Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • BJP: “বিজেপি পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে”, দাবি হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনির

    BJP: “বিজেপি পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে”, দাবি হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে এবার কংগ্রেসের দিকে পাল্লা ভারী বলে একাধিক এক্সিট পোল দাবি করেছে। কিন্তু, তাতে বিন্দুমাত্র বিচলতি নন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনি। বরং, ফের বিজেপি (BJP) হরিয়ানায় (Haryana) সরকার গঠন করতে চলেছে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যে স্বাভাবিকভাবে চাঙ্গা গেরুয়া শিবির।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? (BJP)  

    মুখ্যমন্ত্রী (BJP) নয়াব সিং সাইনি শনিবার বলেন. “বিজেপি পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে। আমরা আত্মবিশ্বাসী। হরিয়ানার মানুষ গত কয়েক বছরের কাজ দেখেছেন। আমরা প্রতিটি এলাকায় সর্বস্তরের মানুষের জন্য কাজ করেছি। আমরা হরিয়ানাকে আঞ্চলিকতা এবং স্বজনপ্রীতি থেকে মুক্ত করেছি”। পঞ্চকুলা বিধানসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী গিয়ান চাঁদ গুপ্ত বলেন, “পঞ্চকুলায় শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। লোকেরা আমাদের কাজের প্রশংসা করেছে। সরকারে থেকে মানুষের জন্য আমরা যে উন্নয়নমূলক কাজ করেছি তার জন্য ভোট দিয়েছে।” প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ৯০টি আসনের মধ্যে ৪০টিতে জিতেছিল। জেজেপি-র সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করেছিল বিজেপি। জেজেপি সেবার ১০টি আসন জিতেছিল। কংগ্রেস পেয়েছিল ৩১টি আসন। যদিও জেজেপি পরে জোট থেকে বেরিয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: “নারী সুরক্ষা কোথায়”? জয়নগরকাণ্ডে সরব আরজি করের নির্যাতিতার বাবা-মা

    কংগ্রেস নেতৃত্ব কী দাবি করলেন?

    কংগ্রেস নেতা রশিদ আলভি আবার পাল্টা বলেছেন, “এগজিট পোলে আমার খুব একটা বিশ্বাস নেই। কিন্তু হরিয়ানায় এবার বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে ঢেউ ছিল। কংগ্রেস দল সেখানে (হরিয়ানায়) ৬০-৭০টি আসন জিততে পারে। দশ বছরে বিজেপি কোনও উন্নয়ন করেনি। সমাজকে বিভক্ত করেছে। হরিয়ানায় বিজেপির এমন কোনও নেতৃত্ব ছিল না যেখানে মানুষ আস্থা রাখতে পারে।” পঞ্চকুলা বিধানসভা আসন থেকে কংগ্রেস প্রার্থী চন্দর মোহন আস্থা প্রকাশ করেছেন যে, কংগ্রেস পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে। তিনি বলেন, “কংগ্রেস ৭০টি আসন জিতবে এবং বিজেপি ১৭টি আসন পাবে। আমরা পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করব”। একই দাবি করেন কংগ্রেস নেতা এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপিন্দর সিং হুডা। তিনি বলেন, “কংগ্রেসের পক্ষে মানুষ ভোট দিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Shimla Court: সময় ২ মাস, শিমলার সেই বিতর্কিত মসজিদের তিনটি তলা ভেঙে ফেলার নির্দেশ

    Shimla Court: সময় ২ মাস, শিমলার সেই বিতর্কিত মসজিদের তিনটি তলা ভেঙে ফেলার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচলপ্রদেশের সেই বিতর্কিত মসজিদের (Disputed Mosque) তিনটি তলা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিল শিমলা আদালত (Shimla Court)। শিমলা মিউনিসিপ্যাল কমিশনার কোর্ট সানজাউলি মসজিদ ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে মসজিদ কমিটি ও ওয়াকফ বোর্ডকে দুমাস সময় দিয়েছে। আদালতের নির্দেশ, মসজিদ কমিটি ও ওয়াকফ বোর্ডকে তাদের নিজস্ব খরচে ভেঙে ফেলতে হবে মসজিদের তিনটি তলা। মসজিদটির বাকি দুটি তলা নিয়ে পরবর্তী শুনানি হবে ২১ ডিসেম্বর।

    আইনজীবীর প্রশ্ন (Shimla Court)

