Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Operation Dost: অপারেশন দোস্ত শেষ! দেশে ফিরল এনডিআরএফের বাকি দলটিও

    Operation Dost: অপারেশন দোস্ত শেষ! দেশে ফিরল এনডিআরএফের বাকি দলটিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ১০ দিন উদ্ধারকাজ (Operation Dost) চালানোর পর তুরস্ক থেকে গতকালই দেশে ফিরল এনডিআরএফ-এর শেষ দলটি। প্রসঙ্গত, ৬ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে ৭.৮ মাত্রার তীব্র ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় তুরস্ক আর সিরিয়ায় বিস্তীর্ণ অঞ্চল। বিপর্যয়ের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ভারত এনডিআরএফ-এর দল পাঠিয়ে তুরস্কে অপারেশন দোস্ত শুরু করে। জানা গেছে, তুরস্ক আর সিরিয়ার ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪১ হাজারের বেশি মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। গত শুক্রবার এনডিআরএফ-এর সঙ্গে ডগ স্কোয়াডের সদস্য রেমবো এবং হানিও দেশে ফিরেছে। অপারেশন দোস্তকে (Operation Dost)  সফল করার জন্য এনডিআরএফ-এর অধিকর্তারা ভারতে ফিরে আসা এনডিআরএফ জওয়ানদের আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    তুরস্কে এনডিআরএফ-এর উল্লেখযোগ্য কাজ (Operation Dost) 

    তুরস্কের মাটিতে এনডিআরএফ-এর জওয়ানরা অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গেই কাজ চালিয়ে গেছেন বিগত ১০ দিন ধরে। কিছুদিন আগেই দেখা গিয়েছিল তারা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে উদ্ধার করেছেন জীবন্ত ছয় বছরের এক শিশু কন্যাকে। যা নিয়ে ট্যুইট করেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে বিদেশমন্ত্রী।  উদ্ধারকার্যে ১০১ সদস্যের এই দলে সারমেয়গুলিও বড় ভূমিকা নিয়েছিল। এগুলির নাম জুলি, রোমিও, হানি এবং রেমবো। জানা গেছে, কুকুরগুলির ল্যাব্রাডর প্রজাতির। এরা গন্ধ শুঁকে পৌঁছে যেতে পারে নির্দিষ্ট স্থানে। ধ্বংসস্তূপের কোথায় মৃতদেহ চাপা পড়ে রয়েছে তা দ্রুত শনাক্ত করতে পারে। মেক্সিকোতে যখন ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিল তখনও উদ্ধারকাজে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিল এই কুকুরগুলি।

    ভারতীয় বায়ুসেনার সি-১৭ বিমানে এনডিআরএফ কর্মীরা ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে তুরস্কের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। যেখানে ছিল অত্যাবশ্যকীয় সরঞ্জাম, চিকিৎসা সরবরাহ, ড্রিলিং মেশিন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস। পাশাপাশি ছিল বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত ডগ স্কোয়াড।

    এনডিআরএফ-এর সংক্ষিপ্ত পরিচয়

    এনডিআরএফ-এর কাজ হল যেকোনও দুর্যোগে তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান। NDRF বারটি ব্যাটালিয়ন নিয়ে গঠিত।  প্রতিটি ব্যাটেলিয়ানে মোট কর্মীর সংখ্যা ১১৪৯ জন। যখনই দেশ বা বিদেশে ভূমিকম্প, বন্যা, ভূমিধস, ঝড়, বড় আকারের অগ্নিকাণ্ড, বোমা বিস্ফোরণ ইত্যাদি দুর্যোগ ঘটে তখনই ঝাঁপিয়ে পড়ে ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স বা এনডিআরএফ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Jammu and Kashmir :  কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিকেশ ১ জঙ্গি

    Jammu and Kashmir : কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিকেশ ১ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) অনুপ্রবেশের সময় জঙ্গি ও নিরাপত্তাবাহিনীর গুলির লড়াইয়ে এক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। গুরুতর জখম হয়েছে ১ জঙ্গি।

    কী বলল সেনা

    সেনা সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir)  কুপওয়াড়া জেলায় নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে তিন জঙ্গি। পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকেই আসছিল তারা। অনুপ্রবেশ রুখতে গুলি চালায় সেনাবাহিনী। পাল্টা গুলি ছুড়তে থাকে জঙ্গিরা। এই গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে এক জঙ্গির।

