Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Oman Gujarat Gas Pipeline: ৪০ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প, হরমুজ এড়িয়ে ওমান-গুজরাট গ্যাস করিডর বানাতে চলেছে ভারত

    Oman Gujarat Gas Pipeline: ৪০ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প, হরমুজ এড়িয়ে ওমান-গুজরাট গ্যাস করিডর বানাতে চলেছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা-ইজরায়েলের যুদ্ধ এবং তার ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বলে পরিচিত হরমুজ প্রণালীতে (Strait of Hormuz) সৃষ্ট ভূরাজনৈতিক সংকট ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার ওমান থেকে সরাসরি গুজরাট পর্যন্ত একটি বিশাল সাব-সি (সমুদ্রতলের নিচে) গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। প্রায় ৪০,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হতে চলা এই প্রকল্পকে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি কৌশলের অন্যতম বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কেন্দ্র ইতিমধ্যেই দেশের শীর্ষ সরকারি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকে প্রকল্পের কার্যকারিতা সমীক্ষা প্রতিবেদন (feasibility report) তৈরির নির্দেশ দিয়েছে। অনুমোদন মিললে এই পাইপলাইন নির্মাণে সময় লাগতে পারে ৫ থেকে ৭ বছর।

    কেন এই প্রকল্পে জোর দিচ্ছে ভারত?

    ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৮৮ শতাংশ এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি সরবরাহ হরমুজ প্রণালী হয়ে আসে। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে ওই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে অস্থিরতা তৈরি হলে ভারতকে একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

    • ● জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন
    • ● শিপিং খরচ ও বীমা ব্যয় বৃদ্ধি
    • ● আমদানি বিলের চাপ
    • ● সরবরাহ শৃঙ্খলে অনিশ্চয়তা

    এই সংকট স্পষ্ট করে দেয়, একক সামুদ্রিক রুটের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ভারতের জন্য বড় ঝুঁকি। ফলে বিকল্প জ্বালানি করিডর তৈরি এখন কৌশলগত অগ্রাধিকার।

    প্রকল্পের মূল বৈশিষ্ট্য

    প্রস্তাবিত পাইপলাইনটি ওমান থেকে আরব সাগর পেরিয়ে সরাসরি গুজরাটে পৌঁছবে। এর ফলে হরমুজ প্রণালীকে পুরোপুরি বাইপাস করা সম্ভব হবে।

    প্রকল্পের খুঁটিনাটি—

    • ● প্রকল্প ব্যয়: ৪০,০০০ কোটি টাকা
    • ● দৈর্ঘ্য: প্রায় ২,০০০ কিমি
    • ● রুট: ওমান → আরব সাগর → গুজরাট
    • ● গভীরতা: ৩,০০০ মিটারেরও বেশি
    • ● নির্মাণকাল: অনুমোদনের পর ৫-৭ বছর
    • ● সম্ভাব্য সমাপ্তি: ২০৩৩-২০৩৫

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতের অন্যতম জটিল গভীর সমুদ্রের শক্তি অবকাঠামো প্রকল্প হতে পারে।

    কোন সংস্থাগুলি যুক্ত?

    এই প্রকল্পে একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    • ● গেল (GAIL) – প্রকল্পের প্রধান অপারেটর ও কার্যকারিতা পরিকল্পনাকারী
    • ● ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া লিমিটেড (EIL) – প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন
    • ● ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (IOC) – সর্বশেষ ব্যবহারকারী ও অংশীদার

    বিশেষভাবে গেল-এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সংস্থাটি ভারতের মোট গ্যাস ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের ৭০ শতাংশেরও বেশি নিয়ন্ত্রণ করে।

    হরমুজ সংকটে কতটা ক্ষতি হয়েছে?

    ২০২৬ সালের হরমুজ অস্থিরতার জেরে ভারতের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগে। সরকারি ও শিল্প সূত্র অনুযায়ী—

    • ● মাত্র ৬ সপ্তাহে ক্ষতি: প্রায় ৬২,৫০০ কোটি টাকা
    • ● ২০২৬-এর প্রথম ত্রৈমাসিকে ক্ষতি: ১.৯৮ লক্ষ কোটি টাকা
    • ● তেল সংস্থাগুলির দৈনিক ক্ষতি: ১,৬০০-১,৭০০ কোটি টাকা

    জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকার খুচরো বাজারে মূল্যবৃদ্ধি আটকে রাখলেও, এর ফলে আর্থিক চাপ আরও বেড়েছে।

    চিনের সঙ্গে অবকাঠামোগত প্রতিযোগিতা

    এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতাও বড় কারণ। বিশেষত চিন ইতিমধ্যেই বিকল্প জ্বালানি করিডর ও পাইপলাইন অবকাঠামোয় ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। ভারতে তুলনামূলকভাবে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার এখনও কম এবং গ্যাস অবকাঠামোও সীমিত। ফলে দ্রুত সম্প্রসারণ ও বৈচিত্র্যায়ন এখন জরুরি।

    সেজ প্রকল্পের সম্ভাবনা

    বেসরকারি সংস্থা সাউথ এশিয়া গ্যাস এন্টারপ্রাইজ (SAGE)-ও আগে অনুরূপ সমুদ্রতলে পাইপলাইন প্রকল্পের প্রস্তাব দিয়েছিল।

    সেজ প্রকল্পের তথ্য

    • ● ব্যয়: ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার
    • ● ক্ষমতা: দৈনিক ৩১ মিলিয়ন মেট্রিক ঘনমিটার
    • ● সম্ভাব্য সাশ্রয়: বছরে ৭,০০০ কোটি টাকা

    সরকার চাইলে এই বিদ্যমান নকশা বা feasibility work ব্যবহার করে সময় ও খরচ কমাতে পারে।

    ভারতের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ওমান-গুজরাট পাইপলাইন কেবল একটি গ্যাস পরিবহন প্রকল্প নয়, বরং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা রূপরেখার বড় রূপান্তর।

    সম্ভাব্য সুবিধা

    • ● হরমুজের ওপর নির্ভরতা কমবে
    • ● গ্যাস সরবরাহে স্থিতিশীলতা আসবে
    • ● প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি ব্যয় কমবে
    • ● শিল্প খাতে জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়বে
    • ● দীর্ঘমেয়াদে কৌশলগত সুবিধা মিলবে

    হরমুজ সংকট ভারতের সামনে জ্বালানি নিরাপত্তার দুর্বলতা স্পষ্ট করে দিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে ওমান-গুজরাট সাবসি পাইপলাইন প্রকল্প দেশের জ্বালানি নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে আগামী এক দশকে ভারত আরও সহনশীল, বৈচিত্র্যময় এবং ভূ-রাজনৈতিকভাবে নিরাপদ জ্বালানি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারবে।

