Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • TMCs Earnings: নির্বাচনী বন্ডে আঞ্চলিক দল তৃণমূলের আয় কত জানেন?

    TMCs Earnings: নির্বাচনী বন্ডে আঞ্চলিক দল তৃণমূলের আয় কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় দলের তকমা ঘুচেছে আগেই। শিবরাত্রির সলতের মতো টিমটিম করে কেবল একটি রাজ্যেই রাজত্ব করে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এহেন ‘ক্ষয়িষ্ণু’ একটি দলের এক বছরে আয় বেড়েছে প্রায় ১২ গুণ। নির্বাচনী বন্ড থেকে তাদের আয় (TMCs Earnings) হয়েছে মোট চাঁদার ৯৭ শতাংশেরও বেশি।

    নির্বাচনী বন্ড

    ২০১৮ সালে নির্বাচনী বন্ড চালু করেছিল নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। কোনও ব্যক্তি বা কর্পোরেট সংস্থা রাজনৈতিক দলকে চাঁদা দিতে চাইলে নির্বাচনী বন্ড কিনতে হয়। সেই বন্ড বিক্রির দায়িত্বে থাকে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। বৃহস্পতিবার, নির্বাচনী বন্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে সুপ্রিম কোর্ট। এর পরই, শীর্ষ আদালতের সেই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি দিতে দেখা যায় তৃণমূলের মুখপাত্রকে। অথচ, গত ২ বছর ধরে, শতাংশের বিচারে এই তৃণমূল দলই সবচেয়ে বেশি আয় করেছে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমেই! অর্থাৎ, নির্বাচনী বন্ডের সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছিল তৃণমূল, আর সেই দলই কিনা এদিন নিষেধাজ্ঞাকে সাধুবাদ জানাচ্ছে!

    ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারে’ কত পড়ল?

    জানা গিয়েছে, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে তৃণমূলের ঝুলিতে পড়েছিল প্রায় ৪১ কোটি টাকা। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে সেটাই বেড়ে হয়েছে ৫২৫ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা। যা ছিল মোট আয়ের (৫৪৫ কোটি ৭৪ লক্ষ)  ৯৬ শতাংশ। ফি বছর প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে দিতে হয় আয়-ব্যয়ের হিসেব। সেই রিপোর্টেই জানা গিয়েছে নির্বাচনী বন্ডের আয়ে উপচে পড়ছে তৃণমূলের ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’।

    গত অর্থবর্ষে (২০২২-২৩) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের আয় (TMCs Earnings) হয়েছে ৩৩৩ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৯৭ শতাংশই (৩২৫ কোটি ১০ লক্ষ টাকা) এসেছে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে। বাকি ৮ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা আয় হয়েছে সদস্যদের চাঁদা, মুখপাত্রের গ্রাহক চাঁদা এবং অর্থসংগ্রহ কর্মসূচির মাধ্যমে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সন্দেশখালিতে যে আওয়াজ উঠেছে, তাকে আটকানো যাবে না’’, হুঙ্কার মিঠুনের

    অ-বিজেপি দলগুলির আয়

    আরেকটি আঞ্চলিক দল ডিএমকের কোষাগারে নির্বাচনী বন্ড বাবদ জমা পড়েছে মোট আয়ের ৮৬.৩০ শতাংশ। বিজু জনতা দলের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ৮৩.৯৫ শতাংশ। ভারত রাষ্ট্র সমিতি এই খাতে আয় করেছে ৭১.৭১ শতাংশ টাকা। আর নির্বাচনী বন্ডে ৬৯.৫২ শতাংশ টাকা আয় করেছে ওয়াইএসআরসিপি। সব চেয়ে করুণ দশা গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি কংগ্রেসের। বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডি’তে যেসব আঞ্চলিক দল রয়েছে, তাদের মধ্যে বোধহয় নির্বাচনী বন্ডে সব চেয়ে কম আয় হয়েছে সোনিয়া গান্ধীর দলের। এই খাতে কংগ্রেসের আয় শতাংশের হিসেবে মাত্রই ৩৭.৮০ টাকা (TMCs Earnings)।