    আদালতে সানজাউলিবাসীর প্রতিনিধিত্ব করছেন যে আইনজীবী, তিনি বলেন, “২০১১ সালে মিউনিসিপাল কমিশন মসজিদ কমিটিকে প্রথম নোটিশ দেয়।” তাঁর প্রশ্ন, “২০১৮ সালের মধ্যে কীভাবে একটা পাঁচতলা ভবন নির্মিত হল? চাওয়া হলেও, মিউনিসিপাল কমিশনের কাছে কোনও রেকর্ড জমা দেওয়া হয়নি।” তিনি বলেন, “পুরো মসজিদটি অবৈধ। সেখানে অবৈধ কার্যকলাপ চলছে।” তাঁর প্রশ্ন, এর পরেও বিদ্যুৎ ও জলের সংযোগ কেন কাটা হল না? তিনি বলেন, “সানজাউলিতে অবৈধ মসজিদের জমি বাদে ১৫৬ বিঘা জমি রয়েছে (Shimla Court)।”

    স্থানীয়দের অভিযোগ

    সানজাউলিতে একটি মসজিদের একটি বড় অংশ অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তাঁদের দাবি, অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই একতলা মসজিদটি পাঁচতলায় পরিণত হয়। বাইরে থেকে বহু মানুষ এখানে নমাজ আদায় করতে আসেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এঁদের মধ্যে অসৎ লোকজনও থাকতে পারেন। ঘটনায় তাঁরা যে ভীত, সন্ত্রস্ত্র, তাও জানিয়েছিলেন তাঁরা। এর পরেই মসজিদের অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলার দাবি জানান স্থানীয়রা। ১১ সেপ্টেম্বর ওই দাবিতে বিক্ষোভও দেখান স্থানীয়রা। বিক্ষোভ চলাকালীন দশজন জখম হন। তার পর ফের সানজাউলি মসজিদ চলে আসে খবরের শিরোনামে।

    আরও পড়ুন: “আমরা ভাগ হয়ে গেলে ওরা সেলিব্রেট করবে”, ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    সানজাউলির ঘটনা থিতু হওয়ার দিন দুই পরে বিক্ষোভ শুরু হয় মান্ডিতেও। সেখানে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে (Disputed Mosque) জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ (Shimla Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “আমরা ভাগ হয়ে গেলে ওরা সেলিব্রেট করবে”, ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    PM Modi: “আমরা ভাগ হয়ে গেলে ওরা সেলিব্রেট করবে”, ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা যদি ভাগ হয়ে যাই, তাহলে যারা আমাদের আলাদা করছে, তারা সেলিব্রেট করবে।” শনিবার ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামনেই মহারাষ্ট্র (Maharashtra) বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে এদিন ঠানেতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সেখানে তিনি নিশানা করেন কংগ্রেসকে।

    কংগ্রেসকে তোপ মোদির (PM Modi)

    বলেন, “কংগ্রেস দেশের সব চেয়ে অসৎ এবং দুর্নীতিগ্রস্ত একটি রাজনৈতিক দল। হরিয়ানায় এক কংগ্রেস নেতা মাদক-সহ ধরা পড়েছেন। তারা মানুষকে শোষণ করার নয়া উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। হিমাচলপ্রদেশে তারা সব সীমা অতিক্রম করেছে। তারা টয়লেট নামে একটি কর চালু করেছে। এটা আমরা ভাবতেও পারি না। আমি টয়লেট করে দিচ্ছি, আর ওরা মানুষের কাছ থেকে টয়লেটের ওপর ট্যাক্স আদায় করছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস জমি লুট করে, নারী নির্যাতন করে। আজ ওদের মুখোশ খুলে গিয়েছে। তারা একটা শহুরে নকশাল গ্যাং চালাচ্ছে। যারা ভারতের উন্নয়ন-গতির চাকা স্তব্ধ করতে চায়, কংগ্রেস প্রকাশ্য তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।”

    কংগ্রেস সমাজকে বিভক্ত করতে চায়

    কংগ্রেস সমাজকে বিভক্ত করতে চায় বলেও অভিযোগ করেন মোদি। বলেন, “ওরা সমাজকে বিভক্ত করে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছে। তাই আমাদের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমরা যদি ভাগ হয়ে যাই, তাহলে যারা আমাদের আলাদা করছে, তারা সেলিব্রেট করবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস যেখানেই যায়, সেখানেই ধ্বংস হয়। তারা দেশকে দারিদ্রের দিকে ঠেলে দিয়েছে (PM Modi)। অন্যান্য দল যারা তাদের জোটে (পড়ুন, ইন্ডি জোট) যোগ দিয়েছে, তারাও তুষ্টিকরণের রাজনীতির কথা বলতে শুরু করেছে। কংগ্রেস সাভারকরকে অশ্রদ্ধা করে। তারা ৩৭০ ধারা ফেরাবে বলেও ঘোষণা করেছে।”

