Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Parliament’s Winter Session: নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেই লোকসভায় বসছে শীতকালীন অধিবেশন 

    Parliament’s Winter Session: নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেই লোকসভায় বসছে শীতকালীন অধিবেশন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (Parliament’s Winter Session) বসতে চলেছে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডলে জানান, আগামী ২৫ নভেম্বর শীতকালীন অধিবেশন শুরু হবে। আর অধিবেশন চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। শীতকালীন অধিবেশনে কেন্দ্র ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাশে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এক দেশ এক ভোট নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

    কবে থেকে অধিবেশন

    এদিন এক্স হ্যান্ডলে রিজিজু লেখেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের সুপারিশ মেনে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরুতে সম্মতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।” ২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবস। সংবিধান দিবসের ৭৫ তম বর্ষপূর্তি সেন্ট্রাল হলে পালন করা হবে বলে জানান কিরেণ রিজিজু। সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হয়েছিল ২২ জুলাই থেকে। শেষ হয় ৯ আগস্ট। বাদল অধিবেশনেই পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেছিল বিজেপি সরকার। শীতকালীন অধিবেশনে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। চারটি রাজ্যের বিধানসভা ভোটের পর অধিবেশন বসবে সংসদে। এক দশক পর হওয়া কাশ্মীরের বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রথম লোকসভার অধিবেশন নিয়ে সকলের আগ্রহ।

    একাধিক বিল পাশের চেষ্টা

    শীতকালীন অধিবেশনে (Parliament’s Winter Session) একাধিক বিল পাশের চেষ্টা করবে কেন্দ্র। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ওয়াকফ সংশোধনী বিল। লোকসভা ও রাজ্যসভায় বিলটি পাশের জন্য কেন্দ্র সর্বতোভাবে চেষ্টা করতে পারে। ওয়াকফ সংশোধনী বিলটি এই মুহূর্তে যৌথ সংসদীয় কমিটির কাছে বিবেচনার জন্য রয়েছে। যৌথ সংসদীয় কমিটি নিয়মিত এই বিল নিয়ে বৈঠক করছে। এই বিলের সঙ্গে সম্পর্কিত সবার সঙ্গে কথা বলছে। শীতকালীন অধিবেশনে ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিলও সংসদে পেশ করতে পারে কেন্দ্র। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীও এক দেশ এক নির্বাচনের পক্ষে সওয়াল করেন। এক দেশ এক নির্বাচনের লক্ষ্যে তাঁর সরকার কাজ করে চলেছে বলে মন্তব্য করেন মোদি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Olympics 2036: লক্ষ্য ২০৩৬, অলিম্পিক্স আয়োজনের জন্য লিখিত আবেদন জানাল ভারত

    Olympics 2036: লক্ষ্য ২০৩৬, অলিম্পিক্স আয়োজনের জন্য লিখিত আবেদন জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের মাটিতে অলিম্পিক্স আয়োজনের লক্ষ্যে আরও একধাপ এগোল ভারত। ২০৩৬ সালে অলিম্পিক্স আয়োজনের আবেদন জানাল ভারতীয় অলিম্পিক্স সংস্তা (আইওএ) (Indian Olympic Association)। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) (International Olympic Committee) কাছে এ প্রসঙ্গে ১ অক্টোবর লিখিত আবেদন জমা দিয়েছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) ২০৩৬ সালের অলিম্পিক্স দেশে আয়োজনের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন। এরপর থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। সেই প্রস্তুতি হিসেবে এবার আবেদন করা হল।

    দৌড়ে আর কারা?

    বিড প্রক্রিয়ায় আবেদন করার জন্য আইওএ একটি চিঠি লিখেছে আইওসিকে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আইওসি। ভারত আবেদন করলেই অলিম্পিক্স আয়োজনের অনুমতি পাবে এমন নয়। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক্স কমিটির প্রধান থমাস বাক জানান, ২০৩৬ সালের অলিম্পিক্স আয়োজন করতে চেয়ে অনেকগুলি শহর আবেদন করেছে। ভারত ছাড়াও ২০৩৬ সালের অলিম্পিক্স আয়োজন করার দৌড়ে রয়েছে সৌদি আরব, কাতার, তুরস্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগেই বলেছিলেন, “২০৩৬ সালে ভারতের মাটিতে অলিম্পিক্স আয়োজন করার চেষ্টায় আমরা কোনও খামতি রাখব না। ১৪০ কোটি ভারতীয়ের এটা বহু দিনের স্বপ্ন।”

