Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Ancient Stepwell: পশুপতিনাথ মন্দিরের কাছেই মিলল মধ্যযুগের ইতিহাস, জনতার ভিড়

    Ancient Stepwell: পশুপতিনাথ মন্দিরের কাছেই মিলল মধ্যযুগের ইতিহাস, জনতার ভিড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের পশুপতিনাথ মন্দিরের কাছে নিত্য বাড়ছে কৌতূহলী জনতার ভিড়। না, এঁরা কেউই পশুপতিনাথ মন্দির (Pashupatinath Temple) দর্শনে যাচ্ছেন না। এই মন্দিরের কাছেই পাথারিয়া ব্লকের লাখারোনি গ্রামে খোঁজ মিলেছে মধ্যযুগীয় একটি স্টেপওয়েলের  (জল সংরক্ষণের জন্য খোঁড়া সুসজ্জিত কুয়ো)(Ancient Stepwell)। এই প্রত্নরত্ন দেখতেই নিত্য ভিড় করছেন আবাল-বদ্ধ-বনিতা। জানা গিয়েছে, স্টেপওয়েলটির বয়স ৩৬৩ বছর। এই প্রত্নরত্নই জানিয়ে দিচ্ছে ভারতের হৃদয়স্বরূপ মধ্যপ্রদেশ এক সময় সমৃদ্ধ ছিল সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক ঐতিহ্যে।

    জেলা কালেক্টরের আবিষ্কার (Ancient Stepwell)

    মাঝেমধ্যেই গ্রামীণ এলাকায় পরিদর্শনে যান জেলা কালেক্টর সুধীর কোচ্চার। এরকমই একদিন চক্কর দিতে বেরিয়ে হঠাৎই তাঁর নজরে পড়ে এই স্টেপওয়েলটি। মধ্যযুগে কীভাবে জল সংরক্ষণ করে রাখা হত, তা দেখে আশ্চর্য হয়ে যান জেলা কালেক্টর। দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত থাকা এই জায়গাটিই স্থানীয়দের রক্ষা করতে বলেন। স্থানীয় ঐতিহ্য এবং পরিকাঠামো রক্ষা করা কেন প্রয়োজন, তাও তাঁদের পইপই করে বোঝান জেলা কালেক্টর।

    কী বলছেন আর্কিওলজিক্যাল আধিকারিক?

    মধ্যযুগের মানুষের উদ্ভাবনী ক্ষমতা নিয়ে বলতে (Ancient Stepwell) গিয়ে আর্কিওলজিক্যাল আধিকারিক সুরেন্দ্র চৌরাশিয়া বলেন, “সেই সময় মানুষ কীভাবে জল সংরক্ষণ করতে হয়, তা জানতেন। তাঁদের সেই কৌশল আমাদের অবাক করে দেয়। এটা তাঁদের উদ্ভাবনী শক্তির পরিচায়ক। এই জাতীয় স্টেপওয়েল কিংবা ‘বাওলিস’ কেবল জল সঞ্চয়ের প্র্যাক্টিক্যাল সমাধান ছিল না, এই জায়গায় সাম্প্রদায়িক জমায়েতও হত। যা সেই সময়কার সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক ছবিকেও প্রতিফলিত করে।” স্টেপওয়েলটির গায়ে কিছু খোদাই করা রয়েছে। তার অর্থ পুরোপুরি উদ্ধার করা না গেলেও, সেই যুগের ইতিহাসের একটা ঝলক দেয় বইকি!

    আর পড়ুন: ‘কোনও প্রশ্নপত্র হারায়নি, ফাঁসও হয়নি’, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামায় জানাল কেন্দ্র

    এই প্রত্নতত্ত্ববিদ বলেন, “এই স্টেপওয়েলটিকে আমাদের মধ্যযুগের একটি দলিল বলা যেতে পারে। আমাদের পূর্বপুরুষদের যে অ্যাডভান্সড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কমিউনিটি- সেন্ট্রিক একটা অ্যাপ্রোচ ছিল, এই স্টেপওয়েল মনে করিয়ে দেয় সেকথাই।” যাইহোক, উপেক্ষা এবং ইতিহাসের এই জাতীয় অমূল্য সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ না করা সমাজের পক্ষে (Pashupatinath Temple) একপ্রকার হুমকি বলেই মনে করেন তিনি। এই জাতীয় (Ancient Stepwell) ঐতিহাসিক স্থান রক্ষা করার গুরুত্বের ওপরও জোর দেন প্রত্নতত্ত্ববিদ চৌরাশিয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

  • Neha Hiremath Murder: কর্ণাটকের নেহা হত্যাকাণ্ডে ৪৮৩ পৃষ্ঠার চার্জশিটে উল্লেখ নেই লাভ জিহাদের

