Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Modi-Suvendu Meeting: পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন কেন্দ্রীয় সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    Modi-Suvendu Meeting: পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন কেন্দ্রীয় সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Modi-Suvendu Meeting)। মুখ্যমন্ত্রীর হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। শুক্রবার দিনভর দিল্লিতে একাধিক কর্মসূচি ছিল তাঁর। বিকেলের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন শুভেন্দু। প্রধানমন্ত্রীর হাতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ছবি তুলে দেন তিনি। তাতে ‘বন্দে মাতরম’ লেখা রয়েছে। এ ছাড়াও মোদির হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। বাংলার সামগ্রিক উন্নয়ন এবং আগামী দিনে রাজ্যের অগ্রগতির রূপরেখা নির্ধারণে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর আলোচনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সূত্রের খবর, বাংলায় মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য সম্প্রসারণ থেকে শুরু করে প্রশাসনিক সমন্বয়সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে।

    ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এ পশ্চিমবঙ্গ

    মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের পরে শুভেন্দু এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের জনগণের সেবা করার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এটিই আমার প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ। তাঁর উষ্ণ শুভেচ্ছা এবং সর্বোপরি, আমাদের রাজ্যের অগ্রগতির প্রতি তাঁর অবিচল অঙ্গীকারের জন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমার গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই। আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনার সময়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ (সবার সঙ্গে, সবার বিকাশ) এই রূপকল্পের উপর পুনরায় জোর দেন এবং পুনর্ব্যক্ত করেন যে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন কেন্দ্রীয় সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বছরের পর বছর ধরে চলা স্থবিরতা থেকে পশ্চিমবঙ্গকে উদ্ধার করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্প পুনরুজ্জীবন এবং যুব ক্ষমতায়নের দ্রুত পথে দৃঢ়ভাবে স্থাপন করার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের সাহায্য, নির্দেশনা এবং কেন্দ্রীয় সমর্থনের আশ্বাস দেওয়ায় আমি তাঁর কাছে অশেষ কৃতজ্ঞ। কেন্দ্রের আশীর্বাদ এবং জনগণের আস্থায়, আমরা পশ্চিমবঙ্গের জন্য দ্বৈত-ইঞ্জিন প্রবৃদ্ধি, স্বচ্ছ শাসন এবং সামগ্রিক উন্নয়নের এক নতুন যুগের সূচনা করতে প্রস্তুত’।

    রাজনাথের প্রশংসা

    মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে প্রথম বার নয়াদিল্লি গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। দিল্লিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সারলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার ১০টা নাগাদ রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপর রাষ্ট্রপতির সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। দেখা করেন উপরাষ্ট্রপতি, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের সঙ্গেও। দেখা করেন সুনীল বনশালের সঙ্গেও। শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে রাজনাথ সিং লেখেন, “বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা হল। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় ভরপুর একজন ব্যক্তি তিনি। শুভেন্দু বাংলাকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করবেন বলেই আমি আত্মবিশ্বাসী।” শুক্রবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

    রীতি মেনে মোদি-শুভেন্দু সাক্ষাত

    গত ৯ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন শুভেন্দু। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীও। তার পরে বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন মোদি। তিনি দেশে ফেরার পরেই তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন শুভেন্দু। সূত্রের খবর, বিজেপির রীতি অনুযায়ী, দলের কেউ মুখ্যমন্ত্রী হলে তিনি দিল্লিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। নিজের রাজ্যের দাবিদাওয়া তাঁর কাছে তুলে ধরেন। মনে করা হচ্ছে, সেই রীতি মেনেই দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন শুভেন্দু। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি শাসিত সরকারকে একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন বেঁধে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বাংলায় ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের উন্নয়নের গতিপথ কোন দিশায় এগোবে, সে বিষয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে বিশেষ পরামর্শ দেন মোদি।

    বাংলার উন্নতিতে ডবল ইঞ্জিন সরকার

    রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে শুভেন্দুর সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ করেছে। নির্বাচনী প্রচারে এসে মোদির দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের পথে রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার। মনে করা হচ্ছে, নতুন সরকার কী কী কাজ করেছে এখনও পর্যন্ত তাঁর হিসেবও প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন শুভেন্দু। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি শুধুমাত্র সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বর্তমানে ঋণের ভারে জর্জরিত পশ্চিমবঙ্গের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। রাজ্যের আয়ের বড় অংশই ঋণের সুদ ও কিস্তি শোধে ব্যয় হচ্ছে। এই আবহে রাজ্যের দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা মেটানোর ক্ষেত্রে কেন্দ্রের পরবর্তী ভাবনা এবং সে ক্ষেত্রে রাজ্যের আশু কর্তব্য কী হতে পারে, তা-ও এই আলোচনায় উঠে এসেছে, বলে খবর। এ ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গে ভারী শিল্প স্থাপন-সহ অন্যান্য শিল্পক্ষেত্রে বড়সড় বিনিয়োগ টানতে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে আগামী দিনে কীভাবে সমন্বয় রেখে কাজ করা হবে, তা নিয়েও দুই নেতার মধ্যে সদর্থক আলোচনা হয়।

  • Indian Navy Modernisation: প্রতি ৪০ দিনে নতুন যুদ্ধজাহাজ কমিশন বাহিনীতে! নজিরবিহীন গতিতে শক্তি বাড়াচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা

    Indian Navy Modernisation: প্রতি ৪০ দিনে নতুন যুদ্ধজাহাজ কমিশন বাহিনীতে! নজিরবিহীন গতিতে শক্তি বাড়াচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌবাহিনীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সম্প্রসারণ কর্মসূচির ঘোষণা করলেন ভাইস অ্যাডমিরাল সঞ্জয় বাৎস্যায়ন (Sanjay Vatsayan)। আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে ৪৫টি নতুন যুদ্ধজাহাজ ও সহায়ক জাহাজ কেনার পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী। পাশাপাশি আগামীদিনে আরও ১৯৫টি অতিরিক্ত জাহাজ নির্মাণ ও অধিগ্রহণের অনুমোদনও মিলেছে। এর মাধ্যমে ২০৩৫ সালের মধ্যে ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা ১৭৫ থেকে ২০০-তে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

    সম্প্রতি, কলকাতায় গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (Garden Reach Shipbuilders & Engineers)-এর কারখানায় ভারতের প্রথম নেক্সট জেনারেশন অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল (NGOPV) ‘সঙ্ঘমিত্রা’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চিফ অফ নেভাল স্টাফ বা নৌসেনা উপপ্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল সঞ্জয় ভাটসায়ন। সেখানেই তিনি নৌবাহিনীর এই বৃহৎ আধুনিকীকরণ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন।

    চলতি বছর ১৯টি নতুন জাহাজ কমিশন

    বর্তমানে দেশের ছয়টি জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্রে ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য মোট ৫৪টি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের কাজ চলছে। শুধু চলতি বছরেই ১৯টি নতুন জাহাজ কমিশন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, যা ভারতীয় নৌবাহিনীর ইতিহাসে এক বছরে সর্বাধিক সংযোজন। ২০২৭ সালেও আরও ১৩টি জাহাজ সরবরাহ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল ইতিমধ্যেই প্রায় ২.৩৫ লক্ষ কোটি টাকার ৭৪টি অতিরিক্ত যুদ্ধজাহাজের জন্য প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬৫টি সারফেস শিপ এবং ৯টি সাবমেরিন। ভারতের এই সমগ্র নৌ-আধুনিকীকরণ কর্মসূচি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। প্রায় ৯৯,৫০০ কোটি টাকার চুক্তির মাধ্যমে দেশীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য ভবিষ্যতের সমস্ত যুদ্ধজাহাজ দেশেই তৈরি হবে বলে জানানো হয়েছে। রাশিয়া থেকে নির্মিত শেষ বিদেশি যুদ্ধজাহাজ আইএনএস তমাল (INS Tamal) ২০২৫ সালের জুলাইয়ে কমিশন হওয়ার পর বিদেশ নির্ভরতা পুরোপুরি বন্ধ হবে।

    প্রতি ৪০ দিনে একটি নতুন জাহাজ কমিশন

    নতুন প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে নীলগিরি শ্রেণির স্টেলথ ফ্রিগেট, ১১ হাজার টন ওজনের নেক্সট জেনারেশন ডেস্ট্রয়ার, অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার ভেসেল এবং আধুনিক প্যাট্রোল জাহাজ। বর্তমানে গড়ে প্রতি ৪০ দিনে একটি করে নতুন জাহাজ কমিশন করছে ভারতীয় নৌবাহিনী, যা দেশের সামরিক ইতিহাসে নজিরবিহীন। ভাইস অ্যাডমিরাল সঞ্জয় বাৎস্যায়ন বলেন, ভারতীয় নৌবাহিনী এখন শুধু যুদ্ধ প্রস্তুত বাহিনী নয়, বরং সমুদ্র নিরাপত্তা, কৌশলগত উপস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাঁর কথায়, “এই বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে নেক্সট জেনারেশন অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল প্রকল্প অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।”

    কোথায় উপযোগী এনজিওপিভি?

    জিআরএসই-র উদ্বোধন করা ‘সঙ্ঘমিত্রা’ হল ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য নির্মীয়মাণ চারটি এনজিওপিভি-র মধ্যে প্রথম জাহাজ। নৌবাহিনীর দাবি, এই এনজিওপিভিগুলি প্রচলিত অফশোর প্যাট্রোল ভেসেলের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ও আধুনিক। প্রায় ১১৩ মিটার দীর্ঘ এবং ১৪.৬ মিটার প্রশস্ত এই জাহাজের ডিসপ্লেসমেন্ট প্রায় ৩,০০০ টন। ১৪ নট গতিতে চললে এর অপারেশনাল রেঞ্জ ৮,৫০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৩ নট। মাত্র চার মিটার ড্রাফটের (জলের নিচে থাকা অংশ) কারণে উপকূলীয় অগভীর জলেও এই জাহাজ সহজে মোতায়েন করা যাবে।

    কেন কার্যকরী হবে এনজিওপিভি?

