Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Haryana: হরিয়ানায় ১৭ অক্টোবর শপথ নেবে বিজেপি সরকার, দিনটির গুরুত্ব জানেন?

    Haryana: হরিয়ানায় ১৭ অক্টোবর শপথ নেবে বিজেপি সরকার, দিনটির গুরুত্ব জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ অক্টোবর হরিয়ানায় (Haryana) শপথ নেবে বিজেপি (BJP) সরকার। এ নিয়ে তৃতীয়বার হরিয়ানায় সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। বৃহস্পতিবার পাঁচকুলার সেক্টর ৫ এর প্যারেড গ্রাউন্ডে হবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। মঞ্চে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর বলেন, “আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে সম্মতি পেয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা ১৭ অক্টোবর পাঁচকুলায় শপথ নেবেন। বিজেপির এটাই চিরাচরিত রীতি।”

    কেন ১৭ অক্টোবর? (Haryana)

    প্রশ্ন হল, কেন ১৭ অক্টোবর দিনটিকে বেছে নেওয়া হল শপথ গ্রহণের দিন হিসেবে? ১৭ অক্টোবর দিনটি এ বছর বাল্মিকী দিবস হিসেবে পালিত হবে। রামায়ণ-স্রষ্টার জন্ম দিবস হওয়ায় এই দিনটি ছুটি থাকে রাজ্যে। বাল্মিকী জয়ন্তী দিনটি পালিত হয় ‘পারগত দিবস’ হিসেবে। পালন করেন বাল্মিকী ধর্মীয় সম্প্রদায়। চান্দ্র মাস গণনা অনুযায়ী প্রতি বছর দিনটি পাল্টে যেতে থাকে। চলতি বছর এটি পড়েছে ১৭ অক্টোবর। হরিয়ানায় লোকসভার আসন রয়েছে ১০টি। তার মধ্যে পাঁচটিতে জয়ী হয়েছে বিজেপি। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে পদ্মময় হরিয়ানা।

    বিজেপি সরকার

    সূত্রের খবর, নয়াব সিং সাইনির নেতৃত্বে সরকার গঠন করবে বিজেপি (Haryana)। সাইনি ওবিসি সম্প্রদায়ের। বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া সরকার ফিরলে সাইনিকেই মুখ্যমন্ত্রী করা হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিল পদ্ম শিবির। সেই মতো ওই দিন সকাল ১০টায় তৃতীয়বারের জন্য শপথ নেবে বিজেপি সরকার। প্রসঙ্গত, হরিয়ানা বিধানসভার আসন সংখ্যা ৯০। এর মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ৪৮টি আসন। কংগ্রেসের চেয়ে ১১টি আসন বেশি। এ রাজ্যে এবার কংগ্রেস পেয়েছে ৩৭টি আসন। উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে সোনিয়া গান্ধীর দল পেয়েছিল ৩১টি আসন। রাজ্যের তিন নির্দল বিধায়ক দেবেন্দ্র কাডিয়ান, রাজেশ জুন এবং সাবিত্রী জিন্দল সরকার গড়তে সমর্থন করছে বিজেপিকে।

    আরও পড়ুন: মঙ্গলে এসসিও সামিটে যোগ দিতে পাকিস্তানে যাচ্ছেন জয়শঙ্কর, কোন বার্তা দেবেন?

    পদ্ম শিবিরের এক প্রবীণ নেতা বলেন, “বিজেপি সব সময় পিছিয়ে পড়া শ্রেণিকে গুরুত্ব দিয়েছে। গুরুত্ব দিয়েছে দলিতদেরও।” তিনি বলেন, “অন্যান্য রাজনৈতিক দল এই সব শ্রেণির কাছে পৌঁছানোর ভাব দেখায়, পৌঁছায় না। কিন্তু ২০১৪ সালে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ পর্যন্ত এই সব শ্রেণির মানুষের কল্যাণে নানা উদ্যোগ নিয়েছে।” বাল্মিকী জয়ন্তীর গুরুত্ব প্রসঙ্গে খট্টর বলেছিলেন, “অন্ত্যোদয় ও সামাজিক ঐক্য স্থাপন আমাদের সরকারের লক্ষ্য। বাল্মিকীর রাম রাজ্যের ভিশনকে আমরা বাস্তবায়িত করতে চাইছি (BJP)। দেশকে বিশ্ব শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে বাল্মিকীর শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে (Haryana)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

     

  • Rainwater Plan: বৃষ্টির জলকে ধরে রাখতে দেশজুড়ে ১০ লক্ষ জলাধার নির্মাণের বিরাট পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    Rainwater Plan: বৃষ্টির জলকে ধরে রাখতে দেশজুড়ে ১০ লক্ষ জলাধার নির্মাণের বিরাট পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ফোঁটা জলও যাতে নষ্ট না হয় সেই জন্য ভারত সরকার বৃষ্টির জলকে (Rainwater Plan) ধরে রাখার জন্য নতুন পরিকল্পনা শুরু করেছে। খরার প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে এবং প্রান্তিক এলাকায় গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহে প্রবল জলসঙ্কট থেকে নিবৃত্তি পেতে নয়া যোজনা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জল সঞ্চয় জন ভাগিদারি অর্থাৎ জেএসবি নামে একটি প্রকল্পে বৃষ্টির জলকে সঞ্চয়ের মাধ্যমে চাহিদা পূরণ করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। ভূ-গর্ভস্থ জল যাতে পুনরায় বাড়ানো যায় সেই কথা ভেবেই সরকারের এই পরিকল্পনা। যদিও দেশের প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর ‘মন কি বাত’ বেতার অনুষ্ঠানে বৃষ্টির জল সঞ্চয়ের বিষয়ে উদ্যোগ, উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা নিয়ে একাধিক বার বক্তব্য রেখেছিলেন।

