Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • NASM-SR Missile: ডিআরডিও-র মুকুটে নয়া পালক, প্রথম নেভাল অ্যান্টি-শিপ মিসাইলের পরীক্ষা সফল

    NASM-SR Missile: ডিআরডিও-র মুকুটে নয়া পালক, প্রথম নেভাল অ্যান্টি-শিপ মিসাইলের পরীক্ষা সফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা DRDO) দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি স্বল্পপাল্লার জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের (NASM-SR Missile) সফল পরীক্ষা করল। বুধবার ভারতীয় নৌসেনার হেলিকপ্টার থেকে ছোড়া এনএএসএম-এসআর নামের ওই ক্ষেপণাস্ত্র নির্ভুল নিশানায় লক্ষ্যভেদে সফল হয়েছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। ওড়িশার উপকূলে ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ (ITR) চাঁদিপুর থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করা হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এই সফল পরীক্ষার জন্য ডিআরডিও, নৌসেনা এবং শিল্প জগতকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    এই প্রকল্পেরশুরু

    বছর দেড়েক আগে নৌসেনার ‘সি কিং ৪২বি’ হেলিকপ্টার থেকে প্রথম এনএএসএম-এসআর (NASM-SR Missile) ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করা হয়েছিল। এবার নির্ভুল লক্ষ্যে আঘাত নিশ্চিত করতে ‘টার্মিনাল গাইডেন্স’-এর জন্য একটি দেশীয় ইমেজিং ইনফ্রা-রেড (আইআইআর) চিহ্নিতকরণ ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে। ২০১৮ সালে তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এনএএসএম-এসআর ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন। অস্ত্র এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ক্ষেত্রে বিদেশি নির্ভরতা কমাতে নরেন্দ্র মোদি সরকার যে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচি নিয়েছে এই ক্ষেপণাস্ত্র সেই ‘লক্ষ্য’ অর্জনের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    ক্ষেপণাস্ত্রটির বিশেষত্ব কী?

    এনএএসএম-এসআর ক্ষেপণাস্ত্রটিতে (NASM-SR Missile) রয়েছে ম্যান-ইন-লুপ বৈশিষ্ট্য। এর ফলে, নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে একেবারে শেষ মুহূর্তে দিশা পরিবর্তন করতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রটি। যার জেরে এটি আরও মারণ ক্ষমতাসম্পন্ন। ডিআরডিও (DRDO) সূত্রে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি বিয়ারিং-অনলি লক-অন আফটার লঞ্চ মোডে উৎক্ষেপণ করা হয়। যে কোনও একটি লক্ষ্যকে বেছে নেওয়ার জন্য কাছাকাছি বেশ কয়েকটি লক্ষ্যবস্তু ছিল। পরীক্ষার সময়ে প্রথমে নির্দিষ্ট অনুসন্ধান পরে একটি বড় লক্ষ্যবস্তুকে নিশ্চিত করা হয়। পরে টার্মিনাল পর্যায়ে, পাইলট একটি ছোট লুকনো লক্ষ্যবস্তুকে ফাইনাল লক্ষ্য হিসাবে বেছে নেয়। মিসাইল তবু নির্ভুলভাবে সেই ছোট লক্ষ্যে আঘাত হেনে ধ্বংস করে দেয়।

    এই ক্ষেপণাস্ত্রে কী কী সিস্টেম রয়েছে?

    মিড-কোর্স গাইডেন্সের জন্য দেশীয় ফাইবার অপটিক জাইরোস্কোপ ভিত্তিক ইনর্শিয়াল নেভিগেশন সিস্টেম (INS) এবং রেডিও অল্টিমিটার ব্যবহার করা হয়েছে এই ক্ষেপণাস্ত্র (NASM-SR Missile) তৈরিতে। এছাড়াও, এটি সমন্বিত অ্যাভিওনিক্স মডিউল, ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল অ্যাকুয়েটর এবং অ্যারোডাইনামিক এবং জেট ভ্যান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এতে থার্মাল ব্যাটারি, পিসিবি ওয়ারহেড এবং সলিড প্রপালশন সিস্টেম রয়েছে, যার মধ্যে ইন-লাইন ইজেক্টেবল বুস্টার এবং লং-বার্ন সাসটেইনার রয়েছে। এই মিসাইলটি ডিআরডিও (DRDO), রিসার্চ সেন্টার ইমারত (Research Centre Imarat, RCI), ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ল্যাবরেটরি (DRDL), হাই এনার্জি মেটেরিয়ালস রিসার্চ ল্যাবরেটরি (HEMRL) এবং টার্মিনাল ব্যালিস্টিক রিসার্চ ল্যাবরেটরি (TBRL) দ্বারা প্রস্তুত করা হয়েছে।

  • Chandra Shekhar Azad: আজ স্বাধীনতা সংগ্রামী চন্দ্রশেখর আজাদের আত্মবলিদান দিবস, চেনেন এই দেশপ্রেমিককে?

    Chandra Shekhar Azad: আজ স্বাধীনতা সংগ্রামী চন্দ্রশেখর আজাদের আত্মবলিদান দিবস, চেনেন এই দেশপ্রেমিককে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন চন্দ্রশেখর আজাদ (Chandra Shekhar Azad)। তিনি হিন্দুস্তান রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশনের পুনর্গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। প্রতিষ্ঠাতা রাম প্রসাদ বিসমিলের ফাঁসির সঙ্গে সঙ্গে ফাঁসি হয় রোশন সিং, রাজেন্দ্র নাথ লাহিড়ী এবং আশফাকুল্লা খানের। এরপর আজাদ হিন্দুস্তান রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশনকে বদলে করেন হিন্দুস্তান সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশন (HSRA)। তাঁর নির্ভীক নেতৃত্ব (Death Anniversary) এবং স্বাধীনতার লক্ষ্যে অবিচল প্রতিশ্রুতি তাঁকে ভারতের ইতিহাসের অন্যতম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।

    বিশ্বাসঘাতকতার শিকার (Death Anniversary)

