Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Sanjauli Mosque Row: শিমলার সঞ্জৌলি মসজিদের তিনটি অবৈধ তলা ভেঙে ফেলার নির্দেশ আদালতের

    Sanjauli Mosque Row: শিমলার সঞ্জৌলি মসজিদের তিনটি অবৈধ তলা ভেঙে ফেলার নির্দেশ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিমলার সঞ্জৌলি মসজিদের তিনটি অবৈধ তলা ভেঙে ফেলার (Sanjauli Mosque Row) নির্দেশ দিল জেলা আদালত (Shimla District Court)। এই বিতর্কের সূত্রপাত কিছুদিন আগে। জানা গিয়েছে, সঞ্জৌলি মসজিদ কমিটি অবৈধভাবে তিনটি অতিরিক্ত তলা নির্মাণ করেছে। পুরসভার আইন ভঙ্গ করেই এটা করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

    জনসাধারণের মধ্যে অসন্তোষ (Sanjauli Mosque Row)

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বারংবার অভিযোগের পরেও রাজ্য প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ। যার জেরে অবৈধ এই কাঠামো দাঁড়িয়ে রয়েছে। প্রশাসনের এই উদাসীনতা জনসাধারণের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে হিন্দুদের মধ্যে, যারা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে যে তারা আইনের শাসনের চেয়ে আপোসের রাজনীতিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। বিতর্কের জল গড়ায় শিমলা জেলা আদালত পর্যন্ত (Shimla District Court)। আদালত সাফ জানিয়ে দেয় পুরসভার নির্দেশ মেনে অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলতে হবে। মসজিদ কমিটির সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আবেদনও খারিজ করে দেয় আদালত। আদালত জানিয়ে দেয়, ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আদালত এও বলেছে, আইনের শাসন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনও অবস্থায়ই অবৈধ নির্মাণকাজ মেনে নেওয়া হবে না।

    মসজিদের অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলার দাবি

    সঞ্জৌলি মসজিদের (Sanjauli Mosque Row) তিনটি তলা আইন না মেনে নির্মিত হয়েছে বলে অভিযোগ। মসজিদের অবৈধ ওই অংশ ভেঙে ফেলার দাবি তোলেন স্থানীয় হিন্দুরা। সেপ্টেম্বর মাসে এ নিয়ে শিমলা আদালতে একটি আবেদন জমা দেয় ওয়াকফ বোর্ড। তারা জানায়, সঞ্জৌলি মসজিদের ওই জমির মালিক মসজিদ কমিটি। মুসলিম পক্ষ মসজিদের অনুমোদনহীন অংশ ভেঙে ফেলতে রাজি হয়েছিল আগেই। তারা নিজেরাই সেই অংশ ভেঙে ফেলতে চেয়েছিল। হিন্দুদের দাবি ছিল, বুলডোজার নিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। দুপক্ষের এই দাবি-পাল্টা দাবির প্রেক্ষিতে এলাকায় ছড়ায় উত্তেজনা।

    আরও পড়ুন: “ভারতের ইতিহাস বিকৃত করে আসল নায়কদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে”, দাবি ধনখড়ের

    তার পরে পরেই মসজিদের ইমাম ও ওয়াকফ বোর্ড এবং ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যদের নিয়ে গঠিত কমিটি পুরসভার কমিশনার ভূপেন্দ্র আত্রির কাছে একটি প্রস্তাব জমা দেন। সেই সময় কমিটির সদস্য মুফতি মহম্মদ শফি কাসামি বলেছিলেন, “আমরা শিমলা মিউনিসিপ্যাল কমিশনারের কাছে সঞ্জৌলিতে অবস্থিত মসজিদের অননুমোদিত অংশ ভেঙে ফেলার অনুমতি চেয়েছি।” পরে আদালতে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আবেদন করে (Sanjauli Mosque Row) মসজিদ কমিটি। সেই আবেদন খারিজ করে দিল আদালত (Shimla District Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Rafale Deal: আরও শক্তিশালী নৌসেনা! ফ্রান্স থেকে ২৬ রাফাল মেরিন যুদ্ধবিমান আসছে ভারতে, চুক্তি শীঘ্রই

    Rafale Deal: আরও শক্তিশালী নৌসেনা! ফ্রান্স থেকে ২৬ রাফাল মেরিন যুদ্ধবিমান আসছে ভারতে, চুক্তি শীঘ্রই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শক্তি বাড়াচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা। দেশের জলসীমায় শত্রুদের বুকে কাঁপুনি ধরাতে এবার ফ্রান্স থেকে ২৬টি রাফাল মেরিন কমব্যাট (Rafale Deal) এয়ারক্রাফ্ট নিয়ে আসছে ভারত। এই বিষয়ে চুক্তি সম্ভবত পরের মাসেই হতে চলেছে বলে আভাস দিয়েছেন নৌসেনার (India Navy) প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠী। নৌসেনা দিবস উপলক্ষ্যে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এ কথা জানান তিনি। 

