Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Thalapathy Vijay Trust Vote: ভাঙন ধরালেন এআইএডিএমকে-তে, তামিলনাড়ুতে আস্থাভোটেও জয়ী ‘থালাপতি’ বিজয়ের সরকার

    Thalapathy Vijay Trust Vote: ভাঙন ধরালেন এআইএডিএমকে-তে, তামিলনাড়ুতে আস্থাভোটেও জয়ী ‘থালাপতি’ বিজয়ের সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুতে আস্থাভোটেও (Tamil Nadu Trust Vote) জয়ী ‘থালাপতি’ বিজয় (Thalapathy Vijay)। বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ (Thalapathy Vijay Trust Vote) দল হয়েছিল তামিলাগা ভেট্টিরি কাজাগাম (TVK)। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথও নিয়েছেন ‘থালাপতি’ বিজয়। তবে আসনে টিকে থাকা নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তার অবসান ঘটল। তামিলনাড়ু বিধানসভায় আস্থাভোটে জয়ী হল বিজয়ের সরকার। তাঁর সরকারের পক্ষে ভোট দিলেন ১৪৪ জন বিধায়ক। বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন ২২ জন। এদিনের আস্থাভোট থেকে ৫৯ জন বিধায়ক নিয়ে বেরিয়ে যায় ডিএমকে। এআইএডিএমকে-র ৪৭ জন বিধায়ক ভোটাভুটিতে অংশ নেননি।

    এআইএডিএমকে -র অন্দরে ফাটলে

    আস্থাভোটের (Thalapathy Vijay Trust Vote) ফলাফল সামনে আসতে বিজয় বলেন, “হুইসলের জয় হয়েছে।” হুইসল তাঁর দল টিভিকে-র প্রতীকচিহ্ন। আস্থাভোটের এই ফলাফল আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে এআইএডিএমকে (AIADMK)-র অন্দরে ফাটলের কারণে। দলের আপত্তি সত্ত্বেও ২৫ জন বিধায়ক বিজয় এবং টিভিকে-র সপক্ষে ভোট দেন। (Tamil Nadu Trust Vote) ই পালানিস্বামীর নির্দেশ অগ্রাহ্য করে সম্প্রতি এআইএডিএমকে-র বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন সন্মুগম এবং এসপি বেলুমণি। আগে থেকে ১২০ জনের সমর্থন ছিল বিজয়ের কাছে। যে বিধায়ক একটি ভয়োটে জয়ী হন, তাঁক ভোটাভুটি থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। ফলে তিনি ভোট দিতে পারেননি। আস্থাভোটে এআইএডিএমকে-র বিদ্রোহী বিধায়কদের অভিযোগ, এআইএডিএমকে-র প্রধান ইকে পালানিস্বামী তাদের প্রধান বিরোধী দল ডিএমকে-র সঙ্গে জোট বাঁধার চেষ্টা করছে। পাল্টা অভিযোগ তুলেছে এআইএডিএমকে। তারা বিজয়ের দলের বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে বিধায়ক কেনার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছে। যদিও সেই অভিযোগ খারিজ করেছেন বিজয়। তিনি বলেছেন যে তাদের সরকার ঘোড়া কেনাবেচা করে না, বরং ঘোড়ার গতিতে এগোচ্ছে সরকার।

    ১৪৪ জন বিধায়কের সমর্থন

    বুধবার তামিলনাড়ুর বিধানসভায় আস্থাভোট (Thalapathy Vijay Trust Vote) হয়। টিভিকে-র জোটসঙ্গী কংগ্রেস, সিপিএম, সিপিআই, ভিসিকে, ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের বিধায়কেরা স্বাভাবিক ভাবেই আস্থাভোটে সরকারের পক্ষে ভোট দেন। ভোটের ফলে দেখা যায় বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকার ১৪৪ জন বিধায়কের সমর্থন পেয়েছে, যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাজিক ফিগারের (১১৮) তুলনায় অনেকটাই বেশি। ভোটাভুটির আগেই বিধানসভা কক্ষ ত্যাগ করেন এমকে স্ট্যালিনের দল ডিএমকে-র ৫৯ জন বিধায়ক। ইকে পলানীস্বামীর নেতৃত্বাধীন এডিএমকে ভোটদানে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

  • CBSE: সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল প্রকাশিত, পাশের হার ৮৫.২০%, ফের জয়জয়কার ছাত্রীদের

    CBSE: সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল প্রকাশিত, পাশের হার ৮৫.২০%, ফের জয়জয়কার ছাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (CBSE) আজ বুধবার তাদের ২০২৬ সালের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার (Class xii Results) ফলাফল ঘোষণা করেছে। এ বছর মোট পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৮৫.২০ শতাংশ। গত বছরের মতোই এবারও ফলাফল এবং সাফল্যের নিরিখে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা অনেকটা এগিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে বোর্ড।