    Neha Hiremath Murder: কর্ণাটকের নেহা হত্যাকাণ্ডে ৪৮৩ পৃষ্ঠার চার্জশিটে উল্লেখ নেই লাভ জিহাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্ণাটক পুলিশ এমসিএ ছাত্রী নেহা হিরেমাথ হত্যায় (Neha Hiremath Murder) লাভ জিহাদের (Love Jihad) বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছে। হুবলি আদালতে দায়ের করা চার্জশিটে পুলিশ বলেছে, বিয়ে করতে অস্বীকার করায় নেহাকে খুন করা হয়েছে। এই চার্জশিটে খুনের বিবরণ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ থাকলেও অভিযুক্ত মোহাম্মদ ফায়াজের বিরুদ্ধে লাভ জিহাদের বিষয়টিকে সুকৌশলে এড়িয়ে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। মূলত ফায়াজের হতাশাকে খুনের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে। চার্জশিটে নৃশংস হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য এবং সিসিটিভি ফুটেজও রয়েছে। পুলিশ আইপিসির ৩০২, ৩৪১ এবং ৫০৬ ধারায় ফায়াজ কোন্ডিকাপ্পাকে অভিযুক্ত করেছে। বিস্তৃত চার্জশিটে ৯৯ জনের সাক্ষ্য রয়েছে, যার মধ্যে নেহার পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য রয়েছে। বাবা, মা, ভাই, সহপাঠী, বন্ধু এবং বিভিবি কলেজের লেকচারার।

    পরিকল্পনা করে খুন করে ফায়াজ (Neha Hiremath Murder)

    চার্জশিটে বলা হয়েছে, ফায়াজ এবং নেহা ২০২০-২১ সালে হুবলির পিসি জাবীন কলেজে সহপাঠী ছিলেন। সেই সময় তাঁরা বন্ধু হয়ে ওঠে এবং ২০২২ সালে তাঁদের প্রেম শুরু হয়। ২০২৪ সালে, দুজনের সম্পর্কে ফাটল দেখা দেয় এবং নেহা ফায়াজের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেয়। উপেক্ষা করার পর ফায়াজ তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ পোষণ করতে থাকে এবং তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করে। ২০২৪ সালের ১৮ এপ্রিল, ফায়াজ তাঁকে ছুরি দিয়ে (Neha Hiremath Murder) হত্যা করে। চার্জশিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নেহাকে আক্রমণ করার আগে ফায়াজ তাকে চিৎকার করে বলে, এতদিন প্রেম করার পরেও কেন তাঁকে বিয়ে করবে না। তারপর সে বলে, তোকে ছাড়ব না এবং এরপরেই নেহার গলায় ছুরিকাঘাত শুরু করে। এর পর বুকে ও ঘাড়ে ছুরি দিয়ে নৃশংস ভাবে আঘাত করে। ৩০ সেকেন্ডে ১৪ বার ছুরি মারা হয়েছিল এবং এর কারণে তার গলার শিরা কেটে যায়। যার ফলে প্রচুর পরিমাণে রক্ত ​​বের হয়। পরে নেহার মৃত্যু হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়, ফায়াজ পরে ছুরিটি ঘটনাস্থলে ফেলে পালিয়ে যায়।

    ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দিচ্ছিল অভিযুক্ত (Love Jihad)

    খুনের তিন দিন আগে ফায়াজ ধারাওয়াদের আর্য সুপার মার্কেট থেকে ছুরি কেনে। অপরাধের দিন কলেজ ক্যাম্পাসে ঢোকার সময় সে একটি লাল টুপি কিনে কালো মাস্কে মুখ ঢেকেছিল। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে সিআইডি সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করেছে। হত্যার (Neha Hiremath Murder) ৮১ দিন পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আদালতে চার্জশিট পেশ করা হয়। লোকসভা নির্বাচনের আগে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস ঘটনা রাজ্যকে হতবাক করেছিল। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বরা ঘটনাটিকে প্রেম-সম্পর্কিত বিষয় হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন, যার জেরে রাজ্যের মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছিল।

    আরও পড়ুন: মেড ইন ইন্ডিয়ার সাফল্য! প্রথম বার স্নাইপার রাইফেল রফতানির বরাত পেল ভারত

    পরে তাঁরা দুজনেই তাঁদের বক্তব্যের জন্য নেহার পরিবারের কাছে ক্ষমা চান। নেহার বাবা-মা দাবি করেছিলেন, তাঁদের মেয়েকে অভিযুক্ত ফায়াজ ধর্ম পরিবর্তন (Love Jihad) করে বিবাহের জন্য চাপ দিচ্ছিল এবং নির্যাতন করেছিল। নেহা বিবাহের জন্য ধর্ম পরিবর্তনে করতে না চাওয়ায় তাঁকে খুন হতে হয়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • President Murmu: অলিম্পিক্সে পদকজয়ী সাইনার সঙ্গে ব্যাডমিন্টনে মাতলেন রাষ্ট্রপতি! ভাইরাল তাঁর নয়া অবতারের ভিডিও

