Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Kargil Vijay Diwas: ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবস, দেশের ইতিহাসে কেন গুরুত্বপূর্ণ এই দিন

    Kargil Vijay Diwas: ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবস, দেশের ইতিহাসে কেন গুরুত্বপূর্ণ এই দিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবছর ২৬ জুলাই পালিত হয় কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas)। এই দিনটির যথেষ্ট তাৎপর্য রয়েছে ভারতীয় ইতিহাসে। এই দিনটি আমাদের মনে করায়, ১৯৯৯ সালে কার্গিলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনার যুদ্ধ জয়। ২৬ জুলাই এই দিনটি উৎসর্গ করা হয়েছে সেই সমস্ত সাহসী সৈন্যদের প্রতি, যাঁরা দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতাকে রক্ষা করার জন্য যুদ্ধ ময়দানে নেমেছিলেন। চলতি বছরে আজ শুক্রবার হল কার্গিল বিজয় দিবস। এই দিনটির অন্যতম গুরুত্ব হল, কার্গিলে যে সমস্ত অঞ্চল পাকিস্তানি সৈন্যরা দখল করেছিল, ভারতীয় সেনা বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করে সেই স্থানগুলিকে দখলমুক্ত করে। ভারতীয় সেনার এমন দাপটে পিছু হঠতে বাধ্য হয় পাকিস্তানি সেনা। এ প্রসঙ্গে বলা দরকার, পাকিস্তানি সৈন্যদের সঙ্গে সেসময় জঙ্গিরাও ছিল কার্গিল যুদ্ধে (Kargil Day)।

    ১৯৯৯ সালের মে মাসে শুরু হয় কার্গিল যুদ্ধ (Kargil Vijay Diwas)

    ১৯৯৯ সালের মে মাসে শুরু হয় কার্গিল যুদ্ধ, যখন পাকিস্তানি সৈন্য এবং জঙ্গিরা যৌথভাবে সীমান্ত পেরিয়ে কার্গিলের (Kargil Day) বেশ কিছু অঞ্চলকে দখল করে। ১৯৯৯ সালের জুন মাসে ভারতীয় সেনা শুরু করে ‘অপারেশন বিজয়’। এর মাধ্যমে কার্গিলকে পাকিস্তানি জঙ্গি ও সৈন্যদের কাছ থেকে দখলমুক্ত করতে অভিযান শুরু করে সেনা। ১৯৯৯ সালে ২৬ জুলাই সম্পূর্ণভাবে পাকিস্তানি সৈন্যকে পরাস্ত করে কার্গিলকে দখলমুক্ত করে ভারতীয় সেনা। চলতি বছরে কার্গিল বিজয় দিবসের ২৫তম বর্ষপূর্তি হচ্ছে।

    ১৯৯৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের লাহোর ঘোষণাপত্র, শান্তি স্থায়ী হয়নি

    কাশ্মীর সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৯৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে লাহোর ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করা সত্ত্বেও, শান্তি বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। পাকিস্তানি সৈন্য এবং জঙ্গিরা ১৯৯৮-১৯৯৯ সালে শীতকালে জম্মু ও কাশ্মীরের কার্গিল জেলায় অনুপ্রবেশ শুরু করে, কাশ্মীর এবং লাদাখের মধ্যে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ভূমিও দখল করে তারা। এরপর মে মাসে ভারতীয় সেনাবাহিনী অনুপ্রবেশের বিষয়টি চিহ্নিত করে, এরপরই শুরু হয় কার্গিলে ভারতীয় সেনার অভিযান (Kargil Vijay Diwas)। তীব্র যুদ্ধের সঙ্গে শুরু হয় ‘অপারেশন বিজয়’।

    অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে ছিল পাক সেনাও

    ১৯৯৯ সালের মে থেকে জুলাই পর্যন্ত জম্মু এবং কাশ্মীরের দ্রাস-কার্গিল সেক্টরে চলে যুদ্ধ। পাকিস্তানের দিক থেকে অনুপ্রবেশ চলতে থাকে কার্গিলে। পাকিস্তান প্রথমে দাবি করে, জঙ্গিরাই এ সব করছে। এখানে পাক সেনার কোনও ভূমিকা নেই। পরে যদিও পাকিস্তানের তৎকালীন সেনাপ্রধান পারভেজ মুশারফ তাঁর আত্মজীবনী ‘ইন দ্য লাইফ অব ফায়ার’-এ স্বীকার করেছিলেন, অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে ছিল পাক সেনাও।

    আমেরিকার দ্বারস্থ হয় পাকিস্তান 

    কার্গিলের যুদ্ধের (Kargil Vijay Diwas) সময় পাকিস্তানের অবস্থা যখন একেবারে বেসামাল, তখন আমেরিকার কাছে সাহায্য চেয়েছিল পাকিস্তান। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের সহযোগী ব্রুস রিডেল দাবি করেছিলেন, বৃহত্তর সংঘাত এড়াতে পাকিস্তানকে সাহায্য করতে রাজি হয়নি আমেরিকা। আমেরিকার দাবি ছিল, ভারত থেকে পাকিস্তান সৈন্য প্রত্যাহার না করলে তারা কোনও ভাবেই সাহায্য করবে না।