    ১০ লক্ষ জল সঞ্চয়ের জলাধার (Rainwater Plan)

    জানা গিয়েছে, বৃষ্টির জল সঞ্চয়ের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার আগামী বছরে প্রায় ১০ লক্ষ জলাধার (Rainwater Plan) বা রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং স্ট্রাকচার তৈরির পরিকল্পনা করেছে। মূল উদ্দেশ্য হল, ভূগর্ভের অন্দরে জলের পুনঃপূরণ বৃদ্ধি করা। এই অভিযান মূলত জলসঙ্কটের মধ্যে থাকা জেলাগুলিতে সরকারি এবং বেসরকারি ভাবে বিভিন্ন রকম চেক ড্যাম, পারকোলেশন ট্যাঙ্ক এবং জলাধার কূপ নির্মাণ করা হবে। ফলে বর্ষার জলকে ধরে রেখে যাতে এলাকার মানুষের মৌলিক চাহিদা মেটে, সেই প্রচেষ্টা চালানো হবে।

    আরও পড়ুনঃ সন্দীপ ও তাঁর আত্মীয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অবৈধ লেনদেনের খোঁজ! জেরা করবে ইডি

    ২৫৬টি জলাবদ্ধ জেলায় কাজ শুরু

    জল সঞ্চয় জন ভাগিদারি প্রকল্পের মূল কথাই হল “ক্যাচ দ্য রেইন-হোয়্যার ইট ফলস হোয়েন ইট ফলস” অর্থাৎ বৃষ্টির জল ধরো-যখন এটি বর্ষিত হয় আর যেখানে বর্ষিত হয়। এই প্রচারাভিযানে ২০১৯ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ২৫৬টি জলাবদ্ধ জেলায় কাজ শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রক জানিয়েছে, আমাদের লক্ষ্য হল বৃষ্টির জলকে ধরে রেখে অ্যাকুইফার বা পাথরে সঞ্চয়, বোরওয়েল বা কূপ সঞ্চয়, সিআইআর সঞ্চয়, শিল্প সংস্থা, নাগরিক সংস্থার মাধ্যমে কীভাবে জলকে সংরক্ষণ করে সুরক্ষিত করা যায় সেই বিষয়ে ভাবনা রাখা। একই ভাবে উপযুক্ত পদক্ষেপে ভবিষ্যতের জলকে নিরাপদ (Rainwater Plan) রাখাও প্রধান চাহিদার অঙ্গ। সমষ্টিগত সঞ্চয়ের মাধ্যমেই এক এক ফোঁটা ফোঁটা জলের সঞ্চয় হতে পারে এবং মানুষের মৌলিক চাহিদাকে সুনিশ্চিত করাই প্রকল্পের প্রধান কাজ।

    গুজরাটে আশি হাজার জলাধার নির্মাণ হবে

    এই বিষয়ে গুজরাটে ব্যাপক সাফল্যের কথা উঠে এসেছে। গত মাসে সুরাটে এই প্রকল্পের সিদ্ধান্তকে কার্যকর হয়েছে। এই রাজ্যের এক এক গ্রামে বৃষ্টির জল কীভাবে সঞ্চয় করা যায়, তার জন্য পাঁচটি করে জলাধার নির্মাণ করা হয়েছে। একই ভাবে পুরসভা এলাকায় অন্তত ১০,০০০ জলাধার (Rainwater Plan) নির্মাণের কথা বলা হয়েছে। তবে সামনের বছর ৮০,০০০ জালাধার পরিকাঠামো নির্মাণ করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রক থেকে বলা হয়, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, বিহার, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যের একই ভাবে জল সঞ্চয়ের পরিকল্পনা করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: মঙ্গলে এসসিও সামিটে যোগ দিতে পাকিস্তানে যাচ্ছেন জয়শঙ্কর, কোন বার্তা দেবেন?

    S Jaishankar: মঙ্গলে এসসিও সামিটে যোগ দিতে পাকিস্তানে যাচ্ছেন জয়শঙ্কর, কোন বার্তা দেবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসসিও সামিটে (SCO Summit) যোগ দিতে পাকিস্তানে যাচ্ছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। মঙ্গলবারই ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা তাঁর। এ মাসেরই ১৫ ও ১৬ তারিখে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হবে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন সম্মেলন। এই সম্মেলনে যেসব আঞ্চলিক দেশের শীর্ষনেতারা যোগ দেবেন, তাঁরা হলেন চিনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুসটিন এবং জয়শঙ্কর।

    নৈশভোজের আয়োজন (S Jaishankar)

    সম্মেলনের আগে নৈশভোজের আয়োজন করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এই ওয়েলকাম ডিনারে যোগ দিতে পারেন জয়শঙ্কর। তবে পাক প্রধানমন্ত্রীর ওয়েলকাম ডিনারে যোগ দিলেও, ভারত-পাক প্রতিনিধিদের পার্শ্ববৈঠকের সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়ে দিয়েছিল দুই দেশেরই বিদেশমন্ত্রক। চলতি মাসের শুরুর দিকে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছিল, জয়শঙ্কর একটি প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দেবেন। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) নিজেও তাঁর সফরের সময় দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। প্রায় একই ধরনের বক্তব্য শোনা গিয়েছিল পাকিস্তানের গলাতেও।