    চূড়ান্ত পর্যায়ে চুক্তি

    নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠী বলেন, ‘‘রাফাল (Rafale Deal) মেরিন নিয়ে সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। শুধু ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটিতে এটি নিয়ে যাওয়ার অপেক্ষা। যেহেতু এটি সরকার থেকে সরকারের ডিল, তাই এটা নিয়ে বেশি সময় লাগবে না।’’ নৌসেনার জন্য আসা এই এয়ারক্রাফ্টগুলি বহু পর্যায়ের আলোচনা সমঝোতার পর দামের দিক থেকেও কিছুটা কাটছাঁট হচ্ছে বলে খবর। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ৩৬টি রাফাল বিমান ভারতে আসে ফ্রান্স থেকে। সেই বিপুল পরিমাণ রাফাল বিমান কেনার পর এবার এই ২৬টি রাফাল মেরিন এয়ারক্রাফ্ট ভারতের সেনার শক্তিকে আরও বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

    নতুন বিমানে নয়া কী কী 

    নতুন রাফাল যুদ্ধবিমানগুলিতে (Rafale Deal) বেশ কয়েকটি ‘মডিফিকেশন’ এর কথা বলেছে ভারতীয় নৌসেনা। জেটগুলিতে উন্নত রেডার লাগানোর কথা বলা হয়েছে। নতুন কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র যেমন রুদ্রম অ্যান্টি রেডিয়েশন মিসাইল, বিয়ন্ড ভিসুয়াল রেঞ্জ মিসাইল ওই বিমানে লাগানোর কথা বলা হয়েছে। এই অস্ত্রগুলি রাফাল মেরিন এয়ারক্রাফ্টে যুক্ত হলে তা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। এর পাশাপাশি, নতুন তিনটি পরমাণু শক্তিচালিত অ্যাটাক সাবমেরিন (SSN) নির্মাণের বিষয়েও কেন্দ্রের তরফে সবুজ সঙ্কেত শীঘ্রই হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন নৌ-প্রধান। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, নৌসেনার শক্তিকে বাড়িয়ে নিতে, ৬২টি যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন বর্তমানে দেশের মাটিতে তৈরি হচ্ছে। যা পরে নৌসেনায় যুক্ত হবে। 

    নৌসেনা দিবসের প্রস্তুতি

    পুরীর ব্লু ফ্ল্যাগ বিচে আগামী ৪ ডিসেম্বর উদযাপিত হবে নৌসেনা (India Navy) দিবস। জানা যাচ্ছে, এই অনুষ্ঠানের কারণে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে পুরীর সমুদ্র সৈকত। অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হবে ২৪টি যুদ্ধ জাহাজ, ৪০টি এয়ারক্র্যাফ্ট। এ ছাড়াও একাধিক হেলিকপ্টার, প্যারাশুট, ফাইটার জেটও দেখা যাবে নৌসেনার সেলিব্রেশনে। সি বিচে আনা হবে ৮টি যুদ্ধ ট্যাঙ্কও। মূলত ভারতীয় নৌসেনার শক্তি প্রদর্শনের জন্যই এই বিরাট আয়োজন। ইতিমধ্যেই সি বিচ জুড়ে চলছে মার্কোশ কমান্ডো, হেলিকপ্টার এবং যুদ্ধ ট্যাঙ্কের মহড়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jagdeep Dhankhar: “ভারতের ইতিহাস বিকৃত করে আসল নায়কদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে”, দাবি ধনখড়ের

    Jagdeep Dhankhar: “ভারতের ইতিহাস বিকৃত করে আসল নায়কদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে”, দাবি ধনখড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসল নায়কদের প্রতি অবিচার করে মুষ্টিমেয় কয়েকজনকে জায়গা দিতে ভারতের ইতিহাস (Indian History) বিকৃত ও পরিবর্তিত করা হয়েছিল। এমনই দাবি করলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। রবিবার নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে রাজা মহেন্দ্র প্রতাপ সিংয়ের ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ভাষণ দেন উপরাষ্ট্রপতি। সেখানেই তিনি ইতিহাস বই বিকৃত করার অভিযোগ করেন।

    কী বললেন ধনখড়? (Jagdeep Dhankhar)

    তিনি বলেন, “ভারতের ইতিহাস বিকৃত ও পরিবর্তিত করা হয়েছিল। এতে কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে এই দাবি করার জন্য একচেটিয়া জায়গা দেওয়া হয়েছিল যে, তাঁরাই ব্রিটিশদের কাছ থেকে ভারতের স্বাধীনতা অর্জনে অবদান রেখেছেন।” উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “ভারতের স্বাধীনতার ভিত্তি সম্পর্কে মানুষকে খুব ভিন্নভাবে শেখানো হয়েছে। ইতিহাস বই আমাদের আসল নায়কদের প্রতি অবিচার করেছে। আমাদের ইতিহাস বিকৃত ও পরিবর্তিত করা হয়েছিল, এবং এতে কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে একচেটিয়া স্থান দেওয়া হয়েছে যারা আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের কৃতিত্ব পেয়েছে। এটা আমাদের বিবেকের ওপর একটি অসহনীয় ব্যথা। এটা আমাদের আত্মা ও হৃদয়ের ওপর একটি বোঝা।”

