Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Ram Mandir: রামমন্দিরের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে কর্মসূচি শুরু হল সঙ্ঘ পরিবারের

    Ram Mandir: রামমন্দিরের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে কর্মসূচি শুরু হল সঙ্ঘ পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রামমূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনক্ষণ স্থির হয়েছে আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি। রামলালার মূর্তিতে ওই প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেদিন রামলালাকে কোলে নিয়ে ৫০০ মিটার পথ অতিক্রম করে গর্ভগৃহে প্রবেশ করবেন মোদি। জানা গিয়েছে, ওই দিন দুপুর ১২টা ২০ মিনিট নাগাদ এই শুভ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। সূত্রের খবর, রবিবারই রামমন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন নিয়ে বসেছিল সঙ্ঘ পরিবারের একটি বিশেষ বৈঠক।

    বিশেষ বৈঠকে কী স্থির হল?

    সঙ্ঘ পরিবারের ওই বৈঠকে স্থির করা হয়েছে, রামমন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে চারটি পর্যায়ে চলবে কর্মসূচি। যার প্রথম পর্যায় শুরু হয়েছে গতকাল রবিবার থেকে এবং চলবে আগামী ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে বেশ কিছু কর্মসূচির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, প্রতিটা ব্লক এবং জেলাস্তরে রামমন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ১০ জনের একটি টিম তৈরি করা হবে। এই টিমে রামমন্দির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করসেবকরাও থাকবেন। জানা গিয়েছে, দেশের আড়াইশোটিরও বেশি স্থানে এই টিমের বৈঠক সম্পন্ন হবে। এই টিম জনগণকে আবেদন জানাবে রামমন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের মুহূর্তের সাক্ষী থাকার জন্য।

    বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ করবে আরএসএস

    দ্বিতীয় পর্যায়ের কর্মসূচি শুরু হবে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এবং সেখানে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ করা হবে। জানা গিয়েছে, এই সময় ভগবান রামের ছবি এবং নির্মিত রামমন্দিরের (Ram Mandir) ছবি হাতে অন্তত ৫ লাখ গ্রাম এবং ১০ কোটি পরিবারের সঙ্গে জনসংযোগ করবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। রামমন্দিরের নির্মাণকে ঘিরে তৃতীয় পর্যায়ের কর্মসূচি শুরু হবে আগামী ২২ জানুয়ারি এবং সেই দিনে সারা দেশব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎসবের আয়োজন করবে সঙ্ঘ। রামমন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন হয়ে যাওয়ার পরে শেষ বা চতুর্থ পর্যায়ের কর্মসূচি শুরু হবে ২৬ জানুয়ারি থেকে। চলবে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে রামলালার মূর্তিকে দর্শন করানোর কাজ করবেন স্বয়ংসেবকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Collapse: ৮ দিন উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটক ৪১ শ্রমিক, আর কতদিন পর উদ্ধার?

    Uttarkashi Tunnel Collapse: ৮ দিন উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটক ৪১ শ্রমিক, আর কতদিন পর উদ্ধার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭০ ঘণ্টার ওপর উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel Collapse) এখনও আটকে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক। এত জন শ্রমিককে সুস্থ, স্বাভাবিক অবস্থায় পাওয়া যাবে কিনা, সে নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। সুড়ঙ্গের ভিতরে ক্রমশই ধৈর্য হারাচ্ছেন আটক শ্রমিকরা। এমতাবস্থায় প্রশাসনের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এখনও চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগবে। শুক্রবার বিকট শব্দ শুনতে পাওয়া যায় সুড়ঙ্গ থেকে। এর পরেই স্থগিত রাখা হয় যাবতীয় উদ্ধারকাজ। জানা গিয়েছে, ধসের কারণেই ওই শব্দ শোনা গিয়েছিল। তার পরেই পাঁচ পরিকল্পনা মেনে উদ্ধারকাজ চালানোর বিষয়ে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষকর্তারা। অর্থাৎ একটি পরিকল্পনার ওপর আর ভরসা রাখছে না উদ্ধারকারী দল।

    শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত শ্রমিকরা (Uttarkashi Tunnel Collapse) 

    আটক হওয়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে প্রথম দিন থেকেই পাইপের মাধ্যমে তাঁদের সরবরাহ করা হচ্ছে ভিটামিন, শুকনো ফল এবং অবসাদ রোখার ওষুধ। অক্সিজেন সাপ্লাইও করা হচ্ছে। গত ১২ নভেম্বর থেকে আটকে রয়েছেন এই শ্রমিকরা। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও আশার আলো দেখাতে পারেনি প্রশাসন। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এতদিন সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel Collapse) ভিতরে থাকার ফলে শ্রমিকরা নিশ্চিতভাবেই মানসিক এবং শারীরিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। ১৯ নভেম্বর রবিবার উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা যে সুড়ঙ্গে শ্রমিকরা আটকে পড়েছেন তার পাশাপাশি সমান্তরালভাবে আরেকটি সুড়ঙ্গ খোঁড়ার চেষ্টা করছেন। এই সুড়ঙ্গ খুঁড়তে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর থেকে আনা হয়েছে ড্রিল করার মেশিন।

