Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bird Flu: বার্ড ফ্লু-র ভ্রুকুটি, অন্ধ্রপ্রদেশে মৃত্যু ১০ হাজার মুরগির

    Bird Flu: বার্ড ফ্লু-র ভ্রুকুটি, অন্ধ্রপ্রদেশে মৃত্যু ১০ হাজার মুরগির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসন্তের হাওয়ায় বার্ড ফ্লু-র ভ্রুকুটি! ইতিমধ্যেই দেশে হানা দিয়েছে বার্ড ফ্লু (Bird Flu)। তার জেরে উদ্বেগে পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা। জানা গিয়েছে, নেল্লোর-সহ অন্ধ্রপ্রদেশের বেশ কিছু জেলায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে এইচ৫এনওয়ান ভাইরাস। ঘটনায় মুরগি পালনে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ওই রাজ্যের পশুপালন দফতর।

    ১০ হাজার মুরগির মৃত্যু

    জানা গিয়েছে, নেল্লোর জেলার পুধালাকুরু, কোভুরু ও মাইদাপুরম এলাকায় গত তিন মাসে বার্ড ফ্লুয়ে সংক্রমিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ হাজার মুরগির। পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে ওই দুই গ্রামের বাইরেরও ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকা। জনবসতির ১ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে আগামী তিন মাস মুরগির মাংস বিক্রির দোকান বন্ধ থাকার নির্দেশিকা জারি করেছে পুলিশ-প্রশাসন। নেল্লোরে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। আশপাশের জেলাগুলিতেও জারি করা হয়েছে সতর্কতা। যেহেতু পোল্ট্রিগুলিতেই বেড়েছে সংক্রমণ, তাই আগামী ১৫ দিন পোল্ট্রিগুলি থেকে অন্য কোথাও মুরগি পাঠানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    ড্রপলেট থেকে রোগ ছড়ায় 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্যান্য ফ্লুয়ের (Bird Flu) মতো বার্ড ফ্লুও ছড়ায় নাক-মুখ থেকে নিঃসৃত সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম জলকণা বা ড্রপলেট থেকে। এই ড্রপলেট অন্য পাখির শ্বাসনালীতে ঢুকে গেলে ওই পাখিটিও সংক্রমিত হতে পারে ফ্লুয়ে। জানা গিয়েছে, যাঁরা মূলত পোল্ট্রির কাজেই যুক্ত, তাঁরাই সাধারণত সংক্রমিত হন। বসন্তের বাংলায় এইচ৫এনওয়ান ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদি মুরগি থেকে মানুষে সংক্রমণ ছড়ায় এবং সংক্রমিত ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ার আগেই এ রাজ্যে আসেন, সে ক্ষেত্রে ছড়াতে পারে সংক্রমণ।  

    আরও পড়ুুন: ‘‘জাতপাতের নামে দেশকে বিভাজিত করছেন ইন্ডিয়া জোটের নেতারা’’, তীব্র আক্রমণ মোদির

    জানা গিয়েছে, মূলত পোল্ট্রি ফার্মের মাধ্যমেই বেশি ছড়ায় বার্ড ফ্লু। তবে হাঁস-মুরগি খেলে যে এই বার্ড ফ্লু হবে, এমন কোনও কথা নেই। অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে প্রচুর পরিমাণে ডিম আসে এ রাজ্যে। সেই ডিম খেলেও বার্ড ফ্লু হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ যে তাপমাত্রায় মাংস কিংবা ডিম রান্না করা হয়, তাতে ফ্লুয়ের ভাইরাস মারা যায়। একই কথা প্রযোজ্য ওমলেটের ক্ষেত্রেও (Bird Flu)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi In Varanasi: ‘‘জাতপাতের নামে দেশকে বিভাজিত করছেন ইন্ডি জোটের নেতারা’’, তীব্র আক্রমণ মোদির