    অফশোর সম্পদের সুরক্ষা, সামুদ্রিক নজরদারি, মাইন ওয়ারফেয়ার, ভিজিট-বোর্ড-সার্চ-সিজার (VBSS) অপারেশন এবং বিশেষ সামরিক অভিযানে এই জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অনুষ্ঠানে ভাইস চিফ গার্ডেনরিচের ভূয়সী প্রশংসা করে জানান, গত আর্থিক বছরে সংস্থাটি ভারতীয় নৌবাহিনীর হাতে মোট আটটি জাহাজ তুলে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক শক্তিকে মোকাবিলা করতেই ভারত এই বৃহৎ নৌ সম্প্রসারণ কর্মসূচিতে জোর দিচ্ছে। অনুমান করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি নেভির যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা ৪৩৫-এ পৌঁছে যাবে।

  • Punjab: জাতীয় সড়কে সিসিটিভি বসিয়ে সেনার গতিবিধির তথ্য পাকিস্তানে পাচার! পঞ্জাবে ধৃত ১

    Punjab: জাতীয় সড়কে সিসিটিভি বসিয়ে সেনার গতিবিধির তথ্য পাকিস্তানে পাচার! পঞ্জাবে ধৃত ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এক বড়সড় সাফল্য পেল পঞ্জাব পুলিশ ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। পঞ্জাবের (Punjab) ফিরোজপুর সেক্টরে ভারত-পাক আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে জাতীয় সড়কের ওপর সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরা বসিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোপন গতিবিধির তথ্য পাকিস্তানের গোয়েন্দা হ্যান্ডলারদের (Pakistani Handlers) কাছে পাচার করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তির নাম বলজিৎ সিং ওরফে বিট্টু।

    আইএসআই যোগের সন্দেহ (Punjab)

    তদন্তকারী আধিকারিকদের সূত্রে খবর, ধৃত বলজিৎ দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা (Pakistani Handlers)  আইএসআই (ISI) বা সীমান্তপারের হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। ফিরোজপুর (Punjab) সীমান্তে ভারতীয় সেনা এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (BSF) গাড়ি ও জওয়ানদের গতিবিধির ওপর নজরদারি চালাতেই কৌশলগতভাবে ওই হাইওয়েতে সিসিটিভি ক্যামেরাটি বসানো হয়েছিল। ক্যামেরার লাইভ ফিড বা সরাসরি সম্প্রচার সোজা পৌঁছে যাচ্ছিল পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে। বিনিময়ে ওই ব্যক্তি মোটা অঙ্কের অর্থ পাচ্ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে।

    গোপন সূত্রে অভিযান

    গোয়েন্দা সূত্রে সুনির্দিষ্ট খবর পাওয়ার পর, পঞ্জাব পুলিশের (Punjab) একটি বিশেষ দল কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের সঙ্গে যৌথভাবে ফিরোজপুর এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকেই হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় বলজিৎ সিং ওরফে বিট্টুকে। তার কাছ থেকে এই তথ্য পাচারের কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন এবং সিসিটিভি সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত (Pakistani Handlers) করা হয়েছে। ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট (Official Secrets Act)-এর একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

    নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    সীমান্তবর্তী এলাকায় (Punjab) সেনাবাহিনীর গতিবিধির লাইভ ফুটেজ ও সিসিটিভি ফিড যেভাবে সীমান্তের ওপারে পাচার (Pakistani Handlers)  করা হচ্ছিল, তা জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত রয়েছে এবং সুখদেবকে স্থানীয় স্তরে কেউ সাহায্য করছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে ধৃতকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আদালতের অনুমতি নিয়ে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আরও বড় কোনও নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ।

  • Modi-Suvendu Meeting: ডবল ইঞ্জিন সরকারের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি? দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দুর নজরে বাংলার উন্নয়ন

    Modi-Suvendu Meeting: ডবল ইঞ্জিন সরকারের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি? দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দুর নজরে বাংলার উন্নয়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের সফরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার পর এটাই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। রাজধানীতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। দিল্লিতে পৌঁছেই তিনি যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) বাসভবনে। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দু’জনের মধ্যে বৈঠক হয়। শুক্রবার সকালে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ সারেন শুভেন্দু। এরপর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে তাঁর। দুপুরে উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকের পর বিকেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের (Nitin Nabin) সঙ্গেও তাঁর বৈঠক হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

    রাজ্যে মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে আলোচনা…

    বাংলায় পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন কবে হবে এবং কোন নেতার হাতে কোন দফতরের দায়িত্ব যাবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছিল। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি সফরকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে বাংলার মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। খুব শীঘ্রই রাজ্যে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা ঘোষণা হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে।

    সিএএ প্রসঙ্গে কথা…

    শাহ-শুভেন্দু বৈঠকে মন্ত্রিসভা গঠন ছাড়াও সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ এবং সিএএ বাস্তবায়ন নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। মন্ত্রিসভায় কাদের জায়গা দেওয়া হবে, তা নিয়েও বিস্তারিত কথা হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও আঞ্চলিক স্তর থেকে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে খবর। শুধু প্রাক্তন বিধায়ক নন, পুরসভা ও পঞ্চায়েত স্তরে জনপ্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।

    আলোচনা কাঁটাতার ও সীমান্ত নিয়েও…

    এছাড়াও সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার নির্মাণের জন্য জমি সংক্রান্ত অনুমোদন এবং পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ কার্যকর করার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের ভূমিকা কী হবে, সেই বিষয়টিও বৈঠকে উঠে এসেছে। পাশাপাশি রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন অমিত শাহ।

    বিকেলের মোদি-শুভেন্দু বৈঠকে নজর

    অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন, ডবল ইঞ্জিন সরকারের রূপরেখা এবং আগামী দিনের প্রশাসনিক পরিকল্পনা নিয়ে দু’জনের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। নতুন সরকার গত দুই সপ্তাহে কী কী পদক্ষেপ করেছে, সে বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রের কাছে বিশেষ আর্থিক প্যাকেজের দাবি তোলা হতে পারে বলেও রাজনৈতিক মহলে জল্পনা রয়েছে। দীর্ঘদিনের বকেয়া, কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় এবং পশ্চিমবঙ্গে ভারী শিল্প ও অন্যান্য বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

  • PM Modi Cabinet Meeting: ‘ফাইল আটকে রাখবেন না, দ্রুত কাজ করুন’, মন্ত্রিসভার ম্যারাথন বৈঠকে কী কী নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর?

