Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bengaluru Water Crisis: বেঙ্গালুরু একা নয়, জলকষ্টের তালিকায় রয়েছে এই শহরগুলি

    Bengaluru Water Crisis: বেঙ্গালুরু একা নয়, জলকষ্টের তালিকায় রয়েছে এই শহরগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল কষ্ট (Bangaluru water Crisis) রয়েছে এমন দেশগুলির তালিকায় শীর্ষে ঠাঁই ভারতের (India)। সম্প্রতি নীতি আয়োগের (Niti Ayog) রিপোর্টের এই সত্যতা স্বীকার করেছে কেন্দ্র। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২০% মানুষ বাস করে এদেশে অথচ সারা বিশ্বের মাত্র ৪ শতাংশ পানীয় জলের স্রোত রয়েছে ভারতে। দেশে যথেচ্ছ পরিকল্পনাহীন নগরায়নের ফলে বহু শহরে জলস্তর চিন্তাজনক ভাবে কমে গিয়েছে। দেশের প্রায় সমস্ত রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে জনসংখ্যা (Population Explosion)। ফলে যত দিন যাচ্ছে মূল্যবান হয়ে উঠছে জীবনের অপর নাম জল। আগে রাজস্থানের (Rajsthan) বিভিন্ন শহর ও দিল্লি (Delhi), মুম্বাইয়ের (Mumbai) মত শহরে জলের হাহাকার ছিল। এখন সম্প্রতি সেই তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেঙ্গালুরুর মত শহর।  

    কেন্দ্র সরকারের রিপোর্ট (Bengaluru water Crisis)

    জল শক্তি মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে জনপ্রতি পানীয় জলের প্রাপ্যতা ৭৫ শতাংশ কমেছে। স্বাধীনতার সময় জনপ্রতি পানীয় জল প্রাপ্যতা ৬০৪২ কিউবিক মিটার ছিল। ২০২১ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৪৮৬ কিউবিক মিটারে। শুধু পানীয় জলের ক্ষেত্রেই সমস্যা তৈরি হয়েছে এমনটা নয়। ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত জলও কমেছে সারা দেশ জুড়ে। দেশের নানান প্রান্তে নদী ও জলাধারে জলস্তর চিন্তাজনক ভাবে কমেছে। ভারতে টানা তিন বছর খরার মত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বর্ষার পরিমাণ দেশের বিভিন্ন প্রান্তেই কমেছে। করোনা কাল থেকেই বৃষ্টি কমেছে ভারতের পশ্চিম, মধ্য, উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণাত্যের কিছু অঞ্চলে। এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি কেন্দ্রীয় জল কমিশনের তরফে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তাতে জানানো হয়েছে শেষ পাঁচ বছরের মধ্যে এই মার্চ মাসে বিভিন্ন নদীবাঁধে ও জলাধারে যে পরিমাণ জল ছিল তা শেষ পাঁচ বছরে সর্বনিম্ন স্তরে ছিল। এর জন্য এল-নিনো এফেক্টকে দায়ী করা হয়েছে। গত বছর বৃষ্টির পরিমাণ খুবই কম ছিল। ২০১৮ সালের পর বর্ষার পরিমাণ গত বছর রেকর্ড কম বর্ষা হয়েছিল।

    বহুমুখী যুদ্ধ

    জলবায়ু পরিবর্তন (Weather Change) ও জনবিস্ফোরণ ভারতের জন্য দ্বিমুখী যুদ্ধ। চলতিবছর তাপমাত্রা ভয়ানকভাবে বেড়েছে। অন্যদিকে কমেছে জলস্তর। শুধু নদীর বা জলাধার জল নয় ভূগর্ভস্থ জলও কমেছে। বেড়েছে ভূগর্ভস্থ জলে আর্সেনিক ও অন্যান্য ক্ষতিকারক রাসায়নিকের পরিমাণ। বহু জায়গায় অপ্রত্যাশিত বর্ষার ফলে বন্যা হয়েছে। বিশেষ করে হিমালয়ের কোলে অবস্থিত বহু শহর এই সমস্যায় ভুগছে। মৌসম ভবনের পূর্বানুমান ছাড়াই হঠাৎ হঠাৎ করে অনেক জায়গায় মেঘ ফেটে বর্ষা হচ্ছে। জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতবর্ষে ২০২৫ সাল নাগাদ ২৪ কোটি মানুষ অসম্ভব জলকষ্টের সম্মুখীন হবেন।

    আরও খবর: বৃষ্টিতে ভিজবে শহর, পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের

    ভূগর্ভস্থ জলের সমস্যা

    জানা গিয়েছে, দেশের বিভিন্ন নগরে পানীয় জলের ৪৮% প্রয়োজন মেটে ভূগর্ভস্থ জল থেকে। ভূগর্ভস্থ জলের স্তর প্রতি বছর কমে যাচ্ছে। বহু শহরে এখন ভূগর্ভস্থ জলের ভান্ডার নেই বললেই চলে। বাধ্য হয়ে পুরসভা আশপাশের নদী থেকে জল নিয়ে এসে তা শোধন করে বাসিন্দাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। এরই মাঝে চিন্তা বাড়াচ্ছে কয়েকটি রাজ্যের মাঝে নদীর জলবণ্টন সমস্যা। যেমন কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুর মধ্যে রয়েছে কাবেরী (Cauvery water dispute) নদী জল নিয়ে চুক্তি সংক্রান্ত সমস্যা। অন্যদিকে গোয়া (Goa) ও কর্নাটকের (Karnataka) মধ্যে মহাদয়ী নদী নিয়ে ঝামেলা লেগেই রয়েছে।

