Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Manipur Violence: শুরু ‘অপারেশন অল আউট’! মণিপুরে শান্তি ফেরাতে কঠোর নিরাপত্তা বাহিনী

    Manipur Violence: শুরু ‘অপারেশন অল আউট’! মণিপুরে শান্তি ফেরাতে কঠোর নিরাপত্তা বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় দু’বছর ধরে অশান্তি কবলিত মণিপুরে (Manipur Violence) অবশেষে জারি হয়েছে রাষ্ট্রপতি শাসন। কোনও রাজনৈতিক দলের হস্তক্ষেপ না থাকায় উত্তর পূর্বের এই রাজ্যে এখন শান্তি ফিরিয়ে আনতে ‘অপারেশন অল আউট’ চালু করেছে সেনা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী মণিপুরে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাধা সৃষ্টি করছে। তারা গোপনে সরকারের পদক্ষেপগুলি কাজে আসতে দেয়নি। এই সহিংসতায় প্রায় ২৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৬০,০০০ মানুষ গৃহহীন হয়েছে।

    অশান্ত মণিপুর

    গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে তপ্ত রয়েছে মণিপুর (Manipur Violence)। ২০২৩ সালের মে মাসে প্রথম মেইতেই এবং কুকি-জো সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সে রাজ্যের পরিস্থিতি। মাঝে কিছু দিন বিরতির পর গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বহু বাড়িঘর। দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে মণিপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি রাজ্যের বেশ কয়েক জন বিধায়কের বাড়িতেও হামলা চালায় উন্মত্ত জনতা। পরিস্থিতি সামলাতে মণিপুরের বেশ কিছু জেলায় কার্ফু জারি করা হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট পরিষেবাও। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সূত্র মতে, মণিপুরে এ পর্যন্ত কয়েকশো মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গৃহহীন আরও অনেকে।

    রাষ্ট্রপতি শাসন

    রাজনৈতিক পরিস্থিতি সংকটময় হওয়ায়, বীরেন সিং মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেন। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে ১৪ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির শাসন আরোপ করা হয়। এর ফলে রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়। এনিয়ে মণিপুরে ১১ বার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হল। শেষবার ২০০১ সালে ২ জুন রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছিল। যা চলেছিল ২৭৭ দিন।

    অপারেশন অল আউট

    অপরাধীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির শাসনের অধীনে মণিপুরে (Manipur Violence) নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যক্রম আরও কার্যকর হচ্ছে। বিশেষভাবে, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ না থাকার কারণে বাহিনীকে মুক্ত হাত দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে একীভূত সমন্বয় হয়েছে, যা পূর্ববর্তী সফল অপারেশনগুলো যেমন জম্মু-কাশ্মীরে দেখা গিয়েছিল, তার মতো মণিপুরেও শান্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে বলে আশাবাদী কর্তৃপক্ষ। তদন্তে জানা যায় যে সহিংসতা বাড়ানোর জন্য মূলত এক্সটর্সন মাফিয়া জড়িত ছিল। সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালানোর জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ কেনা হচ্ছিল। নিরাপত্তা বাহিনী ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি এক্সটর্সন কার্টেল চিহ্নিত করেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৬০ জন এক্সটর্সন চক্রের সদস্য এবং ২৫০ জন সন্ত্রাসী গ্রেফতার হয়েছে।

    উচ্চ-প্রোফাইল অভিযান

    গত এক সপ্তাহে মণিপুরে (Manipur Violence) কাধিক বড় নিরাপত্তা অভিযান চালানো হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী অবৈধ পপি চাষ ধ্বংস করেছে এবং বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে। এক রুটিন চেকের সময় সাঙ্গাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে এক অভিযানে ৩৪,২০,২০০ টাকা, ২৪ গ্রাম ব্রাউন সুগার, তিনটি মোবাইল ফোন এবং এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও, মণিপুরের খুড়ে লেইফাম পাহাড় রেঞ্জে ১০ একর অবৈধ পপি চাষ ধ্বংস করা হয়েছে। সর্বোচ্চ অভিযান ছিল সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে, যেখানে নিষিদ্ধ বিপ্লবী পিপলস ফ্রন্ট (RPF) এবং পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA)-এর সদস্যদের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালানো হয়েছে। ৩টি অস্ত্র ও গোলাবারুদ সহ তিনজন জঙ্গি গ্রেফতার হয়েছে।

    নিরাপত্তা জোরদার

    মণিপুরে (Manipur Violence) শান্তি ফেরানোর জন্য সম্প্রতি নিরাপত্তা বাহিনী ১১৩টি চেকপয়েন্ট স্থাপন করেছে। এছাড়া ২৫২টি গাড়ির জন্য নিরাপত্তা প্রদান করা হয়েছে, যেগুলি জাতীয় মহাসড়ক ২ ও ৩৭ এ জরুরি সামগ্রী পরিবহন করছে। পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে এবং অভিযান চলবে। সেনা সূত্রে খবর, মণিপুরে শান্তি না ফেরানো পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির শাসনের অধীনে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

  • Assam: অসমে অবৈধ বাংলাদেশির সংখ্যা ১.৬৬ লাখ! বহিষ্কারের সংখ্যা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

    Assam: অসমে অবৈধ বাংলাদেশির সংখ্যা ১.৬৬ লাখ! বহিষ্কারের সংখ্যা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম (Assam) চুক্তির বিধানের অধীনে রাজ্যের ১.৬৬ লাখ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে (Bangladeshi Intruders) অবৈধ অভিবাসী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই রাজ্য থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ৩০ হাজার ১০০ এরও বেশি বাংলাদেশিকে। বুধবার অসম বিধানসভায় এ কথা জানান অসম চুক্তি বাস্তবায়ন মন্ত্রী অতুল বরা।

    কী বললেন মন্ত্রী?(Assam)