    এসসিও-র সদস্য দেশ

    ভারত ও পাকিস্তান ছাড়াও চিন, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান-সহ বেশ কয়েকটি দেশ এই এসসিও-র সদস্য। এই দেশগুলোই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আয়োজন করে শীর্ষ বৈঠকের। প্রথা মাফিক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আমন্ত্রণ জানান এসসিও-র সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রধানকেই। অগাস্ট মাসে আমন্ত্রণ আসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছেও। তার পরেই প্রশ্ন ওঠে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী কি আদৌ পাকিস্তানে যাবেন? এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে পরে ভারতের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় সম্মলেন যোগ দিতে যাবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তবে পাক প্রতিনিধির সঙ্গে পার্শ্ববৈঠকে যোগ দেবেন না।

    আরও পড়ুন: মুম্বইয়ে বাবা সিদ্দিকি খুনে ফের আলোচনায় বলিউড-আন্ডারওয়ার্ল্ড যোগ

    জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে পৌঁছে গিয়েছে ভারতের চার প্রতিনিধির একটি দল। কিরঘিজস্তানেরও চার প্রতিনিধি দলও চলে এসেছে। চিনা প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ১৫ জন সদস্য। ইরানের দুই প্রতিনিধিও পৌঁছে গিয়েছে ইসলামাবাদে। প্রসঙ্গত, বিদেশমন্ত্রী হিসেবে এটাই জয়শঙ্করের প্রথম পাকিস্তান সফর। এর আগে রাষ্ট্রসঙ্ঘ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক (SCO Summit) নানা মঞ্চে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ইসলামাবাদকে তুলোধনা করেছেন তিনি। এমতাবস্থায় জয়শঙ্করের (S Jaishankar) এই সফর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar: ডাক্তারদের অনশনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শুনতে সুপ্রিম কোর্টে আর্জি ইন্দিরা জয়সিংয়ের

    RG Kar: ডাক্তারদের অনশনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শুনতে সুপ্রিম কোর্টে আর্জি ইন্দিরা জয়সিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে রয়েছে আরজি কর মামলার (RG Kar) শুনানি। ঠিক তার আগে, ধর্মতলায় চিকিৎসকদের অনশনের বিষয়টি শুনানিতে গুরুত্ব দিয়ে শোনার আর্জি জানালেন জুনিয়র ডাক্তারদের আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং (Indira Jai ​​Singh)। সিনিয়র এই আইনজীবীর বক্তব্য, ‘‘ডাক্তারদের অনশনের ফলে পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’’ ঠিক এই কারণে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শোনার আর্জি জানালেন তিনি। প্রসঙ্গত, ৩০ সেপ্টেম্বর গত শুনানির দিনই ১৫ অক্টোবর, মঙ্গলবার পরবর্তী শুনানির (RG Kar) দিন ধার্য করেছিল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন: বাংলার আন্দোলনকে সমর্থন, মঙ্গলবার দেশজুড়ে অনশনে জুনিয়র ডাক্তাররা, সিদ্ধান্ত আইএমএ-এর

    তিনজন ভর্তি হাসপাতালে, সকালে অসুস্থ ডাক্তার তনয়া পাঁজা

    প্রসঙ্গত, হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা-সহ ১০ দফা দাবিতে গত শনিবার থেকে ধর্মতলায় অনশন (RG Kar) শুরু করেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। এরই মাঝে এসএসকেএম হাসপাতালে আবারও দুষ্কৃতী হামলার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় ফের প্রশ্নের মুখে পড়ে রোগীদের নিরাপত্তা। অনশনকারী চার জন চিকিৎসক অনিকেত মাহাতো, অনুষ্টুপ মুখোপাধ্যায়, পুলস্ত্য আচার্য এবং অলোক ভার্মা অসুস্থ হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তিনজনেরই পরিস্থিতি খুব ভালো নয় বলেই জানিয়েছেন ডাক্তাররা। অন্যদিকে, আজ সোমবার সকাল থেকে ধর্মতলায় আরও এক অনশনকারী তনয়া পাঁজার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

    দেশজুড়ে প্রতিবাদের আবহেই মঙ্গলবার সুপ্রিম শুনানি (RG Kar)

    জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছেন সিনিয়র ডাক্তাররাও। ইতিমধ্যে এই আন্দোলনে সামিল হয়ে সোমবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত আংশিক কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা। আবার সুপ্রিম শুনানির দিনই দেশজুড়ে প্রতীকী অনশনের ডাক দিয়েছে আইএমএ। এই গোটা পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং (Indira Jai ​​Singh), প্রধান বিচারপতির কাছে আর্জি জানালেন ধর্মতলায় চিকিৎসকদের অনশনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শোনার জন্য।
     
     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Baba Siddique Murder: মুম্বইয়ে বাবা সিদ্দিকি খুনে ফের আলোচনায় বলিউড-আন্ডারওয়ার্ল্ড যোগ

