Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Mumbai First Underground Metro: চালু হচ্ছে মুম্বইয়ের প্রথম আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো! কোথা দিয়ে চলবে?

    Mumbai First Underground Metro: চালু হচ্ছে মুম্বইয়ের প্রথম আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো! কোথা দিয়ে চলবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইবাসীদের জন্য সুখবর। খুব শীঘ্রই মুম্বাইয়ের প্রথম আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো লাইন (Mumbai First Underground Metro) চালু হবে। সম্প্রতি বিজেপির জাতীয় সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন, ”২৪ জুলাই থেকে মুম্বইয়ে প্রথম মেট্রো চালু হবে। এর ফলে শহরের পরিবহণ ব্যবস্থা অনেকটাই উন্নত হবে৷ পরিবহণে অনেকটা গতি আসবে৷” তাওদে আরও বলেছেন যে, ”প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মুম্বাইবাসীদের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বদ্ধপরিকর৷ প্রধানমন্ত্রী মুম্বইবাসীদের জীবন সহজ করার যে গ্যারান্টি দিয়েছিলেন, তা এবার পূরণ হতে চলেছে। মুম্বাইয়ের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রো চালু হচ্ছে ২৪ শে জুলাই থেকে। এই পরিষেবা শহরের গতিতে নতুন প্রেরণা দেবে।” 

    আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রোর যাত্রাপথ (Mumbai First Underground Metro) 

    মোট ৩৩.৫ কিলোমিটার জুড়ে প্রাথমিকভাবে মেট্রোলাইনের কাজ চলছে৷ আরে কলোনি (Aarey Colony), সাহার রোড, সান্তাক্রুজ, বিদ্যানগরী, ধারাভি, শীতলদেবী মন্দির, দাদর, সিদ্ধিবিনায়ক মন্দির, ওরলি, আচার্য আত্রেয় চক, বিজ্ঞান জাদুঘর, মহালক্ষ্মী, মুম্বাই সেন্ট্রাল, গ্রান্ট রোড, গিরগাঁও, কালবাদেবী, ছত্রামা, শিবমহারাজ, মহালক্ষ্মী, চার্চগেট, বিধান ভবন, এবং পারাডে ক্যাফে প্রভৃতি জায়গায় এই মেট্রোর যাত্রাপথ রয়েছে৷ মনে করা হচ্ছে এই লাইনে প্রায় দৈনিক ১.৭ মিলিয়ন যাত্রী যাতায়াত করবে। সম্পূর্ণ প্রজেক্টটিতে প্রায় ২৭টি স্টেশনের মধ্যে ২৬টি স্টেশনই হবে মাটির তলায়৷

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে অভিযান সেনার, জখম এক জওয়ান

    চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি (Mumbai metro) 

    বর্তমানে মুম্বাই মেট্রোপলিটন রিজিওন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (MMRDA) মেট্রো লাইন ৩ এর প্রয়োজনীয় গবেষণা ও ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে। তাছাড়াও বৈদ্যুতিক সিস্টেমের পরীক্ষা এবং সিগন্যালিং সহ নানা দিকের পরীক্ষা চলছে। সমস্ত পরীক্ষা সফল ভাবে শেষ হওয়ার পর, মেট্রো রেল সেফটি কমিশনারকে (CMRS) পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে। তারপরেই চালু হবে এই পরিষেবা (Mumbai First Underground Metro)। 
    মুম্বাই মেট্রোর ওয়েব সাইটে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এই বছরের ডিসেম্বরে এই পরিষেবা (Mumbai First Underground Metro) চালু হওয়ার কথা ছিল,  কিন্তু মন্ত্রিসভার বৈঠক চলাকালীন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য সরকারের ১,১৬৩ কোটি টাকা সরাসরি মুম্বাইকে দেওয়ার জন্য অনুমোদন দিয়েছিলেন। এরফলেই এ বছর জুলাই মাসের মধ্যে পরিষেবাটি (Mumbai metro) চালু করা সম্ভব হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই গোটা প্রকল্পে খরচ হয়েছে প্রায় ৩৭,২৭৫.৫০ কোটি টাকা।
      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Budget 2024: বাংলা সহ পূর্ব ভারতের উন্নয়নে বিশেষ নজর কেন্দ্রের, বাজেটে জানালেন নির্মলা

    Union Budget 2024: বাংলা সহ পূর্ব ভারতের উন্নয়নে বিশেষ নজর কেন্দ্রের, বাজেটে জানালেন নির্মলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট (২০২৪-২৫) প্রস্তাব পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। মঙ্গলবার লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে বাজেট (Union Budget 2024) পেশ করেন নির্মলা। স্পিকারের চেয়ারে আসীন ওম বিড়লা। দেশের পূর্ব দিকের চার রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অন্ধপ্রদেশ এবং‌ বিহারের উন্নয়নে বিশেষ নজর দিচ্ছে কেন্দ্র, বাজেটের শুরুতেই জানিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা। বাজেট ভাষণে নির্মলা বলেন, এই প্রস্তাবে সরকার ৯টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়েছে। সেগুলি হল, কৃষি উৎপাদন ও কৃষিতে স্থিতিস্থাপকতা, কর্মসংস্থান ও দক্ষতার উন্নয়ন বৃদ্ধি, মানবসম্পদ বৃদ্ধি ও সামাজিক ন্যায়বিচার, কলকারখানা ও পরিষেবা বৃদ্ধি, চাকরির সুযোগ তৈরি, নগরোন্নয়ন, বিদ্যুৎ, পরিকাঠামো, গবেষণা ও আগামী প্রজন্মের জন্য সংস্কার। সরকারের লক্ষ্য থাকবে গরিব, মহিলা, যুব এবং অন্নদাতাদের প্রতি।