    কংগ্রেস বিধায়ক আবদুর রহিম আহমেদের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অসমে মোট ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৩১ জন অভিবাসীকে অবৈধভাবে বসবাসকারী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৮৭০ জন অসমে প্রবেশ করেছে ১৯৬৬ থেকে ১৯৭১ সালের মধ্যে। আর ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের পর অসমে ঢুকেছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৬১ জন। এটি হচ্ছে নাগরিকত্ব নির্ধারণের জন্য অসম চুক্তির নির্ধারিত সময়সীমা। এর পরেই মন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত অসম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ৩০ হাজার ১১৫ জনকে অনুপ্রবেশকারীকে।

    অবৈধ অভিবাসন

    ঐতিহাসিকভাবে, অসম প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অভিবাসনের সম্মুখীন হয়েছে। এটি দশকের পর দশক ধরে রাজ্যের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করেছে। বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অবৈধ অভিবাসন রাজ্যের একাধিক জেলার জনসংখ্যার গঠনও পরিবর্তন করেছে। প্রসঙ্গত, অসম (Assam) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে, ছ’বছরের অভিবাসনবিরোধী অসম আন্দোলনের পর। অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্তকরণ ও বহিষ্কারের মূল ভিত্তি হিসেবে রয়ে গিয়েছে এই চুক্তি।

    চুক্তি অনুযায়ী, ২৪ মার্চ ১৯৭১-এর পরে যারা অসমে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের বিদেশি নাগরিক ঘোষণা করে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। ১৯৬৬ থেকে ১৯৭১ সালের মধ্যে আগতদের ভোটাধিকার দশ বছরের জন্য কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে ১৯৭১-এর পরে আসা অভিবাসীদের সরাসরি বহিষ্কারের বিধান রয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, “চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ১.৬৫ লাখেরও বেশি অবৈধ অভিবাসীকে শনাক্ত করা হলেও, বহিষ্কারের সংখ্যা মোট চিহ্নিত অভিবাসীর তুলনায় নগণ্য।” অসমের বিভিন্ন আদি সংগঠন, বিশেষ করে অসম ছাত্র সংস্থা (AASU) মনে করে যে রাজ্যে কয়েক লাখ অবৈধ অভিবাসী বসবাস করছে। এদিকে, রাজ্যের শাসক দল বিজেপি (BJP) অসম চুক্তি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে (Bangladeshi Intruders)। একে তারা জাতীয় নিরাপত্তা ও সাংস্কৃতিক সংরক্ষণের সঙ্গে যুক্ত করেছে (Assam)।

  • Delhi CM: ২৫০০ টাকা করে পাবেন মহিলারা, শপথ নিয়েই বড় ঘোষণা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখার

    Delhi CM: ২৫০০ টাকা করে পাবেন মহিলারা, শপথ নিয়েই বড় ঘোষণা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী (Delhi CM) পদে শপথ নিয়েই বড় ঘোষণা করলেন বিজেপির রেখা গুপ্ত (Rekha Gupta)। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় দিল্লির রামলীলা ময়দানে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। তার পরেই ঘোষণা করেন, তাঁর সরকার ৮ মার্চের মধ্যে মহিলাদের প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেবে।

    মহিলাদের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা (Delhi CM)

    পূর্বতন আপ সরকারকে তাদের কাজের জন্য জবাবদিহিও করতে হবে বলে জানান দিল্লির নয়া মুখ্যমন্ত্রী। ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মধ্যেই যোগ্য মহিলাদের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা জমা করা হবে।” আপ সরকারকে নিশানা করে নয়া মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তাদের (আপ সরকারকে) প্রতিটি পয়সার হিসেব দিতে হবে।” তাঁর সরকার যে বিজেপির প্রতিশ্রুতি পূরণে দায়বদ্ধ, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন রেখা।

    মোদির স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকার

    এদিন জমকালো শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আগে তিনি কাশ্মীরি গেটের শ্রী মর্ঘট ওয়ালে হনুমান বাবা মন্দির পরিদর্শন করেন। পরে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়ন করাই দিল্লির ৪৮জন বিজেপি বিধায়কের প্রধান অগ্রাধিকার।” এদিন রেখাকে শপথবাক্য পাঠ করান দিল্লির উপরাজ্যপাল ভিকে সাক্সেনা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির শীর্ষ নেতারা। উপস্থিত ছিলেন (Delhi CM) বিজেপি-শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। ছিলেন এনডিএ জোটের নেতারাও।

    প্রসঙ্গত, রেখা হলেন দিল্লির চতুর্থ মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আগে দিল্লি শাসন করেছেন বিজেপির সুষমা স্বরাজ, কংগ্রেসের শীলা দীক্ষিত এবং আপের অতিশী মারলেনা। রেখার পাশাপাশি এদিন শপথ নেন পরবেশ বর্মা, আশিস সুদ, মনজিন্দর সিং সিরসা, কপিল মিশ্র, রবীন্দ্র ইন্দ্ররাজ সিং এবং পঙ্কজ সিং। শপথ গ্রহণের পর মুখ্যমন্ত্রী ও অন্য মন্ত্রীরা তাঁদের দায়িত্ব বুঝে নিতে দিল্লি সচিবালয়ে যান।

    অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু বলেন, “আমরা দিল্লিতে একটি নতুন পরিবর্তন দেখতে চলেছি। এখন থেকে একটি ভিন্ন দিল্লি হবে। রাজ্যের প্রতিটি নাগরিক দিল্লি নিয়ে গর্বিত হবেন। আমরা খুব খুশি, এখন দিল্লিতে নয়া যুগের সূচনা হতে চলেছে। চমৎকার উন্নয়নও হতে যাচ্ছে। গত ১০ বছর ধরে দিল্লিতে (Rekha Gupta) কোনও ভালো কাজ হয়নি। এখন একটি নতুন যুগের সূচনা হবে (Delhi CM)।”

  • Indian Army: বাংলাদেশ নিয়ে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ভারতের, কী বললেন সেনাপ্রধান?

