Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Droupadi Murmu: ওড়িশা থেকে নতুন ৩টি ট্রেনের সূচনা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর, একটি আসবে বাংলায়

    Droupadi Murmu: ওড়িশা থেকে নতুন ৩টি ট্রেনের সূচনা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর, একটি আসবে বাংলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu) মঙ্গলবার ওড়িশার বাদামপাহাড় থেকে সবুজ পতাকা উত্তোলন করে তিনটি ট্রেনের যাত্রার সূচনা করলেন। এই ট্রেনগুলি বাদামপাহাড় থেকে তিনটি রুটে চলবে। ট্রেনগুলির গন্তব্যস্থল হবে শালিমার, রাউরকেল্লা এবং টাটানগর।

    ট্রেন চলবে সাপ্তাহিক (Droupadi Murmu)

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতির (Droupadi Murmu) হাতে উদ্বোধন হওয়া ট্রেনগুলির মধ্যে শালিমার থেকে বাদামপাহাড় এবং বাদামপাহাড় থেকে রাউরকেল্লা পর্যন্ত দুটি ট্রেন সাপ্তাহিক। উল্লেখ্য, কলকাতার সঙ্গে সরাসরি আদিবাসী অধ্যুষিত বাদামপাহাড় এলাকার রেল পরিষেবা এই প্রথম বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, বাদামপাহাড় থেকে টাটানগর পর্যন্ত মেমু ট্রেন চলবে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ট্রেন রবিবার বাদে সপ্তাহে মূলত ছয় দিন চলবে। ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী এলাকার মানুষকে শহর অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত করতে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। রেল যোগাযোগের মধ্যে দিয়ে এলাকার অর্থনীতি, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আদিবাসী পর্যটন কেন্দ্রগুলির উন্নয়ন ঘটবে এবং এভাবে জীবনযাত্রার মানকে আরও সমৃদ্ধ করাই লক্ষ্য বলে জানা গিয়েছে।

    অমৃত স্টেশন প্রকল্পে সাজবে বাদামপাহাড় স্টেশন

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওড়িশার বাদামপাহাড় রেল স্টেশনকে অমৃত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় বিশেষ ভাবে সাজিয়ে তোলা হবে। এদিন তিনটি নতুন ট্রেনকে সবুজ পতাকা দেখানোর পাশাপাশি এই স্টেশনকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর জন্য শিলান্যাসও করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)।

    রেলের দক্ষিণ পূর্ব শাখার বক্তব্য

    পরিষেবার বিষয়ে রেলের দক্ষিণ-পূর্ব শাখা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ট্রেনগুলি শিল্পাঞ্চল এবং খনি এলাকার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার ফলে এলাকার মানুষ যেমন কাজের সুবিধা পাবেন, ঠিক তেমনি শিল্পাঞ্চল পর্যটনের ব্যাপক সুবিধাও হবে। রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। সেই সঙ্গে এলাকার ছাত্রদের উচ্চশিক্ষা, মানুষ চিকিৎসার জন্য দ্রুত কলকাতা বা টাটানগরে খুব কম সময়ের মধ্যেই পৌঁছাতে পারবেন। এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: উদ্বোধনের মুখে রামমন্দির, পুরোহিত ও মহন্ত নির্বাচন করা হচ্ছে কীভাবে?

    Ram Mandir: উদ্বোধনের মুখে রামমন্দির, পুরোহিত ও মহন্ত নির্বাচন করা হচ্ছে কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামমন্দিরের (Ram Mandir) পুরোহিত ও মহন্ত হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন প্রায় ৩ হাজার প্রার্থী। যাঁদের মধ্যে ২০০ জনকে প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি জারি করে সোমবারই এ কথা জানিয়েছে ‘রামমন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’। প্রসঙ্গত, আগামী বছরের জানুয়ারিতেই খুলে যাচ্ছে রামমন্দিরের (Ram Mandir) দরজা। ২২ জানুয়ারি রামের বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেদিনই রামলালাকে কোলে নিয়ে গর্ভগৃহে প্রবেশ করবেন প্রধানমন্ত্রী। ২২ জানুয়ারি বেলা ১২টা ২০ মিনিটে প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে। মন্দির উদ্বোধনকে ঘিরে দেশজুড়ে রামভক্তদের মধ্যে এখন উন্মাদনা তুঙ্গে। ঠিক এই আবহে সামনে এল রামমন্দিরের পুরোহিত ও মহন্ত নির্বাচনের সমস্ত রকম প্রক্রিয়া।

    কীভাবে হবে পুরোহিত ও মহন্ত বাছাই?

    জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে বাছাই হওয়া ২০০ জন প্রার্থীর ইন্টারভিউ নেওয়া হবে অযোধ্যাস্থিত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদর দফতর ‘করসেবক পুরম’-এ। ইন্টারভিউ বোর্ডে তিনজনের প্যানেল থাকবে, এমনটাই জানিয়েছে ‘রামমন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’। তিনজনের ওই প্যানেলে থাকবেন জয়কান্ত মিশ্র, যিনি একজন হিন্দু ধর্মের প্রচারক এবং বৃন্দাবন নিবাসী। অন্য দু’জন মহন্ত থাকবেন। মিথিলেশ নন্দিনী স্মরণ এবং সত্যনারায়ণ দাস। দুজনেই অযোধ্যার নিবাসী। ইন্টারভিউ বোর্ড ২০০ প্রার্থীর মধ্যে ২০ জনকে বাছাই করবে। কিন্তু কীসের ভিত্তিতে হবে এই বাছাই? সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের ভিত্তিতে নির্মিত রামমন্দিরের (Ram Mandir) পুরোহিত ও মহন্ত হওয়ার ইন্টারভিউ যে খুব সহজ হবে না, তা মানছেন অনেকেই। এখানে পুরোহিত ও মহন্ত পদপ্রার্থীদের ধর্মশাস্ত্রের জ্ঞান, পুজোর আচার বিষয়ক ধারণা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এ সমস্ত কিছুই দেখা হবে।

    পুরোহিত ও মহন্ত পদপ্রার্থীদের কী কী প্রশ্ন করা হতে পারে? 

    ‘রামমন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’ সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘সন্ধ্যা বন্দনা’, পুজোর আচার, ভগবান রামের পুজোর পদ্ধতি, রামের পুজোর মন্ত্র, রামের উপাসনায় কোন কোন আচার মেনে চলতে হয়, এই সমস্ত প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে পুরোহিত ও মহন্ত পদপ্রার্থীদের (Ram Mandir)। যে ২০ জন প্রার্থীকে বাছা হবে, তাঁদেরকে মন্দিরের বিভিন্ন পদে নিয়োগ করা হবে। ছ’মাস তাঁদের প্রশিক্ষণও চলবে। যাঁরা ইন্টারভিউতে নির্বাচিত হতে পারবেন না, তাঁদেরকে শংসাপত্র দেবে ‘রামমন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’। ইন্টারভিউতে নির্বাচিত হতে না পারা প্রার্থীরাও প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন। প্রশিক্ষণ চলাকালীন প্রত্যেক প্রার্থী সাম্মানিক ভাতা হিসাবে পাবেন মাসিক ২ হাজার টাকা। একথা জানিয়েছেন গোবিন্দদেব গিরি, ‘রামমন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর কোষাধ্যক্ষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand Tunnel Collapse: প্রথম গরম খাবার পেলেন সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকরা, চলছে উদ্ধারকাজ

    Uttarakhand Tunnel Collapse: প্রথম গরম খাবার পেলেন সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকরা, চলছে উদ্ধারকাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই প্রথম গরম খাবার দেওয়া হল উত্তরাখণ্ডের নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের (Uttarakhand Tunnel Collapse)। এদিন ৬ ইঞ্চি প্রশস্ত একটি পাইপ ওই ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে ঢোকাতে সক্ষম হন উদ্ধারকারীরা। জানা গিয়েছে, ওই পাইপ দিয়েই বোতলে করে গরম খিচুড়ি এবং ডালিয়া পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকাজের দায়িত্বে থাকা এক শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকের মতে, ‘‘আমরা চওড়া মুখের প্লাস্টিকের বোতল নিয়ে এসেছি। ওই বোতলগুলি করে আমরা শ্রমিকদের কাছে কলা, আপেল, খিচুড়ি এবং ডালিয়া পাঠাচ্ছি।’’ অন্যদিকে, নতুন ৬ ইঞ্চি প্রশস্ত পাইপটি যেভাবে শ্রমিকদের কাছ পর্যন্ত পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে, এর ফলে খুশি দেখা গিয়েছে শ্রমিকদের মধ্যে। এমনটাই জানিয়েছেন প্রশাসনের এক শীর্ষ আধিকারিক। শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার জন্য ওয়াকিটকি আগেই পাঠানো হয়েছে। ডিআরডিও-র দুটি রোবোটিক্স মেশিনও ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয়েছে।