    ১৯৩১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি এলাহাবাদের আলফ্রেড পার্কে (বর্তমানে আজাদ পার্ক) এক স্বাধীনতা সংগ্রামীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলেন ঠিক করেছিলেন তিনি। যদিও বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হন আজাদ। পার্কে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্রিটিশ পুলিশ ঘিরে ফেলে তাঁকে। তীব্র গুলির লড়াই হয়। দুজন ব্রিটিশ অফিসার জখম হন। গুলিবিদ্ধ হন আজাদও। সঙ্গে সঙ্গেই শহিদ হন তিনি। আজাদ অঙ্গীকার করেছিলেন, কখনওই ব্রিটিশদের হাতে জীবিত অবস্থায় ধরা দেবেন না। সেই ইচ্ছে পূরণ হয় তাঁর। এভাবে শহিদ হয়ে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে অমর হয়ে রয়ে গেলেন আজাদ।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    চন্দ্রশেখর আজাদকে শ্রদ্ধা জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘‘মাতৃভূমির অপরাজেয় সন্তান চন্দ্রশেখর আজাদ তাঁর জীবনের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে মাতৃভূমির প্রতি দায়িত্বের কোনও সীমা নেই।’’ তিনি লেখেন, “আজাদজির আত্মত্যাগ, যিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে তরুণদের সক্রিয়ভাবে যুক্ত করে ব্রিটিশ সরকারের নিদ্রা ভঙ্গ করেছিলেন, স্বাধীনতার স্ফুলিঙ্গকে এক মহান শিখায় পরিণত করেছিলেন (Chandra Shekhar Azad)। অমর শহিদ ও মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী চন্দ্রশেখর আজাদকে তাঁর শহিদ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।”

    আজাদকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি শ্রদ্ধা জানান আজাদকে। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে আজাদের অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। লেখেন, “ভারত মায়ের অমর সন্তান, মহান বিপ্লবী এবং সাহসী শহিদ চন্দ্রশেখর আজাদের ত্যাগ স্বাধীনতা আন্দোলনকে নতুন শক্তি দিয়েছিল। তাঁর সাহসিকতার কাহিনি ভারতীয় স্বাধীনতার ইতিহাসে এক স্বর্ণালী অধ্যায়, যা প্রতিটি ভারতীয়র মধ্যে দেশপ্রেমের আগুন জাগিয়ে রাখবে। আজ তাঁর শহিদ দিবসে তাঁকে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি!”

    বিজেপি জাতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা বলেন, “অমর শহিদ চন্দ্রশেখর আজাদের শহিদ দিবসে, যিনি মাতৃভূমির জন্য নিজের সব কিছু উৎসর্গ (Death Anniversary) করেছিলেন, সেই অতুলনীয় সাহস ও ত্যাগের নায়কের প্রতি আমি আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই (Chandra Shekhar Azad)।”

  • PM Modi: ‘‘ঐক্যের মহাকুম্ভে শোনা গেল যুগ পরিবর্তনের ধ্বনি’’, নিজের ব্লগে লিখলেন মোদি

    PM Modi: ‘‘ঐক্যের মহাকুম্ভে শোনা গেল যুগ পরিবর্তনের ধ্বনি’’, নিজের ব্লগে লিখলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, সম্পন্ন হয়েছে মহাকুম্ভ। শিবরাত্রির অমৃত স্নানের মাধ্যমে সমাপন হয় দেড় মাস ধরে চলা মহাকুম্ভের। এই আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) মহাকুম্ভকে নিয়ে তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করলেন। নিজের ব্লগ পোস্টে প্রধানমন্ত্রী এই বিশ্বের বৃহত্তম ইভেন্টকে ঐক্যের মহাকুম্ভ ও যুগ পরিবর্তনের ধ্বনি বলে অভিহিত করেন। তিনি (PM Modi) লেখেন, ‘‘ঐক্যের মহাকুম্ভে শোনা গেল যুগ পরিবর্তনের ধ্বনি!’’

    একভারত-শ্রেষ্ঠ ভারতের প্রতিবিম্ব গড়ে উঠেছে মহাকুম্ভে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) মহাকুম্ভ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়াতে তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, ‘‘এই মহাকুম্ভে দিব্যতা ও ভব্যতার মেলবন্ধন যেমন দেখা গিয়েছে, তেমনি একভারত-শ্রেষ্ঠ ভারতের প্রতিবিম্বও গড়ে উঠেছে।’’ প্রধানমন্ত্রী মোদি লেখেন, ‘‘আমি সেই মুখগুলো কখনও ভুলব না, যেগুলো পূর্ণ সন্তুষ্টি এবং আনন্দে পরিপূর্ণ ছিল। নারী, বৃদ্ধ বা শারীরিকভাবে অক্ষম সবাই তাঁদের সাধ্য অনুযায়ী সঙ্গমে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন।’’

    তরুণ প্রজন্ম বড় সংখ্যায় প্রয়াগরাজে উপস্থিত হয়েছেন

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের মহাকুম্ভকে (Mahakumbh) কেন্দ্র করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিপুল উৎসাহ দেখা গিয়েছে। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) লেখেন, ‘‘আজকের তরুণ প্রজন্ম বড় সংখ্যায় প্রয়াগরাজে উপস্থিত হয়েছেন। এটা খুবই আনন্দজনক। এটি একটি বড় বার্তা দেয় যে, ভারতীয় যুব সমাজ আমাদের মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির উত্তরাধিকার বহন করে, তা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব উপলব্ধি করে। তাঁরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’’ উত্তরপ্রদেশ সরকারের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী মহাকুম্ভে পবিত্র স্নান সেরেছেন ৬৬ কোটি ভক্ত। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘আমেরিকার জনসংখ্যার চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি লোক পবিত্র স্নান করতে উপস্থিত হয়েছিলেন প্রয়াগরাজের সঙ্গমে। যা এক নয়া অধ্যায় রচনা করতে পেরেছে। এখানেই লেখা থাকবে, ভারতীয়রা তাঁদের শিকড়কে আজও ধরে রয়েছেন।’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতে, মহাকুম্ভের (Mahakumbh) ব্যবস্থাপনা, রাজনৈতিক এবং আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রে থাকা মানুষদের কাছে গবেষণার বিষয় হয়ে উঠতে পারে। ৪৫ দিন ধরে ‘একতার মহাযজ্ঞ’ পরিচালনার জন্য প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ জানান উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকারকে।

  • PM Modi: ওয়াকফ সংশোধনী বিলে অনুমোদন মোদি মন্ত্রিসভার, সংসদে পেশ কবে?

