Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Lok Sabha Election 2024: শতায়ু ভোটারের সংখ্যা প্রায় ২৪ হাজার! আজ ষষ্ঠ দফার ভোটে ৮৮৯ প্রার্থীর ভাগ্য-নির্ণয়

    Lok Sabha Election 2024: শতায়ু ভোটারের সংখ্যা প্রায় ২৪ হাজার! আজ ষষ্ঠ দফার ভোটে ৮৮৯ প্রার্থীর ভাগ্য-নির্ণয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজ ষষ্ঠ দফায় (6th Phase Voting) ৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৫৮টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। এই পর্বে ভোটগ্রহণ হবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দিল্লি ও জম্মু-কাশ্মীরে। এর পাশাপাশি হরিয়ানা, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গেও ভোট রয়েছে। ওড়িশা বিধানসভার ৪২টি আসনেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সবমিলিয়ে ষষ্ঠ দফার নির্বাচনে ৮৮৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে ৩৩৭ জন কোটিপতি বলে জানা গিয়েছে।

    ষষ্ঠ দফার ভোটে (6th Phase Voting) বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

    -ষষ্ঠ দফার ভোটে মোট পোলিং অফিসার রয়েছেন প্রায় ১১.৪ লক্ষ। ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১.১৪ লক্ষ এবং ভোটার রয়েছেন ১১.১৩ কোটি
    -নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১১.১৩ কোটি ভোটারের মধ্যে ৫.৮৪ কোটি পুরুষ রয়েছেন এবং ৫.২৯ কোটি মহিলা রয়েছেন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ৫,১২০
    – ষষ্ঠ দফার ভোটে ৮৫ বছরেরও বেশি ভোটারের সংখ্যা রয়েছে ৮.৯৩ লাখ।
    – ১০০ বছরেরও বেশি ভোটারের সংখ্যা রয়েছে ২৩,৬৫৯ জন
    – ষষ্ঠ দফার ভোটে দিব্যাঙ্গ ভোটারের সংখ্যা রয়েছে নয় দশমিক পাঁচ আট লাখ (Lok Sabha Election 2024)।
    -ভোটের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা কর্মীদের ফেরানোর জন্য ২০টি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে
    – ষষ্ঠ দফা (6th Phase Voting) নির্বাচন পরিচালনা করবেন মোট ১৮৪ জন পর্যবেক্ষক। এর পাশাপাশি রয়েছে ২,২২২টি ফ্লাইং স্কোয়াড, ২২৯৫টি স্ট্যাটিক সার্ভেলাইন্স টিম এবং ৫৬৯টি ভিডিও ভিউইং টিম 
    – মোট ২৫৭টি আন্তর্জাতিক সীমান্তে এবং ৯২৭টি আন্তরাজ্য সীমান্তে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি সমুদ্র এবং আকাশ পথেও চলছে নজরদারি
    – বয়স্ক ভোটাররা যাতে জল, টয়লেট, হুইলচেয়ার, বিদ্যুতের মতো সুবিধা পান সেদিকেও নজর দিয়েছে কমিশন

    ষষ্ঠ দফায় যে যে আসনে ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024)

    পশ্চিমবঙ্গের আটটি আসনে ভোটগ্রহণ রয়েছে, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর, ঘাটাল, ঝাড়গ্রাম, কাঁথি, মেদিনীপুর, পুরুলিয়া এবং তমলুকে।

    বিহারের বাল্মীকি নগর, পশ্চিম চম্পারণ, পূরবী চম্পারণ, শেওহল, বৈশালী, গোপালগঞ্জ (তফসিলি সংরক্ষিত), সিওয়ান, মহারাজগঞ্জে।

    দিল্লির চাঁদনি চক, উত্তর-পূর্ব দিল্লি, পূর্ব দিল্লি, নয়াদিল্লি, উত্তর-পশ্চিম দিল্লি, দক্ষিণ দিল্লিতে

    হরিয়ানার অম্বালা, কুরুক্ষেত্র, সিরসা, হিসার, কার্নাল, সোনিপত, রোহতক, ভিওয়ানি-মহেন্দ্রগড়, গুরুগ্রাম, ফরিদাবাদে ভোটগ্রহণ।

    জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ-রাজৌরি আসনে ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024) রয়েছে।

    ওড়িশার ভুবনেশ্বর, পুরী, কেওনঝড় (তফসিলি সংরক্ষিত), ঢেঙ্কানাল, কটক, সম্বলপুরে ভোট রয়েছে।

    ঝাড়খণ্ডের গিরিডি, ধানবাদ, রাঁচি এবং জামশেদপুরে

    উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুর, প্রতাপগড়, ফুলপুর, এলাহাবাদ, অম্বেডকর নগর, শ্রাস্বতী, দোমরিয়াগঞ্জ, বসতি, সন্ত কবীর নগর, লালগঞ্জ, আজমগড়, জৌনপুর, মছলিশহর, ভাদোহিতে ভোট রয়েছে।

