Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Covid Among Children: শিশুদের মধ্যে কোভিড নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    Covid Among Children: শিশুদের মধ্যে কোভিড নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে করোনা (Covid-19) সংক্রমণের গ্রাফ ফের ঊর্ধ্বমূখী। রাজধানী দিল্লিতে (Delhi) প্রতিদিনই বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যা। করোনার চতুর্থ ঢেউ (Covid 4th Wave) কী এসে গেল? ঘুরছে প্রশ্ন। 
    দীর্ঘ দু’বছর স্কুল বন্ধ থাকার পর সবে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে পঠন-পাঠন। এর মধ্যে স্কুল বন্ধ হলে ছাত্রছাত্রীদের ক্ষতি হবে বলেই মনে করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে অভিভাবকরা। কিন্তু স্কুল খোলা থাকলে কী শিশুদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে না? ইতিউতি ঘুরছে সেই প্রশ্নও। 

    তবে দেশে করোনার প্রকোপ বাড়লেও এখনই শিশুদের নিয়ে কোনও উদ্বেগের কারণ নেই বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁদের বক্তব্য, স্কুল খোলা থাকলেই চতুর্থ ঢেউয়ে করোনা এসে বেছে বেছে শিশুদের আক্রমণ করবে, এমন ভাবনার কোনও বিজ্ঞান-ভিত্তি নেই। এ নিয়ে মুখ খুলেছেন AIIMS -এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া (Randeep Guleria)।  তবে সতর্কতায় যাতে একচুল খামতি না-থাকে, সে কথাও পইপই করে মনে করিয়ে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

    চিকিৎসকদের বক্তব্য, মিউটেশনের ফলে করোনা কী রূপ নেবে, সে সম্পর্কে এখনও তেমন ধারণা নেই কারও। অতএব, শিশুদের উপরে তা কতটা কামড় বসাবে, তা নিয়ে আগাম কিছু বলা অসম্ভব।  AIIMS-র ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া বলেছেন, “আমার মনে হয় না, ভবিষ্যতে শিশুরা সঙ্কটজনক ভাবে সংক্রামিত হবে। এখনও পর্যন্ত এমন কোনও নির্দিষ্ট তথ্য নেই যেখানে বলা হচ্ছে শিশুরা বেশি সংক্রামিত হবে। আগের তিনবার দেখা গিয়েছে, শিশুরা সংক্রামিত হলেও তারা খুব একটা অসুস্থ হয়ে পড়েনি। সাধারণ সর্দি-কাশি জ্বরের মতোই উপসর্গ থাকবে তাদের। সাধারণ ভাইরাল ইনফেকশনের মতোই কিছু ওষুধ এবং প্রচুর পরিমাণে জল বা ফলের রস খেলেই ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে যাবে তারা। পৃথিবীর যে সব প্রান্তে নতুন করে করোনার ঢেউ আছড়ে পড়তে শুরু করেছে, সেখানেও শিশুদের মধ্যে এর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার ঘটনা সেভাবে দেখা যায়নি।”

    তবে শিশুদের যদি কো-মর্বিডিটি থাকে, তা হলে করোনা সংক্রমণের ক্ষেত্রে চিন্তার কিছুটা কারণ থাকতে পারে। গুলেরিয়া জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত যে শিশুরা কোভিড-আক্রান্ত হয়েছে, তাদের ৬০-৭০ শতাংশেরই কো-মর্বিডিটি (co-morbidity) রয়েছে। তাই অকারণে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। এর সঙ্গেই তাঁর হুঁশিয়ারি, শিশুদের টিকা (child vaccination) হয়নি, এটা অবশ্যই একটি বিষয়। সে ক্ষেত্রে বাড়ির লোকেরা সতর্ক থাকুন। যে সব বাচ্চাদের টিকা দেওয়ার সময় এসেছে তাদের টিকাকরণ জরুরি।  

  • Flight Tickets: সস্তা হবে বিমানভাড়া! টিকিট-মূল্যের ঊর্ধ্বসীমা তুলে দিল কেন্দ্র

    Flight Tickets: সস্তা হবে বিমানভাড়া! টিকিট-মূল্যের ঊর্ধ্বসীমা তুলে দিল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্তর্দেশীয় বিমানের টিকিটের দামে ঊর্ধ্বসীমা তুলে নিল কেন্দ্র। করোনার সময় যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে অন্তর্দেশীয় বিমানের টিকিটের দামে ঊর্ধ্বসীমা ও নিম্নসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে সম্প্রতি তা তুলে নেওয়া হল। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের এই নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩১ অগাস্টের পর থেকে ইন্ডিগো, স্পাইসজেট, এয়ার ইন্ডিয়া, ভিস্তারা ও আকাশা এয়ারের মতো উড়ান সংস্থাগুলি নিজেদের ইচ্ছামতো টিকিটের দাম ধার্য করতে পারবে এবং প্রয়োজনে ছাড়ও দিতে পারবে। এর উপরে কেন্দ্রের কোনও নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।