    ২০২৮ সালের অলিম্পিক্স হবে আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলসে (Los Angeles)। ২০৩২ সালের অলিম্পিক্স আয়োজন হবে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে (Brisbane)। প্রসঙ্গত, ২০৩৬-এর স্বপ্ন পূরণ করতে হলে ভারতের সামনে রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ। ২০৩০ সালে যুব অলিম্পিক হতে চলেছে। যা আয়োজন করতে উঠেপড়ে লেগেছে ভারত। মুম্বই শহরকে সামনে রেখে এগোতে চাইছে আইওএ। অতীতে কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন করেছে ভারত। এবার লক্ষ্য অলিম্পিক্স।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Amit Shah: ‘‘মাতৃভাষায় শিক্ষা না পেলে পড়ুয়ার চিন্তার বিস্তার বাধাপ্রাপ্ত হয়’’, ভাষা নিয়ে সওয়াল অমিত শাহের

    Amit Shah: ‘‘মাতৃভাষায় শিক্ষা না পেলে পড়ুয়ার চিন্তার বিস্তার বাধাপ্রাপ্ত হয়’’, ভাষা নিয়ে সওয়াল অমিত শাহের

    মাধ্যমিক নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক ও উচ্চশিক্ষায় মাতৃভাষার পক্ষে সওয়াল করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। কেন্দ্রীয় হিন্দি সমিতির ৩২তম সভায়  তিনি বলেন, ‘‘মাতৃভাষায় শিক্ষা না পেলে কোনও পড়ুয়ার মানসিক বিকাশ সম্পূর্ণ হয় না। সেই কারণে জাতীয় শিক্ষা নীতিতে তিনটি ভাষা শিক্ষার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে।’’ এ দিনের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যে মূলত মাতৃভাষায় শিক্ষার উপরে জোর দিয়েছেন শাহ। হিন্দি ভাষার বিকাশের বিষয়েও কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতীয় ভাষার বিস্তার ও উন্নতিতে সদা সচেষ্ট বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    হিন্দি ভাষার প্রসার

    এদিন হিন্দি সমিতির সভায় অমিত (Amit Shah) বলেন, “দেশের সব ভাষারই স্বাতন্ত্র্য, বৈচিত্র্য ও গুরুত্ব রয়েছে। বহু ভাষাভাষীর এই দেশে সবথেকে বেশি সংখ্যায় মানুষ হিন্দিতেই (Kendriya Hindi Samiti) কথা বলেন”। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে হিন্দিতে ভাষণ দিয়ে এই ভাষার মর্যাদা আরও বাড়িছেন বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় হিন্দি সমিতির লক্ষ্যই হল হিন্দির বিকাশ, হিন্দি সাহিত্য সংরক্ষণ এবং এটিকে দেশের লিঙ্ক ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী শ্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা, শিক্ষামন্ত্রী শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, আইন ও বিচার প্রতিমন্ত্রী শ্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল, সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. এল. মুরুগান।

    মার্তৃ ভাষায় শিক্ষা

    মাতৃভাষায় শিক্ষাদান প্রসঙ্গে অমিত (Amit Shah) বলেন, ‘‘এক জন পড়ুয়ার বিকাশ নির্ভর করে মাতৃভাষায় শিক্ষার উপরে। ছোট বয়সে মাতৃভাষায় শিক্ষা না পেলে পড়ুয়ার চিন্তার বিস্তার বাধাপ্রাপ্ত হয়।’’ তাঁর দাবি সেই কারণেই নরেন্দ্র মোদী সরকার নিট, জেইই-এর মতো সর্বভারতীয় পরীক্ষা পড়ুয়াদের মাতৃভাষায় নেওয়া শুরু করেছে। প্রাথমিকের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষাতেও মাতৃভাষার ব্যবহারের উপরে জোর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর মতে, ‘‘ভারতীয় ভাষার পরিবর্তে যখন অন্য ভাষায় শিক্ষা দেওয়া হয় তখন লাভবান হয় মাত্র ৫ শতাংশ পড়ুয়া। কারণ ৯৫ শতাংশ পড়ুয়া নিজেদের মাতৃভাষাতে পড়াশোনা করে বড় হয়। মাতৃভাষায় শিক্ষা হলে ১০০ শতাংশ পড়ুয়া দেশের উন্নতিতে অংশ নিতে পারত।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pollution in Delhi: দীপাবলির রাতের আনন্দ, সমীক্ষা বলছে বিশ্বের সর্বোচ্চ দূষণের মাত্রা ছাড়াল দিল্লি

    Pollution in Delhi: দীপাবলির রাতের আনন্দ, সমীক্ষা বলছে বিশ্বের সর্বোচ্চ দূষণের মাত্রা ছাড়াল দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির পরদিন বিশ্বের সর্বোচ্চ দূষণের মাত্রা ছাড়াল দিল্লি (Delhi)। সমীক্ষায় (Delhi Pollution Survey) উঠে এসেছে এমনই তথ্য। সুইৎজারল্যান্ডের ‘আইকিউএয়ার’ নামে একটি সংস্থা দূষণ-র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থানে রেখেছে দিল্লিকে (Pollution in Delhi)। শনিবার সকাল ১০টায় দিল্লির আনন্দ বিহার স্টেশনে বাতাসের গুণমান সূচক বা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) ছিল ৩৮৮, যা পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। বায়ু দূষণে দিল্লিকে জোর টক্কর দিয়ছে কলকাতাও।