    কী বলছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রাক্তন উপদেষ্টা? (Uttarkashi Tunnel Collapse) 

    প্রধানমন্ত্রীর দফতরের একটি দলও হাজির রয়েছে সেখানে। প্রধানমন্ত্রীর প্রাক্তন উপদেষ্টা ভাস্কর খুলবের মতে, ‘‘বিশেষজ্ঞেরা মনে করছেন, একটি পরিকল্পনার উপর ভিত্তি করে উদ্ধারকাজ (Uttarkashi Tunnel Collapse) না চালিয়ে একই সঙ্গে পাঁচটি পরিকল্পনা মেনে যত দ্রুত সম্ভব আটক শ্রমিকদের কাছে পৌঁছনো উচিত।’’ তিনি জানিয়েছেন, আরও চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগতে পারে। তবে ঈশ্বর দয়া করলে আগেও উদ্ধারকাজ হয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে, রবিবার ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গাদকারী এবং উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘যা কিছু সম্ভব সবটাই করা হচ্ছে। সমস্ত রকমের বিশেষজ্ঞ দল এখানে উপস্থিত রয়েছে।’’ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: তামিলনাড়ুতে ডিএমকে সরকারের বিরোধিতা সত্ত্বেও ব্যাপক সফল সঙ্ঘের র‌্যালি

    RSS: তামিলনাড়ুতে ডিএমকে সরকারের বিরোধিতা সত্ত্বেও ব্যাপক সফল সঙ্ঘের র‌্যালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯৯তম প্রতিষ্ঠা বর্ষ চলছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS)। ঠিক এই সময়ে সন্ত রামালিঙ্গ স্বামীগালের ২০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্বামী বিবেকানন্দ এবং বি আর আম্বেদকরের ভাবাদর্শকে প্রচার করতে গত ১৯ নভেম্বর তামিলনাড়ুতে সম্পন্ন হল সঙ্ঘের রুটমার্চ। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের তামিলনাড়ু শাখার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোট ৫৫টি স্থানে এই রুট মার্চ সম্পন্ন হয়।

    আইনি লড়াইয়ে সম্পন্ন হল সঙ্ঘের রুচ মার্চ (RSS) 

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) রুটমার্চে অনুমতি প্রদান করেনি তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার। মামলার জল গড়ায় মাদ্রাজ হাইকোর্ট পর্যন্ত। উচ্চ আদালতের নির্দেশ ছিল যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের রুটমার্চ অক্টোবর মাসের ২২ এবং ২৯ তারিখ সম্পন্ন করতে হবে। তবে ডিএমকে সরকার উচ্চ আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হাজির হয়। সুপ্রিম নির্দেশে সঙ্ঘের রুটমার্চের দিনক্ষণ স্থির হয় ১৯ নভেম্বর। এই দিন সারা রাজ্যজুড়ে সঙ্ঘের শান্তিপূর্ণ এই রুটমার্চ যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

    জেলায় জেলায় রুট মার্চ (RSS) 