  • Dhar Bhojshala Verdict: ‘আসলে সরস্বতী মন্দির’, ধার ভোজশালা নিয়ে ঐতিহাসিক রায় হাইকোর্টের, মান্যতা পেল হিন্দুদের দাবিই

    Dhar Bhojshala Verdict: ‘আসলে সরস্বতী মন্দির’, ধার ভোজশালা নিয়ে ঐতিহাসিক রায় হাইকোর্টের, মান্যতা পেল হিন্দুদের দাবিই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের ধার জেলার বহু বিতর্কিত ভোজশালা-কমল মৌলা মসজিদ চত্বর নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের ইন্দোর বেঞ্চ। শুক্রবার আদালত জানিয়েছে, উপলব্ধ ঐতিহাসিক নথি, প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ এবং ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ (ASI)-এর বৈজ্ঞানিক রিপোর্ট অনুয়ায়ী, এই স্থাপনাটি আসলে দেবী সরস্বতীর মন্দির এবং সংস্কৃত শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত ছিল। এই রায়কে ভোজশালা (Dhar Bhojshala Verdict) বিতর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ বহু দশক ধরে হিন্দু ও মুসলিম— দুই সম্প্রদায়ই এই স্থাপনার উপর নিজ নিজ ধর্মীয় দাবি জানিয়ে এসেছে।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ কী?

    হাইকোর্ট তার পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট জানিয়েছে, ভোজশালার মূল চরিত্র ছিল একটি সাংস্কৃতিক শিক্ষাকেন্দ্র বা মহাবিদ্যালয়। আদালতের মতে, প্রত্নতত্ত্ব একটি বিজ্ঞান এবং আদালত বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা, খনন রিপোর্ট ও ঐতিহাসিক উপাদানের উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আদালত এএসআই-এর বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা রিপোর্টের উপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে জানিয়েছে, ভোজশালা চত্বরে প্রাপ্ত ভাস্কর্য, মন্দিরসদৃশ স্থাপত্য ধ্বংসাবশেষ, স্তম্ভ, শিলালিপি এবং অন্যান্য নিদর্শন এই স্থাপনার প্রাচীন হিন্দু ঐতিহ্যের পক্ষে শক্তিশালী প্রমাণ। রায়ে আরও বলা হয়েছে, প্রাচীন স্মৃতিস্তম্ভ, ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্ন ধর্মীয় স্থানগুলির সংরক্ষণ করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। শুধু সংরক্ষণই নয়, দর্শনার্থী ও ভক্তদের জন্য মৌলিক সুযোগ-সুবিধা, নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখাও সরকারের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।

    ২০০৩ সালের এএসআই আদেশ বাতিল

    ২০০৩ সালে এএসআই জারি করা সেই আদেশ শুক্রবার বাতিল করেছে হাইকোর্ট, যেখানে হিন্দুদের উপাসনার অধিকার সীমিত করা হয়েছিল এবং মুসলিম সম্প্রদায়কে শুক্রবার নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। আদালতের মতে, ওই নির্দেশ হিন্দু সম্প্রদায়ের উপাসনার অধিকারকে সীমাবদ্ধ করেছিল। আদালত উল্লেখ করেছে, বিতর্কিত স্থানে হিন্দুদের পূজা-অর্চনার ধারাবাহিকতা কখনও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বর্তমানে এএসআই এই সংরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভের রক্ষণাবেক্ষণ চালিয়ে যাবে এবং কেন্দ্রীয় সরকার ও এএসআই-কে ভোজশালা কমপ্লেক্সের প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মুসলিম পক্ষকে পৃথক জমির আবেদন করার স্বাধীনতা

    রায়ে আদালত মুসলিম সম্প্রদায়ের বিষয়েও মন্তব্য করেছে। আদালত জানিয়েছে, মুসলিম পক্ষ চাইলে ধার জেলায় নামাজ আদায়ের জন্য পৃথক জমির আবেদন করতে পারে। এই মন্তব্যের মাধ্যমে আদালত একদিকে ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক দাবিকে স্বীকৃতি দিয়েছে, অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা ও ধর্মীয় সংবেদনশীলতার বিষয়টিও বিবেচনায় রেখেছে।

    ভোজশালা বিতর্কের ইতিহাস

    ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, ধার অঞ্চল একসময় পারমার রাজবংশের অধীনে ছিল। রাজা ভোজ, যিনি ১০০০ থেকে ১০৫৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শাসন করেন, ছিলেন দেবী সরস্বতীর একনিষ্ঠ ভক্ত। ১০৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি এখানে একটি মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে ভোজশালা নামে পরিচিত হয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবি, এটি শুধু শিক্ষাকেন্দ্রই নয়, দেবী সরস্বতীর মন্দিরও ছিল। ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, ১৩০৫ সালে আলাউদ্দিন খিলজির সময় ভোজশালার একাংশ ধ্বংস হয়। পরে ১৪০১ সালে দিলাওয়ার খান ঘোরি এবং ১৫১৪ সালে মাহমুদ শাহ খিলজি এখানে মসজিদের অংশ নির্মাণ করেন বলে দাবি করা হয়। ১৮৭৫ সালে এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্য চালানো হলে দেবী সরস্বতীর একটি মূর্তি উদ্ধার হয়, যা পরবর্তীতে বিতর্ককে আরও জোরদার করে।

    এএসআই-এর রিপোর্টে কী উঠে এসেছিল?

    ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এএসআই মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে তাদের বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টে ভোজশালা-কমল মৌলা মসজিদ কমপ্লেক্সের ভিতরে মন্দিরসদৃশ ধ্বংসাবশেষ, খোদাই করা স্তম্ভ, দেবদেবীর ভাস্কর্য এবং প্রাচীন স্থাপত্য নিদর্শনের উল্লেখ করা হয়। এই রিপোর্টই মামলার মোড় ঘুরিয়ে দেয় বলে মনে করা হচ্ছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই রায়?