    কাশ্মীরের পুলিশ কী বলছে

    কাশ্মীরের পুলিশ বলছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের দিক থেকে জঙ্গিদের একটি দল অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাতে পারে গোপন সূত্রে খবর পায় নিরাপত্তাবাহিনী। তারই ভিত্তিতে নজরদারি চালাচ্ছিল সেনা এবং জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir)  পুলিশের একটি যৌথ দল। জঙ্গিদের দেখা মাত্রই গুলির লড়াই শুরু হয়। তবে, বাহিনীর কেউ এই ঘটনায় হতাহত হয়নি।

    মৃত জঙ্গির কাছ থেকে কী কী উদ্ধার হল

    মৃত জঙ্গির কাছ থেকে একটি একে ৪৭ রাইফেল উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া গোলাবারুদ এবং গ্রেনেড-ও উদ্ধার করা হয়েছে সেনা সূত্রে খবর।

    কাশ্মীর ফিরছে চেনা ছন্দে, গত ২ বছরে দেড়শোর বেশি ছবির শ্যুটিং

    ২০১৯ সালে ৩৭০ ধারার বিলোপের পর পুরনো ছন্দে ফিরছে কাশ্মীর। জানা গেছে, পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে, হোটেলগুলিতে ব্যাপক ভিড় লেগেই আছে। ভূস্বর্গে বিভিন্ন ছবির শ্যুটিংও চলছে পুরোদমে। ১৯৯০ সালের ১৯ জানুয়ারি থেকে কাশ্মীরে শুরু হয়েছিল পণ্ডিতদের ওপর ব্যাপক অত্যাচার, নির্যাতন। অসংখ্য পণ্ডিতকে হত্যাও করা হয়। তারপর থেকে কাশ্মীর ছাড়তে থাকেন পণ্ডিতরা। পরবর্তীকালে ২০১৯ সালে মোদি সরকার দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরই তুলে দেয় ৩৭০ ধারা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তের কারণেই কাশ্মীর ফিরছে চেনা ছন্দে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

     

  • Cheetah: শনিবার আফ্রিকা থেকে আসছে আরও ১২টি চিতা, কোথায় থাকবে নতুন অতিথিরা?

    Cheetah: শনিবার আফ্রিকা থেকে আসছে আরও ১২টি চিতা, কোথায় থাকবে নতুন অতিথিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে আসছে আরও ১২টি আফ্রিকান চিতা (Cheetah)। জানা গিয়েছে, আগামী শনিবার অর্থাৎ ১৮ ফেব্রুয়ারি ভারতে আনা হবে এই চিতাগুলিকে। ভারতে তারা ঘর পাতবে কুনো ন্যাশনাল পার্কে। সূত্রের খবর নামিবিয়া থেকে আগে যে আটটি চিতা (Cheetah) আনা হয়েছে তাদের সঙ্গেই বেড়ে উঠবে নতুন অতিথিরা। মোট ১২টি চিতা আসছে, যার মধ্যে রয়েছে ৭টি পুরুষ এবং ৫টি মহিলা চিতা। চিতাগুলিকে ভারতে আনতে খরচ পড়ছে প্রতি চিতা (Cheetah) পিছু ৩ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ ১২টি চিতাকে নামিবিয়া থেকে উড়িয়ে আনতে খরচ হয়েছে মোট ২৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা। আরও জানা গিয়েছে, এই চিতাগুলিকে গত বছর অগাস্ট মাসেই ভারতে উড়িয়ে আনার কথা ছিল। কিন্তু, দুই দেশের মধ্যে চুক্তি সম্পূর্ণ তৈরি না হওয়ায় গোটা বিষয়টিই থমকে গিয়েছিল। 

