Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Dowry: দাবি মতো পণ না পেয়ে তরুণীকে এইচআইভি ইনজেকশন, কাঠগড়ায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন

    Dowry: দাবি মতো পণ না পেয়ে তরুণীকে এইচআইভি ইনজেকশন, কাঠগড়ায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবি মতো পণের (Dowry) টাকা ও গাড়ি না পেয়ে এক মহিলাকে এইচআইভি (এডস রোগ) (HIV) ইনজেকশন দেওয়ার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। ভয়াবহ এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) সাহারানপুরে। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন নির্যাতিতার বাবা। মামলা দায়ের করা হয়েছে গাঙ্গোহ থানায়। জেলা পুলিশ সুপার সাগর জৈন জানান, আদালতের নির্দেশে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    মোটা অঙ্কের পণের দাবি (Dowry)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হরিদ্বারের এক যুবকের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন গাঙ্গোহ এলাকার এক ব্যক্তি। পণ বাবদ দিয়েছিলেন একটি গাড়ি, নগদ ১৫ লাখ টাকা এবং বেশ কয়েক লাখ টাকার গয়না। এতে অবশ্য সন্তুষ্ট হয়নি ওই ব্যক্তির মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তারা একটি স্করপিও গাড়ি এবং নগদ ২৫ লাখ টাকা দাবি করেছিলেন বলে অভিযোগ।

    তরুণীকে এইচআইভি ইনজেকশন

    পণ বাবদ এত দাবি আর মেটাতে পারবেন না বলে মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন ওই তরুণীর বাবা। অভিযোগ, এর পরেই শুরু হয় ওই তরুণীর ওপর নিত্য অত্যাচার। প্রতিদিন মারধর করার পাশাপাশি একদিন ওই তরুণীকে বাড়ি থেকে বেরও করে দেওয়া হয়। নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, স্থানীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামের লোকজন বসে সমস্যা মিটিয়ে দেন। বিষয়টি তখনকার মতো ধামাচাপা পড়ে যায়। অভিযোগ, এর পরেই ওই তরুণীকে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন এইচআইভি ইনজেকশন দিয়ে দেয়। নির্যাতিতাকে জোর করে কিছু ওষুধও খাওয়ানো হয়। ওষুধ এবং ইনজেকশনের চোটে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই বধূ।

    ঘটনাটি জানতে পেরে মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটেন ওই তরুণীর পরিবার (Dowry)। সেখানেই ধরা পড়ে নির্যাতিতার এইচআইভি সংক্রমণ। পরীক্ষা করা হয় ওই তরুণীর স্বামীকেও। রিপোর্ট আসে নেগেটিভ। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতার পরিবার। আদালতের নির্দেশে, গাঙ্গোহ থানা (Uttar Pradesh) সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে শুরু করেছে তদন্ত (Dowry)।

  • BSNL: ১৭ বছর বাদে লাভের মুখ দেখল বিএসএনএল

    BSNL: ১৭ বছর বাদে লাভের মুখ দেখল বিএসএনএল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড (BSNL) চলতি আর্থিক বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ২৬২ কোটি টাকার মুনাফা করেছে, যা ২০০৭ সালের পর তাদের প্রথম মুনাফা। এই সাফল্যের পিছনে কোম্পানির উদ্ভাবনী প্রচেষ্টা, নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি ব্যয় সাশ্রয়ের দিকেও ঝুঁকেছে বিএসঅনএল। পাশাপাশি গ্রাহক কেন্দ্রিক পরিষেবা উন্নতির দিকেও নজর দেওয়া হয়েছে।