    যষ্ঠ দফার (6th Phase Voting) উল্লেখযোগ্য প্রার্থীরা

    নয়াদিল্লিতে উল্লেখযোগ্য মুখ হলেন বিজেপি-র বাঁশুরি স্বরাজ (Lok Sabha Election 2024)। দেশের প্রাক্তন মন্ত্রী, প্রয়াত সুষমা স্বরাজের কন্যা তিনি। 

    উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে মুখোমুখি লড়াই বিজেপি-র মনোজ তিওয়ারি এবং কংগ্রেসের কানহাইয়া কুমারের। 

    উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরে বিজেপি-র প্রার্থী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মানেকা গাঁধী। ভোজপুরি তারকা দীনেশলাল যাদব ওরফে নিরাহুয়া আজমগড়ে বিজেপি-র হয়ে লড়ছেন 

    কাশ্মীরের অনন্তনাগ-রাজৌরিতে মেহবুবা মুফতি বনাম মিয়াঁ আলতাফ আহমেদ লারভির লড়াই
     
    হরিয়ানার কার্নালে মনোহরলাল খট্টর এবার লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) লড়ছেন। কংগ্রেস গুরুগ্রামে রাজ ব্বরকে প্রার্থী করেছে
     
    ওড়িশার পুরীতে বিজেপি-র প্রার্থী সম্বিত পাত্র। সম্বলপুরে বিজেপি-র প্রার্থী ধর্মেন্দ্র প্রধান (6th Phase Voting)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • AI Anchors: একসঙ্গে দুজন এআই অ্যাঙ্কর অনবোর্ড! নতুন চমক ডিডি কিষাণের

    AI Anchors: একসঙ্গে দুজন এআই অ্যাঙ্কর অনবোর্ড! নতুন চমক ডিডি কিষাণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয় বছরের সাফল্যের পর, দূরদর্শন (ডিডি) কিষাণ সকলের সামনে আনতে চলেছে এক নতুন চমক৷ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে এক নতুন পথের সূচনা করছে ডিডি কিষাণ (DD Kisan channel)। এই চ্যানেলই প্রথম সরকারি টিভি চ্যানেল হয়ে উঠবে যেখানে একসঙ্গে দুজন এআই অ্যাঙ্কর (AI Anchors) অনবোর্ড থাকবে। 

    ডিডি কিষাণে এআই অ্যাঙ্কর (AI Anchors) 

    জানা গিয়েছে এই দুই এআই অ্যাঙ্করের মধ্যে একজন এআই কৃষ এবং অপর জন এআই ভূমি। এই দুই এআই অ্যাঙ্কর মানুষের মতো কাজ করতে সক্ষম এবং একটানা ৩৬৫ দিন ২৪ ঘন্টা না থেমে, ক্লান্ত না হয়ে সংবাদ পড়তে পারবে। জানা গিয়েছে, এই এআই অ্যাঙ্কররা দেশ ও বিদেশের পঞ্চাশটি ভাষায় কথা বলতে সক্ষম হবেন এবং দেশে ও বিদেশের সমস্ত কৃষি সংক্রান্ত খবর, আবহাওয়ার পরিবর্তন বা সরকারী প্রকল্পের অন্য যেকোন তথ্য সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করবেন। ২৬ মে ২০১৫-এ প্রতিষ্ঠিত ডিডি কিষাণ (DD Kisan channel) হল দেশের একমাত্র টিভি চ্যানেল যা ভারতের কৃষকদের জন্য নিবেদিত। চ্যানেলটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বের এবং স্থানীয় এলাকার আবহাওয়ার পরিবর্তন সম্পর্কে কৃষকদের অবহিত করা। এটি কৃষি ও গ্রামীণ সেবার লক্ষ্যে প্রগতিশীল কৃষকদের প্রচেষ্টাকে সকল মানুষের কাছে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যও কাজ করছে। 
    যদিও মিডিয়াতে এআই সঞ্চালিকা (AI Anchors) এটাই প্রথম নয়। এর আগে ওডিশার একটি প্রাইভেট টেলিভিশন চ্যানেল প্রথম এআই সঞ্চালিকা লিসাকে সামনে এনেছিল। এরপর কানাডার ‘পাওয়ার টিভি’ প্রথম এআই সঞ্চালিকা সৌন্দর্যকে এনেছিল। আর এবার দুই এআই অ্যাঙ্কর একসঙ্গে অনবোর্ড থাকবে ডিডি কিষাণে। 

    আরও পড়ুন: চুপিসারে বেড়েছে ইমাম ভাতা! রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ বিজেপির

