Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Delhi Impact Summit: এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ঘোষণাপত্রে সই করেছে ৮৬টি দেশ, জানালেন বৈষ্ণব

    Delhi Impact Summit: এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ঘোষণাপত্রে সই করেছে ৮৬টি দেশ, জানালেন বৈষ্ণব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এআই ইমপ্যাক্ট সামিট (Delhi Impact Summit) ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছে মোট ৮৬টি দেশ। শনিবার এ কথা জানান তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর মতে, এটি এআই বিষয়ে (AI Declaration) ভারতের মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি একটি বড় কূটনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সমর্থন। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের সমাপ্তি অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানেই ঘোষণাপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। এতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা, চিন, ডেনমার্ক এবং জার্মানি-সহ বিশ্বের প্রধান শক্তিধর দেশগুলি অংশগ্রহণ করেছে।

    অশ্বিনী বৈষ্ণব (Delhi Impact Summit)

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে বৈষ্ণব বলেন, “স্বাক্ষরকারী দেশগুলি সর্বজনের কল্যাণ ও সর্বজনের সুখ নীতিকে সমর্থন করেছে, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্পদকে গণতান্ত্রিক করার ভাবনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মানবকেন্দ্রিক এআই দৃষ্টিভঙ্গিকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব। এআইয়ের পরিকাঠামো, পরিষেবা ও প্রযুক্তি যেন সমাজের (Delhi Impact Summit) প্রত্যেক মানুষের কাছে পৌঁছয়—এই ধারণা সকলেই গ্রহণ করেছে।” মন্ত্রী বলেন, “এই ঘোষণাপত্রে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপত্তা, আস্থা এবং সামাজিক সম্প্রীতিকে এআই উন্নয়নের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।” তিনি বলেন, “শুধু অর্থনৈতিক বৃদ্ধি নয়, সামাজিক সম্প্রীতিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। নিরাপত্তা ও আস্থা কেন্দ্রে রয়েছে।” দেশগুলি একটি নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী এআই কাঠামো গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। উদ্ভাবন (innovation) এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং দেশগুলি এই (AI Declaration) ক্ষেত্রগুলিতে পারস্পরিক সহযোগিতায় সম্মত হয়েছে (Delhi Impact Summit)।

    বিপুল বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি

    সম্মেলনে এআই পরিকাঠামোর জন্য ২৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতিও মিলেছে। পাশাপাশি প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও ডিপ-টেক বিনিয়োগের আশ্বাস মিলেছে। বৈষ্ণব এই সম্মেলনকে অভূতপূর্ব সাফল্য বলে বর্ণনা করেন।সম্মেলনের প্রদর্শনী অংশে পাঁচ লাখেরও বেশি দর্শক অংশ নেন এবং বিশ্বব্যাপী বিশেষজ্ঞ ও স্টার্টআপগুলির সঙ্গে মতামত বিনিময় করেন। তিনি বলেন, “বিশ্বের প্রায় সব বড় এআই সংস্থাই উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় অংশ নিয়েছে। বহু স্টার্টআপ তাদের কাজ প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছে। সামগ্রিকভাবে আলোচনা ছিল অসাধারণ মানের (Delhi Impact Summit)।” দিল্লিতে এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই, ওপেনএআই-এর প্রধান স্যাম অল্টম্যান, মাইক্রোসফটের ভাইস চেয়ার ব্র্যাড স্মিথ এবং অ্যানথ্রপিকের সিইও ডারিও আমোদেই-সহ বিশ্বের প্রযুক্তি নেতারা। আলোচনার বিষয় ছিল (AI Declaration) এআই শাসনব্যবস্থা, নিরাপত্তা, কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (AGI) এবং ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান। বৈষ্ণব বলেন, “আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের ব্যাপকতা প্রমাণ করে যে এআই শাসন ও পরিকাঠামো উন্নয়নের পরবর্তী ধাপ নির্ধারণে ভারতের নেতৃত্বের ওপর আস্থা রয়েছে বিশ্বের (Delhi Impact Summit)।

     

  • India Brazil Trade: “আগামী পাঁচ বছরে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে ভারত-ব্রাজিল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য”, লুলার সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি

    India Brazil Trade: “আগামী পাঁচ বছরে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে ভারত-ব্রাজিল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য”, লুলার সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (India Brazil Trade) করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবারের এই বৈঠকে দুই দেশের নেতারা আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি পর্যায়ে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (India Brazil Trade)

    যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই আলোচনা সমন্বিত লক্ষ্য ও যৌথ উদ্দেশ্যের চেতনায় সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে হয়েছে।” তিনি ভারত–ব্রাজিল সম্পর্ক শক্তিশালী করতে প্রেসিডেন্ট লুলার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসাও করেন এবং নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশগ্রহণের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “ভারত ও ব্রাজিলের প্রচেষ্টা গ্লোবাল সাউথের কণ্ঠকে আরও শক্তিশালী করে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগামী বছরগুলিতে আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের বাণিজ্য কেবল পরিসংখ্যান নয়, এটি পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আসা ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল সেই আস্থারই প্রমাণ।” তিনি বলেন, “আমরা এই (India Brazil Trade) পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করে যাব।”

