Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Droupadi Murmu: দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে কাজ করাই জীবনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত, বললেন রাষ্ট্রপতি

    Droupadi Murmu: দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে কাজ করাই জীবনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত, বললেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের আগে রবিবার দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি (President of India) দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম ভাষণ। তিনি বলেন, “স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে, আমি দেশে এবং বিদেশে বসবাসকারী সমস্ত ভারতীয়দের আমার উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। ১৪ই আগস্ট দিনটি দেশভাগের ভয়ংকর স্মৃতি দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। এই স্মৃতি দিবস উদযাপনের উদ্দেশ্য হল সামাজিক সম্প্রীতি, মানবিক ক্ষমতায়ন এবং ঐক্যের প্রচার করা।” 

    আরও পড়ুন: দেশকে লুট করলে খেসারত দিতে হবে! দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা মোদির
     
    তিনি আরও বলেন, “আমি সমস্ত দেশবাসীর সমৃদ্ধ জীবন কামনা করি। আমি ভারতের সশস্ত্র বাহিনী, বিদেশে ভারতীয় মিশন এবং প্রবাসী-ভারতীয়দের অভিনন্দন জানাই যারা তাদের মাতৃভূমিকে গর্বিত করে। আমাদের কাছে যা আছে সবটাই মাতৃভূমির দেওয়া। তাই আমাদের দেশের নিরাপত্তা, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য সর্বস্ব সমর্পণের অঙ্গীকার করা উচিত।”   

    রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেন, “আমাদের ভারতের সৌন্দর্যের সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্ত কিছুকে দৃঢ়ভাবে রক্ষা করা উচিত। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের কর্তব্য জল, মাটি ও জৈবিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণ। আমাদের দেশের অনেক আশা আমাদের মেয়েদের উপর। সঠিক সুযোগ পেলে তারা দারুণ সফলতা অর্জন করতে পারে। ফাইটার-পাইলট থেকে শুরু করে মহাকাশ বিজ্ঞানী, সব ক্ষেত্রেই আমাদের মেয়েরা তাদের জয়ের পতাকা ওড়াচ্ছে।” 

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী, প্রজাতন্ত্র দিবসে রাষ্ট্রপতি! জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পার্থক্য জানেন

    ভারতের রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “বেশির ভাগ গণতান্ত্রিক দেশেই ভোটাধিকার পাওয়ার জন্য মেয়েদের অনেক লড়াই করতে হয়েছে। কিন্তু দেশের গণতন্ত্রের গোড়ার দিন থেকেই এই দেশে সর্বজনীন ভোটাধিকারের ধারণা স্বীকৃতি পেয়েছে।” 

    তিনি এদিন বলেন, “নারীরা অনেক  প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে এগিয়ে যাচ্ছে। সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় তাদের অংশগ্রহণকে সম্মান জানাই। আজ আমাদের পঞ্চায়েত প্রতিষ্ঠানগুলিতে নির্বাচিত মহিলা প্রতিনিধির সংখ্যা চোদ্দ লক্ষেরও বেশি। ” 

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “বর্তমানে দেশে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অর্থনীতি এবং এর সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য ক্ষেত্রে যে ভাল পরিবর্তনগুলি দেখা যাচ্ছে তাতে এটা প্রমাণিত যে দেশে সুশাসন রয়েছে। আমি দেশের প্রতিটি নাগরিককে তাদের মৌলিক কর্তব্য সম্পর্কে জানার, অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করছি, যাতে আমাদের জাতি নতুন উচ্চতায় পৌঁছতে পারে। ভারতে সংবেদনশীলতা ও মূল্যবোধকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না। আমাদের সমাজের বঞ্চিত, দরিদ্র ও প্রান্তিক  মানুষের কল্যাণে কাজ করাই জীবনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।”  

    মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, “মহাত্মা গান্ধীর মতো নেতারা আধুনিক কালেও আমাদের প্রাচীন মূল্যবোধগুলিকে সযত্নে রক্ষা করেছেন।” গান্ধী বিকেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থা এবং জনগণের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়ার জন্য সওয়াল করেছেন বলেও জানান তিনি। 

    তিনি জানান, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি কোভিড টিকা দিয়ে ভারত বৃহত্তম টিকাকরণ অভিযান সম্পন্ন করেছে ভারত। ২০০ কোটি ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারার জন্য ভারতের সকল নাগরিককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। কোভিড অতিমারি মোকাবিলায় বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের তুলনায় ভারত অনেক ভাল কাজ করেছে বলেও দাবি করেছেন মুর্মু।

  • Bihar Politics: বিহারে নীতীশ মন্ত্রিসভার ৭২ শতাংশ মন্ত্রীই দুর্নীতিগ্রস্ত! 