    অনেকের মতে আশীর্বাদের পরিবর্তে এআই ধীরে ধীরে অভিশাপ হয়ে উঠছে। কারণ এর জন্য বহু মানুষ চাকরি হারাতে চলেছেন। যদিও কিছু অংশ এআই-কে স্বাগত জানিয়েছে। সমালোচনা হলেও কৃত্তিম মেধা যে সংবাদ চ্যানেলগুলিতে ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে তা এড়িয়ে যাওয়ার কোনও জায়গা নেই। আগামীদিনে এআই সঞ্চালিকাদের (AI Anchors) জায়গা ধীরে ধীরে আরও বাড়বে ভারতের মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “এক সময় ওটা আমার দেশ ছিল”, ‘ভিসা-ছাড়া’ পাকিস্তান সফর প্রসঙ্গে মোদি

    PM Modi: “এক সময় ওটা আমার দেশ ছিল”, ‘ভিসা-ছাড়া’ পাকিস্তান সফর প্রসঙ্গে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজেকে পাকিস্তানের উদ্বেগের সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে অভিহিত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের ভিসা ছাড়া পাকিস্তান সফর প্রসঙ্গেও প্রতিবেশী দেশের ‘ক্ষমতা’ পরীক্ষার তত্ব ঠিক সেই সময় এসেছে যখন কংগ্রেস নেতা মণিশঙ্কর আইয়ার মন্তব্য করেছেন “ভারতের উচিত পাকিস্তানকে সম্মান করা উচিত কারণ তাঁদের কাছে পারমাণবিক বোমা রয়েছে”। ওই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর তরফে এই ব্যঙ্গ  এসেছে।

    পাকিস্তানের ক্ষমতা দেখা আছে

    দেশের একটি প্রথম সারির টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর ২০১৫ সালের লাহোর সফরের কথা স্মরণ করে বলেন, “উস তাকত কো মে খুদ লাহোর জাকর চেক করকে আয়া হুঁ (পাকিস্তান কতটা শক্তিশালী তা আমি ব্যক্তিগতভাবে পরীক্ষা করে দেখে নিয়েছি)।” লাহোর সফরের বিষয়ে তিনি বলেন, পাকিস্তানের একজন সাংবাদিক অবাক হয়ে বলেছিলেন, “হায় তাওবা, বিনা ভিসা কে কৈসে আ গয়া (হায় হায়, মোদি ভিসা ছাড়াই কীভাবে দেশে চলে এসেছে), আমি তাঁদের বলেছিলাম, “এটি আমার দেশ ছিল কোনও এক সময়ে।”

    আরও পড়ুন: ২৮ মে কলকাতায় জমকালো রোড-শো মোদির! ‘‘ঐতিহাসিক হবে’’, দাবি বিজেপির

    পাকিস্তান দাবি করছে, বিশ্বের নানা প্রান্তে ‘অজানা খুনিদের দ্বারা’ জঙ্গি খতম হওয়ার পিছনে ভারতের হাত রয়েছে। এমন অভিযোগেরও জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেন, “তিনি জানেন যে, পাকিস্তান উদ্বিগ্ন এবং তিনি তাঁদের উদ্বেগের মূল কারণ। তবে, ভারতের কিছু লোক কেন এই বিষয়টি নিয়ে কাঁদছে তা বুঝতে পারছি না। আমি জানি, পাকিস্তানের মানুষ আজকাল চিন্তিত।’’

    ১৯৭১-এ ক্ষমতায় থাকলে কারতারপুর নিয়ে নিতাম  

    কংগ্রেসকে সরাসরি আক্রমণ করে এদিন মোদি বলেন, “একটি সম্মানিত দলের একজন নেতা, যারা আমাদের দেশকে ৬০ বছর ধরে শাসন করেছে এবং ২৬/১১ মুম্বাই হামলার সময় যারা  ক্ষমতায় ছিল, তাঁরা একবার অভিযোগ করেছিল যে, এটি পাকিস্তানি সন্ত্রাসী আজমল কাসব এবং তার লোকেরা করেনি। যারা আমাদের দেশবাসীকে হত্যা করেছে তাঁদের পক্ষ নেওয়া সত্যিই দুঃখজনক। দেশের একজন নেতা কীভাবে পাকিস্তান ও আজমল কাসবের পক্ষে বক্তব্য দিতে পারেন? এমন মন্তব্য শুনলেই লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে যায়। আমার হৃদয় এমন বক্তব্যে ব্যাথিত হয়।” বৃহস্পতিবার, পাঞ্জাবের পাতিয়ালায় একটি নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময়, মোদি বলেন, “১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ৯০ হাজারেরও বেশি পাকিস্তানি সৈন্য আত্মসমর্পণ করেছিল। আমি ক্ষমতায় থাকলে তাঁদের সৈন্যদের মুক্ত করার আগে পাকিস্তান থেকে কারতাপুর সাহেবকে নিয়ে নিতাম।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Himanta Biswa Sarma: ৪০০ পেলেই কাশী-মথুরায় বিতর্কিত জমিতে মন্দির নির্মাণ, দাবি হিমন্তের