    বীরত্বপূর্ণ কীর্তিগুলিকে স্বীকৃতি দিতে ব্যর্থ

    তিনি ভারতের ঐতিহাসিক বিবরণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের আহ্বানও জানান। উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “আমাদের ইতিহাস বইগুলো রাজা মহেন্দ্র প্রতাপ সিংয়ের বীরত্বপূর্ণ কীর্তিগুলিকে স্বীকৃতি দিতে ব্যর্থ হয়েছে।” রাজা মহেন্দ্র প্রতাপ সিংকে তিনি একজন স্বাভাবিক কূটনীতিক, রাজনীতিবিদ, দূরদর্শী ও জাতীয়তাবাদী হিসেবে অভিহিত করেন। এই অবহেলাকে ‘ন্যায়বিচারের প্রহসন’ বলে অভিহিত করেছেন উপরাষ্ট্রপতি। ইতিহাসের ভুল উপস্থাপনাকে সংশোধন করার গুরুত্বও এদিনের বক্তৃতায় তুলে ধরেন তিনি। ভারতের স্বাধীনতার ভিত্তি স্থাপনকারী ব্যক্তিদের যাতে যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া যায়, তাই এটা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ভারতের জিডিপি বৃদ্ধি পৌঁছতে পারে ৬.৪ শতাংশে, দাবি মর্গানের রিপোর্টে

    উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “এটা ন্যায়বিচারের প্রতি অবিচার, কী ট্র্যাজেডি। আমাদের স্বাধীনতার ৭৫ তম বছরে, আমরা ব্যর্থ হয়েছি—ভয়ানকভাবে ব্যর্থ হয়েছি—রাজা মহেন্দ্র প্রতাপ সিংয়ের মতো মহান মানুষের বীরত্বপূর্ণ কীর্তিগুলিকে স্বীকার করতে। আমাদের ইতিহাস তাঁকে তার প্রাপ্য মর্যাদা দেয়নি। আমাদের স্বাধীনতার ভিত্তিগুলি, যেগুলি তাঁর মতো মানুষদের এবং অন্যান্য অবহেলিত বা কম পরিচিত বীরদের সর্বোচ্চ ত্যাগের (Indian History) ওপর প্রতিষ্ঠিত, তা ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে (Jagdeep Dhankhar)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে আক্রান্ত কলকাতাগামী বাস, ভারতীয়দের প্রাণনাশের হুমকি! প্রতিবাদ ত্রিপুরার

    Bangladesh: বাংলাদেশে আক্রান্ত কলকাতাগামী বাস, ভারতীয়দের প্রাণনাশের হুমকি! প্রতিবাদ ত্রিপুরার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু নির্যাতনের ঘটনায় যখন বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকারের তীব্র সমালোচনা চলছে নানা মহলে, ঠিক তখনই ত্রিপুরা লাগোয়া বাংলাদেশ সীমান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কলকাতাগামী একটি বাস ঘিরে যাত্রীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। ত্রিপুরা থেকে কলকাতাগামী বাসে হামলা চালানোর অভিযোগ। বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবেড়িয়ায় ইচ্ছাকৃতভাবে কলকাতাগামী ওই বেসরকারি পরিবহণ সংস্থার বাসে ধাক্কা মারে একটি ট্রাক, এমনটাই জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনায় অল্প আঘাত পান যাত্রীরা। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীও বাংলাদেশের হামলার কড়া নিন্দা করেন। হামলা না থামালে কড়া পদক্ষেপের কথাও বলেন তিনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, ৩০ নভেম্বর ত্রিপুরার আগরতলা থেকে কলকাতা (Kolkata) আসছিল শ্যামলী পরিবহণের বাস। বাংলাদেশের (Bangladesh) বিশ্ব রোডে হঠাৎ বাসটিকে সজোরে ধাক্কা মারে একটি বড় ট্রাক। কোনওমতে ব্রেক কষে বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ান বাসের চালক। গোটা ঘটনায় চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। অভিযোগ, দুর্ঘটনার পরই বাসে থাকা ভারতীয় যাত্রীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ভারত বিরোধী স্লোগানও দেওয়া হয়। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে ত্রিপুরা সরকার। ত্রিপুরার পরিবহণমন্ত্রী সুশীল চৌধুরী বলেন, ‘‘ত্রিপুরা থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবেড়িয়ায় আক্রান্ত হয়েছে শ্যামলী পরিবহণের একটি বাস। বাসটি রাস্তার এক ধার ধরে যাচ্ছিল। হঠাৎ বাসটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুর্ঘটনার কবলে ফেলার জন্য ধাক্কা দেয় পণ্যবাহী একটি ট্রাক। একই সময় রাস্তায় থাকা একটি অটো বাসের সামনে চলে আসে এবং শ্যামলী – বাসটির সঙ্গে সেটির সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন – বাসে থাকা ভারতীয় যাত্রীদের ক্রমাগত হুমকি দিতে থাকেন। ভারত- বিরোধী নানা স্লোগান দিয়ে এবং কটু মন্তব্য করে যাত্রীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। আর বাসে থাকা ভারতীয় যাত্রীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের প্রশাসনকে দ্রুত হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’’