    বিএসএনএল-এর লাভ

    কোম্পানির ত্রৈমাসিক আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করে বিএসএনএলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এ. রবার্ট জেরার্ড রবি বলেন, “আমরা আমাদের আর্থিক ফলাফল নিয়ে সন্তুষ্ট, যা আমাদের উদ্ভাবনী প্রচেষ্টা, গ্রাহক সন্তুষ্টি এবং আক্রমণাত্মক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের প্রতি মনোযোগের প্রতিফলন। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে, আমরা আশা করছি আগামী আর্থিক বছরে ২০% এরও বেশি রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হব। গত বছরের তুলনায় মোবিলিটি, এফটিটিএইচ এবং লিজড লাইনের রাজস্ব যথাক্রমে ১৫%, ১৮% এবং ১৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও, বিএসএনএল তাদের আর্থিক খরচ এবং মোট ব্যয় কমাতে সক্ষম হয়েছে, যার ফলে গত বছরের তুলনায় তাদের ক্ষতি ১,৮০০ কোটি টাকারও বেশি কমেছে।” তিনি আরও বলেন, “গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নত করতে আমরা নতুন উদ্ভাবনগুলো চালু করেছি যেমন: ন্যাশনাল ওয়াইফাই রোমিং, বিআইটিভি, সকল মোবাইল গ্রাহকের জন্য বিনামূল্যে বিনোদন প্রভৃতি। আমাদের সেবা গুণমান এবং সেবা নিশ্চয়তার প্রতি অবিরত মনোযোগ বিএসএনএল-এর প্রতি গ্রাহকদের আস্থা আরও শক্তিশালী করেছে এবং এটি ভারতীয় টেলিকম সেবা প্রদানকারী হিসেবে আমাদের অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছে।”

    আত্মনির্ভর ভারত এর প্রতীক

    বিএসএনএল-এর প্রধান সেবাগুলির রাজস্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে মোবিলিটি সেবায় ১৫%, এফটিটিএইচ সেবায় ১৮%, এবং লিজড লাইনে ১৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া, আর্থিক খরচ এবং মোট ব্যয় কমানোর ফলে তাদের ক্ষতি প্রায় ১,৮০০ কোটি টাকারও বেশি কমেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারের কৌশলগত পুনরুজ্জীবন কর্মসূচি, স্পেকট্রাম বরাদ্দ এবং মূলধন বরাদ্দের সমর্থনের সঙ্গে, বিএসএনএল দীর্ঘমেয়াদী প্রবৃদ্ধি এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা অর্জনে সক্ষম হবে। এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে কোম্পানির মুনাফায় ফিরে আসা ভারতের ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি এবং ডিজিটাল ইন্ডিয়া এবং আত্মনির্ভর ভারত মিশনের জন্য তাদের অবদানকে প্রতিফলিত করে।

  • Pulwama Attack: পুলওয়ামা হামলার ৬ বছর, শহিদ জওয়ানদের শ্রদ্ধা জানালেন মোদি

    Pulwama Attack: পুলওয়ামা হামলার ৬ বছর, শহিদ জওয়ানদের শ্রদ্ধা জানালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজুড়ে ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইন্স ডে হিসেবে উদযাপিত হয়। তবে ভারতবাসীর ক্ষেত্রে এই দিনটি এক গভীর শোক ও শ্রদ্ধার প্রতীক। ছয় বছর আগে আজকের দিনেই, ২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় (Pulwama Attack) এক ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ৪০ জন বীর সিআরপিএফ জওয়ান শহিদ হন। সেই কারণে, আমাদের দেশে এই দিনটি ‘কালো দিবস’ হিসেবেও পালন করা হয়ে থাকে। আজকের দিনে সেই পুলওয়ামায় নিহত জওয়ানদের স্মরণ করে শহিদদের স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘‘২০১৯ সালে পুলওয়ামায় যে সাহসী বীরদের হারিয়েছি, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা। তাঁদের আত্মত্যাগ এবং জাতির প্রতি তাঁদের অটল নিবেদন আগামী প্রজন্ম কখনও ভুলবে না।’’

    ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি (Pulwama Attack)

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, জম্মু থেকে শ্রীনগরগামী সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ)-এর কনভয়ে হামলা চালায় পাকিস্তানের মদতে চলা জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ। ওই জঙ্গি সংগঠন আত্মঘাতী হামলা চালায়। কনভয়ে ৭৮টি গাড়ি ছিল এবং ২,৫০০-এর বেশি সিআরপিএফ সদস্য ছিলেন বলে জানা যায়। বিস্ফোরণে ৪০ জন জওয়ান শহিদ হন এবং আরও অনেকেই আহত হন। এই হামলা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দেয়।