    Modi In Varanasi: ‘‘জাতপাতের নামে দেশকে বিভাজিত করছেন ইন্ডি জোটের নেতারা’’, তীব্র আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার বারাণসীতে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi In Varanasi)। সন্ত রবিদাসের ৬৪৭তম জন্মজয়ন্তীতে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই মঞ্চ থেকে এদিন তিনি একহাত নেন ইন্ডি জোটের নেতাদেরও। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে জাতপাতের নামে দেশকে বিভাজিত করছেন ইন্ডিয়া জোটের নেতারা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে পা রাখেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন সকালে তিনি বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন তারপরেই সন্ত রবিদাসের মন্দিরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

    উন্নয়নের উৎসব চলছে কাশীতে

    প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (Modi In Varanasi) এদিন বলেন যে উন্নয়নের উৎসব শুরু হয়েছে কাশিতে। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘এমন একটি সময়ের মধ্যে আমরা যাচ্ছি, যখন সারা দেশ গর্বিত।’’ বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তব্য রাখার আগে হর হর মহাদেব ধ্বনি তোলেন প্রধানমন্ত্রী। এবং তিনি বলেন, ‘‘মহাদেবের আশীর্বাদ যে ভূমিতে রয়েছে তা সমৃদ্ধ। বিগত ১০ বছর ধরে কাশিতে উন্নয়নের ঢোল বাজছে। আজ আবারও কাশির একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন হতে চলেছে।’’

    ভারতের চিরন্তন চেতনা হল কাশী

    কাশীকে এদিন সর্ববিদ্যার রাজধানী বলে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী এবং তিনি বলেন ‘‘গত ১০ বছরে কাশি অনেক বদলে গিয়েছে কাশী। উন্নয়নের গঙ্গা কাশীকে আশীর্বাদ করেছে। প্রধানমন্ত্রী (Modi In Varanasi) এদিন আরও বলেন যে কাশী শুধুমাত্র আমাদের একটি ধর্মীয় বিশ্বাসের কেন্দ্র নয় এটি ভারতের চিরন্তন চেতনা। একটা সময় ছিল যখন ভারতের সমৃদ্ধির গল্প সর্বত্র বলা হত। এর কারণ শুধু অর্থনৈতিক শক্তি নয়, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক সমৃদ্ধিও ছিল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Chandrachud: “ভোরে উঠে যোগা করি, ভেগান খাই”, সুস্থ থাকার ঝাঁপি খুললেন চন্দ্রচূড়

    Justice Chandrachud: “ভোরে উঠে যোগা করি, ভেগান খাই”, সুস্থ থাকার ঝাঁপি খুললেন চন্দ্রচূড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে যোগা করেন তিনি। তাতে ভালোও আছেন। কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি বিজেপির কোনও কর্মী কিংবা সমর্থক নন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর অনুগামীও নন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় (Justice Chandrachud)। বৃহস্পতিবার আয়ুশ হলিস্টিক ওয়েলনেস সেন্টারের উদ্বোধন করেন দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি। এই অনুষ্ঠানেই তিনি তুলে ধরেন নিজের দিনলিপি।

    ‘যোগা প্র্যাকটিশ করি’

    চন্দ্রচূড় বলেন, “আমি যোগা প্র্যাকটিশ করি। এজন্য ভোর সাড়ে তিনটেয় ঘুম থেকে উঠি। গত পাঁচ মাস ধরে আমি ভেগান ডায়েট (দুধ জাতীয় দ্রব্য বাদে নিরামিষ খাবার) মেনে চলছি। আমি সম্পূর্ণভাবে একটি নিরামিষ ডায়েট অনুসরণ করেছি ও আমি এটি চালিয়ে যাব। আমি জীবনের সামগ্রিক জীবনশৈলীর দিকে মনোনিবেশ করার চেষ্টা করছি, যেটা আপনি যা খান, তা থেকে শুরু হয়।”

    ‘অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ নিইনি’

