Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Landmark Judgement: স্বামীর আধার তথ্যের নাগাল পেতে পারেন না স্ত্রী, পর্যবেক্ষণ কর্নাটক হাইকোর্টের

    Landmark Judgement: স্বামীর আধার তথ্যের নাগাল পেতে পারেন না স্ত্রী, পর্যবেক্ষণ কর্নাটক হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রীর আধার কার্ডের তথ্যের নাগাল পেতে পারেন না সাত পাকে বাঁধা পড়া স্ত্রীও। তাৎপর্যপূর্ণ এই রায় দিল কর্নাটক হাইকোর্ট (Landmark Judgement)। সে রাজ্যের একটি মামলায় বিবাহ-বিচ্ছিন্ন স্বামীর আধারের নম্বর এবং ফোন নম্বর সমেত অন্যান্য ডিটেইলস চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রাক্তন স্ত্রী। তথ্য জানার অধিকার আইনে (২০০৫) স্বামীর আধার নম্বর চান তিনি। কারণ হিসেবে স্ত্রী জানান যে আধার তথ্য ছাড়া নিম্ন কোর্টে তাঁর (স্বামীর) বিরুদ্ধে ভরণপোষণের মামলা (Landmark Judgement) লড়তে অসুবিধা হচ্ছে।

    ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখার অধিকার, ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী মৌলিক অধিকার

    প্রাক্তন স্ত্রীর করা এই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে কর্নাটক হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত ভারতীয় সংবিধানের ২১ নম্বর ধারায় উল্লেখ রয়েছে ‘রাইট টু প্রাইভেসি’-এর। ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা, ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। আবার তথ্য জানার অধিকার আইনেও (২০০৫) ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া যায় না। আরটিআই অ্যাক্ট-এর ৮ নম্বর ধারায় তা উল্লেখ রয়েছে। কর্নাটকের উচ্চ আদালতের (Landmark Judgement) স্পষ্ট বক্তব্য যে বৈবাহিক অধিকারের ভিত্তিতেই কোনও স্ত্রী তাঁর স্বামীর আধার তথ্য পেতে পারেন না।

    ফ্যামিলি কোর্টে চলছে ডিভোর্সের মামলা

    জানা গিয়েছে, ওই দম্পতির বিয়ে হয়েছিল ২০০৫ সালে। বিবাহ বিচ্ছিন্ন দম্পতির একটি মেয়েও রয়েছে। সংসারে বনিবনা না হওয়াতেই স্ত্রী বিচ্ছেদের মামলা করেন। ফ্যামিলি কোর্টে বর্তমানে মামলা চলছে। বিবাহ বিচ্ছেদের পর স্ত্রী ভরণপোষণের জন্য দশ হাজার টাকা দাবি করেন এবং কন্যাসন্তানের জন্য আরও পাঁচ হাজার টাকা। মোট পনেরো হাজার টাকা ভরণপোষণ বাবদ চাওয়া হয়। কিন্তু স্বামী কী করছেন বর্তমানে? কোথায় রয়েছেন? এসব কিছু জানতে না পারার জন্য ফ্যামিলি কোর্টের (Landmark Judgement) নাকি নির্দেশ দিতে অসুবিধা হচ্ছে! এরপরেই স্বামীর আধার নম্বর পেতে ‘আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া’র দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। তবে সেই আবেদন খারিজ করে ইউআইডিএআই। এরপরই মামলা গড়ায় হাইকোর্টে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel: উদ্ধারকাজ সফল হতেই শ্রমিকদের কুর্নিশ জানিয়ে ট্যুইট রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    Uttarkashi Tunnel: উদ্ধারকাজ সফল হতেই শ্রমিকদের কুর্নিশ জানিয়ে ট্যুইট রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ১৭ দিনের পর যুদ্ধ জয়। শ্রমিকরা বেরিয়ে আসতেই আবেগে ভেসেছে গোটা দেশ। উদ্ধার হওয়া শ্রমিকদের সঙ্গে টেলিফোনে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি উদ্ধারকাজ (Uttarkashi Tunnel) সফল হতেই এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক ট্যুইটার) ৪১ জন শ্রমিককে শুভেচ্ছা জানাতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মুকে। নিজের ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া শ্রমিকদের সাহস প্রত্যেকের কাছে অনুপ্রেরণা। অন্যদিকে, শ্রমিকদের সাহস ও ধৈর্যকে কুর্নিশ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক ট্যুইটার) প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘অবশেষে সুড়ঙ্গ (Uttarkashi Tunnel) থেকে বেরোতে পেরেছেন সকলে। প্রত্যেকের সুস্থতা কামনা করি। এতদিন পর তাঁরা সবাই পরিবারের কাছে ফিরতে পারবেন। এই পরিবারগুলিও যে সাহস এবং ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন, তা প্রশংসনীয়। আর যাঁরা তাঁদের উদ্ধার করলেন, তাঁদের এই সাহসকে কুর্নিশ (Uttarkashi Tunnel)। আপনাদের সাহসিকতার জন্যই সব শ্রমিকরা শীঘ্রই বাড়ি ফিরবেন। আজকের এই দিন মানবতা আর পরিশ্রমের মেলবন্ধনের সাক্ষী হল।’’