    ৫২৭ জন ভারতীয় সেনা জওয়ান শহিদ হন এই যুদ্ধে

    প্রসঙ্গত, কার্গিল হল জম্মু-কাশ্মীরের একটি জেলা। এই জেলাকে নিয়ে তখনই পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়, যখন পাকিস্তানি সেনা এবং জঙ্গিরা এখানে অনুপ্রবেশ করতে থাকে সীমান্ত পেরিয়ে। এই অঞ্চলের একাধিক স্থান তারা নিজেদের দখলে আনতে থাকে। এরপরে ‘অপারেশন বিজয়ে’র মাধ্যমে অসম্ভব সাহস ও বীরত্বের পরিচয় দিয়ে সরাসরি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয় ভারতীয় সেনা। দখলমুক্ত হয় কার্গিল। কার্গিল বিজয় দিবসে শ্রদ্ধা জানানো হয় সেই সমস্ত ভারতীয় সেনাদের প্রতি যাঁরা যুদ্ধক্ষেত্রে বীরগতিপ্রাপ্ত হয়েছেন। জানা যায়, ৫২৭ জন ভারতীয় সেনা মাতৃভূমির মাটি দখলমুক্ত করতে শহিদ হন এই যুদ্ধে। প্রতিবছরের ২৬ জুলাই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।

    কীভাবে পালন করা হয় কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas)

    কার্গিল বিজয় দিবসে সারাদেশে যুদ্ধের যে স্মৃতিসৌধগুলি রয়েছে সেখানে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ অনুষ্ঠান করা হয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয় দ্রাসে, এই স্থানটি কার্গিলে অবস্থিত। সেখানে উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিক থেকে শুরু করে সরকারি আধিকারিকরা ও নেতা-মন্ত্রীরা শহিদ জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা অর্পণ করেন। কার্গিল বিজয় দিবসের স্মরণে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয় দেশ জুড়ে। দেশাত্মবোধক গান, নৃত্যের মাধ্যমে ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্বগাথাকে স্মরণ করা হয়। কার্গিল বিজয় দিবসের তাৎপর্য সম্পর্কে অবহিত করানো হয় দেশের যুবসমাজকে। দেশের স্কুল-কলেজ তথা বিভিন্ন এনজিও বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এই দিনে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News 

  • Hydrogen Highways: পরিবেশ রক্ষায় হাইড্রোজেন হাইওয়ে! দূষণমুক্ত পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে উঠছে দেশে

    Hydrogen Highways: পরিবেশ রক্ষায় হাইড্রোজেন হাইওয়ে! দূষণমুক্ত পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে উঠছে দেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে হাইড্রোজেন (Hydrogen Highways) বিতরণ পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। এর কারণ অপ্রচলিত শক্তির উৎসগুলিকে বিপুলভাবে ব্যবহার করতে চাইছে ভারত সরকার। কারণ পরিবেশ বান্ধব এই শক্তির ব্যবহারের ফলে দূষণ যেমন হয় না, তেমনই তা পকেট সাশ্রয়ীও হয়। সাধারণ মানুষের কাছে পরিবহণের (Clean Transportation) জন্য হাইড্রোজেন আগামী দিনে ডিজেল বা পেট্রোলিয়ামের বিকল্প হতেই পারে। 

    প্রতিবছর ভারতে প্রায় ৬৫ লাখ মেট্রিক টন হাইড্রোজেন (Hydrogen Highways)  উৎপাদন হয়

    সরকার পণ্যবাহী এবং যাত্রীবাহী যে কোনও ধরনের যানবাহনের জন্যই হাইড্রোজেন করিডরের (Hydrogen Highways) পরিকল্পনা করেছে। সাধারণভাবে এরকমই একটি করিডর হতে চলেছে দিল্লি-আগ্রা রুট। সরকারের তরফ থেকে এমনটাই জানা গিয়েছে। টাটা মোটরস ও অশোক লেল্যান্ড-এর মতো শীর্ষস্থানীয় সংস্থাগুলি বর্তমানে গবেষণা চালাচ্ছে, যে কিভাবে হাইড্রোজেন (Clean Transportation) চালিত যানবাহনগুলিকে আরও উন্নত করা যায়। মনে করা হচ্ছে এই কাজে বেসরকারি ক্ষেত্রগুলিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ভারতে প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে বৈদ্যুতিক যানবাহনের চাহিদা। এরই মধ্যে এক তথ্য এসেছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রতিবছর ভারতে প্রায় ৬৫ লাখ মেট্রিক টন হাইড্রোজেন উৎপাদন হয়, এগুলি প্রধানত ব্যবহৃত হয় তৈল শোধনাগার কেন্দ্র ও সার উৎপাদনের জন্য। ন্যাশনাল গ্ৰিন হাইড্রোজেন মিশনের তরফ থেকে ইতিমধ্যে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে যে ২০৩০ সালের মধ্যে এর উৎপাদন বাড়ানো হবে।

    হাইড্রোজেনের সে অর্থে ব্যাপক ব্যবহার ভারতবর্ষে শুরু হয়নি

    তবে হাইড্রোজেনের (Hydrogen Highways)  সে অর্থে ব্যাপক ব্যবহার ভারতবর্ষে শুরু হয়নি। ভারতে মাত্র কতগুলি হাইড্রোজেন ফিলিং স্টেশন তৈরি হয়েছে এবং এগুলিকে দেখাশোনা করে ভারতের সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক এবং পুনর্নবীকরণ শক্তি মন্ত্রক। জানা গিয়েছে আগামী দিনে এই মন্ত্রকগুলি নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে আরও বেশি পরিমাণে হাইড্রোজেন ফিলিং স্টেশন তৈরি করতে চাইছে দেশে। সরকারের লক্ষ্য হল হাইড্রোজেন করিডর স্থাপন, বিভিন্ন বাড়িতে হাইড্রোজেনের সঞ্চয় করার জন্য প্রচারও শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে এই সমস্ত বিষয় নিয়েই কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করির নেতৃত্বে খুব শীঘ্রই একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pathankot: সাত জঙ্গি ঘাঁটি গেড়েছে পাঠানকোটে! সতর্ক করল পুলিশ, ছবি প্রকাশ এক সন্দেহভাজনের

