Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Lok sabha elections 2024: ‘ইন্ডি’ জোটকে ‘ঝগড়ুটে জোট’ আখ্যা বিজেপির, কেন জানেন?

    Lok sabha elections 2024: ‘ইন্ডি’ জোটকে ‘ঝগড়ুটে জোট’ আখ্যা বিজেপির, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি’ জোটে যে ফাটল ধরেছে, তার প্রমাণ মিলছিল ঢের আগেই। ‘ইন্ডি’ জোটের অন্দরে সাম্প্রতিক এক ঘটনার উল্লেখ করে রবিবার জোটকে একহাত নিল (Lok sabha elections 2024) বিজেপি। দিন কয়েক আগে ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে সমাবেশ হচ্ছিল ইন্ডি জোটের। সেখানে আচমকাই হাতাহাতি শুরু হয় লালু প্রসাদ যাদবের দল আরজেডি এবং কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে।

    রবিশঙ্করের নিশানায় ‘ইন্ডি’ (Lok sabha elections 2024)

    ‘ঘরোয়া এই দ্বন্দ্বে’র উল্লেখ করে ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা করেন বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ। তিনি বলেন, “ওঁরা নিজেদের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ি করছেন।” ‘ইন্ডি’ জোটকে তিনি ‘ঝগড়ুটে জোট’ বলেও দেগে দিয়েছেন। রবিশঙ্কর বলেন, “আজ রাঁচিতে ইন্ডি জোটের দুই শরিক কংগ্রেস এবং আরজেডি কর্মীরা নিজেদের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ি করছেন। আমরা অনেক আগেই বলেছিলাম যে এই জোট ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে গঠন করা হয়েছে। ওদের মধ্যে (আরজেডি এবং কংগ্রেস) মাঝে-মধ্যেই সংঘর্ষ হচ্ছে। লোকজন জখম হচ্ছেন। ওঁদের মধ্যে ঐক্য কোথায়? ওঁরা নিজেরাই যখন ঐক্যবদ্ধ নন, তখন কীভাবে দেশকে এক সুতোয় বেঁধে রাখবেন?”

    ‘মোদিকেই ফের প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাইছে দেশ’

    ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা করে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী বলেন, “দুর্নীতির অভিযোগে ওঁদের অনেকেই জেলবন্দি। দেশ নরেন্দ্র মোদিকেই ফের প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাইছে। তারা চাইছে একটা স্থায়ী সরকার। এই যখন দেশবাসীর ইচ্ছে, তখন কী এহেন ঝগড়ুটে একটা জোট দেশ চালাতে পারবে?”

    আরও পড়ুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় বাতিল ২৩ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি

    রবিবার ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। তিনি বলেন, “‘ঘমণ্ডিয়া’ (উদ্ধত) পার্টিগুলোর নেতারা হয় জেলে নয় বেলে(জামিনে) রয়েছে।” তিনি বলেন, “বিজেপিই দেশের একমাত্র রাজনৈতিক দল, গণতন্ত্রের প্রতি যার শ্রদ্ধা রয়েছে। এই দলই সাধারণ পরিবার থেকে লোকজন আনে, তাঁদের নেতা বানায়।” নাড্ডা বলেন, “অন্য দিকে, ইন্ডিয়া নামে রয়েছে ঘমণ্ডিয়া জোট। আর বিজেপিতে গণতন্ত্র রয়েছে। এই দল সাধারণ পরিবার থেকে নেতা তুলে আনে।”

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, “ফারুক আবদুল্লা-ওমর আবদুল্লা, মুফতি মহম্মদ সঈদ-মেহবুবা মুফতি, চৌটালা পরিবার, মূলায়ম-অখিলেশ-ডিম্পল যাদব পরিবার, লালু-রাবড়ি-তেজস্বী-তেজপ্রতাপ যাদবের পরিবার – এসবই পরিবার সর্বস্ব রাজনীতির উদাহরণ (Lok sabha elections 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “নির্বাচনে জিততে না পেরে ময়দান ছেড়ে দিয়েছেন”, সোনিয়াকে কটাক্ষ মোদির

    PM Modi: “নির্বাচনে জিততে না পেরে ময়দান ছেড়ে দিয়েছেন”, সোনিয়াকে কটাক্ষ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। লোকসভার পরিবর্তে রাজ্যসভায় মনোনীত হয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী। রবিবার রাজস্থানের জালোরে বিজেপির প্রচার সভায় সোনিয়াকেই নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    সোনিয়াকে কটাক্ষ মোদির (PM Modi)