    ভোজশালা মামলা শুধু একটি সম্পত্তি বা ধর্মীয় স্থানের বিতর্ক নয়, এটি ভারতের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, ধর্মীয় অধিকারের প্রশ্ন এবং প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারিক সিদ্ধান্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠল। হাইকোর্ট স্পষ্ট করেছে, বৈজ্ঞানিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারকে উপেক্ষা করা যায় না। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ সংবিধানের চেতনার অংশ এবং সরকারকে এ বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। এই রায় ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য বিতর্কিত ধর্মীয়-ঐতিহাসিক স্থাপনা সংক্রান্ত মামলাগুলিতেও গুরুত্বপূর্ণ নজির তৈরি করতে পারে।

  • BRICS Meet 2026:  দিল্লিতে মোদি-লাভরভ-আরাঘচি সাক্ষাৎ, যুদ্ধের আবহে ব্রিকস মঞ্চে বাড়ছে ভারতের গুরুত্ব

    BRICS Meet 2026: দিল্লিতে মোদি-লাভরভ-আরাঘচি সাক্ষাৎ, যুদ্ধের আবহে ব্রিকস মঞ্চে বাড়ছে ভারতের গুরুত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকা-ইরান সংঘাতের আবহেই দিল্লিতে শুরু হলো ব্রিকস (BRICS Meet 2026) গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রগুলির দুই দিনের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। তবে সব ছাপিয়ে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে হয়ে উঠল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) সঙ্গে রুশ বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লেভরভ এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির হাই-প্রোফাইল সাক্ষাৎ (PM Modi meets Araghchi and Lavrov)। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম দুই শক্তিশালী বন্ধু দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে মোদির এই বৈঠক আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে, এই দুই দেশের সঙ্গেই ‘আদায়-কাঁচকলায়’ সম্পর্ক আমেরিকার।

    লাভরভের সঙ্গে পৃথক বৈঠক মোদির

    চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ব্রিকসের (BRICS Meet 2026)  সভাপতিত্ব গ্রহণ করেছে ভারত। এর আগে ২০১২, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে ভারত ব্রিকসের নেতৃত্ব দিয়েছিল। ২০২৬ সালের ব্রিকস সভাপতিত্বের রূপরেখা তৈরি এবং সম্প্রসারিত ব্রিকস গোষ্ঠীর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করতেই এই বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকের পরে এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের “বিশেষ ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব”-এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ইউক্রেন এবং পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। শান্তিপূর্ণ উপায়ে সংঘাতের সমাধানের পক্ষে ভারতের অবস্থানও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

    ইরান-সহ অন্যান্য দেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত

    ইরানের বিদেশমন্ত্রী বুধবার গভীর রাতে দিল্লি পৌঁছানোর পর বৃহস্পতিবার মোদির সঙ্গে দেখা করেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটাই ভারতের সঙ্গে প্রথম উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠক ইরানের।চলতি বছর ব্রিকস গোষ্ঠীর সভাপতিত্ব করছে ভারত। ১৪ ও ১৫ মে নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ব্রিকস দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলন। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই মেগা ইভেন্টে যোগ দিতেই রাশিয়া, ইরান, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল এবং ইন্দোনেশিয়ার বিদেশমন্ত্রীরা ভারতে এসেছেন। এদিন রুশ ও ইরান ছাড়াও অন্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে সমবেতভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি ব্রিকস সদস্য ও অংশীদার দেশগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ‘ব্রিকস ফ্যামিলি ফোটো’-তেও অংশ নেন।

    আমেরিকার বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা

    বৃহস্পতিবার সম্মেলনের (BRICS Meet 2026) প্রথম দিনেই নিজের ভাষণে আমেরিকার বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি মার্কিন নীতিকে ‘গুন্ডামি’ বলে অভিহিত করেন। আরাঘচি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ বিশ্ববাসীর অজানা নয়। এই কক্ষে উপস্থিত অনেকেই একইভাবে ঘৃণ্য জবরদস্তির শিকার হয়েছেন।” অন্যান্য দেশের প্রতি তাঁর আহ্বান, একজোট হয়ে মার্কিন আগ্রাসনের যোগ্য জবাব দেওয়ার সময় এসেছে। আরাঘচির কথায়, “এখনই সময় আমাদের একসঙ্গে এগিয়ে এসে স্পষ্ট বার্তা দেওয়ার যে, এই ধরনের নীতি ইতিহাসের আবর্জনার স্তূপেই জায়গা পাবে।” পশ্চিম এশিয়ায় বাড়তে থাকা অস্থিরতা নিয়েও সতর্কবার্তা দেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিছু দেশ হয়ত মনে করে বেপরোয়া সামরিক বা রাজনৈতিক পদক্ষেপ তাদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু বাস্তবে আঞ্চলিক অস্থিরতা শেষ পর্যন্ত সকল পক্ষের জন্যই ক্ষতিকর।

    আঞ্চলিক অস্থিরতা সবার জন্যই ক্ষতির

    আরাঘচি বলেন, “যাঁরা বেপরোয়া অভিযানে নামছেন, তাঁরা হয়তো ভাবছেন এতে তাঁদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষ এবং সরকারগুলি এখন বুঝতে পারছে যে, আঞ্চলিক অস্থিরতা সবার জন্যই ক্ষতির— এমনকি আগ্রাসনকারীদের জন্যও।”আরও এক তীব্র মন্তব্যে তিনি বলেন, ইতিহাস দেখিয়েছে পতনের মুখে থাকা সাম্রাজ্যগুলি নিজেদের প্রভাব ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে ওঠে। তাঁর ভাষায়, “ইতিহাস সাক্ষী, পতনশীল সাম্রাজ্য নিজেদের অনিবার্য পরিণতি ঠেকাতে সবকিছু করতে পারে। আহত পশু যেমন শেষ মুহূর্তে মরিয়া হয়ে থাবা মারে ও গর্জন করে, তেমনই আচরণ করে তারা।” যদিও ব্রিকস এখনও এই যুদ্ধ নিয়ে সরাসরি কোনও কড়া বার্তা দেয়নি, তবে তেহরান চাইছে এই জোট যেন পশ্চিমী আধিপত্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেয়।

    দিল্লি মস্কো ও তেহরানের মধ্যে সুপ্রাচীন সম্পর্ক

    ব্রিকসের (BRICS Summit 2026) মূল অনুষ্ঠানের ফাঁকে মোদি, রুশ ও ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনা করেন। ভারতের এই সক্রিয় কূটনৈতিক ভূমিকা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, পশ্চিমী চাপ থাকা সত্ত্বেও দিল্লি মস্কো ও তেহরানের সঙ্গে তার সুপ্রাচীন সম্পর্ক রক্ষায় অনড়। যুদ্ধের অস্থিরতার মাঝে দিল্লিতে এই মেগা বৈঠক প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা আরও জোরালো হচ্ছে। একদিকে আমেরিকার সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব, অন্যদিকে ইরান-রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব— এই দুইয়ের ভারসাম্যে ভারত নিজের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে চলাই শ্রেয় বলে মনে করছে, অভিমত কূটনীতিকদের। ব্রিকস বৈঠকে সদস্য দেশগুলির শীর্ষ কূটনীতিকরা আঞ্চলিক নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক উত্তেজনা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছেন।