    PM Modi: ওয়াকফ সংশোধনী বিলে অনুমোদন মোদি মন্ত্রিসভার, সংসদে পেশ কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৪’-এ অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (PM Modi)। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার শেষ বৈঠকে সিলমোহর দেওয়া হল সংশোধিত ওয়াকফ বিলে (Waqf Amendment Bill)। যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রস্তাবিত একাধিক সংশোধনের পর বিলটি আসে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য। সেই বিলই অনুমোদন করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সূত্রের খবর, বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে পাসের জন্য সংসদে সংশোধিত বিলটি পেশ করতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রসঙ্গত, ১০ মার্চ শুরু হবে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব।

    যৌথ সংসদীয় কমিটির সুপারিশ (PM Modi)

    সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা বিজেপি নেতা জগদম্বিকা পালের নেতৃত্বাধীন যৌথ সংসদীয় কমিটির (JPC) সুপারিশ করা বেশিরভাগ পরিবর্তনই অন্তর্ভুক্ত করেছে সংশোধনী বিলে। গত সপ্তাহে ভারতীয় বন্দর বিলের সঙ্গে এই বিলটিও অনুমোদিত হয়েছে। জানা গিয়েছে, বাজেট অধিবেশনের বাকি অংশে সরকারের আইনপ্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যসূচির অগ্রাধিকারের তালিকায় রাখা হয়েছে এই বিলটিকে। ইসলামিক রীতি অনুযায়ী, ওয়াকফ হল মুসলমানদের উন্নয়নের স্বার্থে তৈরি সম্পত্তি। এই সম্পত্তি বিক্রি বা অন্য কোনও উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার নিয়ম নেই। ওয়াকফ সম্পত্তির সিংহভাগই মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান ও অনাথ আশ্রম তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।

    প্যানেল অনুমোদন

    জানা গিয়েছে, গত ২৭ জানুয়ারি প্যানেল অনুমোদন করে এই বিলটি (PM Modi)। বিজেপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটের সদস্যদের প্রস্তাবিত ১৪টি পরিবর্তন গ্রহণ করে। যৌথ সংসদীয় কমিটির ৬৫৫ পাতার রিপোর্টটি সংসদের উভয় কক্ষে জমা দেওয়া হয় ১৩ ফেব্রুয়ারি। প্যানেলের বিরোধী দলের সাংসদদের অভিযোগ, তাদের ভিন্নমত নোটের কিছু অংশ জমা দেওয়া নথি থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে। বিরোধীদের এমনতর অভিযোগ অস্বীকার করেছে কেন্দ্র। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যৌথ সংসদীয় কমিটির চেয়ারপার্সনের অধিকার ছিল কমিটির ওপর অপবাদ দেওয়ার অংশগুলি সরিয়ে ফেলার। পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, যে নোটগুলি নিয়ে মতদ্বৈততা রয়েছে, সেগুলি তাদের আসল রূপে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সব মিলিয়ে মোট ৬৬টি সংশোধনীর প্রস্তাব জমা পড়েছিল।

    এনডিএর সাংসদরা

    এর মধ্যে শাসক জোট এনডিএর সাংসদরা দিয়েছিলেন ২৩টি। আর বিরোধী দলের সাংসদরা দিয়েছিলেন ৪৪টি। কমিটির চেয়ারপার্সন বলেন, “৪৪টি সংশোধনী নিয়ে আলোচনা করা হয়। ছ’মাস ব্যাপী বিশদ আলোচনার সময় আমরা সব সদস্যের (Waqf Amendment Bill) কাছ থেকে সংশোধনী চেয়েছিলাম। এটি ছিল আমাদের চূড়ান্ত বৈঠক। ১৪টি সংশোধনী সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের ভিত্তিতে গ্রহণ করেছে কমিটি (PM Modi)।” বিলটি ওয়াকফ আইনগুলিতে ৪৪টি পরিবর্তন আনার প্রস্তাব দিয়েছে। এগুলি দেশে মুসলিম ধর্মীয় দাতব্য সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার নিয়ম নির্ধারণ করে। জানা গিয়েছে, বিরোধী দলের সংশোধনীগুলি প্রত্যাখ্যান করা হয়। এর কারণ হল কমিটির সদস্যরা দলীয় লাইনে ভোট দিয়েছেন। এই কমিটিতে বিজেপি ও তাদের সহযোগী দলের মোট ১৬ জন সাংসদ রয়েছেন। আর বিরোধী দলের সাংসদ রয়েছেন মাত্র ১০ জন।

    ওয়াকফ সংশোধনী বিল

    গত বছরের অগাস্ট মাসে কেন্দ্রীয় সরকার ওয়াকফ সংশোধনী বিলটি যৌথ সংসদীয় কমিটির কাছে পর্যালোচনার জন্য পাঠায়। কারণ এই বিলের বিরুদ্ধে বিরোধী পক্ষ আপত্তি তোলে। এই বিলটি কেন্দ্রীয় ওয়াকফ কাউন্সিল এবং রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডগুলির একটি প্রস্তাব তৈরি করে। ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৪ ওয়াকফ আইনের বেশ কয়েকটি ধারা বাতিল করার প্রস্তাব দেয়। এগুলি ওয়াকফ বোর্ডগুলির কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণ করে। এটি বর্তমান আইনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনকে সমর্থন করে। এর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য ওয়াকফ সংস্থাগুলিতে মুসলিম নারীদের এবং অ-মুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিও (PM Modi)।

    জেলার কালেক্টরের ক্ষমতা

    সংশোধিত বিলটি জেলার কালেক্টরকে এই ক্ষমতা দেয় যে কোনও সম্পত্তি ওয়াকফ নাকি সরকারি, সে বিষয়ে কোথাও কোনও বিরোধ দেখা দিলে, তা নিষ্পত্তি করবেন। বিলটি ১৯৯৫ সালের ওয়াকফ আইনে সংশোধন আনার প্রস্তাব দেয়। এবং অ-মুসলিম প্রধান এক্সিকিউটিভ কর্মকর্তাকে নিয়োগের অনুমতি দেয়। বিরোধীদের মতে, এই সংশোধনীগুলি ওয়াকফ বোর্ডগুলির ইচ্ছে মতো কর্তৃত্ব হ্রাস করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। বর্তমানে যে ওয়াকফ আইন চালু রয়েছে, সেই আইন বোর্ডগুলিকে বাধ্যতামূলক যাচাই ছাড়াই যে কোনও সম্পত্তিকে ওয়াকফ হিসেবে দাবি করার সুযোগ দেয়।

    প্রসঙ্গত, ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৪-কে ইউনিফায়েড ওয়াকফ ম্যানেজমেন্ট, এমপাওয়ারমেন্ট, এফিসিয়েন্সি, ডেভেলপমেন্ট তথা উমিদ বিলে নামকরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। সংশোধনী প্রস্তাবে যৌথ সংসদীয় কমিটি জানায়, ওয়াকফ সংশোধনী বিলের (Waqf Amendment Bill) উদ্দেশ্য ওয়াকফ বোর্ডের কর্ম দক্ষতা বৃদ্ধি ও সম্পত্তি নিয়ন্ত্রণ (PM Modi)।

  • PM Modi: ইজরায়েলের মুখে মোদি-প্রশস্তি, কী বললেন তেল আভিভের রাষ্ট্রদূত?