    তিনি বলেন, “যাঁরা নির্বাচনে জিততে পারেননি, তাঁরা ময়দান ছেড়ে দিয়েছেন। তাঁরা রাজস্থান থেকে রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন।” প্রসঙ্গত, মাত্র এক মাস আগেই রাজস্থান থেকে রাজ্যসভায় গিয়েছেন সোনিয়া। রাজ্যসভায় যাওয়ার আগে তিনি ছিলেন রায়বেরিলির সাংসদ। দু’দশক ধরে এই কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন তিনি। পাঁচ বছর ধরে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন আমেঠির। এদিন দলীয় প্রার্থী লাম্বারাম চৌধুরীর সমর্থনে প্রচারে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। লাম্বারামের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের প্রার্থী অশোক গেহলেটের ছেলে বৈভব গেহলট। এই কেন্দ্রটি বিজেপির শক্তঘাঁটি। গত দু’দশক ধরে এই কেন্দ্রে ফুটছে পদ্ম।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “কংগ্রেস দক্ষিণের এক নেতাকে রাজস্থান থেকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছে। তিনি কি কখনও রাজস্থানের কথা বলেছেন? না। আপনারা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকেও রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিলেন। তিনি অসুস্থ ছিলেন। তাঁকে আপনারা রাজস্থানে দেখেছেন? এখন আবার আপনারা আর একজন নেতাকে বাঁচাতে চাইছেন।” এর পরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা রাজনীতিতে লড়াই করতে পারেননি, তাঁরা লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে দিয়েছেন। পরে রাজ্যসভা থেকে সংসদে গিয়েছেন।” প্রধানমন্ত্রী সোনিয়ার নাম না নিলেও, তাঁর কটাক্ষ-বাণের অভিমুখ যে সোনিয়া গান্ধীর দিকেই, তা জলের মতো স্পষ্ট।

    আরও পড়ুন: “বাড়িতে পুরুষ না থাকলে মেয়েদের হাত ধরে টানাটানি করে তৃণমূল কর্মী”, বললেন নির্যাতিতা

    বর্তমানে রাজস্থান থেকে রাজ্যসভায় গিয়েছেন কংগ্রেসের ছয় প্রতিনিধি। এঁরা হলেন, সোনিয়া গান্ধী, নীরজ ডাঙ্গি, রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা, কেসি বেণুগোপাল, প্রমোদ তিওয়ারি এবং মুকুল ওয়াসনিক। এঁদের মধ্যে রাজস্থানের বাসিন্দা একমাত্র ডাঙ্গি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাজস্থানবাসী কংগ্রেসকে শাস্তি দিয়েছিলেন প্রথম দফার নির্বাচনে।” রাজস্থানের ২৫টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে শুক্রবার প্রথম দফায় নির্বাচন হয়ে গিয়েছে ১২টিতে। সামনের শুক্রবার হবে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “রাজস্থান দেশপ্রেমে ভরপুর। এ রাজ্য জানে কংগ্রেস কখনও শক্তপোক্ত দেশ গড়তে পারবে না। এ দেশও চায় না কেন্দ্রে কংগ্রেসের সরকার হোক। দেশবাসী চান না, ২০১৪ সালের আগের জমানা ফিরুক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: “বিহারকে লণ্ঠনের যুগে নিয়ে যেতে চাইছে ইন্ডি জোট”, তোপ শাহের  

    Amit Shah: “বিহারকে লণ্ঠনের যুগে নিয়ে যেতে চাইছে ইন্ডি জোট”, তোপ শাহের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’কে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। লালু-রাবড়ির জমানাকে তিনি ‘জঙ্গল-রাজ’ বলেও অভিহিত করেন। বিহারের কাটিহারে একটি নির্বাচনী প্রচারে যোগ দিয়েছিলেন শাহ।

