Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Amit Shah: “কংগ্রেস অম্বেডকর-বিরোধী, সংরক্ষণ-বিরোধী, সংবিধান-বিরোধী”, সংসদে তোপ শাহের

    Amit Shah: “কংগ্রেস অম্বেডকর-বিরোধী, সংরক্ষণ-বিরোধী, সংবিধান-বিরোধী”, সংসদে তোপ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেস বিআর অম্বেডকর-বিরোধী, সংরক্ষণ-বিরোধী, সংবিধান-বিরোধী।” বুধবার ঠিক এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর দাবি, বিরোধী দল রাজ্যসভায় তাঁর বক্তৃতাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছে।

    কংগ্রেসকে তোপ শাহের (Amit Shah)

    সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গও টানেন। তিনি বলেন, “সংসদে সংবিধানের ১৫০ বছরের আলোচনা প্রমাণ করে কীভাবে কংগ্রেস বাবাসাহেব অম্বেডকরের বিরোধিতা করেছিল।” তিনি বলেন, “গতকাল থেকে কংগ্রেস বিকৃতভাবে তথ্য উপস্থাপন করছে। আমি এর নিন্দা করি।” এর পরেই তিনি বলেন, “কংগ্রেস বিআর অম্বেডকর-বিরোধী, সংরক্ষণ-বিরোধী এবং সংবিধান-বিরোধী। কংগ্রেস বীর সাভারকরকেও অপমান করেছে। জরুরি অবস্থা জারি করে তারা সমস্ত সংবিধানমূলক মূল্যবোধ লঙ্ঘন করেছে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সংবিধান গৃহীত হওয়ার ৭৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে লোকসভা ও রাজ্যসভায় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই সময়, আমরা গত ৭৫ বছরে দেশের সাফল্য নিয়েও আলোচনা করেছি। এটা স্পষ্ট যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দল ও জনগণের ভিন্ন মতামত থাকবে। কিন্তু আলোচনা সর্বদা তথ্যের ভিত্তিতে হওয়া উচিত।”

    অম্বেডকরকে ভারতরত্ন দেয়নি কংগ্রেস

    শাহ (Amit Shah) বলেন, “কংগ্রেস সরকার অম্বেডকরকে ভারতরত্ন দেয়নি। বিজেপি সরকার তাঁকে মরণোত্তর ভারতরত্ন দিয়েছিল।” তিনি বলেন, “সংসদে যখন এই আলোচনা চলছিল, তখন প্রমাণিত হয়েছিল কীভাবে কংগ্রেস বাবা সাহেব অম্বেডকরের বিরোধিতা করেছিল। কীভাবে কংগ্রেস বাবা সাহেবকে তাঁর মৃত্যুর পরেও উপহাস করার চেষ্টা করেছিল। কংগ্রেসের নেতারা বহুবার নিজেরাই নিজেদের ভারতরত্ন দিয়েছেন।” তিনি বলেন, “১৯৫৫ সালে নেহরু নিজেকে ভারতরত্ন দিয়েছিলেন। ১৯৭১ সালে ইন্দিরা গান্ধী নিজেকে ভারতরত্ন দিয়েছিলেন। ১৯৯০ সালে বাবা সাহেব ভারতরত্ন পান, তখন কংগ্রেস ক্ষমতায় ছিল না। বিজেপি সমর্থিত সরকার ছিল।”

    আরও পড়ুন: কলকাতা ছেড়ে এবার দিল্লি দখলের দিবাস্বপ্ন! ফাঁকা বুলি বাংলাদেশের মৌলবাদী নেতার

    শাহ বলেন, “নেহরুর অম্বেডকরের প্রতি ঘৃণা সর্বজনবিদিত।” বুধবার কংগ্রেসকে নিশানা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (PM Narendra Modi)। তিনি বলেছিলেন, “সংসদে অমিত শাহজি (Amit Shah) কংগ্রেসের সেই অন্ধকার ইতিহাস উন্মোচন করেছেন, যেখানে তারা ড. অম্বেডকরকে অপমান করেছে এবং তফসিলি জাতি ও উপজাতি সম্প্রদায়কে উপেক্ষা করেছে। তিনি যে তথ্য উপস্থাপন করেছেন তা দেখে তারা স্পষ্টতই হতবাক এবং স্তম্ভিত। এজন্যই তারা এখন নাটক শুরু করেছে!”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: কাকভোরে গুলির লড়াই, জম্মু-কাশ্মীরে সেনার এনকাউন্টারে খতম ৫ জঙ্গি, জখম ২ জওয়ান