    Pathankot: সাত জঙ্গি ঘাঁটি গেড়েছে পাঠানকোটে! সতর্ক করল পুলিশ, ছবি প্রকাশ এক সন্দেহভাজনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৬ সালের ২ জানুয়ারি পাঞ্জাবের পাঠানকোটে (Pathankot) ভয়ঙ্কর জঙ্গি হামলা চালিয়েছিল পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। সেই হামলার কথা এখনো ভোলেনি গোটা দেশ! তবে আবারও সেই পাঠানকোট নিয়ে সতর্ক করল পুলিশ। এর ফলে ২০১৬ সালের পর ফের একবার পাঠানকোটে (Pathankot) জঙ্গি হামলার (Suspected Terrorists) আশঙ্কা খবরের শিরোনামে উঠে এল। ভারতীয় সেনার তরফে গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে, পাঠানকোটে এই মুহূর্তে ৭ জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে, এর পাশাপাশি পুলিশের তরফ থেকে এক সন্দেহভাজন জঙ্গির ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। সেনাবাহিনী সূত্রে খবর মিলেছে পাঠানকোটের ফাংটোলি গ্রামে এক জঙ্গির পায়ের ছাপ মিলেছে। জানা গিয়েছে, স্থানীয় গ্রামবাসীরা সন্দেহভাজন কয়েকজনকে বেশ কয়েকদিন আগে থেকে ঘোরাফেরা করতে দেখেছেন।

    সীমা দেবীর কাছে জল চায় জঙ্গিরা (Pathankot)!

    সীমা দেবী নামে এক গ্রামবাসী দাবি করেছেন, কাছেরই জঙ্গল থেকে কয়েক জন তাঁর বাড়িতে এসে জল খেতে চায়। তাদের মধ্যে এক জন তাঁকে জিজ্ঞাসা করে, তিনি কি বাড়িতে একা থাকেন? জল খেয়েই আবার তারা জঙ্গলের দিকে চলে যায়। সন্দেহ হওয়ায় সীমা দেবী স্থানীয় থানায় বিষয়টি জানান। সীমা দেবীর বাড়ির অদূরে বেশ কয়েক জনের জুতোর ছাপও মিলেছে বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে। সেই পায়ের ছাপ ধরেই জঙ্গিদের দিশা চিহ্নিত করা হয়েছে। সেনা এবং পুলিশের যৌথবাহিনী জঙ্গিদের খোঁজ চালাচ্ছে।

    স্থানীয় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথভাবে এই তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে

    প্রসঙ্গত বেশ কয়েক মাস ধরেই লাগাতার জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটছে জম্মু-কাশ্মীরে। মঙ্গলবারও এক জওয়ান শহিদ হয়েছেন সেখানে। এবার কি তাহলে জঙ্গিদের (Suspected Terrorists) নিশানায় পাঠানকোট (Pathankot)? এমন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে কোনও রকমে ঝুঁকি নিতে চাইছে না সেনা। প্রশাসনের তরফ থেকে ব্যাপকভাবে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। সেনা ও পুলিশের যৌথ বাহিনী এলাকায় চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rashtrapati Bhavan: রাষ্ট্রপতি ভবনের দরবার হল ও অশোক হলের নাম বদল, কী হল নয়া পরিচয়?

    Rashtrapati Bhavan: রাষ্ট্রপতি ভবনের দরবার হল ও অশোক হলের নাম বদল, কী হল নয়া পরিচয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদি ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের কথা মাথায় রেখে রাষ্ট্রপতি ভবনের (Rashtrapati Bhavan) দুটি গুরুত্বপূর্ণ হলের নাম বদলে দেওয়া হল। দরবার হলের নতুন নাম হল গণতন্ত্র মণ্ডপ। অশোক মণ্ডপ নাম রাখা হয়েছে অশোক হলের।  ‘হল’ শব্দটির সঙ্গ ব্রিটিশ রাজের সম্পৃক্তি আছে তাই এর পরিবর্তে মণ্ডপ অনেক বেশি ভারতীয়ত্ব বহন করে, বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ওই দুই ঐতিহ্যশালী কক্ষের নতুন নামকরণ করেছেন।

    কেন নয়া নামকরণ

    বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের (Rashtrapati Bhavan) তরফে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘‘রাষ্ট্রপতি ভবন, ভারতের মাননীয় রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এবং বাসভবন। এটি জাতীয় প্রতীক এবং জনগণের একটি অমূল্য ঐতিহ্য। রাষ্ট্রপতি ভবনের সঙ্গে আমজনতার সম্পর্ক নিবিড় করে তোলার জন্য ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চলছে। রাষ্ট্রপতি ভবনের পরিবেশে যাতে ভারতীয় সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ এবং আদর্শের প্রতিফলন দেখা যায়, সেই উদ্দেশ্যেই এই প্রচেষ্টা।’’ এর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে ঔপনিবেশিক শাসনের চিহ্ন মুছে ফেলা হয়েছে বলে দাবি বিবৃতিতে। 

    দরবার হলের পরিচয়

    রাষ্ট্রপতি ভবনের (Rashtrapati Bhavan) তরফে বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়, ‘দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রপতি ভবনের পরিবেশ ভারতীয় সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও রীতিনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলার চেষ্টা চলছিল। দরবার বলতে ভারতের এক সময়ের শাসক ও ইংরেজদের সমবেত হওয়ার জায়গাকেই বোঝানো হতো, যার প্রয়োজনীয়তা নেই গণতান্ত্রিক ভারতে। প্রাচীন কাল থেকেই ভারতের সমাজ ব্যবস্থার মূলে নিহিত ছিল গণতন্ত্র। সেই কারণেই দরবার হলের (Durbar Hall and Ashok Hall) নাম বদলে করা হয়েছে গণতন্ত্র মণ্ডপ।’