    ‘পরিবারবাদ’কেও নিশানা

    তিনি বলেন, “দরিদ্রদের জীবনে পরিবর্তন এনেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।” এদিনের জনসভায় ‘পরিবারবাদ’কেও নিশানা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পরিবারবাদকে ধ্বংস করেছেন। তিনি বর্ণভেদের অবসান ঘটিয়েছেন। ইতি টেনেছেন তুষ্টিকরণের রাজনীতিতে। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের মানোন্নয়নের জন্য কাজ করে চলেছেন তিনি। আজ লালু যাদব ও কংগ্রেস যৌথভাবে বিজেপি ও জনতা দল ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমে পড়েছে।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “আপনারা স্মরণ করতে পারেন লালু-রাবড়ির জমানার কথা। তখন বিহার জঙ্গলরাজে পরিণত হয়েছিল। আজ তিনি (লালু যাদব) কংগ্রেসের হাত ধরেছেন। আমি তাঁকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এই কংগ্রেস পার্টিই পিছড়েবর্গের বিরোধিতা করেছিল। কাকাসাহেব কালেলকর কমিশনের রিপোর্ট চেপে দিয়েছিল। কেবল তাই নয়, এরা বিরোধিতা করেছিল মণ্ডল কমিশনের রিপোর্টেরও।”

    আরও পড়ুন: “বাড়িতে পুরুষ না থাকলে মেয়েদের হাত ধরে টানাটানি করে তৃণমূল কর্মী”, বললেন নির্যাতিতা

    ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    শাহ বলেন, “গরিব, পিছড়েবর্গ এবং ওবিসিরা প্রত্যেকেই নৃশংসতার শিকার। এনডিএ সরকার যখন থেকে কেন্দ্রের ক্ষমতায় এসেছে, নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, তার পর থেকেই বন্ধ হয়েছে নৃশংসতা।” তিনি বলেন, “নীতীশজি রাজ্যের প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছেন। কিন্তু ইন্ডি জোট বিহারকে সেই লণ্ঠনের যুগে নিয়ে যেতে চাইছে। তারা ওবিসির বিরোধিতা করছে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস এবং লালু যাদব সত্তর বছর ধরে ৩৭০ ধারা এড়িয়ে চলছিলেন। আর উনিশের অগাস্ট মাসে মোদিজি এই ধারা রদ করেন।” শাহ বলেন, “মোদিজি নক্সালিজম শেষ করেছেন। সন্ত্রাসবাদকে দুরমুশ করে দিয়েছেন। এক সময় দেশে ইউপিএ সরকার ছিল। সেই জমানায় পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসবাদীরা প্রায়ই এদেশে আসত, এখানে বিস্ফোরণ ঘটাত।” তিনি বলেন, “উরি এবং পুলওয়ামায় আক্রমণের দশ দিনের মধ্যেই মোদিজি সার্জিক্যাল এবং এয়ারস্ট্রাইক করেছেন। ভেঙে দিয়েছেন সন্ত্রাসবাদের মেরুদণ্ড।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “বিজেপিই প্রথম ওবিসি নেতা, যাঁকে বিজেপি প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ghatsila: অমর কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এখানেই এসে বসে থাকতেন সুবর্ণরেখা নদীর তীরে!

    Ghatsila: অমর কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এখানেই এসে বসে থাকতেন সুবর্ণরেখা নদীর তীরে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপামর বাঙালির অত্যন্ত প্রিয় এক পর্যটন কেন্দ্র হল ঘাটশিলা (Ghatsila)। কিন্তু ঘাটশিলা বলতেই আমরা বুঝি শুধুমাত্র বুরুডি লেক, গালুডি ড্যাম, ফুলডুঙরি প্রভৃতি। কিন্তু এর বাইরেও ঘাটশিলার আশেপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অনেক এমন কিছু স্পট, সৌন্দর্যের নিরিখে যেগুলি কোনও অংশে কম যায় না। এমনই অত্যন্ত সুন্দর স্থান হল “রাতমোহনা”। এখান থেকে পরিষ্কার দেখা যায় দূরের পাহাড়ের সারি। পথের দুপাশে পলাশ, শাল আর মহুয়ার জঙ্গল, আদিবাসী গ্রামের আলপনা আঁকা মাটির কুটির, অরণ্যের বুক চিরে চলে গেছে রাঙা মাটির পথ। আর হ্যাঁ! রাতমোহনার বুক চিরে আদিবাসী কিশোরীর উচ্ছলতায় বয়ে চলেছে স্বচ্ছ সলিলা সুবর্ণরেখা নদী।

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতি (Ghatsila)

    রাতমোহনাতেই রয়েছে একটি সুন্দর ঝর্ণা। স্বয়ং অমর কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাতমোহনাতেই এসে বসে থাকতেন সুবর্ণরেখা নদীর তীরে। রাতমোহনা থেকেই একবারে ঘুরে নেওয়া যায় কাছেই সিদ্ধেশ্বর পাহাড়, পাটকিতা, রানী ফলস এবং আরও একটি অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যৈ ভরপুর স্থান “শঙ্করদা” (Ghatsila)। বসন্তে যখন এই সমগ্র অঞ্চল জুড়ে পলাশ ফুল ফোটে, তখন সেই সৌন্দর্য ভাষায় বর্ণনা করা সাধ্যাতীত কাজ।

