Author: user

  • ISRO: ২০২৪ সালের শেষেই মানব মহাকাশযান ‘গগনযান’-এর উৎক্ষেপণ হবে, জানালেন ইসরো প্রধান

    ISRO: ২০২৪ সালের শেষেই মানব মহাকাশযান ‘গগনযান’-এর উৎক্ষেপণ হবে, জানালেন ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রথম ‘মানব মহাকাশযান প্রোগ্রাম’ হিসেবে ‘গগনযান’ এবছরের শেষে উৎক্ষেপণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইসরো (ISRO) প্রধান ডক্টর এস সোমনাথ। ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (ইসরো) চেয়ারম্যান বলেন, “২০২৪ সালের শেষ নাগাদ ভারতের প্রথম মানব মহাকাশযান মিশন গগনযান চালু করার চেষ্টা করা হচ্ছে।” একই সঙ্গে চন্দ্রযান-৪ নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেন তিনি। উল্লেখ্য, ভারতের চন্দ্রযান-৩ অভিযানে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করে বিশ্ববাসীর নজর কেড়ে নিয়েছিল ভারত। এবার এই গগনযান নিয়েও ইসরো ব্যাপক আশাবাদী।

    মানুষকে নিম্ন আর্থ অরবিটে (LEO) পাঠানো হবে (ISRO)

    কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে স্পেস এক্সপোতে ভাষণ দেওয়ার সময় সোমনাথ (ISRO) বলেন, “গগনযান উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুতি আমাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে। সব ঠিকঠাক থাকলে আমরা এই বছরের শেষেই অভিযানের জন্য পরিকল্পনা করেছি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা গগনযান প্রোগ্রাম সম্প্রসারণের অনুমোদন দিয়েছে। সেই সঙ্গে ভারতীয় মহাকাশ স্টেশনের উন্নয়ন সম্পর্কিত একাধিক প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।” যদিও ভারত সরকা ডিসেম্বর, ২০১৮ সালে গগনযান অভিযান অনুমোদন করেছিল। এটি ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ছিল। এই কর্মসূচির অধীনে, মানুষকে নিম্ন আর্থ অরবিটে (LEO) পাঠানো হবে। একই ভাবে ভবিষ্যতে আরও মানব মহাকাশযান তৈরি করা হবে। মিশনটি কেবল মহাকাশে পৌঁছানোর চেষ্টাই করবে না, বরং আরও ব্যাপক ভাবে অনুসন্ধানের জন্য ভিত্তি তৈরির কাজ করবে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ১০ বছরে ভারতে তিনটি আন্তর্জাতিক হাব গড়ে উঠবে, প্রত্যয়ী জ্যোতিরাদিত্য

    চন্দ্রযান-৪ মিশন নিয়ে কী বললেন?

    চন্দ্রযান-৩ মিশনে যে চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবিলা করা হয়েছিল, সেগুলির বিষয়েও ইসরোর (ISRO) মতামত বিনিময় করেছেন ইসরো প্রধান। তিনি বলেন, “মিশনের যন্ত্রাংশ ইসরো তৈরি করেছে। সামগ্রিক ভাবে চন্দ্রযান-৪ উপগ্রহের আকার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এখন পাঁচটি মডিউলের প্রয়োজন এবং এই জটিল অপারেশনের জন্য দুটি উৎক্ষেপণের প্রয়োজন হবে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর চন্দ্রযান-৪ মিশনের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। এই মিশনের মাধ্যমে ইসরো এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, যা কার্যত চাঁদে সফল অবতরণ করার পরে পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য সক্ষম হবে। মিশনের সময় পৃথিবীতে চাঁদের নমুনা সংগ্রহ করে আনবে। এরপর পরীক্ষাও করা হবে। মিশনের ফোকাস হবে ঝুঁকি না নিয়ে মানুষকে চন্দ্রে অবতরণ করা। সেই সঙ্গে পৃথিবীতে নিরাপদে ফিরে আসার জন্য মৌলিক প্রযুক্তি থাকবে সেখানে। বৈশ্বিক মহাকাশ শক্তির তালিকায় ভারতের স্থান আরও পাকাপাকি করতে কেন্দ্রীয় সরকার উচ্চাভিলাষী দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ করেছে। এই পরিকল্পনায় ২০৩৫ সালের মধ্যে ভারতীয় মহাকাশ স্টেশন স্থাপন করা হবে এবং ২০৪০ সালের মধ্যে একজন ভারতীয় মানুষকে চাঁদে অবতরণ করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purulia: শাল, পলাশ, মহুয়ার ইতস্তত অরণ্য, মাঝে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে জয়চণ্ডী পাহাড়!

    Purulia: শাল, পলাশ, মহুয়ার ইতস্তত অরণ্য, মাঝে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে জয়চণ্ডী পাহাড়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র জয়চণ্ডী পাহাড় (Purulia)। প্রকৃতপক্ষে এই জয়চণ্ডী পাহাড় হল পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কয়েকটি পাহাড়ের সমষ্টি। এইসব পাহাড়গুলির নামও আলাদা আলাদা। যেমন, একটি পাহাড়ের নাম ‘ঘড়ি’, একটির নাম ‘রাম-সীতা’, আবার অন্য একটি পাহাড়ের নাম ‘যোগীঢাল’ প্রভৃতি।

    অত্যন্ত জাগ্রত দেবী জয়চণ্ডী (Purulia)