    বুধবারই ডিজিসিএ-র তরফে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করে বলা হয়, “বর্তমান পরিস্থিতিতে বিমান চলাচল ও যাত্রীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে বিমানের ভাড়ার উপরে যে ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, তা তুলে নেওয়া হচ্ছে। আগামী ৩১ অগাস্ট থেকে উড়ান সংস্থাগুলি নিজেরাই ভাড়া ধার্য করতে পারবে।” এর ফলে এবার থেকে দেশের মধ্যে যে সমস্ত বিমানগুলি চলাচল করে, তাদের সংশ্লিষ্ট সংস্থা যাত্রী সংখ্যা, টিকিটের চাহিদা ও জ্বালানির দাম অনুযায়ী বিমানের টিকিটের দাম ঠিক করতে পারবে।

    আরও পড়ুন: দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত, দাবি সরকারি সূত্রের

    বিমানের ভাড়া সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের উপর দুই ধরনের প্রভব পড়তে পারে। কী কী প্রভাব? একটি সদর্থক একটি অ-সদর্থক। কেন্দ্র এয়ারফেয়ার তুলে নিলে ভাড়া বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যদিকে, যাত্রীদের জন্য সুখবর হল ভাড়া কমতেও পারে। যেহেতু ভাড়ার বিষয়টি আর কেন্দ্র দেখছে না, সেটি বিমান কোম্পানিগুলোর হাতে থাকছে সেই কারণে, বিমান সংস্থাগুলো যদি মনে করে তবে বিমানের ভাড়া চাইলে কমাতেও পারে সংস্থাগুলো। প্রতিযোগিতার বাজারে টিকিটে ছাড় দিয়ে যাত্রীদের আকৃষ্টও করতে পারে উড়ান সংস্থাগুলি। কেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞার জন্যই সমস্ত উড়ান সংস্থাকে একদিকে যেমন টিকিটের দামের ঊর্ধ্ব ও নিম্নসীমা মেনে চলতে হত, তেমনই আবার যাত্রীদের বিশেষ কোনও ছাড় বা অফারও দিতে পারত না তারা।  কেন্দ্রীয় উড়ানমন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তে খুশি বেসরকারি উড়ান সংস্থাগুলি।

  • JIS group: দুধের ব্যবসায় ১৫০ কোটি বিনিয়োগ রাজ্যের সংস্থার, কাজ ৫৫০ জনের 

    JIS group: দুধের ব্যবসায় ১৫০ কোটি বিনিয়োগ রাজ্যের সংস্থার, কাজ ৫৫০ জনের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের (Milk and Milk Product) খুচরো ব্যবসায় পা রাখল রাজ্যের জেআইএস গোষ্ঠী (JIS Group)। সংস্থার দাবি, এর জন্য প্রথম পর্যায়ে ১৫০ কোটি টাকা লগ্নি করছে তারা। তাদের ওই প্রকল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মিলিয়ে প্রায় ৫৫০ জনের কর্মসংস্থান হবে। সরাসরি চাকরি পাবেন ১৫০ জন। গত ১৫ এপ্রিল তাদের ব্র্যান্ডের দুধ বাজারে এসেছে। জেআইএস গোষ্ঠী শিক্ষা পরিষেবা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হিসেবে পরিচিত হলেও, ১৯৫৩ সাল থেকেই দুধের ব্যবসায় রয়েছে তারা। তবে এত দিন তারা খুচরো ব্যবসা সংস্থাগুলিকে দুধ সরবরাহ করত। এ বার নিজেরাই দুধের খুচরো ব্যবসা শুরু করল। শীঘ্রই পনির,দই-সহ বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য বাজারে আসবে বলে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে।
    সংস্থার ডিরেক্টর আনমোল সিংহ নেরুলার দাবি, ‘‘আমাদের গোষ্ঠীর আওতায় শিক্ষা পরিষেবা, টেলি যোগাযোগ, স্বাস্থ্য পরিষেবা, পণ্য পরিবহণ, পরিকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি ইত্যাদি ব্যবসা রয়েছে। কিন্তু আমার পূর্ব পুরুষেরা পঞ্জাবের লুধিয়ানায় দুধের ব্যবসা দিয়েই ব্যবসার জগতে পা রেখেছিলেন। পরে তা হরিয়ানা এবং পশ্চিমবঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে।’’ তিনি আরও জানান, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের ব্যবসার জন্য হাওড়ায় একটি কারখানা তৈরি করেছেন তাঁরা। সেখান থেকেই বোতলবন্দি করে বাজারে দুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।
    জেআইএস কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছেন, তাঁদের ডানকুনির প্রকল্পে দিনে ৫০০০ লিটার দুধ উৎপাদন হয়। তা এত দিন বিভিন্ন সংস্থাকে সরবরাহ করা হত। এ বার নিজেদের ব্র্যান্ডের নামে তা সরাসরি বাজারে বিক্রি করছেন তাঁরা। সংস্থার বিপণন বিভাগের দুই কর্তা চিরন্ময় চট্টোপাধ্যায় এবং সুমিত দেব বলেন, ‘‘আপাতত কলকাতার মধ্যেই ব্যবসা সীমাবদ্ধ রাখা হবে। শহরের ৩৬০০টি দোকানে আমাদের পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরে রাজ্যের অন্য জেলাগুলিতে ব্যবসা ছড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।’’

