Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • BJP: ‘এক দেশ, এক ভোট’ নিয়ে প্রচারে বঙ্গ বিজেপি, রবিতে সভা কলকাতায়, সোমে শিলিগুড়ি

    BJP: ‘এক দেশ, এক ভোট’ নিয়ে প্রচারে বঙ্গ বিজেপি, রবিতে সভা কলকাতায়, সোমে শিলিগুড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘এক দেশ, এক ভোট’ (One Nation One Vote) নিয়ে এবার পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হল জনমত তৈরির কাজ। বিজেপি (BJP) সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসলের বৈঠকেই স্থির হয়েছে, যে সমস্ত পঞ্চায়েতে এবং পুরসভার ওয়ার্ডে বিজেপির নিজস্ব জনপ্রতিনিধি রয়েছে, সেগুলিতে টিম তৈরি করে এক দেশ এক ভোটের প্রচার করা হবে। জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই যা শুরু হয়েছে। দিন কয়েক আগে এই রাজ্যে পা রেখে হাওড়ায় প্রথম সম্মেলন করে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন প্রসাদ।

    আজ সম্মেলন ভবানীপুরে (BJP)

    এরপরে আজ অর্থাৎ রবিবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে একটি সম্মেলন করছেন বিজেপির (BJP) কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। তবে এই সম্মেলন সরাসরি বিজেপির ব্যানারে হচ্ছে না। এর পরিবর্তে বিজেপি প্রভাবিত নানা সংগঠনকে ব্যবহার করা হচ্ছে। আসলে এই সম্মেলনগুলির মাধ্যমে এক দেশ এক ভোটের গুরুত্ব মানুষকে বোঝাতে চাইছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, রাজনীতির বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এক দেশ এক ভোট খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত নির্বাচনী খরচ কমানোর ক্ষেত্রে তো বটেই। এবার এই কথাগুলিই পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে বোঝাতে চায় বিজেপি। তার জন্যই এধরনের জন আন্দোলনের প্রয়োজনীতা রয়েছে বলে বোঝানো হচ্ছে।

    এই ইস্যুতে রাজ্যজুড়ে জন আন্দোলন করতে চায় বিজেপি

    এবার এই ইস্যুতে জন আন্দোলন করতে চায় বিজেপি (BJP)। সেভাবেই জনমত গঠন করতে চাইছেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা। সেই লক্ষ্যে পরিকল্পনা শুরু করেছে বিজেপি। গোটা দেশের বাছাই করা কয়েকজন নেতৃত্বকে নিয়ে গত সোমবার বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসলরা। সোমবার দলের কেন্দ্রীয় দফতর ৬ দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে এই পরিকল্পনা বৈঠক করেন বিজেপি নেতৃত্ব। তারপরেই একেবারে মাঠে নেমে শুরু কাজ। জানা গিয়েছে, আগামীকাল ২৪ ফেব্রুয়ারি সোমবারই শিলিগুড়িতে দলের বৈঠকে যোগ দিতে চলেছেন সুনীল বনসল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ছাব্বিশের প্রস্তুতিতে কোনও খামতিই রাখতে ছাইছে না গেরুয়া ব্রিগেড। সূত্রের খবর, ‘বাজেট টক’ শীর্ষক এক সভাতেই যোগ দিতে শিলিগুড়ি আসছেন সুনীল বনসল। দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হবে ওই বৈঠকে। সেখানে উঠে আসবে এই ইস্যু। সুনীল বনসলের সভা নিয়ে বিজেপি (BJP) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের দাবি, “ছাব্বিশের নির্বাচনে বাংলায় সরকার বদল হবে। আমরা তাঁর প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

  • Amit Shah: “সমবায় ক্ষেত্রকে গতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রচেষ্টা,” বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: “সমবায় ক্ষেত্রকে গতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রচেষ্টা,” বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কেন্দ্রীয় সরকারের প্রচেষ্টা দেশের সমবায় ক্ষেত্রকে গতি দিয়েছে। ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে এই ক্ষেত্রের গুরুত্বকে তুলে ধরেছে।” শনিবার কথাগুলি বললেন (Modi Govt) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    কী বললেন শাহ (Amit Shah)