    কোভিড-পর্বে করোনায় সংক্রমিত হয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি (Justice Chandrachud)। তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে ফোন করে খোঁজখবর নিয়েছিলেন। দিয়েছিলেন আশ্বাস। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “আমার মনে হয় আপনি কোভিডে সংক্রমিত হয়েছেন এবং আমি আশা করি সব কিছু ঠিক আছে। আমি বুঝতে পারছি যে আপনি ভালো নেই। তবে আমরা সব কিছু করব। একজন বৈদ্য রয়েছেন, যিনি আয়ুশের সেক্রেটারিও। আমি তাঁর সঙ্গে একটি ফোনের ব্যবস্থা করব, যিনি আপনাকে ওষুধ ও সমস্ত কিছু পাঠাবেন।” প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমি তিনবার করোনা সংক্রমিত হয়েছিলাম। একবারও অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ নিইনি।”

    আরও পড়ুুন: আকবর-সীতা বিতর্ক এড়াতে সিংহের নাম বদলের পরামর্শ হাইকোর্টের

    সুস্থ থাকতে যোগাভ্যাস যে জরুরি, তাও জানান শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, কেবল বিচারক ও তাঁদের পরিবার নয়, আদালতের সব কর্মীরও এমন জীবনশৈলী মেনে চলা উচিত। তাঁদের মাধ্যমে আমরা বার্তা দিতে পারি গোটা দেশে।” চন্দ্রচূড় বলেন, “এক বছর আগে আমি পঞ্চক্রম অনুশীলন করতে শুরু করি। আবারও শুরু করেছি। সুপ্রিম কোর্টে আমাদের সদস্য রয়েছেন দু হাজারেরও বেশি। আমাদের সহকর্মী এবং ৩৪ জন বিচারপতিও রয়েছে। নিত্যদিন আমাদের প্রচুর স্ট্রেসের মধ্যে কাজ করতে হয়। এই স্ট্রেস দূর করতেই নিয়মিত যোগা অভ্যাস করা জরুরি বলেও জানান দেশের প্রধান বিচারপতি (Justice Chandrachud)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Global Brokerage Firm: তিন বছরেই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তিনে আসবে ভারত, বলছে সমীক্ষা

    Global Brokerage Firm: তিন বছরেই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তিনে আসবে ভারত, বলছে সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কথাটা নানা সময় বলতে শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Global Brokerage Firm), বিভিন্ন সমীক্ষায়ও উঠে এসেছে যে তথ্য, সেটাই ফের প্রকাশ্যে এল আন্তর্জাতিক একটি সংস্থার সৌজন্যে। গ্লোবাল ব্রোকারেজ ফার্ম জেফেরিজ (Global Brokerage Firm) জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যেই বিশ্বের বৃহত্তম দেশের তালিকার তিন নম্বরে ঠাঁই করে নেবে ভারত।

    ১০ নম্বরে ছিল ভারত

    এই তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে আমেরিকা। তার ঠিক পরেই রয়েছে চিন। বিশ্ব বাজারে অর্থনীতির টালমাটাল দশা চললেও, মোদি জমানায় পোক্ত হয়েছে ভারতীয় অর্থনীতির ভিত। ২০১৪ সালে যখন কেন্দ্রের কুর্সিতে বসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার, তখন বিশ্ব অর্থনীতির তালিকার ১০ নম্বরে ছিল ভারত। মোদির দুই মেয়াদের জমানায় ভারতের জায়গা হয়েছে পাঁচে (Global Brokerage Firm)। দীর্ঘদিন এই জায়গাটা দখল করেছিল ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে ছ নন্বরে নামিয়ে ভারত জায়গা করে নেয় পাঁচে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, মোদির আমলে জিডিপি বেড়েছে। তার জেরেই চাঙা হয়েছে ভারতীয় অর্থনীতি। ওই ব্রোকারেজ ফার্মের দেওয়া তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, জিডিপি বেড়েছে সাত শতাংশ। বর্তমানে তা পৌঁছে গিয়েছে ৩.৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

    কী বলছে জেফেরিজ?