    চেন্নাইতে হাজারেরও বেশি সংখ্যায় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) ইউনিফর্মে রাস্তায় নামেন এবং রুটমার্চে অংশগ্রহণ করেন। চেন্নাই মহানগরে প্রায় তিন কিলোমিটার অতিক্রম করে এই রুটমার্চ। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দু’পাশে মানুষ জড়ো হয়েছিলেন সঙ্ঘের র‌্যালি দেখতে। এর পাশাপাশি মহিলারা দাঁড়িয়ে ছিলেন সেই রুট মার্চকে স্বাগত জানাতে এবং তাঁরা স্বয়ংসেবকদের উপর পুষ্প বৃষ্টি করেন। বাজনার ধ্বনিতে, গেরুয়া পতাকা সহযোগে চলতে থাকে রুট মার্চ। চেন্নাইতে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এল মুরুগান প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন এই পথ সঞ্চালনে। রুটমার্চ সম্পন্ন হয় চেন্নাই-এর বিবেকানন্দ স্কুলে। কারাকুডি জেলায় সঙ্ঘের র‌্যালি শুরু হয় মগর ননবাই থিডাল নামক স্থানে এবং সম্পন্ন হয় থিভার স্ট্যাচুতে। এই জেলায় ৪০০-এর বেশি স্বয়ংসেবককে রুট মার্চে হাঁটতে দেখা যায়। সামনে গৈরিক ধজ নিয়ে হাঁটছিলেন আইনজীবী অরুণ স্বামীনাথন। ত্রিপুর জেলায় র‌্যালি শুরু হয় আলাঙ্গাডু নটরাজ থিয়েটার থেকে এবং তা সম্পন্ন হয় চিল্লার নগরে। নীলগিরি জেলাতে র‌্যালি শুরু হয় পান্ডালুর এরুমাডু অঞ্চল থেকে। নেতৃত্বে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইশাক। থাঞ্জাভুর জেলাতেও র‌্যালিতে ব্যাপক উন্মাদনা চোখে পড়ে। অন্যদিকে সালাম জেলা থেকেও র‌্যালিতে পাঁচশোর বেশি কার্যকর্তা অংশগ্রহণ করেন। সালাম জেলারই ভাজাপাদি অঞ্চলে সঙ্ঘের তরুণদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ স্থানে সম্পন্ন হওয়া এই র‌্যালি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasthan News: রাজস্থানের কংগ্রেস সরকার অতিরিক্ত কর চাপিয়েছে পেট্রোলে, অভিযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    Rajasthan News: রাজস্থানের কংগ্রেস সরকার অতিরিক্ত কর চাপিয়েছে পেট্রোলে, অভিযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী শনিবারই রাজস্থান (Rajasthan News) সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তাঁর মতে, ‘‘রাজস্থানে পেট্রোলের দাম আকাশ ছুঁয়েছে তার কারণ কংগ্রেস সরকারের অতিরিক্ত ট্যাক্স চাপানোর ফলেই।’’ এদিন নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তথ্য ও পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন মন্ত্রী। মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে গত দু বছরে রাজস্থানের কংগ্রেস সরকার ৩৫ হাজার ৯৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে শুধুমাত্র পেট্রোল এবং ডিজেলের উপর কর চাপিয়ে। ২০২১-২২ সালের নভেম্বর থেকে ২০২২-২৩ এর নভেম্বর পর্যন্ত এই হিসাব।  শনিবারই বিজেপির মিডিয়া সেল আয়োজিত একটি সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নিশানায় অশোক গেহলট 

    হরদীপ সিং পুরী এদিন পরিসংখ্যান তুলে ধরে আরও বলেন, ‘‘যদি আপনারা ১৮ টি রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল গুলির সঙ্গে তুলনা করে দেখেন তাহলে দেখা যাবে রাজস্থানের (Rajasthan News) কংগ্রেস সরকার অতিমাত্রায় ট্যাক্স নিচ্ছে।’’ মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উত্তরাখণ্ড, দিল্লি, নাগাল্যান্ড লাক্ষাদ্বীপ, মনিপুর, লাদাখ, দমন-দিউ, জম্মু-কাশ্মীরে ট্যাক্সের মোট পরিমাণ ৩২ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকা। সেখানে এই সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলগুলিকে ছাড়িয়ে গিয়েছে রাজস্থান। মন্ত্রী এদিন আরও জানিয়েছেন সারাদেশে পেট্রোলের গড় দাম হল ৯৬ টাকা ৭২ পয়সা প্রতি লিটারে। কিন্তু রাজস্থানের গঙ্গানগরে এই পেট্রোল মিলছে ১১৩ টাকা ৩৪ পয়সা প্রতি লিটারে। পেট্রোলের এমন অতিমাত্রায় মূল্যবৃদ্ধিতে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকে নিশানাও করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    ভোটের আগে দুর্নীতি ইস্যুতে ব্যাকফুটে কংগ্রেস

    প্রসঙ্গত আগামী ২৫ নভেম্বর রাজস্থানের নির্বাচনের দিনক্ষণ স্থির করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। বিধানসভায় মোট আসন রয়েছে ২০০ টি নির্বাচনের ফল ঘোষণা হবে ৩ ডিসেম্বর। দুর্নীতি ইস্যুতে বেশ কোনঠাসা রয়েছে শাসক দল কংগ্রেস। ইতিমধ্যে সে রাজ্যে পিএসসি পরীক্ষার দুর্নীতি প্রকাশ্যে এসেছে। ইডির আতস কাচের তলায় রয়েছেন রাজস্থানের (Rajasthan News) কংগ্রেস সভাপতিও। আবার বিদেশী মুদ্রা আইন লঙ্ঘনের মামলায় ইডির নজরে রয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের পুত্রও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Telangana News: ‘‘দুর্নীতির ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে তেলেঙ্গানা’’, ভোটের প্রচারে বললেন অমিত শাহ

