Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Chandra Arya: “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা”, তোপ কানাডার সাংসদের

    Chandra Arya: “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা”, তোপ কানাডার সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কানাডা আমাদের দেশ। আমাদের এই দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা (Gurpatwant Singh Pannun)।” বুধবার এই ভাষায়ই খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের আক্রমণ শানালেন কানাডার সাংসদ চন্দ্র আর্য (Chandra Arya)। কানাডার মাটিতে দীর্ঘদিন ধরেই তিলে তিলে বাড়ছে খালিস্তানি জঙ্গিদের ভিড়। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি গুরুপন্ত সিং পান্নুন।

    কী বললেন কানাডার সাংসদ?(Chandra Arya)

    খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ায় তলানিতে ঠেকেছে ভারত-কানাডা সম্পর্ক। তবে কিছুই করার নেই জাস্টিন ট্রুডো সরকারের। কারণ খালিস্তানপন্থী কয়েকজন সাংসদের সমর্থনে কোনওক্রমে টিকে রয়েছে ট্রুডো সরকার। এহেন অবস্থায় কানাডার সাংসদের বক্তব্যে খানিকটা হলেও, ধাক্কা খেল ট্রুডো সরকার। আর্য বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমরা হিন্দুরা আমাদের সুন্দর দেশ কানাডায় এসেছি। সাউথ এশিয়ার সব দেশ থেকে, আফ্রিকার বহু দেশ থেকে, ক্যারিবিয়ান থেকে এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমরা এখানে এসেছি। কানাডা আমাদের দেশ।”

    কানাডা ছেড়ে চলে যেতে বলছে পান্নুন!

    সম্প্রতি একটি ভিডিওয় ‘শিখস ফর জাস্টিসে’র প্রধান গুরুপন্ত সিং পান্নুন আর্য (Chandra Arya) এবং অন্য হিন্দু বংশোদ্ভুত কানাডিয়ানদের কানাডা ছেড়ে ভারতে ফিরে যেতে বলেছে। আর্য এবং তাঁর সমর্থকদের পান্নুন এও বলেছে, আপনারা কানাডা ছেড়ে চলে যান। কারণ তিনি (আর্য) কানাডা বিরোধী কাজকর্মে লিপ্ত। কানাডার মূল্যবোধ এবং চার্টার অফ রাইটসের বিরুদ্ধাচরণ করছেন তিনি। আর্য ভারতের মাস্টারদের স্বার্থেও কাজ করছেন বলে ভিডিওয় অভিযোগ পান্নুনের। সাংসদদের কাছে আর্যের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার দাবিও জানিয়েছে শিখস ফর জাস্টিসের প্রধান।

    আরও পড়ুন: মোদির প্রকল্প চালু না করেও স্পর্ধা দেখাচ্ছেন? তৃণমূলকে নিশানা নির্মলার

    শুধু তাই নয়, আর্যকে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়ার অনুরোধও সে করেছে কানাডিয়ান পার্লামেন্টের কাছে। পান্নুন বলে, কানাডার কাছে আমরা যে বিশ্বাসযোগ্য, দশকের পর দশক ধরে আমরা খালিস্তানপন্থীরা তা প্রমাণ করেছি।

    এই ভিডিওর প্রেক্ষিতেই খালিস্তানপন্থীদের নিশানা করেছেন কানাডিয়ান সাংসদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি কানাডাকে তাঁর দেশ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “কানাডার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আমরা নিরন্তর সদর্থক অবদান রেখে চলেছি। আমাদের হিন্দু সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের সুদীর্ঘ ইতিহাসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা কানাডায় বহুধা সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছি।” এর পরেই কানাডার এই সাংসদ বলেন, “আমাদের দেশকে দূষিত করছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিরা। স্বাধীনতার যে অধিকার (Gurpatwant Singh Pannun) কানাডিয়ান চার্টার অফ রাইটস দিয়েছে, তার অপব্যবহার করছে (Chandra Arya)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: মোদির প্রকল্প চালু না করেও স্পর্ধা দেখাচ্ছেন? তৃণমূলকে নিশানা নির্মলার

    Nirmala Sitharaman: মোদির প্রকল্প চালু না করেও স্পর্ধা দেখাচ্ছেন? তৃণমূলকে নিশানা নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী যত প্রকল্প এনেছেন, তার একটিও চালু হয়নি পশ্চিমবঙ্গে। এর পরেও আমায় প্রশ্ন করার স্পর্ধা দেখান আপনারা?” বুধবার (Budget 2024) রাজ্যসভায় এই ভাষায়ই তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)।