  • Araghchi in India: হরমুজ থেকে চাবাহার, ব্রিকস বৈঠকে ভারতের গুরুত্ব বাড়াল ইরানের বিশেষ বার্তা

    Araghchi in India: হরমুজ থেকে চাবাহার, ব্রিকস বৈঠকে ভারতের গুরুত্ব বাড়াল ইরানের বিশেষ বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার আবহে ভারতের কূটনৈতিক গুরুত্ব আরও একবার সামনে এল। ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে ভারতে এসেছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। তাঁর এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন ইরান-ইজরায়েল সংঘাত ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে এবং তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্ব জ্বালানি বাজার, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই সফর শুধু একটি বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ নয়, বরং ভারতের প্রতি ইরানের কৌশলগত বার্তা বহন করছে। আন্তর্জাতিক চাপ ও মেরুকরণের আবহেও ভারত যে তুলনামূলকভাবে নিরপেক্ষ, ভারসাম্যপূর্ণ এবং ‘স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি’ বজায় রাখা পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে, তা প্রকাশ্যেই প্রশংসা করেছে তেহরান।

    ভারতের নিরপেক্ষ অবস্থানকে গুরুত্ব দিচ্ছে ইরান

    পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত ঘনীভূত হওয়ার পর বহু দেশকে একপক্ষ বেছে নেওয়ার চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু ভারত এখনও পর্যন্ত কোনও সংঘাতে সরাসরি পক্ষ না নিয়ে কূটনৈতিক সংলাপ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষার নীতিতে অটল রয়েছে। ইরান এই অবস্থানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে অতিরিক্ত ভারতীয় জাহাজের নিরাপদ যাতায়াতের ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘচি ভারতকে আশ্বস্ত করেছেন যে, সামুদ্রিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় বাণিজ্যিক জাহাজগুলির জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হল সামুদ্রিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ কমানো, পাশাপাশি আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেও ভারত-ইরান কূটনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা।

    কেন ভারতের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী?

    বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণ করিডর হল হরমুজ প্রণালী। পারস্য উপসাগর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাস পরিবহণের বড় অংশ এই সংকীর্ণ জলপথের মাধ্যমে হয়। ভারতের ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। দেশের আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেলের উল্লেখযোগ্য অংশ এই রুট দিয়েই আসে। ফলে হরমুজে কোনও অস্থিরতা দেখা দিলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে—

    আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেলের দামে

    • ● ভারতের জ্বালানি ব্যয়ে
    • ● শিপিং খরচে
    • ● সামগ্রিক আমদানি-রপ্তানি স্থিতিশীলতায়

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই আশ্বাস ভারতের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়লে জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

    চাবাহার বন্দর নিয়ে ফের জোর ভারত-ইরান সম্পর্কে

    বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় ছিল চাবাহার বন্দর প্রকল্প। ইরানের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত এই বন্দরকে ভারত দীর্ঘদিন ধরেই কৌশলগত বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে দেখছে।

    চাবাহারের মাধ্যমে ভারত—

    • ● পাকিস্তানকে বাইপাস করে আফগানিস্তানে প্রবেশাধিকার পায়
    • ● মধ্য এশিয়া ও ইউরেশিয়ার বাজারের সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে পারে
    • ● আঞ্চলিক বাণিজ্য করিডর শক্তিশালী করতে পারে

    বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও ভূরাজনৈতিক জটিলতা থাকা সত্ত্বেও চাবাহার নিয়ে ভারত-ইরান সহযোগিতা অব্যাহত থাকা প্রমাণ করে যে দুই দেশ দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত অংশীদারিত্ব বজায় রাখতে আগ্রহী।

    একদিকে ইরান, অন্যদিকে ইউএই—ভারতের ‘মাল্টি-অ্যালাইনমেন্ট’ কৌশল

    ভারত বর্তমানে শুধু ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে না, একইসঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE), সৌদি আরব-সহ উপসাগরীয় শক্তিগুলির সঙ্গেও কৌশলগত ও জ্বালানি সম্পর্ক জোরদার করছে। নয়াদিল্লি খুব সচেতনভাবে এমন এক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে, যেখানে কোনও এক ব্লকের উপর নির্ভরশীল না হয়ে একাধিক শক্তির সঙ্গে সমান্তরাল সম্পর্ক রক্ষা করা হচ্ছে। কূটনীতিকদের মতে, ভারতের এই বহুমুখী কৌশলের মূল লক্ষ্য—

    • ● দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
    • ● গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুট সুরক্ষিত রাখা
    • ● আঞ্চলিক সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে না পড়ে কৌশলগত সুবিধা ধরে রাখা
    • ● ব্রিকস মঞ্চে ভারতের বাড়তি প্রভাব

    ভারত এখন স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী কূটনৈতিক শক্তি

    বিশ্ব রাজনীতিতে যখন আমেরিকা, চিন, রাশিয়া-সহ বড় শক্তিগুলির প্রতিযোগিতা তীব্র হচ্ছে, তখন ব্রিকসের মতো বহুপাক্ষিক মঞ্চে ভারতের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কৌশলগত পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বৈঠক স্পষ্ট করেছে যে ভারত এখন শুধু দক্ষিণ এশিয়ার শক্তি নয়, বরং পশ্চিম এশিয়া ও ইউরেশিয়ার ভূরাজনীতিতেও এক গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য রক্ষাকারী শক্তি হিসেবে উঠে আসছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রীর এই সফর আরও একবার তুলে ধরল, আন্তর্জাতিক অস্থিরতার সময় ভারতকে ক্রমশ একটি স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী কূটনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে—যে দেশ একইসঙ্গে সংলাপ, অর্থনৈতিক স্বার্থ ও আঞ্চলিক ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে।

  • Keralam CM Race: মুসলিম লিগের পছন্দ মেনে কেরলের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ভিডি সতীশন, গণনার ১০ দিন পরে নাম ঘোষণা কংগ্রেসের