    Bihar Politics: বিহারে নীতীশ মন্ত্রিসভার ৭২ শতাংশ মন্ত্রীই দুর্নীতিগ্রস্ত! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের (Bihar) নয়া মন্ত্রিসভার অন্তত ৭২ শতাংশ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা (Criminal Case) রয়েছে আদালতে। এর মধ্যে আবার ১৭ জনের বিরুদ্ধে রয়েছে গুরুতর ফৌজদারি মামলা। অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (ADR) এর রিপোর্টেই উঠে এসেছে এই তথ্য। রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, বিহার মন্ত্রিসভায় শপথ নেওয়া ৩৩ জন মন্ত্রীর (Minister) মধ্যে ২৭ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। শতাংশের হিসেবে যা দাঁড়ায় ৭২।

    এনডিএ (NDA) সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেস (Congress) এবং আরজেডির (RJD) সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গড়েন জেডিইউ (JDU) সুপ্রিমো নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। অষ্টমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেন তিনিই। দিন কয়েক আগে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন নীতীশ। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন আরজেডি নেতা তথা লালু প্রসাদ যাদবের ছেলে তেজস্বী যাদব। সম্প্রতি শপথ নেন ওই মন্ত্রিসভার আরও ৩১ জন মন্ত্রী। নয়া এই সরকারে আরজেডির ১৭ জন মন্ত্রী রয়েছেন। এঁদের মধ্যে ১৫ জনের বিরুদ্ধেই ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তার মধ্যে আবার ১১ জনের বিরুদ্ধে রয়েছে গুরুতর ফৌজদারি মামলা।

    আরও পড়ুন :নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

    প্রসঙ্গত, এদিন যে ৩১ জন মন্ত্রী শপথ নেন, তাঁদের মধ্যে আরজেডি এবং জেডিইউ ছাড়াও রয়েছেন কংগ্রেসের দুই এবং হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চার একজন। এক নির্দলও মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন এদিন। কংগ্রেসের এই দুই মন্ত্রীর বিরুদ্ধেও রয়েছে ফৌজদারি মামলা। নীতীশের এই মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়েছে জেডিইউয়ের ১১ জনের। এঁদের মধ্যে ফৌজদারি মামলা রয়েছে ৪ জনের বিরুদ্ধে। ফৌজদারি মামলায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীও।

    আরও পড়ুন : নতুন সঙ্গী আরজেডি! বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ নীতীশের, ফের ‘মহাজোট’-এর পথে বিহার?

    এদিকে, নীতীশের নেতৃত্বে মহাজোটের এই সরকারে আইনমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন আরজেডির কার্তিকেয় সিংহ (Kartikeya Singh)। তিনি যেদিন আইনমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন, সেদিনই তাঁর হাজির হওয়ার কথা ছিল আদালতে। একটি অপহরণের মামলায় বিহারের দানাপুর আদালতে আত্মসমর্পণের কথা ছিল তাঁর। ওই দিনই ছিল শেষ দিন। আদালতের দেওয়া সময়সীমার শেষ দিনেও সেখানে হাজিরা না দিয়ে তিনি অংশ নিয়েছেন শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে। অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস এর রিপোর্টে প্রকাশ্যে আসতেই হইচই রাজ্যজুড়ে। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপিও। পদ্ম শিবিরের দাবি, মহাজোট সরকারের সিংহভাগ মন্ত্রীই দুর্নীতিগ্রস্ত।

        

  • Agriculture Loan: কৃষকদের স্বস্তি, কৃষি ঋণে দেড় শতাংশ হারে অর্থ সাহায্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    Agriculture Loan: কৃষকদের স্বস্তি, কৃষি ঋণে দেড় শতাংশ হারে অর্থ সাহায্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি কৃষি ঋণের (Agri Loan) ক্ষেত্রে বার্ষিক ১.৫ শতাংশ সুদে অর্থ সাহায্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Union Cabinet)। বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) সভাপতিত্বে আয়োজিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ ব্যাপারে সবুজ সংকেত মেলে। সরকারি ব্যাংক, বেসরকারি ব্যাংক, সমবায় ব্যাংক, ক্ষুদ্র ঋণদানকারী সংস্থা সহ বিভিন্ন ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলিকে ১.৫ শতাংশ সুদের হারে অর্থ প্রদান করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। ২০২২-২৩ থেকে ২৩-২৪ অর্থবর্ষে কৃষকদের স্বল্পমেয়াদি কৃষি ঋণদানের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে।