    Jammu And Kashmir: কাকভোরে গুলির লড়াই, জম্মু-কাশ্মীরে সেনার এনকাউন্টারে খতম ৫ জঙ্গি, জখম ২ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার কাকভোরে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) কুলগাম (Kulgam) জেলায় এনকাউন্টারে পাঁচজন জঙ্গিকে খতম করতে সমর্থ হয়েছে ভারতীয় সেনা। গোপন সূত্রে ওই এলাকায় সন্ত্রাসবাদীদের উপস্থিতির খবর পেয়েই সেনাবাহিনী ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের একটি যৌথ দল তাদের অভিযান শুরু করে। তল্লাশি অভিযানের সময় গুলির লড়াই শুরু হয়। সেনা জওয়ানদের দেখতে পেয়েই তাঁদের লক্ষ্য করে সন্ত্রাসবাদীরা গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা জবাব দেয় ভারতীয় সেনাও। বেশ কয়েক ঘণ্টা দুপক্ষের গুলি বিনিময়ের পর পাঁচ জঙ্গি নিকেশ হয়। অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর দুই সদস্য জখম হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সেনা কর্মকর্তারা।

    জারি তল্লাশি অভিযান

    তবে কুলগাম এবং খাদ্দের এলাকায় (Jammu And Kashmir) আরও কিছু জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে (প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত)। তাদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান এখনও জারি রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এলাকার জঙ্গল থেকে এখনও বেশ কয়েকবার গুলির আওয়াজ পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। যৌথ বাহিনীর অনুমান, বাকি জঙ্গিরা পাল্টা আক্রমণের কোনও ছক করছে। তবে তৈরি রয়েছে নিরাপত্তাবাহিনীও। আশা করা হচ্ছে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও জঙ্গির হদিশ হয়ত পাওয়া যাবে।

    ২০ অক্টোবর ভয়ঙ্কর হামলা চালায় জঙ্গিরা (Kulgam)

    প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুর দিকে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) গাগাঙ্গির, গান্দেরবাল প্রভৃতি জেলায় সন্ত্রাসী হামলায় বেশ কয়েকজন সাধারণ নাগরিককে হত্যা করে জঙ্গিরা। এরকমই এক জঙ্গিকে পরবর্তীকালে শ্রীনগরে এনকাউন্টারে খতম করে ভারতীয় সেনা। অন্যদিকে, এর আগে চলতি বছরের ২০ অক্টোবর ব্যাপক হামলা চালিয়েছিল সন্ত্রাসবাদীরা। গান্দেরবাল জেলায়, টানেল নির্মাণের কাজে যুক্ত দুইজন শ্রমিক সহ একজন স্থানীয় ডাক্তার নিহত হন সন্ত্রাসী হামলায়। ওই দুই শ্রমিকের বাড়ি ছিল বিহারে।

    আরও পড়ুন: এবার ভারত-বিরোধী আলফা প্রধান পরেশ বড়ুয়ার ফাঁসির সাজা মকুব বাংলাদেশে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “কংগ্রেস অম্বেডকরকে যে অপমান করেছে, তা ভোলার নয়”, সংসদে তোপ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi: “কংগ্রেস অম্বেডকরকে যে অপমান করেছে, তা ভোলার নয়”, সংসদে তোপ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যদি কংগ্রেস এবং তাদের পচে যাওয়া ব্যবস্থা মনে করে যে অসত্য কথা দিয়ে তাদের দীর্ঘ বছরের অক্ষমতা লুকোবে, তাহলে তারা ভুল করছে। বিশেষত, অম্বেডকরকে তারা যা অপমান করেছে, তা ভোলার নয়।” ঠিক এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে (Congress) নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    কংগ্রেসকে তোপ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, “ভারতের মানুষ বার বার দেখেছে যে, কীভাবে একটি পরিবারতান্ত্রিক দল অম্বেডকরের উত্তরাধিকারকে মুছে ফেলার ও তফশিলি জাতি ও উপজাতি সম্প্রদায়কে অপমান করার জন্য সম্ভাব্য সমস্ত নোংরা কৌশলে লিপ্ত হয়েছে। কংগ্রেস এমন একটা দল, যারা অম্বেডকরকে ভারতরত্ন দেয়নি।” কংগ্রেসকে নিশানা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অম্বেডকরকে নির্বাচনে পরাজিত করতে জওহরলাল নেহরু তাঁর বিরুদ্ধে প্ররোচনা করেছিলেন। সংসদে সেন্ট্রাল হলে অম্বেডকরের প্রতিকৃতি বসাতেও বাধা দিয়েছিল কংগ্রেস।”

    ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্পের উল্লেখ

    প্রধানমন্ত্রী বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, স্বচ্ছ ভারত মিশন নেওয়া হয়েছে দেশের স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় লাখ লাখ মানুষকে সাশ্রয়ী মূল্যে আবাসন সরবরাহ করেছে। জল জীবন মিশনের উল্লেখও করেন প্রধানমন্ত্রী। জানান, এটি প্রতিটি পরিবারের জন্য নিরাপদ পানীয় জল সরবরাহের লক্ষ্যে কাজ করছে। উজ্জ্বলা যোজনায় দরিদ্র পরিবারগুলিকে বিশেষত গ্রামীণ এলাকার মহিলাদের বিনামূল্যে এলপিজি সংযোগ দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মতে, এই প্রকল্পগুলি প্রান্তিক সম্প্রদায়গুলির জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। পূরণ করেছে অম্বেডকরের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারের স্বপ্ন।

    আরও পড়ুন: মণিপুরে বিদ্রোহীদের ডেরায় মিলল স্টারলিঙ্ক ডিশ-রাউটার! কী বললেন ইলন মাস্ক?