    জেফেরিজ নামের ওই ব্রোকারেজ ফার্মের অনুমান, আগামী চার বছরের মধ্যেই ভারতের জিডিপি বেড়ে হবে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। আর তা হলে জাপান এবং জার্মানিকে ছিটকে দিয়ে তিন নম্বর জায়গাটি দখল করবে ভারত। জানা গিয়েছে, জাপানে বর্তমানে চলছে মন্দা। আবার জার্মানির অর্থনীতিতে দেখা দিয়েছে স্লো-ডাউন। যদিও ভারতের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে রয়েছে শক্ত ভিতের ওপর। প্রত্যাশিতভাবেই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ভারতের জায়গা হবে ওপরের দিকে। অর্থনীতিবিদদের সিংহভাগের মতে, ভারতের এই জিডিপি বৃদ্ধির কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে শ্রমিকের জোগান, তেমনি রয়েছে স্থায়ী সরকার ও সুশাসন। জেফেরিজের দাবি, তাই ভারতের দিকেই আকৃষ্ট হচ্ছেন বিশ্বের লগ্নিকারীরা। এভাবে চলতে থাকলে ভারতের জিডিপির লেখচিত্র যে ঊর্ধ্বগামী হবে, তা বলাই বাহুল্য (Global Brokerage Firm)।

    আরও পড়ুুন: শাহজাহানের পর ভাই সিরাজ! তাঁর বিরুদ্ধেও জনরোষ, পথে মহিলারা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: আবগারি মামলায় ফের কেজরিওয়ালকে তলব ইডির, এই নিয়ে সাতবার

    Arvind Kejriwal: আবগারি মামলায় ফের কেজরিওয়ালকে তলব ইডির, এই নিয়ে সাতবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ফের তলব করল ইডি।  এ নিয়ে সপ্তমবার সমন জারি করা হল। আগে প্রতিবারই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন আপ প্রধান। এবার আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি হাজিরা দেওয়ার জন্য দিল্লি মুখ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ষষ্ঠতম সমন পাঠিয়ে গত ১৯ তারিখ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। কিন্তু আগের পাঁচবারের মতো সেবারও কেজরিওয়াল তলবে সাড়া দেননি। 

    আপ-এর বক্তব্য

    আম আদমি পার্টির তরফে দাবি করা হয়েছে, লোকসভা নির্বাচনে তিনি যাতে প্রচার করতে না পারেন তার চেষ্টাই করা হচ্ছে। কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করার উদ্দেশ্য নিয়েই এই সমন। কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে পঞ্চম সমন পাঠানোর পর ইডি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। এরপর দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে সশরীরে হাজিরা দিয়ে নিজের বক্তব্য পেশ করতে বলেছিলেন বিচারক। গত শনিবার আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। ওই দিন আদালতে ভার্চুয়ালি হাজিরা দিয়ে সশীরের হাজিরার জন্য অন্য এক দিন ধার্য করার আবেদন করেছিলেন অরবিন্দ। আপ সুপ্রিমোর সেই আবেদন মঞ্জুর করা হয়। আগামী ১৬ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য্য হয়েছে। তারই মধ্যে ফের তলব করা হল কেজরিওয়ালকে।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিই হোক পাখির চোখ, তাই কি বাতিল শাহি সফর?

    প্রায় দু’বছর হতে চলল দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা শিক্ষামন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া মদ দুর্নীতির মামলায় জেলে রয়েছেন। বিগত কয়েক মাস ধরে জেলবন্দি আপের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংও। ওই একই মামলায় এবার তলব খোদ কেজরিওয়ালকে। তবে, হাজিরা সংক্রান্ত মামলা আদালতে বিচারাধীন। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার আগে কীভাবে ইডি সমন জারি করে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আপ। প্রসঙ্গত, দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে প্রথম সমন পাঠানো হয়েছিল গত ২ নভেম্বর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Brahmos: আরও শক্তিশালী নৌসেনা, ১৯ হাজার কোটি টাকায় কেনা হচ্ছে ২০০ ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    Brahmos: আরও শক্তিশালী নৌসেনা, ১৯ হাজার কোটি টাকায় কেনা হচ্ছে ২০০ ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিবৃদ্ধি হতে চলেছে ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy)। রণতরীতে মোতায়েন করার জন্য ২০০টির বেশি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র (Brahmos) কেনার বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর জন্য প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার চুক্তি সম্পন্ন হতে চলেছে। সূত্রের খবর, বুধবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছিল ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি বা সিসিএস। সেখানেই এই মেগা চুক্তি অনুমোদন করা হয়। আগামী মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ও ব্রহ্মস অ্যারোস্পেসের মধ্যে প্রয়োজনীয় চুক্তি সম্পন্ন হবে।

