Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • APJ Abdul Kalam: শ্রদ্ধার সঙ্গে দেশজুড়ে পালিত কালামের মৃত্যুবার্ষিকী  

    APJ Abdul Kalam: শ্রদ্ধার সঙ্গে দেশজুড়ে পালিত কালামের মৃত্যুবার্ষিকী  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি ভারতের একাদশতম রাষ্ট্রপতি (APJ Abdul Kalam)। বিশ্বশ্রুত বিজ্ঞানীও। আদর্শ শিক্ষকও। তিনি আবদুল পাকির জইনুলাবেদিন আবদুল কালাম। এহেন মহান মানুষটির নবম মৃত্যুবার্ষিকী (Death Anniversary) পালিত হল ২৭ জুলাই, শনিবার। কেবল দেশ নয়, বিদেশেও ভীষণ জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। কালাম নিজেকে বলতেন ‘জনগণের প্রেসিডেন্ট’। মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর সব চেয়ে বড় অবদান ‘অগ্নি’ এবং ‘পৃথ্বী’ মিসাইলের বিকাশ সাধন। এই দুই ক্ষেপণাস্ত্র মজবুত করেছে ভারতীয় প্রতিরক্ষার ভিত্তি।

    বিজ্ঞানী কালাম (APJ Abdul Kalam)

    বিজ্ঞানী কালামকেই দেশের ১১তম প্রেসিডেন্ট পদে বসিয়েছে দেশ। মহান এই মানুষটি রাষ্ট্রপতি পদ অলঙ্কৃত করেছেন ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত। রাষ্ট্রপতি হিসেবেও দেশবাসীর মন জয় করে নিয়েছিলেন তিনি। বেশ কয়েকটি গ্রন্থের রচয়িতাও কালাম। তাঁর ‘উইংস অফ ফায়ার’, ‘ইগনাইটেড মাইন্ডস’ উল্লেখযোগ্য বইগুলির অন্যতম। এই দুই বই পড়ে লাখো লাখো মানুষকে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছেন কালাম।

    রাষ্ট্রপতি কালাম

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতার কথাও জানা যায় প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির এই বই থেকে। ভারতের তরুণ প্রজন্মের কাছে কালাম একটা সেনশেসনের নাম। তাঁর অমর কিছু উদ্ধৃতি প্রেরণা জোগায় তরুণদের। তাঁদের মনে রোপণ করেছেন স্বপ্ন দেখার বীজ। এহেন মহান মানুষটিরই নবম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হল দেশজুড়ে। ২০১৫ সালের ২৭ জুলাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন কালাম। তার পর থেকে ফি বছর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন করা হয় তাঁর মৃত্যু দিন।

    আরও পড়ুন: বন্ধুত্বের নয়া নজির, অযোধ্যার রামলালার ছবি দিয়ে স্ট্যাম্প প্রকাশ লাওসের

    বিজেপির জাতীয় সংখ্যালঘু মোর্চাও শনিবার সব রাজ্যে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিকে শ্রদ্ধা জানানোর আয়োজন করেছিল। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি কালামের মৃত্যু বার্ষিকী পালন নিয়ে সংখ্যালঘু সেলের বক্তব্য, তিনি (APJ Abdul Kalam) ছিলেন দেশের পিছিয়ে পড়া অংশ থেকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো মানুষদের মধ্যে অন্যতম। তাই তাঁর জীবনের অবদান বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চায় মোর্চা।

    কালামকে বিশ্ব চেনে ‘মিসাইল ম্যান’ হিসেবে। তাঁর উদ্ধৃতি প্রেরণা জুগিয়েছে বিশ্ববাসীকে। তিনি বলতেন, “সমস্যার সম্মুখীন হওয়া মানুষের প্রয়োজন। কারণ তাহলেই সে সাফল্যের স্বাদ পেতে পারবে।” কালাম বলতেন, “মানুষ তখনই আমাদের মনে রাখবে, যখন আমরা আমাদের তরুণ প্রজন্মকে একটি সমৃদ্ধশালী ও সুরক্ষিত ভারত উপহার দিতে পারব। এই সমৃদ্ধির মধ্যে (Death Anniversary) যেমন থাকবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, তেমনি থাকবে সভ্যতার ঐতিহ্যও (APJ Abdul Kalam)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi: কোচিং সেন্টারের বেসমেন্টের জমা জলে ডুবে মৃত্যু ৩ পড়ুয়ার, আপের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বিজেপির

    Delhi: কোচিং সেন্টারের বেসমেন্টের জমা জলে ডুবে মৃত্যু ৩ পড়ুয়ার, আপের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির (Delhi) রাজেন্দ্র নগরের কোচিং সেন্টারের বেসমেন্টের জমা জলে মৃত্যু হয়েছে ৩ পড়ুয়ার। জানা গিয়েছে, পড়ুয়ারা আইএএস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় কোচিং সেন্টারের বেসমেন্টের গ্রন্থাগারে পড়তে গিয়েছিলন তাঁরা। হঠাৎ বৃষ্টি নামলে ব্যাপক পরিমাণে জল ঢুকতে শুরু করে সেখানে। অনেকে বেরিয়ে যেতে পারলেও ওই তিন পড়ুয়া বের হতে পারেননি। ফলে বেসমেন্টের জলে ডুবে মৃত্যু হয়। মৃতদের নাম হল, তানিয়া সোনি, শ্রেয়া যাদব এবং নেভিন দালউইন। এদিকে মৃত্যুর প্রতিবাদে কোচিং সেন্টারের সামনে বাকি পড়ুয়ারা বিক্ষোভ দেখান। একই ভাবে রবিবার সকাল থেকেই বিজেপি (BJP-AAP) সেন্টারের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদে সামিল হয়। মৃত্যুর জন্য আপ সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজেপি।