    রাষ্ট্রপতির ট্যুইট

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক ট্যুইটার) রাষ্ট্রপতি লেখেন, ‘‘গত ১৭ দিন ধরে উদ্ধারকারী দলকে নানা ঝুঁকি, নানা প্রতিকূলতার (Uttarkashi Tunnel) মধ্যে দিয়ে এগোতে হয়েছে। কিন্তু এঁরা কেউ হাল ছাড়েননি। শ্রমিকদের উদ্ধার করার জন্য শেষ অবধি লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন সবাই। আজ আমি দারুণ খুশি। সকলকে অভিনন্দন। এই জয় আমায় আবেগপ্রবণ করে তুলেছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Electric Vehicles: ইলেকট্রিক যানবাহন ব্যবহারে জোর! যোগী রাজ্যে বসছে ২ হাজার ‘পাবলিক চার্জিং স্টেশন’

    Electric Vehicles: ইলেকট্রিক যানবাহন ব্যবহারে জোর! যোগী রাজ্যে বসছে ২ হাজার ‘পাবলিক চার্জিং স্টেশন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবেশবান্ধব পর্যটন শিল্পকে জনপ্রিয় করতে এবং পর্যটকদের সুবিধার জন্য যোগী সরকার ২ হাজার ‘পাবলিক চার্জিং স্টেশন’ বসাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এই স্টেশনগুলির মাধ্যমে যে কোনও ধরনের ইলেকট্রিক যানবাহন (Electric Vehicles) চার্জ দেওয়া যাবে। আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের। সেই রামনগরীতেও বসছে চার্জিং স্টেশন। এর পাশাপাশি তাজমহল এবং ব্যস্ততম সড়কগুলির পাশেও একাধিক জায়গায় বসছে ইলেকট্রিক চার্জিং স্টেশন (Electric Vehicles)। যেভাবে পেট্রোল পাম্পগুলিকে দেখা যেত, সেভাবেই এখন ইলেকট্রিক চার্জিং স্টেশন দেখা যাবে যোগী রাজ্যে। প্রসঙ্গত, পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক যান চলাচলে উৎসাহ দিচ্ছে কেন্দ্রও। সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি আগেই জানিয়েছিলেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বিকল্প শক্তির মাধ্যমে যান চলাচল দেখা যাবে দেশে। কমবে পেট্রোল-ডিজেলের ব্যবহার।

    কত ইলেকট্রিক যানবাহন রয়েছে যোগী রাজ্যে? 

    আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রজেক্টের কাজ করছে ‘উত্তরপ্রদেশ এক্সপ্রেসওয়েস ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’। তাদের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক যানবাহনগুলিকে (Electric Vehicles) আরও বেশি জনপ্রিয় করতেই এই প্রচেষ্টা। এর পাশাপাশি পেট্রোল এবং ডিজেলের ব্যবহার কমানোও লক্ষ্য। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে যোগী রাজ্যে ৪,১৪,৯৭৮টি ইলেকট্রিক যানবাহন (Electric Vehicles) চলাচল করে। উত্তরপ্রদেশের পরে সব থেকে বেশি ইলেকট্রিক যানবাহন চলাচল করে দিল্লিতে ১,৮৩,৮৭০। মহারাষ্ট্রে ইলেকট্রিক যানবাহনের সংখ্যা প্রায় ১,৭৯,০০০।