    এবার তাকানো যাক বিজেপির আয়ের দিকে। কেন্দ্রের পাশাপাশি দেশের সব চেয়ে বেশি রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে পদ্ম-পার্টি। অঙ্কের হিসেবে তাদের আয় (TMCs Earnings) সবচেয়ে বেশি। তবে শতাংশের বিচারে বিজেপির আয় তৃণমূলের আয়ের কাছে নেহাতই শিশু। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে নির্বাচনী বন্ডে গেরুয়া ঝুলিতে পড়েছে মোট আয়ের মাত্র ৫৪.৮১ শতাংশ টাকা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
  • Manipur Clash: ফের অশান্তির আগুন মণিপুরে, মৃত ২, জখম অন্তত ২৫

    Manipur Clash: ফের অশান্তির আগুন মণিপুরে, মৃত ২, জখম অন্তত ২৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও অশান্তির আগুন মণিপুরে (Manipur Clash)। এক হেড কনস্টেবলের সাসপেনশনকে কেন্দ্র করে এবারের অশান্তির সূত্রপাত। ঘটনায় এসপি অফিসে তাণ্ডব চালায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। এর পরেই নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে তাদের। বৃহস্পতিবার রাতের ওই ঘটনার জেরে চূড়াচাঁদপুর এলাকায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।

    তাণ্ডব জনতার

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রাতে চূড়াচাঁদপুরে এসপি এবং ডিসির অফিসে হামলা চালায় ৩০০ থেকে ৪০০ মানুষের একটি দল (Manipur Clash)। সরকারি সম্পত্তি তছনছ করার পাশাপাশি গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় তারা। তার পরেই পাঁচ দিনের জন্য এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন।

    সংঘর্ষে মৃত ২

    একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা (Manipur Clash) যায়, চূড়াচাঁদপুর জেলার এক হেড কনস্টেবলকে কয়েকজন সশস্ত্র লোকের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকতে। ভিডিওটি ভাইরাল হতেই ঘটনাটি নজরে পড়ে পুলিশের বড় কর্তাদের। এর পরেই সাসপেন্ড করা হয় তাঁকে। ওই হেড কনস্টেবলের সাসপেনশন প্রত্যাহারের দাবি ওঠে। সেই দাবি জানিয়েই ওই রাতে এসপি অফিসে তাণ্ডব চালায় উন্মত্ত জনতা। নিরাপত্তাবাহিনীর বেশ কয়েকটি বাস, ট্রাকে আগুন লাগিয়ে দেয় জনতা। উন্মত্ত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কয়েক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় নিরাপত্তা বাহিনী। দু পক্ষের সংঘর্ষে কুকি-জো অধ্যুষিত এই এলাকায় মৃত্যু হয় দু জনের। জখম হয়েছেন অন্তত ২৫ জন।

    আরও পড়ুুন: মিলবে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারের’ থেকে বেশি টাকা, বিজেপি-র প্রচারে এবার ‘লাডলি বহেনা’

    সোশ্যাল মিডিয়ায় মণিপুর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, তিন-চারশো জনের একটি দল এসপি অফিসে তাণ্ডব চালানোর চেষ্টা করে। তারা পাথর ছুড়তে থাকে। জনতাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে নামানো হয় ব়্যাফ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। চূড়াচাঁদপুর জেলা পুলিশের কনস্টেবল সিয়ামলালপলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনি কয়েকজন অস্ত্রধারী নাগরিকের সঙ্গে ভিডিও তৈরি করছেন। সিয়ামলালপলকে বিনা অনুমতিতে রাজ্যের বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    এদিকে, ইন্ডিজেনাস ট্রাইবাল লিডার্স ফোরামের তরফে এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়েছে এসপি শিবাবনন্দকেই। ফোরামের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এসপি স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজকর্ম করছেন না। আমরা তাঁকে কোনও আদিবাসি এলাকায় থাকতে দেব না। এখনই ওই কনস্টেবলের ওপর থেকে সাসপেনশন তুলে নিতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই জেলা ছেড়ে চলে যেতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে যে কোনও রকম পরিস্থিতির জন্য এসপি শিবানন্দ সার্ভে দায়ী থাকবেন (Manipur Clash)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়াকে তলব ইডির

    Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়াকে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষকাণ্ডে বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra) তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আগামী সোমবারই ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন ওই সাংসদকে। বৃহস্পতিবারই ইডির তরফে সমন পাঠানো হয় তাঁকে। জানা গিয়েছে, বিদেশি মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘন করার একটি মামলায় তাঁকে তলব করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেতা দেবকে তলব করেছে ইডি। তলব এসেছে মুকুল রায়েরও। এরই মধ্যে মহুয়াকে তলবের খবর সামনে এল। তবে মহুয়া যাবেন কি না, তা প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