    পড়ুয়াদের বক্তব্য (Delhi)

    পড়ুয়াদের মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা বলেন, “অবৈধ ভাবে এখানে বেসমেন্টে কোচিং সেন্টার (Delhi) চলছিল। এই মৃত্যুর দায় এমসিডি এবং সেন্টারের নির্দেশকের। কীভাবে বৃষ্টির জল জমছে, তা নিয়ে দিল্লি নগর নিগমকে আরও নজর রাখতে হবে। আগেও অনেক বার জল জমার সমস্যা হয়েছিল এলাকায়। প্রশাসন গুরুত্ব দেয়নি। গত বছরও বৃষ্টির জলে গাড়ি ভেসে গিয়েছিল।”

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির (BJP-AAP) মুখপাত্র মনজিন্দর সিং সিরসা বলেন, “অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা, দিল্লি (Delhi) নগর নিগম আপের। এটি দিল্লি সরকার এবং দিল্লি কর্পোরেশনের সম্পূর্ণ ব্যর্থতা। দেশের জন্য সর্বকালের সব চেয়ে সংবেদনশীল ঘটনা। অত্যন্ত অমানবিক আপ দল। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা।” আবার দিল্লির বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবা অভিযোগ করেছেন আপ বিধায়কে দুর্গেশ পাঠকের বিরুদ্ধে। তিনি বলেছেন, “এই এলাকার বিধায়ক অত্যন্ত অপদার্থ। এলাকার মানুষ বার বার ড্রেন পরিষ্কার করার কথা জানালে গুরুত্ব দেননি। জল বোর্ডের মন্ত্রী অতিশী এবং বিধায়কের পদত্যাগ করা উচিত।”

    মেয়রের বক্তব্য

    দিল্লির (Delhi) মেয়র শেলি ওবেরয় ঘটনাটিকে “খুবই মর্মান্তিক” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, “ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা হবে। দ্রুত সম্ভাব্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।“ অপর দিকে আপ মন্ত্রী অতিশী ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

    আরও পড়ুনঃ উপত্যকায় জঙ্গি হামলায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্র, আরও ২০০০ জওয়ান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

    ঘটনা কীভাবে ঘটেছিল?

    দিল্লি (Delhi) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কোচিং সেন্টারে একটি গ্রন্থাগার ছিল। সেখানে শনিবার সন্ধ্যাবেলায় পড়তে গিয়েছেন ৩০ থেকে ৩৫ জন ছাত্রছাত্রী। আচমকা বৃষ্টির জলে ডুবতে বসে বেসমেন্ট। অনেকেই আটকে পড়েছিলেন। তবে কেউ কেউ উঠে আসতে পেরেছিলেন, আবার কয়েকজনকে দড়ির সাহায্যে তোলা হয়। কোচিং সেন্টারের বেসমেন্ট ৯ ফুট গভীর ছিল। তার বেশিরভাগ অংশ প্রায় ৭ ফুট জলমগ্ন হয়ে পড়ে। এরপর ঘটনাস্থলে দমকল এবং পুলিশ পৌঁছে পাম্পের সাহায্যে জল বের করে প্রথমে দুই তরুণীর দেহ উদ্ধার করে। তারও পরে আরও এক ছাত্রের দেহ উদ্ধার হয়। তবে কীভাবে এত জল ঢুকল, কেন পড়ুয়ারা বের হতে পারলেন না? একাধিক প্রশ্ন উঠেছে দিল্লি প্রশাসনের বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: উপত্যকায় জঙ্গি হামলায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্র, আরও ২০০০ জওয়ান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

    Jammu and Kashmir: উপত্যকায় জঙ্গি হামলায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্র, আরও ২০০০ জওয়ান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) বেশ কিছুদিন ধরে কোনও না কোনও জঙ্গি হামলার ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। পাশাপাশি সীমান্ত টপকে জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ ক্রমাগত ঘটে চলেছে। উপত্যকার পরিস্থিতি দিল্লির উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সীমান্তকে সুরক্ষিত করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একাধিক বড় পদক্ষেপ করেছে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে বিএসএফ (BSF)-এর দুই হাজারের বেশি জওয়ান মোতায়েন করা হবে।

    ওড়িশা থেকে বিএসএফ নিয়ে যাওয়া হবে (Jammu and Kashmir)