    যাবেন কীভাবে, থাকবেন কোথায়? (Ghatsila)

    যাতায়াত-রাতমোহনা যাওয়ার জন্য প্রথমে আসতে হবে ঘাটশিলা। হাওড়া থেকে যাচ্ছে ইস্পাত এক্সপ্রেস, স্টিল এক্সপ্রেস, হাওড়া ঘাটশিলা এক্সপ্রেস (মেমু) প্রভৃতি ট্রেন। সেখান থেকে অটোতে প্রায় ৫ কিমি দূরে রাতমোহনা। আর রাতমোহনা অথবা ঘাটশিলা (Ghatsila) স্টেশন থেকে গাড়িতে প্রায় ৩০-৪০ মিনিটের পথ শঙ্করদা।
    থাকা খাওয়া-রাতমোহনাতে আছে রিসর্ট রাতমোহনা ইন (০৮৪০৯২১১৫৫৫), শঙ্করদায় রয়েছে উইক এণ্ড রিসর্ট (০৯২৩৪৬৪৩৫৪০, ০৮৭৫৭৭৮০৯১০)। আর কেউ যদি ঘাটশিলা থেকে ঘুরে নিতে চান, তাহলে তাঁরা থাকতে পারেন হোটেল জে এন প্যালেস (০৮৭৫৭৪৪৩৫৪০, ০৮৯৬৯৬৫৪৭১৮, সুহাসিতা রিসর্ট (০৯৭৭১৮৩১৮৭৭), রামকৃষ্ণ মঠের গেস্ট হাউজ প্রভৃতিতে। সবকটিতেই খাওয়ার ব্যবস্থা এবং ট্রাভেল ডেস্ক আছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: ‘‘কংগ্রেস মানে দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাওবাদের সমার্থক শব্দ’’, ভোটের প্রচারে বললেন যোগী

    Yogi Adityanath: ‘‘কংগ্রেস মানে দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাওবাদের সমার্থক শব্দ’’, ভোটের প্রচারে বললেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের প্রচারে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। রবিবার ছত্তিশগড়ে তিনি বলেন, ‘‘কংগ্রেস মানে দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাওবাদের সমার্থক শব্দ।’’ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ভারতবর্ষে একটি বড় পরিবর্তন সম্পন্ন হয়েছে গত ১০ বছরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে।

    যুব সমাজকে উস্কানি দিচ্ছে কংগ্রেস

    এদিনই ছত্তিশগড়ের কবিরধাম জেলাতে প্রচারে আসেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, ‘‘৫০০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে রামলালাকে মন্দিরে অধিষ্ঠিত হতে। এটা সম্ভব হয়েছে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কারণে।’’ প্রসঙ্গত, কবিরধাম জেলা রাজনন্দগাঁও লোকসভার অন্তর্গত। এখানেই যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানান। তিনি আরও বলেন, ‘‘বর্তমান সময়ে যখন যুবদের হাতে ট্যাব এবং নানা রকম ভালো ভালো বই দেখতে পাওয়া উচিত, ঠিক সেই সময়ই কংগ্রেস যুবদের হাতে পিস্তল ধরিয়ে দিচ্ছে। কংগ্রেস তাদেরকে প্ররোচনা দিচ্ছে। তাদেরকে উস্কানি দিচ্ছে, দেশের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য। মাওবাদের নামে সন্ত্রাসের নামে।

    জনগণের বিশ্বাসকে মর্যাদা দেয় একমাত্র বিজেপি

    তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি বলেছেন ভারতবর্ষকে হতেই হবে বিশ্বের একটি বড় শক্তি। একটি উন্নত ভারতবর্ষ আমাদের গড়তেই হবে। আত্মনির্ভর ভারত আমাদের গড়তেই হবে। যেখানে প্রত্যেক নাগরিক নিজেকে নিরাপদ মনে করবেন। ভারতবর্ষের কন্যাদের জন্য তা যেমন নিরাপদ হবে, ভারতের ব্যবসায়ীদের জন্যও তা নিরাপদ হবে। একমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টি সেই গ্যারান্টি দিতে পারে। জনগণের বিশ্বাসকে মর্যাদা দেয় একমাত্র বিজেপি (Yogi Adityanath)।’’

