Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • LCA Tejas Mk1A: মার্চ মাসেই প্রথম ‘তেজস মার্ক-১এ’ হাতে পাচ্ছে বায়ুসেনা?

    LCA Tejas Mk1A: মার্চ মাসেই প্রথম ‘তেজস মার্ক-১এ’ হাতে পাচ্ছে বায়ুসেনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশীয় যুদ্ধবিমান লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (এলসিএ) তেজস মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk1A) সংস্করণের উৎপাদন জোরকদমে চলছে। প্রথম বিমানের নির্মানের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। হতে পারে, প্রথম তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমানটি মার্চ মাসেই হস্তান্তর করা হবে। একইসঙ্গে, দ্রুতগতিতে কাজ চলছে তেজসের সর্বাধুনিক সংস্করণ মার্ক-২ যুদ্ধবিমানের (HAL Tejas Mk2) প্রথম প্রোটোটাইপের পূর্ব-প্রস্তুতি পর্ব। সূত্রের খবর, ২০২৭ সাল নাগাদ এই মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্র্যাফটের উৎপাদন শুরু হতে পারে।

    প্রথম তেজস মার্ক-১এ মার্চ মাসেই?

    ভারতীয় বায়ুসেনায় কমতে থাকা যুদ্ধবিমানের সংখ্যার মোকাবিলা করতে ২০২১ সালে তেজস মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk1A) কেনার সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিল কেন্দ্র। বর্তমানে ব্যবহৃত মার্ক-১ যুদ্ধবিমানগুলির তুলনায় মার্ক-১এ সংস্করণের ক্ষমতা অনেকটাই বেশি। এছাড়া এতে রয়েছে নতুন প্রজন্মের অত্যাধুনিক রেডার, ইলেক্ট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম, মিড-এয়ার রিফুয়েলিংয়ের মতো বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা। এমন ৮৩টি এলসিএ তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমানের বরাত দেওয়া হয়েছিল দেশীয় সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড বা হ্যাল-কে। জানা যাচ্ছে, প্রথম বিমানটি মার্চ মাসেই বায়ুসেনার হাতে তুলে দেওয়া হবে। অগাস্ট মাস নাগাদ বায়ুসেনার হাতে চলে আসতে পারে ৪টে তেজস মার্ক-১এ।

    উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে জোর 

    সূত্রে খবর, প্রথমে বরাত দেওয়া ৮৩টি মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk1A) ছাড়াও আরও অতিরিক্ত ৯৭টি যুদ্ধবিমান কেনার কথা ভাবছে বায়ুসেনা। বর্তমানে, দেশে যুদ্ধবিমান উৎপাদনের বার্ষিক ক্ষমতা ৮। অর্থাৎ, ফি-বছর ৮টি যুদ্ধবিমান উৎপাদনের ক্ষমতা ও পরিকাঠামো রয়েছে দেশে। সেটিকে বাড়িয়ে ১৬ করার চেষ্টা চলছে। সম্ভবত, চলতি বছরেই সেই পরিকাঠামো তৈরি হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে, বায়ুসেনায় নতুন বিমানের অন্তর্ভুক্তিকরণের সময় অর্ধেক হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ২০২৭ সালেই তেজস মার্ক-২

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, একবার উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে, তেজস মার্ক-২ যুদ্ধবিমান (HAL Tejas Mk2) নিয়ে দ্রুত এগনো সম্ভব হবে। এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, তা হল— ২০২৫ সালের মধ্যে তেজসের এই মিডিয়াম কমব্যাট ভেরিয়েন্ট বা সংস্করণের প্রথম প্রোটোটাইপ উন্মোচিত হবে। সেটিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর পর ২০২৭ সাল নাগাদ এই বিমানের উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বায়ুসেনা সূত্রে খবর, মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk1A) তুলনায় মার্ক-২ আরও অনেক বেশি ভারী ও শক্তিশালী হতে চলেছে। যে কারণে, এটি এলসিএ শ্রেণিভুক্ত না হয়ে মিডিয়াম ক্যাটেগরিতে স্থান পেয়েছে। এটির ক্ষেপণাস্ত্র বহন ক্ষমতা অনেক বেশি হতে চলেছে। পাশাপাশি, ক্ষেপণাস্ত্রের বৈচিত্র্যেও এটি পূর্বসূরিদের টেক্কা দেবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজ্যপালের কনভয়ে অন্য গাড়ি, নেপথ্যে হাত তৃণমূলের শাহজাহানের!