    দূষিত দিল্লি

    দীপাবলিতে বায়ু দূষণ (Pollution in Delhi) নিয়ে আগে থেকেই উদ্বেগ ছিল। বাস্তবে সেই ছবিই ধরা পড়ল। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তথ্য বলছে, শুক্রবার রাতে দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় বাতাসে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণার পরিমাণ যথেষ্ট উদ্বেগের ছিল। আনন্দ বিহারে প্রতি ঘনমিটার বাতাসে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণার (Air Pollution) পরিমাণ সর্বোচ্চ ছিল ৫০০ মাইক্রোগ্রাম। দিল্লি বিমানবন্দর এলাকায়ও প্রতি ঘনমিটার বাতাসে সর্বোচ্চ অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণার পরিমাণ ছিল ৫০০ মাইক্রোগ্রাম। রোহিণীতে যা ছিল সর্বোচ্চ ৪৮৪ মাইক্রোগ্রাম। আর লোদী রোড এলাকায় ছিল সর্বোচ্চ ৩৭৮ মাইক্রোগ্রাম।

    স্বাস্থ্যের উপর প্রভব

    দিল্লি ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণ (Pollution in Delhi) দেখে সরকারের পক্ষ থেকে আগে থেকেই বাজি ফাটানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি। দিল্লিবাসীদের একাংশ বিধিনিষেধের পরোয়া না করে দীপাবলিতে বাজি ফাটিয়েছেন। তাতে যা হওয়ার, তা-ই হয়েছে। বাতাসের মান জায়গা পেয়েছে ‘খুব খারাপ’ ক্যাটেগরিতে। দিল্লির বেশির ভাগ অংশে একিউআই ৩৫০-এর উপরে। আয়া নগরে ৩৫২, জাহাঙ্গিরপুরিতে ৩৯০ এবং দ্বারকায় ৩৭৬। বিশেষজ্ঞদের মতে বাতাসের এই ভয়ানক খারাপ অবস্থা জনস্বাস্থ্যের জন্য খুব বিপজ্জনক। রিপোর্ট বলছে, প্রতি ৭ থেকে ১০টি পরিবারের মধ্যে কমপক্ষে একজন এই দূষণের শিকার। রাজধানী এবং এনসিআরের (NCR) শতকরা ৬৯ শতাংশ পরিবারে অন্তত একজন ভুক্তভোগী বলে রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে। ক্রমবর্ধমান দূষণের কারণে গলা ব্যথা বা কাশি, চোখে জ্বালাপোড়া ভাব, নাক দিয়ে জল পড়া সহ একাধিক উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। সমীক্ষকদের দাবি, রাজধানীর দূষণ (Delhi Pollution) যেভাবে বেড়েছে তা সরাসরি জনগণের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলছে।

    আরও পড়ুন: ভোর ও রাতে ঠান্ডার আমেজ! আগামী সপ্তাহেই কমতে পারে তাপমাত্রা

    পিছিয়ে নেই কলকাতাও

    বায়ু দূষণে (Air Pollution) খুব পিছিয়ে নেই বাংলাও। শুক্রবার রাতে হাওড়া ও কলকাতার একাধিক জায়গায় বাতাসে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণার পরিমাণ ভয় ধরানোর মতো। বালিগঞ্জে প্রতি ঘনমিটার বাতাসে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণার পরিমাণ সর্বোচ্চ ছিল ৫০০ মাইক্রোগ্রাম। বিধাননগর ও যাদবপুরেও প্রতি ঘনমিটার বাতাসে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণার পরিমাণ ছিল ৫০০ মাইক্রোগ্রাম। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bomb Threat in Train: চলন্ত ট্রেনে বোমার হুমকি! মাঝপথে থামল বিহার সম্পর্ক ক্রান্তি এক্সপ্রেস, আতঙ্কে যাত্রীরা

    Bomb Threat in Train: চলন্ত ট্রেনে বোমার হুমকি! মাঝপথে থামল বিহার সম্পর্ক ক্রান্তি এক্সপ্রেস, আতঙ্কে যাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিমানে বোমাতঙ্ক (Bomb Threat in Train) ছড়ানোর পর এবার চলন্ত ট্রেনেও এল বোমা রাখার হুমকি। মাঝ পথেই ট্রেন দাঁড় করিয়ে চলল তল্লাশি। আতঙ্ক ছড়াল যাত্রীদের মধ্যে। ১২৫৬৫ বিহার-সম্পর্ক ক্রান্তি এক্সপ্রেস ট্রেনে বোমা রাখার উড়ো খবর আসতেই আতঙ্ক ছড়ায়। তল্লাশির পর কিছু না মেলায় ট্রেন ফের গন্তব্যের দিকে রওনা দেয়।

