Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Ayodhya: রেল পরিষেবায় জুড়ছে অযোধ্যা এবং নেপালের জনকপুর

    Ayodhya: রেল পরিষেবায় জুড়ছে অযোধ্যা এবং নেপালের জনকপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেলের পরিষেবায় এবার সংযোগ হতে চলেছে দুটি ঐতিহাসিক তীর্থস্থান। একটি ভারতের অপরটি নেপালের। রামজন্মভূমি অযোধ্যার সঙ্গে এবার সংযুক্ত হতে চলেছে নেপালের জনকপুর।  এই বিশেষ ট্রেন ভারত গৌরব ডিলাক্স এসি টুর নামে পরিচিত হবে।

    কবে থেকে শুরু হবে এই ট্রেনযাত্রা

    জানা যাচ্ছে পর্যটকদের জন্য এই ট্রেনযাত্রা শুরু হতে চলেছে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ থেকে।  যার সরকারি উদ্যোগ নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে এতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক দৃঢ় হবে এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানও হবে।

    ট্রেনটি কেমন হবে

    জানা যাচ্ছে যে ট্রেনটির ভিতরে থাকবে দুটি উন্নতমানের রেস্টুরেন্ট। ট্রেনের ভিতরে আধুনিক কিচেনও থাকবে। এবং প্রতিটি ওয়াশরুমে সেন্সর থাকবে। সম্পূর্ণ ট্রেনটিতে থাকবে এসি পরিষেবা। ট্রেনের দুটি স্তর থাকবে, ফার্স্ট ক্লাস এসি এবং সেকেন্ড ক্লাস এসি। গোটা ট্রেনের নজরদারি সিসিটিভির মাধ্যমে চালানো হবে।
    কোথায় কোথায় যাবে এই ট্রেন

    সাত দিন ধরে চলবে এই ট্রেন যাত্রা। শুরু হবে দিল্লি থেকে। যার প্রথম স্টপেজ হবে অযোধ্যা। যেখানে তীর্থযাত্রী এবং পর্যটকরা রাম জন্মভূমির মন্দির এবং হনুমান মন্দির দর্শন করতে পারবে। অযোধ্যার পরে এই ট্রেন থামবে একেবারে সিতামারহি রেলওয়ে স্টেশনে যেটি  বিহারে অবস্থিত, এখান পর্যটকরা জনকপুর অবধি বাসে যেতে পারবেন। সীতামারহি রেলওয়ে স্টেশন থেকে জনকপুরের দূরত্ব ৭০ কিলোমিটার এবং সেখানে গিয়ে যাত্রীরা জানকী মন্দির, সীতারাম বিবাহ মণ্ডপ  এ সমস্ত কিছুই দেখতে পারবেন এমনটাই জানা গেছে ভারতীয় রেলসূত্রে। জনকপুরের দর্শনীয় স্থানগুলি দেখার পরে পরের দিন পর্যটকরা সিতামারহিতে  পুনরায় ফিরে আসবেন এবং সেখান থেকে ট্রেন বারাণসীতে থামবে। সেখানে বিশ্বনাথ মন্দির দেখা যাবে। এরপরে প্রয়াগরাজ হয়ে সেই ট্রেন দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। মোট আড়াই হাজার কিলোমিটার এই যাত্রা হবে বলে জানিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Pakistan High Commission: দিল্লির পাক দূতাবাসে যৌন হেনস্থা! ভিসার জন্য অস্বস্তিকর প্রশ্নের সামনে ভারতীয় মহিলা

    Pakistan High Commission: দিল্লির পাক দূতাবাসে যৌন হেনস্থা! ভিসার জন্য অস্বস্তিকর প্রশ্নের সামনে ভারতীয় মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির পাক দূতাবাসে যৌন হেনস্থার অভিযোগ করলেন এক ভারতীয় মহিলা। পেশায় অধ্যাপক ওই মহিলার অভিযোগ, নয়া দিল্লির পাকিস্তান দূতাবাসে তিনি ভিসার আবেদন করতে গিয়েছিলেন। সেখানে এক কর্তা তাঁকে যৌন হেনস্থা করেছে। মহিলার দাবি, লাহোরে যাওয়ার জন্য পাক ভিসা দরকার ছিল তাঁর। ভিসার আবেদন করার জন্য অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করেছিলেন তিনি। ভিসার ইন্টারভিউয়ের সময় তাঁকে বেশ কিছু আপত্তিকর প্রশ্ন করেন পাক দূতাবাসের জনৈক কর্তা তাহির আব্বাস।