    পুরুলিয়া জেলার সদর শহর রঘুনাথপুর থেকে তিন-সাড়ে তিন কিমি দূরে পুরুলিয়া-বরাকর রোডের ওপর অবস্থিত এই পাহাড় শ্রেণির মধ্যে মধ্যমণি হল এই জয়চণ্ডী পাহাড়। প্রায় ৫০৯ ফুট উঁচু এই পাহাড়ের শীর্ষে রয়েছে মা জয়চণ্ডী দেবীর মন্দির। বেশ কয়েক ধাপ সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠে যেতে হয় মন্দিরে। এখানকার স্থানীয় মানুষ এই দেবী জয়চণ্ডীকে অত্যন্ত জাগ্রত বলে মনে করেন। পাহাড়ের (Joychandi Pahar) আশেপাশে শাল, পলাশ, মহুয়া গাছের ইতস্তত বিক্ষিপ্ত অরণ্য। নৈসর্গিক সৌন্দর্য, এক কথায় বলা যায়, অসাধারণ। উল্লেখ্য, এই জয়চণ্ডী পাহাড়েই হয়েছিল বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায় পরিচালিত জনপ্রিয় ছবি ‘হীরক রাজার দেশে’-র শুটিং।

    ঘুরে নিতে পারেন বড়ন্তি

    জয়চণ্ডী থেকে মাত্র ২১ কিমি দূরে পুরুলিয়ার আর এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র বড়ন্তি (Purulia)। ইচ্ছে হলে আর হাতে সময় থাকলে এক সঙ্গেই ঘুরে নেওয়া যায় বড়ন্তিও। সেক্ষেত্রে এক সঙ্গে রথ দেখা আর কলা বেচা, দুই-ই হবে। মন্দির দর্শনের পুণ্য যেমন হবে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝেও থাকা হবে। এখানকার লাল মাটির রাস্তা, আদিবাসী গ্রাম, সবই মন কেড়ে নেওয়ার মতো।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন?

    কলকাতা থেকে জয়চণ্ডী যাওয়ার জন্য প্রথমে আসতে হবে আসানসোল। হাওড়া স্টেশন থেকে প্রচুর ট্রেন আসছে আসানসোল। ধর্মতলা থেকে বাসেও আসা যায় আসানসোল। এখান থেকে আদ্রা শাখার ট্রেনে মিনিট পনেরোর পথ জয়চণ্ডী স্টেশন (Purulia)। স্টেশন থেকে সামান্য পথ রিকশায় গেলেই জয়চণ্ডী পাহাড়। তবে মন্দির পর্যন্ত যেতে হলে শেষ ১ কিমি পথ পাহাড় ভেঙে উঠতে হবে।থাকা-খাওয়া-এখানে রয়েছে জয়চণ্ডী যুব আবাস (ফোন-৬২৯২২৪৮৮৭১)। এছাড়াও আছে কয়েকটি বেসরকারি হোটেল বা লজ। তবে এখানে হোটেলের অপ্রতুলতা আছে। সেক্ষেত্রে বড়ন্তি থেকেও ঘুরে নেওয়া যায় জয়চণ্ডী। বড়ন্তিতে তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি হোটেল রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 139: “বালক যেমন খেলাঘর করে, ভাঙে, গড়ে—তিনিও সেইরূপ সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয় কচ্ছেন”

    Ramakrishna 139: “বালক যেমন খেলাঘর করে, ভাঙে, গড়ে—তিনিও সেইরূপ সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয় কচ্ছেন”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে শ্রীযুক্ত রাখাল, প্রাণকৃষ্ণ, কেদার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১লা জানুয়ারি

    ভক্তির অবতার কেন? রামের ইচ্ছা 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আর তোমাকেই বা কেন জিজ্ঞাসা করি। এর ভিতরে কে একটা আছে। সেই আমাকে নিয়ে এইরূপ কচ্ছে। মাঝে মাঝে দেবভাব প্রায় হত,—আমি পুজো না করলে শান্ত হতুম না।

    আমি যন্ত্র, তিনি যন্ত্রী। তিনি যেমন করান, তেমনি করি। যেমন বলান (Kathamrita), তেমনি বলি।

    প্রসাদ বলে ভবসাগরে, বসে আছি ভাসিয়ে ভেলা।
    জোয়ার এলে উজিয়ে যাব, ভাটিয়ে যাব ভাটার বেলা ॥

    ঝড়ের এঁটো পাতা কখনও উড়ে ভাল জায়গায় গিয়ে পড়ল, কখন বা ঝড়ে নর্দমায় গিয়ে পড়ল—ঝড় যেদিকে লয়ে যায়।

    তাঁতী বললে, রামের ইচ্ছায় ডাকাতি হল, রামের ইচ্ছায় আমাকে পুলিসে ধরলে—আবার রামের ইচ্ছায় ছেড়ে দিলে।

    হনুমান বলেছিল, হে রাম, শরণাগত, শরণাগত;—এই আশীর্বাদ কর যেন তোমার পাদপদ্মে শুদ্ধাভক্তি হয়। আর যেন তোমার ভুবনমোহিনী মায়ায় (Ramakrishna) মুগ্ধ না হই।

    কোলা ব্যাঙ মুমূর্ষ অবস্থায় বললে, রাম, যখন সাপে ধরে তখন ‘রাম রক্ষা কর’ বলে চিৎকার করি। কিন্তু এখন রামের ধনুক বিঁধে মরে যাচ্ছি, তাই চুপ করে আছি।

    আগে প্রত্যক্ষ দর্শন হতো—এই চক্ষু দিয়ে—যেমন তোমায় দেখছি। এখন ভাবাস্থায় দর্শন হয়।

    ঈশ্বরলাভ হলে বালকের স্বভাব হয়। যে যাকে চিন্তা করে তার সত্তা পায়। ঈশ্বরের (Ramakrishna) স্বভাব বালকের ন্যায়। বালক যেমন খেলাঘর করে, ভাঙে গড়ে—তিনিও সেইরূপ সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয় কচ্ছেন। বালক যেমন কোনও গুণের বশ নয়—তিনিও তেমনি সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ তিন গুণের অতীত।