    দিল্লিগামী ট্রেনে তল্লাশি

    বিহার সম্পর্ক ক্রান্তি এক্সপ্রেস (Bomb Threat in Train) দ্বারভাঙা থেকে নয়াদিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল শুক্রবার। সন্ধ্যায় উত্তরপ্রদেশের উপর দিয়ে যাওয়ার সময়ে ওই ট্রেনে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। দিল্লির কন্ট্রোল রুম থেকে খবর আসে, ট্রেনে বোমা রাখা আছে বলে হুমকি পেয়েছেন তাঁরা। ঝুঁকি না নিয়ে তাই ট্রেন থামিয়ে দেওয়া হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ গোণ্ডা স্টেশনে ট্রেন থামিয়ে শুরু হয় তল্লাশি। বম্ব স্কোয়াডের কর্মীরা গোটা ট্রেন তন্ন তন্ন করে খোঁজেন। কিন্তু কোথাও বোমা বা বিস্ফোরক পদার্থ পাওয়া যায়নি। গোণ্ডার জিআরপি ইনস্পেক্টর নরেন্দ্র পাল সিং বলেন, ‘‘দিল্লির কন্ট্রোল রুম থেকে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এখানকার জিআরপি, আরপিএফ এবং নিরাপত্তারক্ষীরা সতর্ক হন। গোণ্ডা স্টেশনে ট্রেন থামিয়ে বম্ব স্কোয়াড ডেকে তল্লাশি করানো হয়। কিছু পাওয়া যায়নি।’’

    আরও পড়ুন: ভোর ও রাতে ঠান্ডার আমেজ! আগামী সপ্তাহেই কমতে পারে তাপমাত্রা

    সরকারের পদক্ষেপ

    তল্লাশি পর্ব শেষ হলে ট্রেনটি (Bomb Threat in Train) গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেয়। এই সময়ের মধ্যে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। এমনকি, ট্রেনের নিরাপত্তারক্ষীরাও বোমার হুমকি পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। ভুয়ো বোমাতঙ্ক কে বা কারা ছড়াল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি একের পর এক বিমানে বোমাতঙ্কের ঘটনার পর এবার ট্রেনেও বোমাতঙ্ক ছড়াল। শুধু তাই নয় সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক হোটেলেও বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল। রবার এমন ভুয়ো বোমাতঙ্ক নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রও। সরকারের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। কারা এই ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে, তাঁদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sukanta Majumdar: স্যুটেড অ্যান্ড বুটেড! পাজামা-পাঞ্জাবি ছেড়ে ব্রাজিলে নতুন লুকে সুকান্ত‌ মজুমদার

    Sukanta Majumdar: স্যুটেড অ্যান্ড বুটেড! পাজামা-পাঞ্জাবি ছেড়ে ব্রাজিলে নতুন লুকে সুকান্ত‌ মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্যুট-টাই পরে‌ বিদেশের মাটিতে নতুন রূপে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সুকান্ত মজুমদারের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের পেজে বৃহস্পতিবার এরকম একাধিক ছবি ও ভিডিও সামনে এসেছে। পাজামার সঙ্গে ধবধবে সাদা আবার কখনওবা হরেকরকম পাঞ্জাবির সঙ্গে তাঁর নিত্যসঙ্গী থাকে উত্তরীয়। এই বেশেই তাঁকে দেখতে অভ্যস্ত বাংলার মানুষ। কিন্তু জি২০ সম্মেলনে বিদেশের মাটিতে ভারত সরকারের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে যাওয়া সুকান্ত এখন অন্য সাজে।

    চেনা ছকের বাইরে

    সোশ্যাল মিডিয়ায় সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) দেখা যাচ্ছে, কখনও ব্রাজিলের ফোর্টালেজায় জি ২০ অন্তর্ভুক্ত রাষ্ট্রগুলির শিক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে সৌদি আরবের শিক্ষামন্ত্রী ইউসুফ আল বেনিয়ার সঙ্গে। আবার কখনও অন্য কারোর সঙ্গে। বৈঠকের পর স্যুট- টাই পরা অবস্থায় একসাথে সকলের সঙ্গে ছবিও তুলেছেন তিনি। বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে এগিয়ে চলা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির বিষয়গুলির মধ্যে দিয়ে জাতীয় শিক্ষানীতির বিষয় সম্পর্কে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বক্তব্য রাখেন সুকান্ত। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিন সুকান্ত মজুমদারকে দেখা যায় একেবারে বাঙালি বেশে ধুতি পাঞ্জাবি পরে শপথ নিতে। দিল্লিতে তাঁর দফতর হোক বা বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও পাজামা পাঞ্জাবি‌ পরতেই দেখা যায় সুকান্ত মজুমদারকে। সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে কিম্বা অধ্যাপনা করার সময়‌ শার্ট- প্যান্ট বেশির ভাগ সময় তাঁর পরনে থাকলেও পুরোদস্তুর রাজনীতিতে পা রাখার পর থেকেই পাজামা পাঞ্জাবি আর জহর কোটেই সুকান্ত মজুমদারকে এখন বেশি দেখা যায়।