  • Jammu-Kashmir: ২৪ ঘণ্টায় উপত্যকায় নিহত পাঁচ জঙ্গি

    Jammu-Kashmir: ২৪ ঘণ্টায় উপত্যকায় নিহত পাঁচ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশকর্মী গুলাম হাসান দার ও সইফুল্লা কাদরি হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত লস্কর জঙ্গি (LeT terrorist)আদিল প্যারারকে খতম করল পুলিশ। গান্ডেরবালের ক্রিসবাল পালপোরা সঙ্গম এলাকায় রবিবার পুলিশের একটি ‘ছোট’দলের সঙ্গে ‘আচমকাই’ সংঘর্ষ হয় আদিলের। সংঘর্ষে নিহত হয় সে। পুলিশ সূত্রে খবর, চলতি বছরে অমরনাথ যাত্রীদের উপর হামলার ছক কষছিল আদিল। উপত্যকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল সে। সইফুল্লার উপরে আদিলদের হামলার সময়ে তাঁর ৯ বছরের মেয়েও আহত হয়। 

    শ্রীনগরের কাছে  ক্রিসবাল পালপোরা অঞ্চলে জঙ্গিগতিবিধির খবর পেয়েই রবিবার ভোর রাত থেকে অভিযান চালায় পুলিশ। কাশ্মীর জোন পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় উপত্যকায় নিহত জঙ্গির সংখ্যা দাঁড়াল এ পর্যন্ত ৫ জন। ওই পাঁচ জনই পুলিশকর্মী ও ভিন্ রাজ্যের শ্রমিকদের হত্যায় জড়িত বলে দাবি জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে কাশ্মীরে নিহত হয়েছে ১০০ জন জঙ্গি।

    আরও পড়ুন: ‘নূপুরকে ক্ষমা করে দিন,’ আবেদন জামাত উলেমা-ই-হিন্দের

    কাশ্মীরের দুই প্রান্তে বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে এদিন নিহত হয় অন্য চার লস্কর জঙ্গি। পুলিশ জানিয়েছে, পুলওয়ামার ড্রাবগামে জঙ্গি গতিবিধির খবর পেয়ে শনিবার অভিযানে নামে বাহিনী। জঙ্গিরা জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে তিন স্থানীয় লস্কর জঙ্গি নিহত হয়। পুলিশের দাবি, নিহতদের মধ্যে জুনেইদ আহমেদ শিরগোজরি পুলওয়ামার গাডুরা, ফজ়িল নাজ়ির বাট ড্রাবগাম ও ইরফান আহমেদ মালিকপুলওয়ামার আরাবল নিকাসের বাসিন্দা। তিন জনের বিরুদ্ধেই বাহিনীর উপরে হামলা-সহ বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগ ছিল। ১৩ মে পুলিশকর্মী রেয়াজ় আহমেদ বাটকে তাঁর বাড়ির সামনে গুলি করে হত্যা করা হয়। পুলিশের দাবি, জুনেইদ শিরগোজরি ও তার সঙ্গী আবিদ হাসান শাহই রেয়াজ়কে খুন করেছিল। ৩০ মে বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয় আবিদ হাসান শাহ। পুলিশের আরও দাবি, ২ জুন চাদুরায় ভিন্‌ রাজ্যের শ্রমিকদের উপরে হামলাতেও জড়িত ছিল জুনেইদ। ওই হামলায় এক শ্রমিক নিহত হন। আহত হন আরও কয়েক জন। নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে দু’টি এ কে-৪৭ রাইফেল ও একটি পিস্তল ও গোলাবারুদউদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতি এড়িয়ে সফল অভিযানের জন্য বাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের আইজি বিজয় কুমার।

  • Sri Aurobindo: স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও প্রাসঙ্গিক শ্রী অরবিন্দর জীবনদর্শন!  আজ তাঁর ১৫০তম জন্মজয়ন্তী