    আরও পড়ুন: অত্যাধুনিক রেডার থেকে উন্নত অস্ত্র, আরও শক্তিশালী হচ্ছে বায়ুসেনার সুখোই-৩০

    বিশ্বের দ্রুততম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র

    ব্রহ্মস (Brahmos) সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগ তৈরি। বর্তমানে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎপাদন করা হয় এদেশই, ব্রহ্মস অ্যারোস্পেসের কারখানায়। ব্রহ্মসের গতি শব্দের প্রায় ৩ গুণ। এটি বিশ্বের দ্রুততম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। তার ওপর সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনে এটি বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর অস্ত্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এটি আকাশেই পথ পাল্টাতে সক্ষম। এমনকী, চলমান লক্ষ্যবস্তুও ধ্বংস করতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এটি মাত্র ১০ মিটার উচ্চতায় উড়তে সক্ষম, যার অর্থ শত্রু রেডার এটি ধরা পড়ে না। এটি যে কোনও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তকরণ ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে পারে। ফলে, এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থার মাধ্যমে একে আটকানো কার্যত অসম্ভব।

    পাল্লা বেড়ে ৪৫০ কিমি

    ব্রহ্মস (Brahmos) এমন একটি ক্ষেপণাস্ত্র যাকে স্থল, জাহাজ, বিমান এমনকী সাবমেরিন থেকেও নিক্ষেপ করা যায়। এই মিসাইল ২০০ কেজি ওজনের পারমাণবিক বোমা বহন করতে সক্ষম। প্রথমদিকে, ব্রহ্মসের পাল্লা ছিল ২৯০ কিমি। কিন্তু, আধুনিক সংস্করণের পাল্লা বেড়ে হয়েছে ৪৫০ কিমি। বর্তমানে, ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) অন্যতম প্রধান অস্ত্র হয়ে উঠেছে ব্রহ্মস। এই ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বশেষ অধিক পাল্লার সংস্করণই কিনতে চলেছে নৌসেনা। জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে ভারতীয় নৌসেনার এখন প্রথম পছন্দ ব্রহ্মস। 

    আরও পড়ুন: অবসরে রুশ ‘টি-৭২’! ৫৭ হাজার কোটি ব্যয়ে সেনায় আসছে দেশীয় ‘এফআরসিভি’ যুদ্ধট্যাঙ্ক

    বিশ্বের নজর কেড়েছে ব্রহ্মস

    শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বের নজর কেড়েছে ব্রহ্মস (Brahmos)। ফিলিপিন্স কিনছে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এর জন্য ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের চুক্তি বেশ কিছুদিন আগেই সম্পন্ন হয়েছে। এমনকী, মার্চ মাসেই শুরু হতে চলেছে ব্রহ্মসের লঞ্চার ও কন্ট্রোল সিস্টেম পাঠানোর প্রক্রিয়া। পরবর্তীকালে, পাঠানো হবে ক্ষেপণাস্ত্র। ফিলিপিন্স ছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একাধিক দেশ এই ক্ষেপণাস্ত্রকে নিজের অস্ত্রাগারে জায়গা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • BJP: “কংগ্রেস-সমাজবাদী পার্টির জোট হবে না”, কেন বললেন বিজেপি নেতা?

    BJP: “কংগ্রেস-সমাজবাদী পার্টির জোট হবে না”, কেন বললেন বিজেপি নেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিরোধে পূর্ণ। তাই কংগ্রেস-সমাজবাদী পার্টির জোট হবে না।” এমনই মত পোষণ করলেন বিজেপির (BJP) উত্তরপ্রদেশের প্রধান ভূপেন্দ্র চৌধুরী। বিজেপির এই নেতার প্রশ্ন, “সতেরোর উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে ভোটাররা যে জোটকে প্রত্যাখান করেছিলেন, সেই জোট এবার ম্যাজিক কিছু করে ফেলবে, তা কীভাবে সম্ভব?”