    আগামীর সবচেয়ে বড় সংকট

    সাম্প্রতিক একটি রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতবর্ষের বিভিন্ন শহরাঞ্চলের ৪০ শতাংশ মানুষের কাছে সরাসরি জলের কল (Tap water) নেই তারা এর জন্য আশপাশের বাড়ি ও সরকারি ব্যবস্থার উপরে নির্ভরশীল। এই শহর গুলিতে নদী, খাল ও পুকুর জলপানের অযোগ্য হয়েছে বহু আগেই। বিশেষজ্ঞরা দাবি করে এসেছেন ভারতবর্ষের শহরগুলিতে জলকষ্টের জন্য বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিকল্পনার অভাব। প্রতিবছর যে পরিমাণ বর্ষা হয় সেই জল নর্দমার মাধ্যমে প্রথমে নদী ও নদীর মাধ্যমে সাগরে মিশে যায়। পাহাড়ি অঞ্চলে জল সংরক্ষণ করার চল রয়েছে। কিন্তু সমতলের শহরে জল সংরক্ষণের অভাব রয়েছে। যদি সঠিক পরিকল্পনা করে বর্ষার জল ভূগর্ভে ফিরিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে জলকষ্ট কয়েক বছরের মধ্যেই কমে যাবে। এমনটাই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে ভারতবর্ষের শহরগুলিতে আগের তুলনায় খাল ও পুকুরের সংখ্যা কমে গিয়েছে। ফলে আগে যে পরিমাণ বর্ষার জল খাল কিংবা পুকুরের মাধ্যমে ফিরে যেত মাটির নীচে, বর্তমানে তা আর হচ্ছে না। বর্ষার জল ভূগর্ভে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কেন্দ্র সরকার স্তরে নীতিমালা নির্ধারণের প্রয়োজন আছে এবং নির্ধারিত নীতি পৌরসভা ও গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে কার্যকর করলেই দেশের জল কষ্টের সমস্যা আগামী কয়েক বছরে কমে যাবে।  

    বেঙ্গালুরুর সমস্যা (Bengaluru water Crisis)

    সেন্টার অফ ইকোলজিক্যাল সাইন্সের কো-অর্ডিনেটর ডঃ টি ভি রামচন্দ্র বেঙ্গালুরুর (Bengaluru water Crisis) জল কষ্ট সম্পর্কে বলতে গিয়ে জানান, “বেঙ্গালুরুতে কংক্রিট এলাকা ১০৭৮ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে মাত্র কয়েক দশকে। ফলে ৮৮ শতাংশ সবুজ এলাকা নষ্ট হয়েছে। ৭৯ শতাংশ জলাশয় বুঝিয়ে ফেলা হয়েছে। ১৯৭৩ থেকে ২০২৩-এর মাঝে ৫০ বছরে যেভাবে অপরিকল্পিত নগরায়ন হয়েছে তাতে প্রশাসনের পরিপক্বতা ও সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কয়েক দশকে পাম্পের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ জল  যথেচ্ছ ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। তার ফলে শহরে আর কয়েক বছর পর পানীয় জলের স্রোত বলে আর কিছু থাকবে না।”

    কোন কোন শহরে সংকটে

    শুধুমাত্র বেঙ্গালুরু(Bengaluru water Crisis)  নয়, লখনউ, ভাটিণ্ডা, জয়পুর ও পাটনার মত শহরেও জলের সমস্যায় ভুগছে মানুষ। পাটনার পাশেই গঙ্গা নদী থাকা সত্ত্বেও জলের সমস্যা রয়েছে। ভারতে সমস্যার সমাধান রয়েছে। কিন্তু সবই খাতায়-কলমে। পরিকিল্পিত নগরায়ন, প্রয়োজনীয় সবুজায়ন ও বর্ষার জল সংরক্ষণ করার জন্য যা পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, তা স্থানীয় সরকার তরফে নেওয়া হচ্ছে না বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Press Freedom Day: ৩ মে ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে’, জানুন দিনটির তাৎপর্য

    World Press Freedom Day: ৩ মে ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে’, জানুন দিনটির তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘যেথা তুচ্ছ আচারের মরুবালুরাশি, বিচারের স্রোতঃপথ ফেলে নাই গ্রাসি’’, নিজের লেখায় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এভাবেই মুক্তচিন্তার কথা তুলে ধরেছিলেন। বাকস্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তার প্রকাশ ভারতীয় সংবিধানে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত রয়েছে ১৯(১)(এ) ধারায়। প্রতিবছর ৩ মে ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে’ (World Press Freedom Day) হিসেবে পালন করা হয়। এই দিনটির তাৎপর্য হিসেবে তুলে ধরা হয় সাংবাদিকতার গুরুত্বকে। বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার প্রকাশ স্বাধীনভাবে হচ্ছে কি না, তা বোঝা যায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাতেই। যেখানে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বেশি, সেখানেই সত্য উদঘাটিত হয়। অন্যদিকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করার নজির রয়েছে দেশ-বিদেশে। আমাদের দেশের কথা বলতে গেলে, ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থা জারির পরেই সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করা হয়েছিল। সেসময় সরকার যেমনভাবে চাইতো, সেই খবরই জনগণের সামনে পরিবেশন করা হতো। যার ফলে দেশের মানুষের সামনে সত্য উৎঘাটিত হতে পারত না। সরকারের দমন পীড়ন, অত্যাচার সাধারণ মানুষ কোনওভাবেই জানতে পারতো না।

    ১৯৯৩ সালের ৩ মে ঘোষণা হয় ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে’ (World Press Freedom Day)

    রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ অধিবেশনে ১৯৯৩ সালের ৩ মে ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৯১ সালে ‘ওয়াইন্ডহুক ঘোষণা’র ফসলই ছিল ১৯৯৩ সালের ৩ মে ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডমে’র ঘোষণা। আসলে ‘ওয়াইন্ডহোক ডিক্লারেশন’-এর মাধ্যমে আফ্রিকা মহাদেশের সংবাদপত্রগুলিকে যে কোনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে রাখার কথা বলা হয় এবং আফ্রিকা মহাদেশের সংবাদপত্রগুলিকে স্বাধীনতা দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করা হয়। নামিবিয়ার রাজধানী ওয়াইন্ডহোকে ২৯ এপ্রিল থেকে ৩ মে ১৯৯১ পর্যন্ত এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। চলতি বছরে ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে’ ৩১ বর্ষে পা দিল। এই দিনেই আরও একবার প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে মিডিয়া এথিক্সের কথাও, অর্থাৎ শুধুমাত্র টাকার বিনিময়ে অথবা যে কোন প্রলোভনে খবর করা নয়, যা সত্য তা তুলে ধরা। 

    – এই দিনে যে কোনও দেশের সরকারকে স্মরণ করানো হয়, সাংবাদিকদের স্বাধীনতা রক্ষা করার কর্তব্যকে।
    – বিশ্বব্যাপী সংবাদমাধ্যমের মৌলিক নীতিগুলিও প্রচার করা হয় এইদিনে।
    – এই দিনেই সেই সমস্ত সাংবাদিকদেরকে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা হয়, যাঁরা তাঁদের নিজেদের কর্তব্য করতে গিয়ে জীবন আহুতি দিয়েছেন।

    কমিউনিস্ট দেশে সংবাদপত্রের ওপর সে দেশের সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যেকোনও সোশ্যালিস্ট এবং কমিউনিস্ট দেশগুলিতে সংবাদপত্রের ওপর সে দেশের সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে। যার ফলে সরকারের বিধি-নিষেধ মেনে চলতে হয় সংবাদমাধ্যমকে। গত বছর চিন দেশে বিপুল করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর বাইরে যাতে প্রকাশ না হয় সেজন্য বিধি নিষেধ জারি করেছিল চিনের কমিউনিস্ট সরকার। এমন অজস্র উদাহরণ আন্তর্জাতিক স্তরে রয়েছে। ৩ মে দিনটির তাৎপর্য ঠিক এখানেই। সত্য উদ্ঘাটনে সংবাদমাধ্যমের (World Press Freedom Day) স্বাধীনতা ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সে কথা বোঝাতেই আন্তর্জাতিকভাবে আজকের দিনটি পালন করা হয় ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে’ হিসেবে।

    সাংবাদিকদের স্বাধীনতা

    বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশের ভারসাম্য সংকট কিংবা যে কোনও দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলে তা তুলে ধরে সংবাদমাধ্যমই। বেআইনি খননকার্য, পরিবেশ দূষণ, মানব পাচার, পশু পাচার, বনাঞ্চল ধ্বংস, জলাশয় ভরাট, জলবায়ু পরিবর্তন প্রভৃতি বিষয় সংবাদমাধ্যমের দ্বারাই সাধারণ মানুষের নজরে আসে। সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত হয় মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং বিশ্ব শান্তির বার্তা। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে স্মার্টফোনের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর হাতের মুঠোয় পৃথিবী। যে কোনও প্রান্তে যে কোনও ঘটনা নিমেষে চলে আসে সংবাদমাধ্যমের সৌজন্যে। কিন্তু কোনও ঘটনা তখনই বিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, যখন সাংবাদিকদের স্বাধীনতা থাকে। 

    ৩ মে দিনটিতে সচেতনতা তৈরি করা হয় নিম্নলিখিত বিষয়গুলির ওপর

    – সাংবাদিকদের ওপর কোনওভাবে রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী গোষ্ঠী চাপ দিতে পারবে না।
    – বাক স্বাধীনতা এবং মুক্তচিন্তার অধিকারকে নিশ্চিত করা।
    – অঞ্চল ভিত্তিক, দেশভিত্তিক, সম্প্রদায়ভিত্তিক সংবাদমাধ্যমগুলিকে স্বাধীনতা দেওয়া।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “কংগ্রেস শেষ হচ্ছে আর পাকিস্তান কাঁদছে”, কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    PM Modi: “কংগ্রেস শেষ হচ্ছে আর পাকিস্তান কাঁদছে”, কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের প্রাক্তন মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী (Fawad Chowdhury) রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) প্রশংসা ও তাঁকে সমর্থন করেন। গুজরাটের আনন্দের জনসভা থেকে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বললেন, “কংগ্রেস ও পাকিস্তানের মধ্যে যে “গলায় গলায় ভাব” তা জনসমক্ষে চলে এসেছে। জনসভাকে সম্বোধন করার সময় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)  বলেন, “পাকিস্তানি নেতৃত্ব চাইছে কংগ্রেস ক্ষমতায় আসুক। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে কংগ্রেস ভারতে কমজোর হচ্ছে। পাকিস্তান (Pakistan) চাইছে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হোক।”

    গুজরাটের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী 

    এদের কংগ্রেসকে (INC) তুলধোনা করার সময় প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মুখে ছিল হাসি। তিনি বলেন, “কাকতালীয় ব্যাপার কংগ্রেস (Congress) শেষ হচ্ছে আর পাকিস্তান কাঁদছে। পাকিস্তানের মন্ত্রীরা কংগ্রেসের জন্য প্রার্থনা করছেন। তাঁরা ভাবছে যুবরাজ কবে ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসবে। আমরা সকলেই জানি কংগ্রেস কতটা পাকিস্তানপ্রেমী।”কংগ্রেসকে তুলোধোনা করার পাশাপাশি নিজের (PM Modi সরকারের) কৃতিত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, আগে যখন কংগ্রেসের সরকার ছিল তখন জঙ্গি হামলা হলে পাকিস্তানকে শুধু ডোজিয়ার দেওয়া হত। আর ভাষণ দেওয়ার সময় বলা হত কড়া নিন্দা করছি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হত না। এখন শুধু নিন্দা হয় না। আমাদের সময়ে আমরা সন্ত্রাসবাদীদের ঘরে ঢুকে তাদের নিকেশ করি।”