    কখন পৌঁছবে তারা কুনো জাতীয় উদ্যানে

    জানা গিয়েছে, নামিবিয়ার জঙ্গল থেকে ভারতীয় বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে আসবে ১২টি চিতা। ৭টি পুরুষ এবং ৫টি মহিলা চিতা (Cheetah) নিয়ে শুক্রবার রাতে আফ্রিকার গুয়েতাংয়ের ট্যাম্বো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানটি পাড়ি দেবে ভারতের উদ্দেশে। শনিবার ভারতে এসে পৌঁছবে বিমান। প্রথমে চিতাগুলিকে (Cheetah) গোয়ালিয়রে নিয়ে আসা হবে প্রথমে। আধঘণ্টা বিমানবন্দরে রাখার পর তাদের সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে ১৬৫ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে তারা পৌঁছবে কুনো জাতীয় উদ্যানে। সেখানে তাদের পৌঁছনোর কথা বেলা ১২টা নাগাদ।

    কুনো জাতীয় উদ্যানের ডিরেক্টর কী বললেন

    কুনো জাতীয় উদ্যানের ডিরেক্টর উত্তম শর্মা বলেন, “নতুন এই অতিথিদের জন্য মোট ১০টি কোয়ারেন্টাইন  তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে দু’টি খাঁচায় রাখা হবে জোড়া চিতা (Cheetah)। আমাদের তরফে সমস্ত রকমের প্রস্তুতি সেরে ফেলা হয়ে গিয়েছে। এখন কেবল চিতাদের আসার অপেক্ষা।” তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যে গত বছর এই উদ্যান দেখে গেছেন আফ্রিকান চিতা বিশেষজ্ঞরা। তারপর ভারত সরকারেদ সঙ্গে আফ্রিকান প্রশাসনের মউ স্বাক্ষর হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BBC: দিল্লি, মুম্বইয়ে বিবিসি-র দফতরে আয়কর হানা, কর্মীদের ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

    BBC: দিল্লি, মুম্বইয়ে বিবিসি-র দফতরে আয়কর হানা, কর্মীদের ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন বা বিবিসির দিল্লি এবং মুম্বই-এর  অফিসে হানা দিয়েছে আয়কর দফতর। সূত্র মারফত জানা গেছে, বিবিসি অফিসের কর্মীদের ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়। তবে এখনও অবধি কাউকে আটক করা হয়নি। বিবিসির কর্মচারীদের অফিস ছেড়ে তাড়াতাড়ি বাড়ি যেতে বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা গেছে, বিবিসি অফিসে কর্মচারীদের ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা করার পাশাপাশি বেশ কিছু নথিও বাজেয়াপ্ত করেছে আয়কর দফতর।

    কী বলছে আয়কর দফতর

    আয়কর দফতর অবশ্য বলছে, এটা হানা নয়। বিবিসি দফতরের আকাউন্ট বইগুলি পরীক্ষা করতেই আমাদের অফিসাররা সারপ্রাইজ ভিসিট করে ওই অফিসে। আয়কর বিভাগ বলছে, সবার ফোন ফিরিয়ে দেওয়া হবে। সূত্র অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, সকালের শিফটের সকল কর্মীদের ফোন বাজেয়াপ্ত করার পর তাঁদের বাড়ি চলে যেতে নির্দেশ দেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। অন্যদিকে বিবিসির বিকালের শিফটের কর্মচারীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোম করতে বলা হয়েছে। সূত্র অনুযায়ী আরও জানা গেছে, দিল্লিতে বিবিসি অফিসে আয়কর দফতরের যে দলটি হানা দেয় তাতে ছিলেন ১৫ জন সদস্য।

    গুজরাট হিংসার ওপর তৈরি বিবিসির তথ্যচিত্রকে অতিরঞ্জিত বললেন ব্রিটিশ সাংসদ

    প্রসঙ্গত দিন কয়েক আগে, দু’দশক আগে গুজরাতের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মোদীর জমানায় গোধরাকাণ্ড এবং তার পরবর্তী সাম্প্রদায়িক হিংসার কথা তুলে ধরা হয়েছে এক ঘণ্টার তথ্যচিত্র ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদী কোয়েশ্চেন’-এ। অভিযোগ এখানে অনেক মিথ্যা এবং মনগড়া গল্প দেওয়া হয়েছে। বিবিসির এই তথ্যচিত্রকে এবার অতিরঞ্জিত বললেন ব্রিটিশ সাংসদ,  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশে দাঁড়ালেন ব্রিটেনের রাজনীতিবিদ বব ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, মোদীকে নিয়ে বিবিসি-র তৈরি তথ্যচিত্র ‘সম্পূর্ণ ভাবে অতিরঞ্জিত’। বিবিসি-র মতামত নিজস্ব। তা কোনও ভাবেই ব্রিটিশ সরকারের মতামতকে উপস্থাপন করে না। তথ্যচিত্রটি অনৈতিক ভাবে তৈরি করা হয়েছে। ভারত ব্রিটেনের বন্ধু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Bullet Train: বুলেট ট্রেন প্রকল্পের জাতীয় গুরুত্ব রয়েছে, বলল বম্বে হাইকোর্ট       