    কী ঘটেছিল

    এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই আধিকারিকদের ছেড়ে কথা বলবে না পাকিস্তান, এমনই অভিমত পাক বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মুমতাজ জাহরা বালোচের। মুমতাজ বলেন, ‘‘আমাদের দূতাবাসে আসা কোনও ব্যক্তির সঙ্গে দুর্ব্যবহার আমরা মেনে নেব না। এই অভিযোগ শুনে আমরা হতবাক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ ওই সিনিয়র অধ্যাপিকা জানান, ভিসার ইন্টারভিউয়ের সময় পাক দূতাবাসের এক কর্তা, তাঁর লাহোর সফরের উদ্দেশ্য জিজ্ঞেস করেছিলেন।  অধ্যাপিকা জানিয়েছিলেন, তাঁকে লাহোরের এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি বক্তৃতা দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি লাহোরের বিভিন্ন স্মৃতিসৌধের ছবি তুলতে চান। এরপরই ওই ঘরে প্রবেশ করেছিলেন পাক দূতাবাসের আরেক কর্তা।

    নিন্দা পাকিস্তানের

    অধ্যাপিকার দাবি, এরপর তাহির আব্বাস তাঁকে একের পর এক অস্বস্তিকর প্রশ্ন করা শুরু করেছিল। তিনি বলেছেন, “তিনি আমায় জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমি বিয়ে করিনি কেন? বিয়ে না করে আমি কীকরে জীবন কাটাই? আমার যৌন চাহিদা মেটাতে আমি কী করি?” শুধু তাই নয়, এক সময় ওই পাক কর্তা তাঁর হাতও চেপে ধরেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই মহিলা। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধাচরণ করে নিবন্ধ লেখার প্রস্তাবও দেওয়া হয় তাঁকে। এ প্রসঙ্গে মুমতাজ বলেন, ‘‘পাকিস্তান সমস্ত ভিসা আবেদনকারীদের প্রতি যথাযথ আচরণ করে। আমাদের সমস্ত কূটনৈতিক কর্মীকে পেশাদার আচরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’’

  • Cold Wave: আগামী সপ্তাহেও উত্তর ভারতে শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস, তাপমাত্রা নামতে পারে -৪ ডিগ্রিতে

    Cold Wave: আগামী সপ্তাহেও উত্তর ভারতে শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস, তাপমাত্রা নামতে পারে -৪ ডিগ্রিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতে কাঁপছে সমগ্র উত্তর ভারত। কিন্তু ভোগান্তি এখানেই শেষ না। উত্তর ভারতের জন্যে আরও খারাপ খবর দিল হাওয়া অফিস। আগামী সপ্তাহে উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহের (Cold Wave) পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া দফতর। একজন আবহাওয়াবিদ জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে উত্তর ভারতের সমতলের বিভিন্ন এলাকায় তাপমাত্রা -৪ ডিগ্রি অবধি নামতে পারে।

    লাইভ ওয়েদার অফ ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা, নবদীপ দাহিয়া ট্যুইট করে জানিয়েছেন যে, ১৪ থেকে ১৯ জানুয়ারির মধ্যে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা (Cold Wave) পড়তে পারে উত্তর ভারতে। ১৬-১৮ জানুয়ারির মধ্যে পারদ পতন হতে পারে সব থেকে বেশি। 
     
    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ ট্যুইটে লেখেন, “১৪-১৯ জানুয়ারি শৈত্যপ্রবাহ (Cold Wave) চলবে। ১৬-১৮ জানুয়ারি তাপমাত্রা হবে সর্বনিম্ন। আমি আমার কর্মজীবনে তাপমাত্রায় এমন পতন দেখি নি। সমতলেই তাপমাত্রা থাকবে -৪ ডিগ্রি থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।” ট্যুইটে আগামী সপ্তাহে উত্তরের সমভূমিতে শৈত্যপ্রবাহ কীভাবে চলবে তার গ্রাফিকও আপলোড করেছেন তিনি।