    তৃণমূলকে জবাব সীতারামনের (Nirmala Sitharaman)

    মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই সংসদে প্রথমবারের জন্য পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেছে তৃতীয় মোদি সরকার। বাজেট পেশ করেছেন সীতারামন। এই বাজেট নিয়েই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন বিরোধীরা। বাংলাকে বঞ্চনার অভিযোগে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বাজেটকে ‘বিহার বাজেট’ বলেও কটাক্ষ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। বুধবার রাজ্যসভায় তৃণমূলের ছোড়া তিরকে ফের ঘাসফুল শিবিরের দিকেই ছুড়লেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সাফ জানিয়ে দিলেন, বাজেটে কোনও রাজ্যকে বঞ্চনা করা হয়নি। বিরোধীরা ইচ্ছাকৃতভাবে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর প্রশ্ন

    তিনি বলেন, “প্রতিটি বাজেটে দেশের প্রতিটি রাজ্যের নাম বলার সুযোগ থাকে না।” এই প্রসঙ্গেই সীতারামন (Nirmala Sitharaman) বলেন, “মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার বধাবনে সমুদ্র বন্দর তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। বাজেটে এর উল্লেখ নেই। তার মানে কি, মহারাষ্ট্রকে উপেক্ষা করা হয়েছে? বক্তৃতায় যদি একটি নির্দিষ্ট রাজ্যের নাম বলা না হয়, তাহলে কি কেন্দ্রের প্রকল্পগুলো থেকে তারা উপকৃত হয় না?” এর পরেই তিনি বলেন, “কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইচ্ছাকৃতভাবে জনগণকে ভুল বোঝাচ্ছেন বিরোধীরা।”

    আরও পড়ুন: জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী, উঠবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গ?

    কংগ্রেসকে নিশানা করে নির্মলা বলেন, “উনি (মল্লিকার্জুন খাড়গে) বলছেন অনেক রাজ্যের নামই নেই বাজেটে। আমি শুধু নাকি দুই রাজ্যের কথাই বলেছি। কংগ্রেস দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিল। অনেক বাজেট ওরা করেছে। তাই ওদের জানা উচিত, প্রত্যেক বাজেটে সব রাজ্যের নাম রাখা সম্ভব হয় না।” এর পরেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “গতকাল তৃণমূল বাজেট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। বলা হচ্ছে, বাংলাকে কিছু দেওয়া হয়নি। আমাকেও তাহলে বলতে হয় যে, গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী যত প্রকল্প এনেছেন, তার একটিও (Budget 2024) চালু হয়নি পশ্চিমবঙ্গে। এর পরেও আমায় প্রশ্ন করার স্পর্ধা দেখান আপনারা (Nirmala Sitharaman)?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Online Video Revenue: ৪ বছরে ভিডিও স্ট্রিমিং থেকে রাজস্ব এবং কর্মসংস্থান দ্বিগুণ হবে, বলছে রিপোর্ট

    Online Video Revenue: ৪ বছরে ভিডিও স্ট্রিমিং থেকে রাজস্ব এবং কর্মসংস্থান দ্বিগুণ হবে, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই মজবুত হচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতির ভিত (Employment)। দেশের ভিডিও এন্টারটেইনমেন্ট অর্থনীতির (Online Video Revenue) গড় বার্ষিক বৃদ্ধি ৮ শতাংশ হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২৮ সালের মধ্যে এটা পৌঁছে যেতে পারে ১৩ বিলিয়ন (১৩০০ কোটি) মার্কিন ডলারে। সাম্প্রতিক এক রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে এই তথ্য। স্ট্রিমিং ভিডিও অন ডিমান্ড (ভিওডি)-র যা চাহিদা, তা থেকে যে রাজস্ব আদায় হয়েছে, তাতে এর অবদান নয়া রাজস্ব বৃদ্ধির অর্ধেক। এই ভিওডি এন্টারটেনমেন্ট অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে পে টিভি, ইউজার জেনারেটেড কনটেন্ট এবং প্রিমিয়াম ভিওডি প্ল্যাটফর্মগুলো।

    কী বলছে রিপোর্ট? (Online Video Revenue)