    PM Modi: ইজরায়েলের মুখে মোদি-প্রশস্তি, কী বললেন তেল আভিভের রাষ্ট্রদূত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলের মুখে মোদি-প্রশস্তি। ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত (Israel Ambassador) রেউভেন আজার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, “গত বছরের ৭ অক্টোবর জঙ্গি সংগঠন হামাসের দ্বারা ইজরায়েলে জঙ্গি হামলার পরে তিনিই প্রথম ফোন করেছিলেন।” আইএএনএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আজার বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি গত দেড় বছর ধরে ইজরায়েলের পাশে ছিলেন। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মোদির বন্ধুত্বকে অত্যন্ত মূল্য দেন। ভবিষ্যতে ভারত ও ইজরায়েল অনেক বিষয়ে এক সঙ্গে কাজ করবে।”

    মোদির বন্ধুত্ব আমাদের কাছে মূল্যবান (PM Modi)

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের সাফল্যের প্রতি ইজরায়েল গভীর প্রশংসার দৃষ্টিতে তাকায়। তাঁর বন্ধুত্ব আমাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। আমরা দেখেছি, ৭ অক্টোবরের ঘটনার পর তিনিই প্রথম আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। আমরা দেখেছি, কীভাবে তিনি গত দেড় বছর ধরে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমরা জানি যে, অনেক বিষয়ে আমাদের চিন্তাভাবনা একরকম। আমরা একইভাবে বিভিন্ন বিষয়কে দেখি। আমাদের চ্যালেঞ্জও অনেকটা একরকম। তাই আমি আত্মবিশ্বাসী যে, আসন্ন বছরগুলিতে আমরা একসঙ্গে আরও অনেক কিছু করতে সক্ষম হব।” তিনি ভারত ও ভারতের বাইরের নেতাদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “তাঁরা যেন ইজরায়েলকে সাহায্য করেন। একটি শান্তিপূর্ণ ও হিংসামুক্ত বিশ্ব গঠনের প্রচেষ্টায় এই সাহায্যের প্রয়োজন।” তিনি বলেন, “আমাদের প্রত্যাশা (Israel Ambassador) যে, যে কোনও শান্তিপ্রিয় নেতা বা দল, তারা যেখানেই থাকুন না কেন — ভারতে হোক বা ভারতের বাইরে — তাঁরা আমাদের সঙ্গে এই হিংসামুক্ত, উন্নত বিশ্ব গড়ার এই প্রচেষ্টায় যোগ দেবেন।”

    ট্রাম্প ও বাইডেনের তুলনা

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নবগঠিত ট্রাম্প সরকারের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, “ইজরায়েলের পূর্ববর্তী ট্রাম্প শাসনের সঙ্গে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এ কথা বলা যায় ইজরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মধ্যে আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল (PM Modi) আমেরিকা।” ট্রাম্প ও বাইডেন প্রশাসনের মধ্যে পার্থক্য করতে গিয়ে আজার বলেন, “ইজরায়েলের সঙ্গে বাইডেন প্রশাসনের কিছু মতবিরোধ ছিল। কারণ তারা রাফাহ অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু অস্ত্র ইজরায়েলকে দিতে অস্বীকার করেছিল।” তিনি বলেন, “আমাদের সব সময়ই যে কোনও আমেরিকান প্রশাসনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল। বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গেও ছিল। তবে হামাসের আক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষা করার সংগ্রামের ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে কিছু মতবিরোধ ছিল। বাইডেন প্রশাসন আমাদের রাফাহ অভিযান থেকে বিরত থাকতে বলেছিল এবং যুদ্ধের জন্য আমাদের প্রয়োজনীয় কিছু অস্ত্রও আটকে রেখেছিল (PM Modi)।”

    ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর আস্থা

    বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে আজার বলেন, “ইজরায়েল এই প্রশাসনের অধীনে কোনও সীমাবদ্ধতার মুখে পড়বে না। কারণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইজরায়েলকে (Israel Ambassador) আত্মরক্ষার প্রচেষ্টায় প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি ভারতের জন্য এফ-৩৫ ফাইটার জেট সরবরাহে ট্রাম্পের প্রস্তাবের প্রশংসাও করেন। বলেন, “উন্নত সামরিক প্রযুক্তি প্রতিপক্ষের ওপর কৌশলগত সুবিধা সৃষ্টি করতে গুরুত্বপূর্ণ।”

    পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হামাসের বৈঠকে উদ্বেগ

    কিছুদিন আগে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বৈঠকে বসেছিলেন প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসের শীর্ষ নেতারা। সেখানে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের কয়েকজনও হাজির ছিল বলে অসমর্থিত সূত্রের খবর। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত আজার। তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত জঙ্গি সংগঠনগুলো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করে এবং অনেক সময় তারা একে অপরকে সমর্থন করার উপায় খুঁজে পায়। এটি শুধু আমাদের অঞ্চল নয়, অনেক দেশের জন্যই ক্ষতিকারক।” এর পরেই তিনি বলেন, “উদাহরণস্বরূপ, মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন কাশ্মীরের এলাকায় হামাস নেতাদের একটি বৈঠক হয়েছিল। এটি দেখায়, এই জঙ্গি সংগঠনগুলো কীভাবে একে অপরকে অনুপ্রাণিত করছে এবং তারা স্পষ্টতই তাদের সাধারণ লক্ষ্য অর্জনের জন্য সহযোগিতা করছে, যা আমাদের এবং আপনাদের আতঙ্কিত করে।”

    ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত আল জাজিরা এবং বিবিসির মতো গণমাধ্যমকে চরমপন্থী ইসলামিদের হয়ে প্রচার চালানোর অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন। তিনি বলেন, “এই ধরনের গণমাধ্যম অমুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে ন্যায়সঙ্গত করার মূল্যবোধ প্রচার করে সভ্য বিশ্বের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।”

    প্রসঙ্গত, ইজরায়েলের সঙ্গে হামাসের যুদ্ধ চলেছে প্রায় ১৫ মাস। মুসলিম জঙ্গি সংগঠন হামাস প্রথমে হামলা চালায় ইহুদি রাষ্ট্র ইজরায়েলে। তার পরেই প্রতিরোধ গড়ে তোলে তেল আভিভ(ইজরায়েলের রাজধানী)। সম্প্রতি স্বাক্ষরিত হয়েছে যুদ্ধবিরতি চুক্তি (Israel Ambassador)। এমন আবহে ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূতের এমন মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বই কি (PM Modi)!