    কৃষকদের এই অর্থ সাহায্য দিতে গিয়ে সরকারি কোষাগারের খরচ হবে অতিরিক্ত ৩৪ হাজার ৮৫৬ কোটি টাকা। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur) জানান, কৃষি ঋণে এই অর্থ সাহায্যের ফলে বাজেটে অতিরিক্ত ৩৪ হাজার ৮৫৬ কোটি টাকা খরচ হবে। এই টাকা খরচ হবে ২০২২-২৩ থেকে ২৩-২৪ অর্থবর্ষে। কৃষি ক্ষেত্রে ঋণের জোগান ঠিক রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন : দেশবাসীর সুবিধাই আগে! জানুন রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে কী মত বিদেশমন্ত্রীর

    জানা গিয়েছে, সুদে অর্থ সাহায্য বৃদ্ধির জেরে কৃষি খাতে ঋণ সরবরাহের স্থায়িত্ব নিশ্চিত হবে। সেইসঙ্গে ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলিরও আর্থিক দৃঢ়তা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা হবে। আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাংক ও সমবায় ব্যাংকের ক্ষেত্রে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামীণ অর্থনীতিতে পর্যাপ্ত কৃষি ঋণ নিশ্চিত করাই রয়েছে সরকারের এই সিদ্ধান্তের মূলে। কেবল কৃষি ক্ষেত্রই নয়, এই স্বল্পমেয়াদি কৃষি ঋণ দেওয়া হবে প্রাণীপালন, ডেয়ারি, পোলট্রি এবং মৎস্যচাষের ক্ষেত্রেও। ক্ষমতায় এসে কৃষকদের জন্য কিষান ক্রেডিট কার্ড চালু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই কিষান ক্রেডিট কার্ড স্কিমে কৃষকরা যে কোনও সময় ঋণের মাধ্যমে কৃষি পণ্য এবং পরিষেবা কিনতে পারেন। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি আত্মনির্ভর ভারত প্রচারে ৩.১৩ কোটিরও বেশি কৃষককে নয়া কিষান ক্রেডিট কার্ড দেওয়া হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ঢের বেশি। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২.৫ কোটি।

    আরও পড়ুন : অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কোনও আপোশ করবে না মোদি সরকার, জানাল বিজেপিও

  • Independence Day 2022: স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা তো তুললেন, কিন্তু পতাকা ভাঁজ করার সঠিক নিয়ম জানেন কি?

    Independence Day 2022: স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা তো তুললেন, কিন্তু পতাকা ভাঁজ করার সঠিক নিয়ম জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসে (Independence Day 2022) দেশ জুড়ে উত্তোলিত হয়েছে জাতীয় পতাকা (National Flag)। এবার দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্ণ হল। তাই এই দিনটি বিশেষভাবে পালন করার জন্যে কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর একটি বিশেষ কর্মসূচি হল ‘হর ঘর তেরঙা’ (Har Ghar Tiranga) অভিযান। সেখানে দেশের সবাইকে জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল পিকচার অথবা ঘরে লাগিয়ে ছবি তুলতে বলা হয়েছিল। তাই প্রতিবারের তুলনায় এবারে বেশিই জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল।

    তবে পতাকা উত্তোলন তো করেছেন, কিন্তু জানেন কি পতাকাকে এবারে কীভাবে ভাঁজ করে রাখবেন? স্বাধীনতা দিবস পেরোনোর পর প্রতি বছরেই দেখা যায় জাতীয় পতাকার অবমাননা হতে। পতাকাকে প্রায়ই মাটিতে ধুলোয় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাই জাতীয় পতাকার অবমাননা রুখতে এবার বিশেষ উদ্যোগ নিল কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক। জাতীয় পতাকাকে কী ভাবে সম্মানের সঙ্গে ভাঁজ করে রাখতে হবে, তার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংস্কৃতি মন্ত্রকের তরফে। জাতীয় পতাকাকে কীভাবে ভাঁজ করে রাখবেন, তা নিয়ে মন্ত্রকের অফিসিয়াল ট্যুইটার থেকে শেয়ারও করা হয়েছে। আসুন দেখে নেওয়া যাক জাতীয় পতাকা ভাঁজ করার পদ্ধতি।

    আরও পড়ুন: ৫ কোটিরও বেশি সেলফি ‘হর ঘর তিরঙ্গা’-র ওয়েবসাইটে, দাবি কেন্দ্রের

    কীভাবে জাতীয় পতাকা ভাঁজ করবেন?