    Keralam CM Race: মুসলিম লিগের পছন্দ মেনে কেরলের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ভিডি সতীশন, গণনার ১০ দিন পরে নাম ঘোষণা কংগ্রেসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ১০ দিনের জটিল রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর অবশেষে কেরলের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর (Keralam CM Race) নাম ঘোষণা করল কংগ্রেস। দক্ষিণের এই রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ভিডি সতীশনকে বেছে নিয়েছেন কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে সতীশনের নাম ঘোষণা করেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা কেরলের দায়িত্বপ্রাপ্ত দীপা দাশমুন্সি। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা রমেশ চেন্নিতালা ও কে সি ভেনুগোপাল-এর সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতার পর শেষ পর্যন্ত সতীশনের পক্ষেই সিলমোহর দিল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এই সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় শরিক দল ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল)।

    কেন বাছা হল সতীশনকে

    এদিন দীপা দাসমুন্সির সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেতা অজয় মাকেন, মুকুল ওয়াসনিক এবং জয়রাম রমেশ। কেরলে ১০২টি আসনে জয়ী হয়েছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট ইউডিএফ। অথচ ভোটগণনার পর থেকে ১০ দিন কেটে গেলেও এই রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা স্থির করতে পারছিলেন না কংগ্রেস নেতৃত্ব। গত বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সতীশন ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে ছিলেন কংগ্রেস সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল এবং বর্ষীয়ান নেতা রমেশ চেন্নিতালা। এর আগে কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছিল যে, কংগ্রেস পরিষদীয় দল মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বেণুগোপালের নাম প্রস্তাব করেছে। কিন্তু বিধায়কদের একাংশ আবার সতীশনকে মুখ্যমন্ত্রী করার দাবি জানান। এই অংশটির যুক্তি ছিল ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ইউডিএফ এবং কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয়ের পর দলকে জয়ের রাস্তায় ফিরিয়েছেন সতীশনই।

    মুসলিম লিগের দাবি মানা হল

    সতীশনকে বেছে নেওয়ার পিছনে কংগ্রেসের জোট নির্ভরতা অনেকাংশে দায়ী। কংগ্রেস সূত্রের খবর, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ইন্ডিয়ান মুসলিম লিগ (আইইউএমএল)-এর রাজ্য সভাপতি সাদিক আলি সাহেব-এর সঙ্গেও যোগাযোগ করে কংগ্রেস নেতৃত্ব। যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে মুসলিম লিগ প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেনি। ১৩ মে মালাপ্পুরমে বৈঠকে আইইউএমএল স্পষ্টভাবে সতীশনের পক্ষ নেয়। তাদের যুক্তি ছিল, ইউডিএফকে নিরঙ্কুশ জয়ের পথে নেতৃত্ব দিয়েছেন সতীশনই। ১৪০ আসনের বিধানসভায় ইউডিএফ পেয়েছে ১০২টি আসন। এর মধ্যে কংগ্রেসের ৬৩ এবং মুসলিম লিগের ২২টি আসন থাকায় জোট সরকার গঠনে আইইউএমএল-এর গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে যায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-র ওয়েনাড় লোকসভা কেন্দ্রেও মুসলিম লিগের প্রভাব রয়েছে। ওয়েনাড়, কোঝিকোড় ও মালাপ্পুরম জেলার একাধিক বিধানসভা কেন্দ্র জুড়ে লিগের সাংগঠনিক শক্তি থাকায় কংগ্রেস নেতৃত্ব তাদের বিরাগভাজন হতে চায়নি। অন্যদিকে সতীশনের উত্থান ঘিরে আদর্শগত বিতর্কও তীব্র হয়েছে। বিজেপি ও সংঘ পরিবার ঘনিষ্ঠ মহলের অভিযোগ, তিনি ইসলামপন্থী সংগঠনগুলির প্রতি নরম মনোভাব পোষণ করেন।

  • NEET UG 2026: নিট ইউজি ২০২৬-এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য, জানুন বিশদে

    NEET UG 2026: নিট ইউজি ২০২৬-এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট ইউজি ২০২৬ (NEET UG 2026)-এর কথিত প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ৩ মে, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) পরিচালিত এই পরীক্ষায় বসেছিলেন ২২ লাখেরও বেশি ছাত্রছাত্রী। “লিক-প্রুফ” পরীক্ষা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও, এনটিএ এমন একটি “গেস পেপার” রুখতে পারেনি, যার সঙ্গে আসল প্রশ্নপত্রের (Sikar Coaching Hub) অনেক মিল ছিল। পরীক্ষার কয়েকদিন আগেই হোয়াটস অ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে বিক্রি হচ্ছিল ওই গেস পেপার।

    “গেস পেপারে”ই কারিকুরি! (NEET UG 2026)

    কেলেঙ্কারির সূত্রপাত হয় তখন, যখন একটি হাতে লেখা “গেস পেপারে”র সঙ্গে আসল প্রশ্নপত্রের বিশেষ করে বায়োলজি ও কেমিস্ট্রির অংশের উল্লেখযোগ্য মিল দেখা যায়। প্রায় ৪১০টি প্রশ্ন-সহ একটি নোট, যার মধ্যে ২৮১টি প্রশ্নের সেট ছিল, তা হোয়াটস অ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে এবং কোচিং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে রাজস্থানের সিকার ও উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে। সিবিআই তদন্তভার নেওয়ার আগে রাজস্থান পুলিশের এসওজি (SOG) দেখতে পায়, আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে গেস পেপারের ১২০–১৪০টি প্রশ্ন হুবহু এক। প্রায় ১৩৫টি প্রশ্ন মিলে যাওয়ায় মোট ৭২০ নম্বরের মধ্যে প্রায় ৬০০ নম্বর নিশ্চিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কারণ প্রতিটি প্রশ্নের মান ৪ নম্বর।

    কীভাবে ছড়াল প্রশ্নপত্র?

    প্রশ্ন হল, কীভাবে ছড়াল প্রশ্নপত্র? জানা গিয়েছে, “প্রাইভেট মাফিয়া” (Private Mafia) নামের হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে সদস্যপদ পেতে ৫,০০০ টাকা নেওয়া হত (NEET UG 2026)। সদস্যদের প্রশ্নপত্র শেয়ার করতে না বলা হলেও, সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভরকেন্দ্র হতে পারে মহারাষ্ট্রের নাসিক। পরে নাসিক পুলিশ শুবহম খৈরনার নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তাকে তুলে দেওয়া হয় সিবিআইয়ের হাতে। কে এই শুবহম খৈরনার? জানা গিয়েছে, সে ভোপালের এক বিএএমএসের ছাত্র। পুণে থেকে প্রশ্নপত্র জোগাড় করে হার্ড কপি থেকে হোয়াটসঅ্যাপে সফট কপি ছড়ায়। ১০ লাখে প্রশ্ন কিনে সে ১৫ লাখ টাকায় বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ। সে গুরগাঁও-সহ বিভিন্ন জায়গায় প্রশ্নপত্র পাঠায়। সেখান থেকেই তা ছড়িয়ে পড়ে রাজস্থান, উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীর-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে (NEET UG 2026)। প্রসঙ্গত, রাজস্থানের সিকার (যা এখন “মিনি-কোটা” নামে পরিচিত) এই কাণ্ডের মূল কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে। এখানে অসংখ্য নিট/জেইই (NEET/JEE) কোচিং সেন্টার, পিজি ও হস্টেল রয়েছে।