    প্রত্যেক নাগরিক প্রতিবছর শ্রদ্ধা জানান এই দিনটিতে

    প্রসঙ্গত, প্রতিবছর এই দিনেই প্রত্যেক দেশবাসী শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশবাসী তাঁদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে (Pulwama Attack)। ভালোবাসার এই দিনে, দেশের রক্ষাকর্তাদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানোই প্রকৃত দেশপ্রেমের প্রতিফলন বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পুলওয়ামার ঘটনার প্রতিশোধ নিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী সেই বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বালাকোটে বিমান হামলা চালায়। এই এয়ার স্ট্রাইকে বহু জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস হয়। মারা যায় শয়ে শয়ে জঙ্গি। যদিও এই অভিযানে সাফল্যের পরও পুলওয়ামার (Pulwama Attack) ক্ষত আজও রয়ে গিয়েছে দেশবাসীর মনে।

  • Rajiv kumar: সরে যাচ্ছেন রাজীব কুমার, নয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কে? বৈঠক সোমবার

    Rajiv kumar: সরে যাচ্ছেন রাজীব কুমার, নয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কে? বৈঠক সোমবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে সরে যাচ্ছেন রাজীব কুমার (Rajiv kumar)। যদিও নয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (New Chief Election Commissioner) কে হবেন, তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি। প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে বিহারে। পরের বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, অসম ও কেরলে। সেই প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হবে খুব শীঘ্রই। গোটা নির্বাচন সামলাবেন কোন ব্যক্তি তা নিয়েই জল্পনা শুরু হয়েছে।

    সোমবার বৈঠকে বসবে কমিটি, উপস্থিত থাকবেন মোদি

    এ দিনই খবর সামনে আসে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে সরে যাচ্ছেন রাজীব কুমার (Rajiv kumar)। আগামী মঙ্গলবার তাঁর মেয়াদ শেষ হচ্ছে। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, পরবর্তী নির্বাচন কমিশনার কে হবেন, তা নিয়ে আগামী সোমবারই বৈঠক বসতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল, লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, গত ২৭ জানুয়ারি পরবর্তী মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নাম বাছাইয়ের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গড়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার।

    ২০২২ সালের মে মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন রাজীব কুমার (Rajiv kumar)

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০২২ সালের মে মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন রাজীব কুমার (Rajiv kumar)। গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে শুরু করে জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের তত্ত্বাবধানে (New Chief Election Commissioner) ছিলেন তিনি। এছাড়াও ২০২৩ সালের শেষের দিকে কর্নাটক, তেলঙ্গানা, মধ্য প্রদেশ, রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচনের ব্যবস্থাপনাও তিনি করেছিলেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয়। সেই ভোট পর্ব মিটতেই নিজের দায়িত্ব শেষ করলেন নির্বাচন কমিশনার। প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি মাসেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন রাজীব কুমার। সে সময়ই তিনি বলেছিলেন যে অবসর গ্রহণের পর ৪-৫ মাস হিমালয়ে কাটাবেন।

  • Mahakumbh: শিখ ধর্মের বিভিন্ন আখড়া পবিত্র স্নান সারছে মহাকুম্ভে

    Mahakumbh: শিখ ধর্মের বিভিন্ন আখড়া পবিত্র স্নান সারছে মহাকুম্ভে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪৪ বছর পরে মহাকুম্ভ (Mahakumbh) অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রয়াগরাজে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইভেন্টে পরিণত হয়েছে মহাকুম্ভ। সেখানে জাতি বর্ণ নির্বিশেষে সব মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। ধনী, দরিদ্র, রাজনৈতিক নেতা থেকে বিদেশি কূটনীতিক সবার মেলবন্ধন দেখা যাচ্ছে প্রয়াগরাজে। সম্প্রতি, দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, উপরাষ্ট্রপতি থেকে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান থেকে বড় ব্যবসায়ী মুকেশ আম্বানি সেরেছেন পবিত্র স্নান। মহাকুম্ভে শিখ সম্প্রদায় মানুষদেরও ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং তাঁরাও সেখানে হাজির হয়েছেন পুণ্য অর্জনের আশায়। প্রচুর শিখ ধর্মাবলম্বী মানুষ তাঁরা পবিত্র স্নান সারছেন।

