Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India: ইউরোপের ডিজেল ঘাটতি মেটাচ্ছে ভারত, অগাস্টে ৬০ শতাংশেরও বেশি জ্বালানি গেল দিল্লির শোধনাগার থেকে

    India: ইউরোপের ডিজেল ঘাটতি মেটাচ্ছে ভারত, অগাস্টে ৬০ শতাংশেরও বেশি জ্বালানি গেল দিল্লির শোধনাগার থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত এবং দীর্ঘস্থায়ী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে ইউরোপের জ্বালানি বাজারে ভারতের (India) গুরুত্ব আরও বেড়েছে। চলতি বছরের অগাস্টে বাব-এল-মান্দেব প্রণালীর মধ্যে দিয়ে ইউরোপের উদ্দেশে যাওয়া ডিজেল ও গ্যাসঅয়েলের ৬০ শতাংশেরও বেশি এসেছে ভারতের শোধনাগারগুলি থেকে (Diesel Supplier)। রাশিয়া থেকে ইউরোপে জ্বালানি সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় সেই ঘাটতি পূরণে বড় ভূমিকা নিচ্ছে ভারত।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, অগাস্টে লোহিত সাগরের এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে ইউরোপের উদ্দেশে প্রতিদিন গড়ে ২ লাখ ব্যারেলেরও বেশি ডিজেল ও গ্যাসঅয়েল পরিবহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় তিন-পঞ্চমাংশ ছিল ভারতীয় জ্বালানি। ফলে ইউরোপের পরিশোধিত জ্বালানির বাজারে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে।

    রাশিয়ার রফতানি কমতেই বাড়ল ভারতের গুরুত্ব (India)

    ভারত থেকে ইউরোপে ডিজেল সরবরাহ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ রাশিয়ার রফতানিতে বড়সড় পতন। অগাস্টের প্রথম ২৫ দিনে রাশিয়া থেকে সমুদ্রপথে ডিজেল রফতানি নেমে এসেছে দৈনিক গড়ে মাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলে। এক বছর আগে একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল প্রায় ৬ লাখ ১০ হাজার ব্যারেল। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় রফতানি প্রায় ৭৫ শতাংশ কমেছে এবং পাঁচ বছরের ঋতুভিত্তিক গড়ের তুলনায় পতন হয়েছে প্রায় ৮১ শতাংশ।

    এদিকে, ইউরোপের বাইরে থেকে ইউরোপে মার্কিন সমুদ্রপথে ডিজেল রফতানি অগাস্টে দৈনিক প্রায় ৫ লাখ ২০ হাজার ব্যারেলে পৌঁছেছে। গত বছরের তুলনায় ইউরোপের মোট আমদানিতে এর অংশও বেড়েছে। তবে মাসের প্রথমার্ধে দৈনিক প্রায় ৫ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেলের শীর্ষে পৌঁছনোর পর দ্বিতীয়ার্ধে তা কমে নেমে আসে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলে।

    ভারতের শোধনাগারগুলির সুবিধা

    ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল পরিশোধনকারী দেশ। দেশে বছরে প্রায় ২৫ কোটি ৮১ লাখ টন পরিশোধন ক্ষমতা রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ভারত প্রায় ৬ কোটি ১৫ লাখ টন পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য রফতানি করেছে।

    দেশের জটিল এবং রফতানিমুখী শোধনাগারগুলির অন্যতম সুবিধা হল, তারা বিভিন্ন ধরনের অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করে আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে গুজরাতের জামনগরে রিলায়েন্সের শোধনাগারের মতো বড় পরিশোধনাগারগুলিতে অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে। ফলে যে বাজারে দাম বেশি, সেখানে দ্রুত পরিশোধিত জ্বালানি পাঠানোর সুযোগ পাচ্ছে ভারত (India)।

    তবে পরিসংখ্যান বলছে, অগাস্টে ভারতের অপরিশোধিত তেল ও ঘনীভূত তরল হাইড্রোকার্বন আমদানি কমেছে। এক বছর আগে যেখানে দৈনিক আমদানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৪৮ লাখ ব্যারেল, অগাস্টে তা কমে প্রায় দাঁড়িয়েছে ৩৮ লক্ষ ব্যারেলে। লোহিত সাগরের পথ এখনও ঝুঁকিপূর্ণ

    বাব-এল-মান্দেব প্রণালী দিয়ে ভারতীয় ডিজেল ইউরোপে পৌঁছনোর বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। পশ্চিম এশিয়ায় চলা সংঘাতের কারণে উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে ইউরোপের দিকে জ্বালানি পরিবহণের প্রচলিত পথগুলির উপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে পূর্ব থেকে পশ্চিমমুখী জ্বালানি পরিবহণে লোহিত সাগর ও বাব-এল-মান্দেবের গুরুত্ব বেড়েছে।

    তবে এই পথ পুরোপুরি নিরাপদ নয়। অতীতে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে একাধিক বাধা তৈরি হয়েছিল। ফলে এই জলপথ ব্যবহার করে ইউরোপে জ্বালানি পাঠানোর ক্ষেত্রে পরিবহণ ব্যয় ও নিরাপত্তা—দুই বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

    ইউক্রেনের হামলায় চাপে রাশিয়ার জ্বালানি পরিকাঠামো

    রাশিয়ার জ্বালানি রফতানি কমে যাওয়ার পিছনে ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলাও বড় কারণ হয়ে উঠেছে। রাশিয়ার শোধনাগার এবং জ্বালানি রফতানির পরিকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে মস্কোর অর্থনৈতিক আয় এবং যুদ্ধ চালানোর সক্ষমতার উপর চাপ তৈরি করার চেষ্টা করছে কিয়েভ (ইউক্রেনের রাজধানী)।

    অগাস্টের ২১ তারিখে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার পাম তেল শোধনাগারের প্রযুক্তিগত ইউনিটগুলির উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়। এর পর শোধনাগারটির কার্যক্ষমতা কমে প্রায় ২৮ শতাংশে নেমে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। মে মাসে হামলার পর থেকে তুয়াপসে বন্দর থেকেও কোনও ডিজেলবাহী জাহাজ ছাড়েনি।

    ফলে রাশিয়ার সরবরাহ কমার সঙ্গে সঙ্গে ইউরোপের জ্বালানি বাজারে তৈরি হওয়া শূন্যস্থান পূরণের সুযোগ পাচ্ছে (Diesel Supplier) ভারত। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা এবং রাশিয়ার রফতানি সংকট যতদিন চলবে, ইউরোপের পরিশোধিত জ্বালানি বাজারে ভারতের ভূমিকা ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে (India)।

     

  • ISRO privatisation: ইসরো কি বেসরকারি হাতে যাচ্ছে? সব জল্পনায় জল ঢেলে বড় বার্তা মহাকাশ গবেষণা সংস্থার

    ISRO privatisation: ইসরো কি বেসরকারি হাতে যাচ্ছে? সব জল্পনায় জল ঢেলে বড় বার্তা মহাকাশ গবেষণা সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO) কি ধীরে ধীরে বেসরকারি সংস্থার হাতে চলে যাচ্ছে? মহাকাশ ক্ষেত্রে চলতে থাকা সংস্কারের জেরে কি ইসরোর গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে? এই ধরনের জল্পনা এবং রিপোর্টকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভুল বলে সরাসরি খারিজ করল ইসরো। রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর এক সরকারি বিবৃতিতে দেশের শীর্ষ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ইসরোকে বেসরকারিকরণ করা হচ্ছে না এবং ভবিষ্যতেও তার গুরুত্ব কমানো হবে না।

    ইসরোকে ঘিরে জল্পনা কেন?

    ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে গত কয়েক বছরে বেসরকারি সংস্থার প্রবেশ উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। স্যাটেলাইট তৈরি, উৎক্ষেপণযান, প্রোপালশন সিস্টেম, গ্রাউন্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার থেকে শুরু করে মহাকাশ-ভিত্তিক পরিষেবা—বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখন বেসরকারি সংস্থা এবং স্টার্ট-আপগুলি কাজ করছে।

    এই পরিবর্তনের জেরে ইসরোর কর্মী এবং বিজ্ঞানীদের একাংশের মধ্যে সংস্থাটির ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল। বিশেষ করে ইসরোর পরিণত প্রযুক্তি শিল্পের হাতে তুলে দেওয়া, উৎপাদন ও কিছু পরিচালনমূলক দায়িত্ব বেসরকারি বা অন্যান্য সংস্থার হাতে দেওয়ার মতো বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই ইসরোর এই স্পষ্টীকরণ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

    ‘ইসরোর ভূমিকা কমছে না’

    ইসরো জানিয়েছে, মহাকাশ ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণ বাড়ানোর অর্থ কোনওভাবেই ইসরোর ভূমিকা কমিয়ে দেওয়া নয়। বরং সরকারের মহাকাশ সংস্কারের মূল লক্ষ্য হল একটি বৃহত্তর, শক্তিশালী এবং বহুমুখী ভারতীয় মহাকাশ-ইকোসিস্টেম তৈরি করা। এই ব্যবস্থায় ইসরো, সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা, স্টার্ট-আপ এবং শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিজেদের দক্ষতা অনুযায়ী একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।

    ইসরোর বক্তব্য অনুযায়ী, উন্নত মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তি বিকাশ, জাতীয় ও কৌশলগত মিশন, মহাকাশবিজ্ঞান ও অনুসন্ধান এবং গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাধুনিক মহাকাশ সক্ষমতা তৈরির ক্ষেত্রে ইসরোর মূল ভূমিকা অক্ষুণ্ণ থাকবে। অর্থাৎ, বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণকে ইসরোর বিকল্প হিসেবে নয়, বরং ভারতের সামগ্রিক মহাকাশ ক্ষমতা বাড়ানোর একটি মাধ্যম হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

    কেন বেসরকারি সংস্থাকে দেওয়া হচ্ছে পরিণত প্রযুক্তি?

    এই সংস্কারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ম্যাচিওর বা পরিণত প্রযুক্তি শিল্পের হাতে তুলে দেওয়া। কোনও প্রযুক্তি যখন গবেষণা ও পরীক্ষার পর্যায় পেরিয়ে নির্ভরযোগ্য এবং বৃহৎ পরিসরে উৎপাদনের উপযোগী হয়ে ওঠে, তখন সেটি বেসরকারি শিল্পের মাধ্যমে আরও বেশি পরিমাণে তৈরি ও বাণিজ্যিকীকরণের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। ইসরোর যুক্তি, এর অর্থ সেই প্রযুক্তির ক্ষেত্র থেকে সংস্থা সরে যাচ্ছে না।

    বরং বেসরকারি সংস্থা উৎপাদন, বিনিয়োগ, বাণিজ্যিকীকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছনোর কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। অন্যদিকে ইসরোর বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদরা নিজেদের আরও বেশি সময় দিতে পারবেন নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি এবং এখনও গবেষণার সীমান্তে থাকা জটিল মহাকাশ প্রকল্পে। সহজ কথায়, পুরনো ও পরিণত প্রযুক্তির বৃহৎ উৎপাদনের দায়িত্ব শিল্পের হাতে দিয়ে ইসরো আরও উন্নত প্রযুক্তির গবেষণায় মনোনিবেশ করতে চাইছে।

    ২০২০ থেকেই শুরু মহাকাশ ক্ষেত্রে বড় সংস্কার

    ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনের সূচনা হয় ২০২০ সালে। এরপর Indian Space Policy 2023-এর মাধ্যমে সংস্কারের কাঠামো আরও স্পষ্ট ও প্রাতিষ্ঠানিক করা হয়। পাশাপাশি বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বা FDI-এর নিয়মও শিথিল করা হয়েছে। এই নীতির মাধ্যমে মহাকাশ ক্ষেত্রের প্রায় গোটা ভ্যালু চেনেই বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

    এর মধ্যে রয়েছে—

    • ● স্যাটেলাইট তৈরি
    • ● উৎক্ষেপণযান নির্মাণ
    • ● প্রোপালশন প্রযুক্তি
    • ● গ্রাউন্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার
    • ● মহাকাশ-ভিত্তিক পরিষেবা
    • ● পৃথিবী পর্যবেক্ষণ
    • ● যোগাযোগ ব্যবস্থা
    • ● মহাকাশ প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহার

    ইসরোর ভাষায়, এই পরিবর্তনকে ‘বেসরকারিকরণ’ নয়, বরং ‘ইকোসিস্টেম সম্প্রসারণ এবং সক্ষমতার বহুগুণ বৃদ্ধি’ হিসেবে দেখা উচিত।

    ২০২০-তে হাতে গোনা স্টার্ট-আপ, এখন ৪৫০-এর বেশি

    সংস্কারের ফলে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগের সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। ইসরোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে দেশে মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্ট-আপের সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। বর্তমানে সেই সংখ্যা ৪৫০-এর বেশি। এই সংস্থাগুলি উৎক্ষেপণযান, স্যাটেলাইট, প্রোপালশন, পৃথিবী পর্যবেক্ষণ, যোগাযোগ এবং বিভিন্ন মহাকাশ-ভিত্তিক পরিষেবা নিয়ে কাজ করছে। এর ফলে ভারতীয় মহাকাশ ক্ষেত্র এখন শুধুমাত্র সরকারি গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি বড় শিল্প ও প্রযুক্তি ইকোসিস্টেমে পরিণত হচ্ছে।

    কৌশলগত পরিকাঠামো থাকবে সরকারের নিয়ন্ত্রণেই

    তবে বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণ বাড়লেও জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ও কৌশলগত সক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কোনও আপস করা হচ্ছে না বলে ইসরো স্পষ্ট করেছে। সংস্থার বক্তব্য, গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাকাশ পরিকাঠামো এবং কৌশলগত সক্ষমতার মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ সরকারের হাতেই থাকবে।

    কিছু ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাকে পরিষেবা বা পরিচালনমূলক কাজে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলেও তা জাতীয় নিরাপত্তা, নিরাপত্তা বিধি এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক কাঠামোর অধীনেই হবে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে একদিকে যেমন বেসরকারি বিনিয়োগ ও দক্ষতাকে কাজে লাগানো হবে, অন্যদিকে দেশের কৌশলগত মহাকাশ সক্ষমতার উপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে।

    ইসরোর কর্মীদেরও বার্তা

    ইসরোর এই বিবৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল সংস্থার কর্মী ও বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে দেওয়া বার্তা। সংস্কারের ফলে ইসরোর দায়িত্ব ধীরে ধীরে কমে যাবে এবং বেসরকারি সংস্থাগুলি সেই জায়গা দখল করবে—এমন আশঙ্কা যে তৈরি হয়েছিল, তা দূর করার চেষ্টা করেছে ইসরো। বরং সংস্থার বক্তব্যের সারমর্ম হল—বেসরকারি শিল্প যত বেশি পরিণত প্রযুক্তির উৎপাদন ও বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপনা সামলাবে, ইসরো তত বেশি মনোযোগ দিতে পারবে কঠিন, কৌশলগত এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির গবেষণায়।

    আসলে ‘ইসরোর জায়গা নেওয়া’ নয়, ‘ইসরোর কাজের পরিধি বাড়ানো’

    বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ভারতের মহাকাশ সংস্কারের লক্ষ্য মূলত সরকারি সংস্থাকে সরিয়ে দেওয়া নয়। বরং ইসরোর গবেষণা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার সঙ্গে দেশের শিল্পশক্তি, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং স্টার্ট-আপ ইকোসিস্টেমকে যুক্ত করা। এর ফলে ইসরোর সামনে আরও জটিল মহাকাশ অভিযান, উন্নত উৎক্ষেপণ প্রযুক্তি, মহাকাশ অনুসন্ধান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রযুক্তি তৈরির সুযোগ বাড়তে পারে।

    একই সঙ্গে শিল্পের মাধ্যমে পরিণত প্রযুক্তির উৎপাদন বাড়লে ভারতের বাণিজ্যিক মহাকাশ বাজারও দ্রুত সম্প্রসারিত হতে পারে। তাই ইসরোর সাম্প্রতিক বার্তাটি মূলত একটি বিষয় পরিষ্কার করছে—ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে বেসরকারি অংশগ্রহণ বাড়ছে ঠিকই, কিন্তু তার অর্থ ইসরোর অবসান বা বেসরকারিকরণ নয়। বরং লক্ষ্য হল ইসরোকে তার মূল গবেষণা ও কৌশলগত দায়িত্বে আরও বেশি মনোনিবেশ করার সুযোগ দিয়ে গোটা ভারতীয় মহাকাশ ব্যবস্থাকে আরও বড় করে তোলা।

  • Swaminarayan Temple: ‘নয়া উচ্চতায় ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক’, প্যারিসের স্বামীনারায়ণ মন্দির উদ্বোধনে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    Swaminarayan Temple: ‘নয়া উচ্চতায় ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক’, প্যারিসের স্বামীনারায়ণ মন্দির উদ্বোধনে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও ফ্রান্সের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়া উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর মতে, দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্কের মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এই কৌশলগত অংশীদারিত্ব দুই দেশের জন্যই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ (Swaminarayan Temple)।

    রবিবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে প্যারিসে স্বামীনারায়ণ মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্যারিসের এই নতুন মন্দির দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্ভাবনার প্রতীক হিসেবে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দাঁড়িয়ে থাকবে।

    ভারত ও ফ্রান্সের সম্পর্ক (Swaminarayan Temple)

    তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত ও ফ্রান্সের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আমার বন্ধু রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে আমরা দুই দেশ মিলে একটি বিশেষ বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি।”

    প্রযুক্তি, এআই, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ থেকে শুরু করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা—বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত ও ফ্রান্স নতুন গতি ও শক্তি নিয়ে একসঙ্গে এগিয়ে চলেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০২৬ সালকে দুই দেশ উদ্ভাবনের ভারত-ফ্রান্স বর্ষ হিসেবে উদযাপন করছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই কৌশলগত অংশীদারিত্ব বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি আমাদের দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্কের মজবুত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত।”

    ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা নিয়েও বর্তমানে ব্যাপক আলোচনা চলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্রান্সে ভারতীয় সেনাদের আত্মত্যাগের ইতিহাস আজও সেখানকার মানুষের হৃদয়ে জীবন্ত (Swaminarayan Temple)। ফরাসি পণ্ডিতদের সংস্কৃত জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। রোমাঁ রোলাঁর রামকৃষ্ণ পরমহংস ও স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে লেখা দুই দেশের সমাজকে আরও কাছাকাছি এনেছিল বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    ‘মা’-এর আধ্যাত্মিক যাত্রা

    তিনি আরও বলেন, প্যারিস থেকে পুদুচেরির শ্রীঅরবিন্দ আশ্রম পর্যন্ত ‘মা’-এর আধ্যাত্মিক যাত্রা অসংখ্য ভারতীয় ও ফরাসি সাধক-অনুসন্ধানীকে অনুপ্রাণিত করেছে। কয়েক দশক আগে শ্রীল প্রভুপাদ স্বামীও ফ্রান্স সফর করেছিলেন। আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের মাধ্যমে তাঁর সেই সফর ভারত ও ফ্রান্সের আধ্যাত্মিক যোগাযোগে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিল বলে জানান মোদি।

    যোগও দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু হয়ে উঠেছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে আইফেল টাওয়ারের সামনে যোগচর্চার ছবি ফ্রান্সে যোগের বিপুল জনপ্রিয়তারই প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    প্যারিসের স্বামীনারায়ণ মন্দিরকে ভারত ও ফ্রান্সের যৌথ সাংস্কৃতিক সম্পর্কের নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই মন্দির ভারতে নির্মিত এবং ফ্রান্সে প্রতিষ্ঠিত। এর বহু পাথর ভারতে খোদাই করা হয়েছে। এর মধ্যে ভারতের প্রাচীন কারুশিল্পের সঙ্গে ফ্রান্সের আধুনিক প্রযুক্তির এক সুন্দর সমন্বয় ঘটেছে।”

    ভারতীয় সংস্কৃতির মূল্যবোধের বার্তা

    নবনির্মিত এই মন্দির থেকে ভারতীয় সংস্কৃতির যে মূল্যবোধের বার্তা ছড়িয়ে পড়বে, তা সমগ্র ইউরোপের মানুষের উপকারে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। ভবিষ্যতে সময়-সুযোগ হলে তিনি নিজে মন্দিরটি পরিদর্শন করে শ্রদ্ধা জানাবেন বলেও জানান মোদি।

    তিনি বলেন, “এই মহিমান্বিত বিএপিএস মন্দিরের মাধ্যমে আমাদের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক যুক্ত হল।”

    স্বামীনারায়ণ মন্দিরগুলি বরাবরই ভক্তির পাশাপাশি সমাজসেবার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে এসেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। প্যারিসের মন্দিরটিও একইভাবে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক প্রকল্পের কেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে বিএপিএসের মন্দির প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারতের প্রাচীন চিন্তাধারা ও মানবিক মূল্যবোধও সেখানে পৌঁছে যায় (Swaminarayan Temple)।

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আজ ফ্রান্সে একটি মহিমান্বিত মন্দির প্রস্তুত হয়েছে। এটি শুধু ফ্রান্সের বৈচিত্র্যকে আরও সমৃদ্ধ করবে না, ভারত ও ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককেও নতুন শক্তি দেবে।”

     

  • World Map: বদলে যাচ্ছে বিশ্বের মানচিত্র! আফ্রিকা যে গ্রিনল্যান্ডের চেয়ে ১৪ গুণ বড়, দেখাবে নয়া মানচিত্র

    World Map: বদলে যাচ্ছে বিশ্বের মানচিত্র! আফ্রিকা যে গ্রিনল্যান্ডের চেয়ে ১৪ গুণ বড়, দেখাবে নয়া মানচিত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমরা ছোটবেলা থেকে যে বিশ্বমানচিত্র দেখে অভ্যস্ত, বাস্তব পৃথিবীর সঙ্গে তার অনেকটাই পার্থক্য রয়েছে (World Map)। বিশেষ করে দেশ ও মহাদেশের প্রকৃত আয়তন সম্পর্কে প্রচলিত মানচিত্র অনেক সময় বিভ্রান্তিকর ছবি তুলে ধরে (India)। সেই সমস্যা কাটাতেই বহুল ব্যবহৃত মারকেটর মানচিত্রের পরিবর্তে ‘ইক্যুয়াল আর্থ’ অভিক্ষেপ ব্যবহারের উদ্যোগকে সমর্থন করেছে রাষ্ট্রসংঘ।

    পৃথিবী গোলাকার, কিন্তু মানচিত্র সমতল। ফলে গোল পৃথিবীকে সমতল কাগজে তুলে ধরতে গেলে কোনও না কোনও ক্ষেত্রে বিকৃতি ঘটবেই। ১৫৬৯ সালে ফ্লেমিশ মানচিত্রবিদ জেরার্ডাস মারকেটর তৈরি করেছিলেন তাঁর বিখ্যাত মানচিত্র-অভিক্ষেপ। মূলত সমুদ্রপথে নৌচলাচলের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই এটি তৈরি হয়েছিল। নির্দিষ্ট কম্পাস-দিক বরাবর যাত্রাপথকে সরলরেখায় দেখানো যেত বলে নাবিকদের কাছে এই মানচিত্র বিশেষ কার্যকর ছিল (India)।

    কিন্তু এর একটি বড় সমস্যা হল, উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর দিকে যেতে যেতে ভূখণ্ডের আকার অস্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে দেখা যায়। ফলে উচ্চ অক্ষাংশে অবস্থিত দেশ ও অঞ্চল বাস্তবের তুলনায় অনেক বেশি বড় বলে মনে হয়।

    আফ্রিকা কি সত্যিই গ্রিনল্যান্ডের মতো ছোট? (World Map)

    প্রচলিত মারকেটর মানচিত্রের সবচেয়ে পরিচিত বিভ্রান্তিগুলির একটি হল আফ্রিকা ও গ্রিনল্যান্ডের তুলনা। মানচিত্রে দুটিকে প্রায় একই আকারের বলে মনে হতে পারে। অথচ বাস্তবে আফ্রিকা গ্রিনল্যান্ডের চেয়ে প্রায় ১৪ গুণ বড়।

    একই ধরনের বিকৃতি রাশিয়া, কানাডা, ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার ক্ষেত্রেও দেখা যায়। উচ্চ অক্ষাংশে অবস্থানের কারণে এই অঞ্চলগুলিকে বাস্তবের তুলনায় বড় দেখায়। অন্যদিকে বিষুবরেখার কাছাকাছি থাকা আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার মতো অঞ্চল তুলনামূলকভাবে ছোট দেখায়।

    ভারতের ক্ষেত্রেও পার্থক্য রয়েছে। ইক্যুয়াল আর্থ মানচিত্রে ভারতকে প্রচলিত মানচিত্রের তুলনায় সামান্য বড় দেখা যায়।

    কেনিয়ার ভূগোলবিদ কিয়োকো মুয়েন্দো বিবিসিকে বলেন, “মানচিত্র শুধু স্থান খুঁজে বের করার উপকরণ নয়। এগুলি কোনও অঞ্চলকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে কীভাবে দেখা হবে, সেই ধারণাকেও প্রভাবিত করে।”

    কী এই ইক্যুয়াল আর্থ মানচিত্র?