    Himanta Biswa Sarma: ৪০০ পেলেই কাশী-মথুরায় বিতর্কিত জমিতে মন্দির নির্মাণ, দাবি হিমন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের প্রচারে ফের একবার অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার (Himanta Biswa Sarma) কন্ঠে উঠে এল কাশী এবং মথুরার বিতর্কিত জমিতে মন্দির নির্মাণের কথা। ঝাড়খণ্ডের বোকারোয় বিজেপির ভোটপ্রচারে তিনি বলেন,‘‘মোগল সম্রাট ঔরঙ্গজেব বারাণসী এবং মথুরায় মন্দির ভেঙে মসজিদ বানিয়েছিলেন। লোকসভা ভোটে আমাদের ৪০০ আসন দিন। আমরা বারাণসীর জ্ঞানবাপী এবং মথুরার কৃষ্ণ জন্মভূমিতে মন্দির নির্মাণ করব।’’

    ১৫ মে দিল্লিতে একই কথা বলেছিলেন

    প্রসঙ্গত হিমন্ত বিশ্ব শর্মার (Himanta Biswa Sarma) এমন দাবি প্রথম বা নতুন কিছু নয়। বেশ কয়েকদিন আগেই ১৫ মে দিল্লিতে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে হিমন্ত বলেন, ‘‘গত বার লোকসভা ভোটে আমরা ৩০০ আসন জিতে অযোধ্যায় রামমন্দির বানিয়েছি। এ বার ৪০০ আসনে জিতে বারাণসীর এবং মথুরায় মন্দির বানাব।’’

    জ্ঞানবাপীর প্রসঙ্গ উঠে এল লোকসভা ভোটের প্রচারে 

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই অযোধ্যার মতো বারাণসী এবং মথুরাতেও হিন্দুদের মন্দির ভেঙে মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব মসজিদ বানিয়েছিলেন এমনটা নিয়ে বিতর্ক চলছে। সাম্প্রতিক অতীতে, জ্ঞানবাপী মসজিদে শুরু হয়েছে পূজা অর্চনা, এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশে। পরবর্তীকালে মুসলিম পক্ষ সুপ্রিম কোর্টে গেলে, শীর্ষ আদালত এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে। এই আবহে ফের একবার জ্ঞানবাপীর প্রসঙ্গ উঠে এল লোকসভা ভোটের প্রচারে।

    মথুরা নিয়ে বিবাদ

    অন্যদিকে মথুরাতে কৃষ্ণ জন্মভূমিতেও প্রাচীন কাটরা স্তুপ এলাকায় শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমির পাশেই রয়েছে শাহি ইদগাহ মসজিদ। হিন্দু পক্ষের দীর্ঘদিনের দাবি, ইদগাহের ওই জমিতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান ছিল এবং তা ছিল কেশব দাস মন্দির। অভিযোগ, কাশীর বিশ্বনাথ মন্দিরের মতো, মথুরার ওই মন্দিরও ধ্বংস করেছিলেন ঔরঙ্গজেব। তাঁর নির্দেশে ১৬৬৯ থেকে ১৬৭০ সালের মধ্যেই তৈরি করা হয়েছিল মসজিদ ১৩.৩৭১ একর জমিতে। এই জমির মালিকানা নিয়ে বিবাদ হাইকোর্টে আজও বিচারাধীন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Loksabha Election 2024: প্রতি বুথে ভোটদানের হার প্রকাশে বিভ্রান্তি বাড়বে, সুপ্রিম কোর্টে কমিশন

    Loksabha Election 2024: প্রতি বুথে ভোটদানের হার প্রকাশে বিভ্রান্তি বাড়বে, সুপ্রিম কোর্টে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর দুটি দফা শেষ হলেই এবারের লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়ে যাবে। ভোট শেষ হতে গেলেও ভোট দানের হার নিয়ে রয়েছে বিরোধীদের মধ্যে অসন্তোষ এবং কিছুক্ষেত্রে শাসকদলের মধ্যে আশঙ্কা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। এমনকি অনেক রাজ্যে বিজেপিও কমিশনের ভূমিকা সন্দেহের উর্ধ্বে রাখেনি। ভোট দানের হার জানানোর দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে হয়েছে মামলা। এরই মাঝে সুপ্রিম কোর্টে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, “বুথে ভোটার টার্ন আউট অর্থাৎ কোন বুথে কত ভোট পড়েছে, সেই তথ্য প্রার্থী বা তাঁর এজেন্টকে ছাড়া অন্য কাউকে জানানোর কোনও আইন বা নির্দেশ নেই। কোন ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে কত ভোট পড়েছে সেই তথ্য সকলকে জানাতে হবে এমন কোন আইনি বিধান নেই।” সুপ্রিম কোর্টে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য