    ব্রাজিলে (Brazil) অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্তরে শিক্ষা মন্ত্রীদের জি২০ বৈঠকে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন বাংলা থেকে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।‌‌ সেখানেই ‘নিউ লুক’ সুকান্তর। ঘনিষ্ঠ মহলে সুকান্ত মজুমদার বার বারই বলে থাকেন‌ যে, সাধারণ বাঙালি বেশেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তবে পরিস্থিতির কারণে কখনও কখনও নিজেকে ‘পরিবর্তন’ করতেই হয়। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় সুকান্ত মজুমদার লিখেছেন, ‘‘ব্রাজিলের ফোর্টালেজায় অনুষ্ঠিত শিক্ষামন্ত্রীদের সম্মেলনে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত বোধ করছি। বৈঠকে বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে এগিয়ে চলা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির বিষয়গুলির মধ্যে দিয়ে জাতীয় শিক্ষানীতির (NEP) বিষয় সম্পর্কে উপস্থাপন করলাম।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diwali Wishes: অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার উদযাপন, দীপাবলির শুভেচ্ছা রাষ্ট্রনেতাদের

    Diwali Wishes: অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার উদযাপন, দীপাবলির শুভেচ্ছা রাষ্ট্রনেতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলোর উৎসব দীপাবলি। অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার উদযাপন। ভারত তথা সারা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে এই উৎসবের গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য অপরিসীম। তাই, বিশ্বের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও বিদেশী রাষ্ট্রদূতরা দীপাবলি উপলক্ষে শুভেচ্ছা (Diwali Wishes) জানিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন থেকে শুরু করে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাদ গেলেন না কেউই। ভারতে বিভিন্ন দূতাবাসের তরফেও দীপাবলির শুভেচ্ছা-বার্তা পাঠানো হয়।

    মার্কিন-ব্রিটেন বার্তা

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দীপাবলির শুভেচ্ছা (Diwali Wishes) জানিয়ে ট্যুইট করেছেন, “এই দীপাবলিতে, আমরা আলো জমায়েতের শক্তি দেখাই। জ্ঞানের আলো, ঐক্যের আলো, সত্যের আলো। স্বাধীনতার আলো, গণতন্ত্রের আলো, একটি আমেরিকার আলো যেখানে কিছুই অসম্ভব নয়।” প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও দীপাবলির শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, “আলোর উৎসবটি ন্যায়ের বিজয়ে সাহায্য করুক।”

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার দীপাবলির শুভেচ্ছা (Diwali Wishes) জানিয়ে বলেছেন, এটি “একত্রিত হওয়ার সময়” এবং “একটি মুহূর্ত যখন আমরা সেই আলোর দিকে নজর দিতে পারি যা সর্বদা অন্ধকারকে পরাজিত করে।” তিনি ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে দীপাবলি উদযাপনের ছবিও পোস্ট করেছেন। তিনি ব্রিটেনে বসবাসকারী সকল হিন্দুদের দীপাবলির বিশেষ শুভেচ্ছা জানান। তাঁদের সঙ্গে আনন্দময় মুহূর্ত ভাগ করে নেন। 

    আরব-ইজরায়েল বার্তা

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম হিন্দিতে দীপাবলির শুভেচ্ছা (Diwali Wishes) জানিয়ে বলেছেন, “দীপাবলির এই উৎসব আপনাদের সকলের জীবনে সুখ ও উষ্ণতা নিয়ে আসুক।” অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ দীপাবলিকে “আনন্দ, আশা ও ঐক্যের উৎসব” হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেন, “এই আনন্দের উৎসবটি বিশ্বাস ও সংস্কৃতির একটি অতুলনীয় সুন্দর উদযাপন।”

    ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের উদ্দেশ্যে বলেছেন, “আমি আপনাকে ও ভারতের জনগণকে দীপাবলির শুভেচ্ছা (Diwali Wishes) জানাই! আলোর উৎসব আমাদের সকলকে আনন্দ, সমৃদ্ধি এবং শান্তি নিয়ে আসুক।” নরওয়ে এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত, জাপানের রাষ্ট্রদূত এবং মার্কিন রাষ্ট্রদূতও দীপাবলির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ইজরায়েলের দূতাবাসও একটি ভিডিও পোস্ট করে জানিয়েছে, “সকলকে দীপাবলির শুভেচ্ছা। আলোর উৎসবের উদযাপন করে, আমরা অন্ধকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রদীপ জ্বালাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • IPL 2025: কেকেআরের সবচেয়ে দামি প্লেয়ার এখন রিঙ্কু! আইপিএল ২০২৫ নিলামের আগে কোন দলের হাতে কত টাকা?