    President Murmu: অলিম্পিক্সে পদকজয়ী সাইনার সঙ্গে ব্যাডমিন্টনে মাতলেন রাষ্ট্রপতি! ভাইরাল তাঁর নয়া অবতারের ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার এক অন্য অবতারে ধরা দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Murmu)। শাড়ি ছেড়ে সালোয়ার কামিজ পরে, কোমরে ওড়না বেঁধে নেমে পড়লেন ব্যাডমিন্টন কোর্টে। তিনি দেশের রাষ্ট্রপতি। গোটা দেশের অভিভাবকও তিনি। তবে ব্যাডমিন্টন হাতেও যে এভাবে চমক দেখাবেন কে জানত? বুধবার অলিম্পিক পদকজয়ী সাইনা নেহওয়ালের (Saina Nehwal) সঙ্গে ব্যাডমিন্টন কোর্টে মুখোমুখি হলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও 

    বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করা হয় রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে। সেখানে দেখা যায়, হাতে ব্যাডমিন্টন র‍্যাকেট এবং পায়ে সাদা স্পোর্টস শ্যু পড়ে একেবারে ম্যাচের মুডে রাষ্ট্রপতি। অধিকাংশ সময়ই সম্বলপুরী শাড়িতে দেখা যায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে (President Murmu)। কিন্তু, বুধবার সন্ধ্যায় একেবারে অন্য মুডে ছিলেন তিনি। এদিন রাষ্ট্রপতি ভবনের ব্যাডমিন্টন কোর্টে একেবারে দক্ষ খেলোয়াড়ের মেজাজে নেমে পড়লেন দ্রৌপদী মুর্মু (President Murmu)। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ২০১২ অলিম্পিকের ব্রোঞ্জজয়ী সাইনার বিরুদ্ধে ৬৬ বছর বয়সি দ্রৌপদী জিতে নেন একটি পয়েন্টও। সেই দেখে হাততালিতে ফেটে পড়ে ব্যাডমিন্টন কোর্টের দর্শকাসন।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by President of India (@presidentofindia)

    এই ভিডিও পোস্ট করে রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে জানানো হয়, খেলাধুলার প্রতি খুব স্বাভাবিক ঝোঁক রয়েছে রাষ্ট্রপতির (President Murmu)। তিনি মনে করেন নিয়মিত খেলাধূলা করলে শরীর ও মন তাজা থাকে। সম্প্রতি বিভিন্ন স্পোর্টসে মহিলাদের অংশগ্রহণের পরিসংখ্যানে তিনি খুশি। আর সাইনার সঙ্গে ব্যাডমিন্টন খেলতে পেরেও তিনি খুব খুশি। 

    আরও পড়ুন: ‘কোনও প্রশ্নপত্র হারায়নি, ফাঁসও হয়নি’, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামায় জানাল কেন্দ্র

    রাষ্ট্রপতি ভবনে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন সাইনা

    সাইনা নেহওয়াল, শুধু একজন তারকা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় নন বরং পদ্মশ্রী এবং পদ্মভূষণ পুরস্কারপ্রাপ্তও। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি ভবনে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন সাইনা। জানা গিয়েছে, ‘হার স্টোরি-মাই স্টোরি’ নামের ওই অনুষ্ঠানে পদ্ম সম্মান পাওয়া মহিলাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে, সেখানে সাইনা (Saina Nehwal) তাঁর জীবনের কাহিনি নিয়ে একটি বক্তব্য পেশ করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET UG Row: ‘কোনও প্রশ্নপত্র হারায়নি, ফাঁসও হয়নি’, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামায় জানাল কেন্দ্র

    NEET UG Row: ‘কোনও প্রশ্নপত্র হারায়নি, ফাঁসও হয়নি’, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামায় জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘কোনও প্রশ্নপত্র হারায়নি, ফাঁসও হয়নি।’ বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এই মর্মে (NEET UG Row) হলফনামা দিয়েছে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার নিট ইউজি প্রবেশিকা পরীক্ষায় হওয়া নিয়ে একগুচ্ছ অনিয়মের অভিযোগের শুনানি হওয়ার কথা শীর্ষ আদালতে। তার আগের দিনই কেন্দ্রের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল, নিট পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, বড়সড় কোনও অনিয়ম হয়েছে বা স্থানীয়ভাবে এক সঙ্গে অনেক পরীক্ষার্থী সুবিধা পেয়েছেন, এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি।

    নিট ইউজি পরীক্ষা (NEET UG Row)

    চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে গেলে নিট ইউজি পরীক্ষায় বসতে হয়। এই পরীক্ষা এবং অন্যান্য বড় পরীক্ষার আয়োজন করে এনটিএ নামে একটি সংস্থা। অভিযোগ, গত কয়েক দিন আগে যে নিট ইউজি পরীক্ষা হয়েছিল, তার প্রশ্নফাঁস হয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। বর্তমানে সেখানেই বিচারাধীন রয়েছে মামলাটি। এনটিএ-ও সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁসের (NEET UG Row) যে অভিযোগ উঠেছে, তা ঠিক নয়। কারণ একটিও প্রশ্নপত্র হারায়নি, পাটনায়, যেখানে প্রশ্নপত্র রাখা হয়েছিল, সেখানকার তালাও ভাঙা হয়নি।