    Telangana News: ‘‘দুর্নীতির ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে তেলেঙ্গানা’’, ভোটের প্রচারে বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩০ নভেম্বর ভোট রয়েছে দক্ষিণী রাজ্য তেলেঙ্গানাতে (Telangana News)। ইতিমধ্যে বিজেপি সেখানে প্রচারে ঝড় তুলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও সেখানে জনসভা করেছেন। গেরুয়া শিবিরের প্রকাশিত নির্বাচনী ইস্তাহারে দাবি করা হয়েছে যে ক্ষমতায় এলে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হবে যা বর্তমান ক্ষমতাসীন ভারত রাষ্ট্র সমিতির সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত করবে। শনিবারই নির্বাচনী প্রচারে তেলেঙ্গানাতে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও এদিন দুর্নীতি ইস্যুতে তোপ দাগেন ক্ষমতাসীন ভারত রাষ্ট্র সমিতির বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, ‘‘দুর্নীতির ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে তেলেঙ্গানা (Telangana News) এবং সরকারের নীতিহীনতার কারণে বেড়েই চলেছে ঋণের পরিমাণ।’’

    ভারত রাষ্ট্র সমিতির নতুন নামকরণ অমিত শাহের 

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এদিন আরও বলেন, ‘‘আপনাদের একটি ভোট নির্ণয় করবে তেলেঙ্গানার আগামীর দিনের ভবিষ্যৎকে।’’ তেলেঙ্গানার বর্তমান সরকার যে তিন লাখ কোটি টাকার উপর ঋণ করে ফেলেছে সে বিষয়েও ভাষণে উল্লেখ করেন অমিত শাহ। ভারত রাষ্ট্র সমিতির নতুন নামকরণও করেন এদিনের জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিআরএস-এর পূর্ণ নাম তিনি বলেন, ‘ভ্রষ্টাচারী রিসবতখোরি সমিতি’ অর্থাৎ কিনা দুর্নীতিগ্রস্ত ঘুষ নেওয়া সমিতি। নির্বাচনী ইশতেহারে বিজেপি সেখানে দাবি করেছে ক্ষমতায় এলে একটি কমিটি গঠন করা হবে যা ইউনিফর্ম সিভিল কোড-এর খসড়া তৈরি করবে। অন্যদিকে যা কিছু অসাংবিধানিক সংরক্ষণ প্রথা চালু রয়েছে সেগুলিকেও তুলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ওবিসি সম্প্রদায়, তপশিলি সম্প্রদায় এবং তপশিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের সংরক্ষণ আরও বাড়ানো হবে বলে জানানো হয়েছে ওই নির্বাচনী ইশতেহারে।

    ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ চালু রয়েছে তেলেঙ্গানাতে

    এদিনের জনসভায় সংরক্ষণ ইস্যুতেও বর্তমান ক্ষমতাসীন ভারত রাষ্ট্র সমিতিকে তোপ থাকেন অমিত শাহ তিনি বলেন, ‘‘ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের নিয়ম সম্পূর্ণভাবে তুলে দেওয়া হবে।’’ প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালেই অন্ধ্রপ্রদেশ ভেঙে তৈরি হয় তেলেঙ্গানা (Telangana News) রাজ্য। বর্তমানে সে রাজ্যে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ১২.৭ শতাংশ। তবে সে রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলিমদের শিক্ষা এবং সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ৪ শতাংশ সংরক্ষণ দিয়েছে সেখানকার সরকার। এনিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘‘কংগ্রেস এবং বিআরএস, দুই দলই পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠীর মানুষের জন্য কোনও ভাবনাচিন্তা করে না। একমাত্র বিজেপি-ই তাঁদের উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করবে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Halal-Certified Products: যোগী রাজ্যে নিষিদ্ধ হল হালাল সার্টিফিকেটযুক্ত পণ্য

    Halal-Certified Products: যোগী রাজ্যে নিষিদ্ধ হল হালাল সার্টিফিকেটযুক্ত পণ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হালাল সার্টিফায়েড (Halal-Certified Products) পণ্যের বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার। শনিবার সন্ধ্যায় যোগী সরকারের তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেখানেই সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় যে হালাল সার্টিফিকেটযুক্ত যে কোনও রকমের পণ্যের উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিতরণ এবং বিক্রি নিষিদ্ধ করা হল। প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশে এই অভিযোগ বারবার উঠেছে যে জাল নথি দেখিয়ে হালাল সার্টিফিকেটযুক্ত পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে।

    জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ফান্ডিং করা হত?