    শিখ আখড়াগুলি সারছে স্নান (Mahakumbh)

    পাঞ্জাব থেকে এসেছে নির্মল আখড়া। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আখড়া গুলি হল বড় উদাসীন আখড়া এবং নয়া উদাসীন আখড়া। এখানে আমাদের জানতে হবে, উদাসীন শব্দের অর্থ হল নিরপেক্ষ (Mahakumbh)। এই আখড়াগুলি গুরু নানকের বাণীকেই অনুসরণ করে এবং তারা গুরুগ্রন্থ সাহেবের কথা মেনে চলে। শিখ ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হল গুরুগ্রন্থ সাহেব। এই আখড়া স্থাপন করেছিলেন বাবা শ্রীচাঁদ। তিনি ছিলেন গুরু নানকের পুত্র এবং শিখদের প্রথম গুরু। এই আখড়ার সাধকরা হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থগুলি পড়াশোনা করেন। তাঁরা ভাগবত গীতা, উপনিষদ সমেত অন্যান্য গ্রন্থ সাহেব পড়াশোনা করেন।

    শিখ (Sikhs) সম্প্রদায়ের রীতি হল মহাকুম্ভে অংশগ্রহণ করা

    গত ২৯ জানুয়ারি সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়েছিল মহাকুম্ভে। সেই সময় মৌনি অমাবস্যায় কোটি কোটি ভক্ত জড়ো হয়েছিলেন প্রয়াগ্ররাজে। সেদিনই পবিত্র স্নান সারে দমদামি তাকশাল নামের একটি শিখ সংগঠনের প্রধান হরনাম সিং ধুমমা। এরপরেই তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন যে শিখ সম্প্রদায়ের রীতি হল মহাকুম্ভে অংশগ্রহণ করা এবং উদাসীন ও নির্মল আখড়া কুম্ভে অংশগ্রহণ করেছে। প্রসঙ্গত দেখা যাচ্ছে, পাঞ্জাব হরিয়ানা এবং দেশের অন্যান্য রাজ্য থেকে অনেক শিখ ভক্ত এসেছেন মহাকুম্ভে পবিত্র স্নান সারতে। হরিদ্বারের নির্মলা আখড়ার প্রধান হলেন দাবিনদার শাস্ত্রী। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন যে নির্মল আখড়ার প্রথা বা রীতি- সবটাই অনুসরণ করা হয় গুরু নানকের বাণী থেকে এবং গুরু নানকের আদর্শকেই ধারণ করে চলে নির্মল আখড়া। সারা দেশ থেকে শিখদের বিভিন্ন আখড়া এসেছে মহাকুম্ভে।

  • Manipur: অশান্ত মণিপুরে বিদেশি ইন্ধন, ঠান্ডা করতেই জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন!

    Manipur: অশান্ত মণিপুরে বিদেশি ইন্ধন, ঠান্ডা করতেই জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত মণিপুরকে (Manipur) ঠান্ডা করতে শেষমেশ জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন। দিন কয়েক আগেই মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন এন বীরেন সিং। তার পরেই সিদ্ধান্ত হয় উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে জারি করা হবে রাষ্ট্রপতি শাসন (Presidents Rule)। সেই মতো বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয় চিত্রাঙ্গদার দেশে।

    রাষ্ট্রপতি শাসন জারি (Manipur)

    বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির কথা। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বয়ানে লেখা হয়েছে, ‘আমি মণিপুরের রাজ্যপালের থেকে রিপোর্ট পেয়েছি। ওই রিপোর্ট দেখে ও অন্য তথ্যগুলির ভিত্তিতে আমার মনে হয়েছে, সংবিধান অনুসারে সেখানে সরকার চালানো সম্ভব হচ্ছে না।’