    পাসের হারের পরিসংখ্যান (CBSE)

    বোর্ড (CBSE) থেকে জানানো হয়েছে যে, এবছর ৮৭ শতাংশের বেশি ছাত্রী সফলভাবে পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছে, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৮৩ শতাংশের কাছাকাছি। লিঙ্গভিত্তিক এই ব্যবধান আবারও প্রমাণ করল যে বড় পরীক্ষায় ছাত্রীরা ধারাবাহিকভাবে ভালো ফল করছে।

    এই ফলাফলের (CBSE) ফলে যে যে বিষয়গুলি উঠে এসেছে তা হল–

    ১. ছাত্রীদের সাফল্য: ছাত্রীদের পাসের হার (Class xii Results) ছাত্রদের তুলনায় প্রায় ৪.২০ শতাংশ বেশি।

    ২. অঞ্চলের ভিত্তিতে সাফল্য: অঞ্চলভিত্তিক ফলাফলের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে তিরুবনন্তপুরম। এখানকার সাফল্যের হার সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে বিজয়ওয়াড়া এবং বেঙ্গালুরু।

    ৩. প্রতিষ্ঠানের পারফরম্যান্স: জওহর নবোদয় বিদ্যালয় (JNV) এবং কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়গুলো (KV) বরাবরের মতো এবারও ভালো ফলাফল অর্জন করেছে।

    ফলাফল দেখার পদ্ধতি

    শিক্ষার্থীরা সিবিএসই-র (CBSE) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট results.cbse.nic.in, cbseresults.nic.in অথবা cbse.gov.in-এ গিয়ে তাদের রোল নম্বর, স্কুল নম্বর এবং অ্যাডমিট কার্ড আইডি দিয়ে রেজাল্ট দেখতে পারবে। এছাড়া ‘ডিজি লকার’ (DigiLocker) অ্যাপ এবং ‘উমং’ (UMANG) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও ডিজিটাল মার্কশিট ডাউনলোড করা যাবে।

    মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়নি

    অসুস্থ প্রতিযোগিতা এড়াতে সিবিএসই (CBSE) বোর্ড গত কয়েক বছরের মতো এবারও কোনও প্রাতিষ্ঠানিক মেধা তালিকা (Merit List) প্রকাশ করেনি। এমনকি প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিভাজনও (Divisions) উল্লেখ করা হয়নি। তবে বিষয়ভিত্তিক সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের বিশেষ প্রশংসাপত্র (Class xii Results) দেওয়া হবে।

    এই ফলাফলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী সফল শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং যারা প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল করতে পারেনি, তাদের ভেঙে না পড়ে আগামী দিনের জন্য পরিশ্রম করার পরামর্শ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, এ বছর ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির (Class xii Results) পরীক্ষা দেশজুড়ে হাজার হাজার কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ফলাফল ঘোষণার পরেই এখন উচ্চশিক্ষার জন্য কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে।

  • Lakshagraha: হিন্দুদের বড় জয়, মহাভারত আমলের লাক্ষাগৃহ আর ওয়াকফ সম্পত্তি নয়, আদালতের রায়ে বড় পদক্ষেপ সরকারের

    Lakshagraha: হিন্দুদের বড় জয়, মহাভারত আমলের লাক্ষাগৃহ আর ওয়াকফ সম্পত্তি নয়, আদালতের রায়ে বড় পদক্ষেপ সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ সরকার এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে বাগপতের প্রাচীন লাক্ষাগৃহ (Lakshagraha) সাইটটিকে ওয়াকফ সম্পত্তির তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বাগপত সিভিল কোর্টের দেওয়া একটি রায়কে কার্যকর করতেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আদালতের ওই রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল যে, এই স্থানটি প্রকৃতপক্ষে মহাভারত আমলের ঐতিহাসিক লাক্ষাগৃহ, কোনও দরগাহ বা মুসলিম কবরস্থান (Waqf Property) নয়।

    বিবাদের প্রেক্ষাপট ও আদালতের রায় (Lakshagraha)

    এই বিবাদের সূত্রপাত হয়েছিল প্রায় পাঁচ দশক আগে, ১৯৭০ সালে। সে সময় মুকিম খান নামে এক ব্যক্তি মেরঠ আদালতে একটি পিটিশন দাখিল করে দাবি করেছিলেন যে, বরনাওয়ার প্রায় ৩৬ বিঘা জমিতে বদরুদ্দিনের মাজার এবং একটি কবরস্থান রয়েছে। অন্যদিকে, লাক্ষাগৃহ (Lakshagraha) গুরুকুলের প্রতিষ্ঠাতা ব্রহ্মচারী কৃষ্ণদত্ত মহারাজ এই দাবির বিরোধিতা করেন।