    ২০১৮ সালে একদল মানচিত্রবিদ ইক্যুয়াল আর্থ অভিক্ষেপ তৈরি করেন। মারকেটর মানচিত্রের মূল উদ্দেশ্য যেখানে নৌচলাচলের পথ সহজ করে দেখানো, সেখানে ইক্যুয়াল আর্থের লক্ষ্য হল পৃথিবীর বিভিন্ন ভূখণ্ডের আপেক্ষিক আয়তনকে আরও নির্ভুলভাবে তুলে ধরা।

    দুটি মানচিত্র পাশাপাশি রাখলে পার্থক্যটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ইক্যুয়াল আর্থ মানচিত্রে আফ্রিকাকে অনেক বড় দেখায়। অন্যদিকে মারকেটর মানচিত্রের তুলনায় উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপকে কিছুটা ছোট দেখা যায়। দক্ষিণ আমেরিকাও তার প্রকৃত আয়তনের কাছাকাছি আকার পায়। মেরু অঞ্চলের অতিরঞ্জিত আকারও অনেকটাই কমে আসে। ভারতকেও তুলনামূলকভাবে সামান্য বড় দেখা যায়।

    এই নতুন অভিক্ষেপের ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশ বাস্তবে কতটা ভূখণ্ড দখল করে রয়েছে, সে সম্পর্কে আরও বাস্তবসম্মত ধারণা পাওয়া যায়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আফ্রিকান ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলিও ইক্যুয়াল আর্থ অভিক্ষেপ গ্রহণ করেছে (World Map)।

    ইক্যুয়াল আর্থও কি নিখুঁত?

    তবে ইক্যুয়াল আর্থ মানচিত্রও পুরোপুরি নিখুঁত নয়। আয়তনকে বেশি নির্ভুলভাবে দেখাতে গিয়ে এটি মারকেটর মানচিত্রের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হারিয়েছে।

    পৃথিবীর পৃষ্ঠের সরলরেখাগুলি এখানে মারকেটর মানচিত্রের মতো একইভাবে কাজ করে না। বিভিন্ন স্থানের প্রকৃত দূরত্বও এই মানচিত্রে সব ক্ষেত্রে নিখুঁতভাবে মাপা সম্ভব নয়। কারণ গোল পৃথিবীকে সমতল মানচিত্রে রূপান্তর করার সময় আয়তন, আকার, দূরত্ব এবং দিক—সবকিছুকে একসঙ্গে সম্পূর্ণ নির্ভুল রাখা সম্ভব নয়।

    ইউসিএল-এর মানচিত্রবিদ্যার অধ্যাপক জেমস চেশায়ার বলেন, “একটি মানচিত্র আয়তন, আকার, দূরত্ব ও দিক—প্রতিটিকে বিভিন্ন মাত্রায় সঠিক রাখতে পারে, কিন্তু সবকিছুকে একই সঙ্গে নিখুঁতভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না।”

    পিটার্স মানচিত্রের ভূমিকা কী?

    দেশ ও মহাদেশের প্রকৃত আয়তন সম্পর্কে বিভ্রান্তি দূর করার আরেকটি প্রচেষ্টা হল পিটার্স অভিক্ষেপ। জার্মান ইতিহাসবিদ আরনো পিটার্স ১৯৭০-এর দশকের গোড়ায় এটি তৈরি করেন। তবে এর ভিত্তি ছিল স্কটিশ মানচিত্রবিদ জেমস গ্যাল ১৮৫৫ সালে বর্ণিত একটি অভিক্ষেপ (World Map)।

    ইক্যুয়াল আর্থের মতো পিটার্স মানচিত্রও বিভিন্ন দেশ ও মহাদেশের প্রকৃত আয়তন সম্পর্কে তুলনামূলকভাবে ন্যায্য ধারণা দেয়। তবে এর জন্য ভূখণ্ডের আকারে কিছু পরিবর্তন ঘটে। মেরু অঞ্চলের ভূখণ্ডকে চেপে দেখানো হয় এবং বিষুবরেখার কাছাকাছি অঞ্চলকে অপেক্ষাকৃত প্রসারিত দেখানো হয়। ফলে, উদাহরণ হিসেবে, রাশিয়াকে প্রচলিত মানচিত্রের তুলনায় অনেক ছোট দেখায়।

    তাহলে কি নিখুঁত বিশ্বমানচিত্র বলে কিছু নেই?

    আসলে পৃথিবীর কোনও একটিমাত্র নিখুঁত সমতল মানচিত্র সম্ভব নয়। গোল পৃথিবীকে পুরোপুরি সমতল করে দেখাতে গেলে কোনও না কোনও ধরনের বিকৃতি ঘটবেই।

    মারকেটর মানচিত্র দিকনির্দেশ ও নৌচলাচলের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর, কিন্তু ভূখণ্ডের আয়তনকে বিকৃত করে। পিটার্স মানচিত্র আয়তনকে বাস্তবের কাছাকাছি নিয়ে আসে, কিন্তু ভূখণ্ডের আকৃতি বিকৃত করে। আর ইক্যুয়াল আর্থের লক্ষ্য হল বিভিন্ন ভূখণ্ডের আয়তনের আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও বাস্তবসম্মত চিত্র তুলে ধরা (India)।

    অর্থাৎ, পৃথিবীকে মানচিত্রে তুলে ধরার ক্ষেত্রে কোনও একটি পদ্ধতিই সব দিক থেকে নিখুঁত নয়। কোন মানচিত্র ব্যবহার করা হবে, তা নির্ভর করে সেটি কোন উদ্দেশ্যে তৈরি বা ব্যবহার করা হচ্ছে তার উপর (World Map)।

     

  • Ketan Agarwal Murder Case: কেতন আগরওয়াল হত্যার ষড়যন্ত্রে তৃতীয় গ্রেফতার, পুলিশ হেফাজতে ঋত্বিক হিঙ্গে

    Ketan Agarwal Murder Case: কেতন আগরওয়াল হত্যার ষড়যন্ত্রে তৃতীয় গ্রেফতার, পুলিশ হেফাজতে ঋত্বিক হিঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাসন ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে বছর বাইশের এক যুবককে গ্রেফতার করল পুনে (Pune) গ্রামীণ পুলিশ। এই নিয়ে কেতন হত্যাকাণ্ডে (Ketan Agarwal Murder Case) গ্রেফতার করা হল মোট তিনজনকে। ধৃতের নাম ঋত্বিক হিঙ্গে। তাকে মামলায় সহ-অভিযুক্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাকে পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    যা বলছে পুলিশ (Ketan Agarwal Murder Case)

    পুলিশের দাবি, ঋত্বিকের সঙ্গে চেতন চৌধরীর বন্ধুত্ব ছিল। তদন্তে জানা গিয়েছে, চেতনের সঙ্গে কেতনের বাগদত্তা সিয়া গোয়েলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। গত ১৮ জুন পুনে জেলার লোহাগড় দুর্গে সিয়া ও চেতন কেতনকে ধাক্কা দিয়ে খাদের মধ্যে ফেলে দেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় মৃত্যু হয় কেতনের।

    পুনে গ্রামীণ পুলিশের সুপার সন্দীপ সিং গিল বলেন, “তদন্ত চলাকালীন জানা যায়, কেতনকে হত্যার পরিকল্পনায় ঋত্বিকও জড়িত ছিল।”

    আর এক পুলিশ আধিকারিক জানান, প্রথমে কেতনের হাত-পা ভেঙে ফেলা হয় এবং পরে তাকে খুন করার যে পরিকল্পনা সিয়া ও চেতন করেছিল, সে সম্পর্কে ঋত্বিক আগে থেকেই জানত। অভিযোগ, ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গে কেতনকে হত্যার পর চেতন ঋত্বিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে গোটা ঘটনা জানায়।

    তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, হত্যার দিন সিয়া ও চেতন একাধিকবার ঋত্বিককে তাদের সঙ্গে লোহাগড় যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিল। তবে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ঋত্বিক। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চেতনের ফোন থেকে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরেই পুলিশ ঋত্বিকের কাছে পৌঁছয়।

    বিড জেলার বাসিন্দা ঋত্বিক পুনের বালেওয়াড়ি এলাকায় একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। গত মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই চেতনের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল বলে তদন্তে জানা গিয়েছে (Ketan Agarwal Murder Case)।

    ঋত্বিক ঠিক কতটা বিষয়টি জানত এবং হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সে সরাসরি যুক্ত ছিল কি না, তা জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। এক তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, “ঘটনার আগে কেতনকে খুন করার ষড়যন্ত্র সম্পর্কে এই বন্ধু জানত। ঘটনার পর তাকে হত্যার বিষয়টিও জানানো হয়েছিল। তার ভূমিকা সম্পর্কে আরও তথ্য শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।”