  • Mahakumbh: দেড়মাস পরে সম্পন্ন মহাকুম্ভ, ৬৬ কোটি ভক্তের অংশগ্রহণে গড়ল নয়া ইতিহাস

    Mahakumbh: দেড়মাস পরে সম্পন্ন মহাকুম্ভ, ৬৬ কোটি ভক্তের অংশগ্রহণে গড়ল নয়া ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালে প্রয়াগরাজে (Prayagraj) আয়োজিত হয় মহাকুম্ভ (Mahakumbh)। গতকাল বুধবার মহা শিবরাত্রিতে তা শেষ হল। ১৪৪ বছর পরে অনুষ্ঠিত হওয়া এই মহাকুম্ভ শুধুমাত্র যে আধ্যাত্মিকতার দিক থেকে নয়া শিখর স্পর্শ করেছে এমনটাই নয়। উপরন্ত বিশ্বজুড়ে একাধিক রেকর্ডও স্থাপন করেছে হিন্দু ধর্মের এই পবিত্র উৎসব। গত ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় মহাকুম্ভ। শেষ হয়েছে ২৬ ফেব্রুয়ারি। চলেছে টানা ৪৫ দিন অর্থাৎ দেড়মাস। ইতিমধ্যে উত্তরপ্রদেশ সরকার তাদের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে মহাকুম্ভে (Mahakumbh) অংশগ্রহণ করেছেন ৬৬ কোটি ভক্ত। এঁরা প্রত্যেকেই পুণ্যস্নান সেরেছেন। পবিত্র ডুব দিয়েছেন ত্রিবেণী সঙ্গমে। যোগী আদিত্যনাথ সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতাই মহাকুম্ভকে এতটা সফল করতে পেরেছে বলেই মনে করছেন অনেকে। কেউ কেউ এমনটাও দাবি করছেন মহাকুম্ভের এত সুন্দর ও অভূতপূর্ব ব্যবস্থাপনা এর আগে কখনও দেখা যায়নি।

    ব্যতিক্রমী হয়ে উঠেছিল মহাকুম্ভ (Mahakumbh)

    প্রসঙ্গত, এবারের মহাকুম্ভ (Mahakumbh) যেন আক্ষরিক অর্থেই ব্যতিক্রমী হয়ে উঠেছিল। পাড়ায় পাড়ায় থেকে বাস-গাড়ি ভাড়া করে সকলেই পুণ্য স্নানের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। ভারতের প্রত্যেকটি পাড়া-মহল্লায় যেন মহাকুম্ভমুখী হয়ে উঠেছিল। এই মহাকুম্ভে বিদেশি রাষ্ট্রনেতা থেকে কূটনীতিক, বলিউড থেকে ক্রীড়াবিদ- প্রত্যেকেই স্নান করেছেন। সেই ছবি সমাজমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরালও হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কথায় বারবার উঠে এসেছে যে এ হল একতার মহাকুম্ভ।

    ৬৬ কোটি ভক্তের আগমন, অনেক দেশের জনসংখ্যার চেয়েও বেশি

    প্রসঙ্গত, ৬৬ কোটিরও বেশি ভক্ত এই মহাকুম্ভে (Mahakumbh) অংশগ্রহণ করেছেন এবং তাঁরা নয়া ঐতিহাসিক রেকর্ড তৈরি করেছেন। পৃথিবীজুড়ে এখনও পর্যন্ত এমন কোনও ইভেন্ট নেই যেখানে এত পরিমাণ মানুষ একসঙ্গে অংশগ্রহণ করেছেন। প্রসঙ্গত, ৬৬ কোটি মানুষ মানে গোটা ভারতবর্ষের অর্ধেক জনসংখ্যা। আবার এমন অনেক দেশ আছে পৃথিবীতে যেখানকার জনসংখ্যা ৬৬ কোটি মানুষের থেকে অনেক কম। অর্থাৎ ভাবাই যাচ্ছে মহাকুম্ভ কতটা সফল এবং ঠিক কী কী রেকর্ড তৈরি করতে পেরেছে। ২০২৫ সালের মহকুম্ভে ১৩টি আখরা অংশগ্রহণ করেছিল। এই প্রতিটি আখরার সাধু-সন্তরা নিয়ম মেনে অমৃতস্নানে অংশগ্রহণ করেছেন।

    মহাকুম্ভের খুঁটিনাটি (Mahakumbh)

    প্রসঙ্গত, যোগী আদিত্যনাথ সরকার মহাকুম্ভকে সাফল্যমণ্ডিত করতে চেষ্টার কোনও ত্রুটিই করেনি। মহাকুম্ভ নগর তৈরি করা হয়েছিল ৪,০০০ হেক্টর অঞ্চলজুড়ে। এর পাশাপাশি মহাকুম্ভকে ভাগ করা হয়েছিল ২৫টি সেক্টরে। শুধু তাই নয় ১২ কিমি জুড়ে তৈরি করা হয়েছিল শুধু স্নানের ঘাট। ১,৮৫০ হেক্টর জায়গা জুড়ে তৈরি ছিল গাড়ি পার্কিং-এর ব্যবস্থা। এর পাশাপাশি মহাকুম্ভ নগরীজুড়ে ছিল ৬৭ হাজার স্ট্রিট লাইট। দেড় লাখেরও বেশি টয়লেট গড়ে তোলা হয়েছিল। ২৫ হাজারেরও বেশি অস্থায়ী আবাস তৈরি করা হয়েছিল মানুষজনের থাকার জন্য।

    অমৃত স্নানগুলিতে কত মানুষ অংশগ্রহণ করেন?