    কৃষিতে জোর (Union Budget 2024)

    কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া হয় এই বাজেটে (Union Budget 2024)। বেসরকারি ক্ষেত্রকেও কৃষি উৎপাদনের গবেষণায় উৎসাহিত করা হবে, বলে জানান অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman)। তিনি বলেন, “কৃষিতে আমরা গবেষণার ওপর জোর দিচ্ছি যাতে উৎপাদশীলতা বাড়ে। সরকার এবং বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রেই এই গবেষণায় ওপর জোর দেওয়া হবে। ৩২টি হর্টিকালচারাল শস্যের ওপর জোর দেওয়া হবে। ১ কোটি কৃষককে ন্যাচরাল ফার্মিং-এ নিয়ে আসা হবে। আমরা তৈলবীজ, সয়াবীন, চীনেবাদামে আত্মনির্ভর হওয়ার চেষ্টা করব। কৃষকদের সমবায়ের দিকে নজর দেওয়া হবে। কিষাণ ক্রেডিট কার্ড ৫টি রাজ্যে চালু হবে।”

    যুব সম্প্রদায়ের উন্নয়ন (Union Budget 2024)

    আগামী পাঁচ বছরের জন্য যুব সম্প্রদায়ের উন্নয়নের লক্ষ্যে ৪.১ কোটি তরুণকে নিয়ে আসা হবে। এর জন্য সরকার পাঁচটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে। ছোট সংস্থাগুলির কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে ভর্তুকি দেওয়া হবে। প্রথম যাঁরা কাজে ঢুকছেন, তাঁদের প্রভিডেন্ট ফান্ডে এক মাসের বেতন দেওয়া হবে, বলে জানালেন অর্থমন্ত্রী। বিভিন্ন ক্ষেত্রের চাকরিতে ১ কোটি যুবক-যুবতী ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাবেন। বাংলা সহ পূর্ব ভারতের উন্নয়নে বিশেষ নজর দিচ্ছে কেন্দ্র বলে জানান নির্মলা (Nirmala Sitharaman)। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় আরও তিন কোটি বাড়ি তৈরি করা হবে। কৃষি খাতে বরাদ্দ করা হচ্ছে ১.৫২ লক্ষ কোটি টাকা।

    গ্রামোন্নয়নে বরাদ্দ

    বাজেটে (Union Budget 2024) গ্রামোন্নয়নের জন্য ২.৬৬ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র। স্ট্যাম্প ডিউটি কমিয়ে মহিলাদের সম্পত্তি কেনার ক্ষেত্রে ছাড়ও দেওয়া হল। ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পে বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার। করা হবে ঋণের ব্যবস্থা। জানালেন নির্মলা। বন্যা রুখতে অসম, হিমাচল প্রদেশকে বিশেষ সাহায্যের কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী। একই ভাবে সাহায্য করা হবে উত্তরাখণ্ড এবং সিকিমকেও। 

    পর্যটনে সাহায্য, দাম কমল সোনা-রুপোর

    ভারতকে বিশ্বের পর্যটন মানচিত্রে শীর্ষে তুলে ধরার কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী। পর্যটন সংক্রান্ত অধিকাংশ প্রকল্পই যেতে চলেছে বিহারে। নতুন করে সাজানো হবে বুদ্ধগয়া, রাজগির এবং নালন্দাকে। সরকার শুল্ক কমিয়ে নেওয়ায় দাম কমছে সোনা-রুপো, মোবাইল ফোন, লিথিয়াম ব্যাটারি, চামড়াজাত দ্রব্যের। দাম কমছে সৌর বিদ্যুতেরও। ক্যানসারের তিনটি জীবনদায়ী ওষুধের শুল্কেও ছাড় দিচ্ছে কেন্দ্র। চার শতাংশ শুল্ক কমায় দাম কমতে পারে তামার তৈরি যে কোনও দ্রব্যের।

    পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর (Union Budget 2024)

    বাজেটে (Union Budget 2024) পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দিল কেন্দ্র। চলতি অর্থবর্ষে পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য খরচ করা হবে ১১.১১ লক্ষ কোটি টাকা। এই টাকা ভারতের জিডিপি-র ৩.৪ শতাংশ। পরিকাঠামো উন্নয়নে বেসরকারি বিনিয়োগেও উৎসাহ দেওয়ার কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী। চলতি অর্থবর্ষে সম্ভাব্য রাজকোষ ঘাটতি হতে পারে ৪.৯ শতাংশ। রাজকোষ ঘাটতি ক্রমশ কমানোর কথা জানালেন নির্মলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lokmanya Tilak Jayanti: ব্রিটিশরা তাঁকে বলতেন ‘অস্থিরতার জনক’, আজ লোকমান্য তিলকের জন্মদিন