    সিয়ার কীর্তি

    তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এর আগে বালিতে কেতন ও সিয়ার বিয়ের আগের ছবি তোলার অনুষ্ঠানও নষ্ট করে দিয়েছিল সিয়া। অভিযোগ, সে কেতনের পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে পুনে-মুম্বই মহাসড়কের একটি খাবারের বিপণি এলাকার শৌচাগারে ফেলে দিয়েছিল।

    পুলিশের দাবি, কেতনকে লোহাগড় দুর্গের খাদের দিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার কয়েক দিন আগে সিয়া ও চেতন কীভাবে হত্যার পরিকল্পনা কার্যকর করবে, তার মহড়াও দিয়েছিল। পুনের লুল্লানগর এলাকার একটি ক্লাবের লাউঞ্জের কাছাকাছি খোলা জায়গায় ওই মহড়া হয়েছিল বলে তদন্তে জানা গিয়েছে।

    গত ১৮ জুন বাগদত্তা সিয়া গোয়েলের সঙ্গে লোহাগড় দুর্গে বেড়াতে ও ছবি তুলতে গিয়েছিলেন পুনের ব্যবসায়ী কেতন। দুর্গের কিনারায় ছবি তোলার সময় কেতন পা পিছলে খাদে পড়ে যান বলে প্রথমে দাবি করেছিল সিয়া। সেই কারণে শুরুতে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবেই দেখা হয়েছিল।

    কিন্তু কেতনের বোন সিয়াকে ঘটনাটি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তার বক্তব্যে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এরপরই তদন্তের মোড় ঘুরে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশে যোগাযোগ করার পর কেতনের মৃত্যুর পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়। পরে খুন ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সন্দেহে সিয়া এবং চেতনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জের!

    কেতনের পরিবারের অনুরোধে পুলিশ প্রথমে ঘটনাস্থলের নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য খতিয়ে দেখে এবং বহু ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরপর তদন্তকারীরা জানতে পারেন, সিয়া ও চেতনের মধ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল।

    এদিকে, জুন মাসের প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও দুর্গের আশপাশের নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজে হুডি পরা এক ব্যক্তিকে কেতন ও সিয়ার গাড়ি এবং তাদের গতিবিধি অনুসরণ করতে (Pune) দেখা যায়। ওই ব্যক্তির পোশাকের বিশেষ বৈশিষ্ট্যের সূত্র ধরে তদন্তকারীরা শেষ পর্যন্ত তাকে চেতন বলে শনাক্ত করেন (Ketan Agarwal Murder Case)। এরপর তার গতিবিধি অনুসরণ করেই তদন্ত আরও এগিয়ে যায়।

     

  • Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ, সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে একাধিক ঘটনার উল্লেখ

    Hindus Under Attack: ভারত-বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ, সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে একাধিক ঘটনার উল্লেখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত তো বটেই, বিদেশেও হিন্দুদের উপর হামলা, হুমকি, ধর্মান্তরের চাপ, মন্দির ও মূর্তির অবমাননা এবং বৈষম্যের অভিযোগ ক্রমেই সামনে আসছে (Hindus Under Attack)। ৩০ অগাস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬—এই সময়সীমার ঘটনাবলি নিয়ে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে ভারত ও বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার একাধিক ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে (Weekly Roundup)। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই ধরনের নিপীড়ন ধীরে ধীরে গুরুতর মানবাধিকার সংকটের রূপ নিচ্ছে।

    গণেশ শোভাযাত্রায় ডিম ছোড়ার অভিযোগ (Hindus Under Attack)

    মুম্বইয়ের মাজগাঁও এলাকায় গণেশ মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রায় ডিম ছোড়ার অভিযোগে বছর বাইশের দানিশ শের খানকে গ্রেফতার করেছে বাইকুল্লা পুলিশ। পুলিশের দাবি, ঘটনার ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। প্রযুক্তিগত নজরদারি এবং পাঁচটি পৃথক তদন্তকারী দলের তৎপরতায় তাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ঘটনার কথা স্বীকার করেছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    তামিলনাড়ু সরকার নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক

    তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয় এবং তাঁর দল টিভিকে-কে ঘিরে প্রতিবেদনে ধর্মীয় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলা হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে খ্রিস্টধর্মীয় মৌলবাদের প্রভাবের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। তবে এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    আরএসএসের পথসঞ্চালনে অংশ নেওয়ায় শিক্ষক সাসপেন্ড

    আরএসএসের পথসঞ্চালনে অংশ নেওয়ার অভিযোগে কর্নাটকের দুই সরকারি স্কুলশিক্ষককে সাসপেন্ড করাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, কংগ্রেস সরকার আরএসএসের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে সরকারি কর্মীদের নিশানা করছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুনসাগির সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গুরুংরাজ যোশী এবং সুরপুর তালুকের কুপি সরকারি নিম্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অন্না সাহেব দেশমুখকে কর্নাটক শিক্ষা দফতর সাসপেন্ড করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আরএসএসের পথসঞ্চালনে অংশ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

    ধর্মান্তরের জন্য অর্থ দেওয়ার অভিযোগ

    কান্দিভলি পশ্চিমের সঞ্জয় নগরে খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরের জন্য হিন্দুদের ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে তিনজনকে স্থানীয় কর্মীরা আটক করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক। ঘটনাটি ২১ অগাস্টের বলে দাবি করা হয়েছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অভিযোগ, ঘটনার ১০ দিন পরেও কান্দিভলি পুলিশ এফআইআর দায়ের করেনি। রাজনৈতিক চাপের কারণে পুলিশ তদন্তে গড়িমসি করছে বলেও অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

    তেলঙ্গনায় নার্সের মৃত্যু, ধর্ষণ-খুনের অভিযোগ

    তেলঙ্গনার রঙ্গারেড্ডি জেলার থুক্কুগুড়ায় বছর একুশের বেসরকারি হাসপাতালের নার্স শিরিষাকে তাঁর কর্মস্থলের আবাসনে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় ২৯ আগস্ট ভোরে। যৌন নির্যাতনের পর তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে।অভিযোগের প্রায় ৩০ ঘণ্টার মধ্যে ৩৪ বছর বয়সি বাইক মেকানিক মহম্মদ সানাউল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়। প্রযুক্তিগত তথ্য, ঘটনাস্থলের পুনর্গঠন এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত এগোয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। চিকিৎসা পরীক্ষায় ধর্ষণ ও একাধিক আঘাতের প্রমাণ মিলেছে বলেও দাবি করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশি হিন্দুদের নিয়ে পোস্ট করা অ্যাকাউন্টে পুলিশের নোটিশ

    ‘ভয়েস অব বাংলাদেশি হিন্দুস’ নামে একটি এক্স অ্যাকাউন্ট বাংলাদেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে তথাকথিত অত্যাচারের ঘটনা তুলে ধরে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তপারের সম্ভাব্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ভারতীয় নাগরিক ও প্রশাসনকে সতর্ক করে থাকে অ্যাকাউন্টটি। প্রতিবেদনের দাবি, এই অ্যাকাউন্ট পরিচালনাকারীদের মুম্বই এবং মধ্যপ্রদেশ পুলিশ নোটিশ দিয়েছে।

    বাংলাদেশ

    প্রতিবেদনে বাংলাদেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক হামলা ও নিপীড়নের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারাকতের একটি গবেষণার উল্লেখ করে দাবি করা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। মন্দিরে হামলা ও মূর্তির অবমাননা, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গণহামলা, নারীকে ধর্ষণ বা জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্যকে হিন্দুদের ভয় দেখানো ও দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ করা হয়েছে।

    নাবালককে মসজিদে নিয়ে গিয়ে মারধরের অভিযোগ

    ২৭ অগাস্ট বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জে নাবালক সৌরভ চন্দ্র রায়কে চুরির অভিযোগে চাপারহাট আল-হেরা জামে মসজিদের ভিতরে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাঁর পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা এবং স্থানীয় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সাজুর দাবি, চুরির অভিযোগটি ভিত্তিহীন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌরভকে প্রথমে বেঁধে মারধর করা হয়। পরে তাঁকে মসজিদের বারান্দায় নিয়ে গিয়ে ফের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। সৌরভের বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর হিন্দু পরিচয় নিশ্চিত করার পর তাঁকে আরও নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়।

    হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষের অভিযোগ

    প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বহু অপরাধের পেছনে ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে সৃষ্টি বিদ্বেষ কাজ করে। মুসলিম-অধ্যুষিত দেশগুলিতে হিন্দুবিদ্বেষের প্রকাশ অপেক্ষাকৃত স্পষ্ট হলেও, নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ হিসেবে পরিচয় দেওয়া রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও অপেক্ষাকৃত সূক্ষ্ম বৈষম্য রয়েছে বলে প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেদনে দীপাবলিতে আতশবাজি ব্যবহারের উপর ধীরে ধীরে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে (Weekly Roundup)। পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণের যুক্তিতে এই ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও, প্রতিবেদনের দাবি—হিন্দু উৎসবের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের সামগ্রিক চিত্র এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবের ক্ষেত্রে (Hindus Under Attack) নীতির প্রয়োগের পার্থক্য বিবেচনা করলে ‘দ্বৈত মানদণ্ডে’র প্রশ্ন উঠতেই পারে।

     

  • NIA: ২০১৩ সালের ঝিরম উপত্যকা হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত ১০ মাওবাদী

    NIA: ২০১৩ সালের ঝিরম উপত্যকা হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত ১০ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের জগদলপুরের একটি বিশেষ জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA) আদালত ২০১৩ সালের ঝিরম উপত্যকা হত্যাকাণ্ডের মামলায় ১০ জন মাওবাদীকে দোষী সাব্যস্ত করেছে (Jheeram Valley Massacre)। ২০১৩ সালের ওই মাওবাদী হামলায় রাজ্যের শীর্ষ কংগ্রেস নেতা-সহ অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছিলেন।

    দোষী সাব্যস্ত ১০ জন হলেন—প্রমীলা মোদিয়াম, চৈতু লেকাম ওরফে মুন্না, সুমিত্রা ওরফে সুমিত্রা পুনেম মোদিয়াম, মুক্কা মাণ্ডভি, কোসা কাভাসি ওরফে কোসারাম, আয়াতা মার্কাম, মাদকমি দেবা, জোগা মাদকমি, বানজামি সন্না ওরফে চামরু ওরফে ডেঙ্গা এবং মহাদেব নাগ। তদন্ত অনুযায়ী, এঁদের অধিকাংশই অপেক্ষাকৃত নিম্নস্তরের কমান্ডার অথবা সশস্ত্র গেরিলা।

    দোষী সাব্যস্তদের আইনজীবী অরবিন্দ চৌধুরী রায়দানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর আদালত সাজা ঘোষণা করবে। একই সঙ্গে দোষী সাব্যস্তদের পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলেও তিনি জানান।

    হামলায় আহত শিব সিং ঠাকুর বলেন, আদালতের সিদ্ধান্তকে তিনি সম্মান করেন। তবে তাঁর অভিযোগ, নিম্নস্তরের মাওবাদীদের গ্রেফতার করে তাঁদের বিরুদ্ধে বিচার চালানোর মধ্যে দিয়েই জাতীয় তদন্ত সংস্থা মূলত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছে। তাঁর কথায়, “হামলার আগে তাঁরা আমাদের নেতাদের নাম জানতে চেয়েছিল। এরপরই তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। এর পিছনে নিশ্চিতভাবেই একটি ষড়যন্ত্র ছিল। সেই ষড়যন্ত্রের আসল সত্য সামনে আসা দরকার। তাহলেই আমরা এই ঘটনার পূর্ণ পরিসমাপ্তি দেখতে পাব।”

    কী ঘটেছিল ঝিরম উপত্যকায়? (NIA)

    দেশের অন্যতম ভয়াবহ মাওবাদী হামলার ঘটনাটি ঘটে ২০১৩ সালের ২৫ মে। সুকমা জেলার দরভা থানার প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে কংগ্রেস নেতাদের একটি কনভয়ে বড়সড় হামলা চালায় মাওবাদীরা।

    সুকমায় ‘পরিবর্তন যাত্রা’র একটি সভা শেষ করে কনভয়টি ফিরছিল। সেই সময় রাজ্যে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রচার চালাচ্ছিল কংগ্রেস। ওই বছরই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল।

    অভিযোগ, কনভয়টি ঝিরম উপত্যকার কাছে পৌঁছতেই মাওবাদীদের কমিউনিস্ট পার্টি-সংক্রান্ত সশস্ত্র সদস্যরা প্রথমে রাস্তার নীচে পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরণের ফলে রাস্তায় বড় গর্ত তৈরি হয় এবং পরিবর্তন যাত্রার গাড়িগুলি থেমে যেতে বাধ্য হয় (NIA)।

    এরপর শুরু হয় নির্বিচারে গুলিবর্ষণ, গ্রেনেড হামলা এবং বেছে বেছে হত্যাকাণ্ড। হামলায় ২৪ জনের মৃত্যু হয় এবং ৩৫ জনেরও বেশি মানুষ গুরুতর জখম হন। পরে আহতদের কয়েকজনেরও মৃত্যু হয়।

    নিহতদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন ছত্তিশগড় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নন্দকুমার পটেল এবং রাজ্যের প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা মহেন্দ্র কর্মা। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিদ্যাচরণ শুক্লও হামলায় গুরুতর জখম হন এবং পরে তাঁর মৃত্যু হয়।

    এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিলেন মহেন্দ্র কর্মা। তিনি মাওবাদী সশস্ত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে রাজ্য-সমর্থিত ‘সালওয়া জুডুম’ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ওই আন্দোলনে স্থানীয় যুবকদের অস্ত্র দেওয়ার অভিযোগ ছিল। পরে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট আন্দোলনটিকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে।

    ৩৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    ঘটনার তদন্তভার পরে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে যায়। নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৯ জন সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, চলতি বছরের জানুয়ারিতে তেলঙ্গানা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করা বর্ষে সুক্কা ওরফে দেবা ওই সময় দরভা বিভাগীয় কমিটির দায়িত্বে ছিলেন। নিষিদ্ধ সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকেই (Jheeram Valley Massacre) হামলাটি পরিচালনার জন্য সামগ্রিক কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত করেছিল বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা (NIA)। Jheeram Valley Massacre,

     

  • Mount Everest: এভারেস্টে বরফ গলছে প্রস্রাবের তাপেও, বড় ভূমিকা জ্বালানি পোড়ানোর

    Mount Everest: এভারেস্টে বরফ গলছে প্রস্রাবের তাপেও, বড় ভূমিকা জ্বালানি পোড়ানোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এভারেস্টে প্রতি বছর পর্বতারোহীদের আনাগোনার সঙ্গে বাড়ছে পরিবেশের উপর চাপ। নতুন এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, পর্বতারোহীদের প্রস্রাব থেকেও উৎপন্ন তাপ খুম্বু হিমবাহের বরফ গলনে ভূমিকা রাখছে (Mount Everest)। তবে মানুষের তৈরি তাপের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা জ্বালানি পোড়ানোর।

    এভারেস্টের (Human Urine) মূল শিবির খুম্বু হিমবাহের উপরেই গড়ে ওঠে। প্রতি বছর সেখানে প্রায় ১,৬০০টি তাঁবু ফেলা হয়। রান্নাঘর, স্নানের ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন যন্ত্র, তারবিহীন ইন্টারনেট এবং কিছু ক্ষেত্রে মেঝে গরম রাখার ব্যবস্থাও থাকে। এসব থেকে উৎপন্ন তাপ হিমবাহের উপরিভাগ ও মাটির তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

    নেপাল ও আমেরিকার একদল বিজ্ঞানীর গবেষণা আঞ্চলিক পরিবেশ পরিবর্তন বিষয়ক গবেষণা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকদের মতে, বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের পাশাপাশি এভারেস্টে মানুষের সরাসরি কর্মকাণ্ডও হিমবাহ গলনের গতি বাড়াচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

    নেপালে গত ২৬ অগাস্ট হড়পা বানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং ১,২০০-রও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ওই বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে হিমবাহ-উৎসারিত হ্রদের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ঘটনাকে দায়ী করা হয়।

    প্রস্রাবের তাপেও গলছে বরফ (Mount Everest)

    উচ্চতার কারণে এভারেস্টে ওঠা পর্বতারোহীদের বেশি পরিমাণে জল পান করতে হয়। ফলে প্রস্রাবের পরিমাণও বাড়ে। গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের পর্বতারোহণের মরশুমে প্রতিদিন প্রায় ৬,৭৬৬ লিটার প্রস্রাব জমা হয়েছিল।

    গবেষক খিম লাল গৌতম ও তাঁর সহকর্মীদের মতে, এই বিপুল পরিমাণ প্রস্রাব শরীর থেকে প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বের হয়। ফলে এতে থাকা তাপের একটি অংশ আশপাশের বরফ গলতে সাহায্য করে।