    প্রসঙ্গত প্রতিটি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে কত ভোট পড়েছে সেই সংক্রান্ত তথ্য সম্বলিত ফর্ম ১৭(সি) ভোট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করার দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্ম (ADR)। এরই উত্তরে কমিশন দেশের সর্বোচ্চ আদালতে ২২৫ পাতার হলফনামায় জানিয়েছে, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী ভোট গ্রহণের পর শুধুমাত্র প্রার্থী এবং তাঁর এজেন্টকেই এই তথ্য সম্বলিত ফর্ম ১৭ (সি) দেওয়ার আইনি বিধান রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছায় ভোটার টার্ন আউট আউট নিজেদের অ্যাপ, ওয়েবসাইট ও বিভিন্ন প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জানিয়ে থাকে।

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের পরেই বিরোধীরা হার স্বীকার করে নিয়েছে, দাবি পিকে-র

    নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী মহেন্দ্র সিং ও অমিত শর্মা আরও জানান, “ভোটগ্রহণের দিন নির্বাচন কমিশনের তরফে দুই ঘন্টার ব্যবধানে প্রাপ্ত ভোটের তথ্য জানানো হয়। তবে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম, টিভি চ্যানেল যে তথ্য প্রকাশ করে তা অনেক সময়ই কমিশনের তথ্যের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে।” নির্বাচন কমিশনের তরফে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। যদি ফর্ম ১৭ (সি) প্রকাশ্যে চলে আসে, তাহলে অনেক ক্ষেত্রে তথ্য বিকৃত হওয়া থেকে শুরু করে প্রার্থীর নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। এমনকি নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত হবার সম্ভাবনাও থাকে।

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    নির্বাচন কমিশনের অবস্থানকে কড়া আক্রমণ করেছে দেশের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। দলের প্রধান মুখপাত্র জয রাম রমেশ বলেছেন, “যে সমস্ত রাজ্যের বিজেপি খারাপ ফল করতে পারে কিংবা আসন হারানোর ভয় রয়েছে, সেখানে প্রাথমিক এবং চূড়ান্ত ভোটের হারের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। অন্যদিকে দলের আরও এক প্রবীণ নেতা তথা পেশায় আইনজীবী কপিল সিব্বাল বলেছেন, “যদি কত ভোট গণনা হয়েছে সেই তথ্য সঙ্গে সঙ্গে জানানো যায়, তাহলে কত ভোট পড়েছে তা কেন জানানো যাবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: রাম মন্দির উদ্বোধনের পরেই বিরোধীরা হার স্বীকার করে নিয়েছে, দাবি পিকে-র

    Lok Sabha Election 2024: রাম মন্দির উদ্বোধনের পরেই বিরোধীরা হার স্বীকার করে নিয়েছে, দাবি পিকে-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনের পরেই বিরোধীরা হার স্বীকার করে নিয়েছে (Lok Sabha Election 2024)। অন্তত এমনই দাবি করলেন ভোট কুশলী তথা ‘জন সুরাজ পার্টি’র প্রধান প্রশান্ত কিশোর (পিকে)। কেবল তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে দেশে যে কোনও ক্ষোভ নেই, তা আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন পিকে।

    কী বলছেন পিকে? (Lok Sabha Election 2024)

    দিন দুই আগেই সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েও একই কথা বলেছিলেন পিকে। তিনি এও বলেছিলেন, “বিজেপি যে জিতবে, তা আমি গত পাঁচ মাস ধরে বলে আসছি।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এই ভোট কুশলী বলেন, “রাহুল গান্ধী ক্ষমতায় এলে সোনা ফলবে, এমন কথা আমরা শুনিনি। তাঁর সমর্থকরা তা বলতে পারেন, কিন্তু আমি বলছি বৃহত্তর পরিসর সম্পর্কে। দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ নেই, নেই তাঁর প্রতিস্পর্ধীকে নিয়ে বিরাট কিছু মাতামাতিও।” প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে কাউকে তুলে ধরতে না পারায় বিজেপি-বিরোধী দলের জোটের সমালোচনাও করেন পিকে।

    বিরোধীদের প্রধানমন্ত্রী কে?