    এনটিএ-র দাবি

    এনটিএ-র দাবি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিহারের রাজধানী পাটনা থেকেই সর্বভারতীয় এই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন পরীক্ষার্থী এবং তাঁদের অভিভাবকদের একাংশ। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার জালেই ধরা পড়েছে ৮জন। সুপ্রিম কোর্ট জমা দেওয়া হলফনামায় এনটিএ-র তরফে বলা হয়েছে, পরীক্ষা নিয়ে সিটি কো-অর্ডিনেটরের রিপোর্ট, সেন্টার সুপারিনটেনডেন্টস এবং পর্যবেক্ষকদের উদ্বেগের কারণ খতিয়ে দেখা হয়েছে। তাতেই দেখা গিয়েছে, কোনও ট্রাঙ্ক(যেখানে প্রশ্নপত্র রাখা হয়েছিল) থেকেই একটিও প্রশ্নপত্র খোয়া যায়নি।

    আর পড়ুন: “ভারত বিশ্বকে বুদ্ধ দিয়েছে, যুদ্ধ নয়”, অস্ট্রিয়ায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রতিটি প্রশ্নপত্রের একটি ইউনিক সিরিয়াল নম্বর রয়েছে। সেটাই একটি নির্দিষ্ট ছাত্রকে দেওয়া হয়। কোনও ট্রাঙ্কেরই তালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়নি। এনটিএ-র পর্যবেক্ষকদের রিপোর্টে কোনও ব্যতিক্রমী কিছু দেখা যায়নি। কমান্ড সেন্টারের সিসিটিভিতে নিরন্তর মনিটরিং করা হচ্ছে। তাতে কোথাও কোনও অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটতে দেখা যায়নি, যা থেকে এটা প্রমাণ হয় প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল (NEET UG Row)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • BIMSTEC: বিমসটেকের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক শুরু আজ থেকে, যোগ দেবেন এস জয়শঙ্কর

    BIMSTEC: বিমসটেকের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক শুরু আজ থেকে, যোগ দেবেন এস জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বিমসটেক’ (BIMSTEC) বা বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল, টেকনিকাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত। আজ ১১ জুলাই বিমসটেকের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক নয়াদিল্লিতে (Delhi) অনুষ্ঠিত হবে। ‘বিমসটেক’ এর সদস্য দেশগুলি হল- বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। এই আঞ্চলিক জোট মূলত বঙ্গোপসাগরের সীমান্তবর্তী দেশগুলিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য কাজ করে। বিমসটেকের (BIMSTEC) শীর্ষ সম্মেলন চলতি বছরে সেপ্টেম্বর মাসেই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যোগ দিতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। গত বছরের জুলাইতে থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্ককে প্রথম বিমসটেক বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তারপর তা আবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে নয়া দিল্লিতে (Delhi)।

    বিমসটেকের (BIMSTEC) সেক্রেটারি জেনারেল রয়েছেন ভারতীয় কূটনীতিক ইন্দ্রমণি পান্ডে

    ১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু করা এই জোটে প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড সদস্য ছিল। ২০০৪ সালে এর সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ৭। বিমসটেকের সদর দফতর খোলা হয় ঢাকাতে ২০১৪ সালে। বিমসটেকের সদস্য দেশগুলির মধ্যে যে সমস্ত বিষয় নিয়ে সহযোগিতা চলে সেগুলি হল ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ, পরিবহন, শক্তি, পর্যটন, প্রযুক্তি, মৎস্য, কৃষি, জনস্বাস্থ্য, দারিদ্র-দূরীকরণ, পরিবেশ, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান তথা জলবায়ু। ২০১৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত বিমসটেকের প্রথম সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন শ্রীলঙ্কার সুমিত নাকানদালা। ২০২৩ সাল থেকে বিমসটেকের সেক্রেটারি জেনারেল রয়েছেন ভারতীয় কূটনীতিক ইন্দ্রমণি পান্ডে।

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বিমসটেকের বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বিমসটেকের (BIMSTEC) বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে চলা এই বৈঠক দুদিন ধরে চলবে নয়া দিল্লিতে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, আলাদা আলাদা দেশের সঙ্গে সহযোগিতা, বাণিজ্য, যোগাযোগ- এ সমস্ত কিছু নিয়ে আলোচনা চলবে। বিমসটেকের বৈঠকে যোগ দিতে ইতিমধ্যে দিল্লিতে হাজির হয়েছেন মায়ানমারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইউ থান। প্রসঙ্গত, ভারত সার্ক গোষ্ঠীর থেকেও বিমসটেককে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। কারণ ইতিমধ্যে দেখা গিয়েছে সার্ক গোষ্ঠীভুক্ত দেশ হওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তান সন্ত্রাস দমনে কোনও রকমের ব্যবস্থা তো নেয় নি, উপরন্তু সন্ত্রাসকে মদত দেওয়ার অনেক রকমেরই কাজ করেছে। সে দিক থেকে পাকিস্তানকে কূটনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে বিমসটেকের মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলিকে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে চলা ভারতের অনেক বড় কূটনৈতিক জয় বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Population Day: আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব

    World Population Day: আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ১১ জুলাই ওয়ার্ল্ড পপুলেশন ডে বা বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস (World Population Day)। সারা পৃথিবীতে প্রায় প্রতিনিয়তই দ্রুত হারে বেড়ে চলেছে জনসংখ্যা। এর ফলে একদিকে যেমন স্থিতাবস্থা নষ্ট হচ্ছে তেমনই বাড়ছে উদ্বেগ। এর ভালো মন্দ দু’রকমের প্রভাবই পড়ছে। বাড়তে থাকা জনসংখ্যার প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যেই পালিত হয় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস।

    বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের ইতিহাস (World Population Day)

    এই দিনটি পালন করার পরামর্শ দিয়েছিলেন ড. কিসী। ১০০০ খ্রিস্টাব্দে বিশ্বের জনসংখ্যা ছিল ৪০ কোটি এবং ১৮০৪ সালের মধ্যে এই সংখ্যা পৌঁছেছিল ১ বিলিয়নে। এরপর ১৯৬০ সালে এই সংখ্যাটি পৌঁছায় ৩ বিলিয়ন এবং ১৯৮৭ সালে এই সংখ্যাটি পৌঁছায় ৫ বিলিয়নে। বর্তমানে বিশ্বের জনসংখ্যা ৮ বিলিয়নেরও বেশি। ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির তৎকালীন গভর্নিং কাউন্সিল এই দিনটি পালন করার কথা বিবেচনা করেন। ১৯৯০ সালের ১১ জুলাই প্রথম এই দিনটি পালন করা হয়। প্রথম বছরই বিশ্বের ৯০টির বেশি দেশ এই দিনটি পালন করে। তারপর থেকেই সারা বিশ্বে প্রতি বছর ১১ জুলাই পালন করা হয় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস (World Population Day)।

    কেন পালন করা হয় (World Population Day)

    এই মুহূর্তে সারা বিশ্বের জনসংখ্যা প্রায় ৮ বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। এই অতিরিক্ত জনসংখ্যার নেতিবাচক প্রভাব পরছে পরিবেশের ওপর। বাড়তে থাকা জনসংখ্যার কারণে দ্রুত পরিবেশ পরিবর্তন হচ্ছে এবং যার ফলে প্রভাব পড়ছে মানুষের স্বাস্থ্য, শিক্ষার ওপর। এই বিষয়টি নিয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়।

    আরও পড়ুন: মেড ইন ইন্ডিয়ার সাফল্য! প্রথম বার স্নাইপার রাইফেল রফতানির বরাত পেল ভারত

    ভারতে এর গুরুত্ব (World Population Day)

    বিশ্বে অন্যান্য দেশের তুলনায় জনসংখ্যার দিকে সবথেকে এগিয়ে রয়েছে ভারত (India), জনসংখ্যা প্রায় ১৪১.৭২ কোটি। সব থেকে কম জনসংখ্যা রয়েছে ভ্যাটিকান সিটির, জনসংখ্যা প্রায় ৯০০ জন। তবে প্রতিবছর দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে জনসংখ্যা। এর ভালো মন্দ দুইই রয়েছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট বলছে, ২০৫০ সালে চিনের সম্ভাব্য জনসংখ্যা হবে ১৩১ কোটিরও বেশি। ওই সময়ে অনেকটাই এগিয়ে যাবে ভারত সম্ভাব্য জনসংখ্যা ১৬৬ কোটিরও বেশি। যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বিশেষজ্ঞদের মনে। এক্ষেত্রে দেশে পরিবার পরিকল্পনা বা জন্মনিয়ন্ত্রণ প্রকল্প আবশ্যিক ভাবে কার্যকর করা উচিত বলে অভিমত অনেকের। খাদ্য, বাসস্থান এবং কর্মসংস্থান নিয়ে এমনিতেই রয়েছে নানা সমস্যা। দেশে কমছে চাষযোগ্য জমির পরিমাণও। জন বিস্ফোরণ হলে, সেক্ষেত্রে খাদ্য সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। আর্থিক অবস্থার উন্নতি হলেও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ভারতের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    মোহন ভাগবতের মত

    এ বিষয়ে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত জনসংখ্যার স্থিতাবস্থা বজায় রাখার পক্ষে কথা বলেন। তিনি জানান, জনসংখ্যার ভারসাম্য যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দেশের সকলের জন্য জনসংখ্যা নীতি প্রযোজ্য হওয়া উচিত, বলে মনে করেন তিনি। জনসংখ্যা (India) ভারসাম্য হারালে ভৌগলিক সীমারেখার ওপর প্রভাব পড়বে। ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যার ভারসাম্য একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যা সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত। এই বিষয়টি আর অগ্রাহ্য করা উচিত হবে না বলেও তাঁর মত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Om Birla: ব্রিকস পার্লামেন্টারি ফোরামে ভারতীয় সংসদীয় দলের নেতৃত্ব দেবেন স্পিকার