     


     

    তীব্র শৈত্যপ্রবাহে (Cold Wave) কাহিল উত্তর ভারত। দিল্লির সাফদারজংয়ে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং পালামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পালাম এলাকায় সকালে দৃশ্যমানতা ছিল ৫০০ মিটার। সেই সময় সাফদরজং-এ দৃশ্যমানতা ছিল ২০০ মিটার ছিল। এমনটাই জানিয়েছে মৌসম ভবন।

    আরও পড়ুন: কর্নাটকে নিরাপত্তা বলয় ভেঙে মালা পরাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে গেলেন যুবক

    এদিন ভোরে পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম রাজস্থান, জম্মু, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, বিহার এবং ত্রিপুরার কিছু অংশে ঘন থেকে খুব ঘন কুয়াশা দেখা গিয়েছে। 

    হাওয়া অফিস (Cold Wave) ট্যুইট করে জানিয়েছে, “বর্তমান পশ্চিমী ঝঞ্জা এবং ফলস্বরূপ শক্তিশালী বাতাসের কারণে, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, রাজস্থান এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে কুয়াশার অবস্থার উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি হয়েছে। যদিও পূর্ব উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারে ঘন থেকে খুব ঘন কুয়াশা অব্যাহত রয়েছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Joshimath: জোশীমঠের পরিস্থিতির রিপোর্ট আজ জমা দেবে কেন্দ্রীয় দল

    Joshimath: জোশীমঠের পরিস্থিতির রিপোর্ট আজ জমা দেবে কেন্দ্রীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যে জোশীমঠকে (Joshimath) ডুবতে থাকা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের একটি দল  জোশীমঠে (Joshimath) যায় গতকাল। বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখতেই মূলত এই দল সেখানে পৌঁছায়। সেখানকার ভেঙেপড়া ঘরবাড়ি গুলোও দেখে তারা। জানা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় এই দল আজকে তাদের রিভিউ রিপোর্ট জমা দেবে রাজ্য সরকারের কাছে। সরকারী সূত্রে জানা যাচ্ছে,জোশীমঠের (Joshimath) এই পরিস্থিতির জন্য সমগ্র শহরকে তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছে।
     জোশীমঠ (Joshimath) শহর অবস্থিত উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলাতে। চামোলি জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যাচ্ছে যে শহরের ৬০৩ টি নির্মাণে ইতিমধ্যে ফাটল দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে যে সমগ্র জোশীমঠ শহরকে তারা তিনটে জোনে ভাগ করেছে, ডেঞ্জার জোন, বাফার জোন, এবং সেফ জোন। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর অফিস থেকে জানানো হয়েছে প্রশাসন সর্বদাই কাজ করে চলেছে ডেঞ্জার জোন এবং বাফার জোনের জন্য, যে সমস্ত জোনগুলির সম্পূর্ণভাবে নিরাপদ নয়, সেখান থেকে মানুষজনকে সরানো হচ্ছে। এবং বাফার জোন ভবিষ্যতের জন্য বিপদের কারণ হতে পারে সেখান থেকেও মানুষজনকে সরানো হচ্ছে। একমাত্র তৃতীয় জোন হল সেফ জোন।

    উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী কী বলছেন

    উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি গতকাল বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আশ্বাস দিয়েছেন যে সমস্ত রকমের সাহায্য কেন্দ্র সরকার করবে, পবিত্র তীর্থস্থান জোশীমঠকে (Joshimath) রক্ষা করার জন্য। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সর্বদাই জোশীমঠের (Joshimath) বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। শহরের নটি ওয়ার্ড এই মুহূর্তে ডুবতে থাকা অঞ্চল বা বিপজ্জনক অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন আবেদন জানিয়েছেন যে এইরকম উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমাদের সবার উচিত টিম ওয়ার্ক করা। ৬৮ টি বাড়ি যেগুলি একেবারে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে সেখানকার বাসিন্দাদের ইতিমধ্যে সরিয়ে অন্যত্র থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