    এই অভিযোগের ভিত্তিতে যোগী রাজ্যের পুলিশ একাধিক সংস্থা এবং ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের করে। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে যে হালাল সার্টিফায়েড (Halal-Certified Products) পণ্য বিক্রির মাধ্যমে টাকা সন্ত্রাসবাদীদের ফান্ডিং-এর কাজে ব্যবহার করা হত। দেশবিরোধী কার্যকলাপগুলির সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে পড়ছিলেন হালাল সার্টিফিকেটযুক্ত পণ্য বিক্রেতারা। জঙ্গিদের ফান্ডিং ও বেআইনি ব্যবসা বন্ধ করতেই এই পদক্ষেপ যোগী সরকার নিল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। উত্তরপ্রদেশের থানাগুলিতে একাধিক ব্যবসায়ীর নামে এফআইআর দায়ের করা হয় এই মর্মে।

    সাহসী সিদ্ধান্ত যোগী সরকারের 

    নিত্যপ্রয়োজনীয় যে কোনও ধরনের জিনিস তা সে দুগ্ধজাত সামগ্রী হোক অথবা মাংস কিংবা গায়ে মাখার সাবান, এই সবকিছুই হালাল সার্টিফিকেট (Halal-Certified Products) দিয়ে বিক্রি করা হতো। যোগী রাজ্যের পুলিশ জানিয়েছে, টুথপেস্ট, প্রসাধনিক সামগ্রী, তেল এগুলো এই তালিকার বাইরে ছিল না এবং এর সবটাই করা হচ্ছিল জাল নথি দেখিয়ে। হালাল বিষয়টি ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই স্পর্শকাতর এই বিষয়টির উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে যোগী আদিত্যনাথ সরকার যথেষ্ট সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের বিজেপি যুব সংগঠন ভারতীয় যুব মোর্চার এক নেতা এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু কোম্পানি হালাল সার্টিফিকেটযুক্ত পণ্য বিক্রি করছে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের মধ্যে বিক্রি বাড়ানোর জন্য।

    হালাল আসলে কি?

    হালাল একটি আরবি শব্দ। এর অর্থ জানতে হলে আমাদের বুঝতে হবে হারাম কী? ইসলামে বহুল প্রচলিত শব্দ হল হারাম। যে কোনও নিষিদ্ধ বস্তুকে বোঝাতে হারাম শব্দ ব্যবহার করা হয় ইসলামে। এটিও একটি আরবি শব্দ। হারাম শব্দের বিপরীত শব্দ হল হালাল। অর্থাৎ যা কিনা গ্রহণ করা যায় ইসলাম সম্মতভাবে। মূলত যে পশুর মাংস খাওয়া হয় ইসলামের রীতি অনুযায়ী সেটিকেই হালাল বলা যায়। আড়াই পোচে জবাই করা পশুর মাংস হল হালাল। অন্যদিকে যে পশুকে এক কোপে জবাই করা হয় তা হারাম হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, হালাল বিধি অনুযায়ী কোনও ধারালো ছুরি দিয়ে পশুর গলার শিরা বা শ্বাসনালীকে কেটে দেওয়া হয়। তবে কোনওভাবেই যেন মেরুদণ্ডের হার না কাটে। জবাই করার সময় পশুর মুখ থাকতে হবে মক্কার দিকে। এই বিধি না মেনে যদি কোনও পশুকে জবাই করা হয়, তাহলে সেটি হারাম হয়ে যাবে। ইসলামের নিয়ম অনুযায়ী সেই মাংস মুসলমানদের জন্য নিষিদ্ধ। পরবর্তীকালে হালাল শব্দটি ইসলামের ব্যবহারযোগ্য যে কোনও বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হতে থাকে। হালাল সার্টিফায়েডযুক্ত (Halal-Certified Products) মানে তা ইসলামের নিয়ম রীতি মেনে তৈরি করা হয়েছে। খুব সরল কথায় বলতে গেলে ইসলামের আইন মেনে তৈরি করা হয়েছে যে কোনও জিনিসই হল হালাল। নিরামিষ খাবার, প্রসাধনিক ইত্যাদিও এখন হালাল সার্টিফিকেটযুক্ত হয়। ইসলামিক রীতি অনুযায়ী তা তৈরি হয়েছে কিনা, সেটা দেখার দায়িত্ব রয়েছে জমিয়ত-উলেমা-ই-মহারাষ্ট্র, জমিয়ত-উলেমায়ে-হিন্দ-হালাল ট্রাস্ট এই সমস্ত সংস্থাগুলির ওপর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Rescue: উত্তরকাশীতে সুড়ঙ্গে আটকে শ্রমিকরা, কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন উদ্ধারকারীরা

    Uttarkashi Tunnel Rescue: উত্তরকাশীতে সুড়ঙ্গে আটকে শ্রমিকরা, কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন উদ্ধারকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীতে এক নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel Rescue) মধ্যে আটকে পড়েছেন ৪০ জন শ্রমিক। দিল্লি থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছে উচ্চ-ক্ষমতা সম্পন্ন যন্ত্র এবং এই যন্ত্র দিয়ে সুড়ঙ্গে করা হবে উদ্ধার কাজ। গত রবিবার ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকেই ওই সুড়ঙ্গের মধ্যে প্রায় ১২০ ঘণ্টা ধরে আটকে রয়েছেন শ্রমিকরা। সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত সুড়ঙ্গের মধ্যে জমে থাকা ধ্বংসস্তূপকে সরিয়ে ২৫ মিটার পর্যন্ত প্রবেশ করা গিয়েছে। ফলে সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন উদ্ধারকারীরা। উল্লেখ্য উত্তরাখণ্ডের চারধাম বদ্রীনাথ, কেদারনাথ, গঙ্গোত্রী এবং যমুনোত্রী তীর্থস্থানগুলিতে সংযোগ আরও সরল করতে এই সুড়ঙ্গ পথের কাজ চলছিল। কিন্তু হঠাৎ বিপত্তি ঘটে সুড়ঙ্গে।

    ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের বক্তব্য (Uttarkashi Tunnel Rescue)

    ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সুড়ঙ্গের ভিতরে ৯০০ মিলিমিটার ব্যাস এবং ৬ মিটার দীর্ঘ দুটি পাইপ সম্পূর্ণ ঢোকানো হয়েছে। প্রায় ৪৫ থেকে ৬০ মিটার পর্যন্ত সুড়ঙ্গের ভিতরে ড্রিল করে ঢোকাতে হবে। ২৪ টন ওজনের উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন যন্ত্র ঘণ্টায় ৫ মিটার করে সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢোকানো হচ্ছে। তবে ধ্বংসাবশেষের মধ্যে শক্ত কিছু পড়লে সাময়িক ভাবে উদ্ধার কাজ বন্ধ রাখতে হয়। এই উদ্ধার কাজে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, বিআরও এবং আইটিবইপির মোট ১৬৫ জন কর্মী উদ্ধার কাজে নেমেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    ন্যাশনাল হাইওয়েস ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের বক্তব্য

    ন্যাশনাল হাইওয়েস অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড থেকে (এনএইচআইডিসিএল) ডিরেক্টর আংশু মনীশ খালখো বলেছেন, “গ্যাস কাটার ব্যবহার করে ধাতব অংশ কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং বর্তমানে ড্রিলিং কাজ বন্ধ রয়েছে। প্ল্যান বি সফল হবে বলে আশা রাখছি। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি আমরা সাফল্য পাবো। যন্ত্রের যাতে কোন ক্ষতি সাধন না হয় সেই দিকে নজর রাখা হয়েছে। থাইল্যান্ড এবং নরওয়ের অভিজ্ঞ উদ্ধারকারীদের এই উদ্ধার (Uttarkashi Tunnel Rescue) কাজে সংযুক্ত করা হয়েছে।”

    খাবার, জল, অক্সিজেন পাঠানো হচ্ছে

    সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে পড়া শ্রমিকদের মনোবল বৃদ্ধির চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় খাবর, জল, অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ওয়াকি-টকির মাধ্যমে উদ্ধারকারীরা (Uttarkashi Tunnel Rescue) আটকে থাকা শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সুড়ঙ্গের কাছেই একটি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালগুলিকে সতর্ক রাখা হয়েছে। উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যাতে নিয়ে যাওয়া যায় সেই বিষয়েও সচেতন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: ব্যক্তিস্বার্থে নয়, সমষ্টির জন্য কাজ করাকেই ধর্ম বলে, জানালেন আরএসএস নেতা মনমোহন বৈদ্য

    RSS: ব্যক্তিস্বার্থে নয়, সমষ্টির জন্য কাজ করাকেই ধর্ম বলে, জানালেন আরএসএস নেতা মনমোহন বৈদ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত প্রকাশন লিমিটেডের তরফ থেকে শুক্রবার ১৭ নভেম্বর দীপাবলি মিলন সমারোহের আয়োজন করা হয়েছিল দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে। এখানে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সহ-সরকার্যবাহ ডক্টর মনোমোহন বৈদ্য। অন্যান্যদের মধ্যে হাজির ছিলেন ভারত প্রকাশন লিমিটেডের এমডি ভারত ভূষণ অরোরা, অর্গানাইজার পত্রিকার সম্পাদক প্রফুল্ল কেতকর এবং পাঞ্চজন্য পত্রিকার সম্পাদ হীতেশ শঙ্কর। দীপাবলি সমারোহে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মনমোহন বৈদ্য বলেন, ‘‘আমি নয়, আমরা, এটাই হল ধর্মের প্রধান নীতি।’’ অর্থাৎ কিনা ব্যক্তি সর্বদাই নিজেকে বাদ দিয়ে সমষ্টির কথা চিন্তা করবে। সমাজের জন্য কাজ করবে। এটাই হল ধর্ম।

