Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • S Jaishankar: রাষ্ট্রপতি ভারতে আসার পর এবার মলদ্বীপ সফরে যাচ্ছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, কবে জানেন?

    S Jaishankar: রাষ্ট্রপতি ভারতে আসার পর এবার মলদ্বীপ সফরে যাচ্ছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে এবার ভারত- মলদ্বীপ সম্পর্কে (India-Maldives Relationship) বরফ কিছুটা গলতে শুরু করেছে। এবার মলদ্বীপ সফরে যাচ্ছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। দেশে তৃতীয়বার মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম মলদ্বীপ সফরে যাচ্ছেন বিদেশ মন্ত্রী। সাম্প্রতিক ঘটনা পরম্পরার নিরিখে তাঁর এই সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

    কবে যাচ্ছেন বিদেশমন্ত্রী? (S Jaishankar)

    গত তিন থেকে চার মাসে মলদ্বীপের প্রচেষ্টার কারণেই বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের (S Jaishankar) মলদ্বীপ সফরের ভিত্তি তৈরি হয়েছে। মে মাসে বিদেশমন্ত্রী মুসা জমির ভারত সফরে এসেছিলেন। তারপরে রাষ্ট্রপতি মহম্মদ মুইজ্জু নিজে ভারতের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। মলদ্বীপের পর্যটন মন্ত্রী ইব্রাহিম ফয়সাল ভারতে রয়েছেন। মূলত, ভারতীয় পর্যটকদের মলদ্বীপে যাওয়ার জন্য তিনি অনুরোধ করেছেন। কারণ, পর্যটনের মাধ্যমে সবথেকে বড় বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন হয় মলদ্বীপে। আর এতদিন ভারতীয়রা মলদ্বীপে সবচেয়ে বেশি পর্যটক ছিল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর পরের মাসে মলদ্বীপ সফরে যাচ্ছেন। সেখানে দুই থেকে তিন দিন তিনি থাকবেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি মলদ্বীপের প্রতিপক্ষ মুসা জমির এবং রাষ্ট্রপতি মুইজ্জুর সঙ্গে দেখা করবেন।

    আরও পড়ুন: ইতিহাসের সামনে লক্ষ্য, ভারতের প্রথম পুরুষ শাটলার হিসেবে অলিম্পিক্সের সেমিফাইনালে

    ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে চিড়!

    মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ মুইজ্জু চিনপন্থী এবং ভারত-বিরোধী হিসাবে পরিচিত। তিনি ক্ষমতায় আসার পর ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের (India-Maldives Relationship) অবনতি হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল মুইজ্জুর তিন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। মুইজ্জু তার ভারত-বিরোধী এজেন্ডার অধীনে, ভারতের সঙ্গে একটি হাইড্রোগ্রাফিক চুক্তি বাতিল করে। ভারত বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও চিনা গুপ্তচর জাহাজগুলিকে মলদ্বীপের জলসীমায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও জরিপ চালানোর অনুমতি দেয়। তারপরই ভারতের সমাজমাধ্যমে মলদ্বীপ বয়কটের ডাক ওঠে। ভারতীয়দের অনেকেই মলদ্বীপে যাওয়ার টিকিট বাতিল করে দেন। যার ফলে দেশটি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। ইতিমধ্যে চিনের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন মুইজ্জু। এমনকী, মলদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা সরানোর নির্দেশও দেন তিনি। যা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। এই আবহের মধ্যে মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতির ভারত সফর, পর্যটনমন্ত্রীর মলদ্বীপ যাওয়ার জন্য ভারতীয় পর্যটকদের আহবান জানানোর ঘটনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে কূটনৈতিক মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘প্রধানমন্ত্রীর এনার্জি তুলনাহীন, তাঁর কাছে অনেক শেখার আছে’’, মোদিতে মুগ্ধ কামাথ

    PM Modi: ‘‘প্রধানমন্ত্রীর এনার্জি তুলনাহীন, তাঁর কাছে অনেক শেখার আছে’’, মোদিতে মুগ্ধ কামাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। ৭৩ বছর বয়সেও প্রধানমন্ত্রীর এনার্জি তুলনাহীন। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এমনই অভিমত ব্যক্ত করলেন জিরোধার সহ-প্রতিষ্ঠাতা নিখিল কামাথ (Nikhil Kamath)। সম্প্রতি, নিখিল কামাথের ইউটিউব চ্যানেল ‘পিপল বাই ডব্লিউটিএফ’-এ সম্প্রচারের জন্য রণবীরের কাপুরের একটি  সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কামাথ। এই কথোপকথনে রণবীর কাপুর ও নিখিল রাজনীতি নিয়েও আলোচনা করেছেন। সেখানেই দুজনের কথোপকথনে উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর প্রাণশক্তির কথা। 

