Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Mumbai Attack: ফিরে আসবে ২৬/১১- র স্মৃতি? জঙ্গি হামলার হুমকি মুম্বইয়ে, জারি হাই অ্যালার্ট 

    Mumbai Attack: ফিরে আসবে ২৬/১১- র স্মৃতি? জঙ্গি হামলার হুমকি মুম্বইয়ে, জারি হাই অ্যালার্ট 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ২৬/১১-এর সাক্ষী হবে মুম্বই (Mumbai)। বাণিজ্য নগরীতে চালানো হবে জঙ্গি হামলা (Terrorist Attack)। সম্প্রতি এমনই হুমকি (Threat) পেল মুম্বই পুলিশ (Mumbai Police)।  পাকিস্তানের একটি ফোন নম্বর থেকে মেসেজ আসে যেখানে ৬ জন জঙ্গি হামলা চালাতে পারে ভারতে। 

    আরও পড়ুন: মুম্বই বিমানবন্দর সংলগ্ন ৪৮টি বিল্ডিং ভেঙে ফেলার নির্দেশ বোম্বে হাই কোর্টের, জেনে নিন কী কারণ

    সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, হুমকি বার্তায় বলা হয়েছে, “মুম্বইয়ে একটা হামলা চালানো হবে। এই হামলা ফিরিয়ে আনবে ২৬/১১- এর স্মৃতি। আমার ফোন নম্বর যদি খতিয়ে দেখা হয়, তা হলে লোকেশন হিসাবে ভারতই দেখাবে। বিস্ফোরণ ঘটাবে ছ জন। মুম্বই শহরে বিস্ফোরণ হবে। ওসামা বিন লাদেন, আজমল কাসব ও আয়মান আল-জওয়াহিরিকে হত্যা করা হয়েছে, এমন আরও অনেক কিছু ভবিষ্যতে ঘটবে।” কবে চালানো হবে এই হামলা সেই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। 

    আরও পড়ুন: ফোন ট্যাপিং কাণ্ডে গ্রেফতার মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার

    সম্প্রতি মুম্বই পুলিশের ট্রাফিক কন্ট্রোলের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে এমনই হুমকি বার্তা দেওয়া হয়েছে। ওই হুমকি মেসেজে বলা হয় , “২৬/১১- হামলা, উদয়পুরে দরজি খুন বা পাঞ্জাবে সিধু মুসেওয়ালা খুনের মতোই ভয়ঙ্কর কিছু করা হবে। ছয় জঙ্গি ভারতে হামলা চালাবে। আর সেই হামলা হবে মুম্বইতেই।” প্রসঙ্গত, এই ঘটনার পরই নড়েচড়ে বসেছে মুম্বই পুলিশ। এই মেসেজ হালকাভাবে নিতে নারাজ প্রশাসন। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করার দাবি তুলেছেন মহারাষ্ট্রের বিরোধী দলনেতা অজিত পওয়ার।  

    যে এই বার্তা পাঠিয়েছে, সে এই হামলার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ৭ ভারতীয়র নাম এবং ফোন নম্বরও পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে একটি ফোন নম্বর উত্তরপ্রদেশের আতঙ্কবাদ দমন শাখার এক আধিকারিকের। ওই আধিকারিকের নম্বর কেন উল্লেখ করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

    শনিবার এই নিয়ে সাবংবাদিক বৈঠক করেন মুম্বই পুলিশ কমিশনার বিবেক ফানশালকার। শহরবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। জানিয়েছেন, সমস্তভাবে প্রস্তুত আতঙ্কবাদ দমন শাখা। 

    ইতিমধ্যেই হাই অ্যালার্ট জারি হয়েছে শহরজুড়ে। শুরু হয়েছে নাকা চেকিং। মহম্মদ আসিফ বলে এক সন্দেহভাজনকে জেরাও করছে পুলিশ। এই ব্যক্তি সম্প্রতি কাজের সন্ধানে উত্তরপ্রদেশ থেকে মুম্বইয়ে এসেছেন। ওই তালিকায় এই ব্যক্তির ফোন নম্বরও রয়েছে। যদিও তিনি জানান, কী করে তাঁর নম্বর এল তা জানেন না তিনি। 

     

  • NFHS Survey: বেশিরভাগ রাজ্যে পুরুষদের থেকে মহিলাদেরই যৌনসঙ্গী বেশি! দাবি জাতীয় সমীক্ষায়

    NFHS Survey: বেশিরভাগ রাজ্যে পুরুষদের থেকে মহিলাদেরই যৌনসঙ্গী বেশি! দাবি জাতীয় সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরুষদের থেকে মহিলাদেরই যৌনসঙ্গী বেশি। এমনই তথ্য উঠে এল এক গবেষণায়। ২০১৯- ২০২১ সালের জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা (NFHS survey) থেকে এমন তথ্য পাওয়া গিয়েছে। দেশের বেশিরভাগ রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলেই যৌনসঙ্গীর নিরিখে পুরুষদের থেকে এগিয়ে রয়েছেন মহিলারাই। এই সমীক্ষাটি ৭০৭টি জেলায় ১.১ লক্ষ মহিলা এবং ১ লক্ষ পুরুষের ওপর করা হয়েছিল।