    Indian Army: বাংলাদেশ নিয়ে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ভারতের, কী বললেন সেনাপ্রধান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা-উত্তর জমানায় অশান্ত হয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পরেই বেড়েছে অশান্তির বহর। এহেন আবহে (Indian Army) কখনও বাংলাদেশি সেনার উচ্চ পর্যায়ের দল পাকিস্তানে (Pakistan) গিয়ে দেখা করেছে পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই কর্তাদের সঙ্গে। কখনও আবার আইএসআইয়ের পদস্থ কর্তারা ঢাকার বিলাসবহুল হোটেলে গিয়ে ইউনূস প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এই প্রেক্ষিতে, পদ্মাপাড়ে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সঙ্গে দহরম-মহরম বাড়ানোর চেষ্টা করা পাকিস্তানকে ঘুরিয়ে কড়া বার্তা দিল ভারতীয় সেনা।

    ‘সন্ত্রাসের এপিসেন্টার’ পাকিস্তান

    সাম্প্রতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, সদ্য সীমান্তের ‘চিকেনস নেক’ এলাকার কাছে বাংলাদেশের বেশ কিছু এলাকায় পা পড়েছে পাকিস্তানের সেনা কর্তা ও সেদেশের গুপ্তচর বিভাগের সদস্যদের। এলাকায় তাঁরা পরিদর্শন করতে যান বলে ছিল খবর।  পূর্ব ভারতে পাকিস্তানের গতিবিধি প্রসঙ্গে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, “একটি দেশের (পাকিস্তান) জন্য আমি একটা শব্দ ব্যবহার করেছিলাম, ‘সন্ত্রাসের এপিসেন্টার’। সেনাপ্রধান যোগ করেন, এবার সে দেশের লোকজন অন্য দেশে যাচ্ছেন এবং সেই অন্য দেশটি যদি আমাদের প্রতিবেশী দেশ হয়, যতদূর আমার মনে হচ্ছে, আমার উদ্বেগে থাকারই কথা…যাতে তারা সে দেশের মাটি ব্যবহার করে ভারতে সন্ত্রাসবাদী না পাঠায়, সেটা নিয়েই ভাবনা।”

    ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক প্রসঙ্গে ভারতের সেনা প্রধান (Indian Army) বলেন, “যে সেট আপ সেখানে রয়েছে, তা প্রশাসনিক, নির্বাচিত সরকার এলে সম্পর্কের বিষয়ে বলা যাবে।” তবে বাংলাদেশের সেনার (Pakistan) সঙ্গে ভারতীয় সেনার সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত বলে তিনি জানান। সেনাপ্রধান বলেন, “যখন দরকার পড়ে, আমরা নোট আদানপ্রদান করে নিই। এভাবেই চলে আসছে।”

    ভারতীয় সেনার কড়া জবাব (Indian Army)

    এরই মধ্যে আবার কাশ্মীরে পাকিস্তান সম্প্রতি সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। তার যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা। এহেন আবহে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী। তিনি বলেন, “২০১৪ সাল থেকে উভয় পক্ষই জানে যে আমরা কাজে বিশ্বাসী। আমরা আমাদের বার্তা খুব স্পষ্টভাবে দিয়ে থাকি। প্রয়োজন পড়লে আমরা আগ্রাসীও হতে পারি। আমাদের যদি কেউ বাধ্য করে, তাহলে আমরা আমাদের বার্তা পৌঁছে দিতে আগ্রাসী হব।” ভূস্বর্গে সন্ত্রাস প্রশ্নে সেনাপ্রধান (Indian Army) বলেন, “স্থানীয় জঙ্গির সংখ্যা এখন অনেক কমে গিয়েছে। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাস থেকে কাশ্মীরে আমাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তা গিয়েছে। কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এবং তা নিয়ে কোনওভাবে আমরা কোনও আপোস করব না। আর এখন কাশ্মীরে সব নিরাপত্তা বাহিনী সাধারণ মানুষকে সাহায্য করতে হাতে হাত মিলিয়েছে।”

  • Mahakumbh: মমতার ‘মৃত্যুকুম্ভ’ মন্তব্য, ‘‘সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসবের অপমান’’, তোপ যোগীর

    Mahakumbh: মমতার ‘মৃত্যুকুম্ভ’ মন্তব্য, ‘‘সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসবের অপমান’’, তোপ যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বিধানসভায় মহাকুম্ভকে (Mahakumbh) ‘মৃত্যুকুম্ভ’ বলে উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবিকে নস্যাৎ করলেন যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। মমতার দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। যোগীর মতে, সনাতন ধর্মের সবথেকে বড় উৎসবের অপমান করেছে তৃণমূল একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগে যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘‘৫৬ কোটি মানুষের বিশ্বাস নিয়ে খেলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’’ সম্প্রতি রাজ্যের বিধানসভায় মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলে অ্যাখ্যা দেন মমতা। এরপরই বিভিন্ন মহলে ওঠে সমালোচনার প্রবল ঝড়। রাস্তায় নামে বিজেপি। এরপরেই গতকাল বুধবার উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ পাল্টা জবাব দেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

    মহাকুম্ভকে (Mahakumbh) অপমান তৃণমূলের

    মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, ‘‘আমরা যখন আলোচনা করছি, তখন কুম্ভে (Mahakumbh) ৫৬ কোটি ২৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ সঙ্গমে ডুব দিয়েছেন। ভারতের আস্থা বা মহাকুম্ভের বিরুদ্ধে যারা মন্তব্য করছেন, মিথ্যা ভিডিও দেখাচ্ছেন, তারা ৫৬ কোটি মানুষের বিশ্বাস নিয়ে খেলছেন। ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়)। সনাতন ধর্মের সবথেকে বড় উৎসবের অপমান করেছে তৃণমূল।’’ যোগী আদিত্যনাথ আরও বলেন, ‘‘সনাতন ধর্ম রাষ্ট্রীয় ধর্ম। এই ধর্মের অনুষ্ঠান পালন করা যদি অপরাধ হয়, তবে সরকার এই অপরাধ করবে।’’