    Om Birla: ব্রিকস পার্লামেন্টারি ফোরামে ভারতীয় সংসদীয় দলের নেতৃত্ব দেবেন স্পিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকস পার্লামেন্টারি ফোরামে (BRICS Forum) ভারতীয় সংসদীয় দলের নেতৃত্ব দেবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)। ১১-১২ জুলাই রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত হবে ১০তম ব্রিকস পার্লামেন্টারি ফোরাম। এই ফোরামেই যোগ দেবে ভারতীয় সংসদীয় দল, যার নেতৃত্ব দেবেন লোকসভার স্পিকার।

    প্রতিনিধি দলে কারা থাকবেন? (Om Birla)

    ভারতীয় সংসদীয় এই প্রতিনিধি দলে থাকবেন রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ, রাজ্যসভার সেক্রেটারি জেনারেল পিসি মোদি, রাজ্যসভার সাংসদ শম্ভুশরণ প্যাটেল, লোকসভার মহাসচিব উৎপল কুমার সিং, লোকসভা সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব অঞ্জনি কুমার-সহ আরও কয়েকজন। ব্রিকস পার্লামেন্টারি ফোরামে ফি বছর একটি করে বিষয়ের ওপর আলোচনা করা হয়। এবারের থিম হল, ‘রোল অফ পার্লামেন্টস ইন স্ট্রেনদেনিং মাল্টিল্যাটারালিজম ফর জাস্ট গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি’। ব্রিকসের সদস্য দেশগুলি হল ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইরান, মিশর, ইথিওপিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।

    কী বললেন লোকসভার স্পিকার?

    এক্স হ্যান্ডেলে লোকসভার স্পিকার লিখেছেন, “সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত দশম ব্রিকস পার্লামেন্টারি ফোরামে আইপিডির নেতৃত্ব দিচ্ছি। ব্রিকস এবং আমন্ত্রিত দেশগুলির সঙ্গে ইন্টার পার্লামেন্টারি সহযোগিতা মজবুত করতে মুখিয়ে রয়েছি। এই সফরে ভাইব্র্যান্ট ইন্ডিয়ান প্রবাসীদের সঙ্গে কখন সাক্ষাৎ করতে পারব, সেদিকেও তাকিয়ে রয়েছি।” এই ফোরামে (Om Birla) গিয়ে লোকসভার স্পিকার বিভিন্ন দেশের স্পিকারদের সঙ্গে যোগ দেবে পার্শ্ববৈঠকে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভারতের অবস্থানও স্পষ্ট করবেন তিনি। মস্কোয় ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

    আর পড়ুন: “এটা যুদ্ধের সময় নয়, সমর্থনযোগ্য নয় সন্ত্রাসবাদও”, অস্ট্রিয়ায় বললেন মোদি

    এই ফোরামে মূলত দু’টি বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পেশ করবেন লোকসভার স্পিকার। একটি হল, ‘ব্রিকস পার্লামেন্টারি ডাইমেনশন – পসিবিলিটিজ অফ স্ট্রেনদেনিং ইন্টার পার্লামেন্টারি কো-অপারেশন’ এবং ‘রোল অফ পার্লামেন্টস ইন ওভারকামিং থ্রেটস রিলেটেড টু ফ্র্যাগমেন্টেশন অফ দ্য মিউচুয়াল ট্রেডিং সিস্টেম অ্যান্ড দ্য কনসিকোয়েন্সেস অফ গ্লোবাল ক্রাইসিস’। ব্রিকস সম্মেলনের শেষে পাশ হবে জয়েন্ট স্টেটমেন্ট।

    প্রসঙ্গত, এবারের ব্রিকস সম্মেলনে (BRICS Forum) আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, বেলারুশ, কিরগিজ রিপাবলিক, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান এবং তুর্কিমেনিস্তানের প্রতিনিধিরাও (Om Birla)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • SSS Defence: মেড ইন ইন্ডিয়ার সাফল্য! প্রথম বার স্নাইপার রাইফেল রফতানির বরাত পেল ভারত

    SSS Defence: মেড ইন ইন্ডিয়ার সাফল্য! প্রথম বার স্নাইপার রাইফেল রফতানির বরাত পেল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ফের মেড ইন ইন্ডিয়ার সাফল্য। দেড় কিলোমিটার দূর থেকে নিশানা করতে সক্ষম .৩৮৮ লাপুয়া ম্যাগনাম স্নাইপার রাইফেল (Sniper Rifles) তৈরি হচ্ছে ভারতে। শুধু তৈরিই নয় বেঙ্গালুরুর ছোট অস্ত্র প্রস্তুতকারক এসএসএস ডিফেন্স তা রফতানিও শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই এসএসএস ডিফেন্স (SSS Defence) বিদেশে স্নাইপার রাইফেল রফতানির বরাত পেয়েছে বলে খবর। যার অঙ্ক ৫ কোটি ডলার (প্রায় ২১৭ কোটি টাকা)।