    আরও পড়ুন: দাবি পূরণ হয়নি, ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে ৮টা বাজতেই অনশন শুরু ডাক্তারদের

    মহা বিকাশ আগাড়ি পার্টিকে খোঁচা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যে যে উন্নয়ন হচ্ছে, ওরা তা সহ্য করতে পারছে না। ক্ষমতায় এলে ওরা প্রথম যে কাজটা করবে, তা হল মুখ্যমন্ত্রী শিন্ডের শুরু করা উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিকে থামিয়ে দেবে।” মারাঠি ভাষাকে যে ক্ল্যাসিক্যাল ভাষার (Maharashtra) মর্যাদা কেন্দ্র দিয়েছে, এদিন তাও জানান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Haryana Assembly Elections: হরিয়ানার রাশ কংগ্রেসের হাতে! কত আসনে ফুটবে পদ্ম?

    Haryana Assembly Elections: হরিয়ানার রাশ কংগ্রেসের হাতে! কত আসনে ফুটবে পদ্ম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানায় ক্ষমতায় ফিরছে কংগ্রেস। উনিশের বিধানসভা  নির্বাচনে (Haryana Assembly Elections) বিজেপি জিতেছিল ৪০টি আসনে। হরিয়ানা বিধানসভার আসন সংখ্যা ৯০। সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজন ৪৬টি আসন। সেবার কংগ্রেস জিতেছিল ৩১টি আসনে, জেপিপি জয়ী হয়েছিল ১০টি আসনে। সরকার গড়েছিল বিজেপি।

    হরিয়ানার রাশ কংগ্রেসের হাতে (Haryana Assembly Elections)

    বিভিন্ন বুথফেরত সমীক্ষার ফল বলছে, হরিয়ানার রাশ এবার যাবে কংগ্রেসের হাতেই। পিপলস পালসের সমীক্ষা বলছে, ৯০টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস একাই পেতে পারে ৫৫টি আসন। ম্যাজিক ফিগারের চেয়ে প্রায় ৯টি বেশি আসন। ধ্রুব রিসার্চের সমীক্ষা অনুযায়ী, হরিয়ানায় কংগ্রেস জিততে পারে ৫৭ থেকে ৬৪টি আসনে। বিজেপির ঝুলিতে যেতে পারে ২৭ থেকে ৩২টি আসন। একটি আসন পেয়ে এ রাজ্যে খাতা খুলতে পারে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টি।

    কত আসনে ফুটবে পদ্ম?

    দৈনিক ভাস্করের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, হরিয়ানায় (Haryana Assembly Elections) ৪৪ থেকে ৫৪টি আসনে জয়ী হতে পারে কংগ্রেস। পদ্ম ফুটতে পারে ১৯ থেকে ২৯টি আসনে। জিস্ট-টিআইএফ রিসার্চ সমীক্ষার ফল বলছে, জাঠদের রাজ্যে কংগ্রেস পেতে পারে ৫৩টি আসন। বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চে ৩৭টি আসন। এই সমীক্ষা অনুযায়ী, কেজরির দল এখানে দাঁত ফোটাতে পারবে না।

    আরও পড়ুন: ভূস্বর্গে ‘ইন্ডি’ জোটের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে বিজেপি!

    ম্যাট্রিজের বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল বলছে হরিয়ানায় ৫৫ থেকে ৬২টি আসনে জয়ী হবে সোনিয়া গান্ধীর দল। গেরুয়া ঝুলিতে যেতে পারে ১৮ থেকে ২৪টি আসন। প্রসঙ্গত, আজ, শনিবারই এক দফায় নির্বাচন হয়েছে হরিয়ানার ৯০টি আসনেই। ভোট পড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। ৮ অক্টোবর হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ। এদিনই ফল ঘোষণা হবে জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনেরও। এই দুই রাজ্যের রাশ কোন পার্টির হাতে যায়, আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে তামাম ভারত (Haryana Assembly Elections)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।   

     

  • Jammu Kashmir Assembly Elections: ভূস্বর্গে ‘ইন্ডি’ জোটের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে বিজেপি!