    Sri Aurobindo: স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও প্রাসঙ্গিক শ্রী অরবিন্দর জীবনদর্শন! আজ তাঁর ১৫০তম জন্মজয়ন্তী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ তাঁর হয়ে আলিপুর বোমা মামলা লড়ার সময়ে সওয়াল-জবাবের সূত্রে আদালতে দাঁড়িয়ে শ্রী অরবিন্দকে ‘জাতীয়তাবাদের দ্রষ্টা এবং দেশপ্রেমের কবি’ (prophet of nationalism and poet of patriotism) বলে চিহ্নিত করেছিলেন! সত্যই শ্রী অরবিন্দ ভারতীয় সংস্কৃতির এক উজ্জ্বলতম নাম। আজ থেকে ১৫০ বছর আগে ১৮৭২ সালের ১৫ অগাস্ট কলকাতায় তাঁর জন্ম হয়। মা স্বর্ণলতাদেবী রাজনারায়ণ বসুর কন্যা। বাবা কৃষ্ণধন ঘোষ তৎকালীন বাংলার রংপুর জেলার জেলা সার্জন। বাবা সন্তানদের ভারতীয় প্রভাবমুক্ত এক সম্পূর্ণ ইংরেজি ধরনে শিক্ষাদানের পরিকল্পনা করেছিলেন। সেই মতো ১৮৭৭ সালে দুই অগ্রজ মনমোহন এবং বিনয়ভূষণ-সহ অরবিন্দকে দার্জিলিংয়ের লোরেটো কনভেন্টে পাঠান। পরে ইংল্যান্ড। কিন্তু কৈশোর-উত্তীর্ণ অরবিন্দের মনে তখন ভারতমাতার আহ্বান। ১৮৯৩ সালের ফেব্রুয়ারি, ভারতে ফিরে বারোদায় স্টেস সার্ভিসে যোগ দিলেন অরবিন্দ। এখানেই তিনি ভারত-সংস্কৃতির উপর গভীর অধ্যয়ন শুরু করেন। শেখেন সংস্কৃত, হিন্দি, বাংলা। বরোদাতেই তাঁর সাহিত্য-প্রতিভারও উন্মেষ। বারোদা থেকেই তাঁর প্রথম কাব্য সঙ্কলন প্রকাশিত হয়।

    ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে স্বদেশী আন্দোলন শুরু হলে বরোদার চাকরি ছেড়ে তিনি বাংলায় আসেন। তৎকালীন ভারতে সংগ্রামশীল জাতীয়তাবাদী মতবাদের অন্যতম নেতা ছিলেন তিনি। ভারতীয় যুব সমাজকে নিজের লেখা, বক্তব্যের মাধ্যমে বিপ্লবী মতাদর্শে দীক্ষিত করার কাজ  শুরু করেন অরবিন্দ। দেশমাতৃকার মুক্তিই তখন তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। অরবিন্দ জাতীয়তাবাদকে ধর্মের আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।  দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি ততদিনে বিপ্লবী গুপ্ত সংগঠনগুলির নেতৃত্ব দিতে শুরু করেন। গীতার নিষ্কাম কর্মের ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি তরুণ সমাজকে দেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান।  ১৯০৮-এ আলিপুর বোমা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেফতার হন তিনি। ১৯০৯ সালে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পান অরবিন্দ। কিন্তু জেলে থাকার সময়ই তাঁর রাজনৈতিক ভাবাদর্শে আধ্যাত্মিকার সংস্পর্শ ঘটে। নিভৃত কারাবাসেই তিনি নারায়ণের দর্শন পান। তাঁর জীবনে পরিবর্তন শুরু হয়। আধ্যাত্মিকতার টানেই তিনি ১৯১০-এ রাজনীতি ত্যাগ করে পুদুচেরি চলে যান। বিপ্লবী অরবিন্দ পরিণত হন ‘ঋষি অরবিন্দে’।

    আরও পড়ুন: ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী, চিনে নিন ‘ভারতীয় বিজ্ঞানের মহাত্মা গান্ধী’কে

    পুদুচেরিতেই আশ্রম স্থাপন করে যোগসাধনার মাধ্যমে জীবনদর্শন পরিবর্তনের পথ বেছে নেন তিনি। পুদুচেরিতে এক নতুন শিক্ষাপদ্ধতির সূচনা করেন ঋষি অরবিন্দ। সমাজদর্শন নিয়ে তাঁর অভিমত স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও খুব প্রাসঙ্গিক। শ্রী অরবিন্দ তাঁর সময়ের প্রচলিত শিক্ষার বিরুদ্ধা-চরণ করেন। তিনি  শিশুদের মানসিক বিকাশ ঘটিয়ে, সমাজের চাহিদা মিটিয়ে  আধ্যাত্মিকতার পথে নিয়ে যাওার কথা বলেন। তাঁর মতে শিক্ষার প্রথম উদ্দেশ্য একটি শিশুর সম্পূর্ণ শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটান। শ্রী অরবিন্দ বলেন যে নৈতিক এবং মানসিক বিকাশ ছাড়া মানসিক উন্নয়ন মানব অগ্রগতির জন্য ক্ষতিকারক হবে। তাঁর লেখা থেকে আমরা তাঁর জীবন দর্শন ও শিক্ষা সম্পর্কে জানতে পারি। তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হল: Essays on the Gita, The Foundations of Indian Culture, The Life Divine (১৯৩৯), Savitri (১৯৫০), Mother India, The Significance of Indian Art, Lights on Yoga, A System of National Education, The Renaissance in India!