    অশোক হলের নতুন নাম

    একেবারে গোড়ার দিকে অশোক হল বলরুম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। রাষ্ট্রপতি ভবনের (Rashtrapati Bhavan) তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অশোক বলতে বোঝায় এমন ব্যক্তিকে যিনি যন্ত্রণা ও শোকমুক্ত। অন্যদিকে, সম্রাট অশোকের নামও, যা ঐক্য ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানকে বোঝায়। ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের প্রতীক এই অশোকস্তম্ভ। এর গভীর তাৎপর্য রয়েছে ভারতের ধর্মীয় ঐতিহ্য, শিল্প ও সংস্কৃতিতে। অশোক হলের নাম পরিবর্তন করে অশোক মণ্ডপ করায় অশোক শব্দটির মূল্যবোধ বজায় থাকল। এছাড়াও ঔপনিবেশিক শাসনের চিহ্নও মুছে গেল।’

    আরও পড়ুন: আসন্ন প্যারিস অলিম্পিক্সে ভারতের পদক জয়ের সেরা বাজি কারা?

    কী হয় এই দুই হলে

    রাষ্ট্রপতি ভবনের (Rashtrapati Bhavan) ঐতিহ্য মেনে দরবার হলে সমস্ত জাতীয় পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান হয়। অন্য দিকে অশোক হলটি (Durbar Hall and Ashok Hall) মূলত একটি বলরুম। পূর্বতন ইউপিএ জমানা পর্যন্ত সেখানে প্রধানমন্ত্রী-সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হত। প্রসঙ্গত, আগেই ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘অমৃত মহোৎসবে’র সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের মোঘল উদ্যানের নাম বদলে রাখা হয় অমৃত উদ্যান।  আরও আগে ২০২২ সালে রাষ্ট্রপতি ভবন লাগোয়া রাজপথের নাম বদলে রাখা হয়েছে কর্তব্যপথ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kavach: দ্রুতগতিতে বসছে ‘কবচ’, জানালেন রেলমন্ত্রী, কাজ কতদূর এগোল?

    Kavach: দ্রুতগতিতে বসছে ‘কবচ’, জানালেন রেলমন্ত্রী, কাজ কতদূর এগোল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলে যাত্রী সুরক্ষার প্রশ্নে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার যে কোনও আপোস করবে না, বুধবার সংসদে তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানালেন, দেশে ১ হাজার ৪৬৫ কিলোমিটার রুটে অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন সিস্টেম (Automatic Train Protection System) কবচ (Kavach) বসানো হয়েছে। এই কবচ বসানো হয়েছে ১৪৪টি লোকোমোটিভেও।

    ‘কবচ’ বসাতে ব্যয় (Kavach)

    সাউথ সেন্ট্রাল রেলওয়েতে বসানো হয়েছে এই কবচ। মন্ত্রী জানান, কবচ সিস্টেম বসাতে গিয়ে এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে ১ হাজার ২১৬.৭৭ কোটি টাকা। চলতি অর্থবর্ষে (২০২৪-২৫) এই খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ১ হাজার ১১২.৫৭ কোটি টাকা। মন্ত্রী জানান, ২ লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকা ক্যাপিটেল এক্সপেনডিচার হিসেবে বরাদ্দ করা হয়েছে। সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কবচ ইনস্টল করার ক্ষেত্রে। কবচ ৪.০-এর উন্নত সংস্করণ অনুমোদন পেয়েছে। দ্রুত তৈরি করা হবে বলেও জানান তিনি।

    ‘কবচ’ কী?

    প্রশ্ন হল, কবচ কী? কবচ হল একাধিক ট্রেনের সংঘর্ষ এড়ানোর উচ্চ প্রযুক্তি। ট্রেনের গতি একটি নির্দিষ্ট জায়গায় থাকার সময় বিপদ বুঝলে এই প্রযুক্তি লোকোপাইলটকে সতর্ক করে দেবে। লোকোপাইলট যদি ব্রেক কষতে ব্যর্থ হন, তবে কবচই করে দেবে সেই কাজ। যার জেরে ট্রেন যাবে দাঁড়িয়ে। এড়ানো যাবে সংঘর্ষ। প্রাণ বাঁচবে যাত্রীদের। যাত্রী সুরক্ষার ক্ষেত্রে কবচই এখনও পর্যন্ত উচ্চস্তরীয় নিরাপত্তা দেয় বলে শংসাপত্র দিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট সেফটি অ্যাসেসর।

    আরও পড়ুন: এবার নবান্নেও ‘ভাইপোরাজ’? পিএমইউ নিয়ে নবান্নের নির্দেশিকায় গুচ্ছ প্রশ্ন

    মন্ত্রী জানান, দিল্লি-মুম্বই এবং দিল্লি-হাওড়া করিডরে চলছে কবচ (Kavach) সম্পর্কিত কাজ। এই দুই রুটে অপটিক্যাল ফাইবার বসানোর কাজও চলছে। ইতিমধ্যেই এই ফাইবার বসানো হয়েছে ৪ হাজার ২৭৫ কিলোমিটার রেলপথে। ইনস্টল করা হয়েছে ৩৬৪টি টেলিকম রওয়ার। ২৮৫ ইউনিট কবচ যন্ত্রাংশ দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন স্টেশনে (Automatic Train Protection System)। কবচ ট্র্যাকসাইড ইক্যুইপমেন্ট ইনস্টল করা হয়েছে ১ হাজার ৩৮৪ কিলোমিটার রুটে (Kavach)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Religious Conversion: ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের আড়ালে হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরণ! যোগী-রাজ্যে মামলা দায়ের