    আরেকটি সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ চলছে

    গত ১২ নভেম্বর থেকে উত্তরাখণ্ডের নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে আটকে পড়ে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক (Uttarakhand Tunnel Collapse)। ইতিমধ্যে ন’দিন কেটে গিয়েছে, তবু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি শ্রমিকদের। প্রশাসনের তরফে অবশ্য চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখা হয়নি। যথেষ্ট তৎপরতার সঙ্গেই চালানো হচ্ছে উদ্ধারকাজ। জানা গিয়েছে, বর্তমানে টানেলের মধ্যে একটি সুবিশাল পাইপকে ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। মাটি কেটে সেটি ভিতরে ঢুকবে বলেই জানা যাচ্ছে। পাইপটির ব্যাস খুবই বড়। এর ফলে উদ্ধারকাজ সম্ভব হতে পারে বলে আশা করছে প্রশাসন (Uttarakhand Tunnel Collapse)। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি এবং কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি। আটকে পড়া সুড়ঙ্গের পাশেই সমান্তরালভাবে আরেকটি সুরঙ্গ খোঁড়ার কাজও চলছে। এর জন্য ইন্দোর থেকে আনা হয়েছে ড্রিল মেশিন। শ্রমিকদের কাছে যথারীতি সরবরাহ করা হচ্ছে শুকনো খাবার, অক্সিজেন ফল ইত্যাদি।

    উদ্বেগে পরিজনরা

    এদিকে, দুর্ঘটনার ন’দিন পরেও সুড়ঙ্গে আটকে (Uttarakhand Tunnel Collapse) পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে না পারায় উদ্বেগে তাঁদের পরিজনরা। উদ্ধারকাজ কেমন চলছে, তা দেখতে সুড়ঙ্গের কাছে ঘাঁটি গেড়েছেন তাঁরা। তাঁদের রাত্রিবাসের জন্য তাঁবুর ব্যবস্থা করেছে উত্তরাখণ্ড সরকার। ব্যবস্থা করা হয়েছে খাবারেরও। গত রবিবার দুপুরে উত্তরকাশীতে জাতীয় সড়কের নিচে সুড়ঙ্গ খুঁড়তে গিয়ে ধস নামে। সুড়ঙ্গে আটকে পড়েন ৪১ জন শ্রমিক। তাঁদের উদ্ধার করতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছেন এনডিআরএফ, আইটিবিপি এবং স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pannun: এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে নাশকতার হুমকি, খালিস্তানি জঙ্গি পান্নুনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এনআইএ-র

    Pannun: এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে নাশকতার হুমকি, খালিস্তানি জঙ্গি পান্নুনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডায় আশ্রয় নেওয়া খালিস্তানি জঙ্গি পান্নুন (Pannun) গত সেপ্টেম্বরেই সে দেশে বসবাসকারী প্রবাসী হিন্দুদের ওপর হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। এরপরেই চণ্ডীগড় এবং অমৃতসরে পান্নুনের বাড়ি, জমি সমস্ত কিছুই বাজেয়াপ্ত করেছিল এনআইএ। বিশ্বকাপের ফাইনালের দিনও এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে ফের নাশকতা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। পান্নুনকে (Pannun) ভিডিওবার্তায় হুমকি দিতে শোনা যায়, (যদিও ওই ভিডিওর সত্যতা স্বীকার করেনি মাধ্যম) ‘‘১৯ নভেম্বরে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে চড়লে প্রাণের বিপদ আছে।’’এর পাশাপাশি ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ বন্ধ করে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন পান্নুন। ঠিক এই কারণে নিষিদ্ধ খালিস্তানি জঙ্গি সংগঠন ‘শিখ ফর জাস্টিস’-এর নেতা পান্নুনের বিরুদ্ধে এবার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করল এনআইএ।

    ভারত-বিদ্বেষী পান্নুন

    বিশ্বকাপের ফাইনাল চলাকালীন মাঠে ঢুকে যায় এক প্যালেস্তিনীয় সমর্থক। তাঁর টি-শার্টে লেখা ছিল প্যালেস্তাইনকে স্বাধীন করার কথা। ওই সমর্থককে নগদ ৮ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন পান্নুন। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্জাবে পান্নুনের (Pannun) বিরুদ্ধে বাইশটি অপরাধের মামলা বর্তমানে রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে তিনটি দেশদ্রোহিতার মামলা। আমেরিকা, কানাডা, ব্রিটেনসহ একাধিক দেশে বর্তমানে ‘শিখ ফর জাস্টিস’ সংগঠনকে নিয়ন্ত্রণ করেন পান্নুন (Pannun)। এই সংগঠন আলাদা শিখ রাষ্ট্র গড়ে তোলার দাবিও তুলেছে। পান্নুন মনে করেন, ভারত অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে শিখদের ভূমি। এর আগে তিনি জানিয়েছেন, প্যালেস্তাইন-ইজরায়েল যুদ্ধের মতো এবার যুদ্ধ শুরু হবে ভারতেও।