    দলিত ও আদিবাসীদের সুরক্ষার জন্য এসসি-এসটি অত্যাচার প্রতিরোধ আইনের শক্তিশালীকরণে সরকারের উদ্যোগগুলোর কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই আইনের লক্ষ্য হল এসসি এবং এসটি সম্প্রদায়ের মানুষের বিরুদ্ধে বৈষম্য ও সহিংসতা থেকে সুরক্ষা প্রদান করা।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই পদক্ষেপগুলো অম্বেডকরের আদর্শের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের প্রমাণ।” অম্বেডকরের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর সংরক্ষণ ও উন্নয়নে সরকারের প্রচেষ্টার কথাও শোনা (Congress) যায় প্রধানমন্ত্রীর মুখে (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sambhal: শিব-হনুমান মন্দিরের পর সম্ভলে উদ্ধার প্রাচীন রাধাকৃষ্ণ মন্দির, শুরু হয়েছে আরাধনা

    Sambhal: শিব-হনুমান মন্দিরের পর সম্ভলে উদ্ধার প্রাচীন রাধাকৃষ্ণ মন্দির, শুরু হয়েছে আরাধনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে (Sambhal) শিব-হনুমান মন্দিরের পরে আরও একটি প্রাচীন মন্দির উদ্ধার হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই রাধাকৃষ্ণ মন্দিরও (Radha Krishna temple) মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা হায়াতনগরে অবস্থিত। এই উদ্ধারকৃত মন্দিরে হিন্দু সংগঠনের উদ্যোগে পুনরায় পুজো-পার্বন শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য এই রাজ্যে একের পর পর মন্দির আবিষ্কারের ঘটনা ঘটেই চলেছে।

    হিন্দু পরিবার মণ্ডলের মধ্যে আবদ্ধ ছিল মন্দির (Sambhal)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্ভলে (Sambhal) রাধাকৃষ্ণ মন্দিরটি (Radha Krishna temple)  হিন্দু পরিবার মণ্ডলের মধ্যেই আবদ্ধ ছিল। কিন্তু কোনও কারণে হিন্দুরা উচ্ছেদ হলে অথবা জায়গা দখল করলে মন্দির পরিত্যক্ত হয়। এরপর বর্তমানে এলাকার মানুষের কথায় মন্দিরকে পুনরায় খুলে দেওয়া হয়। প্রশাসন এই কাজে সকল ভক্তদের সঙ্গে সহযোগিতা করেছে। তবে সম্ভলে গত কয়েক দশক ধরে হিন্দুদের মন্দির, বাড়ি-ঘর, দোকান, এলাকাগুলিকে দখল করেছে বহিরাগতরা। কিন্তু সম্প্রতি অবৈধ বিদ্যুৎ চুরির ঘটনা ব্যাপক আকার নিলে এলাকায় প্রশাসনের আধিকারিকরা অভিযান চালিয়ে জবর দখল উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে। তাতেই উদ্ধার হয় একে একে সব মন্দির। তবে সম্পূর্ণ এলাকা মুসলিম অধ্যুষিত, তাই অভিযোগের তির যে তাঁদের দিকেই একথা রাজনীতির অনেক মানুষ মনে করছেন।

    একের পর এক মন্দির উদ্ধার উত্তরপ্রদেশে

    উত্তরপ্রদেশে (Sambhal) ১৯৭৮ সালের পর মাটির নিচ থেকে উদ্ধার হয়েছে শিব-হনুমানের মন্দির। এই মন্দিরকে খুলে দিয়ে পুজো শুরু হয়েছে সম্প্রতি। আবার প্রায় চার দশক ধরে ২৫০ বছরের পুরাতন বারাণসীর একটি শিব মন্দিরে বন্ধ হয়ে পড়ে ছিল। মদনপুরা এলাকায় এই মন্দিরের অবস্থান। সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর মন্দিরের দরজা খোলার জন্য বেশকিছু মানুষ জড়ো হন এবং তাঁদের একটাই দাবি ছিল সনাতনীদের ধর্মীয় স্থানকে উদ্ধার করতে হবে। এরপর পুলিশ কাজে সহযোগিতা করে। মঙ্গলবার ফের হায়াতনগরের তারিন এলাকায় একটি পরিত্যক্ত রাধাকৃষ্ণ মন্দির (Radha Krishna temple) উদ্ধার হয়েছে। এবার মন্দির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে পুজোর কাজ শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ মণিপুরে বিদ্রোহীদের ডেরায় মিলল স্টারলিঙ্ক ডিশ-রাউটার! কী বললেন ইলন মাস্ক?