    স্নাইপার রাইফেল কী (Sniper Rifles)

    এই রাইফেল প্রায় দেড় কিলোমিটার দূর থেকে নিখুঁত নিশানায় আঘাত করতে পারে শত্রুকে। এক গুলিতেই করতে পারে ধরাশায়ী। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের ইছাপুর রাইফেল ফ্যাক্টরিতে প্রায় এক দশক আগে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছিল প্রথম স্নাইপার রাইফেল (Sniper Rifles) ‘ঘাতক’। বিভিন্ন রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় আধাসেনা এই রাইফেল ব্যবহার করে। ভারতীয় সেনা রুশ ড্রাগোনভ, ইজরায়েলের আইএমআই গালিল, জার্মান সংস্থা ‘হেকলার অ্যান্ড কখ্’ নির্মিত পিএসজি১, জার্মানির মাউসার সংস্থার এসপি৬৬-র পাশাপাশি ব্যবহার করে এসএসএস ডিফেন্সের .৩৮৮ লাপুয়া ম্যাগনাম।

    আরও পড়ুন: আধুনিক জীবনেও প্রাসঙ্গিক আয়ুর্বেদ! পেশির জোর বাড়ায় প্রকৃতির যে যে উপাদান

    মোদি সরকারের আত্মনির্ভর ভারত (SSS Defence)

    প্রতিরক্ষা সূত্রে খবর, স্নাইপার রাইফেলের (Sniper Rifles) পাশাপাশি এসএসএস ডিফেন্স (SSS Defence) বিদেশ থেকে অন্য অস্ত্র এবং গোলাবারুদ সরবরাহের বরাত পেয়েছে। বেঙ্গালুরুর ওই সংস্থা প্রায় ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের গোলাবারুদ সরবরাহের জন্য চুক্তি করেছে। এর ফলে মোদি সরকারের আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্প সাড়া ফেলেছে। ভারতের বার্ষিক প্রতিরক্ষা উৎপাদন ২০২৩-২৪ সালে প্রায় ১.২৭ লক্ষ কোটি টাকার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে যাবে, মেক ইন ইন্ডিয়া প্রোগ্রাম থেকে এমনই আশা করছে মোদি সরকার। একটি সূত্র জানিয়েছে, “ভারত এখন বন্দুক থেকে শুরু করে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং ছোট অস্ত্রের মতো বিপুল সংখ্যক সরঞ্জাম তৈরি ও রফতানি করছে। এতদিন ভারত এই সিস্টেমগুলির আমদানিকারক ছিল, কিন্তু এখন আমরা সেগুলি রফতানি শুরু করেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Delhi News: চেয়েছিলেন পুত্রসন্তান, হল যমজ কন্যাসন্তান, দু’জনকেই খুন করে গ্রেফতার ‘কীর্তিমান’ পিতা

    Delhi News: চেয়েছিলেন পুত্রসন্তান, হল যমজ কন্যাসন্তান, দু’জনকেই খুন করে গ্রেফতার ‘কীর্তিমান’ পিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের দুই যমজ সদ্যজাত কন্যাকে হত্যা (Murder) করে কবর দেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর-পশ্চিম দিল্লির (Delhi News) সুলতানপুরী এলাকায়। অভিযোগ, গত ৩ জুন নিজের হাতে দুই নবজাতক কন্যাকে হত্যা করে নীরজ সোলাঙ্কি নামে এক ব্যাক্তি। নবজাতকদের খুন করে দেহ মাটি চাপা দিয়ে দেয় সে। অবশেষে হরিয়ানা (Haryana) থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ (Police) ।

    যমজ কন্যাসন্তানের জন্ম নেওয়ায় অখুশি পিতা

    পুলিশ জানিয়েছে, নীরজ সোলঙ্কি তাঁর স্ত্রীর কাছে একটি পুত্র সন্তান আশা করেছিলেন। এবং যমজ কন্যার জন্ম নিয়ে বিরক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। ৩ জুন কথিত খুনের পর থেকে তিনি পলাতক (Delhi News) ছিলেন। তাঁকে হরিয়ানা থেকে গ্রেফতার করা হয়। নীরজ সোলঙ্কির সঙ্গে দিল্লির সুলতানপুরীতে বসবাস করতেন তাঁর স্ত্রী পূজা সোলঙ্কি। ৩০ মে হরিয়ানার রোহতকের একটি হাসপাতালে যমজ কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন পূজা।

    নিজের হাতেই দুই সদ্যজাতকে খুন (Delhi News)