    ১১টি রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে পুরুষদের থেকে বেশি সঙ্গী রয়েছে মহিলাদের। রাজ্যগুলি হল, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, অসম, কেরল, লাক্ষাদ্বীপ, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু। এর মধ্যে রাজস্থানেই সব থেকে বেশি। এই রাজ্যে প্রতি মহিলার গড়ে ৩.১ জন যৌনসঙ্গী রয়েছে। সেখানে পুরুষদের ১.৮ জন।

    আরও পড়ুন: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করলে তা ধর্ষণ নয়, ঐতিহাসিক রায় কেরল হাইকোর্টের

    এমনকি শহরের তুলনায় গ্রামের এবং অবিবাহিত বা বিধবা অথবা ডিভোর্সিদের তুলনায় বিবাহিত মহিলারাই দুই বা তার বেশি পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন। সমীক্ষা অনুযায়ী, জনসংখ্যার নিরিখে মহিলাদের (০.৫%) তুলনায় বেশি সংখ্যক পুরুষ (৩.৬%) এমন কারও সঙ্গে সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছেন যারা তাদের স্ত্রী বা লিভ-ইন পার্টনার নয়।  

    আরও পড়ুন: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫০০০-এর বেশি, মৃত্যু ১২ জনের

    সমীক্ষাটি মূলত উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ যৌন মিলন এবং যৌনমিলনের সময় কন্ডোম কতজন ব্যবহার করছেন সেই বিষয়গুলি জানতেই করা হয়েছে। কারণ কন্ডোম ব্যবহারের ফলে এইচআইভি এবং অন্যান্য যৌন রোগের ঝুঁকি কমে। 

    যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে যেসব রোগ ছড়ায় – যেমন গণোরিয়া বা ক্ল্যামাইডিয়া – তা নিয়ে করা এক জরিপে দেখা গেছে, প্রতি চার মিনিটে একজন তরুণ সংক্রমণের শিকার হচ্ছেন। 

    আরও পড়ুন: যৌনকর্মীদের সমমর্যাদা, সমান আইনি অধিকার প্রাপ্য, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    সরকারি তথ্যে বলা হচ্ছে, এর মধ্যে ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সীরা আছেন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে। এসব রোগ বিস্তার ঠেকাতে পারে কন্ডোম। 

  • Tu-160 Bomber: রাশিয়া থেকে টিইউ-১৬০ স্ট্র্যাটেজিক বম্বার কিনলে কতটা লাভবান হবে ভারত?

    Tu-160 Bomber: রাশিয়া থেকে টিইউ-১৬০ স্ট্র্যাটেজিক বম্বার কিনলে কতটা লাভবান হবে ভারত?

    সুশান্ত দাস: বেশ কিছুদিন ধরেই একাধিক দেশীয় সংবাদমাধ্যমে খবর ভেসে আসছে যে, চিনের আগ্রাসী মনোভাবের মোকাবিলা করতে নিকট ভবিষ্যতে রাশিয়া থেকে ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’ কিনতে বা লিজ় নিতে চলেছে ভারত। একটা বা দুটো নয়, জানা যাচ্ছে, একেবারে ৬টি টুপোলেভ টিইউ-১৬০ (Tupolev TU-160) বোমারু যুদ্ধবিমান নিতে পারে ভারত। তেমনটা হলে, এই প্রথম কোনও ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’ ভারতের কাছে আসবে।

    কিন্তু, এই প্রসঙ্গে মনের মধ্যে একাধিক প্রশ্ন উঠছে, যা স্বাভাবিক। প্রথমত, হঠাৎ এমন বিশেষজ্ঞ বোমারু বিমানের প্রয়োজনীয়তা কেন উঠল? দ্বিতীয় প্রশ্ন, বর্তমান যুগে বোমারু বিমানের তাৎপর্য কোথায়? তৃতীয়ত, ভারত রাশিয়া থেকে কেনা বিমানের যন্ত্রাংশ নিয়ে অতীতে ভুগতে হয়েছে ভারতকে। এর পরও এই বিমানের গ্রহণযোগ্যতা কতটা? চতুর্থ, এই বিমানের এমন কী মাহাত্ম্য যে, ভারত তা কিনতে তৎপর হয়ে পড়েছে বলে খবর।

    এই সব প্রশ্নের বিশ্লেষণে যাওয়ার আগে, জেনে নেওয়া যাক স্ট্র্যাটেজিক বম্বার ঠিক কী? বোমারু বিমান দুই প্রকারের হয়। একটি স্ট্র্যাটেজিক ও দ্বিতীয়টি ট্যাক্টিক্যাল। সহজ সরল ভাষায়, স্ট্র্যাটেজিক বম্বার হল বিশেষজ্ঞ বোমারু বিমান। এগুলো সাধারণত দূরপাল্লা পাড়ি দিতে পারে। বিশাল পরিমাণে এবং পরমাণু সহ বিভিন্ন ধরণের মারণাস্ত্র বহনে সক্ষম। এরা মূলত শত্রুদেশের একেবারে ভেতরে ঢুকে সেখানকার গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত লক্ষ্য বা পরিভাষায় স্ট্র্যাটেজিক টার্গেট ধ্বংস করে বেরিয়ে আসতে পারে। এই বিমান শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেমন— রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা সামরিক ঘাঁটি উড়িয়ে দিতে পারদর্শী।

    ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’-এর প্রয়োজনীয়তা বা গুরুত্ব প্রথম টের পাওয়া গিয়েছিল সাবেকি সোভিয়েত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে থাকা ঠান্ডা যুদ্ধের সময়। দুপক্ষই সেই সময় পরমাণু অস্ত্র বহনের জন্য ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’-এর ব্যবহার করেছিল। বর্তমান যুগে, শক্তশালী দেশগুলোর হাতে আন্তর্মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র চলে এসেছে। যুদ্ধবিমানগুলো মাঝ-আকাশে জ্বালানি ভরতে সক্ষম হওয়ায়, তারাও দূরে পাড়ি দিতে পারছে। ফলে, এই পরিস্থিতিতে ধীরে ধীরে এই স্ট্র্যাটেজিক বম্বারের প্রয়োজনীতা ফুরিয়ে আসছে। 

    তবে, একইসঙ্গে এও বলে রাখা দরকার। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’ হয়ত সেরা অস্ত্র নয়। তবে তা শক্তিশালী অস্ত্র, এটা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। শত্রু দেশের সীমান্তের কাছে যতই ক্ষেপণাস্ত্র বা পরমাণু অস্ত্রবহনে সক্ষম সাবমেরিন মোতায়েন করা হোক না কেন, সীমান্তের কাছে যদি ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’ ঘোরাফেরা করে, তাহলে তার তাৎপর্য অন্য পর্যায়ে চলে যায়। সেটা অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই বলেই মনে করেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। 

    এবার প্রশ্ন, ভারত কেন এই বিমানে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে বলে শোনা যাচ্ছে? চিনের কাছে তাদের নিজেদের স্ট্র্যাটেজিক বম্বার ‘শিয়ান এইচ-এস ৬কে’ (Xian HS-6K) রয়েছে। ভারতীয় সেনা জানতে পেরেছে, সীমান্তের কাছে এই বোমারু বিমান মোতায়েন করেছে চিনা বায়ুসেনা (PLAAF)। এতে ভারতের উদ্বেগ বেড়েছে। কাজেই ভারতের হাতে এই রুশ স্ট্র্যাটেজিক বম্বারগুলো এলে চিনা আগ্রাসী মনোভাবের যথোপযুক্ত জবাব দেওয়া যাবে বলে বিশ্বাস ওয়াকিবহাল মহলের।

    কিন্তু, কেন রুশ বোমারু বিমান কেনার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে ভারত? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে গেলে আগে জানা দরকার টুপোলেভ টিইউ-১৬০ বিমানের সম্পর্কে। জানতে হবে, কতটা শক্তিশালী এই বিমান। বর্তমানে বিশ্বের তিনটি দেশের কাছে নিজ নিজ স্ট্র্যাটেজিক বম্বার রয়েছে। এরা হল— আমেরিকা, চিন ও রাশিয়া। যারা শত্রুর সীমায় ঢুকে সেখানে বিশেষ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ধ্বংস করতে সক্ষম।

    টুপোলেভ টিইউ-১৬০ এখন বিশ্বের বৃহত্তম এবং একমাত্র সুপারসনিক স্ট্র্যাটেজিক বম্বার। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২২০০ কিলোমিটার বেগে উড়তে পারে টিইউ-১৬০ বোমারু বিমানটি। শব্দের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে উড়তে সক্ষম এই বিমানটি। এর সার্ভিস সিলিং ১৫ হাজার। অর্থাৎ, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার  মিটার উচ্চতায় উড়তে সক্ষম এই বোমারু বিমান। বিশ্বে একমাত্র মার্কিন ‘বি-২ স্পিরিট’ স্টেলথ বম্বার (B-2 Spirit stealth Bomber) প্রযুক্তিগতভাবে এই বিমানের চেয়ে উন্নত। তবে, মার্কিন বিমান শব্দের গতির চেয়ে ধীরে চলে। অর্থাৎ, সেটি সাব-সনিক।

    জানা গিয়েছে, যে কোনও পরিস্থিতি এবং যে কোনও ভৌগোলিক অবস্থানে উড়তে পারে টুপোলেভ টিইউ-১৬০। বিশ্বে রাশিয়ার এই বম্বার বিমানটি ‘হোয়াইট সোয়ান’ নামেই প্রসিদ্ধ। ন্যাটো এই বিমানগুলোর সাংকেতিক নাম দিয়েছে ‘ব্ল্যাকজ্যাক’। বিমানটি একটানা ১২,৩০০ কিলোমিটার উড়তে পারে। সব মিলিয়ে ৪০ টন অস্ত্র বইতেও সক্ষম এগুলি। এটি সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার এলাকা জুড়ে কার্পেট বম্বিং করতে পারে। 

    সূত্রের খবর, ভারত এই বোমারু বিমানের সর্বাধুনিক ভেরিয়েন্ট ‘টিইউ-১৬০এম’ (TU-160M) সংস্করণ নিয়ে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে বলে শোনা যাচ্ছে। রাশিয়ার দাবি, টিইউ-১৬০ বিমানের তুলনায় টিইউ-১৬০এম মডেলে ৮০ শতাংশ আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নতুন উন্নত ইঞ্জিন, টার্গেটিং সিস্টেম, উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুট। এছাড়া, বিমানের রেডার ক্রস-সেকশনও কমানো হয়েছে। প্রথাগত ও পরমাণু অস্ত্র ছাড়াও, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম বিমানের নতুন সংস্করণ। 