    বিগত বেশ কিছুদিন জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) একাধিক জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে চলেছে। তাদের লক্ষ্যে থাকছে সেনাছাউনি বা সেনা কনভয়। ইতিমধ্যে জম্মুতে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইতে বেশ কিছু সেনাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের কপালে নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার বিষয়ে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। এই অবস্থায় কীভাবে জঙ্গি দমন করা যায় এবং নিরাপত্তাকে আরও জোরদার করা যায়, তা নিয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে মূলত ওড়িশা থেকে বিএসএফ (BSF) কর্মীদের জম্মু-কাশ্মীরে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রাথমিক ভাবে রিয়াসি, কিশতওয়ার, কাঠুয়া জেলায় বিএসএফের দুটি ব্যাটালিয়ন পাঠানো হবে। এরপর কয়েক দিনের মধ্যেই জম্মুতে দুই হাজার সেনার ব্যাটালিয়ন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই ভাবে সৈন্যদের সাম্বা এবং জম্মু-পাঞ্জাব সীমান্তেও রাখা হবে। ভারতের পশ্চিম প্রান্তে জম্মু, পাঞ্জাব, রাজস্থান এবং গুজরাট বরাবর ২২৮৯ কিলোমিটারের বেশি আন্তর্জাতিক সীমান্ত পাহারা দেয় বিএসএফ। জম্মুর সীমান্ত প্রায় ৪৮৫ কিলোমিটার, যার বেশিরভাগ অংশ ঘন বন এবং পাহাড়ি ভূখণ্ড দ্বারা বিভক্ত। এই আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় প্রায় এক ডজন বিএসএফ ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করা রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ মহরমের মিছিল থেকে ছড়ায় হিংসা, উত্তরপ্রদেশে গণপিটুনিতে মৃত তেজরাম

    প্যারা স্পেশাল ফোর্সের ৫০০ কমান্ডো মোতায়েন

    মাত্র কয়েকদিন আগেই জম্মুর (Jammu and Kashmir) পাহাড়ি অঞ্চলে ৪০ থেকে ৫০ জন জঙ্গি লুকিয়ে থাকার খবর পাওয়া গিয়েছিল। তবে এই অনুপ্রবেশকারী জঙ্গিরা এলাকায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বলে জানা গিয়েছে। তাদের সঙ্গে আধুনিক অস্ত্রও ছিল। এই লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের খতম করতে জম্মুতে প্যারা স্পেশাল ফোর্সের ৫০০ কমান্ডোকে মোতায়েন করা হয়েছে। শুধু জঙ্গিই লক্ষ্য নয়, যে সব এলাকায় এই জঙ্গি কার্যকলাপে প্রত্যক্ষ মদত দেওয়া হয়, সেই সব জায়গায়ও বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। ফলে এই বার পরিস্থিতিকে আরও নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশি মাত্রায় বিএসএফ জওয়ান মোতায়েন করতে চলেছে কেন্দ্র।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pervez Musharraf: কেরলে পারভেজ মোশারফকে নিয়ে ‘বাড়াবাড়ি’ করতে গিয়ে চরম বিপাকে বাম ইউনিয়ন

    Pervez Musharraf: কেরলে পারভেজ মোশারফকে নিয়ে ‘বাড়াবাড়ি’ করতে গিয়ে চরম বিপাকে বাম ইউনিয়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি পারভেজ মোশারফকে (Pervez Musharraf) শ্রদ্ধা জানানোর অনুষ্ঠান! তাও আবার ভারতের মাটিতে। এমনই বেনজির চিত্র সামনে এসেছে, দেশের কমিউনিস্ট শাসিত রাজ্য কেরল থেকে। এই ঘটনাকে অনেকেই বাড়াবাড়ি বলছেন। সে রাজ্যের ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কর্মচারীদের একটি ইউনিয়ন সিদ্ধান্ত নেয় যে প্রয়াত পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিকে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা হবে। এই উদ্যোগ নেওয়া হয় ২৭ জুলাই। ঘটনাক্রমে, ২৬ জুলাই ছিল কার্গিল বিজয় দিবসের ২৫তম বর্ষপূর্তি। জানা গিয়েছে, ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (Bank of India) স্টাফ ইউনিয়ন আসলে বামপন্থী প্রভাবিত অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের একটি শাখা। পারভেজ মোশারফকে (Pervez Musharraf) শ্রদ্ধা জানানোর এই অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা ছিল শনিবার। 

    অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন কংগ্রেস সাংসদও

    পরবর্তীকালে ব্যাপক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের জেরে এই কর্মসূচি স্থগিত করতে বাধ্য হয় বামপন্থী সংগঠন। প্রসঙ্গত, ২৭ জুলাই কেরলের পলি জর্জনগরে এই সম্মেলন (Bank of India) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে, পারভেজ মোশারফকে (Pervez Musharraf) শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানোর এই কর্মসূচিতে আমন্ত্রিত ছিলেন কংগ্রেসের সাংসদ কেসি বেনুগোপালও। জানা গিয়েছে, এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অভিনেতা, গায়ক, নৃত্যশিল্পী, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব, সামাজিক ব্যক্তিত্বদের সংবর্ধনা জানানোরও কথা ছিল। এরই মাঝে কর্মচারী ইউনিয়নের প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায়, নাম রয়েছে প্রাক্তন পাক প্রেসিডেন্টেরও। সেখানেই শুরু হয় বিতর্ক। আন্দোলনে নামে কেরলের রাজ্য বিজেপি।