    Lokmanya Tilak Jayanti: ব্রিটিশরা তাঁকে বলতেন ‘অস্থিরতার জনক’, আজ লোকমান্য তিলকের জন্মদিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবছর ২৩ জুলাই পালিত হয় বিখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্মদিন (Lokmanya Tilak Jayanti)। জাতীয়তাবাদী নেতা তথা সমাজ সংস্কারক বাল গঙ্গাধর তিলক জনপ্রিয় ছিলেন লোকমান্য তিলক (Bal Gangadhar Tilak) নামেও। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। দেশের চরমপন্থী জাতীয়তাবাদের তিনিই ছিলেন অন্যতম প্রবক্তা। ব্রিটিশরা তাঁকে ‘ফাদার অফ ইন্ডিয়ান আনরেস্ট’ বা ‘অস্থিরতার জনক’ বলতেন। আজকে আমরা বাল গঙ্গাধর তিলকের (Bal Gangadhar Tilak)  জীবনের বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনা সম্পর্কে জানব।

    ‘লোকমান্য তিলকে’র জন্ম ও শিক্ষা

    বাল গঙ্গাধর তিলকের (Lokmanya Tilak Jayanti) জন্ম ১৮৫৬ সালের ২৩ জুলাই মহারাষ্ট্রের রত্নগিরিতে হয়। ছাত্র জীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। মহারাষ্ট্রের ডেকান কলেজ থেকে গণিতে স্নাতক হন তিনি। বাল গঙ্গাধর তিলক পরবর্তীকালে আইনের ডিগ্রিও নিয়েছিলেন। দেশের জনগণই তাঁকে উপাধি দিয়েছিলেন ‘লোকমান্য’, যার অর্থ সমস্ত জনগণের গ্রহণযোগ্য নেতা। তাঁর এই উপাধি দেখেই বোঝা যায় ঠিক কতটা জনপ্রিয় ছিলেন তিনি এবং ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রামে মানুষের কতটা আস্থা ও বিশ্বাস তিনি অর্জন করতে পেরেছিলেন।

    কেন ‘ফাদার অফ ইন্ডিয়ান আনরেস্ট’ বলা হত?

    তিলক মহারাজকে (Lokmanya Tilak Jayanti) ব্রিটিশরা ‘ফাদার অফ ইন্ডিয়ান আনরেস্ট’ বলতেন। কারণ চরমপন্থী ভাবধারায় যুব সমাজকে দীক্ষিত করে ব্রিটিশ বিরোধী যে সংঘর্ষ তিনি গড়ে তুলেছিলেন, তাতেই বিদেশী শাসনের ভীত কেঁপে উঠেছিল। এমন উপাধি তাই ব্রিটিশরা দিয়েছিলেন তাঁকে। তিলক মহারাজের জনপ্রিয় উক্তি ছিল, ‘‘স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার আমি তা অর্জন করবই।’’ দেশের জনগণের কাছে খুবই জনপ্রিয় হয় তিলক মহারাজের এই বাণী।

    শিক্ষা বিস্তারে ভূমিকা (Lokmanya Tilak Jayanti)

    সমাজ সংস্কার, স্বাধীনতা সংগ্রামের পাশাপাশি শিক্ষার বিস্তারেও উদ্যোগী হয়েছিলেন তিলক মহারাজ (Lokmanya Tilak Jayanti)। তিনি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই গড়ে তুলেছিলেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘ডেকান এডুকেশন সোসাইটি’- যা স্থাপিত হয়েছিল ১৮৮৪ সালে। এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ছিল উন্নতমানের শিক্ষা ভারতীয় যুবকদের মধ্যে ছড়ানো এবং জাতীয় গর্ব ও সামাজিক কর্তব্যবোধের শিক্ষা পড়ুয়াদের দেওয়া। তিলক মহারাজ সাংবাদিকতাতেও খুব আগ্রহ রাখতেন। তিনি ছিলেন একজন সুলেখকও। তিনি দুটি সংবাদপত্র চালাতেন ‘কেশরী’ ও ‘মারাঠা’। এর মধ্যে ‘মারাঠা’ সংবাদপত্র ইংরেজিতে চলত। তাঁর এই সংবাদপত্রগুলির মাধ্যমেই তিলক মহারাজ জাতীয়তাবাদী ভাবধারার প্রসার ঘটাতেন ও ব্রিটিশ সরকারের সমালোচনা করতেন।