    ‘ইন্ডি’র অন্দরে অশান্তি

    বিজেপিকে ধরাশায়ী করতে জোট বেঁধেছিল ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছিল ‘ইন্ডি’। জন্মলগ্ন থেকেই অশান্তির চোরা স্রোত বইছে ‘ইন্ডি’র অন্দরে। ‘ইন্ডি’ জোটে রয়েছে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টিও। রয়েছে কংগ্রেসও। সেই কংগ্রেসের সঙ্গে কোনওরকম আলোচনা না করে দু’ দফায় তিরিশটিরও বেশি আসনে একতরফা প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছেন সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ। সম্প্রতি সেই অখিলেশকেই ‘অখিলেশ ওয়াকিলেশ’ সম্বোধন করেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।

    কী বললেন বিজেপি নেতা?

    ভূপেন্দ্র বলেন, “কংগ্রেস অখিলেশকে অখিলেশ ওয়াকিলেশ সম্বোধন করেছে। আর অখিলেশের দল কংগ্রেসকে চালু পার্টি বলেছে। এই যখন অবস্থা, তখন দুই দলের জোট হবে কীভাবে?” উত্তরপ্রদেশে (BJP) অখিলেশের দল ১৭টি আসন ছাড়তে রাজি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে উত্তরপ্রদেশ বিজেপির প্রধান বলেন, “উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস সমাজবাদী পার্টিকে ১৭টি আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাদের মাত্র একজন সাংসদ রয়েছেন, বিধায়ক রয়েছেন দুজন। এবং যাঁদের নেতারা উত্তরপ্রদেশকে ভার্চুয়ালি এড়িয়ে চলছেন। এটা প্রমাণ করে সমাজবাদী পার্টির আত্মবিশ্বাসের অভাব ঠিক কতটা। ভোটাররা জানতে চান, সতেরোর নির্বাচনে যে জোটকে মানুষ ছুড়ে ফেলেছিল, কোন জাদুবলে তাদের ফের গ্রহণ করবে মানুষ।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিই হোক পাখির চোখ, তাই কি বাতিল শাহি সফর?

    তিনি বলেন, “এই যে জোট, এটা ব্যর্থ হবে। কারণ এটি রাজনৈতিক দলের জোট, মানুষের নয়। এই জোটে রয়েছে এমন একটি দল যারা অযোধ্যায় করসেবকদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল। আর অন্য দলটি তো আবার ভগবান রামের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে।” কেবল অখিলেশের পার্টিই নয়, ‘ইন্ডি’ জোটের মধ্যে বিদ্রোহ করেছে আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলও। জোটের অন্যতম উদ্যোক্তা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার তো আবার জোট ছেড়ে বেরিয়ে গিয়ে ভিড়ে গিয়েছেন গেরুয়া শিবিরে। তাই ‘ইন্ডি’ জোটের ভবিষ্যৎ কী, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে জোটের অন্দরেও।

    এহেন জোট কীভাবে বিজেপিকে ধাক্কা দেবে, তা বুঝতে পারছেন না রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

     
     
  • Hindu Temple: হিন্দু মন্দিরে কর চাপানোর সিদ্ধান্ত কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের, আন্দোলনের ঘোষণা বিজেপির

    Hindu Temple: হিন্দু মন্দিরে কর চাপানোর সিদ্ধান্ত কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের, আন্দোলনের ঘোষণা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকে বিতর্কে কংগ্রেস সরকার। সে রাজ্যের সরকার বিধানসভায় ‘কর্নাটক হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং দাতব্য সংস্থা বিল’ পাস করিয়েছে। এরফলে কর বসতে চলেছে হিন্দু মন্দিরগুলিতে (Hindu Temple)। কংগ্রেস সরকারের এমন সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। কর্নাটক সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘হিন্দু বিরোধী’ হিসাবেও আখ্যা দিয়েছে গেরুয়া শিবির। শুধুমাত্র হিন্দু মন্দির ও হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতেই (Hindu Temple) কর বসানোর এমন সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    বছরে ১ কোটির বেশি অনুদান পাওয়া মন্দিরগুলিতে ১০ শতাংশ কর