    Religious Conversion: ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের আড়ালে হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরণ! যোগী-রাজ্যে মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামেই ফ্যাশন ইনস্টিটিউট, কিন্তু তার আড়ালেই হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরিত (Religious Conversion) করার জন্য চলছে ব্রেনওয়াশ। সম্প্রতি এই অভিযোগে নাম জড়াল উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মোরাদাবাদের ল্যাকমে অ্যাকাডেমি নামে এক ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের। মূলত ওই ইনস্টিটিউট পরিচালনাকারী রক্ষন্দা খানের (Rakshanda Khan) বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। গত ২২ জুলাই দুই হিন্দু ছাত্রী তানিয়া চৌধুরী এবং স্বাতী পাল মিলে জেলা কালেক্টর অনুজ সিংয়ের সঙ্গে দেখা করে ইনস্টিটিউট পরিচালনাকারী রক্ষন্দা খানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ জানিয়েছেন বলে খবর।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Religious Conversion)    

    অভিযোগকারীদের অভিযোগ, স্বপ্না ওরফে রক্ষন্দা খান মুসলিম ছেলেদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করার জন্য তাদের ওপর রীতিমতো চাপ সৃষ্টি করেছেন। শিক্ষার্থীরা আরও জানিয়েছেন যে, রক্ষন্দা খান বলেছেন, ”মুসলিম ছেলেদের বিয়ে করতে কোনও সমস্যা নেই। আমিও আগে হিন্দু ছিলাম। ১৭ বছর আগে শাহনওয়াজ খান নামে একজন মুসলিম ব্যক্তিকে বিয়ে করি। সেসময় আমি হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম হয়েছিলাম এবং বর্তমানে মুসলিম পরিবারে খুব সুখী।”    

    ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের আড়ালে কী চলে? 

    জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) কাঁথ রোডে অবস্থিত ল্যাকমে অ্যাকাডেমি নামে ওই ফ্যাশন ইনস্টিটিউটে মূলত মেকআপ, চুল এবং ত্বকের পরিচর্যা শেখান রক্ষন্দা। এর জন্য বিভিন্ন কোর্স রয়েছে তাঁর একাডেমিতে। অ্যাকাডেমির প্রায় সব ছেলেই মুসলিম এবং বেশিরভাগ মেয়েই হিন্দু। অভিযোগ রক্ষন্দা খান প্রধানত মুসলিম ছেলে এবং হিন্দু মহিলাদেরই কর্মী হিসাবে নিয়োগ করতেন। এরপর রক্ষন্দা হিন্দু মেয়েদের এই মুসলিম ছেলেদের সাথে বন্ধুত্ব করতে উৎসাহিত করতেন, যাতে মুসলিম ছেলেদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে হিন্দু মেয়েরা বিয়ের পর হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ (Religious Conversion) করে।  

    কী জানিয়েছে অভিযোগকারীরা?  

    এ প্রসঙ্গে, তানিয়া চৌধুরীর অভিযোগ, ”ভর্তির সময় আমাদের বলা হয়েছিল যে অ্যাকাডেমিতে মাংস ও মাছ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, কিন্তু মুসলিম ছেলেরা প্রতিদিন এখানে মাংস ও মাছ নিয়ে আসে এবং সবার সামনে খায়।” অন্যদিকে স্বাতী পাল বলেন, ”অভিযুক্ত রক্ষন্দা খান হিন্দু ধর্মের অপব্যবহার করেন (Religious Conversion) এবং যে হিন্দু মেয়েরা তাঁকে মানে না তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এমনকি রক্ষন্দা হিন্দু মেয়েদের টিপ, টিকা, কপালে সিঁদুর এবং গলায় মঙ্গলসূত্র পরতে বাধা দিতেন। কোনও বিবাহিত মেয়ে মঙ্গলসূত্র ও সিঁদুর পরে এলে তাকে ইনস্টিটিউটে ঢুকতে দিতেন না। কিন্তু, মুসলিম ছাত্র ও মুসলিম প্রশিক্ষকদের অ্যাকাডেমিতেই নামাজ পড়ার স্বাধীনতা রয়েছে।”    

    আরও পড়ুন: কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ২০০-র গণ্ডি! কেমন আছে বাংলাদেশ?

    এরপর অভিযোগকারীদের অভিযোগের ভিত্তিতে, মোরাদাবাদ পুলিশ রক্ষন্দা খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের (Religious Conversion) করে গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে। অন্যদিকে এই ঘটনার পরেই হিন্দু কর্মীরা রক্ষন্দা খানের কুশপুতুল পুড়িয়ে অ্যাকাডেমির বাইরে হনুমান চালিসা পাঠ করেন এবং অভিযুক্ত রক্ষন্দা খানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তাঁর প্রতিষ্ঠানটি সিল করার দাবি জানান। এছাড়াও, তাঁরা দাবি করেন যে, শিক্ষার্থীরা যেন তাদের ফি ফেরত পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে।

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mukesh Ambani: শেয়ার বাজারে জোর ধাক্কা খেলেন মুকেশ আম্বানি, কেন জানেন?