    CV Ananda Bose: রাজ্যপালের কনভয়ে অন্য গাড়ি, নেপথ্যে হাত তৃণমূলের শাহজাহানের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (CV Ananda Bose) কনভয়ে ঢুকে পড়ল অন্য একটি গাড়ি। দিল্লির এই ঘটনার পরেই কড়া নিরাপত্তায় রাজ্যপালকে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে গন্তব্যে। বাংলার রাজ্যপালের কনভয়ে কীভাবে অন্য গাড়ি ঢুকে পড়ল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। রাজভবনের অনুমান, এই ঘটনায় পলাতক তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ ও তার দলবলের হাত থাকতে পারে। ঘটনাটিকে নাশকতার ঘটনা হিসেবেই সন্দেহ করছে রাজভবন।

    কনভয়ে ঢোকার চেষ্টা অন্য গাড়ির

    সোমবারই সন্দেশখালি গিয়েছিলেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। ফিরে ধরেন দিল্লির উড়ান। জানা গিয়েছে, দিল্লিতে একটি বৈঠক সেরে পুসা এলাকায় কেন্দ্রীয় সরকারের গেস্ট হাউসে (দিল্লি গেলে এখানেই থাকেন রাজ্যপাল) ফিরছিলেন রাজ্যপাল। সেই সময় একটি গাড়ি বারবার তাঁর কনভয়ে ঢোকার চেষ্টা করে। ঘটনাটি নজরে পড়তেই গাড়িটিকে আটকানোর চেষ্টা করেন রাজ্যপালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআরপিএফের জওয়ানরা। অভিযোগ, সেই বাধা এড়িয়ে গাড়িটি কনভয়ে ঢুকে ধাক্কা মারে। গাড়িটিকে আটক করা হয়েছে বলে রাজভবন সূত্রে খবর। গ্রেফতার করা হয়েছে চালককে।

    সন্দেশখালিতে রাজ্যপাল 

    প্রসঙ্গত, এদিন সন্দেশখালিতে গিয়ে রাজ্যপাল কথা বলেন স্থানীয় মহিলাদের সঙ্গে। রাজ্যপালের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁরা। এর পরেই কড়া বার্তা দেন রাজ্যপাল। বলেন, “বাড়িতে ঢুকে মহিলাদের ওপর অত্যাচার করছে গুন্ডারা। রবীন্দ্রনাথের বাংলায় এমন হতে পারে না। আমার ক্ষমতায় যা সম্ভব, করব।” তিনি বলেন, “এখানে প্রত্যেকেই আমার বোন। তাঁদের সম্মান রক্ষার্থে যা করার, আমি তা-ই করব। আজ যে ছবি দেখলাম, তা আমাকে মর্মাহত করেছে। আজ যা দেখলাম, আগে কখনও দেখিনি। আজ যা শুনলাম, আগে শুনিনি। আইন আইনের পথে না চললে মানুষ বিপন্ন বোধ করেন।”

    আরও পড়ুুন: “ভারত-সংযুক্ত আরব আমিরশাহি দোস্তি জিন্দাবাদ”, প্রবাসীর সুর প্রধানমন্ত্রীর মুখে

    প্রসঙ্গত, শনিবারই রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালকে সন্দেশখালি যাওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপাল ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সন্দেশখালি না গেলে তিনি ধর্নায় বসবেন বলেও জানিয়েছিলেন। সেই সময়সীমা পেরনোর আগেই সন্দেশখালিতে যান রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। তার পরে পরেই ঘটে দিল্লিকাণ্ড।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

      

  • PM Modi: ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনা’র সূচনা, কীভাবে মিলবে সুযোগ?

    PM Modi: ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনা’র সূচনা, কীভাবে মিলবে সুযোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সূচনা হল ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: মুফত বিজলি যোজনা’র। মঙ্গলবার এই প্রকল্পের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের এক কোটি বাড়িতে বিনামূল্যে প্রতি মাসে ৩০০ ইউনিট বিদ্যুৎ দেওয়া হবে। এজন্য বিনিয়োগ করা হবে ৭৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। মোদি সরকারের দাবি, এই প্রকল্পের মাধ্যমে গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের আয় বাড়বে, কমবে বিদ্যুতের বিলের বোঝা। হবে কর্ম সংস্থানও।

    কী বলছেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রকল্পের সূচনা মঙ্গলবার হলেও, পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করা হয়েছে ঢের আগে। রাম মন্দির উদ্বোধনের পরে পরেই এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, “পৃথিবীর সমস্ত ভক্ত সর্বদা সূর্যবংশী ভগবান শ্রীরামের আলো থেকে শক্তি পান। আজ অযোধ্যায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার শুভক্ষণে আমার এই সঙ্কল্প আরও দৃঢ় হয়েছে যে ভারতবাসীর বাড়ির ছাদে তাদের নিজস্ব সোলার সিস্টেম থাকুক। অযোধ্যা থেকে ফিরে আসার পরে আমি প্রথম যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তা হল আমাদের সরকার ১ কোটি বাড়িতে ছাদে সোলার ব্যবস্থা বসানোর লক্ষ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সূর্যোদয় যোজনা চালু করবে। এর ফলে গরিব ও মধ্যবিত্তের বিদ্যুৎ বিল তো কম হবেই, সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হবে ভারত।”