    সরব হয়েছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

    ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা ভারতীয় যাত্রীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রশাসনকে এই বিষয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘এরকম ঘটনা ঘটতে পারে তা ভাবা যায়নি। বাংলাদেশে যা চলছে তা কোনও মতেই মেনে নেওয়া যায় না। ওরা যদি নিজেদের শুধরে না নেয়, তাহলে ফল ভুগতে হবে। ওখানে যা হচ্ছে তা মোটেও ভালো নয়।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘ওখানে সংখ্যালঘুদের ওপর যেভাবে অত্যাচার চলছে, তা গোটা বিশ্ব দেখছে। আমি আশা করছি, আমাদের কেন্দ্রীয় সরকার এবং কেন্দ্রীয় নেতারা পুরো বিষয়টির ওপর নজরদারি চালাচ্ছেন। সঠিক সময়ে তাঁরা নিশ্চয়ই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন। যেহেতু ত্রিপুরার তিন দিকে বাংলাদেশ সীমান্ত তাই আমরা নজরদারির জন্য বিএসএফ এবং ডিজিপির সঙ্গে কথা বলেছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India GDP Growth: ভারতের জিডিপি বৃদ্ধি পৌঁছতে পারে ৬.৪ শতাংশে, দাবি মর্গানের রিপোর্টে

    India GDP Growth: ভারতের জিডিপি বৃদ্ধি পৌঁছতে পারে ৬.৪ শতাংশে, দাবি মর্গানের রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষের জন্য ভারতের সামগ্রিক জিডিপি বৃদ্ধি (India GDP Growth) পৌঁছতে পারে ৬.৪ শতাংশে। কারণ অর্থবর্ষের দ্বিতীয়ার্ধে জিডিপি বৃদ্ধির হার উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৬.৭ শতাংশে। অন্তত এমনই আশার বাণী শোনানো হয়েছে জেপি মর্গানের (JP Morgan) একটি প্রতিবেদনে।  

    জিডিপি বৃদ্ধির গতি ধীর (India GDP Growth)

    ২০২৪ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে দেশের জিডিপি ৫.৪ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। যা সাত ত্রৈমাসিকের মধ্যে সবচেয়ে ধীর গতির। বাজারের পূর্বাভাসের চেয়েও অনেকটাই কম। জিডিপি বৃদ্ধির এই মন্দা সাইক্লিক্যাল ফ্যাক্টর দ্বারা চালিত। প্রত্যাশার তুলনায় ভোক্তা ব্যয়, বিনিয়োগ এবং রফতানিতে দুর্বল পারফরম্যান্সই এ জন্য দায়ী (India GDP Growth)। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তৃতীয় ত্রৈমাসিকে এই ধীরগতি পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত ছিল না। কারণ সাম্প্রতিক মাসগুলিতে অর্থনীতি ধীর গতি হওয়ার লক্ষণ দেখিয়েছিল।

    নেমেছে গ্রস ভ্যালু অ্যাডেডও

    কোর গ্রস ভ্যালু অ্যাডেড নেমে এসেছে ৫.৩ শতাংশে। এর মধ্যে অবশ্য কৃষি, সরকারি প্রশাসন এবং ভর্তুকি বাদ রয়েছে। গ্রস ভ্যালু অ্যাডেডের এই পতন গত সাত ত্রৈমাসিকের মধ্যে সব চেয়ে কম। মানিটারি জিডিপি বৃদ্ধিও (India GDP Growth) ৮ শতাংশে নেমে এসেছে। এটাও ডিসেম্বর ২০২০ থেকে এ পর্যন্ত চেয়ে সবচেয়ে দুর্বল পারফরম্যান্স। আসন্ন ত্রৈমাসিকগুলিতে প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর সম্ভাব্য কারণগুলোর উল্লেখ করে জেপি মর্গানের (JP Morgan) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের দ্বিতীয়ার্ধে প্রবৃদ্ধির গড় প্রায় ৬.৭ শতাংশ হতে পারে বলে আমরা আশা করছি। এটা পুরো অর্থবর্ষের জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে ৬.৪ শতাংশে নিয়ে যাবে।”