    নিখিল কামাথের চোখে প্রধানমন্ত্রী (Nikhil Kamath)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কেমন এই প্রশ্নের উত্তরে নিখিল (Nikhil Kamath) জানান, একবার আমেরিকায় তাঁর সঙ্গে মোদির সাক্ষাত হয়েছিল। তিনি বলেন, “এক বছর আগে আমি তিন-চার জনের সঙ্গে ওয়াশিংটনে ছিলাম। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সময়সূচী ছিল। সকাল ৮টার দিকে তিনি একটি অধিবেশন করতেন। ১১টার দিকে একটুও ক্লান্ত না হয়েই বক্তৃতা দিতেন। তারপর তিনি ১ থেকে ২ টোয় ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বসতেন, বিকেল ৪ টায় অন্য কিছু, ৭ টায় অন্য কিছু, এমনকি রাত ১১টা বেজে গেলেও ক্লান্ত হতেন না। সবথেকে আশ্চর্যের বিষয় হল যে আমি দুদিন পর যখন ক্লান্ত, অসুস্থ বোধ করছি, তিনি তখন যাচ্ছিলেন মিশরে আবার একই জিনিস করার জন্য।” জনপ্রিয় ইউটিউবার, সুপরিচিত উদ্যোক্তা এবং বিনিয়োগকারী নিখিল কামাথের দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। এই বয়সে দাঁড়িয়ে তাঁর এনার্জির ধারে কাছে যাওয়া যায় না। তাঁকে এত কাছ থেকে দেখতে পারা একটি সৌভাগ্যের বিষয়।

    আরও পড়ুন: ইতিহাসের সামনে লক্ষ্য, ভারতের প্রথম পুরুষ শাটলার হিসেবে অলিম্পিক্সের সেমিফাইনালে

    প্রধানমন্ত্রী মোদির ব্যবহারে মুগ্ধ রণবীর (PM Modi)

    নিখিল কামাথের (Nikhil Kamath) সঙ্গে সাক্ষাতকারে প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন অভিনেতা রণবীর কাপুরও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) কথা বলার দক্ষতা, তাঁর ব্যবহার, তাঁর আঙ্গিক, রণবীরকে আকর্ষণ করে। অভিনেতার কথায়, ৪ থেকে ৫ বছর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একটি বৈঠকে দেখা হয়েছিল, যেখানে অভিনেতা এবং পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কথার মধ্যে এমনই এক বিষয় রয়েছে যা সবার উপর ছাপ ফেলে। রণবীর সেই মিটিংয়ে মোদির প্রবেশের মুহূর্তটিরও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সেই মুহূর্তের মধ্যে যে একটা চৌম্বকীয় আকর্ষণ ছিল। রণবীর আরও জানান মোদি মিটিংয়ে উপস্থিত সকলের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন। তিনি রণবীরের বাবার চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Railway Jobs: মোদি জমানায় ইউপিএ-র তুলনায় অনেক বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে রেলে, দাবি অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    Railway Jobs: মোদি জমানায় ইউপিএ-র তুলনায় অনেক বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে রেলে, দাবি অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১০ বছরে মোদি সরকার ইউপিএ-র তুলনায় অনেক বেশি কর্মসংস্থান করেছে রেলে। সম্প্রতি সংসদে বক্তৃতা দেওয়ার সময় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) দাবি করেছেন, এনডিএ আমলে ইউপিএর তুলনায় ভারতীয় রেলে অনেক বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে। সংসদে ভারতীয় রেলওয়ের দেওয়া তথ্য অনুসারে, নরেন্দ্র মোদি সরকার ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ৫.০২ লক্ষ কর্মসংস্থান  (Railway Jobs) করেছে।

    রেলমন্ত্রীর দাবি (Ashwini Vaishnaw) 

