iPhone Factory India: বেঙ্গালুরুতে তৈরি হবে আইফোন, হবে ৬০,০০০ কর্মী নিয়োগ!

ashwini-vaishnaw

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সব থেকে বড় আইফোন উৎপাদক ইউনিট (iPhone Factory India) বেঙ্গালুরুর হুসুরে ৬০,০০০ কর্মী নিয়োগ করা হবে। মঙ্গলবার এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় টেলি যোগাযোগ এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এখনও বিশ্বব্যাপী সব আইফোনের বেশিরভাগ উৎপাদন হয় চিনেই। যদিও বিগত কয়েক মাস ধরেই সে দেশে একের পর এক কারণে উৎপাদনে ধাক্কা খেয়েছে মার্কিন সংস্থাটি। এই পরিস্থিতিতে ক্রমশ চিনের উপর থেকে নির্ভরতা কমাতে চাইছে অ্যাপেল। আর সেই কারণেই চিনের বাইরে বিভিন্ন দেশে উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। এই সুযোগে ভারতে আইফোন উৎপাদন কয়েক গুণ বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে টাটারা। ভারতে আইফোন উৎপাদক সংস্থাগুলি হল ফক্সকন, উইস্টন এবং পেগাট্রন। জানা গিয়েছে ফক্সকন ভারতে উৎপাদনের পরিমাণ আরও বাড়াতে চায়। চিনে শূন্য কোভিড নীতির পরে যখন আইফোনের সব থেকে বড় উৎপাদক ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখনই এই সিদ্ধান্ত নেয় ফক্সকন। দক্ষিণ ভারতে ৫৩,০০০ কর্মী নিয়োগ করে কর্মী সংখ্যা ৭০,০০০ করতে চাইছে ফক্সকন।  

কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? 

গতকালই বিরসা মুণ্ডার জন্মবার্ষিকী পালন করেছে গোটা দেশ। আর সেই দিনই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মহিলাদের স্বনির্ভরতার কথা ঘোষণা করলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “বেঙ্গালুরুর হুসুরে দেশের সব থেকে বড় আইফোন উৎপাদক ইউনিট তৈরি হয়েছে। সেখানে ৬০,০০০ কর্মী কাজ করছে। সেখানে কমপক্ষে ৬,০০০ জন রাঁচি এবং হাজারিবাগের আদিবাসী মহিলা কাজ করেন। তাঁদের আইফোন তৈরির বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।” 

 



প্রসঙ্গত, চিনের বিভিন্ন প্রান্তে বার বার কোভিড লকডাউনের কারণে ব্যহত হচ্ছে আইফোন উৎপাদন। সম্প্রতি প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে এই জন্য চিনে আইফোন উৎপাদন ৩০ শতাংশ কমতে পারে। আর চিনে মোবাইল ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্ট উৎপাদন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হওয়ার এই সুবিধা নিতে মরিয়া ভারত। প্রায় ৫০০ একর জমির উপরে তামিলনাড়ুর হসুরে রয়েছে টাটাদের কারখানা। চলতি বছর সেপ্টেম্বরেই সেখানে ৫,০০০ মহিলা কর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। এর মধ্যে অনেকেই স্থানীয় আদিবাসী।  

আরও পড়ুন: মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নিজেদের হাইকোর্ট ভাবে! তোপ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের  

হসুরে টাটাদের কারখানার মহিলা কর্মীরা মাসে ১৬,০০০ টাকা বেতন পান। যা এই কাজে অন্যান্য কোম্পানির কর্মীদের থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি। কোম্পানির তরফে কারখানা চত্ত্বরে কর্মীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে সেখানে। এছাড়াও কর্মীদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের দায়িত্বও নেয় সংস্থাটি। 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।



Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share