    Bullet Train: বুলেট ট্রেন প্রকল্পের জাতীয় গুরুত্ব রয়েছে, বলল বম্বে হাইকোর্ট      

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন (Bullet Train) প্রকল্পের জাতীয় গুরুত্ব রয়েছে বলে জানাল বম্বে হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত, গোদরেজ অ্যান্ড বয়েস ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল, সংস্থার অভিযোগ ছিল যে বুলেট ট্রেন (Bullet Train) প্রকল্পের জন্য ভিক্রোলিতে তাদের জমি অধিগ্রহণ করেছে সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে যায় সংস্থা।

    কী বলল বম্বে হাইকোর্ট?

    গোদরেজ অ্যান্ড বয়েস ম্যানুফ্যাকচারিং সংস্থার এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বম্বে হাইকোর্ট বলে “জাতীয় ক্ষেত্রে বিচার করলে এই বুলেট ট্রেনের (Bullet Train) অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে। জনস্বার্থের কথা ভাবনাচিন্তা করেই সরকার এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন করেছে, আদালতের কোনও হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই। ক্ষতিপূরণে কোনও বেনিয়ম পাওয়া যায়নি।” এদিন বিচারপতি আরডি ধানুকা এবং বিচারপতি এমএম এর ডিভিশন বেঞ্চ আরও জানায়, বুলেট ট্রেন জাতীয় স্বার্থেই চলছে।

    আরও পড়ুন: জাপানের সঙ্গে যৌথ অনুশীলনে ভারতীয় বায়ু সেনা, দেখুন ‘বীর গার্ডিয়ান ২০২৩’-এর কিছু ছবি
     

    বুলেট ট্রেন (Bullet Train) প্রকল্পের ২১ কিলোমিটার রেলপথ হবে ভূগর্ভস্থ

    মহারাষ্ট্রের বান্দ্রা-কুরলা কমপ্লেক্স এবং শিলফাটার মধ্যবর্তী ভূগর্ভস্থ রেলপথ নির্মানের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। মহারাষ্ট্রের থানে জেলার এই বিকেসি প্লাটফর্ম হবে একমাত্র ভূগর্ভস্থ স্টেশন। জানা গিয়েছে, মাটির ২৪ মিটার নীচে হবে প্লাটফর্ম এবং এটি তিনতলা বিশিষ্ট হবে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, মুম্বই-আহমেদাবাদ হাই-স্পিড রেল প্রকল্পে মোট ৫০৮.১৭ কিলোমিটার রেল ট্র্যাক থাকবে, যার মধ্যে ২১ কিলোমিটার হবে ভূগর্ভস্থ। জানা যাচ্ছে এই প্রকল্প সম্পূর্ণ হতে সময় লাগতে পারে প্রায় ৬০ মাস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হল এইধরনের ভূগর্ভস্থ রেলপথ নির্মাণ।   প্রসঙ্গত, বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি জাপানের প্রযুক্তিগত সাহায্যে গড়ে উঠছে। দাদরা ও নগর হাভেলির মধ্যে দিয়েও যাবে এই প্রকল্প।

