Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • BRICS Summit Success: ব্রিকসের সাফল্যে বাড়তি আত্মবিশ্বাস! ৫ রাজ্যে আসন্ন ভোটে বিরোধীদের আক্রমণ ভোঁতা করতে হাতিয়ার বিজেপির

    BRICS Summit Success: ব্রিকসের সাফল্যে বাড়তি আত্মবিশ্বাস! ৫ রাজ্যে আসন্ন ভোটে বিরোধীদের আক্রমণ ভোঁতা করতে হাতিয়ার বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকসের সাফল্য দেশবাসীর কাছে বিজেপির গ্রহণযোগ্যতা ফের প্রমাণ করেছে। সফলভাবে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন (BRICS Summit Success) আয়োজনের পর কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপির আত্মবিশ্বাস এখন পাহাড়ের চূড়ায়। এমনই অভিমত রাজনৈতিক মহলের। মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে জি-২০-র পর ফের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলন সফলভাবে আয়োজনকে মোদি সরকারের বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি। দলের আশা, এই সাফল্য নিট বিতর্ক ও ছাত্র আন্দোলনের ধাক্কা কাটিয়ে ফের বিজেপির জমি শক্ত করবে।

    ব্রিকসের বাজিমাত

    সফলভাবে ব্রিকস সম্মেলন (BRICS Summit Success) আয়োজন ভারতের আন্তর্জাতিক প্রভাব ফের সামনে এনে দিয়েছে বলে মনে করছে বিজেপি। সদস্য দেশগুলির মধ্যে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও যৌথ ঘোষণাপত্র প্রকাশকে ভারতীয় কূটনীতি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। ঘোষণাপত্রে পাহেলগাঁও সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দাও ভারতের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক কালে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সরকারের জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হয়েছিল। পাশাপাশি, যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে কংগ্রেসের লাগাতার আক্রমণের জেরে সংসদের বাদল অধিবেশন কার্যত অচল হয়ে পড়ে। ওই অধিবেশনে সরকার কোনও বড় সাংবিধানিক সংশোধনী বিল পাশ করাতে পারেনি। তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল নিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট পেশও পিছিয়ে দিতে হয়। এই পরিস্থিতিতে ব্রিকসের সাফল্যে বিজেপি বাজিমাত করেছে বলেই অনুমান রাজনৈতিক মহলের।

    ভারতের দাবির পক্ষে রাশিয়া ও চিন

    রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য ভারতের দাবির পক্ষে রাশিয়া ও চিনের সমর্থন পাওয়াকেও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে বিজেপি। সম্মেলনের ফাঁকে দীর্ঘদিন ধরে মতবিরোধে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও ইরানের মধ্যে আলোচনা, ইরানের প্রেসিডেন্টকে উষ্ণ অভ্যর্থনা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে আলোচনা এবং টানা তৃতীয় বছর চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ব্রিকসের যৌথ ঘোষণাকে কংগ্রেসও স্বাগত জানিয়েছে, যদিও দলের তরফে কিছু আপত্তি ও শর্তের কথা জানানো হয়েছে।

    ব্রিকস সম্মেলনের কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    আয়োজক দেশের নেতা হিসেবে তিন দিন ধরে ব্রিকস সম্মেলনের কেন্দ্রে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে তাঁর উষ্ণ সম্পর্ক এবং ব্যস্ত কর্মসূচি বিশেষ নজর কেড়েছে। তিন দিনে ১৫ জন রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন তিনি। পাশাপাশি একাধিক অনানুষ্ঠানিক আলোচনাতেও অংশ নেন। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের দিকে বিশেষ নজর ছিল আন্তর্জাতিক মহলের। বিজেপির মতে, এই সম্মেলনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে ভারত যে এই ধরনের বৃহৎ আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষমতা রাখে, তাও প্রমাণিত হয়েছে। এর ফলে ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের জন্য ভারতের দাবিও আরও জোরালো হতে পারে বলে মনে করছে দলটি।

    আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক কর্মসূচি

    আন্তর্জাতিক কূটনীতিকে ঘিরে দেশীয় রাজনৈতিক আবহ বদলে দেওয়া অবশ্য মোদি সরকারের জন্য নতুন ঘটনা নয়। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে সফল জি-২০ সম্মেলনের সময়ও সরকারের বিদেশনীতি ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক দক্ষতা নিয়ে ব্যাপক প্রচার হয়েছিল। এর আগে ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের নিয়ে রোডশো আয়োজনের ঘটনাও দেখা গিয়েছে। বিজেপির কাছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক কর্মসূচিকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর এই কৌশল যথেষ্ট কার্যকর বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন ব্রিকসের সাফল্যকে কীভাবে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটাই বিজেপি ও সরকারের সামনে বড় প্রশ্ন।

    ব্রিকস নিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা

    দলীয় সূত্রের খবর, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্মদিন থেকে শুরু হতে চলা এক মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এ ব্রিকস সম্মেলনের সাফল্যকে বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে। ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী মোদির জনজীবনে ২৫ বছর পূর্তির বিষয়টিও এই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত হবে। তাঁর বিদেশনীতি ও কূটনৈতিক সাফল্যের তালিকায় ব্রিকস সম্মেলনকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই ব্রিকস সম্মেলন নিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা করতে শুরু করেছে বিজেপি। সম্মেলনের আগে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম ব্রিকস আয়োজন করে ভারতের কী লাভ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেই বক্তব্যকেই হাতিয়ার করে বিরোধীদের আক্রমণ করতে চাইছে বিজেপি।

    ব্রিকস থেকে ভারতের প্রাপ্তি

    ব্রিকস থেকে ভারতের প্রাপ্তি এবং সম্মেলনের সাফল্য দেশজুড়ে প্রচারের পরিকল্পনা রয়েছে দলের। একই সঙ্গে ব্রিকসের নৈশভোজে সম্পূর্ণ নিরামিষ মেনু নিয়ে রাহুল গান্ধীসহ কংগ্রেস নেতাদের সমালোচনাকেও কটাক্ষ করছে বিজেপি। দলের নেতাদের বক্তব্য, এত বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সমালোচনা করার মতো বিষয় না পেয়ে শুধুমাত্র নৈশভোজের মেনু নিয়ে আপত্তি তোলাই বিরোধীদের অবস্থানকে স্পষ্ট করে দিয়েছে। এর মধ্যেই সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে ডিলিমিটেশন বিল নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। সংসদ এখনও স্থগিত বা প্রোয়োগ করা হয়নি। ফলে প্রয়োজনে সাংবিধানিক সংশোধনী বিল পাশ করাতে বিশেষ অধিবেশন ডাকার সম্ভাবনা খোলা রয়েছে।

    বিধানসভা নির্বাচনে ব্রিকস নিয়ে প্রচার

    একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য রদবদল নিয়েও আলোচনা চলছে। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের নতুন টিম গঠনের পর দলের সংসদীয় বোর্ড, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি, জাতীয় কার্যনির্বাহী এবং জাতীয় পরিষদ গঠনের প্রক্রিয়াও দ্রুত শেষ করার প্রস্তুতি চলছে বলে খবর। সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনের সাফল্যকে সামনে রেখে রাজনৈতিকভাবে নতুন করে সক্রিয় হচ্ছে বিজেপি। এর পাশাপাশি আগামী বছরের গোড়ায় পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক প্রস্তুতি শুরু করেছে দল।