    রিপোর্টের শিরোনাম, ‘বিয়ন্ড স্ক্রিনস: স্ট্রিমিং ভিওডি ইমপ্যাক্ট অন ইন্ডিয়া’জ ক্রিয়েটিভ ইকনোমিক’। এই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, প্রিমিয়াম অনলাইন ভিওডি রাজস্ব ২০২৩ সালে ছিল ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৮ সালের মধ্যেই সেটা গিয়ে দাঁড়াবে ৩.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। প্রিমিয়াম ভিওডি প্ল্যাটফর্মগুলোতে মেলে বিজ্ঞাপন, স্পোর্টস, সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে নিউজ কনটেন্ট এবং হাইব্রিড বিভিন্ন মডেল।

    লগ্নির পরিমাণও বাড়বে 

    গত বছর এই হাইব্রিড মডেলের সংখ্যা ছিল ৬০-এর কাছাকাছি। ওই বছর এই প্ল্যাটফর্মগুলো (Online Video Revenue) লোকাল কনটেন্টের পিছনে ব্যয় করেছিল ২.২ মার্কিন বিলিয়ন ডলার। ২০২৮ সালে এই ব্যয় পৌঁছবে ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের। ভিডিও ইন্ডাস্ট্রিতে কনটেন্ট ইনভেস্টমেন্টের সম্ভাব্য পরিমাণ হবে ৩০ শতাংশ। অরিজিনাল অনলাইন ভিওডিতে লগ্নির পরিমাণও বাড়বে। ২০২৮ সালের মধ্যে এর পরিমাণ দাঁড়াবে ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৩ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    আরও পড়ুন: জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী, উঠবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গ?

    ওই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, স্ট্রিমিং ভিওডিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার জনের। ’২৮ সালের মধ্যে এটাই হয়ে যাবে দ্বিগুণ। স্ট্রিমিং ভিওডি-র প্রভাবের বিস্তৃতি ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রি ছাড়িয়েও বহুদূর বিস্তৃত। এর মধ্যে রয়েছে অ্যানিমেশন, টেলিকম, ব্রডব্র্যান্ড, ট্যুরিজম এবং হসপিটালিটিও (Employment)। ভারতের ছ’টা স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম হল ডিজনি+হটস্টার, প্রাইম ভিডিও, নেটফ্লিক্স, সনি এলআইভি, জি৫ এবং ভুট/জিও সিনেমা (Online Video Revenue)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • One World UPI Wallet: ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট চালু ভারতে, কী সুবিধা জানেন?

    One World UPI Wallet: ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট চালু ভারতে, কী সুবিধা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চালু হয়ে গেল ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট (One World UPI Wallet)। সম্প্রতি ভারতের ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন (NPCI) এটা চালু করেছে। ভারতে বেড়াতে এসে যাতে আন্তর্জাতিক পর্যটকরা (International Travellers) সমস্যায় না পড়েন, তাই এই ব্যবস্থা। ভারতীয় সিম কার্ড কিংবা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছাড়াই এই ওয়ালেটের মাধ্যমে ওয়ালেট ব্যবহারকারীরা টাকা-পয়সা লেনদেন করতে পারবেন।

    কী বলছে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন? (One World UPI Wallet)

    ভারতের ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আন্তর্জাতিক পর্যটকরা ইউপিআই ওয়ান ওয়ার্ল্ডের মাধ্যমে তাঁদের অর্থনৈতিক প্রয়োজন মেটাতে পারবেন। এই ওয়ালেটটি অনায়াসে লোডিং ও অব্যবহৃত ব্যালেন্সকে অরিজিনাল পেমেন্ট সোর্সে ট্রান্সফার করতে পারে। এই উদ্যোগটি বিদেশি পর্যটকদের ভারতের রিয়েল টাইম পেমেন্ট সিস্টেমের অভিজ্ঞতা লাভে সমর্থ। এটি বিশ্বব্যাপী আন্তঃসংযুক্ত ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’ ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট প্রথম চালু হয়েছিল ২০২৩ সালে, জি২০ সম্মেলনের সময়। ওই বছর এই সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্বে ছিল ভারত। ভারতে এসে বিদেশি অতিথি-অভ্যাগতরা যাতে সমস্যায় না পড়েন, তাই ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট চালু করেছিল কেন্দ্র।

    ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেট

    এটা একটা প্রি-পেড ওয়ালেট। এতে ভ্রমণকারীরা নিরন্তর টাকা পাঠাতে পারেন। সেজন্য তাঁদের মুদ্রা বিনিময়ের ঝামেলা পোহাতে হবে না। এজন্য কোনও ট্রানজেকশন কিংবা অনবোর্ডিং ফি দিতে হবে না। ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই (One World UPI Wallet) ব্যবহার করতে হলে পর্যটকদের স্ট্যান্ডার্ড কেওয়াইসি প্রোসিডিওয়র-পর্ব পার হতে হবে। এতে পর্যটকের পাসপোর্ট, ভিসা, ইন্টারন্যাশনাল ফোন নম্বর-সহ যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। ভ্রমণকারীরা তাঁদের ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই ওয়ালেটে টাকা রাখতে পারবেন তাঁদের ডেবিট কিংবা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে। বাছাই করা কয়েকটি দেশের মুদ্রা ট্রান্সফার করেও মুদ্রা লোড করা যাবে ওয়ালেটে। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ওয়ান ওয়ার্ল্ড ইউপিআই মিলবে এনপিসিআইয়ের পার্টনার আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক এবং ট্রান্সকর্পে।

    আরও পড়ুন: জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী, উঠবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গ?

    ভারতের মস্তিষ্কপ্রসূত এই ইউপিআইয়ের সুবিধা নিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ভুটান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নেপাল (International Travellers), ওমান, কাতার, রাশিয়া, শ্রীলঙ্কা, মরিশাস, ব্রিটেন, জাপানের মতো উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশও (One World UPI Wallet)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India’s Electricity Demand: ভারতে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে আট শতাংশ! কেন জানেন?

    India’s Electricity Demand: ভারতে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে আট শতাংশ! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই বছর ভারতে বিদ্যুতের চাহিদা (India’s Electricity Demand) আট শতাংশ বাড়তে পারে বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের। শুধু ভারতে নয় বিশ্বব্যাপী বিদ্যুতের চাহিদা (Electricity Demand) ২০২৪ সালে প্রায় চার শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার (IEA) ইলেক্ট্রিসিটি মিড-ইয়ার আপডেটে এই তথ্য সামনে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি ২০২৫ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

    কেন বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা (Electricity Demand)

    গবেষকদের দাবি, মানুষের সক্ষমতা যখন কম ছিল, তখন কম বিদ্যুৎ হলেও চলত। এখন সক্ষমতা বেড়েছে মানুষের, তাই বিদ্যুতের চাহিদাও (Electricity Demand) বেড়েছে। প্রতিনিয়ত বাড়ছে তাপমাত্রা। এই অবস্থায় বাতানুকূল যন্ত্রের শরণাপন্ন হওয়া ছাড়া গত্যন্তর নেই। বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। গত শতক থেকে কায়িক শ্রমের ঘরোয়া সামগ্রীগুলো বৈদ্যুতিক যন্ত্রে রূপান্তরিত হয়েছে। এসেছে বৈদ্যুতিক আলো-পাখা, মিক্সি-গ্রাইন্ডার, ওয়াশিং মেশিন, ফ্রিজ, রেডিয়ো, টেলিভিশন, এসি। জীবনযাপনে এগুলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রী হয়ে উঠেছে। ফলে শুধু ভারত নয়, সারা পৃথিবী জুড়ে বিদ্যুতের চাহিদা ও ব্যবহার ক্রমবর্ধমান। 

    আরও পড়ুন: দেশ ছেয়ে যাবে ইলেকট্রিক গাড়িতে! প্রয়োজন ১২০০ কোটি, বললেন বিজ্ঞানী

    ভারতে বিদ্যুতের চাহিদা (India’s Electricity Demand) 

    গত বছরের মে মাসের তুলনায় চলতি বছরের মে-তে ভারতে বিদ্যুৎ চাহিদা (India’s Electricity Demand) প্রায় ১৫% বেড়ে ১৫৬.৩১ বিলিয়ন ইউনিট হয়েছে। দেশের অধিকাংশ জায়গায় চলা তাপপ্রবাহের কারণে এসি ও এয়ার কুলারের অতিরিক্ত ব্যবহারের জন্যেই বিদ্যুৎ চাহিদা এতটা বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর মে মাসে ভারতে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৩৬.৫০ বিলিয়ন ইউনিট। কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয় জুন মাসে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ২২৪.১০ গিগাওয়াটে। আইইএ-এর পরিচালক কেইসুকে সাদামোরি বলেছেন, কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ফলেও উষ্ণ হচ্ছে পৃথিবী। তাই কয়লা থেকে বিদ্যুতের উৎপাদনে একটু লাগাম টেনে সৌর বিদ্যুৎ বা জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর দিতে হবে। নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tripura: ত্রিপুরার পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৭০ শতাংশ আসনেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতল বিজেপি