    কর্নাটকের কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার সরকার বিধানসভায় যে বিল পাশ করেছে, তাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে বছরে ১ কোটি টাকার বেশি অনুদান পাওয়া মন্দির এবং অন্য হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হবে। অন্যদিকে ১০ লাখ থেকে  ১ কোটি টাকা বার্ষিক আয় যে মন্দিরগুলির (Hindu Temple), সেখানে করের হার হবে ৫ শতাংশ। এমনিতেই বেশ কয়েকটি সমীক্ষা অনুযায়ী কর্নাটকে লোকসভা ভোটে বিজেপির অভূতপূর্ব সাফল্যের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কংগ্রেস সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ফলে সে রাজ্যে বিজেপির পক্ষে হাওয়া আরও বাড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    কী বলছেন কর্নাটক বিজেপির সভাপতি?

    কর্নাটকের রাজ্য বিজেপির সভাপতি বিজয়েন্দ্র এবিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমাদের রাজ্যের কংগ্রেস সরকার ধারাবাহিক ভাবে হিন্দুবিরোধী নীতি গ্রহণ করছে। এ বার হিন্দু মন্দিরের অনুদানের দিকেও কুটিল দৃষ্টি দিয়েছে।’’ ভগবানের উদ্দেশে ভক্তরা যা দান করেন, তাতে কীভাবে কর বসাতে পারে সরকার? এমন প্রশ্নও তুলেছেন সে রাজ্যের গেরুয়া শিবিরের প্রধান। হিন্দু ভক্তদের (Hindu Temple) নিয়ে বিজেপি, কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতির মতে, ভক্তদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে এভাবেই প্রতারণা করছে কংগ্রেস সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Sikkim Snowfall: প্রবল তুষারপাত! সিকিমে আটকে বহু, ৫০০ পর্যটককে উদ্ধার সেনার

    Sikkim Snowfall: প্রবল তুষারপাত! সিকিমে আটকে বহু, ৫০০ পর্যটককে উদ্ধার সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুষারপাতে বিধ্বস্ত সিকিম (Sikkim Snowfall)। পূর্ব সিকিমের নাথুলায় হঠাতই প্রবল তুষারপাতের জেরে প্রায় ১৭৫টি যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আটকে পড়েন কলকাতা-সহ অন্যান্য স্থানের শতাধিক পর্যটক। তাঁদের উদ্ধারে সেনা নামানো হয়েছে। সেনা জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ৫০০ পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

    উদ্ধারে সেনাবাহিনীর ত্রিশক্তি কোর

    সেনা সূত্রে খবর, বুধবার আচমকাই উত্তর সিকিমের নাথুলা অঞ্চল-সহ বেশ কিছু এলাকায় ভারী তুষারপাত ঘটে। যার ফলে উত্তর সিকিমের সেই সব জায়গায় বেড়াতে আসা কলকাতা-সহ দেশের অন্যান্য অংশের বহু পর্যটক তুষারপাতের কবলে পরে। অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রতিরক্ষা দফতরের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, আটকে থাকা পর্যটকদের উদ্ধার করতে, প্রবল ঠান্ডা উপেক্ষা করে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর ত্রিশক্তি কোরের জওয়ানরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। নিরাপদে পর্যটকদের বার করে আনতে প্রাথমিক চিকিৎসা, ওষুধপত্র, গরম খাবার এবং নিরাপদ পরিবহণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আটকে পড়া যানগুলিকে উদ্ধার করা হয়েছে, উদ্ধার করা হয়েছে আটক পর্যটকদেরও।