    এদিন পুণেতে জনতা সহকারী ব্যাংক লিমিটেডের হীরক জয়ন্তী উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন তিনি। সেখানেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার ভারতের সমবায় ক্ষেত্রকে বাজারের উপযোগী করে তুলেছে।” সমবায় সেক্টরকে উন্নত প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়ার অনুরোধও জানান তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “গত তিন বছরে কেন্দ্র দেশজুড়ে সমবায় আন্দোলনকে গতি দেওয়ার জন্য কাজ করেছে। আমরা ভারতের সমবায় খাতের মডেলটিকে বাজারজাত করার উপযোগী করে তুলেছি। আমরা একটি সমবায় বিশ্ববিদ্যালয় বিল আনার মাধ্যমে সমবায় শিক্ষাকে শক্তিশালী করছি।”

    সমবায় খাতকে দিশা দেখিয়েছেন মোদি

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদী সমবায় খাতকে দিশা দেখিয়েছেন এবং সমবায় ক্ষেত্রে নতুনত্ব আনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন (Amit Shah)।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি জাতির সামনে দুটি সংকল্প নিয়েছেন – ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি সম্পূর্ণ উন্নত দেশ হিসাবে গড়ে তোলা এবং ২০২৭ সালের মধ্যে দেশকে ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করা। সমবায় খাতের উন্নয়ন ছাড়া এই সংকল্পগুলি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।” তিনি বলেন, “প্রত্যেক ব্যক্তির উন্নয়ন এবং প্রতিটি ঘরের সমৃদ্ধি না হলে, এই দুটি সংকল্প বাস্তবায়িত নাও হতে পারে।”

    শাহ বলেন, “প্রতিটি ব্যক্তিকে তাদের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ দেওয়া এবং দেশের উন্নয়নের সঙ্গে তাদের সংযুক্ত করা, যাতে প্রতিটি পরিবার সমৃদ্ধ হয়, তা কেবলমাত্র সমবায় আন্দোলনের মাধ্যমেই সম্ভব।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি গত ১০ বছরে (Modi Govt) দেশের কোটি কোটি মানুষকে অনেক মৌলিক সুবিধা দিয়েছেন। এখন, এই মানুষগুলো ভারতের উন্নয়নে অবদান রাখতে চান (Amit Shah)।”

  • Ganga: পৃথিবীর একমাত্র স্বচ্ছ নদী গঙ্গা, ৫০ গুণ দ্রুত দূষণ মুক্ত করে ১,১০০ ধরনের ব্যাকটেরিওফেজ

    Ganga: পৃথিবীর একমাত্র স্বচ্ছ নদী গঙ্গা, ৫০ গুণ দ্রুত দূষণ মুক্ত করে ১,১০০ ধরনের ব্যাকটেরিওফেজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে গঙ্গা (Ganga) হল পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র নদী। যেখানে ১,১০০ ধরনের ব্যাকটেরিওফেজ স্বাভাবিকভাবেই সেখানকার দূষণকে দূর করে। ওই রিপোর্টে আরও উঠে এসেছে, যে ওই ব্যাকটেরিওফেজগুলি তাদের যা সংখ্যা তার চেয়ে ৫০ গুণ বেশি জীবাণু দূর করতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, ওই জীবাণুগুলির আরএনএকে পরিবর্তন করেও জলকে বিশুদ্ধ করে ওই ব্যাকটেরিওফেজগুলি। এনিয়েই গবেষণা চালিয়েছেন পদ্মশ্রী প্রাপক ডক্টর অজয় সোনকারয তিনি মহা কুম্ভের গঙ্গাজল সম্পর্কে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন। শীর্ষস্থানীয় এই বিজ্ঞানী সেখানেই দেখিয়েছেন যে এই ব্যাকটেরিওফেজগুলি কীভাবে সদা গঙ্গা নদীর প্রহরায় নিযুক্ত রয়েছে। প্রসঙ্গত ক্যান্সার, জেনেটিক কোড, কোষ- এই সমস্ত কিছু নিয়ে গবেষণা করেন ডঃ সোনকার।

    বিজ্ঞানীর আরও দাবি (Ganga)