    আরও পড়ুন: “বিরোধী দল ভোটব্যাংকের রাজনীতি করে”, কংগ্রেসকে তোপ গিরিরাজের

    প্রতিবেদনে এও বলা হয়েছে, একটি স্থিতিশীল সরকারি পুঁজি ব্যয় পরিকল্পনা, গ্রামীণ ভোগব্যয়ের অব্যাহত বৃদ্ধি এবং পরিষেবা রফতানির জন্য আসন্ন ত্রৈমাসিকগুলিতে আরও অনুকূল বৈশ্বিক পরিবেশ প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করতে পারে (India GDP Growth)। তবে, প্রতিবেদনে দেওয়া হয়েছে সতর্কবার্তাও। বলা হয়েছে, শহুরে ভোগব্যয় এবং পণ্যের রফতানি সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জগুলোকে ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষের দ্বিতীয়ার্ধে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PFI: ‘নিষিদ্ধ সংগঠন মানহানির মামলা করতে পারে না’, পিএফআই-এর আবেদন খারিজ কেরল হাইকোর্টে

    PFI: ‘নিষিদ্ধ সংগঠন মানহানির মামলা করতে পারে না’, পিএফআই-এর আবেদন খারিজ কেরল হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির ভারত প্রকাশন মিডিয়া হাউস লিমিটেডের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিল কেরলের নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI)। এই প্রকাশনী সংস্থার অধীনেই রয়েছে অর্গানাইজার পত্রিকা। গত ২৬ নভেম্বর কেরল হাইকোর্ট এই মামলা খারিজ করে দিয়েছে। বিচারপতি পিভি কুনহিয়কৃষ্ণাণ নিজের রায়ে জানিয়েছেন যে পিএফআই বা পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া হল একটি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন। তাই এরা কোনও রকমের মানহানির অভিযোগ দায়ের করতে পারে না। কারণ, এই সংগঠনের আইনি সত্ত্বা বলে কিছু নেই। প্রসঙ্গত, ভারত প্রকাশনের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়। এই ভারত প্রকাশনের অধীনেই বের হয় অর্গানাইজার ও পাঞ্চজন্য পত্রিকা।

    ২০১৭ সালে করা হয় মানহানির মামলা

    পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI) অর্গানাইজার পত্রিকায় প্রকাশিত একটি খবরের জন্য ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মানহানির মামলা করে। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়াকে নিষিদ্ধ করা হয়নি। তাই তারা আদালতে মামলা করতে পেরেছিল তখন। সে সময়ে ভারতে চালু ছিল ইন্ডিয়ান পেনাল কোড বা আইপিসি। প্রসঙ্গত, আইপিসির ৪৯৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী মানহানির মামলা করেছিল পিএফআই। কিন্তু বিচারক স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, বর্তমানে যেহেতু নিষিদ্ধ এই সংস্থা, তাই এই মানহানির মামলার গ্রহণযোগ্যতা নেই। 

    ২০২২ সালে নিষিদ্ধ করা হয় পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়াকে (PFI)

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি উল্লেখ করা হয়েছে কেরল হাইকোর্টের (Kerala High Court) রায়ে। প্রসঙ্গত ওই দিনই পপুলার ফ্রন্ড অফ ইন্ডিয়া এবং তার সহযোগী সংস্থাগুলিকে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের দ্বারা নিষিদ্ধ করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Hydrogen Powered Train: ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন চালু আগামী বছর, চলবে কোন রুটে? গতি কত?

    Hydrogen Powered Train: ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন চালু আগামী বছর, চলবে কোন রুটে? গতি কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন (Hydrogen Powered Train) চালিত ট্রেন চলবে জিন্দ স্টেশন থেকে সোনিপথ স্টেশনের মধ্যে। যদিও এখনও এই ট্রেনের (Indian Rail) নামকরণ কী হবে তা ঠিক হয়নি। তবে ট্রেনের নকশা করছে আরডিএসও। মূলত ৮টি যাত্রীবাহী কোচ রয়েছে। একসঙ্গে ২৬৩৮ জন যাত্রী বহন করতে সক্ষম হবে এই হাইড্রোজেন ট্রেন। জাপান এবং চিনে এই জ্বালানি নিয়ে ট্রেন চালানোর কাজ করছে। তবে এখনও পর্যন্ত জার্মানিই সফল দেশ যেখানে হাইড্রোজেন দিয়ে ট্রেন চলছে।

    আরডিএসও নকাশা করেছে (Hydrogen Powered Train)