    Jammu Kashmir Assembly Elections: ভূস্বর্গে ‘ইন্ডি’ জোটের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে বিজেপি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনে (Jammu Kashmir Assembly Elections) ন্যাশনাল কংগ্রেস-কংগ্রেস জোটের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে পারে বিজেপি। অন্ততঃ বুথফেরত সমীক্ষায় (Exit Polls) এমনই ইঙ্গিত মিলেছে। ১০ বছর পরে এই প্রথম বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে ভূস্বর্গে। ৩৭০ ধারা এবং ৩৫ অনুচ্ছেদ রদের পরেও এই প্রথম নির্বাচন হয়েছে সেখানে। প্রত্যাশিতভাবেই এই নির্বাচনের ফল নিয়ে উদ্বেগে শাসক-বিরোধী উভয়পক্ষই। এমতাবস্থায় শুরু হয়ে গিয়েছে বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল প্রকাশ।

    পিপলস পালসের সমীক্ষা (Jammu Kashmir Assembly Elections)

    পিপলস পালসের সমীক্ষা বলছে, জম্মু-কাশ্মীরে একক বৃহত্তম দল হতে পারে ন্যাশনাল কনফারেন্স। ফারুক আবদুল্লার দল জিততে পারে ৩৩ থেকে ৩৫টি আসনে। বিজেপির ঝুলিতে যেতে পারে ২৩ থেকে ৩৭টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ১৩-১৫টি আসন। করুণ অবস্থা মেহবুবা মুফতির পিডিপির। তারা পেতে পারে ৭ থেকে ১১টি আসন। ইন্ডিয়া টুডে এবং সি ভোটারের সমীক্ষা (Jammu Kashmir Assembly Elections) বলছে শুধুই কাশ্মীরের ফল, জম্মুর নয়। এই সমীক্ষা অনুযায়ী, কাশ্মীরে বিজেপি বিরোধী ইন্ডি জোট পেতে পারে ২৯-৩৩টি আসন। বিজেপি জিততে পারে একটি আসন। ৬ থেকে ১০টি আসনে জিততে পারে পিডিপি। অন্যদের ঝুলিতে যেতে পারে ৬ থেকে ১০টি আসন।

    জম্মু হতে পারে পদ্মময়

    জম্মু-কাশ্মীরের ৯০টি আসনে নির্বাচন হয়েছে তিন দফায়। এর মধ্যে জম্মুতে রয়েছে ৪৩টি আসন। এর মধ্যে ২৭ থেকে ৩১টি কেন্দ্রে ফুটতে পারে পদ্ম। ইন্ডিয়া জোটের ঝুলিতে যেতে পারে ১১ থেকে ১৫টি আসন। উপত্যকার আর একটি দল পিডিপি পেতে পারে সর্বাধিক ২টি আসন।

    আজতক এবং সি ভোটারের সমীক্ষার পূর্বাভাস বলছে, এনসি-কংগ্রেস জোটের ঝুলিতে যেতে পারে ৪০ থেকে ৪৮টি আসন। গেরুয়া ঝুলিতে পড়তে পারে ২৭ থেকে ৩২টি আসন। মেহবুবা মুফতির দল পিডিপি পেতে পারে ৬ থেকে ১২টি আসন। নির্দল প্রার্থীরা পেতে পারেন ৬ থেকে ১১টি আসন। এই সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, কেবল কাশ্মীরে ৪৬টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেতে পারে সর্বোচ্চ ২টি আসন। ২৯ থেকে ৩৩টি আসন পেতে পারে কংগ্রেস, এনসি এবং নির্দলরা। পিডিপি পেতে পারে ৬ থেকে ১২টি আসন।

    আরও পড়ুন: অজুহাত নিরাপত্তা! বাংলাদেশে বহু পুজোর অনুমতি দিল না ইউনূস সরকার, উদ্বিগ্ন ভারত

    ভাস্কর রিপোর্টার্স পোলের সমীক্ষা বলছে, এনসি-কংগ্রেস জোট পেতে পারে ৩৫ থেকে ৪০টি আসন। পদ্ম ফুটতে পারে ২০ থেকে ২৫টি আসনে। বাকি আসন পেতে পারে পিডিপি এবং নির্দলরা। এক্সিট পোলের সমীক্ষা বেশিরভাগে ক্ষেত্রেই মেলে না। তাই ভূস্বর্গের রাশ কার হাতে যাবে (Exit Polls), তা জানা যাবে ৮ অক্টোবর (Jammu Kashmir Assembly Elections)।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।   