    দেশের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী পদ্মশ্রী ড. অজয়কুমার সোনকার (Ajay Sonkar)। দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলেই তাঁর পরিচয়। এই বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, ল্যাবরেটরিতে তিনি পরীক্ষা করে দেখেছেন কেবল স্নানের (Ganga) উপযুক্তই নয়, এই জল একেবারেই খাঁটি। ওই বিজ্ঞানীর দাবি, কুম্ভের জল আলকালাইন ওয়াটারের মতোই শুদ্ধ। জলের ph লেভেল ৮.৪-৮.৬. যা বিশুদ্ধতার সূচক। তাঁর দাবি, জলে জীবাণুর পরিমাণ বেশি হলে জলের এসিডিটি বেড়ে যায়। Ph লেভেল কমে যায়। কিন্তু কুম্ভের জলের ক্ষেত্রে কোনওটাই হয়নি।

    বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ

    আর নিজের এই দাবির সপক্ষে একেবারে ‘ওপেন চ্যালেঞ্জ’ ছুড়েছেন ড. সোনকার। তাঁর দাবি, কারও মনে যদি এই নিয়ে সামান্যতম সন্দেহও থাকে তাহলে তিনি যেন তাঁর কাছে গঙ্গাজল নিয়ে হাজির হন। তিনি পরীক্ষা করে দেখিয়ে দেবেন জল (Ganga) কতটা বিশুদ্ধ। তিনি জানিয়েছেন, পাঁচটি পৃথক ঘাট থেকে তিনি গঙ্গাজল সংগ্রহ করেছেন। যার মধ্যে সঙ্গম, আরেইলের জলও রয়েছে। আর সেই জল নিয়ে তিনমাস ধরে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে, গঙ্গা জল (Ganga) সবচেয়ে বিশুদ্ধ। এতে স্নান করলে স্বাস্থ্যের কোনও ঝুঁকি নেই। এমনটাই দাবি খ্যাতনামা বিজ্ঞানীর।

  • Trump Modi: “ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির কেমিস্ট্রি খুব ভালো”, বললেন জয়শঙ্কর

    Trump Modi: “ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির কেমিস্ট্রি খুব ভালো”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির কেমিস্ট্রি খুব ভালো।” শনিবার কথাগুলি বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Trump Modi) আমেরিকা সফর খুব ভালো হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। চলতি মাসেই দুদিনের সফরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন জয়শঙ্কর? (Trump Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সম্পর্কে জয়শঙ্কর বলেন, “আমি এটা আমার পুরো জীবন ধরে করে আসছি, তাই আমার কিছু রেফারেন্স পয়েন্ট আছে এবং তুলনামূলক মূল্যায়নের জন্য কিছু অভিজ্ঞতাও রয়েছে। আমি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার সঙ্গে বলব, আমার মনে হয়েছে, সফরটি খুব ভালো হয়েছে।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “লোকেরা জানে যে প্রধানমন্ত্রী মোদি একজন খুব শক্তিশালী জাতীয়তাবাদী এবং তিনি সেই জাতীয়তাবোধকে বিকিরণ করেন।”

    ট্রাম্প-প্রশস্তি

    ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্পর্কে তিনি বলেন, “ট্রাম্প একজন আমেরিকান জাতীয়তাবাদী। আমার মনে হয় অনেকভাবে জাতীয়তাবাদীরা একে অপরকে সম্মান করেন। তাঁরা খুব স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি রাখেন। তাঁরা তাঁদের দেশের জন্য কাজ করেন, ট্রাম্প স্বীকার করেন যে মোদি ভারতের জন্য কাজ করছেন, মোদিও স্বীকার করেন যে ট্রাম্প আমেরিকার জন্য কাজ করছেন (Trump Modi)।” জয়শঙ্কর বলেন, “আমি অনুভব করেছিলাম… রসায়নটি (মোদি-ট্রাম্পের) ভালো ছিল। আবারও, ট্রাম্প কিছুটা অস্বাভাবিক, বিশ্বে অনেক অন্যান্য নেতা রয়েছেন, যাঁদের সঙ্গে তাঁর ইতিবাচক ইতিহাস নেই। কিন্তু মোদিজির ক্ষেত্রে বিষয়টি তা নয়। তিনি (ট্রাম্প) ভারতে দুর্দান্ত একটি সফর করেছিলেন, যা তিনি মনে রেখেছিলেন।”