    কংগ্রেসের উদ্দেশে প্রশ্ন

    যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) এই সভার উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, কংগ্রেস কি কখনও দেশের মানুষকে বিনামূল্যে রেশন পরিষেবা দিতে পেরেছে? রাম মন্দির কে নির্মাণ করতে পেরেছে? মাওবাদের মতো সমস্যার সমাধান করতে পেরেছে? মেয়েদের এবং ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা কি দিতে পেরেছে? এই সময় তিনি বলেন, কংগ্রেস হল সমস্ত সমস্যার সমার্থক শব্দ। কংগ্রেসই একমাত্র দেশের মানুষকে সমস্যা দেয় এবং বিজেপি একমাত্র দল যে দেশের মানুষকে সেই সমস্যা থেকে টেনে বের করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok sabha elections 2024: প্রথম দফায় কমেছে ভোটদানের হার, কত শতাংশ জানেন?

    Lok sabha elections 2024: প্রথম দফায় কমেছে ভোটদানের হার, কত শতাংশ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন (Lok sabha elections 2024)। এবার নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছে ১৯ এপ্রিল। সব মিলিয়ে নির্বাচন হয়েছে দেশের ১০২টি লোকসভা কেন্দ্রে। তবে এবার ভোটদাতার হার কম। উনিশের নির্বাচনে যেভাবে হাত উপুড় করে ভোট দিয়েছিলেন ভোটাররা, এবার এখনও তা হয়নি।

    কী বলছে নির্বাচন কমিশন? (Lok sabha elections 2024)

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ১৯ এপ্রিল, প্রথম দফার নির্বাচনে ভোট পড়েছে প্রায় ৬৫.৫ শতাংশ। অথচ উনিশের লোকসভা নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৭০ শতাংশ। এদিন যেসব কেন্দ্রে নির্বাচন হয়েছে, সেগুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে দেশের ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। তবে সেসব রাজ্যে কত (Lok sabha elections 2024) ভোট পড়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। নির্বাচন কমিশন যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তা ১৯টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের।

    কমছে ভোট

    প্রথম দফায় নির্বাচন হয়েছে তামিলনাড়ুর ৩৯টি আসনেই। দেখা গিয়েছে, এ রাজ্যে ভোটদানের হার কমেছে ৩ শতাংশ। গত লোকসভা নির্বাচনে যেখানে ভোট পড়েছিল ৭২.৪৪ শতাংশ, সেখানে এবার পড়েছে ৬৯.৪৬ শতাংশ। উত্তরাখণ্ডের পাঁচটি আসনেও নির্বাচন হয়েছে। এখানে মতদানের হার কমেছে প্রায় ৬ শতাংশ। রাজস্থানের ২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে প্রথম দফায় নির্বাচন হয়েছে ১২টিতে। ভোট দানের হার কমেছে সেখানেও। এখানেও ছ’শতাংশ ভোট কম পড়েছে। ভোট দানের হার সামান্য বেড়েছে মাও অধ্যুষিত ছত্তিশগড়ের বস্তারে। এখানে গতবার ভোট পড়েছিল ৬৬.২৬ শতাংশ। সেখানে এবার ভোট দিয়েছেন ৬৭.৫৩ শতাংশ মানুষ।

    আরও পড়ুন: “বাম-কংগ্রেস একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    এবারই প্রথম মাও হুমকি উপেক্ষা করে নির্বিঘ্নে নির্বাচন হয়েছে বস্তারের ২৬টি গ্রামে। মেঘালয়ের দু’টি আসনেও নির্বাচন হয়েছে। ভোট দানের হার ৭১ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৭৪ শতাংশ। উনিশের নির্বাচনের প্রথম দফায় ভোট পড়েছিল ৬৯.৫ শতাংশ। সেবারও নির্বাচন হয়েছিল সাত দফায়। ২০১৪ সালে নির্বাচন হয়েছিল ন’দফায়। সেবার প্রথম দফায় ভোট পড়েছিল ৬৯ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন আরও বেশি করে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে একই অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তরুণ ভোটারদের আরও বেশি করে মতদানের অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (Lok sabha elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট শেষ হতেই উত্তাল মণিপুর, ভাঙা হল ইভিএম, চলল গুলি, হবে পুনর্নির্বাচন

