প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে এবং জনগণ কখনওই তা মেনে নেবে না। ইরান যুদ্ধ চায় না (Digital Blackout)।”

    তেহরান-ওয়াশিংটনের সম্পর্ক আরও খারাপ

    প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য বর্তমান পরিস্থিতিতে বেড়ে যাওয়া উত্তেজনার প্রতিফলন, বিশেষ করে আমেরিকা কর্তৃক ইরানের বন্দরগুলি অবরোধের সিদ্ধান্তের পর, যা তেহরান ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ককে আরও খারাপ করেছে (Iran)। পেজেশকিয়ান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক পদক্ষেপের বৈধতা ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং অসামরিক পরিকাঠামোর ওপর হামলার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর প্রশ্ন, “কার অনুমতিতে এবং কোন অপরাধের জন্য আমাদের দেশের ওপর এই আক্রমণ চালানো হয়েছে?” তিনি এও বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতির আলোকে অসামরিক মানুষ, শিশু, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং স্কুল-হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে হামলার কোনও যৌক্তিকতাই নেই।” তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান শান্তি চায়, তবে তার সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কোনও বাহ্যিক চাপ দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করবে। ৪৭তম দিনে ইরানের ১,১০৪ ঘণ্টার ডিজিটাল ব্ল্যাকআউট (Digital Blackout) আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্যে আরও তীব্র হয়েছে (Iran)।

    ইরানের বন্দরগুলিতে সফল অবরোধ

    এই প্রতিরোধ এখন একটি বৃহৎ সামরিক মোতায়েনের মুখে পড়েছে। একই দিনে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড ঘোষণা করে, ইরানের বন্দরগুলিতে পূর্ণ অবরোধ সফলভাবে কার্যকর হয়েছে। মার্কিন বাহিনী কৌশলগত জলপথ, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে, সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে, যার ফলে দেশের অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা ডিজিটাল ব্ল্যাকআউটের সঙ্গে মিশে গিয়েছে। এক বিবৃতিতে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানান, মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন বাহিনী ইরানের সমুদ্রপথে সব ধরনের বাণিজ্য কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, “মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনী সামুদ্রিক আধিপত্য বজায় রাখার ফলে ইরানের বন্দরগুলি সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে গিয়েছে। ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অর্থনীতি সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। অবরোধ শুরুর ৩৬ ঘণ্টারও কম সময়ে সমুদ্রপথে সব অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।”

    আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার জানিয়েছেন, এই অভিযানে ১০,০০০-এর বেশি মার্কিন সেনা সদস্য, নাবিক, মেরিন ও বিমানসেনা অংশ নিয়েছে, পাশাপাশি এক ডজনেরও বেশি যুদ্ধজাহাজ ও বহু বিমান (Digital Blackout) মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে আঞ্চলিক সঙ্কট চলাকালীন অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর থাকে (Iran)।

     

  • Earthquake: ফের ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান, পাশে থাকার আশ্বাস ভারতের

    Earthquake: ফের ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান, পাশে থাকার আশ্বাস ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্পের জেরে বুধবার কেঁপে উঠল আফগানিস্তান। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৬। এক বিবৃতিতে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি হয়েছিল মাটির ১৪০ কিলোমিটার গভীরে। এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টেই এ খবর জানিয়েছে এনসিএস। গত ১২ এপ্রিলও ভূমিকম্পের কবলে পড়েছিল আফগানিস্তান। সেদিনও কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৬। তার উৎসস্থল ছিল ১৫০ কিলোমিটার গভীরে। এর আগে ৬ এপ্রিল, ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল, ভারত বন্যা ও ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত আফগানিস্তানকে মানবিক সাহায্য দিয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (Earthquake)

    এক্স হ্যান্ডেলে আর একটি পোস্টে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারত মানবিক সাহায্য ও দুর্যোগ ত্রাণ সামগ্রী সরবরাহ করেছে, যার মধ্যে ছিল রান্নার সেট, স্বাস্থ্যবিধি কিট, প্লাস্টিক শিট, ত্রিপল, স্লিপিং ব্যাগ এবং আরও অন্যান্য সামগ্রী।” তিনি বলেন, “ভারত আফগানিস্তানের জনগণের পাশে রয়েছে এবং এই কঠিন সময়ে মানবিক সহায়তা ও সমর্থন অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” টোলো (TOLO) নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুদিনে আফগানিস্তানের ২৫টি প্রদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫-এ। জখম হয়েছেন ৫২ জন। রেড ক্রসের মতে, আফগানিস্তানে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়, বিশেষ করে হিন্দুকুশ অঞ্চলে, যা অত্যন্ত সক্রিয় ভূকম্পন অঞ্চলের অন্তর্গত।

    আফগানিস্তানের ভূমিকম্পপ্রবণতা

    আফগানিস্তানের ভূমিকম্পপ্রবণতা এর অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত, কারণ এটি রয়েছে ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষ অঞ্চলে। এছাড়া, একটি প্রধান ফল্ট লাইন দেশের বিভিন্ন অংশ দিয়ে গিয়েছে, যার মধ্যে হেরাত অঞ্চলও রয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় অফিস (UNOCHA) জানিয়েছে, আফগানিস্তান এখনও ভূমিকম্প, ভূমিধস এবং বন্যা-সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বারবার কম্পন পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তোলে, বিশেষ করে সেইসব সম্প্রদায়ের জন্য যারা বহু বছরের সংঘাত ও সীমিত উন্নয়নের কারণে ইতিমধ্যেই দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।