    দীর্ঘ ৫৪ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে আদালত মুসলিম পক্ষের (Waqf Property)  দাবি খারিজ করে দেয়। আদালত জানায়, ওই স্থানে কোনও ঐতিহাসিক মাজারের অস্তিত্ব নেই এবং এটি একটি প্রাচীন টিলা যা লাক্ষাগৃহ হিসেবে স্বীকৃত।

    উমিদ (UMEED) পোর্টাল ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ

    বিতর্কটি নতুন করে দানা বাঁধে যখন ২০২৫ সালে সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রকের ডিজিটাল পোর্টাল ‘উমিদ’-এ এই স্থানটিকে ভুলবশত একটি দরগাহ (Waqf Property) হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে এটিকে তালিকাভুক্ত করায় স্থানীয় হিন্দু সংগঠন এবং গুরুকুল কর্তৃপক্ষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়।

    আদালতের রায়ের পর বাগপত জেলা প্রশাসন রাজ্য সরকারকে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠায়। জেলা সংখ্যালঘু কল্যাণ আধিকারিক কৈলাশচাঁদ তিওয়ারি জানান যে, আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। এরপরই উত্তরপ্রদেশ সরকার উমিদ পোর্টালে লাক্ষাগৃহের (Lakshagraha) নাম ওয়াকফ তালিকা থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দেয়।

    লাক্ষাগৃহের ঐতিহাসিক গুরুত্ব

    মহাভারত অনুযায়ী, পাণ্ডবদের পুড়িয়ে মারার জন্য কৌরবরা মোম, বাঁশ ও অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ দিয়ে এই ‘লাক্ষাগৃহ’ (Lakshagraha) নির্মাণ করেছিল। বাগপতের বরনাওয়া (Barnawa) নামক এই স্থানটি ঐতিহাসিকভাবে ‘বারাণাবত’ নামে পরিচিত ছিল। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI) এই টিলাটিকে (Waqf Property) একটি সংরক্ষিত স্থান হিসেবে ঘোষণা করেছে। খননকার্যের সময় এখানে প্রাচীন সভ্যতার বহু নিদর্শন পাওয়া গেছে যা এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব প্রমাণ করে।

    পঞ্চগ্রামের তাৎপর্য

    মহাভারত যুদ্ধে রক্তপাত এড়াতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পাণ্ডবদের জন্য কৌরবদের কাছে যে পাঁচটি গ্রাম বা ‘প্রস্থ’ চেয়েছিলেন, বাগপত বা ‘ব্যঘ্রপ্রস্থ’ (Lakshagraha) ছিল তার মধ্যে একটি। অন্য গ্রামগুলো হল:

    • ইন্দ্রপ্রস্থ (দিল্লি)
    • স্বর্ণপ্রস্থ (সোনিপত)
    • পানপ্রস্থ (পানিপত)
    • তিলপ্রস্থ (তিলপত)
    • ব্যঘ্রপ্রস্থ (বাগপত)

    বর্তমানে যদিও মুসলিম পক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করেছে, তবে সরকারের এই পদক্ষেপ হিন্দুদের জন্য একটি বড় আইনি ও সাংস্কৃতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে ডিজিটাল নথিকরণের (Waqf Property) চেয়ে বিচারবিভাগীয় রায় এবং ঐতিহাসিক প্রমাণই অগ্রাধিকার পাবে।

  • PM Modi Convoy Cut: জ্বালানি সাশ্রয় লক্ষ্য, নিজের কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi Convoy Cut: জ্বালানি সাশ্রয় লক্ষ্য, নিজের কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা দিয়ে নিজের কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Convoy Cut)। পেট্রোল-ডিজেলের দাম ঊর্দ্ধমুখী। এই পরিস্থিতিতে কনভয় ছোট করার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর। তাঁর কনভয়ের আকার ৫০ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ইরান যুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে দেশের ব্যয় কমানো ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্যই এই পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর। তিনি বৈদ্যুতিক যান ব্যবহার বাড়ানোর জন্যও আহ্বান জানান।

    এসপিজি-কে পাঠানো বিশেষ নির্দেশ

    পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনার আবহে দেশবাসীকে কৃচ্ছ্রসাধনের কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সূত্র ধরেই নিজেও তার বাইরে বেরোলেন না প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত স্পেশ্যাল প্রোটেকশন গ্রুপ বা এসপিজি-র কাছে পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত রেখেই কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমাতে হবে। পেট্রল-ডিজেলচালিত গাড়ির পরিবর্তে বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারের উপর জোর দিতে হবে। তবে তার জন্য নতুন কোনও গাড়ি এখন কেনা যাবে না বলে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের একটি সূত্রের দাবি, নির্দেশ হাতে পাওয়ার পরেই তা বাস্তবায়িত করার কাজ শুরু করে দিয়েছে এসপিজি। পশ্চিম এশিয়ার সংকটের প্রভাব থেকে নাগরিকদের রক্ষা করার জন্য কেন্দ্র চেষ্টা করছে, এই কথার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির দাবি, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মাঝে এই সময়ে জ্বালানি ব্যবহার এবং ব্যয় কমানোর মতো পদক্ষেপ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। বেশ কয়েকটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রক জ্বালানি সাশ্রয়ের উপায় খুঁজছে।

    কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমাতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীরাও

    সূত্রের খবর, বিজেপিশাসিত বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও প্রধানমন্ত্রী মোদির পথে হেঁটে তাঁদের কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমাতে পারেন। পেট্রল, ডিজ়েল, রান্নার গ্যাস, ভোজ্য তেল, সোনা, তামা, রাসায়নিক সার— এই পণ্যগুলির একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় ভারতকে। টান পড়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রাভান্ডারে। পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার মাঝে এই পণ্যগুলি সংযমী হয়ে ব্যবহারের অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার তেলঙ্গানার সেকেন্দরাবাদের এক সভাতে মোদির মুখে প্রথম ওই আর্জির কথা শোনা গিয়েছিল। সোমবার গুজরাতের ভদোদরায় এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি ফের বলেন, ‘‘বিশ্ব দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতার এক পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা কোভিড-১৯ অতিমারি দিয়ে শুরু হয়েছিল এবং এখন পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের কারণে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।’’

  • IFAD: গ্রামীণ আয় বৃদ্ধিই লক্ষ্য, ভারত ও আইএফএডি-এর ৮ বছর ব্যপী নয়া কৌশলগত কর্মসূচি ঘোষণা

    IFAD: গ্রামীণ আয় বৃদ্ধিই লক্ষ্য, ভারত ও আইএফএডি-এর ৮ বছর ব্যপী নয়া কৌশলগত কর্মসূচি ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সরকার এবং আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD) মঙ্গলবার ২০২৬-২০৩৩ সালের জন্য একটি নতুন আট বছর মেয়াদী ‘কান্ট্রি স্ট্র্যাটেজিক অপরচুনিটিজ প্রোগ্রাম’ (COSOP) চালু করেছে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ভারতের গ্রামীণ আয় বৃদ্ধি করা, প্রতিকূলতা মোকাবিলার সক্ষমতা (resilience) বাড়ানো এবং টেকসই জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারিত করা।

    নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত ‘আইএফএডি-ইন্ডিয়া পার্টনারশিপ ফর রুরাল প্রসপারিটি’ অনুষ্ঠানে এই কর্মসূচিটি উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইএফএডি প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী এবং বেসরকারি খাতের অংশীদাররা উপস্থিত ছিলেন।

    বিকশিত ভারত@২০৪৭ দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সামঞ্জস্য

    সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নতুন এই সিওএসওপি (COSOP) কর্মসূচিটি ‘বিকশিত ভারত@২০৪৭’ ভিশনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়েছে। এটি প্রধানত দুটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে:

    ১. গ্রামীণ সম্প্রদায়ের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

    ২. একটি শক্তিশালী জ্ঞান ব্যবস্থা (knowledge systems) গড়ে তোলা, যাতে সফল উন্নয়নের মডেলগুলো ভারতের পাশাপাশি গ্লোবাল সাউথের অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে দেওয়া যায়।

    অর্থ মন্ত্রকের অর্থনৈতিক বিষয়ক বিভাগের সচিব অনুরাধা ঠাকুর বলেন, “ভারত ও আইএফএডি-এর এই অংশীদারিত্ব কৃষি রূপান্তর, জীবিকার বৈচিত্র্যকরণ, নারীর ক্ষমতায়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিশালীকরণের মতো জাতীয় অগ্রাধিকারগুলোর সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই জোটটি এখন দারিদ্র্য দূরীকরণের প্রাথমিক পর্যায় ছাড়িয়ে টেকসই এবং বাজার-মুখী গ্রামীণ জীবিকা তৈরির দিকে এগিয়ে গেছে, যা জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে সক্ষম।”

    প্রাতিষ্ঠানিক ও বাজার সংযোগে জোর

    আইএফএডি-এর সহযোগী ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডোনাল ব্রাউন বলেন, “এই অংশীদারিত্ব কেবল নির্দিষ্ট কিছু প্রকল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি এমন একটি ব্যবস্থা গড়ার দিকে নজর দিচ্ছে যা প্রতিষ্ঠান, অর্থায়ন, অবকাঠামো এবং বাজারকে দীর্ঘমেয়াদী গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য সংযুক্ত করবে।”