    মিথ্যা প্রচারে কান দেবেন না

    মহাকুম্ভে (Mahakumbh) পদপিষ্ট হয়ে নিহতদের, তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘‘সরকার এঁদের পাশে রয়েছে। যথা সম্ভব সাহায্য করব আমরা। কিন্তু এটা নিয়ে কী রাজনীতি করা উচিত?’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘এটা বিজেপি সরকারের সৌভাগ্য যে মহাকুম্ভের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরেছে, আয়োজনের সুযোগ পেয়েছে। আমরা নিজেদের দায়িত্ব জানি। গোটা দেশ ও বিশ্ব মহাকুম্ভে অংশ নিয়েছে। এই সব মিথ্যা প্রচারে কান দেবেন না।’’

    ষড়যন্ত্র চলছে কুম্ভকে বদনাম করতে

    বিরোধীদের মুখ বন্ধ করে দিয়ে যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বলেন, ‘‘এরা প্রথম দিন থেকেই কুম্ভের বিরোধিতা করছে। কুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলছে। মহাকুম্ভের (Mahakumbh) বদনাম করার ষড়যন্ত্র চলছে। ওদের ভাষা সভ্য সমাজের ভাষা নয়। অনর্গল মিথ্যা প্রলাপ মানুষের আস্থার উপর আঘাত করছে। মানুষ ওদের অপপ্রচার মানছে না। কুম্ভের প্রচার করা অন্যায় নাকি!উত্তর প্রদেশ নিয়ে এখন মানুষের ধারণা বদলেছে। এরা আকবরের কেল্লার কথা জানে না। অক্ষয় বটের কথা জানত না। রেলের কাজ যথেষ্ট প্রশংসাযোগ্য।’’

    সনাতন ধর্মের অপমান মমতার স্বভাব তোপ শিবরাজের

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুকুম্ভ মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘সনাতন ধর্মের অপমান করা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বভাবে দাঁড়িয়ে গিয়েছে। ভারতীয় সংস্কৃতি আজকের নয়। হাজারো বছর ধরে গঙ্গার জলের মতো ভারতীয় সংস্কৃতি প্রবাহিত হয়ে আসছে। যাঁরা সনাতন ধর্মের দিকে আঙুল তোলেন, তাঁরা নিজেরাই নিজেদের লোকসান করছেন। মানুষের আস্থা-ভরসা-ভাবনার উপর আঘাত করা অপরাধ সমান।’’

  • Delhi New CM: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ রেখা গুপ্তর, চিনুন বিজেপির এই নেত্রীকে

    Delhi New CM: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ রেখা গুপ্তর, চিনুন বিজেপির এই নেত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির নয়া মুখ্যমন্ত্রী পদে বসলেন বিজেপির রেখা গুপ্ত (Delhi New CM)। আজ, বৃহস্পতিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে হয় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান (Rekha Gupta)। বুধ-সন্ধ্যায় বিজেপির প্রবীণ নেতা তথা সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ মুখ্যমন্ত্রী পদে নাম ঘোষণা করেন রেখার।

    রেখা এবারই প্রথম বিধায়ক (Delhi New CM)

    বছর পঞ্চাশের রেখা এবারই প্রথম বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি শালিমার বাগ কেন্দ্রের বিধায়ক। ২৯ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আপের বন্দনা কুমারীকে। রেখা হলেন দিল্লির চতুর্থ মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আগে ওই পদে বসেছিলেন বিজেপির সুষমা স্বরাজ, কংগ্রেসের শীলা দীক্ষিত এবং আপের অতিশী।

    হরিয়ানায় জন্ম রেখার

    ১৯৭৪ সালের ১৭ জুলাই হরিয়ানার জুলানায় জন্ম রেখার। দিল্লির দৌলত রাম কলেজ থেকে বিকম পাশ করেন। পরে মিরাটের চৌধুরী চরণ সিং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনের ডিগ্রি লাভ করেন। আরএসএসের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ৩২ বছরের। ১৯৯২ সালে তিনি যখন দৌলত রাম কলেজে ছিলেন, তখন তিনি এবিভিপি করতেন। ১৯৯৫-৯৫ সালে তিনি ছিলেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ইউনিয়নের সম্পাদক। তার পরের বছরই হন সভাপতি (Rekha Gupta)।

    বিজেপিতে যোগ ২০০২ সালে

    ২০০২ সালে রেখা (Delhi New CM) যোগ দেন বিজেপিতে। দলের যুব শাখার জাতীয় সম্পাদক হন। মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশে বিজেপির মহিলা শাখার দায়িত্বেও ছিলেন রেখা। হয়েছিলেন বিজেপির মহিলা মোর্চার জাতীয় সহ-সভাপতিও। ২০০৭ এবং ২০১২ সালে রেখা দিল্লি পুরসভার ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জিতে কাউন্সিলর হন। ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন শালিমার বাগের কাউন্সিলর। ছিলেন নাগরিক সংস্থার নারী কল্যাণ ও শিশু উন্নয়ন কমিটির প্রধান। ২০০৭ সালে দিল্লির পুরভোটে রেখা প্রথমবার উত্তর পিতমপুরা থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। তিনি তিনবারের কাউন্সিলর এবং দক্ষিণ দিল্লি পুরসভার প্রাক্তন মেয়র (Delhi New CM)। ২০২২ সালের পুরভোটে রেখাকে আপের মেয়র পদপ্রার্থী শেলি ওবেরয়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী করে বিজেপি। যদিও সেবার জিততে পারেননি রেখা।