    গত দশ বছরে কেন্দ্রের মোদি সরকার রেলে ব্যবস্থার যুগান্তকারী দিকের সূচনা করে বন্দে ভারত ট্রেন (Indian Rail) চালু করেছে। এবার রেলের মুকুটে যুক্ত হবে হাইড্রোজেন (Hydrogen Powered Train) চালিত ট্রেনর পালক। এই বিশেষ ট্রেন মাইল ফলক হবে। খুব দ্রুত হরিয়ানার নামানো হবে ট্রেন। ট্রেনের আধুনিক রিসার্চ, ডিজাইন এবং স্ট্যান্ডার্ড অর্গানাইজেশন (আরডিএসও) ট্রেনটির নকশা তৈরি করেছে। এই ট্রেনের উদ্বোধনের পর বিশ্বের বাকি এমন দেশগুলির সঙ্গে এখন থেকে তুলনা করা হবে যাদের হাইড্রোজেন দ্বারা ট্রেন চালানো হয়। এই প্রচেষ্টাকে এখন বিশ্বজুড়ে বড় মাপের প্রচেষ্টা বলা যায়। জৈব জ্বালানীর খরচ এবং পরিবেশ দূষণের কথা মাথায় রেখে এই অভিনব ভাবনার পথে পদার্পণ করবে ভারতীয় রেল। ইতিমধ্যে বিকল্প জ্বালানীতে ভারত মিথেন, ইথানল, হাইড্রোজেন, জৈব গ্যাসের অনন্য নজির গড়ছে সড়ক পরিবহণে।

    গতিবেগ হবে ১১০ কিমি প্রতি ঘণ্টা

    জানা গিয়েছে, ভারতের এই হাইড্রোজেন (Hydrogen Powered Train) চালিত ট্রেনের নকশা সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে গিয়েছে। আগামী বছরের প্রথমের দিকেই এই ট্রেন (Indian Rail) চালু হয়ে যাবে। তবে ট্রেনের প্রাথমিক নকশা তৈরি হয়েছিল ২০২১ সালেই। আবার আরডিএসও-এর মহাপরিচালক উদয় বোরওয়াঙ্কা বলেন, “আমাদের সংস্থা ধারবাহিক ভাবে রেলের নতুন নতুন ভাবনাকে উত্থাপন করছে। এইবারে বিশ্বের অন্যান্য দেশে যেমন হাইড্রোজেন দিয়ে পরিবহণকে চালানো হচ্ছে, ঠিক তেমনি ভাবে আমরাও রেলের জন্য বিশেষ প্রয়োগ করেছি। স্থায়িত্বের বিচারের ভারতীয় রেলের এই যান দারুণ উন্নত হবে বলে আমরা আশা প্রকাশ করছি। ট্রেনের এখনও নামকরণ হয়নি। গতিবেগ হবে ১১০ কিমি প্রতি ঘণ্টা। ট্রেনে থাকবে হাইড্রোজেন সিলিন্ডার এবং হাউজিং ইন্টিগ্রেটেড ফুয়েল সেল কনভার্টার, ব্যাটারি এবং এয়ার রিজার্ভার। স্বল্প দূরত্বের জন্য এই ট্রেন বেশ কার্যকরি। বর্তমানে, চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে (ICF) ইন্টিগ্রেশনের কাজ চলছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Iskcon: বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দু! নিরাপত্তার দাবিতে বিশ্বের ১৫০ দেশের ৮০০ মন্দিরে শান্তিপ্রার্থনা ইসকনের

    Iskcon: বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দু! নিরাপত্তার দাবিতে বিশ্বের ১৫০ দেশের ৮০০ মন্দিরে শান্তিপ্রার্থনা ইসকনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) আক্রান্ত একের পর এক ইসকন মন্দির। সে দেশে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন হিন্দুরা। গ্রেফতার করা হয়েছে ইসকনের একাধিক সন্ন্যাসীকে (Iskcon)। এই আবহে গতকাল রবিবারই বিশ্বের দেড়শোটি দেশে প্রার্থনা-কীর্তনের মাধ্যমে প্রতিবাদের আয়োজন করেছিল ইসকন। আমেরিকা, আফ্রিকা, ইউরোপ মহাদেশের ১৫০টি দেশে ইসকনের প্রায় ৮০০-এরও বেশি মন্দিরে স্থানীয় সময় অনুসারে বাংলাদেশ ইস্য়ুতে কর্মসূচির আয়োজন করা হয় রবিবার। কোথাও শান্তিপ্রার্থনা কোথাও আবার কীর্তনের আয়োজন করেন ইসকন ভক্তরা। একটাই প্রার্থনা করা হয় সর্বত্র, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা।

    রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থনার মাধ্যমে প্রতিবাদ (Iskcon)