    Tripura: ত্রিপুরার পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৭০ শতাংশ আসনেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরার (Tripura) পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের ৭০ শতাংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় লাভ করল শাসক দল বিজেপি (BJP)। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল ২২ জুলাই, সেদিনই এই তথ্য সামনে এসেছে। প্রসঙ্গত, আগামী মাসের ৮ তারিখ ত্রিপুরায় পঞ্চায়েত নির্বাচন হওয়ার কথা কিন্তু তার আগেই ৭০ শতাংশ আসনে জয় লাভ করল গেরুয়া শিবির, যা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    গেরুয়া দাপট ত্রিপুরাতে (Tripura), ধুয়ে গেল কংগ্রেস-সিপিএম

    ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের (Tripura), পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদে সর্বত্র গেরুয়া দাপট দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতি মিলিয়ে সে রাজ্যে মোট আসন রয়েছে ৬,৮৭৯টি। যার মধ্যে বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছে ৪,৮০৫টি আসনে। জানা গিয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েতের আসন রয়েছে মোট ৬,৩৭০টি, এর মধ্যে বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় (Tripura) দখল করেছে ৪,৫৫০টি আসন। ত্রিপুরার নির্বাচন কমিশনার অসিত কুমার দাস জানিয়েছেন, রাজ্যের মোট ১,৮১৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতের আসনে ভোট হবে আগামী ৮ অগাস্ট। এর মধ্যে বিজেপির প্রার্থী রয়েছে ১,৮০৯টি আসনে। রাজ্যের বিরোধী দল সিপিএম ১,২২২টি আসনে প্রার্থী দিতে পেরেছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছে ৭৩১টি আসনে।

    আরও পড়ুন: ২৫ লাখ নতুন উপভোক্তা! দলে দলে বিএসএনএল-এ ভিড়ছেন মানুষ, কেন জানেন?

    জেলা পরিষদে কে কোথায় দাঁড়িয়ে?

    জানা গিয়েছে, রাজ্যের মোট ১১৬টি জেলা পরিষদ আসনের মধ্যে (Tripura) বিজেপি (BJP) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গিয়েছে ২০টি আসনে। জেলা পরিষদের মোট আসনের ১৭ শতাংশই জিতেছে তারা। অন্যদিকে ৯৬টি জেলা পরিষদের আসনে ভোট হবে ৮ অগাস্ট। যেখানে সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে ৮১টি আসনে অন্যদিকে কংগ্রেস প্রার্থী দিতে সক্ষম হয়েছে ৭৬টি আসনে।

    আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুলকে, নিট নিয়ে সুপ্রিম-নির্দেশের পরই বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India UK Relation: জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী, উঠবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গ?

    India UK Relation: জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী, উঠবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক দিনের ভারত সফরে এলেন ইংল্যান্ডের (India UK Relation) বিদেশমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি। বুধবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছন তিনি। সদ্যই ইংল্যান্ডের ক্ষমতায় এসেছে লেবার পার্টি। তার পর (Free Trade Agreement) থেকে ল্যামিই প্রথম পদস্থ কর্তা, যিনি রাজার দেশ থেকে এলেন ভারত সফরে। প্রসঙ্গত, টানা ১৪ বছর ব্রিটেনের ক্ষমতায় ছিল কনজারভেটিভ পার্টি। সদ্য সমাপ্ত সাধারণ নির্বাচনে তাদের পরাস্ত করে ক্ষমতায় আসে লেবার পার্টি। প্রধানমন্ত্রী হন কিয়ের স্টার্মার।

    মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (India UK Relation)

    জানা গিয়েছে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করবেন ল্যামি। পরে তিনি যাবেন লাওসের রাজধানী ভিয়েনতিয়েনে, এশিয়ান (ASEAN) বিদেশমন্ত্রী সম্মেলনে যোগ দিতে। লাওসের এই সম্মেলনে যোগ দেবেন ভারতের বিদেশমন্ত্রীও। এদিন নয়াদিল্লিতে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে গিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। জানা গিয়েছে, জয়শঙ্কর-ল্যামি বৈঠকে আলোচনা হতে পারে দীর্ঘ দিন ধরে ঝুলে থাকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে। ভারত-ব্রিটেনের মধ্যে সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়েও আলোচনা হতে পারে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর।