    • জাতীয় পতাকাকে হরাইজন্টালি বা অনুভূমিকভাবে রাখতে হবে।
    • সাদা অংশের নীচে পতাকার গেরুয়া এবং সবুজ অংশ ভাঁজ করতে রাখতে হবে।
    • তার পর সাদা অংশকে এমন ভাবে ভাঁজ করতে হবে যাতে, কেবল মাত্র পতাকার অশোকচক্র আর গেরুয়া, সবুজ দাগটি দেখা যায়।
    • এটিকে এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে যাতে এটি দেখতে স্কোয়ারের মত হয় ও গেরুয়া এবং সবুজ অংশের সঙ্গে অশোক চক্রটিও সম্পূর্ণ ভাবে দেখা যায়।
    • এরপর দুহাতে তুলে নিয়ে সে ভাবেই তা কোনও পরিষ্কার স্থানে রাখতে হবে।

    [tw]


    [/tw]

    পতাকা ক্ষতিগ্রস্থ হলে কী করা উচিত? 

    আবার অনেক ক্ষেত্রে ভুলবশত যদি পতাকা মাটিতে পড়ে যায় বা তাতে নোংরা লেগে যায়, তার ক্ষেত্রেও বিশেষ নিয়ম রয়েছে। ব্যবহার এবং উত্তোলনের পর ক্ষতিগ্রস্ত পতাকাগুলোকে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। কাগজের পতাকার ক্ষেত্রেও একইরকম করতে হবে। আবার পতাকা দিয়ে কোনও কিছু ঢাকা দেওয়া যাবে না। কোনও কিছু ধরার জন্য পতাকা ব্যবহার যাবে না। একে কস্টিউমের মত পরাও উচিত না। কোনও যানবাহনে, স্মৃতিস্তম্ভে, বিল্ডিং-এ পতাকা লাগানো নিয়মের বিরুদ্ধে। পতাকায় যেন কোনও নোংরা না লাগে, কিন্তু নোংরা লেগে তা ভালো ভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

     

  • Tejas:  তেজসের তেজ! কেন জানেন ভারতীয় যুদ্ধ বিমানে আগ্রহী আমেরিকা থেকে অস্ট্রেলিয়া

    Tejas: তেজসের তেজ! কেন জানেন ভারতীয় যুদ্ধ বিমানে আগ্রহী আমেরিকা থেকে অস্ট্রেলিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন বা রাশিয়ার যুদ্ধবিমান নয়। ভারতের তেজস (Tejas) ফাইটার জেট কিনতেই আগ্রহী মালয়েশিয়া (Malaysia), আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, মিশর, আমেরিকা, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপিন্স। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই মালয়েশিয়াকে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ১৮টি যুদ্ধবিমান বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    গত বছরই ভারত সরকার ৮৩টি তেজস বিমান তৈরি করার জন্য হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেড-এর (HAL)সঙ্গে ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি করেছে । ২০২৩ সালের মধ্যেই সেগুলি তৈরি হয়ে যাবে বলে অনুমান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) প্রকল্প যো এগিয়ে চলেছে তার প্রমাণ তেজস।

    তেজস ‘লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট’টি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মীত। বায়ুসেনার জরাগ্রস্ত মিগ-২১ বিমানগুলির জায়গা নেবে তেজস। ইতিমধ্যেই একাধিক পরীক্ষায় সফলভাবে উতরেছে তেজস। ২০২০ সালে প্রায় ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় রুশ নির্মিত ‘আইএল-৭৮’ জ্বালানিবাহী বিমান থেকে জ্বালানি ভরা হয় তেজসে। স্বল্প সময়েই প্রায় ১৯ হাজার লিটার জ্বালানি পৌঁছে যায় তেজসে। মাঝ আকাশে জ্বালানি ভরে বিশ্বের প্রথম সারির সামরিক শক্তির তালিকায় নাম লেখায় ‘আত্মনির্ভর’ ভারত। এবার সেই বিমান কিনতে আগ্রহ দেখাল বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলি।

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতা-৭৫ এর সংকল্প হোক আত্মনির্ভর ভারত