    ধর্মের প্রকৃত সংজ্ঞা শেখায় সমাজের জন্য কিছু করতে

    সঙ্ঘ নেতার (RSS) আরও সংযোজন, ‘‘ভারতবর্ষ বেঁচে রয়েছে তার প্রধান কিছু নীতির ওপর ভিত্তি করে, যার মধ্যে অন্যতম হল জনসেবা।’’ এ প্রসঙ্গেই তাঁকে বলতে শোনা যায় যে করোনার পিরিয়ডে এই চিত্র ভালোভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে। সঙ্ঘের (RSS) সরকার্যবাহের মতে, ‘‘দেশে যখনই ভূমিকম্প বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটেছে, লক্ষাধিক মানুষ রাস্তায় নেমেছেন একে অপরকে সাহায্য করতে। করোনা ভাইরাসের হানার সময়ও তার ব্যতিক্রম চিত্র দেখা যায়নি। ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নিয়েও মানুষ রাস্তায় নেমেছেন, একে অপরকে সাহায্য করতে। এটাই হল ধর্মের প্রকৃত সংজ্ঞা যা শেখায় সমাজের জন্য কিছু করতে।’’

    বৈচিত্রতার মধ্যেও সম্প্রীতির পরিবেশ দেখা যায় ভারতে

    যে কোনও কিছু যা সমাজের জন্য কিছু করতে শেখায়, সরকারের উপর ভরসা না করে, সেটাই হল ভারতের ভিত্তি। এদিন মনমোহন বৈদ্যর ভাষণে উঠে আসে ইন্ডিয়া বনাম ভারত প্রসঙ্গও। তিনি ভারত (RSS) শব্দটি ব্যবহার করতে বলেন। তাঁকে আরও বলতে শোনা যায় যে ভারত সারা বিশ্বের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে তার আধ্যাত্মিক এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের মাধ্যমে। কর্মযোগ, ভক্তিযোগ, জ্ঞানযোগ রাজযোগ প্রভৃতি বিষয়ও এদিন বক্তব্যে তুলে ধরেন মনমোহন বৈদ্য। ডঃ মনমোহন বৈদ্য আরও বলেন, ‘‘বৈচিত্রতার মধ্যেও সম্প্রীতির পরিবেশ নির্মাণ করে যেভাবে ভারতবর্ষ বছরের পর বছর এগিয়ে চলেছে তা বিশ্বের সামনে এক উদাহরণ প্রতিষ্ঠা করেছে। ভারত বিশ্বকে বুঝিয়েছে যে হতে পারি আমরা বৈচিত্রতার দেশ কিন্তু আমরা একে অপরের সঙ্গে সম্প্রীতির পরিবেশে থাকতে পারি।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: আগামী দিনে রেলের প্রত্যেক যাত্রীই পাবেন ‘কনফার্মড’ টিকিট, থাকবে না ওয়েটিং লিস্ট

    Indian Railways: আগামী দিনে রেলের প্রত্যেক যাত্রীই পাবেন ‘কনফার্মড’ টিকিট, থাকবে না ওয়েটিং লিস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দূরপাল্লার ট্রেনের (Indian Railways) টিকিট পেতে আর যাত্রীদের হয়রান হতে হবে না। করতে হবে না অপেক্ষাও। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে ভারতীয় রেলের এই পরিকল্পনার কথা। ভারতের লাইফ লাইন এই রেল। প্রতিদিন তিল ধারণের জায়গা থাকে না লোকাল ট্রেনের পাশাপাশি দূরপাল্লার ট্রেনেও।

    উৎসবে টিকিটের চাহিদা বাড়ে 

    দুর্গাপুজো, ছটপুজো, দীপাবলির মতো উৎসব-অনুষ্ঠানে টিকিটের জন্য হা-পিত্যেশ করতে হয় যাত্রীদের। সমস্যায় পড়তে হয় ওয়েটিং লিস্টের যাত্রীদের। বাধ্য হয়ে অনেকে পড়েন দালালের খপ্পরে। টিকিটের দামের চেয়ে ঢের বেশি দাম দিয়ে কিনতে হয় টিকিট। এসবেই এবার ইতি টানতে চলেছেন ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, আগামী চার-পাঁচ বছরে নেটওয়ার্ক বাড়িয়ে যাত্রীদের আরামদায়ক যাত্রা উপহার দেবে রেল। অতিরিক্ত ৩ হাজার মেল, এক্সপ্রেস ও যাত্রিবাহী ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    আসছে নতুন ট্রেন 

    বর্তমানে প্রায় ৮০০ কোটি যাত্রী বহন করে রেল। পাঁচ বছরের মধ্যেই এর পরিমাণ পৌঁছবে হাজার কোটিতে। রেলমন্ত্রক (Indian Railways) সূত্রে খবর, বর্তমানে প্রতিদিন ১০ হাজার ৭৪৮টি ট্রেন চলে। করোনা অতিমারির আগে এই সংখ্যাটা ছিল ১০ হাজার ১৮৬। এটা বাড়িয়ে ১৩ হাজার করার পরিকল্পনা করেছে রেল। সেই কারণেই নামানো হবে ৩ হাজার নতুন ট্রেন। ট্রেনে গতি আনতে বাড়ানো হচ্ছে ট্র্যাকও। প্রতি বছর ৪ থেকে ৫ হাজার কিলোমিটার ট্র্যাকের নয়া নেটওয়ার্ক তৈরি করছে রেল। ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে ‘বন্দে ভারত এক্সপ্রেস’। গতির কারণে এই ট্রেনে যাত্রীও হচ্ছে প্রচুর।

    আরও পড়ুুন: বৈঠক শেষে ফের জিনপিংকে ‘একনায়ক’ কটাক্ষ বাইডেনের, কেন চুপ চিনা প্রেসিডেন্ট?