    PM Modi Cabinet Meeting: ‘ফাইল আটকে রাখবেন না, দ্রুত কাজ করুন’, মন্ত্রিসভার ম্যারাথন বৈঠকে কী কী নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজের ক্ষেত্রে কোনও রকম অলসতা নয়। কাজ করতে হবে দ্রুত। জনস্বার্থ দেখেই কাজ করতে হবে মন্ত্রীদের। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সঙ্গেই প্রশাসনিক কাজে সংস্কারের কথাও জানিয়েছেন তিনি। পাঁচ দিনের বিদেশ সফর থেকে ফিরেই বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে ম্যারাথন বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার ওই বৈঠকে আগামী দিনে সরকারের কাজ কেমন হবে তার ধারণাও দিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, ওই বৈঠকে মন্ত্রীদের জন্য কঠোর সংস্কার কর্মসূচি পেশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গেই ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-কে সামনে রেখে কাজ করার জন্য বলা হয়।

    কোন কোন মন্ত্রক বিস্তারিত রিপোর্ট দিল

    বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লির ‘ভারত মণ্ডপম’-এ বিকেল পাঁচটায় শুরু হওয়া এই বৈঠকটি টানা সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে চলে। সূত্র মতে, চলতি বছরের এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার বৈঠক। সূত্রের খবর, ভারতের উন্নয়ন যাত্রাকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে শাসনের অগ্রাধিকার, সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে ন’টি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে একটি বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, কৃষি, বন, শ্রম, সড়ক পরিবহন, কর্পোরেট বিষয়ক, বিদেশ, বাণিজ্য এবং বিদ্যুৎ মন্ত্রক বিস্তারিত প্রতিবেদন পেশ করেছে। এই বৈঠকের সময় ক্যাবিনেট সচিব এবং নীতি আয়োগও তাদের নিজ নিজ উপস্থাপনা তুলে ধরেন। বৈঠকে সরকারের গত ১২ বছরের সাফল্য, কল্যাণমূলক নানা প্রকল্প এবং নেওয়া হওয়া বিভিন্ন সংস্কারের খতিয়ানও পেশ করা হয়।

    বিকশিত ভারত-এর অঙ্গীকার

    ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭ কোনও স্লোগান নয়। তা আমাদের অঙ্গীকার।’ ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে উদ্দেশ্য-চালিত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করতে বলেও জানিয়েছেন মোদি। ঠিক বারো বছর আগে এই জুন মাসেই দিল্লির তখতে প্রথমবার শপথ নিয়েছিল মোদি সরকার। আগামী মাসে কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকারের টানা ১২ বছর (Modi government 12 years) এবং তৃতীয় মেয়াদের (Modi 3.0) দ্বিতীয় বছর পূর্ণ হতে চলেছে। আর এই ঐতিহাসিক মাইলফলকের ঠিক আগেই দিল্লির অলিন্দে হাই-প্রোফাইল ম্যারাথন বৈঠক সারলেন মোদি। তাঁর সাফ নির্দেশ, ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ যেন শুধু স্লোগান হয়ে না থেকে যায়, তার যথাযথ প্রয়োগ যেন দেশের সর্বত্র প্রতিফলিত হয় (Viksit Bharat 2047 vision Modi)।

    সংস্কারের গতি বাড়ানোই লক্ষ্য

    দীর্ঘ ১১ মাস পর এই প্রথম কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সমস্ত সদস্যদের নিয়ে পূর্ণাঙ্গ বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে গত বছর ৪ জুন এই ধরনের বৈঠক হয়েছিল। বৈঠক থেকেই সমস্ত মন্ত্রীদের এক কড়া ও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি— “অতীতে কী হয়েছে ভুলে যান, এবার সম্পূর্ণভাবে ভবিষ্যতের দিকে ফোকাস করুন।” এদিনের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, আগামী দিনে সরকারের মূল লক্ষ্য হতে হবে সংস্কারের গতি বাড়ানো, জনকল্যাণ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও সহজ ও সরল করে তোলা। যে সমস্ত মন্ত্রক কিছুটা পিছিয়ে আছে তাদের কাজ এবং পরিকল্পনাগুলি বাস্তবায়নে জোর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    ফাইল আটকে রাখা চলবে না

    সরকারি কার্যক্রমে আরও বেশি দক্ষতার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রকগুলির মধ্যে নথিপত্রের দ্রুত চলাচল নিশ্চিত করতে এবং অপ্রয়োজনীয় পদ্ধতিগত বিলম্ব দূর করার নির্দেশ দেন। প্রতিটি স্তরে শাসনব্যবস্থাকে সরল করার পাশাপাশি কম সময়ে বেশি কাজ সম্পন্ন করার গুরুত্বের ওপরেও জোর দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, কোনও সংস্কার বা সরকারি প্রকল্পের কাজ যেন শুধু ফাইলের মধ্যেই বন্দি না থাকে। ফাইল যেন আমলাদের টেবিলে অপ্রয়োজনে আটকে না থাকে, বরং অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ফাইল ছাড়তে হবে। এর ফলে সরকারি পরিষেবা আরও গতিশীল ও সরল হবে এবং দেশের নাগরিকেরা তার সরাসরি সুফল পাবেন। মন্ত্রীদের হাতে যে সময়টুকু রয়েছে, তার প্রতিটি সেকেন্ড যাতে ১০০ শতাংশ উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার করা হয়, সেই বিষয়েও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।