    আরও পড়ুন: ভোটবঙ্গে ফের শহরে প্রধান নরেন্দ্র মোদি! রাত্রিবাস রাজভবনে

    ইমরান ক্যাবিনেটের মন্ত্রী ছিলেন ফাওয়াদ 

    প্রসঙ্গত একটি সর্বভারতীয় বৈদ্যুতিন মাধ্যমে যে খবর সম্প্রচারিত হয় তাতে দেখা যায় পাকিস্তানের মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কথা বলতে গিয়ে ভারতের বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধীর ভূয়সী প্রশংসা করেন। রাহুল গান্ধী সম্পর্কে তার মতামত জানতে চাওয়া হলে পাকিস্তানের মন্ত্রী বলেন, “তিনি রাহুল গান্ধী কেন, যে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যিনি সঠিক ইস্যুতে কথা বলেন তাঁকে সমর্থন করবেন।” পাকিস্তানি মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিমধ্যেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান, “অমিত মালব্যর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন চৌধুরী ফাওয়াদ হোসেন যিনি ইমরান খানের(Imran Khan) ক্যাবিনেটে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন তিনি রাহুল গান্ধীকে প্রোমোট করছেন। তাহলে কী কংগ্রেস এবার পাকিস্তানে নির্বাচনের লড়ার চিন্তা ভাবনা করছে। কংগ্রেসের এবারের মেনিফেস্টোতে মুসলিম লিগের ছোঁয়া রয়েছে। কংগ্রেসের সঙ্গে পাকিস্তানের বোঝাপড়া প্রকাশ্যে চলে এসছে।”

    কংগ্রেসের বিড়ম্বনা বাড়ল 

    প্রসঙ্গত স্বাধীনতার সময় থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের (India vs Pakistan) যে শত্রুতা তৈরি হয়েছে তা আজও অব্যাহত। চারটি লড়াইয়ে পাকিস্তান হারার পরেও ভারত যতই উদার হওয়ার চেষ্টা করুক না কেন পাকিস্তানের তরফ থেকে অশান্তি বন্ধ করার কোন ইঙ্গিত নেই। এমতাবস্থায় কংগ্রেস নেতাকে পাকিস্তানের নেতারা সমর্থন করলে জনসমক্ষে কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীর ছবি আরও খারাপ হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) এবং বিজেপিকে কোনঠাসা করতে গিয়ে পাকিস্তানি নেতারা কংগ্রেসকে সমর্থন করে উল্টে কংগ্রেসের বিড়ম্বনা বাড়াচ্ছেন এমনটাই মনে করছে দেশের একটা বড় অংশের মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mumbai Hospital: মুম্বই হাসপাতালে ফোনের টর্চ ব্যবহার করে প্রসব, মা ও শিশুর মৃত্যু!

    Mumbai Hospital: মুম্বই হাসপাতালে ফোনের টর্চ ব্যবহার করে প্রসব, মা ও শিশুর মৃত্যু!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই হাসপাতালে (Mumbai Hospital) ফোনের টর্চ ব্যবহার করে প্রসব করায় মা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের তরফে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় ইতিমধ্যে মুম্বই নাগরিক সংস্থা তদন্ত শুরু করেছে ঘটনার। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে। অপরে পরিবারের সদস্যরা কয়েকদিন ধরে হাসপাতালের বাইরে বিক্ষোভ করায় অবশেষে বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন (বিএমসি) অবশেষে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    দেশের আর্থিক রাজধানীতে ঘটনা (Mumbai Hospital)?

    জানা গিয়েছে, মুম্বই হাসপাতালের (Mumbai Hospital) ডাক্তারেরা সেলফোন টর্চ ব্যবহার করে সিজারিয়ান ডেলিভারি অর্থাৎ সন্তান প্রসাব করার পরেই গর্ভবতী মা এবং তার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি যথেষ্ট মর্মান্তিক। কিন্তু দেশের আর্থিক রাজধানী মুম্বই শহরে ভারতের সবচেয়ে ধনী নাগরিক সংস্থা বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশন দ্বারা পরিচালিত হয় এই হাসপাতাল। এই সংস্থা যার বাজেট ৫২০০০ কোটির বেশি। এখানে স্বাস্থ্যের জন্য বরাদ্দকৃত পরিমাণ ১২ শতাংশ বা ৬,২৫০ কোটি টাকা। এই রকম একটি জায়গায় এই ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। পরিবারে তীব্র শোকের ছায়া।

    পরিবারের অভিযোগ

    খুসরুদ্দিন আনসারি, যিনি বিশেষভাবে সক্ষম এবং একটি পা নেই। তাঁর ২৬ বছর বয়সী স্ত্রী সাহিদুনকে তাঁর প্রসবের জন্য মুম্বই (Mumbai Hospital) সুষমা স্বরাজ মাতৃসদনে ভর্তি করান। এই দম্পতির বিয়ে হয়েছিল মাত্র ১১ মাস। পরিবারের মূল অভিযোগ, সোমবার প্রসূতি রুমে বিদ্যুৎ চলে যায় এবং তিন ঘণ্টা জেনারেটর চালু হয়নি। তারা জানান, মা ও সন্তানের মৃত্যুর পরও অন্ধকারে আরেকটি প্রসব করানো হয়। ২৯ এপ্রিল সকাল ৭ টায় স্ত্রী সাহিদুনকে প্রসবের জন্য হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাঁকে সারাদিন রেখে দেওয়া হয়। পরে রাত ৮টা পর্যন্ত পরিবারকে বলা হয়েছিল সবকিছু ঠিক আছে। এমনকী প্রসব স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু পরিবারের লোকজন তার সাথে দেখা করতে গিয়ে দেখেন সে রক্তে ঢেকে আছে।