    সন্ত্রাসবাদ মানবজাতির শত্রু

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুই দেশই একমত যে সন্ত্রাসবাদ এবং তার সমর্থকরা সমগ্র মানবজাতির শত্রু।” তিনি ব্রাজিলকে লাতিন আমেরিকায় ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। বলেন, “বৃহৎ ব্রাজিলীয় ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রতি আস্থার প্রতিফলন। ভারত–মারকোসুর (দক্ষিণ কমন মার্কেট) বাণিজ্য চুক্তির সম্প্রসারণ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে।” প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিগত সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ব্রাজিলে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের জন্য সেন্টার অব এক্সেলেন্স স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সুপারকম্পিউটার, সেমিকন্ডাক্টর ও ব্লকচেইনের ক্ষেত্রে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “প্রযুক্তি হওয়া উচিত অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং তার উচিত যৌথ অগ্রগতির সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করা (PM Modi)।”

    জ্বালানি সহযোগিতা

    জ্বালানি সহযোগিতাকেও অংশীদারিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ (India Brazil Trade) হিসেবে তুলে ধরা হয়। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ইথানল মিশ্রণ এবং উন্নত বিমান জ্বালানির ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্সে ব্রাজিলের সক্রিয় ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি এবং দুর্যোগ–সহনশীল পরিকাঠামো জোটের সহ–সভাপতি হওয়ার ব্রাজিলের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্রাজিলের বিস্তৃত অভিজ্ঞতা এই উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করবে।” এর আগে মোদি ও লুলা প্রতিনিধিদল স্তরের বৈঠক করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি এবং অন্য শীর্ষ আধিকারিকরা।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    ১৯ ফেব্রুয়ারি এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশ নিতে ভারতে আসা ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তাঁর সঙ্গে আসা শীর্ষ সিইওদের বৃহৎ প্রতিনিধিদল একটি ব্যবসায়িক ফোরামে অংশ নেবে, যেখানে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সুযোগ অনুসন্ধান করা হবে। এই সফরটি জুলাই ২০২৫-এ ব্রাসিলিয়ায় মোদির সফরের (India Brazil Trade) পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি ছিল ৫০ বছরেরও বেশি (PM Modi) সময়ের মধ্যে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ব্রাজিল সফর।

     

  • Congress Protest: এআই সামিটে কংগ্রেসের বিক্ষোভ “বৃহত্তর ষড়যন্ত্র”-এর অংশ, বলল দিল্লি পুলিশ

    Congress Protest: এআই সামিটে কংগ্রেসের বিক্ষোভ “বৃহত্তর ষড়যন্ত্র”-এর অংশ, বলল দিল্লি পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজধানীতে অনুষ্ঠিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শীর্ষ সম্মেলনে ভারতীয় যুব কংগ্রেসের সদস্যদের বিক্ষোভের ঘটনাকে “বৃহত্তর ষড়যন্ত্র”-এর অংশ বলে দাবি করেছে দিল্লি পুলিশ। আদালতে পেশ করা বক্তব্যে পুলিশ জানায়, এই প্রতিবাদ নেপালের তথাকথিত ‘জেন জি আন্দোলন’ থেকে অনুপ্রাণিত। এই ঘটনায় অভিযুক্ত কংগ্রেস কর্মীদের ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। যা সেখানে সরকার পতনের কারণ হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।

    নেপালের জেন জি আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা

    পুলিশের আইনজীবী আদালতে বলেন, “এটি একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্র। নেপালের জেন জি আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের একে অপরের সঙ্গে এবং ডিজিটাল প্রমাণের সঙ্গে মুখোমুখি জেরা করা প্রয়োজন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত।” পুলিশ আরও জানায়, বিক্ষোভের অর্থায়ন সম্পর্কেও তদন্ত চলছে। ঘটনায় প্রায় ১০ জন যুব কংগ্রেস কর্মী এআই সম্মেলনের ভেন্যুতে ঢুকে শার্ট খুলে বিক্ষোভ দেখান এবং ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে স্লোগান তোলেন। বিক্ষোভকারীরা সাদা টি-শার্টে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি ও সরকারের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান প্রদর্শন করেন। নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে তাঁদের আটক করে। পরে সম্মেলন বিঘ্নিত করার অভিযোগে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।

    “দেশবিরোধী” আখ্যা দিয়ে কংগ্রেসের সমালোচনা

    ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতারা বিক্ষোভকে “দেশবিরোধী” আখ্যা দিয়ে কংগ্রেসের সমালোচনা করেছেন। বিজেপি নেতা নিতিন নবীন অভিযোগ করেন, “আমরা প্রায়ই ‘আরবান নকশালবাদ’ শব্দটি ব্যবহার করি। আগে কিছু দল এতে প্রভাবিত ছিল, এখন তারা পুরোপুরি এর অংশ হয়ে গিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “যখন বিশ্বমঞ্চে ভারতের আলোচনা হচ্ছে, তখন এ ধরনের লজ্জাজনক কাজ দেশের অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।” দিল্লি থেকে মুম্বই—বিভিন্ন শহরে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচি নেয় বিজেপি। মুম্বইয়ে রাহুল গান্ধীকে কালো পতাকা দেখান বিজেপি কর্মীরা।