    কোথায় কোথায় বসছে চার্জিং স্টেশন

    জানা গিয়েছে, এই ২ হাজার চার্জিং স্টেশনের (Electric Vehicles) মধ্যে ১০০টি চার্জিং স্টেশন বসতে চলেছে রামমন্দির, তাজমহল, ফতেপুর সিক্রি, সারনাথ মন্দিরের আশপাশে। ২০০টি চার্জিং স্টেশন বসানো হবে মথুরা, বৃন্দাবন, বারাণসী, অযোধ্যা, প্রয়াগরাজ এবং ঝাঁসির কাছে। ৪০০টি চার্জিং স্টেশন বসানো হবে যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে, আগ্রা এক্সপ্রেসওয়ে, বুন্দেলখ্ণড এক্সপ্রেসওয়ে, গোরক্ষপুর লিঙ্ক এক্সপ্রেসওয়ে, পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ের কাছে। বাকি ১,৩০০টি চার্জিং স্টেশন বসানো হবে আগ্রা, অযোধ্যা, বরেলি, ফিরোজাবাদ, গাজিয়াবাদ, গোরক্ষপুর, ঝাঁসি, কানপুর ইত্যাদি জায়গায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jagdeep Dhankhar: ‘‘গত শতাব্দীর মহাপুরুষ গান্ধী, বর্তমান শতকের যুগপুরুষ মোদি’’, বললেন ধনখড়

    Jagdeep Dhankhar: ‘‘গত শতাব্দীর মহাপুরুষ গান্ধী, বর্তমান শতকের যুগপুরুষ মোদি’’, বললেন ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘গত শতাব্দীর মহাপুরুষ গান্ধী, বর্তমান শতকের যুগপুরুষ মোদি’’। সোমবার ঠিক এ কথাই বলতে শোনা গেল উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়কে। উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের (Jagdeep Dhankhar) মতে, ‘‘মহাত্মা গান্ধী ব্রিটিশদের দাসত্ব থেকে মাতৃভূমির স্বাধীনতা এনেছিলেন। সত্যাগ্রহ এবং অহিংসা নীতিকে সম্বল করে। অন্যদিকে ভারতের সফলতম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদেরকে সেই উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন, যেখানে আমরা সর্বদাই যেতে চেয়েছি।’’ প্রসঙ্গত জগদীপ ধনখড় সোমবার বক্তব্য রাখেন জৈন ধর্মের প্রচারক ও দার্শনিক শ্রীমাদ রাজচন্দ্রাজি জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে।

    মোদি ও গান্ধীর জীবনে রয়েছে আধ্যাত্মিকতার প্রতিফলন

    উপরাষ্ট্রপতি (Jagdeep Dhankhar) এদিন শ্রীমাদ রাজচন্দ্রাজির জীবন ও দর্শন নিয়েও আলোকপাত করেন তাঁর বক্তব্যে। প্রসঙ্গত, জৈন ধর্মের অন্যতম প্রচারক শ্রীমাদ রাজচন্দ্রাজি ১৮৬৭ জন্মগ্রহণ করেছিলেন গুজরাটে। ১৯০১ সালে তাঁর প্রয়াণ ঘটে। জৈন ধর্মের প্রচারক এবং মহাত্মা গান্ধীকে আধ্যাত্মিক দর্শনদানের জন্য তাঁর বিশেষ খ্যাতি রয়েছে। মহাত্মা গান্ধী এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুজনেরই জীবনে যে শ্রীমাদ রাজচন্দ্রাজির প্রভাব রয়েছে, সে কথাও নিজের বক্তব্যে উল্লেখ করেন উপরাষ্ট্রপতি। তিনি আরও জানান যে দুজনেরই জীবনে প্রতিফলিত হয়েছে শ্রীমাদ রাজচন্দ্রজির দর্শন।