    Baba Siddique Murder: মুম্বইয়ে বাবা সিদ্দিকি খুনে ফের আলোচনায় বলিউড-আন্ডারওয়ার্ল্ড যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাউদ-উত্তর জমানায় বলিউড দাপিয়ে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। শনিবার রাতে আততায়ীর গুলিতে খুন হন বাবা সিদ্দিকি, যার একটা ডাকেই হাজির হয়ে যেতেন বলিউডের ‘ভাইজান’। তিনি আবার কোনও সাধারণ মানুষ নন, এনসিপি নেতা। শারদ পাওয়ারের দলের অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর নেতা বাবা সিদ্দিকি (Baba Siddique Murder) খুনের দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। শনিবার রাতে খুন হন সিদ্দিকি। পুলিশ জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার যে পোস্টে সিদ্দিকি খুনের দায় স্বীকার করা হয়েছে, সেটা সত্যিই বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে, এই ঘটনায় বলিউডের সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ড যোগের (Bollywood Underworld Nexus) অভিযোগ ফের শিরোনামে চলে এসেছে।

    সিদ্দিকি খুনে গ্রেফতার ২

    সিদ্দিকি খুনের ঘটনায় রবিবারই দুই অভিযুক্ত গুরমাইল সিং ও ধরমরাজ কাশ্যপকে গ্রেফতার করেছে মুম্বই পুলিশ। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছিল দশেরা উৎসব। মহারাষ্ট্রের বান্দ্রার খায়ের নগরে প্রাক্তন মন্ত্রী সিদ্দিকি তাঁর ছেলে বিধায়ক জিশান সিদ্দিকির অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আচমকাই তিন দুষ্কৃতী এসে খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। আর্তনাদ করতে করতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সিদ্দিকি। মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মুম্বইয়ের একজন জনপ্রিয় নেতা ছিলেন সিদ্দিকি। রাজনীতির পাশাপাশি বলিউডের (Bollywood Underworld Nexus) সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল। সলমন খান, শাহরুখ খান এবং সঞ্জয় দত্তের মতো প্রথম সারির নেতাদের সঙ্গে সিদ্দিকির সম্পর্ক ভালো ছিল বলেই শোনা যায়। এহেন এক জনপ্রিয় নেতা কারা খুন করল, তা নিয়ে চলছে জল্পনা।

    বিষ্ণোই গ্যাংয়ের দাবি

    পুলিশ সূত্রে খবর, সিদ্দিকির মৃত্যুর দায় সংক্রান্ত একটি পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তাতে খুনের দায় স্বীকার করেছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। পোস্টটি করেছে জনৈক শুবু লোনকর নামের এক ব্যক্তি। তার দাবি, “আমি যেটা ঠিক বুঝেছি, সেটাই করেছি। বন্ধুত্বের দায়কে সম্মান জানিয়েছি। সলমন খান, আমরা এই যুদ্ধটা চাইনি। আমাদের ভাই প্রাণ হারিয়েছেন। এটা আপনি বাধ্য করেছেন। তাঁর মৃত্যুর কারণ দাউদ ও অনুজ থাপানের সঙ্গে বলিউডের যোগাযোগ, রাজনীতি এবং সম্পত্তি কেনাবেচা।” লোনকর আরও জানিয়েছে, “কারও সঙ্গে (Bollywood Underworld Nexus) আমাদের শত্রুতা নেই। কিন্তু যে সলমন খান কিংবা দাউদ গ্যাংকে সাহায্য করবে, সে যেন প্রস্তুত থাকে। আমাদের কোনও ভাইয়ের মৃত্যু হলে, আমরাও নিশ্চিতভাবে তার উত্তর দেব। আমরা কিন্তু কখনও প্রথম আঘাত হানি না।”

    কী বলছে পুলিশ

    মুম্বই পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, “আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এ সংক্রান্ত পোস্টটা দেখেছি। এটা আদৌ সত্যি কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।” সিদ্দিকি হত্যার কারণ প্রসঙ্গে এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “ভাড়াটে খুনির তত্ত্ব, ব্যবসায়িক শত্রুতা না কি বস্তি পুনর্বাসন প্রকল্প, খুনের নেপথ্যের প্রতিটি সম্ভাবনাই সমান গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মুম্বইয়ের বস্তি পুনর্বাসন প্রকল্পে প্রায় দু’হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলায় নাম জড়িয়েছিল সিদ্দিকিরও (Baba Siddique Murder)। ২০০০-২০০৪ সাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের আবাসন ও নগরোন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে একটি সংস্থাকে বস্তি পুনর্বাসন প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। মামলার তদন্তে ২০১৮ সালে সিদ্দিকির ৪৬২ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি।

    পুলিশের সন্দেহ

    এহেন সিদ্দিকি খুন (Baba Siddique Murder) হওয়ায় তোলপাড় মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহল। পুলিশের সন্দেহ, হামলার ঘটনায় একটা ৯ এমএম পিস্তল ব্যবহার করা হয়েছিল। সেটা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দুষ্কৃতীরা চার থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালিয়েছিল বলে দাবি পুলিশের। মহারাষ্ট্র পুলিশের তদন্তকারী দলকে সাহায্যের জন্য দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের একটা দলকে পাঠানো হচ্ছে সে রাজ্যে। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে ফরেন্সিক দল। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভির ফুটেজও। বিষ্ণোই গ্যাংয়ের তরফে জানানো হয়েছে, গত এক মাস ধরে এলাকা রেইকি করেছিল তারা। মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের সন্দেহ, অভিযুক্তদের বাবা সিদ্দিকি সম্পর্কে তথ্য জোগাচ্ছিল অন্য কেউ। মুম্বইয়ের রাজনীতি সম্পর্কে যাঁরা ওয়াকিবহাল, তাঁদের একটা অংশের মতে, সলমনের সঙ্গে সিদ্দিকির ঘনিষ্ঠতাই কাল হয়েছে কংগ্রেস ছেড়ে এনসিপির অজিত গোষ্ঠীতে যোগ দেওয়া সিদ্দিকির। দীর্ঘদিন ধরেই সলমনকে খুনের হুমকি দিচ্ছেন লরেন্স বিষ্ণোই (Bollywood Underworld Nexus)। মাস কয়েক আগে সলমনের বাড়ি গ্যালাক্সি লক্ষ্য করে দু’রাউন্ড গুলিও চালিয়েছিল জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্যরা।

    সলমনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

    ১৯৯৮ সালে একটি সিনেমার শুটিংয়ের সময় কৃষ্ণসার হরিণ শিকার করেছিলেন সলমন। লুপ্তপ্রায় প্রজাতির হরিণ শিকার করায় জেলও খাটতে হয়েছিল সলমনকে। কৃষ্ণসার হরিণ বিষ্ণোই সম্প্রদায়ে পূজ্য। ওই ঘটনার পর থেকে সলমনকে একাধিকবার খুনের হুমকি দিয়েছে বিষ্ণোই গ্যাং। সলমনের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার পর বাড়ানো হয়েছে অভিনেতার নিরাপত্তা। বর্তমানে ওয়াই ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পান সলমন। সিদ্দিকিকে (Baba Siddique Murder) অবশ্য এমন কোনও হুমকি দেওয়া হয়নি বলেই সূত্রের খবর। রাজনীতির পাশাপাশি বলিউডের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল সিদ্দিকির। তাঁর দেওয়া ইফতার পার্টিতে চাঁদের হাট বসে। তাঁর ডাকে সেই পার্টিতে হাজির হন মুম্বইয়ের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। সিদ্দিকির এই পার্টিতেই শাহরুখ খান ও সলমনের দীর্ঘ দিনের ঝামেলার অবসান হয়েছিল। এহেন জনপ্রিয় সিদ্দিকির মৃত্যুতে তাই শোকের ছায়া বলিউডে (Bollywood Underworld Nexus)।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ ও তাঁর আত্মীয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অবৈধ লেনদেনের খোঁজ! জেরা করবে ইডি

    ৬ রাউন্ড গুলি

    মুম্বইয়ের ক্রাইম ব্রাঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, সিদ্দিকিকে (Baba Siddique Murder) তাক করে মোট ৬ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এর মধ্যে ৩টি গুলি লাগে তাঁর শরীরে। এই ঘটনায় আরও একবার প্রকাশ্যে এল বলিউডের সঙ্গে আন্ডার ওয়ার্ল্ডের নিবিড় যোগ এবং শত্রুতার কথা। এক সময় বলিউডে শেষ কথা বলতেন করিম লালা। তাঁর মূল ব্যবসাই ছিল অপহরণ, কন্ট্রাক্ট নিয়ে কাউকে হত্যা করা। মাদক দ্রব্য পাচারও করতেন তিনি। বলিউডে কোনও রকম সমস্যা দেখা দিলে লোকজন ছুটে যেতেন করিমের কাছে। সমস্যার সমাধান করতেন তিনিই। ফি বছর ইদের সময় বলিউড তারকাদের ডাকতেন করিম। তাঁর ডাকে ওই পার্টিতে হাজির হতেন তারকারা (Bollywood Underworld Nexus)। করিমের পর বলিউডের রুপোলি দুনিয়ায় প্রবেশ করে ভরাদ্রজন মুদালিয়র। তার পরে দাপিয়ে বেড়ান হাজি মস্তান। এরপর উত্থান হয় দাউদ ইব্রাহিমের। তিনিই আন্ডার ওয়ার্ল্ডকে প্রথম কর্পোরেটাইজ করেন। অভিনেতা-অভিনেত্রীদের শো করতে নিয়ে যান দুবাইয়ে।

    আন্ডারওয়ার্ল্ডে দুষ্কৃতী রাজ

    আন্ডারওয়ার্ল্ডের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে প্রথম সরব হন অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা। পরে মুম্বই পুলিশের দক্ষতায় ধীরে ধীরে বন্ধ হয় বলিউডকে হুমকি দেওয়া, চাপ দিয়ে টাকা আদায়। এরপর উত্থান হয় রবি পূজারির মতো দুষ্কৃতীদের (Bollywood Underworld Nexus)। আরও অনেকেই রাজ করেছে বলিউডে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন সিদ্দিকি (Baba Siddique Murder)। তিনি হয়তো দুষ্কৃতী নন, তবে তাঁর বিরুদ্ধেও অভিযোগ বিস্তর। প্রসঙ্গত, নয়ের দশকের পর থেকে মুম্বইয়ে এমন বড় মাপের রাজনৈতিক কোনও নেতা খুন হননি। ওই দশকের শুরুর দিকে বিজেপির তৎকালীন দুই বিধায়ক রামদাস নায়েক ও প্রেমকুমার শর্মাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই সময়ই খুন হয়েছিলেন শিবসেনার দুই নেতা বিঠ্ঠল চহ্বান ও রমেশ মোরে। তার পর এই খুন হলেন সিদ্দিকির (Baba Siddique Murder) মতো এমন বড় মাপের এক রাজনৈতিক নেতা (Bollywood Underworld Nexus)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IMA: বাংলার আন্দোলনকে সমর্থন, মঙ্গলবার দেশজুড়ে ১২-ঘণ্টার অনশনের ডাক আইএমএ-র