    রাহুল গান্ধীকে কালো পতাকা প্রদর্শন

    শনিবার সকালে রাহুল গান্ধী মুম্বই বিমানবন্দরে পৌঁছন। সেখান থেকে তিনি সড়কপথে ঠানে জেলার ভিওয়ান্ডিতে একটি ২০১৪ সালের মানহানির মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে যান। বিমানবন্দর চত্বরে বিজেপি সমর্থকেরা কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। রাজধানী দিল্লিতেও একই চিত্র দেখা যায়। বিজেপি-র নেতা-কর্মীরা আকবর রোডে কংগ্রেসের দফতরের সামনে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখান। দিল্লি বিজেপি সভাপতি বিরেন্দ্র সচদেবা এবং লোকসভা সাংসদ মনোজ তিওয়ারি যুব কংগ্রেসের ওই প্রতিবাদকে “দেশদ্রোহী” কর্মকাণ্ড বলে কটাক্ষ করেন। তাঁদের অভিযোগ, এই ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে।

  • PM Modi: ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে পার্শ্ববৈঠক ভারত-শ্রীলঙ্কার, বৈঠক হল মরিশাসের সঙ্গেও

    PM Modi: ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে পার্শ্ববৈঠক ভারত-শ্রীলঙ্কার, বৈঠক হল মরিশাসের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর পার্শ্ব বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা ডিসানায়াকার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় (AI Summit)। এই সময় দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগগুলির অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং সহযোগিতা আরও গভীর করার অঙ্গীকার করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল প্রেসিডেন্ট দিসানায়কের দ্বিতীয় ভারত সফর। এর আগে তিনি ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এসেছিলেন।

    ভারত-শ্রীলঙ্কা পার্শ্ব বৈঠক (PM Modi)

    সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলির পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া অগ্রগতিও দুই নেতা পর্যালোচনা করেন, যার মধ্যে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদির শ্রীলঙ্কা সফর অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাঁরা ভৌত, ডিজিটাল এবং জ্বালানি সংযোগ বাড়াতে যৌথভাবে কাজ দ্রুততর করার বিষয়ে অভিন্ন সংকল্পের ওপর জোর দেন। উন্নয়নে প্রযুক্তির ভূমিকা স্বীকার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সমন্বয় নিয়ে মতবিনিময়ও করেন। সাইক্লোন ‘দিতওয়া’র পর ভারতের দ্রুত ও নিঃশর্ত সাহায্যের জন্য প্রেসিডেন্ট দিসানায়ক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রথম প্রতিক্রিয়াকারী দেশ হিসেবে ভারত ‘অপারেশন সাগর বন্ধু’র অধীনে জরুরি ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করে। ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সাহায্য প্যাকেজের মাধ্যমে পুনর্গঠন প্রকল্পে যে সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়েছে, তাও উল্লেখ করেন দুই নেতা রাষ্ট্রনেতা (PM Modi)।

    সভ্যতাগত বন্ধন

    শ্রীলঙ্কায় পবিত্র দেবনিমোরি ধাতুর সফল প্রদর্শনীকে স্বাগত জানিয়ে দুই নেতা বলেন, “দুই দেশের সভ্যতাগত বন্ধন ভারত-শ্রীলঙ্কা অংশীদারিত্বকে অনন্য শক্তি দেয়।” প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রেসিডেন্ট ডিসানায়াকা শ্রীলঙ্কার মজবুত উন্নয়নের প্রয়োজন মেটাতে এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা জোরদার করতে যৌথভাবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হন।

    ভারত-মরিশাস বৈঠক

    এদিনই পার্শ্ব বৈঠকে মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নবীন চন্দ্র রামগুলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। এটি ছিল প্রধানমন্ত্রী রামগুলামের দ্বিতীয় ভারত সফর। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এসেছিলেন তিনি। ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁদের সাম্প্রতিক টেলিফোনালাপের পর এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুই নেতা ‘এনহ্যান্সড স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে’র অধীনে অগ্রগতির পর্যালোচনা করেন এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ডিজিটাল সহযোগিতা-সহ বহুমাত্রিক সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা করেন। উদীয়মান প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব স্বীকার করে তাঁরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদ্ভাবনভিত্তিক খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় করেন।

    মরিশাসের উন্নয়নে অগ্রাধিকার

    দুই রাষ্ট্রনেতাই মরিশাসের উন্নয়ন অগ্রাধিকারকে সমর্থন করে ভারতের প্রদত্ত বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি উল্লেখ করেন, মরিশাস ভারতের উন্নয়ন অংশীদারিত্বের একটি আদর্শ উদাহরণ, যা পারস্পরিক আস্থা ও অগ্রগতির যৌথ অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে (PM Modi)। দুই প্রধানমন্ত্রী ভারতের ‘ভিশন মহাসাগর’ এবং ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতির অধীনে ভারত–মরিশাস অংশীদারিত্বের স্থায়ী গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা জোর দেন যে এই অংশীদারিত্ব পারস্পরিক সমৃদ্ধি বৃদ্ধি এবং গ্লোবাল সাউথের অভিন্ন অগ্রাধিকারের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে (AI Summit)। নেতারা ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি জোরদারে এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়েও একমত হন (PM Modi)।

     

  • US: মোদির কাছে মাথা নত! শেষমেশ ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমাল আমেরিকা