    মোদি-স্টার্মার আলোচনা

    ব্রিটেনের নির্বাচনে জয়ের জন্য স্টার্মারকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন ভারতের (India UK Relation) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরে স্টার্মারও কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। টেলিফোনিক ওই আলোচনায় দুই রাষ্ট্রনেতাই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে রূপায়ণ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছিলেন। স্টার্মার ফোনে মোদিকে জানিয়েছিলেন, যেটা দু’তরফের পক্ষেই মঙ্গলদায়ক হবে (মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি), সেটা বাস্তবায়িত করতে তিনি এক পায়ে খাড়া।

    আরও পড়ুন: হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ ও নাৎসিদের ‘হুকড ক্রস’-এ রয়েছে বড় ফারাক, বলল আমেরিকা

    জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক বৃদ্ধি-সহ নানা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রচেষ্টাকে স্বাগতও জানিয়েছিলেন স্টার্মার। ব্রিটিশ সরকারের তরফে জারি করা বিবৃতি থেকেই জানা গিয়েছে স্টার্মার-মোদির টেলিফোনিক আলোচনার নির্যাস। প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, জটিল এবং নয়া উদ্ভাবিত প্রযুক্তি মায় জয়বায়ু পরিবর্তন নিয়ে আরও গভীর সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা করেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী।

    উল্লেখ্য, গত জুনে ব্রিটেনে সাধারণ নির্বাচনের আগে আগে ল্যামি জোর দিয়েছিলেন ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (Free Trade Agreement) চূড়ান্ত করার ওপর (India UK Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Budget 2024: বাজেটে খুশি কৃষক সংগঠন, প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষে জোর সরকারের

    Budget 2024: বাজেটে খুশি কৃষক সংগঠন, প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষে জোর সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজেটের (Budget 2024) প্রশংসায় পঞ্চমুখ হল কৃষক সংগঠনগুলি। ভারতীয় কিষান সংঘের তরফে কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেটে প্রশংসা করা হয়েছে। কিষাণ সংঘের প্রধান মোহিনী মোহন মিশ্রা জানিয়েছেন, তাঁদের সংগঠন এই বাজেটকে স্বাগত জানাচ্ছে। এবারের বাজেট কৃষক বান্ধব এবং কৃষকদের (Agriculture Sector) স্বার্থ রক্ষা করবে।

    উচ্চ উৎপাদনশীলতা এবং প্রাকৃতিকভাবে চাষে অগ্রাধিকার (Budget 2024)

    সরকার এই বাজেটে (Budget 2024) শস্যের উচ্চ উৎপাদনশীলতা এবং প্রাকৃতিকভাবে চাষের পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। এজন্য বাজেটেও বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে কৃষিতে যে পরিবর্তন এসেছে, সেই সংক্রান্ত গবেষণার জন্য সরকার এবারের বাজেটে বরাদ্দ রেখেছে। কৃষি খাতের জন্য কৃষকদের ৩২ টি নতুন উচ্চ ফলনশীল জাতের ফসল এবং ১০৯ টি নতুন প্রজাতির ফসলের বীজ কৃষকদের (Agriculture Sector) দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কৃষক সংগঠনগুলি সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।

    ১০ হাজার বায়ো ইমপোর্ট রিসোর্স সেন্টার খোলা হবে

    কিষাণ সংঘের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, বেশি উৎপাদনের নামে যদি জিএম ফসলের অনুমোদন দেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে কিষাণ সংঘ এর বিরোধিতা করবে। মোহিনী মোহন মিশ্রা গবেষণা করার জন্য বেসরকারি খাতের পরিবর্তে আইসিএআরকে (ICAR) আরও বাজেট দেওয়ার পক্ষে জোর দিয়েছেন। প্রাকৃতিক কৃষি পদ্ধতিকে আরও উন্নত করার জন্য সরকার এক কোটি কৃষককে শংসাপত্র এবং ব্র্যান্ডিং-এর জন্য সহায়তা ও উৎসাহিত করার কথা বলেছে।  এর জন্য সরকার বাজেটে (Budget 2024) ১০ হাজার বায়ো ইমপোর্ট রিসোর্স সেন্টার খোলার ব্যবস্থা করবে বলে জানিয়েছে। সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট প্রশংসনীয় এবং বিষ ও রাসায়নিক মুক্ত চাষের দিকে সরকারের একটি খুবই অর্থবহ পদক্ষেপ।