    তাই পরমহংসেরা দশ-পাঁচজন বালক সঙ্গে রাখে, স্বভাব আরোপের জন্য।

    আগরপাড়া হইতে একটি বিশ-বাইশ বছরের ছোকরা আসিয়াছেন। ছেলেটি যখন আসেন ঠাকুরকে ইশারা করিয়া নির্জনে লইয়া যান ও চুপি চুপি মনের কথা কন। তিনি নূতন যাতায়াত করিতেছেন। আজ ছেলেটি কাছে আসিয়া মেঝেতে বসিয়াছেন।

    প্রকৃতিভাব ও কামজয়—সরলতা ও ঈশ্বরলাভ 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ছেলেটির প্রতি)—আরোপ করলে ভাব বদলে যায়। প্রকৃতিভাব আরোপ করলে ক্রমে কামাদি রিপু নষ্ট হয়ে যায়। ঠিক মেয়েদের মতন ব্যবহার হয়ে দাঁড়ায়। যাত্রাতে যারা মেয়ে সাজে তাদের নাইবার সময় দেখেছি—মেয়েদের মতো দাঁত মাজে, কথা কয়।

    তুমি একদিন শনি-মঙ্গলবারে এস।

    (প্রাণকৃষ্ণের প্রতি)—ব্রহ্ম ও শক্তি অভেদ। শক্তি না মানলে জগৎ মিথ্যা হয়ে যায়, আমি-তুমি, ঘরবাড়ি, পরিবার—সব মিথ্যা। ওই আদ্যাশক্তি আছেন বলে জগৎ দাঁড়িয়ে আছে। কাঠামোর খুঁটি না থাকলে কাঠামোই হয় না—সুন্দর দুর্গা ঠাকুর-প্রতিমা হয় না।

    বিষয়বুদ্ধি ত্যাগ না করলে চৈতন্যই হয় না—ভগবানলাভ হয় না—বিষয়বুদ্ধি থাকলেই কপটতা হয়। সরল না হলে তাঁকে পাওয়া যায় না—

    এইসি ভক্তি কর ঘট ভিতর ছোড় কপট চতুরাই।
    সেবা বন্দি আউর অধীনতা সহজে মিলি রঘুরাই ॥

    যারা বিষয়কর্ম করে—অফিসের কাজ কি ব্যবসা—তাদেরও সত্যেতে থাকা উচিত। সত্যকথা কলির তপস্যা।

    প্রাণকৃষ্ণ—অস্মিন্‌ ধর্মে মহেশি স্যাৎ সত্যবাদী জিতেন্দ্রিয়ঃ।
    পরোপকারনিরতো নির্বিকারঃ সদাশয়ঃ ॥

    মহানির্বাণতন্ত্রে এরূপ আছে (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—হাঁ, ওইগুলি ধারণা করতে হয়।

    আরও পড়ুনঃ “ভাব-ভক্তির দ্বারা তাঁর সেই অতুলনীয় রূপ দর্শন করা যায়, মা নানারূপে দর্শন দেন”

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরে নাশকতার বড় ছক ফাঁস, সেনা-পুলিশ যৌথ অভিযানে উদ্ধার ২৮ কেজি আইইডি

    Manipur: মণিপুরে নাশকতার বড় ছক ফাঁস, সেনা-পুলিশ যৌথ অভিযানে উদ্ধার ২৮ কেজি আইইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) সেনাবাহিনী এবং পুলিশের (Army Police) যৌথ অভিযানে ২৮.৫ কেজি ওজনের সাতটি ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস সংক্ষেপে আইইডি (IED) উদ্ধার হল। এক বিবৃতিতে এই কথা জানিয়েছে সেনা। বাহিনীর পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে আইইডিগুলিকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। গত তিন মাসে মণিপুরে (Manipur) এটি ছিল দ্বিতীয় বড় আইইডি উদ্ধারের ঘটনা। 

    ইম্ফল পূর্ব জেলা থেকে উদ্ধার বিস্ফোরক (Manipur)

    সেনাবাহিনীর তরফ থেকে বলা হয়েছে, ‘‘ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস বিস্ফোরকগুলিকে, স্নিফার ডগের সাহায্যে অভিযান চালিয়ে ইম্ফল পূর্ব জেলার বোংজাং এবং ইথাম গ্রামের নিকটবর্তী পাহাড়ী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ফলে বড় রকমের নাশকতামূলক চক্রান্তকে ফাঁস সম্ভব হয়েছে। ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাকে প্রতিরোধ করে মূল্যবান জীবন এবং সম্পত্তির রক্ষা করা গিয়েছে।’’ এর আগে, গত ২০ জুলাই ইম্ফল পূর্ব জেলার সাইচাং এর পাহাড়ি এলাকায় ৩৩ কেজি আইইডি উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় করেছিল সেনা। বাহিনী জানিয়েছে,  ‘‘মণিপুর পুলিশের সঙ্গে সেনার সমন্বয়ের ফলে এই সাফল্য এসেছে। এই যৌথ অভিযানটি এলাকার নিরাপত্তাকে নিশ্চিত করেছে এবং একই ভাবে দেশবিরোধী জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে কড়া বার্তাও দেওয়া হয়েছে।’’

    আরও পড়ুনঃ আর্থিক তছরুপ রুখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা, ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এফএটিএফ

    অনুপ্রবেশের অভিযোগে সতর্ক পুলিশ

    আবার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মায়ানমার থেকে অনুপ্রবেশের বিষয়ে থৌবাল জেলার সিনিয়র অফিসারদের কাছে বিশেষ প্রশাসনিক বার্তা এসেছে। তাতে যে কোনও ধরনের হামলা এড়াতে নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, মণিপুরে (Manipur) কুকি উপজাতি এবং মেইতিদের মধ্যে ২০২৩ সালের মে থেকে জমির অধিকার এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব সহ একাধিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংঘর্ষ চলছে। মণিপুরের হিংসায় ইতিমধ্যে ২২০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা কয়েক হাজার। এছাড়া, প্রায় ৫০ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মণিপুর সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বহিরাগত শক্তি অত্যন্ত সক্রিয় ভাবে নানা ষড়যন্ত্র করছে, কিন্তু প্রশাসন নিরাপত্তা এবং শান্তি শৃঙ্খলা বিষয়ে অত্যন্ত সর্তকতা অবলম্বন করছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: ষষ্ঠীর ১৫ দিন আগেই ছাগ বলির মাধ‍্যমে হয় দেবীর বোধন! বিসর্জনের রীতিও অনন‍্য