  • UPI: ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ইউপিআই লেনদেনে কোনও চার্জ নয়, স্পষ্ট করল কেন্দ্র

    UPI: ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ইউপিআই লেনদেনে কোনও চার্জ নয়, স্পষ্ট করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস বা ইউপিআইয়ের (UPI) মাধ্যমে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে ব্যাঙ্ক কোনও ধরনের চার্জ নিতে পারবে না। একইসঙ্গে রুপে-চালিত ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত পেমেন্টের (Free Bank Charges) ক্ষেত্রেও কোনও চার্জ নেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় সরকার।

    সরকারের বিজ্ঞপ্তি (UPI)

    সরকারের প্রকাশিত গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, এই ধরনের লেনদেনের ক্ষেত্রে টাকা পাঠানো বা গ্রহণকারী কোনও ব্যক্তির উপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনও চার্জ চাপাতে পারবে না কোনও ব্যাঙ্ক বা পেমেন্ট ব্যবস্থার পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা।

    ইউপিআই লেনদেনে চার্জ সংক্রান্ত নিয়ম আরও স্পষ্ট করতে অর্থমন্ত্রক পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস্ আইনের আওতায় এই পরিবর্তন এনেছে। বিজ্ঞপ্তিতে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ইউপিআই লেনদেন এবং রুপে-চালিত ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত পেমেন্টকে নির্দিষ্টভাবে “ইলেকট্রনিক পেমেন্ট ব্যবস্থা” হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

    এর আগে গত মাসে কেন্দ্র জানিয়েছিল, ইউপিআইয়ের মাধ্যমে টাকা পরিশোধের জন্য সাধারণ গ্রাহকদের কোনও চার্জ দিতে হবে না। তবে ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট সীমার বেশি কিছু লেনদেনের ক্ষেত্রে বণিকদের কাছ থেকে সীমিত পরিসরে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বা এমডিআর নেওয়ার ব্যবস্থা করা হতে পারে।

    ইউপিআই লেনদেন

    অর্থমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির মধ্যে হওয়া সমস্ত ইউপিআই লেনদেন আগের মতোই বিনামূল্যে থাকবে। ব্যবসায়ীদের উপরও কোনও সার্বিক এমডিআর চাপানো হবে না।

    সরকার আরও জানিয়েছে, ভবিষ্যতে কোনও ধরনের চার্জ চালু করা হলেও তা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনে বর্তমানে প্রযোজ্য মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেটের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম হবে (UPI)।

    ২০০৭ সালের পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস আইনে সাম্প্রতিক সংশোধনের পর ইউপিআই ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে চার্জ নেওয়া হতে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই বিতর্কের মধ্যেই কেন্দ্রের এই অবস্থান সামনে (Free Bank Charges) এল। নতুন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ইউপিআই ও রুপে ডেবিট কার্ডের লেনদেনে কোনও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ চার্জ নেওয়ার সম্ভাবনা কার্যত নাকচ করে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে (UPI)।

     

  • PM Modi for Rajasthan: ‘মিথ্যার প্রতিধ্বনির বিরুদ্ধে সত্যের জয়’, রাজস্থানের পুরভোটে বিজেপির সাফল্যে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi for Rajasthan: ‘মিথ্যার প্রতিধ্বনির বিরুদ্ধে সত্যের জয়’, রাজস্থানের পুরভোটে বিজেপির সাফল্যে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানের পুর নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi for Rajasthan)। তাঁর দাবি, এই ফলাফল রাজ্যে বিজেপির ‘ডাবল-ইঞ্জিন’ সরকারের সুশাসন ও উন্নয়নমূলক কাজের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতিফলন। সোমবার সমাজমাধ্যম ‘এক্স’-এ রাজ্যের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাজস্থানের মানুষকে আন্তরিক ধন্যবাদ বিজেপিকে পুর নির্বাচনে (BJP’s Victory in Rajasthan Polls) বিপুল জয় এনে দেওয়ার জন্য। এটি মিথ্যার প্রতিধ্বনির বিরুদ্ধে সত্যের জয়ের প্রমাণ।” মোদি আরও বলেন, এই নির্বাচনী রায়ের মাধ্যমে রাজস্থানের মানুষ ফের বুঝিয়ে দিয়েছেন যে তাঁরা সুশাসন ও উন্নয়নের নীতির পাশে রয়েছেন। এই জনসমর্থন রাজ্যকে আরও উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনে সমৃদ্ধি আনার সংকল্পকে আরও শক্তিশালী করবে বলেও জানান তিনি। বিজয়ী প্রার্থী এবং দলের কর্মীদেরও অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

    অমিত শাহের অভিনন্দন

    রাজস্থানের পুর নির্বাচনে বিজেপির সাফল্যের জন্য রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের সুশাসন ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি মানুষের আস্থারই প্রতিফলন এই ফলাফল। শাহের দাবি, কংগ্রেসের ‘অপশাসন ও দুর্নীতি’ থেকে রাজ্যকে মুক্ত করে বিজেপি সরকার উন্নয়নের গতি বাড়িয়েছে। রাজস্থানের মানুষ যে সমর্থন দিয়েছেন, তা ‘বিকশিত রাজস্থান’ গড়ার সংকল্পকে আরও শক্তিশালী করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    ৪,১৭৯টি ওয়ার্ডে জয় বিজেপির

    রাজস্থানের পুর নির্বাচনে বিজেপি একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে। মোট ১০,২৪৫টি ওয়ার্ডের ফলাফলে বিজেপি জয় পেয়েছে ৪,১৭৯টি আসনে। কংগ্রেস পেয়েছে ৩,৬১৩টি আসন, আর নির্দল প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ২,২৭৩টি ওয়ার্ডে। চারটি পুরনিগম—জয়পুর, কোটা, উদয়পুর এবং ভিলওয়াড়ায় বোর্ড গঠনের পথে বিজেপি। অন্যদিকে বিকানের পুরনিগমে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে কংগ্রেস। তবে আজমের, যোধপুর, ভরতপুর, আলওয়ার ও পালি-সহ বেশ কয়েকটি পুরসভা ও পুরনিগমে কোনও দলই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে বোর্ড গঠনে নির্দল কাউন্সিলরদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

    জয়পুরে বিজেপির বোর্ড গঠন প্রায় নিশ্চিত

    জয়পুর পুরনিগমে বিজেপি পেয়েছে ৭৮টি আসন, কংগ্রেসের দখলে এসেছে ৫৩টি, আর নির্দলরা জিতেছেন ১৫টি ওয়ার্ডে। ফলে জয়পুরে বিজেপির বোর্ড গঠন কার্যত নিশ্চিত। অন্যদিকে যোধপুর পুরনিগমে বিজেপি ও কংগ্রেস—দুই দলই ৪৪টি করে আসন পেয়েছে। ফলে সেখানে নির্দল কাউন্সিলরদের সমর্থনই বোর্ড গঠনে নির্ণায়ক হতে পারে। রাজ্যের ৪৭টি পুর পরিষদের মধ্যে বিজেপি ১২টিতে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েছে ৮টি পুর পরিষদে। বাকি ২১টি পুর পরিষদে কোনও দলই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। এছাড়া রাজ্যের ২৫২টি পুরসভার মধ্যে বিজেপি ৬৬টিতে, কংগ্রেস ৩৮টিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। প্রায় ১২১টি পুরসভায় বোর্ড গঠনে নির্দল কাউন্সিলরদের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