    উত্তপ্ত মণিপুর

    গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে উত্তপ্ত মণিপুর। ২০২৩ সালে মে মাসে প্রথম মেইতেই ও কুকি-জো সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসাকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সে রাজ্যের পরিস্থিতি। মাঝে কিছুদিনের জন্যে শান্ত ছিল উত্তর-পূর্বের এই রাজ্য। গত সেপ্টেম্বর মাসে মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে (Manipur) নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় অসংখ্য ঘরবাড়ি। দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় মণিপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং এবং রাজ্যের বেশ কয়েকজন বিধায়কের বাড়িতেও হামলা চালায় উন্মত্ত জনতা।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মণিপুরের বেশ কয়েকটি জেলায় কার্ফু জারি করা হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট পরিষেবাও। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সূত্রের খবর, মণিপুরে এ পর্যন্ত কয়েকশো মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গৃহহীন আরও অনেকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মণিপুরের দুই সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার পরে সাময়িক বিরতি হয় অশান্তিতে। কিছুদিন পরেই ফের তপ্ত হয়ে ওঠে মণিপুর। রাজ্যবাসীকে সংযত হওয়ার অনুরোধও করেন মুখ্যমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমাও চেয়েছিলেন তিনি। আশ্বাস দিয়েছিলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে রাজ্যে। তার পরেও (Presidents Rule) অশান্তির আগুনে পুড়েছে রাজ্য।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মণিপুরে লাগাতার অশান্তি জিইয়ে রাখতে সেখানকার বিভিন্ন জনগোষ্ঠীকে ইন্ধন জোগাচ্ছিল বিদেশি শক্তি। নির্বাচিত সরকার থাকলে ওই বিদ্রোহীদের দমন করা যায় না। সেই কারণেই রাষ্ট্রপতি শাসন (Manipur) জারি করে মণিপুরের রাশ হাতে নিতে চাইল সরকার।

  • Manipur: অশান্ত মণিপুরকে ঠান্ডা করতে জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন

    Manipur: অশান্ত মণিপুরকে ঠান্ডা করতে জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত মণিপুরকে (Manipur) ঠান্ডা করতে শেষমেশ জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন। দিন কয়েক আগেই মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন এন বীরেন সিং। তার পরেই সিদ্ধান্ত হয় উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে জারি করা হবে রাষ্ট্রপতি শাসন (Presidents Rule)। সেই মতো বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয় চিত্রাঙ্গদার দেশে।

    মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি (Manipur)

    বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির কথা। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বয়ানে লেখা হয়েছে, ‘আমি মণিপুরের রাজ্যপালের থেকে রিপোর্ট পেয়েছি। ওই রিপোর্ট দেখে ও অন্য তথ্যগুলির ভিত্তিতে আমার মনে হয়েছে, সংবিধান অনুসারে সেখানে সরকার চালানো সম্ভব হচ্ছে না।’

    মণিপুরের পরিস্থিতি

    গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে উতপ্ত মণিপুর। ২০২৩ সালে মে মাসে প্রথম মেইতেই ও কুকি-জো সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসাকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সে রাজ্যের পরিস্থিতি। মাঝে কিছুদিনের জন্যে শান্ত ছিল উত্তর-পূর্বের এই রাজ্য। গত সেপ্টেম্বর মাসে মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে (Manipur) নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় অসংখ্য ঘরবাড়ি। দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় মণিপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং এবং রাজ্যের বেশ কয়েকজন বিধায়কের বাড়িতেও হামলা চালায় উন্মত্ত জনতা।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মণিপুরের বেশ কয়েকটি জেলায় কার্ফু জারি করা হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট পরিষেবাও। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সূত্রের খবর, মণিপুরে এ পর্যন্ত কয়েকশো মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গৃহহীন আরও অনেকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মণিপুরের দুই সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার পরে সাময়িক বিরতি হয় অশান্তিতে। কিছুদিন পরেই ফের তপ্ত হয়ে ওঠে মণিপুর। রাজ্যবাসীকে সংযত হওয়ার অনুরোধও করেন মুখ্যমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমাও চেয়েছিলেন তিনি। আশ্বাস দিয়েছিলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে রাজ্যে। তার পরেও (Presidents Rule) অশান্তির আগুনে পুড়েছে রাজ্য। তার জেরেই জারি হল রাষ্ট্রপতি শাসন (Manipur)।