  • Mohan Bhagwat: ‘‘শতবর্ষে আরএসএস-এর লক্ষ্য সুশৃঙ্খল, শক্তিশালী হিন্দু সমাজ গঠন’’, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘‘শতবর্ষে আরএসএস-এর লক্ষ্য সুশৃঙ্খল, শক্তিশালী হিন্দু সমাজ গঠন’’, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংগঠনের শতবর্ষে আরএসএস-এর (RSS) প্রাথমিক লক্ষ্য হল সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী হিন্দু সমাজ গঠন, রাজস্থানে সঙ্ঘের এক বৈঠকে সম্প্রতি এমনই মন্তব্য করতে শোনা গেল সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবতকে (Mohan Bhagwat)। প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহেই ৪ দিনের মরুরাজ্যে সফরে যান ভাগবত। ধর্মদা ধর্মশালায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বৈঠক আয়োজিত হয়। সেখানেই এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় তাঁকে। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালে ১০০ বছরে পদার্পণ আরএসএস। এনিয়ে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে আগামী বছর। সেই সমস্ত কর্মসূচিগুলি নিয়েই রাজ্যে-রাজ্যে আলোচনা চলছে। রাজস্থানে সঙ্ঘ প্রধান (Mohan Bhagwat) বলেন, ‘‘সংগঠনের শতবর্ষ, উৎসব হিসেবে উদযাপন করা উচিত নয় বরং ঐক্যবদ্ধ-শক্তিশালী-শৃঙ্খলাবদ্ধ হিন্দু সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন কীভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে, সেদিকেই মনোনিবেশ করা উচিত আমাদের।’’

    সমর্পিত কর্মকর্তাদের সংখ্যা বাড়ানো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়

    প্রসঙ্গত, চার দিনের রাজস্থান সফরে জেলা প্রচারক ও ক্ষেত্র প্রচারকদের বৈঠকে সঙ্ঘপ্রধান (RSS) আরও বলেন, ‘‘শক্তিশালী হিন্দু সমাজ গঠনের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে সংগঠনের প্রতি সমর্পিত কর্মকর্তাদের সংখ্যা বাড়ানো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।’’ উল্লেখ্য চলতি বছরের অগাস্ট মাসেই কেরলের পালাক্কড়ে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের অখিল ভারতীয় সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠক চলেছিল ৩১ অগাস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এখানে ২০২৫ সালের সঙ্ঘের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    ২০২৫ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) কী কী কর্মসূচি নিচ্ছে?

    ২০২৫ সালে একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে দেখা যাবে সঙ্ঘকে। ইতিমধ্যেই আরএসএস ঘোষণা করেছে ২০২৫ সালের বিজয়া দশমীতে নেওয়া হবে পঞ্চ পরিবর্তন কর্মসূচি, যা চলবে ২০২৬ সালের বিজয় দশমী পর্যন্ত। পঞ্চ পরিবর্তনের বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে সামাজিক সম্প্রীতি, কুটুম্ব প্রবোধন যার অর্থ হল পরিবারকে শক্তিশালী করা, পরিবেশ সংক্রান্ত ইস্যু, আত্মনির্ভরতা-এক্ষেত্রে ঔপনিবেশিক চিহ্নগুলিকে মুছে ফেলার কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে, সব শেষে রয়েছে সিভিক ডিউটি বা নাগরিক কর্তব্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Zakir Naik: ‘কন্যা বলা যাবে না’! অনাথ মেয়েদের মঞ্চ থেকে নেমে পড়লেন ঘৃণাভাষণকারী জাকির

    Zakir Naik: ‘কন্যা বলা যাবে না’! অনাথ মেয়েদের মঞ্চ থেকে নেমে পড়লেন ঘৃণাভাষণকারী জাকির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুষ্ঠান চলাকালীন মঞ্চ থেকে নেমে পড়লেন পলাতক ঘৃণাভাষণকারী ইসলামি প্রচারক জাকির নায়েক (Zakir Naik)। ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র ওয়ান্টেড তালিকায় রয়েছেন তিনি। বর্তমানে জাকির রয়েছেন পাকিস্তানে (Pakistan)। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অনাথ মেয়েদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান তিনি।

    মঞ্চ থেকে নেমে পালালেন (Zakir Naik)

    সেখানে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই সময় আচমকাই মঞ্চ থেকে নেমে পড়েন তিনি। তাঁর এই মঞ্চ-ত্যাগের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পাকিস্তানের গবেষক উসমান চৌধুরির শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মঞ্চে অনাথ মেয়েরা জাকিরকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছিল। সেই সময় তাঁকে একটি স্মারক দিতে যান উদ্যোক্তারা। সেই স্মারক না নিয়েই ত্রস্ত্র পায়ে মঞ্চ ছেড়ে চলে যান তিনি (Zakir Naik)।

