Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Maulavi: কর্নাটকে  চলন্ত বাসে হিন্দু নাবালিকার ‘শ্লীলতাহানি’, অভিযুক্ত মৌলবীকে মারধর যাত্রীদের

    Maulavi: কর্নাটকে চলন্ত বাসে হিন্দু নাবালিকার ‘শ্লীলতাহানি’, অভিযুক্ত মৌলবীকে মারধর যাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেঙ্গালুরু থেকে ম্যাঙ্গালোর (Mangaluru) যাওয়ার বাসে পাশে বসা এক হিন্দু নাবালিকাকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগ এক মৌলবীর (Maulavi) বিরুদ্ধে। এর জেরে ওই মৌলবীকে মারধরও করা হয়। জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার সঙ্গে এমন অভব্য আচরণ করার ফলে নাবালিকার মা এবং অন্যান্য যাত্রীরা মৌলবীকে (Maulavi) ধরে ফেলেন এবং তারপরেই মারধর শুরু হয়। ইতিমধ্যে এই ঘটনার ভিডিও সামনে এসেছে। যদিও মাধ্যম এই ভিডিও-এর সত্যতা পরীক্ষা করেনি।

    শ্লীলতাহানির (Maulavi) ঘটনাটি গত ১৩ জুলাই ঘটেছে 

    জানা গিয়েছে, ঘটনাটি গত ১৩ জুলাই দক্ষিণ কর্নাটকে (Mangaluru)  ঘটেছে। সেখানে একজন মৌলবী (Maulavi) বাসে একটি নাবালিকাকে উত্যক্ত করতে শুরু করে এবং তার শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ। সেখানকার স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুসারে, ঘটনাটি কেএসআরটিসির বাসে ঘটেছে। অভিযুক্ত মৌলবীর এধরনের আচরণের ফলে নাগরিক মহল নিন্দাও জানিয়েছে। এর পাশাপাশি হিন্দু মেয়েদের বাসে নিরাপত্তা আরও জোরালো করার দাবিও উঠেছে। যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের জঘন্য কাজ আর না কেউ করতে পারে।

    কর্নাটকে বেড়েছে লাভ জেহাদ 

    পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ভ্রমণ যেন নিরাপদ হয়, এমন দাবিও তুলেছেন এই ঘটনার পর থেকে নাগরিকদের একাংশ। সম্প্রতি কর্নাটকে লাভ জেহাদের প্রবণতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। হিন্দু মেয়েদের নানাভাবে প্রভাবিত করে তাঁদেরকে বিয়ে করার প্রলোভন দিচ্ছেন ইসলামপন্থীরা, এমনটাই অভিযোগ। এর পাশাপাশি কর্নাটকে রাস্তা দখল করে নামাজ পড়ার বিতর্কও দানা বেঁধেছে। তারই মাঝে বাসে এক হিন্দু নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল এক মৌলবীর বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Doda Encounter: ডোডায় জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ দার্জিলিঙের ছেলে ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ, ‘আক্ষেপ নেই’ বাবার

    Doda Encounter: ডোডায় জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ দার্জিলিঙের ছেলে ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ, ‘আক্ষেপ নেই’ বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ২৭ বছর। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। বি-টেক পাশ করে ইঞ্জিনিয়ার হয়ে কোনও মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে সহজেই কাজ করতে পারতেন দার্জিলিঙের (Darjeeling) ছেলে ব্রিজেশ থাপা (Brijesh Thapa)। কিন্তু ছোট থেকেই সেনার পোশাক তাঁকে টানত। বাবা ভারতীয় সেনার কর্নেল। ছোট বেলা থেকেই ‘জয় হিন্দ’ ছিল ব্রিজেশের মন্ত্র। সেই মন্ত্র জপ করতে করতেই সোমবার সন্ধ্যায় কাশ্মীরের (Jammu-Kashmir) ডোডা জেলায় (Doda Encounter) জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করছিলেন ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ। হঠাতই গুলির পর গুলি, ঝাঁঝরা হয়ে গেল শরীর। শহিদ হয়ে গেলেন বাংলার ছেলে। শহিদের রক্তে চোখে জল পড়তে নেই তাই মঙ্গলবার সকালে খবর পেয়েও বাড়ির বাইরে থমথমে, উদাস ব্রিজেশের বাবা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ভুবনেশ থাপা। বললেন, ‘‘কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু আক্ষেপ নেই। আমার সন্তান দেশকে রক্ষা করতে গিয়ে শহিদ হয়েছে।”