    উত্তরপ্রদেশ সরকার ৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল এই ইভেন্টের জন্য। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় মহাকুম্ভে বরাদ্দ করা হয়েছিল ১৫ হাজার কোটি টাকা। ৪৫ দিনব্যাপী চলা মহাকুম্ভে ছটি অমৃতস্নানের আয়োজন করা হয়। ১৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় পৌষ পূর্ণিমার অমৃত স্নান। ওই দিন অংশগ্রহণ করেন ১ কোটি ৭০ লাখ ভক্ত। মকর সংক্রান্তির অমৃতস্নান (Mahakumbh) অনুষ্ঠিত হয় ১৪ জানুয়ারি। ওই দিন অংশগ্রহণ করেন সাড়ে ৩ কোটি ভক্ত। এর পরের অমৃতস্নান অনুষ্ঠিত হয় মৌনী অমাবস্যায়। ওই দিন অর্থাৎ ২৯ জানুয়ারিতে অংশগ্রহণ করেন ৭ কোটি ৬৪ লাখ ভক্ত। বসন্ত পঞ্চমীর অমৃত স্নান যা অনুষ্ঠিত হয় ৩ ফেব্রুয়ারি। সেদিন অংশগ্রহণ করেন ২ কোটি ৫৭ লাখ ভক্ত। মাঘ পূর্ণিমার অমৃতস্নান যা অনুষ্ঠিত হয় ১২ ফেব্রুয়ারি, ওই দিন অংশগ্রহণ করেন ২ কোটি ৪ লাখ ভক্ত। মহা শিবরাত্রির অমৃতস্নান ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন অংশগ্রহণ করেন ১ কোটি ৫৩ লাখ ভক্ত।

    মহাকুম্ভকে (Mahakumbh) কেন্দ্র করে বেড়েছে অর্থনীতি

    ১৪৪ বছর পর প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত হওয়া মহাকুম্ভের অর্থনৈতিক দিকটিও সামনে এসেছে। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স (CAIT) একটি সমীক্ষা চালিয়েছে এবং সেখানে জানানো হয়েছে যে পৃথিবীর বৃহত্তম এই যে ধর্মীয় সমাবেশ অর্থাৎ মহাকুম্ভ এখানেই বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী বিক্রি করে ও পরিষেবা দিয়ে আনুমানিক তিন লক্ষ কোটি টাকারও বেশি ব্যবসা হয়েছে।

  • Rajgir: উষ্ণ প্রস্রবণ, গুহা, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়! ঘুরে আসুন ‘পাঁচ পাহাড়ের দেশ’ রাজগীর

    Rajgir: উষ্ণ প্রস্রবণ, গুহা, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়! ঘুরে আসুন ‘পাঁচ পাহাড়ের দেশ’ রাজগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় নাম ছিল রাজগৃহ (Rajgir)। রত্নগিরি, বিপুলগিরি, বৈভবগিরি, শোনগিরি, উদয়গিরি-এই পাঁচটি পাহাড় দিয়ে ঘেরা, তাই কেউ কেউ একে ‘পাঁচ পাহাড়ের দেশ’ বলেও অভিহিত করেন। আর আপামর পর্যটকের কাছে এর পরিচিতি রাজগীর নামে। মগধরাজ জরাসন্ধের রাজধানী ছিল এই রাজগীর। সম্রাট অশোকের পিতা সম্রাট বিম্বিসারের রাজধানী ছিল এই রাজগীর। পরবর্তী কালে সম্রাট অশোক এখান থেকে রাজধানী স্থানান্তরিত করেন তৎকালীন পাটলিপুত্র, বর্তমানের পাটনাতে। ভগবান বুদ্ধ তাঁর জীবনের ১২টি বসন্ত কাটিয়েছেন এখানে। নালন্দার কাছে কুন্দলপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন জৈন তীর্থঙ্কর মহাবীর। সেই অর্থে রাজগীর হল বৌদ্ধ এবং জৈন ধর্মের অনুগামীদের জন্য এক পবিত্র তীর্থস্থান। রাজগীরের সেরা আকর্ষণ হল গৃধ্যকূট পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত বিশ্বশান্তি স্তূপ। গৌতম বুদ্ধের স্মরণে জাপানের বৌদ্ধ সংঘ এই বিশ্বশান্তি নির্মাণ করেন।

    প্রধান আকর্ষণ উষ্ণ প্রস্রবণ (Rajgir)

    রাজগীরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হল এখানকার উষ্ণ প্রস্রবণগুলি। বৈভব পাহাড়ের পাদদেশে ব্রহ্মা মন্দিরের পাশেই এই উষ্ণ প্রস্রবণ। অনেকেই মনে করেন এই উষ্ণ প্রস্রবণের (Hot Springs) জলে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থ থাকায় এই জলে স্নান করলে বহু রোগের নিরাময় হয়। এর কাছেই জয়প্রকাশ নারায়ণ পার্ক। এর বিপরীতে রয়েছে মনিয়ার মঠ। এটিকে অনেকেই ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন ও মহাভারতে বর্ণিত মণিনাগের মন্দির বা মনসা মন্দির বলেন। এখান থেকে একটু এগোলেই বাঁ দিকে মৃগ উদ্যান আর সামান্য দূরে জরাসন্ধের রত্নাগার।

    সপ্তপর্ণী গুহা

    এর পরের দ্রষ্টব্য সপ্তপর্ণী গুহা (Rajgir)। বৈভব পাহাড়ের এই গুহায় বসেই লেখা হয়েছিল বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটক। এবার চলুন বেনুবন।একটি বিশাল সরোবরসহ এই সুন্দর বাগানটি ভগবান বুদ্ধকে উপহার স্বরূপ দিয়েছিলেন নৃপতি বিম্বিসার। এছাড়াও দেখুন ভীরায়তন মিউজিয়াম, রথচক্র দাগ, রণক্ষেত্র, জাপানি ও বার্মিজ টেম্পল, জৈন তীর্থঙ্কর আদিনাথের মন্দির, নওলখা মন্দির প্রভৃতি।

    নালন্দা দর্শন (Rajgir)

    রাজগীর ভ্রমণের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হল নালন্দা দর্শন। রাজগীর থেকে প্রায় ১৪ কিমি দূরে এই প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংসাবশেষ। এটিই হল নালন্দার প্রধান আকর্ষণ। এর প্রবেশ পথের ঠিক উল্টো দিকেই রয়েছে মিউজিয়াম। এখানে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংসস্তূপ থেকে পাওয়া বিভিন্ন এবং অন্যান্য স্থানের বিভিন্ন দুষ্প্রাপ্য ও আকর্ষণীয় জিনিসপত্র প্রদর্শিত হয়েছে।
    ইচ্ছে এবং হাতে সময় থাকলে একই সঙ্গে ঘুরে নেওয়া যায় রাজগীর থেকে ৩১ কিমি দূরে পাওয়াপুরি থেকেও। পাওয়াপুরির জল মন্দিরটি ভালো লাগবেই।