    আবার সম্ভলের বিতর্কিত মসজিদ কাঠামো আদতে হিন্দু হরিহর দেবতার মন্দির হিসেবে হিন্দু পক্ষ দাবি তুলেছে। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ সমীক্ষা করতে গেলে কট্টরপন্থী মৌলবাদীরা ব্যাপক হামলা চালায় সরকারি কাজের উপর। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরে বিদ্রোহীদের ডেরায় মিলল স্টারলিঙ্ক ডিশ-রাউটার! কী বললেন ইলন মাস্ক?

    Manipur: মণিপুরে বিদ্রোহীদের ডেরায় মিলল স্টারলিঙ্ক ডিশ-রাউটার! কী বললেন ইলন মাস্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরের (Manipur) ইম্ফল পূর্ব জেলায় একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কাছ থেকে উদ্ধার হল স্টারলিঙ্ক সদৃশ ডিশ ও রাউটার। এ ছাড়াও স্নাইপার রাইফেল, পিস্তল, গ্রেনেড এবং অন্যান্য অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। মণিপুরে চলছে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট। তার মধ্যেও বিদ্রোহীদের ইন্টারনেট ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহের সম্ভাবনায় বাড়ছে উদ্বেগ।

    স্টারলিঙ্ক ডিভাইস নিয়ে সংশয় (Manipur)

    সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, স্টারলিঙ্ক জাতীয় ডিভাইস উদ্ধারের পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি তদন্ত শুরু করেছে যে কীভাবে এই ডিভাইসটি উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে পৌঁছল। জানা গিয়েছে, ১৩ ডিসেম্বর ইম্ফল পূর্বে তল্লাশি অভিযান চালানো সময় এই সব জিনিস উদ্ধার হয়। যেহেতু স্টারলিঙ্ক ভারতে পরিচালনার জন্য লাইসেন্স পায়নি। তাই এটি আসল স্টারলিঙ্ক ডিভাইস কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

    কী বললেন ইলন মাস্ক?

    স্টারলিঙ্ক হল ইলন মাস্কের মহাকাশ সংস্থা স্পেসএক্স-এর মালিকানাধীন। এটি পৃথিবীর প্রথম এবং বৃহত্তম স্যাটেলাইট কনস্টেলেশন। লো আর্থ অরবিটের মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সরবরাহ করে এটি। তবে, এর পরিষেবা মেলে কেবল সেই দেশগুলোতেই, যেখানে পরিচালনার জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। স্টারলিঙ্ক ডিভাইস বলে যে ডিশটি দাবি করা হয়েছে এবং রাউটার সংক্রান্ত যে অভিযোগ উঠেছে, তা সত্য নয় বলে দাবি করেছেন খোদ ইলন মাস্ক। টুইট-বার্তায় টেসলা-কর্তা বলেন, “এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ভারতে স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট বিম বন্ধ রয়েছে।”

    ডিমাপুরে সদর দফতর সেনাবাহিনীর স্পিয়ার কোর-এর। এক্স হ্যান্ডেলে তারা তল্লাশি অভিযানে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর ছবি পোস্ট করেছে। এই ছবিতে স্টারলিঙ্ক লোগোর ইন্টারনেট ডিভাইসও রয়েছে। এতে আরপিএফ-পিএলএর নাম লেখাও দেখা গিয়েছে। যৌথভাবে এই তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং অসম রাইফেলস। মণিপুর পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালানো হয়েছে চূড়াচাঁদপুর, চান্দেল, ইম্ফল পূর্ব এবং কাংপোকপিতে।

    আরও পড়ুন: ১২ বছর ধরে ১.২৫ লক্ষ রুদ্রাক্ষ ধারণ করে তপস্যা! সনাতন ধর্মের স্বার্থে সাধনা গীতানন্দ গিরির

    প্রসঙ্গত, রেভল্যুশনারি পিপলস ফ্রন্ট (আরপিএফ) হল মেইতেই বিদ্রোহী গোষ্ঠী পিপলস লিবারেশন আর্মির (Manipur) রাজনৈতিক শাখা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক যে আটটি মেইতেই বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, এটি তার একটি। স্পিয়ার কোর আরও জানিয়েছে, তল্লাশি অভিযানে যে ২৯টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে স্নাইপার, স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র, রাইফেল, পিস্তল, দেশীয় মর্টার, একনলা বন্দুক, গ্রেনেড, গোলাবারুদ এবং যুদ্ধের সরঞ্জাম (Manipur)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Election: ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল গেল যৌথ কমিটিতে, ৯০ দিনে সিদ্ধান্ত নেবেন ৩১ সাংসদ