    আরও পড়ুনঃ পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থী সুভাষের র‍্যালির ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    স্বামীর বক্তব্য

    মৃত সাহিদুনের স্বামী আনসারি বলেন, “প্রসবের জন্য স্বাক্ষর নিতে এসে বলা হয় সব ঠিক আছে, একটি সি-সেকশন প্রয়োজন। তখনই বিদ্যুৎ চলে যায়, কিন্তু তখনও এই হাসপাতাল আমাদের অন্য হাসপাতালে (Mumbai Hospital) পাঠায়নি। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ফোনের টর্চের সাহায্যে ডেলিভারি করে, কিন্তু ততক্ষণে আমার শিশুটি মারা গিয়েছে। ডাক্তার তখনও বলেছিল মা বেঁচে যাবে। এরপর আমাদের সাইন হাসপাতালে রেফার করে দেয় কিন্তু ততক্ষণে আমার স্ত্রীও মারা গিয়েছেন। সেখানেও অক্সিজেন পাওয়া যায়নি। আজ আমি যেমন কষ্ট পাচ্ছি, ডাক্তার ও স্টাফদের কষ্ট হওয়া উচিত, তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। এই হাসপাতাল বন্ধ করা উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Raebareli: অমেঠিতে গান্ধি পরিবারের ওপর ভরসা নেই কংগ্রেসের, নিরাপদ বুঝেই কি রায়বরেলিতে রাহুল!

    Raebareli: অমেঠিতে গান্ধি পরিবারের ওপর ভরসা নেই কংগ্রেসের, নিরাপদ বুঝেই কি রায়বরেলিতে রাহুল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ জল্পনার অবসান। অবশেষে রায়বরেলি (Raebareli) থেকে প্রার্থী হচ্ছেন রাহুল গান্ধি। রাহুলের পুরানো কেন্দ্র অমেঠি কেন্দ্রে তিনি যে এবার প্রার্থী হচ্ছেন না তা একেবারেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। কারণ, অমেঠি কেন্দ্রে কেএল শর্মাকে প্রার্থী করা হয়েছে। শুক্রবার কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    অমেঠিতে বিজেপি প্রার্থী স্মৃতি ইরানির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের কেএল শর্মা (Raebareli)

    সমাজবাদী পার্টির (এসপি) সঙ্গে আসন ভাগাভাগি অনুযায়ী উত্তর প্রদেশের ১৭টি লোকসভা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা কংগ্রেস আমেঠি এবং রায়বরেলি (Raebareli) বাদে সমস্ত আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তাই, এই দুই আসনে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কাকে প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। জানা গিয়েছে,আগামী ২০ জুন পঞ্চম দফায় ভোট অমেঠি এবং রায়বরেলিতে। শুক্রবারই এই দুই কেন্দ্রের জন্য প্রার্থীদের মনোনয়ন পেশের শেষ দিন। তাই প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার দিনই মনোনয়ন পেশ করতে হবে রাহুল এবং কিশোরীলালকে। ইতিমধ্যেই অমেঠি থেকে বিজেপির বিদায়ী সাংসদ স্মৃতি ইরানি মনোনয়ন জমা দিয়ে দিয়েছেন। ২০০৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত দীর্ঘ ১৫ বছর অমেঠির সাংসদ ছিলেন রাহুল। তাঁর বাবা এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধিও ১৯৮১ থেকে ১৯৯১ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত আমেঠির নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। এর আগে ১৯৯৯ সালে সোনিয়া গান্ধী এখান থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ২০০৪ সালে রাহুলের অমেঠি থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন।

     নিরাপদ বুঝেই কী রাহুলকে রায়বরেলিতে প্রার্থী!

    ১৯৫২ সালের পর বিজেপি মাত্র দু’বার এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে। আর এসপি, বিএসপি কখনও এই কেন্দ্রে জয়ের মুখ দেখেনি। পরিসংখ্যান মাথায় রেখে রায়বরেলি কেন্দ্রটিকে রাহুলের জন্য ‘নিরাপদ’ বলে মনে করছেন অনেকে। কারণ, সেই জহরলাল নেহরুর আমল থেকেই রায়বরেলি (Raebareli) কংগ্রেসের গড় হিসাবে পরিচিত। ১৯৬২ এবং ১৯৯৯ সাল বাদ দিয়ে এই কেন্দ্রে সব সময়ই নেহরু-গান্ধি পরিবারের কেউ প্রার্থী হয়েছেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি এই কেন্দ্র থেকে তিন বার জয়ী হয়েছেন। সনিয়া টানা পাঁচ বার এই কেন্দ্রে জিতে লোকসভায় গিয়েছেন। রাহুল গত লোকসভা ভোটের অমেঠির সঙ্গে কেরলের ওয়েনাড় কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ওয়েনাড়ে জিতলেও অমেঠিতে হেরে যান তিনি। এবারও ওয়েনাড় থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন তিনি। গত ২৬ এপ্রিল ওই কেন্দ্রে ভোট হয়ে গিয়েছে। এবার রায়বরেলি থেকে তিনি নির্বাচনে লড়াই করতে চলেছেন। আর তাঁর বিরুদ্ধে রায়বেরেলিতে বিজেপি প্রার্থী করেছে উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী দীনেশ প্রতাপ সিংহকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Air Force: চিন্তিত চিন-পাক! ভারতীয় বায়ুসেনা, নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হল ‘র‌্যাম্পেজ’ মিসাইল, কী বিশেষত্ব?