    এদিন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব উল্লেখ করেছেন যে, ইউপিএ সরকার ২০০৪ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ৪.১১ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি করেছিল, যা বর্তমান সরকারের চেয়ে ৯১ হাজার কম। চাকরি নিয়োগের ক্ষেত্রে (Railway Jobs) অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছেন যে, আগস্ট ২০২২ থেকে অক্টোবর ২০২২ পর্যন্ত, ১.১ কোটিরও বেশি প্রার্থী আরআরবি (RRB) পরীক্ষা দিয়েছে। এর মধ্যে রেলওয়ে দ্বারা ১,৩০,৫৮১ জন প্রার্থী নিয়োগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে রেলমন্ত্রী আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন যে, এই প্রক্রিয়া চলাকালীন প্রশ্নপত্র ফাঁস বা অনুরূপ সমস্যার কোনও ঘটনা ঘটেনি, স্বচ্ছ ভাবে পরীক্ষার মাধ্যমেই নিয়োগ ঘটেছে। এছাড়াও এদিন তিনি উল্লেখ করেছেন যে, রেল দুর্ঘটনা ২০১৩-১৪ সালে ১১৮ থেকে ২০২৩-২৪ সালে ৪০-এ নেমে এসেছে। 
    এছাড়াও অন্য একটি প্রশ্নের উত্তরে, তিনি জানিয়েছেন, রেল মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে, ২০০৪-২০১৪ সাল পর্যন্ত ১,৭১১টি দুর্ঘটনা রিপোর্ট হয়েছে, যার ফলে ৯০৪ জন মারা গেছে। কিন্তু অন্যদিকে এনডিএ ক্ষমতায় আসার পর গত ১০ বছরে, ৬৭৮টি দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং ৭৪৮টি প্রাণহানি ঘটেছে। ফলে দুর্ঘটনার সংখ্যা ৬০ শতাংশ এবং প্রাণহানির সংখ্যা ১৭ শতাংশ কমেছে।

    আরও পড়ুন: জঙ্গি অনুপ্রবেশের জের! বিএসএফের প্রধান এবং উপপ্রধানকে অপসারণ করল কেন্দ্র

    রেল নিরাপত্তায় শীর্ষ অগ্রাধিকার (Railway Jobs) 

    অন্যদিকে এই প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী (Ashwini Vaishnaw) জানিয়েছেন যে মোদি সরকার আসার পরেই রেল মন্ত্রক রেল নিরাপত্তাকে শীর্ষ অগ্রাধিকার দিয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য ২০২২-২৩ সালে ব্যয় করেছিল ৮৭,৭৩৬ কোটি টাকা এবং ২০২৪-২৫ সালে সেই টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,০৮,৭৯৫ কোটিতে। এখনও পর্যন্ত ৯,৫৭২ টিরও বেশি কোচে সিসিটিভি লাগানো হয়েছে। শিশু সুরক্ষার ক্ষেত্রে মেল কোচে দুটি নিম্ন বার্থের সঙ্গে দুটি শিশুর বার্থ সংযুক্ত করা হয়েছে, যাতে যাত্রার সময় শিশু সহ মায়েদের ভ্রমণ সহজ হয়। এ বিষয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ইতিবাচকই ছিল। 
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalpakkam: কালপক্কম পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র সবুজ সংকেত পেল অ্যাটমিক এনার্জি বোর্ডের থেকে

    Kalpakkam: কালপক্কম পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র সবুজ সংকেত পেল অ্যাটমিক এনার্জি বোর্ডের থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরমাণু শক্তির গবেষণার ক্ষেত্রে বড় খবর! তামিলনাড়ুর কালপক্কম (Kalpakkam) পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র সবুজ সংকেত পেল অ্যাটমিক এনার্জি বোর্ডের কাছ থেকে। প্রসঙ্গত, এটি ভারতের প্রথম স্বদেশী প্রযুক্তিতে নির্মিত পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী মোদিও কয়েকমাস আগে এই পরমাণু বিদ্যুৎ (Kalpakkam) কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন এবং কথা বলেন সেখানকার কর্মী ও আধিকারিকদের সঙ্গে। পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ের করমণ্ডল উপকূলে অবস্থিত। ৫০০ মেগাওয়াটের ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টরটি ভারতীয় নাভিকিয়া বিদ্যুত নিগম লিমিটেড (BHAVINI) দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।

    কুড়ি বছর ধরে কেন্দ্রটির (Kalpakkam) উন্নয়ন করা হয়েছে

    কেন্দ্রটি সবুজ সংকেত পাওয়ায়, এরপর থেকে এখানে কাজ শুরু হবে নিউক্লিয়ার ফুয়েল লোডিং ও চেন রিয়েকশনের। মনে করা হচ্ছে এই প্রকল্প আত্মনির্ভর ভারত কর্মসূচিকে অনেক বড় সাফল্য এনে দিল। দেশের অ্যাটমিক এনার্জি (Atomic Energy Board) বোর্ডের চেয়ারম্যান দীনেশ শুক্লা সবুজ সংকেত দেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি এও বলেছেন যে এই পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি (Kalpakkam) অত্যন্ত নিরাপদ। প্রসঙ্গত, তামিলনাড়ুর এই পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কাজ শুরু করে ১৯৮৪ সাল থেকেই। জানা গিয়েছে, বিগত কুড়ি বছর ধরে কেন্দ্রটিকে উন্নয়ন করা হয়েছে এবং এর জন্য খরচ হয়েছে ৬,৮৪০ কোটি টাকা।