    One Nation One Election: ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল গেল যৌথ কমিটিতে, ৯০ দিনে সিদ্ধান্ত নেবেন ৩১ সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলেই লোকসভায় (Lok Sabha) পেশ হয়েছে ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) বিল। বিলের ওপর হয় ভোটাভুটি। সরকারপক্ষের ঝুলিতে পড়েছে ২৬৮টি ভোট। বিরোধীরা পেয়েছেন ঢের কম ভোট। তবে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ বেশি ভোট পেলেও, এদিন সভায় পাশ করানো যায়নি বিলটি। তাই বিল দুটি (১২৯তম সংবিধান সংশোধনী বিল ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী) কবে আইনে পরিণত হবে, কবে থেকেই বা কার্যকর হবে, তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আলোচনার জন্য সংশোধনী বিলটি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে।

    যৌথ সংসদীয় কমিটি (One Nation One Election)

    এই যৌথ কমিটিতে থাকতে পারেন সর্বাধিক ৩১ জন সদস্য। এর মধ্যে ২১ জনই লোকসভার সদস্য। থাকবেন রাজ্যসভার সদস্যরাও। যৌথ কমিটিতে কোন দলের কতজন সদস্য থাকবেন, তা নির্ভর করে ওই দলের মোট সাংসদ সংখ্যার ওপর। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। শুক্রবারই শেষ হয়ে যাচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। রাজনৈতিক দলগুলিকে তাদের সদস্যদের নাম প্রস্তাব করতে বলা হয়েছে। তবে যেহেতু লোকসভায় বিজেপিই একক বৃহত্তম দল, তাই কমিটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকবে পদ্ম শিবিরেরই। কমিটির সভাপতি পদেও বসবেন বিজেপির কোনও এক সাংসদ।

    কমিটির মেয়াদ

    সংসদীয় যৌথ কমিটির মেয়াদ থাকতে পারে ৯০ দিন। প্রয়োজনে তা বাড়ানোও যেতে পারে। এই কমিটির কাজ হল, বিল দুটিতে কোথাও কোনও সংশোধন, সংযোজন, বিয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা। কমিটি থেকে বেরিয়ে বিল দুটি পাঠানো হবে লোকসভায়। সেখানে পাশ হওয়ার পর (One Nation One Election) ফের যাবে রাজ্যসভায়। সংসদের উভয় কক্ষে পাশ হওয়ার পর বিল দুটি পাঠানো হবে রাষ্ট্রপতির কাছে। সংবিধান সংশোধনী সংক্রান্ত এই বিল পাশ করাতে সংসদের উভয় কক্ষেই দুই তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার প্রয়োজন বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের।

    আরও পড়ুন: রবীন্দ্র ঘোষকে সংবর্ধনা বিজেপির, “এক পাও পিছু হঠব না”, বললেন চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবী

    সূত্রের খবর, বিলটি নিয়ে তাড়াহুড়ো করতে চাইছে না মোদি সরকার। তাই কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি, সাংসদ, দেশের আইনি ও সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শও নেওয়া হতে পারে। আলোচনা করা হতে পারে নির্বাচন কমিশনের প্রাক্তন সদস্যদের সঙ্গেও। মতামত নেওয়া হতে পারে বিধানসভার স্পিকারদেরও। শোনা হবে সাধারণ মানুষের কথাও। সব দিক থেকে সমর্থন মিললে, ২০৩৪ সালে এক সঙ্গে হবে লোকসভা (Lok Sabha) ও বিধানসভার ভোট (One Nation One Election)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

       

  • BJP: রবীন্দ্র ঘোষকে সংবর্ধনা বিজেপির, “এক পাও পিছু হঠব না”, বললেন চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবী

    BJP: রবীন্দ্র ঘোষকে সংবর্ধনা বিজেপির, “এক পাও পিছু হঠব না”, বললেন চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ধৃত হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের (Chinmoy Das) আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষকে সংবর্ধনা দিল বঙ্গ বিজেপি (BJP)। রবীন্দ্র ঘোষের নিরাপত্তার দাবিও জানিয়েছেন বিজেপি নেতারা। রবীন্দ্র জানান, তিনি বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে ফের চিন্ময়কৃষ্ণের হয়ে সওয়াল করতে আদালতে যাবেন। চিকিৎসার প্রয়োজনে বারাকপুরে এসেছেন রবীন্দ্র। সেখান থেকেই অশীতিপর আইনজীবীর ঘোষণা, বাংলাদেশে তাঁর প্রাণ সংশয় থাকলেও শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবেন। এক পাও পিছু হঠবেন না।

    রবীন্দ্রকে সংবর্ধনা বিজেপির (BJP)