    বর্তমান পরিস্থিতিতে, স্ট্র্যাটেজিক বম্বার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে, তা কতটা যুক্তসঙ্গত হবে? এই মুহূর্তে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম হলেও ভারতীয় বায়ুসেনার অস্ত্রাগারে বর্তমানে কোনও সুপারসনিক বোমারু বিমান নেই। অন্যদিকে চিনের হাতে রয়েছে শিয়ান এইচ-এস ৬কে স্ট্র্যাটেজিক বম্বার। কাজেই এই বিমানগুলি ভারতের হাতে এলে দেশের সামরিক শক্তিতে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। মূল উদ্দেশ্য যদি হয় ড্রাগনের চোখে চোখ রেখে জবাব দেওয়া, তাহলে এই বিমান প্রয়োজন। কারণ, এই বিমান ভারতের কাছে থাকলে, চিন ভারতকে সমঝে চলতে বাধ্য। যে কোনও হঠকারি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভাবতে বাধ্য হবে চিন।

    কিন্তু, কেন রুশ বিমান কেনার বিষয়ে আগ্রহ দেখাতে চলেছে ভারত? রাশিয়া থেকে টিইউ-১৬০ বোমারু বিমান কেনার পক্ষে এবং বিপক্ষে বিভিন্ন যুক্তি রয়েছে। একপক্ষের মতে, এই বিমানগুলি অতীতের কোল্ড-ওয়ার সময়ের একটি স্মৃতিচিহ্ন। এই বিমান কিনলে সামরিক সক্ষমতার দিক দিয়ে ভারতের কোনও লাভের লাভ হবে না। কারণ, এই বিমানের রেডার সিগনেচার (শত্রুর রেডারে ধরা পড়ার সম্ভাবনা) অনেকটাই। সমালোচকদের আরও যুক্তি যে, এই দৈত্যাকার বিমানগুলি কেনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বিস্তর। তৃতীয়ত, এই বিমানের স্পেয়ার পার্টস বা যন্ত্রাংশ রাশিয়া থেকে পেতে কালঘাম ছুটে যাবে।

    কিন্তু, অপর পক্ষের মতে, ভারতের হাতে এলে রণকৌশলগত সম্পদ হয়ে উঠতে পারে টিইউ-১৬০। কারণ, ভারতের আকাশপথে অভিযানের ক্ষমতা ও সক্ষমতা দুই-ই এই বিমানের ফলে কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। বিশেষ করে, ভারতের এই জায়গায় একটা বড় খামতি রয়েছে। টিইউ-১৬০ স্ট্র্যাটেজিক বম্বার সেই জায়গা পূরণ করতে সক্ষম। 

    এখন দেখার, কোন যুক্তি শেষে গিয়ে জেতে।

  • Indian Economy: দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত, দাবি সরকারি সূত্রের  

    Indian Economy: দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত, দাবি সরকারি সূত্রের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরেও দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির (Fastest Growing Economy) দেশ হতে চলেছে ভারত (India)। মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি হওয়া সত্ত্বেও ভারত দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হবে। সরকারি একটি  সূত্রেই এ খবর মিলেছে।

    দিন কয়েক আগে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ স্বয়ং জানিয়েছিলেন, ভারতীয় অর্থনীতি (Indian Economy) বিশ্বের বাকি দেশগুলোর তুলনায় যথেষ্ট ভালো অবস্থায় রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন এজেন্সি ভারতীয় অর্থনীতিকে যথেষ্ট উচ্চস্থানে রেখেছে। তিনিও জানিয়েছিলেন, এই মুহূর্তে ভারত সারা বিশ্বের মধ্যে দ্রুততম বৃদ্ধির অর্থনীতির দেশ।

    আরও পড়ুন : ট্যুইটে ডেরেকের জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী, কী বললেন তৃণমূল সংসদকে?

    ভারতীয় মুদ্রার দাম ক্রমশ পড়ছে। ক্রমেই নিম্নগামী টাকার দর। জানা গিয়েছে, এক মার্কিন ডলারের তুলনায় তা পৌঁছে গিয়েছে ৮০ টাকায়। চড়া মুদ্রাস্ফীতি (Inflation)। শতাংশের হিসেবে ৮। তার পরেও ভারতীয় অর্থনীতি নিয়ে দেশবাসীকে উদ্বেগে থাকতে নিষেধ করেছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (Nirmala Sitharaman)। তিনি বলেছিলেন, টাকার দর পড়ছে ঠিকই, তবে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই। ভারতীয় অর্থনীতি বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বেশ ভাল অবস্থায় রয়েছে।

    আরও পড়ুন :বক্তাকে জল এগিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী, নির্মলার ভাইরাল ছবিকে ঘিরে প্রশংসা নেটিজেনদের

    সরকারি ওই সূত্রের খবর, মুদ্রাস্ফীতির হার বাড়লেও, ভারতীয় অর্থনীতি চলছে সংস্কারের পথে। মুদ্রাস্ফীতির হার কমাতে নিরন্তর পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে রিজার্ভ ব্যাংককেও। মুদ্রাস্ফীতি টানা ছ মাস ধরে টলারেন্স লেভেল ছয় শতাংশের ওপরে রয়েছে।  