    নয়া প্রকল্প

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সূর্যোদয় যোজনা নামে একটি প্রকল্প ছিল কেন্দ্রের। এবার নয়া প্রকল্পের নাম হল প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর: মুফত বিজলি যোজনা। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে প্রকল্প সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পের উপভোক্তাদের ব্যঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ভর্তুকির টাকা পৌঁছে যাবে।

    প্রকল্পের নাম নথিভুক্ত করতে https://pmsuryaghar.gov.in পোর্টালে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। রাজ্য, আবেদনকারী কোন বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার গ্রাহক, কনজিউমার নম্বর, মোবাইল নম্বর, ই-মেল আইডি দিতে হবে। এর পর বিদ্যুৎ সংযোগের কনজিউমার নম্বর ও মোবাইল নম্বর দিয়ে লগ ইন করতে হবে। তার পরেই আবেদন করতে হবে। দরিদ্র ও মধ্যবিত্তরা যাতে সোলারের সাহায্যে বিদ্যুৎ পেতে পারেন, সেই জন্যই এই প্রকল্প বলে দাবি কেন্দ্রের।

    আরও পড়ুুন: মুখ পুড়ল রাজ্যের! সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা বাতিলের নির্দেশ হাইকোর্টের

    জানা গিয়েছে, বাড়িতে সৌর বিদ্যুতের ব্যবস্থা হয়ে গেলে বছরে ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা খরচ কমবে। বাড়িতে ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্রিও করা যাবে বিদ্যুৎ। সোলার প্যানেল বসানো ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অনেক কর্মসংস্থানও হবে (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Farmer Protest: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলনে দেখা গেল ‘খালিস্তানি পতাকা’!

    Farmer Protest: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলনে দেখা গেল ‘খালিস্তানি পতাকা’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারি পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং অন্যান্য রাজ্যের কৃষকদের একাংশ ‘দিল্লি চলো’ অভিযানের (Farmer Protest) ডাক দিয়েছে। একাধিক ট্রাক্টর এর মিছিল দেখা গিয়েছে এই আন্দোলনে। সেখানেই দেখা গেল বিচ্ছিন্নতাবাদী খালিস্থানি পতাকা। এর পাশাপাশি ওই পতাকায়  ছবি দেখা গেল ভিন্দ্রেনওয়ালের। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। এই কৃষক আন্দোলন যে বিচ্ছিন্নতাবাদী খালিস্থানপন্থীদের মদতেই সংগঠিত হচ্ছে এতে কোনও সন্দেহ রইল না।

    কৃষক মিছিলে খালিস্তানি পতাকা

    সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করা ওই ভিডিওর ১৫ থেকে ১৭ সেকেন্ডের মধ্যে দেখা যাচ্ছে যে লাল রঙের একটি ট্রাক্টরের উপরে উড়ছে হলুদ রঙের পতাকা। সেখানেই রয়েছে ভিন্দ্রেলওয়ালের ছবি। প্রসঙ্গত, আগেই কেন্দ্রের মোদি সরকার কৃষকদের (Farmer Protest) দাবি-দাওয়া নিয়ে চণ্ডীগড়ে একটি বৈঠক সম্পন্ন করেছে। খাদ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং কৃষিমন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা কৃষকদের দাবি-দাওয়া শুনেছেন সেখানে। ওই বৈঠকে হাজির ছিলেন পাঞ্জাবের মন্ত্রী কুলদীপ সিং ধালিয়ালও। ৫ ঘণ্টা ধরে চলে ওই বৈঠক। কৃষক নেতারা এরপরেই ঘোষণা করেন ‘দিল্লি চলো’ অভিযানের ডাক দেন। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বেঁধে দেওয়া, ঋণ মকুব সমেত একাধিক দাবি রয়েছে এই আন্দোলনে।