  • Bangladesh: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের বার্তা বাংলাদেশের, পর্যালোচনায় ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি

    Bangladesh: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের বার্তা বাংলাদেশের, পর্যালোচনায় ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে সাজাতে চায় বাংলাদেশ। অতীতের রাজনৈতিক টানাপোড়েনকে পিছনে ফেলে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে নয়াদিল্লির সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার বার্তা দিয়েছে ঢাকা। বাংলাদেশের (Bangladesh) বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর জানিয়েছেন, বহুপাক্ষিক মঞ্চের পরিবর্তে সরাসরি (BRICS Summit) দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা করতে চায় বাংলাদেশ।

    এই বক্তব্য এমন একটা সময়ে এল, যখন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী নয়, বর্তমান নির্বাচিত সরকার শেখ হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছিলেন, এসব চুক্তির কোনগুলি বহাল থাকবে, কোনগুলি সংশোধন করা হবে এবং কোনগুলি বাতিল করা হতে পারে, তা পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    ভারতের সঙ্গে ‘নতুন সম্পর্ক’ চায় ঢাকা (Bangladesh)

    হুমায়ুন কবির বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আরও ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, নয়াদিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেও বাংলাদেশের উচিত নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গেও সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করা।

    তিনি বলেন, “আমরা একটি নতুন সম্পর্কের দিকে এগোতে চাই। এই সম্পর্ক বহুপাক্ষিক মঞ্চের মাধ্যমে নয়, দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত।”

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অতিরিক্ত নির্ভরতার সমালোচনাও করেন তিনি। তাঁর কথায়, “ভারতকে নিয়ে এই অতিরিক্ত মোহ থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। ভারত অন্য সব দেশের মতোই একটি দেশ এবং বাংলাদেশের সঙ্গে তার ভালো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক থাকা উচিত।”

    ভারতকেন্দ্রিক অতিরিক্ত মনোযোগ বোঝাতে তিনি বলেন, “ভারতে প্রাতরাশ, ভারতে মধ্যাহ্নভোজ, ভারতে নৈশভোজ—তা হলে নিজের দেশের খাবার খাবেন কখন?”

    হুমায়ুন কবির আরও জানান, শেখ হাসিনার সরকারের দীর্ঘ সময়ের শাসন কালে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক “অস্বস্তিকর” হয়ে উঠেছিল। বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে পারস্পরিক স্বার্থ ও সরাসরি আলোচনার ভিত্তিতে সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে এগোতে চায় (Bangladesh)।

    ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানকে ঘিরে টানাপোড়েন

    সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের এই বার্তার ঠিক আগে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে ভারতীয় পক্ষের আমন্ত্রণ ছিল বঙ্গোপসাগরীয় বহুমাত্রিক কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগের চেয়ারম্যান হিসেবে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য। পাশাপাশি ফেব্রুয়ারি থেকেই দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য পৃথক আমন্ত্রণও ছিল (BRICS Summit)।

    দু’দিনের ব্রিকস সম্মেলন রবিবার শেষ হয়েছে। সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ না করা নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে অসন্তোষ তৈরি হয়।

    ভারতের সঙ্গে ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনা

    এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছিলেন, হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার।

    তিনি বলেন, “আমরা ১০১টি সমঝোতা স্মারক-সহ চুক্তিগুলি পর্যালোচনা করছি। খুব শিগগিরই এর ফলাফল জানতে পারবেন (Bangladesh)।”

    চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যবস্থার প্রসঙ্গও ওঠে। নূরুল ইসলাম মনি অভিযোগ করেন, আগের সরকারের সময়ে এমন কিছু ব্যবস্থা করা হয়েছিল, যাতে একই সময়ে বাংলাদেশি ও বিদেশি জাহাজ বন্দরে এলে বিদেশি জাহাজ সুবিধা পেত। জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাগুলি পরিবর্তন বা বাতিল করার কথাও জানান তিনি।

    তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ। কিন্তু সেই সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থই অগ্রাধিকার পাবে।

    হাসিনা প্রসঙ্গ এখনও সম্পর্কে বড় বাধা

    ২০২৪ সালের অগাস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকেই ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন রয়েছে। হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি দুই দেশের সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয় হয়ে রয়েছে (Bangladesh)।

    এই পরিস্থিতিতে হুমায়ুন কবিরের সাম্প্রতিক বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, ঢাকা অতীতের রাজনৈতিক মতপার্থক্যের পরিবর্তে সরাসরি যোগাযোগ এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে যেতে চাইছে।

    ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক যাচ্ছেন তারেক

    এদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে তাঁর এই সফর। তিনি ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেখানে থাকবেন বলে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির।

    সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে তারেকের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক হতে পারে কি না, সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে হুমায়ুন কবির বলেন, বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সময় এই ধরনের বৈঠক অনেক ক্ষেত্রেই শেষ মুহূর্তে চূড়ান্ত হয় (BRICS Summit)।

    তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মূল উদ্দেশ্য সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখা। পার্শ্ববৈঠকগুলির বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানা যাবে (Bangladesh)।

    সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনকে ঘিরে সাম্প্রতিক টানাপোড়েন এবং ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনার ঘোষণার পর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এবার সম্পর্ক পুনর্গঠনের স্পষ্ট বার্তা এল। তবে সেই নতুন সম্পর্কের ভিত্তি হবে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা, বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ এবং (BRICS Summit) দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ—এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছে ঢাকা (Bangladesh)।

     

  • UCC: “২০২৯-এর আগে বিজেপি-এনডিএ শাসিত সব রাজ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি”, বললেন শাহ

    UCC: “২০২৯-এর আগে বিজেপি-এনডিএ শাসিত সব রাজ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৯ সালের আগে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-শাসিত ২১টি রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) চালু করা হবে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। রবিবার মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের গত ১২ বছরের বিভিন্ন সাফল্য এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে (UCC) বিজেপির ২৫ বছরের যাত্রার কথাও তুলে ধরেন।

    মুম্বইয়ে ৩০ দিনের ‘সেবা সংকল্প অভিযানে’র সূচনা করতে এসেছিলেন শাহ। ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার সরকারের লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোই এই অভিযানের উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC)

    শাহ বলেন, ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হয়েছে। ২০২৯ সালের আগে এনডিএ-শাসিত সব রাজ্যই এই আইন কার্যকর করবে বলে তিনি আশাবাদী। উত্তরাখণ্ড ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম রাজ্য হিসেবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আইন পাস করে এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে তা পুরোপুরি কার্যকর হয়। গত বছর গুজরাটেও এই আইন পাস হয়। ২০২৬ সালের মে মাসে অসম উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম রাজ্য হিসেবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিল পাস করে। সর্বশেষ এই তালিকায় যোগ দিয়েছে মধ্যপ্রদেশও। জুলাই মাসে বিশেষ বৈঠকে রাজ্য মন্ত্রিসভা সর্বসম্মতভাবে এই বিধি অনুমোদন করে।