    এনটিএর ডিরেক্টরের দাবি

    তদন্তে জানা গিয়েছে, এমবিবিএস কাউন্সেলর রাকেশ মাণ্ডাওয়ারিয়া প্রশ্নপত্র বিক্রি করতেন ৩০,০০০ টাকায়। বিভিন্ন কোচিং নেটওয়ার্ক ও দালালরা এতে জড়িত ছিল। ২০২৪ সালের নিটে রেজাল্টেও সন্দেহের (Sikar Coaching Hub) কেন্দ্রে ছিল সিকার। ২০২৪ সালে ৬৫০-এর বেশি নম্বর পাওয়া পড়ুয়ার মধ্যে বিপুল সংখ্যক ছিল সিকার থেকে। ১৪৯ জন পরীক্ষার্থী ৭০০-এর বেশি নম্বর পেয়েছিল। এক ছাত্র পেয়েছিল পুরোপুরি ৭২০ নম্বরই। ১২ মে এনটিএ নিট ইউজি ২০২৬ পরীক্ষা বাতিল করে। জানিয়ে দেয়, ফের পরীক্ষা নেওয়া হবে (NEET UG 2026)।এনটিএর ডিরেক্টর অভিষেক সিং বলেন, “সম্পূর্ণ প্রশ্নপত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হয়নি।” তবে তিনি স্বীকার করেন যে কিছু প্রশ্ন আগে থেকেই সার্কুলেটিং গেস পেপারে ছিল, যা পরীক্ষার বৈধতাই নষ্ট করেছে।

    গুচ্ছের প্রশ্ন

    এর পরেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে ফেডারেল অফ অল ইন্ডিয়া মেডিক্যাল অ্যাসোশিয়েশন। তাদের দাবি, এটিএকে পুনর্গঠন করতে হবে বা বদলে দিতে হবে, বিচারপতির তত্ত্বাবধানে নিতে হবে ফের পরীক্ষা, চালু করতে হবে কম্পিউটার-বেসড টেস্ট এবং প্রয়োগ করতে হবে ডিজিটাল লকিং সিস্টেম (NEET UG 2026)। প্রশ্ন হল, কীভাবে বাইলে এল প্রশ্নপত্র? ভেতরের কেউ জড়িত ছিল কি? প্রিন্টিং পর্যায় থেকেই কি ফাঁস হয়? কেন এখনও সিবিটি চালু করা হয়নি? কবে বন্ধ হবে প্রশ্নফাঁস–বাতিল–পুনঃপরীক্ষার চক্র (Sikar Coaching Hub)?

     

  • Union Cabinet: ‘সারফেস কয়লা/লিগনাইট গ্যাসিফিকেশন প্রকল্প প্রসার স্কিমে’ বরাদ্দ ৩৭,৫০০ কোটি টাকা

    Union Cabinet: ‘সারফেস কয়লা/লিগনাইট গ্যাসিফিকেশন প্রকল্প প্রসার স্কিমে’ বরাদ্দ ৩৭,৫০০ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট এবং হরমুজ প্রণালী অবরোধের জেরে বিশ্বজুড়ে ব্যাহত হয়েছে তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা। এমতাবস্থায় ভারতের জ্বালানি স্বনির্ভরতার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Union Cabinet) বুধবার অনুমোদন করল ৩৭,৫০০ কোটি টাকার “সারফেস কয়লা/লিগনাইট গ্যাসিফিকেশন প্রকল্প প্রসার স্কিম”। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল ভারতের বিপুল পরিমাণ (Coal Lignite Gasification Scheme) কয়লা ও লিগনাইট ভান্ডার কাজে লাগিয়ে দেশীয়ভাবে সিনগ্যাস উৎপাদন বাড়ানো, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ মিলিয়ন টন কয়লার গ্যাসিফিকেশন করা এবং আমদানি করা এলএনজি, ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া ও মিথানলের ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো।

    এই স্কিমের সুবিধা (Union Cabinet)

    এই স্কিমের আওতায় নয়া সারফেস কয়লা ও লিগনাইট গ্যাসিফিকেশন প্রকল্পগুলিকে স্বচ্ছ প্রতিযোগিতামূলক নিলাম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উৎসাহ দেওয়া হবে। প্ল্যান্ট ও যন্ত্রপাতির খরচের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত আর্থিক সাহায্য করা হবে। প্রকল্পের অগ্রগতির বিভিন্ন ধাপের সঙ্গে যুক্ত চারটি সমান কিস্তিতে এই সাহায্য দেওয়া হবে। অংশগ্রহণে ভারসাম্য বজায় রাখতে নির্দিষ্ট সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। একটি প্রকল্পের জন্য সর্বোচ্চ ৫,০০০ কোটি টাকা, একটি পণ্যের জন্য (সিন্থেটিক ন্যাচারাল গ্যাস ও ইউরিয়া বাদে) ৯,০০০ কোটি টাকা এবং একটি কর্পোরেট গোষ্ঠীর জন্য ১২,০০০ কোটি টাকা পর্যন্ত সাহায্য দেওয়া যাবে। সরকার “প্রোডাকশন অব সিনগ্যাস লিডিং টু কোল গ্যাসিফিকেশন” উপ-ক্ষেত্রের অধীনে নন-রেগুলেটেড সেক্টর লিংকেজ অকশন কাঠামোয় কয়লা সংযোগের মেয়াদ ৩০ বছর পর্যন্ত বাড়িয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত নিশ্চয়তা দেবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রযুক্তি-নিরপেক্ষ এবং দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    “আত্মনির্ভর ভারত”