    দেশদ্রোহী বামপন্থী সংগঠন

    সমাজ মাধ্যমে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। নেটাগরিকরা আওয়াজ  তুলতে থাকেন, একজন পাকিস্তানি ডিক্টেটর যিনি ভারতের ওপর আক্রমণ করেছিলেন, তাঁকে শ্রদ্ধার্ঘ্য (Pervez Musharraf) জানানো হবে! এর পাশাপাশি ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অফ ব্যাঙ্ক ওয়ার্কার্স এবং ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অফ ব্যাঙ্ক অফিসার্সও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ইতিমধ্যে ব্যাঙ্কার ভয়েস নামে একটি সংস্থার পক্ষ থেকে এনিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা হয় এবং সেখানে লেখা হয়, ‘‘ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ওই কর্মচারী ইউনিয়ন হল আসলে অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন-এর একটি শাখা। এই অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্য়াসোসিয়েশন চিরকালই দেশদ্রোহী কাজের সঙ্গে যুক্ত। ইতিহাসে তার প্রমাণ বার বার মিলেছে। কখনও তারা হামাস জঙ্গিদের সমর্থন করেছে, কখনও বা ভারত-চিন সংঘাতে সেনাবাহিনীকে রক্তদানেরও বিরোধিতা করেছে।’’

     
     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mob Lynching: মহরমের মিছিল থেকে ছড়ায় হিংসা, উত্তরপ্রদেশে গণপিটুনিতে মৃত তেজরাম

    Mob Lynching: মহরমের মিছিল থেকে ছড়ায় হিংসা, উত্তরপ্রদেশে গণপিটুনিতে মৃত তেজরাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের মহরমে (Muharram Violence) ভারতের বিভিন্ন অংশে সাম্প্রদায়িক হিংসার খবর মিলেছে। ‘হিন্দুস্থান মে রেহনা হ্যায়, তো আল্লাহু আকবর কহেনা হ্যায়’-এর মতো স্লোগানও উঠেছে বেশ কয়েকটি জায়গায়। ঘটেছে গণপিটুনিতে (Mob Lynching) হত্যার ঘটনাও। তবে ভারতের বেশির ভাগ মিডিয়া হাউসই এ ধরনের কোনও খবর প্রকাশ করেনি। মহরমের সময় উত্তরপ্রদেশের বরেলি জেলা থেকে একটি গণপিটুনিতে হত্যার কথা জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৬ বছর বয়সি এক হিন্দু যুবক তেজরাম।

    বিবাদের (Mob Lynching) সূত্রপাত কীভাবে?

    গত ১৭ জুলাই ওই জেলার গৌসগঞ্জ এলাকায় মহররমের একটি মিছিল স্থানীয় হিন্দু মন্দিরের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। এই সময় পুজোর কারণে ওই মহরমের মিছিলের উদ্যোক্তাদের বাজনা বাজাতে নিষেধ করেন স্থানীয় হিন্দুরা। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ১৮ জুলাই স্থানীয় তেজরাম নামের ওই হিন্দু যুবককে মহরমের উদ্যোক্তারা নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে বলে জানা যায়। ১৭ জুলাই থেকেই বিবাদ শুরু হয়। ওই দিন থেকেই স্থানীয় হিন্দুদের ওপর হামলা শুরু হয়। জানা গিয়েছে, হিন্দু বাড়িগুলিতে লুট চলে। স্থানীয় হিন্দু বাড়িগুলিতে পাথর ছোড়া হয় (Mob Lynching) এবং মহিলাদেরও কটূক্তি করা হয়। পুলিশ-প্রশাসন পরিস্থিতি সামাল দিতে আসার পরেও ওই বিবাদ চলতেই থাকে বলে জানা যায়।

    গুরুতর আঘাতে মারা যান তেজরাম (Mob Lynching)

    বরেলি জেলার রামপুর, শিবগঞ্জ, দেবরানিয়া প্রভৃতি জায়গা থেকে ভিড় একত্রিত হতে থাকে। পাথর-লাঠি সহ স্থানীয় হিন্দু বাড়িগুলির ওপর হামলা চলতেই থাকে। জানা যায়, এই সময়ে তেজরাম বাড়িতে ছিলেন এবং তাঁকে ওই ভিড় টেনে স্থানীয় একটি মসজিদে নিয়ে যায় এবং সেখানেই তাঁকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। ১৮ জুলাই এই মারধরের (Muharram Violence) ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত পান তেজরাম। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, প্রায় ৮০ থেকে ১০০ জনের ভিড় তেজরামের বাড়িতে হামলা চালায় এবং তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। স্থানীয় এক পুলিশকর্তা অমিত কুমার জানিয়েছেন, আহত তেজরাম চিকিৎসার সময় মারা যান। পরে তাঁর দেহ ময়নাতদন্ত হয়। পোস্টমর্টেমের রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে যে বর্বরভাবে হামলা চালানো হয় এবং মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধার ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

    গ্রেফতার ৩৫, অভিযুক্তদের ৯টি বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল যোগী সরকার

    এই ঘটনার পরেই পুলিশ (Mob Lynching) এখনও পর্যন্ত ৫০ জন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করতে পেরেছে এবং তাদের নামে মামলা দায়ের হয়েছে। এর পাশাপাশি ১৫ জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করেছে যোগী রাজ্যের পুলিশ। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নামগুলি হল, আফসার আলি, ইমরান, মুখতিয়ার আলি, আবদুল সালাম ইত্যাদি। জানা গিয়েছে, গ্রেফতারের সময় কয়েকজন অভিযুক্ত পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিও চালায়। আবার পাল্টা পুলিশও গুলি চালাতে থাকে। এই গুলি লেগে আলমগীর নামে এক অভিযুক্ত আহত হয়েছেন। গুলিতে আহত হয়েছেন এক কনস্টেবলও। গত ২৩ জুলাই থেকে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে যোগী সরকার এবং সেদিনই অভিযুক্তদের নয়টি বাড়ি বুলডোজারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vistara: বিমানে মুফতে ওয়াইফাইয়ের সুযোগ দিচ্ছে ভিস্তারা, কেন জানেন?