    জয়শঙ্কর এদিন ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের ওপর একটি ছবির বইয়ের উল্লেখ করেন। বলেন, “তাঁকে জানানো হয়েছিল যে ট্রাম্প নিজেই তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ছবি বেছে নিয়েছিলেন। বেশিরভাগ ছবিই ছিল ভারত সম্পর্কে।এতে ২০২০ সালে তাঁর সফরের সময় আমেদাবাদের মোতেরা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘নমস্তে ট্রাম্প’ ইভেন্টের একটি ছবিও ছিল।” ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মনে হয় আমেরিকার স্বার্থ সম্পর্কে একটি দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, তিনি কী চান এবং আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক থেকে কী চান। আমাদেরও একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। আমরাও আমেরিকার সঙ্গে সুযোগ এবং চাহিদা নিয়ে কথা বলছি (S Jaishankar)। তাই আমি মনে করি, এ নিয়ে খুব খোলামেলা আলোচনা হয়েছে এবং আমি বলতেই পারি, এটি খুব ভালো মনোভাব, আন্তরিকতা এবং সৌহার্দ্যের সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে (Trump Modi)।”

  • Sniper Rifle: নিখুঁত নিশানা! দেড় কিমি দূর থেকেই লক্ষ্যভেদ, ভারতীয় সাবর হারাল মার্কিন ব্যারেট-কে

    Sniper Rifle: নিখুঁত নিশানা! দেড় কিমি দূর থেকেই লক্ষ্যভেদ, ভারতীয় সাবর হারাল মার্কিন ব্যারেট-কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের হাত ধরে অস্ত্রের জগতে ভারত ক্রমাগত শক্তি বাড়াচ্ছে। ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG) বৃহস্পতিবার অল ইন্ডিয়া পুলিশ কমান্ডো প্রতিযোগিতায় (All India Police Commando) কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী এবং রাজ্যগুলির কমান্ডো শাখাকে পরাজিত করে স্নাইপার (Sniper Rifle) বিভাগে জিতেছে। দেশে তৈরি স্নাইপার রাইফেল এবার টেক্কা দিয়েছে তার বিদেশি প্রতিদ্বন্দ্বীদের।

    রাইফেলের নিখুঁত নিশানা

    সর্বভারতীয় পুলিশ কম্যান্ডো প্রতিযোগিতার স্নাইপার (Sniper Rifle) ক্যাটেগরিতে ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড’ (এনএসজি) বাহিনী ‘সাবার’ ব্যবহার করেই ছিনিয়ে এনেছে সেরার সম্মান। এর পোশাকি নাম .৩৮৮ লাপুয়া ম্যাগনাম। এই অস্ত্র প্রায় দেড় কিলোমিটার দূর থেকে নিখুঁত নিশানায় আঘাত করতে পারে শত্রুকে! শুধু নিখুঁত লক্ষ্যভেদই নয়, প্রাণঘাতী আঘাত-সহ সমস্ত মাপকাঠিতেই ‘নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী’ আমেরিকায় তৈরি ৫০ ক্যালিবারের ‘ব্যারেট’কে পিছনে ফেলেছে ‘সাবার’। ওই স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার করে দ্বিতীয় হয়েছে মহারাষ্ট্র পুলিশের বিশেষ সন্ত্রাসদমন কম্যান্ডো বাহিনী ‘ফোর্স ওয়ান’।

    চাহিদা বাড়বে

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের ইছাপুর রাইফেল (Sniper Rifle) ফ্যাক্টরিতে প্রায় দেড় দশক আগে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছিল প্রথম স্নাইপার রাইফেল ‘ঘাতক’। বিভিন্ন রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় আধাসেনা ব্যবহার করে। রাইফেল সাবার সম্পূর্ণরূপে ভারতে তৈরি। এর ডিজাইনও শুধুমাত্র ভারতে করা হয়েছে। এই রাইফেল দিয়ে দেড় কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত নির্ভুল নিশানা করা যায়। বেঙ্গালুরুর ছোট আগ্নেয়াস্ত্র প্রস্তুতকারক এসএসএস ডিফেন্সের তৈরি .৩৮৮ লাপুয়া ম্যাগনাম ইতিমধ্যেই বিদেশের কয়েকটি কম্যান্ডো বাহিনী ব্যবহার করে। উৎকর্ষের নতুন মাত্রায় পৌঁছোনোর ফলে তার চাহিদা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