    দেশ স্বাধীন হওয়ার তিন বছর পর, তাঁর বয়স তখন প্রায় আটাত্তর। ১৯৫০ এর ৫ ডিসেম্বর মধ্যরাতে হঠাৎ করে চলে গেলেন যোগী অরবিন্দ। পাঁঁচ দিন পর তার দেহ সমাধিস্থ করা হয় পুদুচেরিতে তাঁর আশ্রমের এক গাছতলায়। যে গাছের ফুল আজও ঝরে পড়ে তার সমাধির ওপর। আর এক পুরাতন বটগাছ যেভাবে তার শাখা-প্রশাখা দিয়ে পরবর্তী প্রজন্মকে এগিয়ে নিয়ে যায়, ঠিক সেভাবেই অরবিন্দের লেখনি, তাঁর আদর্শ , তাঁর চিন্তাধারা ভারতের আগামী প্রজন্মের ধারক ও বাহক হয়ে ওঠে। 

  • ONDC: দেশের পাঁচটি শহর থেকে প্রথম চালু হচ্ছে সরকারের ই-কমার্স সেক্টর

    ONDC: দেশের পাঁচটি শহর থেকে প্রথম চালু হচ্ছে সরকারের ই-কমার্স সেক্টর

    ই-কমার্স সেক্টরে ফ্লিপকার্ট (Flipkart) এবং  অ্যামাজন (Amazon)-এর আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য ভারত সরকার নিয়ে আসছে নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম। দেশের প্রায় ছ’কোটি খুচরো বিক্রেতা এর সুবিধা নিতে পারবে।  খুব শীঘ্রই নিজস্ব ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস চালু করতে চলেছে সরকার। এই উন্মুক্ত ডিজিটাল পরিকাঠামোর নাম ওপেন নেটওয়ার্ক ডিজিটাল কমার্স বা ওএনডিসি (Open Network for Digital Commerce)। এটি হবে এমন এক ধরনের ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস যেখানে মুদি ব্যবসায়ীরাও নিজেদের রেজিস্ট্রেশান করাতে পারবেন।

    বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীনে কর্মরত শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের (ডিপিআইআইটি) উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অনিল আগরওয়াল জানিয়েছেন যে, সরকার এই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মটি দিল্লি, ব্যাঙ্গালুরু, কোয়েম্বাটুর, শিলং এবং ভোপাল থেকে শুরু করার প্রস্তুতি নিয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে এতে মানুষ কেমন সাড়া দিচ্ছেন তা দেখতে চায় সরকার। এই ৫টি শহরে প্রচুর পরিমান খুচরো বিক্রেতা এবং ব্যবসায়ী রয়েছেন। একইসঙ্গে অনেক লজিস্টিক পার্টনারকেও এর সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।

    সরকারের নিজস্ব ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম করার ভাবনা আসে করোনা মহামারীর সময়। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে এর কাজ শুরু হয়। সেই সময়ে, অনেক মানুষের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করতে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল সরকারকে, যার জেরে সরকারের এমন একটি উন্মুক্ত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম তৈরির পরিকল্পনা আসে। এতে দেশের সেই সমস্ত ছোট দোকানদাররা এর ফলে উপকৃত হবেন। যাঁরা এখনও ই-কমার্স ইকোসিস্টেমের অংশ হয়ে উঠতে পারেননি, তাঁরা এর আওতায় আসবেন।
     
    এতে এক ধরনের ওপেন রেজিস্ট্রি হবে। যাতে ছোট দোকানদাররা নিজেদের রেজিস্টার করাতে পারবেন। এর ফলে খুচরো বিক্রেতাদের অনলাইনে পণ্য বিক্রি করার জন্য আর আলাদা আলাদা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে নিজেকে রেজিস্টার করাতে হবে না। এর ফলে গ্রাহকদেরও বিশেষ সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।  

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই ডিজিটাল খোলা বাজারের ভাবনাকে সফল করতে এগিয়ে এসেছেন ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নন্দন নীলকোনি।এর আগে নন্দন নীলেকানি কেন্দ্র সরকারকে আধার বায়োমেট্রিক আইডি সিস্টেম ডেভেলপমেন্টে সহায়তা করেছিলেন।

    অন্য দিকে বৃহস্পতিবার অ্যামাজন ইন্ডিয়া এবং ফ্লিপকার্টের কিছু শীর্ষ সেলার-এর অফিসে কম্পিটিশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া (CCI)-র অভিযান চালায়। এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স (CAIT)। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স বা কেইট (CAIT)-এর সাধারণ সম্পাদক প্রবীণ খান্ডেলওয়াল,একটি বিবৃতিতে বলেছেন, এটি সিসিআই (CCI)-এর একটি সঠিক পদক্ষেপ। ক্লাউটডেল এবং অ্যাপারিও, যারা কি না অ্যামাজনের সেলার, তাদের অফিসে অভিযান চালানো হয়েছে। সেলারদের ঘরে তল্লাশির ব্যাপার নিয়ে অ্যামাজনের তরফে আপাতত কোনও মন্তব্য করা হয়নি। এই দুটি সংস্থাতেই অ্যামাজনের বিনিয়োগ রয়েছে।

  • Independence Day: স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী, প্রজাতন্ত্র দিবসে রাষ্ট্রপতি! জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পার্থক্য জানেন