    Vistara: বিমানে মুফতে ওয়াইফাইয়ের সুযোগ দিচ্ছে ভিস্তারা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রীদের উপহার দেবে বিমান সংস্থা ভিস্তারা (Vistara)। শনিবার এই উড়ান সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এবার থেকে আন্তর্জাতিক উড়ানে নিখরচায় ২০ মিনিটের জন্য ওয়াইফাই (Free WIFI) পরিষেবার সুযোগ পাবেন যাত্রীরা। অবশ্য ক্লাব ভিস্তারা সদস্য হলে গোটা যাত্রাপথেই পাবেন এই সুবিধা। ভিস্তারার এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক কোনও উড়ানে এই প্রথম।

    ভিস্তারার যৌথ উদ্যোগ (Vistara)

    ভিস্তারা টাটা-সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের যৌথ উদ্যোগ। সংস্থার তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “২০ মিনিটের এই ওয়াইফাই পরিষেবা সমস্ত কেবিনের সব যাত্রীই পাবেন। প্রথম কোনও ভারতীয় বিমান সংস্থার তরফে এমন অফার দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। যাঁরা ভারতীয় ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডে ওয়াইফাই প্ল্যান কিনতে চান, তাঁরাও সুযোগ পাবেন। আমরা আত্মবিশ্বাসী যাত্রীরা এই নয়া অন্তর্ভুক্তিকে স্বাগত জানাবেন, যা তাঁদের ভিস্তারা যাত্রাকে আরও সুন্দর, সহজ, সৃষ্টিশীল করে তুলবে।”

    ভিস্তারা এয়ারলাইন্সের বহর

    এই এয়ারলাইন্সে (Vistara) ৭০টি এয়ারক্র্যাফ্ট রয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি এয়ারবাস এ৩২০এনইও, ১০ এয়ারবাস এ৩২১ এনইও এবং ৭টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এয়ারক্র্যাফ্ট রয়েছে। মুফতের সময়টুকু বাদ দিয়ে যারা গোটা উড়ানেই চ্যাট করতে চান, তাঁদের অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে। জিএসটি ছাড়া তাঁদের দিতে হবে ৩৭২.৭৪ টাকা। হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক মেসেঞ্জারে চ্যাট করার আনলিমিটেড ডেটা পাবেন তাঁরা। অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় অডিও এবং ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের জন্য জিএসটি ছাড়া দিতে হবে ১৫৭৭.৫৪ পয়সা। যাঁরা বিঘ্নহীনভাবে স্ট্রিমিং করতে আনলিমিটেড ডেটা ব্যবহার করতে চান, তাঁদের দিতে হবে ২৭০৭.০৪ টাকা। এর সঙ্গে দিতে হবে জিএসটি।

    আরও পড়ুন: বন্ধুত্বের নয়া নজির, অযোধ্যার রামলালার ছবি দিয়ে স্ট্যাম্প প্রকাশ লাওসের

    ভিস্তারার চিফ কমার্সিয়াল অফিসার দীপক রাজাওয়াত বলেন, “যাত্রীরা আমাদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাবে বলেই আশাবাদী আমরা। এতে তাঁদের ভিস্তারা জার্নি অনেক বেশি আরামদায়, সৃজনশীল এবং বিঘ্নহীন হবে।” উড়ান সংস্থার তরফে আরও জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত ৫০ এমবি কমপ্লিমেন্টারি ওয়াইফাই (Free WIFI) দেওয়া হবে বিজনেস ক্লাসে। প্ল্যাটিনাম ভিস্তারা ক্লাবের সদস্যরাও এই সুবিধা পাবেন (Vistara)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Terrorist Attack: ডোডায় হামলাকারী জঙ্গিদের ছবি প্রকাশ্যে, প্রত্যেকের মাথার দাম ৫ লাখ টাকা

    Terrorist Attack: ডোডায় হামলাকারী জঙ্গিদের ছবি প্রকাশ্যে, প্রত্যেকের মাথার দাম ৫ লাখ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে সেনার ওপর হামলায় (Terrorist Attack) জড়িত তিন জঙ্গির ছবি প্রকাশ করল পুলিশ। প্রত্যেকের মাথার দাম ৫ লক্ষ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার স্কেচ প্রকাশ করে পুলিশ জানিয়েছে, “ডোডা এবং ডেসরা এলাকায় এই তিনজন জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে। জঙ্গির কার্যকলাপের এই তিনজনই যুক্ত ছিল।” পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয়দের কাছে ওই জঙ্গিদের ছবি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। জঙ্গিদের খোঁজ নেওয়ার জন্য একটি ফোন নম্বর চালু করা হয়েছে।

    উর্দু ও পস্তো জানে জঙ্গিরা (Kupwara Encounter)