    জয়শঙ্করের কূটনৈতিক বার্তা

    এই বৈঠকের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ব্রিফিং। সম্প্রতি ভারতের কূটনীতিকে বিশ্বমঞ্চে আরও মজবুত করতে পাঁচ দেশের একটি অত্যন্ত সফল এবং তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক সফরে গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। সেই বিদেশ সফরের খুঁটিনাটি ও সফল কূটনৈতিক বার্তা এদিন মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের সামনে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন বিদেশমন্ত্রী। এই বৈঠকে জ্বালানি, কৃষি, সার, বিমান চলাচল, নৌপরিবহন এবং লজিস্টিকসের মতো ক্ষেত্রগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয় এবং এগুলির প্রতি নিবিড় মনোযোগ দেওয়া হয়।

    বাংলা জয়ে অভিনন্দন

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রীদের একটি উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন অনানুষ্ঠানিক গোষ্ঠী ইতিমধ্যেই উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণ নজরদারি করছে। দক্ষিণ কোরিয়া সফরে থাকায় রাজনাথ সিং বৃহস্পতিবারের মন্ত্রীপরিষদ বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি। অন্যদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা বর্তমানে জেনেভায় রয়েছেন। এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে বিজেপির জয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। বৈঠকের শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর মন্ত্রীদের স্পষ্ট জানিয়েছেন, গত ১২ বছর ধরে দেশের মানুষের জন্য এই সরকার কী কী কাজ করেছে, তা সাধারণ মানুষের কাছে সরাসরি পৌঁছে দিতে হবে। সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি, জনকল্যাণমুখী প্রকল্প এবং দেশের ভোল বদলে দেওয়া সংস্কারের যে এজেন্ডা, তা নিয়ে মন্ত্রীদের সরাসরি আমজনতার দরবারে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

  • Weather Update: গরমে নাজেহাল! সময়ের আগেই বর্ষা ঢুকছে দেশে, বাংলায় কবে? দিনক্ষণ জানাল হাওয়া অফিস

    Weather Update: গরমে নাজেহাল! সময়ের আগেই বর্ষা ঢুকছে দেশে, বাংলায় কবে? দিনক্ষণ জানাল হাওয়া অফিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যাচপ্যেচে গরমে (Weather Update) নাজেহাল বাঙালি। শহরে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি চরমে উঠেছে। তবে শুধু বাংলা নয়, সূর্যের তাপে মোটামুটি পুড়ছে ভারতের একটা বড় অংশ। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) রাজধানীতে বারবার তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করছে। একইভাবে রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং হিমাচল প্রদেশও তীব্র গরমে পুড়ছে। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা শুষ্ক ও গরম বাতাস এই পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। এই সময়ই সুখবর দিল হাওয়া অফিস। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, চলতি বছর সময়ের আগেই প্রবেশ করছে বর্ষা (Monsoon Forecast 2026)। ভারতের মূল ভূখণ্ড কেরলে ২৬ মে ঢুকে যেতে পারে বর্ষা।

    দেশে কবে বর্ষার প্রবেশ

    এবছর ১৬ মে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ঢুকেছিল বর্ষা ৷ আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে মৌসুমী বায়ু দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগরের কিছু অংশে ঢুকে পড়বে। অগ্রগতি হতে পারে কোমোরিন এলাকাতে। দক্ষিণপূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের বাকি এলাকা এবং পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরের এলাকাতে ঢুকবে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু, যা দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ বার্ষিক বৃষ্টিপাত নিয়ে আসে, তা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় এক সপ্তাহ আগেই প্রবেশ করছে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, ২৬ মে নাগাদ কেরল উপকূলে পৌঁছাতে পারে বর্ষা। আর মৌসমি বায়ু দেশে প্রবেশের স্বাভাবিক সময় হল ১ জুন।

    বাংলায় কবে আসছেন বর্ষারানি

    কেরলে বর্ষার আগাম আগমন মানেই যে সারা দেশে দ্রুত বা বেশি বৃষ্টি হবে, এমনটা বলা যায় না। পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা সাধারণত উত্তর-পূর্ব ভারতের দিক দিয়ে প্রবেশ করে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গে বর্ষা ঢুকতে ৫ জুনের কাছাকাছি সময় লাগে এবং দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রথম বৃষ্টি পৌঁছাতে প্রায় ১০ জুন পর্যন্ত সময় গড়ায়। বাংলায় বর্ষা প্রবেশ না করলেও উত্তরবঙ্গে প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই। ভারী বৃষ্টির আরও একটা স্পেল চলবে আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু করে আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার পর্যন্ত।