    Independence Day: স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী, প্রজাতন্ত্র দিবসে রাষ্ট্রপতি! জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পার্থক্য জানেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬ জানুয়ারি এবং ১৫ অগাস্ট। দু’টি দিনই ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রজাতন্ত্র দিবস এবং স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতা দিবসের দিন লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী এবং ২৬ জানুয়ারি পতাকা উন্মোচন করেন দেশের রাষ্ট্রপতি৷ এই দু’টি দিনই জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান দেখিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। কিন্তু দু’টি দিন জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান দেখানোর পদ্ধতির পার্থক্য আছে।

    স্বাধীনতা দিবসের দিন পতাকা নীচে থেকে উপর পর্যন্ত তোলা হয়। লালকেল্লায় দেশের সম্মানে পতাকা উত্তোলন (Hoist) করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় পতাকা খুঁটির নিচের অংশে বেঁধে ওপরে ‘উত্তোলন’ করা হয়। এটি একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে ভারতের উত্থান এবং ব্রিটিশ শাসনের অবসান চিহ্নিত করে। ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে উঠে দাঁড়িয়েছিল। তাই স্বাধীনতা দিবসে নীচে থেকে পতাকা উত্তোলন করা হয়। যখন দেশ স্বাধীন হয় তখন ভারতে কোনও রাষ্ট্রপতি ছিলেন না ছিলেন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু।  

    আরও পড়ুন: দেশ বিভাজনের বিভীষিকা, এক যন্ত্রণার ইতিহাস

    অন্যদিকে প্রজাতন্ত্র দিবসে, জাতীয় পতাকা খুঁটির একদম শীর্ষেই বাঁধা হয় এবং স্বাধীনতা দিবসের মতো খুঁটির নীচের অংশে বাঁধা হয় না। সেটি শুধু ভাঁজ করা অবস্থায় থাকে। সেখান থেকে পতাকাকে মুক্ত করা হয়।  প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করা হয় ১৯৫০ সাল থেকে। ওই বছরের ২৬ জানুয়ারি ছিল প্রজাতন্ত্র দিবস। তত দিন ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেয়ে গিয়েছে। তাই জাতীয় পতাকা সেদিন উপরেই বাঁধা থাকে। সেটির উন্মোচন (Unfurl) করা হয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসাবে ভারতের ডানা মেলার প্রতীক ধরে। এটি একটি মুক্ত সময়কে ইঙ্গিত করে। ২৬ জানুয়ারী, ১৯৫০,  ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নেন এবং আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রপ্রধান হন। ওই দিন তিনিই পতাকা উন্মোচন করেন।  এরপর থেকেই প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী পতাকা উত্তোলন করেন আর প্রজাতন্ত্র দিবসে রাষ্ট্রপতি পতাকা উন্মোচন করেন।

  • Asia Cup India Squad: সামি বাদ পড়ায় ক্ষুব্ধ শ্রীকান্ত! বিশ্বকাপের দলে সামি ফিরলে অবাক হবেন না মোরে

    Asia Cup India Squad: সামি বাদ পড়ায় ক্ষুব্ধ শ্রীকান্ত! বিশ্বকাপের দলে সামি ফিরলে অবাক হবেন না মোরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের শেষেই শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপ (Asia Cup)। এশিয়া কাপের দলে ফিরছেন বিরাট কোহলি ও লোকেশ রাহুল। সোমবার এশিয়া কাপের দল ঘোষণা করল বিসিসিআই (BCCI)। বাদ পড়েছেন বাংলার ক্রিকেটার মহম্মদ সামি। অবশ্য সামি দীর্ঘদিন ধরেই টি–২০ দলে নেই। সামিকে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে আর ভাবছেই না বিসিসিআই। সামি শেষ আন্তর্জাতিক টি–২০ খেলেছিলেন গত বিশ্বকাপে।

    সামির বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন নির্বাচক কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত। তিনি বলেছেন, ‘‌আমি নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান পদে থাকলে সামিকে দলে রাখতাম। রবি বিষ্ণোইকে হয়ত দলে রাখতাম না। তবে বিশ্বাস করি, অক্ষর প্যাটেলকে দলে রাখা নিয়ে লড়াই চলত। আমার মতে, এই লড়াই হত অশ্বিন ও অক্ষরের মধ্যে। আমার ভোট কিন্তু অক্ষরের দিকেই থাকত।’‌ 

    সামির বাদ যাওয়াতে অবাক প্রাক্তন জাতীয় নির্বাচক কিরণ মোরে। তাঁর কথায়, “সদ্য শেষ হওয়া আইপিএলে গুজরাত টাইটান্সের হয়ে অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছেন সামি। সেখানে তাঁকে দলে রাখা হল না কেন তা বুঝতে পারছি না। দলে একজন নির্ভরযোগ্য পেসার দরকার ছিল।” এক কদম এগিয়ে শ্রীকান্ত বলেন, “আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে সামি ফিরলে অবাক হব না।”