    তবে গুজরাট, অসম ও মধ্যপ্রদেশের অভিন্ন দেওয়ানি বিধি এখনও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এদিকে, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ ও ছত্তিশগড়ে এই বিধির খসড়া তৈরির জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    শাহ বলেন, “তিন তালাক প্রথা বিলোপ করা হয়েছে, ফলে মুসলিম মহিলারা সমান অধিকার পেয়েছেন। একাধিক রাজ্যে আমরা অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করেছি। আমি আত্মবিশ্বাসী যে বিজেপি-এনডিএ শাসিত ২১টি রাজ্যে ২০২৯ সালের আগেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হবে।” উল্লেখ্য, পরবর্তী লোকসভা নির্বাচন ২০২৯ সালে হওয়ার কথা।

    দেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থা নিয়েও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার মাধ্যমে দেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে দাবি করেন (UCC) তিনি। তাঁর বক্তব্য, এক বছরে বেশ কয়েকটি রাজ্যে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার হার ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

    তিন বছরের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও জানান শাহ।

    জাতীয় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে শাহের বক্তব্য

    জাতীয় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৩৭০ এবং ৩৫এ ধারা বাতিলের সময় একটি গুলিও চালাতে হয়নি বা এক ফোঁটা রক্তও ঝরেনি। তাঁর দাবি, কাশ্মীর এখন সম্পূর্ণভাবে ভারতের সঙ্গে একীভূত।

    উত্তর-পূর্ব ভারত ও নকশাল সমস্যা নিয়েও সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন শাহ। তাঁর দাবি, পাঁচ দশকের নকশালবাদের অবসান ঘটানো হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ১৪টিরও বেশি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। শাহ বলেন, “৯ হাজারেরও বেশি মানুষ আত্মসমর্পণ করেছেন এবং আজ আমরা উত্তর-পূর্ব ভারতকে উন্নয়নের পথে নিয়ে গিয়েছি।”

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরকারের নীতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, বিমান হামলা এবং ‘অপারেশন সিঁদুরে’র মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্সে’র নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    মণিপুরে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি কার্যকর করার ক্ষেত্রে ১৯৫১ সালের ভিত্তিবর্ষ ব্যবহার করা হবে কি না, সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাহ জানান, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার তাদের শরিক দল এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করছে।

    তিনি বলেন, “আমরা আমাদের শরিকদের সঙ্গে এবং মণিপুরের রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গেও এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করছি। যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক না কেন, আমরা আপনাদের তা জানাব।”

    বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত

    মুম্বইয়ের মতো শহরে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাহ বলেন, তাঁদের চিহ্নিত করার জন্য সরকার যে পদ্ধতি বা উপায় ব্যবহার করছে, তা প্রকাশ্যে জানানো হবে না। রসিকতার সুরে তিনি বলেন, “আপনারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইছেন, কী কী উপায়ে তাঁদের শনাক্ত করা হবে তা প্রকাশ করে দিতে। তা হলে আমরা তাঁদের ধরব কী করে? তাঁরাও তো বিষয়টি জেনে যাবেন।”

    দেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বহিষ্কারের বিষয়ে সরকারের অবস্থানও ফের স্পষ্ট করেন শাহ। তিনি বলেন, “আমি আবারও আমাদের সংকল্পের কথা বলছি—এই দেশের প্রতিটি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে একে একে চিহ্নিত করে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে।”

    মাদকবিরোধী অভিযান

    মাদকবিরোধী অভিযান প্রসঙ্গেও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, সম্প্রতি ‘নেশামুক্ত ভারত অভিযান’ শুরু করেছেন এবং এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি রাজ্যে যাবেন। আগের দিনই এক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলে জানান তিনি। কর্মসূচিটি দেশের তৃণমূল স্তরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে পুরো দিন ধরে একটি বৈঠকও হবে বলে জানান শাহ (Amit Shah)। তাঁর কথায়, “এই অভিযান অবশ্যই তৃণমূল স্তরে পৌঁছবে এবং (UCC) ভারত মাদকের বিরুদ্ধে জয়লাভ করবে।”

     

  • Operation Sindoor: ৩১৪ কিমি দূর থেকে নিখুঁত আঘাত! কীভাবে সম্ভব হয়েছিল এস-৪০০-এর ‘লংগেস্ট কিল’? অপারেশন সিঁদুরের অজানা তথ্য প্রকাশ কেন্দ্রের

    Operation Sindoor: ৩১৪ কিমি দূর থেকে নিখুঁত আঘাত! কীভাবে সম্ভব হয়েছিল এস-৪০০-এর ‘লংগেস্ট কিল’? অপারেশন সিঁদুরের অজানা তথ্য প্রকাশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার জবাব দিতে শুরু হয়েছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’। প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ভারতে হামলার সঙ্গে যুক্ত জঙ্গি পরিকাঠামো ধ্বংস করা। কিন্তু পাকিস্তান পাল্টা সামরিক আক্রমণ শুরু করতেই সংঘাতের পরিধি বাড়ে। এরপর পাকিস্তানের সামরিক পরিকাঠামোকেই নিশানা করে অভিযান চালায় ভারতীয় বায়ুসেনা (আইএএফ)। এবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ২০২৫-২৬ সালের বার্ষিক রিপোর্টে সেই অভিযানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ্যে এল।

    ২২ এপ্রিল ২০২৫ পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়। তার পর ৭ মে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিতে নির্ভুল হামলা চালায় ভারত। পাকিস্তান পাল্টা ভারতীয় সামরিক ও অসামরিক পরিকাঠামোয় হামলা চালালে শুরু হয় তীব্র চার দিনের সামরিক সংঘাত। ১০ মে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়।

    ফাইটার জেট, এডব্লিউঅ্যান্ডসি ও ড্রোন ঘাঁটিতে হামলা

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১০ মে পাকিস্তানের চারটি বিমান হ্যাঙ্গারকে নিশানা করে আইএএফ। সেখানে যুদ্ধবিমান, এডব্লিউঅ্যান্ডসি (এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল) প্ল্যাটফর্ম এবং আনম্যানড কমব্যাট এরিয়াল ভেহিকল (ইউসিএভি) রাখা ছিল।

    রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, জ্যাকোবাবাদে একাধিক এফ-১৬, একটি এডব্লিউঅ্যান্ডসি বিমান এবং আকিঞ্চি ও টিবি-২ শ্রেণির একাধিক ইউসিএভি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাক বায়ুসেনার কয়েকজন কর্মীর মৃত্যুর কথাও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। জ্যাকোবাবাদ ছাড়াও ভোলারি, সুক্কুর ও মুরিদে থাকা হ্যাঙ্গারও হামলার নিশানায় ছিল।

    রানওয়েতেও নির্ভুল আঘাত

    পাকিস্তানের সারগোধা এবং রহিম ইয়ার খান সামরিক বিমানঘাঁটির রানওয়েতেও হামলা চালায় আইএএফ। লক্ষ্য ছিল রানওয়ের কার্যক্ষমতা ব্যাহত করে ওই ঘাঁটিগুলিকে লাগাতার সামরিক অভিযানের জন্য ব্যবহার করা কঠিন করে দেওয়া। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের রিপোর্টে এই হামলার নির্ভুলতাকে ১৯৭১ সালের যুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের বিমানঘাঁটি নিষ্ক্রিয় করার আইএএফের অভিযানের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

    পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স কমান্ডেও আঘাত

    শুধু বিমান বা রানওয়ে নয়, পাকিস্তানের কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল পরিকাঠামোকেও নিশানা করা হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, চক্লালা এবং মুরিদে থাকা কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ধ্বংস করা হয়। বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল চক্লালার পরিকাঠামো, কারণ সেখানে পাকিস্তান বায়ুসেনার এয়ার ডিফেন্স কমান্ডের সদর দফতর ছিল।অর্থাৎ, ভারতীয় হামলার লক্ষ্য ছিল শুধু পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা নয়; বরং শত্রুপক্ষের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা ও সমন্বয়ের পরিকাঠামোকেও দুর্বল করে দেওয়া।

    আকাশ প্রতিরক্ষায় আইএসিসিএস-এর বড় ভূমিকা

    অপারেশন সিঁদুরে ভারতের নিজস্ব ইন্টিগ্রেটেড এয়ার কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (আইএসিসিএস) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, সামরিক ও অসামরিক সমস্ত নজরদারি সেন্সরকে এই ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করে একটি ‘কমন রিকগনাইজড এয়ার সিচুয়েশন পিকচার’ তৈরি করা হয়েছিল। একাধিক আইএএফ নেটওয়ার্কড ট্যাকটিক্যাল নোডের মাধ্যমে আকাশপথের লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত ও শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।

    ৩১৪ কিলোমিটার দূর থেকে ‘এস-৪০০ কিল’!

    অপারেশন সিঁদুর সংক্রান্ত রিপোর্টের সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সম্ভবত এই ঘটনাটিই। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, একটি এস-৪০০ ইউনিট ৩১৪ কিলোমিটার দূর থেকে পাকিস্তানের একটি স্পেশাল-মিশন বিমানকে ধ্বংস করেরিপোর্টে এটিকে ‘লংগেস্ট সারফেস-টু-এয়ার কিল’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এই ঘটনা ভারতের দীর্ঘপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রদর্শন বলে দাবি করেছে মন্ত্রক। রিপোর্টের ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতীয় রেডার নীরবে লক্ষ্যবস্তুটি ট্র্যাক করে এবং এস-৪০০-এর দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রকে তার ‘ফার বাউন্ডারি’ পর্যন্ত পরিচালিত করা হয়। অর্থাৎ, নজরদারি, ট্র্যাকিং, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল এবং দীর্ঘপাল্লার ইন্টারসেপশন—এই গোটা ব্যবস্থার সমন্বয়েই ওই হামলা সম্ভব হয়।

    বায়ুসেনার সদস্যদের সম্মান

    অপারেশন সিঁদুরের পর ১২ মে ২০২৫ এয়ারফোর্স স্টেশন আদমপুরে গিয়ে বায়ুসেনার জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁদের সাহস ও ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। পরে ১৫ অগস্ট ২০২৫ অপারেশন সিঁদুরে সাহসিকতা ও দৃঢ়তার জন্য ভারতীয় বায়ুসেনার ২১৯ জন সদস্যকে প্রেসিডেন্টস গ্যালান্ট্রি অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এই রিপোর্ট থেকে স্পষ্ট, অপারেশন সিঁদুর শুধু জঙ্গি ঘাঁটিতে সীমাবদ্ধ ছিল না। সংঘাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের বিমানঘাঁটি, রানওয়ে, যুদ্ধবিমান, ড্রোন পরিকাঠামো এবং এয়ার ডিফেন্স কমান্ড—সমগ্র সামরিক নেটওয়ার্ককেই চাপে ফেলার কৌশল নিয়েছিল ভারত।

  • Varanasi: বারাণসীতে নিকাশি নালা বন্ধের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, বস্তাভর্তি বালি উদ্ধার

    Varanasi: বারাণসীতে নিকাশি নালা বন্ধের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, বস্তাভর্তি বালি উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীতে ইচ্ছাকৃতভাবে নিকাশি নালার পথ বন্ধ করে নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগ উঠেছে। পুরসভার (Varanasi) সাফাই অভিযানের সময় শহরের একাধিক এলাকার মূল নিকাশি নালার ভিতর থেকে বালিভর্তি বস্তা, পাথর, কাঠের গুঁড়ো, প্লাইউড এবং প্লাস্টিকের বর্জ্য উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুরসভার আধিকারিকদের অনুমান, পরিকল্পিতভাবেই নালাগুলি (Waterlogging Investigation) আটকে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

    শিবালা, সরায়নন্দন এবং নাগওয়া-সহ প্রায় ছ’টি ওয়ার্ডে নিকাশি নালা পরিষ্কারের সময় এই ধরনের প্রতিবন্ধকতা নজরে আসে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরের নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত করা এবং জল জমিয়ে দেওয়ার সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন বারাণসী পুরসভা কর্তৃপক্ষ। পুলিশও ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।

    উদ্ধার ১২ বস্তা বালি (Varanasi)

    শুক্রবার রাতে, ১১ সেপ্টেম্বর, শিবালা ওয়ার্ডের ৭৫ নম্বর এলাকায় আগরওয়াল রেডিও এবং রত্নাকর পার্কের কাছে নিকাশি নালা পরিষ্কারের সময় প্রায় ১২ বস্তা বালি উদ্ধার করেন পুরসভার কর্মীরা। বস্তাগুলি মূল নিকাশি নালার ভিতরে রাখা ছিল।

    বারাণসীর মেয়র অশোক তিওয়ারি বলেন, নালার ভিতরে যেভাবে বস্তাগুলি রাখা হয়েছিল, তাতে মনে হচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবেই নালাটি বন্ধ করা হয়েছিল। তাঁর কথায়, “প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এটি একটি বড় ষড়যন্ত্রের অংশ। মূল নিকাশি নালা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নোংরা জল সংযোগকারী গলিগুলিতে উপচে পড়ে। এর ফলে জনজীবন ব্যাহত হয় এবং বিভিন্ন এলাকায় জল জমে যায়।”

    পুরসভার অভিযোগ অনুযায়ী, নিকাশি ব্যবস্থা ব্যাহত করার পাশাপাশি জলকল দফতর এবং শহর প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যও থাকতে পারে এই ঘটনার পিছনে।

    ষড়যন্ত্রের দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ

    বারাণসী পুরসভার জলকল দফতরের পক্ষ থেকে ভেলুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩২৬(গ) ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এই ধারাটি জলমগ্নতা ঘটিয়ে (Varanasi) ক্ষতিসাধনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    ভেলুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দুর্গা সিং বলেন, “এই ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩২৬(গ) ধারায় জলমগ্নতা ঘটিয়ে ক্ষতিসাধনের অভিযোগে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।”

    দোষীদের চিহ্নিত করতে সংশ্লিষ্ট এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন পুলিশ ও পুরসভার আধিকারিকরা। আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, অন্য কয়েকটি ওয়ার্ডের নিকাশি নালার ভিতর থেকেও বালি, পাথর, প্লাইউড, কাঠের গুঁড়ো এবং প্লাস্টিকের বর্জ্য উদ্ধার হয়েছে।

    কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি পুর কমিশনারের

    বারাণসীর পুর কমিশনার হিমাংশু নাগপাল এই ঘটনার পিছনে সমাজবিরোধীদের হাত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। নিকাশি নালাগুলি কীভাবে এবং কারা বন্ধ করল, তা চিহ্নিত করতে পুরসভার পক্ষ থেকে তদন্ত চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    নিকাশি নালা পরিষ্কার করা এবং নিচু এলাকাগুলিতে জমে থাকা জল সরানোর কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মেয়র অশোক তিওয়ারি ও পুর কমিশনার হিমাংশু নাগপাল। পুরসভা এবং জলকল দফতরের কর্মীরা নিকাশি ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    পুর কমিশনার বাসিন্দাদের উদ্দেশে বলেন, কাউকে নিকাশি নালা কিংবা সরকারি সম্পত্তিতে ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তক্ষেপ বা ক্ষতিসাধন করতে দেখলে সঙ্গে সঙ্গে পুরনিসভাকে জানাতে হবে (Waterlogging Investigation)। এই ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত করা গেলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও (Varanasi) হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

     

  • BRICS: “ব্রিকসের কাছে বিশ্বের প্রত্যাশা এখন সুনির্দিষ্ট ফলাফলে পৌঁছনোর”, বললেন মোদি

    BRICS: “ব্রিকসের কাছে বিশ্বের প্রত্যাশা এখন সুনির্দিষ্ট ফলাফলে পৌঁছনোর”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় দশকে প্রবেশ করতে চলেছে ব্রিকস (BRICS)। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বের প্রত্যাশা এখন শুধু ভাবনা ও প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে সুনির্দিষ্ট ফলাফলে পৌঁছনোর। রবিবার নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের উন্মুক্ত অধিবেশনে এমনই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। একই সঙ্গে ২০২৭ সালে পরবর্তী শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ চিনকে শুভেচ্ছা জানান তিনি।

    ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্রিকস তৃতীয় দশকে প্রবেশ করতে চলেছে। এখন বিশ্ব আমাদের কাছ থেকে শুধু ভাবনা ও প্রতিশ্রুতি নয়, সুনির্দিষ্ট ফলাফল প্রত্যাশা করে। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা অবশ্যই এই প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হব।”

    চিনকে শুভেচ্ছা মোদির (BRICS)

    ২০২৭ সালে ব্রিকসের পরবর্তী আয়োজক দেশ হিসেবে চিনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মোদি নয়াদিল্লি সম্মেলন সফল করার জন্য সদস্য দেশগুলির নেতৃবৃন্দ এবং তাঁদের দলগুলির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “পরবর্তী আয়োজক দেশ হিসেবে চিনকে আবারও আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। নয়াদিল্লি সম্মেলনকে সফল করে তোলার জন্য আপনাদের প্রত্যেককে এবং আপনাদের দলগুলিকে বিশেষভাবে অভিনন্দন জানাই। আপনাদের সকলের নিরাপদ ও আনন্দময় যাত্রা কামনা করি।”

    এর আগে রবিবার সকালে ভারত মণ্ডপমে ব্রিকসের সদস্য ও অংশীদার দেশগুলির নেতৃবৃন্দ, আমন্ত্রিত দেশগুলির প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “ভারত মণ্ডপমে আরও একটি ফলপ্রসূ সকাল। ব্রিকসের সদস্য ও অংশীদার দেশগুলির নেতৃবৃন্দ, আমন্ত্রিত দেশগুলির প্রতিনিধিদের এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির প্রধানদের স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দিত।”

    রবিবার ব্রিকস নেতাদের বৈঠকে “স্থিতিস্থাপকতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও স্থায়িত্ব: অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির ভবিষ্যৎ নির্মাণ” শীর্ষক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় (BRICS)।

    অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্রিকসের প্রতি গ্লোবাল সাউথের দেশগুলির আস্থা বেড়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের মধ্যে সহযোগিতা এবং পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ব্রিকসের মঞ্চের মাধ্যমে বন্ধুত্ব, অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে।”

    সবাই ব্রিকসের সহযোগিতার অংশীদার হয়ে উঠুন

    তিনি বলেন, “আমরা চেষ্টা করেছি, যাতে ব্রিকসের সহযোগিতা শুধু সরকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। আমরা চাই আমাদের উদ্যোগপতি, কৃষক, গবেষক, মহিলা, যুবসমাজ এবং সাধারণ নাগরিকরাও এর সক্রিয় অংশীদার হয়ে উঠুন।”

    গ্লোবাল সাউথের দেশগুলির মধ্যে ব্রিকসের প্রতি আস্থা বৃদ্ধির প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি যে ব্রিকসের প্রতি আস্থা বেড়েছে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলির। কারণ এখানে তাদের কণ্ঠস্বর শোনা হয়, তাদের অভিজ্ঞতাকে সম্মান করা হয় এবং সমাধান শুধু তাদের জন্য তৈরি করা হয় না, তাদের সঙ্গে নিয়েই তৈরি করা হয়।”

    ব্রিকসের শক্তি তার বৈচিত্র্য ও সহযোগিতার মধ্যে নিহিত বলেও মন্তব্য করেন মোদি। তাঁর কথায়, “আমরা হয়তো ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত, কিন্তু সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যাই এবং মানবতার কল্যাণে বিকশিত হই। আমাদের বৈচিত্র্য যেন আমাদের পরিচয় হয়ে থাকে, আমাদের সহযোগিতা যেন আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায় এবং আমাদের অগ্রগতি যেন সমগ্র মানবজাতির উপকারে আসে।”

    এদিকে, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও ব্রিকসকে গ্লোবাল সাউথের স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি ব্রিকস দেশগুলিকে “ঐতিহাসিক উদ্যোগ গ্রহণ” করার আহ্বান জানান।

    জিনপিং বলেন, ব্রিকসের উচিত আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একটি “সক্রিয়, স্থিতিশীল ও ইতিবাচক শক্তি” হয়ে ওঠা। চিনের বিদেশমন্ত্রকের প্রকাশিত সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, ভারতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই দুই দিনের সম্মেলনে স্থিতিস্থাপকতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও স্থায়িত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্লোবাল সাউথের অগ্রাধিকার, বহুপাক্ষিকতা, টেকসই উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিকে ব্রিকসের আলোচনার কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

    ভারতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দু’দিনের ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পর রবিবার নয়াদিল্লি ছেড়ে চিনে ফিরে যান জিনপিং। ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশনে অংশ নেন তিনি।

    সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও জিনপিং দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেন। দুই প্রতিবেশী দেশের (BRICS) মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে এই বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

  • Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ, ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ

    Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ, ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও ভারতের বাইরে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির উপর হামলা, হুমকি, ধর্মান্তরের চাপ, মন্দিরে ভাঙচুর, জমি দখল এবং বৈষম্যের অভিযোগ নিয়ে একটি সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ঘটনাগুলিকে তুলে ধরে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিভিন্ন দেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে। তবে প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই (Roundup Week) করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবেদনটির দাবি, হিন্দুদের ওপর হিংসা ও বৈষম্যের মধ্যে খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি অবমাননা, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং যৌন হিংসার মতো ঘটনাও রয়েছে।

    মুর্শিদাবাদে যুবক খুনের অভিযোগ (Hindus Under Attack)

    মুর্শিদাবাদের সুজিত মণ্ডলকে খুন ও দেহ খণ্ড-বিখণ্ড করার অভিযোগ উঠেছে জানি শেখ, সামাউল হক এবং তাজকিরা বিবির বিরুদ্ধে। পুলিশের অনুমান, ঘটনার নেপথ্যে অর্থনৈতিক বিবাদ থাকতে পারে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফরাক্কার বাসিন্দা সামাউল একটি পোশাকের দোকান চালান এবং এর আগে একটি বিড়ি কারখানায় গাড়িচালক হিসেবে কাজ করতেন। সেই সময় থেকেই সুজিতের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ছিল বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। অভিযোগ, সুজিত সামাউলকে কয়েক হাজার টাকা ধার দিয়েছিলেন। টাকা ফেরত চাওয়ার পর দু’জনের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান।