    IPL 2025: কেকেআরের সবচেয়ে দামি প্লেয়ার এখন রিঙ্কু! আইপিএল ২০২৫ নিলামের আগে কোন দলের হাতে কত টাকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারকে ছেড়ে দিল কেকেআর। এমনকি ভাইস ক্যাপ্টেন নীতীশ রানাও এখন রিটেনার নন। কেকেআরের সবচেয়ে দামি প্লেয়ারের নাম এখন রিঙ্কু সিং। তাঁকে দেওয়া হল ১৩ কোটি। তবে কী ভবিষ্যতে কেকেআর অধিপতি রিঙ্কু! এমন কথাও শোনা যাচ্ছে ক্রীড়া মহলে। ইতিমধ্যেই আগামী আইপিএলের জন্য রিটেনার লিস্ট প্রকাশ করেছে ১০ দল। কেউ ধরে রেখেছে ছ’জন ক্রিকেটারকে, কেউ আবার রেখেছে মাত্র দু’জনকে। 

    কোন দলে কোন কোন ক্রিকেটার

    আগামী আইপিএলে ৬জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে কলকাতা।  রিঙ্কু সিং, বরুণ চক্রবর্তী, সুনীল নারাইন, আন্দ্রে রাসেল, হর্ষিত রানা এবং রমনদীপ সিংকে রেখেছে তারা। রিঙ্কুকে ধরে রাখতে হলে কেকেআরকে ন্যূনতম ১১ কোটি দিতে হত। নাইটরা রিঙ্কুকে যে হারাতে চাইবেন না, তা জানাই ছিল। শুধু টিমে রেখে দেওয়া নয়। বাড়তি সম্মান ও মাইনে দুইই একসঙ্গে বাড়ানো হল। রিঙ্কুকে ১৩ কোটি টাকা দিয়ে রেখেছে তারা। আগে ৫৫ লক্ষ টাকা পেতেন তিনি। ১২ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা আয় বাড়ল তাঁর। এ ছাড়াও বরুণ চক্রবর্তী, সুনীল নারাইন এবং আন্দ্রে রাসেলকে রেখেছে কলকাতা। তিন জনকেই ১২ কোটি টাকা করে দেওয়া হয়েছে।  দু’জনকেই ৪ কোটি টাকা করে দিয়েছে কেকেআর। মোট খরচ হয়েছে ৬৯ কোটি টাকা। কেকেআর-এর হাতে রয়েছে ৫১ কোটি টাকা।

    কার হাতে কত টাকা

    পাঞ্জাব কিংসের হাতে রয়ছে ১১০.৫ কোটি টাকা। মাত্র দু’জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে পাঞ্জাব। শশাঙ্ক সিং এবং প্রভসিমরন সিংকে রেখেছে তারা। দু’জনেই আনক্যাপড (যাঁরা এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেননি) ক্রিকেটার। শশাঙ্ককে দেওয়া হয়েছে ৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। প্রভসিমরনকে দেওয়া হয়েছে ৪ কোটি টাকা। পাঞ্জাবের খরচ হয়েছে ৯ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।

    রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হাতে আছে ৮৩ কোটি টাকা। তিন জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে বেঙ্গালুরু। বিরাট কোহলিকে ২১ কোটি টাকা দিয়ে রেখেছে তারা। সেই সঙ্গে রজত পাটীদারকে ১১ কোটি টাকা দিয়ে রেখেছে। আনক্যাপড যশ দয়ালকে রেখেছে ৫ কোটি টাকা। ক্রিকেটার ধরে রাখার জন্য বেঙ্গালুরু মোট ৩৭ কোটি টাকা খরচ করেছে।

    দিল্লি-গুজরাট-চেন্নাই-মুম্বইয়ের অন্দর মহল

    দিল্লি ক্যাপিটালস চার জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে। গত বারের অধিনায়ক ঋষভ পন্থকে ছেড়ে দিয়েছে তারা। অক্ষর প্যাটেলকে ১৬ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা দিয়ে রেখেছে তারা। স্পিনার কুলদীপ যাদবকে তারা রেখেছে ১৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা দিয়ে। ট্রিস্টান স্টাবসকে ১০ লক্ষ টাকা রাখল দিল্লি। সেই সঙ্গে রেখেছে বাংলার উইকেটরক্ষক অভিষেক পোড়েলকে। তাঁকে ৪ কোটি টাকা দিয়ে রাখা হয়েছে। চার জন ক্রিকেটারকে ধরে রাখতে ৪৭ কোটি টাকা খরচ হয়েছে দিল্লির। হাতে আছে ৭৩ কোটি টাকা।

    পাঁচ জনকে ধরে রেখেছে চেন্নাই। সেই তালিকায় রয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। পাঁচ বছর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া ক্রিকেটারকে আনক্যাপড হিসাবে রাখা যাবে বলে জানিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাই ধোনি এবারে আনক্যাপড। ৪ কোটি টাকা দিয়ে রাখা হয়েছে তাঁকে। সেই সঙ্গে রাখা হয়েছে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (১৮ কোটি), রবীন্দ্র জাদেজা (১৮ কোটি), মাথিসা পাথিরানা (১৩ কোটি) এবং শিবম দুবেকে (১২ কোটি)। চেন্নাই সুপার কিংস-এর হাতে রয়েছে ৫৫ কোটি টাকা।

    আরও পড়ুন: নভেম্বর মাসে কোন কোন দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ? রাজ্যের সরকারি ছুটিই বা কতদিন?