  • Religious Tourism: ধর্মীয় পর্যটন বৃদ্ধিই লক্ষ্য, বিশ্বের ৩২ লাখ মন্দিরকে একত্রিত করে একটি ব্লক গঠনে উদ্যোগী কেন্দ্র

    Religious Tourism: ধর্মীয় পর্যটন বৃদ্ধিই লক্ষ্য, বিশ্বের ৩২ লাখ মন্দিরকে একত্রিত করে একটি ব্লক গঠনে উদ্যোগী কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ হিসেবে, বিশ্বের প্রায় ৩২ লাখ মন্দির, প্রধানত ভারতে, একটি একক ফেডারেশনের আওতায় সংযুক্ত হতে চলেছে, যার মোট অর্থনীতি প্রায় ৬ লক্ষ কোটি টাকা। এর লক্ষ্য হলো মন্দিরগুলোর কার্যক্রম এবং ধর্মীয় পর্যটন (Religious Tourism) ব্যবস্থাপনাকে সংগঠিত ও আধুনিকভাবে পরিচালনা করা, যাতে সেগুলি সাধারণ জনগণের জন্য সহজে এবং স্বচ্ছভাবে প্রবেশযোগ্য হয়। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য, “ইন্টারন্যাশনাল টেম্পলস কনভেনশন অ্যান্ড এক্সপো (ITCX) ২০২৫” অনুষ্ঠিত হবে, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় মন্দির প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সম্মেলন। এটি ১৭-১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে তিরুপতির আশা কনভেনশনে অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনটি আন্তঃযোগাযোগ এবং আধুনিকীকরণের মাধ্যমে মন্দির ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ এবং জৈন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে একত্রিত করবে।

    ৫৮টি দেশের ২০০০টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ

    প্রাথমিকভাবে, এই সম্মেলনে ৫৮টি দেশের প্রায় ২০০০টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এই সম্মেলন, যেটি “মহাকুম্ভ অফ টেম্পলস” হিসেবে পরিচিত, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে (Religious Tourism) আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী করার পাশাপাশি মন্দির অর্থনীতিকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করবে। কোভিড পরবর্তী সময়ে, আধ্যাত্মিক পর্যটন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বৈষ্ণো দেবী মন্দিরে প্রতিদিন ৩২,০০০ থেকে ৪০,০০০ তীর্থযাত্রী আসেন, যা কোভিডের আগে ১০,০০০ থেকে ১৫,০০০ ছিল।

    পর্যটন মন্ত্রক, সংস্কৃতি মন্ত্রকের নয়া উদ্যোগ

    এই সম্মেলনে মন্দির পরিচালনা সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে, যেমন তহবিল ব্যবস্থাপনা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা প্রোটোকল, এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল টুলস এবং ফিনটেক সলিউশন। বিশেষত খাবার বিতরণ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পুনর্ব্যবহার, এবং টেকসই শক্তি ব্যবস্থার মতো বিষয়গুলির উপর আলোকপাত করা হবে। এতে মন্দিরগুলোর বিভিন্ন সামাজিক সেবাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যেমন স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা প্রোগ্রাম এবং দাতব্য উদ্যোগ। ভারত সরকারের পর্যটন মন্ত্রক, সংস্কৃতি মন্ত্রক এবং “ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া” উদ্যোগের অংশ। মহারাষ্ট্র ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনও (MTDC) এক্ষেত্রে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া এবং অন্ধ্র প্রদেশ, কেরালা, কর্নাটকসহ বিভিন্ন রাজ্যের পর্যটন এবং এনডোওমেন্ট বোর্ডও এতে সহযোগিতা করছে।