    সবজি চাষের ক্লাস্টার গড়বে সরকার (Agriculture Sector)

    এবারের বাজেটে (Budget 2024) সরকার সবজি উৎপাদনে ক্লাস্টার নির্মাণের কথা ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ডাল এবং ভোজ্য তেলের বীজ উৎপাদনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা ও ক্যাম্পেনের কথা ঘোষণা করেছে। মূলত দেশ জুড়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ১৫০ কোটি মানুষকেকে খাদ্য সরবরাহ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। যাতে কোনও মানুষ অভূক্ত না থাকে, তার জন্যই সরকারের এই ব্যবস্থা। সবজি, ডাল ও ভোজ্য তেলের বীজের ক্লাস্টার তৈরি হলে দেশের চাষীদের একটা বড় অংশ (Agriculture Sector) উপকৃত হবে।

    আরও পড়ুন: মুদ্রা যোজনায় বরাদ্দ দ্বিগুণ, উঠল অ্যাঞ্জেল ট্যাক্স, ঋণে কাদের অগ্রাধিকার?

    বিশেষ করে ছোট চাষিরা কিষান ক্রেডিট কার্ডের ফলে দেশের প্রায় ৪০০ টি জেলার খরিফ চাষিরাও উপকৃত হবে। এই বাজেটে সরকার জনজাতি উন্নয়ন গ্রাম যোজনা যোজনার ঘোষণা করেছে। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী আদিবাসী পরিবার উপকৃত হবে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • BSNL: ২৫ লাখ নতুন উপভোক্তা! দলে দলে বিএসএনএল-এ ভিড়ছেন মানুষ, কেন জানেন?

    BSNL: ২৫ লাখ নতুন উপভোক্তা! দলে দলে বিএসএনএল-এ ভিড়ছেন মানুষ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে বিএসএনএল (BSNL) ৪জি নেটওয়ার্কের পরিষেবা দিচ্ছে। সরকার অধিকৃত এই টেলিকম সংস্থা বেশ কয়েক বছর ধরে লড়াই জারি রেখেছিল প্রতিযোগিতার বাজারে। বিশেষত জিও এবং এয়ারটেলের নেটওয়ার্ক পরিষেবার সঙ্গে পাল্লা দিতে পারছিল না বিএসএনএল। কিন্তু সম্প্রতি জিও, এয়ারটেল এবং ভোডাফোন-আইডিয়া এই বেসরকারি টেলিকম সংস্থাগুলি নিজেদের রিচার্জ প্ল্যানিং বাড়িয়ে দিয়েছে, এরই ফলে অনেক মানুষের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বিএসএনএলের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার। দেখা যাচ্ছে বিএসএনএল (BSNL) ২৫ লাখ নতুন উপভোক্তা পেয়েছে ও আড়াই লাখ গ্রাহক মোবাইল নম্বর পোর্ট (Port Mobile Number) করে বিএসএনএল-এ ফিরতে চেয়েছেন গত কয়েক সপ্তাহে।

    নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষজনের পক্ষে এত দামী রিচার্জ প্ল্যানিং ব্যবহার কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ছে

    চলতি মাসেই একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে বিএসএনএল তাতে দেখা যাচ্ছে গত ৩ ও ৪ জুলাই বিএসএনএল-এ (BSNL) নতুন উপভোক্তা সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে একলাফে ২৫ শতাংশ। বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, বিপুল সংখ্যক মানুষ গত কয়েক সপ্তাহে বিএসএনএল-এর কানেকশন নিয়েছেন। এর কারণ একটাই, জিও, এয়ারটেল এবং ভোডাফোন-আইডিয়ার মতো সংস্থাগুলি প্রতিমুহূর্তে তাদের রিচার্জ প্ল্যানিং বাড়িয়েই চলেছে। নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষজনের পক্ষে এত দামী রিচার্জ প্ল্যানিং ব্যবহার কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ছে। বর্তমান দিনে শুধু বিনোদন নয় সরকারি থেকে অফিসিয়াল কাজে স্মার্টফোন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেখানে রিচার্জ প্ল্যানিং-এ এত বিপুল খরচ সাধারণ মানুষ কীভাবে টানবেন? এ নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