    Indian Air Force: চিন্তিত চিন-পাক! ভারতীয় বায়ুসেনা, নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হল ‘র‌্যাম্পেজ’ মিসাইল, কী বিশেষত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভারে আরও শক্তিবৃদ্ধি হল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force) ও নৌসেনার। ভারতের হাতে চলে এল দূরপাল্লার আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য সুপারসনিক ‘র‌্যাম্পেজ’ মিসাইল (Rampage Missile)। সদ্য এই মিসাইল ব্যবহারের উদাহরণ রেখেছে ইজরায়েলি বায়ুসেনা। ইরানের টার্গেটে তাক করার সময় এই ব়্যাম্পেজ মিসাইলকে তারা ব্যবহার করেছে। এবার সেই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের হাতেও। 

    এই মিসাইলের বিশেষত্ব হল…

    র‌্যাম্পেজ মিসাইলটি তৈরি করেছে ইজরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ইজরায়েলি মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। মার্ক-২ প্রজন্মের ২৫০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি একদিকে যেমন উচ্চগতি সম্পন্ন, ঠিক তেমনভাবে কাজেও অত্যন্ত পারদর্শী (Rampage Missile)। সামরিক পরিভাষায় একে বলা হয়— ‘হাই-স্পিড লো ড্র্যাগ’। এই মিসাইলের বিশেষত্ব হল— এটি জিপিএস/আইএনএস নেভিগেশন সিস্টেম অনুসরণ করতে সক্ষম। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি থাকায় শত্রুর জ্যামারেও এর কোনও ক্ষতি হয় না। ক্ষেপণাস্ত্রটি নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকে। সর্বোপরি, যে কোনও প্রতিকূল আবহাওয়ায় এটি সমান কার্যকর।

    আরও শক্তিশালী সুখোই-৩০, মিগ-২৯

    বায়ুসেনা (Indian Air Force) সূত্রে খবর, বাহিনীর প্রধান রুশ-নির্মিত সুখোই-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমানে এই অত্যাধুনিক মিসাইলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, বায়ুসেনার মিগ-২৯ ও জাগুয়ার যুদ্ধবিমানেও এই ক্ষেপণাস্ত্রের অন্তর্ভুক্তিকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। একইভাবে, নৌসেনায় ব্যবহৃত মিগ-২৯কে যুদ্ধবিমানেও এই মিসাইল (Rampage Missile) ফিট করে দেওয়া হয়ে গিয়েছে। এর ফলে, এখন থেকে কমিউনিকেশন সেন্টার (সামরিক তথ্যের আদানপ্রদান কেন্দ্র), রেডার স্টেশন, বায়ুসেনা ঘাঁটি সহ শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিকে অতি সহজেই টার্গেট করতে পারবে ভারতীয় যুদ্ধবিমানগুলি।

    জরুরি ভিত্তিতে কেনা হয়েছে ইজরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র

    ২০২০ সালে চিনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাতের পর— অত্যাবশ্যকীয়, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল অস্ত্র-সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীকে জরুরি ক্ষমতা প্রদান করেছিল প্রতিরক্ষামন্ত্রক। তার ওপর ভিত্তি করেই এই র‌্যাম্পেজ মিসাইলগুলি কিনেছে বায়ুসেনা (Indian Air Force) ও নৌসেনার এভিয়েশন বিভাগ। সূত্রের খবর, বর্তমানে ব্যবহৃত ‘স্পাইস-২০০০’ ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অধিক দূরের লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করতে সক্ষম র‌্যাম্পেজ (Rampage Missile)। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, ২০১৯ সালে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের সময় স্পাইস-২০০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা।

    ব্রহ্মসের নতুন জুড়িদার…

    সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানগুলির আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়া বেশ কিছুদিন ধরেই শুরু করেছে বায়ুসেনা (Indian Air Force)। এই প্রক্রিয়ার অন্তর্গত রুশ-নির্মিত এই যুদ্ধবিমানগুলির অস্ত্রসম্ভার ও বহন করার ক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, অত্যাধুনিক যন্ত্রাংশ এই যুদ্ধবিমানে মোতায়েন করে এর জীবনকাল ও ক্ষিপ্রতা এবং মারণক্ষমতা — সব উন্নত করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অন্তর্গত সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বিশ্বের সেরা ৪০০ কিমি পাল্লার ব্রহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও। এটিও আকাশ থেকে ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র। এবার তার জুড়ি হিসেবে যোগ দিল র‌্যাম্পেজ (Rampage Missile)। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে ভারতেও যাতে এই ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন করা যায়, তার সম্ভাবনাও রয়েছে। 

    নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা আন্দামানেও

    অন্যদিকে, র‌্যাম্পেজ মিসাইল (Rampage Missile) কেনার পাশাপাশি ভারত নিজস্ব সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিককালে, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ‘রক্স’ (ক্রিস্টাল মেজ-২) নামের এমনই একটি নতুন-প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় বায়ুসেনা (Indian Air Force)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ABVP: লক্ষ্য নতুন পড়ুয়ার সঙ্গে সম্পর্ক! ‘পরিসর চলো’ কর্মসূচি ঘোষণা এবিভিপির

    ABVP: লক্ষ্য নতুন পড়ুয়ার সঙ্গে সম্পর্ক! ‘পরিসর চলো’ কর্মসূচি ঘোষণা এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসেই অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ শুরু করছে ‘পরিসর চলো’ অভিযান।  অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে পৌঁছানোর কর্মসূচি নিচ্ছে এবিভিপি (ABVP)। সাধারণভাবে মে-জুন মাস থেকেই যে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই সময় নতুন পড়ুয়াদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টার জন্য এই অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের নেতৃবৃন্দ। এবিভিপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২.৩৫ লাখ নতুন সদস্য আগামী অ্যাকাডেমিক বর্ষে তৈরি করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে তারা।

    আরও পড়ুন: চিনের তৈরি হাম্বানটোটা বিমানবন্দরের রাশ ভারত-রুশ সংস্থার হাতে, বোধোদয় শ্রীলঙ্কার!