    দেশীয় প্রযুক্তির গর্ব

    ‘সাবার’ ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি একটি স্নাইপার রাইফেল (Sniper Rifle) । এর সাফল্য দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একটি বড় অর্জন। এটি প্রমাণ করে যে ভারত এখন আন্তর্জাতিক মানের সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করতে সক্ষম। সাবার’-এর সাফল্য ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি দেশের সামরিক সক্ষমতাকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে।

  • JP Nadda: “সেঙ্গোল জাদুঘরে রেখেছিলেন নেহরু, সংসদে স্থাপন করেছেন মোদি”, বললেন নাড্ডা

    JP Nadda: “সেঙ্গোল জাদুঘরে রেখেছিলেন নেহরু, সংসদে স্থাপন করেছেন মোদি”, বললেন নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতীক হিসেবে চোল যুগের সেঙ্গোলকে জাদুঘরে রেখে দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বৈদিক প্রথা অনুযায়ী এটিকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নয়া সংসদ ভবনে।” শুক্রবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)।

    নেহরুকে নিশানা নাড্ডার (JP Nadda)

    কাশী-তামিল সংঘম ৩.০-তে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাড্ডা বলেন, “স্বাধীনতার সময়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু সেঙ্গোল, যা ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতীক, সেটিকে জাদুঘরে রেখে দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈদিক ঐতিহ্য অনুযায়ী এটিকে নতুন সংসদ ভবনে স্থাপন করেছেন। পূর্ব হোক বা পশ্চিম, উত্তর হোক বা দক্ষিণ — প্রধানমন্ত্রী মোদি সারা দেশে সাংস্কৃতিক ঐক্য বজায় রাখার জন্য বহু চেষ্টা করেছেন।” প্রসঙ্গত, রূপার তৈরি ও সোনার প্রলেপযুক্ত সেঙ্গোল, যাকে প্রধানমন্ত্রী মোদি ২০২৩ সালে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন, যা সংসদ সদস্যদের অনুপ্রাণিত করে চলেছে, সেটি দিল্লির নতুন সংসদ ভবনে স্থান পাওয়ার আগে এলাহাবাদ মিউজিয়ামের নেহরু গ্যালারিতে সংরক্ষিত ছিল।

    মোদি-স্তুতি

    নাড্ডা (JP Nadda) বলেন, “কাশী-তামিল সংঘম, কাশী-তেলুগু সংঘম এবং সৌরাষ্ট্র-তামিল সংঘম হল সেই প্রচেষ্টার উদাহরণ, যা প্রধানমন্ত্রী দেশকে ঐক্যের সুতোর মধ্যে বাঁধার জন্য করেছেন।” তিনি বলেন, “এই ধরনের প্রচেষ্টা দেশের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং ভাষাগুলিকে সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করে। কাশী-তামিল সংঘমকে দুটি সংস্কৃতির মিলন হিসেবে বর্ণনা করে নাড্ডা বলেন, “এই অনুষ্ঠানটি দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ভারতীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের সুতোর দ্বারা গেঁথে পরিকল্পিত হয়েছে।” তিনি বলেন, ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’ উদ্যোগকে মাথায় রেখে ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কাশী-তামিল সংঘম শুরু করেছিলেন।

    বিজেপি প্রধান মনে করিয়ে দেন, সুব্রহ্মণ্যম ভারতী, আদিভীরা পাণ্ড্যন এবং অগস্ত্য ঋষির প্রচেষ্টার কথা, যাঁরা দেশের ঐক্যকে মজবুত করতে কাজ করেছিলেন। বক্তব্য শেষে নাড্ডা বিভিন্ন মন্ত্রক আয়োজিত কাশী-তামিল সংঘম উদ্যোগের প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন (PM Modi) এবং সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রক আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজোও দেন তিনি (JP Nadda)।