    চরমপন্থী ভাবধারার অন্যতম প্রবক্তা

    বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ক উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন তিলক মহারাজ। সমাজ সংস্কারেও তিনি ব্রতী হয়েছিলেন। বিধবা বিবাহকে তিনি প্রকাশ্যেই সমর্থন করেন। অন্যদিকে বাল্যবিবাহ প্রথার বিরুদ্ধেও তিনি আওয়াজ তোলেন। নারী শিক্ষার প্রসারেও তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে জানা যায়। রাজনীতিতেও অসামান্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেন বালগঙ্গাধর তিলক। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন তিনি। জাতীয় কংগ্রেসের মধ্যে নরমপন্থী ভাবধারার বিরোধিতা করে ব্রিটিশ বিরোধী চরমপন্থী আন্দোলনের সুর তিনিই বেঁধেছিলেন।

    মহারাষ্ট্রে গণেশ চতুর্থী ও শিবাজী উৎসবের প্রচলন

    বাল গঙ্গাধর তিলক মহারাষ্ট্রে গণেশ চতুর্থী ও শিবাজী উৎসবের প্রচলন শুরু করেন। এর মাধ্যমে দেশের জনগণের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটান তিনি। বাল গঙ্গাধর তিলককে একাধিকবার জেলে পাঠানো হয়। দেশদ্রোহিতা আইনে তাঁকে বারবার গ্রেফতার হতে হয়েছে। ছ’বছরের জন্য তাঁকে মান্দালয় জেলে পাঠায় ব্রিটিশ সরকার। কিন্তু এতেও বালগঙ্গাধর তিলকের চরমপন্থী জাতীয়তাবাদকে রোধ করা যায়নি। বাল গঙ্গাধর তিলক বেশ কতগুলি বইও লিখেছিলেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘গীতা রহস্য’, এটা ছিল ভগবত গীতার ব্যাখ্যা। মান্দালয়ের জেলে বসে এই গ্রন্থখানি রচনা করেছিলেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে অভিযান সেনার, জখম এক জওয়ান

    Jammu Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে অভিযান সেনার, জখম এক জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও অশান্ত উপত্যকা। এবার জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) বাত্তাল সেক্টরে (Battal Sector) জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা রুখল ভারতীয় সেনা। মঙ্গলবার ভোর থেকে জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলির লড়াই শুরু হয়েছে ওই অঞ্চলে। দু’পক্ষের গুলির লড়াইয়ে এক জন জওয়ান গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    ভোর থেকে চলছে অভিযান

    সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, বাত্তাল এলাকায় (Battal Sector) জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের খবর পেয়ে অভিযান চালিয়েছিল ভারতীয় সেনা। পাহাড়ি (Jammu Kashmir) এলাকায় জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে জঙ্গিরা প্রবেশ করার চেষ্টা করলেই জওয়ানরা গুলি চালান। পাল্টা জঙ্গিদের দিক থেকেও ধেয়ে আসে গোলাগুলি। জঙ্গিদের ছোড়া গুলি লাগে এক সেনা জওয়ানের গায়ে। মঙ্গলবার ভোর ৩টে থেকে জঙ্গি এবং ভারতীয় সেনার মধ্যে গুলির লড়াই চলছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর হোয়াইট নাইট কর্পস এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে পোস্ট করে এই অভিযানের কথা জানিয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, ভারতীর সেনার সাহসিকতার সামনে পড়ে জঙ্গিরা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ আটকানো গিয়েছে। তবে এখনও ওই এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা।

    পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়ে ৪০-৫০ জন জঙ্গি

    বিগত কিছুদিন ধরে বারেবারে অশান্ত হয়ে উঠছে জম্মু কাশ্মীর (Jammu Kashmir)। কখনও সেনা ক্যাম্পে, কখনও আবার সেনা কনভয়ে হামলা চালাচ্ছে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ভারতীয় সেনাও। দু’পক্ষের লড়াইয়ে প্রাণ দিয়েছেন বেশ কয়েকজন ভারতীয় সেনা। অন্যদিকে সেনার গুলিতে নিকেশ হয়েছে কয়েকজন জঙ্গি। এরই মধ্যে জম্মুর পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়ে থাকা ৪০ থেকে ৫০ জন জঙ্গির খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে ভারতীয় সেনা। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশ করেছে তারা। তাদের সঙ্গে আধুনিক অস্ত্রও রয়েছে। তাদের কাছে অত্যাধুনিক নাইট ভিশন যুক্ত মার্কিন রাইফেল রয়েছে। রয়েছে রাবার বুলেট সহ একাধিক অস্ত্র। সেই কারণেই যে কোনও সময়ে বড়সড় হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই আগে থেকেই সর্তকতা অবলম্বনে নানা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চলছে গোপন অভিযান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Budget 2024: আজ সারা দেশ তাকিয়ে নির্মলার দিকে, কখন, কোথায় দেখবেন বাজেট অধিবেশন?