    জাকিরের মঞ্চ ত্যাগের কারণ

    কী কারণে স্মারক না নিয়েই মঞ্চ ত্যাগ করলেন জাকির? জানা গিয়েছে, উদ্যোক্তারা ওই অনাথ আশ্রমের মেয়েদের ‘কন্যা’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। এতেই আপত্তি করেন জাকির। তাঁর বক্তব্য, “আপনি তাদের স্পর্শ করতে পারবেন না বা তাদের আপনার কন্যা বলতে পারবেন না।” এই মেয়েদের জাকির ‘নন-মাহরাম’ বলে উল্লেখ করেন। জাকিরের যুক্তি, এই ছোট মেয়েরাই বিবাহযোগ্যা হয়ে গিয়েছে। তাই তাদের আর কন্যা হিসেবে পরিচয় দেওয়া যায় না। ইসলামে ‘মাহরাম’ শব্দটি এসেছে ‘হারাম’ শব্দ থেকে। এর অর্থ, এমন একজনকে বোঝায় যাকে বিয়ে করা যায় না, যেমন পিতা-পুত্রী। ‘নন-মাহরাম’ বলতে বোঝায় এমন একজনকে যাকে কেউ বিয়ে করতে পারে অথবা সেই ব্যক্তিকে বিয়ে করা হারাম নয়।

    আরও পড়ুন: সুষমার পরে এবার জয়শঙ্কর, ৯ বছর পরে পাকিস্তানে যাচ্ছেন ভারতের কোনও বিদেশমন্ত্রী

    সোমবারই মাসখানেকের জন্য ইসালামাবাদ সফরে গিয়েছেন জাকির। ভারতের এই শত্রুকে রেড কার্পেটে বরণ করে পাকিস্তানের সরকার। তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা।

    এদিকে, জাকিরের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিল ভারত। বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, পাকিস্তান যেভাবে জাকিরকে সম্মানিত করেছে, তার নিন্দা করার কয়েক ঘণ্টা পরেই জাকিরের এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা রিপোর্টে দেখেছি, জাকিরকে নিয়ে পাকিস্তানে কীভাবে মাতামাতি হচ্ছে। কীভাবে তাঁকে সেখানে (Pakistan) স্বাগত জানানো হচ্ছে (Zakir Naik)।”

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

     

  • Jammu and Kashmir: কুপওয়ারায় অনুপ্রবেশ রুখে দিল সেনা, খতম দুই জঙ্গি, উদ্ধার প্রচুর বিস্ফোরক

    Jammu and Kashmir: কুপওয়ারায় অনুপ্রবেশ রুখে দিল সেনা, খতম দুই জঙ্গি, উদ্ধার প্রচুর বিস্ফোরক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) ফের অনুপ্রবেশ রুখে দিল ভারতীয় সেনা। জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইতে খতম হয়েছে দুই জঙ্গি। একই ভাবে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্র এবং বিস্ফোরক। শনিবার সীমান্ত টপকে কুপওয়ারা হয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিল একদল জঙ্গি। এরপর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। রাতভর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলে আর তাতেই মেলে বিরাট সাফল্য।

    দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি (Jammu and Kashmir)

    সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শ্রীনগরস্থিত সেনার (Jammu and Kashmir) চিনার কোর তাদের এক্স হ্যান্ডলে একটি বিবৃতি দিয়ে জানায়, “যৌথবাহিনী গুগল লোকেশন নির্ণয় করে অভিযানে যেতেই জঙ্গিরা গুলি চালাতে শুরু করে। জঙ্গিরা নিয়ন্ত্রণরেখা ধরে অনুপ্রবশ করতে চেষ্টা করছিল। তাদের আটকে দিয়ে পালটা জবাব দেয় ভারতীয় সেনা। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়। সংঘর্ষে মারা পড়ে দুই জঙ্গি। জঙ্গি দমনের এই বিশেষ অভিযানে নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন গুগলধর’।”

    আরও পড়ুনঃসুষমার পরে এবার জয়শঙ্কর, ৯ বছর পরে পাকিস্তানে যাচ্ছেন ভারতের কোনও বিদেশমন্ত্রী

    উদ্ধার হয়েছে প্রচুর বিস্ফোরক

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) পুলিশ এবং সেনার যৌথ অভিযানের ফলে জঙ্গিরা পিছনে হঠতে শুরু করে। লড়াইতে দুই জঙ্গি মারা পড়লে বাকিরা পালিয়ে যায়। মৃত দুই জঙ্গির কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর বিস্ফোরক এবং অস্ত্র। এরপর এলাকায় চলে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান। তবে যে পরিমাণে অস্ত্র এবং বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে তাতে মনে হয় বেশকিছু দিন ধরে লড়াই করার ভাবনা নিয়ে হয়ত অনুপ্রবেশ করতে চেয়েছিল জঙ্গিরা। কিন্তু সময় মতো অভিযান চালিয়ে সব চক্রান্তকে বানচাল করে দেওয়া হয়েছে। তবে দুই জঙ্গি ঠিক কোন সংগঠনের, তার তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।