    ১৯ ফেব্রুয়ারি তলব মহুয়াকে

    ইডি সূত্রে খবর, আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার দফতরে মহুয়াকে জবানবন্দি দিতে বলা হয়েছে। তাঁর সেই জবানবন্দি ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট (ফেমা) আইনের অধীনেই রেকর্ড করা হবে বলেও জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, সিবিআইও পৃথক তদন্ত করছে মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে ৷ লোকপালের নির্দেশ মতো মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত করছে সিবিআই। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে লোকসভায় প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার অভিযোগ এনেছিলেন। প্রসঙ্গত, লোকসভার এথিক্স কমিটিই সুপারিশ করে দর্শন হীরানন্দানি ও মহুয়ার (Mahua Moitra) লেনদেনের বিষয়টি তদন্ত করার জন্য। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, ওই আর্থিক বিষয়ে তদন্ত করার মতো প্রযুক্তিগত কাঠামো কমিটির নেই। তাই যেন সরকার তার তদন্ত করে।

    ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন!

    গত ডিসেম্বরেই সাংসদ পদ যায় মহুয়ার। মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি দুবাই-কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে উপহার ও টাকা নিয়ে সংসদে শিল্পপতি গৌতম আদানির সংস্থার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেই প্রশ্নে তিনি আদানির সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। সাংসদের লগইন আইডি ও পাসওয়ার্ডও দর্শনকে মহুয়া দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ছিল ঝাড়খণ্ডের বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের। একই অভিযোগ করেছিলেন মহুয়ার প্রাক্তন বন্ধু আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: গুজরাট থেকে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা

    JP Nadda: গুজরাট থেকে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda) ফের রাজ্যসভায় নির্বাচিত হতে চলেছেন। ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট রয়েছে রাজ্যসভায়। এর আগে বেশ কয়েকটি রাজ্যের রাজ্যসভায় প্রার্থী তালিকা সামনে এলেও গুজরাট ও মহারাষ্ট্রের প্রার্থা তালিকা বুধবারই ঘোষণা করে গেরুয়া শিবির। সম্প্রতি, কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক চহ্বাণ। তাঁকেও রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে গেরুয়া ব্রিগেড। গেরুয়া শিবিরের অন্দরের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে অশোক চহ্বাণ বিজেপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য তার নমিনেশন পত্র জমা দেওয়ার জন্য মাত্র দু’দিন সময় হাতে ছিল। তাই মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির আঞ্চলিক কার্যালয়ে আসেন। সেখানে উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ এবং রাজ্য সভাপতি চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলের উপস্থিতিতে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন।

    কোন রাজ্যে কে প্রার্থী হলেন? 

    বর্তমানে হিমাচল প্রদেশ থেকে রাজ্যসভার সদস্য রয়েছেন জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। এবার গুজরাট থেকে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল দল। বুধবার বিজেপির প্রকাশিত তালিকায় দেখা যাচ্ছে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে মহারাষ্ট্র থেকে অশোক চহ্বাণ ছাড়া রয়েছেন মেধা কুলকার্নি এবং ডাঃ অজিত গোপছাদে। এবং গুজরাটের তিনজন প্রার্থী হলেন গোবিন্দভাই ধোলাকিয়া, মায়াঙ্কভাই নায়ক এবং ডাঃ যশবন্তসিংহ পারমার। বর্তমানে রেলমন্ত্রী থাকা অশ্বিনী বৈষ্ণবকে ফের ওড়িশা থেকেই রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ থেকে দল রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে শমীক ভট্টাচার্যকে।

    ১৯৯৩ সালে প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হন নাড্ডা

    বর্তমান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিমাচল প্রদেশ থেকে তিনবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৯৩ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত। হিমাচল প্রদেশের সরকারে ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী (JP Nadda)। ২০১৪ সালে, তিনি প্রথমবারের মতো রাজ্যসভার সাংসদ হন। ২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত নাড্ডা কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ড স্কিম সাংবিধানিক নয়, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ড স্কিম সাংবিধানিক নয়, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী বন্ড (Electoral Bond) মামলায় রায় শোনাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের মতে, নির্বাচনী বন্ড স্কিম সাংবিধানিক নয়। ফলে, তা বাতিল হওয়া উচিত। বৃহস্পতিবার, সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ সর্বসম্মতিক্রমে জানিয়েছে, বেনামি নির্বাচনী বন্ডের ফলে সংবিধানে প্রদত্ত বাকস্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘিত হয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “রাজনৈতিক দলের ইলেকটোরাল বন্ড বা নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলিকে আর্থিক সাহায্য আদতে নাগরিকের তথ্যের অধিকার লঙ্ঘন করে। এই আইন অসাংবিধানিক।”

    ঠিক কী বলেছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)?