    ব্রিজেশের স্মৃতিচারণায় বাবা ভুবনেশ

    ব্রিজেশের জন্ম দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) লেবংয়ে। সেখানেই প্রাথমিক পড়াশোনা করেন। কিন্তু ভুবনেশকে কর্মসূত্রে যেতে হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। তাই তাঁর সঙ্গে সঙ্গে যেতে হয়েছে পরিবারকেও। ২০১৪ সালে সেনা থেকে অবসর নেন কর্নেল ভুবনেশ। তার পর তিনি দার্জিলিংয়ের লেবংয়েই এক্স সার্ভিসম্যান হেলথ্ সার্ভিস স্কিমে কাজ করেন। বাবা-মা ছাড়াও ব্রিজেশের এক দিদিও রয়েছেন। বর্তমানে সঙ্গীত নিয়ে পড়াশোনা করতে অস্ট্রেলিয়াতে রয়েছেন নিকিতা থাপা। স্কুল জীবনের পড়াশোনা শেষ করে মুম্বইয়ের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন ব্রিজেশ। সেখান থেকে বি-টেক শেষ করে কম্বাইন্ড ডিফেন্স সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন তিনি। ২০১৮ সালে ব্রিজেশ ডিফেন্স সার্ভিসের শর্ট সার্ভিস কমিশন পরীক্ষায় পাশ করেন ও ২০১৯ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তারপর ১০ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের মোতায়েন ছিলেন। এরপর এক্সট্রা রেজিমেন্টাল ডিউটির জন্য ভারতীয় সেনার বিশেষ বিভাগ ১৪৫ আর্মি এয়ার ডিফেন্সের অধীন জম্মু ও কাশ্মীরের ডোডা সেনা ছাউনিতে বদলি হন। সেখানে ব্রিজেশ থাপা এ-কোম্পানির কমান্ডার ছিলেন।

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে ফের জঙ্গি হামলা! নিহত মেজর-সহ চার জওয়ান, ডোডায় চলছে তল্লাশি অভিযান

    ব্রিজেশকে শ্রদ্ধা

    সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকালে দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) লেবংয়ের বড়াগিঙ্গের বাড়িতে ব্রিজেশের শহিদ (Doda Encounter) হওয়ার খবর এসে পৌঁছেছে। বুধবার ব্রিজেশের দেহ বিশেষ বিমানে শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হবে। এর পর তাঁকে বাগডোগরা সেনা ছাউনিতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা জানানো হবে। সেখান থেকে তাঁর দেহ সড়কপথে নিয়ে যাওয়া হবে লেবংয়ে তাঁর বাড়িতে। সেখানে রয়েছেন ব্রিজেশের মা নীলিমা। দেশ মা-য়ের জন্য ব্রিজেশ বলিদান দিলেও মঙ্গলবার থেকে সারা জীবন পুত্র হারানোর যন্ত্রণা নিয়েই যে বাঁচতে হবে নীলিমাকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • WBSSC: ২৬ হাজার চাকরি মামলায় সিদ্ধান্ত হল না সুপ্রিম কোর্টে, পাঁচ পক্ষের বক্তব্য শুনবে শীর্ষ আদালত

    WBSSC: ২৬ হাজার চাকরি মামলায় সিদ্ধান্ত হল না সুপ্রিম কোর্টে, পাঁচ পক্ষের বক্তব্য শুনবে শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসির (WBSSC) মাধ্যমে নিয়োগ হওয়া ২৬ চাকরি বহাল থাকবে কি থাকবে না, তা নিয়েই মঙ্গলবার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। তবে এ দিন দেশের শীর্ষ আদালতে কোনও রকম সিদ্ধান্ত হল না। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে মঙ্গলবার সকালে উঠেছিল এই মামলা। প্রধান বিচারপতি এদিন জানান, তাঁর বেঞ্চ আগে চাকরি বাতিল মামলার সঙ্গে যুক্ত পাঁচ পক্ষের বক্তব্য শুনবে তারপরেই পরবর্তী নির্দেশ দেবে। সুপ্রিম কোর্টের এই পাঁচ পক্ষ হল, রাজ্য সরকার, এসএসসি (WBSSC), সিবিআই, মূল মামলাকারী এবং যাঁদের চাকরি নিয়ে বিতর্ক চলছে তাঁরা। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে মঙ্গলবার থেকে তিন সপ্তাহ পরে। অর্থাৎ অগাস্টের শুরুতেই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। প্রসঙ্গত, এ দিন সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি শুরু হতে রাজ্য সরকার আবেদন জানায় যে তারা এ সংক্রান্ত একটি হলফনামা জমা দিতে চায়। এরপরে এসএসসিও সুপ্রিম কোর্টকে জানায়, তারাও হলফনামা জমা দিতে ইচ্ছুক। পরবর্তীকালে দু পক্ষের বক্তব্য শুনে নোডাল কাউন্সিলার নিয়োগ করার কথা বলে দেশের শীর্ষ আদালত।

    এপ্রিলে গোটা প্যানেল বাতিল করে কলকাতা হাইকোর্ট

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের এপ্রিল মাসেই ২০১৬ সালের এসএসসির (Supreme Court) নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বাতিল করে কলকাতা হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের দুই বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বার রশিদের ডিভিশন বেঞ্চের এই রায়ের ফলে চাকরি যায় ২৫ হাজার ৭৫৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীর। সুপ্রিম কোর্ট গত ৭ মে মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টে নির্দেশে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। সে সময়ে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধেও তদন্তে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছিল সুপার নিউমেরারি পদ তৈরি নিয়ে মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তে স্থগিতাদেশ বহাল থাকল।