    জানা গিয়েছে জঙ্গিরা উর্দু এবং পাস্তো ভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে পারে। পাকিস্তানের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত এলাকা থেকে এই জঙ্গিদের নিয়োগ করা হয়েছে। জঙ্গিরা “জৈশ-এ-মোহাম্মদের” সঙ্গে যুক্ত। পাকিস্তানের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁরা তাঁদের হ্যান্ডেলারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। তাঁদের অবস্থান যাতে চিহ্নিত না করতে পারে সেনা এবং পুলিশ, সেই কারণে নিজেদের ফোন ব্যবহার না করে অনেক ক্ষেত্রে জঙ্গিরা স্থানীয় বাসিন্দাদের ফোন এবং পাকিস্তানে যোগাযোগের জন্য হটস্পট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে।

    সেনার উপর ফের হামলা (Terrorist Attack)

    এদিকে জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়ারা (Kupwara Encounter) জেলার কুমকাডি ছাউনি লক্ষ্য করে পাক জঙ্গি ও সীমান্ত বাহিনীর যৌথ হামলায় (Terrorist Attack) এক ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়েছে। মেজর পর্যায়ের পদমর্যাদার এক অফিসার সহ আরও চারজন সেনা পাকিস্তানের দিক থেকে ছুটে আসা গুলিতে আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে একজন পাক জঙ্গিও খতম হয়েছে বলে সেনা সুত্রে খবর। ইতিমধ্যেই সীমান্ত লাগোয়া বিভিন্ন এলাকায় জঙ্গিদের খতম করতে অপারেশন সর্পবিনাশ শুরু করেছে সেনা।

    আরও পড়ুন: অমরনাথ যাত্রায় হামলার ছক পাকিস্তান-খালিস্তানিদের! সতর্কবার্তা গোয়েন্দাদের

    ৪০ থেকে ৫০ জন জঙ্গি সীমান্ত লাগোয়া জঙ্গলঘেরা ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে, এমনই খবর পেয়েছে সেনাবাহিনী। এমতাবস্থায় পাকিস্তানকে তাঁদের ভাষাতেই জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amarnath Yatra: অমরনাথ যাত্রায় হামলার ছক পাকিস্তান-খালিস্তানিদের! সতর্কবার্তা গোয়েন্দাদের

    Amarnath Yatra: অমরনাথ যাত্রায় হামলার ছক পাকিস্তান-খালিস্তানিদের! সতর্কবার্তা গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমরনাথ যাত্রা ভণ্ডুল করতে চাইছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই (ISI)। এমনই সতর্কবার্তা দিয়েছে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের তরফে এবার ময়দানে নামানো হয়েছে খালিস্তানি সংগঠন বব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনালকে। অমরনাথ যাত্রায় (Amarnath Yatra) বড় কোনও নাশকতার ছক রয়েছে এই জঙ্গি সংগঠনের। অন্যদিকে পাকিস্তানের কোনও ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনকেও সাহায্য করার জন্য ব্যবহার করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

    গোয়েন্দা রিপোর্টে হামলার ইঙ্গিত (Amarnath Yatra)

    জানা গিয়েছে, অমরনাথ যাত্রা (Amarnath Yatra) বন্ধ করার জন্য পূর্ণ্যার্থীদের শিকার বানানোর চেষ্টা করছে আইএসআই (ISI) এবং খালিস্তানপন্থী জঙ্গি সংগঠনগুলি। এই হামলায় পাঞ্জাবের গ্যাংস্টার, মৌলবাদী সংগঠন এবং বেশ কয়েকটি জঙ্গি সংগঠনকে কাজে লাগানো হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গোয়েন্দাদের আরও আশংকা খালিস্তানপন্থী সংগঠনকে ইসলামিক মৌলবাদী সংগঠনগুলি অস্ত্রশস্ত্র এবং জঙ্গি ট্রেনিং দিয়ে করে সাহায্য করতে  পারে। রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে, দিল্লির এক বিজেপি নেতা এবং হিন্দুত্ববাদী নেতাদের উপর হামলা হতে পারে।

    পাকিস্তানকে জবাব কবে? উঠছে প্রশ্ন (ISI)

    গোয়েন্দা সংস্থাগুলি জানিয়েছে, অমরনাথ যাত্রায় (Amarnath Yatra) ভিন্ন ঘটানোর জন্য ওত পেতে বসে আছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলি। প্রাথমিক টার্গেট পুণ্যার্থীরা। সম্প্রতি পাঠানকোটে সাতজন জঙ্গির অনুপ্রবেশ ঘিরে পাঞ্জাব ও জম্মুতে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। পাকিস্তানের বর্ডার অ্যাকশন টিমের তরফে বেশ কয়েক বছর পর এবার সরাসরি সেনাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তানের (ISI) তরফে যে বৃহত্তর চক্রান্ত চলছে, তা ভালোভাবেই আঁচ করতে পেরেছে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। তবে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, হঠাৎ করে কেন মোদি প্রশাসন জঙ্গিদের বাড়বড়ন্ত হলেও পাকিস্তানের বিষয়ে রক্ষণাত্মক মেজাজে চলে গিয়েছেন। এর আগে পাক সাহায্যপ্রাপ্ত বড় ধরনের কোনও হামলা হলেই সার্জিক্যাল জবাব দিত ভারত। কিন্তু মোদি ৩.০ সরকারের আমলে পরপর হামলা হলেও, ভারতের তরফ থেকে কোনও সার্জিক্যাল জবাব আসেনি।