    সরকারি ওই সূত্রই জানাচ্ছে, ভারতে আর্থিক বৃদ্ধির এই হার এখনই কমে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। অন্ততঃ এ বছর এবং তার পরের বছর। বাণিজ্য ঘাটতি স্ফীত হওয়া সত্ত্বেও কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ডেফিসিট (CAD) ক্রমেই এগিয়ে চলেছে। সরকারের নিজস্ব যে ধার রয়েছে, সেই বাবদ খরচের ওপর প্রতিনিয়ত নজরদারি চালানো হচ্ছে। স্ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যাপারেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন বলে দাবি ওই সূত্রের।

     

  • RBI on Loan App: লোন অ্যাপ থেকে ঋণ নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক আরবিআই

    RBI on Loan App: লোন অ্যাপ থেকে ঋণ নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পকেটে টান পড়লেই আমরা অনেকেই ঋণ নেওয়ার পথে ঝুঁকি। আজকাল বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। এবার সেই ঋণ অ্যাপগুলি সম্পর্কে সতর্ক করল দেশের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)। বুধবার এ বিষয়ে একটি নির্দেশিকা (Guideline) জারি করেছে আরবিআই। সেখানে ডিজিটাল ঋণের (Digital Lender) বিষয়ে স্পষ্ট গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে।    

    আরবিআই – এর নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ডিজিটাল ঋণের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময় সুদের হার অত্যাধিক। তথ্যের গোপনীয়তার নিয়ম  লঙ্ঘন এবং অতিরিক্ত চাপ দিয়ে ঋণের টাকা আদায়ের মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে এই সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে। এছাড়া প্রতারণার মতো ঘটনার সঙ্গেও যুক্ত থাকে এই অ্যাপগুলির নাম। বাড়িতে বাড়িতে ইন্টারনেট পৌঁছানোয় সহজেই ঋণ অ্যাপগুলি মানুষের ফোনে জায়গা করে নিচ্ছে। এই থার্ড পার্টি ঋণ অ্যাপগুলি কোনও তথ্য যাচাই না করেই ঋণ দেয়। তৎক্ষণাৎ ঋণ দিতে গিয়ে বহু নিয়ম লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। 

    আরও পড়ুন: মোদিকেই ফের প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাইছে তামাম ভারত!

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, ডিজিটাল ঋণদাতাদের মূলত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগের সদস্যদের ডিজিটাল ঋণ দেওয়ার অনুমতি রয়েছে। এই সংস্থাগুলিকে সাধারণত রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নিয়ন্ত্রণ করে। ঋণ প্রদানের জন্য আরবিআই তাদের অনুমোদন দিয়ে থাকে। আরবিআইয়ের নিয়ন্ত্রণের বাইরের ঋণপ্রদানকারী সংস্থাগুলিই মূলত মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের। এই ধরনের ঋণপ্রদানকারী সংস্থাগুলি যাতে বন্ধ করা যায়, সেজন্য WGDL কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে।    

    ২০২১ সালের ১৩ জানুয়ারি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে ‘Working group on Digital Lending Including Lending Through Online Platforms and Mobile Apps’ (WGDL) তৈরি করা হয়েছিল। সম্প্রতি WGDL রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইটে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে। সেখানে ডিজিটাল ঋণ সংক্রান্ত একাধিক বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।  

    আরও পড়ুন: ফের জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা, শহিদ তিন জওয়ান, নিকেশ দুই জঙ্গি

    আরবিআই গাইডলাইনে জানিয়েছে, ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলির সঙ্গে সরাসরি ঋণগ্রহিতার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের যোগ থাকতে হবে। এর মাঝে কোনও তৃতীয় পক্ষ থাকবে না। এর মধ্যে কোনওরকম ফি ঋণগ্রহিতাকে বহন করতে হবে না। সেটি আরবিআইয়ের নিয়ন্ত্রিত ঋণপ্রদানকারী সংস্থা বহন করবে। বর্তমানে ঋণগ্রহিতার সম্মতি ছাড়া ক্রেডিট লাইন বাড়ানো নিষিদ্ধ। ঋণগ্রহিতার কোনও অভিযোগ যদি ৩০ দিনের মধ্যে নিয়ন্ত্রিত সংস্থা সমাধান না করে, তা হলে Reserve Bank – Integrated Ombudsman Scheme (RB-IOS)-এর অধীনে অভিযোগ জানাতে পারবেন ঋণ গ্রহীতা।   

  • Bihar Politics: ‘পল্টুরাম’ হলেন ‘কাল্টুরাম’, নীতীশকে বেনজির আক্রমণ গিরিরাজের

    Bihar Politics: ‘পল্টুরাম’ হলেন ‘কাল্টুরাম’, নীতীশকে বেনজির আক্রমণ গিরিরাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) সঙ্গ ছেড়ে মঙ্গলবারের বারবেলায় দিয়েছিলেন ইস্তফা। পরের দিনই ইউপিএ-র (UPA) হাত ধরে ফের বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছেন জনতা দল ইউনাইটেড (JDU) সুপ্রিমো নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। তার পরেই তাঁকে ফের আক্রমণ শানিয়েছেন গেরুয়া নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh) বলেন, পল্টুরাম (Palturam) হলেন কাল্টুরাম (Kalturam)।

    গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে মুখ্যমন্ত্রী হন নীতীশ। তার আগে শামিল হয়েছিলেন মহাজোটের সঙ্গে। এবার যখন লোকসভা নির্বাচনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে, তখন ফের ত্যাগ করলেন পদ্ম শিবির। ভিড়ে গেলেন আরজেডি এবং বাম-কংগ্রসের মহাজোটে। এবং যে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে গিয়েছিলেন তিনি, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই ফের বসলেন সেই তখতে।

    আরও পড়ুন : বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

    সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে গিরিরাজ বলেন, এক সময় লালুপ্রসাদ ওঁকে সাপ সম্বোধন করেছিলেন। তিনি বলেন, গতকালও যিনি ছিলেন পল্টুরাম, তিনিই হয়ে গেলেন কাল্টুরাম। গিরিরাজ বলেন, আমি শুনেছি যে লালু প্রসাদ ওঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অথচ এই লালুই একবার ট্যুইট করে বলেছিলেন, সাপ যেমন বারবার খোলস ত্যাগ করে, নীতীশ তেমনই প্রতিবার নতুন জোটে গিয়ে ভিড়ে যান। বক্তব্যের সমর্থনে ২০১৭ সালে লালুর সেই ট্যুইটবার্তাও শেয়ার করেন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। গিরিরাজের প্রশ্ন, নীতীশ কুমার যে দু বছর অন্তর খোলস ছাড়ে না, এ নিয়ে কি কোনও সন্দেহ আছে? প্রসঙ্গত, লালু সঙ্গ ছেড়ে ২০১৭ সালে নীতীশ বিজেপির হাত ধরায় ওই ট্যুইট করেছিলেন আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদব। প্রসঙ্গত, এই নিয়ে দুবার নীতীশ বিজেপির হাত ছেড়ে ভিড়ে গেলেন আরজেডি, বাম-কংগ্রেসের মহাজোটে।

    আরও পড়ুন : অষ্টমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন নীতীশ

    গিরিরাজ মনে করিয়ে দেন, ১৯৯৬ সালে বিজেপি নীতীশকে মুখ্যমন্ত্রী পদে মেনে নিয়েছিল, কারণ তখন তারা বিহারে বড় দল ছিল। বিজেপির চেয়ে জেডিইউয়ের আসন সংখ্যা কম হওয়া সত্ত্বেও ২০২০ সালেও তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিয়েছে গেরুয়া শিবির। তাঁর এই ‘প্রবঞ্চনা’ যে ভাল চোখে দেখেছেন না বিজেপি নেতৃত্ব, গিরিরাজের কথায়ই তা স্পষ্ট।

     

  • Anand Sharma: দুটো নামে সীমাবদ্ধ নয় কংগ্রেস! জানেন গান্ধী পরিবারকে নিশানা করে কি বললেন আনন্দ শর্মা

    Anand Sharma: দুটো নামে সীমাবদ্ধ নয় কংগ্রেস! জানেন গান্ধী পরিবারকে নিশানা করে কি বললেন আনন্দ শর্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গান্ধী পরিবারই কংগ্রেস (Congress) নয়। এর বাইরেও ভাবতে হবে কংগ্রেসকে, স্টিয়ারিং কমিটি থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা আনন্দ শর্মা (Anand Sharma)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রে মোদি বারবার কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্র নিয়ে সমালোচনা করেছেন। এবার কংগ্রেসের অন্দরেই সেই বিরোধ দেখা দিল।

    আনন্দ শর্মা বলেন, “গান্ধী পরিবারের বাইরেও ভাবা উচিত কংগ্রেসের। বিশেষত, এখন যখন দলের জাতীয় সভাপতি হতে অস্বীকার করেছেন রাহুল গান্ধী, সেখানে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য বিকল্প মুখ ভাবা উচিত”। ১৯৭৮ সালে ইন্দিরা গান্ধী ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে হাতে গোনা কয়েকজন নেতার জন্যই টিকে ছিল কংগ্রেস, এমনটাই দাবি করেন তিনি। বিক্ষুব্ধ নেতা বলেন, “আমার মতো কয়েকজনই সেই সময় থেকে দলকে টিকিয়ে রেখেছে…এই দল আমাদের সবার।” দলের শীর্ষ পদ শুধুমাত্র সনিয়া গান্ধী বা রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয় বলেই জানান বিক্ষুব্ধ এই প্রবীণ কংগ্রেস নেতা। এর সপক্ষে তিনি যুক্তি দিয়ে বলেন, “কংগ্রেস কী দুটি নামেই সীমাবদ্ধ? আমরা কী কংগ্রেসের ইতিহাস ভুলে যাচ্ছি না?”

    আরও পড়ুন: সভাপতি পদে রাহুলের ‘না’, গান্ধী পরিবারের বাইরের নেতা পাচ্ছে কংগ্রেস?