    Union Budget 2024: আজ সারা দেশ তাকিয়ে নির্মলার দিকে, কখন, কোথায় দেখবেন বাজেট অধিবেশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, মঙ্গলবার ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Union Budget 2024) পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। যা তৃতীয় নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট। গত ফেব্রুয়ারিতে দ্বিতীয় মোদি সরকারের শেষ বাজেট পেশ করেছিলেন সীতারামন। সেটা ছিল অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট (ভোট-অন-অ্যাকাউন্ট)। সংসদের নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, এদিন সকাল ১১টা থেকে সংসদে সীতারামনের বাজেট ভাষণ শুরু হবে। যা দেড় থেকে দু’ঘণ্টা চলতে পারে।

    নির্মলার রেকর্ড (Nirmala Sitharaman)

    এদিন বাজেট (Union Budget 2024) ভাষণ শুরু করলেই ইতিহাস তৈরি করবেন নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। একটানা সর্বাধিক বাজেট পেশের নজির গড়বেন তিনি। একটানা সপ্তম বাজেট পেশ করবেন নির্মলা। ভেঙে দেবেন মোরারজি দেশাইয়ের রেকর্ড। তিনি একটানা ছয়বার বাজেট পেশ করেছিলেন। সার্বিকভাবে সর্বাধিক বাজেট পেশের তালিকার শীর্ষে আছেন মোরারজি দেশাই। তিনি মোট ১০ বার বাজেট পেশ করেছিলেন। সেই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন পি চিদম্বরম। তিনি মোট নয়বার বাজেট পেশ করেছিলেন। তৃতীয় স্থানে আছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। তিনি মোট আটবার বাজেট পেশ করেছিলেন। 

    আরও পড়ুন: ভারতে ৯২ শতাংশ অফিসের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত হয় চ্যাটজিপিটি! দাবি রিপোর্টে

    কী কী প্রত্যাশা (Union Budget 2024) 

    দেশ দীর্ঘ সময় ধরে সুস্থিত ও সংহত একটি সরকার পেয়েছে। তাই সেই সরকারের থেকে প্রত্যাশাও অনেক বেশি সাধারণ মানুষের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) প্রাক-বাজেট ভাষণে জানান, এই বাজেট খুবই বিশেষ, এটি ‘অমৃত কালে’র বাজেট হতে চলেছে। বাজেট (Union Budget 2024) আগামী পাঁচ বছরের দিশা দেখাবে। তা ছাড়া এই বাজেট ‘বিকশিত ভারতে’র স্বপ্নকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। এখনও পর্যন্ত মনে করা হচ্ছে নতুন সরকার সড়ক নির্মাণ খাতে ও রেল-খাতে বড় পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করতে চলেছে। পাশাপাশি ‘নিউ ট্যাক্স রেজিমে’র ক্ষেত্রে আনতে পারে করছাড়ের বিশেষ ঘোষণাও।

    কখন, কোথায় দেখবেন (Union Budget 2024) 

    সকাল ১১টায় বাজেট (Union Budget 2024) বক্তৃতা শুরু করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। সংসদ টিভিতে (Sansad TV) এটি সম্প্রচার করা হবে। তাছাড়াও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম বাজেটের সরাসরি সম্প্রচার করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Economy: চলতি অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার কত হবে? সংসদে আর্থিক সমীক্ষার রিপোর্ট পেশ নির্মলার

    Indian Economy: চলতি অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার কত হবে? সংসদে আর্থিক সমীক্ষার রিপোর্ট পেশ নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার আগে সোমবার আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্ট (Indian Economy) পেশ করলেন তিনি। রিপোর্ট পেশ করার সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‘করোনা পরিস্থিতির পর একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল দেশের অর্থনীতি। তবে বর্তমানে দেশের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে।’’ এদিন অর্থমন্ত্রীর পেশ করা রিপোর্টে (Economic Survey) বলা হয়েছে, ২০২৪-২০২৫ অর্থবর্ষে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি জানানো হয়েছে, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া মুদ্রাস্ফীতির সূচক ৪.৫ শতাংশ স্থির করেছে।

    ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে অর্থনীতি এখন স্থিতিশীল 

    এদিন যে রিপোর্ট (Indian Economy) পেশ করা হয়েছে সেখানে এও বলা হয়েছে, দেশে বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যদিকে, চলতি অর্থবর্ষে বৃষ্টিপাত এবং দক্ষিণ-পশ্চিমী মৌসুমী বায়ুর সন্তোষজনক বিস্তারের ফলে কৃষিক্ষেত্রে উন্নতি হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে বলে বলা হয়েছে রিপোর্টে। আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্টে (Economic Survey) বলা হয়েছে, ‘‘ভারতীয় অর্থনীতি একটি শক্তিশালী স্তম্ভ। ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে অর্থনীতি এখন স্থিতিশীল।’’ অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘শেষ অর্থবর্ষের চারটি ত্রৈমাসিকের মধ্যে তিনটিতেই আর্থিক বৃদ্ধি (Indian Economy) ছিল ৮ শতাংশের বেশি। ২০২৩ এবং ২০২৪ অর্থবর্ষে উপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া অর্থনৈতিক বৃদ্ধি আগামী বছরেও দেখা যাবে।’’