    রেখা বৈশ্য সম্প্রদায়ের

    রেখাকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী করে মহিলা মুখ্যমন্ত্রীদের ঐতিহ্য এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে বিজেপি। রেখা বৈশ্য সম্প্রদায়ের। দিল্লির একটি বড় অংশের ভোটার এই সম্প্রদায়ের। দিল্লি একাধিক নারী মুখ্যমন্ত্রী দেখেছে। এর মধ্যে কংগ্রেসের শীলা দীক্ষিতের ১৫ বছরের শাসনকাল অন্যতম। বছর ২৭ আগে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বিজেপির সুষমা স্বরাজ। দিল্লির শেষ মহিলা মুখ্যমন্ত্রী কালকাজির বিধায়ক আতিশী। তিনি মাত্র পাঁচ মাস ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী পদে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কেজরিওয়াল মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার পর দায়িত্ব দেওয়া হয় আপ নেত্রীকে।

    রেখাকেই বেছে নিল বিজেপি

    রেখাকে মুখ্যমন্ত্রী (Delhi New CM) পদে বেছে নিতে বুধবার বৈঠকে বসে গেরুয়া শিবিরের সংসদীয় বোর্ড। ওই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয় রবিশঙ্কর প্রসাদ ও ওমপ্রকাশ ধনখড় হবেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক। ওই দুই পর্যবেক্ষক বুধবার সন্ধেয় দিল্লির বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসেন। পরিষদীয় দলের বৈঠকেই পরিষদীয় দলের প্রধান হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় শালিমার বাগের বিধায়কের নাম। এদিন সন্ধেয় নাম ঘোষণার পরেই বিজেপি বিধায়করা রওনা দিয়েছিলেন দিল্লির উপরাজ্যপালের বাসভবনের উদ্দেশে। সেখানেই আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার গঠনের দাবি জানান রেখা। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি জানান, দিল্লির জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন তিনি। তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী (Rekha Gupta) তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অতিশী।

    রেখাকে শুভেচ্ছা বিজেপির

    রাজধানীর চতুর্থ মহিলা মুখ্যমন্ত্রীকে এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছা জানিয়েছে দিল্লি বিজেপি। সেখানে লেখা হয়েছে, “দিল্লি বিজেপির নেতা নির্বাচিত হওয়ার জন্য শ্রীমতি রেখা গুপ্তজিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আমাদের পূর্ণ বিশ্বাস যে আপনার নেতৃত্বে রাজ্য এগিয়ে যাবে।” উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয়েছে পরবেশ শর্মাকে। মুখ্যমন্ত্রিত্বের দৌড়ে ছিলেন তিনিও। পরবেশ জানান, নারী সশক্তিকরণের লক্ষ্যেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে রেখাকে। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী অতিশী, আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালও বিশেষ বার্তা দিয়েছেন দিল্লির চতুর্থ মহিলা মুখ্যমন্ত্রীকে।

    রেখার শাশুড়ির প্রতিক্রিয়া

    আদরের বউমা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে বসছেন শুনে যারপরনাই উচ্ছ্বসিত রেখার শাশুড়ি। তিনি বলেন, “চমকেগা নাম রেখা গুপ্ত, চমকেগা দিল্লি।” বউমাকে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়ে তিনি বলেন, “রাজনীতির পাশাপাশি বউমা ঘরের কাজটাও নিপুণ হাতে সামলান।” স্ত্রীর সাফল্যে গর্বিত রেখার স্বামী মণীশও। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে রেখার নাম ঘোষণা হতেই খুশিতে মেতে ওঠেন তাঁর পড়শিরা। তা দেখে রেখার শাশুড়ি বলেন, “আশপাশে দেখ একেবারে উৎসবের মেজাজ (Rekha Gupta)। বিয়েবাড়ির চেয়েও বেশি আনন্দ এখানে। সবাই আনন্দে নাচছে, লাফাচ্ছে। চারদিকে কেবলই খুশির হাওয়া (Delhi New CM)।”

  • Rekha Gupta: দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির রেখা গুপ্ত, উপমুখ্যমন্ত্রী পারবেশ

    Rekha Gupta: দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির রেখা গুপ্ত, উপমুখ্যমন্ত্রী পারবেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির রেখা গুপ্ত (Rekha Gupta)। উপমুখ্যমন্ত্রী পারবেশ বর্মা। বুধবার সন্ধ্যায় বিজেপির বৈঠকে বেছে নেওয়া হয় রেখা এবং পারবেশকে (Delhi CM)। প্রায় ২৭ বছর পরে দিল্লির কুর্সিতে ফিরছে বিজেপি। আপ দুর্গে ধস নামিয়ে দিল্লির ক্ষমতায় এসেছে পদ্ম শিবির। তার পরেই জল্পনা শুরু হয় দিল্লির কুর্সিতে কে বসবেন বিজেপির। এদিন বৈঠক শেষে বিজেপির তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় রেখার নাম।

    জয়ী পদ্ম পার্টি (Rekha Gupta)

    ৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হয় দিল্লি বিধানসভার। ৭০ আসনের বিধানসভায় ৪৮টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে পদ্ম পার্টি। রাজ্যের শাসক দল আপ পেয়েছে মাত্র ২২টি আসন। খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে কংগ্রেসকে। গোহারা হেরে গিয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। বৃহস্পতিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে হবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। ইতিমধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে রামলীলা ময়দান সাজানোর কাজ (Rekha Gupta)। এখানেই দুপুর ১২টায় হবে শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান।

    শপথের প্রস্তুতি

    সরকারি এক আধিকারিক বলেন, “শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে রামলীলা ময়দান। ২৫ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হবে।” তিনি বলেন, “২৫ হাজারেরও বেশি পুলিশ কর্মী ও ১৫ কোম্পানিরও বেশি আধা সামরিক বাহিনী কড়া প্রহরায় নিযুক্ত থাকবে। শুধু রামলীলা ময়দানের চারদিকে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ৫ হাজারেরও বেশি পুলিশ কর্মী। তাদের সঙ্গে থাকবে আধা সামরিক বাহিনীও।” তিনি বলেন, “আমরা ২ হাজার ৫০০টিরও বেশি কৌশলী পয়েন্ট চিহ্নিত করেছি। সেখানে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা থাকবে।”