    IMA: বাংলার আন্দোলনকে সমর্থন, মঙ্গলবার দেশজুড়ে ১২-ঘণ্টার অনশনের ডাক আইএমএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মতলার অনশনের আঁচ এবার দেশজুড়ে। মঙ্গলবার সারা দেশে ১২-ঘণ্টার প্রতীকী অনশনের (Hunger Strike) ডাক দিল আইএমএ (IMA)। বাংলার জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে সমর্থন জানাতেই এই কর্মসূচি বলে জানিয়েছে আইএমএ। মঙ্গলবার দেশের সমস্ত রাজ্যের জুনিয়র ডাক্তাররা অনশনে বসবেন, যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। এর ফলে মমতা সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়বে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। জানা গিয়েছে, আইএমএ (IMA) জুনিয়র ডক্টরস নেটওয়ার্ক (জেডিএন) ও আইএমএ-এমএসএন (মেডিক্যাল স্টুডেন্টস নেটওয়ার্ক)- এর সদস্যরাই দেশজুড়ে আন্দোলনে নামছেন। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবারই দিল্লি থেকে কলকাতায় এসেছিলেন আইএমএ-র প্রেসিডেন্ট আরভি অশোকান। সেসময় ধর্মতলায় গিয়ে তিনি জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গেও কথা বলেন।

    আরও পড়ুন: ২ দিনের কর্মবিরতি শুরু বেসরকারি হাসপাতালেও, চলছে ১২ ঘণ্টার প্রতীকী অনশনও

    বৃহস্পতিবার আইএমএ (IMA) বেঙ্গল শাখার প্রেস বিবৃতি

    এর আগে গত বৃহস্পতিবারও রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ প্রেস বিবৃতি দেয় আইএমএ (IMA) বেঙ্গল শাখা। সেখানে চিকিৎসকদের এই সংগঠন রাজ্য প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিয়েছিল। ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘জুনিয়র ডাক্তারদের আমরণ অনশন (Hunger Strike) চলছে। একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনশনরত চিকিৎসকরা। তাঁদের স্বাস্থ্যের অবনতি নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা চিকিৎসক সমাজ। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসন অবিলম্বে চিকিৎসকদের সমস্যা সমাধানে নামুক।’’ মমতা সরকারকে চরমতম হুঁশিয়ারি দিয়ে আইএমএ রাজ্য শাখার চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, প্রশাসন উদ্যোগী না হলে চরম পদক্ষেপ করবেন তাঁরা।

    এফএআইএমএ-র চিঠি মমতাকে 

    ওই একই দিনে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার জুনিয়র ডাক্তারদের (IMA) অনশনের প্রেক্ষিতে সর্বভারতীয় রেসিডেন্ট ডাক্তারদের সংগঠন ‘ফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’ (এফএআইএমএ) থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দেওয়া হয়। সেই চিঠিতেও তৃণমূল সরকারকে হুঁশিয়ারি দেয় ওই সংগঠন। দাবি না মানলে দেশজুড়ে চিকিৎসা পরিষেবা বন্ধ করার কথা বলেন এফএআইএমএ-র সদস্যরা।

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: বাংলাদেশে হামলার মুখেও হিন্দুদের ঐক্য শিক্ষনীয়, বার্তা ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: বাংলাদেশে হামলার মুখেও হিন্দুদের ঐক্য শিক্ষনীয়, বার্তা ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের হিন্দুদের দেখে সমগ্র হিন্দু সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) । প্রতিবেশী রাষ্ট্রে তাদের ওপর অত্যাচার রুখতে এই প্রথম এক হয়েছেন সে দেশের হিন্দুরা। শনিবার  বিজয়া দশমীর প্রাক্কালে দেওয়া ভাষণে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। শনিবার নিজের বক্তব্যে বাংলাদেশিদের একাংশের মধ্যে পাকিস্তান প্রেমকেও কটাক্ষ করেছেন তিনি।

    সমগ্র হিন্দু সমাজের কাছে এটা শিক্ষণীয় (Mohan Bhagwat)

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “আমাদের প্রতিবেশী বাংলাদেশে কী হচ্ছে তা আমরা দেখছি। এই প্রথম হিন্দুরা নিজেদের রক্ষা করতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। যত দিন পর্যন্ত এই চরমপন্থী হিংসা জারি থাকবে, ততদিন পর্যন্ত সব সংখ্যালঘুরাই বিপদের মধ্যে রয়েছেন। সারা বিশ্বের হিন্দুদের তাঁদের সমর্থন করা উচিত। ভারত সরকারেরও পদক্ষেপ করা উচিত।” হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়াকে জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমরা দুর্বল হয়ে পড়লে অত্যাচারের ঘটনাগুলিকেই আমন্ত্রণ জানানো হবে। আমরা যেখানেই থাকি না কেন, আমাদের সবাইকে এক হতে হবে। বাংলাদেশে হিন্দুরা রাস্তায় বেরিয়ে প্রতিবাদ করছেন। সমগ্র হিন্দু সমাজের কাছে এটা শিক্ষণীয়। এমনই মনে করেন।” পাশাপাশি গোটা বিশ্বের তাঁদের পাশে দাঁড়ানো উচিত বলেও মনে করেন সঙ্ঘ প্রধান।