    জন্মাষ্টমীকে কেন্দ্র করে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ

    স্বঘোষিত নারীবাদী চিন্ময়ী শ্রীপাদার বিরুদ্ধে হিন্দু ধর্মীয় উৎসবকে অবমাননা করার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কয়েক দিন আগে বরলক্ষ্মী ব্রতের সময় তিনি হিন্দু মহিলাদের “পিতৃতন্ত্রের প্রহরী” বলে মন্তব্য করেছিলেন।

    এর পর জন্মাষ্টমীর সময় একটি ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি। প্রতিবেদনের দাবি, অভিযুক্তদের পরিচয় প্রকাশ না করে তিনি জানান, তারা মুসলিম হওয়ায় তাঁদের নাম প্রকাশ করা হবে না। এই বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

    নেপালে বন্যাত্রাণে ধর্মভিত্তিক সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    নেপালের বন্যাকবলিতদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাঁচ লাখ ডলারের ত্রাণ সহায়তা ঘোষণা করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথম দফার ত্রাণ ক্যাথলিক ত্রাণ পরিষেবা এবং তাদের স্থানীয় সহযোগী কারিতাস নেপালের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।

    এই ত্রাণ বণ্টনের মাধ্যমকে কেন্দ্র করে ভারতীয় উপমহাদেশে পুরনো বিতর্ক নতুন করে সামনে এসেছে। প্রশ্ন উঠেছে, ধর্মভিত্তিক সংগঠনগুলির মাধ্যমে দুর্যোগকবলিত এলাকায় মানবিক সহায়তা পৌঁছনোর ক্ষেত্রে সেই সাহায্য শুধুই মানবিক উদ্দেশ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি ধর্মপ্রচার ও ধর্মান্তরের ক্ষেত্রেও তা ব্যবহৃত হতে পারে।

    ঐতিহাসিক মন্দিরের জলাধার সংস্কারের দাবিতে দীর্ঘ লড়াই

    বছর তিয়াত্তরের ভক্ত বাসাই জয়রামনের কয়েক দশকের আন্দোলনের পর একটি ঐতিহাসিক মন্দিরের জলাধার সংস্কারের দাবিতে প্রশাসন পদক্ষেপ করেছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    জয়রামনের বক্তব্য, গত ৪৫ বছর ধরে তিনি বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন বিধায়ক, মন্ত্রী এবং প্রশাসনিক আধিকারিকের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, বহুবার আবেদন করেও এত দিন কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি।

    সুক্র তীর্থম নামে পরিচিত ওই জলাধারটি এলাকার প্রায় ১,৪৫০ বছরের পুরনো একটি শিবমন্দিরের সঙ্গে যুক্ত। স্থানীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ওই জলাধারে স্নান করে দেবতার পুজো করলে মানসিক অসুস্থতা নিরাময় হয়।

    ধর্মান্তরের অভিযোগ

    উত্তরপ্রদেশের কুশীনগর জেলার বলুরওয়া গ্রামে একটি মাঠে ধর্মান্তরের চেষ্টা চালানোর অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দারা একটি খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ধর্মান্তরের সঙ্গে যুক্ত কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগ করেন।

    খবর পেয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং বজরং দলের কর্মীরা সেখানে পৌঁছে পুলিশে খবর দেন। তাঁদের আসার পর কয়েকজন ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ভিঠা থানার পুলিশ সেখানে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক নরেশ কুমার জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে, তদন্ত চলছে।

    ধর্মান্তরের চাপে মৃত্যুর অভিযোগ

    অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়া জেলায় নূকরাজু পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বছর আটত্রিশের সৌজন্যার নামে লেখা পাঁচ পাতার একটি আত্মহত্যার নোট প্রকাশ্যে আসার পর দীর্ঘদিনের ভয় দেখানো, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, তাঁর ছেলেকে হুমকি এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌজন্যা, তাঁর বাবা নূকরাজু, মা মীনা এবং নাতি রিয়ানশ রাজামহেন্দ্রবরমের সড়ক-রেল সেতু থেকে গোদাবরী নদীতে ঝাঁপ দেন বলে অভিযোগ।

    কর্নাটকে মহিলার মৃত্যু ঘিরে তদন্ত

    কর্নাটকের চিক্কবল্লাপুর জেলার চক্কাহল্লি গ্রামের একটি ভাড়া বাড়ি থেকে চৈত্রা নামে এক মহিলার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় আট বছর ধরে স্বামীর থেকে আলাদা থাকছিলেন চৈত্রা এবং সন্তানদের নিয়ে ওই বাড়িতে বাস করতেন। তাঁর সঙ্গে সাব্বির নামে এক ব্যক্তির বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। নন্দী হিলস থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে (Hindus Under Attack)।

    মন্দিরের দানস্বরূপ ঘণ্টা বিক্রি নিয়ে প্রশ্ন

    একটি মন্দিরের দানস্বরূপ পাওয়া ঘণ্টা আত্মসাৎ এবং বেআইনিভাবে পরিবহণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ঘটনায় মন্দিরের ৪০ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হলেও, ফৌজদারি মামলার তদন্ত কার্যত থেমে গিয়েছে এবং বিভাগীয় তদন্তও অমীমাংসিত অবস্থায় রয়েছে। নথিতে উল্লিখিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত আবু বকর নামে এক দরদাতার মাধ্যমে ঘণ্টাগুলি পরিবহণ ও বিক্রি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। তবে পরবর্তী সময়ে তদন্ত থেকে আবু বকরের নাম বাদ পড়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলা নিয়ে প্রতিবেদনে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। মন্দিরে ভাঙচুর, জমি দখল, ধর্মনিন্দার অভিযোগ তুলে গণহামলা, মহিলাদের ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের মতো অভিযোগের উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারাকাতের একটি গবেষণার উল্লেখ করে দাবি করা হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যেতে পারে। তবে এই পূর্বাভাস ও এর পদ্ধতি সম্পর্কে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

    চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে সাময়িক মুক্তি

    বাংলাদেশের হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে তাঁর মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার জন্য চলতি সপ্তাহে পাঁচ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। প্রায় দু’বছর কারাগারে থাকার পর প্যারোলে মুক্তি পান তিনি।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি আবেগঘন ভিডিওর উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের পুণ্ডরীক ধাম মন্দিরে রাধা-কৃষ্ণের মূর্তিতে প্রণাম করার সময় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে কাঁদতে দেখা যায়। পরে তাঁকে ফের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

    প্রতিবেদনটির দাবি, ঘটনাটি বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিন্দুদের পরিস্থিতির একটি দৃষ্টান্ত। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক অপরাধের পিছনে ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    হিন্দু উৎসব নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ

    প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলিতে হিন্দুদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য বিদ্বেষের পাশাপাশি নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ বলে পরিচিত কিছু দেশেও হিন্দুদের বিরুদ্ধে অপেক্ষাকৃত সূক্ষ্ম বৈষম্য দেখা যায়।