    পাঁচ জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে হায়দরাবাদ। এনরিক ক্লাসেনকে ২৩ কোটি টাকা দিয়ে রেখেছে তারা। প্যাট কামিন্সকে তারা দিয়েছে ১৮ কোটি টাকা। অভিষেক শর্মা পেয়েছেন ১৪ কোটি টাকা। ট্রেভিস হেড ১৪ কোটি টাকা পেয়েছেন। পাঁচ জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। সবচেয়ে বেশি টাকা দেওয়া হয়েছে যশপ্রীত বুমরাকে। তিনি পাবেন ১৮ কোটি টাকা। সূর্যকুমার যাদবকে ১৬ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা দিয়ে রেখেছে মুম্বই। প্রাক্তন অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে তারা রেখেছে ১৬ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা দিয়ে। হায়দরাবাদ ও মুম্বই দুই দলের হাতেই রয়েছে ৪৫ কোটি করে টাকা। ছ ’জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে রাজস্থান। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনকে ১৮ কোটি টাকা দিয়ে রেখেছে তারা। যশস্বী জয়সওয়ালও একই টাকা পাবেন। রাজস্থান রয়্যালস-এর হাতে আছে ৪১ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: কালীপুজো ও ভাইফোঁটাতেও ফের বৃষ্টি বাংলায়! কী বলছে হাওয়া অফিসের রিপোর্ট?

    Weather Update: কালীপুজো ও ভাইফোঁটাতেও ফের বৃষ্টি বাংলায়! কী বলছে হাওয়া অফিসের রিপোর্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নভেম্বর মাস পড়তে চলল, এবার হাওয়া বদলের (Weather Update) পালা বাংলায়। আপাতত আর ভারী বৃষ্টির (Rainfall in Bengal) সম্ভাবনা নেই। হালকা হিমেল হাওয়ার পরশ লাগতে চলেছে শহর থেকে গ্রাম বাংলায়। সোমবার সকালে তেমনই ইঙ্গিত দিল হাওয়া অফিস। এদিন দক্ষিণবঙ্গের প্রতিটি জেলার (কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া) একটি বা দুটি অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তবে, কোনও জেলায় সতর্কতা জারি করা হয়নি।

    কলকাতার আবহাওয়া

    হাওয়া অফিস (Weather Update) বলছে, সোমবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। আগামী দু’দিন হালকা বৃষ্টির আভাস দেওয়া হলেও, শহরে বা পার্শ্ববর্তী জেলায় বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। শনিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে আরও বৃষ্টি (Rainfall in Bengal) কমবে। বৃষ্টিতে কালীপুজোর আনন্দ ভেস্তে যেতে পারে এমন কোনও ইঙ্গিত নেই। তবে শীত পড়ার আগে পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলার পুরোপুরি সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি সপ্তাহে কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলাই থাকবে। ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই শহরে।

    আরও পড়ুন: সাইবার অপরাধের নতুন ফাঁদ ‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’! সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    জেলার হাওয়া

    বৃষ্টির ভ্রুকুটি কাটিয়ে এখন শুধু শীত পড়ার অপেক্ষায় বাঙালি। নয়া সপ্তাহ শুরু হয়েছে ঝলমলে রোদ দিয়েই। দক্ষিণবঙ্গে ঝকঝকে আকাশ। তবে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় চলতি সপ্তাহে কখনও কখনও হালকা বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গেও (Rainfall in Bengal) মোটামুটি একই পরিস্থিতি থাকতে চলেছে চলতি সপ্তাহে। দার্জিলিং জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায় আংশিক হালকা বৃষ্টি হতে পারে আগামী দু’দিন। তারপর থেকেই সেখানেও বৃষ্টি কমে যাবে। নতুন করে ধস নামা বা বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ক্রবার এবং শনিবার শুধুমাত্র দার্জিলিং এবং কালিম্পঙের একটি বা দুটি অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলাগুলির আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: স্কুলে ছুটি ঘোষণা, সতকর্তা দিঘা, বকখালি, সাগরদ্বীপে! ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র আতঙ্কে কাঁপছে বাংলা