    Lok Sabha Election 2024: ভোট শেষ হতেই উত্তাল মণিপুর, ভাঙা হল ইভিএম, চলল গুলি, হবে পুনর্নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফার ভোট (Lok Sabha Election 2024) শেষ হতেই উত্তাল হয়ে উঠল মণিপুর। ফের একবার সংবাদ মাধ্যমে হিংসার খবর উঠে এলো। দুষ্কৃতীরা ইভিএম ভেঙে ফেলেছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে আরও একবার নির্বাচন করতে হবে। ঘটনার পর মণিপুরের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ১১টি পোলিং বুথে পুনর্নির্বাচন ঘোষণা করেছে। আগামী ২২ এপ্রিল হবে ফের ভোট গ্রহণ। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। 

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে বক্তব্য (Lok Sabha Election 2024)

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, “মণিপুরের ১১টি বুথের ভোট (Lok Sabha Election 2024) বাতিল করা হয়েছে। এখানে নতুন করে আবার ভোট নেওয়া হবে। আগামী ২২ এপ্রিল সোমবার নেওয়া হবে এই ভোট। যে যে কেন্দ্রগুলিতে ভোট নেওয়া হবে সেই কেন্দ্রগুলি হল, খুরাই কেন্দ্রের মৌরাংকাম্পু সাজেব, থংগাম লেইকাই বুথ, ক্ষেত্রীয়গাঁওয়ের চারটি বুথ, পূর্ব ইম্ফলের একটি বুথ, উরিপোকে তিনটি এবং পশ্চিম ইম্ফলের একটি বুথে আরেকবার ভোট গ্রহণ করা হবে।”

    ঘটনা কী ঘটেছিল?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মণিপুরের নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) বুথগুলি গত শুক্রবার তীব্র অশান্ত হয়। বুথ দখল থেকে শুরু করে ইভিএম লুট, ভাঙচুরের ঘটনা সবই ঘটেছে। এমনকী গুলি চলে বলেও জানা গিয়েছে। এখানে মোট ৭২ শতাংশ ভোট পড়েছে।

    আরও পড়ুনঃ গরমে ছুটি নয়, তীব্র তাপপ্রবাহে স্কুলের সময় এগিয়ে এনেছে ঝাড়খণ্ড সরকার

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য শনিবার দিনেই কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ৪৭টি বুথে পুনরায় নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) দাবি করা হয়েছে। এই বুথগুলিতে ব্যাপক ছাপ্পা, রিগিং এবং বুথ দখল করা হয়েছে। মণিপুর কংগ্রেসের সভাপতিকে মেঘচন্দ্র বলেছেন, “মণিপুরের মধ্যস্থ নির্বাচনী এলাকার ৩৬টি ভোট কেন্দ্র এবং মণিপুরের বাইরে মোট ১১টি ভোট কেন্দ্রে পুনরায় ভোটের দাবিতে মুখ্য নির্বাচনী অফিসারের কাছে আমরা অভিযোগ দায়ের করেছি ৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: ‘বিজেপি একাই পেতে পারে ৩৫০টি আসন’, দাবি শীর্ষ অর্থনীতিবিদের

    Lok Sabha Elections 2024: ‘বিজেপি একাই পেতে পারে ৩৫০টি আসন’, দাবি শীর্ষ অর্থনীতিবিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উনিশের লোকসভা নির্বাচনের ফলকেও ছাপিয়ে যেতে চলেছে চব্বিশের ভোটের রেজাল্ট! এবার (Lok Sabha Elections 2024) বিজেপি ৩৫০টি আসন পেতে পারে। অন্তত এমনই দাবি করলেন খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ সুরজিৎ ভাল্লা।

    কী দাবি করলেন অর্থনীতিবিদ? (Lok Sabha Elections 2024)

    সম্প্রতি দিনের আলো দেখেছে তাঁর নতুন বই ‘হাউ উই ভোট’। সে সংক্রান্ত এক সাক্ষাৎকারে সুরজিৎ দাবি করলেন, বিজেপি ৩৩০ থেকে ৩৫০ আসন পেতে পারে। তিনি বলেন, “স্ট্যাটিসটিক্যাল সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে বলা যায় বিজেপির একারই পাওয়া উচিত ৩৩০ থেকে ৩৫০টি আসন। এটা আমি কেবল বিজেপির কথাই বলছি, তাদের সহযোগী দলগুলির কথা বলছি না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপির যে প্রচার চলছে, তাতেই দেখা যাবে উনিশের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় এবার বিজেপির ভোট বাড়বে ৫ থেকে ৭ শতাংশ।”

    ফিরছেন মোদিই!