    এই কৌশলের একটি বড় অংশ হল তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান যেমন— স্বনির্ভর গোষ্ঠী (SHG), কৃষক সংস্থা (FPO) এবং সমবায় সমিতিগুলোকে শক্তিশালী করা। এই সংস্থাগুলোই প্রযুক্তি, অর্থ এবং বাজারের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনে মূল ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    অর্জিত সাফল্য ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য

    গত দুই দশকে ভারতে আইএফএডি-সমর্থিত প্রকল্পগুলো স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে নারীদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে এবং ই-কমার্স ও মূল্য সংযোজনের (value addition) মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তাদের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

    নতুন এই কর্মসূচির মাধ্যমে ভারত নিজেকে গ্রামীণ উন্নয়নের ‘নলেজ লিডার’ বা জ্ঞান নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। ডিজিটাল কৃষি, অন্তর্ভুক্তিমূলক গ্রামীণ অর্থায়ন এবং জলবায়ু-সহনশীল ভ্যালু চেইনের সফল মডেলগুলো আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর সঙ্গে শেয়ার করা হবে।

    নাবার্ড (NABARD)-এর সাথে চুক্তি

    অনুষ্ঠানের ফাঁকে, ন্যাশনাল ব্যাংক ফর এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট (NABARD) গ্রামীণ অর্থ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে এবং কৃষি ও সংশ্লিষ্ট খাতে উদ্ভাবনী কাজে সহায়তার জন্য আইএফএডি (IFAD)-এর সঙ্গে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

    উল্লেখ্য, ভারত ও আইএফএডি (IFAD) গত পাঁচ দশক ধরে অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। এই দীর্ঘ সময়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ৩৫টি গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যা লক্ষ লক্ষ গ্রামীণ পরিবারকে উপকৃত করেছে।

  • PM Modi on Ayushman Bharat: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের ভাই-বোনেদের কল্যাণই আমার কাছে সবার আগে’’ রাজ্যে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প চালুর পর খুশি প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi on Ayushman Bharat: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের ভাই-বোনেদের কল্যাণই আমার কাছে সবার আগে’’ রাজ্যে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প চালুর পর খুশি প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আয়ুষ্মান ভারত (PM Modi on Ayushman Bharat) স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। সোমবারই রাজ্যের মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন, এই পরিষেবা কার্যকর করার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে বাংলার মানুষ জুড়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের ভাই-বোনেদের কল্যাণই আমার কাছে সবার আগে। আমি অত্যন্ত খুশি যে, রাজ্যবাসী বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং উচ্চ গুণমানসম্পন্ন এই স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন।’’

    মিলে গেল মোদির গ্যারান্টি

    ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কেন্দ্রীয় সরকার ‘প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা’ বা আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat in Bengal) প্রকল্প চালু করেছিল। এই পরিষেবার আওতায় তালিকাভুক্ত হাসপাতালগুলিতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের চিকিৎসা পরিষেবা একরকম নিখরচায় পাওয়া যায়। বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য এই প্রকল্প অত্যন্ত সহায়ক। প্রসঙ্গত, কেন্দ্র এই স্বাস্থ্য পরিষেবা গোটা দেশে চালু করেছে। অভিযোগ ওঠে, সেই পরিষেবাকে এ রাজ্যে কার্যকর হতে দেয়নি তৎকালীন তৃণমূল সরকার। উল্টে তারা ‘স্বাস্থ্যসাথী’ নামে একটি আলাদা প্রকল্প চালু করে। নির্বাচনের আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদি-সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব ঘোষণা করেছিলেন, দল যদি ক্ষমতায় আসে, তা হলে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রের সমস্ত রকম প্রকল্পের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হবে। হলও তাই, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী গত শনিবার শপথ নেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই কেন্দ্রের অন্যতম প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত কার্যকর করা হল এ রাজ্যে। মিলে গেল মোদির গ্যারান্টি।

    ডবল-ইঞ্জিন সরকার-এর সাহায্য

    রাজ্যে এই প্রকল্প চালুর পর প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও লেখেন,‘‘কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সুবিধা যাতে রাজ্যের জনগণ পান, তা নিশ্চিত করবে ডবল-ইঞ্জিন সরকার।’’ রাজনৈতিক সংঘাতের আবহে দীর্ঘদিন আটকে থাকা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পও এবার দ্রুত কার্যকর হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের আওতায় রাজ্যবাসী পরিবারপিছু বছরে পাঁচ লক্ষ টাকার ক্যাশেলস স্বাস্থ্য বিমার সুবিধা পাবেন। খুব সহজে অনলাইনেই আবেদন করা যায় এই প্রকল্পের জন্য। প্রয়োজন হয় না অনেক নথির। বাড়িতে বসেই আবেদন করা যায় ‘আয়ুষ্মান ভারত’-এর কার্ডের জন্য।