    US: মোদির কাছে মাথা নত! শেষমেশ ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমাল আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় পণ্যের ওপর ১৫০ দিনের জন্য শুল্ক কমিয়ে ১০ শতাংশ করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US)। হোয়াইট হাউসের নয়া এক বিজ্ঞপ্তির পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ে পূর্ববর্তী বৈশ্বিক শুল্ক কাঠামো বাতিল করে দেয় (Supreme Court Ruling)। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগে যেসব ভারতীয় রফতানি পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক আরোপিত ছিল, সেগুলির ওপর এখন ১০ শতাংশ ‘অ্যাড ভ্যালোরেম’ (ad valorem) শুল্ক প্রযোজ্য হবে। যদিও এর আগে দুই দেশের মধ্যে ১৮ শতাংশ শুল্ক হার নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, তা কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে রফতানিকারীরা কার্যত ২৫ শতাংশ থেকে সরাসরি ১০ শতাংশে শুল্ক কমার সুবিধা পাবেন।

    সংশোধিত শুল্কহার কবে থেকে (US)

    সংশোধিত শুল্কহার ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে কার্যকর হবে এবং ১৫০ দিন বলবৎ থাকবে। এই নয়া কাঠামোটি আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে, এমন সব দেশের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার মধ্যে ভারতও রয়েছে। এর আগে সিএনবিসি জানিয়েছিল যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি থাকা দেশগুলি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষরিত নতুন ঘোষণার আওতায় কম শুল্ক সুবিধা পাবে। এই সাময়িক শুল্ক হ্রাসকে মার্কিন বাণিজ্যনীতির বৃহত্তর পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে (US)। শুল্ক সংশোধনের এই সিদ্ধান্ত এসেছে সুপ্রিম কোর্টের ৬–৩ সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ের পর, যেখানে প্রশাসনের পূর্ববর্তী বৈশ্বিক শুল্ক কাঠামোকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিরা মত দেন যে, আমদানি শুল্ক আরোপের জন্য যে আইনের উল্লেখ করা হয়েছিল, তা প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয় না। এর ফলে একতরফা শুল্ক আরোপের ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়, যা একাধিক দেশকে প্রভাবিত করেছিল।

    শুল্কের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

    তবে আদালত এই বিষয়ে কিছু বলেনি যে, আগে আদায় করা শুল্কের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা দেশগুলি ফেরতের অধিকার পাবে কি না। বিষয়টি এখনও নিষ্পন্ন হয়নি এবং ভবিষ্যতে এ নিয়ে আইনি বা কূটনৈতিক আলোচনা হতে পারে। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বিচারপতিদের সমালোচনা করে তাঁদের জাতির পক্ষে লজ্জা বলে অভিহিত করেন এবং অভিযোগ তোলেন যে তাঁরা “বিদেশি স্বার্থ ও ক্ষুদ্র রাজনৈতিক গোষ্ঠীর” প্রভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভারতীয় রফতানিকারীদের জন্য ১০ শতাংশে সাময়িক শুল্ক হ্রাস স্বল্পমেয়াদে স্বস্তি ও আমেরিকার বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা এনে দেবে। এই ১৫০ দিনের সময়সীমা উভয় দেশের বাণিজ্য কর্তা ও ব্যবসায়ীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ (Supreme Court Ruling) হয়ে উঠবে। কারণ ভবিষ্যতে  ভারত- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনার রূপরেখা নির্ধারণে এটি প্রভাব ফেলতে পারে (US)।

     

  • Delhi High Alert: লালকেল্লা ও মন্দির এলাকায় আইইডি হামলার ছক লস্করের! রাজধানীতে জারি হাই অ্যালার্ট

    Delhi High Alert: লালকেল্লা ও মন্দির এলাকায় আইইডি হামলার ছক লস্করের! রাজধানীতে জারি হাই অ্যালার্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় রাজধানী দিল্লিতে হাই অ্যালার্ট জারি করল জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। গোয়েন্দা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা (LeT) ওল্ড দিল্লির জনবহুল ধর্মীয় স্থান ও ঐতিহাসিক এলাকাগুলিকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-র হাতে আসা একটি গোয়েন্দা নোটে বলা হয়েছে, লালকেল্লা ও ঘনবসতিপূর্ণ চাঁদনি চকের মন্দির সংলগ্ন এলাকায় জঙ্গিরা আইইডি (ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) হামলার চেষ্টা চালাতে পারে।

    ভারতে বড়সড় হামলার ছক লস্করের

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই সম্ভাব্য ষড়যন্ত্রটি ৬ ফেব্রুয়ারি ইসলামাবাদের একটি মসজিদে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপের সঙ্গে যুক্ত। অভিযোগ, লস্করের জঙ্গিরা ভারতে বড়সড় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলি সতর্ক করেছে যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ মন্দিরও সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকতে পারে। এই গোয়েন্দা তথ্যের পর দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সংবেদনশীল এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করেছে, বিশেষ করে ওল্ড দিল্লিতে। অতিরিক্ত নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে, যানবাহন তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে এবং ধর্মীয় স্থান ও পর্যটন কেন্দ্রের কাছে অ্যান্টি-সাবোটাজ চেক চালানো হচ্ছে।