    গবেষণায় হিসাব করে দেখা গিয়েছে, ওই তাপ সম্পূর্ণভাবে বরফে পৌঁছলে সংশ্লিষ্ট পর্বতারোহণ মরশুমে প্রায় ১৫৪ টন বরফ গলতে পারত। তবে বাস্তবে তাপের পুরোটা বরফে পৌঁছয় না। এর একটি বড় অংশ বাতাস ও আশপাশের পাথরে ছড়িয়ে যায়।

    সবচেয়ে বড় কারণ জ্বালানি পোড়ানো

    তবে গবেষকদের মতে, এভারেস্টের বরফ গলার ক্ষেত্রে প্রস্রাব সবচেয়ে বড় সমস্যা নয়। মূল সমস্যা হল মূল শিবিরকে ঘিরে বিপুল জ্বালানির ব্যবহার।

    ২০২৩ সালের মরশুমে রান্না, উত্তাপ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সেখানে প্রায় ৮২৪টি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের সিলিন্ডার, ১৮,৯৩৫ লিটার কেরোসিন এবং ৫,১৩০ লিটার পেট্রোল ব্যবহার করা হয়। মানুষের কর্মকাণ্ড থেকে সৃষ্ট বরফ গলার প্রায় ৯৪ শতাংশের জন্য এই জ্বালানি ব্যবহারকে দায়ী করা হয়েছে। প্রস্রাবের কারণে গলার অংশ মাত্র প্রায় ৬ শতাংশ (Mount Everest)।

    দ্রুত উষ্ণ হচ্ছে হিমালয়

    বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় হিমালয় দ্রুত উষ্ণ হয়ে উঠছে। ২০১৯ সালে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী, ২০০০ সালের পর হিমবাহের বরফ ক্ষয়ের হার তার আগের সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

    গবেষকদের আরও দাবি, খুম্বু হিমবাহের অন্যান্য অংশের তুলনায় মূল শিবির এলাকায় তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। সেখানে প্রতি বছর তাপমাত্রা প্রায় ০.২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস করে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    সরিয়ে নেওয়া হতে পারে এভারেস্টের মূল শিবির

    গবেষক দলটি বর্তমান মূল শিবির অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখেছে। এ জন্য বর্তমান শিবিরের দক্ষিণ-পশ্চিমে দুটি সম্ভাব্য স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে।

    তবে শিবির সরিয়ে নিলেও নতুন জায়গায় নানা ধরনের ব্যবস্থাপনা ও পরিবহনগত সমস্যা তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি নতুন এলাকাতেও মানুষের কর্মকাণ্ড পরিবেশের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

    গবেষকদের পরামর্শ, হিমবাহ রক্ষায় আরও কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে এবং সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে (Human Urine)। প্রয়োজনে মূল শিবিরের কিছু অংশ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া যেতে পারে। তবে মানুষের কর্মকাণ্ড থেকে তৈরি অতিরিক্ত তাপ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সমস্যার আরও অবনতি হতে পারে (Mount Everest)।

     

  • Warmest Year: ২০২৬-এর অগাস্টে বিশ্ব ও ভারত—দুই জায়গাতেই উষ্ণতার নতুন রেকর্ড

    Warmest Year: ২০২৬-এর অগাস্টে বিশ্ব ও ভারত—দুই জায়গাতেই উষ্ণতার নতুন রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের অগাস্ট মাসে বিশ্ব ও ভারত—দুই ক্ষেত্রেই তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি বৈশ্বিক জলবায়ু প্রতিবেদন এবং ভারতের আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অগাস্ট ছিল বিশ্বের উষ্ণতম অগাস্ট (Warmest Year)। একই সঙ্গে চলতি বছরই পৃথিবীর উষ্ণতম বছর হিসেবে নয়া রেকর্ড গড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে (India)।

    জলবায়ুবিজ্ঞান বিশ্লেষণকারী সংস্থা ‘ক্লাইমেট ব্রিঙ্কে’র তৈরি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজ্ঞানীদের মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচিত কোপার্নিকাস-ইসিএমডব্লিউএফ-এর ইআরএ৫ তথ্যভান্ডার অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অগাস্টে প্রাক্-শিল্প যুগের তুলনায় পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.৬৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। ২০২৪ সালের অগাস্টে তৈরি আগের রেকর্ডের তুলনায় এই বৃদ্ধি যথেষ্ট বেশি।

    মানবসৃষ্ট কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সূচনা হওয়ার আগের সময়কে প্রাক্-শিল্প যুগের মানদণ্ড হিসেবে ধরা হয়। জলবায়ুবিজ্ঞানীদের মতে, চলতি বছরের আট মাসের তথ্য হাতে আসায় এবং বছরের বাকি সময়ের এল নিনো পরিস্থিতি সম্পর্কে পূর্বাভাস আরও নির্ভরযোগ্য হওয়ায় ২০২৬ সালের এখনও পর্যন্ত উষ্ণতম বছর হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৭৫ শতাংশ।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বছর প্রাক্-শিল্প যুগের তুলনায় পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কমবেশি ০.০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বেশি থাকার পথে রয়েছে। ২০২৪ সালে বিশ্বে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির সর্বোচ্চ হার ছিল ১.৫৫ থেকে ১.৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। ফলে চলতি বছরের সম্ভাব্য বৃদ্ধি সেই রেকর্ডকেও ছাপিয়ে যেতে পারে।

    কলকাতায় উষ্ণতা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি (Warmest Year)

    বৈশ্বিক প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, গত বছর ভারতের মহানগরগুলির মধ্যে কলকাতায় উষ্ণতা বৃদ্ধির হার ছিল সর্বাধিক। প্রাক্-শিল্প যুগের বৈশ্বিক মানদণ্ডের তুলনায় কলকাতার তাপমাত্রা ১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বেঙ্গালুরু, সেখানে বৃদ্ধির হার ১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এক প্রবীণ অধ্যাপক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত ৫০ বছরের প্রবণতার সঙ্গেই এই তথ্য সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাঁর কথায়, সর্বশেষ রাষ্ট্রসংঘের বিশ্লেষণ ব্যবহার করে প্রকাশিত একটি আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ১৮৫৮ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে গড় তাপমাত্রা প্রায় ২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। বিশ্বে এই বৃদ্ধির হার কলকাতাতেই সবচেয়ে বেশি ছিল। এরপর ছিল তেহরান ও মস্কো।

    ১৯০১ সালের পর ভারতে উষ্ণতম অগাস্ট

    ভারতের আবহাওয়া দফতরও জানিয়েছে, দেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রবণতা বিশ্বের সামগ্রিক প্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    ভারতের আবহাওয়া দফতরের মহাপরিচালক মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, ১৯০১ সালে দেশজুড়ে তাপমাত্রার নথি সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর থেকে ২০২৬ সালের অগাস্টই ভারতে উষ্ণতম অগাস্ট (Warmest Year)।

    আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, অগাস্টে ভারতের জাতীয় গড় তাপমাত্রা ২৮.০১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল। দীর্ঘমেয়াদি স্বাভাবিক গড় ২৭.৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তুলনায় তা ০.৬৭ ডিগ্রি বেশি। শুধু দিনের তাপমাত্রাই নয়, রাতের গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রাতেও নতুন রেকর্ড হয়েছে। তা ২৪.৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যেখানে স্বাভাবিক গড় ২৩.৬৮ ডিগ্রি। ১২৫ বছরের মধ্যে এটাই সর্বোচ্চ রাতের গড় তাপমাত্রা।

    ভারতের আবহাওয়া দফতরের প্রাক্তন মহাপরিচালক কেজে রমেশ বলেন, ভারতের তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রবণতা বিশ্বব্যাপী প্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কারণ, বিশ্ব এবং ভারত—উভয় জায়গাতেই এ বছরের আগস্ট ছিল উষ্ণতম।

    ১.৫ ডিগ্রির সীমা পেরিয়ে বিপদের আশঙ্কা

    ২০১৫ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে দেশগুলি সর্বসম্মতভাবে বৈশ্বিক উষ্ণায়নকে প্রাক্-শিল্প যুগের তুলনায় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্যে সম্মত হয়েছিল। কারণ, এই সীমা অতিক্রম করলে পাহাড়ি অঞ্চল, সমুদ্রসংলগ্ন এলাকা এবং নিচু ভূমিতে বসবাসকারী মানুষের উপর অত্যন্ত ভয়াবহ জলবায়ুগত প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে জলজ বাস্তুতন্ত্রও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    সম্প্রতি প্রকাশিত রাষ্ট্রসংঘের বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পৃথিবী স্থায়ীভাবে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণায়নের যুগে প্রবেশ করতে চলেছে। সর্বোত্তম পরিস্থিতিতেও গড় তাপমাত্রা প্রায় ১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে স্থিত হতে পারে। আবার কয়েকটি জলবায়ু মডেল অনুযায়ী, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তারও বেশি হতে পারে।