    একই ভাবে কিস্তওয়ারে জঙ্গিদের সঙ্গে এনকাউন্টার হয় নিরাপত্তা বাহিনীর। সেনার পক্ষথেকে বলা হয় গোপন খবরের ভিত্তিতে এই এলাকার ছাত্রো গ্রামে অভিযান চালায় জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং সেনা। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার ধারা ৩৭০ বাতিল করেছে। এরপর থেকে বিশেষ অনুচ্ছেদের অধ্যায় সমাপ্ত হয়েছে এই রাজ্যে। সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশাল সংখ্যায় ভোটগ্রহণের গণতান্ত্রিক উৎসবে অংশ নেওয়ার জন্য ভোটারদের অভিনন্দন জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন মিটতেই ফের অশান্ত করার চক্রান্ত শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Artillery Firing Range: চিনের নাকের ডগায় হাই-অল্টিটিউড আর্টিলারি ফায়ারিং রেঞ্জ গড়ল ভারত  

    Artillery Firing Range: চিনের নাকের ডগায় হাই-অল্টিটিউড আর্টিলারি ফায়ারিং রেঞ্জ গড়ল ভারত  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের চোখরাঙানি উপেক্ষা করতে অরুণাচলপ্রদেশের (Arunachal Pradesh) দুর্গম পাহাড় ঘেরা অঞ্চলে তৈরি করা হল হাই-অল্টিটিউড আর্টিলারি ফায়ারিং রেঞ্জ (Artillery Firing Range)। সেনার আর্টিলারি রেজিমেন্টগুলো অনুশীলন করবে এখানে।

    সম্ভাব্য চিনা হামলা ঠেকানোর উদ্যোগ (Artillery Firing Range)

    অরুণাচল প্রদেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সম্ভাব্য চিনা হামলা ঠেকাতে গত কয়েক বছর ধরেই সক্রিয় সেনা। তারই ফলশ্রুতি হিসেবে একদিকে যেমন পার্বত্যযুদ্ধে পদাতিক ব্যাটেলিয়নগুলিকে নিয়ে কয়েক বছর আগেই গড়া হয়েছে মাউন্টেন স্ট্রাইক কোর, তেমনি অন্যদিকে এই কোরের সেনারা যাতে দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলেই অনুশীলন করতে পারে, তাই তাওয়াংয়ে নির্মাণ করা হল হাই-অল্টিটিউড আর্টিলারি ফায়ারিং রেঞ্জ।

    কী বলছেন সেনা কর্তা

    সেনার আর্টিলারি কোরের জিওসি লেফটেন্যান্ট জেনারেল আধোশ কুমার বলেন, “সেনাদের যুদ্ধের প্রকৃত পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দিতেই আমরা ওই ফায়ারিং রেঞ্জটি তৈরি করেছি। পরবর্তী সময়ে হিমালয়ের উচ্চ পার্বত্যক্ষেত্রে আরও দুটি নির্মাণ (Artillery Firing Range) করা হবে।” তিনি বলেন, “উত্তর সীমান্তে এই রেঞ্জ বাহিনীকে প্রকৃত অভিযানের অনুভূতি দেবে। সেনা সদস্য, বিশেষ করে অগ্নিবীরদের বাস্তবসম্মত পরিবেশে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য আর্টিলারি বাহিনী বড় আকারের সিমুলেটরের ব্যবস্থাও করেছে।”

    আধোশ কুমার বলেন, “ড্রাইভিং, অস্ত্র প্রশিক্ষণ ও রেডিও টেলিফোনির মতো বিভিন্ন কাজের জন্য সিমুলেটর আনা হয়েছে।” তিনি বলেন, “সম্প্রতি আমরা আর্টিলারি স্কুলে একটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অবজারভেশন পোস্ট সিমুলেটরও চালু করেছি।” তিনি জানান, পিনাকা রকেটগুলোর পাল্লা প্রায় চারগুণ পর্যন্ত বাড়ানোর কাজ চলছে। পাহাড়ি এলাকায় এর কার্যকারিতা পরীক্ষা চলছে। সেনাবাহিনীর হাই এক্সপ্লোসিভ প্রি-ফ্র্যাগমেন্টেড শেলগুলির পাল্লাও ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: সুষমার পরে এবার জয়শঙ্কর, ৯ বছর পরে পাকিস্তানে যাচ্ছেন ভারতের কোনও বিদেশমন্ত্রী