  • Indias Reaction: কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য তুরস্কের প্রেসিডেন্টের, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Indias Reaction: কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য তুরস্কের প্রেসিডেন্টের, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান সফরে এসে কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য করে বসলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট (Turkish President) রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। কাশ্মীর ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘের প্রস্তাব অনুসারে সমস্যা সমাধনের আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের কাছে এই আপত্তিকর মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত (Indias Reaction)। তুর্কি প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারতের চিরস্থায়ী বিষয়ে এমন আপত্তিকর মন্তব্য আমরা প্রত্যাখ্যান করি। আমরা তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের কাছে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছি। ভারতের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে এমন অযাচিত মন্তব্য কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ।”

    তুর্কি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য (Indias Reaction)

    সম্প্রতি পাকিস্তান সফরে এসেছিলেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। ১৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে পাশে নিয়ে তিনি বলেছিলেন, কাশ্মীর সমস্যার সমস্যার সমাধান করা উচিত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, “কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করা উচিত রাষ্ট্রসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী আলোচনার মাধ্যমে এবং কাশ্মীরের জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে। অতীতের মতো আজও আমাদের রাষ্ট্র এবং আমাদের জাতি আমাদের কাশ্মীরি ভাইদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছে (Indias Reaction )।”

    ভারতের মোক্ষম জবাব

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, “অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করার পরিবর্তে, জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি, ভারতের বিরুদ্ধে সীমান্ত সন্ত্রাসবাদ ব্যবহারের পাকিস্তানের নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা হলে ভালো হত।” পাকিস্তানের সংসদ ভারতের প্রতি কাশ্মীরে গণভোট পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাশ করানোর বিষয়ে আর একটি প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন যে, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এবং সর্বদা তাই থাকবে। তিনি বলেন, এনিয়ে কোনও সন্দেহ বা বিভ্রান্তির অবকাশ নেই। অন্য একটি প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার সবাই জানে কোন দেশ এবং কোন কার্যকলাপ সার্ককে বাধাগ্রস্ত করার জন্য দায়ী (Turkish President)। জয়শঙ্কর জানিয়ে দিয়েছেন যে বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদকে স্বাভাবিক করা উচিত নয় (Indias Reaction)।

  • Mahakumbh: ভক্তদের ৪০ শতাংশই মহিলা! অনন্য নজির মহাকুম্ভে, বলছে রিপোর্ট

    Mahakumbh: ভক্তদের ৪০ শতাংশই মহিলা! অনন্য নজির মহাকুম্ভে, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর বৃহত্তম ইভেন্টে পরিণত হয়েছে মহাকুম্ভ (Mahakumbh)। মনে করা হচ্ছে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভক্ত সংখ্যা ছুঁয়ে যাবে ৬০ কোটি। এই আবহে আরও এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে এসেছে। মহাকুম্ভে ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এদেশের মহিলারা। যাঁদের প্রত্যেকেরই বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। একটি সমীক্ষা বলছে ,মহাকুম্ভে অংশগ্রহণকারী ভক্তদের মধ্যে ৪০ শতাংশই হলেন মহিলা। সমীক্ষাটি চালিয়েছে গোবিন্দ বল্লভ সোশ্যাল সায়েন্স ইন্সটিটিউট।

    মহিলারা নিজেরাই দল করে স্নান করতে আসছেন (Mahakumbh)

    এই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন টিম প্রয়াগের (Women Devotees) স্নানের ঘাটগুলিতে প্রথম দিন থেকেই দাঁড়িয়েছিল। প্রত্যেক জায়গাতে তাঁরা বোঝার চেষ্টা করেছেন কত সংখ্যক মানুষ এসেছেন। তখনই তাঁরা জানতে পেরেছেন যে যাঁরা এসেছেন তাদের ৪০ শতাংশ হলেন মহিলা এবং এঁদের প্রত্যেকের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। এটি একটি বড় সামাজিক পরিবর্তন (Mahakumbh) বলে মনে করা হচ্ছে। আরও উল্লেখযোগ্য তথ্য সামনে এসেছে। দেখা যাচ্ছে এমন অনেক মহিলাদের দল কুম্ভে হাজির হয়েছেন। তাঁরা নিজেরাই আত্মনির্ভর হয়ে পুণ্যস্নানে অংশগ্রহণ করেছেন। কোনও রকমের পরিবারের পুরষ সদস্য তাঁদের সঙ্গে আসেননি।