    জোশীমঠে (Joshimath) আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের একটি দলেরও। এই মুহূর্তে জোশীমঠের (Joshimath)  সমস্ত নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে এবং স্থানীয় নির্মাণ কাজগুলোও বন্ধ রাখা হয়েছে। সোমবার সকালে জেলা প্রশাসন জানায় যে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য যে ক্যাম্প তৈরি হয়েছে অস্থায়ী সেখানে সমস্ত রকমের প্রয়োজনীয় দ্রব্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ২০০৫ সালের বিপর্যয় মোকাবিলা আইন অনুসারে হোটেলগুলিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এটা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। ২২৯টি ঘর এই মুহূর্তে দেওয়া হয়েছে মোট ১২৭১ জনের জন্য।

    কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জোশীমঠ (Joshimath)

    জোশীমঠের এই  উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে সেখানকার উদ্ধারকার্য চালানোর জন্য সেনাবাহিনী কাজ করছে। জোশীমঠ কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান কারণ ঠিক ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে ভারত চীন সীমান্ত রয়েছে।

  • Madvi Hidma: মাথার দাম ছিল ৪০ লক্ষ! খতম শীর্ষ মাওবাদী নেতা হিদমা, ছত্তিসগড়ে বড় সাফল্য বাহিনীর

    Madvi Hidma: মাথার দাম ছিল ৪০ লক্ষ! খতম শীর্ষ মাওবাদী নেতা হিদমা, ছত্তিসগড়ে বড় সাফল্য বাহিনীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মাওবাদী হামলার ঘটনা ঘটলো ছত্তিসগড়ে। গতকাল সিআরপিএফ জওয়ানদের উপরে হামলা চালায় মাওবাদীদের একটি দল। পাল্টা হামলায় এক শীর্ষস্থানীয় মাওবাদী নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিন ছত্তিসগড়ের একটি প্রত্যন্ত এলাকায় সিআরপিএফ ক্যাম্পে হেলিকপ্টার থেকে জওয়ানদের নামার সময় আচমকাই হামলা চালায় মাওবাদীরা। ছত্তিসগড়ের এই ক্যাম্প থেকে এখন ব্যাপক মাওবাদী বিরোধী অভিযান চালানো হচ্ছে আধা-সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে। ছত্তিসগড় এবং তেলঙ্গানা সীমান্তে এই ঘটনা ঘটেছে বলে সূত্রের খবর।

    আজ জাতীয় যুব দিবস, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে পড়ুন তাঁর কিছু অমর বাণী

    অভিযান চালাচ্ছে কোবরা বাহিনী

    মাওবাদী বিরোধী এই অপারেশন চলছে মূলত মাওবাদীদের কিছু সিনিয়র নেতাদের ধরা অথবা নিকেশ করার উদ্দেশ্যেই। এমনটাই জানা যাচ্ছে আধা-সামরিক বাহিনী সূত্রে। সিআরপিএফ জওয়ানদের মধ্যে থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোবরা (CoBRA) টিম এই অপারেশনের চালাচ্ছে। দুর্গম এলাকাগুলি হেলিকপ্টারে করে পৌঁছাতে হচ্ছে তাঁদের। প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে নেমে কোবরা বাহিনীর এই অভিযান আগামীদিনেও চলবে বলে জানা যাচ্ছে। ছত্তিসগড়ের বিজাপুর এবং সুকমা জেলায় অবস্থিত বেশকিছু অঞ্চল এখনও মাওবাদী অধ্যুষিত। এই এলাকাগুলি তেলঙ্গানা সীমান্ত সংলগ্ন। 