    যাতায়াত ও থাকা-খাওয়া

    যাতায়াত-কলকাতা/হাওড়া থেকে পাটনাগামী যে কোনও ট্রেন ধরে আসতে হবে পাটনার একটু আগে বখতিয়ারপুর স্টেশনে। সেখান থেকে বাস বা গাড়িতে যেতে হবে ঘণ্টা দেড়েক দূরে রাজগীর (Rajgir)।
    থাকা-খাওয়া-এখানে রয়েছে সারদা গ্রুপের বেশ কয়েকটি হোটেল। এর মধ্যে রয়েছে ১) হোটেল রাজলক্ষ্মী ২) মা সারদা লজ ৩) বঙ্গবাসী লজ ৪) হোটেল সারদা প্রভৃতি। যোগাযোগ-০৯৩৩৯৮৯৯৪৯৩, ০৯৪৩১৪৮৭৬৪৬। এদের কলকাতায় নিজস্ব অফিস আছে ৫ বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিট-এ । ফোন-৮৫৮২৯১৬৪৯৯ , ৯৪৩৩৭৫২৭২৩, ৯০৫১২৪৮৫৫৭২। প্রসঙ্গত জানাই, এখানে বাস বা গ্রুপ পার্টির থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে।

  • Hyperloop Test Track: ৩০ মিনিটেই বেঙ্গালুরু থেকে চেন্নাই! প্রস্তুত ভারতের প্রথম হাইপারলুপ টেস্ট ট্র্যাক

    Hyperloop Test Track: ৩০ মিনিটেই বেঙ্গালুরু থেকে চেন্নাই! প্রস্তুত ভারতের প্রথম হাইপারলুপ টেস্ট ট্র্যাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষা আর মাত্র কয়েকদিনের। ৩০০ থেকে ৩৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করা সম্ভব হবে মাত্র ৩০ মিনিটে! দিল্লি থেকে জয়পুর বা বেঙ্গালুরু থেকে চেন্নাই পৌঁছতে লাগবে মাত্র আধ ঘণ্টা। ভারতের প্রথম ‘হাইপারলুপ টেস্ট ট্র্যাক’ (Hyperloop Test Track) পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পুরোপুরি তৈরি হয়ে গিয়েছে। ভারতীয় রেলের (Indian Railways) সহায়তায় এই ট্র্যাক বানিয়েছে আইআইটি মাদ্রাজ (IIT Madras)।

    দ্রুত হাইপারলুপ তৈরির চেষ্টা

    রেলমন্ত্রক সূত্রে খবর, যে ট্র্যাক তৈরি করা হয়েছে তা ৪২২ মিটার লম্বা। এই ট্র্যাক দিয়ে গেলে কমপক্ষে ৩৫০ কিলোমিটার পথ ৩০ মিনিট বা তার কমে অতিক্রম করা সম্ভব। এই ট্রেনের গতি হবে ঘণ্টায় ১ হাজার ১০০ কিলোমিটার, যা বুলেট ট্রেনের থেকেও বেশি। সেই প্রেক্ষিতে বলা যায়, হাইপারলুপ দিয়ে দিল্লি থেকে জয়পুর (দুরত্ব মোটামুটি ৩০০ কিলোমিটার) যেতে মাত্র আধ ঘণ্টা সময় লাগবে। ইতিমধ্যে এই প্রজেক্টের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে দু-দফায় ১ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে আইআইটি মাদ্রাজকে। আরও এক দফায় এই টাকা দিতে ইচ্ছুক ভারতীয় রেল মন্ত্রক। আসলে খুব দ্রুত এই হাইপারলুপ প্রজেক্ট বাস্তবায়িত করতে চাইছে তাঁরা।

    হাইপারলুপ ট্রেন কী

    হাইপারলুপ ট্রেন হল যাত্রী এবং মাল বহনের জন্য উচ্চগতির পরিবহন ব্যবস্থা। একটি হাইপারলুপ ট্রেন একটি ভ্যাকুয়াম ক্যাপসুল টিউবের মধ্যে দিয়ে চৌম্বক প্রযুক্তির সাহায্যে একটি পডের উপর চলে। টিউব ঘর্ষণহীন হওয়ায় ট্রেনের গতিবেগ সর্বোচ্চ ১২০০ কিমিতে পৌঁছতে সক্ষম। যদিও জানা গিয়েছে যে, ভারতীয় রেলের হাইপারলুপ ব্যবস্থার সর্বোচ্চ গতি হতে পারে প্রতি ঘন্টায় ৬০০ কিমি। এই ট্রেনের ক্ষেত্রে টিউবের মধ্যে কোনও বাতাস থাকে না। ফলে ট্রেনটির সামনের দিকে এগোতে বায়ুমণ্ডলের কোনও বাধা থাকে না। তাই অতি দ্রুত ট্রেন এগিয়ে যেতে পারে। তাই একে বলে হাইপারলুপ ট্রেন। সাধারণ ট্রেনের মতো হাইপারলুপ ট্রেনের একাধিক কামরা নেই, মাত্র একটি কামরা থাকে। মূলত বিদ্যুতেই চলে এই অত্য়াধুনিক অতিগতিসম্পন্ন এই ট্রেন।

  • Universal Pension Scheme: ইউনিভার্সাল পেনশন স্কিম চালু করছে মোদি সরকার! কী সুবিধা মিলবে জানেন?

    Universal Pension Scheme: ইউনিভার্সাল পেনশন স্কিম চালু করছে মোদি সরকার! কী সুবিধা মিলবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসংগঠিত ক্ষেত্রে চাকরি করেন? পেনশন নেই? তাতে কোনও দুঃখও নেই (India)। কারণ দেশবাসীর জন্য ইউনিভার্সাল পেনশন স্কিম (Universal Pension Scheme) চালু করার কথা ভাবছে কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, বৃদ্ধ বয়সে মূলত অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীরা যাতে আর্থিক সুরক্ষা পান, সে কথা ভেবেই নয়া পরিকল্পনা। শ্রমমন্ত্রক সূত্রে খবর, চাকরিরত হোন বা স্বনিযুক্ত – প্রত্যেকেই চলে আসবেন পেনশন স্কিমের আওতায়।

    ইউনিভার্সাল পেনশন স্কিম (Universal Pension Scheme)