    সামনে হিমাচলপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আনন্দ শর্মাকে হিমাচল প্রদেশ কংগ্রেসের স্টিয়ারিং কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ সেই পদ ছেড়ে দিলেন প্রবীণ নেতা। সূত্রের খবর, কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে (Sonia Gandhi) চিঠি লিখে আনন্দ জানিয়েছেন, নিজের আত্মসম্মানের সঙ্গে কোনওভাবেই আপস করতে রাজি নন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। তবে পদ ছাড়লেও হিমাচল প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে তিনি প্রচারপর্ব চালিয়ে যাবেন বলেই জানিয়েছেন আনন্দ।

    আরও পড়ুন: ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন জ্ঞানবন্ত! কীসের ভয়

    দিন কয়েক আগে একইভাবে জম্মু-কাশ্মীর কংগ্রেসের প্রচার কমিটির চেয়ারম্যানের পদ ছেড়েছিলেন গুলাম নবি আজাদ (Ghulam Nabi Azad)। এবার আজাদের পথই ধরলেন আনন্দ। ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা কপিল সিব্বল দলত্যাগ করেছেন। সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে নির্দল প্রার্থী হিসাবে রাজ্যসভায় মনোনীত হয়েছেন তিনি। আনন্দ শর্মা সিব্বলের বেশ ঘনিষ্ঠ। সিব্বল যে বিক্ষুব্ধ জি-২৩ গ্রুপের সদস্য ছিলেন, গুলাম নবি আজাদ এবং আনন্দ শর্মাও সেই গ্রুপেরই অংশ ছিলেন। 

  • Rakesh Jhunjhunwala: ৬০০ টাকা দিয়ে ইস্ত্রি করানো জামাও কুঁচকে গিয়েছে…আক্ষেপ ভারতের বিগ বুল রাকেশের

    Rakesh Jhunjhunwala: ৬০০ টাকা দিয়ে ইস্ত্রি করানো জামাও কুঁচকে গিয়েছে…আক্ষেপ ভারতের বিগ বুল রাকেশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছশো টাকা দিয়ে ইস্ত্রি করিয়েছেন জামা। তাও কুঁচকে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে ভারতের (India) ওয়ারেন বাফেট (Warren Buffett) রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার (Rakesh Jhunjhunwala) যে ছবি সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে, তা নিয়েই এক সময় প্রশ্ন করা হয়েছিল ভারতীয় শেয়ার মার্কেটের (Share Market) এই বিগ বুলকে (Big Bull)। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, ছশো টাকা দিয়ে জামা ইস্ত্রি করালেও জামার এই হাল।

    সম্প্রতি প্রয়াত হয়েছে রাকেশ। ১৯৮৫ সালে মাত্র ৫ হাজার টাকা নিয়ে শেয়ার মার্কেটে এসেছিলেন। তার পর ক্রমেই পরিণত হয়েছিলেন ভারতীয় শেয়ার বাজারের ‘বিগ বুলে’। কিছু দিন আগেই আকাশে ডানা মেলে তাঁরই পৃষ্ঠপোষকতায় আকাশা এয়ারলাইন্সের বিমান। শেয়ার বাজারের লভ্যাংশ রাকেশ বিনিয়োগ করেছিলেন একাধিক শিল্প ও বাণিজ্যে। ফোবর্স ম্যাগাজিনের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে রাকেশের সম্পত্তির পরিমাণ আনুমানিক সাড়ে ৫০০ কোটি ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৪২ হাজার কোটি টাকারও বেশি। অ্যাপটেক লিমিটেড ও হাঙ্গামা ডিজিটাল মিডিয়া এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ছিলেন রাকেশ। ছিলেন একাধিক সংস্থার ডিরেক্টরও।

    আরও পড়ুন : প্রয়াত শেয়ার বাজারের ‘বিগ বুল’ রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা

    এহেন রাকেশ যাপন করতেন অতি সাধারণ জীবন। ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন তিনি। তখনই তাঁর কুঁচকানো জমার ছবি ভাইরাল হয়। তাঁকে প্রশ্ন করতেই জানা যায়, অতি সাধারণ জীবন যাপন করতেন রাকেশ। রাকেশ জানিয়েছিলেন, অফিসে কোনও খদ্দের কিংবা ক্লায়েন্ট না থাকলে  তিনি শর্টস পরেও অফিস যেতেন। নিতান্তই সাদামাটা জীবন যাপন করতেন তাঁর স্ত্রী রেখা ঝুনঝুনওয়ালাও। তিনিও যে প্রচুর সম্পত্তির মালিক, তা নিয়ে ভাবতেন না রেখা। রাকেশ বলেন, আগে যে হুইস্কি আমরা খেতাম, এখনও তাই খাই। আগের মতোই একই গাড়ি চালাই। একই খাবার খাই। ভারতের ‘ওয়ারেন বাফেট’ বলেন, আমরা মধ্যবিত্ত মানুষ। আমি যদি তাজ মনসিং হোটেলেও থাকি, তাহলেও জিজ্ঞেস করি সস্তার ব্রেকফাস্টটা কী আছে?

    রাকেশের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা অদম্য। জীবনীশক্তিতে ভরপুর। রসিক, দূরদৃষ্টি সম্পন্ন। অর্থনৈতিক বিশ্বে তিনি তাঁর বিপুল অবদান রেখে গেলেন। ভারতের অগ্রগতি নিয়ে তিনি সব সময় ভাবতেন। তাঁর প্রয়াণ দুঃখের। রাকেশের শোকস্তব্ধ পরিবারকে সমবেদনাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ দেশ, কী হবে ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার স্টকের?