    লোকসভার ৫৪৩টি আসনে নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রাক নির্বাচনী বিভিন্ন সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, দিল্লির কুর্সিতে ফিরছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার (Lok Sabha Elections 2024)। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিভিন্ন জনসভায় দাবি করেছেন, বিজেপি একাই পাবে ৩৭০টি আসন। আর এনডিএ পাবে ৪০০টি আসন। প্রধানমন্ত্রীর দাবি যে নিছক অনুমান নয়, তার প্রমাণ মিলল এই অর্থনীতিবিদের দাবিতেও। তিনি বলেন, “এটা একটা আলোড়ন ফেলা নির্বাচন হতে চলেছে। প্রতিটি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও তাই থাকে। তবে এবার আলোড়ন আরও বেশি।” সুরজিৎ বলেন, “কংগ্রেস এবার ৪৪টি আসন পেতে পারে। অথবা ২০১৪ সালের ভোটে যা পেয়েছিল, তার দু’শতাংশ পেতে পারে।”

    আরও পড়ুন: “বাম-কংগ্রেস একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    সুরজিৎ বলেন, “বিরোধীদের (বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডি) সমস্যাটা হল নেতৃত্বের। সিংহভাগ ক্ষেত্রে বিষয়টি অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে এই অর্থনীতির পরেই রয়েছে নেতৃত্ব। আর এই দুটোই এখন বিজেপির ফেভারে রয়েছে। যদি বিরোধীরা এমন একজন নেতা ঠিক করতে পারতেন, যাঁর সার্বিক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে অথবা এমন একজনকে তুলে ধরতে পারতেন যাঁর গ্রহণযোগ্যতা অন্তত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অর্ধেক, তাহলেও লড়াই হত বলে আমার মনে হয়।”

    এই অর্থনীতিবিদের ভবিষ্যদ্বাণী, এবার তামিলনাড়ুতেও বিজেপি অন্ততপক্ষে পাঁচটি আসন পাবে। অথচ এ রাজ্যে এক সময় বিজেপি দুর্বল ছিল। তিনি বলেন, “তামিলনাড়ুতে বিজেপি যদি পাঁচটির বেশি আসন পায়, তাহলেও আমি অবাক হব না। কেরলেও একটা-দু’টো আসন পেতে পারে।” দেশবাসীর জীবনযাপনের মানোন্নয়নের জন্যই উনিশের নির্বাচনের চেয়েও এবার আরও বেশি আসন নিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় ফিরবে বলেই দাবি তাঁর (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi News: ২০১৪ সালের পর থেকে কার্যক্ষমতা বেড়েছে ইডির, দাবি প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi News: ২০১৪ সালের পর থেকে কার্যক্ষমতা বেড়েছে ইডির, দাবি প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কোনও রকম অপব্যবহার হয়নি বরং ২০১৪ সালের পর থেকে ইডির কার্যক্ষমতা আরও বেড়েছে। এমনই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News)। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধীরা যে অভিযোগ এনেছে ইডির বিরুদ্ধে, যুক্তি দিয়ে সেসব খারিজ করে দেন প্রধানমন্ত্রী।

    ২০১৪ সালের আগে ইডি মাত্র আটবার তল্লাশি চালিয়েছিল

    একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, ২০১৪ সালের আগে আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনে ১৮০০-এরও বেশি কম মামলা দায়ের করা হয়েছিল যেখানে এনডিএ সরকার আসার পরে পাঁচ হাজারেরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়েছে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi News)। ২০১৪ সালের আগে ইডি মাত্র আটবার তল্লাশি চালিয়েছিল। সেখানে ২০১৪ সালের পরে সাত হাজারেরও বেশি বার তল্লাশি চালিয়েছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়।

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই

    এদিন সাক্ষাৎকারে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News) আরও জানিয়েছেন, তদন্তকারী সংস্থার অফিসারদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া উচিত। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পূরণের জন্য তাদের কাজকে প্রভাবিত করা উচিত নয়। প্রসঙ্গত প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি আগেই জানিয়েছিলেন যে ইডি যে সমস্ত মামলা করছে তার মধ্যে মাত্র তিন শতাংশ হল রাজনৈতিক মামলা। ইডির অভিযান নিয়ে বিরোধীরা প্রায়শই প্রশ্ন তোলেন। তাদেরকে কড়া জবাব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন একটি প্রতিষ্ঠান দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে । এর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তখনই তোলা উচিত যদি এটি ঠিকঠাক কাজ না করে।