    রেলকর্তারা জানান, রেলের লক্ষ্যই হল ২০২৭-২৮ সালের মধ্যে টিকিট বুক করার জন্য প্রত্যেক যাত্রীই যেন নিশ্চিত টিকিট পান। একজন যাত্রীকেও যেন ওয়েটিংয়ে থাকতে না হয়। সারা দেশে যাত্রীর চাহিদা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে এই প্রকল্পটি তৈরি করা হয়েছে। আরও পুশ-পুল ট্রেন চালু করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। যার জেরে গতি বাড়বে ট্রেনের। কমবে ভ্রমণের সময়। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “আরও বন্দে ভারত ট্রেন, আধুনিক এলএইচবি কোচ এবং পুশ-পুল ট্রন চালু করা হবে। এর পাশাপাশি বছরে চার-পাঁচ হাজার কিলোমিটার নয়া ট্র্যাক তৈরির কাজও চলবে। সামগ্রিকভাবে আমাদের লক্ষ্য, ভ্রমণের সময় কমানো ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানো (Indian Railways)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Sikkim Disaster: উত্তর সিকিমে ধ্বংসস্তূপের ওপর সেতু গড়ল সেনা, স্বাভাবিক হল যান চলাচল

    Sikkim Disaster: উত্তর সিকিমে ধ্বংসস্তূপের ওপর সেতু গড়ল সেনা, স্বাভাবিক হল যান চলাচল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের দুর্যোগে কার্যত ভেঙে পড়েছিল সিকিমের (Sikkim Disaster) সম্পূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা। উত্তর সিকিমের অবস্থা সব থেকে খারাপ ছিল। গোটা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হয়ে উঠেছিল উত্তর সিকিম। স্থলপথে যোগাযোগও ছিল না সারা দেশের সঙ্গে। ৪৪ দিন পর অবশেষে সেখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা গেল এবং এর পুরোটাই সম্পন্ন হল ভারতীয় সেনার উদ্যোগে এবং তত্ত্বাবধানে। ধ্বংসস্তূপের উপর সেতু তৈরি করল ভারতীয় সেনা। এর ফলে উত্তর সিকিমে যান চলাচল আবার স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়েছে।

    বৃহস্পতিবারই সেনার তৈরি ব্রিজের উদ্বোধন 

    উত্তর সিকিমের (Sikkim Disaster) চুংথাং-এ সেনার তৈরি এই বেলি ব্রিজ উদ্বোধন হয়েছে বৃহস্পতিবারই। ইতিমধ্যে সেতুর উপর দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ত্রাণবাহী গাড়ি বিধ্বস্ত অংশে পাঠানোর কাজও শুরু হয়েছে। স্থলপথের যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে যাওয়াতে এতদিন আকাশ পথের মাধ্যমেই ত্রাণ পাঠানো হচ্ছিল। ধ্বংসস্তূপের উপর ব্রিজ নির্মাণের পরে সেনার তরফে বিবৃতিও সামনে এসেছে।

    গত ৩ অক্টোবর হড়পা বানে বিধ্বস্ত হয় সিকিম

    বৃহস্পতিবারই ভারতীয় সেনা জানিয়েছে, ত্রিশক্তি কর্পস এবং বিআরও-এর যৌথ প্রচেষ্টায় চুংথাং-এ এই বেলি ব্রিজ তৈরি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ব্রিজটি ২০০ ফুট লম্বা। গত ৩ অক্টোবর হড়পা বানে বিধ্বংসী রূপ নেয় তিস্তা নদী। হড়পা বানের ফলে চারদিকে চলতে থাকে তাণ্ডবলীলা। সেই থেকেই কার্যত ভেঙে পড়েছিল উত্তর সিকিমের সমস্ত পর্যটন শিল্প। বাকি অংশগুলিতে সিকিমের (Sikkim Disaster) জনজীবন স্বাভাবিক হলেও উত্তর সিকিম কার্যত যোগাযোগ-বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল এতদিন। তবে ব্রিজ উদ্বোধন হওয়ায় সেই অবস্থা কাটল। বৃহস্পতিবার সেনা নির্মিত সেতুর উদ্বোধন করেন সিকিমের সড়ক মন্ত্রী সমডুপ লেপচা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share