    সেনার সহমর্মিতায় আপ্লুত পর্যটকরা

    সকাল থেকে বৃষ্টি ও তুষারপাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও বিকেল থেকে পূর্ব সিকিমের নাথুলাতে ব্যাপক তুষারপাত শুরু হয়। অবিরাম তুষারপাতের ফলে কমে আসে দৃশ্যমানতা। বন্ধ হয়ে যায় গাড়ি চলাচল। আটকে পড়েন পর্যটকরা। শূন্য ডিগ্রি তাপমাত্রায় উদ্ধারে নামে সেনা। উদ্ধার হওয়া পর্যটকদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁদের ছাউনিতেই চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়৷ তুষারপাত থেকে বাঁচতে পর্যটকদের হাতে প্রয়োজনীয় সামগ্রীও তুলে দেওয়া হয়। সেনা জওয়ানদের এহেন ভূমিকায় আপ্লুত পর্যটকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Fali Nariman: আইন জগতের ‘পিতামহ ভীষ্ম’ নরিম্যানের প্রয়াণে দেশজুড়ে শোকের ছায়া

    Fali Nariman: আইন জগতের ‘পিতামহ ভীষ্ম’ নরিম্যানের প্রয়াণে দেশজুড়ে শোকের ছায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক যুগের অবসান। প্রবীণ আইনজীবী ফলি স্যাম নরিম্যান (Fali Nariman) প্রয়াত হলেন বুধবার। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া বিভিন্ন মহলে। ভারতের আইন জগতে তিনি ছিলেন অন্যতম কিংবদন্তী। এদিন দিল্লিতে নিজের বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সুপ্রিম কোর্টের এই প্রবীণ আইনজীবী। জানা গিয়েছে, বার্ধক্যজনিত নানা অসুস্থতায় দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী রবিশঙ্কর প্রসাদও শোকপ্রকাশ করেন নরিম্যানের মৃত্যুতে।

    এক পার্সি পরিবারে জন্ম হয় নরিম্যানের

    নরিম্যানের (Fali Nariman) জন্ম হয় সাবেক বর্মার রেঙ্গুনে (অধুনা মায়ানমারের ইয়াঙ্গন)। ১৯২৯ সালের ১০ জুলাই এক পার্সি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। স্কুল জীবন সম্পূর্ণ করেন সিমলায়। এরপর উচ্চ শিক্ষার জন্য আসেন মুম্বইতে। তৎকালীন বম্বের সেন্ট জেভিয়ার্স থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক হন আইনজীবী। তার পর মুম্বইয়ের সরকারি কলেজে আইন নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। কাডজ শুরু করেন বম্বে হাইকোর্টের আইনজীবী হিসাবে।

    দেশের আইন জগতে তিনি ‘পিতামহ ভীষ্ম’

    ২২ বছর তিনি বম্বে হাইকোর্টে আইনজীবী (Fali Nariman) হিসাবে প্রাকটিস করেন। এরপর দিল্লিতে এসে সুপ্রিম কোর্টে যোগ দেন তিনি। সেখানেই আইনজীবী হিসাবে দীর্ঘ দিন কাজ করেন। অনেক বড় বড় মামলায় তিনি সওয়াল করেছেন। আন্তর্জাতিক আইনজীবী মহলেও তিনি বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। দেশের আইন জগতে তিনি ‘পিতামহ ভীষ্ম’ নামে পরিচিত ছিলেন তিনি। ১৯৮৪ সালে ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ৩,৮০০ মানুষের। সেই মামলায় ইউনিয়ন কার্বাইডের পক্ষে মামলা লড়েন নরিম্যান। এই মামলা লড়ার জন্য পরে অবশ্য আক্ষেপও শোনা গিয়েছিল তাঁর মুখে।

    পেয়েছেন একাধিক সম্মান

    আইন জগতে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য নরিম্যান (Fali Nariman) পেয়েছেন একাধিক সম্মান। ১৯৯১ সালেই তাঁকে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়। ২০০৭ সালে তিনি পান পদ্মবিভূষণ সম্মান। ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ছিলেন। ১৯৭৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর দেশে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ছিলেন তিনি। তার পরই অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেলের পদ থেকে ইস্তফা দেন। দীর্ঘ সময় ভারতের বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির পদও অলঙ্কৃত করেছেন নরিম্যান। ১৯৯৯ সালে তাঁকে রাজ্যসভার সদস্য হিসাবে মনোনীত করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি কেআর নারায়ণন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share