    নাম না করে এদিন বিরোধীদেরও নিশানা করেন উপরাষ্ট্রপতি

    নাম না করে এদিন বিরোধীদেরও নিশানা করেন উপরাষ্ট্রপতি (Jagdeep Dhankhar)। তিনি বলেন যে কিছু শক্তি ভারতের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছে। তাদের সহ্য হচ্ছে না ভারতের এমন উন্নতি। উন্নয়নে বাধা দেওয়া এই শক্তিগুলি একত্রিত হয়েছে। যখনই দেশের ভাল কিছু হয় তখনই তারা বিরোধিতায় সামিল হয়। এটা হওয়া উচিত নয়। এর পাশাপাশি তিনি (Jagdeep Dhankhar) বলেন যে আশেপাশে আপনারা যে সকল দেশগুলিকে দেখছেন তাদের ইতিহাস রয়েছে ৩০০ বছরের ৫০০ বছরের কী খুব বেশি হলে ৭০০ বছরের। কিন্তু ভারতবর্ষের ইতিহাস রয়েছে ৫ হাজার বছরের।

    ‘শ্রীমাদ রাজচন্দ্র মিশন ধরমপুর’ হল একটি বিশ্বব্যাপী মিশন। আধ্যাত্মিকতার দ্বারা সমাজ পরিবর্তনের কাজ করে এই মিশন। মিশনের আন্তর্জাতিক সদর দফতর রয়েছে গুজরাটে। মিশনের বেশ কতগুলো সৎসঙ্গ সেন্টারও রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল শ্রীমদ রাজচন্দ্রা ইয়ুথ গ্রুপস এবং শ্রীমৎ রাজচন্দ্রা ডিভাইন টাচ সেন্টার। জানা যায়, শ্রীমদ রাজচন্দ্রাজি এবং মহাত্মা গান্ধীর প্রথম দেখা হয়েছিল মুম্বইতে ১৮৯১ সালে। সে সময়ে ইংল্যান্ড থেকে ব্যারিস্টার হয়ে দেশে ফিরেছিলেন গান্ধী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: ভারত ধর্মনিরপেক্ষ ভাবধারার রক্ষাকর্তা, জানালেন আরএসএস প্রধান

    RSS: ভারত ধর্মনিরপেক্ষ ভাবধারার রক্ষাকর্তা, জানালেন আরএসএস প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে ধর্মনিরপেক্ষতার পাঠ শেখানোর প্রয়োজন নেই, কারণ স্বাভাবিকভাবেই এদেশ ধর্মনিরপেক্ষ ভাবধারার রক্ষাকর্তা। এ কথা শোনা গেল আরএসএস (RSS) প্রধান মোহন ভাগবতের মুখে। রবিবারই সঙ্ঘ প্রধান হাজির ছিলেন গ্রেটার নয়ডাতে। সেখানে সারদা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘স্ব-আধারিত ভারত’ শীর্ষক একটি সেমিনারে যোগদান করেন তিনি। তখনই তাঁকে এই কথাগুলি বলতে শোনা যায়ে।

    ভারত সমস্ত ধর্মকে শ্রদ্ধা করে

    সঙ্ঘ প্রধানের (RSS) মতে, ‘‘ভারত সমস্ত ধর্মকে শ্রদ্ধা করে। ভারতের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলা রয়েছে। আমরা বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য-এই মতবাদে বিশ্বাস রাখি। আমরা হুন, কুষাণ, ইসলামকে দুহাত বাড়িয়ে স্বাগত জানিয়েছিলাম। আমাদের মাটি এতটাই সমৃদ্ধ যে এখানে যাঁরা এসেছেন, তাঁদেরকেই স্বাগত জানাতেন এখানকার রাজা-মহারাজারা। আমাদের কোথাও কোনও সমস্যা ছিল না। এখানে যাঁরা আশ্রয় নিতে চেয়েছেন, তাঁদেরই আশ্রয় দিয়েছি আমরা। আমরা সকলকে আহ্বান করেছি, কারণ আমাদের ধর্মই আমাদের এই শিক্ষা দেয়।”