    প্রতিরক্ষার বিষয়ে বিদেশের প্রতি নির্ভরতা কমিয়ে আত্মনির্ভর হয়ে ওঠাই লক্ষ্য মোদি সরকারের। আর সেদিকেই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ তেজসের মতো বিমান তৈরি। চিনের জেএফ-১৭ জেটগুলির দাম কম হলেও তেজস মার্ক-১-এর মতো অতটা আধুনিক নয়। হিন্দুস্তান এরোনটিক্স লিমিটেড (এইচএএল) দ্বারা নির্মিত ‘তেজস’ একটি একক ইঞ্জিন বিশিষ্ট এবং অত্যন্ত সক্ষম মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট, যা উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করতে সক্ষম। তেজসের গড়ন এবং প্রযুক্তিই একে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। তেজসের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল এর ওজন। সুখোইয়ের থেকে ওজনে অনেক বেশি হালকা তেজস। আট টন পর্যন্ত ওজন বহনে সক্ষম তেজস। সুখোই ওজনে ভারী। কিন্তু সুখোইয়ের সমানই অস্ত্রশস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম তেজস। এ ছাড়াও দুরন্ত গতিও এগিয়ে রেখেছে তেজসকে। ৫২ হাজার ফুট উচুঁতেও এর গতির জুড়ি মেলা ভার।

  • Zomato Ad Controversy: ‘মহাকাল’ থেকে থালি অর্ডার হৃত্বিক রোশনের! বিতর্কের মধ্যে বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার জোম্যাটোর

    Zomato Ad Controversy: ‘মহাকাল’ থেকে থালি অর্ডার হৃত্বিক রোশনের! বিতর্কের মধ্যে বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার জোম্যাটোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে হৃত্বিক রোশনের (Hrithik Roshan) বিজ্ঞাপন ঘিরে শুরু হল বিতর্ক,  সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠল ‘বয়কট জ্যোমাটো’ ট্রেন্ড। শনিবার মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর মন্দিরের (Ujjain’s Shree Mahakaleshwar Temple) দু’জন পুরোহিত এই অনলাইন ফুড ডেলিভারি সংস্থার একটি বিজ্ঞাপনের প্রচার বন্ধ করার দাবি জানান৷ তাঁরা অভিযোগ জানিয়েছেন, হৃত্বিক রোশন অভিনীত এই বিজ্ঞাপন হিন্দু ধর্মের ভাবাবেগে আঘাত করেছে। অন্যদিকে জোম্যাটোর তরফেও একটি বিবৃতি জারি করে সাফাই দেওয়া হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    আসলে বিজ্ঞাপনটিতে দেখা যায়, হৃত্বিক রোশনের ‘থালি’ খেতে ইচ্ছে হয়েছে৷ তাই খাবারটি পেয়ে তিনি বাকিদের জানাচ্ছেন, উজ্জয়িনীর ‘মহাকাল’ থেকে ‘থালি’ অর্ডার করেছেন৷ আর এরপরেই এই বিজ্ঞাপন ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এদিকে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীতে মহাকাল মন্দির অবস্থিত। ওই দুই পুরোহিত মহেশবাবু ও আশিসবাবু হৃত্বিকের জ্যোমাটো বিজ্ঞাপনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “মহাকাল মন্দিরে দীর্ঘদিন ধরে ভক্তদের প্রসাদ দেওয়া হচ্ছে। এই প্রসাদের জন্য কোনও অর্থ দিতে হয় না এবং প্রসাদ কোনওভাবেই ফুড ডেলিভারি অ্যাপের মাধ্যমে অর্ডার করা যায় না।” মহেশবাবু আরও বলেন, এই ফুড ডেলিভারি সংস্থা মহাকাল মন্দিরের বিষয়ে ভুল তথ্য প্রচার করছে। এমন ধরণের বিজ্ঞাপন বানানোর আগে তাদের চিন্তা ভাবনা করা উচিত। ফলে মন্দিরের দুই পুরোহিত দাবি করেন, অবিলম্বে এই বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার করা উচিত ও জ্যোমাটোর ক্ষমা চাওয়া উচিত।

    [tw]


    [/tw]

    অন্যদিকে জোম্যাটোর তরফে জানানো হয়েছে, উজ্জয়িনীর মহাকাল রেস্তোরাঁকে বিজ্ঞাপনে ‘মহাকাল’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে পবিত্র শ্রী মহাকালেশ্বর মন্দিরের কথা বলা হয়নি। তারা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী ও তাদের কখনও কারও বিশ্বাস ও ভাবাবেগে আঘাতের উদ্দেশ্য ছিল না। এও জানানো হয়েছে যে, তারা এই বিজ্ঞাপনটিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    এদিকে এই বিজ্ঞাপনটি নিয়ে একাধিক এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। উজ্জ্বয়িনীর জেলা শাসকের কাছেও দায়ের হয়েছে অভিযোগ। বিষয়টি মধ্যপ্রদেশ পুলিশকে খতিয়ে দেখতে বলেছেন মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্র। 

     

  • US visa: আমেরিকায় ঘুরতে যাবেন! জানেন ভিসা পেতে কতদিন অপেক্ষা করতে হবে?