    রবিবার এদেশেরও একাধিক বড় শহরে প্রতিবাদ জানায় ইসকন (Iskcon)। রাজ্যের মধ্য়ে কলকাতা, শিলিগুড়ি, মায়াপুর, রাজস্থানের জয়পুর, অসমের গুয়াহাটি, ওড়িশার ভুবনেশ্বর, কর্নাটকের বেঙ্গালুরু সহ দেশের একাধিক জায়গাতে ইসকনের মন্দিরগুলিতে প্রার্থনা ও কীর্তনের মাধ্যমে শান্তি প্রার্থনা করা হয়। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপরে অত্যাচার চলছে সেই অত্যাচারের প্রতিবাদ জানানো হয়। ইসকনের সন্ন্যাসীদের হাতে পোস্টার দেখা যায়, ‘আমরা সন্ত্রাসী নই’, ‘আমাদের মন্দিরকে রক্ষা করো বাংলাদেশে’। একইসঙ্গে গ্রেফতার হওয়া সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের নিঃস্বার্থ মুক্তির দাবিও জানান তাঁরা। পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলে পথে নেমে প্রতিবাদ জানান ইসকনের ভক্তরা। রবিবারে আসানসোলের বার্নপুরে ত্রিবেণী মোড় থেকে এক পদযাত্রা করা হয়। ইসকনের ওই পদযাত্রায় সামিল হতে দেখা গিয়েছে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলকে। প্রসঙ্গত, একইভাবে প্রতিবাদ দেখা গেছে এ রাজ্যের দুর্গাপুরেও। সেখানে প্রতিবাদ জানায় বিশ্ব সনাতনী হিন্দু একতা সঙ্ঘ নামের একটি সংগঠন।

    মায়াপুরের প্রধান কার্যালয়ে প্রতিবাদ

    অন্যদিকে, ইসকনের (Iskcon) মায়াপুর আন্তর্জাতিক প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তার দাবি নিয়ে প্রার্থনা সভা কীর্তন হয়। রবিবার সকাল সাতটা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত ইসকনের এই প্রার্থনা চলে। ইসকনের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস জানিয়েছে, অশান্ত বাংলাদেশে শান্তি ফেরাতেই এমন আয়োজন। মায়াপুরের চন্দ্রোদয় মন্দিরে রাধামাধব বিগ্রহের সামনে অসংখ্য কৃষ্ণ ভক্তরা জমায়েত হন রবিবার এবং বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর ক্রমাগত নির্যাতনের প্রতিবাদে তাঁরা নাম সংকীর্তন শুরু করেন। প্রসঙ্গত, ইসকনের সন্ন্যাসীর মুক্তির দাবিতে মায়াপুরেও প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে বিক্ষোভ দেখায় বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণ মঞ্চ নামের একটি সংগঠন। এরপরে তারা বিক্ষোভ সভাও করে সেখানে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: বন্ধ ইন্টারনেট, মণিপুরে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বৃদ্ধি! অসমেও মোতায়েন অতিরিক্ত বাহিনী

    Manipur Violence: বন্ধ ইন্টারনেট, মণিপুরে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বৃদ্ধি! অসমেও মোতায়েন অতিরিক্ত বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তির জের অব্যাহত মণিপুরে (Manipur Violence)। তাই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে এখনই চালু হচ্ছে না মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা। এর আগে সরকারি নির্দেশে বলা হয়েছিল, রবিবার থেকেই ইন্টারনেট পরিষেবা স্বাভাবিক হতে চলেছে রাজ্যে। কিন্তু ওই নির্দেশ প্রত্যাহার করে রবিবার নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে মণিপুর সরকার। তাতেই বলা হয়েছে, আপাতত বুধবারের আগে চালু হচ্ছে না ইন্টারনেট। রাজ্যের ন’টি জেলায় বৃদ্ধি করা হয়েছে এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ।

    কোন কোন জেলায় নিষেধাজ্ঞা

    রাজ্য সরকারের তরফে নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে বলা হয়েছে, মণিপুরের (Manipur Violence) ন’টি জেলায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার মেয়াদ আরও দু’দিনের জন্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল পশ্চিম, কাকচিং, বিষ্ণুপুর, থৌবল, চূড়াচাঁদপুর, জিরিবাম, ফেরজওল এবং কাংপোকপি জেলায় আগামী ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা। উল্লেখ্য, গত ১৬ নভেম্বর থেকেই মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে ওই জেলাগুলিতে। গত মে মাস থেকে মেইতেই এবং কুকি-জো সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসা ঘিরে উত্তপ্ত মণিপুর। এ পর্যন্ত ২৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গৃহহীন হয়েছেন আরও কয়েক হাজার মানুষ। চলতি মাসে মণিপুরের জিরিবামে কুকি জঙ্গি এবং সিআরপিএফ জওয়ানদের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। অভিযোগ, সেই সময় একদল কুকি জঙ্গি মেইতেই সম্প্রদায়ের তিন মহিলা এবং তিন শিশুকে অপহরণ করে। দিন কয়েক পরে অপহৃত ছ’জনের দেহ নদীতে ভেসে আসে। প্রকাশ্যে আসে শিউরে ওঠার মতো ময়নাতদন্তের রিপোর্টও। জিরিবামের এই ঘটনার পর থেকেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় মণিপুরে। 