    লোকেশ রাহুল চোট সারিয়ে দলে ফিরলেন। এশিয়া কাপের দলে রয়েছে দুই উইকেটরক্ষক পন্থ ও কার্তিক। তিন জন স্পিনার রয়েছে দলে। হার্দিক ও জাদেজার মতো দুই অলরাউন্ডার। শ্রীকান্তের মতে, ‘‌দল যথেষ্টই ভাল হয়েছে। তবে আমার মতে দলে আর একজন মিডিয়াম পেসার থাকলে ভাল হত। দু’‌জন রিস্ট স্পিনার রয়েছে। তবে অক্ষরের জন্য সত্যিই খারাপ লাগছে। দীপক হুডার অন্তর্ভুক্তিতে খুশি। ব্যাট করতে পারে। বলটাও জানে।’‌ এরপরই ফের অক্ষর প্রসঙ্গে চলে গেলেন শ্রীকান্ত। বলে দিলেন, ‘‌অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশে অক্ষর যথেষ্ট কার্যকরী। শুধু এশিয়া কাপের কথাই বলছি না। বিশ্বকাপের প্রসঙ্গও তুললাম। তবে বিশ্বকাপের এখনও কিছুটা দেরি আছে। নির্বাচকরা নিশ্চয়ই ভাবনাচিন্তা করবেন।’‌  

    তবে এশিয়া কাপ শুরুর আগেই ভারতীয় শিবির বড় ধাক্কা খেয়েছে। পিঠে চোটের কারণে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েছেন দলের তারকা পেসার জশপ্রীত বুমরাহ। অর্থাৎ তাঁকে ছাড়াই সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মাটিতে এশিয়া কাপে নামতে হবে রোহিতদের। বিসিসিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পিঠে চোট থাকার কারণে এশিয়া কাপে (Asia Cup 2022) অংশ নিতে পারবেন না বুমরাহ। তিনি দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়। তাই তাঁকে নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চায় না টিম ম্যানেজমেন্ট। সম্পূর্ণ ফিট হতে বেশ খানিকটা সময় লাগবে বুমরাহর। তবে আশা করা হচ্ছে চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (ICC World T-20) আগেই দলে যোগ দেবেন তিনি।

    আরও পড়ুন: দেশের অ্যাথলিটদের পাশে দাঁড়াতে জানেন মোদি! জানুন কী বললেন পাক সাংবাদিক

    এশিয়া কাপের জন্য ভারতের স্কোয়াড: রোহিত শর্মা (ক্যাপ্টেন), লোকেশ রাহুল (ভাইস ক্যাপ্টেন), বিরাট কোহলি, সূর্যকুমার যাদব, ঋষভ পন্ত (উইকেটকিপার), দীপক হুডা, দীনেশ কার্তিক (উইকেটকিপার), হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রবি বিষ্ণোই, যুজবেন্দ্র চাহাল, ভুবনেশ্বর কুমার, অর্শদীপ সিং, আবেশ খান।
    স্ট্যান্ড-বাই: শ্রেয়স আইয়ার, অক্ষর প্যাটেল ও দীপক চাহার।

  • Nupur Sharma: ‘নূপুরকে ক্ষমা করে দিন,’ আবেদন জামাত উলেমা-ই-হিন্দের

    Nupur Sharma: ‘নূপুরকে ক্ষমা করে দিন,’ আবেদন জামাত উলেমা-ই-হিন্দের

    Prophet row: সাসপেন্ডেড বিজেপি মুখপাত্র নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) পাশে দাঁড়ালেন জমিয়ত উলেমা-ই-হিন্দ (Jamaat Ulama-e-Hind) প্রেসিডেন্ট সুহেব কাসমি। শান্তির বার্তা দিলেন সুহেব। ইসলামের রীতি মেনেই নূপুরকে ক্ষমা করে দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করলেন তিনি।

    পয়গম্বর মহম্মদকে নিয়ে প্রাক্তন বিজেপি মুখপাত্র নূপুরের মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই দেশ-বিদেশে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়েছে অশান্তি। পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বিভিন্ন রাজ্যের প্রশাসন। বিভিন্ন মুসলিম সংগঠন নূপুরকে ক্রমাগত নিশানা করে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে শান্তির বার্তা দিলেন জমিয়ত উলেমা-ই-হিন্দ প্রেসিডেন্ট সুহেব কাসমি। রবিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন কাসমি। দেশ জুড়ে যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তাকে সংগঠন সমর্থন করে না বলে সাফ জানিয়ে দেন তিনি। কাসমি বলেন, “এ ভাবে আইন হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়। ইসলামে বিশ্বাস থাকলে, নূপুর শর্মাকে ক্ষমা করে দেওয়া উচিত। নূপুর শর্মার মন্তব্য অবমাননাকর হলেও, শুক্রবারের নমাজের পর যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে একেবারেই একমত নই আমরা।”