    US visa: আমেরিকায় ঘুরতে যাবেন! জানেন ভিসা পেতে কতদিন অপেক্ষা করতে হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাঁরা এতদিন ধরে মার্কিন মুলুকে (America) পাড়ি দেওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে আপেক্ষা করছিলেন, তাঁদের জন্য বড়সড় সুখবর। কারণ পরের মাস থেকেই চালু হয়ে যাচ্ছে আমেরিকার পর্যটন ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট (Tourist Visa Appointment)। আমেরিকার দূতাবাসের তরফে সম্প্রতি জানানো হয়েছে যে, আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে আবার ইন-পার্সন ট্যুরিস্ট ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট (In-person Tourist Visa Appointment) রুটিন শুরু হয়ে যাচ্ছে। আগে নির্ধারিত প্লেসহোল্ডার (Placeholders) অ্যাপয়েন্টমেন্টগুলিকে এখন বাতিল করা হয়েছিল। তবে চিন্তা নেই। কারণ যে-সব আবেদনকারীর প্লেসহোল্ডার অ্যাপয়েন্টমেন্ট (Placeholder Appointments) আগে বাতিল হয়ে গিয়েছে, তাঁরা এখন পুনরায় সিস্টেমে প্রবেশ করে রেগুলার অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করে নিতে পারেন।

    তবে, যাঁরা ঘুরতে যেতে চান, তাঁদের আমেরিকার ভিসা পেতে অপেক্ষা করতে হবে প্রায় দেড় বছর। অর্থাৎ, যাঁরা এখন ভিসার জন্য আবেদন করছেন, তথ্য যাচাইয়ের জন্য তাঁরা ডাক পাবেন ২০২৪ সালের মার্চ-এপ্রিল মাসে। ‘ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট’-এর সরকারি ওয়েবসাইট বলছে, পর্যটন ভিসার ক্ষেত্রে আবেদনের ৫২৫ দিন পর ‘ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট’ মিলবে। ছাত্র ভিসার ক্ষেত্রে সেটি ৪৭১ দিন।

    আরও পড়ুন: ছোট থেকেই সেনায় যোগ দিতে চাইতাম! আবেগপ্রবণ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    আসলে বর্তমানে পড়াশোনা এবং চাকরিবাকরি সংক্রান্ত ভিসা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। তাই সে-ক্ষেত্রে হয় তো আর একটু অপেক্ষা করতে হতে পারে ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদনকারীদের, এমনটাই জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “করোনা ভাইরাস ক্লান্ত নয়, আগামী মাসে ফের বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা”, সতর্কবার্তা ‘হু’ প্রধানের

    বিভিন্ন শহরের ক্ষেত্রেও সময়সীমার পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। চেন্নাই থেকে পর্যটন ভিসার আবেদন করলে তা হাতে পেতে অপেক্ষা করতে হবে ৫৫৭ দিন। হায়দরাবাদ থেকে করলে ৫১৮ দিন। আমেরিকার দূতাবাস থেকেই মূলত কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য ডাকা হয়। আবেদনের কত দিন পর, তথ্য যাচাইয়ের ডাক পাওয়া যাবে, তা অনেকাংশে নির্ভর করে আমেরিকান দূতাবাসে কাজের চাপ এবং কর্মী বহুলতার উপর।

  • 75th Independence Day: স্বাধীনতা দিবসে এবার লালকেল্লায় কোন বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা? জানুন  