    যোগ্য-অযোগ্য আলাদা করার কথা বলেছিল এসএসসি (WBSSC)

    প্রসঙ্গত, সে সময়ে এসএসসির (WBSSC) তরফে সুপ্রিম কোর্টে মৌখিকভাবে জানানো হয়, যাঁদের চাকরি বাতিল করা হয়েছে তাদের মধ্যে ১৯ হাজার যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এসএসসির আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, যোগ্য এবং অযোগ্য চাকরিপ্রার্থী কিভাবে আলাদা করছেন আপনারা? এটা করার মতো কোনও তথ্য বা নথি আপনাদের কাছে রয়েছে কি? এর উত্তরে এসএসসির আইনজীবী জানান, সিবিআইয়ের বাজেয়াপ্ত করা ডিজিটাল ডেটা দেখা সম্ভব হলেই যোগ্য ও অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব। এখন তাই ওয়াকিবহালমহল মনে করছে, এতদিনে কি যোগ্য আর যোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব হয়েছে? কারণ তার ওপরে নির্ভর করছে চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ। ফলে আগামী শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট কী নির্দেশ দেয় সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য? উত্তর পেতে মক পোলের ব্যবস্থা করছে নির্বাচন কমিশন

    Election Commission: ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য? উত্তর পেতে মক পোলের ব্যবস্থা করছে নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল বেরোলে বহু ক্ষত্রে পরাজয়ের জন্য প্রার্থীরা ইভিএম মেশিনকে দায়ী করেন। বলা হয়, তাতে কারচুপির জন্যই হার মানতে হয়েছে। সেই অভিযোগ দূর করতে ইভিএম মেশিনগুলো কতটা গ্রহণযোগ্য , তা দেখার জন্য মক পোলের (Mock Poll) আয়োজন করল নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতোই এই আয়োজন করেছে কমিশন। কিন্তু তাতে প্রার্থীদের তেমন সাড়া মিলছে না বলে কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর। 

    কীভাবে হবে মক পোল (Election Commission)

    এই মক পোলের (Mock Poll) ক্ষেত্রে ভোটদানের সময় ইভিএমের কন্ট্রোল ইউনিট, ব্যালট ইউনিট এবং ভিভিপ্যাট মেশিন পাশাপাশি বসাতে হবে। সবগুলিই সংশ্লিষ্ট প্রার্থী বা তাঁর প্রতিনিধি ব্যবহার করবেন। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) আধিকারিকেরা শুধু পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় থাকবেন। ভিভিপ্যাটের কাগজও গোনা হবে সকলের সামনে। 

    কী বলেছিল শীর্ষ আদালত

    ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ নিয়ে বিরোধীরা বারবার সরব হয় বলে, এবার ভোটের আগেই সুপ্রিম কোর্ট ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য নির্বাচন মেটার পরও সে ব্যাপারে পরীক্ষা নিরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার কথা বলেছিল। ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য, তাতে আদৌ কারচুপি সম্ভব কিনা তা খতিয়ে দেখতে ভোটের আগে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রটোকল তৈরি করে দিয়েছিল আদালত। সেই সঙ্গে সর্বোচ্চ আদালত আরও বলে, নির্বাচনের ফল বেরোনোর পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারী প্রার্থীরা তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্রে ব্যবহৃত ইভিএমের বাছাই করা কয়েকটিতে ১৪০০টি করে ভোট দিতে পারবেন। প্রার্থীর পরিবর্তে তাঁর কোনও প্রতিনিধিও এই ভোট দিতে পারবেন বলে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

    আরও পড়ুন: ভারতীয় ডাক বিভাগে ৪৪ হাজার কর্মী নিয়োগ! জেনে নিন কীভাবে আবেদন করবেন

    প্রার্থীদের অনীহা (Mock Poll)

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মতো কমিশন (Election Commission) সবকিছু ব্যবস্থা করলেও প্রার্থীদের মধ্যে এই পদক্ষেপ করতে অনীহা চোখে পড়েছে। তাঁরা মুখে অভিযোগ করলেও এখনও পর্যন্ত মাত্র আটজন প্রার্থী নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন। তাঁরা সকলেই ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা। ওই দুই রাজ্যে লোকসভার সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনও হয়েছে। আট জন বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhagwati Devi Temple: ৩৪ বছর আগে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ফের খুলল কাশ্মীরের এই মন্দির

    Bhagwati Devi Temple: ৩৪ বছর আগে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ফের খুলল কাশ্মীরের এই মন্দির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনন্তনাগের শাঙ্গাসের ঐতিহাসিক উমা ভগবতী দেবীর মন্দির (Bhagwati Devi Temple) ৩৪ বছর পর রবিবার ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হল। মন্দিরের দরজা খুলে দেবীর দর্শন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই। এ সময় বিপুল সংখ্যক ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ এক সময় সন্ত্রাসের ঘাঁটি ছিল। ১৯৯০ সালে, সন্ত্রাসবাদের কারণে, ভগবতী উমা দেবী মন্দিরটি বন্ধ হয়ে যায়। মৌলবাদী জঙ্গিরা এই মন্দিরে আগুন দেওয়া হয়েছিল।