    মঙ্গলবার সেখানে তাঁকে সংবর্ধনা জানান বিজেপি নেতারা। এঁদের মধ্যে ছিলেন অর্জুন সিং, কৌস্তুভ বাগচিরা। ছিলেন কার্তিক মহারাজও। বাংলাদেশের ওই আইনজীবীকে সংবর্ধনা জানিয়েছেন বারাকপুর আদালতের আইনজীবীরাও। রবীন্দ্র বলেন, “চিকিৎসার জন্য পশ্চিমবঙ্গে এসেছি। কিন্তু বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম বলছে, ষড়যন্ত্র করতে এই দেশে এসেছি! এটা ঠিক নয়। আমি রাজনীতি করি না। আমি একজন মানবাধিকার কর্মীও।”

    কী বললেন রবীন্দ্র

    তিনি বলেন, “চিন্ময়কৃষ্ণকে ২ জানুয়ারি আদালতে তোলা হলে ওঁর হয়ে সওয়াল করতে অবশ্যই যাব। আমার মৃত্যু হলে, বাংলাদেশেই হবে। মানবাধিকার, দেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে লড়ব।” বাংলাদেশের ওই আইনজীবী যতদিন বারাকপুরে থাকবেন, ততদিন রাজ্য সরকার যাতে তাঁকে নিরাপত্তা দেয়, সেই আর্জিও জানান বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। রাজ্য সরকার তা না দিলে কেন্দ্র ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানান তিনি (BJP)।

    বারাকপুরে ছেলের বাড়ি রবীন্দ্রর। সেখানে বসেই অশীতিপর আইনজীবী বলেন, “আমি জানি, আমাদের প্রাণ সংশয় রয়েছে। কিন্তু আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। শেষ পর্যন্ত লড়ে যাব। এক পাও পিছু হঠব না।” তিনি বলেন, “আমার প্রথম চিন্তা, চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে মুক্ত করতে হবে। চট্টগ্রাম আদালতে মুক্তি না পেলে হাইকোর্টে যাব। সেখানে না হলে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টে যাব।”

    আরও পড়ুন: “আমরা ইজরায়েলে ছেলে পাঠাচ্ছি আর কংগ্রেস ব্যাগ নিয়ে ঘুরছে”, তোপ যোগীর

    চিন্ময়কৃষ্ণের শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে রবীন্দ্র বলেন, “আমি চট্টগ্রামের জেলে গিয়ে দেখা করেছিলাম। তিনি মানসিকভাবে কিছুটা বিধ্বস্ত হলেও, শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন। জেলে রান্না করে খেতে হয়। কষ্ট করে থাকতে হয়।” প্রবীণ এই আইনজীবী বলেন, “চিন্ময়কৃষ্ণের সঙ্গে জেলে আরও দুই সন্ন্যাসী রয়েছেন। তাঁদের দুটি মশারি দেওয়া হয়েছিল। সেগুলোও চুরি হয়ে গিয়েছে।” রবীন্দ্রকে সংবর্ধনা দেওয়ার পর অর্জুন বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুরা আক্রান্ত হচ্ছেন। তাঁদের বাঁচাতে হবে। তার জন্য যা করা দরকার, ভারতকে তা করতে হবে।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানকে ঠান্ডা করে দিয়েছেন মোদিজি। তাই সবাই (Chinmoy Das) তাঁর দিকে তাকিয়ে রয়েছেন (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: “আমরা ইজরায়েলে ছেলে পাঠাচ্ছি আর কংগ্রেস ব্যাগ নিয়ে ঘুরছে”, তোপ যোগীর

    Yogi Adityanath: “আমরা ইজরায়েলে ছেলে পাঠাচ্ছি আর কংগ্রেস ব্যাগ নিয়ে ঘুরছে”, তোপ যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা ইজরায়েলে ছেলে পাঠাচ্ছি আর কংগ্রেস ব্যাগ নিয়ে ঘুরছে।” ঠিক এই ভাষায়ই কংগ্রেস নেত্রী তথা ওয়েনাড়ের সাংসদ প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে (Priyanka Gandhi) ধুয়ে দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। দিন কয়েক আগেই প্যালেস্তাইনের গাজায় গণহত্যা নিয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন প্রিয়ঙ্কা। সেই সময় তাঁকে নিশানা করেছিল বিজেপিও। সোমবার কাঁধে প্যালেস্তাইন লেখা ব্যাগ ঝুলিয়ে সংসদে যান প্রিয়ঙ্কা। তারই প্রেক্ষিতে সোনিয়া-তনয়াকে ধুয়ে দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

    কী বললেন যোগী?