    প্রসঙ্গ লোকসভা ভোট

    লোকসভা নির্বাচন সম্বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যদ্বাণী হল, দেশের মানুষ সব সময় সুস্থিত সরকার চায় এবং সুস্থিত সরকারই দেশের উন্নয়ন করতে পারে। তিনি আরও জানিয়েছেন, আমি মনে করি না ২০২৪ সালের লড়াই বিজেপি অথবা মোদি লড়ছে। এ লড়াই দেশের সাধারণ মানুষ নিজেদের উদ্যোগে লড়ছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “বাম-কংগ্রেস একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “বাম-কংগ্রেস একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাম-কংগ্রেস একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।” শনিবার সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে একথাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ এবং সিপিএম নেতৃত্বাধীন এলডিএফের মিথ্যাচারে বীতশ্রদ্ধ হয়ে গিয়েছেন কেরলবাসী।”

    ‘বিজেপির ওপর আস্থা বাড়ছে’

    বিজেপির ওপর খ্রিস্টান-সহ নানা সম্প্রদায়ের মানুষের বিশ্বাস যে ক্রমেই বাড়ছে, তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। গোয়া এবং উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি-সহ বিজেপি-শাসিত বিভিন্ন রাজ্যে নানা সম্প্রদায়ও যে বিজেপির ওপর আস্থা রাখছেন, তাও জানিয়েছেন তিনি। এবার লোকসভা নির্বাচন হবে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই প্রথম দফায় দেশের ১০২টি কেন্দ্রে হয়ে গিয়েছে নির্বাচন। কেরলে নির্বাচন হবে ২৬ এপ্রিল। এ রাজ্যে লোকসভার আসন রয়েছে ২০টি। সেই সংক্রান্ত একটি প্রশ্নের উত্তরে শনিবার প্রধানমন্ত্রী টানেন কেরলের প্রসঙ্গ। তিনি (PM Modi) বলেন, “খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষও বিজেপির ওপর ভরসা করতে শুরু করেছেন। তাঁদের কল্যাণে যা করণীয়, পার্টি তা করবে।”

    ‘কেরলেও ভিত শক্ত হচ্ছে বিজেপির’

    কেরলে খ্রিস্টানরাই নির্ণায়ক শক্তি। এ পর্যন্ত কোনও নির্বাচনে বিজেপির একজনও প্রার্থী জয়ী হননি। তবে কেরলে ক্রমেই যে বিজেপির পায়ের নীচের মাটি শক্ত হচ্ছে, এদিনের সাক্ষাৎকারে তা মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “গোয়া, যেখানে খ্রিস্টানরাই সংখ্যাগুরু কিংবা উত্তর-পূর্বের রাজ্যের কথাই ধরুন না, সেখানেও তো খ্রিস্টানরাই নির্ণায়ক শক্তি। তা সত্ত্বেও সেসব রাজ্যের অনেকগুলিতেই ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি।” প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, বিজেপি ও তার সহযোগী দলগুলি উত্তরপূর্বের সিংহভাগ রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের অনেক মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রী রয়েছেন যাঁরা খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের। অন্যান্য সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠানের মতোই আমি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও যোগ দিই।”

    আরও পড়ুন: আগুন লাগানো হল কালী মন্দিরে! ফের বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মস্থানে হামলা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের কেরলের নেতারা আমায় বলেছিলেন, কীভাবে রাজ্যে চার্চের সম্পত্তি এলডিএফ এবং ইউডিএফ সরকারের জন্য নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।” জেলে-সহ সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষের জন্য মোদি সরকার কী কী উন্নয়নমূলক কাজ করছে, তারও ফিরিস্তি দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এলডিএফ এবং ইউডিএফের মিথ্যাচারের জেরে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ বীতশ্রদ্ধ। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ ক্রমেই আমাদের বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন। তাঁদের কল্যাণে যা করণীয়, আমরা তা করব।” কংগ্রেস ও বামেরা যে কেরলবাসীকে ধোঁকা দিচ্ছে, প্রসঙ্গক্রমে তাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পরেই তিনি (PM Modi) বলেন, “দুই রাজনৈতিক দলই (কংগ্রেস ও বাম) একই মুদ্রার দুটো পিঠ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share