    ২০১০ সাল পর্যন্ত জরাজীর্ণ ছিল (Bhagwati Devi Temple)

    একসময় এখানে (Uma Bhagwati Temple) ভক্তদের থাকার জন্য দুটি যাত্রী নিবাস ছিল। এতে একসঙ্গে দেড় হাজার ভক্ত থাকতে পারতেন। এসব যাত্রী নিবাসও সন্ত্রাসের শিকার হয়। মন্দিরে স্থাপিত মাতার মূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। ২০১০ সাল পর্যন্ত এই মন্দিরটি জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। এরপর থেকে এর সংস্কার শুরু হয়।

    গর্ভগৃহে মায়ের মূর্তি স্থাপিত 

    সংস্কার চলাকালীন মন্দিরের সমস্ত অংশ মেরামত করা হয়েছে। কাজ শেষ হওয়ার পর ধর্মীয় মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে গর্ভগৃহে মায়ের মূর্তি স্থাপন করা হয়। রাজস্থান থেকে নয়া মূর্তি আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দের উপস্থিতিতে রবিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্দিরটি ভক্তদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। স্থানীয় মানুষ, মুসলিম সম্প্রদায় সহ কাশ্মীরি হিন্দুরাও (Bhagwati Devi Temple) মন্দির খুলে যাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

    এক বছর পর মন্দিরে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন

    স্থানীয় বাসিন্দা গুলজার আহমেদ বলেন, “আমরা এখানে আমাদের কাশ্মীরি হিন্দু ভাইদের সম্ভাব্য সব উপায়ে সাহায্য করতে এসেছি। ৩৪ বছর পর (Uma Bhagwati Temple) মন্দিরে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় আমরা খুশি। ১০ জুলাই, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ হাইকোর্ট রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের জন্য প্রাচীন রঘুনাথ মন্দির এবং অনন্তনাগ জেলার নাগবল গৌতমনাগ মন্দির প্রশাসনকে হস্তান্তর করেছে।

    শান্তির অনুভূতি

    মন্দির দর্শনে আসা ভক্তরা জানান, এখানে এসে তাঁরা শান্তি অনুভব করছেন। সব ধর্মের মানুষ এখানে পৌঁছেছেন। এখন অন্যান্য মন্দিরেরও সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে কাশ্মীরের সব মন্দির স্বাভাবিক হয়ে যাবে। উমা ভগবতী দেবী মন্দিরের দায়িত্বে থাকা উমা ভগবতী ট্রাস্টের সহ-সভাপতি পুষ্কর নাথ কৌল বলেন, “মন্দিরের দরজা খোলার আগে মন্দিরে হবন ও যজ্ঞ করা হয়।”

    ইতিহাস (Uma Bhagwati Temple)

    উমা ভগবতী দেবী মন্দিরের (Uma Bhagwati Temple) ইতিহাস সত্যযুগের সঙ্গে সম্পর্কিত। মা পার্বতী আবার মহাদেবের অর্ধাঙ্গিনী হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তারপর তিনি হিমালয়ের গর্ভ থেকে জন্মগ্রহণ করেন এবং উমা নামে ডাকা হয়। মা মীনার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে তিনি মহাদেবের সন্ধানে ব্রায়াঙ্গন (শাঙ্গাস এলাকার সেই স্থান যেখানে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত) পৌঁছেন।

    আরও পড়ুন: এই ধরণের সেতু ভারতের এই প্রথম, জানুন নতুন পামবান সেতুর বৈশিষ্ট্য

    ভগবতী উমা এই স্থানে তপস্যা করেছিলেন। এরপর এই স্থানের নাম হয় উমা নগরী। এই স্থানে একটি মন্দির নির্মিত হয় এবং নাম দেওয়া হয় উমা ভগবতী দেবী মন্দির।

    বছরে দুটি উৎসব পালিত হত 

    এই মন্দিরে প্রতি বছর দুটি উৎসব পালিত হত। একটি হল উমা জয়ন্তী যা এপ্রিল মাসে পালিত হয় এবং অন্যটি হল শিবরাম সন্তের নির্বাণ দিবস (যিনি ১৭ শতকে উমা শহরের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন) যা পালিত হয় জানুয়ারিতে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Kedarnath temple: দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির তৈরি হবে, ধাম নয়! জানালেন কেদারনাথ ধাম ট্রাস্টের সভাপতি