     

  • BJP Attacks TMC: তৃণমূল ‘উদ্ধত’, ডেরেককে তোপ প্রহ্লাদ জোশীর

    BJP Attacks TMC: তৃণমূল ‘উদ্ধত’, ডেরেককে তোপ প্রহ্লাদ জোশীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্ধারিত সময়ের চার দিন আগেই মুলতুবি হয়ে গিয়েছে  সংসদের বাদল অধিবেশন। তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূলেরাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন (Derek O’Brien)। এবার তাঁকেই কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। তৃণমূলকে (TMC) উদ্ধত (Arrogant) বলেও দাগিয়ে দেন তিনি।

    মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনার দাবিতে সরকার এবং বিরোধী পক্ষের মধ্যে বারবার বিতণ্ডার জেরে এবারের বাদল অধিবেশন মুলতুবি হয়েছে একাধিকবার। প্রথম দু সপ্তাহ কোনও বিতর্কই হয়নি। এমতাবস্থায় নির্ধারিত ১২ অগাস্টের চারদিন আগে মুলতুবি করে দেওয়া হয় অধিবেশন। তার পরেই প্রশ্ন তোলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ ব্রায়েন। ট্যুইট বার্তায় তিনি বলেন, এই সরকারের আমলে এই নিয়ে টানা সাতবার সংসদের অধিবেশন সংক্ষিপ্ত করা হল। সংসদকে উপহাস করবেন না। আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই প্রচেষ্টা রুখে সংসদের পবিত্রতা রক্ষা করব। অমিত শাহ এই মহান প্রতিষ্ঠানকে গুজরাট জিমখানায় (Gujarat Gymkhana) পরিণত করার যে চেষ্টা চালাচ্ছেন, তা প্রতিরোধ করব।

    আরও পড়ুন : ট্যুইটে ডেরেকের জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী, কী বললেন তৃণমূল সংসদকে?

    ডেরেকের তিরকে তুলোধোনা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। ট্যুইট বার্তায় ডেরেককে নিশানা করে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সংসদের পবিত্রতা নিয়ে তৃণমূল নেতার শিক্ষাদান বন্ধ হওয়াই উচিত। এর পরেই তৃণমূলকে উদ্ধত আখ্যা দেন তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রশ্ন, কতগুলি দিন পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় কাজ হয়?  রাজ্য বিধানসভা মমতা জিমখানায় পরিণত হয়েছে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, এ মাসের ১২ তারিখ পর্যন্ত চলার কথা ছিল বাদল অধিবেশন। তার আগে সোমবার বিকেলে মুলতুবি হয়ে যায় সংসদের উভয় কক্ষ লোকসভা ও রাজ্যসভার অধিবেশন। বিজেপি সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহে দুদিন সরকারি ছুটি। একটি মহরম ও অন্যটি রাখিবন্ধনের। রাখিবন্ধনের অনুষ্ঠান পালন করতে সিংহভাগ সাংসদ স্ব স্ব এলাকায় গিয়ে এই উৎসবে অংশ নেবেন। তাই বাদল অধিবেশন মুলতুবি করে দেওয়া হয় নির্ধারিত সময়ের চারদিন আগেই।

     

  • Migrant Worker: ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর! জঙ্গিদের গুলিতে খুন বিহারের পরিযায়ী শ্রমিক

    Migrant Worker: ফের রক্তাক্ত কাশ্মীর! জঙ্গিদের গুলিতে খুন বিহারের পরিযায়ী শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত জম্মু-কাশ্মীর (Jammu & Kashmir)। এবারে জঙ্গির গুলিতে প্রাণ হারালেন বিহারের এক পরিযায়ী শ্রমিক। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) বান্দিপোরা এলাকার সোদনারা সুম্বলে এই ঘটনাটি ঘটেছে ও পুরো এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত পরিযায়ী শ্রমিকের নাম মহম্মদ আমরেজ (Mohd Amrez)। বিহারের মাধেপুরা জেলার বেসারের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। গুলিবিদ্ধ আমরেজকে উদ্ধার করে হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া হয়, তবে তাকে বাঁচানো যায়নি।

    কাশ্মীর পুলিশ ট্যুইটে জানিয়েছেন, বান্দিপোরার সুম্বল এলাকায় জঙ্গিদের গুলিতে প্রাণ গিয়েছে বিহারের ওই পরিযায়ী শ্রমিকের। গুলি লাগার পর দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: ফের জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা, শহিদ তিন জওয়ান, নিকেশ দুই জঙ্গি

    মৃত শ্রমিকের ভাই মোহাম্মদ তামহীদ (Mohammad Tamheed) সংবাদমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকারে জানান, রাত প্রায় ১২:৩০-এর দিকে গুলির শব্দে ঘুম ভাঙে তাদের। আমরেজ তখন তার ভাইকে শুয়ে পড়তে বলে কারণ সেখানে প্রায়ই এমন গুলির শব্দ শোনা যায়। কিন্তু এর পরে বাইরে চলে যায় আমরেজ। এরপর যখন তামহীদ তার ভাইয়ের খোঁজ করে তাকে দেখতে যায়, তখন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। তারপর তৎক্ষণাৎ সেনাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তার মৃত্যু হয়।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গতকালই রাজৌরিতে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে নিহত হয়েছে ২ সন্ত্রাসবাদী, এই হামলায় শহীদ হয়েছেন ৩ জওয়ানও। আরও দুজনের অবস্থা আশঙ্কা জনক। তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। গতকালের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের হামলার শিকার আরও এক পরিযায়ী শ্রমিক। গত কয়েক মাসে এই নিয়ে একের পর এক খুন হয়েই চলেছে ভূস্বর্গে। 

LinkedIn
Share