    খালিস্তানপন্থী নেতা পান্নুনের উস্কানি

    ইতিমধ্যে নিষিদ্ধ খালিস্থানি জঙ্গি সংগঠন ‘শিখ ফর জাস্টিস’ এর প্রধান পান্নুনের ভিডিও সামনে এসেছে। যেখানে কৃষকদেরকে (Farmer Protest) উস্কানি দিতে শোনা যাচ্ছে তাঁকে। ওই ভিডিও বার্তায় তিনি বলছেন যে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে চেয়ে তোমরা কিছু পাবে না, তোমাদের দিল্লি জয় করতে হবে। যে ভিডিওতে পান্নুন এই হুমকি দিচ্ছেন সেখানে তাঁর পিছনেই লেখা রয়েছে ‘মোদি হাউস’ এবং সেখানে খালিস্তানি পতাকাও উড়ছে। অর্থাৎ দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে খালিস্তানি পতাকা ওড়াতে প্ররোচনা দিচ্ছেন পান্নুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jayant Chaudhary: এনডিএতেই যোগ দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় লোক দল, ঘোষণা জয়ন্তর

    Jayant Chaudhary: এনডিএতেই যোগ দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় লোক দল, ঘোষণা জয়ন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএতে যোগ দিতে চলেছে রাষ্ট্রীয় লোক দল (Jayant Chaudhary)। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রীয় লোক দল সুপ্রিমো জয়ন্ত চৌধুরী। জয়ন্তর দল যে বিজেপি শিবিরে ভিড়তে চলেছে, সে খবর আগেই জানিয়েছিল মাধ্যম। সে খবর যে নিছক গল্পকথা নয়, তার প্রমাণ মিলল সোমবার, যেদিন জয়ন্ত ঘোষণা করলেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ ঢুকছে তাঁর দল।

    এনডিএতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত

    জয়ন্ত বলেন, “আমার দলের সব বিধায়ক ও কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে বড় কোনও বড় পরিকল্পনাও ছিল না। অনেক আগেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম। কিন্তু পরিস্থিতি বুঝে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে দ্রুত।” তিনি বলেন, “আমরা দেশের ভালোর জন্য, মানুষের জন্য কিছু করতে চাই।” দিন কয়েক আগে জয়ন্ত চৌধুরীর (Jayant Chaudhary) দাদু চৌধুরী চরণ সিংহকে ভারতরত্ন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। সে প্রসঙ্গ টেনে জয়ন্ত বলেন, “তার পরেই আমি কথা বলি দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে। কথা বলেছি, দলীয় কর্মীদের সঙ্গেও। তার পরেই এনডিএ শামিল হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।”

    ইন্ডিতে ফাটল

    জয়ন্তর দল বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’তে ছিল। পরে জোটের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করে রাষ্ট্রীয় লোক দল। শেষমেশ ছিন্ন হল বন্ধন। জয়ন্ত ঘোষণা করলেন এডিএতে যোগ দিচ্ছে তাঁর দল। জয়ন্ত (Jayant Chaudhary) বলেন, “দেশ এবং দেশবাসীর জন্য ভালো কিছু করতে চাই আমরা। যখন ভারতরত্ন দেওয়া হল, তখন আমরা খুব খুশি হলাম। এই সম্মান কেবল আমার পরিবার কিংবা পার্টির মধ্যেই সীমাবন্ধ নয়। এই সম্মান প্রতিটি কৃষকের, তরুণের এবং দরিদ্রের।” প্রধানমন্ত্রী যখন চৌধুরী চরণ সিংহকে ভারতরত্ন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন, তখন এক্স হ্যান্ডেলে জয়ন্ত লিখেছিলেন, “আপনি আমাদের হৃদয় জয় করে নিয়েছেন।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায়…’’, আরব সফরে যাওয়ার আগে বার্তা মোদির

    ঘনিয়ে আসছে লোকসভা নির্বাচন। ঘর ভাঙছে ‘ইন্ডি’ জোটের। একের পর এক দল ভিড়ছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ শিবিরে। প্রত্যাশিতভাবেই আড়ে-বহরে বাড়ছে এনডিএ। আর ভাঙনের জেরে ক্রমেই শীর্ণকায় হচ্ছে বিরোধীদের সাধের ‘ইন্ডি’ জোট।

    লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত জোট টিকলে হয়!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

      

       

  • Mount Everest: আর যত্রতত্র ত্যাগ নয়, মলের ব্যাগ বহন করতে হবে এভারেস্ট অভিযাত্রীদের