  • Somnath Shivling: মামুদের ভাঙা সোমনাথ মন্দিরের শিবলিঙ্গের ভাঙা অংশ সংরক্ষণ করবেন ধর্মগুরু রবিশংকর

    Somnath Shivling: মামুদের ভাঙা সোমনাথ মন্দিরের শিবলিঙ্গের ভাঙা অংশ সংরক্ষণ করবেন ধর্মগুরু রবিশংকর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাচীন ভারতে হিন্দুদের পীঠস্থান সোমনাথ মন্দিরের (Somnath Shivling) শিবলিঙ্গকে ভেঙে চুরমার করেছিলেন গজনির সুলতান মামুদ। সেই ভাঙা জ্যোতির্লিঙ্গগুলি দীর্ঘদিন ধরেই সংরক্ষিত হয়েছিল। বর্তমানে সেই জ্যোতির্লিঙ্গের ভাঙা অংশগুলি নিজের কাছে রাখতে চলেছেন ভারতবর্ষের অন্যতম আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী শ্রী রবি শংকর। জানা গিয়েছে, গজনির সুলতান মামুদ ওই জ্যোতির্লিঙ্গকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করার পরে সেই ভাঙা অংশগুলি ছিল অগ্নিহোত্রী ব্রাহ্মণদের কাছে। বিগত ২১ বছর ধরে এই জ্যোতির্লিঙ্গের ভাঙা অংশগুলি ছিল সীতারাম শাস্ত্রী নামের এক অগ্নিহোত্রী পুরোহিতের কাছে এবং তিনি দেখাশোনা করেছিলেন এগুলি। সীতারাম শাস্ত্রী এগুলিকে হস্তান্তর করে দেন শ্রী শ্রী রবিশঙ্করের (Sri Sri Ravishankar) হাতে।

    কী বললেন সীতারাম শাস্ত্রী?

    সীতারাম শাস্ত্রী জানিয়েছেন (Somnath Shivling), তাঁরা দুই প্রজন্ম ধরে এই জ্যোতির্লিঙ্গের ভাঙা অংশগুলিকে সংরক্ষণ করে আসছেন। শাস্ত্রীর কাকা জ্যোতির্লিঙ্গের ভাঙা অংশগুলিকে সীতারাম শাস্ত্রীর হাতে হস্তান্তর করেছিলেন বলে জানা যায়। সীতারাম শাস্ত্রী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমি একুশ বছর আগেই মূর্তিগুলিকে পেয়েছিলাম। এর আগে আমার কাকা এগুলোকে নিজের কাছে রেখেছিলেন। তিনি আমাকে এই মূর্তিগুলিকে দিয়েছিলেন এবং তিনি আমাকে বলেছিলেন এর মধ্যে অন্তত দুটি মূর্তি যেন গুজরাতের সোমনাথ মন্দিরে তুমি স্থাপন করবে। সোমনাথ শাস্ত্রী জানিয়েছেন এই জ্যোতির্লিঙ্গের ভাঙা অংশগুলির বয়স হাজার বছর হয়ে গেছে। প্রায় আমার কাকা তাঁর গুরু প্রবীন্দ্র সরস্বতীর কাছ থেকে এগুলি পেয়েছিলেন। পরবর্তীকালে আমার কাকার কাছ থেকে এগুলি আমি পাই।’’

    কী বললেন শ্রী শ্রী রবিশংকর (Somnath Shivling)