    রাশিয়ার পরে ভারতই দ্বিতীয় দেশ যারা এমন পরমাণু কেন্দ্র তৈরি করতে পেরেছে 

    এই পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি (Kalpakkam) ফার্স্ট ব্রিডার রিয়াক্টর। রাশিয়ার পরে ভারতই দ্বিতীয় দেশ যারা এমন পরমাণু কেন্দ্র তৈরি করতে পেরেছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পরিদর্শনে যান এবং সেখানকার কার্য পদ্ধতি খতিয়ে দেখেন। ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যাটমিক এনার্জি (Atomic Energy Board) জানিয়েছে যে তামিলনাড়ুর এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে থার্ড জেনারেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ভারতের শক্তি নিরাপত্তার কারণে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির এমন উন্নয়ন খুবই প্রয়োজনীয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikkim: কোটি টাকা উপার্জন করলেও, দিতে হবে না কর! আয়কর প্রদান থেকে অব্যাহতি সিকিমবাসীদের

    Sikkim: কোটি টাকা উপার্জন করলেও, দিতে হবে না কর! আয়কর প্রদান থেকে অব্যাহতি সিকিমবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিম হল ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে কাউকেই কোনও আয়কর (Income Tax) দিতে হয় না। সেখানে মানুষ যদি কোটি টাকাও উপার্জন করেন, তাহলেও এক টাকাও কর দিতে হয় না। এমনকী, শেয়ার এবং ডিভিডেন্ড থেকে আয় করলেও তাঁদের কোনও কর দিতে হয় না। ১৯৭৫ সালে সিকিম ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত হয়। সেই সময় সিকিমের (Sikkim) শর্ত ছিল যে তারা শুধু তাদের পুরনো নিয়ম-নীতিই মেনে চলবে এবং স্পেশাল স্টেটাসে থাকবে। আর তাই সেই সময় থেকেই আয়করের আওতার বাইরেই থেকেছে সিকিম। 

    দেশের আয়করের আওতায় বাইরে সিকিম (Sikkim) 

    ভারতে যোগদানের আগে, সিকিমের নিজস্ব কর ব্যবস্থা ছিল এবং সেখানকার বাসিন্দারা ভারতীয় আয়কর (Income Tax) আইনের অধীনে ছিলেন না। কিন্তু পরে সিকিম যখন ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল, সেই সময় এই শর্তই তাদের দাবিতে ছিল। সেই মোতাবেক, সিকিমের (Sikkim) বাসিন্দারা ১৯৭৫ সালের অন্তর্ভুক্তি চুক্তি এবং সংবিধানের ৩৭১এফ ধারা অনুসারে করের আওতায় পড়েন না। তাই এই রাজ্যের বাসিন্দাদের উপর ১৯৬১ সালের আয়কর আইন কার্যকর হয় না। তবে ১৯৭৫ সালের ২৬ এপ্রিলের আগে থেকে যে সমস্ত আদি বাসিন্দারা বা ‘সিকিমিজ’-রাই কেবল এই সুবিধে পাবেন। 

    সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের

    কিন্তু, এই ‘সিকিমিজ’-এর সংজ্ঞা নিয়ে অনেকে অসন্তুষ্ট ছিলেন। এই নিয়ে তারা সুপ্রিম কোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, ১৯৭৫ সালের যুক্তিটি অন্যায্য এবং বৈষম্যমূলক। তাঁদের যুক্তি, ১ এপ্রিল, ১৯৭৫ সালের আগে সিকিমে বসতি জমানো ভারতীয়দেরও — অর্থাৎ, সিকিম ভারতের অঙ্গরাজ্য হিসেবে যোগদানের আগে থেকে ওই রাজ্যে বসবাস শুরু করা ভারতীয়দেরও ‘সিকিমিজ’- হিসেবে গণ্য করতে হবে (যা বর্তমানে করা হয় না)। উপরন্তু, যে সকল সিকিমিজ মহিলা নন-সিকিমিজদের বিয়ে করেছেন, তাঁদেরও এই ছাড়ের আওতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি ভারতবাসীর দারিদ্র্য মুক্তি স্মার্টফোনেই! ডিজিটাল ভারতের প্রশংসায় রাষ্ট্রসঙ্ঘ