    ভারত বিরোধীদের নিরাপদ আশ্রয় কানাডা

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১০ জুলাই ‘শিখ ফর জাস্টিস’কে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০২০ সালে ‘শিখ ফর জাস্টিস’-এর নেতা পান্নুনকে জঙ্গি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। তবু তার পরে কানাডায় বহাল তবিয়তে রয়েছেন পান্নুন (Pannun) এবং সে দেশের প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সরকারের প্রশ্রয়েই ভারত-বিদ্বেষী, ভারত-বিরোধী এবং জাতিবিদ্বেষমূলক কাজ তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রসঙ্গত, ভারত বিরোধী জঙ্গিদের কানাডা আশ্রয় দিচ্ছে, ঠিক এই অভিযোগেই গত সেপ্টেম্বরে চরম কূটনৈতিক বিবাদ শুরু হয়েছিল দুই দেশের মধ্যে। ফের একবার কানাডায় আশ্রয় নেওয়া জঙ্গি পান্নুনের হুমকি-ভিডিও সামনে আসাতে প্রমাণ হল, ভারতের অভিযোগ মিথ্যা নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রামমন্দিরের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে কর্মসূচি শুরু হল সঙ্ঘ পরিবারের

    Ram Mandir: রামমন্দিরের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে কর্মসূচি শুরু হল সঙ্ঘ পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রামমূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনক্ষণ স্থির হয়েছে আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি। রামলালার মূর্তিতে ওই প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেদিন রামলালাকে কোলে নিয়ে ৫০০ মিটার পথ অতিক্রম করে গর্ভগৃহে প্রবেশ করবেন মোদি। জানা গিয়েছে, ওই দিন দুপুর ১২টা ২০ মিনিট নাগাদ এই শুভ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। সূত্রের খবর, রবিবারই রামমন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন নিয়ে বসেছিল সঙ্ঘ পরিবারের একটি বিশেষ বৈঠক।

    বিশেষ বৈঠকে কী স্থির হল?

    সঙ্ঘ পরিবারের ওই বৈঠকে স্থির করা হয়েছে, রামমন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে চারটি পর্যায়ে চলবে কর্মসূচি। যার প্রথম পর্যায় শুরু হয়েছে গতকাল রবিবার থেকে এবং চলবে আগামী ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে বেশ কিছু কর্মসূচির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, প্রতিটা ব্লক এবং জেলাস্তরে রামমন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ১০ জনের একটি টিম তৈরি করা হবে। এই টিমে রামমন্দির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করসেবকরাও থাকবেন। জানা গিয়েছে, দেশের আড়াইশোটিরও বেশি স্থানে এই টিমের বৈঠক সম্পন্ন হবে। এই টিম জনগণকে আবেদন জানাবে রামমন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের মুহূর্তের সাক্ষী থাকার জন্য।

    বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ করবে আরএসএস

    দ্বিতীয় পর্যায়ের কর্মসূচি শুরু হবে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এবং সেখানে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগ করা হবে। জানা গিয়েছে, এই সময় ভগবান রামের ছবি এবং নির্মিত রামমন্দিরের (Ram Mandir) ছবি হাতে অন্তত ৫ লাখ গ্রাম এবং ১০ কোটি পরিবারের সঙ্গে জনসংযোগ করবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। রামমন্দিরের নির্মাণকে ঘিরে তৃতীয় পর্যায়ের কর্মসূচি শুরু হবে আগামী ২২ জানুয়ারি এবং সেই দিনে সারা দেশব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎসবের আয়োজন করবে সঙ্ঘ। রামমন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন হয়ে যাওয়ার পরে শেষ বা চতুর্থ পর্যায়ের কর্মসূচি শুরু হবে ২৬ জানুয়ারি থেকে। চলবে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে রামলালার মূর্তিকে দর্শন করানোর কাজ করবেন স্বয়ংসেবকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Collapse: ৮ দিন উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটক ৪১ শ্রমিক, আর কতদিন পর উদ্ধার?

    Uttarkashi Tunnel Collapse: ৮ দিন উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটক ৪১ শ্রমিক, আর কতদিন পর উদ্ধার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭০ ঘণ্টার ওপর উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel Collapse) এখনও আটকে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক। এত জন শ্রমিককে সুস্থ, স্বাভাবিক অবস্থায় পাওয়া যাবে কিনা, সে নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। সুড়ঙ্গের ভিতরে ক্রমশই ধৈর্য হারাচ্ছেন আটক শ্রমিকরা। এমতাবস্থায় প্রশাসনের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এখনও চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগবে। শুক্রবার বিকট শব্দ শুনতে পাওয়া যায় সুড়ঙ্গ থেকে। এর পরেই স্থগিত রাখা হয় যাবতীয় উদ্ধারকাজ। জানা গিয়েছে, ধসের কারণেই ওই শব্দ শোনা গিয়েছিল। তার পরেই পাঁচ পরিকল্পনা মেনে উদ্ধারকাজ চালানোর বিষয়ে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষকর্তারা। অর্থাৎ একটি পরিকল্পনার ওপর আর ভরসা রাখছে না উদ্ধারকারী দল।

    শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত শ্রমিকরা (Uttarkashi Tunnel Collapse) 

    আটক হওয়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে প্রথম দিন থেকেই পাইপের মাধ্যমে তাঁদের সরবরাহ করা হচ্ছে ভিটামিন, শুকনো ফল এবং অবসাদ রোখার ওষুধ। অক্সিজেন সাপ্লাইও করা হচ্ছে। গত ১২ নভেম্বর থেকে আটকে রয়েছেন এই শ্রমিকরা। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও আশার আলো দেখাতে পারেনি প্রশাসন। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এতদিন সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel Collapse) ভিতরে থাকার ফলে শ্রমিকরা নিশ্চিতভাবেই মানসিক এবং শারীরিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। ১৯ নভেম্বর রবিবার উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা যে সুড়ঙ্গে শ্রমিকরা আটকে পড়েছেন তার পাশাপাশি সমান্তরালভাবে আরেকটি সুড়ঙ্গ খোঁড়ার চেষ্টা করছেন। এই সুড়ঙ্গ খুঁড়তে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর থেকে আনা হয়েছে ড্রিল করার মেশিন।

    কী বলছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রাক্তন উপদেষ্টা? (Uttarkashi Tunnel Collapse) 

    প্রধানমন্ত্রীর দফতরের একটি দলও হাজির রয়েছে সেখানে। প্রধানমন্ত্রীর প্রাক্তন উপদেষ্টা ভাস্কর খুলবের মতে, ‘‘বিশেষজ্ঞেরা মনে করছেন, একটি পরিকল্পনার উপর ভিত্তি করে উদ্ধারকাজ (Uttarkashi Tunnel Collapse) না চালিয়ে একই সঙ্গে পাঁচটি পরিকল্পনা মেনে যত দ্রুত সম্ভব আটক শ্রমিকদের কাছে পৌঁছনো উচিত।’’ তিনি জানিয়েছেন, আরও চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগতে পারে। তবে ঈশ্বর দয়া করলে আগেও উদ্ধারকাজ হয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে, রবিবার ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গাদকারী এবং উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘যা কিছু সম্ভব সবটাই করা হচ্ছে। সমস্ত রকমের বিশেষজ্ঞ দল এখানে উপস্থিত রয়েছে।’’ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: তামিলনাড়ুতে ডিএমকে সরকারের বিরোধিতা সত্ত্বেও ব্যাপক সফল সঙ্ঘের র‌্যালি

    RSS: তামিলনাড়ুতে ডিএমকে সরকারের বিরোধিতা সত্ত্বেও ব্যাপক সফল সঙ্ঘের র‌্যালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯৯তম প্রতিষ্ঠা বর্ষ চলছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS)। ঠিক এই সময়ে সন্ত রামালিঙ্গ স্বামীগালের ২০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্বামী বিবেকানন্দ এবং বি আর আম্বেদকরের ভাবাদর্শকে প্রচার করতে গত ১৯ নভেম্বর তামিলনাড়ুতে সম্পন্ন হল সঙ্ঘের রুটমার্চ। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের তামিলনাড়ু শাখার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোট ৫৫টি স্থানে এই রুট মার্চ সম্পন্ন হয়।

    আইনি লড়াইয়ে সম্পন্ন হল সঙ্ঘের রুচ মার্চ (RSS) 

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) রুটমার্চে অনুমতি প্রদান করেনি তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার। মামলার জল গড়ায় মাদ্রাজ হাইকোর্ট পর্যন্ত। উচ্চ আদালতের নির্দেশ ছিল যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের রুটমার্চ অক্টোবর মাসের ২২ এবং ২৯ তারিখ সম্পন্ন করতে হবে। তবে ডিএমকে সরকার উচ্চ আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হাজির হয়। সুপ্রিম নির্দেশে সঙ্ঘের রুটমার্চের দিনক্ষণ স্থির হয় ১৯ নভেম্বর। এই দিন সারা রাজ্যজুড়ে সঙ্ঘের শান্তিপূর্ণ এই রুটমার্চ যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

    জেলায় জেলায় রুট মার্চ (RSS) 