    ‘বিএসএনএল কী ঘর ওয়াপসি’ (BSNL) 

    এ নিয়ে সমাজ মাধ্যমে উপভোক্তারা সমালোচনাও করেছেন (Port Mobile Number)। বেশ কিছু ক্ষেত্রে ট্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে ‘বিএসএনএল (BSNL) কী ঘর ওয়াপসি’ ইত্যাদি। নতুন ভাবে উপভোক্তা সংখ্যা প্রায় ২৫ লাখ বাড়া – এর একটাই কারণ, বেসরকারি মোবাইল সংস্থাগুলির রিচার্জের প্ল্যানের বিপুল টাকা টানতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। পশ্চিমবঙ্গেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। বিএসএনএল-এ ভিড়ছেন মানুষ। এনিয়ে সংস্থার বিপণন বিভাগের আধিকারিক তারকনাথ দাস বলেন, ‘‘পরিষেবা আগের তুলনায় অনেক ভালো হয়েছে। আমরা দ্রুত ৪জি পরিষেবা দেওয়ার কাজ শুরু করেছি। দুর্গাপুরে এখনও ৪জি পরিষেবা দেওয়া যায়নি। তবে এই সার্কেলের বর্ধমান, সিউড়িতে ৪জি পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। এই পরিষেবা চালু হয়ে গেলে গ্রাহক সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।’’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RBI data: ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে দেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার ৬ শতাংশ, জানাল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

    RBI data: ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে দেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার ৬ শতাংশ, জানাল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে তুলনায় ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে দেশে কর্মসংস্থানের হার ৬ শতাংশ বেড়েছে বলে জানাল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI Data)। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে এই হার ৩.২ শতাংশ বেড়েছিল বলে জানিয়েছে দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক। সংখ্যার বিচারে এই বৃদ্ধি ৪.৬৭ কোটি বলে জানা গিয়েছে। ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে দেশে কর্মসংস্থানের (Employment Rate) সংখ্যা ছিল ৫৯.৬৭ কোটি, ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে তা হয়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪.৩৩ কোটি। আরবিআই যে ডেটা প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ২০২১-২২ আর্থিক বছরে দেশে কর্মসংস্থান ছিল ৫৬.৫৬ কোটি।

    শহরাঞ্চলে কমেছে বেকারত্ব (RBI Data)

    সমগ্র ভারতীয় অর্থনীতির ওপরে এই ডেটাবেস তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এর পাশাপাশি এই ডেটা সংগ্রহ করা হয়েছে সর্বভারতীয় স্তরে কৃষি, উৎপাদন এবং পরিষেবা- এই তিনটি বিভাগেই। সম্প্রতি, পিরিয়ডিক লেবার ফোর্স সার্ভে যে ডেটা প্রকাশ করেছে পরিসংখ্যান মন্ত্রকের অধীনে, তাতে দেখা যাচ্ছে শহরাঞ্চলে বেকারত্ব (RBI Data) ২০২২-২৩ আর্থিক বছরের বছরে (Employment Rate) ছিল ৬.৮ শতাংশ, ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬.৭ শতাংশ।

    কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে পুরুষ ও মহিলা অনুপাতে মহিলাদের অনুপাত বেড়েছে শহরাঞ্চলে (RBI Data)

    এই ডেটা ১৫ বছর ও তার ওপরের বয়সের যুবক-যুবতীদের নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। অন্যদিকে, মহিলাদের ক্ষেত্রেও বেকারত্ব বেশ খানিকটা কমেছে বলে উল্লেখ করেছে আরবিআই। ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে মহিলাদের বেকারত্ব ৯.২ শতাংশ থেকে কমে ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে তা হয়ে দাঁড়িয়েছে ৮.৫ শতাংশ। অন্যদিকে, কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে পুরুষ ও মহিলা অনুপাতে মহিলাদের অনুপাত (RBI Data) বেড়েছে শহরাঞ্চলে। ২০.৬ শতাংশ থেকে বেড়ে তা দাঁড়িয়েছে ২৩.৪ শতাংশে। এর পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে, ১৫ বছর বা তদূর্ধ্বদের কর্মসংস্থানও ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে যা ছিল ৪৫.২ শতাংশ ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে তা হয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬.৯ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share