    আদালতের রায় 

    এরপর সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ রায় দিয়েছে যে, ২০০৮ সালের ১ এপ্রিলের পরে অ-সিকিমি পুরুষদের সঙ্গে বিবাহিত সিকিমিজ মহিলাদের কর ছাড় অস্বীকার করা সত্যিই বৈষম্যমূলক, অবিলম্বে তা প্রত্যাখ্যান করা উচিত। আদালত তরফে জানানো হয়েছে আইন সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত, এই ব্যক্তিদের ১০(২৬ এএএ) ধারার অধীনে কর ছাড় দেওয়া উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wayanad: মানা হয়নি সতর্কতা! অতিরিক্ত পর্যটনই কি দায়ী ওয়েনাড় বিপর্যয়ের জন্য? উঠছে প্রশ্ন

    Wayanad: মানা হয়নি সতর্কতা! অতিরিক্ত পর্যটনই কি দায়ী ওয়েনাড় বিপর্যয়ের জন্য? উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতিরিক্ত পর্যটনের কারণেই কি ওয়েনাড়ে (Wayanad) ঘটল এমন বিপর্যয়? এই প্রশ্নই তুলছে কোনও কোনও মহল। তাঁরা মনে করছেন, অতিরিক্ত পর্যটনের কারণেই পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হতে থাকে যার ফলেই ঘটেছে এমন বিপর্যয়। দক্ষিণ ভারতের কেরলে প্রাকৃতিক শোভার কারণে পর্যটন শিল্পের জন্য এক উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ওয়েনাড়ে (Wayanad) গত বছরে ১০ লাখেরও বেশি দেশী ও বিদেশি পর্যটক এসেছিলেন বলে জানা যায়। ভূমিধসের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওয়েনাড়ের মুন্ডাকাইত এলাকা। জানা গিয়েছে, এই অঞ্চলে ৫০০ পরিবার বাস করতেন। পর্যটন শিল্পের জন্য, এর আশেপাশের গ্রামগুলিতে ৭০০ রিসর্ট, হোমস্টে প্রভৃতি গড়ে তোলা হয়েছিল। এখানে রয়েছে পাহাড়ের কোলে বিস্তৃত চা বাগান।

    মানা হয়নি সরকারি সতর্কতা (Landslide)

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিগত ১৩ বছর ধরে বেশ কয়েকটি সরকারি রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছিল যে পর্যটন শিল্পের জোয়ার আনতে গিয়ে প্রাকৃতিক জলের প্রবাহকে বাধা দেওয়ার ফলে ভূমিধস (Landslide) ও বন্যার মতো বিপর্যয় ঘটতে পারে। কিন্তু তারপরেও এই সমস্ত সর্তকতাকে উপেক্ষা করা হয়েছিল। ভারতের অন্যতম প্রযুক্তি কেন্দ্র বলে পরিচিত বেঙ্গালুরু থেকে ওয়েনাড় সড়ক পথে মাত্র ৬ ঘণ্টা দূরত্ব। বেঙ্গালুরুর আইটি কর্মীরা সপ্তাহের শেষে ওয়েনাড়ে আসেন ছুটি কাটাতে। বিশেষজ্ঞরা অভিযোগ তুলছেন যে অতিরিক্ত উন্নয়নের কারণে বেশ কিছু জায়গায় বনভূমিকেও ধ্বংস করা হয়েছে। সাধারণভাবে বনভূমি পরিবেশের ভারসাম্য রাখতে এবং বন্যা প্রতিরোধ করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বনাঞ্চল ধ্বংস হওয়াতে প্রাকৃতিক যে জলপ্রবাহ তা শোষণ হয়নি।

    মৃত্যুপুরী ওয়েনাড় (Wayanad)

    বিগত কয়েক দিনের ভূমিধসে ওয়েনাড় যেন মৃত্যুপুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওয়েনাড় অঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় রিসর্ট ছিল স্টোন হাউজ। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ভোরে পরপর দুটি ভূমিধসে (Landslide) এই বিল্ডিংটি একেবারে ভেসে গিয়েছে। আগেই অবশ্য পর্যটক ও কর্মচারীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় মানুষজন থেকে বিশেষজ্ঞরা প্রত্যেকেই এখন খুঁজছেন ওয়েনাড়ের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণ এবং সেখানেই প্রশ্ন উঠছে যে অতিরিক্ত পর্যটনের জোর দেওয়ায় জন্যই এমন অবস্থা। প্রসঙ্গত, এর আগেই ২০১৮ সালে বন্যার কারণে কেরলে ৪০০ জন নিহত হয়েছিলেন, তারপরে ওয়েনাড়ে ঘটল বিধ্বংসী ভূমিধস (Landslide)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF Chief: জঙ্গি অনুপ্রবেশের জের! বিএসএফের প্রধান এবং উপপ্রধানকে অপসারণ করল কেন্দ্র