    গত বছর ২ নভেম্বর শীর্ষ আদালতে এই মামলার (Electoral Bond) শুনানি শেষ হয়েছিল। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ এদিন এই মামলার রায় দিয়েছে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, “নির্বাচনী বন্ড অসাংবিধানিক ও বিধিবহির্ভূত। ইলেকটোরাল বন্ডের ব্যবস্থায় ‘কুইড প্রো কো’ (অর্থাৎ রাজনৈতিক দল ও আর্থিক অনুদানকারীর মধ্যে সুবিধার সম্পর্ক) তৈরি হতে পারে। পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ সর্বসম্মতিতেই নির্বাচনী বন্ডকে অসাংবিধানিক ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” বেঞ্চের বাকি সদস্যরা হলেন, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি বিআর গাভাই, বিচারপতি জেবি পাদরিওয়ালা এবং মনোজ মিশ্র। এদিন শীর্ষ আদালতের  (Supreme Court) তরফে স্টেট ব্যাঙ্ককে নির্বাচনী বন্ড (Electoral Bond) বিক্রি বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছে, কে বা কারা আর্থিক অনুদান প্রদান করেছে, সেই তথ্য হাতে আসার এক সপ্তাহের মধ্যে জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।

    নির্বাচনী বন্ড কী?

    ২০১৮ সালে নির্বাচনী বন্ড বা ইলেকটোরাল বন্ড আনা হয়েছিল। এই নিয়মে নিয়মে কোনও ব্যক্তি বা কর্পোরেট সংস্থা যদি কোনও রাজনৈতিক দলকে আর্থিক সাহায্য করতে চায়, তবে তারা বন্ড কিনে সংশ্লিষ্ট দলকে দিতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলি সেই বন্ড ভাঙিয়ে নিতে পারবে। ওই নির্বাচনী বন্ড প্রকল্পের আওতায় যে কোনও ভারতীয় নাগরিক নির্বাচনী বন্ড কিনতে পারেন। কিন্তু কে, কত টাকা বন্ডের মাধ্যমে অনুদান দিচ্ছেন, সেই তথ্য প্রকাশ করা হবে না। ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার, ১ লক্ষ, ১০ লক্ষ ও ১ কোটি টাকা অবধি বন্ড পাওয়া যায় স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ায়। এই বন্ডে কোনও সুদ দেওয়া হয় না। নিয়ম অনুযায়ী, শেষ লোকসভা নির্বাচন বা বিধানসভা নির্বাচনে যত ভোট পড়েছে, তার এক শতাংশের কম ভোট পায়নি, সেই দলগুলিকেই শুধুমাত্র নির্বাচনী বন্ড (Electoral Bond) কেনার অনুমতি দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন নাড্ডার, রিপোর্ট জমা পড়বে কেন্দ্রের কাছে

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন নাড্ডার, রিপোর্ট জমা পড়বে কেন্দ্রের কাছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali) এবার উচ্চপর্যায়ের ছয় সদস্যের দলীয় কমিটি তৈরি করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সন্দেশখালির ঘটনায় মহিলাদের উপর যে অত্যাচার চলেছে এবার সেই বিষয় পূর্ণাঙ্গভাবে দলীয় তদন্ত করবে এই কমিটি। এর পাশাপাশি রাজ্যের আইন ও শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে বলেও অভিযোগ করেন বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডা৷ সন্দেশখালি নিয়ে ক্রমশ চড়ছে পারদ। তৃণমূলের নেতা শেখ শাহজাহান এখনও ইডির হাত থেকে বাঁচতে ফেরার। দীর্ঘদিনের ক্ষোভ, বঞ্চনার বহিঃপ্রকাশ বিগত কয়েকদিন ধরেই দেখা গিয়েছে সেখানে। হাজার হাজার মহিলা লাঠি-ঝাঁটা হাতে প্রতিবাদে নেমেছেন। সন্দেশখালির সমর্থনে আন্দোলনের তেজ বাড়িয়েছে রাজ্য বিজেপি। এরই মধ্যে সামনে দলীয়স্তরে বিজেপির তদন্ত কমিটি।

    কমিটিতে কারা রয়েছেন?

    সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) মহিলাদের উপর যে অত্যাচার করা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা করেন নাড্ডা। মহিলাদের উপর অত্যাচারকে তিনি ‘হৃদয় বিদারক’ বলেও উল্লেখ করেন৷ ছয় সদস্যের এই দল সন্দেশখালি গিয়ে পুরো ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করবে বলে জানা গিয়েছে। তদন্তে যে রিপোর্ট উঠে আসবে তা কেন্দ্রকে জমা দেওয়া হবে৷ এই উচ্চস্তরীয় কমিটিতে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক, সাংসদ সুনীতা দুগ্গাল, সাংসদ কবিতা পাতিদার, সাংসদ সঙ্গীতা যাদব এবং উত্তরপ্রদেশের রাজ্যসভার সাংসদ ব্রিজ লাল। তবে ঠিক কবে এই কমিটির সদস্যরা রাজ্যে আসবেন, তা এখনও জানা যায়নি৷ সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচার নিয়ে বিজেপি’র সর্বভারতীয় সভাপতি নাড্ডা বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার বোবা, সব দেখছে৷ সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনাক্রমে মহিলাদের উপর যে অত্যাচারের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি একেবারে ভেঙে পড়েছে৷’’

    সন্দেশখালিকাণ্ডে কেন্দ্রকে রিপোর্ট রাজ্যপালের

    সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রিপোর্ট জমা দিলেন রাজ্যপাল। এর পাশাপাশি মমতা সরকারের উদ্দেশে একগুচ্ছ পরামর্শও দিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। মূল অভিযুক্ত ও তাঁর শাগরেদদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে বলেছেন তিনি। সন্দেশখালির ঘটনা খতিয়ে দেখতে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্তেরও কথাও বিবেচনা করে দেখার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যপাল বোস। সন্দেশখালিকাণ্ডে মহিলাদের ওপর হওয়া অত্যাচারের বিষয়ে রাজ্যের কাছে রিপোর্টও তলব করেছেন রাজ্যপাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: ১৯৬১-র পরে আসা শরণার্থীদের ‘নির্বাসিত’ করা হবে, ঘোষণা মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর

    Manipur: ১৯৬১-র পরে আসা শরণার্থীদের ‘নির্বাসিত’ করা হবে, ঘোষণা মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে অনুপ্রবেশ এবং অবৈধ বসবাস ঠেকানোর উদ্দেশে বড় ঘোষণা করলেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং।  মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং স্পষ্ট জানিয়েছেন, ১৯৬১ সালের পর যাঁরা মণিপুরে এসে থাকছেন, তাঁদের রাজ্য ছেড়ে চলে যেতে হবে। তিনি জানান, প্রতিবেশী রাষ্ট্র মায়ানমার থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এবং মাদক মাফিয়ারাই মণিপুরের চলমান অশান্তির জন্য দায়ী। তাই অনুপ্রবেশ রুখতে, যাঁরা অবৈধ ভাবে রাজ্যে বসবাস করছেন, তাঁদের চিহ্নিত করে ‘নির্বাসিত’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    লোকসভা ভোটের আগে সিএএ চালু করার ইঙ্গিত দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার মধ্যে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণা সিএএ-কে সমর্থনের একটা ধাপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। গত সোমবার ‘প্রোজেক্ট বুনিয়াদ’ প্রকল্পের উদ্বোধনে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ১৯৬১ সালের পর রাজ্যে অনেক মানুষ এসে বসবাস শুরু করেছেন। জাতি ও গোষ্ঠী নির্বিশেষে তাঁদের চিহ্নিত করা হবে। মণিপুরের ‘ইনার লাইন পারমিট সিস্টেম’কে কার্যকরী করতেই ১৯৬১ সালকে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘ওই সালের পর যাঁরা রাজ্যে অবৈধ ভাবে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের চিহ্নিত করে নির্বাসিত করা হবে।’’