    প্রসঙ্গত, ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’ যে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে কাউকে তুলে ধরতে ব্যর্থ, সেকথা নানা জনসভায় বলতে শোনা গিয়েছে বিজেপি নেতাদের। শাসক দলের বিরুদ্ধে জোরালো কোনও ইস্যু কিংবা বিশ্বস্ত প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে কাউকে তুলে ধরতে না পারাটা বিরোধীদের দুর্বলতা বলেও মনে করেন ‘জন সুরাজ পার্টি’ সুপ্রিমো। তিনি বলেন (Lok Sabha Election 2024), “ভোটারদের একটা অংশের চাহিদা পূরণ করতে পারেনি মোদি সরকার। তাই তাঁদের মধ্যে হতাশা ছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি বিরোধীরা। নানা সময় আসা সুযোগগুলো কাজে লাগালে অতীতে দুর্বল করে দেওয়া যেত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে, নড়বড়ে করে দেওয়া যেত বিজেপির অবস্থানকে।”

    আর পড়ুন: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক”, তোপ মোদির

    পিকে বলেন, “গত জানুয়ারিতে অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠানের সময়ই কার্যত বিরোধীরা হাতের অস্ত্র ফেলে দিয়েছিল। ফেব্রুয়ারি মাসে যখন তারা গা ঝাড়া দিয়ে উঠল, তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। তার আগেই বিজেপি তার হারানো জমি পুনরুদ্ধার করে নিয়েছে (Lok Sabha Election 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • S Jaishankar: “তোমরা ওখানেও নিরাপদ নও”! উরি-পুলওয়ামা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “তোমরা ওখানেও নিরাপদ নও”! উরি-পুলওয়ামা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তপারের সন্ত্রাস কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না, তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। যদি কেউ বা কারা ভাবে ভারতে সন্ত্রাস চালিয়ে কাঁটাতারের ওপারে পালিয়ে গিয়ে নিশ্চিন্তে থাকা যাবে তারা ভুল ভাবছে উরি, বা পুলওয়ামা (Uri and Pulwama Attacks) এর প্রমাণ, বলে দাবি বিদেশমন্ত্রীর। জয়শঙ্কর জানান, সন্ত্রাস মোকাবিলায় মোদি সরকারের আমলে যে স্টান্স নেওয়া হয়েছে, তা ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার সময় থেকে অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে।

    কড়া জবাব জয়শঙ্করের

    ভারতের মতো বিশাল দেশে নিরাপত্তা যে কতবড় চ্যালেঞ্জ সেই প্রসঙ্গ ধরেই নাম না করে ফের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। নয়া দিল্লির এক অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর বলেন,  “সন্ত্রাস মোকাবিলায় মোদি সরকারের আমলে যে স্টান্স নেওয়া হয়েছে, তা ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার সময় থেকে অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে। উরি হামলার পর পাকিস্তানকে পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারত। আগে ভারত সীমান্তের ওপার থেকে সন্ত্রাসবাদ সহ্য করত। ওই যুগটা পিছনে রয়েছে। ২৬/১১ মুম্বই হামলার পর থেকে আমরা কোনও বড় সন্ত্রাসবাদ হামলা দেখিনি দেশে। আজকের ভারতে যেকোনও সন্ত্রাসবাদই হোক..আমাদের জবাব বালাকোট.. উরি (হামলার পাল্টা হামলা)।’

    বোঝানোর জন্যই উরি-বালাকোট

    এদিন, কার্যত নাম না করে পাক সন্ত্রাসবাদীদের নিশানা করে জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। বিদেশমন্ত্রী বলেন, “তোমরা ওখানেও নিরাপদ নও। উরি আর বালাকোট করাই হয়েছিল বোঝানোর জন্য যে, না এভাবে জীবন কেটে যেতে পারে না,… মূল্য চোকাতে হবে। আর ভেবোনা যে তুমি কিছু করেছ বলে, আর ওই প্রান্তে পালিয়ে গিয়েছ বলে তুমি নিরাপদে রয়েছ। তুমি ওই প্রান্তেও নিরাপদ নও। তুমি সীমান্তের কাছেও নিরাপদ নও, তুমি আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করেও নিরাপদ নও। ফলে স্পষ্ট ও সরাসরি বার্তা দেওয়া হয়েছে তাদের , যাদের বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল, আর তারা তা বুঝেছে।” এর ফল স্বরূপ (Uri and Pulwama Attacks) দেশে সন্ত্রাসবাদের ঘটনা কমেছে বলে দাবি জয়শঙ্করের। 

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খুনের হুমকি-ফোন! চেন্নাইয়ে সতর্ক এনআইএ আধিকারিকরা

    নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী পদ

    এদিন  রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ নিয়ে সম্ভাবনার কথাও বলেন বিদেশমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সবকিছু ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে। এই মুহূর্তে  রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য ১৫ টি দেশ। আমেরিকা, চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইউকে সহ একাধিক দেশ রয়েছে সেখানে। স্থায়ী পদ পাওয়ার লড়াইতে রয়েছে ভারতও। অচিরেই তা মিলবে বলে মনে করেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খুনের হুমকি-ফোন! চেন্নাইয়ে সতর্ক এনআইএ আধিকারিকরা