    Kedarnath temple: দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির তৈরি হবে, ধাম নয়! জানালেন কেদারনাথ ধাম ট্রাস্টের সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে খাড়াই-বন্ধুর পথ অতিক্রম করে উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ (Kedarnath temple) যান ভক্তরা। তবে এবার থেকে আর মহাদেবের দর্শনের জন্য কেদারনাথ পাড়ি দিতে হবেনা, কারন এবার দিল্লিতেই দর্শন হবে কেদারনাথের। গত বুধবার উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী ঘোষণা করেছেন, এবার দেশের রাজধানীতেই কেদারনাথ দর্শন সম্পন্ন হবে। দিল্লির বুরারিতে ৩ একর জমির ওপর মন্দির তৈরি করছে কেদারনাথ দিল্লি ধাম ট্রাস্ট। ধামীর মতে, দিল্লির কেদারনাথ মন্দির ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূরণ করবে। 

    দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির তৈরি হবে, ধাম নয়

    এ প্রসঙ্গে রবিবার কেদারনাথ ধাম ট্রাস্টের সভাপতি সুরিন্দর রাউতেলা বলেছেন, ”দিল্লিতে তৈরি করা কেদারনাথ মন্দিরটি (Kedarnath temple) একটি মন্দির হিসেবে তৈরি হবে, এটি কোনও ধাম নয় এবং এর সাথে উত্তরাখণ্ড সরকারের কোনও সম্পর্ক নেই। পুষ্কর সিং ধামী এই মন্দিরের ভূমি পুজোর জন্য আমাদের অনুরোধে দিল্লি এসেছিলেন। এ বিষয়ে সরকারের কিছু করার নেই। মন্দিরটি ট্রাস্টিদের সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে। উল্লেখ্য এই ট্রাস্টিদের মধ্যে অনেকেই উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা।”   
    এছাড়াও তিনি বলেন, “দেশের বিভিন্ন শহরে বিখ্যাত ধামের নামে ইতিমধ্যেই অনেক মন্দির তৈরি করা হয়েছে, তা ইন্দোরের কেদারনাথ মন্দির হোক বা মুম্বইয়ের বদ্রিনাথ মন্দির। এই মন্দিরগুলিও উদ্বোধন করেছিলেন উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াত।”

    আরও পড়ুন: মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ট্রাম্প! নিজেই ঘোষণা করলেন ভাইস প্রেসিডেন্টের নাম

    সুরিন্দর রাউতেলার বার্তা 

    উল্লেখ্য, ১০ জুলাই, উত্তর-পশ্চিম দিল্লির বুরারির কাছে হিরাঙ্কি পাড়ায় এই মন্দিরের ভূমি পূজায় অংশ নিয়েছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী। ওইদিন সেখানে নতুন কেদারনাথ মন্দির নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এরপর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। নয়া এই মন্দির নির্মাণ নিয়ে তীব্র বিরোধিতা করেন উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ মন্দিরের (Kedarnath temple) পুরোহিতরা। এ প্রসঙ্গে  সুরিন্দর রাউতেলা বলেছেন, “দিল্লিতে নির্মিত মন্দিরের নাম শ্রী কেদারনাথ ধাম রাখার বিষয়ে ইতিমধ্যেই যে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা এড়ানো উচিত। কিছু নেতা তাদের রাজনৈতিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য বিতর্ক সৃষ্টি করছেন। উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ ধাম ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গের একটি। আমরা শুধু দিল্লিতে একটি মন্দির তৈরি করছি। এর আগে ভারতের বিভিন্ন শহরে এরকম বিভিন্ন মন্দির তৈরি রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu-Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে ফের জঙ্গি হামলা! নিহত মেজর-সহ চার জওয়ান, ডোডায় চলছে তল্লাশি অভিযান

    Jammu-Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে ফের জঙ্গি হামলা! নিহত মেজর-সহ চার জওয়ান, ডোডায় চলছে তল্লাশি অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তল্লাশি অভিযানের সময় জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইতে শহিদ চার সেনা জওয়ান। এক মেজর সহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে কাশ্মীরের ডোডায় (Doda)। সূত্রের খবর, সোমবার জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পেয়ে ডোডা ও দেসায় যৌথভাবে হামলা চালায় ভারতীয় সেনা ও কাশ্মীর পুলিশ। জঙ্গিদের সন্ধান চালানোর সময়ই শুরু হয় দু পক্ষের গুলির লড়াই। শহিদ জওয়ানদের মধ্যে একজন অফিসারও আছেন। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জম্মু-কাশ্মীরের বেশ কয়েকটি জায়গায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সেই কারণে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu-Kashmir) বিস্তীর্ণ এলাকায় ‘হাই অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। 

    জঙ্গি দমনে অভিযান (Jammu-Kashmir)

    সোমবার রাতে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu-Kashmir) ডোডায় জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই শুরু হয় ভারতীয় সেনার। সঙ্গে ছিল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশও। দুই পক্ষের লড়াইয়ে অনন্ত চার জন জওয়ান এবং এক জন পুলিশ কর্মী গুরুতর আহত হন। তাঁদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় জওয়ানদের। ভারতীয় সেনার সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপ (এসওজি) যৌথ ভাবে সোমবার সন্ধ্যায় ডোডা জেলার (Doda) দেসা জঙ্গল এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল। এক পুলিশ আধিকারিক জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়েই এই অভিযান চালানো হয়। ওই এলাকায় জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর ছিল। ভারতীয় সেনার তরফে এক্স মাধ্যমে জানানো হয়েছে, সোমবার রাত ৯ টা নাগাদ জঙ্গিদের উপস্থিতির খোঁজ পায় সেনা জওয়ানরা। এরপরই শুরু হয় ব্যাপক গুলির লড়াই।

    আরও পড়ুন: জগন্নাথদেবের রত্নভান্ডারের ভিতরে নাগ দেবতা! দরজা খুলে কী দেখা গেল?