    কী জানালেন গবেষক দলের সদস্য

    রিসার্চ যাঁরা করেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন অর্চনা সিং। তিনি এনিয়ে সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, এই ঘটনায় বোঝা যাচ্ছে সারাদেশে উল্লেখযোগ্য ভাবে শিক্ষার হার বেড়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যাপকভাবে বেড়েছে মহিলাদের। তাই স্বাভাবিকভাবে এই ধরনের সামাজিক নিয়মগুলিতে (Mahakumbh) পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অতীতে মহিলারা সাধারণত ঘরের যে কোনও আচার অনুষ্ঠানে ব্যস্ত থাকতেন। কিন্তু তাঁরা এখন সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন মহাকুম্ভের মতো বড় এই অনুষ্ঠানগুলিতে।

    মহাকুম্ভকে কেন্দ্র করে বেড়েছে অর্থনীতি

    ১৪৪ বছর পর প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহাকুম্ভ (Maha Kumbh 2025)। এই মহাকুম্ভে ডুব দিয়েছেন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান থেকে কূটনীতিক। বলিউড থেকে শিল্পপতি। দেশের রাজনৈতিক নেতা থেকে ক্রীড়া জগতের বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা। প্রতিদিনই সারা ভারত যেন প্রয়াগরাজের অভিমুখে এগিয়ে চলেছে। এই আবহে মহাকুম্ভের অর্থনৈতিক দিকটি সামনে এসেছে। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স (CAIT) একটি সমীক্ষা চালিয়েছে এবং সেখানে জানানো হয়েছে যে পৃথিবীর বৃহত্তম এই যে ধর্মীয় সমাবেশ অর্থাৎ মহাকুম্ভ এখানেই বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী বিক্রি করে ও পরিষেবা দিয়ে আনুমানিক তিন লক্ষ কোটি টাকারও বেশি ব্যবসা হতে যাচ্ছে।

  • Ayodhya: ভোর থেকে রাত, লম্বা লাইন অযোধ্যায়, প্রয়াগে অমৃতস্নান সেরে রামলালা দর্শনে ভক্তদের ঢল

    Ayodhya: ভোর থেকে রাত, লম্বা লাইন অযোধ্যায়, প্রয়াগে অমৃতস্নান সেরে রামলালা দর্শনে ভক্তদের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪৪ বছর পর প্রয়াগরাজে সম্পন্ন হচ্ছে মহাকুম্ভ। সারা দেশ এখন প্রয়াগরাজমুখী। মনে করা হচ্ছে ৬০ কোটি ভক্ত ছুঁয়ে যাবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই আবহে অযোধ্যায় (Ayodhya) রাম মন্দির দর্শনে দেখা যাচ্ছে ভক্তদের ঢল। ভোর থেকে রাত লম্বা লাইন। সারা দেশ থেকেই ভক্তরা হাজির হচ্ছেন রামলালার (Ramlala) দর্শনে। লাইন শুরু হচ্ছে সকাল পাঁচটা থেকে এবং তা চলছে রাত্রি দশটা পর্যন্ত। প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে পুণ্যস্নান সেরেই প্রচুর ভক্ত আসছেন রামলালার দর্শনে। প্রতিদিন লাখেরও বেশি ভক্তের পা পড়ছে অযোধ্যার (Ayodhya) মাটিতে। এমনটাই জানিয়েছে সেখানকার প্রশাসন।

    ভক্তদের ভিড়ে উন্নত হয়েছে অর্থনীতিও

    এই আবহে ভক্তদের ভিড়কে (Ayodhya) নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যাতে কোনও রকমের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য স্থানীয় প্রশাসন কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করেছে রাম মন্দির চত্বরজুড়ে। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন ২০১৬-১৭ সালে যেখানে অযোধ্যাতে ভক্ত সংখ্যা ছিল ২.৩৫ লক্ষ সেখানে ২০২৪ সালে অযোধ্যায় ভক্ত সংখ্যা হয়েছে ১৪ থেকে ১৫ কোটি এবং এর ফলে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ হয়েছে ব্যাপকভাবে।

    কী বললেন অযোধ্যার (Ayodhya) পুলিশ সুপার?