    এদিন বিধানসভায় দাঁড়িয়ে আদিত্যনাথ বলেন, “আমরা সাড়ে পাঁচ হাজারের ওপর যুবককে ইজরায়েলে পাঠিয়েছি। অথচ একজন কংগ্রেস নেত্রী প্যালেস্তাইন লেখা ব্যাগ নিয়ে পার্লামেন্টে ঘুরছেন। উত্তরপ্রদেশ থেকে ছেলেরা গিয়ে সেখানে নির্মাণকর্মী হিসেবে কাজ করছেন। তাঁরা মাসে অন্তত দেড় লাখ টাকা বেতন পান। শুধু তাই নয়, বিনামূল্যে তাঁদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ইজরায়েল সরকার তাঁদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে।” এর আগে এই ব্যাগ নিয়ে প্রিয়ঙ্কাকে বিঁধেছিলেন সাংসদ বিজেপির গুলাম আলি খাতনা। তিনি বলেছিলেন, “খবরে আসার জন্য অনেকে এমন কাজ করেন। সাধারণ মানুষ প্রত্যাখ্যান করলে মানুষ এরকমই পথ অনুসরণ করে থাকেন।”

    আরও পড়ুন: বিতর্কিত হিজাব আইন প্রয়োগ এখনই নয়, জানাল ইরান সরকার

    ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ

    ইজরায়েলে বিভিন্ন নির্মাণ সংস্থায় কাজ করতেন প্যালেস্তাইনের কয়েক হাজার নির্মাণ শ্রমিক। ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরুর পর বদলে গিয়েছে পুরো পরিস্থিতি (Yogi Adityanath)। গাজায় হামাসের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তাদের মধ্যে অধিকাংশকেই কাজ থেকে ছাঁটাই করে ফেলেছে ইজরায়েল। সেই ‘শূন্যস্থান’ই পূরণ করছে ভারত। গত বছরের নভেম্বরে এক লাখ ভারতীয় শ্রমিক নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল ইজরায়েল। এ বছরের এপ্রিল ও মে মাসে ইহুদি দেশটিতে কাজ করতে গিয়েছেন ছ’ হাজারের ওপর ভারতীয়। এখনও বহু যুবক কাজ করতে এদেশ থেকে ইজরায়েলে যাচ্ছেন। এঁদের একটা বড় অংশই উত্তরপ্রদেশের। এদিন প্রিয়ঙ্কাকে নিশানা করতে গিয়ে সেই প্রসঙ্গই টেনে আনলেন (Priyanka Gandhi) যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Election: ভোটাভুটির পর লোকসভায় পেশ হল ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল, কী বললেন অমিত শাহ?

    One Nation One Election: ভোটাভুটির পর লোকসভায় পেশ হল ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিল, কী বললেন অমিত শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সলতে পাকানোর কাজ চলছিল দীর্ঘ দিন ধরেই। শেষমেশ মঙ্গলবার সংসদে পেশ হল ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল। বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। তাঁর প্রস্তাব, বিলগুলি যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো উচিত (Lok Sabha)। এদিন যে বিল দুটি পেশ করা হয়েছে, সেগুলি হল সংবিধান (১১৯ সংশোধনী) বিল, ২০২৪ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধন বিল, ২০২৪। লোকসভায় বিল দুটি পেশ হতেই সরব হন কংগ্রেস, তৃণমূল এবং সমাজবাদী পার্টির সাংসদরা। বিলের বিরোধিতা করে শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে শিবিরও।

    বিলের পক্ষে ব্যাপক সমর্থন (One Nation One Election)

    তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়, প্রস্তাবিত বিলটি আঘাত করেছে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে। কংগ্রেসের দাবি, বিলটি গণতন্ত্রের পরিপন্থী। বিলটি নিয়ে ভোটাভুটি হয়। দেখা যায়, বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ২৬৯ জন সাংসদ। বিরোধীরা পেয়েছেন ১৯৮টি ভোট। ব্যাপক হইচইয়ের জেরে এদিন বিকেল ৩টে পর্যন্ত ঘণ্টাখানেকের জন্য মুলতুবি রাখা হয় সভার কার্যক্রম। প্রসঙ্গত, এই প্রথম নতুন সংসদ ভবনের লোকসভায় ব্যবহার হল ইলেকট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থা।

    কী বললেন শাহ

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লোকসভায় জানান, সরকার ‘ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন’ বিলগুলোকে আলোচনার জন্য যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠাতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, “এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেই প্রস্তাব করেছিলেন।” শাহ বলেন, “যখন এক দেশ এক নির্বাচন বিল মন্ত্রিসভায় উঠেছিল, প্রধানমন্ত্রী মোদি স্বয়ং বলেছিলেন, এটি (One Nation One Election) সংসদের যৌথ কমিটিতে পাঠানো উচিত। এই বিষয়ে প্রতিটি স্তরে বিশদ আলোচনা হওয়া উচিত।” বিলের স্বপক্ষে ছিল ৩২টি রাজনৈতিক দল। বিরোধিতা করেছে ১৫টি দল। জগন মোহন রেড্ডির ওয়াইএসআরসিপি-ও ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ বিলকে সমর্থন করেছেন।