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খুনের হুমকি-ফোন! চেন্নাইয়ে সতর্ক এনআইএ আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির নর্থ ব্লকে বিস্ফোরণের হুমকির পর এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) মেরে ফেলার হুমকি ফোন পেল এনআইএ ৷ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ের (Chennai) পুরশৈবকমে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ-র কার্যালয়ে এই ফোন আসে ৷ অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি এনআইএ-র কন্ট্রোল রুমে ফোন করে হিন্দি ভাষায় প্রধানমন্ত্রীকে খুন করার হুমকি দেয় ৷

    প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি ফোন

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) মেরে ফেলার হুমকি শুনেই সতর্ক হয়ে যায় এনআইএ আধিকারিকরা। তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে চেন্নাই পুলিশে খবর দেয় ৷ যে নম্বর থেকে ফোন এসেছিল, সেই নম্বরটিও পুলিশকে দেওয়া হয়েছে ৷ চেন্নাইয়ের সাইবার ক্রাইম পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে ৷ কোথা থেকে এই ফোন এসেছিল ? ফোন করতে কোন সিম কার্ড ব্যবহার করা হয়েছে ? সাইবার ক্রাইম পুলিশ এই তথ্যগুলির সন্ধান করছে ৷ তবে মনে করা হচ্ছে বিষয়টি পুরোপুরি ভুয়ো। ভয় দেখানোর জন্য এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবুও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে কোনও প্রশ্ন তুলতে চায় না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাই সব দিক খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: শ্বাসরোধ করেই খুন বাংলাদেশি সাংসদকে, টুকরো করে লোপাট করা হয় দেহাংশ!

    বোমা হামলার হুমকি

    এর আগে বধুবার বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ দিল্লির নর্থ ব্লকে বোমা হুমকির মেল আসে ৷ সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কার্যালয় রয়েছে ৷ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, কুকুরের স্কোয়াড, বম্ব স্কোয়াড ৷ তন্ন তন্ন করে খুঁজেও কোথাও কিছু পাওয়া যায়নি ৷ পরে এই মেলকে ভুয়ো মেল বলে জানায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ৷ দেশ এখন লোকসভা নির্বাচন চলছে। এসময় এরকম অনেক হুমকি আসে।  এর আগে দিল্লির কিছু হাসপাতালে ও ৭০ এর বেশি দিল্লি ও নয়ডার স্কুলে বোমা হামলার হুমকি এসেছিল। কলকাতাতেও কিছুদিন আগে এরকম এক উড়ো মেলের খবর রটেছিল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক”, তোপ মোদির

    Lok Sabha Elections 2024: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক।” উত্তরপ্রদেশের শ্রাবস্তীর এক জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Lok Sabha Elections 2024)। এদিনের জনসভায় আগাগোড়াই তিনি আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি বিরোধী জোটকে। বলেন, “তারা (ইন্ডি) যদি ছড়িয়ে পড়ে, তবে গোটা ভারতকে ধ্বংস করে দেবে। ক্যান্সারের চেয়েও তিনটি রোগ দেশের পক্ষে মারাত্মক। এই রোগগুলি হল, এই লোকগুলো দারুণভাবে সাম্প্রদায়িক, এরা ভীষণভাবে বর্ণবাদী, এরা ভয়ঙ্করভাবে পরিবারবাদী।”

    বন্ধ করে দেবে জনধন অ্যাকাউন্ট! (Lok Sabha Elections 2024)

    প্রসঙ্গত, অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন হবে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে পঞ্চম দফার নির্বাচন। ষষ্ঠ দফার নির্বাচন হবে ২৫ মে, শনিবার। দেশের ৫৪৩টি আসনের মধ্যে নির্বাচন হয়ে গিয়েছে ৪৩০টি আসনে (Lok Sabha Elections 2024)। শ্রাবস্তীর ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “শ্রাবস্তীর একটি সমৃদ্ধশালী এবং পৌরাণিক আখ্যান রয়েছে। সারা বিশ্বের পর্যটকরা এই জায়গা দর্শন করতে আসেন। তা সত্ত্বেও পূর্বতন সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেস কখনও এখানকার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেয়নি।” জনধন প্রকল্পে দেশে ৫০ কোটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। বিরোধীরা ক্ষমতায় এলে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও দাবি প্রধানমন্ত্রীর। বলেন, “মোদি ৫০ কোটিরও বেশি দরিদ্র মানুষকে খুলে দিয়েছে জনধন অ্যাকাউন্ট। তারা (বিরোধীরা) আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেবে। আপনার টাকা ছিনিয়ে নেবে।”