    বিজেপির সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবা বলেন, “অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। থাকবেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে শুরু করে অটোরিক্সা চালক এবং শ্রমিকরাও। নাগরিক সমাজের (Delhi CM) কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বও উপস্থিত থাকবেন এদিনের (Rekha Gupta) অনুষ্ঠানে।”

  • KIIT Suicide: কলিঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীমৃত্যুর ঘটনায় নেপালি পড়ুয়াদের পাশে এবিভিপি

    KIIT Suicide: কলিঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীমৃত্যুর ঘটনায় নেপালি পড়ুয়াদের পাশে এবিভিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-নেপাল কূটনৈতিক বিবাদের সূত্রপাত ঘটতে যাচ্ছিল ওড়িশায় নেপালি ছাত্রীর আত্মহত্যাকে কেন্দ্র করে। তবে তার আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে ভারত সরকার। এই ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় ওড়িশা বিজেপি ও অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)। নেপালি ছাত্রছাত্রীদের পাশে দাঁড়ায় এবিভিপি। নেপাল দূতাবাসের ভারতীয় শাখা দুই কর্মকর্তাকে পাঠানোর আগে, এবিভিপি ও তাদের ওড়িশা শাখা তিনটি দিকনির্দেশনা দেয়: শিক্ষার্থীদের সাহায্য করা, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং অবিলম্বে বিক্ষোভ শুরু করা। এবিভিপি সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্দেশনা ছিল স্পষ্ট  “ওডিশায় নেপালি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং বৃহত্তর পরিপ্রেক্ষিতে সঠিক জায়গায় থাকার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।”

    কী ঘটেছিল কলিঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে

    গত রবিবার ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি(KIIT) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে মেয়েদের হস্টেলের ঘর থেকে এক নেপালি ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, তিনি বি টেক তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন। হস্টেলের ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। ছাত্রীর দেহ উদ্ধারের পর নেপালি পড়ুয়ারা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ দেখান। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নেপালি পড়ুয়াদের ক্যাম্পাস খালি করার নির্দেশ দেয়। ২০ বছর বয়সী নেপালি ছাত্রী প্রাকৃতী লামসালের আত্মহত্যা দুই দেশের সম্পর্কেও চিড় ধরাতে শুরু করে। যদিও ভারতে নেপালি ছাত্রদের পাশে দাঁড়ায় এবিভিপি।

    নেপালি পড়ুয়াদের পাশে থাকার বার্তা

    ভুবনেশ্বরে কেআইআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে নেপালি ছাত্রীর দেহ উদ্ধারের পর নেপালে ফিরে যাচ্ছেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের নেপালি পড়ুয়ারা। আর নিজের দেশে ফিরে যাওয়ার পথে যাতে খাবার কিংবা অন্য কোনও অসুবিধায় তাঁদের না পড়তে হয়, সেজন্য এগিয়ে যায় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। বিভিন্ন স্টেশনে খাবার, জল-সহ নানা সামগ্রী নিয়ে পৌঁছে যান এবিভিপির সদস্যরা। নেপালি পড়ুয়াদের দিকে সবরকম সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন। উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের গোরখপুর, রাক্সৌল, মুজফ্ফরপুর, পটনা-সহ বিভিন্ন স্টেশনে পৌঁছে যান এবিভিপি সদস্যরা। এছাড়াও এই দুই রাজ্যের সঙ্গে অন্য রাজ্যে একাধিক ট্রানজিট পয়েন্টে উপস্থিত ছিলেন তাঁরা। নেপালি পড়ুয়াদের সুরক্ষা ও ভারতে তাঁদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তা নিশ্চিত করার ছিল এবিভিপি-র কাজ।

    কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব এড়ানোর চেষ্টা

    ভুবনেশ্বর কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি (কেআইআইটি)-তে নেপালি ছাত্রীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় বিতর্কের ঝড় উঠেছে নানা মহলে। বিক্ষোভরত নেপালি ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশে ‘জাতিবিদ্বেষী’ এবং ‘অপমানজনক’ মন্তব্য করার অভিযোগও উঠেছে। এদিকে, নেপালি পড়ুয়াদের এভাবে ক্যাম্পাস ছাড়ার নির্দেশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছে এবিভিপি। ওড়িশার এবিভিপি ইউনিট এক্স হ্যান্ডলে এই নির্দেশের নিন্দা করে। এদিকে, ক্যাম্পাসে ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে ওড়িশা সরকার। এমনকি, নেপালি পড়ুয়াদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবিভিপি তিনটি মোবাইল নম্বর প্রকাশ করে, যার মাধ্যমে নেপালি শিক্ষার্থীরা তাদের সাহায্য নিতে পারেন।

    ওড়িশা বিজেপির প্রয়াস

    নির্যাতিত শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য, এবিভিপি বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ শুরু করে, কেআইআইটির ক্যাম্পাসের বাইরে এবং ভুবনেশ্বরে বাইক র‍্যালি আয়োজন করে। এবিভিপি নেতা, বীরেন্দ্র সোলাঙ্কি, শিক্ষামন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। এদিকে, রাজ্য বিজেপি শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে, বিধায়ক বাবু সিং, কেআইআইটি প্রতিষ্ঠাতা অচ্যুত সমন্তাকে গ্রেফতারের দাবি তোলেন। ওডিশার উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী সূর্যবানশী সুরাজও জানতে চান, “নেপালি শিক্ষার্থীদের কটক রেলওয়ে স্টেশনে কেন নামানো হয়েছিল? কেন কেআইআইটি কর্তৃপক্ষ সরকারকে এ বিষয়ে জানায়নি?”