    এল নিনোর প্রভাব দেশে

    দেশে সময়ের আগে বর্ষা প্রবেশ করলেও আইএমডি-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বর্ষায় স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ বছরের বৃষ্টিপাত দীর্ঘমেয়াদি গড়ের প্রায় ৯২ শতাংশ হতে পারে। আইএমডি জানিয়েছে, ধীরে ধীরে এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। প্রশান্ত মহাসাগরের জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। আর এই পরিস্থিতি ভারতের মৌসুমী বায়ুকে দুর্বল করে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, জুলাই-অগাস্টে মৌসুমি বায়ু এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে এল নিনোর প্রভাব আরও স্পষ্ট হতে পারে। ইতিমধ্যেই জৈষ্ঠ্যে চাঁদিফাটা রোদে জ্বলছে বঙ্গবাসী। সকাল থেকেই অস্বস্তিকর গরমে হাঁসফাঁস করছে কলকাতা সহ- দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal Heatwave) একাধিক জেলা। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হতে পারে। এই আবহে বর্ষাতেও যদি কম বৃষ্টি হয়, তাহলে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যহত হবে।

     

  • PM Modi: ভারতের অর্থনীতি, জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণ, মন্ত্রিসভার রদবদল! প্রধানমন্ত্রী মোদির সভাপতিত্বে বৈঠক দিল্লিতে

    PM Modi: ভারতের অর্থনীতি, জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণ, মন্ত্রিসভার রদবদল! প্রধানমন্ত্রী মোদির সভাপতিত্বে বৈঠক দিল্লিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যেই দিল্লির ‘সেবা তীর্থে’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছে। এই বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার বিকেলের এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন সমস্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীরা। চলতি বছরে এটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের প্রথম বৈঠক। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE), নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে এবং ইতালি— পাঁচ দেশে ছয় দিনের সফর শেষে এই বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি ৷

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সমস্ত সদস্যদের নিয়ে বৈঠক

    বিদেশ সফর শেষ করে এদিন দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দেশে ফিরেই তিনি বৈঠকে যোগ দেন। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ইস্যু, বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত এবং তার প্রভাব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য রদবদল নিয়েও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সমস্ত সদস্যকে। শুধু পূর্ণমন্ত্রী নন, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদেরও উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। এমনকি বিভিন্ন রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গেও আলোচনা হয়।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা

    বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব ভারতের অর্থনীতি, জ্বালানির দাম এবং আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রেও পড়তে পারে। ফলে কেন্দ্র সরকার এই বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিতে চাইছে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় বলে সূত্রের খবর অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদলের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে যে, কিছু নতুন মুখকে মন্ত্রিসভায় জায়গা দেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণ এবং বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপির সাংগঠনিক অবস্থান বিবেচনা করে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিও এই মুহূর্তে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। বিজেপির সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে বাংলা থেকে কাউকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

  • NEET UG: ২১ জুন নিট ইউজি রি-টেস্ট, প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে বৈঠকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

    NEET UG: ২১ জুন নিট ইউজি রি-টেস্ট, প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে বৈঠকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নিট ইউজি (NEET UG) রি-এক্সামিনেশনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সভাপতিত্ব করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি জাল টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন (Re Exam)। এই চ্যানেলগুলি মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে ভুয়ো তথ্য ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ। মন্ত্রী জানান, সেফ, সিকিওর এবং ফেয়ার কনডাক্ট (safe, secure and fair conduct) নিশ্চিত করতে বাড়তি সতর্কতা ও নিখুঁত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

    প্রশ্নপত্র ফাঁসের মিথ্যে দাবি (NEET UG)

    জানা গিয়েছে, বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রকের প্রবীণ আধিকারিক এবং ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-র ডিরেক্টর জেনারেল উপস্থিত ছিলেন। সেখানে পরীক্ষার প্রস্তুতি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। আগে থেকেই সম্ভাব্য দুর্বলতা চিহ্নিত করে সময়মতো যাতে ঠিকঠাক পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তাই এই বৈঠক। মেটা, গুগল এবং টেলিগ্রামের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আর একটি বৈঠকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা সংক্রান্ত ভুয়ো তথ্য ছড়িয়ে পড়া নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। আধিকারিকরা জানান, পরীক্ষার আগে অনেক টেলিগ্রাম চ্যানেলস ও অনলাইন গ্রুপ অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরা প্রশ্নপত্র ফাঁসের মিথ্যে দাবি করে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে ক্লিকবেট কনটেন্ট (clickbait content) এবং যাচাই না করেই বিভিন্ন ইনফর্মেশন ছড়িয়ে দেয়। এক আধিকারিক বলেন, “এমন অনেক লিঙ্ক ব্যবহারকারীদের অটোমেটেড বটস (automated bots) এবং ভুয়ো গ্রুপে নিয়ে যায়, যেগুলি পরিকল্পিতভাবে মিথ্যে তথ্য ছড়ায় (NEET UG)।”

    সন্দেহজনক চ্যানেল নিয়ে ব্যবস্থা

    গোয়েন্দা সংস্থাগুলির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একাধিক সন্দেহজনক চ্যানেল সীমিত সংখ্যক ফোন নম্বরের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যা একটি সংগঠিত ও সমন্বিত কার্যকলাপের ইঙ্গিত দেয়। এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখার নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, পরীক্ষার আগে ভুয়ো তথ্য ও প্রচার চালানো চ্যানেলগুলিকে চিহ্নিত করে ব্লক করতে হবে। মন্ত্রী জানান, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে শিক্ষামন্ত্রক, এনটিএ এবং আইন-প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে একযোগে কাজ করতে হবে, যাতে দ্রুত ভুয়ো তথ্য রোধ করা যায় এবং পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় থাকে। তিনি বলেন, “ছাত্রছাত্রীদের বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে রক্ষা করা এবং পরীক্ষার প্রতি জনসাধারণের আস্থা বজায় রাখাই সরকারের সর্বোচ্চ (Re Exam) অগ্রাধিকার।” প্রসঙ্গত, ৩ মে হয়েছিল নিট ইউজি (NEET UG) ২০২৬ এর পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠায় পরীক্ষা বাতিল করে এনটিএ (NTA)। অভিযোগ তদন্ত করছে সিবিআই। বাতিল হওয়া ওই পরীক্ষাই ফের হওয়ার কথা ২১ জুন।