    ৭ কিমি টানেল থাকবে সমুদ্রের তলদেশে, ভারতে এ ধরনের প্রকল্প প্রথম

    জানা গিয়েছে, টানেল বোরিং মেশিন এবং নিউ অস্ট্রিয়ান টানেলিং মেথড ব্যবহার করে সমুদ্রের তলদেশে এই টানেল তৈরি করা হচ্ছে। ডাবল লাইনের এই ধরনের টানেল দেশে এর আগে নির্মাণ হয়নি। আরও জানা যাচ্ছে, টানেলটি সবথেকে গভীর হবে মহারাষ্ট্রের শিলফাটার কাছে পারসিক পাহাড়ের নীচে, প্রায় ১১৪ মিটার। পরিবেশের কোনও ক্ষতি করতে চায়নি রেল মন্ত্রক। তাই থানে ক্রিকের কাছে অভয়ারণ্য এবং ম্যানগ্রোভ জাতীয় উদ্ভিদগুলিকে নিরাপদ রাখার লক্ষ্যেই সমুদ্রতলদেশে ৭কিমি এই টানেলটি তৈরি করা হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, বুলেট ট্রেন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত থাকবে মহারাষ্ট্রের চারটি স্টেশন এগুলি হল বিকেসি, থানে, বিরার এবং বোইসার। গুজরাটের আটটি স্টেশন এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এগুলো হল ভাপি, বিলিমোরা, সুরাট, ভরুচ, ভাদোদরা, আনন্দ/নদিয়াদ, আহমেদাবাদ এবং সবরমতি। মুম্বাই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি হবে ৩২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা এবং এতে মোট সময় লাগবে ৩ ঘণ্টা। 

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং জাপানের শিনজো আবে ২০১৭ সালে আহমেদাবাদ এবং মুম্বইয়ের মধ্যে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন। 

    আরও পড়ুন:‘ট্রিপল ট্রাবল থেকে উদ্ধার পেতে চাইলে বিজেপিকে ভোট দিন’, ত্রিপুরায় জানালেন শাহ

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Supreme Court: সংবিধানের মূল কাঠামো হল ধ্রুবতারার মতোই: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি

    Supreme Court: সংবিধানের মূল কাঠামো হল ধ্রুবতারার মতোই: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সংবিধানের মূল কাঠামো নিয়ে অনেকদিন ধরেই চর্চা চলছে। 

    এনিয়ে কী বললেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়

    শনিবার মুম্বইয়ে আইনজীবী ননী পালকিওয়ালা স্মারক বক্তৃতায় বক্তব্য রাখেন দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। সেখানে তিনি বলেন, “সংবিধানের মূল কাঠামো হল ঠিক ধ্রুবতারার মতোই। আমাদের সমস্ত ধরনের পথ যখন অন্ধকারে ভরে যায়, তখন সংবিধানের এই মূল কাঠামোই আমাদের অন্ধকারকে সরিয়ে আলোর সন্ধান দেয়। আমাদের সঠিক দিশা দেখায়।” প্রধান বিচারপতি এদিন আরও বলেন, তাই আমাদের উচিত সংবিধানের মূল পরিকাঠামোকে সর্বদা রক্ষা করা। মূল কাঠামো নিয়ে তাঁর মত, সংবিধানের মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতা, যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা, স্বতন্ত্র ক্ষমতা ও নানা আদর্শ আবর্তিত হচ্ছে। ফলে এই ধারণাকে কখনই পরিবর্তন করা যাবে না। তাকে লালন করতে হবে আমাদেরকেই। তাঁর আরও সংযোজন, দেশের সংবিধানকে কখনই বদলানো যায় না। তাকে মান্যতা দিতে হয়।

    আরও পড়ুন: বিপদের দিনে বন্ধুর পাশে, তুরস্ক-সিরিয়ায় আরও ত্রাণ পাঠাল ভারত

    এনিয়ে কী বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) কেরল সরকার বনাম কেশবানন্দ ভারতীর একটি মামলার রায়ে বলেছিল সংবিধানের মূল কাঠামো বদল করা যাবে না। ১৯৭৩ সালে কেশবানন্দ ভারতী বনাম কেরল সরকারের এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) পর্যবেক্ষন ছিল, সংসদ বা সরকার আইন তৈরি করে দেশের সংবিধানের সংশোধন বা নতুন কোনও ধারা সংযোজন করতেই পারে। কিন্তু কোনওভাবেই সংবিধানের মূল কাঠামো বা বেসিক স্ট্রাকচার বদলাতে পারে না। শীর্ষ আদালতের সেই রায়কে ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ‘ল্যান্ডমার্ক জাজমেন্ট’ বা ঐতিহাসিক রায়গুলির মধ্যে একটি ধরা হয়। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকার দীর্ঘদিন ধরেই কলেজিয়াম ব্যবস্থায় সংস্কার দাবি করছে।

    আরও পড়ুন: ১২৮ ঘণ্টার লড়াইয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার তুরস্কের ২ মাসের ‘বিস্ময় শিশু’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Lithium Discovery: দেশে পাওয়া গেল লিথিয়ামের বিপুল ভাণ্ডার! কোথায় জানেন?      