  • PM Modi in Europe: নজরে জ্বালানি-প্রতিরক্ষা-এআই! পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার মাঝেই পাঁচ দেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi in Europe: নজরে জ্বালানি-প্রতিরক্ষা-এআই! পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার মাঝেই পাঁচ দেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বিশ্ব বাণিজ্যের অনিশ্চয়তার আবহে আগামী ১৫ মে, শুক্রবার থেকে ছয় দিনের গুরুত্বপূর্ণ বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে শুরু করে ইউরোপের একাধিক দেশে যাবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে ভারতের কৌশলগত, অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত সম্পর্ক আরও গভীর করাই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক (MEA)। ১৫ থেকে ২০ মে পর্যন্ত চলা এই পাঁচ দেশের সফরে প্রধানমন্ত্রী যাবেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে এবং ইতালিতে। সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হতে চলেছে জ্বালানি সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা, সবুজ প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ব্লু ইকোনমি এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা। বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, সদ্য সম্পন্ন ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (India-EU FTA) প্রেক্ষাপটে ইউরোপ ও উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও গভীর করাই এই সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

    আমিরশাহীতে আলোচনায় জ্বালানি ও প্রবাসী ভারতীয়রা

    প্রধানমন্ত্রী মোদির সফরের শুরু ১৫ মে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে। সেখানে প্রেসিডেন্ট মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান (Mohamed bin Zayed Al Nahyan)-এর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টানরাশিপ (Comprehensive Strategic Partnership) আরও শক্তিশালী করাই এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য। এক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব পাবে জ্বালানি নিরাপত্তা। এছাড়াও আরবে থাকা প্রায় ৪৫ লক্ষ ভারতীয় প্রবাসীর কল্যাণও মূল লক্ষ্য। বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE) ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের অন্যতম বড় উৎস। উভয় নেতা দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে, বিশেষ করে শক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আঞ্চিলক ও আন্তর্জাতিক নানান বিষয়ে মত বিনিময় করবেন। দ্বিপাক্ষিক সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্র এবং মানুষে মানুষে সংযোগের বিষয়টিও স্থান পাবে তাঁদের আলোচ্য সূচীতে।

    নেদারল্যান্ডসে প্রযুক্তি ও সবুজ শক্তি

    সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী যাবেন নেদারল্যান্ডসে। সেখানে তিনি রাজা উইলিয়াম অ্যালেকজান্ডার (Willem-Alexander) এবং রানী ম্যাক্সিমার সঙ্গে সাক্ষাত্ করবেন। সেদেশের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনের (Rob Jetten) সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হবেন। নেদারল্যান্ডসে এটি প্রধানমন্ত্রী মোদির দ্বিতীয় সফর। এর আগে তিনি ২০১৭-এ সেখানে যান। প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, উদ্ভাবন, পরিবেশ বান্ধব হাইড্রজেন, সেমিকন্ডাক্টর ও জল সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুদেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। ১৫ থেকে ১৭ মে নেদারল্যান্ডস সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বর্তমানে ভারত-নেদারল্যান্ডস দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২৭.৮ বিলিয়ন ডলার। আগামী দিনে তা কয়েক গুণ বাড়ানোর কথা ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি নেদারল্যান্ডস বর্তমানে ভারতের চতুর্থ বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশ।

    সুইডেনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনা ও শিল্প সহযোগিতা

    ১৭ ও ১৮ মে রবিবার সুইডেনের কোটেনবার্গে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে সুইডিস প্রধানমন্ত্রী উল্ফ ক্রিস্টারসনের (Ulf Kristersson) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও সম্পর্কের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখবেন তারা। এর মধ্যে আছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, স্টার্ট আপ, সরবরাহ শৃঙ্খল, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আলোচনা। দুই প্রধানমন্ত্রী শিল্পের জন্য ইউরোপীয় রাউন্ড টেবিল বৈঠকেও ভাষণ দেবেন। এই অগ্রণী প্যান ইউরোপীয় বাণিজ্যিক ফোরামের বৈঠকে ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডার লিয়েনও (Ursula von der Leyen) উপস্থিত থাকবেন। ২০২৫ সালে ভারত-সুইডেন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৭.৭৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়া ২০০০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সুইডেনের বিনিয়োগ ভারতে ২.৮২৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে।