    আরও পড়ুন: ১৬ হাজার ফুট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

    যদিও অনেকে মনে করছেন, পাকিস্তানকে খুব শীঘ্রই ভারতের তরফে যোগ্য জবাব দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, “পাকিস্তান ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় নি। তাঁরা যে ভাষায় চাইছে, সেই ভাষায় জবাব দেওয়া হবে।”

    অমরনাথ যাত্রা ঠেকাতে ব্যর্থ জঙ্গিরা  

    প্রসঙ্গত ২৯ জুন থেকে শুরু হয়েছে অমরনাথ যাত্রা। এই যাত্রা চলবে ৫২ দিন ধরে। ১৯ আগস্ট যাত্রা শেষ হবে। শেষ ২৮ দিন ধরে অমরনাথে (Amarnath Yatra) চার লক্ষের বেশি পুণ্যার্থীর সমাগম হয়েছে। পাকিস্তান আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাইলেও অমরনাথ যাত্রায় কোনও প্রভাব পড়েনি। এবং যাত্রায় এখন পর্যন্ত কোনও ধরনের বড় সমস্যার সৃষ্টি করতে পারেনি জঙ্গিরা। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ হিন্দু বাবা অমরনাথের দর্শন করতে আসেন। এ বছরও তার অন্যথা হয়নি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: বাংলাদেশ নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে ভয়! তাই কি মাইক বন্ধের ‘নাটক’ মমতার?

    Mamata Banerjee: বাংলাদেশ নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে ভয়! তাই কি মাইক বন্ধের ‘নাটক’ মমতার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে শনিবার বসেছে নীতি আয়োগের (NITI Aayog) নবম গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠক। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও উপ-মুখ্যমন্ত্রীরা। রাজ্যের প্রতিনিধিস্বরূপ ওই বৈঠকে হাজির ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কিন্তু, বৈঠকের মাঝপথে তিনি ওয়াক-আউট করেন। বেরিয়ে এসে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে তিনি দাবি করেন, তাঁকে নাকি বলতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বলার সময় নাকি মাইক বন্ধ করা ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবি কতটা যুক্তিযোগ্য বা তাঁর এই দাবির গ্রহণযোগ্যতা কতটা, তা জানার চেষ্টা করেছিল মাধ্যম। সেখান থেকে যে তথ্য উঠে এল, তা এক কথায় চমকপ্রদ।

    মাইকের নিয়ন্ত্রণ বক্তার হাতেই…

    কেন্দ্র এবং রাজ্য রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে যা জানা গেল, তা হল— যে হলে বা ঘরে এধরনের বৈঠক হয়, সেখানকার মাইকগুলি ‘সেল্ফ অপারেটড’। বক্তার মুখের কাছেই মাইক স্ট্যান্ড। সেই স্ট্যান্ডেই থাকে অন-অফ করার সুইচ। অর্থাৎ, মাইকের নিয়ন্ত্রণ বক্তার হাতেই থাকে। এই একই সিস্টেম সংসদ সহ যে কোনও কনফারেন্স রুমে এখন থাকে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে যে তত্ত্ব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) খাড়া করেছেন, তা অসত্য এবং অপপ্রচার ছাড়া কিছুই নয়। তাঁদের আরও দাবি, এসব করে তিনি মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছেন মাত্র।

    বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক প্রশ্ন এড়ানোর কৌশল?

    এখন প্রশ্ন হল, হঠাৎ করে কেন এমনটা করতে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? কী উদ্দেশ্য নিয়ে? এখানেই উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য ও তত্ত্ব। একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে মমতার করা মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া আসে ঢাকা থেকে। প্রতিবেশি রাষ্ট্রের ক্ষোভ প্রশমনে বাধ্য হয়ে ময়দানে নামতে হয় দিল্লিকে। এই নিয়ে বৃহস্পতিবার মমতাকে (Mamata Banerjee) কড়া কথা শোনায় কেন্দ্র। বুঝিয়ে দেওয়া হয় যে, বিদেশনীতি নিয়ে কথা বলা রাজ্যের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। জানা গিয়েছে, গোটা বিষয় নিয়ে মমতাকে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করতে এদিন উদ্যোগ নিচ্ছিলেন বৈঠকের বাইরে উপস্থিত সাংবাদিকরা। মুখ্যমন্ত্রী তা আঁচ করে নেন আগেভাগেই। সে সব এড়াতেই অত্যন্ত সচেতনভাবে এমন একটা ইস্যু (পড়তে হবে নাটক) তৈরি করলেন, যা দিয়ে বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক প্রশ্ন পিছনের সারিতে চলে গেল। 

    আরও পড়ুন: “নেতাদের থাকতে হবে”, জেল বাজেট বাড়ানোর দাবি আপ নেতার, হাসির রোল সংসদে

    প্রচারের আলো টানার চেষ্টা?