    Durga Puja 2024: ষষ্ঠীর ১৫ দিন আগেই ছাগ বলির মাধ‍্যমে হয় দেবীর বোধন! বিসর্জনের রীতিও অনন‍্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন। তার পরেই দেশ তথা রাজ‍্য জুড়ে শুরু হবে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শারদ উৎসব (Durga Puja 2024), যার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে এখন থেকেই। সেখানে যেমন বড় বাজেটের থিমের পুজো আছে, তেমনই আছে অনেক বনেদি গ্রামীণ ঐতিহ‍্যমণ্ডিত প্রাচীন পুজো। যে পুজোগুলি তাদের অনন‍্য ঘরানায় উল্লেখযোগ‍্য হয়ে আছে। আসানসোল শিল্পাঞ্চলেও এরকম একাধিক প্রাচীন ঐতিহ‍্যমণ্ডিত শারদীয়া পুজোর প্রচলন আছে। তার মধ‍্যে অন‍্যতম বারাবনি বিধানসভার সালানপুর ব্লকের এথোড়া গ্রামের পুজো।

    পুজো হয় সুরথ রাজার প্রচলিত নিয়ম ও রীতি মেনে

    বৈশিষ্টের দিক থেকে এই গ্রামটি বর্ধিষ্ণু ও অত‍্যন্ত প্রাচীন। যে গ্রামে বর্গী হানার দৃশ‍্য আজও বিদ‍্যমান। বর্তমানে এথোড়া গ্রামে ছোট-বড় মিলিয়ে ১১টি দুর্গাপুজো হলেও সব চেয়ে জনপ্রিয় ও উল্লেখযোগ‍্য হল বড় মা তথা বড় দুর্গা মন্দিরের পুজো, যা প্রায় ৪০০ বছরের প্রাচীন। স্বাভাবিকভাবেই এই পুজোর রীতিনীতিও অত‍্যন্ত প্রাচীন ও স্বতন্ত্র। আমাদের প্রচলিত শারদ উৎসব মূলত দেবীর অকাল বোধন হিসেবে পরিচিত। তবে এথোড়া গ্রামে বড় দুর্গার পুজো (Durga Puja 2024) হয় সুরথ রাজার প্রচলিত নিয়ম ও রীতি মেনে। যে কারণে ষষ্ঠীর ১৫ দিন আগেই এই গ্রামে ছাগ বলির মাধ‍্যমে দেবীর বোধন হয়। পাশাপাশি এই গ্রামে পুজোর দিনে, বিশেষত নবমীতে অসুর রূপে মহিষ তথা কাঁড়া বলির প্রচলন আজও চলে আসছে। সঙ্গে বন্দুকের গুলি উপরে ছুড়ে তার আওয়াজ শোনার পরেই বলি করা হয়। সঙ্গে পাঁঠা বলিও দেওয়া হয়। এছাড়াও পুজোর তিনদিনই (সপ্তমী-অষ্টমী-নবমী) বলি প্রথার প্রচলন আছে।

    দেবীর বিসর্জনের রীতিও অনন‍্য (Durga Puja 2024)

    এথোড়া গ্রামের বড় দুর্গা মন্দিরের পুজোতে প্রাচীন তালপাতার ওপর ভুসো কালিতে লেখা পুঁথির মন্ত্রোচ্চারণের মাধ‍্যমে দেবীর আরাধনা করা হয়। দেবী এখানে তাঁর পুরো পরিবার নিয়ে এক চালাতেই অধিষ্ঠান করেন। দেবীকে প্রতিদিনই দু’বার ভোগ নিবেদন করা হয়। যার মধ‍্যে দেবীর স্নান-আচমন পর্যায়ে লুচি-মিষ্টান্ন-লাড্ডুর ভোগ নিবেদন করা হয়। পরবর্তী ক্ষেত্রে বলি পর্যায় শেষ হলে গ্রামের মহিলারা স্নানপর্ব শেষে শুদ্ধাচারে দেবীকে পাঁচ রকমের ভাজা ও পায়েস সহযোগে অন্ন ভোগ নিবেদন করেন। দেবীর (Asansol Barabani) বিসর্জনের রীতিও এখানে অনন‍্য। দেবীকে বাঁশের মাচায় চাপিয়ে বাদ‍্য, মন্ত্রোচারণ ও গানের মাধ‍্যমে মানুষের কাঁধে করে গোটা গ্রাম পরিদর্শনের মাধ‍্যমে শ্বশুর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রাচীন কাল থেকেই এই গ্রামের প্রতিমা নিরঞ্জন হয় কুমারা পুকুর নামের জলাশয়ে। যেখানে গ্রামের সব দেব-দেবীরই বিসর্জন হয়ে থাকে। এই পুজোতে (Durga Puja 2024) গ্রামের মানুষ তো পুজোয় আনন্দে মেতে উঠেনই, এছাড়া বাইরে থেকেও মানুষ আসেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Konark Sun Temple: কোনার্ক সূর্য মন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে কতটা বালি সরল? খতিয়ে দেখল এএসআই