    আরও পড়ুন: ভারতীয়দের জন্যই আরব আমিরশাহির সর্বোচ্চ সম্মান পেয়েছেন, বললেন মোদি

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে জুন মাসে ১৯৬১ সালের পর মণিপুরে বসবাসকারীদের বিদেশি শরণার্থীদের চিহ্নিতকরণ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব বিধানসভায় গ্রহণ করা হয়েছিল। ইনার লাইন পারমিট কার্যকর করার জন্য রাজ্যের বাসিন্দাদের নেটিভ স্টেটাস নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে, কবে থেকে এই কাজ শুরু হবে, তা নিয়ে কিছু জানাননি মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী। গত বছর মে মাস থেকে মণিপুরে শুরু হয়েছে গোষ্ঠী সংঘর্ষ। রাজ্যে জাতি সংঘর্ষ আটকানো সরকারের কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India UAE Relation: মোদির আমিরশাহি সফরে স্বাক্ষরিত হল ১০ চুক্তি, জানেন কী কী?

    India UAE Relation: মোদির আমিরশাহি সফরে স্বাক্ষরিত হল ১০ চুক্তি, জানেন কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ নিয়ে গত ক’মাসে তিনি প্রায় পাঁচ বার গেলেন সেদেশে। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী পৌঁছন আবু ধাবিতে। সেটিকে তিনি তাঁর ঘর বলেই মনে করেন, জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন বিদেশ সচিব?

    বুধবার বিদেশ সচিব বিনয় কোয়েত্রা বলেন, “ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির (India UAE Relation) মধ্যে ১০টি বিষয়ে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। শক্তি, পরিকাঠামো, লগ্নি এবং আর্কাইভাল ম্যানেজমেন্টের মতো জটিল ক্ষেত্রগুলিতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়াতেও সম্পাদিত হয়েছে চুক্তি। মঙ্গলবার সে দেশে পৌঁছেই প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহেনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। সেই বৈঠকেই সম্পাদিত হয়েছে চুক্তি এবং মউ। দুই দেশের বাণিজ্য যাতে মসৃণ গতিতে চলে এবং শক্তি নিরাপত্তা যাতে নিশ্চিত হয়, তাই দুই দেশের (India UAE Relation) মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে মউ।

    করিডর তৈরির কাজে জোর

    বিদেশমন্ত্রকের সচিব বলেন, “ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ ইকনমিক করিডর এবং ইন্টার গভর্নমেন্টাল ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট নিয়েও আলোচনা হবে দুই দেশের মধ্যে। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে উপকৃত হবে দুই দেশই। ভারত এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মধ্যে যে লজিস্টিক প্লাটফর্মে আরও বেশি করে বোঝাপড়া প্রয়োজন, এই করিডর তৈরির জন্যও যে দুই দেশের সহযোগিতা প্রয়োজন, তাও জানান বিদেশ মন্ত্রকের সচিব। দুই দেশের মধ্যে সাপ্লাই চেনও বজায় রাখতে হবে। বাল্ক কনটেনার্স এবং লিক্যুইড গুডসই যে দুই দেশের  আলোচনার অন্যতম ভরকেন্দ্র, তার ওপরও জোর দিয়েছেন ভারতের বিদেশ সচিব। তিনি জানান, ভারতের লক্ষ্য দ্রুত ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ ইকনমিক করিডর তৈরির কাজ শেষ করা এবং এই করিডরের সঙ্গে যেসব দেশ জড়িত, তাদের সঙ্গে শক্তপোক্ত সম্পর্ক গড়ে তোলা।

    আরও পড়ুুন: ফের ভাঙল কংগ্রেস, বিজেপিতে যোগ দিলেন লালবাহাদুর শাস্ত্রীর নাতি

    প্রসঙ্গত, গত সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে হয় জি২০ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানেই ওই করিডর গড়ে তোলার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। এই করিডর তৈরির কাজ শেষ হলে এক সুতোয় বাঁধা পড়বে ভারত, সংযুক্ত আরব আমির শাহি, সৌদি আরব, জর্ডন, ইজরায়েল এবং ইউরোপ। ভারত-সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সম্পর্ক যাতে আরও শক্তিশালী হয় তাই ডিজিটাল ইনফ্রাকস্ট্রাকচার প্রজেক্ট নিয়েও মউ স্বাক্ষরিত হবে দুই দেশের মধ্যে। দুই দেশের মধ্যে দক্ষতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং এক্সপার্টাইজও শেয়ার করা হবে (India UAE Relation)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vibhakar Shastri: ফের ভাঙল কংগ্রেস, বিজেপিতে যোগ দিলেন লালবাহাদুর শাস্ত্রীর নাতি