    BSF Chief: জঙ্গি অনুপ্রবেশের জের! বিএসএফের প্রধান এবং উপপ্রধানকে অপসারণ করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএফ-এর ডিরেক্টর জেনারেল (BSF Chief) নিতীন আগরওয়াল এবং তাঁর ডেপুটি স্পেশাল ডিজি (পশ্চিম) ওয়াই বি খুরানিয়াকে শুক্রবার পদ থেকে অপসারণ করল কেন্দ্র। পদস্থ এই দুই অফিসারকে অবিলম্বে তাদের রাজ্য ক্যাডারে ফেরত পাঠানোর নির্দেশও জারি করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। জম্মু ও কাশ্মীরের আন্তর্জাতিক সীমানা (Border Security Force) পেরিয়ে বার বার জঙ্গি অনুপ্রবেশ এবং উপত্যকায় অশান্তির কারণে এই পদক্ষেপ হতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। আবার অনেকের অনুমান বাহিনীর মধ্যে বোঝাপড়া ঘটাতে ব্যর্থ এই দুই অফিসার। সামনেই স্বাধীনতা দিবস। দেশের নিরাপত্তা জোরদার করতে তাই এই পদক্ষেপ করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    কেন অপসারণ (Border Security Force) 

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর, বিএসএফ প্রধানের (BSF Chief) বিরুদ্ধে সমন্বয়ের অভাব সহ গুরুতর বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে ক্রমাগত অনুপ্রবেশ এবং একের পর এক জঙ্গি হামলার জেরে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ। মন্ত্রকের এক অফিসারের কথায়,”বাহিনীর মধ্যে নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের অভাবের কারণেই ওই দুই অফিসারকে পদ খোয়াতে হল।” বিএসএফের প্রায় ২.৬৫ লাখ কর্মী রয়েছেন যাঁরা পশ্চিমে পাকিস্তান এবং পূর্বে বাংলাদেশের সীমান্ত পাহারা দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক অতীতে সীমান্তে (Border Security Force) একের পর এক জঙ্গি হামলার জেরে বাহিনীর কার্যকারিতা নিয়ে উঠছিল প্রশ্ন। এবার বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র।  

    আরও পড়ুন: বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে রাহুল গান্ধী

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা

    বিএসএফের ডিজির (BSF Chief) পদে ছিলেন নীতিন আগরওয়াল। তিনি গত বছরের জুন মাসে ওই পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন। সময়ের আগেই তাঁকে অপসারিত করে রাজ্য স্তরের ক্যাডারে ফেরত পাঠানো হল। অন্য দিকে, স্পেশাল ডিজি (পশ্চিম) পদে এত দিন ছিলেন ওয়াইবি খুরানিয়া। তাঁকেও রাজ্যে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ১৯৮৯ সালের কেরল ক্যাডারের আধিকারিক ছিলেন নীতিন। খুরানিয়া ছিলেন ১৯৯০ সালের ওড়িশা ক্যাডারে। দু’জনকেই সময় শেষ হওয়ার আগেই পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। শুক্রবার পৃথক ভাবে দু’টি বিজ্ঞপ্তিতে সেই নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। দ্রুত এই নির্দেশ কার্যকর করতেও বলা হয়েছে। তবে ওই দুই পদের দায়িত্বে কাদের আনা হচ্ছে তা এখনও স্পষ্ট করেনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে রাহুল গান্ধী

    Rahul Gandhi: বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে রাহুল গান্ধী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে (Wayanad) গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। একটি ভিডিও ভাইরাল হয় সমাজ মাধ্যমে এবং সেখানে দেখা যায়, রাহুল গান্ধীর কনভয়কে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয়রা। তাঁকে গাড়ি থেকে নামার অনুরোধও করছেন স্থানীয়রা তবে নিশ্চুপ হয়ে বসে রয়েছেন রাহুল। 

    বিজেপি নেতা অমিত মালব্যর তোপ

    এ নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য এবং তোপ দেগেছেন কংগ্রেস সরকারকেই। অমিত মালব্য জানিয়েছেন, ইউপিএ সরকারই পশ্চিমঘাট ইকোলজি এক্সপার্ট প্যানেল রিপোর্টকে খারিজ করেছিল। প্রসঙ্গত, এই রিপোর্টটি মেপাদ্দিতে পরিবেশ বিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছিল বলে জানিয়েছেন অমিত মালব্য। বিপর্যয়ের দায় যে রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) এড়াতে পারেন না সে কথাও নিজের পোস্টে উল্লেখ করেছেন মালব্য।

    তিনি কেন এখানে এসেছেন (Rahul Gandhi)!