    “সদ্যজাতদের কন্যা সন্তানদের খুন করে অভিযুক্ত নীরজ তাঁর অবস্থান পরিবর্তন করে দিল্লি এবং হরিয়ানায় বিভিন্ন ঠিকানায় লুকিয়ে গ্রেফতার এড়াচ্ছিলেন,” পুলিশ একটি আধিকারিক বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছে। নীরজ সোলঙ্কির (৩২) শ্যালক পুলিশের কাছে অভিযোগ করার পর থেকেই তাঁকে পুলিশ খুঁজে বেড়াচ্ছিল। পুলিশকে ফোন করে নীরজের শ্যালক জানান, “নীরজ ৩ দিন বয়সী যমজ মেয়েকে (Delhi News) হত্যা (Murder) করেছে এবং একটি শ্মশানে কবর দিয়েছেন। এরপর, শ্মশানে পুলিশ যায়, যেখানে শিশুদের কবর দেওয়া হয়েছিল এবং মৃতদেহগুলি উত্তোলনের জন্য সংশ্লিষ্ট এসডিএম (সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট) এর কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয়। ৫ জুন, মঙ্গলপুরীর একটি মর্গে মৃতদেহগুলি উত্তোলন করে সংরক্ষণ করা হয়। ৬ জুন, পুলিশ ময়নাতদন্ত করিয়ে মৃতদের পূজার ভাইয়ের হাতে তুলে দেয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: এবার খোরপোশ দাবি করতে পারবেন ডিভোর্সি মুসলিম মহিলারাও, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    Supreme Court: এবার খোরপোশ দাবি করতে পারবেন ডিভোর্সি মুসলিম মহিলারাও, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধ-সকালে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। এবার থেকে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে প্রাক্তন স্বামীর কাছ থেকে খোরপোশ দাবি করতে পারবেন মুসলিম মহিলারাও (Divorced Muslim Women)। এদিন এমনই রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। রায় দিয়েছে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি বিভি নাগারত্ন এবং বিচারপতি অগাস্টাইন জর্জ মাসিহ-র ডিভিশন বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের জেরে এতদিন যে সুযোগ-সুবিধা পেতেন হিন্দু বিবাহবিচ্ছিন্ন মহিলারা, এবার থেকে সেই একই সুযোগ পাবেন মুসলমান ডিভোর্সি মহিলারাও।

    ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ (Supreme Court)

    সুপ্রিম কোর্টের এই বেঞ্চ জানায়, মুসলিম মহিলা (বিবাহ বিচ্ছেদ অধিকার সংরক্ষণ) আইন, ১৯৮৬ সেকুলার আইনের ঊর্ধ্বে হতে পারে না। ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সব বিবাহিত মহিলাই খোরপোশের দাবি করতে পারেন, তা তিনি যে ধর্মেরই হোন না কেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নাগারত্ন বলেন, “কিছু স্বামী এটা বুঝতেই পারেন না যে তাঁর স্ত্রী, যিনি গৃহবধূ, তিনি মানসিক ও অন্যান্য দিক থেকে তাঁর ওপরে নির্ভরশীল। তাই সময় এসেছে, ভারতীয় পুরুষদের গৃহবধূদের ভূমিকা ও আত্মত্যাগকে স্বীকার করে নেওয়ার।”

    ‘অনুচ্ছেদ ১২৫ প্রত্যেক মহিলার ক্ষেত্রেই কার্যকর’

    বিবাহ বিচ্ছেদের পর প্রাক্তন স্ত্রীকে খোরপোশ দিতে অস্বীকার করেছিলেন এক মুসলিম ব্যক্তি। নিম্ন আদালতের খোরপোশের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তিনি দ্বারস্থ হন সুপ্রিম কোর্টের। এদিন তাঁর সেই পিটিশন খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দেয়, ফৌজদারি আইনের ১২৫ নম্বর ধারায় বিবাহ বিচ্ছিন্ন মুসলিম মহিলারাও খোরপোশ দাবি করতে পারেন তাঁর প্রাক্তন স্বামীর কাছ থেকে।

    আর পড়ুন: দেশে নয়া কর্মসংস্থান হয়েছে ৪ কোটি ৭০ লাখ, বলছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

    সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য, “অনুচ্ছেদ ১২৫ প্রত্যেক মহিলার ক্ষেত্রেই কার্যকর। কেবলমাত্র বিবাহিত হিন্দু মহিলাই নন, প্রত্যেক মহিলার ক্ষেত্রেই কার্যকর।” আদালত (Supreme Court) এ-ও জানিয়েছে, খোরপোশ কোনও দান-খয়রাত নয়। প্রত্যেক বিবাহিত মহিলার অধিকার। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, খোরপোশের আবেদন মুলতুবি থাকাকালীনও যদি বিবাহ বিচ্ছেদে সিলমোহর পড়ে যায়, তাহলে সেক্ষেত্রে ২০১৯ সালের আইন অনুযায়ী এগোতে (Divorced Muslim Women) পারবেন সংশ্লিষ্ট মহিলা। সেক্ষেত্রেও ১২৫ নম্বর ধারায় রয়েছে প্রতিকারের ব্যবস্থা (Supreme Court)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share