    নরওয়েতে ব্লু ইকোনমি ও নর্ডিক সম্মেলন

    ১৮ থেকে ১৯ মে নরওয়ে সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ৪৩ বছর পর কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী সে দেশে যাচ্ছেন। নরওয়েতে প্রধানমন্ত্রী মোদি দেখা করবেন রাজা হারলাড ভি (Harald V) এবং প্রধানমন্ত্রী জোনাস (Jonas) এর সঙ্গে। ভারত-ইউরোপীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্লু ইকোনমি, সামুদ্রিক সম্পদ এবং নরওয়ের ২৮ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে। ১৯ মে অসলোতে অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় ইন্ডিয়া-নর্জিক সামিট (India-Nordic Summit)। সেখানে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে এবং সুইডেনের নেতারা অংশ নেবেন। আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে আর্কটিক গবেষণা, নবীকরণযোগ্য শক্তি, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ এবং টেকসই উন্নয়ন। ভারত-নরওয়ে বাণিজ্য ও গবেষণা সম্মেলনেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরিচ্ছন্ন ও সবুজ প্রযুক্তি, ব্লু ইকোনমি, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বর্তমানে ভারত-নরওয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২.৭৩ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া নরওয়ের গভর্নমেন্ট পেনশন ফান্ড ভারতের পুঁজিবাজারে প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে।

    ইতালিতে প্রতিরক্ষা ও উদ্ভাবন নিয়ে আলাপচারিতা

    সফরের শেষ পর্যায়ে ১৯ ও ২০ মে ইতালি সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলানির (Giorgia Meloni) সঙ্গে বৈঠকে ২০২৫-২৯ জয়েন্ট স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান (Joint Strategic Action Plan 2025–2029) পর্যালোচনা করা হবে। এই রোডম্যাপের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা, শক্তি, বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে দুই দেশের। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ভারতের ১৪০ কোটি মানুষ এবং ইউরোপের দেশগুলির কয়েক কোটি মানুষের জন্য দারুণ সুযোগ তৈরি করবে। এখান থেকে গৃহীত সিদ্ধান্ত নির্মাণশিল্প এবং অনুসারী শিল্পগুলির ক্ষেত্রে আরও গতি আনবে। এর ফলে বাণিজ্যের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক গণতন্ত্রও পোক্ত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিদেশ মন্ত্রকের মতে, ২০২৫-২০২৯ যৌথ কৌশলগত কর্মপরিকল্পনার আওতায় বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, পরিচ্ছন্ন শক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ভারত-ইতালি সম্পর্ক দ্রুত এগোচ্ছে। ২০২৫ সালে দুই দেশের বাণিজ্য ১৬.৭৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি ইতালির মোট প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩.৬৬ বিলিয়ন ডলার।

  • NEET UG Exam Cancelled: প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ, নিট ইউজি ২০২৬-এর পরীক্ষা বাতিল, ফের বসতে হবে পরীক্ষায়

    NEET UG Exam Cancelled: প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ, নিট ইউজি ২০২৬-এর পরীক্ষা বাতিল, ফের বসতে হবে পরীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কলঙ্কিত হয়েছিল নিট ইউজি ২০২৬-এর পরীক্ষা (NEET UG Exam Cancelled)। ৩ মে হওয়া ওই পরীক্ষাই বাতিল করে দেওয়া হল মঙ্গলবার (CBI Probe)। উল্লেখ্য, স্নাতক স্তরের মেডিকেল কোর্সে ভর্তি হতে নেওয়া হয় এই পরীক্ষা। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) জানিয়েছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বর্তমান পরীক্ষাপদ্ধতি বহাল রাখা সম্ভব নয়। তারা এও জানিয়েছে, ফের পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং নয়া তারিখ ঘোষণা করা হবে খুব শীঘ্রই। জানা গিয়েছে, প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এটি দেশের অন্যতম বৃহত্তম প্রবেশিকা পরীক্ষা।

    ‘গেস পেপার’ (NEET UG Exam Cancelled)

    ৩ মে পরীক্ষার কয়েকদিন আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল কিনা, তা জানতে রাজস্থানে তদন্ত করে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল অপারেশনস গ্রুপ। তদন্তে জানা গিয়েছে, একটি হাতে লেখা প্রশ্নপত্র, যেটিকে ‘গেস পেপার’ বলা হচ্ছিল (শেষ মুহূর্তের অনুশীলনের জন্য তৈরি কোয়েশ্চানব্যাঙ্ক), তার সঙ্গে আসল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের আংশিক মিল পাওয়া গিয়েছে। প্রকৃত পরীক্ষায় আসা প্রায় ১৪০টি প্রশ্ন, যার মান ৬০০ নম্বর (মোট ৭২০ নম্বরের পরীক্ষা), সেই হাতে লেখা প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলে যায়। এই প্রশ্নপত্রটি পরীক্ষার দু’ থেকে তিনদিন আগে ছড়িয়ে পড়েছিল। তদন্তকারীদের অনুমান, প্রশ্নপত্র রাজস্থানের সীকর জেলা থেকেই ফাঁস হয়েছে। রাজস্থান পুলিশের স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপ ইতিমধ্যেই সীকর জেলা থেকে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৫ জনকে আটক করেছে। জয়পুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মণীশ নামে এক ব্যক্তিকে। অনুমান, সে-ই এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ‘মূলচক্রী’।