    ২০২৩-২০২৪ সালে ৫০ লাখ ৬৫ হাজার ২৬৪ জন সদস্য হয়েছেন 

    অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP) সূত্রে খবর, ২০২৩-২০২৪ বর্ষে দেশে সদস্যতা অভিযানে এবিভিপি সদস্যপদ নিয়েছিলেন ৫০ লাখ ৬৫ হাজার ২৬৪ জন। জানা গিয়েছে ‘পরিষদ চলো ‘এই অভিযান সাধারণভাবে তিনটি অংশে ভাগ করা হবে। এবিভিপির নেতৃত্ব পৌঁছাবেন স্কুলগুলিতে। যে কোনও ধরনের ভোকেশনাল ইনস্টিটিউশনগুলিতে, কলেজগুলিতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে এই অভিযান চলবে। জানা গিয়েছে প্রথম পর্যায়ে তারা স্কুলগুলিতে পৌঁছাবে। ৬ মে থেকে ১৫ মে চলবে এই অভিযান। পর্যন্ত ভোকেশনাল ইনস্টিটিউশনগুলোতে তারা পৌঁছাবে জুলাই মাসের ২০ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত। অন্যদিকে ইউনিভার্সিটি ছাত্রদের কাছে এবিভিপি পৌঁছাবে ১ থেকে ১০ অগাস্ট পর্যন্ত।

    অন্ত্যজ শ্রেণীর ছাত্রদের সঙ্গেও সম্পর্ক স্থাপন 

    জানা গিয়েছে, এবিভিপির (ABVP) ‘পরিষদ চলো’ অভিযান শুধুমাত্র সদস্য সংগ্রহ করা নয়, তার পাশাপাশি এবিভিপি নতুন পড়ুয়াদের মধ্যে তাদের নীতি-আদর্শকে পৌঁছে দিতে চায়। ছাত্রদের যে সমস্ত সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তার সমাধানও করতে চাইবে এবিভিবি। বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ডের ছাত্রদের সঙ্গেই সম্পর্কে আসবে এই অভিযানের মাধ্যমে এবিভিপি। সে কথা জানিয়েছে এবিপি নেতৃত্ব। গ্রামীণ এবং অন্ত্যজ শ্রেণীর ছাত্রদের সঙ্গেও সম্পর্ক স্থাপন করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UTS: থাকতে হবে না ২০ মিটার দূরে, এবার প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়েও ইউটিএস অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট বুক করতে পারবেন

    UTS: থাকতে হবে না ২০ মিটার দূরে, এবার প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়েও ইউটিএস অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট বুক করতে পারবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাইন দিয়ে টিকিট কাটা এক বড় ঝক্কির বিষয়! তারপর আবার তাড়াহুড়োর মাথায় ট্রেন মিস হওয়ার ভয়ও থাকে। এসব কিছু থেকে বাঁচতে রেলওয়ে নিয়ে এসেছিল অনেক আগেই ইউটিএস অ্যাপ (UTS)। এবার সেই ইউটিএস অ্যাপেই বিরাট বদল আনল ভারতীয় রেল। প্রসঙ্গত, ভারতবর্ষে প্রতিদিন লোকাল ট্রেনে সফর করেন এমন যাত্রী সংখ্যা হয়তো কোটিতে পৌঁছে যাবে। এই যাত্রীদের সুবিধার্থেই ইউটিএস অ্যাপের পরিষেবাতে পরিবর্তন আনল রেল। এতদিন পর্যন্ত ইউটিএস অ্যাপের টিকিট কাটার নিয়ম ছিল যে স্টেশন থেকে আপনাকে কুড়ি মিটার দূরে থাকতে হবে এবং এভাবেই টিকিট কাটতে পারতেন যে কোনও যাত্রী। কিন্তু কিন্তু এইবারে শূন্য মিটার দূরত্ব থেকেও টিকিট কাটা যাবে। লোকাল ট্রেনের পাশাপাশি এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিটও কাটা যাবে এবার থেকে।

    ২০ মিটার দূরত্বে থাকতে হবে না

    অর্থাৎ দূরত্ব আর কোনও বাধা থাকছে না। কুড়ি মিটার দূরে থাকতে হবে না প্লাটফর্ম থেকে টিকিট কাটতে। প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকলেও ইউটিএস অ্যাপের (UTS) মাধ্যমে টিকিট কাটা যাবে। সাধারণভাবে সাধারণভাবে এই নিয়ম চালু করা হয়েছিল যে, যদি কোনও যাত্রী টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠে পড়েন তাহলে তিনি যেন টিটিকে দেখে টিকিট কেটে নিতে না পারেন। তবে সেই দূরত্বে এবার শূন্য হয়ে গেল। এক্ষেত্রে পূর্ব রেলে জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, বর্তমানে ইউটিএস অ্যাপ এর ক্ষেত্রে জিও ফেন্সিং তুলে নেওয়া হয়েছে।

    ইউটিএস অ্যাপ (UTS)