    চেন্নাইতে হাজারেরও বেশি সংখ্যায় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) ইউনিফর্মে রাস্তায় নামেন এবং রুটমার্চে অংশগ্রহণ করেন। চেন্নাই মহানগরে প্রায় তিন কিলোমিটার অতিক্রম করে এই রুটমার্চ। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দু’পাশে মানুষ জড়ো হয়েছিলেন সঙ্ঘের র‌্যালি দেখতে। এর পাশাপাশি মহিলারা দাঁড়িয়ে ছিলেন সেই রুট মার্চকে স্বাগত জানাতে এবং তাঁরা স্বয়ংসেবকদের উপর পুষ্প বৃষ্টি করেন। বাজনার ধ্বনিতে, গেরুয়া পতাকা সহযোগে চলতে থাকে রুট মার্চ। চেন্নাইতে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এল মুরুগান প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন এই পথ সঞ্চালনে। রুটমার্চ সম্পন্ন হয় চেন্নাই-এর বিবেকানন্দ স্কুলে। কারাকুডি জেলায় সঙ্ঘের র‌্যালি শুরু হয় মগর ননবাই থিডাল নামক স্থানে এবং সম্পন্ন হয় থিভার স্ট্যাচুতে। এই জেলায় ৪০০-এর বেশি স্বয়ংসেবককে রুট মার্চে হাঁটতে দেখা যায়। সামনে গৈরিক ধজ নিয়ে হাঁটছিলেন আইনজীবী অরুণ স্বামীনাথন। ত্রিপুর জেলায় র‌্যালি শুরু হয় আলাঙ্গাডু নটরাজ থিয়েটার থেকে এবং তা সম্পন্ন হয় চিল্লার নগরে। নীলগিরি জেলাতে র‌্যালি শুরু হয় পান্ডালুর এরুমাডু অঞ্চল থেকে। নেতৃত্বে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইশাক। থাঞ্জাভুর জেলাতেও র‌্যালিতে ব্যাপক উন্মাদনা চোখে পড়ে। অন্যদিকে সালাম জেলা থেকেও র‌্যালিতে পাঁচশোর বেশি কার্যকর্তা অংশগ্রহণ করেন। সালাম জেলারই ভাজাপাদি অঞ্চলে সঙ্ঘের তরুণদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ স্থানে সম্পন্ন হওয়া এই র‌্যালি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasthan News: রাজস্থানের কংগ্রেস সরকার অতিরিক্ত কর চাপিয়েছে পেট্রোলে, অভিযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    Rajasthan News: রাজস্থানের কংগ্রেস সরকার অতিরিক্ত কর চাপিয়েছে পেট্রোলে, অভিযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী শনিবারই রাজস্থান (Rajasthan News) সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তাঁর মতে, ‘‘রাজস্থানে পেট্রোলের দাম আকাশ ছুঁয়েছে তার কারণ কংগ্রেস সরকারের অতিরিক্ত ট্যাক্স চাপানোর ফলেই।’’ এদিন নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তথ্য ও পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন মন্ত্রী। মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে গত দু বছরে রাজস্থানের কংগ্রেস সরকার ৩৫ হাজার ৯৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে শুধুমাত্র পেট্রোল এবং ডিজেলের উপর কর চাপিয়ে। ২০২১-২২ সালের নভেম্বর থেকে ২০২২-২৩ এর নভেম্বর পর্যন্ত এই হিসাব।  শনিবারই বিজেপির মিডিয়া সেল আয়োজিত একটি সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নিশানায় অশোক গেহলট 

    হরদীপ সিং পুরী এদিন পরিসংখ্যান তুলে ধরে আরও বলেন, ‘‘যদি আপনারা ১৮ টি রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল গুলির সঙ্গে তুলনা করে দেখেন তাহলে দেখা যাবে রাজস্থানের (Rajasthan News) কংগ্রেস সরকার অতিমাত্রায় ট্যাক্স নিচ্ছে।’’ মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উত্তরাখণ্ড, দিল্লি, নাগাল্যান্ড লাক্ষাদ্বীপ, মনিপুর, লাদাখ, দমন-দিউ, জম্মু-কাশ্মীরে ট্যাক্সের মোট পরিমাণ ৩২ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকা। সেখানে এই সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলগুলিকে ছাড়িয়ে গিয়েছে রাজস্থান। মন্ত্রী এদিন আরও জানিয়েছেন সারাদেশে পেট্রোলের গড় দাম হল ৯৬ টাকা ৭২ পয়সা প্রতি লিটারে। কিন্তু রাজস্থানের গঙ্গানগরে এই পেট্রোল মিলছে ১১৩ টাকা ৩৪ পয়সা প্রতি লিটারে। পেট্রোলের এমন অতিমাত্রায় মূল্যবৃদ্ধিতে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকে নিশানাও করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    ভোটের আগে দুর্নীতি ইস্যুতে ব্যাকফুটে কংগ্রেস

    প্রসঙ্গত আগামী ২৫ নভেম্বর রাজস্থানের নির্বাচনের দিনক্ষণ স্থির করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। বিধানসভায় মোট আসন রয়েছে ২০০ টি নির্বাচনের ফল ঘোষণা হবে ৩ ডিসেম্বর। দুর্নীতি ইস্যুতে বেশ কোনঠাসা রয়েছে শাসক দল কংগ্রেস। ইতিমধ্যে সে রাজ্যে পিএসসি পরীক্ষার দুর্নীতি প্রকাশ্যে এসেছে। ইডির আতস কাচের তলায় রয়েছেন রাজস্থানের (Rajasthan News) কংগ্রেস সভাপতিও। আবার বিদেশী মুদ্রা আইন লঙ্ঘনের মামলায় ইডির নজরে রয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের পুত্রও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Telangana News: ‘‘দুর্নীতির ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে তেলেঙ্গানা’’, ভোটের প্রচারে বললেন অমিত শাহ