    Mount Everest: আর যত্রতত্র ত্যাগ নয়, মলের ব্যাগ বহন করতে হবে এভারেস্ট অভিযাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এভারেস্ট (Mount Everest) অভিযাত্রীদের জন্য নতুন নিয়ম আনছে নেপালের স্থানীয় প্রশাসন। পিঠে মলের ব্যাগ বহন করেই শৃঙ্গজয় করতে হবে আরোহীদের। অভিযানে যাওয়ার আগে বেসক্যাম্প থেকেই নিজেদের মল-মূত্রের ব্যাগ সংগ্রহ করে নিতে হবে। যাত্রাপথে নিজেদের মল-মূত্র সহ যাবতীয় বর্জ্য জমা রাখতে হবে ওই ব্যাগেই। পাহাড়ের প্রকৃতিক পরিবেশ যাতে নষ্ট বা দূষণ না হয় সেই জন্যই এই নিয়মের কথা বলা হয়েছে।

    পাসাং লামু গ্রামীণ পুরসভার সিদ্ধান্ত (Mount Everest)

    প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে এভারেস্ট পর্বতে (Mount Everest) আরোহণ করার অভিসন্ধি অনেক আরোহীদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। দুর্গম শৃঙ্গজয়ের লক্ষ্যে ছুটে যান দেশ-বিদেশের নানা আরোহীরা। বহু পর্বত আরোহীদের আনাগোনার কারণে পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট বা দূষিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছিল। আর তাই এভারেস্ট এবং লোৎসে পর্বত অভিযানের সময় বর্জ্য-পদার্থ ব্যাগেই বহন করতে হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। পরিবেশকে সুস্থ্য রাখতে এই নিয়মের কথা জানিয়েছে পাসাং লামু গ্রামীণ পুরসভা। আবার এসপিসিসি-এর প্রধান কর্মী ছিরিং শেরপা বলেছেন, “একজন পর্বতারোহী প্রতিদিন প্রায় ২৫০ গ্রাম মলমূত্র ত্যাগ করেন। একজন পর্বতারোহী প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চূড়ায় ওঠার চেষ্টা করেন। সেই হিসাবে আমরা দুটি ব্যাগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছি, যার প্রতিটিকে পাঁচ থেকে ছয় বার ব্যবহার করা যাবে।“

    কী জানালো পুরসভার চিয়ারম্যন

    দিন দিন পাহাড়ের (Mount Everest) পরিবেশ মল-মূত্র এবং নানান বর্জ্য পদার্থের কারণের দুষণের মাত্রা ব্যাপক আকার নিয়েছে। এই বিষয়ে তাই প্রতিরোধ করতে পাসাং লামু গ্রামীণ পুরসভার চেয়ারম্যান মিঙ্গমা শেরপা এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “পাহাড়ের গায়ে প্রচুর বর্জ্য পদার্থ পড়ে থাকার অভিযোগ মিলেছে। পর্বতারোহীরা ইতিমধ্যে প্রচুর পরিমাণে অভিযোগ জানিয়েছেন। ফলে পাহাড়ের জনস্বাস্থ্য এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের কথা মাথায় রেখে আরোহীদের বর্জ্যপদার্থ জমা করার ব্যাগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। এবার থেকে অভিযান শুরুর আগে বেসক্যাম্প থেকেই এই ব্যাগ সংগ্রহ করতে হবে। একই ভাবে অভিযান শেষ করে বেস ক্যাম্পে এসেই সেই ব্যাগ জমা করতে হবে। ব্যাগকে পুরসভা থেকে নিরীক্ষণ করা হবে।”

    কীভাবে পাহাড়ে দূষণ হয়

    পর্বতারোহীরা (Mount Everest)  প্রথমে পাহাড়ের আবহাওয়া এবং উচ্চতা অনুসারে তাপমাত্রার সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে কিছু দিন বেসক্যাম্প থাকেন। সেই সময় তাঁবু খাটিয়ে আলাদা করে শৌচক্রিয়া করতে হয়। এই সময় সঙ্গে থাকে ব্যারেল, তাতেই বর্জ্য জমা হয়। কিন্তু পাহাড়ে ওঠার সময় বেস ক্যাম্পে ফিরে শৌচক্রিয়া সম্ভব নয়, ফলে অপেক্ষাকৃত কম বরফে গর্ত করে করতে হয় প্রাকৃতিক কাজ। কিন্তু তাপমাত্রা কারণে সেই বর্জ্য মাটিতে মিশতে পারে না। বরফ এবং গলা জলের সঙ্গে চারিদিকে ছড়িয়ে যায়। ফলে দূষণ বাড়ে। এই দূষণ থেকে রক্ষা পেতে পুরসভা দিতে চলেছে ব্যাগ।  

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Haldwani Violence: হলদোয়ানি হিংসার মাস্টারমাইন্ড আব্দুল মালিককে ২.৪৪ কোটি টাকার জরিমানা