    আপনাদের মধ্যে যাদের এখন ইউটিএস অ্যাপ (UTS) নেই, তাঁরা অ্যাপটি ইন্সটল করে নিতে পারেন নিজেদের মোবাইলে। তারপরে সাইন আপ করে লগ-ইন করে রাখতে হবে। এখানে দু ধরনের টিকিট কাটতে পারেন। পেপারলেস টিকিট এবং পেপারবিহীন টিকিট। আপনার যাত্রা শুরুর স্টেশন এবং গন্তব্য স্টেশন ইউটিএস অ্যাপের মাধ্যমে দিতে হবে এবং এর পরেই টিকিট বুকিং করতে হবে। তারপরে আর ওয়ালেট অথবা যেকোনও ধরনের ইউপিআই-এর মাধ্যমে আপনার ফোন থেকে টিকিটের টাকা কেটে নেবে ভারতীয় রেল।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: “মোদি সরকারের আমলে আকাশ ছুঁয়েছে শেয়ার মার্কেট”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “মোদি সরকারের আমলে আকাশ ছুঁয়েছে শেয়ার মার্কেট”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দশ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) আমলে ভারতের অর্থনীতিতে এক আমুল পরিবর্তণ এসেছে। শেয়ার বাজার আকাশ ছুঁয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য (Amit Shah)

    এদিন অমিত শাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন তখন ভারতের অর্থনীতি প্রায় ভেঙ্গে পড়েছিল। কর্মক্ষেত্রে উৎপাদন কমে গেছিল, ফলে রপ্তানীর পরিমাণও কমে গেছিল। সে সময় মুদ্রাস্ফীতি ছিল আকাশ ছোঁয়া। তবে প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার পর থেকে ধীরে ধীরে উন্নতির পথে এগিয়েছে ভারতের অর্থনীতি। 

    আরও পড়ুন: চিনের তৈরি হাম্বানটোটা বিমানবন্দরের রাশ ভারত-রুশ সংস্থার হাতে, বোধোদয় শ্রীলঙ্কার!

    মোদিজির আমলের দশ বছর স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে

    এদিন সাক্ষাৎকারে তিনি  আরও বলেন, ১৩০ কোটির দেশ ভারতবর্ষ (India) বর্তমানে ধীরে ধীরে উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে। উচ্চশিক্ষা হোক কিংবা অর্থনৈতিক দিক। ৩৭০ ধারার অবসান হোক কিংবা তিন তালাক। রামের জন্মভূমি থেকে দেশের ফৌজদারি আইনে মৌলিক পরিবর্তন। মোদিজির আমলের এই দশ বছর প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। একই সঙ্গে অমিত শাহ (Amit Shah) এদিন জানিয়েছেন যদি এবার তৃতীয়বারের মতো মোদিজি ক্ষমতায় আসেন তাহলে এক থেকে দুই বছরের মধ্যেই ভারত থেকে নকশালবাদ বিলুপ্ত হবে।

    ভোট প্রসঙ্গেও মত প্রকাশ শাহের 

    পাশাপাশি এদিন ভোট প্রসঙ্গেও মত প্রকাশ করেন তিনি। ৩৭০-এর লক্ষ্যে বিজেপি কি সঠিক পথে হাঁটছে? এই প্রশ্নের জবাবে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “একদম সঠিক ট্র্যাকে রয়েছে। গণনার দিন দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে এনডিএ ৪০০ পেরিয়ে যাবে। মোদিজি আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন”। সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমার দলের একটা টিম এবং আমি বিশদ বিশ্লেষণ করেছি। প্রথম দুই দফার ভোটে ১০০ আসন নিয়ে আমরা তৃতীয় দফার দিকে এগোচ্ছি। ৪০০-র লক্ষ্য অতিক্রম করতে কোনও সমস্যা হবে বলে মনে হচ্ছে না”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিভিপ্যাটের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে পদক্ষেপ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Lok Sabha Election 2024)। সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের এই মর্মে নির্দেশও দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ (Lok Sabha Election 2024)

    ফল ঘোষণার পরে পঁয়তাল্লিশ দিন সংরক্ষণ করা হবে ওই ইউনিট। সিম্বল লোডিং ইউনিটকে গোলাপি কাগজে করে ট্রাঙ্কে সংরক্ষিত করে রাখতে হবে। সিলের ওপর স্বাক্ষর করবেন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের সব প্রার্থী। ওই সব ইউনিটকে সুরক্ষিত রাখবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার কিংবা জেলা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। পুরো প্রক্রিয়াটির ভিডিওগ্রাফি করতে হবে।

    কী বলছেন আধিকারিক?

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের এক আধিকারিক (Lok Sabha Election 2024) বলেন, “সিম্বল লোডিং ইউনিটে প্রার্থীদের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক থাকে। সেখান থেকে তথ্য প্রবেশ করানো হয় ভিভিপ্যাটে। পরে সেই ভিভিপ্যাটগুলি পাঠানো হয় বুথে। এর অর্থ হল, সিম্বল লোডিং ইউনিট ও ভিভিপ্যাটের তথ্য এক হবে। তাই ভিভিপ্যাট নিয়ে সংশয় থাকলে সিম্বল লোডিং ইউনিট যাচাই করলেই সঠিক তথ্য মিলবে। এমতাবস্থায় ভিভিপ্যাটের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিল সিবিআই, কী বলল তদন্তকারী সংস্থা?

    প্রসঙ্গত, ইভিএমের সঙ্গে সব ভিভিপ্যাট গণনার দাবি তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছিল অ্যাসেসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস নামের একটি সংগঠন। ২৬ এপ্রিল ওই মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, ভিভিপ্যাট নিয়ে সংশয় দূর করতে সিম্বল লোডিং ইউনিট সংরক্ষণ করতে হবে। গণনায় দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রার্থী তা যাচাই করার আবেদন করতে পারবেন। শীর্ষ আদালত এও জানিয়েছিল, ইভিএমে প্রতীক আপলোড করার পর তা একেবারে সিলড ও নিরাপদ রাখতে হবে মেশিনে। সিলে স্বাক্ষর করতে পারেন প্রার্থী ও তাঁদের এজেন্টরা। সিলড মেশিনটি ফল ঘোষণার পর পঁয়তাল্লিশ দিন পর্যন্ত স্টোররুমে সংরক্ষিত করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশ মেনেই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share