    আরও পড়ুন: প্রধান পর্যটন কেন্দ্রের তালিকায় নাম যোগনগরী হৃষিকেশের, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ধামীর

    অসমে প্রভাব

    রবিবার অসমের (Assam) মুখ্য়মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, মণিপুরে (Manipur Violence) যে হিংসা চলছে তার জেরে অসমের শান্তিতে প্রভাব ফেলছে, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর প্রভাব পড়ছে। তিনি জানিয়েছেন, প্রতিবেশী রাজ্যে হিংসার জেরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মণিপুর থেকে প্রায় ১২ কিমি দূরে অসমের লাখিপুর মহকুমা। সেখানে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এই কথা জানান তিনি। প্রসঙ্গত গত বছরের মে মাস থেকে মণিপুরের হাজার হাজার বাসিন্দা অসমে আশ্রয় নিয়েছিলেন। অনেকেই সেখানে পাকাপাকিভাবে থাকতে শুরু করেন। সরকারি তথ্য় অনুসারে প্রায় ৫০০০ জিরিবামের বাসিন্দা কাছাড়ে বাস করা শুরু করেছিলেন। তাদের মধ্য়ে বেশিরভাগই ফিরে যান। ৭ নভেম্বর ফের জিরবামে সংঘর্ষ শুরু হয়। তারপরই ফের বিক্ষিপ্ত অশান্তি ছড়ায় মণিপুর লাগোয়া অসমের কাছাড়ে। এরপর ২০০ কিমি সীমান্ত এলাকা সিল করে দেওয়া হয়। বরাক উপত্যকায় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে হিংসা-বিধ্বস্ত মণিপুরের কোনও প্রভাব অসমে না পড়ে। উল্লেখ্য, অসমের কাছাড় জেলার বরাক উপত্যকা মণিপুরের জিরিবাম জেলার লাগোয়া। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: ‘কমপক্ষে তিন সন্তান নিন’, নিদান মোহন ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: ‘কমপক্ষে তিন সন্তান নিন’, নিদান মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভারতীয় পরিবারগুলিকে কমপক্ষে তিন সন্তান নেওয়ার নিদান দিলেন আরএসএস (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। জন্মহার ২.১ এর নীচে নেমে গেলে কোনও জাতির অবলুপ্তি ঘটে। এমনই নাকি দাবি করা হয়েছে গবেষণায়। তাই তিন সন্তান নেওয়ার পরামর্শ সরসংঘ চালকের।

    ভাগবত উবাচ (Mohan Bhagwat)

    নাগপুরে আয়োজিত এক সভায় আরএসএস প্রধান বলেন, “জনসংখ্যা বৃদ্ধি না হলে সমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে যাওয়া অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।” তিনি বলেন, “জনসংখ্যা বিজ্ঞানের সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, কোনও জাতির জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২.১ এর নীচে নেমে গেলে সেই সমাজের অবলুপ্তি ঘটে। এ জন্য বাইরে থেকে কোনও আক্রমণের প্রয়োজন নেই। একা একাই ধ্বংস হয়ে যাবে ওই জাতি। এর আগেও বহু ভাষা ও সভ্যতা এভাবে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “সেই জন্য জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কখনওই ২.১ এর কম হওয়া উচিত নয়।”

    জন্মহার ২.১ এর নীচে নামা উচিত নয়

    ভারতের জনসংখ্যা নীতির প্রসঙ্গ টেনে ভাগবত বলেন (Mohan Bhagwat), সেখানেও বলা হয়েছে কোনও জাতির জন্মহার ২.১ এর নীচে নামা উচিত নয়। তাই প্রত্যেক পরিবারের উচিত দুইয়ের বেশি অর্থাৎ কমপক্ষে তিনটি করে সন্তান নেওয়া। জনসংখ্যার ভারসাম্য বজায় থাকলে সমাজও স্থিতিশীল থাকবে। ভাগবতের আগেও একাধিক সন্তানের জন্ম দেওয়ার নিদান দিয়েছেন অনেকে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর পর এবার সেই একই সুর শোনা গেল সরসংঘ চালকের (Mohan Bhagwat) মুখে।

    আরও পড়ুন: “বিরোধী দল ভোটব্যাংকের রাজনীতি করে”, কংগ্রেসকে তোপ গিরিরাজের

    বছর চারেক আগেও জনসংখ্যা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন ভাগবত। সেবার তিনি সওয়াল করেছিলেন দুই সন্তান নীতির পক্ষে। তাঁর সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে শুরু হয় বিতর্ক। পরে সেই বক্তব্য ফিরিয়ে নিয়ে (RSS) ভাগবত বলেছিলেন, “ভারতের অবিলম্বে উচিত একটি সুচিন্তিত জনসংখ্যা নীতি চালু করা (Mohan Bhagwat)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share