    Telangana News: ‘‘দুর্নীতির ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে তেলেঙ্গানা’’, ভোটের প্রচারে বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩০ নভেম্বর ভোট রয়েছে দক্ষিণী রাজ্য তেলেঙ্গানাতে (Telangana News)। ইতিমধ্যে বিজেপি সেখানে প্রচারে ঝড় তুলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও সেখানে জনসভা করেছেন। গেরুয়া শিবিরের প্রকাশিত নির্বাচনী ইস্তাহারে দাবি করা হয়েছে যে ক্ষমতায় এলে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হবে যা বর্তমান ক্ষমতাসীন ভারত রাষ্ট্র সমিতির সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত করবে। শনিবারই নির্বাচনী প্রচারে তেলেঙ্গানাতে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও এদিন দুর্নীতি ইস্যুতে তোপ দাগেন ক্ষমতাসীন ভারত রাষ্ট্র সমিতির বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, ‘‘দুর্নীতির ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে তেলেঙ্গানা (Telangana News) এবং সরকারের নীতিহীনতার কারণে বেড়েই চলেছে ঋণের পরিমাণ।’’

    ভারত রাষ্ট্র সমিতির নতুন নামকরণ অমিত শাহের 

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এদিন আরও বলেন, ‘‘আপনাদের একটি ভোট নির্ণয় করবে তেলেঙ্গানার আগামীর দিনের ভবিষ্যৎকে।’’ তেলেঙ্গানার বর্তমান সরকার যে তিন লাখ কোটি টাকার উপর ঋণ করে ফেলেছে সে বিষয়েও ভাষণে উল্লেখ করেন অমিত শাহ। ভারত রাষ্ট্র সমিতির নতুন নামকরণও করেন এদিনের জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিআরএস-এর পূর্ণ নাম তিনি বলেন, ‘ভ্রষ্টাচারী রিসবতখোরি সমিতি’ অর্থাৎ কিনা দুর্নীতিগ্রস্ত ঘুষ নেওয়া সমিতি। নির্বাচনী ইশতেহারে বিজেপি সেখানে দাবি করেছে ক্ষমতায় এলে একটি কমিটি গঠন করা হবে যা ইউনিফর্ম সিভিল কোড-এর খসড়া তৈরি করবে। অন্যদিকে যা কিছু অসাংবিধানিক সংরক্ষণ প্রথা চালু রয়েছে সেগুলিকেও তুলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ওবিসি সম্প্রদায়, তপশিলি সম্প্রদায় এবং তপশিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের সংরক্ষণ আরও বাড়ানো হবে বলে জানানো হয়েছে ওই নির্বাচনী ইশতেহারে।

    ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ চালু রয়েছে তেলেঙ্গানাতে

    এদিনের জনসভায় সংরক্ষণ ইস্যুতেও বর্তমান ক্ষমতাসীন ভারত রাষ্ট্র সমিতিকে তোপ থাকেন অমিত শাহ তিনি বলেন, ‘‘ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের নিয়ম সম্পূর্ণভাবে তুলে দেওয়া হবে।’’ প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালেই অন্ধ্রপ্রদেশ ভেঙে তৈরি হয় তেলেঙ্গানা (Telangana News) রাজ্য। বর্তমানে সে রাজ্যে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ১২.৭ শতাংশ। তবে সে রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলিমদের শিক্ষা এবং সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ৪ শতাংশ সংরক্ষণ দিয়েছে সেখানকার সরকার। এনিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘‘কংগ্রেস এবং বিআরএস, দুই দলই পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠীর মানুষের জন্য কোনও ভাবনাচিন্তা করে না। একমাত্র বিজেপি-ই তাঁদের উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করবে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Halal-Certified Products: যোগী রাজ্যে নিষিদ্ধ হল হালাল সার্টিফিকেটযুক্ত পণ্য

    Halal-Certified Products: যোগী রাজ্যে নিষিদ্ধ হল হালাল সার্টিফিকেটযুক্ত পণ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হালাল সার্টিফায়েড (Halal-Certified Products) পণ্যের বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার। শনিবার সন্ধ্যায় যোগী সরকারের তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেখানেই সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় যে হালাল সার্টিফিকেটযুক্ত যে কোনও রকমের পণ্যের উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিতরণ এবং বিক্রি নিষিদ্ধ করা হল। প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশে এই অভিযোগ বারবার উঠেছে যে জাল নথি দেখিয়ে হালাল সার্টিফিকেটযুক্ত পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে।

    জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ফান্ডিং করা হত?