    ভারতকে অন্য দেশ থেকে কিছু নকল করার দরকার নেই

    সঙ্ঘ প্রধান (RSS) আরও বলেন, ‘‘ভারতকে অন্য দেশ থেকে কিছু নকল করার দরকার নেই। কারণ এদেশের নিজস্ব শক্তির উপর নির্ভর করে উন্নয়নের মডেলকে অনুসরণ করতে হবে। আমাদের প্রাচীন শিক্ষা থেকে সংগৃহীত জ্ঞান দিয়ে আমরা যতদিন না পর্যন্ত নিজেদের শক্তিতে বলিয়ান হতে পারছি, ততদিন পর্যন্ত এই বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে পারব না। এদেশে চাষাবাদ করে মাটির কোনও ক্ষতি না করে আমরা ১০,০০০ বছর কাটিয়েছি। কারণ আমাদের ধর্ম বলেছে, শুধু মানুষের মঙ্গল কামনা করা নয়, পরিবেশেরও মঙ্গল কামনা করতে। তবে আমরা যদি অন্য দেশ থেকে ধার করা মডেল নিই, সেটা আমাদের সাময়িক সময়ের জন্য হবে। কিন্তু তা চিরস্থায়ী কিছু হবে না।’’ এদিন তিনি তাঁর বক্তব্যে শক্তিশালী ভারতের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘‘যখন চিন হামলা চালিয়েছিল তখন আমরা আমেরিকার কাছে সহায়তার জন্য গিয়েছিলাম। এ নিয়ে অনেকেই হাসাহাসি করত। তবে ২০১৪ সালের পর প্রয়োজন মতো পাকিস্তানে ঢুকেও আমরা যোগ্য জবাব দিয়ে এসেছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Collapse: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু নতুনভাবে, নামল সেনা

    Uttarkashi Tunnel Collapse: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু নতুনভাবে, নামল সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১২ নভেম্বর থেকে উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটকে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক। প্রতিবারই তাঁদের উদ্ধার করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে। তবে এমতাবস্থাতেও যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। শ্রমিকদের সুড়ঙ্গ (Uttarkashi Tunnel Collapse) থেকে বের করে আনতে এবার নামানো হয়েছে ভারতীয় সেনাকে। প্রথমে কাজ শুরু হয়েছিল মার্কিন সুড়ঙ্গ বিশেষজ্ঞ আর্নল্ড ডিক্সের তত্ত্বাবধানে। আমেরিকার যন্ত্র অগার মেশিনকে ব্যবহার করা হয়েছিল এক্ষেত্রে। অনেকটাই সফল হয়ে গিয়েছিল মেশিনের ড্রিলিং। তবে শুক্রবার বিকালে সুড়ঙ্গের একটি ধাতব বস্তুর সঙ্গে আঘাত পায় যন্ত্রটি। এরপরে সেখানেই তা বিকল হয়ে যায়। সেটি আর ঠিক করা যায়নি।

    নতুনভাবে শুরু উদ্ধারকাজ

    এমতাবস্থায় ভার্টিক্যাল ড্রিলিং-এর পরিকল্পনা নিয়েছে উদ্ধারকারী দল। ট্যানেলের ১৮০ মিটার দূর থেকে শুরু হল এই ড্রিলিং। দিনে ১৫ মিটার করে ড্রিলিং করা হবে। ইতিমধ্যে ১৫ মিটার ড্রিলিং সম্পন্নও হয়েছে। উলম্বভাবে ৮৬ মিটার পর্যন্ত ড্রিলিং (Uttarkashi Tunnel Collapse) করতে হবে। সুড়ঙ্গের মধ্যে শ্রমিকরা রয়েছেন সুস্থই, এমনটাই জানা গিয়েছে। খাবার সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। ইদানিং তাঁদের জন্য পাঠানো হচ্ছে বেরি ও অন্যান্য ফল। তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন মনোবিদরাও। সুড়ঙ্গের মাত্র ৪১ মিটার ফাঁকা জায়গায় আটকে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক। তাঁরা যাতে মনোবল হারিয়ে না ফেলেন, তাই সুড়ঙ্গে পাঠানো হয়েছে লুডো, দাবা এবং তাস। শ্রমিকরা সেখানে চোর-পুলিশও খেলছেন বলে খবর।

    আরও পড়ুুন: “সন্ত্রাসবাদকে আমরা নির্মূল করে দিয়েছি”, ২৬/১১ হামলার ১৫ বছরে দৃপ্ত ঘোষণা মোদির