  • PM Modi: দিল্লি জয় অতীত, এবার ভোটমুখী বিহার, তামিলনাড়ুতে নজর মোদির, জনসভা চলতি মাসেই

    PM Modi: দিল্লি জয় অতীত, এবার ভোটমুখী বিহার, তামিলনাড়ুতে নজর মোদির, জনসভা চলতি মাসেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিজয় হয়েছে। বিজেপির (BJP) দাবি, তাঁর মিস্টার ক্লিন ইমেজ এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দক্ষতার জেরে আপ দুর্গে বিজেপির ধস নামানো হয়েছে অনায়াস। এ সবই হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) কল্যাণে। সেই কারণেই ফের প্রধানমন্ত্রীকেই নির্বাচনী প্রচারে চাইছেন চলতি বছর যে দুই রাজ্যে বিধানসভার নির্বাচন হবে, সেখানকার নেতা-কর্মীরা। এ বছর বিধানসভা নির্বাচন হবে বিহার এবং তামিলনাড়ুতে। এই দুই রাজ্যেই চলতি মাসেই দুটি নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী বছর ভোট রয়েছে অসমে। সেখানেও একটি জনসভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    ভাগলপুরে জনসভা (PM Modi)

    ২৪ ফেব্রুয়ারি বিহারের পূর্বাঞ্চলের ভাগলপুরে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনই তাঁর অসম সফরেরও প্রস্তুতি নিচ্ছে পদ্ম শিবির। বিহারে চলতি বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর অসমে ভোট হবে এক বছর পরে। সম্ভবত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তামিলনাড়ুর রামেশ্বরম সফরে যাবেন। যেখানে তিনি উদ্বোধন করবেন নতুন পামবান সেতুর। এই সেতু রামেশ্বরম দ্বীপ শহরকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করবে।

    ভিড় টানতে শুরু সলতে পাকানোর কাজ

    গত এক দশক ধরে অসমের ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। আর বিহারে নীতীশ কুমারের সঙ্গে জোট বেঁধে ক্ষমতায় রয়েছে তারা। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, নীতীশ মাঝেমধ্যেই শিবির বদলে বিপাকে ফেলে গেরুয়া শিবিরকে। তাই বিজেপি একাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসতে চাইছে সে রাজ্যে। জানা গিয়েছে, ২৪ ফেব্রুয়ারি ভাগলপুরে নির্বাচনী জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঞ্চে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপির শীর্ষ নেতারা। অসমেও জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও সে রাজ্যে নির্বাচন হবে আগামী বছর, তবুও এখন থেকেই সলতে পাকানোর কাজ শুরু করেছেন অসমের বিজেপি নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) জনসভায় রেকর্ড সংখ্যক ভিড় টানতে জোর কদমে প্রচারে নেমে পড়েছেন এই দুই রাজ্যের বিজেপি নেতারাই।

    প্রধানমন্ত্রী ভাগলপুর থেকে প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির পরবর্তী কিস্তি প্রদান করবেন। তিনি এদিন কিছু কৃষককে সম্মানিতও করবেন। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন ভাগলপুরে একটি নতুন কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের। ভাগলপুর থেকে প্রধানমন্ত্রী রওনা দেবেন অসমের উদ্দেশে। দুদিনের সফরে অসম যাবেন তিনি। সেখানে তিনি ‘অ্যাডভান্টেজ অসম ২.০’ বিনিয়োগ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন (BJP)। সারুসজাই স্টেডিয়ামে এক জনসভায় ভাষণও দেবেন। এই অনুষ্ঠানে ৮ হাজারেরও বেশি শিল্পীর অংশগ্রহণে একটি বিশাল ঝুমুর নৃত্য পরিবেশিত হবে (PM Modi)।

  • Golwalkar: আজ আরএসএসের ‘গুরুজি’র জন্মদিন, চিনে নিন এই মহান দেশপ্রেমিককে

    Golwalkar: আজ আরএসএসের ‘গুরুজি’র জন্মদিন, চিনে নিন এই মহান দেশপ্রেমিককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি। শ্রী মাধব সদাশিব গোলওয়ালকরের (Golwalkar) জন্মদিন। যাঁরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সঙ্গে যুক্ত তাঁদের কাছে ‘গুরুজি’ মানে শুধুই তিনি। তিনি ডক্টর কেশব বালিরাম হেডগেওয়ারের পর দ্বিতীয় সরসঙ্ঘচালক। তাঁর ৩৩ বছরের কার্যকালে, বিশেষ করে স্বাধীনতার পরে সংঘকে বিশাল প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিতে পরিণত করেছিলেন তিনিই। আজ তাঁর ১১৯তম জন্মদিন।

    “গুরুজি” (Golwalkar)

    ১৯০৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি নাগপুরের কাছে রামটেক নামে একটি ছোট্ট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন গুরুজি। তিনি ছিলেন পরিবারের নয় সন্তানের মধ্যে একমাত্র জীবিত সন্তান। তিনি বারাণসী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় (BHU) থেকে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেছিলেন। সেখানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, মহান জাতীয়তাবাদী নেতা শ্রী মদন মোহন মালব্যের দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন। ওই বিশ্ববিদ্যালয়েই তিনি প্রাণীবিদ্যা পড়াতে শুরু করেন। তাঁর ছাত্ররা তাঁকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন। স্নেহভরে তাঁকে “গুরুজি” নামে ডাকতে শুরু করেন তাঁরা। সেই থেকে তিনি গুরুজি নামেই পরিচিত।