    75th Independence Day: স্বাধীনতা দিবসে এবার লালকেল্লায় কোন বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা? জানুন  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৫ বছর (75th Independence) পূর্তি  উৎসব। পালিত হবে ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস (Independence Day)। এই উপলক্ষে সেজে উঠেছে দিল্লির লালকেল্লা (Red Fort)। স্বাধীনতা দিবসেব ঢের আগেই আক্ষরিক অর্থেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে লালকেল্লা। স্বাধীনতা দিবসে এই লালকেল্লা থেকেই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    জানা গিয়েছে, এবারের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতের সংখ্যা হাজার সাতেক। তাঁদের নিরাপত্তার গড়ে তোলা হয়েছে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়। বসানো হয়েছে হাজার হাজার সিসিটিভি ক্যামেরা। মোতায়েন করা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনী,  অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত বিশেষ বাহিনীও। অনুষ্ঠান স্থলের প্রতিটি এন্ট্রি পয়েন্টে বসানো হয়েছে ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম। স্বাধীনতা দিবসে অন্তত ১০ হাজার সশস্ত্র পুলিশ কর্মী ঘিরে থাকবে লালকেল্লা চত্বর। জাতীয় পতাকা উত্তোলন না হওয়া পর্যন্ত লালকেল্লার আশপাশের ৫ কিলোমিটার এলাকাকে ঘোষণা করা হয়েছে নো কাইট ফ্লাইং জোন। ৪০০ কাইট ক্যাচার ও ফ্লায়ারও মোতায়েন করা হয়েছে। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার তরফে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমও ইনস্টল করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতা-৭৫ এর সংকল্প হোক আত্মনির্ভর ভারত

    জানা গিয়েছে, প্রতিটি এন্ট্রি পয়েন্টে থাকবেন একজন করে আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিক। দিল্লির স্পেশাল পুলিশ কমিশনার দীপেন্দ্র পাঠক জানান, ইতিমধ্যেই দিল্লি জুড়ে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। লাঞ্চ বক্স, জলের বোতল, রিমোট চালিত গাড়ির চাবি নিয়ে অনুষ্ঠান স্থলে প্রবেশ করা যাবে না। তিনি জানান, অনুষ্ঠান শেষ না পর্যন্ত কেউ ঘুড়ি, বেলুন কিংবা চিনে লণ্ঠন ওড়ালে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে। দিল্লি পুলিশের ওই আধিকারিক জানান, বিভিন্ন জায়গায় কাইট ক্যাচার বসানো হয়েছে। এই কাইট ক্যাচারগুলি কোনও ঘুড়ি, বেলুন কিংবা চিনা লণ্ঠন অনুষ্ঠান স্থলে পৌঁছানোর আগেই ধরে ফেলবে। জানা গিয়েছে, লালকেল্লার অনুষ্ঠান যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, সেজন্য বসানো হচ্ছে রাডারও। দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে পুলিশি পেট্রোলিং বাড়ানো হয়েছে। এলাকার হোটেল, গেস্টহাউস, পার্কিংলট এবং রেস্তঁরাগুলি নিয়মিত পরীক্ষা করা চলছে। এলাকার ভাড়াটে এবং বাইরে থেকে আসা লোকজন সম্পর্কেও নেওয়া হচ্ছে পুঙ্খানুপুঙ্খ খোঁজখবর।

    আরও পড়ুন : মমতার স্বাধীনতা প্রোফাইলে নেহরু বাদ, এলেন সর্দার প্যাটেল, অরবিন্দ

     

  • Jammu Kashmir Accident: অনন্তনাগে নদীতে বাস পড়ে মৃত্যু ৭ আইটিবিপি জওয়ানের

    Jammu Kashmir Accident: অনন্তনাগে নদীতে বাস পড়ে মৃত্যু ৭ আইটিবিপি জওয়ানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগে নদীতে বাস পড়ে মৃত্যু হল ৭ আইটিবিপি জওয়ানের। ঘটেছে মঙ্গলবার সকালে পহলগাঁওতে৷ বাসটিতে ৩৯ জন জওয়ান ছিলেন। এর মধ্যে ৩৭ জন ইন্দো-তিব্বতীয় সীমান্ত পুলিশ বা আইটিবিপি জওয়ান ছিলেন৷ বাকি ২ জওয়ান জম্মু-কাশ্মীর সশস্ত্র বাহিনীর।

    কাশ্মীর জোন পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অমরনাথ যাত্রার ডিউটি সেরে ফিরছিলেন ওই জওয়ানরা। বাসটি চন্দনওয়াড়ি থেকে পহেলগাঁও যাচ্ছিল। তখনই ফ্রিসলান-চন্দনওয়াড়ি রোড এলাকায় ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, বাসের ব্রেক ফেল করার ফলেই তা গিয়ে পড়ে নদীতে। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৭ জওয়ানের। আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করা হয়।

    দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্র উদ্ধার কাজে নামে সেনা, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। দ্রুত ১৯টি অ্যাম্বুল্যান্স পৌঁছায় ঘটনাস্থলে। আহতদের অনন্তনাগের সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অল্প আহত ৩ জন জওয়ানের চিকিৎসা হয় জেলা হাসপাতালে। গুরুতর আহতদের এয়ার-লিফ্ট করে শ্রীনগরে সেনা হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তাঁরা চিকিৎসাধীন। সূত্রের খবর, কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    জওয়ানদের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ট্যুইটারে তিনি লেখেন, ‘জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে বাস দুর্ঘটনায় আইটিবিপি জওয়ানদের মৃত্যুর খবরে বেদনাহত। নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’ 