    ‘ক্লাইমেট ট্রেন্ডসে’র জলবায়ু প্রভাব বিভাগের প্রধান কার্তিকী নেগি বলেন, বিশ্ব ও ভারত—দুই জায়গাতেই অগাস্টকে এখনও পর্যন্ত উষ্ণতম অগাস্ট হিসেবে ঘোষণা করা ভবিষ্যতের উষ্ণ পৃথিবী কেমন হতে পারে, তার একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা। তাঁর মতে, জলবায়ু পরিবর্তন এল নিনোর সৃষ্টি করে (India) না। তবে এটি পৃথিবীর স্বাভাবিক উষ্ণতার ভিত্তি আরও বাড়িয়ে দেয় এবং শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে (Warmest Year)।

     

  • PM Modi: ‘অর্ধেক জল, অর্ধেক বাতাস—গ্লাস পুরো ভরা’, ১৩ বছর পরে এসআরসিসিতে নিজের পুরনো বার্তা স্মরণ মোদির

    PM Modi: ‘অর্ধেক জল, অর্ধেক বাতাস—গ্লাস পুরো ভরা’, ১৩ বছর পরে এসআরসিসিতে নিজের পুরনো বার্তা স্মরণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ বছর পর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রীরাম কলেজ অফ কমার্সে (SRCC) ফিরে নিজের পুরনো ‘অর্ধেক ভরা গ্লাসে’র উদাহরণ স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবার সন্ধ্যায় এসআরসিসির শতবর্ষ উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ২০১৩ সালের সেই বক্তৃতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নেতিবাচক পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি বরাবর সম্ভাবনার দিকটি দেখেছেন। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ওই কলেজে বক্তৃতা দিয়েছিলেন মোদি। হাতে এক গ্লাস জল তুলে তিনি বলেছিলেন, আশাবাদীরা সেটিকে অর্ধেক ভরা এবং হতাশাবাদীরা অর্ধেক খালি বলবেন। কিন্তু তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল আলাদা—গ্লাসটি অর্ধেক জলে এবং অর্ধেক বাতাসে পূর্ণ। শনিবার সেই প্রসঙ্গ ফের তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি গ্লাসটিকে পুরো ভরা হিসেবে দেখি—অর্ধেক জল এবং অর্ধেক বাতাস।’’ তাঁর দাবি, ২০১৩ সালের সেই বক্তব্যের প্রভাব এখনও অনুভব করা যায়। সেই সময় বিজেপি বিরোধী আসনে ছিল এবং কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার। তা সত্ত্বেও তিনি ওই কলেজের মঞ্চকে রাজনৈতিক সমালোচনার জন্য ব্যবহার করেননি বলেও জানান। তাঁর কথায়, যা বলেছিলেন, তা বিশ্বাস থেকেই বলেছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে সেই পথেই এগিয়েছেন।

    উন্নয়নের গতি এখন অনেক বেশি’ (PM Modi)

    শনিবারের বক্তৃতার বড় অংশ জুড়ে ছিল ২০১৩ সালের ভারত এবং বর্তমান ভারতের তুলনা। পাশাপাশি ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। ২০৪৭ সালে স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্ণ করবে ভারত।

    ২০১৩ সালের পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই সময় সংবাদপত্রের শিরোনামে থাকত সীমান্তে সেনা নিহত হওয়া, ১০ শতাংশের কাছাকাছি মূল্যবৃদ্ধি এবং দুর্নীতির মতো বিষয়। দেশের সর্বত্র ‘পলিসি প্যারালাইসিসে’র আলোচনা ছিল এবং ভারতকে বিশ্বের ‘ফ্র্যাজাইল ফাইভ’ অর্থনীতির তালিকায় রাখা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    এর বিপরীতে বর্তমান ভারতের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘কয়েক দিন আগেই প্রথম ত্রৈমাসিকের জিডিপির পরিসংখ্যান প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্ব যখন সংকটের মধ্যে রয়েছে, সেই সময় এই পরিসংখ্যান ভারতের শক্তি স্পষ্ট করে।’’

    তাঁর দাবি, যারা ভারতকে ‘ফ্র্যাজাইল ফাইভে’র মধ্যে দেখতে চেয়েছিলেন, তাঁরা বর্তমান পরিসংখ্যান মেনে নিতে পারছেন না। গাড়ি বিক্রি, নির্মাণ, উৎপাদন এবং শিল্পক্ষেত্রের কার্যকলাপ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরেন তিনি। মোদির বক্তব্য, ভারত শুধু বাড়ছে না, দ্রুত গতিতেও এগিয়ে চলেছে।

    তবে প্রথম ত্রৈমাসিকে ৭.৮ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধির পরিসংখ্যান নিয়ে ইতিমধ্যেই কয়েকজন অর্থনীতিবিদ এবং বিরোধী নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের সরাসরি নাম না করে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের ‘নাখোশ ফুফাজি’ বা সবকিছুর মধ্যে নেতিবাচক দিক দেখতে অভ্যস্ত মানুষ হিসেবে কটাক্ষ করেন (PM Modi)।

    সন্ত্রাসবাদ নিয়েও বার্তা

    দেশের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এখন সন্ত্রাসবাদ শেষ পর্যায়ে। তারা যদি সাহস দেখায়, তাহলে সেনাবাহিনী ভিতরে ঢুকে তাদের শেষ করে দেয়।’’ সীমান্তের ওপারে সন্ত্রাসবাদী পরিকাঠামোর বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সিঁদুরে’র প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।

    বিরোধীদের কটাক্ষ

    মোদির বক্তব্য নিয়ে কংগ্রেসের তরফেও তীব্র প্রতিক্রিয়া এসেছে। কংগ্রেস সাংসদ তথা মুখপাত্র পবন খেরা এক্স-এ লেখেন, বক্তৃতাটি এতটাই বিরক্তিকর ছিল যে ‘‘পেঁয়াজও কেঁদে ফেলত’’।

    কংগ্রেস নেতা কানহাইয়া কুমারের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় শুধু ২০১৩ এবং ২০৪৭ সালের কথা বলেছেন। কিন্তু ছাত্রছাত্রী এবং সাধারণ মানুষের বর্তমান সমস্যাগুলি নিয়ে কথা বলেননি।

    ১৩ বছর পর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এসআরসিসিতে মোদি

    ২০১৩ সালে এসআরসিসিতে মোদি এসেছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে। তখন গুজরাটে তাঁর চতুর্থ দফার মুখ্যমন্ত্রিত্বের কয়েক সপ্তাহ কেটেছে এবং জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। সেই সময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর ১২ বছর পূর্ণ হয়েছিল।

    ১৩ বছর পর শনিবার তিনি সেই এসআরসিসিতে ফিরলেন টানা তৃতীয়বারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন তিনি। আগামী মাসে গুজরাট ও কেন্দ্র—দুই পর্যায়ের দায়িত্ব মিলিয়ে সরকারপ্রধান হিসেবে তাঁর ২৫ বছর পূর্ণ হবে (PM Modi)।

    ২০১৩ সালের এসআরসিসি বক্তৃতার বিষয় ছিল ‘এমার্জিং বিজনেস মডেলস ইন দ্য গ্লোবাল সিনারিও (Emerging Business Models in the Global Scenario)’। তবে সেই বক্তৃতা শুধু ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে সীমাবদ্ধ ছিল না। তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে সেটি কার্যত একটি শাসন-ভাবনার ঘোষণাপত্র হয়ে উঠেছিল।

    তখন মোদি বলেছিলেন, সমাজের একটি অংশ, বিশেষ করে রাজনৈতিক মহলের অনেকে দেশের যুবসমাজকে শুধু ‘নতুন প্রজন্মের ভোটার’ হিসেবে দেখেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল ভারতকে বোঝানো যে দেশের যুবসমাজ আসলে ‘নতুন যুগের শক্তি’।

    ঘটনাচক্রে শনিবার ছিল শিক্ষক দিবস। এদিনই ওই কলেজে বক্তৃতা দেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৩ সালে গুজরাটের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেছিলেন, কোনও ব্যবসায়ী বিদেশে পণ্য রফতানি করতে গেলে ডলার ও পাউন্ড নিয়ে আসেন। কিন্তু একজন শিক্ষক বিদেশে গেলে তিনি একটি গোটা প্রজন্মকে গড়ে তোলেন।

    এর আগে (SRCC) এপ্রিল মাসে নিজের বাসভবনে এসআরসিসির পরিচালন পর্ষদের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। শতবর্ষ উপলক্ষে (PM Modi) একটি স্মারক ডাকটিকিটও প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

     

LinkedIn
Share