    সংঘচালক

    ১৯৩২ সালে হেডগেওয়ার গুরুজিকে বিএইচইউয়ের সংঘচালক হিসেবে নিয়োগ করেন। ১৯৩৬ সালে গুরুজি আধ্যাত্মিকতার সন্ধানে বাংলার সারগাছিতে যান। সেখানে রামকৃষ্ণ মঠের স্বামী অখণ্ডানন্দের সেবা করেন দুবছর ধরে। ১৯৪০ সালে হেডগেওয়ারের মৃত্যু হলে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে গুরুজি (RSS) সংঘের সরসংঘচালক (Golwalkar) পদ গ্রহণ করেন। গুরুজির ওপর ছিল গুরু দায়িত্ব। প্রথমত, তাঁকে আরএসএসকে একটি শক্তিশালী ক্যাডার-ভিত্তিক সংগঠনে পরিণত করতে হয়েছে। দ্বিতীয়ত, তাঁকে নিজেকেও এমন একটি সংগঠন পরিচালনার জন্য প্রস্তুত করতে হয়েছে। অনেকেই তাঁর নিয়োগের বিরোধিতা করেছিলেন। কারণ তিনি তুলনামূলকভাবে নতুন সদস্য ছিলেন। তবে গুরুজি তাঁর দৃঢ় সংকল্প, কঠোর পরিশ্রম এবং অধ্যবসায়ের মাধ্যমে একজন দক্ষ নেতা হিসেবে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেছিলেন।

    জম্মু-কাশ্মীর সমস্যা

    দেশ ভাগের সময় সমস্যা শুরু হয় জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে। পাকিস্তান কাশ্মীরকে তাদের মুকুটের রত্ন হিসেবে দেখেছিল। কারণ আক্ষরিক অর্থেই কাশ্মীর “ভূস্বর্গ”। ভারতের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, “লৌহপুরুষ” সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল ও তাঁর সচিব ভি.পি. মেননের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ৫০০-রও বেশি দেশীয় রাজ্যকে ভারতে একীভূত করা হয়েছিল। জওহরলাল নেহরু কাশ্মীরের বিষয়টি নিজে সামলাতে চেয়েছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সমস্যার সমাধান করার পরিবর্তে তিনি তা (Golwalkar) আরও জটিল করে তুলেছিলেন।

    হরি সিংকে রাজি করালেন গুরুজি

    দেশ যখন স্বাধীন হয়, তখন কাশ্মীরের রাজা হরি সিং। মুসলিম অধ্যুষিত এলাকার হিন্দু রাজা তিনি। মহম্মদ আলি জিন্না জম্মু ও কাশ্মীরের মহারাজাকে পাকিস্তানের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তির চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য চাপ সৃষ্টি করছিলেন। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল শেখ আবদুল্লার চাপ। তিনি নেহরুর সমর্থন পাচ্ছিলেন। তখনই কাশ্মীরে পাকিস্তানপন্থী আন্দোলন তীব্র হয়ে ওঠে। বিদ্রোহের প্রস্তুতির জন্য রাজ্যে ব্যাপকভাবে অস্ত্র পাচার করা হয়। লর্ড মাউন্টব্যাটেন স্বয়ং কাশ্মীরে গিয়ে হরি সিংকে পাকিস্তানে যোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন। তবে, সেই সময় কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী আরসি কাক হরি সিংকে স্বাধীন থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। এই সব কিছু মহারাজা হরি সিংকে বিভ্রান্ত করে তোলে। তিনি এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে যান। তাঁর সামনে তখন মাত্র তিনটি বিকল্প পথ খোলা ছিল। এক, হয় তাঁকে পাকিস্তানে যোগ দিতে হবে, দুই, নয় তাঁকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে এবং তিন, তা না হলে তাঁকে স্বাধীন থাকতে হবে। হরি সিং পাকিস্তানে যোগ দেওয়ার পক্ষে ছিলেন না। তিনি ভারতের সঙ্গেও যুক্ত হতে চাননি। কারণ তিনি নেহরুর মনোভাব নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। নেহরু শেখ আবদুল্লাকে সমর্থন করতেন। হরি সিং স্বাধীনও থাকতে পারেননি। কারণ (RSS) তিনি পাকিস্তানের আগ্রাসনের আশঙ্কা করেছিলেন। তাঁর কাছে যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল (Golwalkar) না।

    কাশ্মীরের ভারতভুক্তি

    সমস্ত নেতার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও হরি সিংকে যখন রাজি করানো গেল না, তখন সর্দার প্যাটেল গুরুজিকে জরুরি বার্তা পাঠিয়ে তাঁকে হরি সিংকে রাজি করাতে অনুরোধ করেন। গুরুজি তখনই তাঁর সমস্ত কাজ ফেলে শ্রীনগরের উদ্দেশে রওনা দেন। গুরুজিই হরি সিংকে ভারতভুক্তিতে সম্মত করান। এই বৈঠকের পর, হরি সিং দিল্লিতে সংযুক্তির প্রস্তাব পাঠান। কিন্তু, গুরুজি বুঝতে পারলেন যে এই সংযুক্তি সহজ হবে না। তাই, তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের সকল আরএসএস কর্মীদের নির্দেশ দেন যে তাঁরা যেন কাশ্মীরের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়াই করেন। আরএসএসের কর্মীরা গুরুজির আদেশ পালন করতে প্রস্তুত হয়েছিলেন।

    পরবর্তীকালে গুরুজি বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং ভারতীয় মজদুর সংঘ প্রতিষ্ঠা করেন। এটা সংঘ পরিবারকে আরও বিস্তৃত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলে। তিনি নিশ্চিত করেছিলেন এই বলে যে, এই সমস্ত সংগঠনের মূল আদর্শ সব সময় একই থাকবে। সেটি হল আমাদের মাতৃভূমির প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা। গুরুজি (RSS) সর্বকালের অন্যতম প্রভাবশালী সরসংঘচালক। তিনি তাঁর চিন্তা, নেতৃত্ব ও অসাধারণ ব্যবস্থাপনা দক্ষতার মাধ্যমে বহু প্রজন্মের স্বয়ংসেবকদের অনুপ্রাণিত করেছিলেন (Golwalkar)।

LinkedIn
Share