    মৃত মাওবাদী নেতার পরিচয়

    সিআরপিএফ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে গুলির লড়াইতে শেষ পর্যন্ত মাওবাদীরা পিছু হঠে। এদিনের সংঘর্ষের ঘটনায় সিআরপিএফ জওয়ানদের কোনও ক্ষতি হয়নি বলেই জানা গেছে। তবে ছত্তিসগড়ের মাওবাদী নেতা মাডভি হিদমার (Madvi Hidma) মৃত্যু হয়েছে। ৪৩ বছর বয়সী এই নেতার মাথার উপর ৪০ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। প্রসঙ্গত ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল ছত্তিসগড়ে যে ভয়ঙ্কর মাওবাদী হামলা ঘটেছিল তার পিছনে মাস্টারমাইন্ড ছিল এই মাডভি হিদমা (Madvi Hidma)। বস্তার জেলার এই হামলায় নিহত হয়েছিলেন ২২ জন জওয়ান এবং আহত হয়েছিলেন আরও ৩১ জন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Amit Shah: ‘কংগ্রেস ছাড়া আর কারও স্বাধীনতা সংগ্রামে ভূমিকা নেই, এই ধারণা ঠিক নয়’, বললেন শাহ

    Amit Shah: ‘কংগ্রেস ছাড়া আর কারও স্বাধীনতা সংগ্রামে ভূমিকা নেই, এই ধারণা ঠিক নয়’, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলন (Armed Struggle) ভারতে (India) অহিংস আন্দোলনের সাফল্যের ভিত্তি ভূমি রচনা করেছিল। বুধবার একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ওই অনুষ্ঠানে অমিত শাহ বলেন, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অহিংস আন্দোলনের ভূমিকা অস্বীকার করার নয়। আমি বলছি না যে স্বাধীনতার লড়াইয়ে অহিংস আন্দোলনের কোনও ভূমিকা নেই। অবশ্যই এই আন্দোলনের বিরাট ভূমিকা রয়েছে।

    অমিত বচন…

    তিনি বলেন, কংগ্রেস ছাড়া আর কারও স্বাধীনতা সংগ্রামে ভূমিকা নেই, এই ধারণাটা ঠিক নয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, হাজার হাজার স্বাধীনতা সংগ্রামী নিজেদের মতো করে লড়াই করেছেন, আলাদা আলাদা আদর্শে বিশ্বাসীরা নিজেদের মতো করে লড়াই করেছেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা আসলে সকলের মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। অমিত শাহ বলেন, দেশ প্রেমের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে লক্ষ লক্ষ ভারতীয় ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলনে। সশস্ত্র আন্দোলন এবং বিপ্লবীরা কখনও ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে বিশেষ গুরুত্ব পাননি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা সত্য যে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলনের একটা নিজস্ব গুরুত্ব রয়েছে। দেশকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রে তার একটা অবদান রয়েছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে সশস্ত্র আন্দোলন গুরুত্বহীন ছিল।

    আরও পড়ুুন: ১৯ কোটি টাকা নিয়েছেন হুগলির যুব তৃণমূল নেতা! বিস্ফোরক মানিক-ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল

    অমিত শাহের (Amit Shah) মতে, স্বাধীনতার যুদ্ধে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন আন্দোলন অবশ্যই বড় ভূমিকা নিয়েছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে অন্য বিপ্লবীরা গুরুত্বহীন। তাঁর অভিযোগ, আমাদের এমনভাবে ইতিহাস পড়ানো হয়েছে, বোঝানো হয়েছে, যাতে অনেকের অবদান উপেক্ষিত থেকে গিয়েছে। স্বাধীনতা আন্দোলনে কংগ্রেস নিজেদের অবদানকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখাতে চেয়েছে বলে মনে করেন শাহ। তাই এই যুদ্ধে আরও যাঁরা অংশ গ্রহণ করেছেন, তাঁরা উপেক্ষিত থেকে গিয়েছেন। স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে বলে নানা সময় অভিযোগ উঠেছে নানা মহলে। এদিন শাহ (Amit Shah) বলেন, ভারতের স্বাধীনতার আন্দোলন সম্পর্কে যাঁদের বলার কথা ছিল, তাঁরা পুরো গল্প বলেননি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাঁরা বলেননি যে ভগৎ সিংকে যেদিন ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সেদিন লাহোর থেকে কন্যাকুমারিকা পর্যন্ত মানুষ এতই আঘাত পেয়েছিলেন যে তাঁরা সেদিন বাড়িতে রান্না পর্যন্ত করেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dawood Ibrahim: দাউদের সঙ্গে গুটখা ব্যবসা, ১০ বছরের কারাদন্ড ৩ জনের