    প্রসঙ্গত ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে স্থানীয়রা রাহুল গান্ধীকে গাড়ি থেকে নিচে নামতে বলছেন। কিন্তু রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) নিশ্চুপভাবে গাড়িতেই বসে আছেন। স্থানীয়রা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে তাঁদের সাংসদ জনগণের বিষয়ে একেবারেই উদ্বিগ্ন নন। একজনকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘‘ওনাকে গাড়ি থামাতে বলো! আমরাই হলাম সেই সমস্ত ভোটার যাঁরা ওনাকে সাংসদ বানিয়েছি। তিনি এই কেন্দ্রের (Wayanad) এমপি ছিলেন। তিনি যদি গাড়ি থেকে না নামতে পারেন এবং কাদায় পা না দিতে পারেন, তাহলে তিনি কেন এখানে এসেছেন!’’ আরও একজন ক্ষোভের সঙ্গে জানিয়েছেন যে রাহুল গান্ধীর সফরের জন্যই দোকান পাট সমস্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, এই কারণে তাঁরা আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ক্ষুধার্ত।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jamaat-e-Islami: জামাত-ই-ইসলামিকে দেশজুড়ে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাল মুসলিম সংগঠন

    Jamaat-e-Islami: জামাত-ই-ইসলামিকে দেশজুড়ে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাল মুসলিম সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৩১ জুলাই মুসলিম সংগঠন ইন্ডিয়ান মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন-নুরি (Indian Muslim Association-Noori) একটি প্রেস বিবৃতি জারি করেছে এবং সেখানে দেশব্যাপী নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছে তারা, কট্টরপন্থী সংগঠন জামাত-ই-ইসলামিকে। ইন্ডিয়ান মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন-নুরি আরও দাবি জানিয়েছে, জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat-e-Islami) শুধুমাত্র কাশ্মীরেই সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে না উপরন্ত গোটা দেশে তারা জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছে এবং দেশজুড়ে ভারত বিরোধী ও জিহাদী কার্যকলাপ চালিয়ে যুবসমাজকে নিজেদের সংগঠনে তারা জুড়ছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে।

    ইন্ডিয়ান মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন-নুরির সভাপতি কী বলছেন?

    ইন্ডিয়ান মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন-নুরি যার সংক্ষিপ্ত নাম হল ইমান (Indian Muslim Association-Noori), এই সংগঠনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার হামিদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমরা শুধুমাত্র জামাত-ই-ইসলামিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাচ্ছি না। এর পাশাপাশি সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি যে, সেই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে চিহ্নিত করতে হবে, যেগুলি থেকে নিজেদের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়িত করছে জামাত। তাদের কর্মসূচিগুলিকেও চিহ্নিত করতে হবে।

    প্রেস বিবৃতি

    নিজেদের প্রেস বিবৃতিতে ইমান বলেছে, ‘‘বিগত কয়েক মাসে জম্মু-কাশ্মীরে ফের সন্ত্রাসবাদ বেড়েছে। জঙ্গিরা আক্রমণ চালাচ্ছে সেনাবাহিনীর ওপর। রাজৌরি, কুপওয়ারা, ডোডা প্রভৃতি জেলা থেকে মিলছে সন্ত্রাসবাদের একের পর এক খবর। এই ধরনের হামলাগুলিতে জয়শ-ঈ-মহম্মদ, কাশ্মীর টাইগার প্রভৃতি সংগঠনগুলির পাশাপাশি রয়েছে জামাত-ই-ইসলামিও। এদের লক্ষ্য হল ভারতকে অস্থির করে রাখা। সম্প্রতি জামাত-ই-ইসলামিকে (Jamaat-e-Islami) জম্মু-কাশ্মীরে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই সংগঠনকে সম্পূর্ণ দেশে নিষিদ্ধ করা হোক।’’