    ১০০ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে উদ্ধারকাজ

    উদ্ধারকারী দলের (Uttarkashi Tunnel Collapse) ফের আশা, একশো ঘণ্টার মধ্যে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। দিন সংখ্যার নিরিখে পাঁচ দিন। এই ড্রিলিং পদ্ধতিতেই সাধারণভাবে কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলন করা হয়ে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ে প্রতি মুহূর্তের খবর রাখছেন সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি। গতকাল রাতেই ফের একবার ঘটনাস্থলে যান উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি। যে অগার মেশিনটি বিকল হয়ে গিয়েছে, সেই মেশিনটিকে উদ্ধার (Uttarkashi Tunnel Collapse) করতে এবার কাজ শুরু করেছে সেনাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CERT-In: এবার থেকে তথ্য জানার অধিকার আইনের বাইরে কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম

    CERT-In: এবার থেকে তথ্য জানার অধিকার আইনের বাইরে কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে তথ্য জানার অধিকার আইনের (২০০৫) আওতায় পড়বে না কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম বা CERT-In.। এটি হল একটি জাতীয় নোডাল এজেন্সি। এই এজেন্সি কম্পিউটারের মধ্যে থাকা বিভিন্ন তথ্যকে সুরক্ষিত রাখে এবং সাইবার অ্যাটাক থেকে রক্ষা করে।

    তথ্য জানার অধিকার আইনে (২০০৫) কোন কোন ক্ষেত্র পড়ে না

    প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে পাশ হওয়া আরটিআই অ্যাক্টের ৪ নম্বর ধারায় বলা রয়েছে, কোন কোন ক্ষেত্রে পাবলিক অথরিটি তথ্য দিতে বাধ্য থাকবে। ৮ নম্বর ধারাতে উল্লেখ রয়েছে সেই সমস্ত ক্ষেত্রগুলির, যেগুলি তথ্য দেওয়ার অধিকার আইনের আওতায় পড়বে না। এগুলি হল, সাধারণভাবে যে কোনও ব্যক্তিগত তথ্য (যদি তা দেশের বা সমাজের নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ না হয়), দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হতে পারে এমন তথ্য, মন্ত্রিসভার বৈঠকের গোপন নথি, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের ক্রিয়াকলাপ ইত্যাদি।

    এবার এই তালিকায় জুড়ল কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম বা CERT-In.। কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম বা CERT-In ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের অধীনে কাজ করে। কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম ছাড়াও আরও ২৬টি গোয়েন্দা সংস্থা কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে কর্মরত। যেগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি), রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং (র), ডাইরেক্টরেট অফ এনফোর্সমেন্ট (ইডি), ন্যাশনাল টেকনিক্যাল রিসার্চ অর্গানাইজেশন। এই সমস্ত কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিও তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতায় পড়ে না।

    আরও পড়ুুন: “ইংরেজি বছরের শুরুতে মমতাকে ইডি-সিবিআই চা খেতে আমন্ত্রণ করবে” বিস্ফোরক দিলীপ

    ২০২২ সালে র‌্যানসামওয়ার অ্যাটাকের সময় তদন্ত করে CERT-In

    ২০০৫ সালে তথ্য জানার অধিকার আইন পাশ হওয়ার পর শেষবারের মতো সংশোধন করা হয়েছিল ২০১৬ সালে। সেখানে স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড সংস্থাগুলিকে তথ্য জানার অধিকার আইনের তালিকায় রাখা হয়নি। প্রসঙ্গত, CERT-In দেশের মধ্যে ঘটা গুরুত্বপূর্ণ সাইবার অ্যাটাকগুলির বিরদ্ধে তদন্ত করে। গত ২০২২ সালে ২৩ নভেম্বর র‌্যানসামওয়্যার অ্যাটাকের সময়ও এই সংস্থা তদন্ত শুরু করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “সন্ত্রাসবাদকে আমরা নির্মূল করে দিয়েছি”, ২৬/১১ হামলার ১৫ বছরে দৃপ্ত ঘোষণা মোদির