    সন্ত্রাস রুখতে কঠোর পদক্ষেপ (Jammu-Kashmir)

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, অন্তত ৬০ জন জঙ্গির উপস্থিতি রয়েছে কাশ্মীরে (Jammu-Kashmir)। অন্তত ১০ জেলায় ছড়িয়েছে আতঙ্কের ছায়া। এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে পরপর দুবার জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটল ভূস্বর্গে। গত সপ্তাহেই কাঠুয়ায় পাঁচ জওয়ানের মৃত্যু হয়। তারপর সোমবার ফের হামলার ঘটনা ঘটল ডোডায় (Doda)। কখনও সেনা কনভয়ে, কখনও আবার সেনাগাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে গোলাগুলি। জঙ্গিদের খোঁজে এখনও তল্লাশি চালাচ্ছে সেনা। সকালের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ বা সেনার তরফে কিছু জানানো হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে ‘জিরো টেরর’ পরিকল্পনার মাধ্যমে যেভাবে কাশ্মীর উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদকে নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে, ঠিক সেই কাজটাই চালানো হবে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অল-আউট যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Puri Jagannath Temple: জগন্নাথদেবের রত্নভান্ডারের ভিতরে নাগ দেবতা! দরজা খুলে কী দেখা গেল?

    Puri Jagannath Temple: জগন্নাথদেবের রত্নভান্ডারের ভিতরে নাগ দেবতা! দরজা খুলে কী দেখা গেল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভক্তদের বিশ্বাস জগন্নাথদেবের (Puri Jagannath Temple) দুর্মূল্য রত্নরাজি আগলে রেখেছেন নাগ দেবতা। তা স্পর্শ করা সহজ সাধ্য নয়। ৪৬ বছর পর রবিবার, সেই রত্নভান্ডার (Ratna Bhandar) খোলা হয়েছিল। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারকে ঘিরে মানুষের কৌতূহল দীর্ঘদিনের। ভান্ডারে বৈদুর্যমণি, নীলকণ্ঠমণি-সহ অসংখ্য মূল্যবান রত্ন রয়েছে বলে দাবি পাণ্ডাদের। উল্টো রথের আগের দিন মাহেন্দ্রক্ষণে সেই রত্নভান্ডারে প্রবেশ করে ওড়িশা সরকারের তৈরি ১১ জন প্রতিনিধির একটি দল। রত্নভান্ডারের অন্ধকার কক্ষে কী রয়েছে তার ধারণা দিল সেই দল।

    কী জানা গেল (Puri Jagannath Temple)

    রাজ্য সরকারের তৈরি ওই প্রতিনিধি দলের সভাপতি ওড়িশা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বনাথ রথ  জানান, ‘‘রত্নভান্ডারে যে দলটি প্রবেশ করেছিল, তাতে সাত থেকে আট জন মন্দির কমিটির সদস্যও ছিলেন। বহুদা যাত্রা শুরু হয়েছে বলে তাঁরা ব্যস্ত ছিলেন। সে কারণে আমরা ভালো করে খতিয়ে দেখার এবং সব রত্ন সরানোর সময় পাইনি। বিগ্রহের অলঙ্কার, রত্ন সরানোর জন্য অন্য একটি দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এত বছর পর যখন জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডার খোলা হল সেই সময় কোনও সাপ ওখানে ছিল না। এমনকী কোনও পোকামাকড় বা অন্য কোনও সরীসৃপও পাওয়া যায়নি ওখানে।’’ 

    কী আছে রত্ন রত্নভান্ডারে (Ratna Bhandar) 