    Dawood Ibrahim: দাউদের সঙ্গে গুটখা ব্যবসা, ১০ বছরের কারাদন্ড ৩ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকে ঠিক কুড়ি বছর আগে পাকিস্তানের করাচিতে গুটখার ব্যবসা করতে দাউদ ইব্রাহিম (Dawood Ibrahim) এবং তার ভাই আনিস ইব্রাহিমকে সাহায্য করার অভিযোগ ছিল তিনজনের বিরুদ্ধে। এদিন এই মামলায় রায়দান করল মুম্বই-এর বিশেষ আদালত। তিনজনকেই ১০ বছরের কারাদণ্ড দিল আদালত। সোমবার বিশেষ আদালতের বিচারক বিডি শেলকে এই রায় ঘোষণা করেন। 

    তিনজনের পরিচয়

    জেএমজে গোষ্ঠীর প্রধান জোশি, এদেশে গুটখা ব্যারন নামে পরিচিত তবে তার সংস্থা পানমশলা এবং অন্যান্য তামাক জাতীয় দ্রব্য উৎপাদন করে বলে জানা গেছে। জোশি ছাড়া এই মামলায় অন্য যাদের নাম জড়িয়েছিল তারা হল রসিক লাল ধারিওয়াল, জমিরউদ্দিন আনসারী এবং ফারুক মনসুরির। এদের মধ্যে ২০১৭ সালে রসিকলাল ধারিওয়ালের মৃত্যু হয় তদন্ত চালাকালীন। ফারুক মনসুরির আবার ১৯৯৩ মুম্বই বিস্ফোরণের অন্যতম অভিযুক্ত বলে জানা গেছে।

    সিবিআই এর চার্জশিট

    দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত চলার পর এই মামলায় সিবিআই এর পক্ষ থেকে চার্জশিট জমা পড়ে ২০১৬ সালে মুম্বাইয়ের বিশেষ আদালতে। সিবিআই তাদের চার্জশিটে জানায় যে জোশি এবং রসিকলাল এর মধ্যে আর্থিক বিষয় নিয়ে ঝামেলা হলে সেটা মেটানোর জন্য তারা দাউদ ইব্রাহিমের (Dawood Ibrahim) শরণাপন্ন হয়েছিল। এর বদলে নিজের সঙ্গীদের নিয়ে করাচিতে গুটখা ব্যবসা শুরু করতে তাদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন দাউদ ইব্রাহিম (Dawood Ibrahim)। ২০০২ সালে করাচিতে গুটখার কারখানা গড়ে তুলতে মুম্বই হামলার অন্যতম মাথা দাউদ ইব্রাহিমকে (Dawood Ibrahim) যাবতীয় সাহায্য করেছিল এই তিনজন। সিবিআই এর আরও দাবি দাউদ ইব্রাহিম (Dawood Ibrahim) এই তিনজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং এই ব্যবসায়িক সম্পর্কও যথেষ্ঠ মধুর ছিল তাদের সঙ্গে। দাউদ ইব্রাহিমকে (Dawood Ibrahim) তারা অনেক লাভবানও করেছিল বলেই সিবিআই এর দাবি।

    আরও পড়ুন: বিজেপির গঙ্গাপুজোয় ‘না’ পুলিশের, ‘কর্মসূচি হবেই’, জানালেন সুকান্ত

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Sharad Yadav: প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা আরজেডি নেতা শরদ যাদব, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    Sharad Yadav: প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা আরজেডি নেতা শরদ যাদব, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা লোকসভায় সাতবারের সাংসদ আরজেডি নেতা শরদ যাদব। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫। সোশ্যাল মিডিয়ায় বাবার মৃত্যু খবর জানিয়েছেন শরদকন্যা সুভাষিণী। তিনি জানান, ‘বাবা আর নেই।’ বৃহস্পতিবার রাতে অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে গুরুগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসায় কোনও সাড়া মেলেনি। এর পরই ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা রাত ১০ টা ১৯ মিনিটে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    লোকসভায় ৭ বারের সাংসদ, রাজ্যসভায় তিনবার