    লালকেল্লা হামলার তিন মাস…

    গত বছর ঘটে যাওয়া লালকেল্লা গাড়ি বিস্ফোরণের প্রায় তিন মাস পর নতুন হামলার সতর্কতা জারি হল। ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণ ঘটেছিল। সেটি সাম্প্রতিক বছরগুলিতে রাজধানীতে ঘটে যাওয়া অন্যতম প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলা ছিল। লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে বিস্ফোরক বোঝাই একটি হুন্ডাই গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে অন্তত ১২ জন নিহত হন এবং ২০ জনেরও বেশি আহত হন। পাশাপাশি আশপাশের একাধিক গাড়িতে আগুন ধরে যায়। তদন্তকারীরা পরে নিশ্চিত করেন যে, এই বিস্ফোরণে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট-ভিত্তিক বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল।

    হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল…

    তদন্তকারী সংস্থাগুলি জানায়, গাড়ির চালক তথা আত্মঘাতী জঙ্গি উমর মহম্মদ ওরফে উমর উন নবি ফরিদাবাদের আল-ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত একজন চিকিৎসক ছিল। ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া মানবদেহের অংশের ডিএনএ পরীক্ষায় তার উপস্থিতি নিশ্চিত হয়। তদন্তে উঠে আসে, উমর প্রতিবেশী হরিয়ানা থেকে পরিচালিত একটি বৃহত্তর ‘হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল’ বা চিকিৎসক-সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিল। দিল্লি বিস্ফোরণের আগের দিনই নিরাপত্তা সংস্থাগুলি ফরিদাবাদ থেকে প্রায় ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করে এবং দুই চিকিৎসক-জঙ্গি মুজাম্মিল ও আদিল রাদার-সহ মূল চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করে। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লিতে ওই বিস্ফোরণ ঘটে। তদন্তকারীদের দাবি, নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কড়া অভিযানের চাপে পড়ে উমর নাকি লালকেল্লার কাছে গাড়িটি আগেভাগেই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দেয়।

  • SIR: হাইকোর্টকে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর কাজ পরিচালনার জন্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    SIR: হাইকোর্টকে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর কাজ পরিচালনার জন্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা নিয়োগের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন (SIR) অভিযান নিয়ে রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে দুর্ভাগ্যজনকভাবে দোষারোপের খেলা চলছে বলে উল্লেখ করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। তাই দেশের শীর্ষ আদালত শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টকে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর কাজ পরিচালনা করা এবং সহায়তার জন্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা নিয়োগ করতে বলেছে।

    এসআইআরের কাজে কমিশন এবং রাজ্য উভয়ের ভূমিকাতেই শুক্রবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি ছিল। আদালত জানায়, রাজ্যের ভূমিকায় তারা হতাশ। রাজ্য সরকার এবং কমিশনের মধ্যে বিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।

    দোষারোপের খেলা (SIR)

    ভারতের সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেছেন, “ভোটার তালিকা সংশোধনে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা দাবি এবং আপত্তি খতিয়ে দেখতে পারেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের এক দৃশ্যপট তৈরি হয়েছে, যা দুটি সাংবিধানিক সংস্থার মধ্যে আস্থা এবং বিশ্বাসের ঘাটতিকেই সূচিত করে। রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশন দোষারোপের খেলা খেলছে। এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়াটি অসঙ্গতিপূর্ণ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিদের দাবি এবং আপত্তির পর্যায়ে আটকে রয়েছে।”

    বিশেষ পরিস্থিতি এবং বিশেষ ক্ষেত্রের জন্য সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টকে জেলা জজ পদমর্যাদার কর্মরত এমনকি প্রাক্তন বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদেরও এসআইআর কাজের জন্য নিযুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। একই ভাবে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের পরিকল্পনার সূক্ষ্ম বিবরণ তৈরির জন্য, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনার, মুখ্য সচিব, পুলিশ প্রধান এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের আগামীকাল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সাথে একটি বৈঠক করার নির্দেশ দিয়েছে।

    আমরা রাজ্যের সহযোগিতা আশা করছিলাম

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) আরও বলেছে, “এসডিও, এসডিএম-এর দায়িত্ব পালনের জন্য গ্রুপ এ অফিসারদের দিতে রাজ্য প্রশাসন বাধ্য। ইআরও এবং এইআরও-এর (SIR) দায়িত্ব পালনের জন্য রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত কর্মকর্তাদের পদমর্যাদা নিয়ে বিরোধিতা থাকা উচিত নয়। জমা দেওয়া নথিপত্রের সত্যতা বিচারে ন্যায্যতা নিশ্চিত করার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ করা ছাড়া আমাদের আর কোনও বিকল্প নেই। কিছু কর্মরত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা এবং এডিজে বা জেলা বিচারক পদমর্যাদার কিছু প্রাক্তন বিচারক কর্মকর্তাকে এই কাজে নিযুক্ত করতে হবে। তাঁরাই প্রতিটি জেলায় নিবিড় তালিকা তৈরিতে তথ্য যাচাইয়ের নিষ্পত্তি বা পুনর্বিবেচনা করতে সহায়তা করতে পারবেন।