    Mukesh Ambani: শেয়ার বাজারে জোর ধাক্কা খেলেন মুকেশ আম্বানি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপুল পরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন মুকেশ আম্বানি (Mukesh Ambani)। সোমবার মুকেশের কোম্পানি রিলায়েন্সের (Reliance) মার্কেট ভ্যালুয়েশন এক ধাক্কায় ৭৩,৪৭০.৫৯ কোটি টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২০,৩০,৪৮৮.৩২ কোটি টাকা। রিলায়েন্সের শেয়ার দর তিন শতাংশেরও বেশি কমে যেতেই এল এই ধাক্কা। জুন মাসে কোম্পানির তরফে যে ত্রৈমাসিক রিপোর্ট পেশ করা হয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল নিট মুনাফার পাঁচ শতাংশ দর কমে গিয়েছিল। সোমবার এক দিনেই কমল তিন শতাংশের বেশি।

    শেয়ারে ধস (Mukesh Ambani)

    জানা গিয়েছে,  সোমবার ব্লু-চিপ স্টকটি বিএসইতে ৩.৪৯ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৩০০১.১০ টাকায় থামে। দিনের বেলায় এটি এনএসইতে ৩.৫৬ শতাংশ কমে শেয়ারের দর হয়েছিল ২,৯৯৮.৮০ টাকা। ট্রেডেড ভলিউম টার্মের দিক থেকে দেখলে দিনের বেলায় কোম্পানির ১.৯০ লাখ শেয়ার ব্যবসা করেছে বিএসইতে। আর ৯৮.৩৭ লাখ শেয়ার ব্যবসা করেছে এনএসইতে। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের হেভি সেলিং প্রেসারও টেনে নামিয়েছে বেঞ্চমার্ক সূচকগুলিকে। টানা দুদিন পড়ে ৩০-শেয়ারের বিএসই সেনসেক্স ১০২.৫৭ পয়েন্ট বা ০.১৩ শতাংশ কমে যায়। এনএসই নিফটি ২১.৬৫ পয়েন্ট (শতাংশের হিসেবে ০.০৯) কমে পৌঁছে গিয়েছিল ২৪,৫০৯.২৫-এ।

    দ্বিতীয় হলেন মুকেশ

    এদিকে, তেলের দাম ৩১ শতাংশ কমে যাওয়ায় এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তির তকমা হারিয়েছেন ভারতের সব চেয়ে ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানি (Mukesh Ambani)। এবার এই তকমা পেলেন জ্যাক মা। ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, সোমবার প্রায় ৪২ হাজার ৮৮১ হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়েছে মুকেশের কোম্পানির। তাই ব্লুমবার্গ বিলিওনেয়ার্স ইনডেক্সে এশিয়ায় দ্বিতীয় স্থানে চলে গেলেন মুকেশ।

    আরও পড়ুন: গুয়াতেমালায় মিলল মন্দিরের নিদর্শন, আদানপ্রদান হয়েছিল হিন্দু সংস্কৃতির?

    জানা গিয়েছে, সৌদি আরব ও রাশিয়ার মধ্যে রেষারেষির জেরে গত ২৯ বছরে সব চেয়ে বেশি কমে গিয়েছে তেলের দাম। তার জেরেই বিপুল ক্ষতির মুখ দেখলেন মুকেশ। কেবল মুকেশ নন, তেলের ব্যবসা যারাই করেন, তাঁদেরই এই হাল হয়েছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছর সব মিলিয়ে রিলায়েন্সের শেয়ার কমেছে ২৬ শতাংশ। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কর্নধার মুকেশই। এই কোম্পানির (Reliance) তেল, রিটেল, টেলিকম এবং আরও অন্যান্য ব্যবসাও রয়েছে (Mukesh Ambani)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Maldives Islands: চিনের দাদাগিরি রুখতে মলদ্বীপের কাছে সামরিক কার্যকলাপ বাড়াচ্ছে দিল্লি

    Maldives Islands: চিনের দাদাগিরি রুখতে মলদ্বীপের কাছে সামরিক কার্যকলাপ বাড়াচ্ছে দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও চিনের সীমান্ত রয়েছে প্রায় চার হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। দুই দেশের সীমান্ত নিয়ে সমস্যা প্রায়ই খবরের শিরোনামে আসে। পৃথিবীর প্রথম দুই জনবহুল দেশের সংঘাত তবে বর্তমানে আর মাত্র চার হাজার কিলোমিটারের সীমানা জুড়েই সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমানে তা মহাসাগর ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতেও (Maldives Islands) ছড়িয়ে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুটের দখল নিজেদের কাছেই রাখতে চায় বেজিং। চিনের দাদাগিরি রুখতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে দিল্লিও। নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে সামরিক কার্যকলাপও (Indian Armed Forces) বৃদ্ধি করেছে ভারত।

    লাক্ষাদ্বীপের মালিকু দ্বীপে নতুন সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছে মোদি সরকার 

    লাক্ষাদ্বীপের মালিকু দ্বীপে নতুন সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছে মোদি সরকার। সরকারি সূত্রে খবর, মালিকু দ্বীপের এই সামরিক ঘাঁটিগুলিতে (Indian Armed Forces) নতুন দুটি বিমান ঘাঁটি করা হবে আবার অন্যদিকে আগাত্তি দ্বীপের বর্তমানে যে সামরিক ঘাঁটি রয়েছে সেটিকেও ঢেলে সাজানো হবে বলে জানা গিয়েছে। কূটনৈতিকভাবে এই দুটি দ্বীপের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুটি দ্বীপই আরব সাগরে অবস্থিত এবং বিশ্বের যে প্রধান সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ রয়েছে তার অর্ধেক রাস্তাই এই অঞ্চলে অবস্থিত। অর্থাৎ বিশ্বের সামুদ্রিক বাণিজ্য পথে চিনের দাপট রুখতে ভারতের এমন কূটনৈতিক পদক্ষেপ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    বিমান ঘাঁটিগুলি বাণিজ্যিক কাজেও ব্যবহার করা হবে