    Narendra Modi: “সন্ত্রাসবাদকে আমরা নির্মূল করে দিয়েছি”, ২৬/১১ হামলার ১৫ বছরে দৃপ্ত ঘোষণা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০৭ তম ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখে শোনা গেল মুম্বইয়ের ২৬/১১ জঙ্গি হামলা প্রসঙ্গ। প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলা হয় মুম্বইতে। এদিন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সেই হামলায় যাঁরা শহিদ হয়েছেন, তাঁদেরকে স্মরণ করেন। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “সন্ত্রাসবাদকে আমরা নির্মূল করে দিয়েছি”।

    সংবিধান দিবসে মোদির মুখে জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গ

    এদিন তাঁর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) দেশবাসীকে সংবিধান দিবসের শুভেচ্ছাও জানান। প্রসঙ্গত, ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর ভারতের সংবিধানকে গ্রহণ করা হয়েছিল। সে কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে সময়, পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সঙ্গে দেশ এগিয়ে চলেছে এবং সংবিধানকে নানা সময়ে সংশোধন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) তাঁর বক্তব্যে জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গও টেনে আনেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালে জরুরী অবস্থার সময় দেশের মানুষদের নাগরিকত্ব অধিকার সম্পূর্ণভাবে হরণ করেছিল তৎকালীন ইন্দিরা গান্ধী সরকার। সে প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ ৪৪ তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থার ভুলগুলিকে সংশোধন করা সম্ভব হয়েছে।’’ ৪৪ তম সংবিধান সংশোধনী করা হয় ১৯৭৮ সালে জনতা সরকারের আমলে।

    ২৬/১১ এর ভয়াবহ জঙ্গি হামলা

    পনেরো বছর আগে আজকের দিনেই ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলার সাক্ষী থেকেছিল দেশের অর্থনৈতিক রাজধানী মুম্বই। ২৬ নভেম্বর ২০০৮ সালে আতঙ্কবাদী হামলায় কেঁপে ওঠে ভারতের বাণিজ্য নগরী। দশ জন সন্ত্রাসবাদীর দল হানা দেয় মুম্বইয়ের রেলস্টেশন, হোটেল সমেত জনবহুল স্থানগুলিতে। বাদ যায়নি হাসপাতালগুলিও। এই ঘটনাতে মারা যান ১৬৬ জন মানুষ এবং আহত হন ৩০০-এরও বেশি। তাজ এবং ওবেরয় হোটেল, ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ টার্মিনাস, নরিম্যান হাউস এই সমস্ত জায়গাগুলিতে চলে হামলা। ভারতীয়রা ছাড়াও হামলায় নিহত হন প্রচুর ইউরোপিয়ান এবং ইহুদি। একমাত্র জীবিত জঙ্গি হিসেবে ধরা পড়ে আজমল আমির কাসভ। ২০১০ সালের মে মাসে কাসভের ফাঁসির আদেশ হয়। ঠিক তার দু’বছর পরে পুনের জেলে কড়া নিরাপত্তায় কাশবের ফাঁসি কার্যকর হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! এবার মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করল সিবিআই

    Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! এবার মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্নকাণ্ডে এবার তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে তদন্ত করবে সিবিআই। জানা গিয়েছে এমনই নির্দেশ রয়েছে লোকপালের। প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট মিললেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যে কৃষ্ণনগরের সাংসদের বিরুদ্ধে অপরাধের মামলা দায়ের করা হবে কিনা। জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে যখন তদন্ত চলবে তখন সিবিআই মহুয়াকে গ্রেফতার করতে পারবে না কিন্তু তথ্য খোঁজা এবং বিভিন্ন নথি পরীক্ষা তথা জিজ্ঞাসাবাদের মতো কাজগুলি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা করতে পারবে। তদন্ত যেহেতু লোকপালের নির্দেশ অনুযায়ী হচ্ছে, তাই রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে ‘অ্যান্টি কোরাপশন বডি’র কাছে।

    আরও পড়ুুন: “সব খেয়েছে হাওয়াই চটি, আসল চোর মমতা” তৃণমূলকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    দর্শন হিরানন্দানির হলফনামা