    প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত রাজ্য সরকারকে তোপ দেগে বলেন, “এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, যেখানে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে… আমরা রাজ্যের সহযোগিতা আশা করছিলাম। রাজ্যের কাছ থেকে কি এই স্তরের যোগাযোগ? ৯ ফেব্রুয়ারির আদেশের জন্য, আপনি ১৭ ফেব্রুয়ারি জবাব দিয়েছিলেন। আপনি বলছেন রাজ্য সরকার কর্মকর্তাদের পরীক্ষা করছে। পরীক্ষা করছে, কীভাবে? আপনার লেখা উচিত ছিল যে ৮,৫০০ কর্মকর্তা পাঠানো হয়েছে। আমরা মাইক্রো অবজারভার নই। আমরা এটা দেখে হতাশ। আমরা ভেবেছিলাম রাজ্যগুলি সহযোগিতা করবে। আমরা ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা চাই না।”

    যোগ্য গ্রুপ এ অফিসারদের নিয়োগ করা হচ্ছে না

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে উপস্থিত জ্যেষ্ঠ আইনজীবী (Supreme Court) কপিল সিব্বল এবং মেনকা গুরুস্বামী যুক্তি দিয়েছিলেন যে পর্যাপ্ত গ্রুপ বি অফিসার সরবরাহ করা হয়েছে। অন্যদিকে ইসিআইয়ের (SIR) প্রতিনিধিত্বকারী জ্যেষ্ঠ আইনজীবী দামা শেষাদ্রি নাইডু যুক্তি দিয়েছিলেন, নির্বাচনের ইআরও হিসাবে দায়িত্ব পালনের জন্য যোগ্য সবাইকে কাজে লাগানো যায়নি। রাজ্য সরকার সহযোগিতা করেনি।

    পরিস্থিতির উপর অসন্তোষ প্রকাশ করে সুপ্রিম কোর্ট মন্তব্য করে, “আপনি যোগ্য গ্রুপ এ অফিসারদের নিয়োগ দিচ্ছেন না। অযোগ্য কর্মকর্তারা কীভাবে জনগণের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারেন? উভয় দিকেই দ্বিধা রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তাই সকল স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতা অপরিহার্য। রাজ্য সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে। কলকাতা হাইকোর্ট-মনোনীত বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের কার্যকরভাবে কাজ করার জন্য একটি উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে। দয়া করে হাইকোর্টের সাথে সহযোগিতা করুন। তাদের কাজ করার জন্য একটি পরিবেশ তৈরি করুন। কল্পনা করুন, যদি এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হয় তবে কী হবে।”

    অবৈধ নাম বাদ যাওয়ায় মমতার ক্ষোভ  

    কেন্দ্রের বিজেপি সহ সমস্ত প্রধান দল যখন বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের জন্য জোর প্রচার চালাচ্ছে, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা সংশোধনকে অপব্যবহার করে প্রকৃত ভোটারদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। নির্বাচন কমিশনকে জিজ্ঞাসা করে মমতা বলেন, “বিজেপি শাসিত আসামে ভোটার তালিকা (SIR) সংশোধন করেনি। অবৈধ অনুপ্রবেশে এবং জনসংখ্যার পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা এবং সংঘাত সৃষ্টি করছে। নির্বাচন কমিশন বাংলা এবং কেরালাকে অন্যায়ভাবে লক্ষ্যবস্তু করেছে, বিজেপির এজেন্ট নির্বাচন কমিশন।”

  • RSS: “গবেষকদের উচিত ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরার ভিত্তিতে গ্রামোন্নয়ন নিয়ে চিন্তাভাবনা করা”, বললেন দত্তাত্রেয় হোসবলে

    RSS: “গবেষকদের উচিত ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরার ভিত্তিতে গ্রামোন্নয়ন নিয়ে চিন্তাভাবনা করা”, বললেন দত্তাত্রেয় হোসবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস (RSS)-এর সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবলে (Dattatreya Hosabale) গবেষক ও শিক্ষাবিদদের প্রতি ভারতীয় জ্ঞান পরম্পররা দিকে নজর দেবার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “ভারতের নিজস্ব জ্ঞান ব্যবস্থা বা ‘ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরা’ (IKS)-এর ওপর ভিত্তি করে গ্রামোন্নয়নের নতুন পথ খুঁজে বের করা একান্ত প্রয়োজন। প্রকৃত গ্রামীণ উন্নয়ন কেবল আধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে সম্ভব নয়, বরং তাতে ভারতের প্রাচীন শিকড় ও অভিজ্ঞতার প্রতিফলন থাকা প্রয়োজন।”

    দেশীয় মডেলে উন্নয়ন (Dattatreya Hosabale)

    সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ হোসবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “গ্রামোন্নয়নের জন্য আমাদের কেবল পাশ্চাত্য মডেলের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। ভারতের গ্রামগুলোর নিজস্ব শক্তি ও ঐতিহ্য রয়েছে। গবেষকদের উচিত, এমন গবেষণায় মনোনিবেশ করা যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে স্বনির্ভর করতে সাহায্য করবে।”

    কৃষি ও পরিবেশ রক্ষা

    হোসবলে (Dattatreya Hosabale) টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তাঁর মতে, “রাসায়নিক মুক্ত চাষাবাদ এবং পরিবেশবান্ধব জীবনশৈলী ভারতের গ্রামগুলোর মূল ভিত্তি হওয়া উচিত। ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থায় পরিবেশ ও মানুষের যে নিবিড় সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে, তা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।”