    ১৯৪৭ সালের ১ জুলাই মধ্যপ্রদেশের হোসঙ্গাবাদ জেলার ববাই গ্রামে জন্ম শরদের। মধ্যপ্রদেশে জন্ম হলেও শরদের রাজনৈতিক কেরিয়ার ছিল বিহারময়। ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ১৯৯৭ সালে জনতা দল থেকে বেরিয়ে গিয়ে নয়া দল জনতা দল ইউনাইটেড গঠন করেছিলেন। ২০০৩ সালে, শরদ যাদব জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ) এর সভাপতি নির্বাচিত হন। লোকসভায় ৭ বারের সাংসদ ছিলেন শরদ যাদব। রাজ্যসভায় ৩ বারের সাংসদ ছিলেন এই প্রবীণ নেতা।

    আরও পড়ুন: কর্নাটকে নিরাপত্তা বলয় ভেঙে মালা পরাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে গেলেন যুবক

    ২০১৭ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে, যখন নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে জেডিইউ বিজেপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েছিল, শরদ যাদব তা মেনে নেননি, যার জন্য জেডিইউ তাঁকে রাজ্যসভা থেকে বহিষ্কার করতে চেয়েছিলেন। ২০১৮ সালে জেডিইউয়ের সঙ্গে সম্পর্কের পাট চুকিয়ে লোকতান্ত্রিক জনতা দল তৈরি করেছিলেন শরদ। পরে সেই দল যুক্ত হয় লালুপ্রসাদ যাদবের পার্টি আরজেডি-র সঙ্গে।

    প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা

    শরদ যাদবের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘শরদজির প্রয়াণে গভীর ভাবে ব্যথিত। দীর্ঘ জনজীবনে তিনি নিজেকে একজন সাংসদ এবং মন্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আমাদের মধ্যে যে কথোপকথন হয়েছে, তা সবসময় মনে থাকবে। তাঁর পরিবার এবং ভক্তদের প্রতি সমবেদনা। ওঁ শান্তি।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Joshimath: জোশীমঠের গৃহহীনদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া শুরু, স্থানীয়দের আশ্বস্ত করলেন ধামি

    Joshimath: জোশীমঠের গৃহহীনদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া শুরু, স্থানীয়দের আশ্বস্ত করলেন ধামি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডে জোশীমঠ (Joshimath) শহরকে ইতিমধ্যে ডুবতে থাকা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। শহরের অসংখ্য বাড়িতে দেখা দিয়েছে ফাটল। উদ্বিগ্ন হয়ে গৃহহীনরা আশ্রয় নিয়েছেন বিভিন্ন ক্যাম্পে। সরকার থেকে নির্ধারিত করা হয়েছে কিছু ২০০ এর উপর বাড়ি। 

    কী বললেন উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী

    এমত অবস্থায় জোশীমঠের (Joshimath) মাত্র ২৫ শতাংশ বাড়িতেই ফাটল ধরেছে বলে দাবি করলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন যে অনেক ক্ষেত্রে গুজব রটানো হচ্ছে এতে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে, গুজব কেউ রটাবেন না এবং গুজবে কানও দেবেন না। বুধবার রাতে ফের একবার জোশীমঠে (Joshimath) গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষজনের সঙ্গে দেখা করেন তিনি, তাঁদের বাড়িতেও যান। জোশীমঠের (Joshimath) সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে। যাঁরা গৃহহীন হয়েছেন সে সমস্ত পরিবারগুলিকে প্রাথমিকভাবে ১.৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে বলে সরকারের তরফ থেকে আগেই ঘোষণা করা হয়েছে।