    Vibhakar Shastri: ফের ভাঙল কংগ্রেস, বিজেপিতে যোগ দিলেন লালবাহাদুর শাস্ত্রীর নাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর নাতি বিভাকর শাস্ত্রী (Vibhakar Shastri)। উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠকের উপস্থিতিতে এদিন লখনউয়ে  বিজেপির রাজ্য সদর দফতরে গিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন বিভাকর। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ভাঙনের জেরে কংগ্রেস দুর্বল হলেও, স্ফীতকায় হচ্ছে বিজেপি।

    কী বলছেন বিভাকর?

    এদিন পদ্ম ঝান্ডা হাতে নিয়ে বিভাকর (Vibhakar Shastri) বলেন, “আমি মনে করি যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আমি লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর জয় জওয়ান, জয় কিষানের দৃষ্টিভঙ্গীকে আরও শক্তিশালী করতে পারব এবং দেশের সেবা করতে পারব।” প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটিতে ঠাঁই হয়নি বিভাকরের। তখন থেকেই দলের প্রতি চাপা ক্ষোভ ছিল তাঁর। প্রকাশ করেছিলেন অসন্তোষও। শেষমেশ এদিন যোগ দিলেন বিজেপিতে।

    লালবাহাদুর শাস্ত্রী

    কংগ্রেসের মধ্যে যাঁরা মহাত্মা গান্ধীর অনুগামী হিসেবে পরিচিত, তাঁদের অন্যতম হলেন লালবাহাদুর শাস্ত্রী। ১৯৬৪ সালে প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী হন শাস্ত্রী। ১৯৬১ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিভাকর তাঁরই নাতি। এদিনই বিভাকর পদত্যাগ করেন কংগ্রেস থেকে। তার পরেই বিজেপি অফিসে গিয়ে নাম লেখান গেরুয়া খাতায়। এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস সভাপতির উদ্দেশে বিভাকর লেখেন, ‘কংগ্রেসের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে আমি ইস্তফা দিচ্ছি’।

    মঙ্গলবারও একবার ভেঙেছিল কংগ্রেস। এদিন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখমন্ত্রী অশোক চহ্বান ও কংগ্রেস নেতা বাবা সিদ্দিকিও ‘হাত’ ছেড়ে হাতে তুলে নিয়েছিলেন পদ্ম আঁকা ঝান্ডা। গত কয়েক দিনে কংগ্রেস ছেড়েছেন একের পর এক দুঁদে নেতা। অশোকের আগে কংগ্রেস ছেড়েছিলেন মিলিন্দ দেওরা। তিনি অবশ্য সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেননি। তিনি যোগ দিয়েছিলেন একনাথ শিন্ডের শিব সেনা শিবিরে।

    আরও পড়ুুন: মোদি-ডোভাল-জয়শঙ্কর, ত্রয়ীর চালেই বাজিমাত, দেশে ফিরলেন কাতারের আট বন্দি

    কংগ্রেসে ভাঙন শুরু হওয়ায় প্রমাদ গুণছেন ইন্ডি জোটের নেতারা। বিজেপি বিরোধী যে ২৬টি দল এক ছাতার এসেছিল পদ্মকে পরাস্ত করতে, তারাই এখন সিঁদুরে মেঘ দেখছে। কারণ কংগ্রেস ভেঙে গেলে ইন্ডি জোটের যে ধার কমে যাবে, তা (Vibhakar Shastri) মানছেন জোটে ভোট ম্যানেজাররাও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: মোদি-ডোভাল-জয়শঙ্কর, ত্রয়ীর চালেই বাজিমাত, দেশে ফিরলেন কাতারের আট বন্দি