    এই ধরনের বৈষম্য আইন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং জনপরিসরের আচরণের মধ্যেও প্রকাশ পেতে পারে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি ব্যবহারে ধীরে ধীরে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    প্রতিবেদনটির বক্তব্য, উপরিতলে এই নিষেধাজ্ঞাকে পরিবেশ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে হতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে (Roundup Week) অন্যান্য ধর্মীয় উৎসবের ক্ষেত্রে অনুরূপ বিধিনিষেধ কতটা প্রয়োগ করা হয়, সেই তুলনামূলক ছবি বিবেচনা করলে উঠতে পারে বৈষম্যের প্রশ্ন।

     

  • PM Modi: ব্রিকস নেতাদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ, দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে জিনপিং

    PM Modi: ব্রিকস নেতাদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ, দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে জিনপিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সভাপতিত্বে আয়োজিত অষ্টাদশ ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে আসা রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধিদের সম্মানে শনিবার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে নৈশভোজের আয়োজন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস-সহ একাধিক বিশিষ্ট অতিথি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন (Gala Dinner)।

    নৈশভোজের আসরে রাষ্ট্রনেতারা (PM Modi)

    নৈশভোজে যোগ দিতে প্রথমে ভারত মণ্ডপমে পৌঁছন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর সেখানে আসেন কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুসও অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন।

    ভারতের সভাপতিত্বে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে অষ্টাদশ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, প্রতিনিধি এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মান জানাতেই এই নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু, সর্বানন্দ সোনোয়াল এবং অর্জুন রাম মেঘওয়াল, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ-সহ একাধিক মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী একসঙ্গে বাসে করে ভারত মণ্ডপমে পৌঁছন। এর আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, শিবরাজ সিং চৌহান ও কিরেন রিজিজু-সহ অন্য মন্ত্রীরা অনুষ্ঠানের উদ্দেশে রওনা দেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা এবং লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাও অন্যান্য মন্ত্রীর সঙ্গে ভারত মণ্ডপমের উদ্দেশে রওনা দেন।

    নৈশভোজে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন

    নৈশভোজ উপলক্ষে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান “নবরস—অভিন্ন অনুভূতির মহাবিশ্ব” পরিবেশিত হয়। পাশাপাশি ছিল ব্রিকসের বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান “এক ছন্দ, বহু সংস্কৃতি”। ব্রিকসের সদস্য ও অংশীদার দেশগুলির শিল্পীরা যৌথভাবে এই সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

    বিভিন্ন দেশের সঙ্গীত ঐতিহ্যকে একত্রিত করে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের লক্ষ্য ছিল ব্রিকস পরিবারের সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধি, বৈচিত্র্য এবং পারস্পরিক ঐক্যের ভাবনাকে তুলে ধরা।

    এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ব্রিকসের নেতারা সর্বসম্মতভাবে ২০২৬ সালের নয়াদিল্লি ঘোষণা গ্রহণ করেন। এই ঘোষণায় বিশ্ব শাসনব্যবস্থায় সংস্কারের পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশগুলির আরও শক্তিশালী প্রতিনিধিত্বের দাবি জানানো হয়েছে।

    মোদি-জিনপিং বৈঠক

    শনিবার শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ভারত-চিন সম্পর্ককে দেখার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন জিনপিং।

    জিনপিং বলেন, “দুই দেশ দীর্ঘমেয়াদি দ্বিপাক্ষিক উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে এসেছে।”

    তিনি আরও বলেন, “দুই দেশ একে অপরের থেকে ভিন্ন হলেও অভিন্ন উন্নয়ন অর্জনের ক্ষেত্রে আমরা একে অপরকে সহযোগিতা ও সাহায্য করতে পেরেছি।”

    নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করে চিনা প্রেসিডেন্ট বলেন, “নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে এবং আপনার সঙ্গে আবার দেখা করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। ভারতে আয়োজিত ব্রিকস সম্মেলনের সাফল্যের জন্য আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।”

    তিনি জানান, ১২ বছরের মধ্যে এটি তাঁর দ্বিতীয় নয়াদিল্লি সফর। এই সময়ে দুই দেশের দুই নেতা ২০ বারেরও বেশি সাক্ষাৎ করেছেন এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন।

    বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দুই দেশ এবং বিশ্ব দক্ষিণের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ভারত ও চিনের অভিন্ন দায়িত্বের কথাও তুলে ধরেন জিনপিং। তিনি বলেন, “দুই দেশ ভিন্ন হলেও অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যে আমরা একে অপরকে সহযোগিতা ও সাহায্য করতে পেরেছি। চিন ও ভারত বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ এবং বিশ্ব দক্ষিণের অংশ। মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যতের কারণে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। মানুষের স্বার্থকে ভিত্তি করে উচ্চমানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে হবে এবং আরও ন্যায়সঙ্গত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, উন্মুক্ত ও অর্থনৈতিকভাবে সংযুক্ত বিশ্বের জন্য কাজ করতে হবে। এর মাধ্যমে বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব।”

    কৃতজ্ঞতা প্রকাশ মোদির

    ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের সময়ে চিনের সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    তিনি বলেন, “আপনাকে আন্তরিক স্বাগত জানাতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। ব্রিকস সম্মেলনে আপনার ইতিবাচক বক্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের সময়ে চিনের কাছ থেকে পাওয়া সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য আমি কৃতজ্ঞতা জানাই।”

    মোদি আরও বলেন, “এখন আমাদের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ রয়েছে। আবারও আপনাকে ভারতে আন্তরিক স্বাগত জানাই।”

    পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

    ভারত-চিন বৈঠকের আগে ব্রিকস দেশগুলি সর্বসম্মতভাবে নয়াদিল্লি ঘোষণা গ্রহণ করে। পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় ঘোষণায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। পরিস্থিতির আরও অবনতি রুখতে সর্বোচ্চ সংযম দেখানো এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    অসামরিক নাগরিক এবং অসামরিক পরিকাঠামো রক্ষার ওপর জোর দিয়ে স্থায়ী শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগ আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে ব্রিকস।

    আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় থাকা অসামরিক পরিকাঠামো এবং শান্তিপূর্ণ পরমাণু স্থাপনায় হামলা নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সশস্ত্র সংঘাতের সময়ও পরমাণু নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তাবিধি মেনে চলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং নিরাপত্তা পরিষদের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবগুলি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং মানবিক সহায়তা যাতে সম্পূর্ণ ও বাধাহীনভাবে পৌঁছতে পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

    আগামী বছর ব্রিকসের দায়িত্ব চিনের

    জিনপিং ঘোষণা করেন, আগামী বছর চিন ব্রিকসের সভাপতিত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করবে এবং (PM Modi) উনিশতম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করবে।

    চিনের মুখপাত্র মাও নিংয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, জিনপিং বলেন, “চিন এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঐকমত্য তৈরি করবে এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার জন্য সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করবে।”

    তিনি আরও (BRICS) বলেন, “আমরা একসঙ্গে ব্রিকস সহযোগিতার তৃতীয় স্বর্ণযুগের সূচনা করব।”

    উল্লেখ্য, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর (Gala Dinner) নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে অষ্টাদশ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। ভারতের সভাপতিত্বে এবারের সম্মেলনের মূল ভাবনা হল “সহনশীলতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও স্থায়িত্বের জন্য নির্মাণ” (PM Modi)।

     

     

LinkedIn
Share