    Lithium Discovery: দেশে পাওয়া গেল লিথিয়ামের বিপুল ভাণ্ডার! কোথায় জানেন?     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ভারতে এই প্রথমবার লিথিয়াম খনির হদিশ পাওয়া গেল জম্মু-কাশ্মীরের রিয়াসি জেলায়। জানা গিয়েছে, ওই খনি থেকে মোট ৫৯ লক্ষ টন লিথিয়ামের সন্ধান (Lithium Discovery) দিয়েছে জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার কর্মীরা। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় খনি মন্ত্রক এক বিবৃতি জারি করে এই বিষয়ে জানিয়েছে।

    আরও পড়ুন: দিল্লি থেকে মুম্বই যেতে সময় লাগবে মাত্র ১২ ঘণ্টা! রবিবারে মোদির হাতে উদ্বোধন দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ের 

    কেন্দ্রীয় সরকার কী বলল 

    এদিন কেন্দ্রীয় খনি মন্ত্রক এক বিবৃতি জারি করে জানায়, ‘জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া এই প্রথম দেশে লিথিয়াম সম্পদের সন্ধান পেয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের রিয়াসি জেলার সালাল-হাইমানা অঞ্চলের খনিতে মজুত রয়েছে ৫৯ লক্ষ টন লিথিয়াম। লিথিয়াম ও সোনা মিশ্রিত ৫১ টি মিনারেল ব্লক সংশ্লিষ্ট রাজ্য প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫ টি ব্লকে রয়েছে সোনা’।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বাকি ব্লকগুলিতে পটাশ, মলিবডেনাম, বেস মেটাল ইত্যাদি পাওয়া গিয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর, অন্ধ্র প্রদেশ, ছত্তীশগড়, গুজরাট, ঝাড়খন্ড, কর্নাটক, মধ্য প্রদেশ, ওড়িশা, রাজস্থান, তামিলনাড়ু ও তেলঙ্গানা মিলিয়ে মোট ১১ টি রাজ্যে মিনারেল ব্লকের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। ২০১৮-১৯ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত জিএসআই খনন করে এই ব্লকগুলি চিহ্নিত করেছে’।

    আরও পড়ুন: বিপদের দিনে বন্ধুর পাশে, তুরস্ক-সিরিয়ায় আরও ত্রাণ পাঠাল ভারত

    বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারির দাম কী কমবে তাহলে!
     
    পাশাপাশি কয়লা, লিগনাইট মিলিয়ে মোট ৭৮৯৭ মিলিয়ন টন খনিজ সম্পদের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে, যা তুলে দেওয়া হয়েছে কয়লা মন্ত্রকের হাতে। বৈদ্যুতিক গাড়ি বা মোবাইল ফোনের ব্যাটারি তৈরি করতে লিথিয়াম লাগে। বর্তমানে লিথিয়াম বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন দেশেই পাওয়া যাবে লিথিয়াম। তাহলে এবার হয়তো বৈদ্যুতিক গাড়ি বা মোবাইল ফোনের ব্যাটারির দাম কমবে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • NDRF: তুরস্কে আট বছরের বাচ্চা মেয়েকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করল এনডিআরএফ, দেখুন ভিডিও 

    NDRF: তুরস্কে আট বছরের বাচ্চা মেয়েকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করল এনডিআরএফ, দেখুন ভিডিও 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন দোস্তের আওতায় তুরস্কে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে এনডিআরএফ (NDRF)। এদিন সেদেশের গাজিয়ানটেপ প্রদেশের নুরদাগি শহরে একটি ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে ৮ বছরের একটি মেয়েকে জীবিত উদ্ধার করল এনডিআরএফ (NDRF)। তুর্কি সেনার সঙ্গে এই  যৌথ অভিযানের ভিডিও ইতিমধ্যে ট্যুইটারে শেয়ার করেছে এনডিআরএফ (NDRF)।