    আরও পড়ুন: ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়া কীভাবে অপরাধ হতে পারে? প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট

    প্রশ্ন হল, বিলটি আইনে পরিণত হলে কবে এক সঙ্গে হবে লোকসভা ও বিধানসভার নির্বাচন? জানা গিয়েছে, যদি কোনও পরিবর্তন বা সংশোধনী ছাড়াই বিলগুলি সংসদে পাশ হয়ে যায়, তাহলে ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ কার্যকর করা যেতে পারে (Lok Sabha) ২০৩৪ সাল থেকেই (One Nation One Election)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Varanasi: চার দশক বন্ধ থাকার পর ফের খুলছে ২৫০ বছরের পুরনো বারাণসীর এই শিব মন্দিরের দ্বার

    Varanasi: চার দশক বন্ধ থাকার পর ফের খুলছে ২৫০ বছরের পুরনো বারাণসীর এই শিব মন্দিরের দ্বার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে বারাণসী (Varanasi) শহরে দীর্ঘ চার দশক ধরে বন্ধ ছিল ২৫০ বছরের পুরনো এক শিব মন্দির। এবার এই মন্দিরকে পুনরায় খোলার নেতৃত্ব দিচ্ছে হিন্দু সংগঠন (Hindu organizations)। এই কাজের কর্ণধার রাজ্যের সনাতন রক্ষা দলের সভাপতি অজয় শর্মা। তিনি বলেন, “মন্দিরকে পুনরায় খোলা নিয়ে কোনও বিরোধিতা থাকা উচিত নয়।”

    সনাতনীদের ধর্মীয় স্থানকে উদ্ধারে উদ্যোগ (Varanasi)

    প্রায় চার দশক ধরে বারাণসীর (Varanasi) একটি শিব মন্দির বন্ধ হয়ে পড়ে ছিল। মদনপুরা এলাকায় এই মন্দিরের অবস্থান। সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর মন্দিরের দরজা খোলার জন্য বেশকিছু মানুষ জড়ো হন। তাঁদের একটিই দাবি ছিল। তা হল, সনাতনীদের ধর্মীয় স্থানকে উদ্ধার করতে হবে। সেখানে পুজো-অর্চনা শুরু করতে হবে। অবশ্য এই কাজের সম্পূর্ণ নেতৃত্বে ছিলেন অজয় শর্মা (Hindu organizations)। উল্লেখ্য সম্ভলের এক মুসলমান পাড়ার ভিতরে মাটির নিচ থেকে মন্দিরের অবশেষ এবং মূর্তি উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছিল। জানা গিয়েছে, বেশ কিছু বছর এলাকা দখল করে, হিন্দু বসতি উচ্ছেদ করে মুসলিম বসতি গড়া হয়েছিল। তাতেই ওই মন্দিরের অস্তিত্ব ঢাকা পড়ে গিয়েছিল। এবার, জবর দখল উচ্ছেদ অভিযান চালানোর সময় বেরিয়ে পড়ে মন্দিরের অস্তিত্ব।

    মুসলমানরা ধীরে ধীরে হিন্দু মালিকানাধীন জায়গা দখল করেছে

    বারাণসী (Varanasi) সনাতন রক্ষার (Hindu organizations) সভাপতি অজয় শর্মা বলেন, “মন্দিরটি বর্তমানে মুসলমান সম্প্রদায়ের এলাকায় অবস্থিত। বছরের পর বছর ধরে জবর দখল করে রাখা হয়েছিল। মন্দির প্রাঙ্গণের নানা জায়গা অবহেলিত হয়ে রয়েছে। এখানে সেখানে প্রচুর ময়লা জমে রয়েছে। ধ্বংসাবশেষের স্তূপ জমে রয়েছে। উল্লেখ্য এই এলাকাও একটা সময়ে হিন্দুদের বসতি ছিল। কিন্তু মুসলমানরা ধীরে ধীরে হিন্দু মালিকানাধীন জায়গা দখল করার পর থেকেই মন্দির পরিত্যক্ত হয়। পুনরায় মন্দির খোলাই এখন আমাদের উদ্দেশ্য।”

    স্থানীয় থানার বক্তব্য

    দশশ্বমেধ থানার (Varanasi) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রমোদ কুমার বলেন, “মন্দির পুনরায় চালু করতে মানুষের কোনও আপত্তি নেই। বেশ কিছু জনতা মন্দিরকে খুলতে বলেছেন। তবে কাছেই একটা মুসলিম এলাকা রয়েছে। হিন্দুরা যখন থেকে এখানে আসা বন্ধ করে দিয়েছে, তখন থেকে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ফলে কোনও বিরোধ নেই। মন্দির নিয়ে কোনও ব্যক্তির মতভেদ নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share