    ২০২৩ অর্থবর্ষ থেকে ২০২৪ অর্থবর্ষে (Indian Economy) মুদ্রাস্ফীতি ১.৩ শতাংশ কমেছে

    অন্যদিকে ২০২৩ অর্থবর্ষের ক্ষেত্রে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৬.৬ শতাংশ ২০২৪ অর্থবর্ষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭.৫ শতাংশ। মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ হিসেবে রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে খাদ্য উৎপাদনে প্রভাব পড়েছিল। কৃষকরা কৃষি কাজ করতে গিয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন।

    আগামী অর্থবর্ষে দেশে বেকারত্বের হার কমতে পারে

    এদিন অর্থমন্ত্রীর পেশ করা রিপোর্টে বেকারত্বের কথাও উল্লেখ রয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগামী অর্থবর্ষে দেশে বেকারত্বের হার কমতে পারে। এর পাশাপাশি করোনা পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মসংস্থান বেড়েছে বলেও বলা হয়েছে ওই রিপোর্টে (Indian Economy)। এর ফলে ভারতের অর্থনীতিতে প্রভাব পড়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, মহিলাদের কাজ করার হারও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে মহিলাদের কাজ করার হার ছিল ২৩.৩ শতাংশ। গত ছয় বছর ধরে সেই হার বেড়েই গিয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে এই হার দাঁড়ায় ৩৭ শতাংশে। রিপোর্ট উল্লেখ করা হয়েছে গ্রামের মহিলাদের কাজ করার প্রবণতা অনেকটাই বেড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: সরকারি কর্মীদের আরএসএস করতে রইল না বাধা, কংগ্রেস-আমলের আদেশনামা বাতিল কেন্দ্রের

    RSS: সরকারি কর্মীদের আরএসএস করতে রইল না বাধা, কংগ্রেস-আমলের আদেশনামা বাতিল কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মীরা আরএসএস (RSS) করতে পারবেন না, এই বিষয়ে ৫৮ বছর আগে ১৯৬৬ সালে আদেশনামা জারি করেছিল কংগ্রেস সরকার। অবশেষে সেই নির্দেশকে তুলে দিল মোদি সরকার। জানা গিয়েছে, এর আগে ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে গত ২০১৮ সালেই আবেদন করেছিল যে সরকার যেন বিষয়টি ফের বিবেচনা করে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করে বলা হয়েছিল যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক যেন আগের সরকারি নির্দেশ প্রত্যাহার করে নেয়। কারণ সরকারি চাকরিরতরাও চান যাতে তাঁরাও দেশ গঠনের কাজে অংশ নিতে পারেন।

    কী বলছেন আরএসএস-এর (RSS) সর্বভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর

    আরএসএস-এর সর্বভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘‘শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থে আগের সরকার সঙ্ঘের মতো একটি গঠনমূলক সংগঠনের কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে নিষেধ করেছিল সরকারি কর্মীদের। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) গত ৯৯ বছর ধরে জাতির পুনর্গঠনে এবং সমাজের সেবায় নিযুক্ত রয়েছে।’’ সুনীল আম্বেকর আরও উল্লেখ করেন, ‘‘জাতীয় সুরক্ষা, ঐক্যের ক্ষেত্রে অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সাহায্য করার জন্য বারবার প্রশংসিত হয়েছে আরএসএস।’’

    অমিত মালব্যর ট্যুইট

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এনিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ৫৮ বছর আগে করা ‘অসাংবিধানিক’ একটা নিষেধাজ্ঞা অবশেষে তুলে নিল মোদি সরকার।

    ১৯৬৬ সালে কংগ্রেসের সরকারের আদেশনামা

    প্রসঙ্গত ১৯৬৬ সালের ৩০ নভেম্বর কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা যাতে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত হতে না পারেন, সেই নির্দেশ দিয়েছিল কংগ্রেস সরকার। এমনকি সেই সময় আরএসএসের সঙ্গে মিটিং করা ও এমন ধরনের মিটিংয়ে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। যে কোনও ধরনের আরএসএস-এর (RSS) সংষ্পর্শে না যাওয়ার ক্ষেত্রে আদেশ জারি করেছিল কংগ্রেস সরকার। পরে জনতা সরকারের আমলে এই নিষিদ্ধকরণ সাময়িকভাবে তোলা হয়েছিল। ফের ১৯৮০ সালে কেন্দ্রীয় সরকার এই নির্দেশ পুনরায় লাগু করে। ২০০০ সালে গুজরাটের বিজেপি সরকার এই নিষেধাজ্ঞা তুলেছিল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Budget 2024: “সংসদের সময় নষ্ট করবেন না”, বাজেটের আগে বিরোধীদের উদ্দেশে বার্তা মোদির

    Union Budget 2024: “সংসদের সময় নষ্ট করবেন না”, বাজেটের আগে বিরোধীদের উদ্দেশে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদকে সচল রাখতে বিরোধী সাংসদের কাছে অনুরোধ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাজেট অধিবেশন (Union Budget 2024) শুরুর আগে সোমবার বিরোধীদের উদ্দেশে মোদির আর্জি, “আগামী পাঁচ বছর দেশের জন্য লড়তে হবে। দলগত রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে।” রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে দেশের উন্নয়নের জন্য় সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)।