     

  • Weather Update: তীব্র তাপে পুড়ছে গোটা দেশ! বিদ্যুতের চাহিদা পৌঁছাল রেকর্ড ২৬৫ গিগাওয়াটে, আগামীতে আরও গরমের পূর্বাভাস

    Weather Update: তীব্র তাপে পুড়ছে গোটা দেশ! বিদ্যুতের চাহিদা পৌঁছাল রেকর্ড ২৬৫ গিগাওয়াটে, আগামীতে আরও গরমের পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে উত্তর ও মধ্য ভারতে জাঁকিয়ে বসা তীব্র দাবদাহ ও তাপপ্রবাহের (Weather Update) কারণে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০ মে বুধবার দুপুর ৩:৪৫ মিনিটে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা (Peak Power Demand) রেকর্ড করা হয়েছে, যার পরিমাণ ছিল ২৬৫.৪৪ গিগাওয়াট (GW)। এই নিয়ে টানা তিন দিন দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ (Rising Temperature) চাহিদা পূর্ববর্তী সমস্ত রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল। তবে এত বিপুল পরিমাণ চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কোনওরকম বিদ্যুৎ বিভ্রাট ছাড়াই গ্রিড সফলভাবে এই সরবরাহ বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। এদিকে আবহাওয়া দফতর (IMD) সতর্ক করেছে যে, আগামী দিনগুলিতে তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলবে।

    টানা তিন দিনের রেকর্ডের খতিয়ান (Weather Update)

    চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই তাপমাত্রার (Weather Update) পারদ চড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের ব্যবহারও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এসি (Air Conditioner), কুলার এবং রেফ্রিজারেটরের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এই চাহিদাকে আকাশছোঁয়া করে তুলেছে:

    • ● সোমবার (১৮ মে): বিদ্যুতের চাহিদা ছুঁয়েছিল ২৫৭.৩৭ গিগাওয়াট।
    • ● মঙ্গলবার (১৯ মে): আগেরর রেকর্ড ভেঙে চাহিদা পৌঁছায় ২৬০.৪৫ গিগাওয়াটে।
    • ● বুধবার (২০ মে): সমস্ত রেকর্ডকে ছাপিয়ে এক লাফে প্রায় ৫ গিগাওয়াট বৃদ্ধি পেয়ে চাহিদা দাঁড়ায় ২৬৫.৪৪ গিগাওয়াটে।

    এর আগে গত ২৫ এপ্রিল দেশের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ২৫৬.১১ গিগাওয়াট। অর্থাৎ এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এই নিয়ে চতুর্থবার সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ (Rising Temperature) চাহিদার নতুন রেকর্ড তৈরি হল।

    গ্রিড ও বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতি

    বিদ্যুৎ মন্ত্রক জানিয়েছে, ২৬৫.৪৪ গিগাওয়াটের এই বিশাল চাহিদা সম্পূর্ণ নিরবচ্ছিন্নভাবে মেটানো সম্ভব হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই চাহিদার সিংহভাগ বা প্রায় ৬১.২% মেটানো হয়েছে তাপবিদ্যুৎ (Thermal Power) থেকে। এছাড়া সৌরবিদ্যুৎ ২১.৫%, বায়ুবিদ্যুৎ ৬.৫%, জলবিদ্যুৎ ৬.৩% এবং পারমাণবিক শক্তি থেকে ২.৬% সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

    চলতি মরসুমে সরকারের পক্ষ থেকে গ্রীষ্মকালীন সর্বোচ্চ বিদ্যুতের (Rising Temperature) চাহিদা ২৭১ গিগাওয়াট পর্যন্ত হতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিদ্যুৎ ক্ষেত্র সর্বোচ্চ ২৮০ গিগাওয়াট পর্যন্ত চাহিদা সামলানোর জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা

    আইএমডি (IMD) জানিয়েছে, দেশের একাধিক অংশে, বিশেষ করে রাজধানী দিল্লি এবং উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ (Severe Heatwave) অব্যাহত থাকবে। দিল্লির জন্য ইতিমধ্যেই ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে, যেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস (Weather Update) ছাড়িয়ে গেছে। উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলায় তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই রেকর্ড ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা (Rising Temperatur) কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। ফলে দুপুরের পাশাপাশি রাতের দিকেও বিদ্যুতের চাহিদা চরম পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যা বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা ও গ্রিড ব্যবস্থাপনার ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেবে।

  • Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে পাকিস্তান! লাহোর থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল জঙ্গি অপারেশন, চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি এনআইএ-র