    মন্দির ট্রাস্টের তরফে জানানো হয়, রত্নভান্ডারের দুটি ভাগ, বাহির ভান্ডার ও ভিতর ভান্ডার। জগন্নাথদেবের (Puri Jagannath Temple) যা কিছু আভূষণ থাকে বাহির ভান্ডারে। আর ভিতর ভান্ডারে থাকে মূল্যবান সামগ্রী, অলঙ্কার। বছরে ১৫ দিন বাহির ভান্ডার খোলা হয়, বন্ধ থাকে ৩৫০ দিন। বহু বছর খোলা হয়নি ভিতর ভান্ডার। শোনা যায়, রত্নভান্ডারে রয়েছে অসংখ্য কাঠের সিন্দুক। সেগুলির উচ্চতা ৩ ফুট, লম্বায় ৯ ফুট। ১৯৭৮ সালের অডিট অনুযায়ী, রত্নভান্ডারে রয়েছে ১ হাজার ৩৩৩ রকমের অলঙ্কার। যার মধ্যে ৪৫৪ ধরনের খাঁটি সোনার অলঙ্কার রয়েছে। কিছু কিছু অলঙ্কারের ওজন এক কেজির বেশি। মোট সোনার অলঙ্কারের ওজন ১২ হাজার ৮৮৩ ভরি। আছে ২৯৩ রকমের রুপোর গয়না, যেগুলির ওজন ২২ হাজার ১৫৩ ভরি। 

    আরও পড়ুন: চন্দ্রযান ৩ বর্ষ পূর্তি! নতুন এক ইতিহাস রচনা ভারতের

    অলঙ্কার রয়েছে মন্দির চত্বরেই (Puri Jagannath Temple)

    শ্রী জগন্নাথ মন্দির (Puri Jagannath Temple) প্রশাসন (এসজেটিএ)-এর প্রধান অরবনিন্দা পাঢ়ি জানিয়েছেন, বাইরের রত্নকক্ষের (Ratna Bhandar) চাবি রাখা ছিল পুরীর রাজা গজপতি মহারাজের কাছে। তিনি বলেন, ‘‘তাঁর থেকে চাবি নিয়েই বাইরের রত্নকক্ষে প্রবেশ করেছি আমরা।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, সেখানে থাকা অলঙ্কার মন্দির চত্বরেই ‘অস্থায়ী স্ট্রং রুম’-এ রাখা হয়েছে। জেলাশাসকের উপস্থিতিতে তা সিল করে দেওয়া হয়েছে। তবে ভিতরের কক্ষে প্রবেশের জন্য ভাঙা হয় তালা। ওড়িশার বিজেপি সরকারের তরফে বলা হয়েছে, ‘‘প্রভু জগন্নাথের ইচ্ছায় ওড়িয়া অস্মিতার পরিচয় নিয়ে এগিয়ে চলেছেন ওড়িশাবাসী। এর আগে মানুষের ইচ্ছায় জগন্নাথ মন্দিরের চারটি দরজা খোলা হয়েছিল। ৪৬ বছর পর রত্নভান্ডারের দরজা খোলা হল। মানুষ যা চায়, তাই করতে বদ্ধ পরিকর সরকার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu & Kashmir: নিশানায় ছিল অমরনাথ! সীমান্তে ফের অনুপ্রবেশ রুখল সেনা, খতম তিন জঙ্গি

    Jammu & Kashmir: নিশানায় ছিল অমরনাথ! সীমান্তে ফের অনুপ্রবেশ রুখল সেনা, খতম তিন জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে ফের অনুপ্রবেশ (Infiltration) রুখে দিল ভারতীয় সেনা। জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu & Kashmir) কুপওয়ারা জেলার কেরন সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করে ভিনদেশিরা। সূত্র মারফৎ খবর পেয়ে অভিযান চালায় ভারতীয় সেনা। তাতে তিন জঙ্গি খতম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    কী বলছেন ব্রিগেডিয়ার? (Jammu & Kashmir)

    সেনার এক আধিকারিক জানান, ১৩-১৪ জুলাই রাতে বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পেয়ে অনুপ্রবেশকারীরা সচরাচর যেসব রাস্তায় এ দেশে ঢোকে, সেই সব রুটে তল্লাশি চালানো হয়। তখনই গুলি ছুড়তে শুরু করে অনুপ্রবেশকারীরা। পাল্টা গুলি চালায় সেনাও। তাতে তিন জঙ্গির মৃত্যু হয়। ২৬৮তম ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড, কেরন সেক্টরের ব্রিগেডিয়ার এনআর কুলকার্নি বলেন, “গোয়েন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়েছিলাম এলাকায় অশান্তি পাকাতে ভারতে অনুপ্রবেশ করছে জঙ্গিরা।” তিনি বলেন, “আমাদের কাছে খবর ছিল জঙ্গিকা এলাকায় অশান্তি পাকানোর পাশাপাশি অমরনাথ যাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের ওপর হামলা চালাতে পারে। ১২ জুলাই আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা এ বিষয়ে নিশ্চিত খবর দেয়। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশও এ বিষয়ে খবর পায়। তার পরেই চালানো হয় অভিযান।”

    যৌথ অভিযানেই মিলল সাফল্য

    তিনি বলেন, “বিদেশি জঙ্গিরা কেরন সেক্টর দিয়ে এ দেশে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছিল। এই অঞ্চলটি ঘন জঙ্গলে ঢাকা। অনেকগুলি নালাও রয়েছে। সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়ে (Jammu & Kashmir) অনুপ্রবেশ করার তালে ছিল জঙ্গিরা।” তিনি বলেন, “সেনা, বিএসএফ এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের যৌথ অভিযানেই মিলেছে সাফল্য। ১৩-১৪ জুলাই চালানো হয় অভিযান। কয়েকজন খতম হয়। বাকিরা সম্ভবত ফিরে গিয়েছে।” ব্রিগেডিয়ার বলেন, “ওই এলাকায় আমরা নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছি। ঘন জঙ্গল এবং কম দৃশ্যমানতার সুযোগ নিয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেছিল জঙ্গিরা।“

    আরও পড়ুন: নয়া প্রধানমন্ত্রী ওলি, কোন খাতে বইবে ভারত-নেপাল সম্পর্কের জল?