    আরও পড়ুন: কলকাতার রাজপথে ‘দ্রোহের কার্নিভাল’! ঘরে ঘরে অরন্ধনের ডাক

    অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ে মুখ খুললেন মোহন

    শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করার পর বাংলাদেশে বিপুল রাজনৈতিক পরিবর্তন হয়েছে। সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই প্রসঙ্গে মোহন ভাগবতের (Mohan Bhagwat) বক্তব্য, “বাংলাদেশে আলোচনা হচ্ছে, ভারত নাকি তাদের হুমকি দিয়েছে। তারা বলছে, ভারতের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র আছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সঙ্গে তারা জোট বাঁধার কথা ভাবছে। মনে করছে, তাহলেই ভারতকে থামাতে পারবে।” এই প্রসঙ্গে তিনি কোনও দেশের নামোল্লেখ না করে আরও বলেন, “আমরা জানি, কোন দেশগুলি এই ধরনের আলোচনায় মদত জোগাচ্ছে। তাদের নাম নেওয়ার দরকার নেই। তারা ভারতেও একই রকম অবস্থা তৈরি করতে চায়। তারা ভারতের প্রগতির গতি রুখতে চায়।”

    পাকিস্তান প্রেমকেও কটাক্ষ

    মোহন বলেন,  “ওরা প্রথমে দেশের সংস্কৃতি ধ্বংস করবে। তার পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করবে। তার পর তারা এমন পরিস্থিতি তৈরি করবে যে মানুষ নিজের সভ্যতা সংস্কৃতিকেই ঘৃণা করতে শুরু করে। তারা অসন্তোষ ছড়াবে। সমাজে প্রত্যক্ষ সংঘাতের পরিবেশ তৈরি করবে। ব্যবস্থা, আইন, প্রশাসনের ওপর অনাস্থা তৈরি করতে একটা অরাজকতা ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি করবে তারা। এতে তাদের রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে সুবিধা হবে।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যা ঘটছে তা থেকে ভারতের হিন্দুদের শিক্ষা নেওয়া উচিত যে আমরা একজোট না হলে অত্যাচারকে আমন্ত্রণ জানাব।’ ভগবৎ বলেন, “হাসিনা দেশ ছাড়তেই সেখানকার কিছু মানুষের মধ্যে পাকিস্তান প্রেম জেগে উঠেছে। তারা বলছে, পাকিস্তানের কাছে পরমাণু বোমা আছে। যা দিয়ে হিন্দুদের চাপে রাখা যাবে। যারা এই ধরণের প্রচার করছে তারা ভারতের ক্ষতি চায়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi:  ১০০ বছরে আরএসএস, “ঐতিহাসিক মাইলফলক” বললেন মোদি

    Narendra Modi: ১০০ বছরে আরএসএস, “ঐতিহাসিক মাইলফলক” বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) এবার ১০০ বছরে পা দিল। নরেন্দ্র মোদিও একসময় আরএসএস প্রচারক ছিলেন। সেখান থেকে বিজেপিতে আসেন তিনি। এখন তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী।  আর এই দিনেই আরএসএস-র প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। শুধু তাই নয়, আরএসএস স্বেচ্ছাসেবকদের শুভেচ্ছাও জানালেন তিনি। আর তিনি বললেন, দেশের সেবায় নিয়োজিত আরএসএস। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের ১০০ বছরে পা দেওয়ার এই মুহূর্তকে ঐতিহাসিক মাইলফলক বলে উল্লেখ করলেন তিনি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (Narendra Modi)

    শনিবার এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) একটি ইউটিউব লিঙ্ক শেয়ার করেন। বিজয়া দশমীতে আরএসএস (RSS) প্রধান মোহন ভাগবতের বক্তব্যের লিঙ্ক শেয়ার করেছেন তিনি। অবশ্যই শোনার অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ওই পোস্টে আরএসএসের ১০০ বছরে পদার্পণ নিয়ে মোদি লেখেন, “দেশের সেবায় নিয়োজিত আরএসএস ১০০ বছরের পা দিচ্ছে। এই ঐতিহাসিক ক্ষণে সব স্বেচ্ছাসেবককে শুভেচ্ছা জানাই। মা ভারতীর জন্য এই সংকল্প ও সমর্পণ দেশের প্রত্যেক প্রজন্মকে উজ্জীবিত করবে। একইসঙ্গে বিকশিত ভারতের স্বপ্ন পূরণে শক্তি জোগাবে। আরএসএস, জাতির সেবায় নিবেদিত, আজ তার ১০০ তম বছরে পদার্পণ করছে। এই ঐতিহাসিক মাইলফলকটিতে সমস্ত স্বেচ্ছাসেবকদের আমার আন্তরিক অভিনন্দন এবং অসীম শুভেচ্ছা।”

     

    ১৯২৫ সালে পথচলা শুরু রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের। বলা হয়, গত কয়েক দশকে বিজেপির সংগঠন বৃদ্ধিতে অবদান রয়েছে আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকদের। বিজেপির জাতীয় ও রাজ্য স্তরে সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) পদে সাধারণত থাকেন আরএসএস কর্মী। তাই, আরএসএস-এর এই মুহূর্তকে কুর্ণিশ জানালেন মোদি (Narendra Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS chief: ‘‘দ্রৌপদীর পোশাকে কেউ স্পর্শ করলে মহাভারত ঘটে যায়’’, আরজি কর ইস্যুতে তোপ সঙ্ঘ প্রধানের