    পরীক্ষাকে ঘিরে ‘অনিয়মের অভিযোগ’

    রবিবারই এনটিএ জানিয়েছিল, তারা রাজস্থান পুলিশের তদন্ত সম্পর্কে অবগত, পরীক্ষাকে ঘিরে ‘অনিয়মের অভিযোগ’ সম্পর্কেও তারা জানে। তাদের দাবি, পরীক্ষার কয়েকদিন পর তারাই প্রথম ‘অসৎ উপায়’ সম্পর্কে জানতে পারে। সঙ্গে সঙ্গেই সতর্ক করে দেওয়া হয়েছিল সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলিকে। সেই বিবৃতি জারির দু’দিন পরে মঙ্গলবার, পুরো পরীক্ষাই বাতিল করে দিল এনটিএ। তাদের মতে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির দেওয়া তথ্য খতিয়ে দেখার পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই তথ্য থেকেই স্পষ্ট, পরীক্ষাপদ্ধতি সম্ভবত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি বিবৃতিতে ওই সংস্থা জানিয়েছে, সমস্ত প্রমাণ বিবেচনা করে দেখা গিয়েছে, এই পরীক্ষা বহাল রাখা সম্ভব নয়। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, জাতীয় স্তরের পরীক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখার জন্য এই সিদ্ধান্ত প্রয়োজন ছিল (CBI Probe)।

    ফের ওই পরীক্ষা হবে

    কেন্দ্রীয় সরকার এই মামলাটির তদন্তের ভার তুলে দিয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। পরীক্ষার (NEET UG Exam Cancelled) আগে কীভাবে এই তথাকথিত ‘গেস পেপার’ ছড়িয়ে পড়ল, এর পেছনে কোনও সংগঠিত দুর্নীতি ছিল কিনা, তা তদন্ত করবে সিবিআই। এনটিএ  জানিয়েছে, তারা তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি, তথ্য সরবরাহ করবে। কেবলমাত্র রাজস্থানেই নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের তদন্তে এখনও পর্যন্ত ৪৫ জনেরও বেশি জনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ‘গেস পেপার’টি সম্ভবত ছাপাখানা থেকে বেরিয়েছিল, যা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড়সড় ত্রুটির ইঙ্গিত। সূত্রের খবর, হাতে লেখা প্রশ্নপত্রের একটি সংস্করণ ছড়িয়ে পড়েছিল, যা থেকে স্পষ্ট, ছাপার সময়ই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে থাকতে পারে (CBI Probe)। এনটিএ জানিয়েছে, ফের ওই পরীক্ষা হবে, শীঘ্রই সরকারি মাধ্যমে জানানো হবে নতুন তারিখ।

    কী বলছে সংস্থা?

    সংস্থাটি স্বীকার করেছে, ফের পরীক্ষার কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অসুবিধা হবে। কিন্তু তাদের মতে, একটি কম্প্রোমাইজড পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া দীর্ঘমেয়াদে আরও বড় ক্ষতির কারণ হত, নষ্ট করত পরীক্ষাব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা (NEET UG Exam Cancelled)। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের ফের আবেদন করতে হবে না। আগের সমস্ত তথ্য ব্যবহার করা হবে। রেজিস্ট্রেশন তথ্য ও প্রার্থীর বিবরণ বহাল থাকবে। আগের পরীক্ষাকেন্দ্রেই পরীক্ষা হবে। পরীক্ষা বাবদ অতিরিক্ত কোনও ফি নেওয়া হবে না। জমা দেওয়া ফি ফেরত দেওয়া হবে। নতুন করে পরীক্ষার আগে দেওয়া হবে নয়া অ্যাডমিট কার্ড (CBI Probe)। পরীক্ষার্থীদের শুধুমাত্র এনটিএর ঘোষণার ওপরই নির্ভর করতে বলা হয়েছে। পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভুয়ো খবর। শিক্ষার্থীদের ফের প্রস্তুত হতে হবে পরীক্ষার জন্য।

    পরীক্ষাব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    পরীক্ষা বাতিলের এই ঘটনা আবারও ভারতের পরীক্ষাব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। নিট দেশের অন্যতম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। তাই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা সরাসরি লাখ লাখ পরীক্ষার্থীর ন্যায্য সুযোগকে প্রভাবিত করে (NEET UG Exam Cancelled)। প্রসঙ্গত, পরীক্ষা বাতিলের পাশাপাশি সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়ে কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা ব্যবস্থায় অসৎ উপায়ের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি দেখাতে চেয়েছেন এবং পরীক্ষাব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছেন।

     

LinkedIn
Share