  • Bengaluru Idgah Maidan: স্বাধীনতা দিবসে ইতিহাস, ইদগাহ ময়দানে উড়ল তেরঙা  

    Bengaluru Idgah Maidan: স্বাধীনতা দিবসে ইতিহাস, ইদগাহ ময়দানে উড়ল তেরঙা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে মর্যাদার সঙ্গে পালিত হল স্বাধীনতার (Independence) পঁচাত্তর বছর পূর্তি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ডাকে পালিত হয়েছে হর ঘর তিরঙ্গা (Har Ghar Tiranga) কর্মসূচিও। স্বাধীনতা দিবসে সর্বত্রই উত্তোলন করা হয়েছে জাতীয় পতাকা (National Flag)। ছোট জনপদেও পালিত হয়েছে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব (Azadi Ka Amrit Mahotsav)। স্বাধীনতার ৭৬ তম বর্ষে সৃষ্টি হল আরও একটি ইতিহাসের। সেটি হল, এই প্রথম জাতীয় পতাকা উড়ল কর্নাটকের বেঙ্গালুরুর ইদগাহ ময়দানে (Idgah Maidan)। স্বাধীনতার পর এই প্রথম এখানেও স্বাড়ম্বরে পালিত হল স্বাধীনতা দিবস।

    স্বাধীনতা দিবসে দেশের সর্বত্র জাতীয় পতাকা উড়লেও, এতদিন এই পতাকা ওড়ানো হত না বেঙ্গালুরুর এই ইদগাহ ময়দানে। কারণ এই ময়দানের দখলদারি নিয়ে বিতর্ক থাকায় এতদিন এখানে জাতীয় পতাকা ওড়ানো হত না। ছামারাজপতের এই ইদগাহ ময়দানের মালিকানা কার, তা নিয়ে ছিল বিতর্ক। তাই স্বাধীনতা দিবসে অতি ছোট মহল্লায় জাতীয় পতাকা উড়লেও, এই ময়দানে উড়ত না। এতদিন এ নিয়ে কেউ কোনও উচ্চবাচ্য না করলেও, সম্প্রতি স্থানীয় কয়েকটি গোষ্ঠী ঘোষণা করে, স্বাধীনতা দিবসে এই ইদগাহ ময়দানে উড়বে জাতীয় পতাকা। মর্যাদার সঙ্গে পালিত হবে ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস। ঠিক হয়, জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন রাজস্ব দফতরের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পর্যায়ের কোনও আধিকারিক। সেই মতো স্বাধীনতা দিসবের আগেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় গোটা তল্লাট। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে মোতায়েন করা হয় র‌্যাফ, সিটি আর্মড রিজার্ভ এবং কর্নাটক স্টেট রিজার্ভ পুলিশ। তার পরেই ওড়ে তেরঙা পতাকা।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও প্রাসঙ্গিক শ্রী অরবিন্দর জীবনদর্শন! আজ তাঁর ১৫০তম জন্মজয়ন্তী

    কেন এতদিন এই ময়দানে উত্তোলন করা হত না জাতীয় পতাকা? জানা গিয়েছে, কর্নাটক স্টেট ওয়াকফ বোর্ড ১৯৬৫ সালের একটি গেজেট নোটিফিকেশন দেখিয়ে দাবি করে, জমিটি ওয়াকফ বোর্ডের সম্পত্তি। যদিও ১৯৭৪ সালের সিটি সার্ভে রেকর্ড এবং অন্যান্য সিভিক রেকর্ড অনুযায়ী দেখা যায়, জমিটি একটি খেলার মাঠ। সম্প্রতি কর্নাটক স্টেট ওয়াকফ বোর্ডের দাবি খারিজ করে দেয় সিটি সিভিক বডি বৃহৎ  বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকে (Brihat Bengaluru Mahanagara Palike)। তারা জানিয়ে দেয়, জমিটি কর্নাটক সরকারের রাজস্ব দফতরের। তার পরেই অবসান হয় কয়েক দশক ধরে চলা বিতর্কের। পালিত হয় স্বাধীনতা দিবস।

    আরও পড়ুন :ভারত নিজের অধিকারেই বিশ্বে সম্মানিত, স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তায় পুতিন

LinkedIn
Share