    চলতি সপ্তাহের প্রথম দিকে অযোধ্যার (Ayodhya) পুলিশ সুপার রাজ করণ নায়ার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘প্রচুর ভক্ত অযোধ্যায় আসছেন। ২৪ ঘণ্টাই আমাদেরকে ডিউটি করতে হচ্ছে। এর পাশাপাশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা ও ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টও করতে হচ্ছে। প্রত্যেক ভক্ত একই উদ্দেশ্যে আসছেন। তাঁরা রামলালাকে দর্শন করতে চান। এখানে যে গাড়িগুলি ঢুকছে সেজন্য পার্কিংয়েরও বন্দোবস্ত করা হয়েছে। ট্রাফিকের জন্য অতিরিক্ত পুলিশও মোতায়ন করা হয়েছে। অযোধ্যার ছটি জায়গাতে আমরা কেন্দ্র তৈরি করেছি। যেখানে নিখোঁজ দর্শনার্থীদের সন্ধানের জন্য সাহায্য করা হবে।’’ অযোধ্যার (Ayodhya) আরেক পুলিশ কর্তা, মধুবন কুমার সিং জানিয়েছেন, প্রতিনিয়তই ভক্ত সংখ্যা বেড়ে চলেছে মহাকুম্ভে। ভক্তরা কুম্ভমেলায় পুণ্যস্নান সেরে রামলালা (Ramlala) দর্শন করতে আসছেন। একই সঙ্গে তাঁরা হনুমানজীর মন্দিরও দর্শন করছেন ।সকাল থেকে রাত পর্যন্ত লাইন চলছে।

  • RSS: “আরএসএস বটবৃক্ষের মতো, আমার মতো লাখো মানুষকে দেশেপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    RSS: “আরএসএস বটবৃক্ষের মতো, আমার মতো লাখো মানুষকে দেশেপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএস (RSS) বটগাছের মতো। আমার মতো লাখ লাখ মানুষকে দেশপ্রেমের মন্ত্রে উদ্ধুব্ধ করেছে।” কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(PM Modi)। শুক্রবার দিল্লিতে তিন দিন ব্যাপী ৯৮তম অখিল ভারতীয় মারাঠি সাহিত্য সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি আরএসএসকে তুলনা করেন বটবৃক্ষের সঙ্গে। তিনি বলেন, “এই সংগঠন (আরএসএস) ভারতের মহান ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নয়া প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এক পবিত্র সাংস্কৃতিক অনুশীলন করে আসছে।” প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এবং এনসিপি (এসপি) সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (RSS)

    প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, আরএসএসের জন্যই তিনি মারাঠি সংস্কৃতি ও ভাষার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছেন। তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্রের মাটিতেই মারাঠিভাষী এক মহাপুরুষ একশো বছর আগে আরএসএসের বীজ বপন করেছিলেন। আজ তা বটবৃক্ষের মতো শতবর্ষ পালন করছে। বেদ থেকে বিবেকানন্দ পর্যন্ত ভারতের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নয়া প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সংস্কার যজ্ঞ চালাচ্ছে। এ নিয়ে গর্ব বোধ করতে হবে।”

    আরএসএস-স্তুতি

    এর পরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার মতো লাখো মানুষকে (RSS) দেশের জন্য বাঁচার প্রেরণা জুগিয়েছে আরএসএস।” তিনি বলেন, “এই সম্মেলন এমন একটা সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের অভিষেকের ৩৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে, যখন পুণ্যশ্লোক অহল্যাবাই হোলকারের ৩০০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে, এবং বাবাসাহেব অম্বেডকরের প্রচেষ্টায় গঠিত সংবিধান তার ৭৫তম বছরে পদার্পণ করেছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা এই গর্বও অনুভব করব যে মহারাষ্ট্রের মাটিতেই এক মহান মারাঠি ভাষাভাষী ব্যক্তি ১০০ বছর আগে আরএসএসের বীজ বপন করেছিলেন।” তিনি বলেন, “আমার সৌভাগ্য যে আমার মতো লক্ষ লক্ষ মানুষ আরএসএসের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করার শিক্ষা পেয়েছে।” মারাঠি ভাষার ক্লাসিক্যাল ভাষার মর্যাদা পাওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কোটি কোটি মানুষ এই মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা (PM Modi) করছিলেন। আমি একে আমার জীবনের একটি মহান মাইলফলক বলে মনে করি (RSS)।”

LinkedIn
Share