    Haldwani Violence: হলদোয়ানি হিংসার মাস্টারমাইন্ড আব্দুল মালিককে ২.৪৪ কোটি টাকার জরিমানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হলদোয়ানি পুরসভার (Haldwani Violence) তরফ থেকে যে অবৈধ মাদ্রাসা ভাঙা হয় তা চালাতেন আব্দুল মালিক নামের একজন। সেদিন যে উত্তেজিত জনতা প্রশাসনের আধিকারিকদের উপর পাথর ছুড়ে বিক্ষোভ দেখায়, সেই ভিড়ের নেতৃত্বেও ছিলেন তিনি। এ কথা জানিয়েছেন নৈনিতালের সিনিয়র পুলিশ অফিসার প্রহ্লাদ নারায়ণ। রবিবারই আবদুল মালিককে গ্রেফতার করা হয় দিল্লি থেকে। এবং তাঁকে দেরাদুনে নিয়ে আসা হয়। সোমবারই তাঁকে পুরসভার তরফ থেকে একটি নোটিশ পাঠানো হয়। জনগণের সম্পত্তি ভাঙচুর (Haldwani Violence) এবং নষ্ট করার জন্য তাঁকে ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকার জরিমানা করা হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। জানা গিয়েছে, ১৫টি গাড়িতে আগুন লাগানোর জন্য জরিমানা করা হয়েছে ২ কোটি ৪১ লাখ টাকা এবং জনগণের সম্পত্তি নষ্ট করার জন্য ফাইন করা হয়েছে বাকি ৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা।

    মাস্টারমাইন্ড আব্দুল মালিকের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল দাঙ্গাকারীরা

    হলদোয়ানির বাসিন্দা ওই আবদুল মালিক (Haldwani Violence) গত বছর রেলের জমি দখল ঘিরে একটি মামলায় অভিযুক্তদের বিনামূল্য আইনি সহায়তা দিয়েছিলেন। এর ফলে, সেখানকার মুসলিমদের জনগোষ্ঠীর একাংশের মনে তাঁর জন্য আলাদা সহানুভূতি তৈরি হয়। সেই সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে নিজে সরকারি জমি দখল করে বেআইনি মাদ্রাসা গড়ে তোলেন। পরে হাইকোর্টের নির্দেশ মতো তা পুরসভা ভাঙতে এলে সেখানকার বাসিন্দারা তাঁর সঙ্গে প্রতিরোধে সামিল হয় এবং পাথর ছুড়তে থাকে। এবিষয়ে উত্তরাখণ্ডের হাইকোর্টের একটা আইনজীবী আহরার বৈগো সংবাদমাধ্যমকে বলেন যে আব্দুল মালিক জনগণের কাছ থেকে অনেকটাই সহানুভূতি পেয়েছেন। কারণ তিনি বিনামূল্যে আইনি পরিষেবা দিয়েছেন (Haldwani Violence) বিভিন্ন মানুষকে।

    অবৈধ মাদ্রাসার স্থানে নির্মাণ হবে পুলিশ স্টেশন

    উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানিতে যে স্থানে অবৈধ মাদ্রাসা ভাঙাকে কেন্দ্র করে গোষ্ঠী সংঘর্ষ ছড়ায়, সেই স্থানে পুলিশ স্টেশন নির্মাণের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি। এদিন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘একটি পুলিশ স্টেশন নির্মাণ করা হবে বনভুলাপুরার সেই স্থানে যেখানে অবৈধ নির্মাণকে সরানো হয়েছে।’’ পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর আরও ঘোষণা, ‘‘এটা সেই দাঙ্গাকারীদের উদ্দেশে বার্তা দেওয়া হবে যারা দেবভূমির শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে বিনষ্ট করতে চেয়েছিল। আমাদের সরকারের তরফ থেকে এই বার্তা খুবই স্পষ্ট। যারা এই ধরনের কাজে জড়িত রয়েছে এবং শান্তি ভঙ্গের চেষ্টা করছে, সারা দেবভূমিকে অশান্ত করতে চাইছে। তাদের কোনও জায়গা নেই উত্তরাখণ্ডে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Farmers Delhi Chalo Protest: ফের পথে কৃষকরা, দুর্ভেদ্য ঘাঁটিতে পরিণত দিল্লি

    Farmers Delhi Chalo Protest: ফের পথে কৃষকরা, দুর্ভেদ্য ঘাঁটিতে পরিণত দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালের পর ফের ২০২৪। আবারও পথে নেমেছেন কৃষকরা। ডাক দিয়েছেন দিল্লি চলো অভিযানের (Farmers Delhi Chalo Protest)। চার বছর আগে কৃষকরা পথে নেমেছিলেন তিন কৃষি আইন বাতিল ও কৃষির ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের দাবিতে। এবার তাঁদের আন্দোলনের প্রস্তুতি লখিমপুর খেড়িতে কৃষক খুনের তদন্ত সহ একগুচ্ছ দাবিতে।