    PM Modi: মোদি-ডোভাল-জয়শঙ্কর, ত্রয়ীর চালেই বাজিমাত, দেশে ফিরলেন কাতারের আট বন্দি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাজা হয়েছিল মৃত্যুদণ্ড। সেখান থেকে একেবারে মুক্তি পেয়ে দেশে ফেরা। কাতারের জেলবন্দি নৌবাহিনীর ৮ প্রাক্তন আধিকারিক দেশে ফিরে গাইছেন মোদি-স্তুতি (PM Modi)। তবে কেবল মোদি নন, এই আটজনের বেঁচে ফেরার নেপথ্যে রয়েছেন আরও দুজন। একজন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অন্যজন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। এই ত্রয়ীর চালেই হয় বাজিমাত। দেশে ফেরেন কাতারে মৃত্যু দণ্ডাজ্ঞাপ্রাপ্ত আটজন।

    চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার

    ওমান ভিত্তিক দারা গ্লোবালে কাজ করছিলেন ওই আটজন। চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার হন ২০২২ সালের ৩০ অগাস্ট। তার পর থেকে বন্দি ছিলেন সে দেশের জেলে। পরের বছর ২৬ অক্টোবর তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেয় কাতারের আদালত। এর পরেই নৌসেনার প্রাক্তন এই আট আধিকারিককে বাঁচাতে প্রাণপণ করে ভারত সরকার (PM Modi)। ২০২২ সালের অগাস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করকে তাঁদের মুক্তির বিষয়ে কাতার সরকারের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। বিদেশমন্ত্রক জানায়, গ্রেফতার হওয়ার প্রথম দিন থেকেই তাঁদের মুক্ত করতে উঠেপড়ে লাগে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়েই জয়শঙ্কর কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত ছয় কূটনীতিককে নিয়ে একটি দল গঠন করেন। মধ্য প্রাচ্য ও পশ্চিম এশিয়ার যাবতীয় তথ্য এঁদের নখদর্পণে।

    কাতার সরকারের সঙ্গে আলোচনা

    কাতার সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন এঁরাই। ধৃতদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে ভারতও। জানা যায়, চরবৃত্তির যে অভিযোগ এই আটজনের বিরুদ্ধে তোলা হয়েছে তা সর্বৈব মিথ্যে। এর পাশাপাশি নয়াদিল্লি ওমানের দারা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সিকিউরিটি সার্ভিসেস এলএসসির সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে। ওমানের সুলতান, যাঁর সঙ্গে মোদির সম্পর্ক খুবই ভালো, তিনিও এই আটজনকে কাতার যাতে মুক্তি দেয়, সে ব্যাপারে সওয়াল করেন। কাতার প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন লন্ডন ভিত্তিক এক ব্যবসায়ীও। এর পাশাপাশি ভারত ইরানকেও এ বিষয়ে কাতারের সঙ্গে কথা বলতে অনুরোধ করে। এমতাবস্থায় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এঁদের মুক্তির বিষয়ে চিঠি লেখেন কাতারকে। দু দিনের সফরে তিনি চলে যান দোহা। সেখানে বৈঠক করেন সে দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা শেখ মহম্মদ বিন আহমেদ আল মুসনাদের সঙ্গে।

    আরও পড়ুুন: দুবাইতে স্কুল খুলছে সিবিএসই, আবু ধাবিতে ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী

    ডোভাল মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভানের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। মার্কিন স্টেট সেক্রেটারি অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকেও এ ব্যাপারে অনুরোধ করেন। কাতারের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক বেশ ভালো। সেই কারণেই অনুরোধ করা হয় ব্লিঙ্কেনকে। ভারতের হয়ে সওয়াল করেন তাঁরা। হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধে কাতার হামাসদের পক্ষে। এমতাবস্থায় ভারত কথা বলে দোহা, ওয়াশিংটন, তেহরান এবং ম্যাসকটের সঙ্গে। মোদি (PM Modi) স্বয়ং কথা বলেন সে দেশের আমির আল থানির সঙ্গে। এই আটজনকে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী। এঁরা যে চরবৃত্তি করছিলেন না, তার অকাট্য প্রমাণ তুলে ধরেন ডোভাল।

    কাতারে যে প্রচুর ভারতীয় রয়েছেন, ভারত যে সে দেশে ১৫.০৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্য করতে চায়, প্রধানমন্ত্রী এসবই জানান আমিরকে। সেদেশে যে ছ’ হাজার ভারতীয় কোম্পানি রয়েছে, তাও জানান প্রধানমন্ত্রী। এই বৈঠকের পরেই গলে বরফ। ক্ষমা করে দেওয়া হয় জেলবন্দি আটজনকে। তার পরেই মেলে কাঙ্খিত মুক্তি (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share