    জামাতের (Jamaat-e-Islami) ইতিহাস

    প্রসঙ্গত, জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat-e-Islami) সংগঠনকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সৈয়দ-আবু-আল-মৌদাদী। কট্টরপন্থী ইসলামিক ভাবধারাকে বাস্তবায়িত করতে এই সংগঠনকে প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকারদের সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাকে সাহায্য করে এই সংগঠন। শুধু তাই নয়, সেই সময়ে হিন্দুদের ওপর চরম অত্যাচার চালায় জামাত। হাজার হাজার হিন্দুকে হত্যা করে তারা। মহিলাদের ওপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়। প্রসঙ্গত প্রথমদিকে অর্থাৎ ১৯৫০-এর দশকে পাকিস্তানে জামাত-ই-ইসলামি একটা রাজনৈতিক দল ছিল এবং তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করত। পরবর্তীকালে তারা ছাত্র-যুবদের নিয়ে সংগঠন তৈরি করে। যার নাম দেয় জামাত-ই-তালাবা। এই সংগঠন পাকিস্তানের বেশিরভাগ কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের দখলে আনে ও হিংসাত্মক কার্যকলাপ চালাতে থাকে। সেই থেকেই শুরু হয় জামাতের সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ। আন্তর্জাতিক স্তরেও এই সংগঠন জাল বিছিয়েছে। প্যালেস্তাইনের হামাস জঙ্গিদের সঙ্গেও এদের যোগাযোগ রয়েছে বলে জানা যায়। এর পাশাপাশি মুসলিম ব্রাদারহুড নামের সংগঠনের সঙ্গেও এদের যোগাযোগ রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Haj Committee: হজ কমিটি দুর্নীতির আখড়া, অভিযোগ সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসিরও

    Haj Committee: হজ কমিটি দুর্নীতির আখড়া, অভিযোগ সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসিরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে হজ কমিটির (Haj Committee) নামে মারাত্মক অভিযোগ করলেন এআইএমআইএম সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি (Asaduddin Owaisi)। হজ কমিটি দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। অভিযোগ হায়দ্রাবাদের সাংসদের। তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।

    ব্যবস্থাপনাতেও দুর্নীতির অভিযোগ (Asaduddin Owaisi)

    হজ কমিটির (Haj Committee) বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা অনেক দীর্ঘ। অভিযোগ হজ কমিটির বাবুরা হজ যাত্রীদের প্রাইভেট ট্যুর অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে আর্থিক তছরূপের সঙ্গে লিপ্ত। শুধু তাই নয়, হজ কমিটির আধিকারিকদের বিরুদ্ধে নানা সময়ে হজযাত্রী এবং তাঁদের অভিভাবক সেজে বিনামূল্যে হজ যাত্রা করার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি হজ যাত্রার আগে হজ যাত্রীদের থাকা খাওয়ার জন্য বরাদ্দ অর্থ তছরুপ করার অভিযোগ রয়েছে হজ কমিটির বিরুদ্ধে। হজ কমিটি কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু মন্ত্রকের অধীনে রয়েছে। একদা এই কমিটির হাতে অনেক ক্ষমতা ছিল। মোদি সরকারের আমলে দুর্নীতি হচ্ছে আঁচ করতে পেরে সরকার এই কমিটির ডানা ছেঁটেছে। এছাড়াও বিভিন্ন রাজ্যের হজ কমিটি রয়েছে। তারাও একই পথের পথিক বলে অভিযোগ। বিশেষ করে হজ করতে গিয়ে সেখানেও নানান সমস্যায় পড়েন ভারতীয় মুসলিমরা। দুর্নীতির ঘুঘুর বাসা অনেক গভীরে, অভিযোগ হজ যাত্রীদের।

    কংগ্রেস নেতার অভিযোগ (Haj Committee)

    প্রসঙ্গত, গতবছর কংগ্রেস নেতা এবং প্রাক্তন সংখ্যালঘু বিভাগের মন্ত্রী আরিফ নাসিম খান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হজ যাত্রার ব্যবস্থাপনায় বিরাট দুর্নীতি হচ্ছে, এই অভিযোগ জানিয়ে চিঠি লেখেন। এমনকি হজ যাত্রীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ জানান। সূত্রের খবর, প্রাইভেট ট্যুর অপারেটরদের সঙ্গে হজ কমিটির (Haj Committee) অবৈধ আঁতাত থাকে। প্রাইভেট ট্যুর অপারেটররা হজ যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ। সেই টাকার একটা অংশ হজ কমিটির বাবুদের পকেটে যায় বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ উঠেছে। সংসদে এই একই বিষয়ে উপস্থাপন করেছেন আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। তিনি (Asaduddin Owaisi) সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ বিষয়ে তদন্তের দাবি করেছেন।

    আরও পড়ুন: জামাত, ছাত্র শিবিরের মোকাবিলা জঙ্গি সংগঠনের মতোই, কড়া বার্তা শেখ হাসিনার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share