    সরকার এই সিদ্ধান্তকে জ্বালানি ক্ষেত্রে “আত্মনির্ভর ভারতে”র দিকে একটি বড় পদক্ষেপ বলে বর্ণনা করেছে। ভারতের কাছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কয়লা ভান্ডার থাকলেও, বর্তমানে দেশটি তার এলএনজির ৫০ শতাংশের বেশি, প্রায় সমস্ত অ্যামোনিয়া এবং ৮০-৯০ শতাংশ মিথানল আমদানি করে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এই বিকল্পযোগ্য পণ্যগুলির মোট আমদানি ব্যয় প্রায় ২.৭৭ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। পশ্চিম এশিয়ার চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিশেষ করে মার্কিন-ইরান সংঘাতের ফলে এ বছরের শুরুতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়া, ভারতের এই দুর্বলতাকে স্পষ্টভাবে সামনে এনে দিয়েছে। এই অবরোধের জেরে বিশ্বব্যাপী সমুদ্রপথে তেল ও এলএনজি বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশকে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। ফলে ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে বিকল্প সরবরাহের জন্য হিমশিম খেতে হয়েছে, অপরিশোধিত তেলের আমদানি ব্যয় (Union Cabinet) বেড়েছে এবং সার ও পেট্রোকেমিক্যাল কাঁচামালের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে কৃষক ও শিল্পক্ষেত্রের ওপর।

    কয়লাকে সিনগ্যাসে রূপান্তর

    দেশীয় কয়লাকে সিনগ্যাসে রূপান্তর করার মাধ্যমে, যা থেকে সিন্থেটিক ন্যাচারাল গ্যাস, ইউরিয়া, মিথানল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক উৎপাদন করা যায়, এই প্রকল্প অর্থনীতিকে ভবিষ্যতের এমনতর ধাক্কা থেকে সুরক্ষা দেবে। ভারতের কাছে প্রায় ৪০১ বিলিয়ন টন কয়লা এবং প্রায় ৪৭ বিলিয়ন টন লিগনাইট মজুত রয়েছে। তাই ভারত গ্যাসিফিকেশন আমদানি নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে। সরকারের অনুমান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২.৫-৩ লাখ কোটি টাকার বেসরকারি বিনিয়োগ আসবে, কয়লাভিত্তিক অঞ্চলে প্রায় ৫০,০০০ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং ৭৫ মিলিয়ন টন কয়লার গ্যাসিফিকেশন থেকে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার বছরে প্রায় ৬,৩০০ কোটি টাকা আয় করবে। বাড়বে জিএসটি আদায়ের (Coal Lignite Gasification Scheme) পরিমাণও।

    ন্যাশনাল কোল গ্যাসিফিকেশন মিশন

    এই পদক্ষেপটি ২০২১ সালে চালু হওয়া ন্যাশনাল কোল গ্যাসিফিকেশন মিশন এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুমোদিত ৮,৫০০ কোটি টাকার পূর্ববর্তী স্কিমের ধারাবাহিকতা, যার অধীনে ইতিমধ্যেই আটটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসেছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচল দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে অত্যন্ত সীমিত থাকায় কমে গিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানি। নয়াদিল্লিকে রাশিয়া ও অন্যান্য দূরবর্তী দেশ থেকে পরিবহণ খরচ বাবদ বেশি টাকা খরচ করে তেল কিনতে হচ্ছে (Union Cabinet)।

    নয়া গ্যাসিফিকেশন কর্মসূচির সুবিধা

    নয়া গ্যাসিফিকেশন কর্মসূচি শুধু দীর্ঘমেয়াদে এই আমদানির বিকল্প তৈরি করবে না, বরং বিশ্ব জ্বালানি বাজারে ভারতের দরকষাকষির ক্ষমতাও বাড়াবে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা, আমদানি হ্রাস ও “মেক ইন ইন্ডিয়া” উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করবে। এই ঘোষণা এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীকে বৈদেশিক মুদ্রার অপচয় কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন (Coal Lignite Gasification Scheme)।

     

  • Prateek Yadavs Death: ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধার কারণেই অখিলেশের সৎ ভাই প্রতীক যাদবের মৃত্যু, জানাল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

    Prateek Yadavs Death: ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধার কারণেই অখিলেশের সৎ ভাই প্রতীক যাদবের মৃত্যু, জানাল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লখনউতে (Lucknow)সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত মুলায়ম সিং যাদবের ছোট ছেলে এবং অখিলেশ যাদবের সৎ ভাই প্রতীক যাদবের (৩৮) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই মৃত্যুর (Prateek Yadavs Death) প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তে স্পষ্ট হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে তাঁর ফুসফুসের ধমনীতে বড় ধরনের রক্ত জমাট বাঁধার (Pulmonary Thromboembolism) ফলে হৃদযন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্র বিকল হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সপা নেতা অখিলেশের ভাইয়ের মত্যু নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    মৃত্যুর কারণ (Prateek Yadavs Death)

    চিকিৎসকদের মতে, একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘কার্ডিওরেসপিরেটরি কলাপ্স’ বলা হয়। ফুসফুসের রক্তনালীতে বড় কোনও বাধা বা রক্ত জমাট বাঁধার কারণে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে প্রতীকের (Prateek Yadavs Death) মুহূর্তের মধ্যে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং হৃদস্পন্দন থেমে যায়। এরপর মৃত্যু হয় প্রতীকের।

    অ্যান্টিমর্টেম ইনজুরি

    ময়নাতদন্তে প্রতীকের শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা মৃত্যুর আগের (Antemortem)। তবে সেই আঘাতগুলি কতটা গুরুতর বা মৃত্যুর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কি না, তা চূড়ান্ত ফরেনসিক পরীক্ষার পরই জানা যাবে।

    নমুনা সংরক্ষণ

    প্রতীকের হৃদযন্ত্র এবং ফুসফুস থেকে পাওয়া জমাটবদ্ধ রক্ত বিশেষ রাসায়নিকের (Formalin) মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হয়েছে বিশদ পরীক্ষার (Histopathological Examination) জন্য। এছাড়া বিষক্রিয়া বা অন্য কোনও অভ্যন্তরীণ কারণ ছিল কি না তা খতিয়ে দেখতে ‘ভিসেরা’ (Viscera) নমুনাও ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

    ফিটনেস সচেতন ছিলেন

    বুধবার ভোরে লখনউতে (Lucknow) প্রতীকের শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হলে প্রতীককে (Prateek Yadavs Death) সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ফিটনেস সচেতন হিসেবে পরিচিত প্রতীকের এই আকস্মিক মৃত্যুতে উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে শাসক বিরোধীদের তকমায় রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকলেও আপতত মৃত্যুর কারণে ময়নাতদন্তের রিপোর্টকেই সব পক্ষকে মান্যতা দিতে হবে।

  • Old Age Allowance: ১০০০ থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা! রাজ্যে বাড়ছে বার্ধক্য ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