    কী বললেন এনডিআরএফ-র (NDRF) আধিকারিক

    এদিন এনডিআরএফের (NDRF) এক উচ্চপদস্থ  আধিকারিক বলেন, গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে এনডিআরএফ। এখনও পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে দুটি বাচ্চাকে উদ্ধার করা গেছে। এদের মধ্যে একজনের বয়স ৬ এবং অপরজনের বয়স ৮। 
    প্রসঙ্গত, তুরস্কে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত ২৪,০০০ লোকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ভারত সেখানে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। নাম অপারেশন দোস্ত। দোস্ত এমন একটি শব্দ, যার হিন্দি এবং তুর্কি ভাষায় অর্থ হল বন্ধু। মোট ১৫২ জনের উদ্ধার কর্মীর দল কাজ করছে তুরস্কে। এই এনডিআরএফ কর্মীরা ৩টি দলে বিভক্ত হয়ে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। ভারত থেকে ইতিমধ্যে ৬টি বিমান উড়ে গিয়েছে তুরস্কে। চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্রশিক্ষিত কুকর এসবও পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহও এনডিআরএফের উদ্ধার কাজকে কুর্নিশ জানিয়ে নিয়ে ট্যুইট করেছেন।

  •  BJP: চলতি বছরের বদলে গত বছরের বাজেট পেশ অশোক গেহলটের, তুমুল হট্টগোল রাজস্থান বিধানসভায়  

     BJP: চলতি বছরের বদলে গত বছরের বাজেট পেশ অশোক গেহলটের, তুমুল হট্টগোল রাজস্থান বিধানসভায়  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরনো বাজেটকেই নতুন বছরের বাজেট ভেবে পড়তে থাকেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। আর তাতেই হুলুস্থুলু কাণ্ড বেধে যায় রাজস্থান বিধানসভায়। প্রতিবাদ করতে থাকেন বিজেপি (BJP)  বিধায়করা। ৮ মিনিট ধরে ভুল বাজেট পড়তে থাকেন তিনি। গেহলটের এই কাণ্ডে মুখ পুড়েছে কংগ্রেসের।  শুক্রবার ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করার কথা ছিল, সেইমতো বক্তব্য শুরু করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। আর তাতেই বিপত্তি।  ভুল বাজেট পেশ করা হচ্ছে, বুঝতে পেরে বাজেট বক্তৃতা বন্ধ করার জন্য গেহলটকে থামিয়ে দেন সরকারি দলের চিফ হইপ। 

    প্রতিবাদে বিক্ষোভ বিজেপির (BJP) ….

    এদিকে, ভুল বাজেট পড়া হচ্ছে বুঝতে পেরেই বিধানসভার মধ্যে হট্টগোল বাধিয়ে দেন বিজেপি (BJP)  বিধায়করা। তাঁরা বলতে থাকেন, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া কারও অধিকার নেই বাজেটের কপি বিধানসভায়। বিজেপি (BJP)  বিধায়কদের আরও প্রশ্ন, তবে বাজেটের কপি লিক হয়েছে! ততক্ষণে অবশ্য সরকারি আধিকারিকরা ছোটাছুটি শুরু করে দিয়েছেন চলতি বছরের বাজেটের কপি নিয়ে আসার জন্য। 

    বাজেট লিকের অভিযোগে বিজেপির (BJP)  প্রতিবাদ চলতেই থাকে। স্পিকার সিপি যোশী বিধানসভায় অধিবেশন ৩০ মিনিটের জন্য মুলতুবি ঘোষণা করেন। তারপরেও বিজেপির (BJP)  বিক্ষোভ চলতে থাকে, পুনরায় অধিবেশন শুরু হলে, ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি (BJP)  বিধায়করা। 

    কী বললেন অশোক গেহলট

    এদিকে, বাজেট লিক নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। তাঁর মতে, বাজেটে লেখা এবং সদস্যদের দেওয়া বাজেটের কপির মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরতেই পারেন বিরোধীরা। কিন্তু সরকারের বাজেট কপিতে কয়েকটি পাতা অতিরিক্ত থাকলে, তা বাজেট লিক বলা যায় না।