    কৃষকদের দাবি

    বিদ্যুৎ আইন, কৃষিঋণ মকুব, লখিমপুর খেড়িতে কৃষক হত্যাকাণ্ডের মূল ষড়যন্ত্রকারী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনির শাস্তিরও দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা। মৃত কৃষকদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতেও সোচ্চার হয়েছেন তাঁরা। ২০২০ সালে আন্দোলনের সময় বেশ কয়েকজন কৃষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই সব মামলা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিলেও, তা করা হয়নি বলে অভিযোগ। সেই মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানানো (Farmers Delhi Chalo Protest) হয়েছে।

    অশান্তির আশঙ্কায় কড়া প্রহরা

    এদিকে, কৃষক বিক্ষোভের জেরে অশান্তির আশঙ্কায় বিভিন্ন জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে দিল্লি পুলিশ। দিল্লি সীমানায় ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া প্রহরার। জানা গিয়েছে, সোমবার থেকে রাজ্যজুড়ে জারি হওয়া ১৪৪ ধারা চলবে ১২ মার্চ পর্যন্ত। দিল্লি পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় অরোরা বলেন, “একমাস ধরে রাজধানীতে জারি থাকবে ১৪৪ ধারা। নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে যে কোনও বড় জমায়েতে। ট্রাক্টর নিয়েও প্রবেশ করা যাবে না দিল্লিতে। ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করলেই করা হবে গ্রেফতার।”

    আরও পড়ুুন: উত্তরাখণ্ডের পর এবার অসম, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পেশ হচ্ছে বিধানসভায়

    কৃষকদের আন্দোলন থেকে বিরত করতে চেষ্টার কম কসুর করেনি সরকার। সোমবার মধ্যরাতে চণ্ডীগড়ে কৃষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা ও কেন্দ্রীয় ক্রেতাসুরক্ষা মন্ত্রী পীযূষ গয়াল। তার পরেও আন্দোলনে অনড় কৃষকরা। মঙ্গলবার সাত সকালে পঞ্জাব, হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে দুশোটিরও বেশি কৃষক সংগঠন রওনা দেয় দিল্লির উদ্দেশে। অন্তত ২০ হাজার কৃষক শামিল হয়েছেন এই অভিযানে।

    আন্দোলনকারীরা যাতে দিল্লিতে ঢুকতে না পারেন, তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে পুলিশের তরফে। গাজিপুর, সিংগু, টিকরি সহ পুরো সীমানা রূপান্তরিত করা হয়েছে সেনানিবাসে। গাজিপুর সীমানায় যানবাহন চলছে শ্লথ গতিতে। কুরুক্ষেত্র, আম্বালা, কাইথাল, জিন্দ, হিসার, ফতেহাবাদ ও সিরসায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মঙ্গলবার পর্যন্ত (Farmers Delhi Chalo Protest)। এদিকে, পঞ্জাব ও হরিয়ানার মধ্যবর্তী সীমানায় কৃষকদের গতি রুদ্ধ করতে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। পুলিশ ও প্রতিবাদী কৃষকদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও হয়। 

       

  • UCC: উত্তরাখণ্ডের পর এবার অসম, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পেশ হচ্ছে বিধানসভায়

    UCC: উত্তরাখণ্ডের পর এবার অসম, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পেশ হচ্ছে বিধানসভায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগীরথ হয়েছিল উত্তরাখণ্ড সরকার। এবার তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করতে চলেছে অসমের বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, রাজ্যে যে বাজেট অধিবেশন হবে, তখনই পেশ করা হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC)। উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় পাশ হয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। পাশ হয়েছে অসম মন্ত্রিসভায়ও। এবার সেটি পেশ করা হবে বিধানসভায় অনুমোদনের জন্য।

    মন্ত্রিসভায় পাশ

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, বহুবিবাহ বিল ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি দুটি বিলই পাশ হয়েছে মন্ত্রিসভায়। এবার এই দুটি বিলকে আইনে পরিণত করতে বিধানসভায় পাশ করানো হবে। বিলটি আইনে পরিণত হলে বহু বিবাহকারী ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লঙ্ঘনকারীকে সিভিল অফেন্স হিসেবে গণ্য করা হবে। হিমন্ত বলেন, “দেশের প্রয়োজন একটিই নীতি। তাই আমরা বিধানসভা বহু বিবাহ ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পাশ করাব। বহু বিবাহ বিল ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধির মধ্যে ঐক্যসাধন করতে অসম সরকার একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। বিশেষজ্ঞ কমিটি বিল দুটি চূড়ান্ত করলে, চলতি বাজেট অধিবেশনেই তা পেশ করা হবে। তা না হলে এই বিল দুটি পেশ করা হবে পরবর্তী অধিবেশনে।”