    আর পড়ুন: স্বাতীর পাশে নির্ভয়ার মা, আপকে নিশানা ‘নির্যাতিতা’ সাংসদের

    দুই ছেলের জুটি

    তিনি যে সামান্য একটি পরিবার থেকে উঠে এসেছেন, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “মোদি কোনও রাজ পরিবার থেকে আসেনি। আমি এই মায়েদের মতো এক গরিব মায়ের সন্তান। আমি কারও জন্য কিছু অর্জন করতে চাই না। তবে আমি দেশকে এমন শক্তিশালী করতে চাই যে বংশবাদী দলগুলি যেন আর দেশকে ধ্বংস করতে না পারে। এজন্য আপনাদের আশীর্বাদ চাই।” কংগ্রেস-সমাজবাদী দলের জোটকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইউপিতে ফের চালু হয়েছে দুই ছেলের (রাহুল গান্ধী ও অখিলেশ যাদব) জুটি। একই পুরানো ফ্লপ ছবি, একই পুরানো চরিত্র, একই পুরানো সংলাপ। পুরো নির্বাচন শেষ হতে চলেছে, কিন্তু আপনি কী এই লোকদের কাছ থেকে একটিও নতুন কথা শুনেছেন (Lok Sabha Elections 2024)?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Swati Maliwal: স্বাতীর পাশে নির্ভয়ার মা, আপকে নিশানা ‘নির্যাতিতা’ সাংসদের

    Swati Maliwal: স্বাতীর পাশে নির্ভয়ার মা, আপকে নিশানা ‘নির্যাতিতা’ সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই ঘোরালো হচ্ছে স্বাতী মালিওয়ালকাণ্ডের (Swati Maliwal) মেঘ! এবার আম আদমি পার্টির (আপ) এই সাংসদের পাশে দাঁড়ালেন দিল্লিতে গণধর্ষণের জেরে মৃত নির্ভয়ার মা আশা দেবী।

    স্বাতীর পাশে নির্ভয়ার মা (Swati Maliwal)

    আশা বলেন, “নির্ভয়ার বিরুদ্ধে আম জনতার ক্ষোভের আগুন থেকেই দিল্লিতে ক্ষমতায় এসেছিল আপ।” তিনি বলেন, “রাজ্যসভার সাংসদ স্বাতী মালিওয়ালই যদি নিরাপদ না হন, তাহলে এই সরকারের কাছ থেকে সাধারণ মহিলারা কী ধরনের নিরাপত্তা আশা করতে পারেন?” তিনি বলেন, “দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি নিজেকে দিল্লিবাসীর ভাই ও ছেলে হিসেবে পরিচয় দেন। সেটা মাথায় রেখেই বলছি, তাঁর এ ব্যাপারে মুখ খোলা উচিত। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নেওয়া উচিত উপযুক্ত ব্যবস্থা।”

    নির্ভয়ার মা পাশে দাঁড়ানোয় তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্বাতী। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “নির্ভয়ার মা বিচারের জন্য নিরলস পরিশ্রম করেছিলেন। এমনকি আমি যখন ওই নাবালিকার ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে অনশন করছি, তিনি আমার পাশে ছিলেন। আজ তিনি আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন।”

    রূপকের মৃত্যু!

    দিল্লির (Swati Maliwal) মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের প্রাক্তন সহায়ক বিভব কুমারের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন স্বাতী। সে প্রসঙ্গে বুধবার কেজরিওয়াল বলেন, “আমি আশা করি নিরপেক্ষ তদন্ত হবে। উপযুক্ত বিচারই হবে।” আপ সুপ্রিমোর এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আরও একটি ট্যুইট করেছেন স্বাতী। লিখেছেন, “আমার বিরুদ্ধে দলীয় নেতা ও স্বেচ্ছাসেবীদের ছড়িয়ে দিয়ে, আমাকে বিজেপির এজেন্ট বলা হচ্ছে, আমার চরিত্রে কালি ছেটানো হচ্ছে, এডিট করা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্ত আমার পাশে পাশেই ঘুরছে, প্রমাণ বিকৃত করছে। তাঁরা (দলীয় নেতারা) অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। যে মুখ্যমন্ত্রীর ড্রয়িং রুমে আমায় মারধর করা হল, তিনি কিনা বলছেন নিরপেক্ষ তদন্ত হবে। রূপকের মৃত্যু হয়েছে হাজারবার।”

    কটু কথা বলতে দলীয় নেতাদের চাপ!

    তাঁর বিরুদ্ধে কটু কথা বলতে দলের তরফে নেতাদের চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি স্বাতীর। তাঁর লড়াইয়ের জেদ ভেঙে দিতে তাঁর ব্যক্তিগত ছবিও প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “দলের এক প্রবীণ নেতা জানিয়েছেন স্বাতীর সম্পর্কে বাজে কথা বলার জন্য ভীষণ চাপ দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। আমার ব্যক্তিগত ছবি প্রকাশ্যে আনতেও বলা হচ্ছে।… কোনও কোনও রিপোর্টারকে জাল স্টিং অপারেশনও চালাতে বলা হচ্ছে (Swati Maliwal)।”

LinkedIn
Share