    Old Age Allowance: ১০০০ থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা! রাজ্যে বাড়ছে বার্ধক্য ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার্ধক্য ভাতার (Old Age Allowance) পরিমাণ বাড়িয়ে দিল রাজ্যের নতুন সরকার। নারী, শিশু ও সমাজ কল্যাণ দফতর সূত্রে খবর, বার্ধক্য ভাতা ১০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে রাজ্যে প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধি পাবে। তবে কবে থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শীঘ্রই সরকারের তরফে তা ঘোষণা করা হতে পারে। রাজ্যের নারী, শিশুকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর দফতরই বার্ধক্য এবং প্রতিবন্ধী ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত সব স্কুলে গরমের ছুটি বৃদ্ধি করা হল। জানানো হয়েছে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত সব স্কুল বন্ধ থাকবে। স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে স্কুলশিক্ষা দফতরের সচিবের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    বার্ধক্য ভাতা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর

    রাজ্যে বার্ধক্য ভাতা (Old Age Allowance) আগে থেকেই চালু ছিল। পূর্বতন সরকারের আমলে মহিলারা ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পের অধীনে মাসে এক হাজার টাকা করে পেতেন। ভোটের আগে অর্থের পরিমাণ বাড়িয়ে করা হয় ১৫০০ টাকা। তফসিলি জাতি-জনজাতির মহিলাদের ক্ষেত্রে ভাতার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১৭০০ টাকা। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলারা ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর সুবিধা পাবেন। যাঁদের ৬০ বছর পেরিয়ে যাবে, তাঁরা বার্ধক্য ভাতার আওতায় চলে আসবেন। ওই একই পরিমাণ টাকা বার্ধক্য ভাতা হিসাবে পাবেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে বিতর্ক ছিল। ভোটের মুখে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর অর্থবৃদ্ধি করা হলেও বার্ধক্য ভাতার কথা উল্লেখ করা হয়নি আলাদা করে। ওই বর্ধিত অর্থ ষাটোর্ধ্ব মহিলারা পাবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।

    প্রতিবন্ধী ভাতাও বাড়ছে

    বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তারা ভোটের আগেই ঘোষণা করেছিল ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’-এর কথা। ওই প্রকল্পের অধীনে মহিলাদের মাসিক ৩০০০ টাকা করে দেওয়ার কথা বলা হয়। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, চালু থাকা কোনও সরকারি প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হবে না। তবে মৃত বা অভারতীয়েরা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। তা যাচাই করে দেখা হবে। ১ জুন থেকেই ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’-এর টাকা রাজ্যবাসী পেয়ে যাবেন বলে জানায় বিজেপি সরকার। এ বার বার্ধক্য ভাতা সংক্রান্ত বিভ্রান্তিও দূর করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে প্রতিবন্ধী ভাতাও।

  • Kazakhstan: ‘ব্রিকস’ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে কাজাখস্তান-নাইজেরিয়ার প্রতিনিধিরা

    Kazakhstan: ‘ব্রিকস’ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে কাজাখস্তান-নাইজেরিয়ার প্রতিনিধিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ব্রিকস’ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতে পৌঁছলেন কাজাখস্তানের (Kazakhstan) প্রথম উপ-বিদেশমন্ত্রী ইয়েরঝান আশিকবায়েভ এবং নাইজেরিয়ার বিদেশমন্ত্রকের স্থায়ী সচিব দুনোমা উমর আহমেদ। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছন (Nigeria) তাঁরা। উল্লেখ্য, ১৪ থেকে ১৫ মে নয়াদিল্লিতে হবে ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক। ভারতের বিদেশমন্ত্রক এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে অতিথিদের স্বাগত জানিয়েছে। পোস্টে লেখা হয়েছে, “ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা কাজাখস্তানের প্রথম উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মি ইয়েরঝান আশিকবায়েভকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।”

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের পোস্ট (Kazakhstan)

    অন্য এক পোস্টে লেখা হয়েছে, “ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা নাইজেরিয়ার ফেডারেল রিপাবলিকের বিদেশমন্ত্রকের স্থায়ী সচিব রাষ্ট্রদূত দুনোমা উমর আহমেদকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত।” ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের এই বৈঠকে সদস্য ও অংশীদার দেশগুলির শীর্ষ নেতা ও কূটনীতিকরা অংশ নেবেন। বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বহুপাক্ষিকতা, বৈশ্বিক প্রশাসনিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা-সহ গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। মঙ্গলবারই ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছন ইন্দোনেশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সুগিওনো। এক্স-এ পোস্ট করে বিদেশমন্ত্রক তাঁকেও ‘উষ্ণ অভ্যর্থনা’ জানিয়েছে। পোস্টে বলা হয়েছে, “ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা ইন্দোনেশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সুগিওনোকে আন্তরিক স্বাগত (Nigeria)।”

    বিশ্ব কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ভারত

    আগামী কয়েক দিনের জন্য ভারত বিশ্ব কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে। কারণ ব্রিকস সদস্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীরা ১৪ ও ১৫ মে হতে চলা বৈঠকে যোগ দিতে আসছেন ভারতে। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও মঙ্গলবারই ভারতে এসেছেন। আজ, ১৩ মে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের বৈঠক করার কথা তাঁর। আলোচনায় ভারত-রাশিয়া সহযোগিতার অগ্রাধিকারের বিভিন্ন বিষয়গুলি উঠে আসবে (Kazakhstan)। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, দুই মন্ত্রী ডিসেম্বর ২০২৫-এ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভারত সফরের সময় হওয়া চুক্তিগুলির বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করবেন। রাশিয়ায় আসন্ন শীর্ষ বৈঠক এবং রুশ-ভারত আন্তঃসরকারি বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা কমিশনের পরবর্তী বৈঠকের প্রস্তুতিও আলোচ্যসূচিতে থাকবে।

    বহুপাক্ষিক জোটে নেতৃত্ব ভারতের

    ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচিরও এই বৈঠকে অংশ নিতে ভারতে আসার কথা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ১৪ ও ১৫ মে নয়াদিল্লি আন্তর্জাতিক কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি ২০২৬ সালের জন্য ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের একটি প্রধান অংশ, যা সম্প্রসারিত বহুপাক্ষিক জোটে ভারতের নেতৃত্বকে তুলে ধরছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসের সভাপতিত্ব গ্রহণ করে ভারত। ব্রাজিলের কাছ থেকে দায়িত্ব নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির দেশ। এর (Nigeria) আগে ২০১২, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে ভারত প্রভাবশালী এই গোষ্ঠীর (ব্রিকস) শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল (Kazakhstan)।

     

     

LinkedIn
Share