    বিরোধীদের উদ্দেশে মোদির বার্তা

    আগামিকাল, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই যে বাজেট (Union Budget 2024) পেশ হবে সেটা অমৃতকালের জন্য বাজেট বলে দাবি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “আমাদের ৫ বছরের যে সুযোগ মিলেছে। এই বাজেট সেই লক্ষ্য়েই তৈরি হয়েছে। বিকশিত ভারতের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য ওই বাজেট তৈরি হচ্ছে। ৬০ বছর পর কোনও সরকার তৃতীয়বারের জন্য ফেরত এসেছে। তৃতীয় বারের জন্য প্রথম বাজেট তৈরির সৌভাগ্য হয়েছে। এটা অত্যন্ত গৌরবের কথা।” সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে এদিন বিরোধীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, “নির্বাচিত সব সাংসদ ও রাজনৈতিক দলগুলির কর্তব্য হল আগামী ৫ বছর দেশের জন্য লড়াই করা। আসুন আমরা আগামী ৪ থেকে সাড়ে ৪ বছর রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করি। ভোটের সময় যা করার করবেন, কিন্তু তার আগে পর্যন্ত ২০৪৭-এর স্বপ্ন পূরণের জন্য লড়াই করুন। ১৪০ কোটি দেশবাসী যে সরকারকে সেবার সুযোগ দিয়েছে, তার কণ্ঠস্বর রুদ্ধ করবেন না। সব দলের কাছে আবেদন যাঁরা প্রথম সংসদে এসেছেন তাঁদের সংসদে আলোচনার সুযোগ দিন। এই সদন দেশের জন্য, দলের জন্য নয়।”

    বিরোধীদের উদ্দেশে মোদির বার্তা

    বাজেট (Union Budget 2024) অধিবেশনের আগে একসঙ্গে কাজ করার বার্তা দিলেও বিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিতেও ছাড়েননি প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। মোদি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠরোধ করার কোনও অধিকার তাঁদের নেই। দেশবাসী বিরোধীদের দেশের জন্য পাঠিয়েছে, দলের জন্য পাঠায়নি। দেশ নেতিবাচক রাজনীতি চায় না, উন্নতির বিচারধারা চায়।” কণ্ঠরোধ করা হলেও বিরোধীদের কোনও অনুশোচনা নেই বলেও অভিযোগ মোদির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Terrorist attack: নাশকতার ছক বানচাল! রাজৌরিতে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে আহত ১ জওয়ান

    Terrorist attack: নাশকতার ছক বানচাল! রাজৌরিতে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে আহত ১ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝরল রক্ত। ফের অশান্ত জম্মু-কাশ্মীর (Jammu-Kashmir)। সোমবার সাতসকালে রাজৌরির সেনাঘাঁটিতে বড়সড় জঙ্গিহানার (Terrorist attack) খবর মিলল। ঘটনার পরে ইতিমধ্যেই গোটা এলাকায় নেমেছে সেনা, চলছে তল্লাশি অভিযান। নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, পাকিস্তান থেকে জঙ্গিরা এ দেশে ঢুকে কাশ্মীরে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছে। তাদের খুঁজে বার করতে জম্মুতে মোতায়েন করা হয়েছে প্যারা স্পেশ্যাল ফোর্সের ৫০০ জন কমান্ডোকে। শুধু তাই নয়, উপত্যকায় বাহিনী পুনর্বিন্যাসের কথাও ভাবছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Terrorist attack) 

    নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, সোমবার ভোরে প্রচুর পরিমাণে গোলাবারুদ নিয়ে একদল জঙ্গি জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরির সেনাছাউনিতে অতর্কিতে হামলা চালায়। ভোর চারটে নাগাদ প্রথমে গুলি চালানো শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা গুলি চালান জওয়ানেরাও। প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে গুলির লড়াই। জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে এক জওয়ান জখম হয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে পেরে না উঠে পিছু হটতে বাধ্য হয় জঙ্গিরা। বানচাল হয় জঙ্গি নাশকতার ছক। এ প্রসঙ্গে সেনা মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল সুনীল বার্টওয়াল বলেন, ”রাজৌরির একটি দূর প্রান্তের গ্রামের সেনা ঘাঁটিতে বড়সড় হামলা চালিয়েছে সেনারা। জঙ্গিদের ধরতে অপারেশন চলছে।”
    প্রসঙ্গত, শনিবারই সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী জম্মুতে গিয়েছিলেন। জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu-Kashmir) লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা ও অন্যান্য আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আলোচনা করেছেন উপত্যকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। সেই বৈঠকের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের সেনা ছাউনিতে হামলা (Terrorist attack) চালাল জঙ্গিরা।

    আরও পড়ুন: ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারে ১০ লাখ ডলার দেবে ভারত! ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    একের পর এক জঙ্গি হামলা 