    এই অভিযোগের ভিত্তিতে যোগী রাজ্যের পুলিশ একাধিক সংস্থা এবং ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের করে। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে যে হালাল সার্টিফায়েড (Halal-Certified Products) পণ্য বিক্রির মাধ্যমে টাকা সন্ত্রাসবাদীদের ফান্ডিং-এর কাজে ব্যবহার করা হত। দেশবিরোধী কার্যকলাপগুলির সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে পড়ছিলেন হালাল সার্টিফিকেটযুক্ত পণ্য বিক্রেতারা। জঙ্গিদের ফান্ডিং ও বেআইনি ব্যবসা বন্ধ করতেই এই পদক্ষেপ যোগী সরকার নিল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। উত্তরপ্রদেশের থানাগুলিতে একাধিক ব্যবসায়ীর নামে এফআইআর দায়ের করা হয় এই মর্মে।

    সাহসী সিদ্ধান্ত যোগী সরকারের 

    নিত্যপ্রয়োজনীয় যে কোনও ধরনের জিনিস তা সে দুগ্ধজাত সামগ্রী হোক অথবা মাংস কিংবা গায়ে মাখার সাবান, এই সবকিছুই হালাল সার্টিফিকেট (Halal-Certified Products) দিয়ে বিক্রি করা হতো। যোগী রাজ্যের পুলিশ জানিয়েছে, টুথপেস্ট, প্রসাধনিক সামগ্রী, তেল এগুলো এই তালিকার বাইরে ছিল না এবং এর সবটাই করা হচ্ছিল জাল নথি দেখিয়ে। হালাল বিষয়টি ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই স্পর্শকাতর এই বিষয়টির উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে যোগী আদিত্যনাথ সরকার যথেষ্ট সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের বিজেপি যুব সংগঠন ভারতীয় যুব মোর্চার এক নেতা এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু কোম্পানি হালাল সার্টিফিকেটযুক্ত পণ্য বিক্রি করছে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের মধ্যে বিক্রি বাড়ানোর জন্য।

    হালাল আসলে কি?

    হালাল একটি আরবি শব্দ। এর অর্থ জানতে হলে আমাদের বুঝতে হবে হারাম কী? ইসলামে বহুল প্রচলিত শব্দ হল হারাম। যে কোনও নিষিদ্ধ বস্তুকে বোঝাতে হারাম শব্দ ব্যবহার করা হয় ইসলামে। এটিও একটি আরবি শব্দ। হারাম শব্দের বিপরীত শব্দ হল হালাল। অর্থাৎ যা কিনা গ্রহণ করা যায় ইসলাম সম্মতভাবে। মূলত যে পশুর মাংস খাওয়া হয় ইসলামের রীতি অনুযায়ী সেটিকেই হালাল বলা যায়। আড়াই পোচে জবাই করা পশুর মাংস হল হালাল। অন্যদিকে যে পশুকে এক কোপে জবাই করা হয় তা হারাম হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, হালাল বিধি অনুযায়ী কোনও ধারালো ছুরি দিয়ে পশুর গলার শিরা বা শ্বাসনালীকে কেটে দেওয়া হয়। তবে কোনওভাবেই যেন মেরুদণ্ডের হার না কাটে। জবাই করার সময় পশুর মুখ থাকতে হবে মক্কার দিকে। এই বিধি না মেনে যদি কোনও পশুকে জবাই করা হয়, তাহলে সেটি হারাম হয়ে যাবে। ইসলামের নিয়ম অনুযায়ী সেই মাংস মুসলমানদের জন্য নিষিদ্ধ। পরবর্তীকালে হালাল শব্দটি ইসলামের ব্যবহারযোগ্য যে কোনও বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হতে থাকে। হালাল সার্টিফায়েডযুক্ত (Halal-Certified Products) মানে তা ইসলামের নিয়ম রীতি মেনে তৈরি করা হয়েছে। খুব সরল কথায় বলতে গেলে ইসলামের আইন মেনে তৈরি করা হয়েছে যে কোনও জিনিসই হল হালাল। নিরামিষ খাবার, প্রসাধনিক ইত্যাদিও এখন হালাল সার্টিফিকেটযুক্ত হয়। ইসলামিক রীতি অনুযায়ী তা তৈরি হয়েছে কিনা, সেটা দেখার দায়িত্ব রয়েছে জমিয়ত-উলেমা-ই-মহারাষ্ট্র, জমিয়ত-উলেমায়ে-হিন্দ-হালাল ট্রাস্ট এই সমস্ত সংস্থাগুলির ওপর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share