    পাক মদতপুষ্ট ওই জঙ্গিরা অস্ত্রশস্ত্রে সুসজ্জিত ছিল বলেও জানান কুলকার্নি। তিনি বলেন, “ওদের ভালোভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। সুসজ্জিত ছিল অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে।” তিনি বলেন, “বেশ খানিকক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর তিন জঙ্গির মৃত্যু হয়। ওই এলাকায় কোনও জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে কিনা, তা (Infiltration) জানতে চলেছিল অভিযান। প্রচুর পরিমাণে অস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে এই অভিযানে (Jammu & Kashmir)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vertical Lift Sea Bridge: এই ধরণের সেতু ভারতের এই প্রথম, জানুন নতুন পামবান সেতুর বৈশিষ্ট্য

    Vertical Lift Sea Bridge: এই ধরণের সেতু ভারতের এই প্রথম, জানুন নতুন পামবান সেতুর বৈশিষ্ট্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমে একটি নতুন পামবান সেতু (Pamban Bridge) শীঘ্রই বাস্তবে পরিণত হতে চলেছে। এটি হবে ভারতের প্রথম ‘ভার্টিক্যাল লিফট ব্রিজ” (Vertical Lift Sea Bridge) । কেন্দ্র সরকারের তরফে পীযূষ গোয়েল জানিয়েছেন, “প্রস্তাবিত ২.০৭ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন পামবান সেতু তীর্থযাত্রী এবং ভক্তদের জন্য একটি আশীর্বাদে পরিণত হতে চলে।ছে যারা তামিলনাড়ু রাজ্যের রামেশ্বরম ও ধনুষকোডি বেড়াতে কিংবা আধ্যাত্মিক সফর করতে যাবেন তাঁরা নতুন ব্রিজ চালু হলে উপকৃত হবেন।” জানা গেছে আগামী দু মাসের মধ্যে শুরু হবে এর ট্রায়াল রান।

    ৫৩৫ কোটি টাকায় তৈরি ভারতের প্রথম “ভার্টিক্যাল লিফট রেলওয়ে সি-ব্রিজ” (Vertical Lift Sea Bridge)

    নতুন সেতু (Pamban Bridge)  ভারতের মন্ডপম শহরকে পামবান দ্বীপ এবং রামেশ্বরমের সঙ্গে যুক্ত করবে। পুরোনো শতাধিক প্রাচীন ব্রিটিশদের নির্মিত ব্রিজকে প্রতিস্থাপন করতে সাহায্য করবে নয়া ব্রিজ। ভারতের প্রথম “ভার্টিক্যাল লিফট রেলওয়ে সি ব্রিজ” (Vertical Lift Sea Bridge) তৈরি করতে রেল বিকাশ নগম লিমিটেডের ৫৩৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। ভার্টিকাল লেফট ব্রিজ বর্তমান ব্রিজের তুলনায় ৩ মিটার বেশি উচ্চতা সম্পন্ন হবে। এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২২ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত থাকবে। এই ব্রিজের কাজ প্রায় ৯০% সম্পন্ন হয়েছে বলে রেলসুত্রের খবর।

    ২০১৯ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন মোদি

    প্রসঙ্গত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৯ সালে এই সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। এটিকে দুই দিকগামী রেল লাইন রেললাইন এবং ভবিষ্যতের বিদ্যুতায়নের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই ব্রিজে ১৮.৩ মিটার লম্বা গার্ডার এবং ৯৯ টি স্পেন থাকবে। এর নেভিগেশনাল স্প্যান হবে ৬৩ মিটার। নতুন পামবান সেতুর সবচেয়ে অনন্য বৈশিষ্ট্য হল, এর উল্লম্ব লিস্ট সুবিধা (Vertical Lift Sea Bridge)। ফলে সময়-সময় নৌকা গুলি সেতুর নিচ দিয়ে চলাচল করতে পারবে।

    আরও পড়ুন: মন্দির ভেঙে মসজিদ? ভোজশালার ওপর সমীক্ষা রিপোর্ট জমা পড়ল আদালতে

    নতুন সেতুটিকে আগের তুলনায় আরো মজবুত বলে দাবি করা হয়েছে। আগের সেতুটি এখন আর চালু নেই। ওই সেতুর (Pamban Bridge) সেন্সরগুলি রেড অ্যালার্ট পাঠানো শুরু করার পর, ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে সেতুর ওপর রেল চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share