    Pahalgam Terror Attack: পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে পাকিস্তান! লাহোর থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল জঙ্গি অপারেশন, চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় (Pahalgam Terror Attack) ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ মদতের প্রমাণ পেয়েছে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ (NIA)। আদালতে দাখিল করা চার্জশিটে (NIA Chargesheet) এনআইএ-র তরফে দাবি করা হয়েছে, গোটা হামলার পরিকল্পনা, নিয়ন্ত্রণ এবং জঙ্গিদের নির্দেশ দেওয়া—সবকিছুই পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছে লস্কর-ই-তৈবা (LeT) এবং তার ছদ্ম সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (TRF)-এর সক্রিয় ভূমিকার তথ্যও।

    লাহোরে বসে হামলাকারীদের নির্দেশ দিচ্ছিল জঙ্গি-নেতা সইফুল্লাহ্

    এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের লাহোর থেকে হামলার নেপথ্য মূলচক্রী হিসেবে কাজ করছিল সইফুল্লাহ্ ওরফে সাজিদ জাট ওরফে ‘ল্যাংড়া’। সে লস্কর-ই-তৈবা এবং টিআরএফ-এর শীর্ষ জঙ্গি-নেতা। চার্জশিট অনুযায়ী, পহেলগাঁওয়ে হামলা চালানো জঙ্গিদের সঙ্গে সে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত এবং রিয়েল-টাইমে অবস্থান, চলাচলের পথ, লুকিয়ে থাকার জায়গা ও পালানোর রুট সংক্রান্ত তথ্য পাঠাত। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামলার আগে ১৫ ও ১৬ এপ্রিল পাকিস্তান থেকে তিন জঙ্গি— ফয়জল জাট ওরফে সুলেমান, হাবিব তাহির ওরফে ছোটু এবং হামজা আফগানিকে— বৈসরণ উপত্যকা ও আশপাশের এলাকায় রেকি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তারা পর্যটকদের আনাগোনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং হামলার সম্ভাব্য রুট খতিয়ে দেখে। এরপর হামলার দিন লাহৌর থেকেই সইফুল্লাহ্ জঙ্গিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখে হামলা পরিচালনা করে।

    পাকিস্তানের “ফলস ফ্ল্যাগ” তত্ত্বও ভেস্তে দিল এনআইএ

    এনআইএ-র তদন্তে পাকিস্তানের তথাকথিত “ফলস ফ্ল্যাগ” তত্ত্বও ভেস্তে গিয়েছে। হামলার পরপরই ‘কাশ্মীর ফাইট’ নামে একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে টিআরএফ হামলার দায় স্বীকার করে। কিন্তু আন্তর্জাতিক স্তরে তীব্র নিন্দা শুরু হলে এবং রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ হামলার নিন্দা জানালে সংগঠনটি নিজেদের অবস্থান বদলায়। পরে দাবি করা হয়, টেলিগ্রাম চ্যানেলটি নাকি “হ্যাক” হয়েছিল এবং হামলার সঙ্গে টিআরএফ-এর কোনও যোগ নেই। তবে এনআইএ-র প্রযুক্তিগত তদন্তে উঠে এসেছে, ‘কাশ্মীর ফাইট’ টেলিগ্রাম চ্যানেলটি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার বাট্টাগ্রাম এলাকা থেকে পরিচালিত হত। এছাড়া ‘TheResistanceFront_OfFcial’ নামে আরেকটি চ্যানেল রাওয়ালপিন্ডি থেকে চালানো হত বলেও জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, আন্তর্জাতিক মহলকে বিভ্রান্ত করতে এবং হামলার দায় এড়াতে লস্কর ও টিআরএফ যৌথভাবে এই ভুয়ো প্রচার চালায়।

    নিহত জঙ্গিদের মোবাইল ফোন থেকে উদ্ধার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    ‘অপারেশন মহাদেব’-এ নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া অন্তত দুটি মোবাইল ফোন থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। এনআইএ জানিয়েছে, একটি ফোন অনলাইনে কেনা হয়েছিল এবং সেটি লাহোরের কায়েদ-ই-আজম ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটের একটি ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল। অন্য ফোনটি কেনা হয়েছিল করাচির শাহরা এলাকা থেকে। এই তথ্য পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। চার্জশিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় দুই বাসিন্দা— পারভেজ এবং বশির আহমেদ— পাকিস্তানি জঙ্গিদের হামলা চালাতে সাহায্য করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে আশ্রয় দেওয়া, রসদ সরবরাহ এবং পালানোর পথ দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’ প্রত্যাঘাত ভারতের

    পহেলগাঁও হামলার পর ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে পাল্টা সামরিক অভিযান চালায়। ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) পাকিস্তানের ভিতরে থাকা লস্করের একাধিক জঙ্গি লঞ্চপ্যাড ও ঘাঁটি লক্ষ্য করে নির্ভুল হামলা চালায়। গ্লাইড বোমা, ড্রোন এবং ক্রুজ মিসাইল ব্যবহার করে বহু জঙ্গি অবকাঠামো ধ্বংস করা হয় বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি, ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাকিস্তানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। এনআইএ-র দাবি, এই চার্জশিটে থাকা তথ্য, ডিজিটাল প্রমাণ, যোগাযোগের নথি এবং উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর ফরেন্সিক বিশ্লেষণ পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ জড়িত থাকার অভিযোগকে আরও শক্তিশালী করেছে। তদন্তকারী সংস্থার মতে, পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করে ভারতে নাশকতা চালানোর পুরনো কৌশলই আবারও সামনে এল পহেলগাঁও হামলার ঘটনায়।

LinkedIn
Share