    ভারত সরকারের তরফ জানানো হয়েছে, এই বিমান ঘাঁটিগুলি বাণিজ্যিক কাজেও ব্যবহার করা হবে। দীর্ঘদিন ধরেই বেজিং উদ্যোগ নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার দেশগুলির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে অর্থাৎ যে কোনও মূল্যে এই অঞ্চলগুলিতে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে চায় চিন। ঠিক এই কারণেই আফ্রিকা মহাদেশের ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে চিনা কোম্পানিগুলির ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি নজরে পড়ে। ওই দেশগুলির সেনাবাহিনীর সঙ্গে চিনের সেনা যৌথ মহড়াও করে। সামরিক চুক্তিও সম্পাদন করছে বেজিং। সামরিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বেজিং ওই দেশগুলির সঙ্গে।

    ভারতকে রুখতে পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক

    আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, সাধারণভাবে সারা বিশ্বজুড়ে দুটি দেশের মধ্যে বিবাদ দেখা দিলে তা মেটানোর কাজ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমেত ইউরোপের দেশগুলি। ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন যুদ্ধেও তা দেখা গিয়েছে, ঠিক একইভাবে এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলির এই জায়গাটি নিতে চাইছে চিন। এক্ষেত্রে ভারতই হয়ে উঠছে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ। ভারতকে রুখতে পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সকলেরই জানা। আর্থিক দিক থেকে, সামরিকভাবে পাকিস্তানকে সহযোগিতা করে চলেছে বেজিং। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পরিকাঠামোও নির্মাণ করেছে বেজিং। খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছে, এশিয়া মহাদেশে প্রতিপক্ষ হিসেবে চিন ভারতকেই ভাবে।

    চিন ঘনিষ্ঠ মলদ্বীপের (Maldives Islands) ওপরেও কড়া নজর রাখতে চায় ভারত

    গত বছরে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু তাঁদের দেশ থেকে ভারতের সেনা সরানোর কথা বলেন। শুধু তাই নয় নির্বাচনে জেতার আগে এটাই ছিল মুইজ্জুর প্রতিশ্রুতি যে তিনি ক্ষমতায় ফিরলে দেশ থেকে ভারতের সেনা সরানো হবে। কূটনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, এমন সিদ্ধান্ত মুইজ্জুর নয়, এর পিছনে রয়েছে বেজিংয়ের কূটনৈতিক কৌশল। তবে মলদ্বীপের (Maldives Islands) খুব কাছেই ভারতের সামরিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি বেশ চোখে পড়ছে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের শক্তি আরও বাড়াতে গত মার্চের প্রথম সপ্তাহে নৌ-ঘাঁটি চালু করেছে ভারত। লাক্ষাদ্বীপের মিনিকয় দ্বীপপুঞ্জের এই নৌ-ঘাঁটির (নেভাল স্টেশন) নাম রাখা হয়েছে ‘আইএনএস জটায়ু’। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের অনুমান চিন ঘনিষ্ঠ মলদ্বীপে কড়া নজর রাখতে চায় ভারত। তাই লাক্ষাদ্বীপে বেড়েই চলেছে ভারতের সামরিক কার্যকলাপ।

    চলতি বছরেই মলদ্বীপে (Maldives Islands) এসেছিল চিনা গুপ্তচর জাহাজ

    চিন-মলদ্বীপ আঁতাঁতের কারণে জলসীমার এই অঞ্চলে নিরন্তর নজরদারি চালানো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। চলতি বছরেই মলদ্বীপে এসেছিল চিনা গুপ্তচর জাহাজ। ফলে, সামগ্রিক দিক দিয়ে ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং সীমানাকে সুরক্ষিত রাখতে এই সামরিক ঘাঁটিগুলি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই ঘাঁটিগুলি থেকে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের যাবতীয় বাণিজ্যিক ও সামরিক গতিবিধির ওপর নজর রাখা সহজ হবে। আর লাক্ষাদ্বীপের অবস্থান মলদ্বীপের (Maldives Islands) ৫০ মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে হওয়ায় ওই রাষ্ট্রের গতিবিধির ওপরও নজর রাখবে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Income Tax Day: ভারতে কবে থেকে প্রচলন হয়েছিল আয়কর? কে চালু করেছিলেন, জানেন?

    Income Tax Day: ভারতে কবে থেকে প্রচলন হয়েছিল আয়কর? কে চালু করেছিলেন, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার, ২৪ জুলাই ছিল আয়কর দিবস (Income Tax Day)। ১৮৬০ সালে স্যার জেমস উইলসন আয়কর ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন বলে জানা যায়। ভারতের অর্থনৈতিক ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন (India’s Fiscal Milestone) বলে মনে করা হয়। তবে ১৮৬০ সালে স্যার জেমস উইলসন আয়কর প্রবর্তন করলেও, তার ৬২ বছর পরে ১৯২২ সাল থেকেই প্রকৃত অর্থে এদেশের কর ব্যবস্থায় বিপ্লব আসে। সেই সময় থেকে দেশে আয়কর (Income Tax Day) আইন চালু হয়, যার ফলে ভারতে একটি কাঠামোগত কর প্রশাসন গড়ে ওঠে। এর পর ১৯২৪ সালে গঠন করা হয় কেন্দ্রীয় রাজস্ব বোর্ড, যা ১৯৬৩ সালে বিভক্ত হয়। এই সময় কালে দেশের প্রতিটি রাজ্যে আয়কর কমিশনার নিয়োগ করা হয়।