     

  • Constitution Amendment Bill: সংবিধান সংশোধনী বিলে নয়া ডিলিমিটেশনের প্রস্তাব

    Constitution Amendment Bill: সংবিধান সংশোধনী বিলে নয়া ডিলিমিটেশনের প্রস্তাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বিধানসভাগুলির আকার ও গঠনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে সংবিধান (একশত একত্রিশতম সংশোধনী) বিল, ২০২৬। এতে ফের সীমানা পুনর্নির্ধারণ (delimitation) প্রক্রিয়া (Fresh Delimitation) শুরু করা এবং ১৯৭৬ সাল থেকে কার্যকর থাকা জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাসের ওপর দীর্ঘদিনের সাংবিধানিক স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে (Constitution Amendment Bill)। এই বিলটি সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে। অধিবেশন শুরু হবে ১৬ এপ্রিল থেকে। প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলির ফলে রাজ্য বিধানসভাগুলির মোট আসনসংখ্যা জনসংখ্যার পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে বদলাবে, রাজ্যের অভ্যন্তরে নির্বাচনী এলাকার সীমানাও নতুন করে নির্ধারণ করা হবে।

    ডিলিমিটেশন কমিশনকে দায়িত্ব (Constitution Amendment Bill)

    জানা গিয়েছে, এই বিলটি সংবিধানের ১৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব দেয়, যা রাজ্য বিধানসভার গঠন নিয়ন্ত্রণ করে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে সংসদ নির্ধারিত একটি জনগণনার ভিত্তিতে বিধানসভার আসনসংখ্যা পুনর্নির্ধারণ এবং নির্বাচনী এলাকার সীমানা ফের আঁকার ব্যবস্থা করা হবে। এভাবে ১৯৭৬ সাল থেকে চালু থাকা পুনর্বিন্যাসের ওপর স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হবে। বিলটি ১৭০ অনুচ্ছেদের তৃতীয় শর্তটি বাতিল করার প্রস্তাব দেয়, যা ২০২৬ সালের জনগণনার পর পর্যন্ত সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছিল (Constitution Amendment Bill)। এই সংশোধনীর মাধ্যমে আগে যেখানে সংসদ সীমানা নির্ধারণ কর্তৃপক্ষ ঠিক করত, সেখানে এখন সরাসরি একটি ডিলিমিটেশন কমিশনকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে। ১৭০(২) অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যায় ‘জনসংখ্যা’ বলতে সংসদ যে জনগণনাকে গ্রহণ করবে, সেই জনগণনার তথ্য বোঝাবে (Fresh Delimitation)।

    এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য

    জানা গিয়েছে, বিলটি ৩৩৪এ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন করে রাজ্য বিধানসভায় এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা কার্যকর করবে। এই সংরক্ষণ কার্যকর হবে তখনই, যখন সর্বশেষ প্রকাশিত জনগণনার ভিত্তিতে নতুন করে সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হবে। উল্লেখ্য যে, সর্বশেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে (Constitution Amendment Bill)। সংরক্ষিত আসনগুলিকে পরবর্তী সীমানা পুনর্নির্ধারণে রাজ্যের মধ্যে ঘুরিয়ে (rotation) দেওয়া হবে। এই সংরক্ষণ ২০২৩ সালের সংবিধান (১০৬তম সংশোধনী) আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে, যদি না সংসদ আইন করে এর মেয়াদ বাড়ায়। বিলটিতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু রাজ্যে যাতে উপজাতি প্রতিনিধিত্ব কমে না যায়, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ৩৩২ অনুচ্ছেদের সংশোধনের মাধ্যমে অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা ও নাগাল্যান্ডে উপজাতিদের বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে (Constitution Amendment Bill)।

    তফশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত আসন

    এছাড়া নির্ধারিত হয়েছে যে, তফশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা বর্তমান অনুপাতের নীচে নামবে না (Fresh Delimitation)। এই পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হবে প্রস্তাবিত ডিলিমিটেশন বিল, ২০২৬ অনুযায়ী। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার একটি সীমানা পুনর্নির্ধারণ কমিশন গঠন করবে। এই কমিশনের প্রধান হবেন সুপ্রিম কোর্টের বর্তমান বা প্রাক্তন বিচারপতি। থাকবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (অথবা নির্বাচন কমিশনের মনোনীত কোনও কমিশনার) এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার। প্রত্যেক রাজ্যে ১০ জন সহযোগী সদস্য থাকবেন। এঁদের মধ্যে ৫ জন লোকসভার সদস্য এবং ৫ জন রাজ্যের বিধায়ক। তাঁরা কমিশনকে সাহায্য করতে পারবেন, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ভোট দিতে পারবেন না (Constitution Amendment Bill)।

    আসুন, জেনে নেওয়া যাক কমিশনের কাজটি ঠিক কী। কমিশন প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের লোকসভার আসন নির্ধারণ করবে, রাজ্য বিধানসভার মোট আসনসংখ্যা ঠিক করবে, সংসদীয় ও বিধানসভা আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করবে, তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন চিহ্নিত করবে। খসড়া প্রস্তাব জনমত ও আপত্তির জন্য প্রকাশ করা হবে। পরে চূড়ান্ত হলে তা ভারতের গেজেটে প্রকাশিত হবে এবং আইনের শক্তি পাবে। তখন আর একে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না (Fresh Delimitation)।

    নতুন সীমানাগুলি কমিশনের চূড়ান্ত নির্দেশের পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কার্যকর হবে (Constitution Amendment Bill)।

     

LinkedIn
Share