    সামাজিক সম্প্রীতি ও একতা

    তিনি উল্লেখ করেন যে, গ্রামের উন্নয়ন মানে কেবল রাস্তাঘাট বা অবকাঠামো নয়, বরং সামাজিক ঐক্য বজায় রাখাও উন্নয়নের অংশ। পঞ্চায়েত ব্যবস্থা এবং স্থানীয় বিচার ব্যবস্থার মতো ঐতিহ্যবাহী কাঠামোগুলোকে কীভাবে আধুনিক প্রেক্ষাপটে শক্তিশালী করা যায়, তা নিয়ে কাজ করা একান্ত প্রয়োজন।

    তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা

    হোসবলে (Dattatreya Hosabale) আহ্বান জানান, যেন উচ্চশিক্ষিত তরুণরা এবং গবেষকরা সরাসরি গ্রামের মানুষের সংস্পর্শে আসেন এবং তাঁদের সমস্যাগুলো বুঝে দেশীয় পদ্ধতিতে তার সমাধান খুঁজে বের করেন। তাই তিনি বলেন, “যদি ভারত তার নিজস্ব জ্ঞান ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে গ্রামগুলোকে সমৃদ্ধ করতে পারে, তবেই ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার স্বপ্ন সফল হবে। তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এই ধরণের গবেষণায় উৎসাহ দেওয়ার অনুরোধ জানান, যা সরাসরি দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে আসবে।”

  • Food Corporation of India: বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সঙ্গে পাঁচ বছরের চাল সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারতের খাদ্য কর্পোরেশন

    Food Corporation of India: বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সঙ্গে পাঁচ বছরের চাল সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারতের খাদ্য কর্পোরেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষুধা মোকাবেলার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী মানবিক কাজকর্মের সমর্থনে এবার চাল সরবরাহ করবে ভারত। ভারতের খাদ্য কর্পোরেশন (Food Corporation of India) এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (World Food Programme) একটি বিশেষ চুক্তির স্মারকে (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। বিশ্ববাসীকে অন্ন প্রদানের মাধ্যমে অন্নদান করবে ভারত।

    ২০০,০০০ মেট্রিক টন চাল সরবরাহ (Food Corporation of India)

    খাদ্য ও গণবণ্টন বিভাগের সচিবের উপস্থিতিতে ভারত সরকারের পক্ষে এফসিআই-এর (Food Corporation of India) সিএমডি রবীন্দ্র কুমার আগরওয়াল এবং ডাব্লিউএফপি-এর উপ-নির্বাহী পরিচালক কার্ল স্কাউ এই চুক্তি স্মারক স্বাক্ষর করেন। চুক্তিপত্র স্মারকের আওতায়, এফসিআই ডব্লিউএফপি-কে ২০০,০০০ মেট্রিক টন চাল (World Food Programme) সরবরাহ করবে। মোটামুটি ভাবে ২৫ শতাংশের যোগান দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই চুক্তিপত্র স্মারক স্বাক্ষরের তারিখ থেকে আগামী পাঁচ বছরের জন্য বৈধ থাকবে। প্রয়োজন এবং চাহিদা অনুসারে পারস্পরিক সম্মতিতে এটি বাড়ানো যেতে পারে। বার্ষিক ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্মতিতে দাম নির্ধারণ করা হবে। বর্তমান চালের মূল্য আগামী ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত প্রতি কুইন্টাল ২,৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    কেউ ক্ষুধার্ত থাকবে না

    খাদ্য ও গণবণ্টন বিভাগের সচিব সঞ্জীব চোপড়া বলেন, “ডব্লুএফপি (Food Corporation of India)-এর সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে মানুষকে খাদ্য (World Food Programme) সরবরাহ করতে পুষ্টি এবং সম্মান রফতানি করছি। এই চুক্তিটি ভারতের দৃঢ় সংকল্পকে প্রতিফলিত করে। কেউ ক্ষুধার্ত থাকবে না, এই নীতিকেই এখন গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হচ্ছে। অপুষ্টি এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকবে সবসময়ে।”

    বিশ্বব্যাপী সংহতির প্রবক্তা ভারত

    জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির উপ-নির্বাহী পরিচালক কার্ল স্কাউ বলেন, “ভারতের সঙ্গে এই চুক্তি বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা মোকাবেলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ভারতের সহায়তা আগামী পাঁচ বছরে ডব্লুএফপি (WFP)-কে পুষ্টিকর খাদ্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে। একটি কৃষিপ্রধান দেশ এবং বিশ্বব্যাপী সংহতির প্রবক্তা হিসেবে, ভারত আমাদের শূন্য ক্ষুধা লক্ষ্যকে কার্যকর করতে অনুপ্রাণিত করে। এই রূপান্তরমূলক অংশীদারিত্বের জন্য আমি ভারতকে ধন্যবাদ জানাই।”

    এই অংশীদারিত্ব বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরদার করবে। বিশ্বব্যাপী মানবিক চাহিদা পূরণে ডব্লুএফপি (World Food Programme)-এর সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করবে। বিশ্বব্যাপী খাদ্য ব্যবস্থায় বিশ্বস্ত ও দায়িত্বশীল ভূমিকায় ভারতের ভূমিকাকে আরও জোরদার করবে।