    প্রসঙ্গত, মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগ সামনে আনেন ঝাড়খণ্ডের বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। পরবর্তীকালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্ররি অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণ দেন। দুবাই কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে মোটা টাকা এবং অন্যান্য সুবিধার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করতেন মহুয়া মৈত্র। শুধু তাই নয় তাঁর দিল্লির বাংলো সংস্কারের জন্য নগদ ২ কোটি টাকাও নিয়েছিলেন মহুয়া (Mahua Moitra)। এর পাশাপাশি বিদেশ ভ্রমণের জন্যও টাকা নেন তিনি। এ কথা নিজের দেওয়া হলফনামাতে স্বীকারও করেন দুবাই -কেন্দ্রিক ব্যবসায়ীরা হিরানন্দানি।

    উচ্চাকাঙ্খী মহুয়া

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আক্রমণ এবং আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ৬৩টি প্রশ্নের মধ্যে ৫০টি প্রশ্নই সাজিয়ে দিয়েছিল দর্শন হিরানন্দনির সংস্থা। ওই হলফনামায় হিরানন্দানি আরও দাবি করেন যে মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra) ছিলেন উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং খুব দ্রুত তিনি জাতীয় স্তরে বিখ্যাত হতে চেয়েছিলেন। সেজন্য শর্টকাট পদ্ধতি হিসেবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ শুরু করেন। প্রসঙ্গত, মহুয়াকে পরবর্তীকালে এথিক্স কমিটি ডেকে পাঠালে, সেখানেও সাংসদের বিরুদ্ধে শিষ্টাচার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে প্যানেল।

    আরও পড়ুন: মরুরাজ্যে বিক্ষিপ্ত অশান্তি, রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পড়ল ৬৮ শতাংশ

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kochi: কেরলের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেস্ট চলাকালীন পদপিষ্ট হয়ে মারা গেলেন ৪ পড়ুয়া, আহত ৬৪

    Kochi: কেরলের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেস্ট চলাকালীন পদপিষ্ট হয়ে মারা গেলেন ৪ পড়ুয়া, আহত ৬৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলে পদপিষ্ট হয়ে চারজন পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। এর পাশাপাশি ৬৪ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে কেরলের ‘কোচিন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’তে (Kochi) শনিবারই ফেস্ট-এর আয়োজন করে কর্তৃপক্ষ। ফেস্ট শুরু হতেই কিছুক্ষণের মধ্যে বৃষ্টি নামে। সেই সময়ে বিশ্ববিদ্য়ালয়ের মাঠে থাকা পড়ুয়ারা হুড়োহুড়ি করে ছুটতে শুরু করেন। তখনই অনেকে মাঠে পিছলে পড়ে যান এবং পদপিষ্ট হন। আহতদের মধ্যে তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। মৃত পরিচয় সামনে এসেছে। এঁরা হলেন,  অতুল থাম্বি, আন্না রুফতা, সারা থমাস, আলিউন জোসেফ। জানা গিয়েছে, আলিউনকে বাদ দিয়ে বাকি তিনজনই কোচিন (Kochi) ইউনিভার্সিটির সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের পড়ুয়া।

    কী জানাল প্রশাসন?

    প্রশাসনের সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন প্রায় দু হাজারের ওপর পড়ুয়া বিভিন্ন কলেজ থেকে হাজির হয়েছিলেন ফেস্টে। শিল্পী নিকিতা গান্ধীর গান শুরু হতেই বৃষ্টি নামে। তারপেরই এই ঘটনা ঘটে। কেরলের প্রশাসন জানিয়েছে, মাঠের (Kochi) যা ব্যবস্থা ছিল সেখানে দেড় হাজারের মতো মানুষের জমায়েত হতে পারতো কিন্তু তার থেকে অনেক বেশি লোক সেখানে উপস্থিত ছিল। যখন অনুষ্ঠান শুরু হয় তখন মাত্র ৬ জন মাত্র পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

    কী জানালেন উপাচার্য?

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, পি শংকরন জানিয়েছেন, প্রতিবছরই এরকম বার্ষিকী অনুষ্ঠান ছাত্রদের তরফ থেকে আয়োজন করা হয়। কোভিড পিরিয়ডের পর এটাই ছিল প্রথম অনুষ্ঠান। পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনার পরেই তড়িঘড়ি বসে কেরল সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠক। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী রওনা হন কোচির উদ্দেশে। জানা গিয়েছে, কোচির (Kochi) সমস্ত হাসপাতালগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বেড খালি রাখতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share