    সমালোচনার মুখে পড়ে নূপুরকে ইতিমধ্যেই বরখাস্ত করেছে বিজেপি। তাদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন কাসমি। তিনি বলেন, “নূপুর শর্মাকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। ভারতে আইন রয়েছে। আমরা নিজের হাতে সেই আইন তুলে নেব না। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখানো, আইনভঙ্গের অধিকার নেই আমাদের।” যে বা যাঁরা অশান্তি এবং হিংসা ছড়ানোয় যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে ফতোয়া জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান কাসমি। আসাদউদ্দিন ওয়েইসি এবং মহম্মদ মাদানির বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: নূপুর শর্মা বিতর্কে অশান্তি, ঝাড়খণ্ডে মৃত ২, তপ্ত বাংলা, ভূস্বর্গে জারি কার্ফু

    শুধু তাই নয়, যে সমস্ত সংগঠন হিংসায় উস্কানি জুগিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নিতে সরকারকে আর্জি জানিয়েছে জামাত উলেমা-ই-হিন্দ। বর্তমান পরিস্থিতিতে জমিয়ত উলেমা-ই-হিন্দ এর প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য যে যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য, তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।

    হজরত মহম্মদকে নিয়ে নূপুরের বিতর্কিত মন্তব্যেরল পরই বিজেপির তরফ থেকে এক বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়, সব ধর্মকে সম্মানের চোখে দেখে বিজেপি। বলা হয়, “ভারতের ইতিহাসে সবসময়ে সব ধর্ম একসঙ্গে বিকশিত হয়েছে। কোনও ধর্ম বা ধর্মীয় ব্যক্তির প্রতি অসম্মানজনক মন্তব্য করার তীব্র নিন্দা করছে বিজেপি। এই ধরনের কার্যকলাপকে প্রশ্রয় দেয় না বিজেপি (BJP)।”  

     

  • PFI: পরিকল্পনা করেই পিএফআই-এর বিরুদ্ধে অভিযান! দেশে জঙ্গি-কার্যকলাপ রুখতে সক্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    PFI: পরিকল্পনা করেই পিএফআই-এর বিরুদ্ধে অভিযান! দেশে জঙ্গি-কার্যকলাপ রুখতে সক্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ ও বেআইনি আর্থিক লেনদেন-সহ একাধিক অভিযোগে গত কয়েক দিন ধরে দেশ জুড়ে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) বিভিন্ন দফতরে তল্লাশি চালাচ্ছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। বুধবার ভোর রাতে থেকে শুরু করে বৃহস্পতিবার সারা দিন ধরে চলে ব্যপাক ধরপাকর অভিযান। এই অভিযান আগে থেকে পরিকল্পনা করেই করা হয়েছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর। দীর্ঘদিন ধরেই পিএফআই-এর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠছিল। দেশবিরোধী কার্যকলাপ রুখতে সক্রিয় হয়ে ওঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। 

    আরও পড়ুন: জঙ্গি-যোগ! পিএফআই কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার আর্জি দেশজুড়ে, তল্লাশি চালিয়ে কী পেল এনআইএ?

    বিশেষ সূত্রে খবর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে আলোচনা করেই এই ধরপাকর অভিযান শুরু হয়। গত তিন চার মাস ধরে এই প্রক্রিয়া চলছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই নিয়ে বারবার আলোচনা করেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। তাঁর নেতৃত্বেই সারা দেশের ১৫ টি রাজ্যের ৯৩টি জায়গায় অভিযান চালায় ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সির (NSA) অফিসাররা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি আধিকারিকের কথায়, বৃহস্পতিবার অভিযানের সময়ও এ নিয়ে এক প্রস্থ কথা হয়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা, এনআইএ ডিরেক্টর জেনারেল দীনকর গুপ্ত, অজিত দোভাল ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের মধ্যে।  

    আরও পড়ুন: পিএফআই-এর বিরুদ্ধে বাংলা সহ ১০ রাজ্যে ইডি-এনআইএ যৌথ হানা, গ্রেফতার ১০০

    ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পরে তিনটি মুসলিম সংগঠন একত্রিত হয়ে এই সংগঠন তৈরি করা হয়। ২০০৬ সালে গঠিত এই সংগঠনের নাম ছিল ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফ্রন্ট। পরবর্তী সময়ে মানিথা নীতি পাসারাই, কর্নাটক ফোরাম ফর ডিগনিটি সহ একাধিক সংগঠন মিলিত হয়ে পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়া তৈরি করে। দেশবিরোধী ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গেই যুক্ত ছিল এই সংগঠন। বিভিন্ন রাজ্যে এই সংগঠনের শাখা রয়েছে।  কেন্দ্রের তরফেও এই সংগঠনের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে তল্লাশি চালিয়ে পিএফআই সদস্যদের কাছ থেকে অস্ত্র, বোমা, গানপাউডার,তলোয়ার সহ একাধিক জিনিস উদ্ধার করা হয়েছে। কেরলে এই সংগঠনের বিস্তার সবচেয়ে বেশি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন আইএনএস বিক্রান্তের উদ্বোধন করতে কোচি যান, তখনই কেরল পুলিশ ও নিরাপত্তা আধিকারিকদের সঙ্গে পিএফআই নিয়ে তাঁর কথা হয় বলেও জানান ওই আধিকারিক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share