    সোয়ার্ম ড্রোনের পাশাপাশি রানওয়ে ইনডিপেন্ডেন্ট রিমোট পাইলটেড এয়ারক্র্যাফ্ট সিস্টেমও সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে। কে-৯ বজ্র কামান, ধনুশ কামান, শারাং কামানগুলিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। গত দু বছরে অরুণাচল প্রদেশে দুটি ফায়ারিং রেঞ্জ চিহ্নিত করেছে সেনাবাহিনী। তাওয়াংয়ে একটি ফায়ারিং রেঞ্জ চালু হয়ে গিয়েছে। অন্যটির জন্য শীঘ্রই বিজ্ঞপ্তি জারি করা (Arunachal Pradesh) হবে। উত্তর সীমান্তে আরও দুটো রেঞ্জ (Artillery Firing Range) চিহ্নিত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: সুষমার পরে এবার জয়শঙ্কর, ৯ বছর পরে পাকিস্তানে যাচ্ছেন ভারতের কোনও বিদেশমন্ত্রী

    S Jaishankar: সুষমার পরে এবার জয়শঙ্কর, ৯ বছর পরে পাকিস্তানে যাচ্ছেন ভারতের কোনও বিদেশমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরফ গলছে ভারত-পাক সম্পর্কের! ন’বছর আগে সে দেশে গিয়েছিলেন ভারতের তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। আর এবার যাচ্ছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। শুক্রবার বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, অক্টোবরে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে যোগ দিতে পাকিস্তানে যাচ্ছেন তিনি।

    কী বলছে বিদেশমন্ত্রক

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “১৫ ও ১৬ অক্টোবর পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এসসিও-র বৈঠক রয়েছে। সেখানে আমাদের প্রতিনিধিদের নেতৃত্ব দেবেন বিদেশমন্ত্রী।” ওই বৈঠকে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। যদিও তিনি যাচ্ছেন না, যাচ্ছেন জয়শঙ্কর। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানে শুধু সম্মেলনেই যোগ দেবে প্রতিনিধি দল। প্রতিবেশী দেশের সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক কোনও বৈঠকে বসার সম্ভাবনাই নেই ভারতের।

    সুষমার পরে এবার জয়শঙ্কর

    আফগানিস্তান নিয়ে একটি সম্মেলনে যোগ দিতে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন সুষমা। তার পর ভারতের আর কোনও বিদেশমন্ত্রী পাকিস্তানমুখো হননি। কূটনীতিকদের মতে, এই সম্মেলনে বিদেশমন্ত্রীকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় বার্তা দিল নয়াদিল্লি। এসসিও আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতায় বড় ভূমিকা নেয়। সম্মেলনে বিদেশমন্ত্রীকে পাঠিয়ে নয়াদিল্লি বুঝিয়ে দিল, এই সম্মেলনকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয় ভারত।

    ভারত (S Jaishankar) ছাড়াও এসসিও-র সদস্য হল চিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, কিরঘিজস্তান, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান এবং তাজিকিস্তান। সংগঠনের জন্ম ২০০১ সালে, সাংহাইতে এক সম্মেলনের মাধ্যমে। এই সম্মেলনে ভারত যোগ দেয়নি। ২০০৫ সালে প্রথমবার ভারত যোগ দেয় এসসিও সম্মেলনে। ২০১৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান একই সঙ্গে এই সংগঠনের স্থায়ী সদস্যপদ লাভ করে। ২০২৩ সালে সম্মেলনের আয়োজন করে ভারত। সেবার অবশ্য ভার্চুয়াল মাধ্যমে হয়েছিল বৈঠক।

    আরও পড়ুন: বড় সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে গুলির লড়াইয়ে খতম ৩০ মাওবাদী

    ভারতের পর এবার সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে পাকিস্তান। সেই সম্মেলনেই যোগ দিতে ইসলামাবাদ যাচ্ছেন জয়শঙ্কর। সীমান্ত সন্ত্রাস ছড়ানোয় গত সপ্তাহেই রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় পাকিস্তানকে একহাত নিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। ওই মঞ্চেই পাকিস্তানকে তুলোধনা করেছিলেন ভারতের তরফে ফার্স্ট সেক্রেটারি ভাবিকা মঙ্গলানন্দন। তিনি বলেছিলেন, “যে দেশ তার জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য, মাদকদ্রব্য পাচার এবং আন্তর্জাতিক অপরাধের জন্য বিখ্যাত, সেই দেশই পৃথিবীর সব চেয়ে বড় গণতন্ত্রকে আক্রমণের ঔদ্ধত্য দেখায়।” এহেন আবহেই পাকিস্তানে যাচ্ছেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share