    এটাই প্রথম নয়, এর আগেও গত কয়েক বছরে একের পর এক জঙ্গি হামলার (Terrorist attack) খবর মিলেছে জম্মু-কাশ্মীরে। সপ্তাহ দুয়েক আগে রাজৌরি জেলার মাঞ্জাকোটে সেনা ক্যাম্পের কাছে গুলি চালানোর খবর এসেছিল। সে সময় জঙ্গিরা মাঞ্জাকোটের ওই সেনা ক্যাম্পে রাতের অন্ধকারে হামলা চালানোর ছক কষে। সেনার সঙ্গে জঙ্গিদের সংঘর্ষে আহত হয় এক জওয়ান। এর দিন ছয়েক আগে ডোডা জেলাতেও নিরাপত্তারক্ষী বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের সংঘর্ষ চলে। প্রাণ হারান একজন ভারতীয় সেনা অফিসার সহ চারজন নিরাপত্তারক্ষী। ফলে সব মিলিয়ে জম্মু এলাকায় ৩২ মাসে ৪৮ জন সেনা শহিদ হয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UNESCO World Heritage Centre: ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারে ১০ লাখ ডলার দেবে ভারত! ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    UNESCO World Heritage Centre: ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারে ১০ লাখ ডলার দেবে ভারত! ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারের (UNESCO World Heritage Centre) জন্য এক মিলিয়ন ডলার দেবে ভারত। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছেন যে, ভারত, বিশেষ করে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলিতে ঐতিহ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সাহায্যের জন্য ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারে এক মিলিয়ন ডলার দান করবে। এদিন নয়াদিল্লিতে ভারত মণ্ডপে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির ৪৬ তম অধিবেশনের উদ্বোধনে বক্তৃতার সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন, ”ভারত বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণকে তার দায়িত্ব বলে মনে করে। তাই শুধুমাত্র ভারতেই নয় বরং ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ভারত গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোতেও সহায়তা প্রদান করছে।”  

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi) 

    এদিন বক্তৃতার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ”ভারত কম্বোডিয়ার আঙ্কোর ওয়াট, ভিয়েতনামের চাম মন্দির এবং মায়ানমারের বাগান স্তূপের মতো অনেক ঐতিহ্যের সংরক্ষণে সহায়তা করছে।” এরপরেই মোদি বলেন, ”আমি ঘোষণা করছি, ভারত ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারে (UNESCO World Heritage Centre) এক মিলিয়ন ডলার দান করবে। এই অনুদানটি সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলির সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হবে।” এদিন একে অপরের ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সবাইকে একত্রিত হওয়ারও আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী। 

    গত ১০ বছরে ভারতের উন্নয়ন 

    এদিন বক্তৃতায় মোদির (PM Modi) সময়কালে ভারতের উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ”গত ১০ বছরে ভারত আধুনিক উন্নয়নের নতুন মাত্রা স্পর্শ করেছে। সে কাশীর বিশ্বনাথ করিডোর হোক কিংবা অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ বা প্রাচীন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ক্যাম্পাস, সারা দেশে এমন অসংখ্য কাজ হচ্ছে। আজ, আয়ুর্বেদের উপকারিতা সমগ্র বিশ্বে পৌঁছেছে, কিন্তু এটি ভারতের বৈজ্ঞানিক ঐতিহ্য। তাই ভারতের ঐতিহ্য শুধু ইতিহাস নয়, বিজ্ঞানও।”      
    প্রধানমন্ত্রী এদিন আরও বলেন, বিশ্বে ঐতিহ্যের বিভিন্ন স্থান রয়েছে, কিন্তু ভারত এতই প্রাচীন যে বর্তমানের প্রতিটি বিন্দু একটি গৌরবময় অতীতের ঘটনা বর্ণনা করে। বিশ্ব দিল্লিকে ভারতের রাজধানী হিসাবে জানে, তবে এই শহরটি হাজার বছরের ঐতিহ্যের কেন্দ্রও। এখানে, প্রতিটি পদক্ষেপে আপনি ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের সাক্ষী হবেন। এখান থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে কয়েক টন ওজনের একটি লোহার স্তম্ভ। এই লোহার স্তম্ভটি ২০০০ বছর ধরে খোলা আকাশের নীচে রোদ, ঝড়, জল মাথায় নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, তবুও এখনও পর্যন্ত এতে কোনও জং বা মরচে পড়েনি। ফলে এর থেকেই বোঝা যায় সেই সময়েও ভারতের ধাতুবিদ্যা কতটা উন্নত ছিল।   

    আরও পড়ুন: “বিজেপি করে বলেই পিটিয়ে খুন করেছে তৃণমূল”, দাবি পরিবারের

    আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাচ্ছে ‘মায়দাম’

    একইসঙ্গে এদিন প্রধানমন্ত্রী জানান যে উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি ঐতিহাসিক স্থানকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের (UNESCO World Heritage Centre) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন যে, উত্তর পূর্ব ভারতের ঐতিহাসিক ‘মায়দাম’ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি হবে ভারতের ৪৩ তম বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান এবং উত্তর পূর্ব ভারতের প্রথম ঐতিহ্যবাহী স্থান যা সাংস্কৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা পাবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share