    ২০২১ সালে চালু হয় নতুন ই-ফাইলিং পোর্টাল 

    ১৯৪৬ সালে আর এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করা হয় গ্রুপ এ আধিকারিকদের নিয়োগের মাধ্যমে। এরপরে ১৯৬৩ সালে আইআরএস (ডাইরেক্ট ট্যাক্স) স্টাফ কলেজ প্রতিষ্ঠা করে সরকার। আয়কর (Income Tax Day) বিভাগে কম্পিউটারাইজেশনের সূচনা হয়েছিল ১৯৮১ সালে। ২০২১ সালে চালু হয় নতুন ই-ফাইলিং পোর্টাল। আয়কর বিভাগের এই সমস্ত সাফল্যকে স্মরণে রাখতেই প্রতি বছর ২৪ জুলাই পালন করা হয় আয়কর দিবস (India’s Fiscal Milestone)।

    একনজরে আয়কর ব্যবস্থার বিবর্তন (Income Tax Day)

    ১৮৬০: স্যার জেমস উইলসন আয়কর প্রবর্তন করলেন।

    ১৯২২: ব্যাপক স্তরে আয়কর আইন প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ১৯২৪: গঠিত হয় সেন্ট্রাল বোর্ড অফ রেভিনিউ অ্যাক্ট।

    ১৯৪৬: গ্রুপ এ আধিকারিকদের নিয়োগ।

    ১৯৫৭: প্রতিষ্ঠিত হয় আইআরএস (ডাইরেক্ট ট্যাক্স) স্টাফ কলেজ। পরে যার নাম বদলে রাখা হয় ন্যাশনাল একাডেমি অফ ডাইরেক্ট ট্যাক্সেস।

    ১৯৬৩: বিভক্ত হল কেন্দ্রীয় রাজস্ব বোর্ড।

    ১৯৮১: আয়কর বিভাগে কম্পিউটারাইজেশনের সূচনা।

    ২০০৯: সেন্ট্রালাইজড প্রসেসিং সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হল বেঙ্গালুরুতে।

    ২০১৪: আয়কর বিভাগের নতুন ওয়েবসাইটের সূচনা ।

    ২০২০: মামলা-মোকদ্দমা কমাতে এবং সরকারি রাজস্ব আয়ের জন্য ‘বিবাদ সে বিশ্বাস’ প্রকল্পের প্রবর্তন।

    ২০২১: খোলা হয় নতুন ই-ফাইলিং পোর্টাল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ballistic Missile Defence System: নয়া ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেমের সফল পরীক্ষা ভারতের, পাল্লা কত জানেন?

    Ballistic Missile Defence System: নয়া ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেমের সফল পরীক্ষা ভারতের, পাল্লা কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মিলল সাফল্য। সফল হল দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমের (Ballistic Missile Defence System) পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ। ওড়িশা উপকূলের অদূরে বুধবার এই পরীক্ষা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে কেন্দ্র। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করেছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা, সংক্ষেপে ডিআরডিও (DRDO)।

    কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী? (Ballistic Missile Defence System)

    সফল পরীক্ষার জন্য ডিআরডিওর বিজ্ঞানীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, “এই সফল ফ্লাইট টেস্ট আরও একবার দেশের ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স ক্ষমতা প্রমাণ করল।” সরকারের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিকেল ৪টে ২০ মিনিটে একটি মিমিকিং অ্যাডভারসারি ব্যালিস্টিক মিসাইলকে টার্গেট মিসাইল বানিয়ে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এলসি-৪ ধর্মা থেকে। স্থলে এবং সমুদ্রে থাকা ওয়েপন সিস্টেম রাডারগুলি সেগুলিকে চিহ্নিত করেছিল। 

    লঞ্চ হল ইন্টারসেপ্টর মিসাইল…

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শত্রুরূপী মিসাইলটি রেডারে আসতেই সঙ্গে সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাক্টিভেট হয়ে যায় এডি ইন্টারসেপ্টর সিস্টেম। ৪টে ২৪ মিনিটে ফেজ-২ এডি এনডো-অ্যাটমস্ফেরিক মিসাইলটি লঞ্চ হয়েছিল চাঁদিপুরের এলসি-৩ আরটিআর থেকে। এই ফ্লাইট টেস্ট সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক কেন্দ্রিক ওয়ারফেয়ার ওয়েপন সিস্টেমকে যাচাই করার সব ধাপগুলি সফলভাবে পেরিয়েছে। এই ওয়েপন সিস্টেমের মধ্যে রয়েছে লং রেঞ্জ সেন্সর, লো ল্যাটেন্সি কমিউনিকেশন সিস্টেম এবং এমসিসি ও অ্যাডভান্সড ইন্টারসেপ্টার মিসাইলগুলি।

    আরও পড়ুন: “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা”, তোপ কানাডার সাংসদের

    ডিআরডিও সূত্রে খবর, শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিরোধে কার্যকরী হবে এই নয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (Ballistic Missile Defence System)। ভারতীয় সেনার নয়া স্ট্র্যাটেজিক ফোর্স কমান্ডের তত্ত্বাবধানে আগেই প্রাথমিক পরীক্ষা হয়েছে এই মিসাইলের ব্যবহারিক কৌশল ও লক্ষ্যভেদের ক্ষমতা। এদিন হল দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা। সূত্রের খবর, নয়া এই মিসাইল ‘অগ্নি’ সিরিজের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নয়।

    কেন্দ্রের তরফে জারি করা ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মিসাইলটির পারফরমেন্স মনিটরিং করা হচ্ছিল ফ্লাইট ডেটা থেকে। এই ডেটা সংগ্রহ করেছিল রেঞ্জ ট্র্যাকিং যন্ত্র। জাহাজ-সহ বিভিন্ন জায়গায় (DRDO) রাখা হয়েছিল এই যন্ত্র। সেখান থেকেই মিলেছে যাবতীয় তথ্য (Ballistic Missile Defence System)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share