    কী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, প্রথম থেকেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) পক্ষে সওয়াল করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত। তিনি বলেছিলেন, “সব মুসলমান মহিলাদের ন্যায় বিচার দেওয়ার জন্য এই আইন প্রবর্তন করা প্রয়োজন। কারণ প্রতিটি মুসলিম মহিলা চান অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হোক। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আমার কোনও ইস্যু নয়, এটা মুসলমান মহিলাদের চাহিদা। কারণ কোনও মুসলমান মহিলাই চাইবেন না যে তাঁর স্বামী ঘরে আরও তিনটি স্ত্রী নিয়ে আসুক।” তিনি বলেন, ‘যদি তাঁদের ন্যায় বিচার দিতে হয়, তাহলে তিন তালাক বাতিল করার পরে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: আবু ধাবিতে হিন্দু মন্দিরের উদ্বোধনে মৈত্রীর বার্তা, দ্বারোদঘাটন করবেন মোদি

    বহু বিবাহ ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পাশ করার আগেই অসমের মন্ত্রিসভায় পাশ হয়েছে আরও একটি বিল। এটি হল, ম্যাজিক্যাল হিলিং প্র্যাকটিসেস। এই পদ্ধতিতে রোগ সারানোর নামে খ্রিস্টান মিশনারিরা ধর্মান্তরিত করেন বলে অভিযোগ (UCC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand CM: বনভুলাপুরার অবৈধ মাদ্রাসার স্থানে হবে পুলিশ স্টেশন, ঘোষণা ধামির

    Uttarakhand CM: বনভুলাপুরার অবৈধ মাদ্রাসার স্থানে হবে পুলিশ স্টেশন, ঘোষণা ধামির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানিতে যে স্থানে অবৈধ মাদ্রাসা ভাঙাকে কেন্দ্র করে গোষ্ঠী সংঘর্ষ ছড়ায়, সেই স্থানে পুলিশ স্টেশন নির্মাণের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি (Uttarakhand CM)। এদিন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘একটি পুলিশ স্টেশন নির্মাণ করা হবে বনভুলাপুরার সেই স্থানে যেখানে অবৈধ নির্মাণকে সরানো হয়েছে।’’ পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর আরও ঘোষণা, ‘‘এটা সেই দাঙ্গাকারীদের উদ্দেশে বার্তা দেওয়া হবে যারা দেবভূমির শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে বিনষ্ট করতে চেয়েছিল। আমাদের সরকারের তরফ থেকে এই বার্তা খুবই স্পষ্ট। যারা এই ধরনের কাজে জড়িত রয়েছে এবং শান্তি ভঙ্গের চেষ্টা করছে, সারা দেবভূমিকে অশান্ত করতে চাইছে। তাদের কোনও জায়গা নেই উত্তরাখণ্ডে।’’

    সম্প্রতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানি

    সম্প্রতি হলদোয়ানিতে একটি মাদ্রাসা ভাঙাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পৌর প্রশাসন এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপরে হামলার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে কার্ফু জারি করতে হয় উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকারকে। দশ হাজার মানুষের বাস রয়েছে ওই স্থানে এবং তা পুরোটাই মুসলিম অধ্যুষিত। সরকার বেআইনি মাদ্রাসা ভাঙতে যাওয়া মাত্রই ওখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপর পাথর ছুড়তে থাকে। এই ঘটনায় অসংখ্য পুলিশ কর্মী, সাংবাদিক এবং সাধারণ নাগরিক গুরুতরভাবে জখম হন। প্রশাসনের অসংখ্য গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। পাঁচ হাজার ব্যক্তির নামে পুলিশ এফআইআর দায়ের করে (Uttarakhand CM)। যাদের মধ্যে ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

    জরিমানা করা হল দাঙ্গাকারীদের 

    এর পাশাপাশি যে সমস্ত ট্রাক্টর, পণ্যবাহী যান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ও আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, সেই সমস্ত কিছুর উপরেও ক্ষতিপূরণ চাপিয়েছে সরকার (Uttarakhand CM)। আগামী তিন দিনের মধ্যে সেই ক্ষতিপূরণ জমা দিতে বলা হয়েছে। স্থানীয় পৌরসভা থেকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে আব্দুল মালেকের কাছে। যিনি ওই বেআইনি মাদ্রাসার জমির মালিক বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে আড়াই কোটি টাকা ফাইন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share