    RSS chief: ‘‘দ্রৌপদীর পোশাকে কেউ স্পর্শ করলে মহাভারত ঘটে যায়’’, আরজি কর ইস্যুতে তোপ সঙ্ঘ প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজয়া দশমীতে আরএসএস-এর (RSS chief) নাগপুরের সভায় ফের উঠল আরজি কর কাণ্ড (RG Kar incident)। শনিবারই দশেরা উৎসবের প্রাক্কালে এই সভায় আরজি কর-কাণ্ডের প্রসঙ্গ তুললেন সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। আরজি করের ঘটনাকে মহাভারতে দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের সঙ্গেও তুলনা করলেন তিনি, এর পাশাপাশি মনে করালেন, ভরা রাজসভায় দ্রোপদীর বস্ত্রহরণের কারণেই ঘটেছিল কুরুক্ষেত্র। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক অভিযোগ তুললেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার আরজি করে মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার জড়িতদের আড়াল করার চেষ্টা করছে।

    তুলনা টানলেন দ্রোপদীর বস্ত্রহরণের (RSS chief)

    কলকাতার আরজি করের সঙ্গে মহাভারতের তুলনা টেনে ভাগবতের মন্তব্য, ‘‘মনে রাখতে হবে, দ্রৌপদীর পোশাকে কেউ স্পর্শ করলে মহাভারত ঘটে যায়। আরজি করে এমন জঘন্য অপরাধের পরেও অপরাধীদের আড়াল করার জন্য কিছু লোক ঘৃণ্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।’’ একই সঙ্গে এদিন নাগপুরের সভায় দেশ জুড়ে মহিলাদের ওপর হওয়া অত্যাচারের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতেও দেখা যায় সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতকে (RSS chief)। তাঁর মতে, সামগ্রিক ভাবে সমাজে মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটছে। তার ফলেই ধর্ষণের মতো অপরাধ বাড়ছে। আক্রান্ত হচ্ছে মাতৃশক্তি।

    অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে

    রবিবার নাগপুরে সঙ্ঘের সদর দফতরে আয়োজিত নবরাত্রির সমাপ্তি অনুষ্ঠানে শনিবার সকালে ভাগবত (RSS chief) বলেন, ‘‘আরজি করের ঘটনা আমাদের সকলের কলঙ্ক (RG Kar incident)। এমন ঘটনা ঘটতে দেওয়া উচিত নয়। আর ঘটলে সকলকে একসঙ্গে তার মোকাবিলা করতে হবে। কিন্তু সেখানে অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে।’’ আরজি করের ঘচনার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে আন্দোলনে নেমেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। ধর্মতলায় এখনও কয়েকজন বসে রয়েছেন আমরণ অনশনে আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদেরও সমর্থন করেছেন আরএসএস প্রধান। তাঁর মন্তব্য, ‘‘পুরো দেশ আজ ডাক্তার ভাইদের পাশে রয়েছে।’’

     

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: তামিলনাড়ুতে মালগাড়ি-ট্রেন সংঘর্ষ, বেলাইন ১২টি বগি, আহত ১৯

    Train Accident: তামিলনাড়ুতে মালগাড়ি-ট্রেন সংঘর্ষ, বেলাইন ১২টি বগি, আহত ১৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার রাতে ফের রেল দুর্ঘটনা (Train Accident)। চেন্নাইয়ের (Tamil Nadu) কাছে কাভারাইপেট্টাই স্টেশনের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে খবর। মহীশূর-দ্বারভাঙা বাগমতি এক্সপ্রেস, একটি মালগাড়িকে পিছন থেকে ধাক্কা দেয়। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই, তবে ১৯ জন যাত্রী এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। দুর্ঘটনার ফলে ট্রেনের ১২টি কামরা বেলাইন হয়ে যায়। ট্রেনটিতে (Train Accident) মোট ১,৩৬০ জন যাত্রী ছিলেন বলে খবর। 

    এক্সপ্রেস ট্রেনটি অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে যাচ্ছিল (Train Accident)

    জানা গিয়েছে, এক্সপ্রেস ট্রেনটি অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় আচমকাই দুটি ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সঙ্গে সঙ্গে চারটি কামরা বেলাইন হয়ে যায়। সংঘর্ষের জেরে বগিতে আগুনও লেগে যায়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বাগমতি এক্সপ্রেস দ্বারভাঙার দিকে যাচ্ছিল। রাত ৭টা ৫০ মিনিট নাগাদ ট্রেনটি পেরামবুর স্টেশন থেকে ছাড়ে। এরপর সেটা কাভারাইপেট্টি স্টেশন পৌঁছয় রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ যায়। প্রথমদিকে ১০৯ কিমি প্রতি ঘণ্টায় প্রথমদিকে ট্রেনটি যাচ্ছিল। পরে এটি লুপ লাইনে প্রবেশের পরে গতি কিছুটা কমিয়ে ফেলে। সেই সময় ট্রেনের গতি প্রায় ৯০ কিমি প্রতি ঘণ্টা ছিল বলে খবর। তখনই একটা মালগাড়ির পেছনে ধাক্কা দেয় যাত্রীবাহী এক্সপ্রেস ট্রেনটি।

    উদ্ধারকাজে স্থানীয়রাই

    ধাক্কার পরেই এক্সপ্রেসের (Train Accident) একটা পাওয়ার কোচ ও একটি মোটর ভ্যানে আগুন ধরে যায়। স্থানীয়রাই প্রথমে উদ্ধারকাজে হাত লাগান বলে খবর। এরপর উদ্ধারকাজ শুরু হয়। এই দুর্ঘটনার (Tamil Nadu) ফলে ওই রুটের ১৮টি ট্রেন শনিবার বাতিল করা হয়েছে বলে খবর। দুর্ঘনার পরেই রেলওয়ে সেফটির কমিশনার অনন্ত মধুকর চৌধুরি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share