    Weather Update: স্কুলে ছুটি ঘোষণা, সতকর্তা দিঘা, বকখালি, সাগরদ্বীপে! ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র আতঙ্কে কাঁপছে বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়লা আমফান-এর পর এবার ধেয়ে আসছে দানা। এই দানার (Cyclone Dana) হানাও জোড়াল হওয়ার আশঙ্কা কলকাতা, সাগরদ্বীপ, মেদিনীপুরের সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে। বৃহস্পতিবার পুরী-সাগরদ্বীপে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’। সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ মঙ্গলবার রাতেই পরিণত হবে গভীর নিম্নচাপে। বুধবার গভীর নিম্নচাপ পরিণত হতে পারে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে। বুধবার বিকেল থেকেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলায় ভারী বৃষ্টির (Weather Update) সম্ভাবনা রয়েছে।

    কতদূরে অবস্থান

    সাগর দ্বীপ থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৭৭০ কিমি দূরে অবস্থান করছে নিম্নচাপ। আগামী ২৪ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার রাত এবং পরের দিন ২৫ অক্টোবর, অর্থাৎ শুক্রবার ভোরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় দানা (Cyclone Dana) আছড়ে পড়বে। কোথায় আছড়ে পড়বে? হাওয়া অফিস জানিয়েছে,জায়গাটা ওড়িশার পুরী এবং বাংলার সাগরদ্বীপের মধ্যবর্তী কোনও এলাকা। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, ‘দানা’র প্রভাবে বুধবার থেকেই গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলা, যেমন দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতি এবং শুক্রবার পরিস্থিতি আরও ‘জটিল’ হয়ে উঠতে পারে। ওই সময় সমুদ্র উত্তাল থাকবে বলে জানাচ্ছেন আবহবিদেরা। 

    ‘দানা’র মানে কী

    কাতার এই ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Dana) নাম দিয়েছে ‘দানা’। অর্থ মুক্ত বা স্বাধীনতা। আরবীতে আবার এর অর্থ, ‘সুন্দর এবং মূল্যবান মুক্তো’। এর একটা মানেও আছে. ‘উদারতা’ বা ‘দান’। ইতিমধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় উপকূলবর্তী এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। বুধবার থেকে ওড়িশার উপকূলবর্তী জেলার সব স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবারের মধ্যেই পুরীর সৈকত পর্যটকশূন্য করার নির্দেশ দিয়েছে ওড়িশা সরকার। 

    কলকাতায় প্রভাব

    ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়তে পারে শহর কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রামে। কলকাতায় বুধবার বিকেল থেকেই বৃষ্টি নামবে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে থাকবে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট। ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা করে ইতিমধ্যেই রাজ্য ও জেলা স্তরে ২৪ ঘন্টার কন্ট্রোল রুম চালু করা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আধিকারিকদের সর্বক্ষণ পরিস্থিতির ওপর কড়া নজরদারি রাখবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই আগামিকাল অর্থাৎ বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত স্কুল এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ছুটি দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৩ অক্টোবর থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, হুগলি, হাওড়া এবং কলকাতায় সব স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

    উত্তাল দিঘা

    ইতিমধ্যেই ভয়াবহ চেহারা নিয়েছে দিঘার সমুদ্র। মঙ্গলবার জোয়ারের সময় সমুদ্রের সেই রূপ দেখার জন্য সৈকত এলাকায় হাজির হয়েছিলেন পর্যটকেরা। কিন্তু দুর্ঘটনার আশঙ্কায় তড়িঘড়ি বেলাভূমি এলাকা দড়ি দিয়ে ঘিরে দেয় প্রশাসন। কাউকেই সমুদ্রস্নানে নামতে দেওয়া হয়নি। নদী এবং সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী প্রচুর মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে, আবহাওয়ার সঙ্গে সমুদ্রের চেহারাও বদলাচ্ছে। দিঘার সমুদ্র অশান্ত হতে শুরু করেছে। পর্যটকদের দিঘায় আসার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি না হলেও সমুদ্রে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। দিঘা বেড়াতে আসা পর্যটকেরা বলছেন, ঘূর্ণিঝড়ে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস দেখবার জন্যই তাঁরা ছুটে এসেছেন। মঙ্গলবার নিরাপদ দূরত্ব থেকে সমুদ্র দেখেছেন। তবে বুধবার সমুদ্রের কতটা কাছে ঘেঁষতে পারবেন তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে সাইক্লোন ‘দানা’! পূর্ব রেলে জারি একগুচ্ছ প্রোটোকল, তৎপর বিমানবন্দরও

    সতর্ক সুন্দরবন

    সাবধানী দক্ষিণ ২৪ পরগনা প্রশাসনও। সাগর, সুন্দরবন, বকখালি ইত্যাদি এলাকায় সতর্কতামূলক প্রচার চলছে। মাইকিং হচ্ছে এলাকায় এলাকায়। মঙ্গলবার প্রায় সারা দিন ধরে গঙ্গাসাগরের কচুবেড়িয়া ঘাটে ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে অসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মীরা মাইকিং করে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করছেন। ইতিমধ্যে যাঁরা সমুদ্রে চলে গিয়েছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা হচ্ছে। উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদেরও সতর্ক করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share