    Konark Sun Temple: কোনার্ক সূর্য মন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে কতটা বালি সরল? খতিয়ে দেখল এএসআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রয়োদশ শতাব্দীতে নির্মিত পুরীর বিখ্যাত কোনার্ক সূর্য মন্দিরের (Konark Sun Temple) গর্ভগৃহে ভরে যাওয়া বালি সরানোর কাজ শুরু করেছে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ। সেই কাজের কতটা অগ্রগতি হল, তার মূল্যায়ন করতে মন্দির পরিদর্শন করল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (এএসআই)-র ছয় সদস্যের একটি দল। সংস্থার অতিরিক্ত মহানির্দেশক জানভিজ শর্মার নেতৃত্বে এই দলটি (ASI) বিশ্ব ঐতিহ্যের স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে গণ্য এই মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে বিশেষ পর্যালোচনা করেছে। মন্দিরের স্থাপত্যে গর্ত দেখা দিলে এক সময় বালি দিয়ে তা ভরাট করা হয়েছিল। এখন তা সরানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। অবশ্য, বালি সরিয়ে প্রকট হয়ে পড়া সেই গর্তের স্থানগুলো নতুন পদ্ধতিতে মেরামত করা হবে।

    ইংরেজ আমলে অবক্ষয় প্রতিরোধে বালি ভরাট (Konark Sun Temple)

    এএসআই (ASI)-এর অতিরিক্ত মহানির্দেশক জানভিজ শর্মা বলেন, ‘‘এই মন্দির ঐতিহ্যের স্মৃতিস্তম্ভ এবং আমরা সময়ে সময়ে পরিদর্শন ও সমীক্ষা পরিচালনা করে থাকি।’’ জানা গিয়েছে, ইংরেজ আমলেও মন্দিরের (Konark Sun Temple) অবক্ষয় প্রতিরোধ করতে সচেষ্ট হয়েছিলেন ব্রিটিশরা। বিভিন্ন সময়ে স্থাপত্যে গর্ত সৃষ্টি হলে তা ঠিকঠাক করা হতো। এই বিশাল স্থাপত্যের দ্বারমুখ  স্থানটিকে বালি দিয়ে ভরাট করার কাজ করেছিলেন তাঁরা। এবার প্রায় একশো বছরের পরে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (এএসআই), স্থাপত্যের চারপাশে পুনরায় কাজ করা শুরু করেছে। মন্দিরের জগমোহন অর্থাৎ দ্বারমুখ-এর স্থায়িত্ব এবং বালির বর্তমান অবস্থার মূল্যায়ন করার জন্য কাজ শুরু হয়েছে (ASI)। বালির স্তর ১৫ ফুট বসে গিয়েছে। যার জেরে একটি বড় গহ্বরের সৃষ্টি হয়েছে।”

    লেজার স্ক্যানিং এবং এন্ডোস্কোপি করা হবে

    ১৯০৩ সালে বাংলার লেফটেন্যান্ট গভর্নর জেএ বোর্ডিলনের নির্দেশে ৭০ ফুট উঁচু জগমোহন বা দ্বারমুখ বালি দিয়ে ভরাট করা হয়েছিল। এএসআই (পুরী সার্কেল) এর সুপারিনটেনডিং প্রত্নতাত্ত্বিক, দিবাশাদ গডনায়েক বলেন, “মন্দিরের (Konark Sun Temple) সংরক্ষণ প্রক্রিয়ায় বহু-মুখী পদক্ষেপ করা হয়েছে। সবটাই মন্দিরের সংরক্ষণ এবং সমীক্ষা-মূল্যায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। এখন প্রাথমিকভাবে, কাঠামোগত অখণ্ডতা ও স্থিতিশীলতা মূল্যায়ন করার জন্য মন্দিরের দেওয়ালে একটি ছোট গর্ত করা হবে (ASI)। এরপর তাঁকে অনুসরণ করে, লেজার স্ক্যানিং এবং এন্ডোস্কোপির মতো উন্নত কৌশলগুলি ব্যবহার করা হবে।”

    বালি ভরাট প্রায় সাড়ে ১২ ফুট স্থির হয়েছে

    উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত “সূর্য মন্দিরের সংরক্ষণ” বিষয়ক একটি জাতীয় সম্মেলনের সময়, ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তকমা অর্জন করেছিল এই মন্দির। তবে এই সম্মেলনে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। তিনিই ১৯০৩ সালে ব্রিটিশদের দ্বারা মন্দিরের জগমোহন থেকে ভরাট করা বালি সারানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন। সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিবিআরআই)-এর নেতৃত্বে এন্ডোস্কোপি গবেষণায় উল্লেখযোগ্য কাঠামোগত ক্ষতি প্রকাশের পর কোনার্ক মন্দিরের (Konark Sun Temple) জগমোহন থেকে বালি সারিয়ে ফেলা অপরিহার্য বলে মনে করা হয়েছিল। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মাথায় একটি বড় গর্ত  সৃষ্টি হয়েছে। তাই বালি সরিয়ে আবার বালি দিয়ে ভরাট করা হবে (ASI)। এই কাজ হবে প্রায় সাড়ে ১২ ফুট স্থাপত্যে জুড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Israel-Lebanon Conflict: হিজবুল্লা প্রধানের হুমকির মধ্যেই লেবাননে এয়ারস্ট্রাইক ইজরায়েলের

    Israel-Lebanon Conflict: হিজবুল্লা প্রধানের হুমকির মধ্যেই লেবাননে এয়ারস্ট্রাইক ইজরায়েলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লেবাননে (Israel-Lebanon Conflict) হিজবুল্লা গোষ্ঠীকে খতম করতে পূর্ণমাত্রায় হামলা শুরু করল ইজরায়েল। পেজার, ওয়াকি-টকি বিস্ফোরণের পর এবার সরাসরি এয়ারস্ট্রাইক। ইজরায়েলকে সতর্ক করে ইরানের মদতপুষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লা জানিয়েছিল, তেল আভিভ যেন ‘লক্ষ্মণরেখা’ অতিক্রম না করে। কিন্তু সে সব উপেক্ষা করেই লেবাননে ফের হামলা চালাল ইজরায়েল। বৃহস্পতিবার হিজবুল্লার (Hezbollah) শতাধিক ‘রকেট লঞ্চার’ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। ইজরায়েলি সেনা এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।