    এছাড়া, আরও একটা কারণ থাকতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তাদের মতে, লোকসভা ভোটের অব্যবহিত পরে ফের একবার বিরোধী শিবিরে ‘মধ্যমণি’ হয়ে উঠেছেন রাহুল গান্ধী। বিভিন্ন ইস্যুতে বিরোধী ‘ইন্ডি’ ব্লকের সর্বগ্রহণযোগ্য মুখ হয়ে উঠছেন রাহুল। ফলত, ‘ইন্ডি’ জোটে অনেকাটই ম্লান মমতার (Mamata Banerjee) দখল। অন্য সময়ে মমতা দিল্লি যাত্রা করলে, যা আকর্ষণ হত কেন্দ্রীয় (পড়তে হবে বিরোধী) রাজনীতিতে, বর্তমানে তা অনেকটাই ফিকে। রাহুলকে কেন্দ্র করেই কেন্দ্রে বিজেপি-বিরোধী রাজনীতি গড়ে উঠছে। তা বুঝতে পেরেই, নিজের দিকে প্রচারের আলোর অভিমুখ ঘোরানোর উদ্দেশ্যেই মমতা এই মাইক-তত্ত্ব খাড়া করেছেন বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।

    কনস্ট্রাকটিভ পলিটিক্সে স্বাচ্ছন্দ্য নন…

    আরও একটা চমকপ্রদ তত্ত্ব উঠে এসেছে। যেটাও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বটে। অনেকের মতে, মমতা বরাবরই বিরোধী-রাজনীতি করে এসেছেন। তিনি তাতেই অভ্যস্ত, সাবলীল। রাজনৈতিক মহলের মতে, মমতা কোনওদিনই ডেভলেপমেন্টাল বা কনস্ট্রাকটিভ পলিটিক্স করেননি। ২০১১ সাল পর্যন্ত, উনি ছিলেন বাম-বিরোধী। এখন মোদি-বিরোধী। এমনকী, রাজ্যে ক্ষমতা দখলের পরও, তাঁর একাধিক কর্মকাণ্ড দেখেও বোঝা দায় ছিল যে তিনি শাসক না বিরোধী। সেখানে, নীতি আয়োগ (NITI Aayog) হল আদ্যান্ত উন্নয়নমূলক বিষয়বস্তু-কেন্দ্রিক আলোচনার মঞ্চ। এখানে রাজ্য-কেন্দ্র সমন্বয়ে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা হয়। মমতা (Mamata Banerjee) যে এধরনের বৈঠকে সাচ্ছন্দ্য নন, তা সহজেই অনুমেয়। ফলস্বরূপ, এদিনের এই ‘নাটক’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sanjay Singh: “নেতাদের থাকতে হবে”, জেল বাজেট বাড়ানোর দাবি আপ নেতার, হাসির রোল সংসদে

    Sanjay Singh: “নেতাদের থাকতে হবে”, জেল বাজেট বাড়ানোর দাবি আপ নেতার, হাসির রোল সংসদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অন্তত জেলের বাজেট (Jail Budget) বাড়িয়ে দিন, কারণ নেতারা জেলে যাবেন। আজ হোক বা কাল সকলকে জেলে যেতে হবে। তাই অন্তন্ত জেলের বাজেট বাড়িয়ে দিন।” বক্তা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং (Sanjay Singh) । সংসদের উচ্চ কক্ষে বাজেটের উপরে চর্চার সময় আপ সাংসদ বলেন, “জেলের বাজেট বাড়িয়ে দিন। কারণ এক না একদিন সকলকে জেলে যেতে হবে। আজ আমাদের অনেকে আছে। কাল আপনাদের (শাসক পক্ষের) যেতে হবে। ৩০০ কোটিতে কিছু হবে না। তাই জেলের বাজেট অন্তত বাড়িয়ে দেওয়া দরকার ছিল।” মজা করে রাজ্যসভার অধ্যক্ষ জগদীপ ধনখড় শাসকপক্ষকে সঞ্জয় সিং-এর এর আবেদনের উপরে নজর দিতে বলেন।

    বিরোধীদের ঠিকানা জেল (Sanjay Singh)

    সঞ্জয় সিং অভিযোগের সুরে বলেন, “আপনারা (শাসক) দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জেলবন্দী করে রেখেছেন। বাংলার তিনজন মন্ত্রী জেলে রয়েছেন। সাংসদের (Jail Budget) এই বক্তব্যে আপত্তি জানিয়ে ধনখড় বলেন, “দেশ আইনের উপর নির্ভর করে চলে। পুলিশ গ্রেফতার করে। আদালত অভিযুক্তকে জেলে পাঠায়। দেশের যে কোনও পদে, যে কেউ থাকুক না কেন, সে জেলে যাবে কিনা, নির্ভর করে আদালতের ওপর। আপনি (Sanjay Singh) জেলে গিয়েছিলেন, প্রথমে এজেন্সির জন্য। পরে যখন জেলে ছিলেন, সেখানে আদালতের নির্দেশ ছিল।”

    সঞ্জয়ের অভিযোগ (Jail Budget)

    সঞ্জয়ের (Sanjay Singh) অভিযোগ, মোদি সরকার কোনও সমস্যার সমাধান চায় না। ন্যায় বিচার চায় না। সরকার চায়, শুধু বিরোধীদের নানান অভিযোগে অভিযুক্ত করে জেলে ভরে রাখতে।”

    আরও পড়ুন: ১৬ হাজার ফুট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

    তাঁর আরও অভিযোগ, অরবিন্দ কেজরিওয়াল অসুস্থ। তা সত্ত্বেও তাঁকে জেলে বন্দী করে রাখা হয়েছে। তিনি একদা জামিন পেয়েছিলেন, তা সত্ত্বেও জামিনের বিরোধিতা করে আদালতে চলে গিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা। তাঁরা চাইছে, যে কোনও ভাবে তাঁকে জেলে রাখতে।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share