    উত্তরাখন্ডের সমস্ত শহর এবার পরীক্ষা করা হবে

    জোশীমঠ (Joshimath) থেকে ৮২ কিলোমিটার দূরে কর্ণপ্রয়াগের বহুগুণা নগর এলাকায় অনেক বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং সেখানে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন যে উত্তরাখণ্ডের সমস্ত শহরগুলিকে পরীক্ষা করা হবে এবং দেখা হবে যে কোথাও জোশীমঠের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কি না! সমস্ত শহরকে পরীক্ষা করে জানা যাবে যে সেই সব শহর কতটা ওজন নিতে পারবে। এ বিষয়ে পদক্ষেপ খুব শীঘ্রই নেওয়া হচ্ছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে। গত ২ জানুয়ারি থেকে এখনও অবধি জোশীমঠের (Joshimath) সাতশোরও বেশি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ চীন সীমান্তগামী সড়কও বাদ যায়নি  ফাটল থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mohan Bhagwat: মোহন ভাগবতের বক্তব্য সমর্থন করলেন জামাতের জাতীয় সভাপতি, কী বললেন তিনি?

    Mohan Bhagwat: মোহন ভাগবতের বক্তব্য সমর্থন করলেন জামাতের জাতীয় সভাপতি, কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) মুসলমানদের কোনও ভয় নেই। মঙ্গলবারই একথা বলেছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তাঁর এই বক্তব্যে শিলমোহর দিলেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের জাতীয় সভাপতি মওলানা সাবাবউদ্দিন রাজভি বেরেইলভি। তিনি বলেন, আমি তাঁর (মোহন ভাগবত) বক্তব্যকে পূর্ণ সমর্থন করি। এবং এটা ঘটনা যে ভারতে মুসলমানেদের প্রতি শ্রদ্ধা অটুট রয়েছে। ভারতে মুসলমানেরা গর্বের সঙ্গে বসবাস করছেন।

    জামাতের জাতীয় সভাপতি বলেন…

    অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামাতের জাতীয় সভাপতি বলেন, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারে মুসলিমদের প্রতিনিধি কম। তাঁদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে, শক্তিশালী করতে হবে। তিনি বলেন, তবে সরকারে মুসলমানদের প্রতিনিধি কতজন থাকবেন, তাঁদের কবে জায়গা দেওয়া হবে, তা স্থির করবেন হায়ার লেভেলের লোকজন। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের চাকরিতে মুসলমানদের ব্যালেন্সড শেয়ারও চাইছেন মওলানা সাবাবউদ্দিন রাজভি বেরেইলভি। তিনি বলেন, ভারতে প্রচুর সংখ্যক সুন্নি সুফি বেরেইলভি মুসলমান রয়েছেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে তাঁরাই সিংহভাগ। তাই তাঁদেরই কেন্দ্র কিংবা রাজ্য সরকারের চাকরিতে ব্যালেন্সড শেয়ার থাকা উচিত।

    আরও পড়ুুন: ‘আমরা ফের এই দেশ শাসন করব’, মুসলমানদের এই ধারণা ছাড়তে হবে, বললেন ভাগবত

    প্রসঙ্গত, এদিন একটি অনুষ্ঠানে ভারতে মুসলমানেরা সুরক্ষিতই রয়েছেন বলে মন্তব্য করেছিলেন সংঘ প্রধান (Mohan Bhagwat)। ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, আসল সত্যটা হল এই হিন্দুস্তান হিন্দুস্তানই থাকবে। তবে ভারতে যে মুসলমানরা বসবাস করছেন, তাঁদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমাদের দেশের মুসলমানেরা নিরাপদে এবং সুরক্ষিতই রয়েছেন। আজকের ভারতে তাঁদের কোনও ক্ষতি হচ্ছে না। তিনি বলেছিলেন, তাঁরা (মুসলমানেরা) যদি চান, তবে তাঁরা তাঁদের ধর্ম পথে থাকতে পারেন। সংঘ প্রধান আরও বলেন, তাঁরা যদি তাঁদের পূর্ব পুরুষের ধর্মপথে যেতে চান, তবে তাঁরা তা পারেন। তিনি (Mohan Bhagwat) বলেছিলেন, এটা তাঁদের পছন্দের ব্যাপার। হিন্দুদের এ ব্যাপারে কোনও জেদ নেই। মোহন ভাগবত বলেন, ইসলামের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তবে একই সঙ্গে মুসলমানদের আধিপত্যের ভাবনা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share