  • Estaurant Tax Scam: আয়কর ফাঁকির অভিযোগ তিন জনপ্রিয় বিরিয়ানি সংস্থার বিরুদ্ধে, ৭০০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি

    Estaurant Tax Scam: আয়কর ফাঁকির অভিযোগ তিন জনপ্রিয় বিরিয়ানি সংস্থার বিরুদ্ধে, ৭০০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়কর ফাঁকির অভিযোগ ছিল তিন জনপ্রিয় বিরিয়ানি সংস্থার বিরুদ্ধে। এবার তা নিয়ে তল্লাশিতে নামতেই তদন্তকারী অফিসারদের চক্ষু একেবারে চড়কগাছ। বিরাট জালিয়াতি চক্রের খোঁজ পেয়েছে আয়কর দফতর। সংস্থার বিরুদ্ধে করফাঁকি এবং বিভিন্ন জায়গায় রেস্তরাঁ (Estaurant Tax Scam) ব্যবসায় সংক্রান্ত তথ্য গোপন করার অভিযোগ রয়েছে। সব মিলিয়ে ৭০০০০ কোটি টাকার আয় গোপন রাখা হয়েছে বিভিন্ন রেস্তরার পক্ষে। তবে নগদ টাকার হেরফের (Income Tax) করা হয়েছে সব থেকে বেশি। এই ভাবে খাবারের রেস্তোরাঁয় এতবড় জালিয়াতি আগে কখনও ধরা পড়েনি বলে সূত্রে জানা গিয়েছে।

    সর্বভারতীয় বিলিং সফ্টওয়্যার প্ল্যাটফর্মে ব্যবসা (Estaurant Tax Scam)

    হায়দ্রাবাদের জনপ্রিয় বিরিয়ানি সংস্থার (Estaurant Tax Scam) দিকে নজর ছিল সকলেরই। সেই মতো গত বছর নভেম্বর মাসে বিভিন্ন রেস্তরাঁয় হানা দিয়েছিল আয়কর দফতর। এই অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৭০০০০ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতি। প্রথম বিষয়টি গোপন করা হয়েছিল। এরপর সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি আলোড়িত হয়। জানা গিয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে সর্বভারতীয় বিলিং সফ্টওয়্যার প্ল্যাটফর্ম ব্যবসার করে এই আর্থিক (Income Tax) অনিয়ম করা হয়। ২০১৯-২০ সাল থেকেই এই কাজ করা হয়েছিল।

    সামান্য আয় দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা

    গোটা তদন্ত আয়কর আইনের মাধ্যমে তদন্ত করা হয়। এরপর ১৩৩ এ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। ২০১৯-২০ থেকে ২০২৫-২৬ পর্যন্ত অর্থবর্ষে লেনদেন সংক্রান্ত ৬০ টের বেশি টেরাবাইট তথ্য দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়। আয়কর দফতর জানিয়েছে, দেশের ১ লক্ষের বেশি রেস্তরাঁ (Estaurant Tax Scam) ওই বিলিং সফ্টওয়্যার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়েছিল। এটা ভারতের রেস্তরাঁ ব্যবসার প্রায় ১০ শতাংশ। মোট ২ কোটি ৪২ লক্ষ কোটি টাকার বিল পরীক্ষা করে দেখেন তদন্তকারী অফিসাররা। তদন্তে জানা যায়, বিল তৈরির পর ১৩, ৩২৭ কোটি টাকার হিসেব মুছে দেওয়া হয়। ইচ্ছা করেই বিক্রির যথার্থ হিসেব গোপন করা হয়। হায়দ্রাবাদে আয়কর (Income Tax) বিভাগের ডিজিটাল ল্যাবে ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়। এআই ব্যবহার করে ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকার হিসেব দেখতে রেস্তরাঁর আইডি, জিএসটি নম্বর, প্যান নম্বর সংক্রান্ত তথ্য খুঁটিয়ে দেখা হয়।

    কর্ণাটকে ২০০০ কোটির দুর্নীতি

    আয় কর বিভাগের দাবি করে জানিয়েছে, ১) কার্ড, UPI, নগদ লেনদেনের সব কিছু প্রথমে সিস্টেমের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কিন্তু আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে, অধিকাংশ লেনদেনের বাদ দেওয়া হয়। রেস্তরাঁয় (Estaurant Tax Scam) নগদ টাকার বিলগুলি সব সরিয়ে ফেলা হয়। আয় কম বিল গুলি দেখানো হয়। ২) রেস্তরাঁগুলি ৩০ দিন পর্যন্ত সময়সীমার আয়ের রেকর্ড ডিলিট করে দেয়। পরবর্তীতে সামান্য আয় দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা করে। ৩) আবার পুরোপুরি মুছে না ফেলে, আয় (Income Tax)কম দেখানো হয়।

    এই আর্থিক দুর্নীতি অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, গুজরাটে ছড়িয়ে পড়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশে ৫১৪১ কোটি, কর্ণাটকে ২০০০ কোটি, তেলেঙ্গানায় ১৫০০, তামিলনাড়ুতে ১২০০ কোটি টাকার হিসেব ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। আয়ের ২৭ শতাংশ লুকিয়ে রেখে হিসেব দেওয়া হয়েছে।

LinkedIn
Share