    বিশ্বের অনেক দেশেই চালু রয়েছে ইউনিভার্সাল পেনশন স্কিমের মতো প্রকল্প। আমেরিকা, কানাডা, রাশিয়া এবং চিনের মতো দেশেও চালু রয়েছে এই জাতীয় প্রকল্প। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই নয়া প্রকল্প নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে শ্রমমন্ত্রক। অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরত নির্মাণ শ্রমিক, পরিচারিকা, ডেলিভারি পার্সন- এঁদের প্রত্যেকের কথা মাথায় রেখেই তৈরি হচ্ছে নয়া পেনশন কাঠামো। প্রসঙ্গত, বর্তমানে সরকারি সেভিংস প্রকল্পগুলিতে অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীরা যুক্ত হতে পারেন না।

    পেনশন স্কিমে যুক্ত হতে পারেন সকলেই

    সরকার প্রস্তাবিত পেনশন স্কিমে যুক্ত হতে পারেন সকলেই। তবে কারও ক্ষেত্রেই এই স্কিম বাধ্যতামূলক নয়। বর্তমানে যেসব প্রকল্প রয়েছে, সেগুলির কয়েকটিকে নিয়ে আসা হবে নয়া এই পেনশন স্কিমের আওতায়। কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে এই স্কিমের কোনও যোগ থাকবে না (Universal Pension Scheme)। যাঁরা এই স্কিমে নাম লেখাবেন, তাঁরা নিজেদের মতো করে নির্দিষ্ট অর্থ জমা করবেন। বয়স ষাটের কোঠা পের হলেই মিলবে পেনশন।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার এই প্রকল্পে কিছু বড় ও আকর্ষণীয় প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। যেমন, প্রধানমন্ত্রী মান ধন যোজনা ও ন্যাশনাল পেনশন স্কিম। তবে এই দুই প্রকল্পই ঐচ্ছিক। এই স্কিমে যুক্ত হলে ষাট বছর পর ফি মাসে ৩ হাজার টাকা করে পেনশন মেলে। এই স্কিমে ৫৫ থেকে ২০০ টাকা জমা করতে পারেন। কোনও ব্যক্তি যতটা অবদান রাখবেন, সরকারও তাঁর কাছে তত টাকাই জমা রাখবে।

    জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে অটল পেনশন যোজনাও। এই দুটি স্কিম ছাড়াও সরকার বিল্ডিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ওয়ার্কার্স অ্যাক্টের অধীনে সংগৃহীত সেসও অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। এর ফলে নির্মাণ খাতের শ্রমিকদের পেনশনও দেওয়া সম্ভব হবে। এছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারগুলিকে তাদের পেনশন প্রকল্পগুলি অন্তর্ভুক্ত করতে উৎসাহিত করতে পারে (India)। এতে পেনশনের পরিমাণও বাড়বে। ফলে উপকৃত হবেন বহু মানুষ (Universal Pension Scheme)।

  • Jammu and Kashmir: রাজৌরিতে সেনার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি! জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি জম্মুতে

    Jammu and Kashmir: রাজৌরিতে সেনার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি! জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি জম্মুতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলওয়ামার মতো ফের ভারতীয় সেনাবাহিনীর ট্রাকে হামলা চালাল জঙ্গিরা (Terror Attack)। বুধবার দুপুরে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) রাজৌরি জেলায় একটি সেনা ট্রাককে লক্ষ্য করে গুলি চালায় তারা। পাল্টা জবাব দেয় সেনাও। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হতাহতের খবর মেলেনি। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, সেনার একটি ট্রাক জম্মুর রাজৌরি জেলায় সুন্দেরবানি এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় একদল দুষ্কৃতী গুলি চালায়। সঙ্গে সঙ্গে সেনাবাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। জঙ্গল এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

    প্যাট্রলিং-এর সময় গুলি

    গত কয়েক মাস ধরে জম্মু-কাশ্মীরে একের পর এক জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটছে। কখনও সেনার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি-বোমা চলে, আবার কখনও গ্রামে প্রবেশ করে বাড়িতে বাড়িতে হামলা চালায়। জঙ্গিদের খোঁজে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir)  বিভিন্ন জায়গায় মাঝেমধ্যেই তল্লাশি অভিযান করে সেনা। সুন্দেরবানি মাল্লা রোড সংলগ্ন জঙ্গলে ঘেরা এলাকাগুলিতে প্রচুর জঙ্গি গা ঢাকা দিয়ে থাকে। বুধবার সেই এলাকাতেই টহল দিচ্ছিল সেনা। দুপুর একটা নাগাদ একটি জলাশয়ের ধারে পৌঁছয় টহলদারি বাহিনী। সেই সময়েই জঙ্গলের ভিতর থেকে গুলিবৃষ্টি শুরু হয়। জানা গিয়েছে, ৯ জেএকে ইউনিটের গাড়ি লক্ষ্য করে এক বা দুই রাউন্ড গুলি চালানো হয়। সঙ্গে সঙ্গে পালটা গুলি চালায় সেনাও।

    টহলদারির খবর পেয়েই গুলি

    প্রাথমিকভাবে সেনার অনুমান, টহলদারির খবর ছিল জঙ্গিদের কাছে। সেই কথা জেনেই তারা গুলি চালিয়েছে সেনার গাড়িতে। তবে হামলার পরে আরও বেশি সতর্ক হয়েছে সেনা। সূত্রের খবর, পালটা গুলি চালানো হয়েছে সেনার তরফে। এছাড়াও ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত বাহিনী এবং অস্ত্র পাঠানো হয়েছে। ঘিরে ফেলা হয়েছে গোটা এলাকা। লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের খোঁজে আরও জোরদার তল্লাশি শুরু হয়েছে হামলার পর। দিন কয়েক আগেই জম্মু ও কাশ্মীরের সোপোরের জালোরা গুজ্জরপতি এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে এক জওয়ানের মৃত্যু হয়। সম্প্রতি গুলমার্গেও সেনার গাড়িতে হামলা চলেছিল। তাতে দু’জন জওয়ান এবং বাহিনীর দুই মালবাহকের মৃত্যু হয়েছিল। তবে বুধবারের হামলাও এখনও কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। কারা হামলা চালিয়েছে, সেই তথ্যও অজানা। গুলি চালানোর দায়ও কেউ স্বীকার করেনি এখনও। এর আগে ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় সেনাবাহিনীর কনভয়ে হামলা করে জঙ্গিরা। ওই হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল।

LinkedIn
Share