    কী বললেন বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া

     রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া এই ঘটনায় কটাক্ষ করে বলেন, বাজেটপত্র না দেখে কিভাবে একজন মুখ্যমন্ত্রী পুরনো বাজেট পড়তে পারেন?  মুখ্যমন্ত্রী কিভাবে রাজ্য চালাচ্ছেন! এই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তাঁর মতে, এমন ঘটনা রাজ্যে প্রথম ঘটল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Rhino: গন্ডার শিকারের বিরুদ্ধে অসম সরকারের পদক্ষেপ প্রশংসনীয়: হলিউড অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও

    Rhino: গন্ডার শিকারের বিরুদ্ধে অসম সরকারের পদক্ষেপ প্রশংসনীয়: হলিউড অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একশৃঙ্গ বিশিষ্ট গন্ডার (Rhino) শিকারের বিরুদ্ধে অসম সরকারের পদক্ষেপকে ভূয়সী প্রশংসা করলেন হলিউড অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। প্রসঙ্গত, রয়টার্সের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ১৯৭৭ সালের পর এই প্রথমবার যেখানে গত বছর কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যানে কোনও গন্ডার (Rhino)  শিকার করা হয়নি।

    কী বললেন হলিউড অভিনেতা

    নিজের ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখছেন, ২০০০ সাল থেকে ২০২১ সাল অবধি ১৯০টি শিকারের ঘটনা সামনে এসেছিল। প্রথমবার ২০২২ সালে কোনও গন্ডার (Rhino)  শিকার হয়নি। ১৯৭৭ সালের পর এই প্রথম যখন কোনও গন্ডার শিকারের ঘটনা সামনে আসেনি, এরজন্য অভিনন্দন জানাই অসম সরকারকে। তাঁর আরও সংযোজন, কাজিরাঙ্গা ন্যাশনাল পার্কে ২,২০০ টি এক শৃঙ্গবিশিষ্ট গন্ডার (Rhino)  রয়েছে, যা বিশ্বে এই শ্রেণির মোট গন্ডা (Rhino) র সংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ। প্রসঙ্গত, WWF  তাদের একটি রিপোর্টে বলছে, বিশ্বে এই শ্রেণির বিরল গন্ডারের সংখ্যা প্রায় ৩,৭০০, অন্যদিকে, রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৩ এবং ২০১৪ সাল নাগাদ অসমে প্রতি বছর ২৭টি গন্ডার শিকার করা হয়েছিল।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Leonardo DiCaprio (@leonardodicaprio)

    গন্ডার (Rhino)  শিকারের বিরুদ্ধে অসম সরকারের পদক্ষেপ

    অসমের কাজিরাঙ্গা ন্যাশনাল পার্কে একশৃঙ্গ বিশিষ্ট গন্ডার (Rhino)  শিকারের ঘটনা ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল, যা নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন ছিলেন বনদফতরের আধিকারিকরা। গন্ডারের (Rhino)  এই শিং চোরাকারবারীরা চালান করত, অনেকে নিজের বাড়িতে সাজিয়ে রাখতে কিনত এই শিং। পরে অসম সরকার কাজিরাঙ্গা ন্যাশনাল পার্কের নিরাপত্তা আরও বাড়ায়। কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে থাকে চোরাকারবারীদের বরুদ্ধে।

    চোরাচালানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশে, অসম সরকার ২০২১ সালের জুলাই মাসে একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করে৷ অসম পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজ্যে ২০১৩ এবং ২০১৪ সালে সবচেয়ে বেশি শিকারের ঘটনা ঘটেছে, প্রতি বছর গড়ে ২৭টি করে শিকার হয়েছে৷ ২০১৫ সালে শিকার হয়েছিল ১৭টি এবং  ২০১৬ সালে এই সংখ্যা ১৮-তে নেমে আসে। ২০১৭ সালে ৬টি শিকারের ঘটনা ঘটেছিল। ২০১৮ সালে শিকারের ঘটনা ৭টি ঘটেছিল। ২০১৯ শিকারের ঘটনা ছিল ৩টি, ২০২০ সালে ২টি এবং ২০২১ সালে একটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share