    ১০০টি রকেট লঞ্চারে হামলা

    ইজরায়েলি (Israel-Lebanon Conflict) সেনা সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলের পর যুদ্ধবিমানের সাহায্যে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন প্রান্তে হিজবুল্লার অন্তত ১০০টি রকেট লঞ্চারে হামলা চালানো হয়েছে। ইজরায়েলের দাবি, ওই রকেট লঞ্চারগুলি থেকে অন্তত এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র তাদের দেশে ছোড়ার পরিকল্পনা করেছিল হিজবুল্লা। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার লেবাননে পেজার হামলা এবং বুধবার ওয়াকি-টকি হামলার পরেই ইজরায়েলের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন হিজবুল্লার প্রধান হাসান নাসরাল্লাহ। তার মধ্যেই লেবাননে হিজবুল্লার (Hezbollah) ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাল ইজরায়েল। 

    আরও পড়ুন: পেজারের পরে ওয়াকিটকি! ফাটছে মোবাইল, ল্যান্ডফোনও, লেবাননে নিহত অন্তত ৩২

    যুদ্ধক্ষেত্র দক্ষিণ লেবানন

    আইডিএফের (Israel-Lebanon Conflict) তরফেও লেবাননে এই হামলা চালানোর কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে আইডিএফ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “হিজবুল্লা জঙ্গিদের নিকেশ করতে এবং তাদের ঘাঁটি ধ্বংস করতে লেবাননে আক্রমণ করেছে আইডিএফ। কয়েক দশক ধরে হিজবুল্লা (Hezbollah) সাধারণ মানুষের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে, তাদের বাড়ির নীচে সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে এবং বিপদের মুহূর্তে সাধারণ নাগরিকদের মানব ঢাল হিসাবে ব্যবহার করছে। দক্ষিণ লেবাননকে এরা যুদ্ধক্ষেত্র বানিয়ে তুলেছে।” আইডিএফের দাবি, হিজবুল্লা প্রধান ভিডিও বার্তা দেওয়ার সময়, তাদের তরফ থেকেও ইজরায়েলকে নিশানা করে কয়েকটি রকেট ছোড়া হয়। তবে আয়রন ডোমের দৌলতে অধিকাংশ রকেটই ইজরায়েলের আকাশসীমায় ঢুকতে পারেনি। অন্যদিকে, এই হামলা-পাল্টা হামলার জেরে মধ্য প্রাচ্যে উত্তাপ বাড়তেই দুই পক্ষকে সংযত হতে অনুরোধ করেছে আমেরিকা ও ব্রিটেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: নিলামে প্রধানমন্ত্রীর উপহার, রোজগারের টাকা ব্যয় হবে নমামি গঙ্গে প্রকল্পে

    PM Modi: নিলামে প্রধানমন্ত্রীর উপহার, রোজগারের টাকা ব্যয় হবে নমামি গঙ্গে প্রকল্পে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশ থেকে বিভিন্ন উপহার বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে। তার জেরে জেলও খেটেছেন তিনি। আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) প্রতিবার পাওয়া উপহার নিলামে তোলেন। সেই টাকা দান করে দেন দেশের কল্যাণমূলক কাজে।

    নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের তহবিলে দান (PM Modi)

    এবার যেমন ‘নমামি গঙ্গে’ (Namami Gange Project) প্রকল্পের তহবিলে দান করবেন নিলাম বাবদ রোজগারের টাকা। বৃহস্পতিবার একথা জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। তিনি বলেন, “প্রতি বছরই বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সভায় পাওয়া স্মারকগুলি নিলামে তুলি। সেই অর্থ নমামি গঙ্গে প্রকল্পে দান করা হয়। আপনাদের জানাই, এ বছরের নিলাম শুরু হয়ে গিয়েছে। যে স্মারকটি আপনার পছন্দ, সেটি বেছে নিন।” প্রসঙ্গত, নিলাম শুরু হয়েছে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে। চলবে ২ অক্টোবর পর্যন্ত।

    কী কী বিক্রি হচ্ছে?

    জানা গিয়েছে, এবার ৬০০-রও বেশি স্মারক (PM Modi) রয়েছে। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে উপহার স্বরূপ এগুলি পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে যেমন রয়েছে ভাস্কর্য, চিত্র, দেশীয় শিল্পনিদর্শন, তেমনি রয়েছে ২০২৪ সালের প্যারা অলিম্পিকের বিভিন্ন স্মারকও। অযোধ্যার রাম মন্দিরের রেপ্লিকাও রয়েছে। রয়েছে দ্বারকার দ্বারকাধীশের প্রতিমূর্তিও। সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে নাম নথিভুক্ত করে যে কেউ এগুলি সংগ্রহ করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিংহ শেখাওয়াত বলেন, “এই উদ্যোগ ইতিহাসকে আরও আপন করে নিতে মানুষকে উদ্ধুদ্ধ করবে। সেই সঙ্গে তাঁরা এই মহৎ উদ্যোগেও শামিল হতে পারবেন।”

    আরও পড়ুন: “৩৭০ ধারা নিয়ে কংগ্রেস-এনসি জোট একই পৃষ্ঠায়”, পাক মন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক

    মিশন গঙ্গা মোদি জমানায় নাম বদলে হয় নমামি গঙ্গে। এই প্রকল্পে ইতিমধ্যেই খরচ হয়ে গিয়েছে বরাদ্দকৃত ২০ হাজার কোটি টাকার অর্ধেকেরও বেশি। নিলাম থেকে সংগৃহীত অর্থও এবার যোগ হবে এই খাতে। ই-নিলামের এই ব্যবস্থা চালু হয় মোদি জমানায়ই, ২০১৯ সালে। ইতিমধ্যেই নিলাম হয়েছে পাঁচবার। আয় হয়েছে ৫০ কোটিরও বেশি (Namami Gange Project) টাকা। এই টাকার পুরোটাই খরচ হয়েছে দেশের কল্যাণে (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Hospital: আরজি কর তৈরির জন্য ভিক্ষা করেছিলেন বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর

    RG Kar Hospital: আরজি কর তৈরির জন্য ভিক্ষা করেছিলেন বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর

    হরিহর ঘোষাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (RG Kar Hospital) ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় এখন সারা বাংলা-তথা দেশ তোলপাড়। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ পথে নেমে এর সুবিচারের দাবি জানাচ্ছেন। কিন্তু, এই হাসপাতালের সৃষ্টি এবং স্রষ্টার ইতিহাস জানেন কি? সম্পূর্ণ কাহিনি শুনলে অবাক হবেন। জানা যায়, এই হাসপাতাল তৈরি করেছিলেন বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর।

    কে এই রাধাগোবিন্দ কর? (RG Kar Hospital)

    বেলগাছিয়া (Kolkata) থেকে দমদম বাড়ি বাড়ি সাইকেল চালিয়ে ঘুরে বেড়াতেন এক ডাক্তার। মাথায় একটা টুপি আর সাইকেলে ঝোলানো ক্যামবিসের ব্যাগ। রোগী দেখাই শেষ নয়, নানা ভাবে সহযোগিতা এমনকী ওষুধ কেনার পয়সাও দিচ্ছেন তিনি। সেই ডাক্তারবাবুর নাম রাধাগোবিন্দ কর। আরজি  কর হাসপাতালের (RG Kar Hospital) স্রষ্টা তিনি। সারা বাংলার মানুষের চিকিৎসার সুবিধার্থে একজন ডাক্তার সারাটা জীবন লড়াই করেছেন। হাওড়া জেলার রামরাজাতলা স্টেশন থেকে সামান্য দূরত্বে বেতড়ের বিখ্যাত কর বাড়ি তাঁর জন্মভিটে। ১৮৫০ সালের ২৩ অগাস্ট তাঁর জন্ম। জানা যায়, বাবা দুর্গাদাস কর ছিলেন অবিভক্ত বাংলায় মেডিক্যাল অফিসার। তিনি ঢাকা মিডফোর্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আর রাধাগোবিন্দ কর কলকাতার হেয়ার স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করার পর চিকিৎসা বিজ্ঞানের পাঠ গ্রহণের জন্য ১৮৮০ সালে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন। ১৮৮৩ সালে ডাক্তারি পড়তে কলকাতা ছেড়ে স্কটল্যান্ডে পাড়ি দেন তিনি। ১৮৮৭ সালে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা বিদ্যার শ্রেষ্ঠ অলংকারে ভূষিত হলেন তিনি। এমআরসিপি হয়ে বিদেশে ডাক্তারি করার সুযোগ থাকলেও তিনি ফিরে এলেন এই বাংলায়। একজন বিলেত ফেরত ডাক্তার হয়ে বাংলার অসহায় গরিব মানুষদের পাশে দাঁড়ালেন তিনি।

    হাসপাতাল তৈরির জন্যে ভিক্ষা!

    এদেশের মানুষের জন্য একটি হাসপাতাল তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন রাধাগোবিন্দ কর। হাসপাতালের অর্থ সংগ্রহ করতে সে সময় এই বিলেত ফেরত ডাক্তার ভিক্ষা পর্যন্ত করেছেন। তখনকার দিনে কলকাতার বড়লোকদের কাছে হাত পেতে ভিক্ষা করেছেন। বড়লোক বাড়িতে কোনও আনন্দ-অনুষ্ঠান হলে সেই বাড়ির গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতেন, হাত পেতে ভিক্ষা চাইতেন তিনি। চিকিৎসক হিসেবে অর্জিত অর্থের সমস্তটাই দান করে গিয়েছেন মেডিক্যাল স্কুল ও হাসপাতাল স্থাপনে।

    আরজি কর হাসপাতাল তৈরির আদি কথা

    ১৮৯৮ সালে ২৫ হাজার টাকা দিয়ে বেলগাছিয়ায় ১২ বিঘে জমি কিনে নেন রাধাগোবিন্দ কর। এরপর সেখানেই ৭০ হাজার টাকা খরচ করে গড়ে তোলেন হাসপাতাল (RG Kar Hospital)। ঠিকানা, ১ নম্বর বেলগাছিয়া রোড। শয্যাসংখ্যা ৩০। হাসপাতাল পরিদর্শন করতে এসে প্রিন্স অ্যালবার্ট ভিক্টর দান করেন ১৮ হাজার টাকা। এই বিপুল পরিমাণ টাকা সাহায্য করার জন্য হাসপাতালের নাম রাখা হয় ‘অ্যালবার্ট ভিক্টর হাসপাতাল’। ১৯০৪ সালে এই হাসপাতালের সঙ্গে মিশে যায় কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জেনস অব বেঙ্গল। তারও ১০ বছর পর মেলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন। তখন নামকরণ হয় বেলগাছিয়া মেডিক্যাল কলেজ। ১৯১৬ সালের ৫ জুলাই সেই কলেজের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করেন লর্ড কারমাইকেল। তাই তাঁর সম্মানে আবারও বদলে যায় এই চিকিৎসা কেন্দ্রের নাম। দেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত নাম ছিল কারমাইকেল। ১৯১৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৬৬ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রাধাগোবিন্দ কর। মৃত্যুর সময় তাঁর নিজস্ব সম্পত্তি বলতে কিছুই ছিল না। শুধু ছিল বেলগাছিয়ায় তাঁর একটি বাড়ি। সেই বাড়িটিও তিনি উইল করে দিয়ে যান এই মেডিক্যাল কলেজের নামে। পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়ের উদ্যোগে রাধাগোবিন্দ করের নামেই কলেজের নাম রাখা হয় ‘আরজি কর’। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১৯৫৮ সালের ১২ মে এটি গ্রহণ করে।