    অন্যদিকে শ্রী শ্রী রবিশংকর এই বিষয়গুলির ওপরে বলেন, ‘‘সীতারাম শাস্ত্রীর কাকা তাঁর গুরু পরবেন্দ্র সরস্বতীর কাছ থেকে শিবলিঙ্গের অংশগুলি পেয়েছেন। ১০০ বছর আগে এই শিবলিঙ্গের অংশগুলি পেয়েছিলেন তিনি। তখন কাঞ্চির শংকরাচার্যের কাছে তিনি এগুলি নিয়ে যান। শংকরাচার্য তাঁকে বলেছিলেন যে সোমনাথ মন্দিরের শিবলিঙ্গ পবিত্র হতে ১০০ বছর সময় লাগবে। তাই তিনি সেই সময় পর্যন্ত অংশগুলিকে সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।’’ জানা যায়, এক হাজার বছর আগেই শিবলিঙ্গটিকে ধ্বংস করেন গজনির সুলতান মামুদ এবং সোমনাথ মন্দিরের (Somnath Shivling) প্রবেশের সময় মামুদ পঞ্চাশ হাজার মানুষকে হত্যা করেছিলেন বলে জানা যায়। মন্দিরে সমস্ত জিনিসপত্র গজনির সুলতান লুট করেছিলেন এবং শিবলিঙ্গকে ধ্বংস করেছিলেন।

  • New Income Tax Bill: রয়েছে সাড়ে পাঁচশোরও কম ধারা, লোকসভায় নতুন আয়কর বিল পেশ নির্মলার

    New Income Tax Bill: রয়েছে সাড়ে পাঁচশোরও কম ধারা, লোকসভায় নতুন আয়কর বিল পেশ নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান, বৃহস্পতিবার, লোকসভায় নতুন আয়কর বিল পেশ (New Income Tax Bill) করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। ১৯৬১ সালের আয়কর আইনের সংশোধন নয়, বরং পুরনো আইনকে ভুলে নতুন আয়করের বিধানে দেশকে চালাতে চান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। নতুন বিলে ‘করবর্ষ’ চালু করার কথা বলেছে সরকার। আর্থিক বছরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই করবর্ষ আনা হচ্ছে বলে খবর সূত্রের।

    নয়া বিলে কী পরিবর্তন

    সংসদে বিলটি পেশ করার সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) জানান, ‘আয়কর আইনের ধারা কমিয়ে ৮১৯ থেকে নামানো হয়েছে ৫৩৬এ’। যার মাধ্যমে সাধারণের কাছে আগের তুলনায় আয়কর বিধিগুলি বুঝতে অনেকটা সহজ বলে মত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের। তবে আয়করের ধারা কমানো ছাড়াও আরও এক গুচ্ছ পরিবর্তন আনা হয়েছে এই নতুন আইনে। সূত্রের খবর, বিল আইনে পরিণত হলে ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল আরও সহজ হবে। এই নয়া আইনের হাত ধরে আয়কর স্ল্যাব সম্বন্ধে সাধারণের ধারণা আরও স্পষ্ট হবে। অনেক সময়ই দেখা গিয়েছে, না বুঝে আয়কর নিয়ে আইনি সংঘাতে পড়ে যান বহু করদাতা। সেই সমস্যার সুরাহা করতেই নয়া বিলে আনা হয়েছে পরিবর্তন। আইনি সংঘাত কমাতে নেওয়া হয়েছে বড় পদক্ষেপ।

    কেন পরিবর্তন

    চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে ২০২৫-’২৬ আর্থিক বছরের পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা (Nirmala Sitharaman)। বাজেট বক্তৃতাতেই নতুন আয়কর বিল আনার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। এর পর গত সপ্তাহে প্রথামাফিক বিলে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি মন্ত্রিসভা। দেশের কর ব্যবস্থাকে সরল ও আধুনিক করতে নতুন বিলটি আনা হয়েছে বলে দাবি করেছে সরকার। প্রসঙ্গত, নয়া বিল আনা হলেও নতুন করে কোনও আয়কর আরোপ করা হবে না বলে আগেই স্পষ্ট করেছিল কেন্দ্র। এ প্রসঙ্গে অর্থসচিব বলেন, ‘‘বিলটি আইনে পরিণত হলে আয়করের ক্ষেত্রে হ্রাস পাবে আইনি জটিলতা। করদাতারা সহজ সম্মতিতে অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।’’ কেন্দ্রের দাবি, বর্তমানে চালু থাকা আইনের তুলনায় ৫০ শতাংশ ধারা কমিয়ে নতুন বিলটি তৈরি করা হয়েছে। এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হল মামলা-মোকদ্দমার সংখ্যা কমানো।

LinkedIn
Share