    রাধাগোবিন্দ কর ও নিবেদিতা

    ১৮৯৯ সালে কলকাতা জুড়ে প্লেগ মহামারির আকার নেয়। সেই সময়ে উত্তর কলকাতার অলিতে গলিতে ঘুরে রোগীদের সেবা করছেন ভগিনী নিবেদিতা। আর বিলেত ফেরত ডাক্তার রাধাগোবিন্দ কর সাইকেলে করে এলাকা চষে বেড়ান। বেশিরভাগ রোগীই গরিব। পথ্য কেনারই পয়সা নেই, তার ওপর আবার ডাক্তাবের ফিস। রোগী দেখার সঙ্গে সঙ্গে দরকার হলে রোগীদের পথ্য কেনার টাকাও দিচ্ছেন বিলেত ফেরত ডাক্তারবাবু। এর কিছুদিন পরই নিবেদিতার সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। প্লেগ সংক্রমণ রুখতে এবং মৃত্যুর হার কমাতে দু’জনে মিলে একসঙ্গে কাজ করেছেন তাঁরা। ডাক্তারি পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাতে চিকিৎসা শাস্ত্রের ওপর একাধিক বইও লিখেছেন। যা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।

    এখন আরজি কর হাসপাতাল

    বর্তমানে ১৫ একর জুড়ে বিস্তৃত ১২১০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল (RG Kar Hospital) কমপ্লেক্সে ১০টি ভবন এবং সাতটি হস্টেল রয়েছে। ২০১৫ সালে শতবর্ষ উদযাপনের সূচনা উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা বলেন, এই মেডিক্যাল কলেজকে এক সময় অনেকে অবজ্ঞা করত। কারণ, তখন বেলগাছিয়াকে কলকাতা শহরের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হত না। তাই, এই মেডিক্যাল কলেজকে খালের কলেজ বলা হত। জানা গিয়েছে, এই হাসপাতালে এমবিবিএস, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট করা হয়। বিএসসি নার্সিং, প্যারামেডিক্যাল শাখায় আরও কয়েকটি কোর্সের জন্য আসন রয়েছে। বিলেত থেকে ফিরে এদেশের মানুষের জন্য যে হাসপাতাল তৈরির চারাগাছ তিনি লাগিয়েছিলেন, আজ তা বটবৃক্ষে পরিণত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gurpatwant Pannun: পান্নুন খুনের ষড়যন্ত্রে ভারতের বিরুদ্ধে সমন, কী বলল নয়াদিল্লি?

    Gurpatwant Pannun: পান্নুন খুনের ষড়যন্ত্রে ভারতের বিরুদ্ধে সমন, কী বলল নয়াদিল্লি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ সেপ্টেম্বর তিন দিনের আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (India)। তার আগে শিখ ফর জাস্টিসের নেতা গুরুপন্ত সিং পান্নুনকে (Gurpatwant Pannun) খুনের চেষ্টার ষড়যন্ত্র মামলায় ভারত সরকারের বিরুদ্ধে সমন জারি প্রসঙ্গে মন্তব্য করলেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি।

    ভারত সরকারের নামে সমন জারি (Gurpatwant Pannun)

    আমেরিকার একটি আদালত ভারত সরকারের নামে সমন জারি করেছে। এই সমনে নাম রয়েছে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, র-এর প্রাক্তন প্রধান সামন্ত গোয়েল, এজেন্ট বিক্রম যাদব ও ব্যবসায়ী নিখিল গুপ্তার। ভারতের বিদেশ সচিব বলেন, “এই বিষয়টি প্রথমবার ভারতের নজরে আসার পর কিছু পদক্ষেপ করা হয়েছিল। উচ্চ পর্যায়ের কমিটি দ্বারা অভিযোগগুলির তদন্ত করা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “উভয় পক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টিতে যুক্ত রয়েছে।” বিদেশ সচিব বলেন, “সম্প্রতি দায়ের করা মামলাগুলি পুরোপুরি অযৌক্তিক। অভিযোগও ভিত্তিহীন। মামলা দায়ের করা হলেও, এতে আমাদের মূল অবস্থানের প্রতি কোনও প্রভাব পড়বে না।”

    আরও পড়ুন: “৩৭০ ধারা নিয়ে কংগ্রেস-এনসি জোট একই পৃষ্ঠায়”, পাক মন্ত্রীর মন্তব্যে বিতর্ক

    নিষিদ্ধ শিখ ফর জাস্টিস

    ভারতে নিষিদ্ধ শিখ ফর জাস্টিস (Gurpatwant Pannun)। এর প্রতিষ্ঠাতা খালিস্তানপন্থী জঙ্গি পান্নুন। মিশ্রি বলেন, “এই মামলার পেছনে রয়েছে ব্যক্তির অতীত পরিচিতি। কারণ তিনি আগেও বহুবার ভারত বিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “এটি (শিখ ফর জাস্টিস) একটি বেআইনি সংগঠন। এই সংগঠনকে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন ১৯৬৭-এর অধীনে বেআইনি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কারণ এটি দেশ বিরোধী ও ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপে জড়িত।” বিদেশ সচিব বলেন, “শিখ ফর জাস্টিসের উদ্দেশ্য হল ভারতের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা বিঘ্নিত করা।”

    প্রসঙ্গত, খালিস্তানি জঙ্গি পান্নুনকে হত্যার ষড়যন্ত্রের মামলায় অভিযুক্ত নিখিল গুপ্তা। ২০২৩ সাল থেকেই চেক প্রজাতন্ত্রের জেলে বন্দি ছিলেন তিনি। এই নিখিলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। এই মামলায় নিখিলকে তাদের দেশে নিয়ে গিয়ে বিচার করতে চেয়েছিল আমেরিকা। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের জন্য বরাত দেওয়ার ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে মার্কিন আদালতে। ভারত (India) সরকারের একটি এজেন্সির আধিকারিকের নির্দেশেই নিখিল এই কাজ করেন বলে অভিযোগ (Gurpatwant Pannun)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share